৭:৪১ পূর্বাহ্ন

বুধবার, ২৯ এপ্রিল , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : অগাস্ট ২৬, ২০২১ ৬:১৪ অপরাহ্ন
বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের অসম্পূর্ণ বিচার সম্পন্ন করতে হবে: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী
প্রাণিসম্পদ

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম এমপি বলেছেন, “বঙ্গবন্ধু হত্যার সম্পূর্ণ বিচার হয় নি। আংশিক বিচার হয়েছে। সে দিন যারা ষড়যন্ত্রে জড়িত ছিল এবং ষড়যন্ত্র যারা জেনেছিল কিন্তু বঙ্গবন্ধু হত্যাকান্ড প্রতিরোধের জন্য কোন পদক্ষেপ নেন নি, আমাদের দেশের দন্ডবিধি অনুসারে তারাও অপরাধী। সেদিন বঙ্গবন্ধুকে নিরাপত্তা দেওয়া যাদের দায়িত্ব ছিল, যারা রাজনৈতিক দায়িত্বে ছিলেন তাদের গাফিলতির কারণে বঙ্গবন্ধু হত্যাকান্ড ঘটেছিল। গাফিলতির দায়ে তাদেরও বিচার হওয়া দরকার ছিল। কিন্তু হয় নি। যারা খন্দকার মোশতাকের আনুগত্য প্রকাশ করে নিজে লাভবান হয়েছিলেন, তারাও অপরাধী। কমিশন গঠন করে অথবা ফৌজধারী কার্যবিধি অনুসারে নতুন চার্জশীট দিয়ে অসম্পূর্ণ বিচার সম্পন্ন করা সম্ভব। বঙ্গবন্ধুর খুনি বা ষড়যন্ত্রকারীদের বিচার করতে আইনে কোথাও কোন বাধা নেই। বঙ্গবন্ধু হত্যাকান্ডের অসম্পূর্ণ বিচার সম্পন্ন করতে হবে।”

বৃহস্পতিবার (২৬ আগস্ট) রাজধানীর ফার্মগেটে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল মিলনায়তনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৬তম শাহাদত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষ্যে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় আয়োজিত আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

এ সময় তিনি আরো বলেন, “শেখ হাসিনা না আসলে কোনদিন বঙ্গবন্ধুর খুনিদের বিচার হতো না। শেখ হাসিনা দৃঢ়তা ধারণ করে যা করবেন এটা অনেকে করবেন না। তাই নতুন করে সূচনা করতে হবে। বঙ্গবন্ধুর হত্যার সাথে, ষড়যন্ত্রের সাথে, দায়িত্বে গাফিলতির সাথে যারা জড়িত ছিল তাদের বিচার করতে হবে। যারা বঙ্গবন্ধু হত্যার সাথে প্রত্যক্ষভাবে জড়িত, যারা ষড়যন্ত্রের সাথে জড়িত, যারা ষড়যন্ত্র জানার পরও প্রতিকারমূলক ব্যবস্থা নেয় নি এবং বঙ্গবন্ধুর নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা যারা গাফিলতির কারণে বঙ্গবন্ধুর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারে নি আমি আজ তাদের বিচার চাই। বঙ্গবন্ধু শুধু একজন ব্যক্তি নন, বঙ্গবন্ধু একটা বিশ্বাস, একটা প্রেরণা, বঙ্গবন্ধু আমাদের জাতীয় জীবনের সবকিছুতে অবিচ্ছেদ্যভাবে জড়িত থাকা একটি সত্তা। বঙ্গবন্ধু একটি দৃপ্ত প্রত্যয়।

মন্ত্রী আরো যোগ করেন, “বঙ্গবন্ধু যেখানে সূচনা করেছেন, সেটাই সম্প্রসারিত হচ্ছে। ব্লু ইকোনমির অপার সম্ভাবনার কথা বিবেচনা করে বঙ্গবন্ধু প্রথম সমুদ্র আইন করেছিলেন। এ ধারাবাহিকতায় আমরা তাঁর সুযোগ্য কন্যার নেতৃত্বে বাংলাদেশর প্রায় সমপরিমাণ জায়গায় আমাদের সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হয়েছি। বঙ্গবন্ধু মাছ আহরণের জন্য প্রথম ট্রলার নিয়ে এসেছেন তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন থেকে। বঙ্গবন্ধু যা শুরু করেছিলেন সেটা সুপ্রতিষ্ঠিত ও সম্প্রসারিত করেছেন করেছেন তাঁর কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।”

মন্ত্রী আরো বলেন, “বিশ্বাসঘাতকরা কখনো বিলীন হয় না। একেকসময় একেকভাবে আবির্ভূত হয়। ১৭৫৭ সালের মীর জাফর, ১৯৭৫ সালের খন্দকার মোশতাক, ১৯৭৯ সালের বঙ্গবন্ধুর খুনিদের রক্ষার বিলে স্বাক্ষরকারী জিয়াউর রহমানরা একেক সময় একেক রূপে আবির্ভুত হয়। বঙ্গবন্ধু হত্যার সময় যারা বঙ্গবন্ধুর নিরাপত্তার দায়িত্বে ছিলেন তারা কী ভূমিকা পালন করেছেন, যারা রাজনৈতিক দায়িত্বে ছিলেন তাদের কী ভূমিকা ছিল, কেনো তারা সবাই স্পর্শের বাইরে থাকলেন, চলে যেতে হলো জাতির পিতাকে, সে অধ্যায় আজ বিবেচনার সময় হয়েছে। তাদের সকলকে ইতিহাসের কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে এর ব্যাখ্যা দিতে হবে। না হলে অনন্তকাল অপরাধীদের জায়গায় আমাদের স্থান থাকবে।”

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ সচিব রওনক মাহমুদের সভাপতিত্বে বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন কর্পোরেশেনের চেয়ারম্যান কাজী হাসান আহমেদ, মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কাজী শামস্ আফরোজ, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডাঃ শেখ আজিজুর রহমান, বিএলআরআই-এর মহাপরিচালক ড. মোঃ আবদুল জলিল, বিএফআরআই-এর মহাপরিচালক ড. ইয়াহিয়া মাহমুদ এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ তথ্য দপ্তরের উপপরিচালক শেফাউল করিম আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য প্রদান করেন। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব শ্যামল চন্দ্র কর্মকার, সুবোল বোস মনি ও মোঃ তৌফিকুল আরিফসহ মন্ত্রণালয় ও আওতাধীন দপ্তর-সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ সভায় উপস্থিত ছিলেন্।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ২৬, ২০২১ ৪:৩৬ অপরাহ্ন
গাভীর খামার করে মাসিক আয় ৭০ হাজার টাকা
প্রাণিসম্পদ

রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলার ফরিদাবাদ গ্রামের মাহামুদুল হক মাস্টার্স পাস করে গ্রামে গড়ে তুললেন গাভির খামার। ১০ বছরের মাথায় এখন তাঁর মাসিক আয় প্রায় ৭০ হাজার টাকা।

জানা যায়, ২০১০ সালে তিনি রংপুরের পীরগাছা উপজেলার জাদুলস্কর গ্রামে এক আত্মীয়ের বাড়িতে বেড়াতে যান। সেখানে বড় বড় গাভির খামার দেখে এসে গাভি পালনের পরিকল্পনা করেন। বিষয়টি নিয়ে মাহামুদুল তাঁর বাবা মোজাহারুল ইসলামের সঙ্গে পরামর্শ করেন। একই বছরের জুনে নিজের জমানো ২০ হাজার এবং বাবার কাছ থেকে ৩০ হাজার টাকা নিয়ে দুটি শংকর জাতের বকনা বাছুর কেনেন।

বছর তিনেক পর বাছুর দুটি গাভিতে পরিণত হয়। প্রতিদিন ৩০ লিটার দুধ দিতে শুরু করে। এ দুধ বিক্রি করে খরচ বাদে দিনে প্রায় ৪০০ টাকা আয় হয়। এভাবে ২ বছরে আরও চারটি শংকর জাতের গাভি কেনেন। ছয়টি গাভি দিয়ে শুরু করেন ডেইরি খামার। বর্তমানে মাহামুদুলের খামারে দেশি-বিদেশি গাভি মিলে মোট গাভির সংখ্যা ২৬টি। প্রতিদিন খামার থেকে গড়ে ১৪০-১৫০ লিটার দুধ পান। প্রতি লিটার দুধ ৪০ টাকায় বিক্রি করে খরচ বাদে দৈনিক দুই থেকে আড়াই হাজার টাকা পান। বছরে ২ লাখ টাকার গাভিও বিক্রি করেন তিনি।

মাহামুদুল জানান, খামারের আয়ের টাকায় আবাদি জমি কিনেছেন। মাছ চাষের জন্য খনন করেছেন পুকুর। গাভির খামারও করেছেন পাকা। বাড়িতে বসিয়েছেন বায়োগ্যাস প্ল্যান্ট। আম, কাঁঠাল, লিচু, পেঁপেগাছ ও শাকসবজি লাগিয়েছেন বাড়ির চারদিকে।

স্থানীয় লোকজন জানান, গাভি পালন করে মাহামুদুল শুধু নিজের ভাগ্যই বদল করেননি। অন্যে যুবকদেরও পরামর্শ দিয়ে স্বাবলম্বী করে তুলেছেন। গ্রামের মাহাবুব রহমান, একরামুল ইসলাম, মিজানুর রহমান, দেলওয়ার হোসেন, মিনহাজুল ইসলাম, আবু বক্করসহ অনেকে ছয়-সাত বছর ধরে গাভি পালন করে এখন অনেকেই ডেইরি খামারের মালিক।

২০০টি গাভির খামার করারও স্বপ্ন আছে মাহামুদুলের। বেকার তরুণেরা চাকরির পেছনে না ছুটে খামার করে নিজেরা স্বাবলম্বী হবেন, এমন স্বপ্নও দেখেন তিনি।

রাজুর স্ত্রী ফারিয়া খাতুন বলেন, এসব পরিশ্রমের ফল। গ্রামের অন্যদেরও তাই, আগের মতো গ্রামে বেকার কেউ নেই। সবাই এখন দুধে–ভাতে সুখি। এ কৃতিত্ব মাহামুদুলের।

উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ফরহাদ নোমান জানান, ‘আমি মনে করি, উদ্যম ও একাগ্রতাই মাহামুদুলের সাফল্যের মূল কারণ। আমি বেশ কয়েকবার তাঁর খামার পরিদর্শন করেছি। যেকোনো সমস্যায় আমরা তাঁর পাশে থাকি। শৃঙ্খলা ও পরিচ্ছন্নতায় তাঁর খামার অন্য খামারিদের কাছে উদাহরণ হতে পারে। তা ছাড়া তাঁর দেখানো পথে খামার করে তারাগঞ্জের অনেক তরুণ এখন স্বাবলম্বী হয়েছেন বলে জানান তিনি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ২৬, ২০২১ ১২:১১ অপরাহ্ন
আধুনিক প্রযুক্তিতে গরু হৃষ্টপুষ্ট করণ প্রকল্পে গ্রামীণ অর্থনীতি বদলে যাবার গল্প (১ম পর্ব)
প্রাণিসম্পদ

গ্রামীণ অর্থনীতি চাঙ্গা রাখতে খুবই সম্ভাবনাময় একটি খাত হচ্ছে প্রাণিসম্পদ ।পরিসংখ্যান অনুসারে মোট জাতীয় উৎপাদনের (জিডিপি’র) প্রায় ১.৪৪% যোগায় প্রাণিসম্পদ খাত এবং এটির বার্ষিক প্রবৃদ্ধির হার ৩.৮০%। কৃষি খাতের মোট জিডিপির ১৩.১০% যোগান দেয় এই খাত এবং প্রত্যক্ষভাবে ২০ শতাংশ এবং পরোক্ষভাবে ৫০ শতাংশ মানুষ এই খাতের সাথে জড়িত ।  ২০২০-২১ অর্থ বছরে ৮৪.৪০ লাখ মেট্রিক টন মাংসের যোগান দিয়েছে এই খাত ফলে দেশের মানুষের চাহিদা পূরণ হচ্ছে প্রতিনিয়ত । একটা সময় ছিল যখন কুরবানির সময় ভারতীয় গরু এনে এ দেশের চাহিদা পূরণ করতে হতো কিন্তু গত কয়েক বছর ধরে এই চিত্র পাল্টে গেছে ।  প্রাণিসম্পদের বিপ্লবের ফলেই এখন নিজ দেশের গরুতে কুরবানির হাট পরিপূর্ণ থাকে ।

২০২০-২১ অর্থ বছরের ডিএলএস এর তথ্য মতে দেশে ২৪.৪৫ মিলিয়ন গরু, ১.৫ মিলিয়ন মহিষ, ২৬.৬ মিলিয়ন ছাগল, ৩.৬ মিলিয়ন ভেড়া রয়েছে । জনপ্রতি মাংসের চাহিদা রয়েছে ১২০ গ্রাম/দিন এবং প্রাপ্যতা রয়েছে ১৩৬গ্রাম/দিন যা সম্ভব হয়েছে প্রাণিসম্পদের বিপ্লবের ফলেই ।

“নিরাপদ মাংসের চাহিদা পূরণে, গ্রামীণ অর্থনৈতিক উন্নয়নে” ২০১৯-২০ অর্থবছরে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের “আধুনিক প্রযুক্তিতে গরু হৃষ্টপুষ্টকরণ” প্রকল্পটি যাত্রা শুরু করে । ২০১৯ সালে তিন বছরের মেয়াদে একনেকে ৪১ কোটি ২২ লাখ ৮৭ হাজার টাকা বরাদ্দে আধুনিক প্রযুক্তিতে গরু হৃষ্টপুষ্টকরণ প্রকল্পটি পাশ হয়। অল্প সময়ের মাঝে দেশের ৪৯১টি উপজেলায় প্রকল্পটির কার্যক্রম ছড়িয়ে পড়েছে ।

এই প্রকল্পের মাধ্যমে ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে ৩৬,৮২৫ জন উদ্যোক্তা তৈরি হয়েছে আর সুফলভোগী খামারী ৩৬,৮২৫ জনের প্রশিক্ষণ সম্পন্ন হয়েছে । খামারীদের বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে গরু হৃষ্টপুষ্টকরণ বিষয়ক প্রশিক্ষণ প্রদান, সুফল ভোগীদের মাঝে বিনামূল্যে টিকা সরবরাহ, কৃমিনাশক ও ভিটামিন-মিনারেলস প্রিমিক্স বিতরণ, গরু হৃষ্টপুষ্টকরণ বিষয়ক প্রযুক্তি হস্তান্তর এবং সচেতনতা বৃদ্ধিতে নিরলস কাজ করে যাচ্ছে প্রকল্পের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ । ৩৬, ৮২৫ জন খামারীর মাঝে বিতরণ করা হয়েছে  ৭৫ টন ভিটামিন ও মিনারেল প্রিমিক্স, ১৭০২০০ মাত্রা কৃমিনাশক এবং এবং ৩০০০০০ মাত্রার টিকা।

 

গত কোরবানির ঈদের জন্য দেশে এক কোটি ১৮ লাখ ৯৭ হাজার ৫শ টি গবাদিপশু মজুদ ছিল। যার মধ্যে হৃষ্টপুষ্টকৃত গরু-মহিষের সংখ্যা ছিল ৪৫ লাখ ৩৮ হাজার এবং ছাগল-ভেড়ার সংখ্যা ছিল ৭৩ লাখ ৫৫ হাজার। এছাড়াও অন্যান্য প্রাণি ছিল চার হাজার ৫০০টি; যা প্রয়োজনের তুলনায় পর্যাপ্ত বলে জানিয়েছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম। কুরবানি কে কেন্দ্র করে এই প্রকল্পের উপকারভোগী কর্তৃক ৭৪,০০০ গরু স্বাস্থ্যসম্মতভাবে হৃষ্টপুষ্ট করা হয়েছে । করোনা পরিস্থিতিতে হাটে ভিড় কমানোর জন্য এই প্রকল্প থেকে শুরু করা হয় অনলাইন কোরাবানির হাট যেখান থেকে সরাসরি খামারির নিকট হতে একজন ক্রেতা তার পছন্দের গরু কিনতে সক্ষম হয়েছে যা ডিজিটাল বাংলাদেশের এক অনন্য উদাহরণ । প্রকল্পটির মূল দায়িত্বে আছেন  ডাঃ প্রাণকৃষ্ণ হাওলাদার (প্রকল্প পরিচালক) যার সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত ও দক্ষ নেতৃত্বে এই প্রকল্পটি দারুণভাবে এগিয়ে চলছে ।

প্রকল্পটির মাধ্যমে যেমন গ্রামীণ অর্থনীতির উন্নয়ন হচ্ছে তেমনি নারীর ক্ষমতায়নেও দারুন ভূমিকা রাখছে । সুফলভোগী খামারীদের মাঝে রয়েছে অসংখ্য নারী খামারী যারা প্রকল্প থেকে উপকৃত হয়ে পরিবারকে সাপোর্ট দিচ্ছেন, সমাজে নিজেদের অবস্থান সুসংগত করেছেন । নরসিংদী সদরের নারী উদ্যোক্তা রেহেনা বেগম বলেন, “এই প্রকল্পের প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে আমার অনেক উপকার হয়েছে, আর্থিক ভাবে স্বাবলম্বী হয়েছি” । চট্টগ্রামের খামারি শায়লা বেগম বলেন, “এই প্রকল্পের মাধ্যমে আমি গরুর টিকা, কৃমিনাশক ও ভিটামিন বিনামুল্যে পেয়ে অনেক উপকৃত হয়েছি”।

 

(পরবর্তী অংশ আগামী পর্বে…)

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ২৫, ২০২১ ৯:৫৮ পূর্বাহ্ন
বজ্রপাতে সাড়ে ৫শ’ ভেড়ার মৃত্যু
প্রাণিসম্পদ

জর্জিয়ার গণমাধ্যমে নজিরবিহীন ও মর্মান্তিক এক ভিডিও ফুটেজ দেখা গেছে। খোলা মাঠে পড়ে আছে শত শত ভেড়া। সবই মৃত। এরই মধ্যে পেট ফুলে ওঠেছে এগুলোর। দেশটির দক্ষিণাঞ্চলের শহর নিনোতমিদা। সেখানকার পাহাড়ি তৃণভূমিতেই ঘটেছে এই দুঃখজনক ঘটনা। সবগুলো ভেড়াই মরেছে মাত্র একটি বজ্রপাতে।

গুনে দেখা গেছে, মৃত ভেড়ার সংখ্যা ৫৫০টি। এলাকার মানুষজন এ ঘটনায় হতবাক হয়ে পড়েছেন। তারা বলছেন, এর আগে এমন বিস্ময়কর ঘটনার মুখোমুখি কখনো হয়নি এলাকাবাসী।

গত ৯ আগস্ট ভেড়ার খামারের মালিক নিকোলাই লেভানভ একটা ফোন কল পান। টাম্বোভকা গ্রাম থেকে ফোনটি এসেছে। তার খামারের রাখাল খুবই দুঃখজনক এক সংবাদ দেন তাকে।

জানায়, তার খামারের শতাধিক ভেড়া বজ্রপাতে মারা গেছে। লেভানোভ তখনও জানতে পারেন নি, তার পালের ছাড়াও, পাশের খামারের আরও চার শতাধিক ভেড়া একই ঘটনায় মারা পড়েছে। ভাগ্য ভালো, বজ্রপাতে ওই খামারের রাখাল অজ্ঞান হয়ে পড়লেও, তিনি বেঁচে গেছেন। এরই মধ্যে ওই রাখাল সেরে ওঠেছেন।

মাউন্ট আবুল পাহাড়ি এলাকাটি ভেড়ার পাল চরানোর জন্য খুব জনপ্রিয়। লেভানোভ ও অন্যান্য ক্ষতিগ্রস্থ খামারি এরই মধ্যে দেশটির সরকারের কাছে আর্থিক সহায়তা চেয়েছেন। সরকারের তরফে নিনোতমিদা শহরের মেয়র বলেছেন, অবশ্যই আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে। তবে এর আগে দেশের বিজ্ঞন বিভাগীয় কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে বিষয়টি সত্য বলে প্রমাণ করিয়ে নিতে হবে। নিশ্চিত হতে হবে, ভেড়াগুলো বজ্রপাতেই মারা পড়েছে।
সূত্র: ভোরের কাগজ

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ২৪, ২০২১ ১১:৫১ অপরাহ্ন
সচিবের মায়ের দেখাশুনার দায়িত্ব কাউকে দেওয়া হয়নি: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী
প্রাণিসম্পদ

রাজধানীর জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব রওনক মাহমুদের মায়ের দেখাশুনার জন্য মন্ত্রণালয় থেকে কাউকে দায়িত্ব দেওয়া হয়নি বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।

মঙ্গলবার দুপুরে সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা জানান।

করোনায় আক্রান্ত হয়ে জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব রওনক মাহমুদের মা। তার চিকিৎসাসেবায় মন্ত্রণালয় ও অধীনস্থ দপ্তরের ২৪ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বলে মঙ্গলবার খবর প্রকাশ করেছে সমকাল। একই রকম সংবাদ প্রচার করে চ্যানেল ২৪-ও।

শ ম রেজাউল করিম বলেন, পত্রিকার সূত্র ধরে আজ জানতে পেরেছি, আমাদের মন্ত্রণালয়ের সচিব মহোদয়ের মা অসুস্থ। সেখানে ২৪ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী দেখভাল করছেন বলে একটি নিউজ পত্রিকায় এসেছে। সচিব মহোদয়ের সঙ্গে আমার দেখা হয়েছে। আমি তার কাছে এ বিষয়ে জানতে চেয়েছি। তিনি বলেছেন, এটি সঠিক নয়। তিনি কাউকে কোনো দাপ্তরিক দায়িত্ব দিয়ে ওখানে পাঠাননি। সচিব নিজেই ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছিলেন। তারপর তার ৯৫ বছর বয়সী মা করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন। তাকে ঢাকায় নিয়ে আসা হয়েছে। সচিব নিজেই অসুস্থ। এমন বিপদের সময়ে মন্ত্রণালয়ের অনেকে সহানুভূতি জানাতে হাসপাতালে গিয়েছেন। সচিব কাউকে কোনো দায়িত্ব দেননি। মন্ত্রণালয়ে খোঁজ নিয়ে দেখেছি, মন্ত্রণালয় থেকে এরকম কোনো দায়িত্ব দেওয়া হয়নি।

মন্ত্রী বলেন, গণমাধ্যমে এসেছে সচিবের মাকে দেখাশুনার জন্য কর্মকর্তা-কর্মচারীদের শুধু দায়িত্বই দেওয়া নয়, রীতিমতো চিঠি ইস্যু করা হয়েছে। কিন্তু মন্ত্রণালয় থেকে চিঠি ইস্যু করা হলে কারও না কারও সই থাকে, মেমো নম্বর থাকে, তারিখ থাকে, এগুলো কিছুই করা হয়নি। আমি চেক করে দেখেছি, মন্ত্রণালয় থেকে এ রকম কোনো চিঠি ইস্যু করা হয়নি।

এটি অতি উৎসাহী কাজ কি না- সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী বলেন, এর বাইরে আমার আর কিছু বলার নেই। মন্ত্রণালয় থেকে কোনো চিঠি ইস্যু করা হয়নি, এটা নিশ্চত হয়েছি। সচিবও কাউকে দায়িত্ব দেননি বলে আমাকে জানিয়েছেন। সচিব বলেছেন, তার মাকে কেউ কেউ দেখতে যেতে পারেন। করোনায় উপচে পড়া ভিড় হওয়ার কারণে অনেকে হয়তো আলাদা আলাদা যেতে পারেন। কেউ গেছেন কি না সেটিও সচিব বলতে পারেননি। কেউ গেলে নিজ দায়িত্বেই যেতে পারেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ২৪, ২০২১ ৭:১৮ অপরাহ্ন
হাঁস-মাছ চাষে বছরে ২৭ লাখ টাকা আয় করেন ইমন
প্রাণিসম্পদ

ইমরুল কাওছার ইমন দৈনিক ভোরের ডাকের নিজস্ব প্রতিবেদক। স্বপ্ন ছিল সফল উদ্যোক্তা হবেন। আর এ স্বপ্ন নিয়েই ২০১৯ সালে স্বল্প পরিসরে শুরু করেন মাছ চাষ। পাশাপাশি গাইবান্ধার সাদুল্যাপুরের নলডাঙ্গায় মায়ের নামে গড়ে তুলেছেন হাঁসের খামার। হাঁস আর মাছ চাষে বছরে তার আয় হচ্ছে ২৭ লাখ টাকা।

জানা গেছে, স্বল্প পরিসরে ২০১৯ সালে একটি মাত্র পুকুরে মাছ চাষ শুরু করেন ইমন। মাছ চাষে দুই বছরে সফল হওয়ার পর তিনি পরিকল্পনা করেন ‘খাঁকি ক্যাম্পবেল’ জাতের হাঁস পালনের। পরিকল্পনা বাস্তবায়নে তিনি করোনা মহামারির মাঝামাঝি সময়ে গড়ে তোলেন একটি হাঁসের খামার। হাঁসের ডিম বিক্রির টাকায় চার একর জমিতে তিনটি বিশাল পুকুরে পরিকল্পিতভাবে চাষ করছেন বিভিন্ন প্রজাতির মাছ। চার মাস পরপর মাছ বিক্রি থেকে তার আয় হচ্ছে প্রায় পাঁচ লক্ষাধিক টাকা। এ ছাড়া ডিম বিক্রি করে মাসে লক্ষাধিক টাকা আয় হচ্ছে।

এর আগে ইমন ২০১৫ সালে ঢাকার গুলিস্তানে নিজের জমানো টাকা দিয়ে শার্ট তৈরির একটি ছোট্ট কারখানা শুরু করেন। প্রথম দিকে মাত্র তিনজন কর্মচারী নিয়ে কারখানা শুরু করলেও বর্তমানে ৫০ জনের বেশি লোক কাজ করছে তার কারখানায়। পাশাপাশি তিনি শান্তিনগরে একটি ট্রাভেল এজেন্সি খুলেছেন। ব্যবসার লাভের টাকায় বেশ কয়েকটি মাইক্রোবাস কেনেন তিনি। রাজধানীতে উবারের সঙ্গে চুক্তি করে যাত্রীসেবা দেয় মাইক্রোবাসগুলো।

একইসঙ্গে নিজের বুদ্ধিমত্তাকে কাজে লাগিয়ে দেশের নামকরা অনেক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে গড়ে তোলেন সম্পর্ক। এই সুবাদে এসব প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন কার্যক্রম ও ব্যবসার পণ্য প্রসার ঘটাতে ‘ক্রিকেট ব্র্যান্ডিং’ এর কাজ শুরু করেন। দেশের বিভিন্ন ক্লাবভিত্তিক টুর্নামেন্টসহ বাংলাদেশ জাতীয় দলের খেলোয়াড়দের জার্সি ও গ্যালারিতে ব্র্যান্ডিংয়ের (বিজ্ঞাপন) কাজ করেন তিনি।

তবে চলতি বছরের মার্চে এসে তার জীবনের সব হিসেব এলোমেলো হয়ে যায়। বৈশ্বিক মহামারি করোনাভাইরাসের প্রকোপে ক্ষতি হতে থাকে একের পর এক ব্যবসায়। লকডাউনে গার্মেন্টস-কারখানা বন্ধ। উবারের গাড়ির চাকাও ঘোরেনি। সারাবিশ্বে বিমান চলাচল বন্ধ হয়ে পড়ায় ট্রাভেল এজেন্সির ব্যবসা ও ক্রিকেট ব্র্যান্ডিং বন্ধ হয়ে যায়। পরবর্তীতে সমন্বিতভাবে হাঁস ও মাছ চাষের পরিকল্পনা নেন তিনি। গড়ে তোলেন মায়ের নামে ‘হামিদা ডাক অ্যান্ড ফিশ ফার্ম’।

স্থানীয়রা জানান, ইমনের ফার্মে বর্তমানে চার-পাঁচজন শ্রমিক রয়েছে। একটি পুকুরে এক পাশে চাষ করছেন মনোসেক্স তেলাপিয়া ও আরেক পাশে চাষ হচ্ছে থাই জাতের পাঙাশ। তার পাশে পানির ওপরে বাঁশ ও টিন দিয়ে মাচা বানিয়ে হাঁসের খামার করেছেন। এ ছাড়া আরেকটি পুকুরে চাষ হচ্ছে ভিয়েতনামি কৈ, হাইব্রিড শিং, বিদেশি মৃগেল, কালিবাউশ ও সরপুঁটি। অন্যটিতে চাষ হচ্ছে দেশি জাতের মাছ।

স্থানীয় সংবাদকর্মী শাহিন মিয়া জানান, ইমরুল কাওছার ইমন মূলত সাংবাদিক। সাংবাদিকতার পাশাপাশি বেকার যুবকদের কীভাবে কাজে লাগানো যায় এমন ইচ্ছে ছিল তার অনেক দিনের। সেই ইচ্ছে থেকেই হাঁসের খামার দেন। খামারে ‘খাকি ক্যাম্পবেল’ জাতের এক হাজার হাঁস রয়েছে। এ হাঁস থেকে দৈনিক ৭০০- ৭৫০টি ডিম আসে। হাঁসের সঙ্গে পরিকল্পিতভাবে করছেন মাছ চাষ। ইতোমধ্যে তার খামারটি লাভের মুখ দেখতে শুরু করেছে। এ ছাড়া তিন-চারজন বেকার যুবকের কর্মসংস্থান হয়েছে এখানে।

খামারটি দেখভালের দায়িত্বে আছেন ইমনের ছোট ভাই নাহিদ আনসারী। তিনি বলেন, এই খামারের উদ্যোক্তা আমার বড় ভাই ইমরুল কাওছার ইমন। তিনি ঢাকায় থাকেন। মাঝে মাঝে খামারটি পরিদর্শন করার জন্য আসেন। আমি এই খামারটির সার্বিক দেখভাল করি। এ ছাড়া দুইজন কর্মচারী রয়েছে। তারা তিন বেলা হাঁসগুলোকে খাবার দেয়। পাশাপাশি পুকুরগুলোও দেখাশোনা করে। এক হাজার হাঁস থেকে প্রতিদিন ৭০০-৮০০ ডিম আসে। দুই দিন পরপর ডিমগুলো বিক্রি করে থাকি। বর্তমানে খামারটি লাভজনক অবস্থায় আছে।

হামিদা ডাক অ্যান্ড ফিশ ফার্মের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইমরুল কাওসার ইমন বলেন, মূলত পাঁচ বছরের একটি পরিকল্পনা নিয়ে পথচলা শুরু করেছি। বর্তমানে এক হাজার খাকি ক্যাম্পবেল হাঁস এবং চার একর জমিতে দেশি-বিদেশি প্রজাতির নানা ধরনের মাছ চাষ করছি। বর্তমানে খামার ও পুকুরে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে ১২ জন লোক কাজ করছে। আগামী বছরগুলোতে যা কয়েকগুণ বাড়বে।
তিনি আরও বলেন, এলাকায় আরও অনেক খামার গড়ে উঠছে। প্রতিদিনই মানুষ নানা তথ্য নিতে খামারে আসছে। আমাদের অভিজ্ঞ কর্মীরাও বিভিন্ন খামারে গিয়ে বিনামূল্যে নানা ধরনের দিক নির্দেশনা দিচ্ছেন। তরুণরা চাকরির পেছনে না ছুটে নিজের শ্রম ও মেধা কাজে লাগিয়ে নিজের পাশাপাশি মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে পারে।

তিনি বলেন, করোনার এই মহামারিতে উচ্চ ঝুঁকি নিয়ে বিনিয়োগ করেছি। এর সুফল হিসেবে কিছু মানুষের কর্মসংস্থান হয়েছে। অন্তত তারা দেশের বোঝা হয়ে থাকছে না। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ভিশন বাস্তবায়নে তরুণ সমাজকে এগিয়ে আসতে হবে, উদ্যোক্তা হতে হবে।

সম্প্রতি খামারটি পরিদর্শন করেন বাংলাদেশ কৃষক লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক এবং গাইবান্ধা-৩ আসনের সংসদ সদস্য উম্মে কুলসুম স্মৃতি। তিনি বলেন ‘প্রজেক্টটি দেখে আমি অভিভূত। সাংবাদিকতার পাশাপাশি ইমন যেভাবে কাজ করছে এটা সত্যিই অকল্পনীয়। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চান কৃষিতে যেন যুবকরা কাজ করে নিজে স্বাবলম্বী হয় এবং অন্যকে কাজ দিতে পারে। আমি কৃষকলীগের একজন কর্মী হিসেবে, এলাকার এমপি হিসেবে ইমনের এই প্রজেক্টকে এগিয়ে নেওয়ার জন্য সহযোগিতা করব।’
সূত্র: ঢাকা পোস্ট

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ২৩, ২০২১ ১০:৩১ অপরাহ্ন
বিশ্ব কুকুর দিবস উপলক্ষে শর্ট ভিডিওর আয়োজন
প্রাণিসম্পদ

নাজমুল হাসান:প্রাগৈতিহাসিক যুগ থেকে কুকুর মানবসম্পদ নিরাপত্তায় ও বিনোদনে অপরিহার্য অংশ ।উন্নত ব্রিডের সমাগমে উন্নয়নশীল যুগে পা বাড়ানোর সাথে সাথে পশুসম্পদ উন্নয়নে দেশ প্রবেশ করেছে নতুন যুগে। ২৬ শে আগস্ট(বৃহস্পতিবার) “World Dog Day”

এ উপলক্ষ্যে ‘বিডিভেটস ডট কম’ এর এক বৃহৎ ভিডিও শেয়ারিং প্লাটফরম “Vets-TV” ; এক ভিডিও শেয়ারিং প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছে।

এ সম্পর্কে ওয়েবসাইটির প্রধান ভেটেরিনারি সার্জন মিঠুন সরকার বলেন, “বৈশ্বিক ভেটেরিনারিয়ানদের জন্য এক সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম বলতে পারেন ‘বিডিভেটস ডট কম’। চিকিৎসা সম্পর্কিত আলোচনার মাধ্যমে এক ধারায় আসতে পারেন ভেটেরিনারিয়ানরা।তার পাশাপাশি মিলবে ভেটেরিনারী সম্পর্কিত ছবি,ভিডিও,নোট,বই,লেকচার,মেডিসিন লিস্ট।এ ওয়েব প্লাটফর্মটির প্রধান আকর্ষন ই-প্রেসক্রিপশন এর মাধ্যমে প্রান্তিক খামিরীরা সেবা পাচ্ছেন ২০১৭ সাল থেকে।এ পর্যন্ত সারাবিশ্বে প্রায় হাজারো ই-প্রসক্রিপশন পৌছে দিয়েছেন প্লাটফর্মটির ভেটেরিনারিয়ানরা। ”

ভিডিও পোস্টের নিয়মঃ
1.ভেটেরিনারিয়ান বা ভেটেরিনারি ছাত্র/ছাত্রী হতে হবে
2.ভিডিও ভেটেরিনারি সম্পর্কিত হতে হবে (সুস্থ্য বা রোগের)
3.ভিডিওটি অবশ্যই নিজের তোলা হতে হবে। কপি করা কোন কন্টেন্ট গ্রহণ করা হবে না।
4.ভিডিও সাধারণত ১ মিনিটের নিচে হলে ভালো হয়।

(প্রতিযোগিতা আগস্ট মাসের ২৬ তারিখ পর্যন্ত চলবে)
সর্বাধিক এবং সবচেয়ে আকর্ষণীয় ভিডিও পোস্ট দাতার জন্য রয়েছে আকর্ষণীয় পুরস্কার।

উল্লেখ্য,মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় কর্তৃক আয়োজিত “ইনোভেশন শোকেসিং ২০২১” এ প্রথম স্থান অর্জন করে ওয়েবসাইটটি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ২৩, ২০২১ ৫:১৪ অপরাহ্ন
সরকার কোরআন-সুন্নাহর বাইরে কিছু করছে না : মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী
প্রাণিসম্পদ

সরকার কোরআন-সুন্নাহর বাইরে কিছু করছে না। শেখ হাসিনার সরকার এ দেশে মদের লাইসেন্স দেয় না। ইসলাম শিক্ষায় মানুষদের কিভাবে আধুনিক শিক্ষায় আলোকিত করা যায় তার চেষ্টা করছে বলে মন্তব্য করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।

আজ পিরোজপুরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের ৪৬তম শাহাদাৎবার্ষিকী ও ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলায় নিহত শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন মন্ত্রী।

পিরোজপুর সদর উপজেলা মিলনায়তনে প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত জাতীয় ইমাম সমিতি জেলা শাখার আয়োজনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

মন্ত্রী বলেন, মাদ্রাসা থেকে পাস করা শিক্ষার্থীদের এমএ পাসের মর্যাদা দিয়েছে সরকার। ৫০০ মাদ্রাসাকে উন্নয়ন প্রকল্পে নেয়া হয়েছে। প্রতিটি উপজেলায় একটি করে মডেল মসজিদ নির্মাণ করা হয়েছে।

জেলা ইমাম সমিতির সভাপতি মীর মো. ফারুক আব্দুল্লাহর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে কক্তব্য রাখেন ছারছীনা দারুস সুন্নাত কামিল মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল ড. সাইয়্যেদ মুহা. শরাফত আলী, জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি এ্যাড. আব্দুর রাজ্জাক খান বাদশা, জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আক্তারুজ্জামান ফুলু। অনুষ্ঠানের সঞ্চালনা করেন জেলা ইমাম সমিতির সাধারণ সম্পাদক হাফেজ মাওলানা রফিকুল ইসলাম।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ২৩, ২০২১ ১:৫৩ অপরাহ্ন
আফতাব বহুমুখী ফার্ম লি. এবং বাংলাদেশ অরগানিক হাবের দ্বিপক্ষীয় চুক্তি
পোলট্রি

আফতাব বহুমুখী ফার্ম লিমিটেড এবং বাংলাদেশ অরগানিক হাবের মধ্যে নিরাপদ স্বাস্থ্যসম্মত পোল্ট্রি পন্য উৎপাদন ও দক্ষ সাপ্লাই চেইন ডেভেলপমেন্টের লক্ষ্যে রোববার (২২ আগস্ট) দ্বিপক্ষীয় চুক্তি সম্পাদিত হয়।

আফতাব বহুমুখী ফার্ম লিমিটেডের পক্ষে নুরুল মোরশেদ খান অপারেটিভ ডাইরেক্টর, সেলস এন্ড মার্কেটিং এবং বাংলাদেশ অরগানিক হাবের পক্ষে বাংলাদেশ অরগানিক হাবের সিইও কৃষিবিদ অঞ্জন মজুমদার চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।

উক্ত চুক্তির উদ্দেশ্য হল, দেশে ভোক্তার জন্য নিরাপদ স্বাস্থ্যসম্মত ব্রয়লার মাংস ও ডিমের একটি দক্ষ উৎপাদন ও বিপনন নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা।

আগামী দিনে চুক্তির উভয় পক্ষ চুক্তিবদ্ধ প্রান্তিক উৎপাদনকারীদের নিয়ে মাঠ পর্যায়ে কাজ করবে এবং খামারীদের নিরাপদ পোল্ট্রি পন্য উৎপাদনের সক্ষমতা গড়ে তুলতে পোল্ট্রি ম্যানেজমেন্ট এবং প্রযুক্তিগত দক্ষতা উন্নয়ন এবং খামারীদের উৎপাদিত পন্যের লাভজনক মুল্য প্রাপ্তিতে দক্ষ সাপ্লাই নেটওয়ার্ক গড়ে তুলবে।

চুক্তিকালে আরো উপস্থিত ছিলেন ডা মোহাম্মদ শাকিব রেজওয়ান, ম্যানেজার টেকনিক্যাল সার্ভিস ( পোল্ট্রি এন্ড ড়েইরি)।

অবগানিক হাব বর্তমানে যা যা করছে:
১. চুক্তিবদ্ধ উৎপাদনকারীদের নিরাপদ স্বাস্থ্যসম্মত প্রোডাক্টগুলো বাংলাদেশ অরগানিক হাবের সাপ্লাই চেইনের সাথে যুক্ত করছে।
২. যে কোন কৃষি ভিত্তিক আধুনিক উন্নত প্রযুক্তির প্রকল্প স্থাপনের জন্য-
ক) প্রজেক্ট ডিজাইন ( ধারনা পত্র তৈরি, প্রজেক্ট প্রফাইল, লে আউট প্ল্যান, মাস্টার প্ল্যান, প্রকল্প মূল্যায়ন / ফিজিবিলিটি স্টাডি)।
খ) প্রকল্প স্থাপন মনিটরিং,ট্রায়াল প্রোডাকশন এবং দীর্ঘ মেয়াদি প্রকল্প পরিচালনা (আউট সোর্সিং)।
গ) প্রকল্পের জন্য দেশি বিদেশি যন্ত্রপাতি এবং দক্ষ টেকনিশিয়ান, ইঞ্জিনিয়ার, হাইয়ার ম্যানেজমেন্ট কর্মী সোর্সিং করে দিচ্ছে।
গ) এগ্রি ট্যুরিজম সেন্টার স্থাপনা সকল প্রকার সার্ভিস প্রদান করছে।
ঘ) প্রকল্পের জন্য আর্থিক সোর্সিং / বিনিয়োগকারীর সাথে লিংকেজ ডেভেলপ করে দিচ্ছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ২৩, ২০২১ ১:৩৩ অপরাহ্ন
হাঁস পালনে বাবুলের মাসিক আয় ৩০ হাজার
প্রাণিসম্পদ

হাঁস পালন একটি লাভজনক পেশা। হাঁস পালন করে অনেক বেকার যুবক স্বাবলম্বী হচ্ছেন । তেমনি ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার গড়েয়া ইউনিয়নের কিসমত তেয়ারীগাঁও এলাকার অল্প শিক্ষিত-দরিদ্র বাবুল ইসলামও হয়েছেন স্বাবলম্বী। প্রতি মাসে আয় করেন ২০-৩০ হাজার টাকা।

জানা যায়, ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার গড়েয়া ইউনিয়নের মধ্যে তিনি একজন সফল হাঁস খামারি হিসেবে পরিচিত । সুখের আশায় বাড়ির সবাই এ খামারে পরিশ্রম করে চলেছেন । সুদিনের মুখও দেখতে শুরু করেছেন তার পরিবার ।

তিনি ১০/১২ বছর থেকে এই খামার করে আসছেন। প্রতি মাসে খামার থেকে ২০ থেকে ৩০ হাজার টাকা আয় হয়। খামার থেকে অর্জিত আয় দিয়ে এখন ছেলে মেয়েদের পড়ালেখা, সংসারের খরচ সবই চলছে।আগামীতে বাবুল ইসলাম তার খামারটি আরও বড় করার জন্য চেষ্টা করছেন। তাকে দেখে অনেক দরিদ্র পরিবার হাঁস পালনের মধ্য দিয়ে ভাগ্যের চাকা ঘুরিয়েছেন ।

বাবুল জানান, বর্তমানে খামারে খাকি ক্যাম্বেল জাতের হাঁস আছে। কী ক্যাম্বেল জাতের হাঁস ২৪ মাস বয়স পর্যন্ত নিয়মিত ডিম দেয় ও পরে আস্তে আস্তে ডিম দেয়া কমতে থাকে। ডিম ও হাঁস বিক্রি করে প্রতি মাসে খামার থেকে ২০ থেকে ৩০ হাজার টাকা আয় হয়। তার দেখাদেখি এলাকার অনেক দরিদ্র পরিবার হাঁস পালনের মধ্য দিয়ে ভাগ্যের চাকা ঘুরিয়েছেন বলেও তিনি জানান।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop