৭:৩৮ পূর্বাহ্ন

শুক্রবার, ২৬ জুন , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : মে ২১, ২০২১ ১১:১০ পূর্বাহ্ন
আস্থা ফিডে যোগদান করলেন ডাঃ শোয়েব
প্রাণিসম্পদ

আস্থা ফিড ইন্ডাস্ট্রিস লিমিটেড এর বরিশাল জোনের ম্যানেজার (সেলস এন্ড মার্কেটিং) হিসাবে যোগদান সম্পন্ন করেছেন ডাঃ মোঃ শোয়েব প্রধান। তার আগে তিনি দীর্ঘ ৬ বছরের বেশি সময় ধরে আমান ফিডে ডেপুটি ম্যানেজার হিসেবে কর্মরত ছিলেন এবং অত্যন্ত সুনাম ও নিষ্ঠার সাথে অর্পিত দায়িত্ব পালন করেছেন । অবশেষে গত ১৮ মে তিনি যোগদান করেন আস্থা ফিড ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডে।

শোয়েব প্রধান বলেন, অশেষ ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা রইলো আস্থা ফিড ইন্ডাস্ট্রিস লিঃ এর ম্যানেজমেন্ট এর উপর, যে তারা আমার উপরে ভরসা ও বিশ্বাস রেখে নতুন দায়িত্ব অর্পন করেছেন। দোয়া করবেন আমি যেন আপনাদের দেয়া দায়িত্ব সুচারুভাবে সম্পন্ন করে বিশ্বাস ও ভরসার মান সমুন্নত রখতে পারি। ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা রইল চেয়ারম্যান স্যার, সিও স্যার, এমডি স্যার, ডাইরেক্টর স্যারের প্রতি।

তিনি আরো বলেন, দীর্ঘ দিন বরিশালে চাকুরির সুবাদে থাকার দরুণ বরিশালের প্রতি মায়া জন্মে যাওয়ার কারণে আবার বরিশালেই থেকে গেলাম। পরিশেষে ধন্যবাদ রইলো আমার প্রানপ্রিয় এজেন্টবৃন্দ, প্রানপ্রিয় খামারিবৃন্দ, বিভিন্ন ফিড ও মেডিসিন কোম্পানির কর্মকর্তাবৃন্দ ও এই সেক্টরের জড়িত সকল ব্যক্তিবর্গ যারা আমাকে এত দিন সাহায্য ও সহযোগিতা করে আসছেন। আশা করি আগের মতই আপনাদের সাহায্য ও সহোযোগিতার হাত আমার প্রতি বাড়িয়ে দিবেন।

উল্লেখ্য যে, ডাঃ মোঃ শোয়েব প্রধান এর জন্মস্থান রংপুরের মিঠাপুকুরে, তবে বেড়ে ওঠেন বগুড়ায়। তাঁর প্রাথমিক শিক্ষা- বুজ্রুক মহদিপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়, মাধ্যমিক কুমরগঞ্জ দিমুখি উচ্চ বিদ্যালয়, উত্তরন উচ্চ বিদ্যালয়, উচ্চ মাধ্যমিক সরকারী শাহ সুলতান কলেজ।

তিনি সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডিভিএম এবং এমএস, পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমএস সম্পন্ন করেন।

তিনি প্রথম চাকুরিতে যোগদান করেন ২০১৪ সালে নোভারটিস বাংলাদেশ লিঃ এ টেকনিক্যাল সার্ভিসেস অফিসার হিসেবে। এরপর ২০১৫ সালে আমান ফিড লিঃ এ সিনিয়র এক্সিকিউটিভ হিসেবে যোগদান করেন এবং বিভিন্ন ধাপে পদোন্নতি পেয়ে ডেপুটি ম্যানেজার (সেলস এন্ড মার্কেটিং) থাকা অবস্থায় আস্থা ফিড ইন্ডাস্ট্রিজ লিঃ এ যোগদান করলেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মে ২০, ২০২১ ৬:৪৪ অপরাহ্ন
পূর্বধলায় চোরাই গরুসহ আটক-১
পাঁচমিশালি

নেত্রকোনার পূর্বধলায় একটি চোরাই গরুসহ চন্দন তালুকদার (৩৫) নামের এক ব্যক্তিকে জনতা আটক করে পুলিশে সোর্পদ করেছে।

বৃহস্পতিবার (২০ মে) সকালে এই ঘটনা ঘটে। আটককৃত চন্দন তালুকদার উপজেলা সদর ইউনিয়নের আতকাপাড়া গ্রামের আ. রহমান তালুকদারের ছেলে।

পুলিশ জানায়, বুধবার (১৯ মে) দিবাগত রাত সাড়ে ৩টার দিকে ওই চোর তার পাশের বাড়ির জোনায়েদ হোসেন ওরফে জনির গোহাল ঘর থেকে ৩০ হাজার টাকা মূল্যের একটি বকনা গরু চুরি করে নিয়ে যায়।

পরে ওই চোরাই গরুটি বৃহস্পতিবার সকালে চন্দন বিক্রির উদ্দেশ্যে বাজারে নেয়ার সময় পথে উপজেলার বিশকাকুনী ইউনিয়নের জামাইকোনা গ্রামে স্থানীয় লোকজন তাকে সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে।

পূর্বধলা থানার উপ-পরিদর্শক (এস আই) মো. নাজিম উদ্দিন জানান, গরুসহ চোরকে আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় গরুর মালিক বাদী হয়ে পূর্বধলা থানায় একটি মামলা দায়ের করেছে বলে জানান তিনি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মে ২০, ২০২১ ৯:৪৫ পূর্বাহ্ন
সুনামগঞ্জে বজ্রপাতে মারা গেল দরিদ্র ‍দুই কৃষকের ৪ গরু
প্রাণিসম্পদ

সুনামগঞ্জের দিরাইয়ে সাকিতপুর গ্রামে বজ্রপাতে দরিদ্র দুই কৃষক বর্গাচাষি আ. ছুরত মিয়া ও একই গ্রামের মুক্তার মিয়া সর্দারের চারটি গাভী মারা গেছে। এতে প্রায় ২ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি তাদের।

বুধবার (১৯ মে) বিকেল ৫টার দিকে উপজেলার সাকিতপুর গ্রামের পাশের হাওরে এই ঘটনা ঘটে। ৪টি গাভীর মাঝে ছুরত মিয়ার তিনটি গাভী ও মুক্তার মিয়া সর্দারের একটি গাভী মারা গেছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সাকিতপুর গ্রামের বাসিন্দা করিমপুর ইউনিয়ন পরিষদের ৪ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য এওয়ার হোসেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, হাওরের বোরো ধান কাটা শেষ হওয়ায় সাকিতপুর গ্রামের কৃষকরা গ্রামের পাশের হাওরে গরু চড়ান। প্রতিদিনের ন্যায় বুধবারও গ্রামের পাশের হাওরে সবাই গরু চড়াচ্ছিলেন। বিকেলে হঠাৎ বৃষ্টি ও বজ্রপাত শুরু হয়। বৃষ্টি বন্ধ হওয়ার পর গ্রামের লোকজন পূর্বপাশের হালুয়া বিলের পশ্চিম পাড়ে ছুরত মিয়ার তিনটি গাভী ও মুক্তার মিয়া সর্দারের একটি গাভী মরা দেখতে পান।

সাকিতপুর গ্রামের বাসিন্দা করিমপুর ইউনিয়ন পরিষদের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য এওয়ার হোসেন এর সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

জেলা প্রশাসক মো. জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, ‘বজ্রপাতে মানুষ মারা গেলে সরকারের পক্ষ থেকে নগদ ২০ হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তা দেয়া হয়। কৃষকদের গরু-ছাগল মারা গেলে সহায়তা দেয়ার বিষয়ে কোন নির্দেশনা নেই। তবে দিরাইয়ের দরিদ্র কৃষকদের চারটি গাভী মারা যাওয়ার বিষয়ে খোঁজ নিয়ে সহায়তার চেষ্টা করব বলে জানান তিনি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মে ১৯, ২০২১ ১১:৪৮ অপরাহ্ন
গোবর-গোমূত্রের সূত্র ধরে গরু চুরির রহস্য উদঘাটন, গ্রেফতার ৫
প্রাণিসম্পদ

গরুর গোবর ও গোমূত্র থাকার সূত্র ধরে দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটে মিনি ট্রাকে থাকা গরু চুরির রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। এই ঘটনায় দুটি গরু উদ্ধারসহ ৫ জন চোরকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৮ মে) বিকেলে জয়পুরহাট জেলার পাঁচবিবি উপজেলার ধরমপুরার মোড়ে অভিযান চালিয়ে ঘোড়াঘাট থানা পুলিশ চুরি হওয়া দুই গরু উদ্ধার করে।

এর আগে একইদিন ভোরে দিনাজপুর-গোবিন্দগঞ্জ আঞ্চলিক মহাসড়কের ঘোড়াঘাট উপজেলার কারিগরি কলেজ মোড়ে চেকপোস্টে গরু চুরির কাজে ব্যবহৃত মিনি ট্রাকটি আটক করে পুলিশ।

আটক ব্যক্তিদেরকে বুধবার (১৯ মে) সকালে দিনাজপুরের বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়েছে এবং আদালত তাদেরকে জেল হাজতে প্রেরণ করেছেন।

গরু চুরির ঘটনায় সংশ্লিষ্টতা থাকায় গ্রেফতারকৃতরা হলেন গাইবান্ধা জেলার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার অনন্তপুর গ্রামের শহিদুল ইসলামের ছেলে ট্রাক চালক সাজু মিয়া (২৭), একই উপজেলার কামদিয়া পশ্চিমপাড়া গ্রামের মৃত কেফায়েতুল্লার ছেলে মজনু মণ্ডল (৫৫), দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলার নামাকাঁঠাল হরিনাথপুর গ্রামের মৃত রমজান আলীর ছেলে মিজানুর রহমান (৪৪), ঘোড়াঘাট উপজেলার দক্ষিণ দেবীপুর গ্রামের মৃত হাছেন আলীর ছেলে সাহেব মিয়া (৩৮) এবং সিংড়া বেড়ীভিটা গ্রামের মৃত রমজান আলীর ছেলে সাইদুল ইসলাম (৪৫)।

ঘোড়াঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজিম উদ্দিন বলেন, সোমবার দিবাগত রাতে জেলার ফুলবাড়ি উপজেলার উত্তর লক্ষ্মীপুর (চিলাপাড়া) গ্রামের আদিবাসী যোগেন সরেনের বাড়ি থেকে ২টি গরু চুরি হয়। মঙ্গলবার ভোরে পুলিশ নিয়মিতভাবে ঘোড়াঘাট উপজেলার কারিগরি কলেজ মোড়ে চেকপোস্টে একটি মিনি ট্রাক (ঢাকা মেট্রো-ড-১২-০৩৬৪) থামিয়ে সেটিতে তল্লাশি চালায়। তল্লাশির এক পর্যায়ে ট্রাকের পেছনে গরুর কাঁচা গোবর ও গোমূত্র দেখতে পায়।

এতে দায়িত্বরত পুলিশের সন্দেহ হলে ট্রাকের চালক সাজু মিয়া ও দুই যাত্রী মজনু মণ্ডল এবং মিজানুরকে জিজ্ঞাসাবাদ করে। মিনি ট্রাকে গরুর গোবর ও গোমূত্র আসার কারণ জানতে চেয়ে জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে তারা গরু চুরির ঘটনা স্বীকার করে। পরে তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে উপজেলার সুজা মসজিদ এলাকার আব্দুল করিম মিয়ার বাড়িতে অভিযান চালায়।

কিন্তু পুলিশ যাওয়ার আগেই করিম গরুগুলো নিয়ে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে পুলিশ প্রযুক্তির সহযোগিতা নিয়ে জয়পুরহাট জেলার পাঁচবিবি উপজেলার ধরমপুরার মোড়ে অভিযান চালিয়ে দুটি গরুসহ সাহেব মিয়া ও সাইদুল ইসলামকে আটক করে। এই ঘটনার পর থেকে আব্দুল করিম পলাতক রয়েছে।

ওসি জানান, আটক ব্যক্তিরা দিনাজপুরের ফুলবাড়ি উপজেলার উত্তর লক্ষ্মীপুর (চিলাপাড়া) গ্রামের আদিবাসী যোগেন সরেনের বাড়ির দেয়ার কেটে দুটি গরু চুরি করে নিয়ে এসেছিল। গরু উদ্ধারের পর আটক ব্যক্তিদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী গরুর মালিককে খবর দিলে, তিনি ঘোড়াঘাট থানায় এসে ৯ জনের নাম উল্লেখ করে একটি মামলা করেন। আটক ব্যক্তিরা আন্তঃজেলা চোর চক্রের অন্যতম সদস্য। তারা দীর্ঘদিন থেকে গরু চুরির সঙ্গে জড়িত। আসন্ন কুরবানির ঈদকে কেন্দ্র তারা সরব হয়ে উঠেছে।

মামলার বাদী এবং চুরি হওয়া গরুর মালিক যোগেন সরেন বলেন, ‘প্রতিদিনের মত হামি সোমবার সন্ধ্যায় গরুগুলা গোয়ালেত তুলে ঘুমাছি। সকালে উঠে দেখি গোয়ালেত হামার গরু নাই। হামার বাড়ির দেয়াল ভাঙা চোর গরু নিয়ে গেছে। অনেক খোঁজাখুঁজি করছি। কিন্তু কোনোটে হামার গরু খুঁজে পাইনি।

মঙ্গলবার দুপুরে হঠাৎ দেখি হামার বাড়িত পুলিশ আসা হামাক কচ্চে, তোমার গরু হারাছে? হামি কনু হ হারাছে। পরে পুলিশ হামাক কলো (বললো) ঘোড়াঘাট থানাত যাও। তোমার গরুসহ গরু চোর ধরছে পুলিশ। পরে হামি ঘোড়াঘাট থানাত যায়া ৯ জন চোরের নামে মামলা কচ্চি।’

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মে ১৯, ২০২১ ৩:২২ অপরাহ্ন
আমেরিকার চাকরি ছেড়ে দেশে গরুর দুধের ব্যবসা, মাসিক আয় ৪০ কোটি!
পাঁচমিশালি

আমেরিকার বিপুল আয়ের চাকরি ছেড়ে দেশে ফিরে আসেন কর্ণাটকের ছেলে। তিনি আমেরিকার একটি নামজাদা সংস্থায় মোটা টাকায় কাজ করেছেন ৬ বছর ধরে। সেই সব ছেড়ে আসেন নিজ দেশে। আর এসেই শুরু করেন গরুর দুধের ব্যবসা৷ ২০১২ সালে মাত্র ২০ টি গরু দিয়ে শুরু করে এখন তাঁর মাসিক আয় ৪০ কোটি টাকা।

নিউজ১৮.বাংলা এর সূত্র মতে জানা যায়, গরুর দুধ দোয়ানের কাজও করতেন এই ব্যবসায়ীর পরিবারের সকলে৷ এইভাবেই ক্রেতাদের দারজায় দরজায় প্রতিদিন পৌঁছে দিতেন দুধ৷ এরপর কেনা হয় দুধ মজুত রাখার জন্য বিশেষ ফ্রিজ৷ যার ফলে দুধ জমিয়ে রাখতে পারতেন তাঁরা৷ ধীরে ধীরে ব্যবসার প্রসার ঘটে৷ ছেলের নাম সিদ্ধার্থ, সেই নামের সঙ্গে মিলিয়ে এই দুধের ব্যবসার নাম রাখা হয় সিডস ফার্ম৷

২০১৮ নাগাদ তাঁদের খদ্দের ছিল ৬হাজার৷ যা মূলত হায়দরাবাদ ও তার আশপাশেই ছিল৷ এখন এই ব্যবসা ফুলে ফেপে উঠেছে৷ ১২০জন কর্মী কাজ করেন এই সংস্থায়৷ মাসের আয় প্রায় ৪০ কোটি টাকা৷ এবং খদ্দের সংখ্যা ১০হাজারেরও বেশি৷

এখন সাফল্য এলেও, শুরুর দিনগুলো ছিল বেশ কঠিন৷ নিজেরা গিয়ে গিয়ে অন্যদের বাড়িতে দুধ দিয়ে আসতে হত তাদের৷ পরিবারের সঞ্চিত সব টাকাই ঢালতে হয়েছিল এই ব্যবসায়৷ শুরুতে ১ কোটি টাকা বিনিয়োগ করতে হয়৷ পরের বছর আবার ২ কোটি বিনিয়োগ করতে হয়৷ আস্তে আস্তে লাভের মুখ দেখেন আইআইটির প্রাক্তনী৷ এরপর ২০১৮-এ নিজের ব্যবসা আরও বড় করতে ১.৩ কোটি লোন পান তিনি৷

গরু ও মোষের দুধ দিয়ে ব্যবসা শুরু করলেও, এখন এই ব্যবসা অনেক দূর এগিয়েছে৷ নানা ধরণের দুগ্ধজাত পণ্য বিক্রি হয়৷ দুধ, ঘি, মাখন, পনির সবই মেলে এখানে৷ অত্যাধুনিক প্রযুক্তির সাহায্যে কাজ হয় সিডস ফার্মে৷ যদিও কোভিড ও লকডাউন পরিস্থিতিতে কিছুটা হলেও মার খেয়েছে ব্যবসা, তবে তাতে কোনও সমস্যা হয়নি ব্যবসায়ীর৷ নিজের কাজ তিনি নিজে করে চলেছেন এবং অনেক যুবদের আদর্শ হয়ে উঠেছেন এই ব্যবসা প্রতিষ্ঠিত করে৷

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মে ১৯, ২০২১ ১০:১২ পূর্বাহ্ন
গাভী হিটে না আসা কারণ
প্রাণিসম্পদ

গাভী হিটে না আসা বা গরম বা ডাক না আসা (Anestrum): বকনা পশু বয়:প্রাপ্ত হওয়া সর্ত্বেও ও গাভী বাচ্চা দেওয়ার ৩ মাসের মধ্যে গরম বা হিটে না আসাকে এ্যানস্ট্রাম (Anestrum )বলা হয়। আমাদের দেশের গরুর প্রায় ৮৬% এ্যান্ট্ট্রাম (Anestrum) হওয়ার তথ্য আছে।

হিটে না আসার কারণ

পুষ্টির অভাব যেমন: ফসফরাস, কপার, কোবাল্ট, মাঙ্গানিজ, সিলেনিয়াম ও

ভিটামিন এ, ডি ও ই ইত্যাদির অভাবে এ রােগ হয়।

জরায়ুতে প্রদাহ: বিভিন্ন ধরনের জীবানু দ্ধারা এ রােগ হয়।
ওভারীর সমস্যা: ওভারীতে বিভিন্ন ধরনের সিস্ট বা পানির থলি হলে ও

টিউমার হলে পশু সময়মত পশু গরম হয় না। হরমােনের ভারসাম্যহীনতা: ইস্টোজেন ও প্রজেস্টরেন, ফলিকুল স্টমুলেটিং হরমােন, এল এইচ, পােস্টাগ্লানডিন ইত্যাদির লেভেল রক্তে কম-বেশী হলে
এ রােগ হয়।

লক্ষণ
১) বকনা বা গাভী যথা সময়ে হিটে বা গরম না আসা।
২) হিট বা গরম হওয়ার কোন লক্ষণ প্রকাশ পায় না।

রোগ নির্নয়ঃ
১। পুষ্টিহীনতা, খাওয়া দাওয়ার অপ্রতুলতা ও জনন তন্ত্রের বিভিন্ন রােগের ইতিহাস।
২। রেক্টাল পালপেশন মাধ্যমে জনন অঙ্গের পরিবর্তন পরিলক্ষিত হয় যেমন- ডিম্বাশয়ে ফলিকুলার বা লিউটিয়াল সিস্ট, জরায়ুতে সংক্রামন (স্ফীত ও ব্যাথাপূর্ণ) ইত্যাদি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মে ১৯, ২০২১ ১০:০১ পূর্বাহ্ন
কুমিল্লায় গরু আনতে গিয়ে বজ্রপাতে মারা গেলো কৃষক
পাঁচমিশালি

কুমিল্লার হোমনায় গরু নিতে গিয়ে বজ্রপাতে এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। মৃত কৃষক আব্দুল মোমেন চান্দেরচর ইউনিয়নের সীতারামপুর গ্রামের তফাজ্জল হোসেনের ছেলে।

মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে চান্দেরচর ইউপির চেয়ারম্যান আবুল বাশার।

চেয়ারম্যান আবুল বাশার জানান, আকাশে মেঘ দেখে মোমেন গরু নেয়ার জন্য বাড়ির পাশের জমিতে যান। সেখানে বজ্রপাত হলে ঘটনাস্থলে মৃত্যু হয় তার।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মে ১৯, ২০২১ ৯:৪৭ পূর্বাহ্ন
কিশোরগঞ্জে হাওর থেকে গরু আনতে গিয়ে বজ্রপাতে মৃত্যু
পাঁচমিশালি

কিশোরগঞ্জের নিকলীতে মাঠ থেকে গরু আনতে গিয়ে বজ্রপাতে মো. আরিফুল ইসলাম (১৭) নামে এক কিশোর রাখালে প্রাণহানি হয়েছে। নিহত আরিফুল ইসলাম গুরুই ইউনিয়নের বেতি নোওয়াগাঁও এলাকার মিয়া চাঁনের ছেলে।

মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলার গুরুই ইউনিয়নের পার্শ্ববর্তী বিয়াতিরচর হাওরে বজ্রপাতে মৃত্যুর এঘটনা ঘটে।

নিকলী উপজেলার গুরুই ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. আবু তাহের এবং নিকলী থানার ওসি মো. শামসুল আলম সিদ্দিকী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার দুপুর আড়াইটার দিকে আরিফুল ইসলাম গুরুই ইউনিয়নের বিয়াতিরচর হাওর থেকে গরু আনতে যায়। এসময় প্রচণ্ড ঝড়বৃষ্টির সঙ্গে বজ্রপাত হয়। এসময় আরিফুল গুরুতর আহত হন। মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে নিকলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মে ১৮, ২০২১ ৯:২৭ অপরাহ্ন
দেশের মৎস্যসম্পদ রক্ষায় সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান প্রাণিসম্পদ মন্ত্রীর
প্রাণিসম্পদ

দেশের মৎস্যসম্পদ রক্ষায় সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।

মঙ্গলবার (১৮ মে) বিকেলে রাজধানীর মৎস্য ভবনে মৎস্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে দেশের সামুদ্রিক জলসীমায় ৬৫দিন সকল প্রজাতির মৎস্য আহরণ নিষিদ্ধ কার্যক্রম বাস্তবায়ন সংক্রান্ত সভায় সভাপতির বক্তব্যে মন্ত্রী এ আহ্বান জানান।

এসময় তিনি বলেন, “মৎস্য দেশের বড় সম্পদ। এ সম্পদের কথা বঙ্গবন্ধু বলে গিয়েছিলেন, মাছ হবে দ্বিতীয় প্রধান বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী সম্পদ। বর্তমান সরকারের নানা পদক্ষেপে সে মাছ আজ বাংলাদেশে সহজলভ্য হয়েছে। বিলুপ্তপ্রায় দেশীয় মাছ আমরা ফিরিয়ে এনেছি। ইতোপূর্বে মৎস্যসম্পদ রক্ষায় মৎস্য অধিদপ্তর, জেলা প্রশাসন, জেলা পুলিশ, নৌপুলিশ, কোস্টগার্ড, নৌবাহিনী, বিমান বাহিনী, মৎস্যজীবী সমিতি ও সংগঠন সম্মিলিতভাবে অত্যন্ত আন্তরিকতার সাথে কাজ করেছে। রাষ্ট্রের একটি অংশ হিসেবে সকলে মিলে দায়িত্ব পালন করেছেন। এমনকি অবৈধ মৎস্য আহরণ বন্ধ করতে গিয়ে বিভিন্নভাবে বাধাপ্রাপ্ত হলেও তারা পিছপা হননি। এটি আমাদের এগিয়ে যাবার মূলমন্ত্র। এভাবে দেশের সামুদ্রিক জলসীমায় মৎস্যসম্পদ রক্ষায় সম্মিলিতভাবে দায়িত্ব পালন করতে হবে।”

নতুন প্রণীত সামুদ্রিক মৎস্য আইন নিয়ে কিছু বিভ্রান্তিকর প্রচারণা ছিল উল্লেখ করে এসময় মন্ত্রী বলেন, “সামুদ্রিক মৎস্য আইনের অপপ্রয়োগের কোন অভিযোগ আজ পর্যন্ত পাওয়া যায়নি। তারপরও এই আইনের অপপ্রয়োগ দেখলে সেটি বন্ধ করা হবে। তাই এই আইন নিয়ে বিভ্রান্ত হওয়ার কোন কারণ নেই।

দেশের মৎস্যসম্পদ রক্ষায় কোন অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা মেনে নেওয়া হবে না। তবে অকারণে কোন ব্যক্তি যেন হয়রানির শিকার না হন সেটি লক্ষ্য রাখতে হবে। আমাদের সীমিত সামর্থ্য দিয়ে সামুদ্রিক মৎস্যসম্পদ রক্ষা করতে হবে। মৎস্যজীবী সম্প্রদায়সহ জনগণকে মৎস্যসম্পদ রক্ষার গুরুত্ব বোঝাতে হবে।”

“করোনা সংকটে সরকারের মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রচুর পরিশ্রম করেছেন। তারা অর্পিত দায়িত্ব পালনে কোনরূপ শৈথিল্য প্রদর্শন করেন নি। করোনায় মানুষের পুষ্টি ও আমিষের চাহিদা মেটাতে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন দপ্তর-সংস্থা বিশেষ করে মৎস্য অধিদপ্তর ও প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর অসাধারণ ভূমিকা রেখেছে। মানুষের দোরগোড়ায় এ মন্ত্রণালয় মাছ, মাংস, দুধ, ডিম পৌঁছে দিয়েছে।

প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীদের আন্তরিকতা, একাগ্রতা ও উৎসর্গের কারণে করোনাকালেও দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতি ও উন্নতি সম্ভব হয়েছে। এসময় যেখানে বিশ্বের বড় বড় রাষ্ট্রের অর্থনীতি নুয়ে পড়ছে সেখানে আমাদের দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতি অসাধারণ। এজন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।”-যোগ করেন মন্ত্রী।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ সচিব রওনক মাহমুদ, অতিরিক্ত সচিব শ্যামল চন্দ্র কর্মকার ও মোঃ তৌফিকুল আরিফ, মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কাজী শামস্ আফরোজ, নৌপুলিশের অতিরিক্ত মহাপুলিশপরিদর্শক মোঃ আতিকুল ইসলাম, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ তথ্য দপ্তরের উপপরিচালক শেফাউল করিম, সামুদ্রিক মৎস্য দপ্তর, চট্টগ্রাম-এর পরিচালক এবং বন অধিদপ্তর, বাংলাদেশ নৌ বাহিনী, বাংলাদেশ কোস্টগার্ড, নৌ পুলিশ, জাতীয় মৎস্যজীবী সমিতি ও বাংলাদেশ মেরিন ফিশারিজ অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিনিধিসহ মৎস্য অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এসময় সভায় উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া জননিরাপত্তা বিভাগের প্রতিনিধি, সাতক্ষীরা, খুলনা, বাগেরহাট, পিরোজপুর, বরগুনা, পটুয়াখালী, ঝালকাঠি, বরিশাল, ভোলা, লক্ষ্মীপুর, ফেনী, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার জেলার জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার এবং সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় ও জেলা মৎস্য কর্মকর্তাগণ সভায় অনলাইনে অংশগ্রহণ করেন।

উল্লেখ্য, দেশের সামুদ্রিক জলসীমায় মাছের সুষ্ঠু প্রজনন, উৎপাদন, সামুদ্রিক মৎস্য সম্পদ সংরক্ষণ এবং টেকসই মৎস্য আহরণের জন্য সামুদ্রিক মৎস্য আইন, ২০২০ অনুযায়ী ২০ মে থেকে ২৩ জুলাই ২০২১ পর্যন্ত মোট ৬৫ দিন বাংলাদেশের সামুদ্রিক জলসীমায় সকল প্রকার মৎস্য নৌযান দিয়ে সব ধরণের মৎস্য আহরণ নিষিদ্ধ করেছে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়। ২০১৫ সাল থেকে এ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে মন্ত্রণালয়। এ বছর সমুদ্রে মৎস্য আহরণ নিষিদ্ধকালে দেশের উপকূলীয় ১৪ টি জেলার ৬৬ টি উপজেলায় ২ লক্ষ ৯৮ হাজার ৫৯৫ টি জেলে পরিবারকে ১৬ হাজার ৭২১.৩২ মেট্রিক টন ভিজিএফ চাল ইতোমধ্যে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মে ১৮, ২০২১ ৬:০৭ অপরাহ্ন
সীমান্তে ভারতীয় চোরাই গরু উদ্ধার করলো বিজিবি
পাঁচমিশালি

ভারত থেকে অবৈধ পথে বাংলাদেশে আসা খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গার সীমান্তবর্তী শান্তিপুর বিওপি এলাকা থেকে আটটি ভারতীয় গরু উদ্ধার করেছে সীমান্তরক্ষী বাহিনী বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়ন-বিজিবি।

সোমবার (১৭ মে) ভোরের দিকে শূন্য লাইন হইতে আনুমানিক ৪০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে সিদ্দিক টিলা নামক এলাকায় মালিকবিহীন অবস্থায় ভারতীয় ৮টি গরু উদ্ধার করে। তবে আটক করা যায়নি জড়িত কোন চোরাকারবারীকে।

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ৪০ বিজিবি পলাশপুর জোন শান্তিপুর বিওপি’র টহল কমান্ডার হাবিলদার মোশারফ হোসেনের নেতৃত্বে বিজিবি জওয়ানরা গরুগুলোর আনুমানিক মূল্য ৫ লাখ বিশ হাজার টাকা বলে ধারণা করা হচ্ছে।

৪০ বিজিবি’ (পলাশপুর জোন) অধিনায়ক লে. কর্নেল মো. সৈয়দ সালাহ উদ্দিন নয়ন পিএসসি জানান, সীমান্ত দিয়ে অবৈধ পথে ভারতীয় গরু করে নিয়ে আসছে চোরাকারবারিরা। এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিজিবি সদস্যরা তাদের ধাওয়া করলে তারা গরুগুলো রেখে ফেলে পালিয়ে যায়। এসময় মালিকবিহীন অবস্থায় গরুগুলো উদ্ধার করা হয়।

৪০ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল মো. সৈয়দ সালাহ উদ্দিন নয়ন পিএসসি জানান, বর্তমানে গরুগুলো শান্তিপুর বিওপিতে রয়েছে। উদ্ধারকৃত ভারতীয় গরুগুলো কাস্টম অফিসে জমা দেওয়ার কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop