৬:৩৩ পূর্বাহ্ন

রবিবার, ৩ মে , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : এপ্রিল ৭, ২০২১ ৪:৫৯ অপরাহ্ন
আলমডাঙ্গায় গরুচোর চক্রের ৬ সদস্য আটক
প্রাণিসম্পদ

চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা থেকে তিনটি গরু ও একটি ট্রাক জব্দ করাসহ আন্তঃজেলা গরুচোর চক্রের ৬ সদস্যকে আটক করেছে পুলিশ।

বুধবার (৭ এপ্রিল) ভোরে তাদের আলমডাঙ্গা মুন্সিগঞ্জ রেলগেট এলাকা থেকে আটক করে পুলিশ।

আটকরা হলো- আলমডাঙ্গা উপজেলার বাদেমাজু গ্রামের ফারুক হোসেন, নাগদা গ্রামের বিপ্লব, কাবিলনগর গ্রামের জকিম উদ্দিন, দামুড়হুদা উপজেলা শাহিন আলী, সদর উপজেলার নফরকান্দি গ্রামের আলিম হোসেন ও মোমিনপুর গ্রামের সোহাগ আলী।

জানা যায়, কুষ্টিয়া থেকে আন্তঃজেলা গরুচোর চক্রের সদস্যরা ট্রাকযোগে গরু চুরি করে চুয়াডাঙ্গায় নিচ্ছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আলমডাঙ্গা থানা পুলিশ মুন্সিগঞ্জ রেলগেট এলাকায় বুধবার ভোরে অবস্থান নেয়।

এ সময় পুলিশ একটি ট্রাককে দাঁড়াতে সিগন্যাল দিলে সেটি পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে রেলগেটের গেট ফেলে ট্রাকটি আটক করা হয়। পরে ট্রাক থেকে তিনটি চোরাই গরু ও ট্রাকসহ ৬ জনকে আটক করে পুলিশ।

আলমডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলমগীর কবির বলেন, আন্তঃজেলা চোর চক্রের সদস্যরা চুয়াডাঙ্গাসহ পার্শ্ববর্তী জেলা থেকে ট্রাকযোগে গরু চুরি করত। এতে কৃষক ও গ্রামের সাধারণ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হতো। অন্যদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। আটক গরুগুলো কুষ্টিয়া থেকে চুরি করা হয়েছে।

এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছেন আলমডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলমগীর কবির।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ৭, ২০২১ ১:০৬ অপরাহ্ন
ডুমুরিয়ায় ক্ষুরা রোগে চার সপ্তাহে শতাধিক গরুর মৃত্যু
প্রাণিসম্পদ

গত চার সপ্তাহে খুলনার ডুমুরিয়ায় ক্ষুরা রোগে আক্রান্ত হয়ে শতাধিক গরুর মৃত্যু হয়েছে। এই রোগে আক্রান্ত হয়েছে আরও তিন শতাধিক গরু।

খামারিদের অভিযোগ, প্রাণিসম্পদ দপ্তর থেকে তারা কোনো সহযোগিতা পান না তারা। তবে উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের দাবি, ক্ষুরা রোগে সম্প্রতি মাত্র ১২টি গরু মারা গেছে। আর বেশকিছু গরু আক্রান্ত হয়েছে। তবে গরুর চিকিৎসার ক্ষেত্রে কোনো ত্রুটি ছিল না তাদের।

জানা যায়, ক্ষুরা রোগে উপজেলার পূর্ব ডুমুরিয়া গ্রামের সাইফুল ইসলাম গাজীর ১ লাখ ৭০ হাজার টাকা মূল্যের একটি গাভি মারা গেছে। ডুমুরিয়া আইতলা এলাকার শংকর প্রসাদ রাহার ২ লাখ ৮০ হাজার টাকা মূল্যের দুটি গরু মারা গেছে। আরাজী ডুমুরিয়া নারায়ণ পালের একটি গাভি ও একটি বকনা বাছুর, গুটুদিয়া গ্রামের হাফিজ খানের একটি গাভি এবং উপজেলার খলশি গ্রামের ওহিদুল ইসলামের দুটি গাভি মারা গেছে।

একইভাবে ক্ষুরা রোগে আক্রান্ত হয়ে উপজেলার ডুমুরিয়া সদর ইউনিয়নে, ধামালিয়া, খর্নিয়া, ভান্ডারপাড়া, রুদাঘারা ও রংপুর ইউনিয়ন এলাকার বিভিন্ন গ্রামে গত চার সপ্তাহে শতাধিক গরু খুরা রোগে মারা গেছে এবং আক্রান্ত হয়েছে আরও তিন শতাধিক বলে জানা যায়।

সদরের গোলনা গ্রামের খামারি খান অহিদুল ইসলাম জানান, তিন সপ্তাহ আগে ক্ষুরা রোগে আক্রান্তু হয়ে তার হাইব্রিড জাতের ৩টি গাভি, একটি বড় বকনা ও ৪টি বাছুর মারা গেছে। এতে ক্ষতি হয়েছে প্রায় ১৫ লাখ টাকার।

গরুর খামারি খান ওহিদুল ইসলাম ও সাইফুল ইসলাম গাজী জানান, খুরা রোগের লক্ষণ হচ্ছে, প্রথমে গরুর গায়ে তাপমাত্রা প্রচণ্ড বৃদ্ধি পায়, মুখ দিয়ে লালা বের হতে থাকে, গরুর মুখে ও খুরায় ঘা দেখা দেয়। ফলে আক্রান্ত গরু কোনো খাদ্য খেতে পারে না। এরপর অল্প দিনের মধ্যে ওই গরু মারা যায়। সে ক্ষেত্রে খুরা রোগ প্রতিরোধে গরুকে নিয়মিত ভ্যাকসিন দিতে হয়। প্রাণিসম্পদ অফিসে ভ্যাকসিন সংকটের কারণে এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। শত চেষ্টার পরও আক্রান্ত গরুগুলো বাঁচানো সম্ভব হয়নি।

খামারি শংকর প্রসাদ রাহা জানান, প্রাণিসম্পদ অফিসে ভ্যাকসিন পাওয়া মুশকিল। গরুর চিকিৎসার ক্ষেত্রে প্রাণিসম্পদ অফিসের চিকিৎসকদের অনীহা রয়েছে। বারবার তাদের ডেকেও পাওয়া যায় না।

উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মাহমুদা সুলতানা বলেন, মূলত ক্ষুরা রোগের চিকিৎসা নেই। আগে থেকে গরুর খুরা রোগের ভ্যাকসিন দিতে হয়। গরুর বা ছাগলের কোনো সমস্যা হলে চিকিৎক না ডেকে খামারিরা নিজেই চিকিৎকসা দেন। খামারিদের অভিযোগ সঠিক নয়। এ ছাড়া ডুমুরিয়া উপজেলাটি প্রায় একটি জেলার সমান। প্রয়োজনের তুলনায় আমাদের অফিসে জনবল অপ্রতুল।

ডুমুরিয়া প্রাণিসম্পদ দপ্তরের তথ্যমতে, খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলায় ১৪টি ইউনিয়নে ১ হাজার ২৫২টি হাইব্রিড জাতের গরুর খামার রয়েছে। হাইব্রিড ও দেশি জাতের গরুর সংখ্যা এখানে ১ লাখ ৯০ হাজার। প্রতিদিন এ উপজেলায় প্রায় ৮০ হাজার লিটার দুধ উৎপাদিত হয়, যা ডুমুরিয়ার চাহিদা মিটিয়ে খুলনা ও যশোর জেলা শহরে বিভিন্ন কোম্পানি ও মিষ্টান্ন ভান্ডারে বিক্রি হয়ে থাকে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ৭, ২০২১ ১০:২৭ পূর্বাহ্ন
বরিশালে রোগা গরু জবাইয়ের সময় ধরা খেলেন কসাই!
প্রাণিসম্পদ

রোগা গরু গোপনে জবাইয়ের আগ মুহূর্তে বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলায় মো. শহিদুল ইসলাম নামের (৪০) এক মাংসবিক্রেতাকে আটক করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৬ এপ্রিল) সকালে উপজেলার প্রধান বন্দর পাতারহাট বাজার থেকে রোগা গরুটি উদ্ধার ও মাংসবিক্রেতা শহিদুলকে আটক করা হয়।

আটকের পর ওই মাংসবিক্রেতাকে এ ঘটনায় ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। পাশাপাশি গরুটিকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের হেফাজতে দেয়া হয়েছে।

ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পিজুস চন্দ্র দে জানান, মঙ্গলবার পাতারহাট বন্দরে হাটবার। এ কারণে স্বাভাবিকের দিনের চেয়ে হাটে মাংসসহ নিত্যপণ্য বিক্রি বেশি হয়। এ সুযোগে প্রায় মৃত রোগা গরুটি গোপনে জবাই করার উদ্যোগ নেন মাংসবিক্রেতা শহিদুল ইসলাম।

তিনি জানান, স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে জবাইয়ের আগ মুহূর্তে তিনি পুলিশ সদস্যদের নিয়ে সেখানে উপস্থিত হন। গিয়ে দেখেন গরুটির গোটা শরীরে ঘা ও ক্ষত। নড়াচড়া করছে না। প্রায় মৃত অবস্থায় গরুটি পড়ে আছে।

তিনি আরো বলেন, জিজ্ঞাসাবাদে মাংসবিক্রেতা শহিদুল ইসলাম তার দোষ স্বীকার করে বলেন, হাটবারে মাংস বিক্রির উদ্দেশ্যে তিনি রোগা গরুটি মাত্র ১৫ হাজার টাকায় কিনেছিলেন। বেশি মুনাফার লোভে তিনি এ কাজ করেছিলেন। তিনি এ ধরনের কাজ ভবিষ্যতে আর করবেন না বলে ভ্রাম্যমাণ আদালতের কাছে ক্ষমা চান। এ ঘটনায় মাংসবিক্রেতা শহিদুল ইসলামকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। পাশাপাশি রুগ্ন গরুটিকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের হেফাজতে দেয়া হয়েছে।

গরুটির শরীরের কয়েক জায়গায় ঘা ও ক্ষততে পোকা সংক্রমণ দেখা গেছে। রুগ্ন এ গরুর মাংস মানবদেহের জন্য ক্ষতির আশঙ্কা ছিল। তবে জবাইয়ের আগেই গরুটি উদ্ধার করা হয়েছে। গরুটির রোগ সারিয়ে তুলতে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে বলে জানান উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. প্রকাশ বিশ্বাস।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ৭, ২০২১ ১০:১৬ পূর্বাহ্ন
দুর্বৃত্তের দেয়া আগুনে দগ্ধ কৃষকের ৭ গরু
প্রাণিসম্পদ

যশোরের মণিরামপুরে দুর্বৃত্তের দেওয়া আগুনে কৃষক ইসরাফিল মোড়লের সাতটি গরু দগ্ধ হয়েছে। পুড়ে ছাই হয়ে গেছে গোয়ালঘর ও রান্নাঘর। গ্রামবাসী ও ফায়ার সার্ভিস কর্মীদের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনায় প্রাণে রক্ষা পায় গরুগুলো।

সোমবার (৫ এপ্রিল) রাতে মণিরামপুর উপজেলার কাশিপুর দক্ষিণপাড়ায় ঘটনাটি ঘটে।

মণিরামপুর থানার পরিদর্শক শিকদার মতিয়ার রহমান ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, এ ঘটনায় থানায় একটি জিডি হয়েছে।

ক্ষতিগ্রস্ত ইসরাফিল জানান, গত রাত ১০টার দিকে বাড়ির সামনে দোকানে লোকজনসহ বসেছিলেন তিনি। হঠাৎ গোয়ালঘরে আগুন দেখতে পেয়ে সবাই ছুটে যান। পরে ৪০-৫০ জন চেষ্টা করে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। খবর পেয়ে ফায়ারসার্ভিসের লোকজন এসে তারাও কাজ করেন। ততক্ষণে রান্নাঘর ও গোয়াল পুড়ে ছাই হয়েছে। গোয়ালে থাকা সাতটা গরু দগ্ধ হয়েছে। এর মধ্যে তিনটির অবস্থা খারাপ।

ইসরাফিলের দাবি, গোয়াল বা রান্নাঘরে আগুন ধরার মতো কিছু ছিল না। কেউ হিংসা করে আগুন দিয়েছে।

‘আগুন লাগার কোনও সূত্র পাওয়া যায়নি। আমরা অজ্ঞাত কারণ হিসেবে রিপোর্ট করেছি বলে জানান মণিরামপুর ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার আবু আহসান।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ৬, ২০২১ ৭:২৭ অপরাহ্ন
“মাছ, গোশত, দুধ, ডিম এগুলো উৎপাদন, পরিবহণ ও বিপণনে কোন বাধা থাকবে না”
প্রাণিসম্পদ

মাছ, গোশত, দুধ, ডিম অত্যাবশ্যকীয় পণ্য। একই সাথে এগুলো পচনশীল দ্রব্য। এগুলো উৎপাদন, পরিবহণ ও বিপণনে কোনোভাবেই বাধা থাকবে না বলে জানান মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।

মঙ্গলবার মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় আয়োজিত এ ভার্চুয়ালি সভায় রাজধানীর বেইলি রোডের সরকারি বাসভবন থেকে সংযুক্ত হয়ে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

বিদ্যমান করোনা পরিস্থিতিতে সরকার ঘোষিত চলমান নিষেধাজ্ঞাকালে মাছ, হাঁস-মুরগি, গবাদিপশু, দুধ, ডিম, মাছের পোনা, মুরগির বাচ্চা, পশু চিকিৎসা সামগ্রী, টিকা, কৃত্রিম প্রজনন সামগ্রী, মৎস্য ও পশু খাদ্য, ওষুধ ইত্যাদি পরিবহণ ও বিপণন কার্যক্রম নিশ্চিতকরণ বিষয়ে এসভা অনুষ্ঠিত হয়।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বলেন, এ বছর করোনা পরিস্থিতি গত বছরের চেয়ে আরো ভয়াবহ। তবে এ সময় আতঙ্কিত হয়ে একেবারে ঘরে বসে থাকার সুযোগ নেই। আমরা সবকিছু বন্ধ করে দিলে দেশ চলবে না। আবার উৎপাদক, খামারি, বিপণনকারীসহ এ খাত সংশ্লিষ্ট অন্যরাও ক্ষতিগ্রস্ত হবে। মানুষের মাছ, গোশত, দুধ ডিমের চাহিদা পূরণ করা সম্ভব হবে না। বিদ্যমান করোনা পরিস্থিতিতে সরকার ঘোষিত চলমান নিষেধাজ্ঞাকালে জরুরি খাদ্য পরিবহনে কোনো বাধা নেই।

শ ম রেজাউল করিম বলেন, মাছ, গোশত, দুধ, ডিম অত্যাবশ্যকীয় পণ্য। একই সাথে এগুলো পচনশীল দ্রব্য। এগুলো উৎপাদন, পরিবহণ ও বিপণনে কোনোভাবেই বাধা থাকবে না। এ ব্যাপারে প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট দফতর-সংস্থায় চিঠি দিয়ে মন্ত্রণালয় থেকে কার্যকর ব্যবস্থা নেয়া হবে। এ ব্যাপারে জেলা ও উপজেলা প্রশাসন এবং পুলিশ প্রশাসনের সাথে প্রয়োজনীয় সমন্বয় করার জন্য সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় ও জেলা মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তাদের তৎপর থাকার নির্দেশ দেন মন্ত্রী। মাঠ পর্যায়ের উদ্ভুত সমস্যাগুলো গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করা এবং নিয়মিত কঠোর মনিটরিং এর ব্যবস্থা নেয়ার জন্য মৎস্য অধিদফতর ও প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের এ সময় নির্দেশ দেন মন্ত্রী।

তিনি বলেন, গতবছর এ খাতের সঙ্কট উত্তরণে ভ্রাম্যমাণ বিক্রয় ব্যবস্থা চালু করা হয়েছিল, কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে, পরিবহনের বাধা দূর করা হয়েছে। বন্দরে মৎস্য ও প্রাণী খাদ্য ছাড়করণেও আমরা ব্যবস্থা নিয়েছি। এ বছরও প্রান্তিক খামারিদের উৎপাদিত পণ্য ভ্রাম্যমাণ বিক্রয়ের ব্যবস্থা করা হবে। উদ্ভূত সঙ্কট মোকাবিলায় কন্ট্রোল রুম চালু করা হবে।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব রওনক মাহমুদ, মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব শাহ্ মো: ইমদাদুল হক ও শ্যামল চন্দ্র কর্মকার, মৎস্য অধিদফতরের মহাপরিচালক কাজী শামস্ আফরোজ, প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের মহাপরিচালক ডা: শেখ আজিজুর রহমানসহ মৎস্য অধিদফতর ও প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের বিভাগীয় ও জেলা পর্যায়ের কর্মকর্তারা এ ভার্চুয়াল সভায় অংশগ্রহণ করেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ৬, ২০২১ ৪:৩৯ অপরাহ্ন
সোনারগাঁয়ে ভুয়া পশু চিকিৎসকের জরিমানা
প্রাণিসম্পদ

নারায়ণগজ্ঞের সোনারগাঁ উপজেলায় এক ভুয়া পশু চিকিৎসককে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমান আদালত। ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) গোলাম মোস্তাফা মুন্না।

ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনাকারী গোলাম মোস্তাফা মুন্না জানান, সোনারগাঁও পৌরসভার বটতলা বাজার এলাকায় আকবর আলী নামে এক ব্যক্তি গবাদি পশুর চিকিৎসক হিসেবে চিকিৎসা দিয়ে আসছেন। কোনো প্রকার সনদ ছাড়া চিকিৎসক উপাধি নিয়ে দীর্ঘদিন মানুষের সাথে প্রতারণা করে আসছে। ভিজিটিং কার্ডে নিজেকে চিকিৎসক লেখায়  ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে ও অঙ্গীকারনামার মাধ্যমে সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা প্রাণিসম্পদ সম্প্রসারণ কর্মকর্তা ডা. আছাবুর রহমান, উপ-সহকারি প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা তাবারক হোসেন ও পুলিশ ফোর্স।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ৬, ২০২১ ১২:০১ অপরাহ্ন
গরমে গবাদিপশুর যত্ন নিবেন যেভাবে
প্রাণিসম্পদ

চলছে গরমের মৌসুম। কখনও কখনও বইছে তীব্র দাবদাহ। এই অবস্থায় যখন মানুষেরই হাঁসফাঁস অবস্থা তখন গবাদিপশুর অবস্থাও আপনার বিবেচনায় নিতে হবে। তাদের জন্যও দিতে হবে স্বস্তিকর পরিবেশ, নিতে হবে বাড়তি যত্ন। তার জন্য আপনাকে যা করতে হবে-

১. বেলা ১১টা থেকে ৩টা পর্যন্ত ছায়াযুক্ত শুকনা স্থানে
রাখুন।

২. পর্যাপ্ত পানি ও ইলেকট্রোলাইটসও দিন।
৩. বিশেষ করে এফ,এম,ডি, হবার ইতিহাস আছে এমন
গরুগুলোর যেন বেশি রৌদ্র না লাগে, তাহলে হিট
স্ট্রোক হয়ে মারা যেতে পারে।
৪. হিট স্ট্রেসে আক্রান্ত গবাদিপশুকে ড্রেকস্ট্রোজ ও
ভিটামিন সি দিন।
৫. প্রয়োজনীয় বিশ্রাম দিন।
৬. এই গরমে পারতপক্ষে প্রাণি পরিবহণ করবেন না।
৭. এত গরমে পারতপক্ষে ক্রিমিনাশক দিবেন না।
৮. সুষম খাবার ও পরিষ্কার পানি সরবরাহ করুন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ৬, ২০২১ ১০:৩৭ পূর্বাহ্ন
আত্রাইয়ে অগ্নিকাণ্ড: গরু ছাগল ও মালামাল পুড়ে ছাই
প্রাণিসম্পদ

নওগাঁর আত্রাইয়ে গোয়ালঘর ও শয়ন ঘরে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ৩টি গরু ও একটি ছাগল অগ্নিদগ্ধ হয়ে মারা গেছে। এবং শয়ন ঘরটি পুড়ে ছাই হয়ে যায়। এতে উজ্জল হোসেন নামের ওই লোকের প্রায় ১০ থেকে ১২ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

রোববার দিবাগত রাত ১১ টার দিকে উপজেলার মধ্যবোয়ালিয়া গ্রামে ঘটনাটি ঘটেছে।

জানা যায়, ওই গ্রামের উজ্জল হোসেন প্রতি দিনের ন্যায় রোববার রাতে তার গোয়ালঘরে কয়েল জ্বালিয়ে নিজ শয়ন ঘরে ঘুমিয়ে যান। এ সময় কয়েলের আগুন থেকে গোয়ালঘরে অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়। মুহুর্তের মধ্যে গোয়ালঘর পুড়ে তার শয়ন ঘরে আগুন লেগে যায়।

এ সময় তিনি চিৎকার করতে থাকলে স্থানীয় লোকজন এসে আগুন নেভানোর চেষ্টা করে। ততক্ষনে গোয়ালঘরে থাকা ৩ টি গরু ও একটি ছাগল অগিানদগ্ধ হয়ে মারা যায় এবং শয়ন ঘরের মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে যায়।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ৫, ২০২১ ৬:৩১ অপরাহ্ন
ইলিশ সম্পদ উন্নয়নে বাধাগ্রস্ত করলে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে : মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী
প্রাণিসম্পদ

দেশের মৎস্য সম্পদ রক্ষার দায়িত্ব আমাদের সকলের উল্লেখ করে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বলেন ইলিশ সম্পদের উন্নয়নে বাধাগ্রস্ত করলে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আজ সোমবার (৫ এপ্রিল) জাটকা সংরক্ষণ সপ্তাহ ২০২১ এর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে রাজধানীর বেইলি রোডের সরকারি বাসভবন থেকে ভার্চুয়ালি সংযুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ মন্তব্য করেন মন্ত্রী।

তিনি বলেন, “দেশের মৎস্য সম্পদ রক্ষার দায়িত্ব আমাদের সকলের। অথচ অবৈধভাবে জাটকা আহরণের নেপথ্যে কিছু মানুষ কাজ করছে। অবৈধ মৎস্য আহরণে যে ট্রলারগুলো পাওয়া যায় সেগুলো সাধারণ মৎস্যজীবীদের নয়, কিছু ধনী অসাধু ব্যক্তির। তারা সমাজ ও দেশের শত্রু। পুষ্টিকর মাছ ইলিশ যাতে বৃদ্ধি করা না যায় সেজন্য তারা কাজ করে। অনেক সময় বিষাক্ত দ্রব্য নির্গমন, অবৈধ বালু উত্তোলনের জন্য মা ইলিশ নির্বিঘ্নে ডিম ছাড়তে পারে না। এভাবে নানা রকম ক্ষতিকর ভূমিকায় বিভিন্ন সেক্টরের অসাধু ব্যক্তিরা সম্পৃক্ত রয়েছে। এগুলো বন্ধে ইলিশের অভয়াশ্রম প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। মনিটরিং ক্যামেরা বসানো হয়েছে। দেশের মৎস্য সম্পদের যারা শত্রু তাদের ব্যাপারে কোন তদবীর শোনা হবে না। এ ব্যাপারে কঠোরতা অবলম্বন করা হবে।”

মন্ত্রী আরো বলেন, “ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনায় সম্প্রতি নেয়া প্রকল্পের মাধ্যমে ইলিশ সম্পদ রক্ষায় বিদ্যমান সমস্যা সমাধান করা হবে। অবৈধ মৎস্য আহরণ বন্ধে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী পরিচালিত অভিযানে অত্যাধুনিক জলযান সংযোজনের বিষয়টি গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করা হবে। তবে ইলিশ রক্ষায় বিদ্যমান সমস্যা রাতারাতি সমাধান করা না গেলেও বিদ্যমান জনবল ও নৌযান দিয়ে সমস্যা মোকাবিলার আপাতত চেষ্টা করতে হবে। এর স্থায়ী সমাধানে আমরা পদক্ষেপ নিচ্ছি।”

কোভিডকালে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে শরীরের পুষ্টি ও আমিষের চাহিদা পূরণ করতে হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, “এ জন্য শাক-সবজির পাশাপাশি মাছ, মাংস, দুধ, ডিম পর্যাপ্ত পরিমাণ খেতে হবে। এ মূহুর্তে করোনার ভয়াবহ বৈশ্বিক সমস্যা আমাদের দেশের অভ্যন্তরে মোকাবিলা করতে মাছ, মাংস, দুধ ডিম এর উৎপাদন ও বিপণন বাড়াতে হবে। সেক্ষেত্রে ইলিশ একটি গুরুত্বপূর্ণ একটা অংশ। ইলিশ উৎপাদনে আমরা বিশ্বের শ্রেষ্ঠ স্থানে রয়েছি।”

মন্ত্রী আরো জানান, “মৎস্যজীবীদের কল্যাণে সব জায়গায় সরকার কাজ করছে। মৎস্যজীবীদের তালিকা প্রতিনিয়ত হালনাগাদ করার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। যারা এ পেশা ছেড়ে চলে গেছেন তাদের তালিকায় রাখা হবে না, যারা নতুন করে এ পেশায় যুক্ত হয়েছেন তাদের এ তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে। একসময় ১০ কেজি করে মৎস্যজীবীদের ভিজিএফ চাল দেওয়া হতো, এখন সেটা ৪০ কেজিতে উন্নীত করা হয়েছে।”

তিনি বলেন, নৌপুলিশের অভিযানে গত বছর ২৯ কোটি মিটার অবৈধ কারেন্ট জাল আটক করা একটা বড় সাফল্য উল্লেখ করে ইলিশ সংরক্ষণ অভিযানে নিয়োজিত নৌপুলিশসহ অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও প্রশাসনের কর্মকর্তাদের ধন্যবাদ জানান মন্ত্রী।

করোনা সংকট মোকাবিলায় জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারদের উদ্দেশ্য করে মন্ত্রী বলেন, “কোভিডকালে মাছ মাংস, দুধ ও ডিমের সরবরাহ জরুরী সরবরাহ। এটা কোনভাবে বাধাগ্রস্ত করা যাবে না। এটা বাধাগ্রস্ত হলে উৎপাদক, বিপণনকারী ও ভোক্তারা ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। এজন্য মাছ মাংস, দুধ ও ডিম উৎপাদন, আহরণ, পরিবহণ, ও ক্রয়-বিক্রয়ে বাধা দেওয়া যাবে না। এক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট সকলে সহযোগিতা করতে হবে।”

পরে জাটকা সংরক্ষণ সপ্তাহ ২০২১ এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করে এটি সফল ও সার্থকভাবে উদযাপন হবে বলে আশা প্রকাশ করেন মন্ত্রী।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব রওনক মাহমুদের সভাপতিত্বে ও অতিরিক্ত সচিব শ্যামল চন্দ্র কর্মকারের সঞ্চালনায় উদ্বোধন অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য প্রদান মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কাজী শামস্ আফরোজ।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালন ড. ইয়াহিয়া মাহমুদ, জাটকা সম্পৃক্ত ৬টি জেলা বরিশাল, ভোলা, পটুয়াখালী, শরীয়তপুর, চাঁদপুর ও লক্ষ্মীপুর জেলার জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, জননিরাপত্তা বিভাগ, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ নৌবাহিনী, বাংলাদেশ বিমান বাহিনী, নৌপুলিশ, বাংলাদেশ কোস্টগার্ড, বিআইডব্লিউটিসি, বিআইডব্লিউটিএ, র্যা ব ও মৎস্যজীবী সমবায় সমিতির প্রতিনিধিগণ এবং মৎস্য অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় ও জেলা মৎস্য কর্মকর্তাগণ ভার্চুয়ালি সভায় অংশগ্রহণ করেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ৫, ২০২১ ৯:৫৭ পূর্বাহ্ন
‘লকডাউনে মাছ, মাংস, দুধ, ডিম পরিবহন-বিপণনে ক্ষতি হবে না’
কৃষি বিভাগ

লকডাউনে মাছ, মাংস, দুধ, ডিম উৎপাদন, পরিবহন ও বিপণনে কোনো ক্ষতি হবে না। এছাড়া করোনায় ও রমজানে মানুষের কাছে মাছ, মাংস, দুধ, ডিম সহজলভ্য করার জন্য ভ্রাম্যমাণ বিক্রয়ের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।

রোববার (৪ এপ্রিল) রাজধানীর সচিবালয়ে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে জাটকা সংরক্ষণ সপ্তাহ ২০২১ উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, করোনা থেকে বাঁচতে হলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে হবে। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে হলে শরীরের পুষ্টি ও আমিষের চাহিদা মেটাতে হবে। আর পুষ্টি ও অমিষসমৃদ্ধ খাবারের সবচেয়ে বড় যোগান মাছ, মাংস, দুধ, ডিম থেকে আসে। তাই এসব খাদ্যের উৎপাদন, পরিবহন ও বিপণনে কোনো বাধা আসবে না।

সরকার ইলিশের উৎপাদন বৃদ্ধিতে সব ব্যবস্থা গ্রহণ করছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘ইলিশ বেড়ে উঠার পথে কোনোভাবেই যাতে বাধা সৃষ্টি না হয় সেজন্য যা যা করা দরকার আমরা করবো। এ বছর জাটকা সংরক্ষণ সপ্তাহের কর্মসূচি ৪ থেকে ১০ এপ্রিল পর্যন্ত পালন করা হচ্ছে। জাটকা আহরণ বন্ধকালে ইলিশ আহরণে জড়িতদের যাতে সমস্যা নয়, সেজন্য তাদের সহযোগিতা দেওয়া হচ্ছে। তাদের খাবারসহ অন্যান্য সমস্যা যাতে না হয় সেটাকে অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে বিবেচনায় নিয়ে আমরা সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।’

বাংলাদেশের মধ্যে সবচেয়ে ব্র্যান্ডেড এবং পৃথিবীর মধ্যে অন্যতম সেরা মাছ ইলিশ উল্লেখ করে শ ম রেজাউল করিম এসময় বলেন, ‘ইলিশের উৎপাদন অতীতের সব রেকর্ড অতিক্রম করেছে। ইলিশ উৎপাদনকারী দেশসমূহের মধ্যে আমরা প্রথম স্থানে রয়েছি। গত বছর আমাদের নজিরবিহীন দৃষ্টান্ত স্থাপন করা ইলিশ উৎপাদন হয়েছে। জাটকা রক্ষায় ও মা ইলিশ আহরণ বন্ধে জলে, স্থলে ও আকাশপথে বিভিন্নভাবে মনিটর করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।’

ইলিশ সংরক্ষণে শুধু মন্ত্রণালয় বা অধিদপ্তর নয়, সকলকে সম্পৃক্ত থাকতে হবে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ‘গণমাধ্যমকে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখতে হবে। নৌপুলিশ, কোস্টগার্ড, পুলিশ, র‌্যাব, নৌবাহিনী, সংশ্লিষ্ট প্রশাসন এ ব্যাপারে সহযোগিতা করছে। এমন কি মৎস্যজীবী সম্প্রদায়ও আমাদের পাশে এসে দাঁড়াচ্ছে।’

অনুষ্ঠানে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব রওনক মাহমুদ, অতিরিক্ত সচিব শ্যামল চন্দ্র কর্মকার ও মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কাজী শামস্ আফরোজ উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop