৩:৫০ অপরাহ্ন

শনিবার, ২ মে , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : মে ২৮, ২০২১ ২:৩৭ অপরাহ্ন
এমবিএ পাশ করে গরুর খামার করে সফল উদ্যোক্তা ফারহাদ
প্রাণিসম্পদ

একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমবিএ শেষ করে নিজ এলাকায় গরুর খামার গড়ে তুলেছেন কুমিল্লার মেঘনা উপজেলার লুটেরচর গ্রামের সন্তান ফারহাদ উল্লাহ শিকদার। এতে তিনি যেমন উদ্যোক্তা হয়েছেন, তেমনি কর্মস্থান হয়েছে গ্রামের খেটে খাওয়া কয়েকজন শ্রমিকের।

জানা যায়, তিনি ২০২০ সালে এমবিএ পাশ করেন। বেশ কিছুদিন একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেছেন। শুরু থেকেই নিজে কিছু করার মানসিকতা ছিলো তার। আর তাই রাজধানী ছেড়ে নিজ এলাকায় চলে আসেন তিনি। এবং এক বন্ধুকে সাথে নিয়ে গড়ে তুলেন ”ফার্ম হাউজ এগ্রো” নামে একটি গরু খামার।

এ বছরের শুরুতেই এর অনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু করেন। ফার্ম হাউজটিতে বিভিন্ন জাতের ৪৬টি ষাঁড় গরু রয়েছে। তারমধ্যে, শাহীওয়াল, সিন্দি, বলদ, অস্ট্রেলিয়ান ও নেপালী। কমপক্ষে ২ বছর থেকে ৬ মাস পর্যন্ত লালন পালন করা হবে এসকল ষাড়দের। দেশের বিভিন্ন গরুর বাজার থেকে কমমূল্যে সংগ্রহ করেছে এসকল গরু। দেশীয় খাবার প্রয়োজনীয় ঔষধ ব্যবহার করা হচ্ছে নিয়মিত। খামারের সকল গরুই পর্যাপ্ত বয়সের হয়েছে। আসছে কুরবানী ঈদেই এদের বাজারজাত করা হবে বলে জানা গেছে।

হাউজটির পরিচালক সিয়াম আহাম্মেদ জানান, গরু কিনতে গিয়ে আর্টিফেসিয়ালী, ফেট এবং ইনজেকশন দেখেছি। আমরা তুলনামূলক দুর্বল গরু সংগ্রহ করেছি। আমাদের এই খামারের গরু আমরা নিজেরাও খাবো। সে জন্যে, ভালো মানের খাবার পরিবেশন করছি। এবং মাঠের সবুজ ঘাঁস খেতে দিচ্ছি। এখানে হাইব্রিড কোন খাবার বা ইনজেকশন পুস করানো হচ্ছে না। তাই শারীরিক দুর্বল গরুগুলো এখন চমৎকার গঠনে বেড়ে উঠেছে। আমরা আশা করছি আসছে কুরবানী ঈদে এসকল গরু বাজারজাত করবো এবং বাজারমূল্যে বিক্রি করলেও আমরা অধিক লাভবান হবে।

খামারটির উদ্যোক্তা মো. ফারহাদ উল্লাহ শিকদার জানান, প্রধানমন্ত্রী যখন বলছে তরুণদের উদ্যোক্তা হয়ে দেশের উন্নয়নে কাজ করতে। সে লক্ষে দেশের কৃষিখাতে অবদান রাখাতে আমাদের এই উদ্যোগ। দেশে মাংসের চাহিদা মিটাতে আমরা গরু খামারের বিষয়টিই বেছে নিয়েছি। আপনারা জানেন ইন্ডিয়া থেকে গরু না আসলে আমাদের বাজার পূর্ণতা পেতো না। এখন দেশে উৎপাদিত গরুতেই বাজার পূর্ণ হচ্ছে।

মেঘনা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সাইফুল্লাহ মিয়া রতন সিকদার জানান, আমাদের তরুণরা যখন চাকুরীর পিছনে ছুটছে। তখন মেঘনার তরুণরা উচ্চ শিক্ষা লাভ করে গ্রামে এসে কৃষি কাজে সম্পৃক্ত হচ্ছে। শিক্ষিত তরুণদের এমন উদ্যোগ গ্রাম ও রাষ্ট্রের উন্নয়নে অংশিদার হচ্ছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মে ২৭, ২০২১ ৯:২৯ পূর্বাহ্ন
অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা গণমাধ্যম ও রাষ্ট্রের মাঝে দূরত্ব সৃষ্টি করবে না: প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী
প্রাণিসম্পদ

কোন অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা গণমাধ্যম ও রাষ্ট্রের মাঝে কোনভাবেই দূরত্ব সৃষ্টি করবে না বলে আশা প্রকাশ করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।

বুধবার (২৬ মে) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি মিলনায়তনে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির ২৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে শুভেচ্ছা বক্তব্য প্রদানকালে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

এসময় তিনি বলেন, “বর্তমান সরকার গণমাধ্যমবান্ধব সরকার। গণমাধ্যমের সাথে কোন দূরত্ব বর্তমান সরকার চায় না। বঙ্গবন্ধু গণমাধ্যমকে অনেক গুরুত্ব দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বর্তমান সরকারও গণমাধ্যম ও সাংবাদিকদের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছে। রাষ্ট্রের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ হচ্ছে গণমাধ্যম। গণমাধ্যমের বিভাজন দেশের কল্যাণে আসে না, মানুষের কল্যাণেও আসে না। এক্ষেত্রে গণমাধ্যম ও সাংবাদিকদের ঐক্য ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি রক্ষা করতে পেরেছে। এজন্য এ সংগঠন যারা সৃষ্টি করেছেন এবং যারা অব্যাহতভাবে নেতৃত্ব দিচ্ছেন তাদের প্রতি দেশের একজন নাগরিক হিসেবে কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।”

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সদস্যদের শুভকামনা জানিয়ে এসময় তিনি আরো বলেন, “রাষ্ট্র পরিচালনার ক্ষেত্রে যত ভুল-ত্রুটি সামনে তুলে ধরা হবে তত বেশি রাষ্ট্র উপকৃত হবে। সংশোধন হয়ে জনকল্যাণে কাজ করার সুযোগ পাবে। এভাবে গুণগত মানোন্নয়নসহ রাষ্ট্রের উন্নয়ন অগ্রযাত্রাকেও সামনে নিয়ে আসতে হবে। তাহলে মানুষ বুঝতে পারবে এদেশকে স্বাধীন করার জন্য ত্রিশ লক্ষ শহিদের রক্ত দেয়াটা সঠিক ছিল। মানুষ বুঝতে পারবে আজকের বাংলাদেশ বিশ্বের বিস্ময়, উন্নয়নের রোল মডেল।”

ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি মুরসালিন নোমানীর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মসিউর রহমান খানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিতি ছিলেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। পানিসম্পদ উপমন্ত্রী এ কে এম এনামুল হক শামীম, প্রধানমন্ত্রীর সাবেক তথ্য উপদেষ্টা ইকবাল সোবহান চৌধুরী, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী, জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি ফরিদা ইয়াসমিন, সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস খান ও কোষাধ্যক্ষ শাহেদ চৌধুরী, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ও দৈনিক যুগান্তরের সম্পাদক সাইফুল আলম, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউয়িনের সাবেক সভাপতি মনজুরুল আহসান বুলবুল, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি কুদ্দুস আফ্রাদ এবং ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির বর্তমান ও সাবেক নেতৃবৃন্দ অনুষ্ঠানে বক্তব্য প্রদান করেন।

এর আগে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির ২৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে বেলুন উড়িয়ে র‌্যালি উদ্বোধন করেন এবং র‌্যালিতে অংশগ্রহণ করেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মে ২৭, ২০২১ ১২:০৮ পূর্বাহ্ন
ফুলগাছ খাওয়ায় ছাগল মালিকের ২ হাজার টাকা জরিমানা করলেন ইউএনও!
প্রাণিসম্পদ

বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলা পরিষদ চত্বরে ছাগল বাগানের ফুলগাছের পাতা খাওয়ার অপরাধে ছাগলের মালিককে ভ্রাম্যমাণ আদালতে দুই হাজার টাকা জরিমানা করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)। ছাগলটি পাঁচ হাজার টাকায় বিক্রি করে দেয়ারও অভিযোগ উঠেছে।

তবে ইউএনও সীমা শারমিন জানান, জরিমানার টাকা পরিশোধ না করায় ছাগলটি ভিন্ন স্থানে জিম্মায় রাখা হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলা পরিষদ চত্বরের ডাকবাংলো-সংলগ্ন বাসিন্দা জিল্লুর রহমানের স্ত্রী সাহারা খাতুন মুরগি ও ছাগল পালন করেন। তার একটি ছাগল ১৭ মে দিনেরবেলা উপজেলা পরিষদ চত্বরে ঢুকে ফুলগাছের পাতা খায় ও নষ্ট করে। এসময় নির্দেশ পেয়ে ওই ছাগলটি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নিরাপত্তাকর্মী ছাগলটিকে আটক করে রাখেন। সাহারা খাতুন ছাগলটি খোঁজাখুঁজির এক পর্যায়ে উপজেলা চত্বরের ভেতর ছাগল বেঁধে রেখে ঘাস খাওয়ানো অবস্থায় দেখতে পান।

তিনি ছাগল আনতে গেলে তাকে ফিরিয়ে দেন এক নিরাপত্তাকর্মী। এরপর তাকে জানানো হয়, ফুলগাছের পাতা খাওয়ার অপরাধে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে দুই হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানার টাকা দিয়ে ছাগল ছেড়ে নিয়ে যেতে। কিন্তু সাহারা খাতুন টাকা পরিশোধ করতে না পারায় ছাগলও নিতে পারেননি।

সাহারা খাতুন জানান, তাকে ছাগলটি না দিয়ে তাড়িয়ে দেয়া হয়েছে এবং স্থানীয় বাজারে ছাগলটি পাঁচ হাজার টাকায় বিক্রি করে দেয়া হয়েছে। ইউএনও তার বাসার গৃহকর্মী মারফত খবর পাঠিয়েছেন যে জরিমানার দুই হাজার টাকা বাদ দিয়ে তিন হাজার টাকা ছাগল মালিককে নিয়ে আসতে।

এ ব্যাপারে ইউএনও সীমা শারমিন সাংবাদিকদের জানান, ফুলের গাছ খাওয়া নিয়ে ছাগলের মালিককে চার দফা নিষেধ করা হয়েছে। এরপর ফুলগাছ খাওয়ার অপরাধে মালিকের অজান্তে ছাগলকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের আওতায় এনে মালিকের দুই হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। ছাগল বিক্রি করা হয়নি। একজনের জিম্মায় রাখা হয়েছে। ছাগল মালিক সঠিক বলছেন না।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মে ২৬, ২০২১ ১১:২৪ অপরাহ্ন
ভোলায় ঝড়ে ২৫০ ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত, নিখোঁজ নয় শতাধিক গরু-মহিষ
প্রাণিসম্পদ

ভোলায় ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে ৩০টি দ্বীপ ডুবে অন্তত ৫০ হাজার মানুষ হয়ে পড়ছেন পানিবন্দি। বিধ্বস্ত হয়েছে ২৫০ ঘরবাড়ি। এছাড়া নিখোঁজ হয়েছে নয় শতাধিক গরু ও মহিষ।

এদিকে, ভোলা উপকূলে এখনো বৈরী আবহাওয়া বিরাজ করছে। তারপরও কেউ কেউ আশ্রয়কেন্দ্র ছেড়ে বাড়ি ফিরে যাচ্ছেন।

সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে মনপুরা ও চরফ্যাশন উপজেলা। এ দুই উপজেলার দ্বীপ চরগুলো ঝড়ের কবলে লণ্ড-ভণ্ড হয়ে গেছে। এছাড়া লালমোহনের বিভিন্ন চরাঞ্চলও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

এদিকে, ঝড়ে নিহত দু’জনের পরিবারকে ২০ হাজার করে ৪০ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছে। জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মো. মোতিহার হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

মোতিহার হোসেন জানান, বেশিরভাগ চরে পানি সরে গেছে। চরনিজাম, ঢালচরসহ বেশ কয়েকটি চরের প্রায় দেড় হাজার মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে আনা হয়েছিল। পানি নেমে যাওয়ায় তাদের বেশিরভাগই আশ্রয়কেন্দ্র ছাড়তে শুরু করেছেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মে ২৬, ২০২১ ৬:৫১ অপরাহ্ন
১০ মাস বয়সী বাছুর দিনে ৩ লিটার দুধ দিচ্ছে
প্রাণিসম্পদ

বাছুর প্রসব করা গাভি দুধ দেবে, এটাই স্বাভাবিক। তবে ১০ মাস বয়সী বকনা বাছুর দুধ দেবে, সেটা অস্বাভাবিক। তা-ও আবার দিনে তিন লিটার।

ব্যতিক্রমী এমনই ঘটনাটি ঘটেছে টাঙ্গাইলের সখীপুর পৌরসভার গড়গোবিন্দপুর গ্রামে। ওই গ্রামের খোরশেদ আলমের বাড়ির ১০ মাস বয়সী একটি বকনা বাছুর দিনে তিন লিটার দুধ দিচ্ছে। বাছুরটির মা দুধ দিচ্ছে ছয় লিটার। এ ঘটনা শুনে প্রতিদিন এলাকাবাসীসহ উৎসুক জনতা ওই বাড়িতে ভিড় করছেন।

এ বিষয়ে সখীপুর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. আবদুল জলিল মিযা জানান, এমন ঘটনায় আশ্চর্য হওয়ার মত কিছু নেই। হরমোনের কারণে এমনটা হতে পারে। ঘটনাটি ভিন্ন রকম মনে হলেও ওই বকনার দুধ পুরোপুরি স্বাস্থ্যসম্মত।

খোরশেদ আলমের বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, তার স্ত্রী মর্জিনা খাতুন ১০ মাস বয়সের ওই বকনা গরুর ওলান থেকে দুধ সংগ্রহ করছেন। এমন দৃশ্য দেখতে উৎসুক মানুষ ওই বাড়িতে ভিড় করছেন। সাধারণত যে গাভি বাছুর প্রসব করে সেই গাভিই দুধ দিয়ে থাকে। ১০ মাস বয়সী বকনা বাছুর দুধ দেয়ার এটি একটি ব্যতিক্রমী ঘটনা। বিষয়টি শুনে আমরা আশ্চর্য হয়েছি। যারা বিশ্বাস করতে চান না তারা দুধ দোয়ানোর দৃশ্য দেখতে ভিড় করছেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মে ২৬, ২০২১ ৫:৫৮ অপরাহ্ন
বলেশ্বর নদীর তীরে ভেসে এল মৃত হরিণ
প্রাণ ও প্রকৃতি

ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের প্রভাবে শরণখোলা উপজেলার রায়েন্দা ইউনিয়নের জিলবুনিয়া গ্রামের বলেশ্বর নদীর তীরে জোয়ারের পানিতে ভেসে এসেছে একটি মরা হরিণ।

বুধবার (২৬ মে) বিকেলে মৃত হরিণটি উদ্ধার করা হয়।

সুন্দরবনের শরণখোলা রেঞ্জের সহকারী বন সংরক্ষক মো. জয়নুল আবেদীন বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

স্থানীয়দের বরাদ দিয়ে জয়নুল আবেদীন জানান, বিকেলে বলেশ্বর নদীর তীরে রায়েন্দা ইউনিয়নের ঝিলবুনিয়া এলাকায় মৃত ওই হরিণকে দেখতে পায় এলাকাবাসী। তাদের দেয়া খবরে শরণখোলা রেঞ্জের বনকর্মীদের ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে অস্বাভাবিক পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় সুন্দরবনে হরিণটি মরে গেছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মে ২৬, ২০২১ ৩:২৯ অপরাহ্ন
শরণখোলায় পানিবন্দি ৩ হাজার পরিবার, মারা যাচ্ছে হাঁস-মুরগি!
প্রাণ ও প্রকৃতি

ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের প্রভাবে ভোলানদীর তীরবর্তী শরণখোলা উপজেলার পাঁচটি গ্রামের তিন হাজার পরিবার রাতের বৃষ্টি এবং সকালের জোয়ারে পানিবন্দি হয়ে পড়েছে । এতে করে শোবার ঘর, রান্নাঘর পানিতে তলিয়ে যাওয়াসহ হাঁস-মুরগি মারা গিয়েছে অনেক। চরম বিপাকে পড়া এসব মানুষের মধ্যে শুকনো খাবার বিতরণ করেছে উপজেলা প্রশাসন।

খুড়িয়াখালী গ্রামে কয়েকজন জানান, রাতেও বুঝতে পারনি এতো পানি হবে। সকাল ৮টার দিকে হঠাৎ পানি এসে আমাদের বাড়ি-ঘর তলিয়ে যায়। সবাইকে নিয়ে রাস্তার পাশে আশ্রয় নিয়েছি। ভাটিতে পানি কমলে বাড়ি যাবো। না হয় রাতে আশ্রয়কেন্দ্রে থাকতে হবে।

চরগ্রামের জলিল গুরু ও সাইদুল শিকদার জানান, বেড়িবাঁধ না থাকায় প্রতিটি ঝড়েই আমাদের ডুবতে হয়। মূল্যবান মালামাল নষ্ট হয়। হাঁস, মুরগি মারা যায়। সকালের হঠাৎ পানিতে চরগ্রামের সবার বাড়ি ঘর তলিয়ে গেছে।

স্থানীয় ইউপি সদস্য বাচ্চু মুন্সি বলেন, ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের ফলে নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে আশপাশের পাঁচটি গ্রামের অন্তত ৩ হাজার পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। নদীর পাশে বাড়ি হওয়াই আমাদের কাল হয়েছে।

শরণখোলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সরদার মোস্তফা শাহিন জানান, ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের প্রভাবে বৃদ্ধি পাওয়া পানিতে শরণখোলা উপজেলার কিছু মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। আমরা তাদের মধ্যে শুকনো খাবার বিতরণ করেছি।

এছাড়াও ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য ও চেয়ারম্যানদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তারা ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা করবেন। তাদের ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ লিখে মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে বলে জানান তিনি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মে ২৫, ২০২১ ৯:১২ অপরাহ্ন
মতলব উত্তরে প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ
প্রাণিসম্পদ

চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. ফারুক হোসেনের বিরুদ্ধে প্রায় ২০ লক্ষাধিক টাকার দুর্নীতির অভিযোগ পাওয়া গেছে।

খামারিদের ভুয়া তালিকা তৈরি করে প্রাণিসম্পদ ও ডেইরি উন্নয়ন প্রকল্পের (এলডিডিপি) করোনাকালীন প্রণোদনার প্রায় ২০ লক্ষাধিক টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন তিনি। এর সঙ্গে জড়িতরা হলেন, মতলব উত্তর উপজেলা অফিসের সুপারভাইজার’সহ অন্যান্যরা।

শুধু তাই নয়, নানা কৌশলে ও তালিকা তৈরির নামে কয়েক লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। প্রথম ধাপে ৮শ’ খামারির নাম অর্ন্তভুক্ত করতে টাকা নেয়া হয়েছে বলে ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করেন। পরবর্তীতে ২শ ৯৩ জনের কাছ থেকে প্রায ৯ লক্ষ টাকা নেয়া হয়েছে।

এছাড়াও সিজিএসপি কমিটির জন্য ৩১০ জন সদস্যের কাছ থেকে ৩ হাজার টাকা করে নিয়েছেন উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. ফারুক হোসেন।

জানা গেছে, করোনাকালীন এলডিডিপির পক্ষ থেকে ক্ষতিগ্রস্ত প্রকৃত খামারিদের মাঝে প্রণোদনা হিসাবে তিনটি ক্যাটাগরিতে তালিকা তৈরি করে পাঠানো হয়। এ তালিকা তৈরি করেন ওই প্রকল্পের সুপারভাইজার’সহ সংশ্লিষ্টরা।

খামারিদের জন্য এ-ক্যাটাগরিতে তাদের ১০টি গবাদি পশুর ঊর্ধ্বে তাদের ২২ হাজার টাকা। বি-ক্যাটাগরিতে যাদের ছয় থেকে নয়টি গবাদি পশু তাদের ক্ষেত্রে ১৫ হাজার টাকা। সি-ক্যাটাগরিতে যাদের দুই থেকে পাঁচটি গবাদি পশু তাদের জন্য ১০ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়।

এজন্য উপজেলার ছেংগারচর পৌরসভা ও ১৪টি ইউনিয়ন থেকে তালিকা প্রস্তুত করে ঢাকায় পাঠানো হয়। পরে তালিকাভুক্তদের মোবাইল সিম অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠানো শুরু হলে দেখা দেয় অনিয়ম-দুর্নীতি।

এদিকে তালিকা তৈরির শুরুতেই উপজেলা প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা ডা. ফারুক হোসেন উৎকোচ নিয়ে খামারি নয়, এমন লোকদের তালিকা তৈরি করেন। এমনকি যাদের গবাদি পশু ও ঘর নেই, তারাও ঠাঁই পান তালিকায়।
সম্প্রতি প্রণোদনার এসব অর্থ খামারি নন এমন লোকজনকে দেওয়া হলে এ নিয়ে তোলপাড় শুরু হয়। খামারিদের মাঝে বিষয়টি জানাজানি হলে ওই দুর্নীতির ঘটনা ফাঁস হয়ে যায়।

খামারি সোহেল অভিযোগ করেন প্রকৃত খামারিদের চেনেই না প্রাণিসম্পদ দপ্তরের কর্মকর্তারা। তারা লুটপাটে ব্যস্ত। ভেঙে পড়েছে এ দপ্তরের কার্যক্রম।

এ ব্যাপারে উপজেলা প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা ডা. ফারুক হোসেন নিজের জড়িত থাকার কথা অস্বীকার করে জানান, মাঠ পর্যায়ের কর্মীরা কিছুটা অনিয়ম করতে পারে। আমি কোনো টাকা গ্রহণ করিনি। যদি কেউ অনিয়ম করে থাকে আমার জানা নেই।

চাঁদপুর জেলা প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. বখতিয়ার উদ্দিন বলেন, মতলব উত্তরে প্রণোদনার তালিকা করতে অনিয়ম হয়েছে, আমি মৌখিক অভিযোগ পেয়েছি। তবে লিখিত অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।সূত্র: বাংলাদেশ বার্তা

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মে ২৫, ২০২১ ৫:০৬ অপরাহ্ন
ডিবি পরিচয়ে গরু-মহিষ ছিনতাই, গ্রেপ্তার ২
প্রাণিসম্পদ

গাজীপুরে ডিবি পুলিশ পরিচয়ে ব্যবসায়ী ও চালকসহ পাঁচজনের হাত-পা বেঁধে গজারী বনে ফেলে রেখে ট্রাকসহ গরু ও মহিষ ছিনতাই করেছে আন্তজেলা ডাকাতদল। ১২ ঘণ্টার ব্যবধানে রাজধানীর দিয়াবাবাড়ী এলাকা থেকে ট্রাকসহ গরু ও মহিষ জব্দ করা হয়েছে। এ ঘটনায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে দুজনকে।

আজ মঙ্গলবার (২৫ মে( এক সংবাদ সম্মেলনে জেলার পুলিশ সুপার এসএম শফি উল্লাহ এ তথ্য জানিয়েছেন।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন ঢাকার তুরাগ থানার দিয়াবাড়ী এলাকার আবুল কাশেম (৪৩) ও জামালপুর জেলা সদর থানার নান্দিনা গ্রামের মনির হোসেন (২৫)।

পুলিশ সুপার জানান, গতকাল সোমবার রাজশাহী সিটিহাট থেকে ট্রাকে ১৫টি গরু ও দুটি মহিষ নিয়ে মুন্সিগঞ্জ যাচ্ছিলেন ব্যবসায়ী রিমন হোসেন। পথে ভোর ৪টার দিকে গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার চন্দ্রা এলাকায় পৌঁছালে একটি গরু অসুস্থ হয়ে পড়ে। তারা ট্রাকটি সড়কের পাশে দাঁড় করান।

এ সময় সাত থেকে আটজন ডাকাত একটি মাইক্রোবাস নিয়ে সেখানে আসে। তারা নিজেদের ডিবি পুলিশ পরিচয় দিয়ে ট্রাকের আরোহী ব্যবসায়ী রিমন, চালক তারিক হোসেন, হেলপার ওয়াসিম, রাখাল নুরে আলম ও মামুনকে মাইক্রোবাসে উঠিয়ে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের রাজেন্দ্রপুর এলাকার গজারী বনের ভেতর নিয়ে যায়। সেখানে তাদের মারধর করে হাত-পা বেঁধে ফেলে পালিয়ে যায় ডাকাতরা। এদিকে ডাকাতদের কয়েকজন গরু ও মহিষভর্তি ট্রাকটি রাজধানীর দিকে নিয়ে যায়।

পুলিশ সুপার আরও জানান, এ খবর জানতে পেরে গাজীপুর জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ওসি আমির হোসেন এবং এসআই শহিদুল হক ও এসআই জাহিদুল হকের নেতৃত্বে দুটি টিম অভিযানে নামে। তারা গজারী বন থেকে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় আহত ওই পাঁচজনকে উদ্ধার করে।

পরে তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে গোয়েন্দা পুলিশ মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর তুরাগ থানাধীন দিয়াবাড়ী এলাকার আবুল কাশেমের খামারে অভিযান চালিয়ে লুণ্ঠিত ১৫টি গরু ও দুটি মহিষসহ ট্রাক জব্দ করে। এ সময় ওই খামারের মালিক আবুল কাশেম ও মনির হোসেনকে আটক করে। অসুস্থ একটি গরু মারা যায়।

এ ব্যাপারে কালিয়াকৈর থানায় মামলা করা হয়েছে বলে জানান পুলিশ সুপার।

এসময় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার গোলাম রাব্বানী শেখ, মো. আমিনুল ইসলাম, সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার আল মামুন ও জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আমির হোসেন উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মে ২৫, ২০২১ ২:০৯ অপরাহ্ন
প্রকল্পের ফলাফলের সাথে রাষ্ট্রের জনগণকে সম্পৃক্ত করতে হবে: প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী
প্রাণিসম্পদ

“গবেষণাধর্মী প্রকল্পের মাধ্যমে রাষ্ট্র লাভবান না হলে সে প্রকল্প নেওয়ার কোন অর্থ হয় না। এজন্য প্রকল্প শেষে এর ফলাফলের সাথে যাতে জনগণকে সম্পৃক্ত করা যায় সে বিষয়টি মাথায় রেখে প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।

সোমবার (২৪ মে) রাজধানীর মৎস্য ভবনে মৎস্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে ২০২০-২১ অর্থবছরে সংশোধিত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে অন্তর্ভুক্ত মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন মৎস্য অধিদপ্তর, বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট ও বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন কর্পোরেশনের প্রকল্পসমূহের এপ্রিল, ২০২১ অগ্রগতি পর্যালোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্য প্রদানকালে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

সভায় প্রকল্প পরিচালকদের উদ্দেশে মন্ত্রী বলেন, “প্রকল্প পরিচালকদের আবশ্যিকভাবে প্রকল্প এলাকায় অবস্থান করে প্রকল্পের কাজ যথাযথভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে। এ ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুস্পষ্ট নির্দেশনা রয়েছে। প্রকল্প এলাকায় না থাকলে গুণগতমানের কাজ বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়না। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রকল্প বাস্তবায়ন করা যায় না। যেকোন মূল্যে প্রকল্পের কাজ ত্বরান্বিত করতে হবে। অনিবার্য কারণে প্রকল্পের সময় বৃদ্ধি করা হলেও অর্থ কোনভাবেই বৃদ্ধি করা হবে না।”

এসময় তিনি বলেন, “করোনাকালে মৎস্য খাত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মানুষের পুষ্টি ও আমিষের চাহিদা মিটিয়ে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে এ খাত ব্যাপক ভূমিকা রাখছে। মৎস্য খাতের বৈপ্লবিক পরিবর্তন নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অত্যন্ত আশাবাদী। এজন্য করোনাকালেও মৎস্য খাতের সকল প্রকল্প তিনি অনুমোদন দিয়েছেন। এ বিষয় বিবেচনায় রেখে প্রকল্পের কাজ বাস্তবায়নে নিষ্ঠাবান হতে হবে। প্রকল্পের কাজে কোন ধরণের ফাঁকি দিলে তা গ্রহণযোগ্য হবে না।”

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব রওনক মাহমুদ, অতিরিক্ত সচিব শ্যামল চন্দ্র কর্মকার, সুবোল বোস মনি ও মোঃ তৌফিকুল আরিফ, বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান কাজী হাসান আহমেদ, মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কাজী শামস্ আফরোজ, বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. ইয়াহিয়া মাহমুদ, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব নীলুফা আক্তার, সংশ্লিষ্ট প্রকল্প পরিচালকগণ এবং পরিকল্পনা কমিশন ও আইএমইডি এর প্রতিনিধি সভায় অংশগ্রহণ করেন।

সভায় ২০২০-২১ অর্থবছরের সংশোধিত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে অন্তর্ভুক্ত মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের মৎস্য উপখাতে মৎস্য অধিদপ্তর কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন ১৩টি, বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন ৪টি, বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন কর্পোরেশন কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন ৩টি এবং মন্ত্রণালয কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন ১টিসহ মোট ২১ টি প্রকল্পের এপ্রিল, ২০২১ পর্যন্ত বাস্তবায়ন অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হয়। এ প্রকল্পসমূহের এপ্রিল, ২০২১ পর্যন্ত আর্থিক অগ্রগতি ৬৯.০২ শতাংশ, যেখানে জাতীয় গড় অগ্রগতি ৪৯.০৯ শতাংশ।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop