৯:০২ অপরাহ্ন

রবিবার, ২১ জুন , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : জুলাই ১, ২০২২ ৫:০৮ অপরাহ্ন
পদ্মা সেতু কোরবানির আয়োজনে অভাবনীয় সুযোগ তৈরি করেছে: প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী
প্রাণিসম্পদ

পদ্মা সেতু কোরবানির আয়োজনে অভাবনীয় সুযোগ তৈরি করেছে এবং কোরবানিকেন্দ্রিক অর্থনীতিতে ব্যাপক প্রভাব ফেলেছে বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বলেছেন।

শুক্রবার (১ জুলাই) রাজধানীতে জাতীয় প্রেস ক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে পদ্মা সেতুর সম্ভাবনা: দেশীয় পশুতে কোরবানি, খামারিদের সমস্যা ও করণীয়’ বিষয়ক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এ কথা জানান।

এ সময় তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদৃষ্টি, আত্মবিশ্বাস,সততা, দৃঢ়তা ও দেশপ্রেমের অকল্পনীয় সিদ্ধান্তে পদ্মা সেতু নির্মাণ হয়েছে। অর্থনৈতিক উন্নয়নের একটা নতুন দিগন্ত উন্মোচন করে দিয়েছে পদ্মা সেতু। এ সেতু আমাদের বিশাল সম্ভাবনা তৈরি করেছে। কোরবানির পশু নিয়ে এক সময় ঘাটে এসে দুই-তিনদিনও অপেক্ষা করতে হতো। পদ্মা সেতু দিয়ে যারা ঢাকা ও দেশের অন্যান্য জায়গায় কোরবানির পশু নিয়ে আসবেন তাদের জন্য পশু পরিবহনের ক্ষেত্রে অভাবনীয় সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। এতে একদিকে যেমন কোরবানির জন্য সম্প্রসারিত জায়গা হচ্ছে, অপরদিকে রাস্তা-ঘাটে ভয়ঙ্কর অবস্থা তৈরি হচ্ছে না। দেশের প্রান্তিক পর্যায় থেকে ঢাকা বা ঢাকা থেকে অন্যত্র পশু পারাপারে এখন ফেরি পার না হলেও চলে। ফলে ফেরিঘাটকেন্দ্রিক খামারিদের বিড়ম্বনা এখন নেই। পদ্মা সেতুর কারণে কোরবানির পশু পারাপার সহজ হয়েছে। পথে অনেক সময় পশু ক্লান্ত হয়ে অসুস্থ হয়ে যেত, অনেক সময় মারাও যেত, সে অবস্থা থেকে পরিত্রাণ হয়েছে। এটা খামারি, বিপণনকারী ও ভোক্তাদের জন্য সুযোগ সৃষ্টি করেছে। এভাবে পদ্মা সেতু কোরবানির আয়োজনে অকল্পনীয় সুযোগ করে দিয়েছে। কোরবানির অর্থনীতিতেও এর ব্যাপক প্রভাব পড়েছে।

তিনি আরও বলেন, এ বছর আমরা নিয়ম করে দিয়েছি, যিনি কোরবানির পশু নিয়ে আসবেন তিনি পশু ঢাকায় না সিলেটে কোথায় বিক্রি করবেন সেটা তার ব্যাপার। পথে কোন বাজারে তাকে পশু নামাতে জোর করা যাবে না। খামারিদের আরেকটি সুযোগ করে দেওয়া হয়েছে, বাড়িতে বা রাস্তায় পশু বিক্রি করলে তাদের কোন হাসিল দিতে হবে না। কেউ খামারিদের বাজারে এনে পশু বিক্রিতে বাধ্য করতে পারবে না। কোরবানির পশু বাড়িতে বিক্রি করলে নিকটবর্তী বাজার ইজারাদার চাঁদা আদায়ের কথা বলতে পারবে না।

শ ম রেজাউল করিম আরও যোগ করেন, রাস্তাঘাট অথবা যেখানে যান চলাচলে বিব্রতকর অবস্থা সৃষ্টি হয় সেখানে কোন পশুর হাট বসতে পারবে না। নির্ধারিত জায়গায় হাট বসবে। প্রতিটি স্বীকৃত হাটে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের ভেটেরিনারি মেডিকেল ব্যবস্থাপনা থাকবে, যাতে অস্বাস্থ্যকর ও রোগগ্রস্ত পশু কেউ যেন সামনে নিয়ে না আসে অথবা সেটা বিক্রি যেন না হয়। হাটে বিনামূল্যে পশু পরীক্ষার ব্যবস্থা থাকবে। এছাড়াও এবারের ঢ় ঘাস ক হাটে আর্থিক লেনদেনের জন্য স্মার্ট ব্যাংকিং ব্যবস্থা থাকবে। এভাবে ক্রেতা-বিক্রেতা ও ভোক্তার জন্য একটি নিরাপদ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত হবে।

ক্রান্তিকালে খামারিরা যাতে টিকে থাকতে পারে সেজন্য রাষ্ট্র পদক্ষেপ নিয়েছে উল্লেখ করে মন্ত্রী এ সময় বলেন, করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত খামারিদের সরকারের পক্ষ থেকে প্রণোদনা দেওয়া হয়েছে। এবার বৃহত্তর সিলেট ও ঢাকার একটি অংশে প্রাণিসম্পদ খাতে যে বড় ধরনের ক্ষতি হয়েছে, সেটা নিয়ে সরকারের উচ্চ পর্যায়ে যোগাযোগ করা হয়েছে। প্রণোদনা দিয়ে খামারিরা যাতে ক্ষতি পুষিয়ে নিতে পারে এবং এ খাত যাতে ঘুরে দাঁড়াতে পারে সে জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া হবে। বৃহত্তর সিলেটে স্মরণাতীতকালের বন্যা ও জলোচ্ছ্বাস হলেও পশু মৃত্যুর সংখ্যা বিশাল নয়। তারপরও ঐই অঞ্চলের ক্ষতির বিষয়টি মাথায় রেখে বরিশালসহ দেশের অন্যান্য এলাকার উদ্বৃত্ত পশু এ সব ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় বিপণনের জন্য উৎপাদকদের নিয়ে মেতে হবে। পশু পরিবহনে পথে কোন বাধা থাকবে না। যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নের কারণে দ্রুততার সাথে এক অঞ্চলের পশু অন্য অঞ্চলে নিয়ে যাওয়া এখন সহজ। এক্ষেত্রে খামারিদের এগিয়ে আসতে হবে।

গবাদিপশুর খাদ্য নিয়ে মন্ত্রী বলেন, পশু খাদ্য তৈরির অন্যতম উপাদান প্রোটিন বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয়। এ আমদানিতে উৎসে করসহ অন্যান্য কর সরকার শিথিল করে দিয়েছে। দেশে পশু খাদ্য উৎপাদনের জন্য সরকার এ কর অব্যাহতি দিয়েছে। গুড়া দুধ উৎপাদনে দেশে খামারিরা কারখানা স্থাপন করলে বিদেশ থেকে যন্ত্রপাতিসহ অন্যান্য আমদানিতে কর মওকুফের ব্যবস্থা সরকার করবে।

ক্ষতিগ্রস্ত খামারিদের সমস্যা মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করছে বলেও এ সময় জানান মন্ত্রী। এ সমস্যা সমাধানের উপায় বের করতে সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে যাওয়ার বিষয়টিও আশ্বস্ত করেন তিনি।

ফিশারিজ অ্যান্ড লাইভস্টক জার্নালিস্ট ফোরামের সভাপতি এম এ জলিল মুন্না রায়হানের সভাপতিত্বে সেমিনারে বিশেষ অতিথির বক্তব্য প্রদান করেন প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. মনজুর মোহাম্মদ শাহজাদা ও বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন। অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় ভেটেরিনারি হাসপাতালের পরিচালক ডা. মো. শফিউল আহাদ ও বাংলাদেশ ডেইরি ফার্মারস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মোহাম্মদ ইমরান হোসেন। স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন ফিশারিজ অ্যান্ড লাইভস্টক জার্নালিস্ট ফোরামের সাধারণ সম্পাদক তরিকুল ইসলাম সুমন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ১, ২০২২ ২:১০ অপরাহ্ন
কোরবানির জন্য ৪ লাখ গরু প্রস্তুত করছেন সিরাজগঞ্জের খামারিরা
প্রাণিসম্পদ

ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে সিরাজগঞ্জের ৯টি উপজেলার ১৫ হাজার খামারে চলছে গবাদিপশু মোটাতাজা করণের কাজ।

করোনার প্রভাবে গত দুই বছর আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হলেও এ বছর ক্ষতি পুষিয়ে নেওয়ার স্বপ্ন দেখছেন তারা। জেলায় প্রায় ৪ লাখ গরু কোরবানির জন্য প্রস্তুত করেছেন স্থানীয় খামারিরা।

জেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, জেলায় ১৫ হাজার বাণিজ্যিক খামার ও ব্যক্তিগতভাবে এই গবাদিপশুগুলো প্রস্তুুত করা হয়েছে। সেই সঙ্গে বাড়তি লাভের আশায় অনেকেই কোরবানির ৫ থেকে ৬ মাস আগেই গরু লালন-পালন শুরু করেন। কোরবানি উপলক্ষে জেলায় ৩ লাখ ৯১ হাজার গবাদিপশু প্রস্তুত রয়েছে।

এবছর জেলায় প্রায় আড়াই লাখ গবাদিপশুর চাহিদা রয়েছে। বাকি পশু ঢাকা, চট্টগ্রাম, নারায়নগঞ্জসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় বিক্রির জন্য পাঠানো হবে বলে খামারিদের সূত্রে জানা গেছে।

সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, জেলায় খামারি আছেন ১৫ হাজার। এই খামারগুলোতে দেশি, শাহিওয়াল ও ফ্রিজিয়ানসহ বিভিন্ন জাতের গরু লালন-পালন করা হচ্ছে। গত দুই বছর করোনা মহামারির কারণে প্রত্যেক খামারি কয়েক লাখ টাকা করে লোকসান গুনেছেন। এবার করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ায় সেই লোকসান কিছুটা পুষিয়ে নেওয়ার চিন্তা করছেন খামারিরা। তবে গো-খাদ্যের দাম বেড়ে যাওয়ায় বিপাকে পড়েছেন তারা। এতে গবাদি পশু পালনে খরচ বেড়েছে।

খামারীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ৩ মাস আগে ৪০ কেজি ভুষির মূল্য ছিল ১৩শ থেকে ১৪শ টাকা। এখন সেই ভুষি কিনতে হচ্ছে ১ হাজার ৭৫০ থেকে ১ হাজার ৮০০ টাকায়। আর খৈলের ৪০ কেজি বস্তার বাজারদর আগে ছিল ১৪শ থেকে ১৫শ টাকা। এখন খৈলের বস্তার দাম ২ হাজার টাকা।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ৩০, ২০২২ ১০:২২ অপরাহ্ন
এলডিডিপির উদ্যোগে সিলেট ও সুনামগঞ্জের বন্যাদুর্গতদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ
প্রাণ ও প্রকৃতি

প্রাণিসম্পদ সম্প্রসারণ কর্মকর্তা (এলডিডিপি) কল্যাণ পরিষদের উদ্যোগে সিলেট ও সুনামগঞ্জের বন্যাদুর্গত অঞ্চলের প্রাণীর জন্য পাঁচ লক্ষ টাকার সমমূল্যের মেডিসিন ও ২.৫ টন গো-খাদ্যের ত্রাণ বিতরণ করা হয়।

ত্রাণ বিতরণের সময় উপস্থিত ছিলেন প্রাণিসম্পদ সম্প্রসারণ কর্মকর্তা পরিষদের সভাপতি ডা. মোঃ আছাবুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক ডা. এ.এম.এম. গোলাম মর্তুজা, উপদেষ্টা ডা. জামিল আহমেদ, সিলেট বিভাগের সাধারণ সম্পাদক ডা. রাসেল মাহমুদ, অত্র অঞ্চলের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং এল.এফ.এ ও এল.এস.পি।

অত্র অঞ্চলে বন্যায় গৃহহীন হয়ে পড়েছে লক্ষ লক্ষ মানুষ। পানিবন্দী অবস্থায় অসহায় জীবনযাপন করছে মানুষ ও গবাদি প্রাণী।বন্যার জলে ভেসে যাচ্ছে গবাদি প্রাণী ও হাঁস-মুরগি।বন্যার পানি ঢোকায় গরু-ছাগল এবং হাঁস মুরগির খামার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। নষ্ট হয়েছে চারণ ভূমির ঘাস, আবাদকৃত ঘাসের ক্ষেত এবং খড়ের গাদা।খাদ্যের ও মেডিসিনের অভাবে মারা যাচ্ছে অনেক প্রাণী।

এই কঠিন মুহূর্তে খামারিরা মেডিসিন ও গো-খাদ্য পেয়ে অনেক আনন্দিত।তারা প্রাণিসম্পদ সম্প্রসারণ কর্মকর্তা (এলডিডিপি)কল্যাণ পরিষদের সাফল্য কামনা করেছেন।

ত্রাণ বিতরণ হয়েছে ভারতের মেঘালয় রাজ্যের সীমানা ঘেঁষে বাংলাদেশের তাহেরপুর উপজেলার সীমান্তবর্তী গ্রামগুলোসহ সুনামগঞ্জের শনির হাওর,ডেকার হাওর, টাঙ্গুয়ার হাওর এবং সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ ও দক্ষিণ সুরমা ।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ৩০, ২০২২ ১২:৪৯ অপরাহ্ন
দুটি গরু দিয়ে শুরু করে ২ কোটি টাকার মালিক হাকিম, হৃষ্টপুষ্টকরণে দেখভাল জেলা প্রাণিসম্পদ‘র
প্রাণিসম্পদ

২০০৫ সালে মাত্র দুটি গরু দিয়ে খামার শুরু করেন যশোরের মণিরামপুর উপজেলার রামপুর গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত স্কুলশিক্ষক মো. আব্দুল হাকিম। বছর পাঁচেকের মধ্যে আধুনিক শেড তৈরি করে বাণিজ্যিকভাবে খামার করেন তিনি।  এখন খামারে ১০১টি গরু আছে। যেগুলোর দাম প্রায় দুই কোটি টাকা। এর মধ্যে অর্ধেক ষাঁড়। যা তিনি কোরবানির ঈদের জন্য প্রস্তুত করছেন বলে জানান।

মো. আব্দুল হাকিম জানান, আমার খামারে কোরবানির জন্য বেশকিছু গরু প্রস্তুত করা হয়েছে। দেড় লাখ থেকে সর্বোচ্চ তিন লাখ টাকা মূল্যের ষাঁড় রয়েছে।  খামারে ৩০টি ষাঁড় রয়েছে। এগুলোর একেকটির দাম তিন লাখ টাকার ওপরে। বাকিগুলোর দাম দেড় লাখ টাকার মধ্যে। সবমিলিয়ে খামারে প্রায় দুই কোটি টাকার গরু রয়েছে বলে জানান হাকিম।

একই উপজেলার মোবারকপুর গ্রামে গরুর খামার রয়েছে যশোরের ব্যবসায়ী মো. মতিয়ার রহমানের। বড় একটি শেডে মোটাতাজা করা হচ্ছে ৫৫টি ফ্রিজিয়ান, সিন্ধি ও ন্যাপাসহ দেশি জাতের গরু। খামারটি দেখভাল করেন তারই আত্মীয় মেহেদি আল ইমরান খান পান্না।

তিনি জানান, দেড় কোটি টাকার বেশি বিনিয়োগ করা হয়েছে এবার খামারে। গো-খাদ্যের দাম বৃদ্ধিতে এবার খামারিরা একটু কমই বিনিয়োগ করেছেন। গতবার করোনার কারণে গরু বেচাকেনা কম হয়েছিল। তবে এবার মনে হয় দামটা ভালো পাওয়া যাবে।

খান পান্না বলেন, আমাদের খামারে সর্বোচ্চ ছয়-সাত লাখ টাকা দামের ষাঁড় রয়েছে। এছাড়া চার-পাঁচ লাখ টাকা দামের পাঁচ-ছয়টি ষাঁড় রয়েছে। অন্যগুলো দুই-তিন লাখ টাকা দামের।

এদিকে, কোরবানির ঈদ উপলক্ষে গবাদি পশু মোটাতাজাকরণে ব্যস্ত জেলার খামারিরা। এবার জেলায় প্রায় ৯০ হাজার গরু ও ছাগল প্রস্তুত করা হচ্ছে; যা চাহিদার তুলনায় পাঁচ হাজার বেশি। ক্ষতিকর হরমোন কিংবা ইনজেকশনের ব্যবহার ছাড়াই দেশি পদ্ধতিতে গবাদি পশু পালন করছেন খামারিরা। তাই পশুর ভালো দাম পাওয়ার আশা করছেন তারা। যেহেতু কয়েক বছর ধরে ভারত থেকে গরু আমদানি বন্ধ রয়েছে; সে কারণে গরুর দামও বেশি।

জেলা প্রাণিসম্পদ দফতর সূত্র জানায়, কোরবানি উপলক্ষে যশোরে প্রায় ১০ হাজার খামারে ৯০ হাজার ৬৩১টি গরু ও ছাগল মোটাতাজা করা হচ্ছে। এর মধ্যে গরু ২৭ হাজার ৯৫৫টি ও ছাগল ৬২ হাজার ৬৭৬।

জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. রাশেদুল হক জাানান, যশোরে এবার কোরবানির পশু উদ্বৃত্ত থাকবে। জেলার চাহিদা পূরণ করে চার-পাঁচ হাজার পশু অন্যত্র জোগান দেওয়া যাবে।

তিনি আরও জানান, প্রাকৃতিক পদ্ধতিতে এ অঞ্চলের খামারিরা গরু মোটাতাজা করছেন। মাঠপর্যায়ে কর্মকর্তারা খামারিদের সেসব মোটাতাজাকরণ প্রক্রিয়া নিয়মিত মনিটরিং করছেন। এর আগে আমরা সঠিক পদ্ধতিতে মোটাতাজাকরণে খামারিদের প্রশিক্ষণ দিয়েছি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ৩০, ২০২২ ১১:২১ পূর্বাহ্ন
মোহনপুরে প্রাকৃতিকভাবে গরু হৃষ্টপুষ্টকরণে ব্যস্ত কৃষকরা
প্রাণিসম্পদ

রাজশাহীর মোহনপুরে কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে প্রাকৃতিক উপায়ে গরু মোটাতাজাকরণে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা। প্রাকৃতিক উপায়ে হৃষ্টপুষ্টকরণ করায় এই অঞ্চলের গরুর চাহিদাও অনেক বেশি। এবার বাজারে গরুর ব্যাপক চাহিদা থাকায় গরুর খাবারের দাম কিছুটা বেশি হলেও ভারত থেকে গরু না আসলে লাভবান হবেন বলে জানিয়েছেন খামারিরা।

উপজেলায় বিভিন্ন খামার ঘুরে দেখা যায়, পরম যত্নে গরুগুলোর প্রতিনিয়ত দেখভাল করছেন খামারিরা। কারণ কোরবানির হাটে যে গরু দেখতে যতো আকর্ষণীয় হবে, তার দামও হবে ততো বেশি। তাই গরু খাদ্য তালিকাটাও বেশ সমৃদ্ধ। গরু হৃষ্টপুষ্টকরণ করতে ঘাসের পাশাপাশি দেয়া হচ্ছে প্রাকৃতিক খাবার খৈল, ভূষি, চাউলের খুদ ও খড়।

উপজেলার ময়ার মোড় গ্রামের খামারি সাইদুল ইসলাম জানান, গত ঈদে ১৬টি গরু মোটাতাজা করে প্রায় দেড় লাখ টাকার মতো লাভ করেছিলেন। এ বছর কুরবানি উপলক্ষে গত ৫-৬ মাস থেকে ১২টি গরু ২টি মহিষ মোটাতাজা করছি।

এবার গরুর খাবারের দাম ও ঔষুধের দাম অনেক বেশি। অসাধু পন্থা অবলম্বন না করে সম্পূর্ণ প্রাকৃতিকভাবে কাঁচা ঘাস, খড়, গম, বুট, খুদের ভাত, খৈল-ভুষি খাইয়ে যতটুকু মোটাতাজা করার দরকার নিখুঁত খাদ্য অনুযায়ী এ পর্যন্ত করতে পারছি। যদি ভারতীয় গরু না আসে তাহলে লাভ থাকবে। অন্যথায় লোকসান হওয়া আশঙ্কা করছি।

উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিস সূত্রে জানা যায়, ঈদকে সামনে রেখে এই উপজেলায় ৬টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভায় ৫২৫৭ খামারে গরু ১৮৫২৬, ছাগল ৩৬০৭২, ভেড়া ৩৬৫৬ মোটাতাজাকরণ করা হচ্ছে।

মোহনপুর উপজেলা অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা: বিল্লাল হোসেন বলেন, উপজেলার বেশিরভাগ মানুষ কৃষি ও পশুপালনে নিয়োজিত রয়েছেন। প্রাণী সম্পদ অফিস থেকে আগ্রহী ব্যক্তিদের প্রশিক্ষণ ও প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করা হয়েছে। এ কারণে এবার উপজেলায় কুরবানির চাহিদার থেকে বেশি পশু প্রস্তুত হয়েছে।

ভারতীয় গরু আমদানি বন্ধ রাখতে পারলে কৃষক ও খামারিরা ন্যায্য মূল্যে কুরবানি পশু সরবরাহ করতে পারবেন। খামারিদের প্রাকৃতিকভাবে মোটাতাজাকরণ করতে পরামর্শ দেয়া হচ্ছে। কোনো খামারি যেন স্টেরয়েড বা ক্ষতিকারক ইনজেকশনের মাধ্যমে পশু হৃষ্টপুষ্ট করতে না পারে সে বিষয়ে সার্বক্ষণিক তদারকি করা হচ্ছে। যদি কোন খামারি ও ঔষধ বিক্রেতা এর সাথে জড়িত থাকে তাহলে তাদের তথ্য-প্রমাণ পেলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ৩০, ২০২২ ১১:১১ পূর্বাহ্ন
কুরবানির জন্য সুস্থ গরু চেনার উপায়
প্রাণিসম্পদ

কুরবানি দিবেন, অথচ গরু সুস্থ হবে না এটা কি মানা যায়! তাই সুস্থ গরু সবারই চাই। এজন্য আপনাকে কতগুলো বিষয় নজরে নিয়ে গরু নির্বাচন করতে হবে। আজকের লেখায় থাকছে এমন কিছু।

কুরবানির জন্য সুস্থ গরু চেনার উপায়:
সুস্থ গরুর প্রথম বৈশিষ্ট্য হলো গরুটি সচেতন থাকবে। লেজ দিয়ে মশা-মাছি তাড়াবে, আশপাশে মানুষের উপস্থিতি বুঝতে পারবে এবং এ সময় সে নড়ে উঠবে।

গরুর নাক শুকনা থাকবে। অর্থাৎ নাক দিয়ে পানি পড়বে না। তবে নাকের নিচের অংশ (ঠোঁটের উপর কালো অংশ) ভেজা ভেজা থাকবে।

সুস্থ গরুর অন্যতম বৈশিষ্ট হলো জাবর কাটা। অনেকক্ষণ জাবর না-কাটলে সেই গরুর নানান সমস্যা আছে ধরে নিতে হবে।
গরুর গায়ের লোম মসৃণ এবং উজ্জ্বল থাকবে। লোম খাড়া থাকবে না আবার একদম ভাঙাও থাকবে না। পেছনে গোবর লেগে থাকবে না। যদি পাতলা গোবর লেগে থাকে তবে গরুর পেটে সমস্যা রয়েছে বুঝতে হবে।

গরুর মুখ দিয়ে লালা পড়বে না। আমরা অনেক সময় দেখি দূর থেকে ট্রাকে গরু অনার কারণে লালা পড়ে। গরু যথেষ্ট বিশ্রাম পাওয়ার পরও লালা ঝরছে কিনা লক্ষ্য রাখতে হবে। অনেক সময় গরুর মুখে ঘা থাকতে পারে, কিংবা দুই পায়ের চিপায় ঘা থাকতে পারে- এসব ব্যাপার খেয়াল রাখতে হবে।

স্বাভাবিকভাবে গরু শ্বাস-প্রশ্বাস নেবে। আপনি সেটা বুঝবেন না। শ্বাস-প্রশ্বাসের সময় শরীর ওঠা-নামা করলে বুঝতে হবে সেই গরুর সমস্যা আছে। স্বাভাবিক অবস্থায় গরু মিনিটে ১৫-১৬ বার শ্বাস-প্রশ্বাস নেয়।

গরুর পায়ের পেছনের মাংস চাপ দিয়ে দেখতে হবে কত দ্রুত স্বাভাবিক হচ্ছে। যদি দ্রুত স্বাভাবিক হয় তবে সমস্যা নেই। দ্রুত স্বাভাবিক না-হলে অর্থাৎ মাংস দেবে থাকলে সমস্যা।

থার্মোমিটার দিয়ে গরুর তাপমাত্রা পরীক্ষা করতে হবে। তাপমাত্রা ১০১ ডিগ্রি থাকতে হবে। পায়ুপথে থার্মোমিটার ঢুকিয়ে এক মিনিট রেখে গরুর গায়ে বা চামড়ায় চেপে ধরলেই তাপমাত্রা পরীক্ষা করা যাবে।

বিষয়গুলো বলেছেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেটেরিনারি সায়েন্সের ডিন, ডা. মো. মকবুল হোসেন, একই বিভাগের প্রফেসর ডা. ফরিদা ইয়াসমিন বারি, ড. একেএম আনিসুর রহমান

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ২৯, ২০২২ ৪:১২ অপরাহ্ন
স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি নির্মল রঞ্জন গুহের মৃত্যুতে প্রাণিসম্পদ মন্ত্রীর শোক
প্রাণিসম্পদ

বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি নির্মল রঞ্জন গুহের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম এমপি ।

সিঙ্গাপুরে মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বুধবার সকাল সাড়ে ১০টায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

বুধবার সকালে সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক একেএম আফজালুর রহমান বাবু মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় গত ১২ জুন রাতে রাজধানীর শ্যামলীর বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালে ভর্তি করা হয় নির্মল রঞ্জন গুহকে। এরপরই তাকে নেওয়া হয় লাইফ সাপোর্টে। উন্নত চিকিৎসার জন্য ১৬ জুন দুপুরে তাকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে নেওয়া হয়। এরপর থেকে সেখানেই চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মরহুমের বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করেন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ২৯, ২০২২ ১:২৩ অপরাহ্ন
সাত লাখ কোরবানির পশু নিয়ে প্রস্তুত পাবনার খামারিরা
প্রাণিসম্পদ

সামনের মাসেই পবিত্র কোরবানীর ঈদ। সারাদেশে পশুর হাটগুলোতে চলছে জোর প্রস্তুতি।

সারাদেশে কোরবানীর পশুর জন্য সুনাম রয়েছে পাবনার। স্থানীয়দের চাহিদা মিটিয়ে পাবনার পশু সরবরাহ হয়ে থাকে সারাদেশে।

পবিত্র ঈদ উল-আযহাকে সামনে রেখে এ বছরও বিপুলসংখ্যক পশু কোরবানীর জন্য প্রস্তুত করেছেন জেলার খামারীরা। জেলার ২৪ হাজার খামারে প্রায় ৭ লাখ কোরবানীর পশু প্রস্তুত রয়েছে এবারের ঈদ উপলক্ষে। পাবনা জেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয় সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

পাবনা জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) ডা. কৃষ্ণ মোহন হাওলাদার বলেন, জেলায় চলতি বছরে প্রায় ২৪ হাজার খামারে প্রায় ৭ লাখ কোরবানীর পশু প্রস্তুত রয়েছে। এর মধ্যে ১ লাখ ৭৭ হাজার গরু ও মহিষ আর ৩ লাখ ৭১ হাজার ছাগল-ভেড়া।

জেলাতে সব মিলিয়ে ৩ লাখ কোরবানীর পশুর চাহিদা রয়েছে। আর সাড়ে ৩ লাখ পশু বিভিন্ন জেলার বিভিন্ন প্রান্তে সরবরাহ হবে। বিগত দুই বছর অনলাইনে পশু কেনাবেচা হলে এই বছরে করোনার সংক্রমণ কম থাকায় হাটবাজারে পশু বিক্রি বেশি হবে বলে মনে করছেন জেলা প্রাণিসম্পদ এই কর্মকর্তা।

কোরবানীর পশুর জন্য ক্রেতাদের অন্যতম ভরসার নাম পাবনা অঞ্চল। সেই ধারাবাহিকতায় এ বছরও কোরবানীর ঈদের চমক নিয়ে হাজির হয়েছেন পাবনার তরুণ অনেক পশু খামারী। ‘পাবনার বাদশা’ ‘স্বপ্নরাজ’ বিভিন্ন নামে বিশাল আকৃতির ষাঁড় নিয়ে পাবনা অঞ্চলের মান রেখেছেন খামারীরা। ষাঁড়গুলো দেখার জন্য দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে ক্রেতারা আসছেন।
ঈদের আগেই পছন্দের বেশিরভাগ পশু খামার থেকে কিনে নিয়েছেন দেশের ধর্ণাঢ্য ব্যবসায়ীরা। এক খামারে রয়েছে বিশাল আকৃতির বাদশার ওজন প্রায় সাড়ে ৩২ মণ। গরুটির জন্য চাওয়া হয়েছে ২০ লাখ টাকা। পাবনার খামারে ব্রাহামা, অস্ট্রেলিয়ান ছাড়াও শাহীয়াল, ফিজিয়াম, ভুটান থেকে আনা ছোট ভুট্টি জাতের গরু রয়েছে।

গরুর পাশাপাশি বিভিন্ন জাতের খাসিও রাখা হয়েছে এ তালিকায়। মূলত ঈদের পর সারাদেশ ঘুরে বিভিন্ন জাতের গরু সংগ্রহ করে রাখা হয়। বেপারী বা ক্রেতারা খামারে এসে পছন্দ করে গরু কিনছেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ২৯, ২০২২ ১:১৪ অপরাহ্ন
দেশি জাতের গরু চেনার উপায়
প্রাণিসম্পদ

দেশে দিন দিন দেশি জাতের গরুর জনপ্রিয়তা বাড়ছে। ফলে দেশি জাত কিভাবে চেনা যায়, সে প্রশ্ন অনেকের।

সাধারণত দেশি জাতের গরুর শরীরে বিদেশি জাত বা শংকর জাতের চেয়ে চর্বি কম থাকে। দেশি গরু আকারও কিছুটা ছোট হয়। মাংসে স্বাদ বেশি হয়, কিন্তু দুধের পরিমাণ বিদেশি গরুর তুলনায় কম হয়।

শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যানিম্যাল নিউট্রিশন, জেনেটিক্স ও ব্রিডিং বিভাগের অধ্যাপক লামইয়া আসাদ গণমাধ্যমকে বলেছেন, দেশি গরু চেনার উপায় হচ্ছে দেশি জাতের গরুর চামড়া শক্ত থাকে। এছাড়া এর কুঁজ থাকে এবং গলার নিচে চামড়ার ভাঁজ কম থাকে।

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের কৃত্রিম প্রজনন বিভাগের পরিচালক ডা. ভবতোষ কান্তি সরকার গণমাধ্যমকে বলেছেন, দেশি জাতের যেসব গরু বাজারে জনপ্রিয়, তার মধ্যে মুন্সিগঞ্জের মীরকাদিম, চট্টগ্রাম ও এর আশেপাশের এলাকার আরসিসি, পাবনা ক্যাটল, সিরাজগঞ্জের ব্রিড নামে পরিচিত গরুগুলো উল্লেখযোগ্য।

পাবনা ক্যাটল

এটি পাবনা ব্রিড নামেও পরিচিত। এই জাতের গরুর বড় অংশটির রং সাদা বা সাদা মেশানো ছাই রং। এছাড়া লাল, ধূসর বা মিশ্র বর্ণেরও হয় এসব গরু। দেশীয় আবহাওয়া সহনশীল এসব গরু পালনে খাবার কম লাগে।

দেশের জাতীয় তথ্য বাতায়নে পাবনা ক্যাটল সম্পর্কে বলা হয়েছে, পাবনার চলনবিল সংলগ্ন এলাকায় এই গরুর বাস। এটি খর্বকায় মানে বেশি বড় আকৃতির নয়। এদের স্বাস্থ্য সুঠাম, রোগব্যাধি কম হয়। এটি ঘাস খায়, এর বাইরে অন্য ধরনের খাবার কমই দিতে হয়। দেশে দুধের উৎপাদন বাড়াতে ফ্রিজিয়ান গরুর সাথে এর কৃত্রিম প্রজনন করা হচ্ছে গত কয়েক বছর ধরে।

সিরাজগঞ্জ ব্রিড

এই জাতের গরু মূলত পদ্মাপারের কয়েকটি জেলায় হয়ে থাকে। এই জাতের গরুর সঙ্গে পাবনা ক্যাটলের সাদৃশ্য রয়েছে। তবে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা বলেছেন, এটি পাবনা ক্যাটলের চেয়ে আকারে কিছুটা বড় হয়। এর কুঁজ উঁচু ও বলিষ্ঠ হয়।

এসব জাত ছাড়াও সাম্প্রতিক বছরগুলোতে মাংসের চাহিদা মাথায় রেখে শাহীওয়াল এবং ব্রাহমা জাতের গরুর সাথে সংকরায়ন করে আরো কিছু জাতের প্রজনন ঘটানো হয়েছে, যেগুলো কোরবানির পশুর হাটে ক্রেতাদের মন জয় করেছে।

মীরকাদিমের ধবল গাই

এটি আকারে সাধারণ গরুর চেয়ে বড়। এটি সাধারণত সাদা রংয়ের হয়। কখনো এর সঙ্গে তার গায়ে অল্প ছাই রং বা কালোর ছোপ থাকতে পারে। মীরকাদিমের গরুর মাংসে আঁশ কম থাকে, এর হাড় চিকন হয়। ফলে মাংস হয় নরম ও তেলতেলে।

এটি পালন সহজ, মানে খাবারের খরচ কম। খৈল, গম, মসুর ডালের ভুসি এবং ভুট্টা গুঁড়ার মত খাবার দিয়ে পালন করা যায়।

আরসিসি বা রেড চিটাগাং ক্যাটল

এই গরুর গায়ের রং লাল। এর ক্ষুরা মানে পায়ের রংও লাল। এটি আকারে বেশি বড় হয় না। এর কুঁজ ছোট আকারের হবে। এই গরু পালনে খাবার কম লাগে। দেশি আবহাওয়া সহনশীল বলে খামারিদের কাছে বেশ জনপ্রিয় এই গরু। মূলত এই জাত চট্টগ্রাম এবং এর আশেপাশের জেলায় বেশি উৎপাদন হয়।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ২৮, ২০২২ ৪:৩১ অপরাহ্ন
কাঁঠালিয়ায় ছাগলের ঘর, খাদ্য ও ওষুধ বিতরণ
প্রাণিসম্পদ

ঝালকাঠির কাঁঠালিয়ায় ‘দেশীয় মাছ রক্ষা করি, বিকল্প পেশায় আয় করি’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে জেলেদের মধ্যে বৈধ জাল এবং বিকল্প কর্মসংস্থানের জন্য ছাগল, ছাগলের ঘর, খাদ্য ও ছাগলের ওষুধ বিতরণ করা হয়েছে।

সোমবার উপজেলা পরিষদ চত্বরে উপজেলা মৎস্য বিভাগের আয়োজনে দেশীয় প্রজাতির মাছ এবং শামুক সংরক্ষণ ও উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় সুফলভোগী ১৫ জনের মধ্যে ৩০টি ছাগল বিতরণ করা হয়।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুফল চন্দ্র গোলদারের সভাপতিত্বে বিতরণ সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. এমাদুল হক মনির।

বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা মৎস্য অফিসার রিপন কান্তি ঘোষ ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. হাবিবুর রহমান উজির সিকদার, উপজেলা সমাজ সেবা অফিসার এসএম দেলোয়ার হোসেন।

বক্তব্য রাখেন ইউপি চেয়ারম্যান মাহমুদুল হক নাহিদ সিকদার, উপজেলা নির্বাচন অফিসার রুবায়েত হোসেন, আইসিটি অফিসার অতনু কিশোর দাস মুন, প্রেস ক্লাবের সভাপতি সিকদার মো. কাজল ও সিনিয়র সহসভাপতি ফারুক হোসেন খান প্রমুখ।

 

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop