১২:৪৫ অপরাহ্ন

মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : ডিসেম্বর ২৯, ২০২১ ১:৩৩ অপরাহ্ন
মাদারীপুরে রোপা আমনের ‘ফলন ভাল, দামও ভাল’
কৃষি বিভাগ

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মোয়াজ্জেম হোসেন বলেন, মাঠপর্যায়ে কৃষি কর্মকর্তরা ঠিকমত তদারক করায় এই সুফল এসেছে। তাছাড়া এবার আমন ধানে ‘তেমন কোনো রোগ বালাই হয়নি’ এ জেলায়।

সরজমিনে বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে দেখা গেছে, কৃষকরা ফসল ঘরে তুলতে ব্যস্ত সময় পার করছেন। বিভিন্ন এলাকায় ধানের বাজারও জমে উঠেছে।

সদর উপজেলার ধুরাইল ইউনিয়নের আনার উদ্দিন মৃধা বলেন, তিনি এবার পাট কাটার পর পাঁচ বিঘা জমিতে উচ্চফলনশীল রোপা আমনের চাষ করেছেন। তার খরচ হয়েছে ৪০ হাজার টাকা। প্রতি বিঘায় তার ৩০ থেকে ৩৫ মণ ধান হয়েছে।

“গত পাঁচ বছরের মধ্যে এবারই আমাদের এত ভাল ফলন হয়েছে। আবার দামও ভাল আছে।”

আমন ধান কেবল ঘরে উঠছে। বাজারে নতুন ধানের দাম প্রতিদিনই ওঠানামা করছে। ডাসার উপজেলার শশিকর হাটের ধান ব্যবসায়ী হৃদয় সরকার ফুরফুরে কণ্ঠে বলেন, মোটা ধানের দাম ৯০০ আর চিকন ধানের দাম ৯৩০ টাকায় উঠেছে এবার। নতুন ধান হাটে আগামী সপ্তাহ থেকে বেশি পাওয়া যাবে।

তবে পুরনো ধান কোথাও কোথাও ৯৫০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে বলে জানান ব্যবসায়ীরা।

জেলার কালকিনি উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মিল্টন বিশ্বাস বলেন, এই অঞ্চলে চলতি বছর ব্র্রি-৩৩, ৩৯, ৪৯, ৫১, ৫২, ৭৫, ৮৭ ও বিনা ধান-৭ জাতের রোপা আমন চাষ করায় কৃষকরা কাঙ্ক্ষিত ফল পেয়েছেন। তাছাড়া চলতি বছর রোপা আমন চাষ করার জন্য কৃষকদের সরকারি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় বিভিন্ন ধরনের বীজ ও সার বিতরণ করা হয়েছে।

সারা বছরই কৃষকদের বিভিন্ন প্রক্ষিণ দেওয়া হয়েছে বলে জানান জেলা কৃষি প্রশিক্ষণ কর্মকর্তা এসএম সালাউদ্দিন।

তিনি বলেন, এবার এ জেলায় প্রতি হেক্টরে সাড়ে তিন টন চাল হিসেবে ৬০ হাজার ৮৮০ মেট্রিকটন চাল উৎপাদন হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ২৯, ২০২১ ১২:০৮ অপরাহ্ন
বীজহীন লেবু চাষ
কৃষি বিভাগ

মহেশপুরে সিডলেস (বীজহীন) কাগজি লেবু চাষ করা হচ্ছে। বেশি ফলন ও চাহিদা ভালো থাকায় এ চাষ লাভজনক। ফলে অনেকেই লেবু চাষের দিকে ঝুঁকছেন। বর্তমানে মহেশপুর থেকে এ লেবু ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে রপ্তানি করা হচ্ছে। 

উপজেলার ফতেপুর গ্রামের লেবু চাষি কুতুব গাজী জানান, ২০১৯ সালের প্রথম দিকে দুই বিঘা জমি নিয়ে ঐ জমিতে ২৫০টি বিজহীন লেবুর কলমকৃত চারা রোপণ করি। চারা কেনা, চারা রোপণ, জমি প্রস্তুত, জমি তৈরি, সেচ ও সারসহ বিবিধ খরচ মিলিয়ে প্রথম বছর তার প্রায় ১ লাখ টাকা ব্যয় হয়। পরের বছরেই ঐ সব লেবু গাছে লেবুর ফলন শুরু হয়। বর্তমানে জমি থেকে বিঘাপ্রতি প্রায় ১ লাখ টাকার লেবু বিক্রি হয়।

এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ হাসান আলী জানান, এ উপজেলায় ২০ হেক্টর জমিতে লেবুর আবাদ করা হয়েছে। এর মধ্যে ১০ হেক্টরে (বিজহীন) সিডলেস, পাঁচ হেক্টরে চায়না ও পাঁচ হেক্টরে অন্য জাতের কাগজি লেবু রয়েছে।

তিনি জানান, লেবু চাষ অত্যন্ত লাভজনক। এ চাষ করে অনায়াসেই বিঘাপ্রতি ১ থেকে দেড় লাখ টাকা আয় করা সম্ভব। উপজেলায় লেবু উৎপাদন বাড়লে ব্যাপকভাবে দেশের বাইরে রপ্তানি করা যাবে বলে তিনি জানান।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ২৯, ২০২১ ১১:৩২ পূর্বাহ্ন
চাঁপাইনবাবগঞ্জে শীতকালীন আম চাষ
কৃষি বিভাগ

চাঁপাইনবাবগঞ্জে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে শীতকালীন আমের চাষ। লাভজনক হওয়ায় দিনদিন বাড়ছে এই ধরনের আমের বাগান। গ্রীষ্ম মৌসুমের তুলনায় অন্য সময় আমের দাম বেশী পাওয়া যায় বলে অসময়ের আম চাষে ঝুঁকছেন চাষীরা। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অসময়ে আমের উৎপাদন বাড়ানো গেলে আমকেন্দ্রিক অর্থনীতির চিত্র পাল্টে যাবে।

গ্রীষ্মকালে সারাদেশে গাছে গাছে ঝুলতে দেখা যায় আম। তবে প্রকৃতির এই সাধারণ নিয়মের পরিবর্তন ঘটিয়ে এখন শীতকালেও ফলছে আম। বিরল এমন দৃশ্য দেখা যায় আমের জেলা হিসেবে খ্যাত চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলার বিভিন্ন বাগানে।

সেখানে শোভা পাচ্ছে বারোমাসি জাত বারি-১১, গৌড়মতি, কাটিমনসহ নানা জাতের সুস্বাদু আম। গ্রীষ্ম মৌসুমে আমের দাম কমে যায় বলে অসময়ে আমের বাণিজ্যিক উৎপাদনে ঝুঁকছেন চাষীরা। চাহিদা ও বাজারমূল্য ভালো থাকায় শীতকালীন আম চাষ কৃষকদের মাঝে আশা জাগাচ্ছে।

বারোমাসি এসব আমের বাণিজ্যিক চাষ বাড়ালে আমকেন্দ্রিক অর্থনীতির চিত্র পাল্টে যাবে বলে মনে করেন কৃষি কর্মকর্তারা।

এদিকে, সারাবছর যাতে আম চাষ করা যায়, সে লক্ষে আরও নতুন জাত উদ্ভাবনের গবেষণা চলছে বলে জানান বিশেষজ্ঞরা। খামারীরা বলছেন সহজশর্তে ঋণ পাওয়া গেলে অসময়ে আম চাষ ও উৎপাদন আরও বাড়বে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ২৮, ২০২১ ৪:৫০ অপরাহ্ন
নওগাঁয় কালো এলাচ চাষে স্বপ্ন দেখছেন মাহফিজুর
কৃষি বিভাগ

সবচেয়ে দামি মশলা কালো এলাচ চাষে স্বপ্ন দেখছেন নওগাঁ জেলার সাপাহার উপজেলার খঞ্জনপুর এলাকার কৃষি উদ্যোক্তা মাহফিজুর রহমান। নিজের ৫ শতাংশ জমিতে পরীক্ষামূলকভাবে ২০টি ইন্দোনেশিয়ান কালো এলাচের গাছ রোপণ করেছেন তিনি।

ইতোমধ্যে গাছগুলো ডালপালা ছড়িয়ে বিশালাকার ধারণ করেছে। বাণিজ্যিকভাবে বিপনন সুবিধা থাকলে প্রতি মৌসুমে শতক প্রতি প্রায় ৩ থেকে সাড়ে তিন লক্ষ টাকার কালো এলাচ বিক্রয় করা সম্ভব বলে জানিয়েছেন তিনি।

মাহফিজুর রহমান জানান, এলাচের গাছ রোদ সহ্য করতে না পারায় ছায়াযুক্ত জায়গায় বা কোন গাছের নিচে রোপণ করতে হয়। এজন্য তিনি তার আম বাগানের মধ্যে ৫ শতাংশ জমি বেছে নিয়ে সেখানে এলাচের গাছ রোপণ করেছেন।

একটি এলাচ গাছ থেকে আরেক গাছের দূরত্ব দেওয়া হয়েছে ২২ ফুট। রোপণকৃত গাছ হতে পরিপক্ক ফল পেতে প্রায় ২ বছর সময় লেগে যায় ফলে গাছ রোপণের পর দীর্ঘ সময় পরিচর্যা করতে হয়।

তিনি আরও জানান, গাছ রোপণের পরে তেমন কোন পরিচর্যা করতে হয় না। তবে নিয়মিত সেঁচ দেওয়া, জৈব-রাসায়নিক সার ও সামান্য পরিমাণে বালাইনাশক প্রয়োগ করতে হয়। মাটির গুণগত মান ভালো হবার ফলে এলাচ চাষে অনেকটা অনুকূল।

বাণিজ্যিকভাবে বিপনন সুবিধা থাকলে প্রতি মৌসুমে শতক প্রতি প্রায় ৩ থেকে সাড়ে তিন লক্ষ টাকার কালো এলাচ বিক্রয় করা সম্ভব।

উপজেলা সহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা আতাউর রহমান সেলিম বলেন, ইন্দোনেশিয়ান কালো এলাচ দীর্ঘ সময় পরে ফল আসে। যার কারণে কালো এলাচ চাষ তেমন ফলপ্রসূ নয়। তবে যদি কেউ এলাচ চাষ করতে চায় তাহলে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর থেকে সকল ধরনের সহায়তা প্রদান করা হবে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ২৮, ২০২১ ৪:২২ অপরাহ্ন
ঘন কুয়াশায় আলুর আবাদ নিয়ে চিন্তিত কৃষক
কৃষি বিভাগ

রংপুর অঞ্চলের ঘন কুয়াশার কারণে আলুর আবাদ নিয়ে চাষিরা চিন্তিত হয়ে পড়েছেন। গত কয়েকদিন থেকে শীতের প্রকোপের পাশাপাশি কুয়াশা পড়ছে। এই কুয়াশা আলুর জন্য ক্ষতিকারক। তবে কৃষি বিভাগ বলছে, এই আবহাওয়ায় আলুর জন্য তেমন ক্ষতিকারক নয়। মাঠ পর্যায়ে কৃষকদের পরামর্শ দেয়া হচ্ছে।

জানা গেছে, রংপুর অঞ্চলে চলতি মৌসুমে প্রায় এক লাখ হেক্টর জমিতে আলুর আবাদ হচ্ছে। কিছুটা বৈরী আবহাওয়ার কারণে কৃষকরাও নাওয়া-খাওয়া ছেড়ে ক্ষেত পরিচর্যায় নেমে পড়েছেন। আমন মৌসুমে বাম্পার ফলন হলেও গত মৌসুমে আলুতে খুব একটা লাভ করতে পারেননি আলু চাষিরা। এখনো অনেক হিমাগারে আলু সংরক্ষিত রয়েছে। এমন অবস্থায় বাড়তি খরচের বোঝা নিয়ে আলু চাষ হলেও শীতের বিষয়টি আবারও দুঃচিন্তার কারণ হয়েছে কৃষকদের। ঠান্ডা আবহাওয়া আলু চাষের জন্য উপকারিতা হলেও কুয়াশা ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। যে কারণে গত কয়েকদিনের শীত ও ঘন কুয়াশার কারণে উদ্বিগ্ন কৃষকরা। জানুয়ারির প্রথম দিকে শৈত্যপ্রবাহ শুরু হলে আলু চাষিদের দুশ্চিন্তা আরও বাড়িয়ে দিবে।

পীরগাছা উপজেলার আলু চাষি বুলবুল মিয়া, মাহাবুবসহ অনেকেই কুয়াশাজনিত কারণে আলুর আবাদ নিয়ে চিন্তিত বলে জানালেন। এদিকে কৃষি অফিসের কর্মকর্তারা চাষিদের উদ্বিগ্ন না হয়ে নিয়মিত পরিচর্যা করার জন্য পরামর্শ দিয়েছেন।

কৃষিবিদদের পরামর্শ, আতঙ্কিত হয়ে আগাম কীটনাশক ব্যবহার করা হলে হিতে বিপরীত ঘটতে পারে। যখন কোন প্রাকৃতিক সমস্যা দেখা দিবে তখনই নিয়ন্ত্রণ করা উচিত।

রংপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ওবায়দুর রহমান বলেন, বর্তমান যে আবহাওয়া বিরাজ করছে তাতে আলুর ক্ষতি হওয়ার শঙ্কা কম। এছাড়া মাঠ পর্যায়ে কৃষকদের ছত্রাকনাশক ব্যবহারসহ বিভিন্ন বিষয়ে পরামর্শ দেয়া হচ্ছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ২৮, ২০২১ ২:৪৩ অপরাহ্ন
ঠাকুরগাঁও চিনিকলের আখ মাড়াই বন্ধ, বিপাকে চাষিরা
কৃষি বিভাগ

আখ মাড়াই মৌসুম চালু না হতেই যান্ত্রিকত্রুটির কারণে আবার বন্ধ হয়ে যায় ঠাকুরগাঁওয়ের একমাত্র চিনিকল। যদিও এ সমস্যা সমাধানে কাজ করছে কর্তৃপক্ষ। এমন পরিস্থিতিতে আখ নিয়ে বিপাকে পড়েছেন সেতাবগঞ্জ, পঞ্চগড় ও ঠাকুরগাঁওয়ের চাষিরা। একই সঙ্গে লোকসানের প্রহর গুনছেন তারা।

ঠাকুরগাঁও চিনিকলের সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, চলতি বছরের ২৪ ডিসেম্বর পঞ্চগড়, সেতাবগঞ্জ ও ঠাকুরগাঁওয়ের ৫০ হাজার টন আখ মাড়াইয়ের লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে এবছর মাড়াই মৌসুম উদ্বোধন হয়। এরপরদিন ভোর থেকে যান্ত্রিকত্রুটি দেখা দেয়। এরপর থেকে দু-এক ঘণ্টা করে চিনিকল চললেও বেশিরভাগ সময় বন্ধ থাকে। এখন যান্ত্রিকত্রুটির কারণে মিলটি আর চলছেই না। ফলে মিলে আখ মাড়াই কার্যক্রম সাময়িক বন্ধ আছে।

সোমবার (২৭ ডিসেম্বর) বিকেলে ঠাকুরগাঁও চিনিকল ঘুরে দেখা গেছে, মাড়াইয়ের জন্য নিয়ে আসা আখের গাড়ি লাইন ধরে দাঁড়িয়ে আছে। তবে যান্ত্রিতক ত্রুটির কারণে মাড়াইয়ের জন্য আখ নিচ্ছে না চিনিকল কর্তৃপক্ষ। ফলে বসে বসে লোকসানের প্রহর গুনছেন অনেক আখচাষি। আবার অনেকে ক্ষোভ প্রকাশ করে চিনিকল সংলগ্নমাঠে আগের গাড়ি থেকে আখ ফেলে দিয়ে বাসায় চলে যান। ফলে আখগুলো শুকিয়ে যাচ্ছে।

জেলার রহিমানপুর এলাকার আখচাষি ফয়েজ উদ্দীন বলেন, আমি এবার ৮ একর জমিতে আখ চাষ করেছি। এ বছর আখ দেওয়ার অনুমতিও আছে আমার কাছে। চিনিকলে দুই গাড়ি আখ নিয়ে এসেছি মাড়াইয়ের জন্য। এসে দেখি আখ নিচ্ছে না। কর্তৃপক্ষ বলছে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে আখ মাড়াই বন্ধ আছে দুদিন ধরে।

আখচাষি নুরুজ্জামান গোলাপ বলেন, আমি ২০ একর জমিতে আখ চাষ করেছি। এত পরিমাণ আখ চাষ করে আমি বিপাকে পড়েছি এখন। লোকসানের প্রহর গুনতে গুনতে একদিন দেখা যাবে কোনো কৃষেই আর আখ চাষ করবে না।

এদিকে রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্প রক্ষা সংগ্রাম পরিষদের জেলা আহ্বায়ক মাহাবুব আলম রুবেল বলেন, ১৯৫৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়ে আজ অবধি চিনিকলটির তেমন যন্ত্রপাতির আধুনিকায়ন হয়নি। মিল কর্তৃপক্ষ চাষিদের আখ চাষে উদ্বুদ্ধ করার কথা বললেও যন্ত্রপাতি আধুনিকায়নের দিকে তেমন কোন জোরালো ভূমিকা নেই। ফলে কৃষকরা এর কুফল ভোগ করছে। মাড়াই করতে না পারায় আখ শুকিয়ে যাচ্ছে। লোকসানের মুখে চাষিরা। এমন চলতে থাকলে এ মিলটিও একেবারে বন্ধ হবে।

ঠাকুরগাঁও চিনিকলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সাখাওয়াত হোসেন বলেন, চিনিকলে যান্ত্রিকত্রুটি দেখা দিয়েছে। শিগগির এ সমস্যা সমাধান করা হবে। সমস্যাটি কৃষকদের জানাতে সোমবার সকাল থেকে মাইকিং করা হচ্ছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ২৮, ২০২১ ২:১২ অপরাহ্ন
নওগাঁ জেলায় ভুট্টা চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ
কৃষি বিভাগ

নওগাঁ জেলায় চলতি রবি (২০২১-২০২২) মওসুমে মোট ৬ হাজার ৯৬০ হেক্টর জমিতে লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে ভুট্টা চাষ শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যে প্রায় অর্ধেক জমিতে ভুট্টার বীজ বপন সম্পন্ন হয়েছে বলে কৃষি বিভাগ জানিয়েছে। জানুয়ারি মাসের মাঝামাঝি সময়ের মধ্যে ধার্যকৃত জমিতে ভুট্টা বপন সম্পন্ন হবে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ মো. শামসুল ওয়াদুদ জানিয়েছেন- ক্রমাগত ভুট্টার আবাদ সম্প্রসারিত হলেও বাংলাদেশে এখনও ভুট্টার ঘাটতি রয়েছে। ভুট্টা মুরগীর ও মাছের খাদ্য, পশু খাদ্য, মানুষের খাদ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ভুট্টাতে প্রচুর ভিটামিন এ রয়েছে। এ ছাড়া ক্যালসিয়ামও রয়েছে ভুট্টাতে। এর পুষ্টিমানও চাল কিংবা গমের চেয়ে বেশী। এসব কারনে কৃষকরা বাজারে ভুট্ট্রা ভালো দাম পাওয়ার কারনে কৃষকদের মধ্যে ভুট্টা চাষের আগ্রহ অধিক পরিলক্ষিত হচ্ছে।

কৃষি বিভাগের সূত্রমতে, জেলার উপজেলা ভিত্তিক ভুট্টা চাষের ধার্যক্রত লক্ষ্যমাত্রা হচ্ছে নওগাঁ সদর উপজেলায় ২৬০ হেক্টর, রাণীনগর উপজেলায় ৪৩০ হেক্টর, আত্রাই উপজেলায় ৪ হাজার ৯৬০ হেক্টর, বদলগাছি উপজেলায় ৮৫ হেক্টর, মহাদেবপুর উপজেলায় ১৯০ হেক্টর, পত্নীতলা উপজেলায় ৩৫ হেক্টর, ধামইরহাট উপজেলায় ৩৯৫ হেক্টর, সাপাহার উপজেলায় ১০ হেক্টর, পোরশা উপজেলায় ১৫ হেক্টর, মান্দা উপজেলায় ৫২৫ হেক্টর এবং নিয়ামতপুর উপজেলায় ৫৫ হেক্টর। উল্লেখিত পরিমাণ জমিত থেকে এ বছর ৭৩ হাজার ৮০ টন ভুট্টা উৎপাদিত হবে বলে কৃষি বিভাগ প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছে।

এদিকে ভুট্টাচাষে কৃষকদের আগ্রহী করে তুলতে জেলার ১০ হাজার প্রান্তিক কৃষককে প্রত্যেককে ১ বিঘা জমির বিপরীতে সরকারি প্রণোদনা হিসেবে বিনামূল্যে সার ও বীজ প্রদান করা হয়েছে। প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় প্রত্যেক কৃষককে ২ কেজি করে বীজ, ২০ কেজি করে ডিএপি এবং ১০ কেজি করে এমওপি সার বিতরণ কার্যক্রম চলছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ২৮, ২০২১ ১২:০৭ অপরাহ্ন
ফরিদপুরে আগাম কুল চাষে সফলতা
কৃষি বিভাগ

আগাম জাতের কুল চাষ করে সাফল্য পেয়েছেন ফরিদপুরের এক তরুণ উদ্যোক্তা। ভারত সুন্দরী ও কাশমিরি জাতের আপেল কুল আছে তার বাগানে। নতুন জাতের এই কুল চাষ করে সাড়া ফেলেছেন এলাকায়। তার বাগানে কর্মসংস্থান হয়েছে অনেকের। 

ফরিদপুর সদর উপজেলার হাট গবিন্দপুরের তরুণ উদ্যোক্তা মফিজুর রহমান মাফি। চার বছর আগে নিজের ৮ বিঘা জমিতে গড়ে তোলেন মিশ্র ফলের বাগান। প্রথম বছরেই আসে সাফল্য। এরপর বাড়িয়েছেন বাগানের পরিধি। বর্তমানে আগাম জাতের কুল চাষ করে সফল হয়েছেন এই উদ্যোক্তা। বল সুন্দরী ও কাশমিরি আপেল কুল রয়েছে তার বাগানে।  ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে বাজারে আসবে এসব কুল। চলতি বছর অধিক ফলনশীল ও আগাম জাতের ভারত সুন্দরী ও টক-মিষ্টি কুলও চাষ করেছেন তিনি।

চারা লাগানোর পর ৭ মাসেই এসেছে ফলন। নতুন জাতের এই কুল দেখতে বিভিন্ন এলাকার কৃষকরা ভিড় করছেন মাফির বাগানে। কর্মসংস্থান হয়েছে অনেকের।

মফিজুর রহমান মাফি জানান, একবিঘা জমিতে কুল চাষে খরচ হয়েছে ৪৫ থেকে ৫০ হাজার টাকা। যা থেকে আয় হচ্ছে দেড় থেকে দু’লাখ টাকা। কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে কুল চাষে বিভিন্ন পরামর্শ দেয়া হচ্ছে বলে জানালেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা।

কৃষি কর্মকর্তা মোঃআবুল হোসেন মিয়া বলেন, মাফির মত অন্যরাও পরামর্শ ও প্রশিক্ষণ নিয়ে বাগান করলে লাভবান হতে পারবেন বলে জানান তিনি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ২৮, ২০২১ ১১:২৩ পূর্বাহ্ন
ফের বেড়েছে চালের দাম, বিপাকে নিম্ন ও মধ্যবিত্তরা
কৃষি বিভাগ

আবারও বেড়েছে চালের দাম। দেশের প্রধান এই খাদ্যশস্যের দাম বেশ কিছুদিন থেকেই বাড়িতর দিকে। এতে করে বিপাকে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত মানুষরা। এক থেকে দেড় সপ্তাহে পাইকারি ও খুচরা বাজারে চালের দাম বেড়েছে কেজিপ্রতি ছয় টাকা পর্যন্ত।

বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাব বলছে, গত ছয় মাসে জাতীয় মূল্যস্ফীতির চেয়ে চালের মূল্যস্ফীতি দ্বিগুণেরও বেশি ছিল।

বাজার ঘুরে ও ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, আমন মৌসুমের ধান থেকে মূলত স্বর্ণা, গুটি স্বর্ণা ও আঠাশ, ঊনচল্লিশ ইত্যাদি চাল উৎপাদন হয়। এসব চাল তুলনামূলক মোটা হওয়ায় মধ্যবিত্ত পরিবারে বিশেষ করে শহরাঞ্চলে খুব একটা চাহিদা নেই। ফলে আমন মৌসুমে সরু বা মাঝারি মানের চালের বাজারে খুব একটা প্রভাব পড়ছে না। তার পরও আমন মৌসুম চালের বাজারে দামের রাশ টেনে ধরতে বেশ ভূমিকা রাখে।

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দেশের বড় বড় কম্পানি চালের ব্যবসায় এসেছে। উৎপাদিত ধানের বড় একটি অংশ মজুদ করছে তারা। আগের অটোরাইস মিল তো আছেই। সব মিলিয়ে চালের সরবরাহে মিলার ও বড় ব্যবসায়ীদের নিয়ন্ত্রণ আরো বেড়েছে। যেকোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগের প্রভাব দ্রুত পড়ছে বাজারে। সর্বশেষ ঘূর্ণিঝড় জাওয়াদের প্রভাবে টানা চার-পাঁচ দিন বৃষ্টি হয়েছে। এতে আমনের কিছু ক্ষতি হয়েছে। অনেকে সময়মতো ধান তুলতে পারেননি। এই সুযোগে ব্যবসায়ীরা চালের দাম কেজিপ্রতি দুই থেকে ছয় টাকা পর্যন্ত বাড়িয়েছেন। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি বেড়েছে মিনিকেট, নাজিরশাইল, ভালোমানের আটাশসহ সরু চালের দাম। এসব চাল বোরো মৌসুমের বিভিন্ন ধান থেকে আসে।

তবে চালের দাম বাড়ার আরো কিছু কারণ বলছেন সরবরাহকারীরা। তাঁরা বলছেন, পরিবহন ব্যয় বাড়ায় প্রতি কেজিতে সরবরাহ খরচ বেড়েছে ২০ থেকে ৩০ পয়সা। এ ছাড়া সরকারের ধান ক্রয়ের কারণে বাজারে ধানের দাম বেড়েছে। দক্ষিণাঞ্চলে এখনো ৫০ শতাংশ আমন ধান উঠতে বাকি, এতে ধানের পর্যাপ্ত সরবরাহ পাওয়া যাচ্ছে না।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সপ্তাহখানেক আগে বাবুবাজারে পাইকারিতে ভালো মানের নাজিরশাইলের কেজি বিক্রি হয়েছে ৬২ টাকা। বর্তমানে ছয় টাকা বেড়ে ৬৮ টাকা হয়েছে। কিছুটা কম মানের নাজিরশাইল চাল পাওয়া যেত ৫৪ থেকে ৫৫ টাকায়। বর্তমানে তা ৬০ টাকা কেজি। ভালো মানের মিনিকেটের কেজি ছিল ৫৬ টাকা কেজি, বর্তমানে ৫৯ টাকা কেজি। কেজিতে বেড়েছে তিন টাকা। কিছুটা কম মানের মিনিকেট পাইকারিতে দুই টাকা বেড়ে ৫৭ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আঠাশ ও ঊনপঞ্চাশ নামের মাঝারি মানের চাল আগে পাইকারিতে বিক্রি হতো ৫০ টাকা, বর্তমানে ৫২ থেকে ৫৪ টাকায় উঠেছে। স্বর্ণা, গুটিসহ মোটা চালের কেজি আগে ছিল ৪০ টাকা। এখন বেড়ে ৪২ টাকা হয়েছে।

বাংলাদেশ রাইস মার্চেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সহসভাপতি কাউছার আলম খান বাবলু বলেন, ‘চালের ব্যবসায়ী এখন আর শুধু ছোট মিলগুলো নেই। বড় ব্র্যান্ড কম্পানিও চালের ব্যবসায় নেমেছে। ফলে ধান মজুদের পরিমাণ বেড়েছে। শহরের পাশাপাশি গ্রামেও এখন সরু চালের চাহিদা বেড়েছে। তবে কয়েক দিন টানা বৃষ্টির কারণেই হঠাৎ চালের দাম বেড়েছে। সপ্তাহ দুয়েক পরে দাম কমে আসতে পারে। ’

গতকাল সেগুনবাগিচা বাজারে ভালো মানের মিনিকেট চাল বিক্রি হয়েছে ৬৬ থেকে ৬৮ টাকা কেজিতে। কিছুটা কম মানের মিনিকেট ৬৪ থেকে ৬৬ টাকা কেজি। আগে প্রতি কেজিতে চার টাকা কম ছিল। এই বাজারে নাজিরশাইল দুই থেকে চার টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ৬৮ থেকে ৬৯ টাকায়। মানভেদে কাটারিভোগ দুই টাকা বেড়ে ৭০ থেকে ৭২ টাকা হয়েছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, রশিদ অ্যাগ্রো, দাদা, এরফান, মোজাম্মেল, গাজী অটোরাইস এবং শিল্পগোষ্ঠীর মধ্যে আকিজ, সিটি, এসিআই, ভিওলা, রূপচাঁদা, প্রাণ, এসিআই, স্কয়ারসহ কয়েকটি কম্পানি চালের ব্যবসা করছে। এসব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে প্রাণ ও সিটি গ্রুপের চালের মিল আছে। তবে আকিজ গ্রুপ বিভিন্ন মিল থেকে চাল উৎপাদন ও বাজারজাত করছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ছয় মাসে জাতীয় মূল্যস্ফীতির চেয়ে চালের মূল্যস্ফীতি ছিল দ্বিগুণেরও বেশি। কখনো কখনো তা তিন গুণের কাছাকাছি এসে দাঁড়িয়েছে। এর মধ্যে পয়েন্ট টু পয়েন্ট ভিত্তিতে গড় মূল্যস্ফীতির হার সর্বোচ্চ উঠেছিল জুনে। ওই সময় গড় মূল্যস্ফীতির হার ছিল ৫.৬৪ শতাংশ। একই সময় চালের মূল্যস্ফীতির হার ছিল ১৫.১৮ শতাংশ।

যুক্তরাষ্ট্রের কৃষি বিভাগের (ইউএসডিএ) চলতি মাসের ‘খাদ্যশস্য : বিশ্ববাজার ও বাণিজ্য’ শীর্ষক প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২০-২১ বাণিজ্য বছরে বাংলাদেশ ২৬ লাখ ৫০ হাজার টন চাল আমদানি করেছে, যা চাল আমদানিকারক দেশগুলোর মধ্যে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। ৪৫ লাখ টন আমদানি করে প্রথম চীন। তবে কৃষিমন্ত্রী মো. আব্দুর রাজ্জাক বলেন, গত জুলাই থেকে ১৮ ডিসেম্বর ২০২১ পর্যন্ত মাত্র ১৫ লাখ টন চাল দেশে আমদানি হয়েছে। ২৬ লাখ টন চাল আমদানির আইপিও দেওয়া হয়েছে। তাই আমদানির তথ্যটি ঠিক নয়।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) সর্বশেষ খানা আয়-ব্যয় জরিপে উঠে এসেছে, দেশে খানাপিছু গড় মাসিক আয় ১৫ হাজার ৯৪৫ টাকা। এর মধ্যে প্রায় ৪৮ শতাংশই যায় খাদ্য কেনায়। দরিদ্র ও প্রান্তিক পরিবারগুলোর ক্ষেত্রে মাসিক মোট আয়ের প্রায় ৭০ শতাংশ পর্যন্ত ব্যয় হয় খাদ্যের পেছনে। এই খাদ্যের বেশির ভাগই চাল। দেশে দরিদ্র জনগোষ্ঠীর চালের মাথাপিছু দৈনিক ভোগ ৪৭০ গ্রাম, যেখানে অন্যদের ক্ষেত্রে তা ৩৬৬ গ্রাম। প্রধান খাদ্যশস্যটির মূল্যস্ফীতির বোঝাও তাদের ঘাড়ে চাপে বেশি।

ভোক্তা অধিকার সংগঠন কনজিউমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের সভাপতি গোলাম রহমান বলেন, এখন অটোমিল ও করপোরেট প্রতিষ্ঠান চালের দাম নির্ধারণ করে দেয়। ধান মজুদের নীতিমালায় পরিবর্তন আনা দরকার। এ ছাড়া সব গুদামেই ধানের মজুদসংক্রান্ত তথ্য সরকারের কাছে থাকা উচিত। সরকারি গুদামে ধান-চালের মজুদ বাড়াতে হবে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ২৭, ২০২১ ১:২৪ অপরাহ্ন
গাজনার বিলে মাছের পরিবর্তে পেঁয়াজ চাষ!
কৃষি বিভাগ

পাবনা জেলার সুজানগরের প্রমত্তা গাজনার বিলের অধিকাংশ এলাকা চলতি শীত মৌসুমে শুকিয়ে গেছে। ফলে বিলে এখন মাছের পরিবর্তে আবাদ হচ্ছে পেঁয়াজ।

উপজেলা মৎস্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, গাজনার বিলে এক সময় সারা বছর পানি থইথই করত। সে সময় উপজেলার মত্স্যজীবীরা বিলে মাছ ধরে জীবিকানির্বাহ করতেন।

কিন্তু কালের আবর্তনে বর্তমানে এই বিলে আর সারা বছর পানি থাকে না। বিলটিতে বছরের ছয় মাস পানি থাকলেও আর ছয় মাস শুকনো থাকে। চলতি শীত মৌসুমে গাজনার বিলের খালের অংশ ছাড়া বেশির ভাগ এলাকা শুকিয়ে গেছে। ফলে বিলে এখন আর মাছ মিলছে না। তবে বর্তমানে বিলে মাছ না মিললেও পেঁয়াজের আবাদ হচ্ছে চোখে পড়ার মতো।

বিল পাড়ের দুর্গাপুর গ্রামের কৃষক কামরুজ্জামান বলেন, গাজনার বিলে কখনও ফসল আবাদ করা যাবে এ কথা ভাবাই যায়নি। কেননা বেশিদিন আগের কথা নয়, প্রমত্তা গাজনার বিলের বিশাল ডেউয়ের তোড়ে বিল পাড়ের মানুষের বাড়িঘর ভেঙে লণ্ডভণ্ড হয়ে যেতো। আর বিলে মাছ আর পানি ছিল প্রায় সমান। আর এখন সেই বিল শুকিয়ে যাওয়ায় ফসল আবাদ হচ্ছে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ রাফিউল ইসলাম বলেন, এক সময়ের প্রমত্তা গাজনার বিলে বর্তমানে শুষ্ক মৌসুমে পেঁয়াজের আবাদ হচ্ছে।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop