৭:১২ পূর্বাহ্ন

শুক্রবার, ১৩ মার্চ , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : অক্টোবর ১৩, ২০২১ ৫:৫৬ অপরাহ্ন
সয়াবিন মিল রপ্তানি বন্ধের সিদ্ধান্তে পোল্ট্রি ও ডেইরী খামারিদের মাঝে স্বস্তি
পোলট্রি

পোল্ট্রি, মৎস্য ও ডেইরি ফিড তৈরির অত্যাবশ্যকীয় উপকরণ সয়াবিন মিলের রপ্তানি ১৪ অক্টোবর থেকে বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। এ সিদ্ধান্তে খামারি, উদ্যোক্তা ও ফিড প্রস্তুতকারকদের মাঝে স্বস্তি নেমে এসেছে।

রপ্তানি বন্ধের সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রসঙ্গে গত ১২ অক্টোবর বাণিজ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক জারিকৃত এক প্রজ্ঞাপনে- মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় এবং প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের দু’টি পত্রের উল্লেখ করে বলা হয়েছে – “সয়াবিন মিল রপ্তানি অব্যাহত থাকলে, এর প্রভাবে ডেইরী ও পোল্ট্রি খাদ্য উৎপাদন মারাত্মকভাবে বাধাগ্রস্ত হতে পারে যার ফলশ্রæতিতে ডেইরী ও পোল্ট্রি খাদ্যের মূল্য বৃদ্ধি পাবে। এতে দেশের প্রাণিসম্পদ সেক্টরে বিরূপ প্রভাব পড়বে।” মূলত: সে কারনেই ডেইরী ও পোল্ট্রি সেক্টরের স্বার্থ রক্ষার্থে ১৪ অক্টোবর ২০২১ থেকে সয়াবিন মিল রপ্তানি বন্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হয়। তবে, ১৩ অক্টোবর ২০২১ তারিখ পর্যন্ত যেসব এলসি/টিটি সম্পন্ন হবে উক্ত পণ্যসমূহ ২০ অক্টোবর ২০২১ তারিখের মধ্যে রপ্তানি করা যাবে বলেও প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়।

রপ্তানি বন্ধের সিদ্ধান্তে স্বস্তি প্রকাশ করে ফিড ইন্ডাষ্ট্রিজ অ্যাসোসিয়েশন বাংলাদেশ (এফআইএবি) এর সভাপতি এহতেশাম বি. শাহজাহান বলেন, বাণিজ্য মন্ত্রণালয় কে আমরা ধন্যবাদ জানাই, দেরিতে হলেও এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করার জন্য।

এফআইএবি সাধারণ সম্পাদক মোঃ আহসানুজ্জামান বলেন, সয়াবিন মিল রপ্তানির সিদ্ধান্তে দেশীয় পোল্ট্রি, মৎস্য ও ডেইরী খাতের অভাবনীয় ক্ষতি হয়েছে। তিনি বলেন, রপ্তানি বন্ধ হওয়া ও ভারতে সয়াবিন মিলের সংকট কমে যাওয়ায় সয়াবিন মিলের স্থানীয় মূল্য অবশ্যই কমবে বলে আমি আশা করি।

সয়াবিন মিল রপ্তানি বন্ধে আপাত এক ধরনের স্বস্তি নেমে এলেও পোল্ট্রি ও ডেইরী খামারিরা অবশ্য বলছেন, রপ্তানি বন্ধের সিদ্ধান্তই যথেষ্ঠ নয় বরং সয়াবিন মিলের দাম পূর্বের অবস্থায় আনাও অত্যন্ত জরুরি। তা না হলে ফিডের দাম কমবে না; ফলে ডিম ও মুরগির উৎপাদন খরচও নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হবেনা। তাই সয়াবিন মিলের মূল্য মূল্য কমানোর জন্য তৈল উৎপাদনকারি প্রতিষ্ঠানসমূহের উপর চাপ প্রয়োগের আবেদন জানিয়েছেন পোল্ট্রি, মৎস্য ও ডেইরী খামারিরা।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ১২, ২০২১ ৬:৩৭ অপরাহ্ন
৪ ভিক্ষুকের মাঝে নগদ টাকাসহ গরু বিতরণ
প্রাণিসম্পদ

নোয়াখালীর সেনবাগের ভিক্ষুক পুর্নবাসন প্রকল্পের আওতায় ৪ ভিক্ষুকের মাঝে গরু বিতরণ করেছে সেনবাগ উপজেলা প্রশাসন। একটি দুগ্ধজাত গাভী ও গাভীর বাছুর এবং একটি ষাড় গরু সহ তিনটি গরু, সাথে এক মাসের জন্য দুই বস্তা গরুর খাবার ও রক্ষণা-বেক্ষণের জন্য নগদ টাকা তুলে দেওয়া হয় ভিক্ষুকের হাতে।

মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলা পরিষদের সামনে উপকার ভোগী ৪ ভিক্ষুকের হাতে এসব তুলে দেয়া হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন সেনবাগ উপজেলার নির্বাহী অফিসার মো. সাইফুল ইসলাম মজুমদার, সহকারী কমিশনার (ভূমি) ক্ষেমালিকা চাকমা, সেনবাগ থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি আবদুল বাতেন মৃধা, উপজেলা প্রকল্প বাস্তাবায়ন কর্মকর্তা অখিল শিকারী, মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার নাজিম উদ্দিন, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা নাছলুল্লাহ আল মাহমুদ, প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. ফজলুর রহমান, অজুনতলা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবদুল ওহাব বিএসসি, কাদরা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান পলাশ, সেনবাগ পৌরসভার প্যানেল মেয়র-২ সাখাওয়াত হোসেন সেলিম, প্যানেল মেয়র -২ খোরশেদ আলম প্রমুখ।

নির্বাহী অফিসার মো. সাইফুল ইসলাম মজুমদার জানান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অঙ্গীকার করেছেন দেশকে ভিক্ষুক মুক্ত করা হবে। এরই ধারাবাহিকতায় সেনবাগে ১৯ জন ভিক্ষুককে পুর্নবাসনের আওতায় আনা হয়েছে।

এরমধ্যে ১৫ জন ভিক্ষুককে দেওয়া হচ্ছে দুগ্ধজাত গরু ও গরুর বাছুর ও একটি ষাড় গরু। এছাড়াও ৪ জন ভিক্ষুককে দেওয়া হচ্ছে ব্যবসার করার পুঁজি দোকান। আজ গরু বিতরণের মধ্যদিয়ে পুর্নবাসন কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে। প্রতিজন উপকার ভোগীর বরাদ্দ করা হয়েছে একলক্ষ টাকা।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ১২, ২০২১ ৬:০০ অপরাহ্ন
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিভিত্তিক প্রায়োগিক শিক্ষায় গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী
প্রাণিসম্পদ

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিভিত্তিক প্রায়োগিক শিক্ষায় সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম এমপি।

মঙ্গলবার (১২ অক্টোবর) পিরোজপুর সদর উপজেলা পরিষদের সভা কক্ষে বিশ্ব শিক্ষক দিবস ২০২১ উপলক্ষ্যে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এ কথা জানান।

পিরোজপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. বশির আহমেদ, পিরোজপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার খায়রুল হাসান, পিরোজপুর জেলা মুক্তিযুদ্ধ সংসদের সাবেক কমান্ডার গৌতম নারায়ণ রায় চৌধুরীসহ স্থানীয় বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকবৃন্দ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

এ সময় মন্ত্রী আরো বলেন, “বর্তমান সরকার কারিগরী শিক্ষাকে প্রাধান্য দিচ্ছে। দক্ষ জনশক্তি তৈরির শিক্ষাকে প্রাধান্য দিচ্ছে। যাতে শিক্ষার্থীরা প্রশিক্ষণ নিয়ে দেশে ও দেশের বাইরে দক্ষ জনশক্তি হিসেবে নিজের মেধাকে কাজে লাগাতে পারে। বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করতে পারে। অতীতে গবেষণার সীমিত সুযোগ ছিল। শেখ হাসিনা সরকার প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণার জন্য আলাদা অর্থ বরাদ্দ দিচ্ছে। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে গবেষণাগার তৈরি করে দিচ্ছে, বিষয়ভিত্তিক বিশেষজ্ঞদের নিয়োগ দিচ্ছে। গতানুগতিক শিক্ষার বাইরে যে আধুনিক শিক্ষাকে কাজে লাগানো যায় সে শিক্ষার প্রসার করাই বর্তমান সরকারের লক্ষ্য। কারণ সার্টিফিকেটভিত্তিক শিক্ষা কোন কাজে আসে না”।

বাংলাদেশের ৫০ বছরের ইতিহাসে শেখ হাসিনার মতো শিক্ষাবান্ধব প্রধানমন্ত্রী আর আসে নি উল্লেখ করে এ সময় মন্ত্রী আরো যোগ করেন, “প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সময়ে শিক্ষা খাতে বাজেট অনেক বৃদ্ধি করা হয়েছে। তবে এ বাজেট আরো বাড়ানো দরকার। শিক্ষকদের আবাসন ব্যবস্থা দরকার, বেসরকারি শিক্ষকদের চাকরি শেষে জীবনযাপনের একটা নিশ্চয়তা থাকা দরকার। পাশাপাশি শিক্ষকদের মর্যাদার ধাপ আরো উপরে নেওয়া দরকার”।

পরে জাতীয় মহিলা সংস্থা, পিরোজপুর জেলা শাখা আয়োজিত কৃতি ছাত্রীদের সনদপত্র বিতরণ ও সুধি সমাবেশে যোগ দেন মন্ত্রী।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ১২, ২০২১ ১০:৩০ পূর্বাহ্ন
মুরগির খামারে খাদ্য অপচয়ে খামারী যা করবে
পোলট্রি

পোল্ট্রি খামারের দিকে বর্তমানে অধিক লাভ আর মাংসের চাহিদা পূরণে অনেকেই ঝুঁকছেন। তবে এই খাতে যদি খাবারসহ আরো নানাবিধ অপচয় কমানো যায় তাহলে এই খাতে আরো লাভবান হওয়া সম্ভব। সুতরাং প্রত্যেক খামারিদের খামারে খাদ্য অপচয় রোধ সম্পর্কে জানা একান্ত দরকার।

খামারে খাদ্যের অপচয় রোধে করণীয়:
পোলট্রি খামারে প্রয়োজনের তুলনায় কম সংখ্যক খাবার ও পানির পাত্র দিলে মুরগি অনেক সময় খাদ্য নষ্ট করে ফেলে। তাই খামারে মুরগির সংখ্যা অনুযায়ী খাদ্য ও পানির পাত্র দিতে হবে। পোলট্রি খামারে জায়গার তুলনায় বেশী পরিমাণ খাদ্য প্রদান করা হলে মুরগি খাদ্য নষ্ট করতে পারে। এজন্য খামারে জায়গা অনুপাতে খাদ্য প্রদান করতে হবে।

খাদ্যের পাত্র পূর্ন করে খাবার দিলে খাবার নষ্ট করে ফেলতে পারে। সেজন্য খাদ্যের পাত্র কিছুটা খালি রেখে খাদ্য প্রদান করতে হবে। খাবারের পাত্র সঠিক উচ্চতায় স্থাপন না করলে মুরগি খাবার নষ্ট করে ফেলতে পারে। খাদ্যের পাত্র খুব বেশি উচ্চতায় রাখা যাবে না।

পোলট্রি খামারে কৃমির সংক্রমণ বিশেষ করে সোনালী বা কক মুরগীতে গোলকৃমির কারণে খাবার নষ্ট করতে পারে। এজন্য সময়মতো কৃমিনাশক ওষুধ দিতে হবে।মুরগির খাদ্য হঠাৎ পরিবর্তন করলে মুরগি খাদ্য নষ্ট করতে পারে। সেজন্য খাদ্য পরিবর্তন করলে অল্প অল্প করে খাদ্য পরিবর্তন করতে হবে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ১২, ২০২১ ৮:৫৬ পূর্বাহ্ন
হাঁস-মুরগি পালনে পরামর্শ পেলেন কুমিল্লার শতাধিক নারী
প্রাণিসম্পদ

হাঁস-মুরগি ও পশু পালনে পরামর্শ পেয়েছেন কুমিল্লা কোটবাড়ির শতাধিক নারী। এতে স্থানীয় সালমানপুর, গন্ধমতি, রামপুরসহ বিভিন্ন গ্রামের নারীরা অংশ নেন।

সোমবার কুমিল্লা নগরীর কোটবাড়িতে এই প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়। উন্নয়ন সংস্থা উদ্দীপন এই প্রশিক্ষণের আয়োজন করে।

প্রশিক্ষক ছিলেন বার্ড কুমিল্লার উপ-পরিচালক ডা.বিমল চন্দ্র কর্মকার। সভাপতিত্ব করেন সংস্থার কুমিল্লা অঞ্চলের ব্যবস্থাপক মো. আবুল কালাম। অতিথি ছিলেন উদ্যোক্তা উন্নয়ন সুপার ভাইজার এমদাদুল হক, কোটবাড়ি শাখার ব্যবস্থাপক জোনাকী রানী সরকার। এছাড়া নারীদের স্বাস্থ্য সেবা প্রদান করেন ডা. শান্তা ইসলাম।

সালমানপুর গ্রামের জামিলা খাতুন বলেন,আমরা পারিবারিকভাবে শত বছর ধরে হাঁস-মুরগি ও পশু পালন করি। সেগুলো রোগাক্রান্ত হলে বেকায়দায় পড়ি। এখানে এসে প্রশ্ন করে বিভিন্ন বিষয় জেনে উপকৃত হয়েছি। আশা করি আগামীতে কোন সমস্যায় পড়বো না।

কুমিল্লা অঞ্চলের ব্যবস্থাপক মো. আবুল কালাম জানান, গ্রামীণ নারীদের আমরা পারিবারিকভাবে আয় বাড়াতে এই প্রশিক্ষণের আয়োজন করি। কোথায় গেলে সেবা পাওয়া যাবে তার ধারণাও দেয়া হয়। আশা করছি এতে তারা উপকৃত হবেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ১১, ২০২১ ৫:০৪ অপরাহ্ন
আদর্শ শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে তরুণদের স্বনির্ভর হতে হবে :মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী
প্রাণিসম্পদ

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম এমপি বলেছেন, “আদর্শ শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে তরুণদের স্বনির্ভর হতে হবে। মেধায়, চিন্তা-চেতনায়, সততা ও নৈতিকতায় কর্মক্ষম মানুষ হতে হবে। শুধু ভালো জিপিএ দিয়ে আদর্শ মানুষ হওয়া যায় না। নিজের প্রতিভা ও যোগ্যতার বিকাশ ঘটাতে হবে। তাদের যেন চাকরির নেশায় পেয়ে না বসে। ঐকান্তিক ইচ্ছা, নিরলস প্রচেষ্টা, গভীর অধ্যাবসায় এবং সততা ধারণ করতে পারলে তরুণরা কখনো ব্যর্থ হবে না। তরুণদের স্বাবলম্বী করার জন্য সরকার সকল সহেযোগিতা করবে”।

সোমবার (১১ অক্টোবর) পিরোজপুর সদর উপজেলা পরিষদের শহিদ ওমর ফারুক মিলনায়তনে উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত ‘মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত বাংলাদেশ: তারুণ্যের ভাবনায় মিট দ্যা মিনিস্টার’ শীর্ষক সংলাপে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

পিরোজপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. বশির অহমেদের সঞ্চলনায় এ আয়োজনে প্যানেল আলোচক ছিলেন পিরোজপুরের জেলা প্রশাসক আবু আলী মোঃ সাজ্জাদ হোসেন, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সাঈদুর রহমান, পিরোজপুর জেলা মুক্তিযুদ্ধ সংসদের সাবেক কমান্ডার গৌতম নারায়ণ রায় চৌধুরী ও দৈনিক ইত্তেফাকের পিরোজপুর প্রতিনিধি মুনিরুজ্জামান নাসিম আলী।

তিনি আরো বলেন, “তরুণ প্রজন্মের আগ্রই হচ্ছে বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা। তাদের মধ্যে আকাঙ্খা জাগ্রত করতে না পারলে মাতৃভূমি বাংলাদেশ সম্পর্কে তাদের ধারণা অস্পষ্ট থেকে যাবে। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ছিল-আমরা সবাই ভালো মানুষ হবো। আমাদের মধ্যে কোন বিরোধ থাকবে না, কোনভাবে সাম্প্রদায়িকতায় জড়িত হবো না। হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান সবাই মিলে-মিশে থাকবো। দেশে দুর্নীতি থাকবে না, ধনী-দরিদ্রের বৈষম্য থাকবে না। গ্রামের একজন মানুষ না খেয়ে মারা যাবে, আরেকজন শত কোটি টাকার মালিক হবে, সেটা হবে না। এ দেশটা আমাদের সকলের। প্রত্যেকটি মানুষের নাগরিক ও সাংবিধানিক অধিকার সমান”।

সুশাসন সম্পর্কিত তরুণদের এক প্রশ্নের উত্তরে মন্ত্রী এ সময় বলেন, “সবার জন্য একই ধরনের শাসনই হলো সুশাসন। সরকারি কর্মকর্তাদের অর্পিত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন, কেউ দুর্নীতি করলে, অন্যায় করলে ছাড় না পাওয়া-সেটাই সুশাসন। সমাজের জন্য, রাষ্ট্রের জন্য যেটা ন্যায্য, যেটা ভালো সেটা প্রশাসনিকভাবে সবার জায়গা থেকে করাই হচ্ছে সুশাসন”।

তরুণদের অপর এক প্রশ্নের উত্তরে মন্ত্রী জানান, “আইন অনুযায়ী নিম্ন আদালত পরিপূর্ণভাবে স্বাধীন। আদালতের অনিয়ম দূর করার জন্য সরকার সচেষ্ট রয়েছে। অদূর ভবিষ্যতে বিচারের জন্য মানুষের হাহাকার থাকবে না”।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কোভিড ব্যবস্থাপনা সম্পর্কিত এক প্রশ্নের উত্তরে শ ম রেজাউল করিম বলেন, “কোভিড ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশ যা করতে পেরেছে তা পৃথিবীর অনেক দেশ পারে নি। এটা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পররাষ্ট্র নীতির অভাবনীয় সাফল্য। আমাদের প্রধানমন্ত্রী যেভাবে দূরদৃষ্টির পরিচয় দিয়েছেন, এটা সারা বিশ্বের প্রশংসা কুড়িয়েছে। পররাষ্ট্র নীতিতে ও ভ্যাকসিন ব্যবস্থাপনায় অনন্য নজির দেখিয়েছেন শেখ হাসিনা”।

এর আগে মন্ত্রী পিরোজপুর সদর উপজেলা পরিষদের পুকুরে মাছের পোনা অবমুক্ত করেন, ঘূর্ণিঝড় ও অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত স্থানীয় ব্যক্তিদের মাঝে ঢেউটিন ও আর্থিক অনুদানের চেক বিতরণ করেন এবং প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের প্রাণিসম্পদ ও ডেইরি উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় সুফলভোগীদের মাঝে মিল্ক ক্রিম সেপারেট মেশিন বিতরণ করেন। পরে পিরোজপুর জেলা ব্যান্ড বুকের মোড়ক উন্মোচন করেন তিনি। একইদিন বিকেলে শারদীয় দুর্গা পূজা উপলক্ষ্যে পিরোজপুর সদর উপজেলার বিভিন্ন দুর্গা মন্দিরে প্রধানমন্ত্রীর অনুদান, ব্যক্তিগত অনুদান এবং জেলা পরিষদের অনুদান প্রদান অনুষ্ঠানে যোগ দেন মন্ত্রী।

মিল্ক ক্রিম সেপারেট মেশিন বিতরণ অনুষ্ঠানে মন্ত্রী বরেন, “দেশের যেসব অঞ্চলে অধিক দুধ উৎপাদিত হয় সেসব অঞ্চলে উৎপাদনকারীরা যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হয় এবং দুধ বাজারে বিক্রির সময় প্রতিকূল অবস্থায় পড়লে বিকল্প ব্যবস্থাপনার জন্য সরকার মিল্ক ক্রিম সেপারেটর মেশিন দিচ্ছে। পোল্ট্রি, ডেইরি বা মৎস্য খাতের মাথে সম্পৃক্তদের প্রণোদনা প্রদানের এ ধারাকে অব্যাহত রাখা হবে। প্রান্তিক পর্যায়ে মাছ, মাংস, দুধ, ডিম উৎপাদনকারীদের শেখ হাসিনা সরকার স্বাবলম্বী করতে চায়। শেখ হাসিনা সরকার সব সময় মানুষের পাশে আছে, পাশে থাকবে”।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ১১, ২০২১ ১২:৩২ অপরাহ্ন
শূণ্য থেকে লাখপতি রাখাল বিদ্যুত
প্রাণিসম্পদ

চাপাইনবাবগঞ্জ জেলার সীমান্তবর্তী উপজেলা ভোলাহাটের বিদ্যুত রাখাল থেকে হয়েছেন লাখপতি। যার নিজের কোনো গরুই ছিল না, সে কিখন ৫০টি গরুর মালিক। অন্যের গরু চরিয়ে যা পেতেন, তা দিয়ে নিজে অল্প অল্প করে দইয়ের ব্যবসায় বাবার সঙ্গে বিনিয়োগ করেছেন। প্রাপ্ত লাভ ও কিছু টাকা ধার করে কিনেছিলেন একটি গাভী। সেই গাভী থেকেই লাখপতি বুনে গেলেন বিদ্যুত।

বিদ্যুত জানান, ক্ষতিকর ইনজেকশন ও ট্যাবলেট ব্যবহার না করে ঘাস-খড়ের পাশাপাশি খৈল, ছোলা ও ভুসি খাওয়ানোর মাধ্যমে গরু মোটাতাজা করছেন তিনি। তবে রোগ প্রতিরোধের টিকা তিনি গরুকে দিয়েছেন।

আরও বলেন, বাজারে ভারতীয় গরু বেশি থাকায় আগের বছরগুলোতে ততটা লাভ করতে পারিনি। লোকসানের মুখে পড়েন আমার মতো অনেক খামারি। গরুগুলো একটু অসুস্থ হলেই উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসের সাথে যোগাযোগ করেছি, তারা সহযোগিতাও করেছেন।

জানা যায়, ২০১৪ সাল থেকে পরিশ্রম চালিয়ে যাচ্ছেন বিদ্যুৎ। তখন থেকেই ফল পেতে শুরু করেছেন। বর্তমানে এলাকায় প্রতিষ্ঠিত খামারিদের মধ্যে একজন হয়েছেন তিনি। বর্তমানে খামারে প্রায় ৫০টির মতো দেশি ও সংকর জাতের গরু রয়েছে। প্রতিদিনই প্রায় ২০টির মতো গাভীতে ১০০ লিটার দুধ হয়। সেই দুধ দিয়ে ঘি তৈরি করেন। বাকি অংশ দিয়ে সুস্বাদু দই তৈরি করেন। প্রতিদিনই প্রায় ১০০ কেজির বেশি দই উৎপাদন হয় বিদ্যুতের বাসায়। তাকে সহায়তা করছেন পরিবারের সবাই।

প্রতিবছরই প্রায় ১০টি করে গরু বিক্রি করেন। বিশেষ করে কোরবানির সময় বিক্রি করে থাকেন। বছর শেষে হিসাব করলে তার বার্ষিক আয় প্রায় ৮-৯ লাখ টাকা।

তিনি বলেন, একটা সময় আমার দুঃখ ছিল, মনে মনে চাইতাম আমারও কিছু গরু হোক। টাকা হোক। স্বপ্ন পূরণ হয়েছে। এখন আমার দু’ছেলেকে লেখাপড়া শিখিয়ে মানুষের মতো মানুষ করতে চাই।

ভোলাহাট উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. আব্দুল্লাহ বলেন, একেবারে শূন্য থেকে স্বাবলম্বী হয়ে ওঠা বিদ্যুতের পেছনে প্রাণিসম্পদের অনেক অবদান রয়েছে। একটি গরু দিয়ে শুরু করা খামারে এখন ৫০টির বেশি গরু রয়েছে। প্রতিবছর তিনি কয়েক লাখ টাকা গরু বিক্রি করেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ১০, ২০২১ ৬:২৬ অপরাহ্ন
বাঙালির ঐক্যের তান হোক সম্প্রীতির বাংলাদেশ: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী
প্রাণিসম্পদ

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বলেছেন, “বাঙালির ঐক্যের তান হোক সম্প্রীতির বাংলাদেশ। বাঙালির বাংলাদেশে, বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে সামনে এগিয়ে যেতে হবে। আজকের সমাজ ব্যবস্থায় মানুষরূপী যে অসুর রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে”।

রবিবার (১০ অক্টোবর) পিরোজপুরের নাজিরপুর উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে শারদীয় দুর্গা পূজা উপলক্ষ্যে নাজিরপুর উপজেলার দুর্গা মন্দিরের সভাপতি ও সম্পাদকের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময়, প্রধানমন্ত্রীর অনুদানের চেক বিতরণ, ব্যক্তিগত অনুদান প্রদান এবং জেলা পরিষদের অনুদান প্রদান উপলক্ষ্যে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। জেলা পরিষদ পিরোজপুর, হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট এবং নাজিরপুর পূজা উদডাপন পরিষদ যৌথভাবে এ মতিবিনিময় সভা আয়োজন করে।

তিনি আরো বলেন, “সকল ধর্মই সৃষ্টির কল্যাণের কথা বলে। সত্যকে গ্রহণ করে অসত্যকে বর্জন করার কথা বলে। পরার্থে নিজেকে বিলীন করার কথা বলে। কোন ধর্মই উগ্রতাকে প্রশ্রয় দেয় না। কিছু উগ্র ব্যক্তি আছে যারা নিজেদের মতো করে আলাদা ধর্ম রচনা করে। সে ধর্ম দিয়ে সমাজে সম্প্রীতি নষ্ট করে, মানবতার জয়গানে বিঘ্ন সৃষ্টি করে। তারা মানবতার শত্রু, অসাম্প্রদায়িকতার শত্রু। এরা অস্তিত্বের উৎসমূলে আঘাত করে, ধর্মীয় বিশ্বাসে আঘাত করে। এদের বিষয়ে সচেতন থাকতে হবে”।

মন্ত্রী আরো যোগ করেন, “দুর্গাপূজা এখন আর পূজার মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। এটা এখন বাঙালির সর্বজনীন উৎসবে পরিণত হয়েছে। আমাদের সৌভাতৃত্ব, সহমর্মিতা, ভালোবাসা আমাদের একটি জায়গায় আবদ্ধ করেছে। সে জায়গা হচ্ছে আমরা সকলে অসাম্প্রদায়িক বাঙালি। যে বাঙালিত্বকে প্রতিষ্ঠার জন্য আমাদের ত্রিশ লাখ শহিদ রক্ত দিয়েছিল, দুই লাখ মা-বোন সম্ভ্রম দিয়েছিল”।

নাজিরপুর উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি সুখরঞ্জন বেপারীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পিরোজপুরের জেলা প্রশাসক আবু আলী মোঃ সাজ্জাদ হোসেন, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সাঈদুর রহমান, জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রেবেকা খান, নাজিরপুর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অমূল্য রঞ্জন হালদার, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ ওবায়দুর রহমান, পিরোজপুর জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি বিমল কৃষ্ণ মন্ডল, সাধারণ সম্পাদক গোপাল বসু, হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ট্রাস্টি সুরঞ্জিত দত্ত লিটু প্রমুখ।

এর আগে মন্ত্রী নাজিরপুর উপজেলা পরিষদের দিঘীতে মাছের পোনা অবমুক্ত করেন এবং নাজিরপুর উপজেলা পরিষদের সম্প্রসারিত প্রশাসনিক ভবন ও হল রুম নির্মাণ কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ৯, ২০২১ ১১:৩৪ পূর্বাহ্ন
খামারিদের মাঝে খাদ্যসহ হাঁস-মুরগি বিতরণ
প্রাণিসম্পদ

পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়ায় সিআইজি খামারিদের মাঝে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের উদ্যোগে বিনামূল্যে হাঁস-মুরগি বিতরণ করা হয়েছে। এ সময় হাঁস-মুরগি ও গরু-ছাগলের খাবারও বিতরণ করা হয়।

বৃহস্পতিবার ন্যাশনাল এগ্রিকালচার টেকনোলজি কর্মসূচির আওতায় মোট ১৮ জন প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত (সিআইজি) খামারিকে ১০টি করে হাঁস, ১০টি করে মুরগি, ২৪০ কেজি গরুর খাবার, ১১৫ কেজি করে হাঁস-মুরগির খাবার, বেলচা, বালতিসহ বিভিন্ন উপকরণ বিতরণ করা হয়।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সীমা রাণী ধর এ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। এ সময় উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা সঞ্জিব কুমার বিশ্বাস, ভেটেরিনারি সার্জন সোমা সরকার প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ৯, ২০২১ ১২:৫৯ পূর্বাহ্ন
খাবারের সন্ধানে বাসাবাড়িতে অজগর!
প্রাণ ও প্রকৃতি

খাবারের সন্ধানে সিলেটে বাসাবাড়িতে হানা দিচ্ছে অজগর সাপ। গত এক সপ্তাহে শহরতলির মেজরটিলা এলাকার এক বাড়ি থেকে তিনটি অজগর উদ্ধার করা হয়। এর আগেও ওই বাড়ি থেকে আরও দুটি অজগর উদ্ধার করা হয়েছিল। বনবিভাগের কর্মকর্তা ও প্রাণী বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বন-জঙ্গল উজাড় ও খাদ্য সংকটের কারণে লোকালয়ে আসছে অজগর।

এ ছাড়া নগরীর ভিতরের বিভিন্ন বাসা থেকেও অজগর উদ্ধারের খবর পাওয়া গেছে। লোকালয়ে অজগর সাপ দেখা গেলে ভীত-সন্ত্রস্ত হয়ে পিটিয়ে না মেরে বনবিভাগকে খবর দেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্মকর্তারা।

জানা যায়, গতকাল সকালে শহরতলির মেজরটিলা সৈয়দপুরের রাবেয়া বেগমের বাড়ি থেকে একটি অজগর উদ্ধার করেন বনবিভাগের কর্মীরা। এর আগে এক সপ্তাহের ব্যবধানে ওই বাড়ি থেকে আরও দুটি অজগর উদ্ধার করা হয়েছিল। পরে সেগুলো টিলাগড় সংরক্ষিত বনে অবমুক্ত করা হয়।

রাবেয়া বেগম জানান, সকালে তার দেবরের মুরগির খামারে একটি অজগর দেখতে পাওয়া যায়। পরে বনবিভাগ ও পরিবেশকর্মীদের খবর দেওয়া হয়। তারা এসে সাপটি উদ্ধার করে নিয়ে যায় এর আগে ১ ও ২ অক্টোবর তার বসতঘর থেকে দুটি অজগর উদ্ধার করা হয়েছিল। গত ছয় মাসে তার বাড়ি থেকে পাঁচটি অজগর উদ্ধার করা হয় বলে জানান রাবেয়া।

পরিবেশবাদী ‘সংগঠন ভূমিসন্তান বাংলাদেশ’র সমন্বয়ক আশরাফুল কবির জানান, গত বৃহস্পতিবার রাত থেকে গতকাল সকাল পর্যন্ত আলুরতল ও বালুচর এলাকার দুটি বাড়ি থেকে আরও দুটি অজগর উদ্ধার করেছেন বনবিভাগের কর্মীরা। এগুলোও টিলাগড় ইকোপার্কের বনে অবমুক্ত করা হয়েছে। যে বাড়িগুলো থেকে সাপ উদ্ধার হয়েছে সেগুলো টিলাগড় ইকোপার্কের পাশে। এর আশপাশে অনেক টিলা ও বন-জঙ্গল আছে। বাসাবাড়িতে অজগর ঢুকে পড়ায় স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। তবে বনবিভাগের কর্মীরা বলছেন, অজগর নিয়ে আতঙ্কের কিছু নেই। অজগর নিরীহ প্রজাতির বিষহীন সাপ। এরা সাধারণত মানুষের ক্ষতি করে না। খাবারের সন্ধানেই এরা বন ছেড়ে লোকালয়ে আসছে।

বনবিভাগের সিলেট বিভাগীয় কর্মকর্তা এস এম সাজ্জাদ হোসেন সিলেটকে অজগরের ‘হটস্পট’ উল্লেখ করে বলেন, ‘সিলেট অঞ্চলে প্রচুর অজগর সাপ রয়েছে। বিশেষত এখানকার চা বাগানগুলো অজগরের নিরাপদ আশ্রয়স্থল। আগে চা বাগানে অনেক বনমোরগ ও কাঠবিড়ালি পাওয়া যেত। এগুলো ছিল অজগরের প্রিয় খাদ্য। এসব এখন কমে গেছে। ফলে অজগর খাদ্য সংকটে পড়েছে। তাই বন ও চা বাগানের আশপাশের যেসব বাড়িতে হাঁস-মুরগি আছে, সেসব বাড়িতে অনেক সময় অজগর ঢুকে পড়ে।’

ইদানীং লোকালয়ে অজগরের চলে আসার প্রবণতা বেড়েছে জানিয়ে তিনি আরও জানা, ‘এখন প্রায় প্রতি সপ্তাহেই দুই-একজন ফোন করে অজগর পাওয়ার কথা জানান। আমরা গিয়ে সেগুলো উদ্ধার করে নিয়ে আসি। সম্প্রতি লোকালয় থেকে বেশ কিছু বাচ্চা অজগর উদ্ধার করা হয়েছে। এতে বোঝা যায়, মা অজগর আশপাশে কোথাও এসে ডিম পেড়েছে।’

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop