৭:৩৫ অপরাহ্ন

বুধবার, ১৮ মার্চ , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : অক্টোবর ১২, ২০২১ ৭:৫৯ অপরাহ্ন
কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় পেল শরীয়তপুরবাসী
কৃষি বিভাগ

শরীয়তপুরে শেখ হাসিনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমোদন করা হয়েছে। এর ফলে দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি পূরণ হয়েছে।

মঙ্গলবার (১২ অক্টোবর) শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক বিভাগের সরকারি সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয় শাখার উপ-সচিব মো. মাহমুদুল আলম সাক্ষরিত এক চিঠিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

গত ১০ জুন শরীয়তপুর -২ আসনের সংসদ সদস্য ও পানি সম্পদ উপমন্ত্রী একেএম এনামুল হক শামীম এমপির আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নীতিগত অনুমোদনের প্রেক্ষিতে শরীয়তপুর জেলায় “শেখ হাসিনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়” স্থাপনের নিমিত্তে যুগোপযোগী একটি খসড়া আইন প্রণয়ন করে এ বিভাগের প্রেরণ করা হয়।

এদিকে শরীয়তপুরে এ বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমোদন করায় শরীয়তপুরের সর্বস্তরের জনগণ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং পানি সম্পদ উপমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক একেএম এনামুল হক শামীম এমপির প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে।

এ প্রসঙ্গে উপমন্ত্রী এনামুল হক শামীম বলেন, শেখ হাসিনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় কৃষিনির্ভর দক্ষিণাঞ্চলে আর্থ-সামাজিক পরিবর্তনে ব্যাপক ভূমিকা রাখবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তির আসন সংখ্যা কম হলে অনেক শিক্ষার্থী উচ্চ শিক্ষা লাভ সম্ভবত হয়না, এই শেখ হাসিনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় করার মধ্যমে এই সমস্যার অনেকটা লাগব হবে।

প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে শামীম বলেন, শরীয়তপুর জেলার সর্বস্তরের জনসাধারণ বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি চির কৃতজ্ঞ। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বেই সারা দেশের মতোই এগিয়ে যাবে আমাদের প্রিয় শরীয়তপুর।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ১২, ২০২১ ৯:৩৩ পূর্বাহ্ন
শীতের আগাম সবজির ভালো দামে খুশি কৃষকরা
কৃষি বিভাগ

শীতের আগাম জাতের সবজির ভালো দাম পাচ্ছেন কুমিল্লার চাষিরা। ফসলের কাঙ্ক্ষিত দাম পেয়ে খুশি কৃষকরা। চাহিদা থাকায় ভোরেই সবজি কিনতে ভিড় করছেন পাইকাররা।

কৃষকরা বলছেন, অতি বৃষ্টিতে এবার ফলন কিছুটা কম হলেও ভালো দামে তা পুষিয়ে যাচ্ছে। সকালে বিস্তৃত মাঠে মুগ্ধতা ছড়াচ্ছে আগাম জাতের সবজি শিমের ফোটা দৃষ্টি নন্দন ফুল।

শিম, বেগুন, পটল, মিষ্টি লাউ, ফুলকপিসহ শীতের সব ধরনের সবজির মাঠ থেকেই কিনে নিয়ে যাচ্ছেন পাইকাররা। অতি বৃষ্টিতে ফলন কিছুটা কম হলেও চড়াদামে ক্ষতি পুষিয়ে যাওয়ার কথা বলছেন চাষিরা।

শিম চাষি তৈয়ব আলী জানান, প্রতি সপ্তাহে বিঘা প্রতি ১-২ মণ শিম তোলা হয়। গত বছরে এর দাম ছিল ৩০-৩৫ টাকা। এ বছর ১০০ টাকায় বিক্রি করেছি।

কীটনাশক মুক্ত সবজি চাষাবাদে কৃষকদের সহযোগিতা দিচ্ছে কৃষি বিভাগ। আর ফসলের ন্যায্য দাম নিশ্চিতে প্রান্তিক পর্যায়ে বিপণন কেন্দ্র গড়ে তোলার দাবি জনপ্রতনিধির।

এ বিষয়ে কুমিল্লা কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের উপ-পরিচালক মিজানুর রহমান জানান, আগাম জাতের শীতের সবজি চাষ করে ভালো দাম পাচ্ছে কৃষকরা। এতে কৃষকরা অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হবে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ১২, ২০২১ ৮:২৯ পূর্বাহ্ন
ক্ষতিকর পোকা দমনে কৃষি জমিতে আলোর ফাঁদ
কৃষি বিভাগ

বগুড়ার শাজাহানপুরে চলতি আমন মৌসুমে ধান ক্ষেতসহ ফসলের বন্ধু ও উপকারী পোকা রক্ষায় কীটনাশক ব্যবহার কমিয়ে ক্ষতিকর পোকা নিধনে আলোক ফাঁদ প্রযুক্তি ব্যবহারে কৃষকদের আগ্রহ বাড়াতে মাঠে কাজ করছে উপজেলা কৃষি দপ্তর।

সোমবার (১১ অক্টোবর) সন্ধ্যা সাড়ে ৭ টায় উপজেলা বীরগ্রাম ব্লগে এ আলোর ফাঁদ স্থাপন করা হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নূরে আলম, অতিরিক্ত কৃষি কর্মকর্তা চমন আরা আফরোজ, এইপি মঞ্জুরুল ইসলাম সহ উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তাগণ।

উপজেলা কৃষি অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সহযোগিতায় উপজেলার ২৭টি ব্লগে এ কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

এ বিষয়ে কৃষি কর্মকর্তা নূরে আলম বলেন, আমন মৌসুমে ধানে রোগবালাই ও পোকার আক্রমণ বেশি হয়। বিশেষ করে ধানের থোড় বের হওয়ার সময় পোকামাকড়ের আক্রমণ বেশি দেখা যায়। এ সময়ে ধানে বাদামি ঘাস ফড়িং, সবুজ ঘাস ফড়িং, পাতা মোড়ানো পোকা, গান্ধী পোকা ও মাজরা পোকাসহ বিভিন্ন ক্ষতিকর পোকা আক্রমণ করে থাকে। এসব পোকার উপস্থিতি নির্ণয় করতে আমন মাঠে আলোক ফাঁদ ব্যবহার খুবই উপযোগী।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ১১, ২০২১ ৬:১০ অপরাহ্ন
ফলন বাড়াতে ফলগাছ ছাঁটাইয়ের প্রয়োজনীয়তা
কৃষি বিভাগ

ফল গাছে প্রচুর পরিমাণে ফুল-ফল উৎপাদনক্ষম শাখা-প্রশাখার সংখ্যা বাড়ানো এবং ফলের গুণগতমান বৃদ্ধি করতে ছাঁটাইয়ের বিকল্প নেই। আমাদের দেশের শহর-নগর-গ্রামে যেদিকেই তাকানো যায় ফলের গাছ চোখে পড়বেই। এসব গাছের অধিকাংশই প্রাকৃতিকভাবে বেড়ে ওঠা। খুব কমসংখ্যক ফলগাছ অঙ্গ ছাঁটাইয়ের মাধ্যমে পরিকল্পিতভাবে বৃদ্ধির সুযোগ পায়। ফলগাছ রোপণই আসল কথা নয়।

রোপণ থেকে শুরু করে ফল ধারণ পযর্ন্ত ফল গাছের বিভিন্ন অঙ্গ ছাঁটাই ফল গাছ ব্যবস্থাপনার একটি অন্যতম কাজ। মূলত দুটি উদ্দেশ্যে ফল গাছের অঙ্গ ছাঁটাই করা হয়। প্রথমত, অফলন্ত ফলগাছকে একটি নিদির্ষ্ট আকার আকৃতি দেয়া, দ্বিতীয়ত, অফলন্ত ও ফলন্ত ফলগাছের অপ্রয়োজনীয় দুবর্ল, চিকন, নরম, ভাঙ্গা ও মরা ডাল-পালা এবং রোগ ও পোকা আক্রান্ত ডালপালা ছাঁটাই করে গাছের ভেতরের দিকে আলো-বাতাস চলাচল স্বাভাবিক রাখা। এ দুটি উদ্দেশ্য ছাড়াও আরো কিছু কারণে ফল গাছ ছাঁটাই করতে হয়। যেমন-

১. ফলগাছটি যদি মাতৃর্গাছ হয়, তাহলে ভবিষ্যতে ফলগাছ থেকে বেশি পরিমাণে সায়ন উৎপাদন করা।

২. ফল গাছে প্রচুর পরিমাণে ফুল-ফল উৎপাদনক্ষম শাখা-প্রশাখার সংখ্যা বাড়ানো এবং ফলের গুণগতমান বৃদ্ধি করা।

৩. ঝড় বা প্রবল বাতাসে যেন ফলগাছ সহজে ক্ষতিগ্রস্ত না হয় সে জন্য গাছকে সুগঠিত ও মজবুত অবকাঠামো প্রদান করা।

৪. ফল গাছের বিভিন্ন পরিচর্যার যেমন- বালাইনাশক স্প্রে করা, সায়ন সংগ্রহ করা ইত্যাদি কাজ সহজ করা।

৫. যেসব ফল গাছে ফল ধারণ সমস্যা আছে, সেসব গাছের ফল ধারণ ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে নতুন শাখা-প্রশাখা গজানোর ব্যবস্থা করা।

৬. এক বছর পর পর যেসব গাছে ফল ধরে সেসব গাছের একান্তর ক্রমিক ফলনের প্রভাব কমানো বা ফল ধরার ব্যবস্থা করা।

৭. যেসব শাখা-প্রশাখা অন্য শাখা-প্রশাখার ভেতরে ঢুকে যায় বা নিন্মমুখী হয় সেগুলো ছাঁটাই করে গাছকে ঝোপালো অবস্থা থেকে মুক্ত রাখা।
ফল গাছের বিভিন্ন অঙ্গ যেমন,- ডাল, পাতা, ছাল বা বাকল, ফুল, ফল ও শিকড় বিভিন্ন কৌশলে ভিন্ন ভিন্ন ফল গাছের বিভিন্ন বয়সে জাত ও বৃদ্ধির স্বভাব অনুযায়ী ছাঁটাই করতে হয়। ফল ধরার আগেই ফল গাছের কাঠামোগত আকৃতি গড়ে তোলার উদ্দেশ্য হচ্ছে গাছের শীর্ষ ছাঁটাই করে গাছকে খাটো রাখা।
এতে গাছে সার প্রয়োগ, সেচ প্রদান, স্প্রে করা এবং সহজে ফল সংগ্রহসহ অন্যান্য পরিচর্যা করা যায়। এ ছাড়া গাছে যদি ৪ থেকে ৭টি শাখা-প্রশাখা থাকে তাহলে গাছ যান্ত্রিকভাবেও দৃঢ় ও খোলা-মেলা হয়। গাছের ভেতরের দিকে এমন কিছু শাখা-প্রশাখা গজায় যেগুলো থেকে কোন ফলন পাওয়া যায় না, সেগুলোও ছাঁটাই করা উচিত। কোন কোন ফল গাছের গোড়ার দিকে কিছু কিছু কুশি বা নতুন শাখা বের হতে দেখা যায়, সেগুলো নিয়মিতভাবে ছাঁটাই করতে হয়। যেমন- ডালিম, পেয়ারা, লেবু ও কাঁঠাল গাছের গোড়ায় দুই-তিন সপ্তাহ পর পর বের হওয়া কুশিগুলো ছাঁটাই করতে হয়।

ছাঁটাই করার সময় লক্ষ্য রাখতে হয়, গাছের সতেজতা কেমন, বয়স কত এবং জাত ও বৃদ্ধির স্বভাব কেমন। কম বয়সী ফল গাছে যথাসম্ভব কম ছাঁটাই বা হালকা ছাঁটাই করতে হয়। তবে কম বা বেশি যে বয়সেরই হোক না কেন গাছে মরা বা ডাঙ্গা এবং রোগ-পোকা আক্রান্ত শাখা-প্রশাখা ছাঁটাইয়ের সময় কিছুটা সুস্থ অংশসহ ছাঁটাই করতে হয়। মূল কাণ্ড এবং মোটা শাখা কখনোই ছাঁটাই করা ঠিক নয়।

বড় মোটা শাখা কাটার সময় নিদির্ষ্ট জায়গা থেকে প্রায় ১ ফুট বা ৩০ সেন্টিমিটার দূরে নিচের দিক থেকে কাটা শুরু করতে হয়। কাটার গভীরতা নিভর্র করে কাটা শাখার অংশ নিচের দিকে বেঁকে আসা পযর্ন্ত। এর পর শাখার উপরের দিকে প্রথম কাটার স্থান থেকে ১ ইঞ্চি বা আড়াই সেন্টিমিটার দূরে দ্বিতীয় কাটা দিতে হয়। এতে কাটা শাখা বাকল বা ছালের সাথে ঝুলে থাকে না।

কাটা জায়গায় আলকাতরা বা ছত্রাকনাশক লাগাতে হয়। চিকন শাখাও নিচের দিক থেকে কাটলে অকতির্ত অংশের ছাল বা বাকল উঠে আসে না। কাটার সময় সুস্থ-সবল কুঁড়ি বা পবর্সন্ধির ঠিক উপরেই শাখা কাটা উচিত। তবে গাছের বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণের জন্য শাখার কুঁড়ি বা পবর্সন্ধির নিচেই কাটতে হয়।

ফল গাছ ছাঁইয়ের জন্য নিদির্ষ্ট সময় ও মৌসুমের প্রতি অবশ্যই লক্ষ্য রাখতে হয়। কারণ অসময়ে ছাঁটাই করলে সুফল পাওয়ার বদলে গাছে সমস্যার সৃষ্টি হতে পারে। সে ক্ষেত্রে প্রত্যাশিত ফলন নাও পাওয়া যেতে পারে। বষার্র শেষে এবং শীতের আগে ফল গাছে ছাঁটাই করা উচিত। তবে ফল সংগ্রহের পরই ছাঁটাই করা সবচেয়ে ভালো।

গাছে ফুল আসার আগে আগে বা ফল ধরা অবস্থায় শাখা-প্রশাখা ছাঁটাই করা ঠিক নয়। তবে নিদির্ষ্টসংখ্যক ফলধারণ নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে অতিরিক্ত ফুল ও ফল ছাঁটাই করা যেতে পারে। এ ছাড়া খরা, দীর্ঘ শুকনো মৌসুম বা শীতের সময় কখনোই ছাঁটাই করা উচিত নয়। বষার্র সময় বিশেষ করে বৃষ্টির দিনে ছাঁটাই না করাই ভালো।

আমাদের দেশে বিভিন্ন মৌসুমে বিভিন্ন ফল পাওয়া যায়। এসব ফল গাছ থেকে সংগ্রহ করার পর অথবা শীতের আগেই অথবা যদি প্রয়োজন দেখা দেয়, তাহলে অঙ্গ ছাঁটাই করা হয়। এতে সুস্থ-সবল ফল গাছ থেকে ভালো ফলন পাওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। কয়েকটি জনপ্রিয় ও প্রচলিত ফলগাছের অঙ্গ ছাঁটাই সম্পর্কে সবারই কিছুটা ধারণা থাকা প্রয়োজন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ১১, ২০২১ ৫:১০ অপরাহ্ন
ইঁদুরের হাত থেকে ৩৬০ কোটি টাকার ফসল রক্ষা
কৃষি গবেষনা

গত বছর প্রায় ১ কোটি ১৯ লাখ ৮৪ হাজার ইঁদুর নিধনের মাধ্যমে প্রায় ৮৯ হাজার ৮৭৬ মেট্রিক টন ফসল রক্ষা করা সম্ভব হয়েছে। যার বাজার মূল্য প্রায় ৩৬০ কোটি টাকা। ২০১৯ সালেও ইঁদুর নিধন অভিযানের মাধ্যমে প্রায় ১ কোটি ৪৭ লাখ ৯০ হাজার ইঁদুর নিধন করে ৩০০ কোটি টাকার ফসল রক্ষা করা হয়।

আজ রাজধানীর খামারবাড়ির আ.কা.মু গিয়াস উদ্দিন মিলকী অডিটরিয়ামে জাতীয় ইঁদুর নিধন অভিযান ২০২১ ও ২০২০ সালের পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে তথ্যটি উঠে আসে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর প্রতি বছর মাসব্যাপি এ অভিযান পরিচালনা করে থাকে। ১০ নভেম্বর পর্যন্ত চলবে এ অভিযান। জাতীয় ইঁদুর নিধন অভিযান ২০২১ এর প্রতিপাদ্য ‘জাতীয় সম্পদ রক্ষার্থে, ইঁদুর মারি একসাথে’।

ইঁদুরের ব্যাপক ক্ষতি থেকে ফসলকে রক্ষা করার পাশাপাশি ইঁদুর নিধন কার্যক্রমকে আরো জোরদার করার আহবান জানান কৃষি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. মেসবাহুল ইসলাম। আজ জাতীয় ইঁদুর নিধন অভিযানের উদ্বোধনী ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহবান জানান।

তিনি বলেন, প্রতিনিয়ই ইঁদুর কৃষকের কষ্টার্জিত ফসলের কয়েকগুন নষ্ট করে থাকে। এ ক্ষতির পরিমান বছরে প্রায় ২ হাজার ৯০০ কোটি টাকা। উদ্ধুকরণের মাধ্যমে সম্মিলিতভাবে ইঁদুর নিধন করতে হবে। খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধি ও খাদ্য নিরাপত্তার জন্য ইঁদুর দমন করা অত্যন্ত জরুরী।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. আসাদুল্লাহ এর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন কৃষি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. হাসানুজ্জামান কল্লোল, সরেজমিন উইংয়ের পরিচালক কৃষিবিদ মোঃ মনিরুল ইসলাম, বিনার মহাপরিচালক মফিজুল ইসলাম ও বাংলাদেশ সুগারক্রপ রিসার্চ ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক মোহাম্মদ আমজাদ হোসেন । স্বাগত বক্তব্য দেন উদ্ভিদ সংরক্ষণ উইংয়ের পরিচালক ড. মো. আবু সাইদ মিঞা। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন উদ্ভিদ সংরক্ষণ উইংয়ের অতিরিক্ত পরিচালক কৃষিবিদ হাবিবুর রহমান। এ সময় কৃষি মন্ত্রণালয় ও অধীনস্থ সংস্থার উর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ১১, ২০২১ ২:৩৫ অপরাহ্ন
তরমুজের গুড উৎপাদনে সাড়া জাগিয়েছেন মৃত্যুঞ্জয়
কৃষি বিভাগ

খুলনা জেলার ডুমুরিয়া উপজেলার ছোটবন্ড গ্রামের কৃষক মৃত্যুঞ্জয় মন্ডল কৃষি বিভাগের সহযোগিতায় প্রথমবারের মত তরমুজের গুড় তোগুড় উৎপাদন করে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন।

তিনি উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. মোছাদ্দেক হোসেনের সহযোগিতায় ২০১৯ সালে প্রথমবারের মত তরমুজ লাগিয়েছিলেন এবং পরপর তিন বছর তরমুজ চাষ করে এলাকায় সফল তরমুজ চাষী হিসাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।

বরাবরই তরমুজ উচ্চ মূল্যের ফসল, তবে কিছু কিছু তরমুজ সাইজে কিছুটা ছোট হয় বা আকার আকৃতিতে কিছুটা কম থাকে, ফলে গ্রেডিং এ টেকে না, যা ক্যাট নামে পরিচিত। এগুলো বিক্রি হয়না এবং অনেক সময় মাঠেই থেকে যায়। কোন কোন সময় বৃষ্টিতে পঁচে এগুলোর দুর্গন্ধ সৃষ্টি হয়। মৃত্যুঞ্জয় ঐ সমস্ত ক্যাট নিয়ে কোন রকম মেশিন ছাড়া একেবারে দেশীয় প্রযুক্তি ব্যবহার করে তরমুজ কেটে এর লাল অংশ বের করে, নেট দিয়ে ছেঁকে জুস বের করে চুলায় জালিয়ে তোগুড় তৈরি করছেন। প্রাকৃতিক উপায়ে তৈরি এ গুড় অত্যন্ত সুস্বাদু এবং অনেক দিন সংরক্ষণ করা যায়।

মৃত্যুঞ্জয় জানান, তরমুজের রস মিষ্টি এবং পাতলা, এজন্য আমার মনে হয়েছিল এর থেকে গুড় করা সম্ভব এবং আমি শুরু করে সফল হয়েছি। আমি প্রায় তিন কেজি গুড় তৈরি করে আমি নিজে, পাড়া প্রতিবেশী, উপজেলা কৃষি অফিসার স্যারসহ অনেককেই খায়য়েছি। সকলে প্রশংসা করেছে। অনেকেই ৩০০ টাকা কেজি দরে কিনতে চেয়েছে। আগামীতে এর উৎপাদন আরও বৃদ্ধি করব।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. মোছাদ্দেক হোসেন জানান, এটি কৃষিতে এক দারুণ অর্জন। আমাদের দেশের গুড় শিল্প দিন দিন হারিয়ে যাচ্ছে। একদিকে তাল, খেজুর গাছের সংখ্যা অপরদিকে গাছির সংখ্যা কমে যাচ্ছে। ফলে অদূর ভবিষ্যতে গুড় শিল্প হুমকির দিকে চলে যাচ্ছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ১১, ২০২১ ৯:১১ পূর্বাহ্ন
আগাম জাতের রোপা আমন কাটা নিয়ে ব্যস্ত জয়পুরহাটের চাষিরা
কৃষি বিভাগ

খাদ্য উৎপাদনে উদ্বৃত্ত জেলা জয়পুরহাটে আগাম জাতের রোপা আমন ধান কাটা মাড়াই শুরু হয়েছে। ভালো ফলন পেয়ে কৃষকরাও খুশি। এতে কৃষকের পাশাপাশি দিনমজুররাও ব্যস্ত হয়ে উঠছেন ধান কাটা মাড়াই কাজে।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্র জানায়, জেলায় চলতি ২০২১-২২ রোপা আমন চাষ মৌসুমে ৬৯ হাজার ৬৬০ হেক্টর জমিতে রোপা আমন চাষের লক্ষ্যমাত্রা ধার্য করা হলেও চাষ হয়েছে ৬৯ হাজার ৬৬২ হেক্টর জমিতে। এরমধ্যে আগাম জাতের রোপা আমন ধান রয়েছে ৪ হাজার ৮শ হেক্টর। আগাম জাতগুলোর মধ্যে রয়েছে ব্রী ধান-৭৫, বিনা ধান ১৭, আগাম হাইব্রিড জাতের মধ্যে রয়েছে ধানি গোল্ড ও এরাইজ-৭০০৬ জাত।

এ গুলোর গড় উৎপাদন হচ্ছে হেক্টর প্রতি ৫ থেকে ৬ মেট্রিক টন। জেলার এবার মোট উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ২ লাখ মেট্রিক টন চাল। এবার আষাঢ় মাসে বৃষ্টিপাত সন্তোষজনক পর্যায়ে থাকায় রোপা আমন চাষে তেমন কোন সমস্যা হয়নি। চলতি জুলাই দ্বিতীয় সপ্তাহের পর থেকে আমনের চারা রোপণ কার্যক্রম শুরু হলেও আগস্টের শেষ সপ্তাহে রোপণ কার্যক্রম শেষ হয় বলে জানায় কৃষি বিভাগ।

কৃষি বিভাগ জানায়, জয়পুরহাটে চলতি ২০২১-২২ মৌসুমে রোপা আমন চাষ সফল করতে ৩ হাজার ৫০০ হেক্টর জমিতে বীজতলা তৈরি করা হয়েছে। জেলায় ২০২০-২০২১ মৌসুমে বোরোর বাম্পার ফলন হয়েছে। কৃষি বিভাগের হিসেবে মতে জেলায় এবার বোরো চাল উৎপাদন হয়েছে সাড়ে ৩ লাখ মেট্রিক টন।

বোরো ধান কাটা মাড়াই শেষ করেই কৃষকরা রোপা আমন চাষে ঝাঁপিয়ে পড়ে। আগাম জাতের ধান কাটা শুরু হলেও অন্যান্য জাতের ধানও পাক ধরেছে। অক্টোবর মাসের প্রথম সপ্তাহ থেকে আগাম জাতের ধান কাটা শুরু হলেও আগামী নভেম্বর মাস থেকে সব জাতের ধান কাটা মাড়াই পুরো দমে শুরু হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন স্থানীয় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের ভারপ্রাপ্ত উপ পরিচালক বাবলু কুমার সূত্রধর।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ১১, ২০২১ ৯:০৩ পূর্বাহ্ন
কাদা জমিতে চলছে পেঁয়াজের চাষ
কৃষি বিভাগ

কৃষকরা যুগ যুগ ধরে পেঁয়াজ চাষ করে আসছে শীত মৌসুমে শুকনো মাটিতে। কিন্তু মেহেরপুরের চাষিরা তাদের চাষের ধরণ বদলিয়ে পেঁয়াজ ক্ষেতে আমন ধান আবাদের মতো কাদা তৈরি করে রোপণ করেছে পেঁয়াজের চারা। এ পদ্ধতিতে পেঁযাজের ফলন নিয়ে চিন্তিত হলেও হাল ছাড়েনি কৃষি বিভাগ ও উদ্যোমী চাষিরা।

গত ৪ বছর ধরে জেলায় কাদা জমিতে পেঁয়াজের চাষ হচ্ছে। শেষ পর্যন্ত কাদায় রোপণ করা পেঁয়াজের বাম্পার ফলন হয়েছে। শুধু ফলনই নয়, নতুন পদ্ধতিতে চাষ করে বিঘাতে গড়ে ৫০ হাজার টাকা লাভবান করেছেন অনেকেই। আগামীতে এ পদ্ধতিতে পেঁয়াজ চাষ বাড়বে বলে আশা করছে কৃষি বিভাগ।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, দেশে উৎপাদিত পেঁয়াজে স্বয়ংসম্পূর্ণ হতে পেঁয়াজ উৎপাদনের উপর জোর দেয়া হয়েছে। সে লক্ষ্যে মেহেরপুর জেলায় এবার নতুন পদ্ধতিতে ২৫ হেক্টর জমিতে পেঁয়াজ আবাদ করা হয়। বারি পেঁয়াজ-৫ সহ বিভিন্ন জাতের পেঁয়াজ আবাদ করেছে চাষিরা।

জেলার মুজিবনগর উপজেলার সোনাপুর গ্রামের কৃষক ফিরোজ আহমেদ মাস্টার জানান- মুজিবনগরে শীতকালে ব্যাপক পেঁয়াজ চাষ হয়। তবে সেটি ভারতীয় বীজ থেকে উৎপন্ন ‘সুখ সাগর’ পেঁয়াজ। এ পেঁয়াজ বেশি দিন ঘরে রাখা যায় না। আবার সময় চাহিদা ও দাম না পাওয়ায় চাষিদের ক্ষতির মুখে পড়তে হয়। এবার ‘সুখ সাগর’ পেঁয়াজের পরিবর্তে কয়েকজন কৃষক গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজ চাষ করে ভালো ফলন ও ভােলা দামে বিক্রি করে ওই জমিতেই আবার শীতকালীন পেঁয়াজের চাষ করছেন। পেঁয়াজ আবাদের এ ধারায় দেশের পেঁয়াজ সংকট দূর হবে বলে আশা করছেন অগ্রগামী এসব কৃষক।

মেহেরপুর সদর উপজেলার শুভরাজপুর গ্রামের কৃষক ওহাব আলী জানান- তিনি ৫ বিঘা বারি পেঁয়াজ -৫ নতুন পেঁয়াজের চাষ করেছেন। আবহাওয়া অনুকূল হওয়ায় এ পেঁয়াজ চাষে ঝুঁকি কম। নভেম্বর থেকেই এ পেঁয়াজ উত্তোলন করা যাবে বলে তিনি জানান। ফলে চাষিরা সারা বছর পেঁয়াজ চাষ ও সংরক্ষণ করতে পারবেন। এতে পেঁয়াজের ঘাটতি যেমন কমবে, তেমনি চাষিরাও সারা বছর ন্যায্য দামে পেঁয়াজ বিক্রি করতে পারবেন।

মেহেরপুর সদর উপজেলার ইছাখালি গ্রামের পেঁয়াজ চাষি গোলাম মোস্তফা জানান- ১৫বিঘা জমিতে গ্রীষ্মকালীন এ পেঁয়াজ চাষ করে লাভবান হয়েছেন। তিনি এবছর ২০ বিঘা জমিতে গ্রীষ্মকালীন পেয়াঁজের চাষ করেছেন। ৯৫ থেকে ১১০ দিনে এ পেঁয়াজ বিঘায় ১২০ থেকে ১৫০ মণ উৎপাদন হয়। গ্রীষ্মকালীন এ পেঁয়াজ প্রতি বিঘায় চাষ করতে ২০ থেকে ৩০ হাজার টাকা খরচ হয়।
ওয়েভ ফাউন্ডেশনের প্রকল্প পরিচালক কৃষিবিদ নাসির উদ্দীন আহম্মেদ জানান- জেলায় বিভিন্ন চাষিদের মাধ্যমে ২৫ হেক্টর জমিতে বারী পেঁয়াজ-৫ আবাদ করা হয়েছে। ভালো ফলন হবে এবং চাষিরা লাভবান হবে।

মেহেরপুর জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক স্বপন কুমার খাঁ জানান- নতুন পদ্ধতিতে পেঁয়াজ উৎপাদনে মেহেরপুর জেলা কৃষিতে যুগান্তকারী এক পরিবর্তনের মাইলফলক স্পর্শ করেছে। লাভ ও ফলনে কৃষকদের মাঝে ব্যাপক আগ্রহ বেড়েছে। আগামীতে এ জেলায় আরও বেশি পরিমাণ জমিতে পেঁয়াজ চাষ হবে বলে আশাবাদ প্রকাশ করেন তিনি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ১০, ২০২১ ৮:২৪ অপরাহ্ন
বরিশালে আঞ্চলিক কৃষি প্রযুক্তি সম্প্রসারণ কমিটির সভা অনুষ্ঠিত
কৃষি বিভাগ

বরিশালে আঞ্চলিক কৃষি প্রযুক্তি সম্প্রসারণ কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ নগরীর খামারবাড়িতে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের (ডিএই) উদ্যোগে এই সভার আয়োজন করা হয়। এত সভাপতিত্ব করেন ডিএই বরিশাল অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক মো. তাওফিকুল আলম।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন আঞ্চলিক বীজ প্রত্যয়ন অফিসার চিন্ময় রায়, বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের (ব্রি) মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. আলমগীর হোসেন, ডিএই ঝালকাঠির উপপরিচালক মো. ফজলুল হক, বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বিএআরআই) প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. গোলাম কিবরিয়া, হর্টিকাল সেন্টারের উপপরিচালক মো. নজরুল ইসলাম, বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশনের (বিএডিসি) যুগ্ম পরিচালক ড. একেএম মিজানুর রহমান, বিএডিসির নির্বাহী প্রকৌশলী চঞ্চল কুমার মিস্ত্রী, বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বিনা) ভারপ্রাপ্ত ড. ছয়েমা খাতুন, কৃষি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের (এটিআই) ঊর্ধ্বতন প্রশিক্ষক যুথিকা পাল, বাংলাদেশ সুগারক্রপ গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বিএসআরআই) ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা রতন কুমার গনপতি, বাংলাদেশ মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউটের (এসআরডিআই) বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা আশিক এলাহী, কৃষি তথ্য সার্ভিসের কর্মকর্তা নাহিদ বিন রফিক, আদর্শ কিষাণী মাকসুদা বেগম প্রমুখ। সভাপতির বক্তৃতায় তিনি বলেন, মৌসুমভিত্তিক কৃষিপরিকল্পনার ক্ষেত্রে সরকারের লক্ষ্য-উদ্দেশ্যের প্রতি অবশ্যই গুরুত্ব দিতে হবে। তাই ফসলের উৎপাদনশীলতা বাড়ানো দরকার। পাশাপাশি প্রয়োজন পুষ্টি ও নিরাপদ খাদ্যের বিষয়েও নজর দেওয়া। তাহলেই আমরা সফলকাম হবো। অনুষ্ঠানে কৃষি সংশ্লিষ্ট সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে ২০ জন কর্মকর্তা অংশগ্রহণ করেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ১০, ২০২১ ৪:৪৪ অপরাহ্ন
১৫ দিনের মধ্যে পেঁয়াজের দাম নিয়ন্ত্রণে আসবে: কৃষিমন্ত্রী
কৃষি বিভাগ

আগামী ১৫-২০ দিনের মধ্যে পেঁয়াজের দাম নিয়ন্ত্রণে আসবে বলে জানিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক। তিনি বলেন, আমরা গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজের চাষ করেছি সেই পেঁয়াজ এবং আমদানিকৃত পেঁয়াজ আসার অপেক্ষায় রয়েছে।

রোববার (১০ অক্টোবর) সকালে গাজীপুরের বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের দুটি গবেষণাগার পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি।

তিনি বলেন, পেঁয়াজ পঁচনশীল ও মজুদ রাখার তেমন কোনো ব্যবস্থা না নেই। তাই মৌসুমের শেষের দিকে দাম বেড়েছে, এটা কমে যাবে।

রপ্তানিকৃত কৃষিপণ্যে ভাইরাস ও জীবাণু পরীক্ষাগার সম্পর্কে মন্ত্রী বলেন, বিশ্ব বাজারে দেশের পণ্য রপ্তানিতে এ গবেষণাগার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

শেষে বারি’র কেন্দ্রীয় গবেষণা পর্যালোচনা ও কর্মসূচি প্রণয়ন এক কর্মশালায় অংশ নেন কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক। এ সময়ে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল, কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ডক্টর মো. নাজিরুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop