২:৩৬ অপরাহ্ন

শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : জানুয়ারী ২৬, ২০২৩ ৬:০০ অপরাহ্ন
“জাটকা ও মা মাছ নিধন বন্ধে আরও বেশি মোবাইল কোর্ট পরিচালনার করতে হবে”
প্রাণিসম্পদ

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম বাস্তবায়নে জেলাপ্রশাসকরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন উল্লেখ করে জাটকা ও মা মাছ নিধন বন্ধে আরও বেশি মোবাইল কোর্ট পরিচালনার জন্য জেলাপ্রশাসকদের আহ্বান জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।

আজ বৃহস্পতিবার (২৬ জানুয়ারি) বিকালে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জেলাপ্রশাসক সম্মেলন ২০২৩ এ মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত অধিবেশনে এ আহ্বান জানান মন্ত্রী।

এ সময় মন্ত্রী বলেন, দেশের মৎস্যসম্পদে একটা বৈপ্লবিক পরিবর্তন এসেছে। পৃথিবীর প্রায় ৫১টি দেশে মাছ রপ্তানি করে আমরা বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করছি। এখন দেশে এতো গবাদিপশু উৎপাদন হচ্ছে যে, ভারত-মিয়ানমার থেকে আমদানি ছাড়াই কোরবানির পশুর চাহিদা মিটানো সম্ভব হচ্ছে। শেখ হাসিনার পৃষ্ঠপোষকতায় এ খাত এতটা এগিয়েছে।

তিনি আরো বলেন, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাত বেকারত্ব দূর করছে, উদ্যোক্তা তৈরি করছে। মাছ, মাংস, দুধ, ডিম উৎপাদনের ফলে খাদ্যের একটি বড় অংশের যোগান দেওয়া সম্ভব হচ্ছে। প্রাণিজ মানুষের চাহিদা পূরণ হচ্ছে এ খাত থেকে। রপ্তানির মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে দেশের উন্নয়নের ভূমিকা রাখছে এ খাত। পাশাপাশি এ খাত গ্রামীণ অর্থনীতিও সচল করছে। দেশের মোট জিডিপিতে ৪ দশমিক ৪১ শতাংশ এবং কৃষিজ জিডিপিতে ৩৮ দশমিক ৩৫ শতাংশ অবদান রাখছে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাত। ১ কোটি ৯৫ লাখ মানুষ প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে এ খাতে সম্পৃক্ত।

জেলাপ্রশাসকদের উত্থাপিত বিভিন্ন বিষয়ের প্রেক্ষিতে এ সময় মন্ত্রী আরো বলেন, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে বিদ্যুৎ বিল বাণিজ্যিক হারের পরিবর্তে কৃষিজ হারে নির্ধারণের বিষয়টি আশা করি সমাধান হবে। ২২ দিন মৎস্য আহরণ বন্ধ থাকাকালে রেজিস্টার্ড মৎস্যজীবীদের প্রণোদনার বিষয়টি আমাদের পরিকল্পনায় রয়েছে। চরাঞ্চলে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন প্রকল্প চলমান আছে। জেলাপ্রশাসকদের সুপারিশের আলোকে প্রয়োজনে আরো প্রকল্প গ্রহণ করা হবে।

করোনাকালে ভ্রাম্যমাণ বিক্রয়সহ মাছ, মাংস, দুধ, ডিম উৎপাদন, সংগ্রহ, পরিবহন ও বিপণনে সহযোগিতার জন্য জেলাপ্রশাসকদের এ সময় ধন্যবাদ জানান মন্ত্রী।

বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের ঈপ্সিত লক্ষ্য পূরণে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় কাজ করছে উল্লেখ করে এ মন্ত্রণালয়ের সকল কাজ বাস্তবায়নে মাঠ পর্যায়ে জেলাপ্রশাসকরা দেখভাল,পরামর্শ প্রদান এবং কর্মকর্তাদের সহায়তা করবেন বলে এসময় আশাবাদ ব্যক্ত করেন মন্ত্রী।

মাঠ পর্যায়ে সরকারের উন্নয়ন পরিকল্পনা, কর্মযজ্ঞ ও সাফল্য জেলাপ্রশাসকদের উপর নির্ভর করে বলেও এ সময় মন্তব্য করেন মন্ত্রী।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান, মন্ত্রিপরিষদ সচিব মো. মাহবুব হোসেন, জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব মো. আমিনুল ইসলাম খান, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. নাহিদ রশীদ, সুরক্ষা সেবা বিভাগের সচিব মো. আবদুল্লাহ আল মাসুদ চৌধুরী, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন দপ্তর-সংস্থা প্রধানগণ, বিভাগীয় কমিশনারবৃন্দ এবং জেলাপ্রশাসকগণ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জানুয়ারী ২৪, ২০২৩ ২:৫৬ অপরাহ্ন
পুকুরে মলা মাছের সাথে তেলাপিয়া মাছের চাষ
মৎস্য

পুকুরে মলা মাছের সাথে তেলাপিয়া মাছের চাষ করার উপায় আমাদের দেশের অনেক মৎস্য চাষিরাই জানেন না। নদী-নালায় মাছ কমে যাওয়ায় এখন অনেকেই তাদের পুকুরে মাছ চাষ করছেন। পুকুরে চাষ হওয়া মাছগুলোর মধ্যে তেলাপিয়া মাছ অন্যতম। আজকে জেনে নিব পুকুরে মলা মাছের সাথে তেলাপিয়া মাছের চাষ সম্পর্কে-

পুকুরে মলা মাছের সাথে তেলাপিয়া মাছের চাষঃ
আমাদের দেশে মাছ চাষ নিয়ে প্রতিনিয়ত গবেষণা ও বিভিন্ন ধরনের পরীক্ষা চালানো হচ্ছে। তেমনই হচ্ছে মলা মাছের সাথে তেলাপিয়া চাষ পদ্ধতি। এই চাষ পদ্ধতিতে মাছ চাষ করে দারুণ সফল হচ্ছেন চাষিরা। এ ধরনের মাছ চাষের জন্য প্রথমে পুকুরে মলা মাছ ছাড়তে হবে তারপর তেলাপিয়া। মাছ বড় হলে আগে মলা মাছ ধরতে হবে। কারণ বাজারে এর চাহিদা অনেক। মলা মাছ বড় হতে কম সময় লাগে। মলা মাছে লাভের পরিমাণও অনেক বেশি।

প্রথমেই পুকুরে বিষ দিয়ে অবাঞ্ছিত মাছ দূর করে তার পরদিন পুকুরের তলদেশের অবস্থা বুঝে শতাংশপ্রতি আধা কেজি থেকে এক কেজি চুন দিয়ে এর ছয়-সাতদিন পর শতাংশপ্রতি শূন্য দশমিক ৩ মিলি পিপিএম হারে সুমিথিয়ন প্রয়োগ করতে হবে।

একদিন পর পুকুরে মলা মাছের রেণু ছাড়তে হবে। আমাদের বর্তমান চাষ পদ্ধতি অনুযায়ী প্রতি ৫০ শতাংশের পুকুরে এক হাপা মলা মাছের রেণু দিতে হবে। তারপর এ মলা মাছের ওপর তেলাপিয়ার মনোসেক্স পোনা ছাড়তে হবে।

মাছের বয়স যখন ৯০ দিন পূর্ণ হবে সেদিন মলা মাছ বাজারজাত করার পরিকল্পনা করতে হবে। তেলাপিয়া বাজারজাত হবে আরও পরে। সঠিকভাবে মাছের যত্ন নিলে ৯০ দিন পর মলা মাছ ২০০ থেকে ৩০০ পিসে কেজি হবে।

এভাবে মাছের বয়স ৯০ দিন হলে আনুমানিক ৯০ শতাংশ মলা মাছ বিক্রি করে ১০ শতাংশ মলা মাছ তেলাপিয়ার সাথে রেখে দিতে হবে। তারপর তেলাপিয়া সাইজ হওয়ার আগ পর্যন্ত চাষে রেখে দিতে হবে ৫০ কেজি উৎপাদন হওয়ার আগ পর্যন্ত।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জানুয়ারী ১০, ২০২৩ ১:৫৪ অপরাহ্ন
ভাসমান খাঁচায় মাছ চাষে সিরাজগঞ্জের চাষিদের ভাগ্যবদল!
মৎস্য

অল্প পুঁজিতে বেশি লাভজনক হওয়ায় দিন দিন জনপ্রিয়তা পাচ্ছে নদীতে খাঁচায় মাছ চাষ পদ্ধতি। এই পদ্ধতিতে মাছ চাষে পুকুরে চাষকৃত মাছের চেয়ে খাঁচায় চাষকৃত মাছ বেশি সুস্বাদু হয়। আর প্রবাহমান পানিতে চাষ করলে মাছ বাড়েও তাড়াতাড়ি। তাই সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জের চাষিরা খাঁচা পদ্ধতিতে মাছ চাষ করে নিজের ভাগ্য পরিবর্তন করছেন।

জানা যায়, সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জে ফুলজোর নদীতে দিন দিন জনপ্রিয় হচ্ছে খাঁচায় মাছ চাষ। অল্প পুঁজি নিয়ে বেশি লাভবান হওয়া যায় বলে এই পদ্ধতিতে মাছ চাষে আগ্রহী হয়ে উঠেছেন স্থানীয় মৎস্যজীবী ও বেকার যুবকরা। ফলে দূর হচ্ছে বেকারত্ব।

জানা যায়, সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলার ফুলজোর নদীতে বকুলতলা, তিননান্দীনা, নলছিয়া, সাহেবগঞ্জ, ফরিদপুর, রামপুর, ঘুড়কা, বিষ্ণুপুর, ধানগড়া, জয়ানপু, চান্দাইকোনা। এ সব এলাকাজুড়ে বড় বড় খাঁচায় ভাসমান পদ্ধতিতে মাছ চাষ হচ্ছে। নদীর পানি প্রবাহমান থাকার কারণে পানি দূষিত হতে পারে না। আর খাঁচার মাছের উচ্ছিষ্ট খেয়ে নদীর মাছেরও প্রবৃদ্ধি হয়। আর নদীর প্রবাহমান পানিতে মাছ বাড়ে তাড়াতাড়ি তাই বাজারে এর চাহিদাও প্রচুর। পুকুরের মাছ থেকে ভাসমান খাঁচার মাছের স্বাদ ভালো হওয়ায় এই মাছ বিক্রি করে লাভবান মৎস্যচাষিরা।

উপজেলা মৎস অফিস সূত্র মতে, এই উপজেলায় প্রায় ৫১ জন মৎস্যচাষি মোট ১ হাজার ৮০০টি খাঁচায় মাছ চাষ করছেন।

ফরিদপুর গ্রামের মাছচাষী আব্দুস সালাম জানান, পানির গভীরতা ৬ ফুট প্রস্থ ১৫ ফুট ও দৈর্ঘ্য ২০ ফুট থাকে এমন ভাবে বাঁশ, লোহা, ড্রাম ও জাল দিয়ে খাঁচা তৈরি করতে হয়। একেকটি খাঁচা তৈরীতে প্রায় ১০ হাজার টাকা খরচ হয়। প্রতিটি খাঁচায় ৭০০-৮০০ পিস মাছ দেওয়া যায়। মাছ ছাড়ার ৫-৬ মাস পর তা বিক্রির উপযুক্ত হয়। ১ কেজি মাছে উৎপাদন খরচ ১১০ টাকা আর বিক্রি হয় ১৫০ টাকায়। সব খরচ বাদ দিয়ে প্রতিটি খাঁচায় লাভ ৩০ থেকে ৩৫ হাজার টাকা হয়।

রায়গঞ্জ উপজেলার মৎস্য কর্মকর্তা ড. হাফিজুর রহমান জানান, উপজেলায় নদীর প্রবাহমান পানিতে ভাসমান খাঁচা পদ্ধতিতে মাছ চাষ করে অনেকেই স্বাবলম্বী হয়েছেন। আমরা ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের প্রশিক্ষণ ও সহযোগিতা করে যাচ্ছি। আগামীতে এই পদ্ধতিতে মাছ চাষ ছড়িয়ে দিতে আমরা কাজ করছি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জানুয়ারী ৭, ২০২৩ ৪:০৮ অপরাহ্ন
এক টুনা মাছ বিক্রি হলো তিন কোটি টাকা
মৎস্য

টুনা মাছ ‘কালো হীরা’ নামে পরিচিত। এই মাছের দাম আকাশচুম্বি। নিলামে দৈত্যাকার একটি  টুনা মাছের দাম উঠেছে প্রায় তিন কোটি টাকা।

ব্লুমবার্গের খবরে জানা যায়, সম্প্রতি জাপানের রাজধানী টোকিওর টোয়োসু মাছের বাজারে ২০২৩ সালের প্রথম আনুষ্ঠানিক নিলামে একটি টুনা মাছ বিক্রি হয়েছে ৩ কোটি ৬০ লাখ ইয়েনে (২ লাখ ৭৫ হাজার মার্কিন ডলার)।

বাংলাদেশি মুদ্রায় মাছটির দাম ২ কোটি ৮৪ লাখ টাকা প্রায়। মাছটি ধরা ধরা হয়েছে জাপানের উত্তর আওমোরি অঞ্চলের ওমা এলাকা থেকে।

টুনা মাছটির ওজন ২১২ কেজি। অর্থাৎ প্রতি কেজির দাম পড়েছে প্রায় ১ লাখ ৩৩ হাজার টাকা। টোয়োসুর এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, এই মাছটির দাম আগের বছরের প্রথম বিক্রিতে পাওয়া মূল্যের তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি।

সুশি চেইন অপারেটর ওনোদেরা গ্রুপের এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, সামুদ্রিক খাবারের পাইকারি বিক্রেতা ইয়ামায়ুকির সঙ্গে টানা তৃতীয়বার নিলামে জয়লাভ করেছেন তারা। নিলামে কেনা দৈত্যাকার টুনা মাছটি কেটে নিয়ে বৃহস্পতিবার টোকিওর ওমোটেসান্দোর শপিং ডিস্ট্রিক্টের ওনোদেরার রেস্টুরেন্টে পরিবেশন করা হবে।

ব্লুমবার্গের খবরে বলা হয়েছে, চার বছরের মধ্যে এই প্রথমবার নিলামে টুনা মাছের দাম বেড়েছে। ভোক্তারা আবারও বার-রেস্টুরেন্টে দুহাত খুলে খরচ করতে শুরু করেছে, এটি তারই লক্ষণ।

জাপানে বছরের প্রথম নিলামে সামুদ্রিক খাবার থেকে শুরু করে ফলমূল সবই থাকে। এসময় এগুলোর দাম সাধারণত স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি হয়। কারণ, নতুন বছর উদযাপন ও নিজস্ব ব্র্যান্ডের বিজ্ঞাপনের জন্য উপলক্ষটি ব্যবহার করতে চান দরদাতারা।

অবশ্য তারপরেও এ বছরের সর্বোচ্চ দাম ২০১৯ সালে সুশি চেইন মালিক কিয়োশি কিমুরার গড়া ৩৩ কোটি ৩৬ লাখ ইয়েনের রেকর্ড থেকে অনেক কম। বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ২৬ কোটি টাকা দিয়ে ২৭৮ কেজির টুনা মাছটি কিনেছিলেন কিমুরা। ২০১৩ সালেও এরকম একটি ‘কিং টুনা’ কিনে সবাইকে তাক লাগিয়ে দিয়েছিলেন তিনি। সেই মাছটির দাম ছিল প্রায় ১০ কোটি টাকা।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ৩১, ২০২২ ৬:২৯ অপরাহ্ন
জেনে নিন পাঙাসের খাদ্য তৈরির উপাদান
মৎস্য

পাঙাশ মাছের খাদ্য তৈরির প্রয়োজনীয় উপাদানসমূহ সম্পর্কে আমরা অনেকেই জানি না। প্রাকৃতিক উৎসগুলোতে মাছের উৎপাদন কমে যাওয়ায় আমাদের দেশে মাছের চাষ দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। বর্তমান সময়ে চাষ হওয়া মাছগুলোর মধ্যে পাঙাশ মাছ অন্যতম।

পাঙাশ মাছ খেতে যেমন সুস্বাদু তেমনি এই মাছ চাষ করলে তা দ্রুত বৃদ্ধি পায়। পাঙাশ মাছকে খাওয়ানোর জন্য খাদ্য তৈরি একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আসুন আজ জেনে নেই পাঙাশ মাছের খাদ্য তৈরির প্রয়োজনীয় উপাদানগুলো সম্পর্কে জেনে নেই-

পাঙাশ মাছের খাদ্যকে পিলেট করে খাওয়ানো সবচেয়ে ভাল হয়। নিচে পাঙাশ মাছকে পিলেট খাদ্য তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় উপাদানগুলো দেওয়া হল-

পাঙাশ মাছকে খাদ্য খাওয়ানোর জন্য ১ টন হিসেবে নিচে উপাদানগুলো দেওয়া হল :

শুটকি অথবা ফিশমিল ১৫০ কেজি (৫০%=৭৫)
ডিওআরবি ১০০ কেজি (১৮%=১৮)

সোয়া মিল ২০০ কেজি (৪৪%=৮৮)
রাইস ব্রান ২০০ কেজি (১৪%=২৮)
এংকর ডাল ১২৫ কেজি (৩৬%=৪৫)

রেপসিড ১২৫ কেজি (৩৬%=৪৫)
লবণ ও ভিটামিন প্রিমিক্সআটা
আটা ১০০ কেজি (১০%=১০)

এই খাদ্য উপাদানের সাথে চিটাগুড়ও দেওয়া যেতে পারে। উপরোক্ত উপায়ে পিলেট খাদ্য উপাদানগুলো নিয়ে পাঙাশ মাছকে পিলেট খাদ্য তৈরি করে খাওয়াতে হবে। উপরে উল্লেখিত খাদ্য উপাদানগুলোকে পিলেট বানিয়ে নিয়ে তারপর পাঙাশ মাছকে খাদ্য হিসেবে দেওয়া হলে পাঙাশ মাছ খুব দ্রুত শারীরিকভাবে বৃদ্ধি পাবে। এই খাদ্য প্রদানের ফলে পাঙাশ মাছের প্রয়োজনীয় পুষ্টি চাহিদা পূরণ হবে। এই উপাদানগুলো দিয়ে মাছের খাদ্য তৈরি করলে পাঙাশ মাছের চাষ করে সহজেই লাভবান হওয়া যায়।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ২৮, ২০২২ ১২:২৮ অপরাহ্ন
সোনাগাজীতে জেলেদের জালে ধরা পড়লো ১০ মণ ওজনের শাপলাপাতা
মৎস্য

ফেনীর সোনাগাজীতে জেলেদের জালে ধরা পড়েছে ১০ মণ ওজনের একটি শাপলাপাতা মাছ।

মঙ্গলবার (২৭ ডিসেম্বর) দুপুরের দিকে ফেনী নদীতে মাছটি ধরা পড়ে। এ সময় উৎসুক মানুষ মাছটি দেখতে সেখানে ভিড় জমান।

জেলে হিরেন্দ্র জল দাস জানান, মঙ্গলবার সকালে তিনিসহ আরও দুজন গভীর সমুদ্রে মাছ ধরতে যান। দুপুরের দিকে তাদের জালে বিশাল আকারের শাপলাপাতা মাছটি আটকা পড়ে। পরে ওজন করে দেখা যায় এর ওজন ১০ মণ।

বিকেলে মাছটি স্থানীয় আড়তে নিয়ে এলে শংকর নামের এক ক্রেতা প্রতি মণ ৮ হাজার টাকা দরে ৮০ হাজার টাকায় কিনে নেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ২৫, ২০২২ ১১:০৮ পূর্বাহ্ন
মাদারিপুরের খালে মিলল ইলিশ
মৎস্য

মাদারীপুরের ডাসারে খালে মিলল ইলিশ মাছ। শনিবার (২৫ ডিসেম্বর) দুপু‌রে ডাসার উপজেলার একটি খালে ইলিশটি মাছ পাওয়া যায়। সামা‌জিক যোগা‌যোগ মাধ‌্যমে বিষয়‌টি নি‌য়ে তোলপাড় সৃ‌ষ্টি হ‌য়েছে।

জেলে ইউসুফ বেপারি জানান, আমি জীবনেও কল্পনা করিনি যে এত ছোট খালে ভেসালে আমি ইলিশ মাছ পাব। খালটি ডাসার খাল নামে পরিচিত। এসময় ইলিশ মাছ পাওয়ার খবরটি ছড়িয়ে পড়লে উৎসুক জনতা মাছটিকে এক নজর দেখতে ভিড় করে।

এ ব্যাপারে স্থানীয় বাসিন্দা আজাদ হো‌সেন জানান,আমদের বাড়ির পাশের খালটিতে প্রতিবছর বর্ষা মৌসুম শেষ হলে খালে ভেসালসহ অন্যান্য উপায়ে মাছ শিকারিরা মাছ ধরে। এ খালে ছোট বড় নানা প্রজাতির দেশীয় মাছ পাওয়া যায়। অবিশ্বাস্য হলেও সত্যি এ প্রথম ইলিশ মাছ পাওয়ার ঘটনা ঘটে। সত্যিই অবাক হওয়ার মতো।

ডাসার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সারমীন ইয়াছমীন বলেন, যদিও নদী থেকে খালটি অনেক দূরে তবে নদীর সঙ্গে খালটির সংযোগ থাকার কারণে ইলিশ মাছটি আসতে পারে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ২২, ২০২২ ২:২৫ অপরাহ্ন
রৌমারীতে পুকুরের মাছ লুট!
মৎস্য

কুড়িগ্রাম রৌমারীতে একটি পুকুর থেকে মাছ লুট করে নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা। মঙ্গলবার (২০ ডিসেম্বর) উপজেলার যাদুরচর ইউনিয়নের ধনারচর সরকারপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কোর্টে ও থানায় ১৪৪ ধারা ও ১০৭ ধারায় মামলা দিয়েও পুকুরের মাছ রক্ষা করতে পারেনি অসহায় পরিবারটি।

পুকুরের মালিক জয়নাল অভিযোগ করে বলেন, আমার ফসলি জমিটি নিচু। সেখানে বছরের ছয় মাস পানি জমে থাকে। বর্ষার মৌসুমে আমি সেখানে মাছ চাষ করি। পৌষ মাসে পানি কমে গেলে মাছ ধরে ইরি-বোরো লাগাই। পুকুরের পানি কমে যাওয়ায় এবার হঠাৎ সঙ্ঘবদ্ধ হয়ে জহুরুল, জাহিদুল, দুদু মিয়া, রুবেল মিয়া, ধলু, গোলে রানী, জহুরা, ওলেদা, আরিফাসহ ৩০/৩৫ জনের একটি দল আমার পুকুরের মাছ লুট করে নিয়ে যায়।

তিনি আরো বলেন, আমি উপায়ান্তর না দেখে রৌমারী থানা পুলিশের সহযোগিতা চাই। পুলিশ এসে তাদের তাড়িয়ে দেয়। কিন্তু যাওয়ার সময় তারা শিকার করা মাছগুলো নিয়ে যায়। প্রায় এক ঘণ্টা মাছ ধরার কারণে পুকুর প্রায় মাছশূন্য হয়ে পড়েছে।

জয়নাল আরো বলেন, ১৯৮২ সালে বদিউজ্জানের কাছ থেকে মোট ২৯ শতক জমি ক্রয় করি। এর খারিজ খাজনা পরিশোধিত। ওই জমি থেকে ভুলক্রমে জহুরার বিক্রিত ১৫ শতক জমি বদিউজ্জানের নামে নথিভুক্ত হয়। এ ভুল সংশোধনের জন্য কুড়িগ্রাম কোর্টে সিভিল করেছেন বলেও জানান তিনি। ওই মামলা চলমান আছে। এ ভুল নথির কারণে বিবাদী জাহিদুল ইসলাম গং দফায় দফায় বিক্রিত জমির ফসল, মাছ ও জমির ভোগ দখলে মরিয়া হয়ে উঠেছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ২২, ২০২২ ১০:৩৭ পূর্বাহ্ন
ফুলজোর নদীতে জনপ্রিয় হচ্ছে খাঁচায় মাছ চাষ
মৎস্য

সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জে ফুলজোর নদীতে দিন দিন জনপ্রিয় হচ্ছে খাঁচায় মাছ চাষ পদ্ধতি। অল্প পুঁজিতে বেশি লাভজনক হওয়ায় নতুন এই পদ্ধতিতে মাছ চাষে আগ্রহী হয়ে উঠেছেন স্থানীয় মৎস্যজীবী ও বেকার যুবকরা। যার ফলে দেখা দিয়েছে নতুন কর্মসংস্থানের। এই পদ্ধতিতে মাছ চাষ করে ভাগ্য পরিবর্তন হয়েছে অনেকেরই।

উপজেলা মৎস অফিস সূত্রে জানা যায়, মোট এক হাজার ৮০০টি খাঁচায় মাছ চাষ হয়। খামারীর সংখ্যা ৫১ জন।

জানা যায়, উপজেলার ফুলজোর নদীতে বকুলতলা, তিননান্দীনা, নলছিয়া, সাহেবগঞ্জ, ফরিদপুর, রামপুর, ঘুড়কা, বিষ্ণুপুর, ধানগড়া, জয়ানপু, চান্দাইকোনা। এ সব এলাকাজুড়ে বড় বড় খাঁচায় ভাসমান পদ্ধতিতে মাছ চাষ করছেন। খাঁচায় মাছ চাষ করলে মাছের বর্জ্য প্রবাহমান পানির সাথে অপসারিত হয় বিধায় পানিকে দূষিত করতে পারেনা। মাছের উচ্ছিষ্ট খাদ্য খেয়ে নদীর প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজাতির প্রাচুর্য বৃদ্ধি পায়। প্রবাহমান পানি থাকায় খাঁচার অভ্যন্তরের পরিবর্তন হতে থাকে ফলে পুকুরের চেয়ে অধিক ঘনত্বে মাছ চাষ করা যায়। পুকুরে চাষকৃত মাছের চেয়ে খাঁচায় চাষকৃত মাছ বেশি সুস্বাদু হয়।

ফরিদপুর গ্রামের মাছচাষী আব্দুস সালাম জানান বাঁশ, লোহা, ড্রাম ও জাল দিয়ে খাঁচা তৈরি করতে হয়। পানির গভীরতা ৬ ফুট প্রস্থ ১৫ ফুট ও দৈর্ঘ্য ২০ ফুট এমন খাঁচা তৈরি করেন অধিকাংশরাই। প্রতিটি খাঁচা তৈরিতে খরচ ১০ হাজার টাকা। প্রতিটি খাঁচায় মাছ দেয়া হয় সাত শ’ থেকে আট শ’ পিছ। পাঁচ থেকে ছয় মাস পর মাছ বিক্রি করা হয়। এক কেজি মাছে উৎপাদন খরচ একশ ১০ টাকা আর বিক্রি হয় একশ ৫০ টাকা। সব খরচ বাদ দিয়ে প্রতিটি খাঁচায় লাভ ৩০ থেকে ৩৫ হাজার টাকা হয়। এই পদ্ধতিতে মাছ চাষ করে স্বাবলম্বী হচ্ছেন স্থানীয় বেকার যুবকরা।

রায়গঞ্জ উপজেলার মৎস্য কর্মকর্তা ড. হাফিজুর রহমান জানান, উপজেলার নদী-খালবিল সকল উন্মুক্ত জলাশয়ে মনোসেক্স তেলাপিয়া মাছ চাষ পদ্ধতি ছড়িয়ে দিতে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের প্রশিক্ষণ ও সহযোগিতা করে যাচ্ছি। আশা করছি আগামী বছরে খাঁচায় মাছ চাষ আরো বৃদ্ধি পাবে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ২০, ২০২২ ৩:৫৬ অপরাহ্ন
ঘরের আঙ্গিনায় মাছ চাষ
মৎস্য

কুড়িগ্রামের রাজারহাটে বসত ঘরের আঙ্গিনায় ‘বায়োফ্লক’মাছ চাষ করে সাড়া ফেলেছেন এক মাদ্রাসা শিক্ষক আব্দুল মমিন। শিক্ষকতার পাশাপাশি অবসর সময়ে সখের বশে আঙ্গিনায় মাছ চাষের পরিকল্পনা করেন। যেমন ভাবনা তেমন কাজ শুরু করেন। 

রাজারহাট সদর ইউনিয়নের খালিসা (কৈলাশ কুটি) গ্রামের শিক্ষক আব্দুল মমিন (৪৫) ২০২১ সালে আঙ্গিনা এক শতাংশ জমিতে মাছ চাষ করে সফলতার মুখ দেখেন। পরবর্তীতে আরও প্রায় তিন শতাংশ বাহির আঙ্গিনায় তিনি এই পদ্ধতিতে মাছ চাষ শুরু করেন।

শিক্ষক আব্দুল মমিন বলেন, মূলত তিনি থাই কই এবং টেংরা মাছ চাষ করেছেন। প্রজেক্টে তার তিন থেকে সাড়ে তিন লাখ টাকা খরচ হয়েছে। পর্যায়ক্রমে তিনি লাভ করতে থাকেন। তার এই প্রজেক্ট দেখতে প্রতিদিন অসংখ্য মানুষ বিশেষ করে তরুণরা ভিড় করতেছেন। তার দেখাদেখি এলাকার অনেক বেকার যুবক এই ব্যাপারে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।এছাড়া তার একটি ব্রয়লার খামার রয়েছে।

উপজেলা মৎস কর্মকর্তা মো. আরিফুল আলম বলেন, উপজেলার সদর ইউনিয়নের খালিসা (কৈলাশ কুটি) গ্রামের বাড়ির আঙ্গিনায় ‘বায়োফ্লক’ পদ্ধতিতে মাছ চাষ করছেন তা আমি দেখেছি এবং নিয়মিত খোঁজ খবর ও কারিগরি পরামর্শ দিতেছি। এটা এলাকার বেকার যুবকদের জন্য অনুকরণীয় হতে পারে। সরকার থেকে কোনো ধরনের প্রনোদনা আসলে তার সহায়তার ব্যাপারে সব ধরনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop