৭:৫৩ অপরাহ্ন

শুক্রবার, ১৩ মার্চ , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : অগাস্ট ১৭, ২০২১ ১১:০৬ পূর্বাহ্ন
কবুতর পালনে মাসে ৫০,০০০ টাকা আয় করেন রাজীব
প্রাণিসম্পদ

টাঙ্গাইল জেলায় কবুতর খামারির তালিকায় এক নাম্বারে রাজীবের নাম। এসএসসি পাস করার পর সংসারের অভাব অনটনের কারণে বেশিদূর লেখাপড়া করা হয়নি তার। নিজের অদম্য ইচ্ছা আর পরিবারের সহযোগিতায় মাত্র পাঁচ জোড়া কবুতর দিয়ে তিনি ব্যবসা শুরু করেন পাঁচ বছর আগে। এখন তার খামারে প্রায় তিনশ’ জোড়া দেশি-বিদেশি কবুতর রয়েছে। জেলার শ্রেষ্ঠ খামারি হিসেবে তিনি যেমন খেতাব পেয়েছেন।

রাজীব জানান, ছোট থেকে স্বপ্ন দেখতেন একদিন মালিক হবেন কবুতর খামারের। স্বপ্ন পূরণও হয়েছে। শুরুটা মাত্র ৫ জোড়া দিয়ে হলেও এখন তার প্রায় ৩০০ জোড়া কবুতর। পাঁচ বছরের প্রচেষ্টায় বদলে গেছে তার ভাগ্যের চাকা। এখন দেশের কবুতরপ্রেমীদের কাছে এক পরিচিত মুখ রাজীব। সারা দেশের বিভিন্ন জেলা-উপজেলা থেকে আসেন কবুতর পালক শিখতে ও ক্রয় করতে।
খামারের নাম দিয়েছেন রাজীব পিজন হাউজ। দেশি-বিদেশিসহ খামারে রয়েছে প্রায় ৫০ প্রজাতির ফেঞ্চি কবুতর।

এর মধ্যে প্রমেনিয়াম পটার, বারলেস রেসার, ফ্রেন্স মুন্ডিয়ান, পাকিস্তানি ডেনিস, জার্মান ডেনিশ, কুবার্গলার্ক, মুর হেড, কালো বিউটি হুমা, ব্লু পটার, অ্যারাবিয়ান টাম্পিটার, বুখরা, বাশিরাজ কোকা, হল্যান্ড জেকোবিন আমেরিকান সু কিং, লাল বোম্বাই, সাদা বিউটি হুমা, ব্লু রেসার, স্টেচার, বারাম্বার টামপিটারসহ ভিন্ন ভিন্ন বহু প্রজাতির কবুতর রয়েছে তার খামারে। তার খামারে রয়েছে ১০ হাজার থেকে ৫৫ হাজার টাকা মূল্যের কবুতর। দেখতে যেমন বাহারি তেমন চমৎকার। বিদেশি জাতের কবুতর প্রথমে তিনি বিদেশি আমদানিকারকদের মাধ্যমে সংগ্রহ করেছেন। পরে ডিম থেকে বাচ্চা উৎপাদন করে তা বাজারজাত করছেন। কঠোর পরিশ্রম, মেধা ও শ্রমের বিনিময়ে আজ এ পর্যন্ত এসেছেন বলে জানান তিনি।

তরুণ এই উদ্যোক্তার এখন মাসিক আয় প্রায় ৪০-৫০ হাজার টাকা। এই টাকা দিয়েই তিনি বাবার সংসারে হাল ধরেছেন, বোনদের বিয়ে দিয়েছেন। তিনি আরও জানান, যখন বেকারত্ব দেশের বিরাট হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে তখন এই চ্যালেঞ্জিং কাজটি হাতে নিই। যেন বেকার তরুণরা এমন উদ্যোক্তা হয়ে স্বাবলম্বী হতে পারেন। করোনা মহামারিতে ব্যবসা অনেকটা ক্ষতিগ্রস্ত বলে জানান তিনি।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমকে কাজে লাগিয়ে যোগাযোগ করেন প্রান্তিক অঞ্চলের অনেক খামারি ও কবুতরপ্রেমীরা। কেউ কেউ ছুটে আসেন শখের বশে কিনতে। তবে রাজীব শিক্ষার্থী বা তরুণদের কাছে কবুতর কম মূলে বিক্রি করেন বলে জানান।

ঘাটাইল উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা আবদুল মান্নান জানান, করোনাকালীন সংকটে বেকারত্ব দূরীকরণে রাজীবের মতো উদ্যোক্তা ঘরে ঘরে গড়ে উঠুক। তাকে সঠিক পরামর্শ দিয়ে পর্যাপ্ত সহযোগিতা করার চেষ্টা করছি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ১৬, ২০২১ ১১:২৭ অপরাহ্ন
চিড়িয়াখানায় নতুন অতিথি দুর্জয় ও অবন্তিকা
প্রাণিসম্পদ

করোনায় পুরো দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা বেসামাল হলেও প্রকৃতি যেন সেজেছে নতুন সাজে। তাই তো লকডাউনকে কাজে লাগিয়ে এবার রাজধানীর মিরপুরে জাতীয় চিড়িয়াখানায় টগর-বেলী বাঘ দম্পতির পরিবারে জন্ম নিয়েছে নতুন দুটি শাবক। চিড়িয়াখানার নিরিবিলি পরিবেশে প্রথম বাচ্চা দিলো রয়েল বেঙ্গল জাতের এই বাঘ দম্পতি।

সোমবার (১৬ আগস্ট) বাঘ শাবকদের চিড়িয়াখানার খাঁচায় উন্মুক্ত করা হয়। আনুষ্ঠানিকভাবে বাঘ শাবক দুটির নামকরণ করছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম। প্রায় আড়াই মাস আগে জন্ম নেয়া পুরুষ শাবকের নাম রাখা হয়েছে দুর্জয় আর মেয়ে শাবকের নাম অবন্তিকা। এছাড়া চিড়িয়াখানায় ধারণক্ষমতার অতিরিক্ত হওয়ায় ২১০টি বক অবমুক্ত করেন মন্ত্রী।

এ সময় আগামী ১৯ আগস্ট চিড়িয়াখানা দর্শনার্থীদের জন্য খুলে দেয়া হবে বলে জানান প্রানীসম্পদমন্ত্রী।

মন্ত্রী বলেন, চিড়িয়াখানা খুললেও স্বাস্থ্য বিধি কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হবে। দর্শনার্থীদের জন্য থাকবে স্যানিটাইজেশনের ব্যবস্থা।

তিনি জানান, করোনার কারণে বন্ধ থাকায় চিড়িয়াখানায় বিভিন্ন প্রজাতির বেশকিছু প্রাণীর জন্ম হয়েছে। বর্তমানে চিড়িয়াখানায় হরিণ, জলহস্তী, বক প্রজাতির পাখি সহ অনেক প্রাণীই প্রয়োজনের তুলনায় বেশি রয়েছে। এ সব প্রাণী পর্যায়ক্রমে অন্য চিড়িয়াখানায় স্থানান্তর করা হবে।

এছাড়া চিড়িয়াখানাকে সাফারি পার্কের আদলে গড়ে তুলতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে জানান শ ম রেজাউল করিম।

চলতি বছর করোনার প্রকোপ বাড়লে গত ২ এপ্রিল থেকে বন্ধ হয়ে যায় চিড়িয়াখানা। এর আগে ২০২০ সালে আট মাস বন্ধ থাকার পর নভেম্বরের ১ তারিখ খুলে দেয়া হয় বিনোদন কেন্দ্রটি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ১৬, ২০২১ ৮:০১ অপরাহ্ন
‘জাতীয় চিড়িয়াখানাকে আধুনিক ও বিশ্বমানে রুপান্তর করা হবে’
প্রাণিসম্পদ

বাংলাদেশ জাতীয় চিড়িয়াখানাকে মাস্টারপ্ল্যানের মাধ্যমে আধুনিক ও বিশ্বমানে রুপান্তর করা হবে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।

সোমবার (১৬ আগস্ট) রাজধানীর মিরপুরে বাংলাদেশ জাতীয় চিড়িয়াখানা প্রাঙ্গণে চিড়িয়াখানায় সম্প্রতি জন্ম নেয়া দুটি বাঘ শাবকের নামকরণ, নিবন্ধন ও দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্তকরণ অনুষ্ঠানে মন্ত্রী একথা জানান।

এ সময় গত ২৬ মে ২০২১ তারিখে চিড়িয়াখানায় নতুন জন্ম নেয়া পুরুষ বাঘ শাবকের নাম ‘দুর্জয়’ এবং মেয়ে বাঘ শাবকের নাম ‘অবন্তিকা’ রাখেন মন্ত্রী।

এ সময় মন্ত্রী বলেন,সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড এর আদলে জাতীয় চিড়িয়াখানাকে গড়ে তোলা হবে। এ লক্ষ্যে মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়নের কাজ চলমান রয়েছে। এ কাজে সিঙ্গাপুরের কনসালটেন্ট নিয়োগ করা হয়েছে। চিড়িয়াখানায় প্রাণীদের সাফারি পার্কের মতো করে রাখা হবে।

চিড়িয়াখানায় ভেতরে আলাদা আলাদা জোন তৈরি করে একই জাতীয় প্রাণী বা পাখিদের একই জোনে রাখার পরিকল্পনা রয়েছে। চিড়িয়াখানা পূর্বের তুলনায় সুসজ্জিত করা হয়েছে, অবকাঠামো উন্নয়ন করা হয়েছে, দর্শনার্থীদের জন্য আধুনিক সুযোগ-সুবিধা তৈরি করা হয়েছে। করোনাকালে স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এভাবে চিড়িয়াখানাকে অপেক্ষাকৃত আধুনিক পর্যায়ে আমরা নিয়ে যাচ্ছি। মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়নের পর বাংলাদেশেই হবে আধুনিক চিড়িয়াখানা।

তিনি আরো বলেন, চিড়িয়াখানার জন্য আমরা আইন প্রণয়ন করছি। ইতোমধ্যে চিড়িয়াখানা আইনের খসড়া মন্ত্রিসভায় নীতিগত অনুমোদন হয়েছে। আইন ও বিধি-বিধানের আওতায় বাংলাদেশের চিড়িয়াখানা পরিচালিত হবে।

মন্ত্রী আরো যোগ করেন, জাতীয় চিড়িয়াখানা নতুন দুটি শাবকসহ এখন ১১টি বাঘ রয়েছে। পাশাপাশি অন্যান্য পশু-পাখিও পর্যাপ্ত রয়েছে। করোনাকালে নির্বিঘ্ন পরিবেশ পেয়ে পশু-পাখির প্রজনন বেড়েছে। উদ্বৃত্ত পশু-পাখি রংপুর চিড়িয়াখানাসহ অন্যান্য চিড়িয়াখানায় দেয়া হচ্ছে। ইতোমধ্যে জাতীয় চিড়িয়াখানা থেকে ৩৬ লাখ টাকার হরিণ বিক্রয় করা হয়েছে। প্রজনন বাড়ার কারণে চিড়িয়াখানার অভ্যন্তরে উদ্বৃত্ত পাখি সংকুলন করা কঠিন হয়ে যাচ্ছে বিধায় আমরা প্রকৃতিতে কিছু পাখি উন্মুক্ত করে দিচ্ছি।

এসময় সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে করোনা পরিস্থিতি বিবেচনা করে বিনোদন ও পর্যটন কেন্দ্র খোলার ব্যাপারে সরকারি সিদ্ধান্ত অনুসারে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চিড়িয়াখানা দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত করে দেয়া সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেন মন্ত্রী।

পরে মন্ত্রী ফিতা কেটে বাঘ শাবক ‘দুর্জয়’ ও ‘অবন্তিকা’ সবার জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে উন্মুক্ত করেন। এরপর তিনি চিড়িয়াখানা লেক প্রাঙ্গণে উদ্বৃত্ত ১৬টি বক প্রকৃতিতে উন্মুক্ত করে দেন। পরে মন্ত্রী চিড়িয়াখানা পরিদর্শন করে পশু-পাখির খাদ্য, পরিচর্যা ও স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনাসহ অন্যান্য খোঁজ খবর নেন।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব সুবোল বোস মনি ও মোঃ তৌফিকুল আরিফ, যুগ্ম সচিব এস এম ফেরদৌস আলম, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. শেখ আজিজুর রহমান, পরিচালক (প্রশাসন) ডা. মনজুর মোহাম্মদ শাহজাদা, জাতীয় চিড়িয়াখানার পরিচালক ডা. মো. আব্দুল লতীফসহ মন্ত্রণালয় ও প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ এসময় উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ১৬, ২০২১ ১০:৩৩ পূর্বাহ্ন
স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে গরু পালনে যা করতে হবে
প্রাণিসম্পদ

দেশের মাংস ও দুধের চাহিদা পূরণ করার জন্য বর্তমানে ব্যাপকহারে গরু পালন করা হচ্ছে। গরু পালনে লাভবান হওয়ার জন্য স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে গরু পালন করতে হবে। স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে গরু পালনে যা করতে হবে সেগুলো আমাদের দেশের গরু পালনকারী বা খামারিদের জেনে রাখা দরকার।

স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে গরু পালনে যা করতে হবে:
স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে গরু পালন করার জন্য গরুর ঘর বা খামার স্থাপনের সময় এমনভাবে পরিকল্পনা করে ঘর বা খামার স্থাপন করতে হবে যাতে গরুর খাদ্য প্রদানের স্থান থেকে শুরু করে শোয়ার স্থান ও অন্যান্য সবকিছু আলাদা আলাদা থাকে। এতে গরুর ঘর পরিষ্কার ও যত্ন নেওয়া সুবিধা হবে। স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে গরু পালনের জন্য গরুর ঘর বা থাকার স্থান নিয়মিত জীবাণুনাশক দিয়ে স্প্রে করে দিয়ে হবে। এছাড়াও গরুর গোবর ও মুত্র নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে। তা না হলে গরুর রোগসহ বিভিন্ন জটিল সমস্যা দেখা দিতে পারে।

গরুকে নিয়মিত সতেজ, স্বাস্থ্যকর ও পুষ্টিসমৃদ্ধ খাদ্য প্রদান করতে হবে। এছাড়াও গরুকে খাদ্য প্রদানের পূর্বে খাদ্য প্রদানের পাত্র ভালোভাবে পরিষ্কার করতে হবে।গরুর থাকার স্থান বা এর আশপাশে স্যাঁতস্যাঁতে পরিবেশের সৃষ্টি যাতে না হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। কারণ এমন পরিবেশ থেকে গরুর রোগ ছড়াতে পারে। সেজন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

গরুর খামার বা ঘরে যাতে আলো ও বাতাস সব সময় চলাচল করতে পারে সেজন্য গরুর থাকার স্থানের আশপাশ খোলামেলা রাখতে হবে। আলো ও বাতাস চলাচল ঠিকভাবে করতে না পারলে গরুর স্বাস্থ্যগত নানা সমস্যা দেখা দিতে পারে। এছাড়াও নিয়মিত গরুর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করাতে হবে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ১৫, ২০২১ ২:৫৮ অপরাহ্ন
জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধার্ঘ্য অর্পণ করলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী
প্রাণিসম্পদ

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৬তম শাহাদাত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধার্ঘ্য অর্পণ করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম এমপি।

রোববার (১৫ আগস্ট) সকালে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় ও এর আওতাধীন দপ্তর-সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সাথে নিয়ে শ্রদ্ধার্ঘ্য অর্পণ করেন তিনি।

শ্রদ্ধার্ঘ্য অর্পণ শেষে সাংবাদিকদের মন্ত্রী বলেন, “মুক্তিযুদ্ধের বাংলাদেশকে হত্যা করার জন্য ১৫ আগস্টের নৃশংস ঘটনা ঘটানো হয়েছে। কিন্তু বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আবার মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

আজকের দিনে আমাদের চাওয়া বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করা। পাশাপাশি শুধু খুনিরা নয়, বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে যারা ছিল সেই ষড়যন্ত্রকারী ও কুশীলবদের যাতে বিচার হয়, আজকের দিনে সেটাই আমাদের প্রতিজ্ঞা।”

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব শ্যামল চন্দ্র কর্মকার ও সুবোল বোস মনি, বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান কাজী হাসান আহমেদ, মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কাজী শামস্ আফরোজ, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহা-পরিচালক ডা. শেখ আজিজুর রহমানসহ মন্ত্রণালয় ও এর আওতাধীন দপ্তর-সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ১৫, ২০২১ ২:৫১ অপরাহ্ন
বিএলআরআইতে যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতীয় শোক দিবস পালন
প্রাণিসম্পদ

বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএলআরআই)-এ যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের সাথে পালিত হয় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৬তম শাহাদাত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস।

রোববার(১৫ আগস্ট) দিবসটি উদযাপনের লক্ষ্যে বিএলআরআই এর পক্ষ থেকে দিনব্যাপী কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়।

সূর্যোদয়ের সাথে সাথে জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও জাতীয় পতাকা অর্ধনমিতকরণের মধ্য দিয়ে দিবসটি পালনের কর্মসূচি শুরু হয়।

এরপর সকাল নয়টায় বিএলআরআই-এর প্রশাসনিক ভবনের সামনে স্থাপিত অস্থায়ী বেদিতে জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. মোঃ আবদুল জলিল।

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন ইনস্টিটিউটের অতিরিক্ত পরিচালক জনাব মোঃ আজহারুল আমিন, বিভিন্ন বিভাগের বিভাগীয় প্রধানগণ, প্রকল্প পরিচালকগণ, শাখা প্রধানগণসহ সকল স্তরের বিজ্ঞানী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীগণ।

পুষ্পস্তবক অর্পণের পর মহাপরিচালক মহোদয় বলেন, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু ছিলেন বাঙালি জাতির মুক্তির মহানায়ক। ১৫ আগস্টের কালো রাতে একদল বিপথগামী ষড়যন্ত্রকারী বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিবসহ সপরিবারে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করে। জাতি আজ শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছে ১৫ আগস্টের সকল শহীদকে। একই সাথে আমরা সকল শহীদের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করে দোয়া প্রার্থনা করি। জাতীয় শোক দিবসের সাথে সাথে আমরা পুরো আগস্ট মাসকেই পালন করছি শোকের মাস হিসেবে।

এসময় তিনি আরও বলেন, বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে আমাদের ধারণ করতে হবে। তাহলেই কেবল বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত সোনার বাংলা গড়ে তোলা সম্ভবপর হবে। আর গবেষণার মাধ্যমে প্রাণিসম্পদ খাতের উন্নয়নের মধ্য দিয়ে ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তোলার ব্যাপারে অগ্রগণ্য ভূমিকা রাখতে হবে আমাদেরকেই।

দিনের অন্যান্য কর্মসূচির মধ্যে বিএলআরআই কেন্দ্রীয় মসজিদে কুরআনখানি ও বাদ জোহর জাতির পিতা ও তাঁর পরিবারের সকল শহীদ সদস্যদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়।
এছাড়াও বিএলআরআই-এর আঞ্চলিক কেন্দ্রসমূহে যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতীয় শোক দিবস পালিত হয়। জাতীয় পতাকা অর্ধনমিতকরণ, জাতির পিতা প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণসহ সংশ্লিষ্ট জেলা ও উপজেলা কর্তৃপক্ষের সাথে সমন্বয় করে আঞ্চলিক কেন্দ্রসমূহ নিজ নিজ কর্মসূচি পালন করেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ১৪, ২০২১ ৪:১৫ অপরাহ্ন
মানুষের কামড়ে মারা গেল বিষধর সাপ
পাঁচমিশালি

ঘটনাটি ভারতের ওড়িশার দানাদাগি ব্লকের সালিজাঙ্গা পঞ্চায়েতের। ধানক্ষেত থেকে কাজ করে ফেরার পথে বিষধর সাপ ছোবল মেরেছিল ৪৫ বছরের এক ব্যক্তিকে। কামড় খেলেও সাপটিকে ধরে ফেলেন তিনি। প্রতিশোধ নিতে বেশ কয়েকবার কামড়ে দেন সাপটিকে। আর তাতেই মৃত্যু হয় সাপটির। এতে মারা গেছে সাপটি।

গাম্ভারিপাতিয়া গ্রামের বাসিন্দা কিশোর বাদ্রা। বুধবার সন্ধ্যায় ধানক্ষেত থেকে ফেরার পথে সাপে কামড়ায় তাকে। এই বিষয়ে কিশোর বলেন, ‘বাড়ি ফেরার পথে আমার পায়ে কিছু কামড়ায়। সঙ্গে সঙ্গে টর্চ জ্বেলে দেখি, বিষাক্ত কালাচ সাপ।

কামড়ানোর প্রতিশোধ নিতে আমি ধরে ফেলি সাপকে। এর পর কামড়াতে থাকি। আমার কামড় খেয়ে ওখানেই মরে গিয়েছে সাপটি।’

সেই মৃত সাপ হাতে নিয়েই বাড়ি আসেন কিশোর। গোটা ঘটনার কথা জানান তার স্ত্রীকে। প্রতিবেশীরাও জেনে ফেলেন এই ঘটনার কথা। তার পর গ্রাম জুড়ে আলোচনার বিষয় হয়ে দাঁড়ায় কিশোরের কীর্তি।

কালাচ সাপের কামড় খাওয়া কিশোরকে নিকটস্থ হাসপাতালে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছিলেন প্রতিবেশীরা। কিন্তু সে পথে হাঁটেননি তিনি।

এ ব্যাপারে কিশোর বলেন, বিষাক্ত কালাচ সাপ কামড়ালেও তেমন কোনও সমস্যা হয়নি আমার। আমি গ্রামের এক হাতুড়ে চিকিৎসকের কাছে গিয়েছিলাম এবং সুস্থ হয়ে গেছি। সূত্র: আনন্দবাজার

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ১৪, ২০২১ ২:৫১ অপরাহ্ন
বঙ্গবন্ধু হত্যার দৃশ্যমান অপরাধীদের বিচার হয়েছে :মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী
প্রাণিসম্পদ

ইতিহাসের দায় মোচনে অবিলম্বে বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের ষড়যন্ত্রকারী ও উপকারভোগী এবং এ হত্যাকাণ্ডে বিভিন্নভাবে সম্পৃক্তদের স্বরূপ উন্মোচন প্রয়োজন বলে মন্তব্য করে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বলেছেন, “বঙ্গবন্ধু হত্যার দৃশ্যমান অপরাধীদের বিচার হয়েছে। কিন্তু বৃহত্তর পরিসরে ষড়যন্ত্রের সাথে যারা জড়িত ছিল তাদের বিচার হয় নি।

শনিবার (১৪ আগস্ট) জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষ্যে বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদ আয়োজিত‘বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক দর্শন ও আজকের বাংলাদেশ’শীর্ষক ভার্চুয়াল আলোচনা সভায় রাজধানীর বেইলি রোডের সরকারি বাসভবন থেকে সংযুক্ত হয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন।

এবিষয়ে মন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধুর নিরাপত্তার জন্য সিভিল ও অন্যান্য এজেন্সির যারা দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি ছিলেন, এমনকি যারা রাজনৈতিকভাবে যুক্ত ছিলেন তারা সেদিন কেন ব্যর্থ হলেন, তাদের ভূমিকা কী ছিল সেটাও খুঁজে বের করতে হবে। এজন্য বঙ্গবন্ধু হত্যার সঙ্গে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে যারা জড়িত ছিলেন, যারা উপকারভোগী, যারা ষড়যন্ত্র জানার পরও চুপ ছিলেন সকলের স্বরূপ উন্মোচনের জন্য একটা উচ্চক্ষমতা সম্পন্ন তদন্ত কমিশন গঠন করা প্রয়োজন।

অথবা বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলাটি ফৌজদারী কার্যবিধি অনুসারে আবারো তদন্ত করে সম্পৃক্তদের সম্পর্কে তুলে ধরা দরকার। তাহলে ইতিহাসে রেকর্ড থাকবে বঙ্গবন্ধু হত্যাকান্ডে কারা কীভাবে জড়িত ছিল। এ কাজটি অসম্পূর্ণ রয়ে গেছে। বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার সময়ে বঙ্গবন্ধু হত্যার খুনি, ষড়যন্ত্রকারী ও সুবিধাভোগীদের স্বরূপ উন্মোচন করতে না পারলে ইতিহাসে আমাদের দায় থেকে যাবে।”

এ সময় শ ম রেজাউল করিম আরো যোগ করেন,“বঙ্গবন্ধুর লক্ষ্য ছিল একটা স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা, যেখানে ধর্মীয় উগ্রতা থাকবে না, ধনী-দরিদ্রের বৈষম্য থাকবে না। বঙ্গবন্ধুর দর্শন ছিল মানুষের মুখে হাসি ফোটানো, ধনী-দরিদ্রের ব্যবধান দূর করা, ধর্মীয় ও অন্যান্য বৈষম্য দূর করে সকলকে একটি প্লাটফর্মে এনে বাঙালি প্লাটফর্ম প্রতিষ্ঠা করা। সেই দর্শনের ধারবাহিকতায় তিনি যখন দ্বিতীয় বিপ্লবের কর্মসূচি দিয়েছিলেন, তিনি যখন যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের প্রক্রিয়া এগিয়ে নিয়েছেন, তখন দেশীয় ও আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রে বঙ্গবন্ধু নির্মম হত্যাকান্ডের শিকার হন।”

বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের কার্যকরী সভাপতি রফিকুল আলমের সভাপতিত্বে ও সাংগঠনিক সম্পাদক সুজন হালদারের সঞ্চালনায় ভার্চুয়াল আলোচনায় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে যুক্ত ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ও ১৪ দলের সমন্বয়ক আমির হোসেন আমু। আলোচনা সভায় সম্মানিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য প্রদান করেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসান। এছাড়াও আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলায় অন্যতম অভিযুক্ত ফ্লাইট সার্জেন্ট (অব.) আবদুল জলিল, বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের সাধারণ সম্পাদক অরুন সরকার রানা, সহসভাপতি অরুণা বিশ্বাস আলোচনা সভায় বক্তব্য প্রদান করেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ১৩, ২০২১ ১০:৪১ অপরাহ্ন
প্রতিবন্ধী প্রেম কুমারের একরাতেই চুরি হলো ৩ গরু
প্রাণিসম্পদ

ফরিদপুরের মধুখালীতে একরাতে প্রতিবন্ধী প্রেম কুমারের (৪১) তিনটি গরু নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা। সবমিলিয়ে গরু তিনটির দাম দুই লাখ টাকারও বেশি বলে জানান তিনি।

শুক্রবার (১৩ আগস্ট) বিকেলে এ ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন তিনি।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, উপজেলার মেগচামী ইউনিয়নের কালীনগর গ্রামে মৃত নবদ্বীপ মণ্ডলের চার ছেলের মধ্যে প্রেম কুমার তৃতীয়। বিয়ের পর তিন ভাই আলাদা হয়ে যাওয়ায় বৃদ্ধা সাবিত্রী মণ্ডল প্রতিবন্ধী ছেলেকে নিয়ে স্বামীর ভিটেয় বসবাস করেন।

প্রেম কুমার জানান, প্রতিদিনের মতো বৃহস্পতিবার (১২ আগস্ট) রাতে গোয়াল ঘরে দরজায় তালা দিয়ে ঘুমিয়ে পড়ি। সকালে ঘুম থেকে উঠে আমার মা গোয়ালঘরে গিয়ে দেখেন আমাদের তিন গরু নাই। তালা ভেঙে গরুগুলো নিয়ে গেছে চোরেরা। সবমিলিয়ে গরু তিনটির দাম দুই লাখ টাকারও বেশি। এখন আমার সহায় সম্বল সব শেষ।

সাবিত্রী মণ্ডল জানান, ভোরে ঘুম থেকে উঠে দেখি গোয়াল ঘরের দরজা খোলা গরু নাই। আমার সন্তানের সারাজীবনের কষ্টের গরু নিয়ে গেল চুরি করে। প্রতিবন্ধী হওয়ায় কেউ কাজে নেয় না। তাই ছোটবেলা থেকে পরের গরু লালনপালন করে নিজের তিনটি গরু হয়। সারাদিন ওই গরু নিয়েই থাকতো। এখন ছেলের ভিক্ষা করা ছাড়া পথ নাই।

মধুখালী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শহিদুল ইসলামের লিখিত অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও জানান তিনি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ১১, ২০২১ ৩:৫১ অপরাহ্ন
২৮ আগস্ট থেকে ৩ সেপ্টেম্বর জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ উদযাপন 
প্রাণিসম্পদ

আগামী ২৮ আগস্ট থেকে ০৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণপূর্বক দেশব্যাপী জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ উদযাপন করা হবে বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।

বুধবার (১১ আগস্ট) রাজধানীর সচিবালয়ে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ ২০২১ উপলক্ষে আয়োজিত প্রস্তুতিমূলক সভায় সভাপতির বক্তব্যে মন্ত্রী একথা জানান।

এ বিষয়ে তিনি আরও বলেন, আগামী ২৮ অগাস্ট থেকে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ ২০২১ শুরু হচ্ছে। ৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণপূর্বক এটি পালন করা হবে। জাতীয় মৎস্য সপ্তাহের এবারের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ‘বেশি বেশি মাছ চাষ করি, বেকারত্ব দূর করি’। ১ম দিন ২৮ আগস্ট মৎস্য সপ্তাহের বিভিন্ন কর্মসূচি নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করা হবে।

২য় দিন ২৯ আগস্ট রাজধানীর ওসমানী ম্মৃতি মিলনায়তনে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ ২০২১ এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হবে। উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী প্রধান অতিথি হিসেবে যোগদান করবেন। উদ্বোধন অনুষ্ঠান শেষে তিনি জাতীয় সংসদের লেকে মাছের পোনা অবমুক্ত করবেন।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব শ্যামল চন্দ্র কর্মকার, সুবোল বোস মনি ও মো. তৌফিকুল আরিফ, যুগ্ম সচিব এস এম ফেরদৌস আলম ও ড. মো. মশিউর রহমান, মৎস্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপিরচালক খ. মাহবুবুল হকসহ মন্ত্রণালয় ও মৎস্য অধিদফতরের ঊধ্বর্তন কর্মকর্তাগণ সভায় উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop