১:০৬ পূর্বাহ্ন

রবিবার, ৩ মে , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : জুলাই ৪, ২০২১ ২:৫১ অপরাহ্ন
ব্যাটারিচালিত ভ্যান উল্টে রাজধানীতে সবজি বিক্রেতার মৃত্যু
কৃষি বিভাগ

রাজধানীর কলাবাগানের কাঁঠালবাগান ঢালে ব্যাটারিচালিত ভ্যান উল্টে আব্দুল আজিজ (৩৫) নামের এক সবজি বিক্রেতার নিহত হয়েছেন।এসময় আহত হন অপর ব্যবসায়ী সাইফুল (৩০) ও ভ্যানচালক আলম (৩২)।

শনিবার (৩ জুলাই) দিনগত রাতে ঘটনাটি ঘটে।

তাদেরকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসারত অবস্থায় আব্দুল আজিজকে রাত পৌনে একটায় চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

ভ্যানচালক আলম জানিয়েছেন, শ্যামবাজারের দুই কাঁচামাল ব্যবসায়ীকে নিয়ে কাওরান বাজার যাচ্ছিলেন কাঁচামাল কিনতে। পথে কাঁঠাল বাগানের ঢাল পদ্মা ডায়াগনস্টিক সেন্টারের সামনের রাস্তায় দ্রুতগামী ভ্যানটির সামনে দিয়ে হঠাৎ একটি বিড়াল দৌড়ে যাওয়ার সময় ভ্যানটির চাকার নিচে পড়ে। এতে ভ্যানটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে যায়। ভ্যানে বসে থাকা দুজনই ছিটকে পড়ে যায়। পরে পথচারীদের সহযোগিতায় তাদের হাসপাতালে নিয়ে আসি।

বিষয়টি নিশ্চিত করে ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মো. আব্দুল খান।

এএসআই জানান, মৃতদেহটি হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে। আহত ব্যবসায়ী চিকিৎসাধীন রয়েছেন। সামান্য আহত চালককে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া পর তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে।

দুর্ঘটনায় মৃত আজিজ ঝিনাইদহ জেলার কালীগঞ্জ উপজেলার খোশালপুর গ্রামের মৃত মকু মিয়ার ছেলে। তিনি বর্তমানে শ্যামবাজারে সেলিম হাজির আড়তে থাকতেন। এক ছেলে ও এক মেয়ের বাবা তিনি। তার পরিবার গ্রামের বাড়িতে থাকেন বলে জানা যায়।

এগ্রিভিউ/এসএমএ

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ৩, ২০২১ ১২:৪৭ অপরাহ্ন
গোপালপুরে ৪৪০জন কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণ
কৃষি বিভাগ

এ কিউ রাসেল, গোপালপুর (টাঙ্গাইল) : টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলা কৃষি অফিসের আয়োজনে ২০২০-২১ অর্থ বছরের খরিপ মৌসুমে রোপা আমন ধান উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রণোদনা কর্মসূচীর আওতায় উপজেলার মোট ৪৪০জন ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে আজ ৩০ জুন বুধবার বিনামূল্যে উচ্চ ফলনশীল জাতের বীজ ও রাসায়নিরক সার বিতরণ করা হয়।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. পারভেজ মল্লিক প্রধান অতিথি হিসেবে কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।

এসময় উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মীর রেজাউল হক, উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ এ এম শহিদুল ইসলাম, কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার কৃষিবিদ মো. রাসেল পারভেজ তমাল, উপ-সহকারি উদ্ভিদ সংরক্ষণ অফিসার মুহাম্মদ আবদুল হালিম, উপ-সহকারি কৃষি অফিসার মো. নুরুল ইসলাম ও মো. আবু কায়সার রাসেল এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

কর্মসূচীর আওতায় একজন কৃষক বিঘা প্রতি রোপা আমন হাইব্রিড জাতের জন্য ১বিঘা জমির জন্য ২ কেজি বীজ ও ৩০ কেজি সার এবং উফশী রোপা আমনের জন্য ১বিঘা জমির জন্য ৫ কেজি বীজ ও ২০ কেজি রাসায়নিক সার সহায়তা প্রাপ্ত হবেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ৩, ২০২১ ১১:৪১ পূর্বাহ্ন
বঙ্গবন্ধু জাতীয় কৃষি পুরস্কার, ১৪২৪ প্রাপ্ত হলেন বিজ্ঞানী ড. কে, এম, খালেকুজ্জামান
কৃষি বিভাগ

কৃষি উন্নয়নে জনসচেতনতা বৃদ্ধি, উদ্বুদ্ধকরণ কৃষিবিষয়ক প্রকাশনা, ইলেক্ট্রনিক ও ‍প্রিন্ট মিডিয়াতে অনুষ্ঠান প্রচারের মাধ্যমে জনগনের মধ্যে কৃষিবিষয়ক তথ্য সরবরাহ ও প্রচারমূলক কাজে অবদানের জন্য স্বীকৃতিস্বরূপ বিজ্ঞানী ড. কে, এম, খালেকুজ্জামান, প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা, মসলা গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট মহোদয়কে “বঙ্গবন্ধু জাতীয় কৃষি পুরস্কার, ১৪২৪” প্রদান করা হয়।

বিজ্ঞানী ড. কে, এম, খালেকুজ্জামান সিরাজগঞ্জ জেলার উল্লাপাড়া উপজেলার সলঙ্গা ডাকঘরের অধীন চড়িয়া কালিবাড়ী গ্রামের মরহুম জোনাব আলী খান সাহেব-এর কনিষ্ঠ পুত্র। বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, ময়মনসিংহ হতে বি. এসসি. এজি. (অনার্স); এম. এসসি. (এজি.) প্লান্ট প্যাথলজি এবং পিএইচ. ডি. ইন প্লান্ট প্যাথলজি ডিগ্রী অর্জন করেন। তিনি হাবিপ্রবি, দিনাজপুর থেকে “পোস্ট গ্র্যাজুয়েট সার্টিফিকেট কোর্স্ অন সিড টেকনোলজি” সম্পন্ন করেন। সম্মানিত পাঠকদের জন্য তাঁর সংক্ষিপ্ত জীবন-বৃত্তান্ত তুলে ধরা হলো।

বিজ্ঞানী ড. খালেকুজ্জামান ১৯৯৫ খ্রি: থেকে বিভিন্ন ফসলের রোগ, রোগের সনাক্তকরণ ও রোগের দমন ব্যবস্থাপনার উপর কৃতিত্বের সহিত গবেষণা করে আসছেন। তিনি বিভিন্ন ফসলের রোগ, রোগের সনাক্তকরণ, রোগ দমন ব্যবস্থাপনা, রোগের স্কোরিং স্কেল, রোগের পূর্বাভাস, ক্রপ মডেলিং, বুনিয়াদী প্রশিক্ষণ (৪ মাস), ইনডাকশন ট্রেনিং, বীজ প্রযুক্তি, অফিস ব্যবস্থাপনা, প্রশাসন ও আর্থিক ব্যবস্থাপনা, প্রকল্প ব্যবস্থাপনা ও ক্রয় নীতিমালা, গবেষনা পদ্ধতি, উদ্ভিদ কৌলিসস্পদ ব্যবস্থাপনা, নার্সারী ব্যবস্থাপনা, বানিজ্যিকভাবে ফুল উৎপাদন, মসলা ফসলের বীজ উৎপাদন ও প্রযুক্তি হস্তান্তর, সায়েন্টিফিক রিপোর্ট রাইটিং, ইন্টারনেট, কম্পিউিটার, গ্রাফিক্স, ভিডিও এডিটিং, ডাটা প্রসেসিং, ডাটা এ্যানালাইসিস ইত্যাদি বিষয়ের উপর বিশেষভাবে প্রশিক্ষন প্রাপ্ত।

বিজ্ঞানী ড. খালেকুজ্জামান ২০১৫ সালে কৃষি বিয়য়ক লেখার উপর অবদান রাখার জন্য ”কৃষি সম্মাননা পদক ও ক্রেস্ট” প্রাপ্ত হয়েছিলেন। এ পর্যন্ত তাঁর মোট প্রকাশণার সংখ্যা ৪৬৭ টি। তার মধ্যে দেশী-বিদেশী ও আন্তর্জাতিক জার্নালে মোট ১৭৫ টি পূর্নাঙ্গ সায়েন্টিফিক পেপার, ২২ টি অ্যাবস্ট্রাক্ট ও ২ টি শর্ট কমিউনিকেশন প্রকাশিত হয়েছে। এছাড়াও কৃষিকথা, উর্বরা, কৃষি সওগাত, কৃষি বার্তা, কৃষি প্রযুক্তি, কৃষি বিপ্ল¬বসহ দেশের বিভিন্ন জাতীয়, স্থানীয় ও ইন্টারনেট পত্র-পত্রিকায় কৃষি বিয়য়ক তাঁর মোট ২৪৫ টি পপুলার আর্টিকেল প্রকাশিত হয়েছে। তাঁর ১১ টি বুকলেট ও ফোল্ডারও প্রকাশিত হয়েছে। বিজ্ঞানী ড. খালেকুজ্জামান-এর প্রকাশিত মোট বই-এর সংখ্যা ১২ টি, তার মধ্যে প্রধান লেখক হিসেবে ৪টি ও সহযোগী লেখক হিসেবে ৮টি। তাঁর বইসহ অন্যান্য লেখার কাজ বর্তমানেও অব্যাহত আছে।

বিজ্ঞানী ড. খালেকুজ্জামান-এর উদ্ভাবিত ও বাস্তবায়িত গবেষণা প্রোগ্রামের সংখ্যা ১৫৯ টি এবং গবেষণাকৃত কৃতিত্ব ও ফলাফল ৮৫ টি। তিনি মসলা জাতীয় ফসলের বিভিন্ন জাত উদ্ভাবনের সাথেও জড়িত আছেন এবং প্রস্তাবিত জাতসমূহ মূল্যায়ন করে থাকেন। তিনি বিভিন্ন জার্নালের সহযোগী সম্পাদক ও পেপার রিভিউয়ারের দায়িত্বে নিয়োজিত আছেন। তিনি কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন, উদ্ভিদ রোগতত্ত¡ সমিতি, উদ্যানতত্ত্ব সমিতি, বীজ বিজ্ঞান সমিতি, উদ্ভিদ প্রজনন ও কৌলিতত্ত্ব সমিতি, ফল বিজ্ঞান সমিতিসহ মোট ১৫ টি পেশাজীবি সমিতির আজীবন সদস্য। বিজ্ঞানী ড. খালেকুজ্জামান বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের এম. এস., এম. ফিল ও পি-এইচ. ডি. ছাত্র-ছাত্রীদের গবেষণা তত্ত্বাবধায়ক ও থিসিস পরীক্ষক। তিনি অনেক জাতীয় ও আন্ত:র্জাতিক সেমিনার/ওয়ার্কশপ-এ অংশগ্রহন করেছেন ও ১৫ টি সায়েন্টিফিক পেপার উপস্থাপন করেছেন। বিভিন্ন টেলিভিশন চ্যানেলে বিভিন্ন ফসলের রোগ দমন ব্যবস্থাপনা বিষয়ক প্রতিবেদন ও অন্যান্য বিষয় সংক্রান্ত তাঁর সাক্ষাৎকার প্রায়শই প্রচারিত হয়ে থাকে।

বিজ্ঞানী ড. কে, এম, খালেকুজ্জামান কর্তৃক লিখিত পুস্তক/প্রবন্ধ, টিভি প্রোগ্রাম, কৃষিবিষয়ক ইউটিউব চ্যানেল ইত্যাদির মাধ্যমে স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রী, শিক্ষকবৃন্দ, গবেষক, সস্প্রসারণকর্মী, এনজিও কর্মী, সরকারী-বেসরকারী প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ এবং কৃষকগন উপকৃত হচ্ছেন। তাছাড়া এসব প্রকাশনা উদ্যোক্তা সৃষ্টিতে সহায়তা করছে, যা কৃষির উৎপাদন বৃদ্ধি, বেকারত্ব দূরীকরণ এবং দারিদ্রতা হ্রাসে ভূমিকা রাখছে। ফসলের ফলন বৃদ্ধি, কৃষি উৎপাদনে খরচ কমানো, প্রাকৃতিক সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহার, বিষমুক্ত ফসল উৎপাদন, রোগবালাই নিয়ন্ত্রণ, জলবায়ু পরিবর্তনজনিত সমস্যা মোকাবিলা, অর্থনৈতিক উন্নয়ন ইত্যাদি ক্ষেত্রে তার প্রকাশনাগুলো সহায়ক ভূমিকা পালন করছে। তিনি সকলের দোয়া প্রার্থী।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ২৯, ২০২১ ৪:১২ অপরাহ্ন
বারিতে কৃষিতে উপকারী নভেল বেসিলাস ব্যাক্টেরিয়া বিষয়ক জাতীয় সেমিনার অনুষ্ঠিত
কৃষি বিভাগ

কৃষিবিদ দীন মোহাম্মদ দীনু: ব্যাক্টেরিয়ার নাম শুনলেই মানুষ আগে ভয় পেতো, এখন আর ভয় নয়, বন্ধু হিসেবে বেসিলাস ব্যাক্টেরিয়াকে গ্রহণ করা যাবে, আর মানুষের সাথে যার মিল সবচেয়ে বেশি। মিলের সাদৃশ্যকে বিবেচনায় এনে প্রকৃতি হতে শতকরা ৭৬ ভাগ উপকারি ব্যাক্টেরিয়া সংগ্রহ করা যাবে উদ্ভাবনীয় প্রযুক্তির মাধ্যমে। এ ব্যাক্টেরিয়ার ব্যাবহার বেগুনের ঢলে পড়া রোগ নিয়ন্ত্রনে ব্যাপক সাফল্য এসেছে।ব্যাক্টেরিয়ার ব্যবহার ও প্রয়োগোত্তর ফলাফল নিয়ে এক ব্যতিক্রম ধরনের জাতীয় সেমিনারে এমনটিই জানালেন প্রধান গবেষক ড. মুহাম্মদ তোফাজ্জল হোসেন।

কৃষিতে উপকারী নভেল বেসিলাস এর ব্যবহার প্রয়োগের ফলাফল নিয়ে ২৯ জুন ২০২১ মঙ্গলবার বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বারি) এ জাতীয় পর্যায়ের এ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
কৃষি গবেষণার মহাপরিচালক ড. মো. নাজিরুল ইসলামের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে জুম প্লাটফর্ম এ উপস্হিত ছিলেন জনাব ওয়াহিদা আক্তার, অতিরিক্ত সচিব কৃষি মন্ত্রণালয়। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের পর কারিগরি অধিবেশনে ড. মুহাম্মদ সামসুল আলম, পরিচালক (প্রশিক্ষণ ও যোগাযোগ), বাংলাদেশ কৃষি গবেষণার সঞ্চলনায় আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ড. মো. বাহাদুর মিয়া, ড. হুমায়রা সুলতানা যুগ্ম সচিব, কৃষি মন্ত্রণালয়, ড. কামরুল হাসান, পরিচালক, পরিকল্পনা ও মুল্যায়ন, ড. মতিয়ার রহমান, মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা, নাসিমা খানম, উপসচিব কৃষি মন্ত্রণালয় প্রমুখ। প্রধান গবেষক ও উর্ধবতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা এবং কর্মসুচি পরিচালক ড.মু. তোফাজ্জল হোসেন রনি মুল বিষয় বস্তু তুলে ধরেন।


সেমিনারের সেশন চেয়ারম্যান ড. সামসুল আলম বলেন, কৃষিতে উপকারী বেসিলাস এর ব্যবহার কৃষি বন্ধব যা একটি ভাল উদ্যোগ। উন্নত দেশের ন্যায় আমরা এখন তা শুরু করেছি। মুলত ব্যাক্টেরিয়াগুলো শক্তিশালি পেপ্টাইডোগ্লাইকোন এর মাধ্যমে প্রতিকুল অবস্থায় গাছকে খাদ্যরস গ্রহণে সহয়তা করে শক্তিশালি করে এবং এন্টাগনাস্টিক হিসেবে কাজ করে যার ফলে জীবাণুরা অবস্থান করতে পারেনা। ফলে,গাছ আর ঢলে পড়ে না।
মহাপরিচালক ড.মো.নাজিরুল ইসলাম বলেন, নভেল বেসিলাস এর প্রয়োগ একটি নতুন বিষয় যার উপর ইতোমধ্যেই কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট অনেকটা পথ এগিয়েছে। আরো জোড়ালো গবেষণার মাধ্যমে নয়া এই পরিবেশ বান্ধব উপকারী ব্যাক্টেরিয়ার উপর জোর দিতে হবে। সারা দেশ ব্যাপী এই প্রযুক্তি কৃষকের কাছে সহজ ভাবে পৌছে দিতে হবে। উপসচিব নাসিমা খনম গবেষণাটি খরা, বন্যা এলাকাতেও ছড়িয়ে দেবার আহবান জানান। প্রধান গবেষক ড. হোসেন বলেন, ব্যাক্টেরিয়ার সাথে প্রাণীকুলের মধ্যে মানুষের সাথে সবচেয়ে বেশি মিল যা শতকরা ৩৭ ভাগ যেখানে বানরের সাথে মাত্র ৬ ভাগ। সুতরাং বন্ধুপ্রিয় মিলের সাদৃশ্যকে কেন্দ্র করে অঞ্চল ভিত্তিক এই গবেষণার কার্যক্রম আরো বাড়াতে হবে। উপকারি ব্যাক্টেরিয়া ব্যাহার করে বেগুনের ঢ্লে পড়া রোগ দমন করা সম্ভব হয়েছে। তিনি আরো বলেন, দেশে বড় আকারে বায়ো-সেন্টার করে এ ধরনের কাজকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। এর ফলেই ব্যাক্টেরিয়ার উৎপাদন বাড়ানো সম্ভব হবে।
ব্যাক্টেরিয়ার জীবন ব্যবস্থাপনা, সংরক্ষণ, কালচার, নামকরণ এবং কৃষিতে উপকারী বেসিলাস এর ব্যবহার প্রয়োগ এবং ঢলে পড়া রোগ দমন ব্যবস্থাপনা নিয়ে সেমিনারে আলোচনা করা হয়।
পরে কারিগরি সেশন চেয়ারম্যান আগুন্তক গবেষক, কর্মকর্তাদের নিয়ে ব্যাক্টেরিয়াল বিভিন্ন পণ্য পর্যবেক্ষণ করেন।
উৎসবমুখর পরিবেশে কৌতুহলের সাথে বিজ্ঞানী ও আমন্ত্রিত অতিথিগণ সেমিনারটি উপভোগ করেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ২৮, ২০২১ ৯:১৪ অপরাহ্ন
বরিশালে ভাসমান কৃষির ওপর মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত
কৃষি বিভাগ

নাহিদ বিন রফিক (বরিশাল): ভাসমান কৃষির আধুনিক প্রযুক্তির ওপর কৃষক মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ বরিশালের আঞ্চলিক কৃষি গবেষণা কেন্দ্রে (আরএআরএস) এই প্রশিক্ষণটি অনুষ্ঠিত হয়।

ভাসমান বেডে সবজি ও মসলা চাষ গবেষণা, সম্প্রসারণ ও জনপ্রিয়করণ প্রকল্পের আয়োজনে এ উপলক্ষে এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন আরএআরএস’র মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. রফি উদ্দিন।

আয়োজক প্রতিষ্ঠানের প্রকল্প পরিচালক ড. মো. মোস্তাফিজুর রহমান তালুকদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. গোলাম কিবরিয়া এবং পিএসও ড. মো. আলিমুর রহমান।

বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. মাহবুবুর রহমানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন আরএআরএস’র ঊধর্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. রফিকুল ইসলাম, বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. রাশেদুল ইসলাম, এসও স্মৃতি হাসনা প্রমুখ।

প্রধান অতিথি বলেন, ভাসমান ধাপে উৎপাদিত ফসল হয় স্বাদে-পুষ্টিতে ভরপুর। নিরাপদেও অনন্য। সে কারণের এর বাজারমূল্য বেশি। তাই চাষিরা আর্থিকভাবে লাভবান হন।

মাঠ দিবসে বানারিপাড়া, নেছারাবাদ ও নাজিরপুর উপজেলার ৮০জন কিষাণ-কষিাণী অংশগ্রহণ করেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ২৭, ২০২১ ৭:৩১ অপরাহ্ন
বরিশালে ভাসমান কৃষির ওপর কৃষক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত
কৃষি বিভাগ

নাহিদ বিন রফিক (বরিশাল): বরিশালে ভাসমান কৃষির আধুনিক প্রযুক্তির ওপর দিনব্যাপী কৃষক প্রশিক্ষণ অনুুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ রবিবার(২৭ জুন) বরিশালের আরএআরএস’র ক্যাম্পাসে প্রশিক্ষণটি অনুষ্ঠিত হয়।

এ উপলক্ষে এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন আঞ্চলিক কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের (আরএআরএস) মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. রফি উদ্দিন।

ভাসমান বেডে সবজি ও মসলা চাষ গবেষণা, সম্প্রসারণ ও জনপ্রিয়করণ প্রকল্প আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আয়োজক প্রতিষ্ঠানের প্রকল্প পরিচালক ড. মো. মোস্তাফিজুর রহমান তালুকদার। বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. গোলাম কিবরিয়া এবং পিএসও ড. মো. আলিমুর রহমান।

বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. মাহবুবুর রহমানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন আরএআরএস’র ঊধর্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. রফিকুল ইসলাম, বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. রাশেদুল ইসলাম, এসও স্মৃতি হাসনা প্রমুখ।
প্রধান অতিথি চাষিদের উদ্দেশ্যে বলেন, জলাবদ্ধ স্থানে ভাসমান কৃষি একটি উপযোগী প্রযুক্তি। তাই এখানে আধুনিক চাষাবাদের কৌশল অনুসরণ করা দরকার। এর মাধ্যমে উৎপাদন বাড়বে আশানুরূপ। পাশাপাশি দেশের নিরাপদ খাবারের যোগান বৃদ্ধি পাবে।

প্রকল্প পরিচালক বলেন, ভাসমান কৃষিতে পুরোনো পদ্ধতির স্থলে বিজ্ঞনীদের উদ্ভাবিত প্রযুক্তিগুলো ব্যবহার করলে অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হবে। পুষ্টির চাহিদা পূরণেও হবে সহায়ক। প্রশিক্ষণে বরিশালের বানারীপাড়া এবং পিরোজপুরের নাজিরপুর ও নেছারাবাদের ৩০ জন কৃষক অংশগ্রহণ করেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ২৭, ২০২১ ৫:১৭ অপরাহ্ন
গত ১২ বছরে কৃষি ও খাদ্য উৎপাদনে সাফল্য এসেছে: কৃষিমন্ত্রী
কৃষি বিভাগ

গত ১২ বছরে কৃষি ও খাদ্য উৎপাদনে যে সাফল্য এসেছে তা ধরে রাখতে হবে ও তা আরও বেগবান করতে হবে বলে ​খাদ্য নিরাপত্তাকে টেকসই করতে মন্ত্রণালয় ও সংস্থাসমূহের কর্মকর্তা, কর্মচারি ও বিজ্ঞানীসহ সকলকে আহ্বান জানিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী ড. মো: আব্দুর রাজ্জাক এমপি।

আজ রবিবার(২৭ জুন) দুপুরে সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি (এপিএ) স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে মন্ত্রী এ আহ্বান জানান। সভায় সভাপতিত্ব করেন কৃষি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো: মেসবাহুল ইসলাম। এসময় মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ ও দপ্তর/সংস্থার প্রধানগণ উপস্থিত ছিলেন।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, গত ১২ বছরে কৃষি ও খাদ্য উৎপাদনে যে সাফল্য এসেছে তা ধরে রাখতে হবে ও তা আরও বেগবান করতে হবে। দেশে জনসংখ্যা বৃদ্ধির সাথে খাদ্যের চাহিদা ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে। এ অবস্থায়, ভবিষ্যতের চাহিদা মেটাতে আরও নতুন জাত ও প্রযুক্তি উদ্ভাবন করে খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধি করতে হবে। আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার সাথে কাজ করে খাদ্য নিরাপত্তাকে টেকসই ও খাদ্য ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করতে হবে।

প্রত্যেককে জবাবদিহিতার আওতায় আনা হবে উল্লেখ করে মন্ত্রী আরও বলেন, প্রত্যেক কর্মকর্তা-কর্মচারির জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা হবে। প্রত্যেকের কাজের যথাযথ মূল্যায়ন করা হবে। ভাল কাজ করলে তাঁকে যেমন পুরস্কৃত করা হবে তেমনি যার কর্মসম্পাদন ভাল হবে না তাকে তিরস্কার বা শাস্তি দেয়া হবে। আমাদের লক্ষ্য হলো কৃষি ও কৃষকের উন্নয়ন। সে লক্ষ্য অর্জনে সবাইকে কাজ করতে হবে।

অনুষ্ঠানে কৃষি মন্ত্রণালয়ের সাথে অধীন ১৭টি দপ্তর/সংস্থা এপিএ চুক্তি স্বাক্ষর করে। মন্ত্রণালয়ের পক্ষে সিনিয়র সচিব মো: মেসবাহুল ইসলাম ও সংস্থার পক্ষে সংশ্লিষ্ট সংস্থাপ্রধান চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ২৭, ২০২১ ৫:০৪ অপরাহ্ন
কৃষি, খাদ্য নিরাপত্তা, পুষ্টি অর্জনে ৬ থিমেটিক এরিয়াতে কাজ করে যাচ্ছি: প্রধানমন্ত্রী
কৃষি বিভাগ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, কৃষি, খাদ্য নিরাপত্তা ও পুষ্টি অর্জনে সরকার ছয়টি থিমেটিক এরিয়াতে কাজ করে যাচ্ছে। তিনি জানান এগুলো হলো- (১) কৃষি গবেষণা ও উন্নয়ন, (২) কৃষি উপকরণ সরবরাহ, (৩) কৃষি সম্প্রসারণ, (৪) সেচ কাজে পানির সাশ্রয়ী ব্যবহার, (৫) জলবায়ুর পরিবর্তন জনিত প্রভাব মোকাবিলা; এবং (৬) প্রতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি ও মানবসম্পদ উন্নয়ন।

রবিবার(২৭ জুন) সকালে বঙ্গবন্ধু জাতীয় কৃষি পুরস্কার-১৪২৪ প্রদান অনুষ্ঠানে (ভার্চ্যুয়াল) প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা জানান তিনি।

রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী।

খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকারের নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, আজ বিশ্বে বাংলাদেশ ধান উৎপাদনে তৃতীয়, সবজি উৎপাদনে তৃতীয়, পাট উৎপাদনে দ্বিতীয়, চা উৎপাদনে চতুর্থ এবং আলু ও আম উৎপাদনে সপ্তম স্থান অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে।

কোন এলাকায় কোন ফসল ভালো হবে তা নির্ধারণে মাটি ও আবহাওয়া নিয়ে গবেষণা এবং সফলতার কথা তুলে ধরেন সরকারপ্রধান।

তিনি বলেন, পতিত জমি ব্যবহারের মাধ্যমে ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধির উদ্যোগ নিয়েছি, ৮০ হাজার হেক্টর অতিরিক্ত জমি চাষাবাদের আওতায় নিয়ে এসেছি। ৮ লাখ ৮০ হাজার কৃষককে সবজি-পুষ্টি বাগান ও শষ্য বহুমুখীকরণের প্রশিক্ষণ দিয়েছি।

কীটনাশকমুক্ত শাক-সবজির যোগান দিতে ৪১টি জেলায় ‘কৃষকের বাজার’ চালু করার কথা উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।

রপ্তানিমুখী পণ্যের মান নিয়ন্ত্রণে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, শ্যামপুরে একটি ফাইটো-স্যানেটারি প্রতিষ্ঠান স্থাপন করেছি, যা রপ্তানিমুখী কৃষি পণ্যেও মান নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

সার্ক সিড ব্যাংক স্থাপনের কথা উল্লেখ করেন তিনি। দেশি ফলের উন্নত জাত সম্প্রসারণের পাশাপাশি বিদেশি ফলের চাষাবাদও বৃদ্ধি পাচ্ছে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী।

কৃষকদের জন্য ভুর্তকি দিয়ে সার সরবরাহ করার কথা উল্লেখ করে টানা তিনবারের সরকারপ্রধান বলেন, আমরা সারের মূল্য ৪ দফায় কমিয়ে বর্তমানে প্রতি কেজি ইউরিয়া ১৬ টাকা, টিএসপি ২২ টাকা, ডিএপি ১৬ টাকা এবং এমওপি ১৫ টাকায় ধার্য করেছি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিএনপির আমলে কৃষকদের সারের জন্য আন্দোলন করতে গিয়ে গুলি খেয়ে মরতে হয়েছে। আমরা বলেছিলাম- আওয়ামী লীগ সরকারে আসলে কৃষকদের সারের জন্য গুলি খাওয়া তো দূরের কথা, সারের জন্য দুয়ারে দুয়ারে ঘুরতে হবে না। সার প্রত্যেক কৃষকের ঘরে পৌঁছে যাবে। আমরা সে মোতাবেক ব্যবস্থা নেই।

তিনি বলেন, সেই সময় আমরা স্লোগান তুলেছিলাম—কৃষক বাঁচাও, দেশ বাঁচাও। আমাদের লক্ষ্য ছিল বাংলার মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার ফিরিয়ে দেওয়া। ভোটের অধিকার ফিরিয়ে দেওয়া এবং তাদের খাদ্য নিরাপত্তা দেওয়া সে জন্য ভোট ও ভাতের অধিকারের আন্দোলন আমরা শুরু করি।

কৃষি মন্ত্রণালয় ও এর সহযোগী দপ্তর-সংস্থার প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করা হয়েছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী।

বঙ্গবন্ধু জাতীয় কৃষি পুরস্কার ট্রাস্ট আইন-২০১৬, বীজ আইন-২০১৮, বালাইনাশক আইন-২০১৮, সার ব্যবস্থাপনা (সংশোধন) আইন-২০১৮ ও উদ্ভিদজাত ও কৃষক অধিকার সংরক্ষণ আইন-২০১৯-সহ মোট ১৫টি আইন এবং সহায়ক নানা নীতি/বিধিমালা প্রণয়ন, ‘কৃষি বাতায়ন’, ‘কৃষি কমিউনিটি রেডিও’ চালু, রেয়াতি শুল্কহারে কৃষি যন্ত্রপাতি ও যন্ত্রাংশ আমদানির সুবিধা সম্প্রসারণ, কৃষিযন্ত্রের ক্রয়মূল্যের উপর ৫০ থেকে ৭০ শতাংশ ভর্তুকি প্রদান, কৃষিক্ষেত্রে ব্যবহৃত বিদ্যুৎ বিলের উপর ২০ শতাংশ রেয়াত সুবিধা প্রদানসহ কৃষি সম্প্রসারণে নেওয়া বিভিন্ন কার্যক্রমের কথা তুলে ধরেন শেখ হাসিনা।

চলতি অর্থবছরে সার-বীজসহ অন্যান্য কৃষি উপকরণ সহায়তা বাবদ ২ কোটি ৫ লাখ ৯৯ হাজার ৮৬৯ জন কৃষককে ব্যাংক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে ৪১৩.৪৬ কোটি টাকার প্রণোদনা সরাসরি প্রেরণ করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে কৃষি গবেষণা, সম্প্রসারণ, সমবায় উদ্বুদ্ধকরণ, প্রযুক্তি উদ্ভাবন, মহিলাদের অবদান, বাণিজ্যিকখামার, বনায়ন, গবাদিপশু ও হাঁস-মুরগি পালন এবং মাছ চাষ প্রভৃতি ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি স্বরুপ ৩২ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে বঙ্গবন্ধু জাতীয় কৃষি পুরস্কার দেওয়া হয়।

ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তন প্রান্ত থেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষে কৃষিমন্ত্রী মো. আব্দুর রাজ্জাক পুরষ্কারপ্রাপ্তদের হাতে পদক তুলে দেন।

এ সময় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী শ ম রেজাউল করিমসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে কৃষি মন্ত্রণালয় প্রকাশিত বঙ্গবন্ধুর কৃষিবিষয়ক ১০০ অমরবাণীর সংকলন ‘বাণী চিরসবুজ’ ও স্মারকগ্রন্থ ‘চিরঞ্জীব’ এর মোড়ক উন্মোচন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ২৭, ২০২১ ৩:১৭ অপরাহ্ন
বঙ্গবন্ধু জাতীয় কৃষি পুরস্কার পেয়েছেন ২৭ ব্যক্তি ও ৫ প্রতিষ্ঠান।
কৃষি বিভাগ

প্রতি বছর স্বর্ণ, রৌপ্য, ব্রোঞ্জ এ তিনটি বিভাগে মোট ৩২টি পদক প্রদান করা হয়। এর মধ্যে স্বর্ণপদক ৫টি, রৌপ্যপদক ৯টি ও ব্রোঞ্জপদক ১৮টি। কৃষি গবেষণা, সম্প্রসারণ, সমবায় উদ্বুদ্ধকরণ, প্রযুক্তি উদ্ভাবন, মহিলাদের অবদান, বাণিজ্যিকখামার, বনায়ন, গবাদিপশু ও হাঁস-মুরগি পালন এবং মাছ চাষ প্রভৃতি ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে এ পুরস্কার প্রদান করা হয়।
বঙ্গবন্ধু জাতীয় কৃষি পুরস্কার ১৪২৪ এ স্বর্ণপদকের জন্য মনোনীতরা হলেন: কৃষি গবেষণায় বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের (ব্রি) ফার্ম মেশিনারি এন্ড পোস্টহার্ভেস্ট টেকনোলজি বিভাগ, কৃষি সম্প্রসারণে ঢাকার এম আনিস উদ-দৌলা ও উপজেলা কৃষি অফিসার তালহা জুবাইর মাসরুর, কৃষিতে নারী হিসেবে ঢাকার নবাবগঞ্জের মায়া রাণী বাউল এবং বাণিজ্যিক খামারি নারায়ণগঞ্জের এমএম শাহজাহান সিরাজ।
রৌপ্য পদক পেয়েছেন ৯ জন : উদ্যান বিশেষজ্ঞ খোন্দকার মো: মেসবাহুল ইসলাম, কুষ্টিয়ার মো: বকুল হোসেন, বারির কর্মকর্তা ড. মো: ওমর আলী, দিনাজপুরের মো: মাহমুদুল হাসান, নাটোরের রুবিনা খাতুন, রংপুরের বৈদ্যনাথ বর্মণ, বারির মসলা গবেষণা কেন্দ্রের কর্মকর্তা ড.কে এম খালেকুজ্জামান, খুলনার জীবানন্দ রায় এবং রংপুরের মর্জিনা বেগম।
এছাড়া, ব্রোঞ্জ পদকের জন্য কুমিল্লার মনজুর হোসেন, সিলেটের মো: জাবের হোসেন, গাজীপুরের মো: রমজান আলী, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মো: আবু নাছের, আলীম ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড, সিরাজগঞ্জের মাস্টার নার্সারি অ্যান্ড এ্যাফরেস্টশন, নোয়াখালীর মো: সাহেদুর রহমান, বগুড়ার মো: হামিদুল ইসলাম, পাবনার মো: আনিছুর রহমান, ঝিনাইদহ কৃষি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট, উপজেলা কৃষি অফিসার মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম, উপজেলা কৃষি অফিসার রমেশ চন্দ্র ঘোষ, ফরিদপুরের বক্তার হোসেন খান, ময়মনসিংহের নিতাই চন্দ্র রায়, উপসহকারী কৃষি অফিসার মো: সাইদুল ইসলাম, ঝিনাইদহের মনোয়ারা বেগম, ঢাকার আশুলিয়ার রাজিয়া সুলতানা এবং সাতক্ষীরার পাকুড়িয়া সিআইজি (ফসল) কৃষি সমবায় সমিতি-এই ১৮ ব্যক্তি/প্রতিষ্ঠান পুরস্কার পেয়েছে।
পুরস্কার বিজয়ীদেরকে সনদপত্র, সংশ্লিষ্ট পদক ও নগদ অর্থ প্রদান করা হবে। স্বর্ণপদক প্রাপ্তদেরকে ১ লাখ টাকা, রৌপ্যপদক প্রাপ্তদেরকে ৫০ হাজার টাকা এবং ব্রোঞ্জপদক প্রাপ্তদেরকে ২৫ হাজার টাকা নগদ প্রদান করা হবে।
শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ২৬, ২০২১ ১১:৫৬ অপরাহ্ন
করোনাকালেও দেশের মানুষের খাদ্য সংকট হয়নি: কৃষিমন্ত্রী
কৃষি বিভাগ

দারিদ্র্য বিমোচন ও খাদ্য নিরাপত্তায় বর্তমান সরকার অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে।সরকার দরিদ্র, গরিব ও দুস্থ মানুষকে সামাজিক নিরাপত্তা বেস্টনিতে আনতে ৬৫টিরও বেশি কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে বলে মন্তব্য করেছেন কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক।

শনিবার (২৬ জুন) রাজধানীর বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন কর্পোরেশনে ( এফডিসি) ‘প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর সামাজিক সুরক্ষায় প্রস্তাবিত বাজেট’ নিয়ে ছায়া সংসদে এসব কথা বলেন মন্ত্রী। ডিবেট ফর ডেমোক্রেসি এ বিতর্ক প্রতিযোগিতার আয়োজন করে।

তিনি বলেন, সরকার ৫০ লাখ পরিবারকে খাদ্য সহায়তা দিচ্ছে। ফলে করোনাকালেও দেশের মানুষের খাদ্য সংকট হয়নি। বর্তমানে কোথাও খাদ্যের জন্য হাহাকার নেই বরং জনগণের ক্রয়ক্ষমতা বেড়েছে।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের বর্তমান প্রবৃদ্ধিকে ধরতে পাকিস্তানের আরও কমপক্ষে ১২ বছর সময় লাগবে। এছাড়া, শিক্ষা, মাতৃমৃত্যু হ্রাস, স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও খাদ্য নিরাপত্তায় বাংলাদেশ ভারত থেকে এগিয়ে রয়েছে। দারিদ্র্যমোচন ও উন্নয়নে বাংলাদেশের এ সাফল্য সারা পৃথিবীতেই প্রশংসিত হচ্ছে। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমেও এর প্রশংসা হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, প্রস্তাবিত বাজেট খুবই যৌক্তিক ও বাস্তবসম্মত। এবারের বাজেটে করোনা পরিস্থিতি বিবেচনায় প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে ভ্যাকসিন প্রদানে নিশ্চিয়তাসহ স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও কৃষি খাতকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। এছাড়া সরকার ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের বিকাশকে অগ্রাধিকার দিয়েছে, যাতে স্থানীয় পর্যায়ে উদ্যোক্তা তৈরি হয় এবং গ্রামীণ মানুষের কর্মসংস্থান করা যায়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ। বিতর্ক প্রতিযোগিতায় সরকারি দল হিসেবে ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ ও বিরোধী দল হিসেবে প্রাইমএশিয়া ইউনিভার্সিটির বিতার্কিকরা অংশ নেন। প্রতিযোগিতায় ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশকে পরাজিত করে প্রাইমএশিয়া ইউনিভার্সিটি চ্যাম্পিয়ন হয়।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop