৬:১০ অপরাহ্ন

বুধবার, ২৯ এপ্রিল , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : জুলাই ১২, ২০২১ ১০:৩৯ পূর্বাহ্ন
হিজলায় দুর্বৃত্তদের আগুনে পুড়ল গরু-ছাগল!
প্রাণিসম্পদ

বরিশালের হিজলায় দুর্বৃত্তদের দেয়া আগুনে রাফিজুল খান নামে এক খামারির ৬ টি গরু-ছাগল ঝলসে গেছে। আগুন নিভাতে গিয়ে মারাত্মক আহত হয় রাফিজুল ও তার স্ত্রী।

শনিবার দিবাগত রাতে উপজেলার হরিনাথপুর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের চর আবুপুর এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।

ক্ষতিগ্রস্ত খামারি রাফিজুল খান জানান, তারা স্বামী স্ত্রী ও ৩ ছেলে-মেয়ে নিয়ে রাতে ঘুমিয়ে ছিলেন। গোয়াল ঘরটি তাদের শয়ন ঘরের পিছনে ছিল। ভোর রাতের দিকে ঘরের উপর দিয়ে আগুনের ঝলকানিতে স্ত্রী মালেকার ঘুম ভেঙে যায়।

বের হয়ে গোয়াল ঘরে আগুন দেখে ডাক চিৎকার দেয় তারা। আগুন নিভাতে গিয়ে মারাত্মক আহত হয় রাফিজুল ও তার স্ত্রী।

মালেকা বেগম জানান, গোয়াল ঘরে কোন বিদ্যুতের সংযোগ নেই। মশার কয়েলও জ্বালানো হয় নি। কিভাবে আগুন লাগলো সেই প্রশ্ন তাদের! কেউ শত্রুতা করে আগুন দিতে পারে।

খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন হিজলার হরিনাথপুর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মো. আব্দুর রহিম।

হিজলা থানা ওসি অসিম কুমার সিকদার জানান, এ ঘটনায় কেউ থানায় অভিযোগ করেনি। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে ‍জানান তিনি।

এগ্রিভিউ/এসএমএ

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ১২, ২০২১ ৯:২১ পূর্বাহ্ন
অনলাইনই ভরসা ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ১২ হাজার খামারির
প্রাণিসম্পদ

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার ছোট, বড়, মাঝারি সাড়ে ১২ হাজার খামারি এক লাখ ২৪ হাজার ৭২৭টি গরু প্রস্তুত করেছে এবারের কোরবানির জন্য। তবে, এজেলায় চলতি বছর এক লাখ সাত হাজার গরু কোরবানি হবে বলে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে, করোনা পরিস্থিতিতে লকডাউাউনের কারণে এএখন পর্যন্ত হাট বসার অনুমতি পাননি খামারীরা। তাই বাধ্য হয়ে অনলাইরেনই ভরসা তাদের আর জমেও উঠেছে বেশ।

তবে জানা যায়, একাধিক সীমান্ত দিয়ে ভারত থেকে আসা গরু নিয়ে চিন্তায় আছে দেশীয় খামাারিরা। এখনো জেলার একাধিক বাজারে ভারতীয় গরুর আধিক্য থাকায় তাঁরা আর্থিকভাবে লোকসানের মুখে পড়তে পারেন বলে অনেক খামারি শঙ্কার মধ্যে আছেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অন্যতম বড় খামার পৌরসভার আমীনপুর এলাকার নিউ প্রিন্স ডেইরি ফার্মের স্বত্বাধিকারী মো. নাসির উদ্দিন জানান, বাজারে স্বাস্থ্যসম্মত গরু সরবরাহের লক্ষ্যে তিনি কাজ করছেন। তাঁর খামারে শাহিওয়াল, ফাইটার, নেপালি ঘির, রাজস্থানি, ওয়েস্টার্ন ফ্রিজিয়ান, উরবারি ষাঁড় জাতের গরু রয়েছে। সব মিলিয়ে গরুর সংখ্যা প্রায় আড়াই শ। এসবের দাম দেড় লাখ থেকে সাড়ে সাত লাখ টাকা পর্যন্ত।

অনলাইনে গরু বিক্রির বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হচ্ছে ‘ব্রাহ্মণবাড়িয়া ট্রেড সেন্টার’ নামের একটি পেজে। দিন যাচ্ছে, সেখানে বিক্রিও বাড়ছে। এখানে প্রতিদিন ৬০-৭০টি গরু বিক্রির পোস্ট আসে বলে জানিয়েছেন পেজসংশ্লিষ্ট বিবর্ধন রায় ইমন।

রাফান অ্যাগ্রো ফার্ম থেকে অনলাইনের মাধ্যমে তিনটি গরু বিক্রি হয়েছে বলে জানান প্রতিষ্ঠানসংশ্লিষ্ট মো. রাকিব।

জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. এ বি এম সাইফুজ্জামান জানান, এ বছর ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় কোরবানির মাংসের চাহিদা পূরণ করে উদ্বৃত্ত থাকবে। সীমান্ত অঞ্চলে ভারতীয় গরুর প্রবেশ ঠেকাতে স্থানীয় প্রশাসন ও বিজিবিকে অনুরোধ করা হয়েছে বলেও জানান এই কর্মকর্তা।

এগ্রিভিউ/এসএমএ

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ১২, ২০২১ ৯:০৭ পূর্বাহ্ন
চাঁদপুরে আরও ৩ গরু চোর আটক
প্রাণিসম্পদ

গত কয়েকদিন ধরে গরুচোরে উত্তাপ বেড়েই চলছে।দেশের সর্বত্র এই চোর চক্রের সদস্য আটক হচ্ছে।আবারও চাঁদপুরের হাজীগঞ্জে গরু চোর চক্রের আরও ৩ সদস্যকে আটক করেছে পুলিশ।

শনিবার রাতে হাজীগঞ্জ-রামগঞ্জ সড়কের সেন্দ্রা ও বেলঁচো এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন উপ পরিদর্শক মো. আবদুল আলিম ও মো. গোলাম ছামদানীসহ সঙ্গীয় ফোর্স।

আটককৃতরা হলো- গন্ধব্যপুর ইউনিয়নের পাচৈই চৌকিদার বাড়ির আবদুল আউয়াল(৩০), হাজীগঞ্জ সদর ইউনিয়নের দোয়ালিয়া গ্রামের মিঠু (৩০), একই গ্রামের হুতার বাড়ির মীর হোসেন(৪৮)।

সম্প্রতি আন্ত:জেলা গরু চোর চক্রের ৪ সদস্যকে গরু চুরির সরঞ্জামসহ আটক করা হয়। এনিয়ে কয়েকদিনে মোট ৭ গরু চোরকে পুলিশ আটক করা হয়েছে।

হাজীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ হারুনুর রশিদ জানান, চোরাই গরু উদ্ধারে পুলিশ কাজ করছে। সেই সাথে গরু চোর চক্রের হোতাদের আটক করতে অভিযান চালাচ্ছে। আদালতে আটক গরু চোরদের প্রত্যেকের ৭দিন করে রিমান্ড চাওয়া হয়েছে। লকডাউন শেষে আদালতের আদেশ আসবে। বর্তমানে গরু চোর ৩ জন চাঁদপুর কারাগারে রয়েছে।

এগ্রিভিউ/এসএমএ

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ১১, ২০২১ ১০:৪৫ অপরাহ্ন
চাহিদার তুলনায় বেশি গরু রয়েছে কুমিল্লায়, বিক্রি নিয়ে চিন্তায় খামারী!
প্রাণিসম্পদ

একদিকে আসন্ন কোরবানির ঈদ অন্যদিকে করোনা সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় সারাদেশে চলছে কঠোর লকডাউন। লকডাউনে কোরবানির হাট নিয়ে চিন্তিত খামারীরা।কোরবানির ঈদে কুমিল্লায় ২ লাখ ৩৭ হাজার পশুর চাহিদা রয়েছে। তার বিপরীতে মজুদ রয়েছে ২ লাখ ৩৮ হাজার ৩৪৫টি পশু। এবার চাহিদার তুলনায় ১ হাজার ৩৪৫টি পশু বেশি রয়েছে কুমিল্লায়।

গতবছরের লস কাটিয়ে উঠতে গিয়ে অধিক শ্রমে লালিত গরু-ছাগল বিক্রি করতে পারছেন না খামারীরা। আর বিক্রি করলেও চাহিদার চেয়েও কয়েকগুণ কমে ছাড়তে হচ্ছে গরু। তাই সারা দেশের মতো কুমিল্লার ৩০ হাজারের বেশি খামারিদের মধ্যে রয়েছেন চরম দুশ্চিন্তা।

জানা যায়, কুমিল্লার ১৭টি উপজেলাতে প্রায় ৩০ হাজারের অধিক খামারী রয়েছেন। যারা কোরবানি কেন্দ্রিক নিয়েছেন প্রস্তুতি।কোরবানির ঈদে বিক্রির উদ্দেশ্যে দীর্ঘদিন ধরে লালন-পালন করা এসব গবাদিপশু শেষ পর্যন্ত হাটে ওঠানো ও বিক্রি করা যাকে কি-না, এ নিয়ে খামারিদের কপালে এখন চিন্তার ভাঁজ পড়েছে।

এদিকে, করোনার সংক্রমণ এড়াতে গত বছরের মতো এবারও অনলাইনে গবাদিপশু বেচাবিক্রি শুরু হয়েছে। অনেকে এরই মধ্যে অনলাইনে কোরবানির জন্য পশু কিনতে শুরু করেছেন। তবে জেলার বেশিরভাগ খামারি এখনো অনলাইনে গবাদিপশু বিক্রিতে অভ্যস্ত হয়ে উঠেননি এবং পারদর্শী নন। যার কারণে খামারে লালন-পালন করা গবাদিপশু বিক্রি করতে পারা নিয়ে প্রতিনিয়ত শঙ্কা ও উৎকণ্ঠার মধ্যদিয়ে দিন পার করছেন খামারিরা।

রামিশা ক্যাটেল ফার্মের পরিচালক সবুর আহমেদ জানান, আমাদের খামারে থাকা ৩০টি গরুর মূল্য এক কোটি টাকার বেশি। কিন্তু এখনো কোন গরু বিক্রি হয়নি। গরু বিক্রি করা নিয়ে আমরা খুবই চিন্তার মধ্যে আছি। আমরা অপেক্ষায় আছি কবে হাট বসবে। কারণ হাট না বসলে আমরা গরুগুলোর সঠিক দাম পাবো না। সব মিলিয়ে দুশ্চিন্তার মধ্য দিয়ে আমাদের দিন কাটছে।

জেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা মো. নজরুল ইসলাম জানান, গত বছরের মতো এবারও অনলাইনে গবাদিপশু বেচাকেনার সুযোগ রয়েছে। করোনার সংক্রমণ এড়াতে আমরা সকলকে অনলাইনে গবাদিপশু বেচাকেনা করতে উদ্বুদ্ধ করছি। এছাড়া আমরা খামারিদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছি। এরপরও জেলার ৩৯১টি পশুর হাটের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে জেলা প্রশাসন থেকে। আগামী ১৪ জুলাইয়ের পর লকডাউন যদি শিথিল হয়, তখন স্বাস্থ্যবিধি মেনে এসব হাট বসবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

জেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্র জানায়, এবারের কোরবানির ঈদে বিক্রির উদ্দেশ্যে জেলার ১৭টি উপজেলা ও একটি সিটি করপোরেশন এলাকার মধ্যে মোট ৩০ হাজার ১৮৮টি খামারে গবাদিপশু লালন-পালন করা হয়েছে। এবারের কোরবানির ঈদে জেলায় ২ লাখ ৩৭ হাজার পশুর চাহিদা রয়েছে। তার বিপরীতে মজুদ রয়েছে ২ লাখ ৩৮ হাজার ৩৪৫টি পশু। এবার চাহিদার তুলনায় ১ হাজার ৩৪৫টি পশু বেশি রয়েছে কুমিল্লায়।

এগ্রিভিউ/এসএমএ

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ১১, ২০২১ ৫:৫০ অপরাহ্ন
‘সুলতান’ দেশের সবচেয়ে বড় গরু বলে দাবি খামারির!
প্রাণিসম্পদ

গরুটির ওজন ৪২ মণ। কানাডিয়ান জাতের বীজ থেকে এই ষাঁড় গরুর দেওয়া হয়েছে জন্ম। নাম রাখা হয়েছে সুলতান। লম্বায় ১০ ফুট আর উচ্চতায় ৫ ফুট ৭ ইঞ্চি। বয়স সাড়ে তিন বছর। এই গরুকে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় গরু বলে দাবি করছেন গরুর মালিক।

শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার বাঘবেড় ইউনিয়নে রাণীগাঁও গ্রামের খামারি গরুর মালিক রুহুল আমীন জানান,উন্নত কানাডিয়ান জাতের বীজ থেকে এই ষাঁড় গরুর জন্ম দেওয়া হয়েছে। অনেকটা সখ করেই বিশালদেহী ষাঁড়টির নাম দিয়েছেন ‘সুলতান’। এই সুলতান এখন হয়ে উঠেছে শেরপুর জেলার অন্যতম আকর্ষণীয় কোরবানির পশু। কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে বিক্রির জন্য অনেক যত্ন করে সুলতানকে বড় করেছেন। নিজ বাড়িতে ৪২ মণ ওজনের এই কানাডিয়ান প্রজাতির ষাঁড় পালনে করে চমক দেখিয়েছেন তিনি। এই ষাঁড়কে প্রতিদিন খড় ও ঘাস ছাড়াও খৈল ভুষি, ভাতের মার, খুদিসহ অন্তত ১০ কেজি খাবার দিতে হয়। আর সারাক্ষণ ফ্যানের বাতাসের মাঝে রাখতে হয়।

আরো পড়ুন: চাঁদপুরে অনলাইনে জমে উঠেছে গরু বিক্রি

রুহুল আমীন আরও জানান, বাংলাদেশে বিভিন্ন বড় বড় খামার পরিদর্শন করেছি। আমার এই সুলতানই হয়তো বর্তমানে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় গরু। এই গরুর মতো বড় ষাঁড় গরু দেশের আর কোথাও নেই বলে আমার ধারণা। তার বয়স ও ওজনের ওপর ভিত্তি করে দাম হাঁকছেন ২০ লাখ টাকা। তবে আলোচনা সাপেক্ষে দাম কমবেশি হতে পারে।’

উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মতিউর রহমান জানান, প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের অনলাইন পেজে সেই গরুর ছবিসহ বিস্তারিত বর্ণনা দেওয়া হয়েছে। সেখান থেকে ক্রেতারা পছন্দ করে নিতে পারবেন। তার জন্যও বিক্রিটা সহজ হবে বলে জানান তিনি।

এগ্রিভিউ/এসএমএ

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ১১, ২০২১ ৫:২৯ অপরাহ্ন
চাঁদপুরে অনলাইনে জমে উঠেছে গরু বিক্রি
প্রাণিসম্পদ

করোনা সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় চলছে কঠোর লকডাউন। আর এই কঠোল লকডাউনে কোরবানির গরু বিক্রি করার জন্য চাঁদপুরে হাট না বসায় অনলাইনে গরু বেচাকেনার কার্যক্রম শুরু করেছেন চাঁদপুরের খামারিরা।মহামারীর মধ্যে জনসাধারণের স্বাস্থ্য ঝুঁকি এড়াতে প্রশাসনও অনলাইনে গরু বেচাকেনায় উদ্বুদ্ধ করছেন স্থানীয় খামারিদের।

খামারগুলোতে দেখা যায়, কোরবানি ঈদকে সামনে শেষ মুহূর্তের কাজ সারছেন খামারিরা। ভালো দাম পেতে গরুকে প্রাকৃতিক উপায়ে মোটাতাজা করা হচ্ছে। নিয়মিত খৈল, ভুসি, কাঁচা ঘাস, ভিটামিন ও ক্যালসিয়াম খাওয়ানো হচ্ছে। সব মিলিয়ে ব্যস্ত সময় কাটছে গরুর খামারের শ্রমিকদের।

শহরের প্রফেসর পাড়া এলাকার ক্রেতা আবুল কাউসার বলেন, কোরবানিতো দেওয়াই লাগবে। তাই গরু কিনতে অনলাইনের সহায়তা নিচ্ছি। খামারিা গরুর ছবি বিভিন্ন পেইজে শেয়ার করছে। তা দেখে পছন্দের গরু কেনার চেষ্টা করছি।”
তবে খামারিরা এবছর গরুর দাম বেশি চাচ্ছেন বলে দাবি এ ক্রেতার।

চাঁদপুরের জেলা প্রশাসক অঞ্জনা খান মজলিশ জানান, স্থানীয় খামারিারা অনলাইনের মাধ্যমে তাদের পশুগুলো বিক্রি করছে। বিষয়টি আমাদের জন্য অত্যন্ত ইতিবাচক। করোনাভাইরাসের এই সময়টাতে অনলাইনে পশু বিক্রি করায় জনসমাগম এড়ানো সম্ভব হচ্ছে। এতে করে ক্রেতা-বিক্রেতা সহজেই স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে পারবেন।”

তিনি বলেন, যেহেতু আগামী ১৪ জুলাই পর্যন্ত মন্ত্রী পরিষদ বিভাগের বিধিনিষেধ আছে। তাই ১৪ তারিখ পর্যন্ত জেলার কোথাও গরুর হাট বসানোর অনুমতি দিচ্ছি না। এরপরে নির্দেশনা পেলে হাট বসানোর বিষয়ে চিন্তাভাবনা করা হবে।

চাঁদপুর জেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডা. বখতিয়ার উদ্দিন জানান, জেলায় পর্যাপ্ত পরিমাণে কোরবানির পশু মজুদ রয়েছে। অবৈধভাবে বিদেশী পশু যেন দেশে ঢুকতে না পারে, সেব্যাপারে সরকার পর্যবেক্ষণ করছে।

চাঁদপুর জেলা প্রাণী সম্পদ অফিসের তথ্য মতে, এ বছর জেলার ৮ উপজেলায় ছোট বড় ৩ হাজার ২শ খামারি ১ লাখ ১৭ হাজার গবাদী পালন করেছেন। এর মধ্যে গরু রয়েছে প্রায় ৭৮ হাজার এবং ছাগল ও ভেড়া রয়েছে ৩৯ হাজার। জেলায় কোরবানির চাহিদা রয়েছে ১ লাখ ১৮ হাজার পশুর।

এগ্রিভিউ/এসএমএ

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ১১, ২০২১ ১১:২৫ পূর্বাহ্ন
চাহিদার চেয়ে গরু-ছাগল বেশি খুলনা-রংপুরে, ঘাটতি ঢাকা-বরিশালে
প্রাণিসম্পদ

গত বছর সারাদেশে কোরবানি জন্য লালন-পালনকৃত পশুর সংখ্যা ছিল প্রায় ১ কোটি ১৮ লাখ ৯৭ হাজার ৫০০টি। আসন্ন ঈদুল আযহায় মাঠ পর্যায়ের তথ্য অনুযায়ী কোরবানিযোগ্য ৪৫ লাখ ৪৭ হাজার গরু-মহিষ, ৭৩ লাখ ৬৫ হাজার ছাগল ভেড়া, ৪ হাজার ৭৬৫টি অন্যান্য প্রজাতিসহ (উট, দুম্বা) সর্বমোট প্রায় ১ কোটি ১৯ লাখ ১৬ হাজার ৭৬৫টি গবাদি পশু প্রস্তুত আছে। তবে কোরবানি উপলক্ষ্যে গরু-ছাগলে ঘাটতি রয়েছে ঢাকা, বরিশাল, সিলেট ও ময়মনসিংহসহ চার বিভাগে। অন্যদিকে গরু-ছাগলে বাড়তি রয়েছে চট্টগ্রাম, খুলনা, রাজশাহী ও রংপুরে।

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরে আসন্ন পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষ্যে প্রস্তুতিমূলক আন্তঃমন্ত্রণালয় সভার কার্যপত্র থেকে এসব তথ্য জানানো হয়।

আসন্ন কোরবানির ঈদে ঢাকা বিভাগে মোট কোরবানির পশুর চাহিদা ২৪ লাখ ৪২ হাজার ৩৩০টি। এর মধ্যে কোরবানির পশু প্রস্তুত রয়েছে মাত্র ১১ লাখ ৫৫ হাজার ৪৩২টি। এবং ঘাটতি রয়েছে ১২ লাখ ৮৬ হাজার ৮৯০টি।

এর পরেই কোরবানির পশুর ঘাটতি রয়েছে বরিশাল বিভাগে। এই বিভাগে মোট কোরবানির পশুর চাহিদা ৫ লাখ ২৩ হাজার ৮০টি। এর মধ্যে কোরবানির পশুর ঘাটতি রয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৬৬৬টি। সিলেট বিভাগে মোট কোরবানির পশুর চাহিদা ৪ লাখ ৭৪ হাজার ৬০৩টি। এই বিভাগে ২ লাখ ৯ হাজার ৫১৮টি পশুর ঘাটতি রয়েছে। সব থেকে কম ঘাটতি রয়েছে ময়মনসিংহ বিভাগে ৭০ হাজার ৮৪৭টি। এই বিভাগে মোট চাহিদা ৩ লাখ ৮৪ হাজার ১২০টি।

রংপুর বিভাগে ১৪ লাখ ৬৬ হাজার ২৩০টি কোরবানির পশু বাড়তি রয়েছে যা দেশের মধ্যে সব থেকে বেশি। এই বিভাগে কোরবানির জন্য মোট পশুর চাহিদা ১০ লাখ ২৪ হাজার ৯৩টি। চাহিদার থেকে বেশি কোরবানির পশু প্রস্তুত করে এই বিভাগ। চট্টগ্রাম বিভাগে ৯ লাখ ৬১ হাজার ৫৪৪টি পশু কোরবানির জন্য বাড়তি রয়েছে। চট্টগ্রামে মোট চাহিদা ২০ লাখ ৯২ হাজার ৬২৩টি।

খুলনা বিভাগে কোরবানির জন্য ১৬ লাখ ৭৮ হাজার ২০৩টি পশু প্রস্তুত রয়েছে। এই বিভাগে চাহিদা মাত্র ৯ লাখ ৭১ হাজার ৬৩৪টি ফলে বাড়তি রয়েছে ৭ লাখ ৬৫টি হাজার ৬৯টি পশু। রাজশাহী বিভাগে ২৬ লাখ ৯৫ হাজার ৮৬৮টি কোরবানির পশু প্রস্তুত রয়েছে। এই বিভাগে মোট চাহিদা ২০ লাখ ৯ হাজার ৪৫৮টি। মোট চাহিদা ৬ লাখ ৮৬ হাজার ৪১০টি কোরবানির পশু বাড়তি রয়েছে রাজশাহী বিভাগে।

দেশে পর্যাপ্ত কোরবানির পশু প্রস্তুত আছে। যাতে করে করোনা সংকটের মধ্যে প্রতিবেশি দেশ ভারত ও মায়ানমার থেকে কোনো কোরবানির পশু প্রবেশ না করতে পারে সেই জন্য সীমান্ত সিলগালা করা হবে। দেশের বাহির থেকে গবাদিপশু আসা বন্ধের বিষয়ে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। জেলা প্রশাসকরা, জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা বিজিবি এবং উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তারা সীমান্তবর্তী জেলাসমূহে অবৈধ বা বৈধ পথে গবাদিপশু বন্ধ করা হবে।

কোরবানির ঈদের ১ মাস আগে থেকে কোরবানি শেষ না হওয়া পর্যন্ত সময়ে সীমান্ত পথে দেশের বাইরে থেকে গবাদি পশু আসতে দেওয়া হবে না। গবাদিপশু প্রবেশ রোধে বিজিবিকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়ার জন্য জননিরাপত্ত্বা বিভাগকে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় থেকে চিঠি দেওয়া হবে।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব রওনক মাহমুদ জানান, দেশে কোরবানিযোগ্য পর্যাপ্ত পশু মজুদ আছে। এবারের কোরবানির প্রেক্ষাপট ভিন্ন। করোনা ভাইরাস দেশে বাড়ছে। নানা বিষয়কে সামনে নিয়ে বাইরের দেশ থেকে কোরবানির পশু ঢুকতে দেওয়া হবে না। তবে কিছু বিভাগে পশু ঘাটতি আছে কিছু বিভাগে বাড়তি রয়েছে। যেখানে কোরবানির পশু ঘাটতি আছে চাহিদা অনুযায়ী সেখানে ট্রেন দেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

এগ্রিভিউ/এসএমএ

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ১০, ২০২১ ১১:০৭ অপরাহ্ন
কুড়িগ্রামে বসছে হাট, বিক্রি হচ্ছে ভারতীয় গরু!
প্রাণিসম্পদ

দেশব্যাপি করোনা প্রকোপ বাড়াতে চলছে কঠোর লকডাউন। আর এই লকডাউনেও কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী হাটে স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষা বসেছে পশুর হাট। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম দেশের বাইরে থেকে গবাদি পশু আসতে দেওয়া হবে না এমন আশ্বাস দিলেও শনিবার (১০ জুলাই) সীমান্তবর্তী এই উপজেলায় পশুর হাটে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় গরু বিক্রি হতে দেখা গেছে।

জানা যায়, হাটে প্রচুর পরিমাণ দেশি গরুর পাশাপাশি সীমান্ত পথে আনা ভারতীয় গরুও রয়েছে। দুপুর নাগাদ এসব ভারতীয় গরু হাটে কেনাবেচার পর তা দেশের বিভিন্ন স্থানে পরিবহনের জন্য হাটের পাশেই একটি মিনি ট্রাক স্ট্যান্ডে জড়ো করা হয়।

হাটে ভারতীয় গরুর উপস্থিতির সত্যতা স্বীকার করে ভূরুঙ্গামারী হাট ইজারাদার আনোয়ারুল হক জানান, ‘বিজিবির কঠোর অবস্থানের কারণে এবার ভারতীয় গরু আমদানি একেবারেই কম। এরপরও চোরাই পথে কিছু গরু আসছে। বিজিবি সেগুলো ধরে নিলাম করছে। সেই নিলামের গরুগুলোই হাটে বিক্রি হচ্ছে। তবে সে সংখ্যা আগের তুলনায় অনেক কম।’

জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রেজাউল করিম জানান, ‘পশুর হাটে স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালনে আমরা সংশ্লিষ্টদের কঠোর নির্দেশনা দিয়েছি। মাস্ক পরাসহ বড় মাঠে হাট বসানোর জন্য বলা হয়েছে। আমি বিষয়টি নিয়ে ইউএনওর সঙ্গে কথা বলবো।’

এগ্রিভিউ/এসএমএ

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ১০, ২০২১ ৯:২১ অপরাহ্ন
৩৭ কেজির মেসি’র দাম হাঁকা হচ্ছে ১২ লাখ টাকা
প্রাণিসম্পদ

মেসির উচ্চতা মাত্র ২৭ ইঞ্চি! বয়স ৪ বছর আর ওজন ৩৭ কেজি। দেখতে খর্বাকৃতির হলেও বিখ্যাত ফুটবলার মেসির মতই ক্ষিপ্র তার গতি। তাই মালিক আদর করে খর্বাকৃতির ওই ষাঁড়ের নাম রেখেছেন মেসি। আশপাশের কয়েক গ্রামের মানুষ মেসিকে দেখতে ভিড় জমাচ্ছেন প্রতিদিন।

মালিক নেত্রকোনার আজিজুর রহমান শখের বশে বছরখানেক আগে কিনেছিলেন। আর্জেটিনা ফুটবল দলের সমর্থক আজিজুর প্রিয় ফুটবল তারকার নামে এর নাম রাখেন ‘মেসি’।

ইতোমধ্যে মেসির দামও উঠেছে চার লাখ টাকা। কিন্তু এখনই মেসিকে ছাড়ছেন না তার মালিক। মূল্য ১০ থেকে ১২ লাখ হলে হয়তো ছেড়ে দেবেন তার শখের মেসিকে। মালিকের দাবী, চার বছর বয়সের এটাই দেশের সবচেয়ে ছোট ষাঁড়।

মেসির মালিক আজিজুর বলেন, ‘আমি খালিয়াজুরিতে চাকরি করি। সেখানে আসা-যাওয়ার পথে খর্বাকৃতি ষাঁড়টির সন্ধান পাই। মদন উপজেলার জাহাঙ্গীরপুর থেকে এক বছর আগে শখের বশে এটি ৪০ হাজার টাকা দিয়ে কিনেছিলাম। বাড়িতে এনে এটির ক্ষিপ্রগতি দেখে প্রিয় ফুটবল তারকার নামের সঙ্গে মিলিয়ে মেসি নাম রেখেছি

জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মনোরঞ্জন ধর বলেন, গরুটি দেশি জাতের। এর জন্ম দেওয়া গাভিটি স্বাভাবিক ছিল বলে তিনি খোঁজ নিয়ে জেনেছেন। এটি ওই গাভির ৩ নম্বর বাছুর ছিল। জন্মগত ত্রুটির কারণে এমনটি হয়ে থাকতে পারে। দেশে এ রকম ছোট ষাঁড় তাঁর জানামতে আর নেই বলে জানালেন এই কর্মকর্তা।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ১০, ২০২১ ৬:০৩ অপরাহ্ন
ডিজিটাল পশুর হাট থেকে গরু কিনবেন যেভাবে
প্রাণিসম্পদ

চলেছে কঠোর লকডাউন আর আসন্ন কোরবানির ঈদ। এই ‍ঈদকে সামনে রেখে চালু হয়েছে ডিজিটাল পশুর হাট। পশুর হাট থেকে সহজেই ঘরে বসে গরু, ছাগল সহ অন্য পশুও ক্রয় করার সুবিধা রয়েছে। বাজারে গিয়ে কোরবানির পশু কেনার মাধ্যমে যাতে করোনা সংক্রমণ ছড়িয়ে না পড়ে সে বিষয়টি লক্ষ্য রেখেই এমন ব্যবস্থা চালু করেছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন।

ডিজিটাল হাট ডট নেট (https://digitalhaat.net/) এই ওয়েব ঠিকানায় প্রবেশ করে ডিএনসিসির পশুর হাট থেকে গরু কেনা যাবে। এছাড়া এ প্ল্যাটফর্ম থেকে ক্রেতা চাইলে পশু জবাই করিয়ে নেওয়ারও সুযোগ পাবে। এক্ষেত্রে ১০ জুলাইয়ের মধ্যে বুকিং দিতে হবে। তবে কোরবানির জন্য পশু ক্রয় করা যাবে ঈদের আগের দিন পর্যন্ত।

একজন ক্রেতা এ ওয়েবসাইটে সহজেই প্রবেশ করে পশুর আকৃতি, রং এবং ওজন দেখে নিতে পারেন। এরপর পছন্দ হলেই তিনি এটি অর্ডার দিতে পারেন। অনলাইন পশুর হাটটিতে বিক্রেতাদের ফোন নম্বরও দেওয়া হয়েছে। যাতে ক্রেতা, বিক্রেতার সঙ্গে যোগাযোগ করে আরো নিশ্চিত হয়ে নিতে পারেন।

এই সাইটের মাধ্যমে একজন ক্রেতা পশু অর্ডার দিয়ে পরে তা বাতিলও করতে পারবেন। এক্ষেত্রে কোনো যৌক্তিক কারণ ব্যতিত ক্রেতা চাইলে ঈদের সাত দিন আগে অর্ডার বাতিল করতে পারবেন। সেক্ষেত্রে অনলাইন চার্জ ও সার্ভিস চার্জ কর্তন করে ক্রেতাকে ৩ কার্যদিবসের মধ্যে মূল্য ফেরত দিতে হবে। সাত দিনের কম সময়ে কোনো অর্ডার বাতিল করা যাবে না।

পশু ক্রয়ের পর বিকাশ, রকেট, নগদ মোবাইল ব্যাংকিংসহ ব্যাংক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমেও ঢাকা পাঠানো যাবে। টাকা পাঠানোর পর এর প্রমাণাদি ক্রেতা নিজের কাছে সংরক্ষণে রাখবে। অর্ডারকৃত গরু হাতে পাওয়ার পর তাতে যদি কোনো সমস্যা থাকে তাহলে ক্রেতা ই-ক্যাবের গঠিত অভিযোগ সেলে ফোন বা ইমেইলের মাধ্যমে অভিযোগ জানাতে পারবেন।

অভিযোগ গ্রহণের সর্বোচ্চ তিন কার্যদিবসের মধ্যে অভিযোগকারী ও অভিযুক্তের ব্যাপারে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন, বাংলাদেশ ডেইরি ফার্মার্স এসোসিয়েশন এবং ই-ক্যাব সমন্বিতভাবে দোষীদের বিরুদ্ধে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারবে।

ডিজিটাল এ পশুর হাটে সাধারণ কোনো বিক্রেতা পশু বিক্রি করতে পারবেন না। ডিজিটাল হাটে পশু বিক্রির জন্য ই-কমার্স এসোসিয়েশন অথবা বাংলাদেশ ডেইরি ফার্ম এসোসিয়েশন এর সদস্য হতে হবে। তাহলেই তার গরু বিক্রি করা যাবে।

এগ্রিভিউ/এসএমএ

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop