নওগাঁয় ধানের দরপতন, বিপাকে চাষিরা
Uncategorized
সরবরাহ বেশি হওযায় হঠাৎই নওগাঁর হাট-বাজারে কমেছে ধানের দর। দফায় দফায় দাম পড়ে যাওয়ায় দুশ্চিন্তায় চাষিরা। চাষিদের অভিযোগ, অতি মুনাফার আশায় একদল অসাধু ব্যবসায়ী বাজারে সিন্ডিকেট করে ধানের বাজার নিয়ন্ত্রণ করছে।
বৈরী আবহাওয়া উপেক্ষা করেই ভোর থেকে বসে নওগাঁর স্বরসতিপুর হাট। জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ধান নিয়ে হাটে আসেন চাষিরা। হাটে ধানের সরবরাহ আগের থেকে ভালো। সুগন্ধি জাতের ধানের দর কিছুটা বাড়লেও হঠাৎ কমেছে মোটা ধানের দাম।
ধানের দর কমার তালিকায় আছে আমন স্বর্ণা ও মিনিকেট। সপ্তাহের ব্যবধানে কমেছে মণপ্রতি ৫০-৬০ টাকা। তবে চাষিদের অভিযোগ, সার আর ডিজেলের দাম বৃদ্ধি ও শ্রমিকের মুজরিও বেশি তাই উৎপাদন খরচও বেশি পড়েছে , তাই এই দামে পোষায় না তাদের।
চাষিরা বলেন, ধানের দাম কমে যাওয়ায় আমরা আর্থিকভাবেও ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছি।
দাম বাড়লে আমাদের জন্যে ভালো হতো। ধানচাষ করতে সব জিনিসের দাম বেশি। বিপদের মধ্যে আছি আমরা। ধান কীভাবে বিক্রি করব বুঝতে পারছি না।
এদিকে ধানের দাম কমে যাওয়ার কারণ হিসাবে ব্যবসায়ীরা দেখাচ্ছেন নানা ধরনের অজুহাত । ব্যবসায়ীরা বলেন, রাইস মিলে ধানের চাহিদা কম। ধান কেউ নিতে চাচ্ছে না। ধানের দাম বেশি। কৃষক বলছে দাম কম। কিন্তু যে দামে বিক্রি হচ্ছে তাতেই তো কেউ কিনতে চাচ্ছে না।
নঁওগা জেলা কৃষি বিভাগ জানায়, গেলো আমন মৌসুমে জেলায় এক লাখ ৯৫ হাজার হেক্টর জমি থেকে সাড়ে ৭ লাখ মেট্রিক টন ধান উৎপাদন হয়েছে।












