৫:২১ পূর্বাহ্ন

বুধবার, ১৮ মার্চ , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : নভেম্বর ৫, ২০২১ ৯:১৬ পূর্বাহ্ন
আমন ধানের দামে তুষ্ট কৃষকরা
কৃষি বিভাগ

কুমিল্লা জেলার হাটে উঠতে শুরু করেছে আগাম জাতের আমন ধান। হাটগুলোতে বেড়েছে সরবরাহ। সপ্তাহের ব্যবধানে এসব হাটে মণপ্রতি ৫০ থেকে ৬০ টাকা বেড়েছে দর। ধানের বাড়তি দরে কৃষকরা খুশি। কুমিল্লায় ভোরের আলো ফুটতেই মাঠ থেকে কেটে তোলা ধান বিক্রির জন্য জেলার দোল্লাই নওয়াবপুর হাটে নিয়ে আসেন চাষিরা। এতে কেনাবেচাও হয়ে ওঠে জমজমাট। এবার মৌসুমের শুরুতেই ব্যবসায়ীরা বেশ চড়া দামে ধান সংগ্রহ করছেন এবং ভালো দর পেয়ে খুশি চাষিরাও।

কৃষকরা বলেছেন, এক হাজার ৪০০ টাকায় বিক্রি করেছি। ধানের ফলনও ভালো। এ রকম থাকলে, আমরা বেশ লাভবান হব। তবে যখন আমদানি বেশি হয়ে যায়, তখন ব্যবসায়ীরা দাম কমিয়ে দেন। এক্ষেত্রে সরকারের তদারকি দরকার, যেন দাম না কমে। বাজারে আগাম জাতের ধানের দর কিছুটা বাড়লেও আতপের দর কমতির দিকে। কুমিল্লার এ হাটে প্রতি মণ কাটারিভোগ ১ হাজার ৩২০ টাকা, মিনিকেট ১ হাজার ৩০০ টাকা, লম্বা জিরা ১ হাজার ৩২০ টাকা, গোল্ডেন আতপ ১ হাজার ৩৫০ টাকা, চিনি আতপ ১ হাজার ৬২০ টাকা এবং আগাম আমন ৯২০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, মিল পর্যায়ে ধানের মজুত নিশ্চিত করতে চড়া দামে কিনতে হচ্ছে তাদের। কংশনগর হেলাল অটোমেটিক রাইস মিলের মো. ফারুক আহমেদ বলেছেন, নতুন ধানের সরবারহ ধীরে ধীরে বাড়ছে। মোটামুটি দাম ভালো পাচ্ছেন কৃষকরা। আগামীতে দাম আরও বাড়বে। প্রাথমিক পর্যায়ে দাম বেশি উল্লেখ করে ধান ব্যবসায়ী তমিজ উদ্দিন বলেছেন, ১ হাজার ৩০০ টাকার ধান ১ হাজার ৪০০ টাকা দিয়ে কিনতে হয়েছে। ১০০ টাকা বেড়ে গেছে। তবে সার্বিক অনুপাতে দাম ভালোই রয়েছে। এবার প্রাকৃতিক দুর্যোগসহ নানা সমস্যা কম থাকায় ধানের ভালো ফলনের আশা করছে কৃষি বিভাগ।

কুমিল্লা কৃষি সম্প্রাসারণ বিভাগের উপ-পরিচালক মিজানুর রহমান বলেন, বিগত বছরের তুলনায় এবার আবহাওয়া ভালো ছিল। আবহাওয়া অনুকূলে থাকার কারণে এবার ফলন ভালো হয়েছে। কৃষকরা লাভবান হবে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ৫, ২০২১ ৯:০৪ পূর্বাহ্ন
কুমিল্লায় আলুর দামে ধস; প্রতিকেজি ৮ টাকা!
কৃষি বিভাগ

কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলায় পাইকারী বাজারে আলুর দামে নেমেছে ধস। গত বছর এই সময় প্রতি কেজি আলু খুচরায় ৫০ টাকা ও পাইকারিতে ২০ টাকা দরে বিক্রি হলেও চলতি বছর পাইকারীতে প্রতিকেজি আলু বিক্রি হচ্ছে ৭-৮ টাকা দরে।

আলুর দাম না পেয়ে হতাশ হয়ে পড়েছেন হিমাগারে আলু মজুত করা কৃষক ও ব্যবসায়ীরা

উপজেলার কাদিয়ারভাঙা গ্রামের বাসিন্দা ব্যবসায়ী নাছির উদ্দিন জানান, চলতি বছর তিনি মাল্টা ও ডায়মন্ড জাতের ৫৫ কেজির ৫০ হাজার বস্তা আলু নৈয়ার সরকার আইস অ্যান্ড কোল্ড স্টোরেজে রেখেছেন। ৫৫ কেজির প্রতি বস্তা আলু হিমাগারের ভাড়াসহ রাখতে খরচ হয়েছে ৯৯০ টাকা। বর্তমান বাজারে বিক্রি করতে পারছেন ৩৮৫ থেকে ৪০০ টাকা। প্রতি ৫৫ কেজির বস্তায় লোকসান হচ্ছে ৫৯০ থেকে ৬০৫ টাকা।

কৃষক ও ব্যবসায়ীরা বলছেন, চাহিদার তুলনায় বেশি আলু হিমাগারে সংরক্ষণ করায় ও করোনাকালে বিধিনিষেধে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, কওমি মাদরাসার লিল্লাহ বোর্ডিং, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর হল ও হোটেল-রেস্তোরাঁ বন্ধ থাকায় এবং বিদেশে রপ্তানি করতে না পারায় হিমাগারে সংরক্ষিত আলু বিক্রি করা সম্ভব হয়নি। এতে ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ৪, ২০২১ ৪:১৫ অপরাহ্ন
আলু রপ্তানি বৃদ্ধিতে সব ধরনের সহযোগিতা প্রদান করা হবে:কৃষিমন্ত্রী
কৃষি বিভাগ

আলু রপ্তানি বৃদ্ধিতে সব ধরনের সহযোগিতা প্রদান করা হবে বলে জানিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী ড. মো: আব্দুর রাজ্জাক এমপি। তিনি বলেন, দেশে আলু খুবই সম্ভাবনাময় একটি ফসল। আবহাওয়া ও মাটি আলুচাষের অনুকূল। আলুর বাজার ও চাহিদা বাড়াতে পারলে উৎপাদন আরও অনেক গুণে বাড়ানো সম্ভব। ইতোমধ্যে আলু রপ্তানি বৃদ্ধির জন্য খসড়া রোডম্যাপ প্রণয়ন করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৪ নভেম্বর) সচিবালয়ে বাংলাদেশ আলু রপ্তানিকারক এসোসিয়েশনের (বিপিইএ) প্রতিনিধিদলের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

ইতোমধ্যে বিদেশ থেকে অনেকগুলো উন্নত জাত আনা হয়েছে উল্লেখ করে কৃষিমন্ত্রী বলেন, দেশে বর্তমানে বছরে ১ কোটি টনেরও বেশি আলু উৎপাদিত হয়। ভাল জাতের অভাব এতদিন আলু রপ্তানিতে বড় বাধা ছিল। এছাড়া, আলুর জাত অবমুক্তিতে আগে নিবন্ধন লাগত, সেটিকে আমরা উন্মুক্ত (নন-নোটিফাইড) করে দিয়েছি। ফলে প্রাইভেট সেক্টরও কিছু উন্নত জাত নিয়ে এসেছে। মাঠে এ জাতগুলোর সক্ষমতা, উৎপাদনশীলতা, গুণাগুণসহ ভাল ফলাফল পাওয়া গেছে।

এসময় কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মোহাম্মদ ইউসুফ, বাংলাদেশ আলু রপ্তানিকারক সমিতির সভাপতি শেখ আব্দুল কাদের, সদস্য সচিব জাকির হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক কাজী মাহাবুব মোর্শেদ, নির্বাহী সদস্য সুফিয়ান আহমেদ, জিয়াউল হক, রাশেদ আহমেদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ৪, ২০২১ ১:৩৮ অপরাহ্ন
কুমিল্লায় আমন ধানের ভালো দামে খুশি কৃষক
কৃষি বিভাগ

কুমিল্লা জেলার হাটে উঠতে শুরু করেছে আগাম জাতের আমন ধান। হাটগুলোতে বেড়েছে সরবরাহ। সপ্তাহের ব্যবধানে এসব হাটে মণপ্রতি ৫০ থেকে ৬০ টাকা বেড়েছে দর। ধানের বাড়তি দরে কৃষকরা খুশি। কুমিল্লায় ভোরের আলো ফুটতেই মাঠ থেকে কেটে তোলা ধান বিক্রির জন্য জেলার দোল্লাই নওয়াবপুর হাটে নিয়ে আসেন চাষিরা। এতে কেনাবেচাও হয়ে ওঠে জমজমাট। এবার মৌসুমের শুরুতেই ব্যবসায়ীরা বেশ চড়া দামে ধান সংগ্রহ করছেন এবং ভালো দর পেয়ে খুশি চাষিরাও।

কৃষকরা বলেছেন, এক হাজার ৪০০ টাকায় বিক্রি করেছি। ধানের ফলনও ভালো। এ রকম থাকলে, আমরা বেশ লাভবান হব। তবে যখন আমদানি বেশি হয়ে যায়, তখন ব্যবসায়ীরা দাম কমিয়ে দেন। এক্ষেত্রে সরকারের তদারকি দরকার, যেন দাম না কমে। বাজারে আগাম জাতের ধানের দর কিছুটা বাড়লেও আতপের দর কমতির দিকে। কুমিল্লার এ হাটে প্রতি মণ কাটারিভোগ ১ হাজার ৩২০ টাকা, মিনিকেট ১ হাজার ৩০০ টাকা, লম্বা জিরা ১ হাজার ৩২০ টাকা, গোল্ডেন আতপ ১ হাজার ৩৫০ টাকা, চিনি আতপ ১ হাজার ৬২০ টাকা এবং আগাম আমন ৯২০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, মিল পর্যায়ে ধানের মজুত নিশ্চিত করতে চড়া দামে কিনতে হচ্ছে তাদের। কংশনগর হেলাল অটোমেটিক রাইস মিলের মো. ফারুক আহমেদ বলেছেন, নতুন ধানের সরবারহ ধীরে ধীরে বাড়ছে। মোটামুটি দাম ভালো পাচ্ছেন কৃষকরা। আগামীতে দাম আরও বাড়বে। প্রাথমিক পর্যায়ে দাম বেশি উল্লেখ করে ধান ব্যবসায়ী তমিজ উদ্দিন বলেছেন, ১ হাজার ৩০০ টাকার ধান ১ হাজার ৪০০ টাকা দিয়ে কিনতে হয়েছে। ১০০ টাকা বেড়ে গেছে। তবে সার্বিক অনুপাতে দাম ভালোই রয়েছে। এবার প্রাকৃতিক দুর্যোগসহ নানা সমস্যা কম থাকায় ধানের ভালো ফলনের আশা করছে কৃষি বিভাগ।

কুমিল্লা কৃষি সম্প্রাসারণ বিভাগের উপ-পরিচালক মিজানুর রহমান বলেন, বিগত বছরের তুলনায় এবার আবহাওয়া ভালো ছিল। আবহাওয়া অনুকূলে থাকার কারণে এবার ফলন ভালো হয়েছে। কৃষকরা লাভবান হবে।

 

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ৪, ২০২১ ১২:১৬ অপরাহ্ন
দিশেহারা তিস্তাপাড়ের চাষিরা,ফসলি জমি এখন শুধু বালুচর
কৃষি বিভাগ

নীলফামারীর ডিমলা ও জলঢাকা উপজেলার  ফসলি জমি এখন পরিণত হয়েছে বালুচরে। অথচ আর ক’দিন বাদেই সোনালী ধান, আগাম ভুট্টা আর সবজি ঘরে তোলার কথা ছিল কৃষকের।

আকস্মিক বন্যায় তিস্তাগর্ভে বিলীন হয়েছে সব ধরনের ফসলি জমি। সর্বস্ব হারিয়ে এখন দিশেহারা তিস্তাপাড়ের মানুষ। তিন ফসলি জমির কোথাও এক ফুট, কোথাও দেড় ফুট বালুর স্তর। অথচ ক’দিন আগেও এখানে ছিল ধান, আগাম জাতের ভুট্টা আর শীতকালীন শাক-সবজি। ঘরে তোলার বদলে সেসব ফসল এখন তিস্তাগর্ভে বিলীন।

সম্প্রতি উজানের ঢলে ভেঙ্গে যায় তিস্তা নদীর ফ্লাডবাইপাস। নদীগর্ভে বিলীন হয় ১০টি বাঁধের ১১শ’ মিটার। বানের পানির সাথে ধেয়ে আসে বালু। উর্বর ফসলি জমি পরিণত হয়েছে বালুচরে। ভবিষ্যতে এসব জমিতে আবারও ফসল আবাদ নিয়ে শঙ্কায় নীলফামারীর ডিমলা আর জলঢাকার কৃষক।

কৃষকের আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ নির্ণয় করা না গেলেও তার পরিমাণ কয়েকশ কোটি টাকা।বর্তমানে তারা মানবেতর জীবন পার করছেন ।এই ক্ষতি পুষিয়ে উঠার জন্য তার সরকারের কাছে আর্থিক সহযোগিতা ও প্রনোয়দনা চান ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকেরা।

ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনে পদক্ষেপ নেয়ার আশ্বাস দিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা। হঠাৎ বন্যায় দুই উপজেলার ১ হাজার ৭০৫ হেক্টর জমির ফসল বিলীন হয়েছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ৪, ২০২১ ৮:৫১ পূর্বাহ্ন
পিরোজপুরে রবিশস্য চাষীদের দেয়া হচ্ছে দেড় কোটি টাকার কৃষি প্রণোদনা
কৃষি বিভাগ

পিরোজপুর জেলায় ১৪ হাজার ৪শ’ জন ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক চাষীকে রবিশস্য চাষাবাদে ১ কোটি ৫০ লাখ ৮৭৫ টাকা প্রণোদনা দেয়া হচ্ছে।

কৃষি অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে এই কৃষি প্রণোদনা দেয়া হচ্ছে বলে জানা গেছে। প্রতিজন চাষীকে ১ বিঘা জমির জন্য এই প্রণোদনা দেয়া হবে। গম চাষে ৫শ’, ভুট্টা চাষে- ৩ হাজার, সরিষা চাষে ১ হাজার, সূর্যমূখী চাষে ২ হাজার ৫শ’, চীনাবাদাম চাষে ৪শ’, মুগ চাষে ৫ হাজার, মসুর চাষে ১ হাজার এবং খেসারী চাষে ১ হাজার জন এই প্রণোদনা পাবে।

প্রতিজন সূর্যমুখির জন্য বীজ ১ কেজি, ডিএপি ১০ কেজি এবং এমওপি ১০ কেজি, মুগের জন্য ৫ কেজি বীজ, ডিএপি ১০ কেজি, এমওপি ৫ কেজি, ভুট্টা চাষের জন্য ২ কেজি বীজ, ডিএপি ২০ কেজি, এমওপি ১০ কেজি, গমের জন্য ২০ কেজি বীজ, ডিএপি ১০ কেজি, এমওপি ১০ কেজি, সরিষার জন্য ১ কেজি উচ্চ ফলনশীল বীজ, ডিএপি ১০ কেজি, এমওপি ১০ কেজি, চীনা বাদামের জন্য বীজ ১০ কেজি, ডিএপি ১০ কেজি, এমওপি ৫ কেজি এবং মসুরের জন্য বীজ ৫ কেজি, ডিএপি ১০ কেজি এবং এমওপি ৫ কেজি, খেসারীর জন্য বীজ ৮ কেজি, ডিএপি ১০ কেজি, এমওপি ৫ কেজি প্রদান করা হবে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের পিরোজপুর জেলার উপ-পরিচালক অরুন রায় বাসসকে জানান সরকারের এ প্রণোদনা প্রদানের ফলে চাষীরা এসব ফসল চাষাবাদে উৎসাহী হচ্ছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ৪, ২০২১ ৮:৩৮ পূর্বাহ্ন
কুমিল্লায় কৃষকদের মাঝে সার বীজ ও কৃষি যন্ত্রপাতি বিতরণ
কৃষি বিভাগ

কুমিল্লা জেলার বুড়িচংয়ে কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে সার বীজ ও কৃষি যন্ত্রপাতি বিতরণ করা হয়েছে।

উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে বুধবার সকাল ১০টায় উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্যোগে ২০২১-২২ অর্থ বছরের আওতায় রবি মৌসুমে কৃষকদের মাঝে এ সব বিতরণ করেন কুমিল্লা-৫ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট আবুল হাসেম খাঁন এমপি।

এ সময়ে ২০২১-২২ অর্থ বছরের সমন্বিত ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে কৃষি যান্ত্রিকীকরণ প্রকল্পের আওতায় উন্নয়ন সহায়তায় বিনামূল্যে কৃষি যন্ত্রপাতিও বিতরণ করা হয়।

এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোছা. আফরিনা আক্তার বলেন, শীত কালীন মৌসুমে গম, সরিষা, সূর্যমুখী, চিনাবাদাম, পেঁয়াজ, মসুরও খেসারি ফসলের আবাদ এবং উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্য ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক প্রায় শতাধিক কৃষকের মাঝে বিনামূল্যে সার বীজ এবং আধুনিক প্রযুক্তির কম্বাইন হার ভেস্টার ও রাইস টান্স প্লান্টার বিতরণ করে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান মোঃ আখলাক হায়দার, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোসাম্মৎ সাবিনা ইয়াসমিন, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোছা. আফরিনা আক্তার, বুড়িচং থানার ওসি মোঃ আলমগীর হোসেন, উপজেলা সহকারী কমিশনার শারমীন আরা, বুড়িচং উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা মোঃ মীর হোসেন মিঠু প্রমুখ।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ৪, ২০২১ ৭:৫৯ পূর্বাহ্ন
মহাকাশে ফলল কাঁচা মরিচ
কৃষি বিভাগ

মহাকাশে কোনো কোনো সবজির চাষ সম্ভব তা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই গবেষণা চলছে। সেই গবেষণার অংশ হিসেবেই গত জুনে পৃথিবী থেকে প্রচুর কাঁচা মরিচের বীজ নিয়ে যাওয়া হয়েছিল মহাকাশ স্টেশনে। প্রথমবারের মতো আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে কাঁচা মরিচ চাষ করা হয়েছে। মহাকাশচারীরা সেই কাঁচা মরিচ খেয়েছেন বলে নাসা জানিয়েছে।

মঙ্গল বা চাঁদে মহাকাশচারীদের দীর্ঘ দিন থাকতে হলে সেখানেই কী কী জিনিস ফলানো সম্ভব তা বুঝতেই মহাকাশ স্টেশনে এই পরীক্ষা করা হয়েছিল বলে নাসার তরফ থেকে জানানো হয়েছে।

গত শুক্রবার মহাকাশ স্টেশনে বীজ থেকে প্রথম কাঁচা মরিচের ফলন সম্ভব হয়েছে বলে নাসা জানিয়েছে। এ ব্যাপারে খুদে ব্লগিং সাইট টুইটারে নাসার মহাকাশচারী মেগান ম্যাকআর্থার জানান, মহাকাশ স্টেশনে যে কাঁচা মরিচ হয়েছে, গরুর মাংসের সঙ্গে তারা তা খেয়েছেন।

গত জুলাইয়ে নাসার তরফ থেকে জানানো হয়েছিল, পৃথিবী থেকে নিয়ে যাওয়া বীজ থেকে মহাকাশ স্টেশনে চার মাসের মধ্যেই কাঁচা মরিচ চাষ করা যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

নাসা আরও জানিয়েছিল, সেই কাঁচা মরিচ যদি খাওয়ার মতো মনে হয় তা হলে মহাকাশ স্টেশনেই তা চেখে দেখবেন মহাকাশচারীরা। তার পর সেখানে ফলানো বাকি কাঁচা মরিচ পৃথিবীতে ফিরিয়ে আনা হবে তার খাদ্যগুণ যথার্থ কি না তা পরীক্ষা করতে। মহাকাশে ফলানো বিভিন্ন ফসল খাওয়ার ফলে মহাকাশচারীদের উপর কী কী প্রভাব পড়তে পারে তাও খতিয়ে দেখা হবে বলে নাসা জানিয়েছিল।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ৩, ২০২১ ১১:৫৯ পূর্বাহ্ন
খেজুর গাছ প্রস্তুতে ব্যস্ত ঠাকুরগাঁওয়ের গাছিরা
কৃষি বিভাগ

উত্তরের জেলা ঠাকুরগাঁওয়ের বিভিন্ন গ্রামে খেজুর গাছ প্রস্তুতে ব্যস্ত হয়ে পড়ছেন গাছিরা। গত কয়েক বছর ধরে বাণিজ্যিকভাবে গড়ে ওঠা দুটি খেজুর বাগান বদলে দিয়েছে গাছিদের ব্যস্ততা । প্রতিবছর শীতে তৈরি হচ্ছে খেজুরের গুড়। রস ও গুড় কিনতে বাগানে ভিড় করেন বিভিন্ন প্রান্তে র মানুষ। শীতের প্রতিটি সকালেই এ বাগান গুলোতে লেগে থাকে রসমেলা উৎসব।

প্রকৃতিতে বইছে শীতের আগমনী বার্তা। সকালের শিশির ভেজা ঘাস আর হালকা কুয়াশায় পস্তুত হচ্ছে প্রকৃতি। একই সঙ্গে খেজুরের রস সংগ্রহে প্রস্তুত হতে দেখা গেছে ঠাকুরগাঁওয়ের গাছিদেরও।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ঠাকুরগাঁও সুগারমিলের উদ্যোগে সদর উপজেলার নারগুনে ৫০০টি ছোটো বড় খেজুরের গাছ নিয়ে গড়ে ওঠে একটি বাগান। গত বছর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে হঠাৎ করে ভাইরাল হয়ে যায় বাগানটি। এরপর থেকে রস ও গুড় সংগ্রহে প্রতিদিন সকালে শহরের বাসিন্দারা ভিড় করতে থাকেন বাগানে।

এবছরও সেই আয়োজনের পস্তুতি নিতে দেখা যাচ্ছে বাগানটিতে। রস সংগ্রহের জন্য এখন গাছকে বিশেষ পদ্ধতিতে প্রস্তুুত করা হচ্ছে। সপ্তাখানেকের মধ্যেই রস সংগ্রহ শুরু হবে বলে জানিয়েছেন গাছিরা।

এদিকে ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ উপজেলার বৈরচুনা গ্রামে বেশ কয়জনের উদ্যোগে গড়ে ওঠে আরেকটি খেজুরের বাগান। দুবছর ধরে তারা বাণিজ্যিকভাবে খেজুরের রস থেকে গুড় উৎপাদন শুরু করেছে। প্রত্যন্ত গ্রামটিতে গড়ে ওঠা বাগানটি এখন সেই এলাকার অর্থনৈতিক উন্নায়নের কান্ডারি বলে জানান এলাকাবাসী।

তাদের অনুসরণ করে জেলার অনেকেই আগ্রহী হয়ে খেজুরের বাগান করতে চাইছে। উদ্যোক্তারা প্রতিনিয়তই বিভিন্ন পরামর্শ নিতে আসছেন বলে জানান বাগান মালিক সোহেল রানা।

তিনি বলেন, ২০ দিন হয়েছে কাজ শুরু করেছি। গাছের ময়লা ও অপ্রয়োজনীয় ডালপালা ছেঁটে ফেলা হয়েছে। ধারালো দা দিয়ে খেজুর গাছের সোনালী অংশ বের করে নোলন স্থাপনের কাজও শেষ। কিছুদিন পরই গাছে লাগানো হবে মাটির পাতিল। এরপরই শুরু হবে সুস্বাদু খেজুর রস সংগ্রহের কাজ। তা দিয়ে তৈরি হবে গুড় ও পাটালি।

সোহেল রানা আরও বলেন, গাছ একবার ছাঁটলে তিন-চার দিন রস সংগ্রহ করা যায় এবং পরবর্তীতে তিন দিন শুকাতে হয়। এভাবে কাটলে গাছের রস সুমিষ্ট হয়। রস সাধারণত নভেম্বর থেকে মার্চ মাসের মাঝামাঝি পর্যন্ত সংগ্রহ করা যায়। রস সংগ্রহের পর হাড়ি পরিষ্কার করে রোদে শুকাতে হয় অথবা আগুনে ছেকে নিতে হয়। এতে সংগৃহীত রসে গাঁজন বন্ধ হয়।

ঝুঁকি নিয়েই কোমরে রশি বেঁধে গাছে ঝুলে রস সংগ্রহের কাজ করেন গাছিরা। প্রতিদিন বিকেলে ছোট-বড় মাটির হাঁড়ি গাছে বাঁধা হয়, আর সকালে রস সংগ্রহ করা হয়। কেউ কেউ কাঁচা রস এলাকার বিভিন্ন স্থানে ও হাটে-বাজারে খাওয়ার জন্য বিক্রি করেন। আবার কেউ কেউ সকালেই এ রস জ্বালিয়ে গুড় তৈরি করেন।

এ বিষয়ে বৈরচুনার গাছি মো: আবু তালেব বলেন, বর্তমানে যে হারে খেজুর গাছ হারিয়ে যেতে বসেছে, তাতে এক সময় হয়তো আমাদের দেশে খেজুর গাছ থাকবে না। এ ঐতিহ্যকে ধরে রাখতে চাইলে আমাদের সবার উচিত তালগাছের মতো বেশি বেশি খেজুর গাছ লাগানো এবং তা যতœ সহকারে বড় করা।

নতুন করে কেউ খেজুরের বাগান করতে চাইলে বা খেজুরের গাছ রোপণে যে কোনো সহযোগিতায় পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন ঠাকুরগাঁও জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ আবু হোসেন।

তিনি বলেন, এ জেলায় খেজুরের গাছ রোপণের ক্ষেত্রে তেমন একটা আগ্রহ দেখা যায় না। সবাই আম, কাঁঠাল আর লিচু নিয়েই ব্যস্ত। সব গাছেরই প্রয়োজন আছে। খেজুর বাগান উদ্যোক্তাদের স্বাগত জানাই। প্রয়োজনে যোগাযোগ করতে পারবেন তারা। আমরা সব রকম সহযোগিতা করবো খেজুর বাগান করা থেকে বাগান প্রতিষ্ঠা পর্যন্ত পরবর্তী সেবাও দেবে জেলা ও উপজেলা কৃষি অফিস। আমরা চাই এ অঞ্চলের পুরোনো ঐতিহ্য বজায় থাকুক বলেও জানান তিনি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ৩, ২০২১ ১১:২৬ পূর্বাহ্ন
কৃষকের আয় বাড়িয়েছে বিনা ধান-১৬ ও ১৭
কৃষি বিভাগ

কুমিল্লা জেলায় কৃষকের আয় বাড়িয়েছে বিনা ধান ১৬ ও ১৭। মাত্র একশত পাঁচ দিনে ফলন পেয়ে, হাসি ফুটেছে কৃষকের মুখে। কম সময়ে পাওয়া এ জাতের ধানের ফলন ও অন্যান্য জাতের ধানের মতই।

কৃষি অধিদপ্তর জানায়, এ ফসল আবাদ করলে, কৃষকের পাশাপাশি জাতীয় আয়ও বৃদ্ধি পাবে। আর চাষিরা করতে পারবে বছরে ৪ বার ফসলে উৎপাদন।

বাংলাদেশ পরোমাণু কৃষি গবেষনা ইনস্টিটিউট বিনার উদ্ভাবন, বিনা ১৬ ও ১৭ জাতের ধান ব্যাপক সাড়া ফেলেছে, কুমিল্লার কৃষকদের মাঝে। উচ্চ ফলনশীল এ ধান উদ্ভাবন করে, মাঠ পার্যায়ে কাজ করছেন বিজ্ঞানীরা। বিনা ধান ১৬ এর জীবনকাল মাত্র ৯৫ থেকে ১০০ দিন। আর বিনা ১৭ এর জীবনকাল ১১৫ থেকে ১১৭ দিন। গড় ফলন প্রতি হেক্টরে সাড়ে ৬ টন, অথবা প্রতি বিঘায় ২৭ মণ।

পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট, কুমিল্লা উপকেন্দ্রের ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মোহাম্মদ আশিকুর রহমান বাসসকে বলেন, একজন কৃষক যেন বছরজুড়ে ফলন পায় সে লক্ষ্যে, এ জাতটির উদ্ভাবন করা হয়েছে। এ ধানের ফলন পেয়ে খুশি কৃষকরা। আগামীতেও এ ফসলই চাষ করবে বলে জানায় তারা।

এ ধান চাষে কৃষকের পাশাপাশি জাতীয় আয়ও বাড়বে। ইতোমধ্যে কৃষকরা এ ধান চাষে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। কৃষকদের সকল ধরনের সহযোগিতা করা হচ্ছে। বিনা ১৬ ও ১৭ উদ্ভাবনের মাধ্যমে, দেশের কৃষিতে ব্যাপক পরিবর্তন আসবে বলে মনে করছেন কৃষি বিভাগ।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop