১২:৪২ পূর্বাহ্ন

বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : মে ৮, ২০২১ ৭:১১ অপরাহ্ন
ফেনীতে ধানের বদলে কুমড়া চাষে তিন গুণ লাভ!
কৃষি বিভাগ

দাম ভালো পাওয়ায় ফেনী সদর উপজেলার কালিদহ ইউনিয়নে ধানের পরিবর্তে কুমড়া চাষের দিকে ঝুঁকছেন কৃষকরা। আবহাওয়া ও জমি চাষের উপযোগী হওয়ায় ফলন বেশ পেয়েছেন চাষিরা। এবং তিনগুণ বেশি লাভ হচ্ছে বলে দাবি করছেন তারা।

জানা যায়, চলতি মৌসুমে ৪’শ শতক জমিতে মিষ্টি কুমড়া ও চাল কুমড়া চাষ করে অনেক টাকা আয় করেছেন কৃষকরা। আগামীতে তারা আরও বেশি কুমড়া চাষ করবেন বলে জানান। কালিদহ ইউনিয়নে কৃষকদের জন্য আইপিএম নামের একটি ক্লাব রয়েছে। এখন ঐ ক্লাবের সদস্য ২০ জন।

কৃষক মহিউদ্দিন জানান, কৃষি কর্মকর্তাদের সহযোগিতায় আমার ২০ শতক জমিতে কুমড়া চাষ করেছি। সঠিক নিয়মে পরিচর্যা করায় ফলনও বেশ ভালো হয়েছে। আগামীতে দ্বিগুণ কুমড়া চাষ করার ইচ্ছা আছে। প্রতি শতক কুমড়া চাষে খরচ হয়েছে ৩০০ টাকা। প্রতি শতক কুমড়া বিক্রি করেছি ১ হাজার টাকায়।

চাষি শাহজালাল অনিক জানান, তিনি এবছর মাত্র ৩০ শতক জমিতে চাল কুমড়ার চাষ করেন। এতে তার খরচ হয়েছে প্রায় ৮ থেকে ৯ হাজার টাকা। কুমড়া বিক্রি করে তার প্রায় ২০-২৫ হাজার টাকা লাভ হতে পারে।

উপজেলার কৃষি অফিসার মাসুদ রানা জানান, কৃষি অফিস থেকে নিয়মিত তাদের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। আগামীতে এর ফলন আরও বাড়বে বলে আশা করা যাচ্ছে বলে তিনি জানান।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মে ৮, ২০২১ ৬:২৯ অপরাহ্ন
ঘাটাইলে সরকারি খাদ্য গুদামে বোরো ধান-চাল সংগ্রহের উদ্বোধন
এগ্রিবিজনেস

টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে সরকারি খাদ্য গুদামে অভ্যন্তরীণ বোরো ধান-চাল সংগ্রহ কার্যক্রম উদ্বোধন করা হয়েছে।

শনিবার(৮ মে) দুপুরে জাতীয় সংসদে খাদ্য মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত স্থায়ী কমিটির সদস্য স্থানীয় সংসদ সদস্য আতাউর রহমান খান এ কার্যক্রম উদ্বোধন করেন।

ঘাটাইল খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মুহাম্মদ খোরশেদ আলম মাসুদ জানান, এবারের বোরো মৌসুমে অ্যাপের মাধ্যমে নিবন্ধন করা ও সরাসরি কৃষকের কাছ থেকে প্রতি মণ এক হাজার ৮০ টাকা দরে দুই হাজার ৯২৬ মেট্রিক টন ধান ও ৪০ টাকা কেজিতে ছয় হাজার ৭৭১ মেট্রিক টন বোরো সিদ্ধ চাল সংগ্রহ করা হবে। যা ধান ও চালের আর্দ্রতা থাকতে হবে ১৪ শতাংশ। সংগ্রহ কার্যক্রম ১৬ আগস্ট পর্যন্ত চলবে বলে জানান তিনি।

এর আগে সকাল ১১ টার দিকে ইউএনও অঞ্জন কুমার সরকারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য রাখেন উপজেলা চেয়ারম্যান শহীদুল ইসলাম লেবু, ভাইস চেয়ারম্যান কাজী আরজু, উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা সাইফুল আবেদীন, উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক শাকির হোসেন খান, উপজেলা কৃষক লীগের আহবায়ক সফিকুল ইসলাম দুলাল চৌধুরী, স্থানীয় কৃষক আব্দুল বাসেত।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মে ৮, ২০২১ ৪:২৬ অপরাহ্ন
নতুন করে কৃষি বিপ্লব ঘটবে: কৃষিমন্ত্রী
কৃষি বিভাগ

কৃষিমন্ত্রী ড. মো: আব্দুর রাজ্জাক এমপি বলেছেন, খাদ্যের ক্রমবর্ধমান চাহিদা মেটাতে আমাদের বিজ্ঞানীরা নিরলসভাবে কাজ করছে। সম্প্রতি ব্রি–৮১, ব্রি- ৮৯, ব্রি ৯২, মুজিববর্ষে ব্রি- ১০০সহ অনেকগুলো উন্নত জাতের ধান উদ্ভাবিত হয়েছে। ব্রি-৮১, ব্রি- ৮৯ ও ব্রি ৯২ জাতের ধানের ফলন অনেক বেশি। প্রতি বিঘায় ২৫- ৩০ মণ, প্রতি শতকে প্রায় ১ মণ। এ জাতগুলো চাষের মাধ্যমে দেশে নতুন করে সবুজ বিপ্লব ঘটবে। দেশে খাদ্য উৎপাদন অনেকগুণ বাড়বে ও ভবিষ্যতে খাদ্য সংকট হবে না।
কৃষিমন্ত্রী আজ শনিবার টাঙ্গাইলের ধনবাড়ী উপজেলার মুশুদ্দি কামারপাড়ায় ‘ব্রি-৮৯ ও ৯২ জাতের ধান কর্তন ও কৃষক সমাবেশ’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ কথা বলেন। বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ব্রি) ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
মন্ত্রী বলেন, ব্রি ৮৯ ও ব্রি- ৯২ চাষের মাধ্যমে উন্নত শস্য বিন্যাসে বোরো ধান ও আমন ধান চাষ করে পতিত সময়ে সরিষা করা যাবে। প্রতিবছর আমাদেরকে বিদেশ থেকে ১৫-২০ হাজার কোটি টাকার বিপুল পরিমাণ ভোজ্য তেল আমদানি করতে হয়। এ জাত দুটি চাষ করলে অতিরিক্ত ফসল হিসাবে সরিষা উৎপাদন করা যাবে। ফলে সরিষার উৎপাদন বাড়বে ও তেল আমদানির পরিমাণ কমবে।
ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. শাহজাহান কবীরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে কৃষি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো: মেসবাহুল ইসলাম, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো: আসাদুল্লাহ, বারির মহাপরিচালক ড. মো: নাজিরুল ইসলাম, বিনার ডিজি ড. মির্জা মোফাজ্জল ইসলাম, টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক মো: আতাউল গণি, পুলিশ সুপার সঞ্জিত কুমার রায় প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
ব্রির তথ্য মতে, গত ফেব্রুয়ারি মাসে রোপণকৃত ব্রি ধান৮৯ ও ব্রি ধান৯২ আজ কাটা হয়। আগে এই এলাকায় ব্রি ধান২৮ এবং ব্রি ধান২৯ আবাদ করা হতো যেখানে ব্রি ধান২৮ ও ব্রি ধান২৯ এর ফলন ছিল বিঘাপ্রতি ১৮ থেকে ২০ মন, সেখানে ব্রি ধান৮৯ ও ব্রি ধান৯২ ধানের ফলন পাওয়া যায় বিঘাপ্রতি ২৫-৩০ মন। এছাড়াও, ব্রি ধান২৯ এর চেয়ে পাঁচ থেকে সাত দিন পূর্বেই কর্তন করা যায় এই দুটি জাত।
ব্রির তথ্যে জানা যায়, বোরো-পতিত-রোপা আমন বাংলাদেশের একটি প্রধান শস্যবিন্যাস, যা সারাদেশের মোট আবাদযোগ্য জমির প্রায় ২৭% জমিতে চাষাবাদ করা হয়। এই দ্বিফসলী শস্যবিন্যাসের নানাভাবে উন্নয়নের সুযোগ রয়েছে- বিশেষ করে উঁচু এবং মধ্যম উঁচু জমিতে।এ শস্যবিন্যাসের উন্নয়নের জন্য প্রথমত বোরো এবং রোপা আমন ধানের মধ্যবর্তী সময়ে সরিষা চাষ  করা হয়। ভোজ্য তেলের জন্য বোরো-পতিত-রোপা আমন শস্যবিন্যাসে সরিষা অর্ন্তভূক্তি করতে পারলে ২.৬০ মিলিয়ন টন সরিষা উৎপাদন সম্ভব, যা থেকে বছরে ১.০৪ মিলিয়ন টন সরিষা তৈল পাওয়া যেতে পারে।
এর আগে সকালে মন্ত্রী মধুপুরের গোলাবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদে ঈদুল ফিতর উপলক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর উপহার হিসেবে ৩১,১৮৭ টি পরিবারকে ৪৫০ টাকা করে মোট ১ কোটি ৪৩ লাখ ৩০ হাজার টাকার ভিজিএফ বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন করেন।
এসময় মন্ত্রী বলেন, দেশে খাদ্যের কোন সংকট নেই। এখন সারা দেশে বোরো ধান কাটা চলছে। তারপরও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঈদ উপলক্ষ্যে এই উপহার দিচ্ছেন যাতে করে কোনক্রমেই একটি মানুষকেও যেন ঈদে খাদ্যের জন্য কষ্ট করতে না হয়। ঈদের আনন্দ যাতে ম্লান না হয়।
শেয়ার করুন

প্রকাশ : মে ৭, ২০২১ ১০:৪১ অপরাহ্ন
লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে ১০ হাজার ৯৯০ হেক্টর জমিতে নবাবগঞ্জে বোরোর আবাদ
কৃষি বিভাগ

আবহাওয়া অনুকূল থাকায় এবার বোরো ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে ঢাকার নবাবগঞ্জে। মাঠ জুড়ে সোনালী ধানের সমারোহ। ধানের বাম্পার ফলনে কৃষকের মুখে ফুটেছে হাসি। উপজেলার বিভিন্ন ফসলি মাঠে পাকা বোরো ধান কেটে ঘরে তুলছেন কৃষকরা। এবার এ উপজেলায় বোরো ধানের বাস্পার ফলন হয়েছে বলে উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে। প্রতিবছরের চেয়ে পোকার আক্রমণ কম থাকায় অতিরিক্ত খরচ ছাড়াই এবার নতুন ধান তোলার স্বপ্ন দেখছেন কৃষকরা।

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, উপজেলার ১৪টি ইউনিয়নে ধানের বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা দেখছে কৃষক। এ মৌসুমে উপজেলায় ১০ হাজার ৯২৬ হেক্টর জমিতে বোরো ধানের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। আবাদের পরিমাণ বেড়ে এবছর উপজেলায় লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে ১০ হাজার ৯৯০ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদ হয়।

এর মধ্যে হাইব্রিড এস এল আর -৮, হাইব্রিড রূপালি ধানী গোল্ড, ব্রিধান-২৮, ২৯, ৫০, ৫৮, ৬৩, ৭৪, ৮৮, ৮৯, ৯২, বিনা -১০, বিনা-১৪ এই জাতের ধানের আবাদ করা হয়েছে। এবছর ১০ হাজার ৯২৬ হেক্টর জমিতে বোরো ধানের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে ধানের বাম্পার ফলন হওয়ায় ১০ হাজার ৯৯০ হেক্টর জমিতে বোরো ধান চাষ করা হয়েছে।

কৃষকরা আশা করছেন, চলতি মাসের প্রথম সপ্তাহের দিকে তাদের কাঙ্খিত সোনালী ধান কেটে ঘরে তুলতে পারবেন।

কৃষি বিভাগের তথ্য মতে, এ যাবত ১ হাজার হেক্টর জমির ধান কেটে ঘরে তুলেছে কৃষক। এ ধান ঘরে তুলতে কৃষি বিভাগ নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন। দলীয় আলোচনা সভাসহ বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে। এছাড়াও নিয়মিতভাবে রোগ ও পোকার আক্রমণ সংক্রান্ত পূর্বাভাস জরিপ করছেন কৃষি কর্মকর্তারা।

এসব কাজ ছাড়াও উপজেলায় ৪২জন উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা সার্বক্ষণিকভাবে কৃষকের জমিতে ফসলের তদারকিসহ নানা পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছেন।

উপজেলার ভাঙ্গাপাড়া গ্রামের ধান চাষি মোতালেব খাঁন জানান, এবার ৬ বিঘা জমিতে বোরো ধানের চাষ করেছি। গত বোরো মৌসুমে ৫ বিঘা জমিতে ধান চাষ করে ছিলাম। এবার আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় ধানও খুব ভালই হয়েছে। প্রতিটি শীষ ক্ষেতে সোনার মত জ্বলছে। বাজারে ভাল দাম পেলে লাভবান হতে পারবো।

মাদলা গ্রামের খামাতপাড়ার ধান চাষি ফজলু মিয়া জানান, এবার ১২ বিঘা জমিতে ধানের চাষ করেছি। এর মধ্যে ব্রি-২৮ জাতের ধান আছে ৫ বিঘা। বাকি ৭ ব্রি-২৯ জাতের। ভাল ফলনে এবার স্বপ্ন দেখছি ভাল দামের। আর কিছু দিন পরেই সোনালী ধানের মৌ মৌ গন্ধে ভরে উঠবে কৃষকের বাড়ির উঠান।

জৈনতপুর গ্রামের বর্গাচাষি সমির মিয়া জানান, প্রতিবেশীর নিকট দেড় বিঘা জমি বর্গা নিয়ে হাইব্রিড ধানের চাষ করছি। এ দোলায় (মাঠে) আমার মতো ধান কারো ফলেনি। বিঘায় ২৫ মণ ধানের আশা করছি। প্রতিদিন আসি আর ধান কাটার স্বপ্ন দেখি। ধানের বাজার ভাল পেলে বাকি দিনগুলি মোটামুটি ভালই চলে যাবে।

নবাবগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নাহিদুজ্জামান জানান, এবার আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় পোকা মাকড়ের উপদ্রপ ছাড়াই কৃষক ধান ঘরে তুলতে পারবে।

উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তারা সার্বক্ষণিক কৃষকের মাঝে গিয়ে নানা পরামর্শ দিচ্ছে। এবার ধানের বাম্পার ফলনও হয়েছে। তুলনামূলকভাবে ব্রিধান-২৯, ব্রিধান-২৮ জাতের ধানের আবাদ এবার বেশি হয়েছে। বেশি ফলন পাওয়ায় কৃষক এখন হাইব্রিড ও উপসি জাতের ধানের আবাদ বেশি বেশি করছে। আশা করি, এসব ধানে এবারও বাম্পার ফলন হবে। বাজারে ধানের দাম ভাল পেলে কৃষকের স্বপ্ন পূরণ শতভাগ পূরণ হবে।-বাসস

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মে ৭, ২০২১ ৭:০৭ অপরাহ্ন
কামারখন্দে গোল্ডেন ক্রাউন তরমুজের চাষ
কৃষি বিভাগ

সিরাজগঞ্জের কামারখন্দের জামতৈল কলেজপাড়ায় কয়েক জন তরুণের উদ্যোগে উপজেলায় ১০ শতাংশ জমিতে পরীক্ষামূলকভাবে চাষ হচ্ছে গোল্ডেন ক্রাউন তরমুজের।

উদ্যোক্তা হাবিব জানান, আমরা চুয়াডাঙ্গা থেকে উন্নত জাতের গোল্ডেন ক্রাউন তরমুজের বীজ এনে চাষাবাদ শুরু করি। ফলন ভালো হয়েছে। দামও ভালো পাচ্ছি। তবে এক ধরনের পোকার আক্রমণে কিছু তরমুজ নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।

এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আনোয়ার সাদাত জানান, তরমুজের একটি উন্নতমানের জাত হচ্ছে গোল্ডেন ক্রাউন। কিছু কিছু তরমুজে মাসি পোকার আক্রমণ হওয়ায় কৃষকদের ফেরোমন ফাঁদ ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মে ৭, ২০২১ ২:৫৬ অপরাহ্ন
ইউটিউব দেখে ফল চাষে ঘুরে দাঁড়ালেন রশিদ
কৃষি বিভাগ

ঝিনাইদহ জেলার মহেশপুর উপজেলার আব্দুর রশিদ স্থানীয় কৃষি কর্মকর্তা ও অন্যান্যদের সহযোগীতায় শুরু করেন কৃষি কাজ। ইউটিবে কৃষি কাজ সংক্রান্ত ভিডিও দেখে তিনি হয়ে উঠেন একজন সফল চাষা। বর্তমানে দুই বিঘা জমিতে গোল্ডেন কালারের এক নতুন জাতের তরমুজ “তৃপ্তি” চাষ করেছেন তিনি। এতে তার খরচ হয়েছে প্রায় ৫০ হাজার টাকা। এখান থেকে খরচ বাদে দেড় লাখ টাকা লাভ করতে পারবেন বলে আশা করছেন তিনি।

তার শখ কৃষি ক্ষেত্রে নতুন নতুন সবজি, ফল ও ফসলের চাষ করা। আর এর জন্য তিনি ইউটিবে কৃষি কাজ সংক্রান্ত ভিডিও দেখতেন। এভাবে দেশের যে কোন প্রান্তে নতুন কোন চাষের সংবাদ পেলে। মাসে একদিন সময় করে সেখান থেকে ঘুরে অসেন। এভাবেই তিনি তার চাষে সফলতা দেখিয়ে চলেছেন। সাথে নিজের পরিবারের ভাগ্যের চাকা ঘুরিয়েছেন। আব্দুর রশিদ ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার যুগিহুদা গ্রামের নজরুল ইসলামের ছেলে।

বর্তমানে তার দুই বিঘা জমিতে গোল্ডেন কালারের এক নতুন জাতের তরমুজ “তৃপ্তি” চাষ করেছেন। রোজার ১০ দিন থেকে তরমুজ বিক্রি শুরু করেছে। স্থানীয় ও ঢাকার ব্যাপারিরা খেতে এসে তরমুজ নিয়ে যাচ্ছে। এই দুই বিঘা তরমুজ চাষ করতে তার খরচ হয়েছে প্রায় ৫০ হাজার টাকা। এখান থেকে খরচ বাদে দেড় লাখ টাকা লাভ করতে পারবেন বলে আশা করছেন তিনি।

মাত্র দুই মাসে ভিন্ন জাতের এ তরমুজ চাষ দেখে জেলার অন্য কৃষকরাও উদ্বুদ্ধ হচ্ছেন। এছাড়া কৃষক আব্দুর রশিদ তরমুজের পাশাপাশি তার পাঁচ বিঘা জমিতে মাল্টা, কমলা লেবু ও আঙ্গুরের চাষ করেছেন। আঙ্গুর চাষ এবারই প্রথম শুরু করেছেন তিনি। ১০ কাঠা জমিতে ছমছম ও সুপার সনিকা জাতের ৭৫ টি আঙ্গুরের গাছ রোপণ করেছেন।

ভারত ও ইটালি থেকে এসব চারা সংগ্রহ করা হয়েছে বলে তিনি জানিয়েছেন। যদি আশানুরূপ ফল পান তাহলে কমপক্ষে ৪০ থেকে ৫০ বছর এসব গাছ থেকে ফল পাবেন। তবে এখনো পর্যন্ত দেশে চাষ হওয়া আঙ্গুরের স্বাদ ভালো না হলেও সফল এ কৃষকের দাবি তার আঙ্গুর সুস্বাদু হবে।

এর আগে জেলার বিভিন্ন এলাকায় ব্লাক বেরি (কালো রঙের) ও গোল্ডেন ক্রাউন (হলুদ রঙের) জাতের তরমুজ চাষ হতে দেখা গেছে। বর্তমানে সদর উপজেলায় ৪ হেক্টর জমিতে তরমুজের আবাদ হয়েছে এবং জেলায় এ সংখ্যা প্রায় ১৫ হেক্টর।

তরমুজ চাষি কৃষক আব্দুর রশিদ জানান, বিভিন্ন সময় ইউটিবে কৃষি কাজ সংক্রান্ত অনেক ভিডিও দেখতাম। এছাড়া বিভিন্ন কৃষকদের মাধ্যমে খোঁজ রাখতাম কোথায় কোন চাষ হচ্ছে। নতুন কিছু মনে হলেই সেখানে ছুটে যেতাম। সেখান থেকে চাষ পদ্ধতি রপ্ত করে নিজে চাষ করতাম।

এভাবে চলছে আমার চাষকর্ম। তিনি আরো জানান, বর্তমানে আমার দুই বিঘা জমির তৃপ্তি জাতের তরমুজ বিক্রি শুরু করেছি। জমিতে যে তরমুজ আছে তা প্রায় দুই লাখ টাকা বিক্রি করতে পারবো। তাতে খরচ বাদে লাভ হবে দেড় লাখ টাকা।

বিষয়টি নিয়ে মহেশপুর উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা অমিত বাগচী জানান, পানি নিষ্কাষণ ও বেলে দো-আঁশ মাটি তরমুজ চাষের জন্য বেশি উপযোগী যা ঝিনাইদহে বিদ্যমান। আর মান ভালো হওয়া ঢাকাসহ বিভিন্ন স্থানে এ জেলার তরমুজের চাহিদা রয়েছে অনেক।-জাগো নিউজ

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মে ৭, ২০২১ ২:৩৪ অপরাহ্ন
বরগুনাসহ বরিশাল বিভাগে বাড়ছে খাদ্যশস্য ও মাছ উৎপাদন
কৃষি বিভাগ

বরগুনাসহ বরিশাল বিভাগে কয়েক বছর ধরে খাদ্যশস্য চাল ও ফসলের উৎপাদন বাড়ছে। চলতি বছর বোরো আবাদ হয়েছে ১ লাখ ৬৪ হাজার হেক্টর জমিতে। নদী, সাগর থেকে আহরণ করা ও মিঠা পানির মাছের পরিমাণও চাহিদার তুলনায় উল্লেখযোগ্য হারে বেশি পাওয়া গেছে।

কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, গত বছর তিন ফসল মিলিয়ে এই বিভাগে প্রায় ৩১ লাখ টন চাল উৎপাদন হয়। একইভাবে দেশের ৮০ ভাগ মুগ ডাল, ৬৫ ভাগ তরমুজ উৎপাদন হয় এই বিভাগে। চলতি বছর বোরো আবাদ হয়েছে ১ লাখ ৬৪ হাজার হেক্টর জমিতে। উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ৭ লাখ টন চাল। মুগ আবাদ হয়েছে ২ লাখ ৭৫ হাজার হেক্টরে। লক্ষ্যমাত্রা সাড়ে ৩ লাখ মে. টন। এ ছাড়া ৫০ হাজার হেক্টরের বেশি জমিতে রবি আবাদ হয়েছে।

কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের আঞ্চলিক কার্যালয়ের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা আলিমুর রহমান জানান, জমিতে লবণাক্ততা বাড়ছে। উৎপাদন হ্রাস পেতে পারে। তাই এটা রোধে দ্রুত সম্মিলিতভাবে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

শুধু কৃষি নয়, বেশ কয়েক বছর ধরে দেশের মোট ইলিশের ৬৬ ভাগের জোগান দেয় বরিশাল অঞ্চল। একইভাবে মিঠাপানির মাছ উৎপাদনেও এই বিভাগের অবদান অনেক। তবে লবনাক্ততার কারনে নদীতে নদী, খালে হঠাৎ করে মাছের প্রাপ্যতা কমে গিয়েছে বলে জেলেরা জানিয়েছেন।

মৎস্য বিভাগের সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা হালিমা সরদার জানান, জেলেরা চরগড়া, কারেন্ট, বেহুন্দি এসব অবৈধ জালের ব্যবহার করায়, নদীতে চর পড়ে স্বাভাবিক প্রবাহে বিঘœ ঘটায়, লোনা পানি, বৃষ্টি কম হওয়া, জেলের সংখ্যা কয়েকগুন বৃদ্ধি পাওয়াতে মাছের আধিক্য কমেছে। তবে আশা করছি বৃষ্টি হলেই কয়েক দিনের মধ্যে নদীগুলোতে প্রচুর মাছ পাওয়া যাবে বলে জানান তিনি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মে ৭, ২০২১ ১০:৫৯ পূর্বাহ্ন
রাজশাহীতে বাড়ছে মাছ চাষ, কমছে চাষের জমি!
কৃষি বিভাগ

রাজশাহীতে স্বল্প সময়ে অধিক মুনাফা লাভের আশায় এখন মাছ চাষের দিকে ঝুঁকছেন কৃষিজমির মালিকরা। রাজশাহীর পবা উপজেলার বালানগর। স্বল্প সময়ে তরতাজা মাছ চাষের লক্ষে বিলের আবাদি জমিতে খনন করা হচ্ছে পুকুর। এতে করে মাছ চাষ বাড়লেও সেখানে কমছে চাষের জমি। যার কারণে বিপাকে পড়ছে সেখানকার কৃষি শ্রমিকরা।

অর্থনীতি বিশ্লেষকদের মতে, অপরিকল্পিত পুকুর খননের এ ধারা থামাতে না পারলে দীর্ঘমেয়াদে ক্ষতিগ্রস্ত হবে কৃষি। জেলা প্রশাসন বলছে, এ ব্যাপারে সচেতন তারা।

জেলা মৎস্য অধিদপ্তর জানান, স্বল্প সময়ে অধিক মুনাফার আশায় পুকুর খননে আগ্রহী হচ্ছেন অনেকেই। ফলে জেলার ৯ উপজেলায় ৫১ হাজার পুকুর থেকে বাৎসরিক মাছের উৎপাদন হচ্ছে ৮০ হাজার মেট্রিক টন।

মাছ উৎপাদনের চিত্র যতোটা আশাব্যঞ্জক, এর উল্টো দিক ঠিক ততোটাই হতাশাজনক। শুধু গেল তিন বছরে পুকুর খনন করা হয়েছে ৩ হাজার ৯০০ হেক্টর জমিতে। এতে আবাদি জমি কমায় কাজ হারিয়ে বিপুলসংখ্যক শ্রমিক নগরমুখী।

এমন বাস্তবতায় কৃষিতে বিনিয়োগ বৃদ্ধি ও অনিয়ন্ত্রিত পুকুর খননের চলমান ধারা বন্ধের কথা বলছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক এ.এন.কে নোমান। আর যে কোনো জটিলতা এড়াতে এ বিষয়ে সচেষ্ট বলে দাবি অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ শরিফুল হক।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মে ৭, ২০২১ ১০:৩২ পূর্বাহ্ন
কুড়িগ্রামে ভুট্টা চাষে ভাগ্যবদল চাষিদের
কৃষি বিভাগ

আবহাওয়া ও জমি চাষের উপযোগী হওয়ায় কুড়িগ্রাম জেলার ফুলবাড়ী উপজেলার চরাঞ্চলসহ ৬টি ইউনিয়নের প্রান্তিক চাষিরা ভুট্টা চাষ করে এবার ব্যাপক সাফল্য পেয়েছেন। বাজারেx ভুট্টার দাম ভালো পেয়ে স্বাবলম্বী হয়েছেন অনেক কৃষক।

জানা যায়, চলতি বোরো মৌসুমে বৈরি আবহাওয়ার কারণে ৬টি ইউনিয়নে কৃষকের সাড়ে ৩ থেকে চার হেক্টর জমির ধান ব্লাস্ট রোগে আক্রান্ত হয়ে খেতেই পুড়ে গেলেও এবছর ভুট্টা খেতে নয়ন জুড়ানো দৃশ্য মেতে উঠেছে ফসলের মাঠে মাঠে। কোন জমি আর পতিত নেই বিস্তৃর্ণ কৃষকের মাঠে মাঠে দু-চোখ জুড়ানো সবুজের সমারোহ। এখন মাঠ জুড়ে সবুজ রঙে ভুট্টার মোছাঁ গুলো সাজিয়ে তুলিছে প্রকৃতির অপরুপ রুপ। ভুট্টা চাষ করে স্বালম্বী হয়েছেন চরাঞ্চলসহ বিভিন্ন ইউনিয়নের হাজারও কৃষক পরিবার।

কৃষক আমির হোসেন জানান, আবহাওয়া অনুকুলে থাকায় ভুট্টার ফলন ভাল হয়েছে। তবে আমাদের দুঃখ একটাই ১০ থেকে ১৫ বছর ধরে কৃষি অফিসের পরামর্শ ও সহযোগীতা ছাড়াই আমরা প্রতেকেই ৫ থেকে ৬ বিঘা জমিতে ভুট্টা চাষ করে আসছি। আশা করছি ১৫-২০ দিনের মধ্যেই ভুট্টা ঘরে তুলতে পারবো। কিন্তু কৃষি অফিস থেকে বীজ-সারসহ বিভিন্ন ধরণের সহযোগীতা পেলে ভুট্টা চাষ করতে আমাদের অনেক বেশি সুবিধা হতো।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মাহাবুবুর রশীদ জানান, চাষিদের ভুট্টা চাষে উদ্বুদ্ধ করে চরাঞ্চলসহ মোট ৬০০ জন ভুট্টাচাষিদের বীজ-সারসহ বিভিন্ন ধরণের সুযোগ-সুবিধা দেওয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে প্রান্তিক কৃষকদের বিভিন্ন ধরণের পরামর্শ দেওয়ার জন্য প্রতিটি ইউনিয়নে তিনটি ব্লকে তিনজন করে উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তারা দায়িত্ব পালন করছেন বলে জানান তিনি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মে ৬, ২০২১ ৭:২৫ অপরাহ্ন
৪% সুদে আম চাষিদের বিশেষ ঋণ ও বিনামূল্যে উন্নতজাতের চারা দেয়া হবে
এগ্রিবিজনেস

আমচাষি ও উদ্যোক্তারদেরকে মাত্র ৪% সুদে বিশেষ ঋণ ও আম বাগান স্থাপনের জন্য বিনামূল্যে উন্নতজাতের চারা প্রদানের উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী ড. মো: আব্দুর রাজ্জাক এমপি। তিনি বলেন, সরকার আমের উৎপাদন বাড়াতে নিরলস কাজ করছে। আমাদের বিজ্ঞানীরা অনেকগুলো উন্নতজাতের আম ও উৎপাদন প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেছে। ফলে আমের বাণিজ্যিক উৎপাদন দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছে। এখন সরকার আমের রপ্তানি বৃদ্ধির পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। এ লক্ষ্যে রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জসহ আম উৎপাদন এলাকায় ৪টি ভ্যাপার হিট ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে। এতে আমের সংরক্ষণকাল বৃদ্ধি পাবে, রপ্তানি সহজতর হবে এবং প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করা সম্ভব হবে
কৃষিমন্ত্রী আজ বৃহস্পতিবার চাঁপাইনবাবগঞ্জে কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বারি) আঞ্চলিক উদ্যানতত্ত্ব গবেষণা কেন্দ্রে ‘আম চাষি ও ব্যবসায়ীদের’ সাথে মতবিনিময় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ কথা বলেন।
সভায় আমচাষি ও উদ্যোক্তারা আম চাষ ও রপ্তানির বিভিন্ন সমস্যা তুলে ধরেন। আমের সংরক্ষণ সমস্যা সমাধান, ভাল ফুড ব্যাগ ও সহজ শর্তে বিশেষ কৃষি ঋণের ব্যবস্থার জন্য দাবি জানান।
মন্ত্রী আরও বলেন, যেসব বাগানে আমের ফলন কম, সেসব পুরাতন বাগান কেটে নতুন বাগান স্থাপন করতে চাইলে বিনামূল্যে উন্নতজাতের চারা দেয়া হবে।
পরে মন্ত্রী কৃষকের মাঝে উচ্চফলনশীল বারি আম-৪ ও বারি আম-১১ (বারোমাসি) জাতের আমের চারা বিতরণ করেন।
বারির মহাপরিচালক ড. মো: নাজিরুল ইসলামের সভাপতিত্বে স্থানীয় সংসদ সদস্য সামিল উদ্দিন আহমেদ শিমুল, সংসদ সদস্য ফেরদৌসী ইসলাম, কৃষি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব কমলারঞ্জন দাশ, বিএডিসির চেয়ারম্যান ড. অমিতাভ সরকার, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো: আসাদুল্লাহ, সাবেক ডিজি হামিদুর রহমান, ব্রির মহাপরিচালক ড. শাহজাহান কবীর, চাঁপাইনবাবগঞ্জের জেলা প্রশাসক মো: মঞ্জুরুল হাফিজ, পুলিশ সুপার এএইচএম আবদুর রকিব, কৃষিবিদ বদিউজ্জামান বাদশা, উদ্যানতত্ত্ব গবেষণা কেন্দ্রের পিএসও হরিদাস চন্ত্র মোহন্ত প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop