৩:৩৭ অপরাহ্ন

শনিবার, ২৫ এপ্রিল , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : এপ্রিল ১, ২০২৩ ৪:২৭ অপরাহ্ন
নামের শেষে ‘সরকার’ থাকায় জমি চলে গেল সরকারি মালিকানায়!
কৃষি বিভাগ

নামের শেষে ‘সরকার’ থাকায় জমির মালিকানা সরকারি খাতায় চলে গেছে। দক্ষিণ ভারতের কর্নাটক রাজ্যে বাংলাদেশ (তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান) থেকে পালিয়ে কর্নাটকে গিয়ে স্থায়ী হওয়া ৭২৭ হিন্দু শরণার্থীর ক্ষেত্রে এমন ঘটনা ঘটেছে।

শুক্রবার (৩১ এপ্রিল) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়া’র এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা যায়।

প্রতিবেদনে বল হয়, কয়েক দশক ধরে মালিকানায় থাকা জমি হঠাৎ করে সরকারি সম্পত্তি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। পরে জানা যায়, কর্মকর্তারা জমির দলিলে মালিকের নামের সঙ্গে সরকার দেখে এটিকে সরকারি সম্পত্তি হিসেবে ধরে নেন।

৬৫ বছর বয়সী কৃষক বিভূতি সরকার তাদেরই একজন, কর্নাটকের রায়চুর জেলার সিন্ধানুর তালুকে থাকা বিভূতির পাঁচ একর জমি বেহাত হয়ে যায়। এক বছরের বীমা না পরিশোধ করায় বিভূতির জমি সরকারি খাতে চলে যায়।

বিভূতি সরকারের অভিযোগের ভিত্তিতে স্বাধীন তদন্তে বেরিয়ে আসে অদ্ভুত তথ্য। তাদের নামের একটি অংশ সরকার দেখে ভুলে সরকারি খাতায় জমি নিয়ে নেওয়া হয়।

১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় পূর্ব পাকিস্তান ছেড়ে হাজার হাজার হিন্দু ভারতে আশ্রয় নেয়। তৎকালীন ভারত সরকার কর্নাটকসহ পাঁচ রাজ্যে বিশেষ ক্যাম্পে থাকতে দেয় শরণার্থীদের। একই সঙ্গে নতুন করে জীবন শুরু করতে প্রত্যেককে পাঁচ একর করে জমি দেওয়া হয়।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ১, ২০২৩ ৪:১৮ অপরাহ্ন
হাত পেতে নয়, বাঁচতে চাই আত্মসম্মান নিয়ে: চাষাবাদে তৃতীয়লিঙ্গের সাফল্য
কৃষি বিভাগ

গাজীপুরের কোনাবাড়ির বাইমাইল বিলের, উঁচু একটি মাঠে একসময় ছিলো ইটভাটা। বছর পাঁচেক আগে বন্ধ হয়ে যায় সেটির কার্যক্রম। পড়ে থাকা জমি বর্গা নিয়ে পরম যত্নে চাষ উপযোগী করা হয়েছে। ১৩ বিঘার ধান কাটা হবে এ মাসেই।

তবে সচরাচর যাদের চাষাবাদে দেখা যায় তারা নয়, এ ফসল তৃতীয় লিঙ্গের একদল মানুষের শ্রমে-ঘামে। সমাজে যাদের পরিচয় হিজড়া।

ধানের পাশাপাশি আরও প্রায় তিন বিঘা জমিতে চাষ করেছেন টমেটো, করলা, লালশাক, লাউসহ নানা জাতের সবজি। কদিন আগেই খেত থেকে তোলা হয়েছে পেঁয়াজ।

গরু-ছাগল-হাঁস-মুরগি-কবুতরের খামারও করেছেন তারা। আয়ও হচ্ছে বেশ। তাদের আশা আরও বড় পরিসরে কাজ করবেন তারা।
৫০ জনের দলটির নেতৃত্বে থাকা কালু জানালেন, প্রতিনিয়ত নানা প্রতিকূলতা মোকাবিলা করেই চলতে হয় তাদের। একটু ভালো থাকার আশায়, মাস পাঁচেক হলো কৃষিকাজ শুরু করেছেন। তিনি আরও বলেন, হাত পেতে নয়, আত্মসম্মান নিয়ে বাঁচতে চাই। কৃষি উদ্যোগ নিয়েছি কারণ এটি জনগণের জন্যেও ভালো আমাদের জন্যেও ভালো। আর জনগণও দেখলো আমরাও কিছু করতে পারি।

শুরুতে ছিলো নানা আলোচনা-সমালোচনা। কাজের মাধ্যমেই সেসবের জবাব দিয়েছেন কালু। বলেন, লোকজন বলেছে ওরা হিজড়া, ওরা কি করবে, কেমনে ফসল ফলাবে, কেমনে কৃষি কাজ করবে। ওরা পারবে না, শুধু শুধুই টাকা-পয়সা নষ্ট করতেছে। কিন্তু আমাদের কাছে পরিশ্রম করে খেলে সেটাই সম্মানের।

এ চাষিদের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর। প্রয়োজনে বিশেষ বিবেচনারও আশ্বাস তাদের। জেলা প্রশিক্ষণ অফিসার মো. রফিকুল ইসলাম খান বলেন, ওনাদেরকে প্রযুক্তিগত, কারিগরি সবধরনের সহযোগিতা থেকে বীজ-সারে আর্থিক সহায়তা করতে চেষ্টা করবো। এছাড়া সরকারি প্রণোদনা যদি দিয়ে থাকে প্রতি বছর তবে সেই খাত থেকে আমরা চেষ্টা করবো ওনাদের সহযোগিতা করতে।

এ কর্মকর্তা জানান, আসছে আমন মৌসুমেই এ সহায়তা দেয়া সম্ভব।

সৎপথে যেকোনো উপার্জনই সম্মান ও গৌরবের। সেই চিন্তা থেকেই কৃষি কাজের এই উদ্যোগ বলে জানান তৃতীয় লিঙ্গের এই মানুষগুলো। তারা বলছেন, সুযোগ ও সহযোগিতা পেলে দেশ ও সমাজ গঠনে তারাও রাখতে পারেন ভূমিকা।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ৩১, ২০২৩ ৭:৫৮ অপরাহ্ন
কোটালীপাড়ায় ৯৫০ হেক্টর জমিতে বোরো ধানের চাষাবাদ বৃদ্ধি
কৃষি বিভাগ

গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলায় ৯৫০ হেক্টর জমিতে বোরধানের চাষাবাদ বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে চলতি বোরো মৌসুমে এ উপজেলার ৬০০০ মেট্রিক টন ধানের উৎপাদন বাড়বে। যার বাজার মূল্য ৭৫ লাখ টাকা।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একইঞ্চি জমিও অনাবাদি না রেখে চাষাবাদের আওতায় এনে দেশের কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির আহবান জানান। প্রধানমন্ত্রী বন্ধবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার আহবানে সাড়া দিয়ে কোটালীপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফেরদৌস ওয়াহিদের তত্ত্ববধানে এবং প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচনী এলাকার দায়িত্বপ্রাপ্ত উন্নয়ন প্রতিনিধি অবসরপ্রাপ্ত সিনিয়র সচিব মোঃ শহীদ উল্লা খন্দকারের দিক নির্দেশনায় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর বোরোধান আবাদ বৃদ্ধির লক্ষ্যে মাঠে নামে। তারা ফসল উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে কৃষকদের নিয়ে ৩২ টি উদ্বুদ্ধ করণ সভা করে। বিভিন্ন খালের কচুরিপানা পরিস্কার, জলাবদ্ধতা নিরসন ও খাল খনন করে অনেক জলাবদ্ধ পতিত জমি চাষাবাদের আওতায় আনে। এছাড়া বোরো মৌসুমে সমলয় পদ্ধতি, কচুরিপানার বেডে ভাসমান পদ্ধতি ও ঢিবি পদ্ধতিতে কোটালীপাড়ায় চাষাবাদ শুরু হয়। এসব উদ্যোগের ফলে কোটালীপাড়া উপজেলায় ধানসহ অন্যন্য ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি পাচ্ছে।

কৃষি সম্প্রসারণের কোটালীপাড়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ নিটুল রায় বলেন, চলতি বোরো মৌসুমে কোটালীপাড়া উপজেলায় ২৫ হাজার ৫২০ হেক্টর জমিতে বোরোধান চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এক ইঞ্চি জমিও ফাঁকা না রেখে সব জমি চাষাবাদের আওতায় আনার নির্দেশ দেন। সেই লক্ষ্য পূরণে আমরা কৃষককে সরকারি প্রণোদনার বীজ সার দিয়েছি। সেই সাথে অধিক জমিতে চাষাবাদে কৃষককে উদ্বুদ্ধ করেছি।

কৃষকরা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আহবানে সাড়া দিয়ে ২৬ হাজার ৪৭০ হেক্টর জমিতে বোরো ধানেরআবাদ করেছে। ফলে এ উপজেলায় ৯৫০ হেক্টর জমিতে বোরো ধানের আবাদ বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই এ বছর কোটালীপাড়া উপজেলায় ৬০০০ মেট্রিক টন ধানের উৎপাদন বাড়বে। যার বাজার মূল্য ৭৫ লাখ টাকা। কোটালীপাড়ায় সমলয় পদ্ধতিতে ১০০ একর জমিতে বোরো ধানের চাষাবাদ করা হয়েছে। এছাড়া কৃষক কচুরিপানার ভাসমান বেডে ও ঢিবি পদ্ধতিতে সবজির আবাদ করেছেন । এখান থেকে অন্তত ৩০ লাখ টাকা মূল্যের সবজি উৎপাদিত হচ্ছে। এ কাজগুলো তত্ত্ববধান করছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফেরদৌস ওয়াহিদ। প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচনী এলাকার দায়িত্বপ্রাপ্ত উন্নয়ন প্রতিনিধি মোঃ শহীদ উল্লা খন্দকার দিক নির্দেশনা দিয়েছে। কৃষি সম্প্রসারণের মহা-পরিচালক বাদল কৃষ্ণ বিশ্বাস এসব চাষাবাদ এলাকা একাধিকবার পরিদর্শন করেছেন। তিনি সার্বক্ষণিকভাবে এ বিষয়ে খোঁজ খবর রাখছেন। ওই কর্মকর্তা আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আহাবানে সাড়া দিয়ে কৃষকরা উৎসাবের আমেজে ধান রোপণ করেছেন। সবজিও আবাদ করছেন। এসব কারণে এতবড় কর্মযজ্ঞ আমরা চালিয়ে নিচ্ছি।

কোটালীপাড়া উপজেলার পীড়ারবাড়ি গ্রামের কৃষক অনন্ত বিশ্বাস বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বেশি বেশি করে ফসল উৎপাদন করতে বলেছেন। এছাড়া কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর আমাদের প্রণোদনার সার বীজ দিয়েছে। বেশি করে ফসল রোপণের জন্য উদ্বুদ্ধ করেছে ও পরামর্শ দিয়েছে। এ কারণে আমি এ বছর ১ একর ২০ শতাংশ জমিতে বোরো ধানের আবাদ বৃদ্ধি করেছি। এখান থেকে আমি ১০০ মণ ধান পাব।

একই উপজেলার কান্দি গ্রামের কৃষক সন্তোষ মধু বলেন, আমাদের জমি জলাবদ্ধ থাকত। তাই ধান চাষ করতে পারতাম না । এ বছর খালের কচুরিপানা পরিস্কার করা হয়েছে। সেই সাথে খাল খনন করে দেওয়া হয়েছে। জমি থেকে পানি নেমে গেছে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ধানের চারা দিয়েছে। এছাড়া ধান রোপণে শ্রমিক দিয়ে সহযোগিতা করেছে। তাই আমার ১ একর জমিতে ধান রোপণ করা সম্ভব হয়েছে। এ জন্য কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরকে ধন্যবাদ জানাই।

ধারাবাশাইল গ্রামের কৃষক সন্তোষ বিশ্বাস বলেন, আমাদের ইউএনও, কৃষি কর্মকর্তা, কৃষি সম্প্রসারণের মহা পরিচালক বাদল চন্দ্র বিশ্বাস, প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচনী এলাকার উন্নয়ন প্রতিনিধি মোঃ শহীদ উল্লা খন্দকার স্যার,ভাসমান বেডে সবজি চাষ প্রকল্পের পিডি ড. বিজয় কৃষ্ণ বিশ্বাস বারবার আমাদের কাছে এসেছেন। ফসল চাষ বৃদ্ধিতে উদ্বুদ্ধ করেছেন। তাদের আন্তরিকতায় ও সহযোগিতায় আমরা ফসল চাষ বৃদ্ধি করেছি। মাঠে ধানের অবস্থাও বেশ ভালো দেখা যাচ্ছে। আশা করছি আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে ফসলের বাম্পার ফলন পাব।
কান্দি ইউপি চেয়ারম্যান তুষার মধু বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আহবানে সাড়া দিয়ে । কোটালীপাড়ায় এবার ৯৫০ হেক্টর জমিতে বোরো ধানের আবাদ বৃদ্ধি পেয়েছে। এছাড়া ৫ কিলোমিটার জুড়ে বিভিন্ন খালে কচুরিপানার ভাসমান বেডে সবজি ফলেছে। ঢিবি পদ্ধতিতে এখানে চাষাবাদ হয়েছে। এ ভাবে ফসল উৎপাদন অব্যাহত থাকলে আমাদের কৃষকের আয় বৃদ্ধি পাবে। আর্থসামাজিক অবস্থা বদলে যাবে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ৩০, ২০২৩ ১০:৫৬ অপরাহ্ন
দেশের কৃষকরাও আজ ডিজিটাল প্রযুক্তির সুফল পাচ্ছে : শিক্ষামন্ত্রী
কৃষি বিভাগ

শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, সারের জন্য এখন আর কৃষককে গুলি খেতে হয় না। কৃষকরাও ডিজিটাল প্রযুক্তির সুফল পাচ্ছে।

আজ চাঁদপুরের হাইমচরে কৃষকদের এক অনুষ্ঠানে মন্ত্রী এ কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে বিনামূল্যে বীজ ও সার, বকনা বাছুর, বাংলাদেশ জাতীয় সমাজ কল্যাণ পরিষদ হতে প্রাপ্ত অনুদানের চেক বিতরণ করা হয়।
বিএনপি জামায়াত জোট সরকারের আমলে বিদ্যুৎতের ভয়াবহ অবস্থার কথা তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকারের সময়ে দেশের বিভিন্ন উন্নয়ন হয়েছে। মানুষ তার সুফলভোগী হয়েছে। বিদ্যুৎ ও পানির জন্য জনসাধারণ আর কষ্ট পাচ্ছে না।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যখন ক্ষামতায় এসেছিলেন তখন দেশে খাদ্য ঘাটতি ছিল ৪০ লাখ মেট্রিক টন। দেশ এখন খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ। তিনি সাধারণ মানুষের কথা ভাবেন বলেই এই উন্নয়ন সম্ভব হয়েছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ২৮, ২০২৩ ১০:১১ অপরাহ্ন
গরু চরানো নিয়ে সংঘর্ষ, নিহত কৃষক
কৃষি বিভাগ

সুনামগঞ্জের সদর উপজেলায় গরু ঘাস খাওয়াকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের সংঘর্ষে শুকুর আলী (৪৫) নামের এক কৃষক নিহত হয়েছেন।

আজ মঙ্গলবার দুপুরে সদর উপজেলার সুরমা ইউনিয়নের মুসলিমপুর গ্রামে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। নিহত শুকুর আলী সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার মুসলিমপুর গ্রামের বাসিন্দা।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, সকালে মুসলিমপুর গ্রামে শুক্কুর মিয়া তাঁর গুরুকে ঘাস খাওয়ানোর জন্য গ্রামের পাশে ধান খেতে নিয়ে যান। এ সময় নায়েব আলী তাঁকে নিষেধ করেন। একপর্যায়ে দুজনের মধ্যে বাগ্‌বিতণ্ডা হয়। পরে পাশে থাকা নায়েব আলীর চার ছেলে ময়না মিয়া, লিটন মিয়া, আনোয়ার হোসেন ও আইনুল মিয়া শুক্কুরের ওপর হামলা চালান।

খবর পেয়ে শুক্কুর মিয়ার লোকজন ঘটনাস্থলে গেলে দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় শুকুর আলীকে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় এলাকায় থমথমে পরিবেশ বিরাজ করছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

সুনামগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, দুপক্ষের সংঘর্ষে একজন নিহত হয়েছেন। বর্তমানে ঘটনাস্থলের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ রয়েছে। অভিযুক্তদের ধরতে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ২৮, ২০২৩ ৪:০৫ অপরাহ্ন
আন্তর্জাতিক বাজারে কমলো ভুট্টার দাম
কৃষি বিভাগ

অবশেষে আন্তর্জাতিক বাজারে ভুট্টার দাম নিম্নমুখী হয়েছে। সোমবার (২৭ মার্চ) শিকাগো বোর্ড অব ট্রেডে (সিবিওটি) খাদ্যশস্যটির সরবরাহ মূল্য কমেছে। তবে চীনে চাহিদা থাকায় খুব একটা লোকসান গুনতে হয়নি।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের বরাত দিয়ে বিজনেস রেকর্ডারের এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য পাওয়া গেছে। এতে বলা হয়, এদিন সিবিওটিতে সবচেয়ে সক্রিয় ভুট্টার চুক্তি মূল্য হ্রাস পেয়েছে শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ। প্রতি বুশেলের দর স্থির হয়েছে ৬ ডলার ৩৯ সেন্টে। আগের কার্যদিবসে খাদ্যপণ্যটির দাম ৩ সপ্তাহের মধ্যে সর্বোচ্চ ছিল।

মুম্বাই-ভিত্তিক এক ব্যবসায়ী বলেন, খাদ্যশস্যের আরও দাম কমার সুযোগ খুবই সীমিত। বাজার স্থিতিশীল হবে। কারণ, বিনিয়োগ আসছে।

ব্যবসায়ী ও বিশ্লেষকরা বলছেন, বিশ্বের শীর্ষ ভুট্টা ক্রেতা চীন। দরপতন হওয়ায় যুক্তরাষ্ট্র থেকে খাদ্যপণ্যটি কিনতে শুরু করেছে দেশটি। এর মাধ্যমে ধীরে ধীরে আমদানি বাড়াতে যাচ্ছে তারা।

চলতি বছর যুক্তরাষ্ট্রে ৮৭ দশমিক ৬৭৭ মিলিয়ন একরে ভুট্টা চাষ হচ্ছে। ২০২২ সালের তুলনায় যা ১ শতাংশ কম। ফার্ম ফিউচার্স ম্যাগাজিনের এক জরিপে এ তথ্য পাওয়া গেছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ২৭, ২০২৩ ১০:৫৬ অপরাহ্ন
কুল চাষে আগ্রহী হয়ে উঠছেন কুমিল্লার চাষিরা
কৃষি বিভাগ

কুল চাষে আগ্রহ বাড়ছে কুমিল্লার চাষিদের। কম খরচে লাভ বেশি হওয়ায় কুমিল্লায় কৃষকরা কুল চাষে আগ্রহী হয়ে উঠছেন। দিন দিন এ অঞ্চলে কুলের চাষ বেড়েই চলেছে। এখানকার অর্থনীতিকে সমৃদ্ধ করতে কুল বেশ গুরুত্বপূর্ণ একটি ভূমিকা পালন করছে। মাটি ও আবহাওয়া উপযোগী হওয়ায় জেলায় কুলের চাষ ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।

কৃষি অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, লাভজনক হওয়ায় অন্যান্য ফসলের পাশাপাশি জেলার কৃষকরা কুল চাষে আগ্রহী হচ্ছেন। এ অঞ্চলে বাউকুল, আপেলকুল, তাইওয়ানকুল, নারকেলিসহ বিভিন্ন জাতের কুলের চাষ হচ্ছে। এ মৌসুমে কুমিল্লা ৫৮০ হেক্টর জমিতে কুলের চাষ হয়েছে। প্রতি কেজি কুলের পাইকারী মূল্য ৪০-৫০ টাকা। খরচ বাদে বিঘা প্রতি ৯০ হাজার থেকে ১ লাখ টাকা পর্যন্ত লাভ করা সম্ভব। এখানকার উৎপাদিত কুলের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। এ জেলায় উৎপাদিত কুল বিভিন্ন জেলায় যাচ্ছে। কুল বাগানে কর্মরত আমিরুল ইসলাম বলেন এ রকম বাগানে কাজ করে তিনি বেশ খুশি। বেতনও ভালো পান। বিপদের সময় অতিরিক্ত অর্থের চাহিদা থাকলে তিনি তা পান। পাইকারী ফল বিক্রেতা শাহআলম বলেন আপেলকুল স্বাদে মিষ্টি, আকারে বড় ও দেখতে সুন্দর হওয়ায় ঢাকা, সিলেট, চট্টগ্রামসহ দেশের অন্যান্য বাজারে এর চাহিদা বেশি হওয়ায় অন্যান্য কুলের চেয়ে এর বিক্রি বেশি। লাভও বেশি।

কুল চাষি মোস্তফা জানান, কুমিল্লার বাজারে এক কেজি কুলের দাম ৭০-৯০ টাকা। অন্য মৌসুমের তুলনায় এ বছর কুলের ব্যাপক ফলন হয়েছে। স্থানীয়ভাবে জাত উন্নয়ন করে উৎপাদিত কুল চাষে অধিক লাভের জন্য কুমিল্লায় কুল চাষে ব্যাপক আগ্রহ দেখা যাচ্ছে। ফলে চাষিরা অন্য বছরের তুলনায় এ বছর লাভবান হচ্ছে বেশি। এতে করে কুমিল্লায় কৃষি অর্থনীতিতে নতুন সম্ভাবনার দ্বারও উন্মোচিত হচ্ছে।

কৃষি সম্প্রারণ অধিদফতর কুমিল্লার উপ-পরিচালক মিজানুর রহমান বাসসকে বলেন, আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এ মৌসুমে কুমিল্লায় কুলের ব্যাপক ফলন হয়েছে। চাষিরাও ভালো দাম পাচ্ছেন। আমরা তাদের সব ধরণের সহযোগিতা করে যাচ্ছি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ২৭, ২০২৩ ৭:০৬ অপরাহ্ন
তরমুজে লাভের আশা দাকোপের চাষিদের
কৃষি বিভাগ

চলতি মৌসুমে তরমুজ চাষে বাম্পার ফলনের আশায় বুক বেঁধেছেন দাকোপের কৃষকরা। কেউ চারা গাছের পরিচর্যা করছেন, কেউ ক্ষেতে সেচ দিচ্ছেন। আবার কেউ দিচ্ছেন সার। এভাবেই চলছে তরমুজ চাষাবাদের কর্মযজ্ঞ। এই কর্মযজ্ঞের মাধ্যমে ব্যস্ত সময় পার করছেন দাকোপের তরমুজ চাষিরা।

উপজেলার বিভিন্ন এলাকাজুড়ে চাষিদের স্বপ্নের তরমুজ গাছগুলো বেড়ে উঠেছে। এরই মধ্যে ফলনও এসেছে অধিকাংশ গাছে। দাকোপের কৃষক থেকে শুরু করে দিনমজুর, নারী, পুরুষ, স্কুল-কলেজ পড়ুয়া, কিশোর, কিশোরীসহ সাধারণ মানুষ স্বপ্নের তরমুজ ক্ষেতের পরিচর্যায় ব্যস্ত।

সরেজমিনে জানা যায়, সূর্য যখন মাথার ওপর; তপ্ত রোদ তখন। এসময়ে উপজেলার অধিকাংশ মাঠে নারী-পুরুষ মিলে পানি দিচ্ছেন সোনালি ফসলে। উপজেলায় ড্রাগন, পাকিজা, সুইট ড্রাগন ও বিগপাকিজা জাতের তরমুজ চাষ করা হয়েছে।

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, উপজেলার ৯টি ইউনিয়নসহ চালনা পৌরসভায় শোভা পাচ্ছে তরমুজ গাছ। আগামী ১ মাসের মধ্যে শুরু হবে ফল বিক্রি। ন্যায্যমূল্য পেলে কৃষকেরা বেশ লাভবান হবেন। গত বছর দাম না পাওয়ার কারণে অধিকাংশ চাষি লোকসানের মুখে পড়েন। ফলে এবছর তরমুজ চাষ অনেক কম হয়েছে। অনেকে ফিরে গেছেন বোরো ধান চাষে।

উপজেলায় মোট আবাদি জমি ২০ হাজার ৮৮৩ হেক্টর। লবণ অধ্যুষিত হওয়ায় শতভাগ জমি আমন চাষের আওতায় আসে। দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনৈতিক ফসল হিসেবে তরমুজ চাষ ধারাবাহিকভাবে বেড়েছে। গত বছর উপজেলায় ৭ হাজার ৬০৫ হেক্টর জমিতে তরমুজ চাষ হয়েছিল। কিন্তু উপযুক্ত দাম না পাওয়ায় অধিকাংশ চাষি পুঁজি ফিরে পাননি। অনেকের ক্ষেত ছিল অবিক্রিত অবস্থায়। যার প্রভাবে এবছর তরমুজ চাষ কম হয়েছে। চলতি মৌসুমে ৬ হাজার ৩২০ হেক্টর জমিতে তরমুজ চাষ হয়েছে।

উপজেলার বাজুয়া গ্রামের তরমুজ চাষি রণজিৎ মন্ডল জানান, তিনি এ বছর ৫ বিঘা জমিতে পাকিজা জাতের তরমুজ চাষ করেছেন। আগামী মাসের শেষের দিকে তরমুজ বাজারজাত করা শুরু হবে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে ভালো ফলন পাওয়ার প্রত্যাশা করেছেন তিনি।

একই এলাকার রাধারানী মন্ডল বলেন, ‘আমি ২ বিঘা জমিতে তরমুজ চাষ করেছি। আশা করি লাভবান হবো। তবে বাজারে যার তরমুজ যত আগে উঠবে, তার লাভ তত বেশি হবে। তাই আগে-ভাগেই তরমুজ চাষ করেছি। এ বছর বীজ ও সারের দাম একটু বেশি। এজন্য খরচও বেশি হচ্ছে। সব মিলিয়ে বিঘাপ্রতি ১৫-২০ হাজার টাকা খরচ হবে। আবহাওয়া অনুকূলে ও বাজার ভালো থাকলে আয় লাখ টাকা ছাড়িয়ে যাবে।

শুধু রণজিৎ মন্ডল কিংবা রাধারানী মন্ডল নন, তরমুজ চাষ করেছেন কামাল হোসেন, হুমায়ুন কবির, প্রণয় মন্ডল, সূর্য মন্ডল, সোহেল মল্লিক, ব্রজেন মন্ডল, আইয়ুব আলী ও আব্দুল মজিদের মতো অনেক কৃষক। কৃষকদের সার্বক্ষণিক পরামর্শ ও বিভিন্ন ধরনের সহায়তা দিচ্ছেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কর্মীরা।

উপজেলার অতিরিক্ত কৃষি কর্মকর্তা মেহেদী হাসান খান বলেন, ‘চলতি তরমুজ মৌসুমে দাকোপ উপজেলায় ৬,৩২০ হেক্টর জমিতে তরমুজের আবাদ হয়েছে। তাই মাঠ পর্যায়ে আমি এবং আমার উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তারা সব সময় কৃষকদের সঙ্গে রয়েছি। তরমুজ চাষিদের বিভিন্ন মেয়াদে প্রশিক্ষণসহ ক্ষেতের সব ধরনের সমস্যার সমাধান দেওয়ার চেষ্টা করে চলেছি। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে তাদের স্বপ্নের ফসল বিক্রি করে অনেক লাভবান হবেন।’

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ২৩, ২০২৩ ১০:২৩ পূর্বাহ্ন
ব্ল্যাক কিং জাতের তরমুজ চাষে ঝুঁকছেন নোয়াখালীর কৃষকরা!
কৃষি বিভাগ

নোয়াখালীতে কালো তরমুজের বীজ ব্ল্যাক কিং-১ চাষ করে লাভবান কৃষকরা। এই তরমুজ খুব কম খরচে চাষ করা যায় ও অল্প সময়ে এর ফলন পাওয়া যায়। স্থানীয়ভাবে এর চাষ ছড়িয়ে পড়েছে। কৃষকরা রমজানকে সামনে রেখে আগাম রোপন করায় এখন ফলন পেয়েছেন। আর বর্তমান বাজারদর ভালো থাকায় বিক্রি করে লাভবান হতে পারছেন।

জানা যায়, নোয়াখালী সদর উপজেলার শুল্লুকিয়া গ্রামে আয়োজিত মাঠ দিবসে এই জাতের তরমুজ চাষের প্রমাণ পাওয়া যায়। এখানকার কৃষকরা এই জাতের তরমুজের চাষ করেছেন। এটি থাইল্যান্ড থেকে নিয়ে আসা একটি জাত। বীজ বপনের মাত্র ৬৫-৮০ দিনের মধ্যেই তরমুজ বাজারজাত করা যায়। আর এককটি তরমুজের ওজন ৮-১২ পর্যন্ত হয়। খেতে খুবই মিষ্টি। বর্তমানে এই অঞ্চলের কৃষকরা ব্ল্যাক কিং জাতের তরমুজ চাষে সফল হয়েছেন। পাশাপাশি বাজারদর ভালো থাকায় লাভবানও হচ্ছেন।

কৃষক সামছুউদ্দিন বলেন, আমরা আগে অন্য জাতের তরমুজের চাষ করতাম। তবে এই জাতের তরমুজের মতো ফলন পাইনি। অন্যান্য জাতের সাইজ ছোট হলেও ব্ল্যাক কিং-১ জাতের তরমুজের সাইজ অনেক বড়। একেকটি তরমুজ ওজনে ৮-১২ কেজি হয়ে থাকে। আর বর্তমান বাজারদর ভালো থাকায় বিক্রি করে লাভবান হতে পারছি।

মাঠ দিবস অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথি তোজাম্মেল হক ও দুলু রহমান বলেন, ব্ল্যাক কিং-১ জাতের বীজ থাইল্যান্ড থেকে আনা হয়েছে। বর্তমানে এর পরিক্ষামূলক চাষে কৃষকরা লাভবান হয়েছেন। আশা করছি এই বীজ আরো দ্রুত ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ২৩, ২০২৩ ১০:১৫ পূর্বাহ্ন
সূর্যমুখী চাষে ভোলার কৃষকরা লাভের পথে
কৃষি বিভাগ

আবহাওয়া অনুকূলে ও এই অঞ্চলের মাটি উর্বর হওয়ায় সূর্যমুখী চাষে বাম্পার ফলনের আশা করছেন ভোলার কৃষকরা। কৃষি বিভাগ থেকে সার ও বীজ দিয়ে প্রদর্শনীর মাধ্যমে সহযোগিতা করা হয়েছে বলে জানান কৃষকরা।

জানা যায়, ভোলার রাজাপুরের কৃষকরা তাদের আবাদি জমিতে সূর্যমুখীর চাষ করছেন। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর থেকে সার ও বীজ দিয়ে প্রদর্শনীর মাধ্যমে কুষকরা এই ফসলের আবাদ করছেন। এর চাষে খরচ কম হয় এবং উৎপাদন বেশি হয়। বর্তমান বাজারে তেলের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। তাই দেশে তেল জাতিয় ফসলের আবাদ বৃদ্ধিতে কৃষি বিভাগ কাজ করে যাচ্ছে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সূত্র মতে, চলতি বছর জেলার বিভিন্ন উপজেলায় চাষিরা নিজ উদ্যোগে ও প্রকল্পের আওতায় ৯০০ হেক্টর জমিতে সূর্যমুখীর চাষ করেছেন। এবছর গত বছরের তুলনায় দ্বিগুণ চাষ করা হয়েছে। এখন কৃষকের খেতে সূর্যমুখীর ফুল বাতাসে দোল খাচ্ছে। কৃষকরা ভালো ফলনের আশা করছেন।

পাঙ্গাশিয়া গ্রামের সূর্যমুখীচাষি মো. কামাল উদ্দিন বলেন, এবছর কৃষি বিভাগের দেওয়া বীজ ও সার দিয়ে আমার ৩০ শতক জমিতে পরিক্ষামূলকভাবে চাষ করেছি। জমিতে ফলন ভালো হয়েছে। আশা করছি দ্বিগুণ লাভবান হতে পারবো।

জেলা কৃষি কর্মকর্তা হাসান ওয়ারিসুল কবির জানান, ভোলা জেলায় গত বছর ৫০০ হেক্টর জমিতে সূর্যমুখীর চাষ করা হয়েছিল। এবছর তা ছাড়িয়ে ৯০০ হেক্টর জমিতে চাষ করা হয়েছে। এর তেল খুবই পুষ্টিগুণ সম্পন্ন। অলিভ ওয়েলের পরেই সূর্যমুখী তেলের অবস্থান। অন্যান্য ফসলের তুলনায় এর চাষে খরচ কম ও লাভ বেশি হয়। তাই দিন দিন এর চাষ ও চাষির সংখ্যা বাড়ছে।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop