২:৩২ পূর্বাহ্ন

রবিবার, ৩ মে , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : এপ্রিল ১৮, ২০২১ ৯:৫৪ অপরাহ্ন
নেশা করতে বাঁধা দেয়ায় গরুর বাছুরকে পানিতে ডুবিয়ে হত্যা
প্রাণিসম্পদ

চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার উত্তর হাইদগাঁও বদুর বাপের বাড়িতে গোয়াল ঘরে নেশা করতে বাঁধা দেয়ায় শুক্রবার রাতের আধাঁরে গরু বাছুরকে পা বেঁধে পানিতে ডুবিয়ে শ্বাস রোধ করে হত্যার অভিযোগ উঠেছে।

শনিবার পটিয়া থানায় একই এলাকার খায়ের আহমদের পুত্র মো: আরমান‘কে প্রধান আসামী করে এ ঘটনায় অজ্ঞাত আরো ৪/৫ জনের বিরুদ্ধে একটি অভিযোগ দায়ের করেন গরুর মালিক মোহাম্মদ মহিউদ্দিন।

অভিযোগ সূত্রে জানাযায়, প্রায় একমাস পূর্বে মহিউদ্দিনের গোয়াল ঘরে বসে স্থানীয় মো: আরমানসহ কয়েকজন যুবক নেশা করছিল। এসময় মহিউদ্দিনের মা ফাতেমা বেগম তাদের নেশারত অবস্থায় দেখতে পায়। পরে তাদেরকে গোয়াল ঘরে নেশা করায় ভৎসনা করা হয়। এক পর্যায়ে তারা চলে যাওয়ার সময় গরু মেরে ফেলার হুমকি দেয়া হয়। এরই জের ধরে শুক্রবার গভীর রাতে গোয়াল ঘরে ঢুকে ৩৫/৪০ হাজার টাকা দামের একটি গরুর বাছুরকে মেরে পা ভেঙ্গে ও পরে পা বেঁধে পার্শ্ববর্তী একটি পুকুরে নিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে। পরে শনিবার বিভিন্ন জায়গায় খুঁজাখুজির এক পর্যায়ে পার্শ্ববর্তী পুকুর থেকে পা বাঁধা অবস্থায় গরুর বাছুরটির মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়।

গরুর মালিক মহিউদ্দিন জানান, গোয়াল ঘরে বসে নেশা করতে বাঁধা দেয়ায় আমার গরু বাছুরটিকে পানিতে চুবিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে নেশাখোর আরমান। আমি এর উপযুক্ত শাস্তি দাবী করছি। অপরাধীকে আইনের আওতায় এনে যথাযথ শাস্তির দাবী জানায়।

পটিয়া থানার এসআই মোরশেদুল আলম জানান, অভিযোগ পেয়ে আমি ঘটনাস্থলে গিয়ে গরু’র বাছুর মারার সত্যতা পেয়েছি। তবে কে বা কারা মেরেছে তা তদন্ত করে বের করে অপরাধী আইনের আওতায় আনা হবে বলে তিনি জানান।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ১৭, ২০২১ ১০:০৩ অপরাহ্ন
ফরিদপুরে মৎস্য অধিদপ্তরের উদ্যোগে ভ্রাম্যমাণ মাছ বিক্রি
প্রাণিসম্পদ

ফরিদপুরে মৎস্য অধিদপ্তরের উদ্যোগে মহামারীররোধে ‘আমিষের চাহিদা পূরণে’ ভ্রাম্যমাণ মাছ বিক্রি শুরু হয়েছে। বিক্রি করা হচ্ছে শিং, রুই, কাতলা, পাঙ্গাশ, পাবদা, চিংড়ি, বাটা, টেংড়াসহ বিভিন্ন মাছ।

ফরিদপুর জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মনিরুল ইসলাম জানান, জেলা মৎস্য অফিসের উদ্যোগে মাছ চাষিদের উদ্বুদ্ধ করে তাদের মাধ্যমে এ মাছ বিক্রি করা হচ্ছে। জেলা সদরসহ বিভিন্ন উপজেলায় এ কার্যক্রম চালু করা হয়েছে।

তিনি জানান, স্বেচ্ছায় মাছচাষিরা এ কার্যক্রমে অংশ নিচ্ছেন। তাদের কোনো প্রণোদনা দেওয়া হচ্ছে না। তবে মাছ আনা নেওয়া বা বিক্রি করার জন্য সার্বিক সহযোগিতা করা হচ্ছে।

চোকদার ফিশারিজ এর স্বত্বাধিকারী এএসএম জুনায়েদ জুয়েল জানান, বাজারে না গিয়ে ঘরে বসে আমিষের চাহিদা মেটাতে মৎস্য অধিদপ্তরের সহযোগিতায় ‘সুপরিকল্পিত সামাজিক সংস্থা’ ও ‘চোকদার ফিশারিজ’ এ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করেছে।

“ভ্যানযোগে প্রতিটি মহল্লায় গিয়ে মাছ বিক্রি করা হচ্ছে। এছাড়াও আমাদের সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করলে তার ঠিকানায় মাছ পৌঁছে দিচ্ছি।“

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ১৭, ২০২১ ৬:৫৩ অপরাহ্ন
মুজিবনগর সরকারের লক্ষ বাস্তবায়ন করছে প্রধানমন্ত্রী: প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী
প্রাণিসম্পদ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকার মুজিবনগর সরকারের লক্ষ বাস্তবায়ন করছে বলে মন্তব্য করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।

শনিবার (১৭ এপ্রিল) ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস উপলক্ষ্যে পিরোজপুর জেলা প্রশাসন আয়োজিত আলোচনা সভায় রাজধানীর বেইলি রোডের সরকারি বাসভবন থেকে ভার্চুয়ালি সংযুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।

ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবসে স্বাধীনতার স্বপক্ষের শক্তিকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় ঐক্যবদ্ধ হয়ে উগ্র সাম্প্রদায়িক অপশক্তির বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানান মন্ত্রী।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী বলেন, ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল গঠিত স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সরকার তথা মুজিবনগর সরকারের লক্ষ ছিল শোষণমুক্ত এবং ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গঠন। সে লক্ষ্যেই শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকার কাজ করে যাচ্ছে। ধর্ম, বর্ণ, গোষ্ঠী নির্বিশেষে বাংলাদেশের সকল মানুষকে শোষণ ও বঞ্চনার হাত থেকে মুক্ত করে তাদের মৌলিক মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য শেখ হাসিনা অবিরাম পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। তিনি ইতোমধ্যে বাংলাদেশকে বিশ্বের বুকে উন্নয়নের রোল মডেলে পরিণত করেছেন।

তিনি বলেন, মুজিব নগর সরকারের লক্ষ বাস্তবায়নে বর্তমান সরকার যখন উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির পথে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে তখনই একটি উগ্র সাম্প্রদায়িক চক্র সে অর্জন বিনষ্ট করার জন্য মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে চাইছে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে বিজয় অর্জনের মাধ্যমে অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। ঘৃণ্য ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পরই মূলত আবার সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠী মাথাচাড়া দিয়ে উঠার সুযোগ পায়।

মৎস্য ও প্রণীসম্পদ মন্ত্রী বলেন, ৭৫ পরবর্তী সরকারগুলো ধারাবাহিকভাবে স্বাধীনতা বিরোধী সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠীকে বিভিন্নভাবে পৃষ্ঠপোষকতা দিয়ে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় প্রতিষ্ঠিত করেছিল। পরবর্তীতে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা রাষ্ট্র ক্ষমতায় এসে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের মাধ্যমে সাম্প্রদায়িক অপশক্তির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছেন। বিচারের রায় কার্যকর করে তাদের দর্প চূর্ণ করেছেন। এই সম্প্রীতির বাংলাদেশে আবার সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠী মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে চাইলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পিরোজপুরের জেলা প্রশাসক আবু আলী মো. সাজ্জাদ হোসেনের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পিরোজপুরের পুলিশ সুপার হায়াতুল ইসলাম খান। পিরোজপুর জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের সাবেক কমান্ডার গৌতম নারায়ণ চৌধুরী ও সমীর দাশ বাচ্চু, পিরোজপুর সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি তোফাজ্জল হোসেন, পিরোজপুর পৌরসভার কাউন্সিলর ছায়েদুল্লাহ লিটন, পিরোজপুর জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক অনিরুজ্জামান অনিক ও সাবেক সভাপতি মাকসুদুল ইসলাম প্রমুখ আলোচনা সভায় অংশগ্রহণ করেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ১৭, ২০২১ ৩:৩০ অপরাহ্ন
কবুতর পালনে নতুনদের যে বিষয়গুলো জানা দরকার
প্রাণিসম্পদ

কবুতর অনেকে শখের বসে পালন করলেও বর্তমানে এটি চাহিদা বাণিজ্যিকভাবে ব্যাপক। বিশ্বজুড়ে কবুতর ২০০ প্রকারের থাকলেও বাংলাদেশে প্রায় ৩০ প্রকারের কবুতর রয়েছে। বর্তমানে কবুতরকে বাড়তি আয়ের উৎস হিসেবে সবাই ব্যবহার করে। আর এই কবুতর পালনে যারা নতুন তাদের অনেকগুলো বিষয় খেয়াল না রাখায় পড়তে হয় নানা বিপাকে। এই জন্য কবুতর পালনে একেবারে নতুন যারা তাদের হতে হবে আরো সচেতন।

উন্নতমানের কবুতর প্রতি জোড়া ২ হাজার থেকে লাখ টাকাও বিক্রি করা হয়। তবে কবুতর পালনের আগে যারা নতুন তাদের অনেক কিছু সম্পর্কে ধারণা রাখা দরকার।

কবুতর পালনে নতুনদের যে বিষয়গুলো জেনে রাখা জরুরি:

১। যারা একেবারে নতুন থেকে কবুতর পালন করবেন, তারা অবশ্যই শুরুতে খুব কম দামী কবুতর দিয়ে শুরু করবেন। কারণ প্রথমেই বড় ধরণের লস হলে কবুতর পালনের প্রতি আপনার জন্ম নিতে পারে অনিহা।

২। কবুতর কিনার সময় অবশ্যই সুস্থ কবুতর দেখে কিনতে হবে। এই জন্য দরকার যারা কবুতর ভালো চিনে প্রথমে তাদের সাথে করে নিয়ে কবুতর কিনতে হবে। আর তাতে ভালো কবুতর কিনতে পারবেন।

৩। যারা নতুন করে কবুতর পালন করেন তারা সাধারণত কবুতর পালন সম্পর্কে তেমন ধারণা রাখেন না। তাই নতুন কবুতর পালকদের ২/১ জোরা বাচ্চা দিয়েই কবুতর পালন শুরু করা উচিত। আর রানিং কবুতর দিয়ে কবুতর পালন শুরু করতে চাইলে অবশ্যই অভিজ্ঞ কারো পরামর্শ নিয়ে শুরু করতে হবে।

৪। নতুন পালনকারীরা একসাথে অনেক কবুতর কিনবেন না। কবুতর পালন পুরোপুরি শেখার আগে অল্প সংখ্যক কবুতর দিয়ে খামার করতে হবে।

৫। কবুতর কেনার আগে সেই কবুতরের বর্তমান বাজার মূল্য আগে থেকে জেনে নিতে হবে। তা না হলে কম দামের কবুতর বেশি দামে বিক্রি করতে পারে।

 

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ১৭, ২০২১ ১১:১৪ পূর্বাহ্ন
রংপুরে ছাগল পাটক্ষেত খাওয়ায় কৃষককে গলাটিপে হত্যা
পাঁচমিশালি

ছাগল পাটক্ষেত খাওয়ার জেরে রংপুরের গঙ্গাচড়া থানাধীন খলেয়া ইউনিয়নের ঠাকুরপাড়ায় এক কৃষককে গলাটিপে হত্যার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

শুক্রবার (১৬ এপ্রিল) বিকেলে ওই এলাকার আকিজ গ্রুপের একটি জমির পাটক্ষেত ছাগল খাওয়ায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত কৃষকের নাম নিবারণ রায় (৪৫)।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নিবারণ রায়ের ছাগল পাটক্ষেতে ঢুকে ক্ষেত খায়। পরে আকিজ গ্রুপের কেয়ারটেকার কৃষ্ণ রায়ের স্ত্রী কল্পনা রানী সেখানে এসে ঝগড়া শুরু করেন। একপর্যায়ে বাড়ি থেকে তার স্বামী কৃষ্ণকেও ডেকে আনেন। পরে কেয়ারটেকার কৃষ্ণ ধারালো অস্ত্র দিয়ে নিবারণের ছেলে সন্তোষকে হাতে কোপ দেন এবং সেখানে থাকা কৃষক নিবারণকে মাটিতে ফেলে গলাটিপে ধরেন। একপর্যায়ে নিবারণের অবস্থা আশঙ্কাজনক হলে হাসপাতালে নেয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।

খবর পেয়ে গঙ্গাচড়া মডেল থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে নিয়ে যায়।

গঙ্গাচড়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুশান্ত কুমার সরকার বলেন, এ ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত কৃষ্ণ ও তার স্ত্রী কল্পনা রানী পলাতক। থানায়ও এখন পর্যন্ত কেউ অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

আরো পড়ুন:  দিনাজপুরে আলুর বাম্পার ফলনেও হাসি নেই কৃষকের

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ১৬, ২০২১ ৩:৫৯ অপরাহ্ন
লকডাউন: দুধ নিয়ে বিপাকে সিরাজগঞ্জের খামারিরা!
প্রাণিসম্পদ

করোনা সংক্রমণ মোকাবিলায় সরকারের এক সপ্তাহের লকডাউনে উৎপাদিত দুধ বিক্রি করতে না পেরে লোকসান গুনছেন খামারিরা। মিষ্টির দোকান, চা স্টল বন্ধ এবং হাট-বাজারে লোক সমাগম কমে যাওয়ায় কমছে দুধের চাহিদা। আর তাতে প্রতিদিন উৎপাদিত ২০ লাখ ৫০ হাজার লিটার দুধ নিয়ে বিপাকে পড়েছেন সিরাজগঞ্জের খামারিরা। বিক্রি করতে না পারায় অনেকে খামারিই রাস্তায় দুধ ঢেলে প্রতিবাদ জানাচ্ছেন।

সিরাজগঞ্জ জেলার প্রাণিসম্পদ অফিস সূত্রে জানা যায়, ১৯৭৩ সালে সিরাজগঞ্জে সমবায়ভিত্তিক রাষ্ট্রায়াত্ব প্রতিষ্ঠান মিল্কভিটার একটি দুগ্ধ প্রক্রিয়াজাতকরণ কারাখানা গড়ে ওঠে। এরপরই অঞ্চলটিতে গড়ে ওঠে হাজার হাজার গরুর খামার। সেখান থেকে মিল্কভিটা এখন প্রতিদিন দুই লাখ ২৫ হাজার লিটার দুধ সংগ্রহ করে। বর্তমানে জেলায় ১৫ হাজার ৩৮০টি সমবায় ভিত্তিক গো-খামারের প্রায় সাড়ে ১০ লাখ গবাদিপশু থেকে প্রতিদিন ২০ লাখ ৫০ হাজার লিটার দুধ উৎপাদন হয়।

শাহজাদপুর রেশমবাড়ির খামারি ও মিল্কভিটার পরিচালক আব্দুস সামাদ ফকির জানান, এ অঞ্চলের উৎপাদিত দুধের প্রায় সাড়ে তিন লাখ লিটার প্রাণ, আড়ং, অ্যাংকার ও ঈগলু কেনে। অবশিষ্ট ৯ লাখ লিটার দুধ ঢাকাসহ বিভিন্ন জেলার হোটেল ও মিষ্টির দোকানে সরবরাহ করা হয়।

সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার কালিয়া কান্দাপাড়া এলাকার তালুকদার ডেইরি ফার্ম লিমিটেডের পরিচালক মনিরা তালুকদার জানান, ‘খামারের ৭০ গরুর মধ্যে ২০টি প্রতিদিন ৩০০ লিটার দুধ দেয়।এখন করোনার জন্য ন্যায্য মূল্যে দুধ বিক্রি করতে পারছি না। গত বছরে যে লোকসান হয়েছে এ বছরে তার চেয়েও বেশি লোকশান হচ্ছে। হয়তো আর খামারই চালাতে পরব না।’ ক্ষতি পুষিয়ে দিতে সরকারকে উদ্যোগ নেয়ার দাবি জানান তিনি।

সিরাজগঞ্জ জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা আক্তারুজ্জামান ভূঁইয়া জানান, করোনাকালীন সময়ে খামারিদের কথা ভেবে মিল্কভিটা, প্রাণ, আড়ং, অ্যাংকার, ঈগলু কোম্পানিদের বলেছি, লকডাউনকালীন সময়ে কোনোভাবেই দুধ কম নেয়া যাবে না। খামারিদের উৎপাদিত অবশিষ্ট দুধ বাজারে সঠিকভাবে বিক্রির জন্য ভ্রাম্যমাণ গাড়ির ব্যবস্থা করা হয়েছে। যে সব খামারি দুধ বিক্রি করতে না পারবে তারা এসব ভ্রাম্যমাণ গাড়িতে দুধ দেবে।’ এ গাড়ি প্রাণিসম্পদ অফিসের কর্মকর্তারা মনিটরিং করবে। এভাবে দশ দিন তারা ভ্রাম্যমাণ সেবা দেবেন খামারিদের। ক্ষতিগ্রস্ত খামারিদের প্রণোদনার জন্য সরকারের কাছে আবেদন করা হবে বলে তিনি আশা ব্যক্ত করেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ১৫, ২০২১ ১০:৩২ অপরাহ্ন
অগ্নিকাণ্ডে চার পরিবারের ১১টি গরু-ছাগল পুড়ে ছাই
প্রাণিসম্পদ

কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলার উমরমজিদ ইউনিয়নে অগ্নিকাণ্ডে চারটি পরিবারের চারটি গরু, সাতটি ছাগলসহ সবকিছু পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ৩০ লাখ টাকা বলে জানান ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা।

বৃহস্পতিবার (১৫ এপ্রিল) রাত সাড়ে ১২টার দিকে রাজারহাটের উমর মজিদ ইউনিয়নের পূর্ব বালাকান্দি সবুজপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।কুড়িগ্রাম ও উলিপুর উপজেলার ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে এসে এ আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

রাজারহাট উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) নুরে তাসনিম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে দ্রুত সহযোগিতা করা হবে।

বাড়ির মালিক আব্দুল গনি মিয়া জানান, রাত সাড়ে ১২টার দিকে তারা রান্নাঘরে আগুন দেখতে পান। রান্নাঘরে পাটকাঠি ও খড়ি থাকায় আগুন ভয়াবহ হয়ে ওঠে। তারা কিছু বুঝে ওঠার আগেই পাশের ঘরগুলোতে আগুন লেগে যায়। মুহূর্তেই আগুনের পুড়ে যায় চারটি গরু, সাতটি ছাগল, ফ্রিজ, আসবাব, জামা কাপড়, জমানো নগদ ৫০ হাজার টাকা, ধান-চালসহ সাতটা কক্ষের প্রায় সবকিছু।

ভুক্তভোগী অপর তিন পরিবারের মালিক মোস্তাফিজুর রহমান, মোজাফফর রহমান ও মিনহাজুল ইসলাম। তারা সবাই গনি মিয়ার ছেলে।

কুড়িগ্রাম ফায়ার সার্ভিসের (সিভিল ডিফেন্স) উপ-সহকারী পরিচালক মনোরঞ্জন রায় জানান, ‘খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চালায়, এরপর আরও একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পরে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।’

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ১৫, ২০২১ ২:০০ অপরাহ্ন
গরুর খামার থেকে প্রতিমাসে জাহানারার আয় দেড় লাখ টাকা
প্রাণিসম্পদ

গরুর খামার দিয়ে স্বাবলম্বী হয়েছেন গোপালগঞ্জের জাহানারা বেগম চিলি। জেলার কাশিয়ানীতে দুইটি দেশি গরু দিয়ে খামার শুরু করেন তিনি। এরপর তাকে আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। বর্তমানে তার খামারে দেশি-বিদেশি উন্নত চার জাতের ৩৫টি গরু রয়েছে।

চিলির খামার থেকে প্রতিদিন ৮০ লিটার দুধ পাওয়া যায়। এ দুধ প্রায় ৪ হাজার টাকায় বিক্রি হয়। সব বাধা পেরিয়ে এখন তিনি জীবনযুদ্ধে সফল এক নারী। তার এমন সফলতায় এলাকার অনেক নারী, পুরুষ ও বেকার যুবকরা আগ্রহী হচ্ছেন খামারের প্রতি। এলাকায় তিনি এখন অনেকের কাছে অনুকরণীয় ব্যক্তিত্ব।

গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলার বালিয়াডাঙ্গা গ্রামের বদিউজ্জামান খোকা মোল্যার স্ত্রী জাহানারা বেগম চিলি। সে তার পরিবারকে নতুন জীবন দিয়েছে গরুর খামার করে। কিছুদিন আগেও সংসারে ছিল অভাব অনটন। সংসারের অভাব অনটনের কারণে যখন জীবন থেমে যাচ্ছিল তখনই খামার করার চিন্তা মাথায় আসে তার। মাত্র দুইটি দেশি গরু দিয়ে খামার শুরু করেন তিনি।

বর্তমানে চিলির খামারে রয়েছে ফিজিয়ান, শঙ্কর, মন্টি ও শাহিওয়াল নামের উন্নত চার জাতের দেশি-বিদেশি গাভি, বাছুর, ষাড়সহ ৩৫টি গরু। প্রতিদিন একটি গাভি ১০ থেকে ১২ লিটার দুধ দিয়ে থাকে। বাজারে ৪০ থেকে ৫০ টাকা দরে এই দুধ বিক্রি হয়। তা থেকে প্রতিমাসে প্রায় দেড় লাখ টাকা আয় হয়।

এমন উদ্যোক্তার কাজে সাহায্য করেছে তার স্বামী খোকা মোল্যা। খামার পরিচর্যায় তিনিও বেশ ব্যস্ত। উন্নতমানের শেটে রেখে গরুগুলোকে লালন-পালন করা হচ্ছে। প্রতিটি গরুর মাথার ওপর ফ্যান রয়েছে। পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা আছে।

এর পাশাপাশি তিনি দেশি মুরগী ও ছাগলের খামার গড়ে তুলেছেন। এ মুরগী ও ছাগলের খামার করে ও তিনি লাভের মুখ দেখেছেন। সব মিলে জাহানারা বেগমের খামারটি এলাকার আদর্শ খামার হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। এখন তিনি যেখানেই হাত দেন তাতেই যেন সোনা ফলে।

চাকরি না খুঁজে নিজেই নিজের পায়ে দাঁড়ানো যায় চিলি তার একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। এক সময় অভাব অনটনে ছেলেমেয়েদের পড়ালেখার অসুবিধা হচ্ছিল। আজ তার পরিবার বেশ স্বচ্ছল।

জাহানারা বেগম চিলি  জানান, আমি গবাদি পশুর খামার করে আর্থিকভাবে লাভবান হয়েছি। প্রতিদিন ৮০ লিটার দুধ বিক্রি করে ৪ হাজার টাকা আয় হয়। আমার এই খামার দেখে আশাপশের নারীরাও গবাদিপশু পালনে আগ্রহী হচ্ছেন।

শিক্ষিত বেকার ভাইয়েরা চাকুরির পেছনে ছুটে বেড়ান। তারা এটা নিজেরা করলে আমার মতো তারা মানুষকে চাকরি দিতে পারবে। তিনি আরো বলেন, এ খামারকে আমি আরো অনেক বড় করতে চাই। এটি হবে একটি আধুনিক খামার।

জেলা প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা ডা. আজিজ-আল-মামুন  বলেন, জাহানারা বেগমের গরুর খামারে সবগুলো গরুই উন্নত জাতের। প্রাণী সম্পদ বিভাগ থেকে এই খামার নিয়মিত টিকা এবং ভিটামিন জাতীয় ওষুধসহ সকল সুবিধা পাবেন। আশা করছি গোপালগঞ্জের এই খামারটি একটি মডেল খামার হবে।

সুত্রঃজাগো নিউজ

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ১৫, ২০২১ ১:৪৫ অপরাহ্ন
সুন্দরবনে বাঘের আক্রমণে এক মৌয়ালের মৃত্যু
প্রাণ ও প্রকৃতি

বাঘের আক্রমণে পশ্চিম সুন্দরবনের সাতক্ষীরা রেঞ্জে হাবিবুর রহমান মোল্যা নামে এক মৌয়াল নিহত হয়েছেন।

বুধবার (১৪ এপ্রিল) সকালে গহিন সুন্দরবনের হোগলডুগরিতে এ ঘটনা ঘটে। কৈখালী ফরেস্ট স্টেশন কর্মকর্তা মোবারক হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

নিহত হাবিবুর রহমান মোল্যা শ্যামনগর উপজেলার রমজাননগর ইউনিয়নের মীরগাং গ্রামের আজিজ মোল্যার ছেলে।

স্থানীয় ইউপি সদস্য আনারুল ইসলাম জানান, কৈখালী ফরেস্ট স্টেশন থেকে বৈধ পাস নিয়ে গত ৩ এপ্রিল হাবিবুর ও তার বাবা আজিজ মোল্যাসহ কয়েকজনের একটি দল মধু আহরণের জন্য সুন্দরবনে যান। অন্যান্য দিনের মতো গতকাল বুধবার সকালে দলটি মধু আহরণ করতে সুন্দবনের হোগলডুগরি এলাকার বনে প্রবেশ করলে হঠাৎ একটি বাঘ হাবিবুরের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে এবং তাকে বনের গভীরে টেনে নিয়ে যায়। এ সময় তার সঙ্গীরা বিষয়টি টের পেয়ে চিৎকার করলে একপর্যায়ে বাঘটি হাবিবুরকে ছেড়ে পালিয়ে যায়। পরে সুন্দরবনের গহিন থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে লোকালয়ে নিয়ে আসেন অন্যরা।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ১৫, ২০২১ ১১:৫৩ পূর্বাহ্ন
কাউখালীতে ইউএনও‘র উদ্যোগে ভ্রাম্যমাণ বাজার চালু
প্রাণিসম্পদ

দেশব্যাপী করোনার প্রকোপ আরো দিন দিন বাড়ছে। এই অবস্থায় দেশে অর্থনৈকি অবস্থা খুবই শোচনীয়। এরই মধ্যে মানুষের জীবন বাঁচাতে চলছে লকডাউন। কাউখালী বাজারও তার ব্যতিক্রম নয়। একদিকে করোনার ভয় অন্যদিকে নিত্য প্রয়োজনীয় মালামালের চাহিদা পূরণ ও রোজাদার মানুষদের কষ্ট লাঘব করতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোছাঃ খালেদা খাতুন রেখা নিয়েছেন ব্যতিক্রমী উদ্যোগ। তিনি চালু করেছেন ভ্রাম্যমাণ বাজার।

গত বছরেও ভ্রাম্যমাণ বাজার হয়ে উঠেছিল সকালের আস্থার ঠিকানা এবং সব ধরণের মানুষ চাহিদা পূরণে ঘরে বসেই শাকসবজি তরিতরকারি মাছ-গোশত পেয়ে খুশিতে ঘর থেকে কেউ বাহিরে আসেনি যার ফলে কাউখালীতে মৃত্যুর সংখ্যা ছিল একেবারেই কম। গত বছরের সফলতার কথা চিন্তা করে এ বছর আজ কঠোর লকডাউনের প্রথম দিনেই চালু করেছেন ভ্রাম্যমাণ বাজার।

সকাল ছয়টায় উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নেতৃত্বে ব্যানার সম্মিলিত বিভিন্ন ভ্যানে ও গাড়িতে ফলমূল শাকসবজি মাছ মাংস ডিম সহ সকল নিত্যপ্রয়োজনীয় মালামাল নিয়ে ভ্রাম্যমাণ বাজারের গাড়িগুলো পাঠিয়ে দেন উপজেলার প্রতিটি এলাকায় ও বাড়িতে বাড়িতে। নিত্য প্রয়োজনীয় মালামাল ন্যায্যমূল্যে পৌঁছে দিতে কঠোর নির্দেশনা প্রদান করেন তিনি।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop