৫:৪১ পূর্বাহ্ন

শুক্রবার, ১ মে , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : অক্টোবর ২, ২০২১ ৬:২৬ অপরাহ্ন
বরিশালে বীজ প্রত্যয়ন এজেন্সির সেমিনার অনুষ্ঠিত
কৃষি বিভাগ

নাহিদ বিন রফিক (বরিশাল): বীজ প্রত্যয়ন কার্যক্রম জোরদারকরণ প্রকল্প আয়োজিত এক আঞ্চলিক রিভিউ সেমিনার ১ অক্টোবর বরিশাল নগরীর এসসিএ হলরুমে অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন বীজ প্রত্যয়ন এজেন্সির (এসসিএ) পরিচালক আব্দুর রাজ্জাক।

আঞ্চলিক বীজ প্রত্যয়ন অফিসার চিন্ময় রায়ের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের (ডিএই) অতিরিক্ত পরিচালক মো. তাওফিকুল আলম, কৃষি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের অধ্যক্ষ হৃদয়েশ্বর দত্ত এবং বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো.আলমগীর হোসেন।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ডিএই পিরোজপুরের উপপরিচালক ড. নজরুল ইসলাম সিকদার, ডিএই পটুয়াখালী জেলা প্রশিক্ষণ অফিসার মো. খায়রুল ইসলাম মল্লিক, আঞ্চলিক কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. আলিমুর রহমান, তেল জাতীয় ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি প্রকল্পের মনিটরিং অফিসার (বরিশাল অঞ্চল) রথীন্দ্রনাথ বিশ্বাস, বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশনের আলু বীজ হিমাগারের উপপরিচালক কে এম আখতার হোসেন, ভোলা সদরের উপজেলা কৃষি অফিসার মুহাম্মদ রিয়াজ উদ্দিন, নেছারাবাদের উপজেলা কৃষি অফিসার চপল কৃষ্ণ নাথ, পিরোজপুরের বীজ প্রত্যয়ন অফিসার ইসরাত জাহান শিলু প্রমুখ।

প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি বলেন, শস্য উৎপাদনে বীজের গুরুত্ব অপরিসীম। তাই ফসলের আশানুরূপ ফলন পেতে মানসম্পন্ন বীজ ব্যবহার করতে হবে। আর ভালো বীজের গুণাগুণ অক্ষন্ন রাখতে যা যা করণী তা অবশ্যই পালন করা চাই। তাহলেই কৃষকরা লাভবান হবেন।

অনুষ্ঠানে কৃষি সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা, বীজ ডিলার ও কৃষকসহ ৫০ জন অংশগ্রহণকারী উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ২, ২০২১ ৩:২৪ অপরাহ্ন
৪০ একর ধান ক্ষেতে হাতির তাণ্ডব
কৃষি বিভাগ

ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকার প্রায় ৪০ একর ধান ক্ষেতে তাণ্ডব চালিয়েছে ভারতের গারো পাহাড় থেকে নেমে আসা বন্যহাতির পাল। এতে কৃষকদের ব‍্যাপক ক্ষতি হয়েছে। প্রতিদিন সন্ধ‍্যা নামতেই শত শত কৃষক রাত জেগে পাহারা বসিয়ে পটকা ফাটিয়ে মশাল জ্বালিয়ে লাঠি হাতে সরব থাকলেও বন্ধ করা যাচ্ছে না হাতির তাণ্ডব। প্রায় রাতেই উপজেলার ভূবনকুড়া ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী ধানক্ষেতগুলোতে হাতির পাল নামে।

উপজেলার ভূবনকুড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. সুরুজ মিয়া জানান, বিগত কয়েকদিনে স্থানীয় জামগড়া মহিষলেটি, ধোপাঝুড়ি, কোচপাড়া, রঙ্গমপাড়া এবং কড়ইতলী এলাকায় হাতির তাণ্ডবে কৃষকদের অন্তত ৪০ একর জমির রোপা আমন ধানের গাছ খেয়ে এবং পা দিয়ে পিষ্ট করে নষ্ট করে ফেলেছে হাতির পাল। ফসল রক্ষায় ইউনিয়ন পরিষদের তহবিল থেকে কৃষকদের কেরোসিন, টর্চলাইট ও পটকা সরবরাহ করে সহযোগিতা করা হচ্ছে।

এছাড়া স্থানীয়দের নিয়ে হাতি তাড়াতে গ্রামে গ্রামে কৃষকদের টিম করে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু এর স্থায়ী সমাধান প্রয়োজন। কৃষকরা যেন আর ক্ষতিগ্রস্ত না হন, যোগ করেন চেয়ারম্যান।

স্থানীয় কৃষি বিভাগ জানায়, পাহাড়ি বন্যহাতির তাণ্ডবে সীমান্তবর্তী ভূবনকুড়া ইউনিয়নের কয়েকটি গ্রামের ৩২ জন কৃষকের প্রায় ৪০ একরের বেশি জমির ফসল নষ্ট হয়েছে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. মাসুদুর রহমান জানান, হাতির তাণ্ডবে অন্তত ৪০ একর জমির ফসল নষ্ট হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা করে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে।

হালুয়াঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. রেজাউল করিম বলেন, অবস্থা উত্তরণে স্থানীয় যু্বকদের নিয়ে হাতি প্রতিরোধ টিম গঠন করা হয়েছে। সেই সঙ্গে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা করে সরকারিভাবে সহযোগিতার চেষ্টা চলছে। বাংলাদেশের সীমান্তের কিছু এলাকায় কাঁটাতারের বেড়া না থাকায় অবাধে হাতির পাল নেমে এসে কৃষকের ফসল নষ্ট করছে। এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নিতে বিষয়টি বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) এবং বনবিভাগকে জানানো হয়েছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ২, ২০২১ ১:০৪ অপরাহ্ন
আমন ধানে স্বপ্ন বুনছেন চিরিরবন্দরের কৃষকরা
কৃষি বিভাগ

ধান চাষে খ্যাত দিনাজপুরের মাঠে মাঠে এখন আমনের হলদে রঙের সমারোহ। আমন ধান ক্ষেতে বাতাসে দুলছে কৃষকের সবুজ স্বপ্ন। দিনাজপুরের চিরিরবন্দরে এবার আমন ধানের বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা দেখছেন কৃষকরা। ভালো আবহাওয়া ও পর্যাপ্ত বর্ষার পানি পাওয়ায় আমন ধানের ক্ষেত যেন এবার হাসছে।

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জানিয়েছেন, এ মৌসুমে উপজেলায় ২৩ হাজার ৪৩৫ হেক্টর জমিতে আমনের চাষ হয়েছে। এর মধ্যে ২২ হাজার ৭৩৫ হেক্টর জমিতে উফসি, ৩৫৫ হেক্টর জমিতে স্থানীয় ও ৩৪৫ হেক্টর জমিতে হাইব্রিড জাতের রোপা আমন ধান চাষ করা হয়েছে। আর এক মাসের মধ্যেই কৃষক তাদের কাঙ্খিত আমন ধান কেটে ঘরে তুলতে পারবেন।

জানা গেছে, করোনার সময় থেকে কৃষকদের নিরবিচ্ছিন্ন সেবা দিতে ছুটির দিনসহ কৃষি বিভাগের সব কর্মকর্তা-কর্মচারী আমন ধান নির্বিঘ্নে ঘরে তুলতে কৃষকদের মাঝে লিফলেট বিতরণ, ভ্রাম্যমাণ ফসল ক্লিনিক সেবা , আলোক ফাঁদ, সন্ধ্যকালীন ভিডিও প্রর্দশন, উঠান বৈঠক, দলীয় আলোচনা, সচেতনামূলক আলোচনা সভাসহ বিভিন্ন কার্যক্রমের মাধ্যমে কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করছেন।

এছাড়া পিপি স্কোয়াড গঠন করে মাঠের সার্বিক পরিস্থিতি পর্যাবেক্ষণ পরামর্শ ও অতন্দ্র জরিপ ব্লকের মাধ্যমে নিয়মিতভাবে রোগ ও পোকার আক্রমণ সংক্রান্ত পূর্বাভাস জরিপ করছেন কৃষি কর্মকর্তারা। তাছাড়া উপজেলা পর্যায়ের কর্মকর্তাসহ উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তারা সার্বক্ষণিক কৃষকের জমিতে গিয়ে ফসলের তদারকিসহ নিয়মিত পরামর্শ দিচ্ছেন।

উপজেলার সাতনালা গ্রামের ধানচাষি ছপির উদ্দীন বলেন, আমার ২১ বিঘা জমি আছে। গতবার বোরো মৌসুমে ১৪ বিঘা জমিতে ধান চাষ করেছিলাম। এবার পুরো ২১ বিঘা জমিতে আমন চাষ করেছি।উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের পরামর্শে এ ফসল ফলিয়েছি। এই ফসলের সবুজ ঢেউ এখন আমাকে স্বপ্ন দেখায় ভালো ফলন ও ভালো দামের।

পশ্চিম সাইতাড়া গ্রামের কৃষক রশিদুল ইসলাম জানান, আমি গরিব মানুষ, চার বিঘা জমি বর্গা নিয়ে চাষ করেছি। এই মাঠে সবার চেয়ে আমার জমিতে আমন চাষ ভালো হয়েছে। প্রতিদিন ধান ক্ষেতে আসি আর স্বপ্ন দেখি, ধান কেটে ছেলে-মেয়েদের নিয়ে সুখে দিন কাটাব।

চিরিরবন্দর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জোহরা সুলতানা জানান, গত কয়েক বছর ধরে স্থানীয় জাতের ধানের আবাদ কমে উফশী জাতের আবাদ বেড়েছে। বেশি ফলন হওয়ায় কৃষকদের হাইব্রিড ও উফশীতে আগ্রহ বেশি। আশা করছি, এসব ধানে এবারও বাম্পার ফলন হবে। কৃষকের স্বপ্ন পূরণ হবে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ১, ২০২১ ৯:১২ অপরাহ্ন
দেশে আর কোন দিন মঙ্গা ফিরে আসবে না : কৃষিমন্ত্রী
কৃষি বিভাগ

কৃষিমন্ত্রী ড. মো: আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, বর্তমান সরকারের নানা পদক্ষেপের ফলে ইতোমধ্যে দেশ থেকে মঙ্গা দূর হয়েছে। মানুষ মঙ্গার কথা ভুলে গেছে। এ অবস্থায়, আমাদের বিজ্ঞানীদের উদ্ভাবিত আগাম জাতের আমন ধানের চাষ রংপুর, নীলফামারীসহ উত্তরাঞ্চলে ব্যাপকভাবে সম্প্রসারিত করতে পারলে দেশে ভবিষ্যতে আর কোনো দিন মঙ্গা ফিরে আসবে না।

শুক্রবার রংপুরের তারাগঞ্জে বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিনা) আয়োজিত বিনা-১৬ ও বিনা-১৭ জাতের ধানের নমুনা কর্তন ও মাঠ দিবসে ভার্চুয়ালি প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

ড. রাজ্জাক বলেন, বছরের এই সময়ে আশ্বিন- কার্তিক মাস আসলেই আগে উত্তরাঞ্চলে মঙ্গা বা আধা দুর্ভিক্ষ দেখা দিতো। বেশির ভাগ মানুষের ঘরে খাবার থাকতো না। আমন ধান ঘরে তোলার আগ পর্যন্ত খাবার জুটত না। তিনি বলেন, সারা দেশে আমনের ফসল আসতে যেখানে আরও ১-২ মাস সময় লাগবে, সেখানে এই মুহূর্তে আমন ধান পেকেছে। বিনার উদ্ভাবিত এ জাতগুলোর অপার সম্ভাবনা রয়েছে। মন্ত্রী এ জাতগুলোকে দ্রুত কৃষকের কাছে ছড়িয়ে দিতে নির্দেশ প্রদান করেন।

অনুষ্ঠানস্থল রংপুরের তারাগঞ্জে মাঠ দিবসে কৃষি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো: মেসবাহুল ইসলাম, অতিরিক্ত সচিব কমলারঞ্জন দাশ, বিনার ডিজি মির্জা মো: মোফাজ্জল ইসলাম, রংপুরের জেলা প্রশাসক ও স্থানীয় কৃষি কর্মকর্তা বিজ্ঞানীরা উপস্থিত ছিলেন।সূত্র : বাসস

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ১, ২০২১ ১০:৪৭ পূর্বাহ্ন
পরিত্যক্ত দ্বীপে মিশ্র ফল বাগান করে তাক লাগিয়েছেন সুশান্ত তঞ্চঙ্গ্যা
কৃষি বিভাগ

কাপ্তাই হ্রদের পাশে রাঙ্গাপানি এলাকায় পরিত্যক্ত দ্বীপের ১০ একর জমিতে মিশ্র বাগান করে সফল হয়েছেন রাঙ্গামাটির কৃষি উদ্যোক্তা সুশান্ত তঞ্চঙ্গ্যা।

রাঙ্গামাটির এ সফল কৃষি উদ্যোক্তা জানান, ২০১৬ সালে ব্যক্তিগত উদ্যোগে কাপ্তাই হ্রদ ঘেষে থাকা রাঙ্গামাটির সদরের মগবান ইউনিয়নের সোনারাম কার্বারী পাড়া এলাকায় সুশান্ত তঞ্চঙ্গ্যা তার পরিত্যক্ত দ্বীপে গড়ে তোলেন মিশ্র ফলজ বাগান। মিশ্র ফলজ বাগান করার পর তাকে আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। এ বাগানই তাকে এনে দিয়েছে ব্যাপক সফলতা।

পরিত্যক্ত পাহাড়ী জমিতে মিশ্র ফল বাগান করে সুশান্ত বর্তমানে রাঙ্গামাটির সফল কৃষি উদ্যোক্তা হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। তার বাগানে কাজ করছে আরো অনেক বেকার যুবক। মিশ্র বাগানের পাশাপাশি গাছের চারাও বিক্রি করছেন তিনি।

তার বাগানে বল সুন্দরি বড়ই, বিদেশী রেড লেডি পেঁপে, বিলাতি ধনিয়া পাতা, লিচু, লটকন, মাল্টা, কলা, তেতুল, সুপারি, বেল, জাম্বুরা, কাঠাল, রাম্বুটান, পেয়ারা, আলু বোখরা, দারু চিনিসহ বিভিন্ন ধরনের মিশ্র ফল বাগান রয়েছে।

বর্তমানে তার বাগানে বিদেশী জাতের রেড লেডি পেঁপে, জাম্বুরা, বেলসহ বেশ কয়েকটি ফল বিক্রির উপযোগী হয়েছে। ফুল এসেছে বল সুন্দরি বড়ই গাছে। আরো কয়েক মাস পর আরো কিছু ফল বিক্রির উপযোগী হবে বলে জানিয়েছেন এ কৃষি উদ্যোক্তা। তবে সরকারী সহায়তা পেলে শহর থেকে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন থাকা কাপ্তাই হ্রদ বেষ্টিত এসব পরিত্যক্ত দ্বীপ এলাকায় আরো মিশ্র ফলজ বাগান করা সম্ভব বলে জানান সুশান্ত তঞ্চঙ্গ্যা।

সুশান্ত তঞ্চঙ্গ্যার বাগানে কাজ করে সফল স্বাবলম্বী হওয়া যুবক সুকুমার চাকমা জানান, আমিসহ আরো ১০ থেকে ১২ জন বেকার যুবক এ বাগানে কাজ করে পরিবারের চাহিদা মিটানোর পাশাপাশি নিজেরা অনেকটাই স্বাবলম্বী। ভবিষ্যতে তারা ও সম্মিলিতভাবে মিশ্র ফলজ বাগান করার পরিকল্পনা করছেন বলে জানান।

রাঙ্গামাটি কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কৃষ্ণ প্রসাদ মল্লিক জানান, পাহাড়ের বিভিন্ন পরিত্যক্ত জমিতে ব্যক্তিগত ও সম্মিলিতভাবে মিশ্র ফল বাগান পাহাড়ের ফলের চাহিদা মিটানোর পাশাপাশি দেশের অন্যান্য জেলাগুলোতে ও কৃষকরা সরবরাহ করছে। এতে পার্বত্য এলাকায় কৃষকরা অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হওয়ার পাশাপাশি মিশ্র ফলজ বাগান কৃষি ক্ষেত্রে ভালো একটি পরিবর্তন এনেছে। তিনি জানান, মিশ্র ফলজ বাগান নিয়ে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আওতায় কোন প্রকল্প না থাকলে ও মাঠ পর্যায়ে কৃষকদের সব ধরনের সহায়তা করা হচ্ছে।

মিশ্র ফলজ বাগানের বিষয়ে প্রকল্প গ্রহণে ভবিষ্যত উদ্যোগ নেয়ার পরিকল্পনা রয়েছে জানিয়ে এ কৃষি কর্মকর্তা জানান, বর্তমানে সরকারীভাবে কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে আগামী ৫বছরের জন্য কাজু বাদাম ও কফি চাষের একটি প্রকল্প চালু হবে। এসব প্রকল্পে পাহাড়ের পরিত্যক্ত জমিকে কাজে লাগানোর পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানান তিনি।

পাহাড়ে পরিত্যক্তভাবে পড়ে থাকা জমিগুলো মিশ্র বাগান চাষের আওতায় আনতে পারলে ফল উৎপাদনে দেশের অনেক অনেক চাহিদা পূরণ করা সম্ভব বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ১, ২০২১ ৯:৫৬ পূর্বাহ্ন
বেগুনি জাতের ধান চাষ করছেন মিন্টু
কৃষি বিভাগ

ভিটামিন-ই এবং ফাইবারসমৃদ্ধ উচ্চফলনশীল ও চায়না অরিজিন বেগুনি জাতের ধান চাষ করেছেন রংপুরের পীরগাছা উপজেলার কৃষক মো. মোজাফফর আহমেদ মিন্টু। তিনি দুই শতক জমিতে প্রথমবারের মতো এ ধান চাষ করছেন। মো. মোজাফফর আহমেদ মিন্টু উপজেলার অন্নদানগর ইউনিয়নের জগজীবন (গোবরাপাড়া) গ্রামের মৃত ইসমাইল হোসেনের ছেলে। তিনি তার এক বন্ধুর কাছ থেকে পরীক্ষামূলক চাষ করতে এক কেজি ধান নিয়ে চাষাবাদ করেন।

কৃষক মো. মোজাফফর আহমেদ মিন্টু জানান, এ ধানের ধান একরপ্রতি উৎপাদন প্রায় ৫০-৫৫ মণ, ধানগাছে শীষের সংখ্যা অনেক বেশি, প্রতিটি শীষে প্রায় ২০০-৩১৩ দানা হয়, অনেক পুষ্টিগুণের পাশাপাশি দীর্ঘদিন এ ধানের ভাত খেলে ডায়াবেটিস, ক্যান্সার, হৃদরোগের মতো আরও অনেক রোগ প্রতিরোধ ঝুঁকি কমায়।

সাধারণত অন্য জাতের ধান চাষ থেকে এ ধানে রাসায়নিক-কীটনাশক পরিমাণে কম লাগে। তুলনামূলকভাবে অন্য জাতের ধান থেকে এ জাতের ধান চাষে খরচ অনেক কম। এ জাতের ধান কৃষকের ঘরে তুলতে প্রায় ৯০ দিন সময় লাগে।

উপজেলা কৃষি অফিসসূত্র জানায়, এ ধানকে কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগ নাম দিয়েছেন পারপল লিফ রাইচ। চালের রঙও বেগুনি হয়। চাল মোটা হয়ে থাকে। বোরো ও আমন দুই মৌসুমে চাষাবাদ করা যায়। বোরো ৫০-৫৫ মণ ও আমনে ১২-১৩ মণ ধান হয়ে থাকে। এই ধানের জাতকে অনেকে দুলালী সুন্দরী বলে থাকেন।

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মো. আশরাফুজ্জামান ও উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা মো. আব্দুল লতিফ বলেন, ওই কৃষকের রোপণকৃত বেগুনি জাতের ধান আমরা সবসময় মনিটরিং ও অবজারভার করছি। যদি এর ফল ভালো হয়, তা হলে আমরা অন্য কৃষকদের চাষাবাদ করতে উৎসাহিত করব। যেহেতু পীরগাছায় এই প্রথম বেগুনি ধানের চাষ হচ্ছে, তাই আমরা আরও অবজারভার করে বিস্তারিত জানাতে পারব।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. সাইফুল আলম জানান, বেগুনি জাতের ধান চাষ পীরগাছায় এই প্রথম। ফলন যদিও একটু কম, খেতে সুস্বাদু। ধান ও চালের মধ্যে উল্লেখযোগ্য কোনো প্রভাব না রাখলেও এটার ধান ও চাল দেখতে অনেক সুন্দর। এটি পরিবেশের ওপর ভালো একটি প্রভাব রাখবে।

যদি এর ফলন ভালো হয়; তা হলে আমরা কৃষকদের চাষাবাদ করতে উদ্বুদ্ধ করব।

ওই গ্রামের সমাজসেবক মো. রেজাউল করিম রেজা জানান, মিন্টু একজন কীটনাশক ব্যবসায়ী। তার কৃষি সেবা কেন্দ্র নামে মমিনবাজারে একটি কীটনাশক ব্যবসা আছে। তিনি এই প্রথম আমাদের এলাকায় বেগুনি জাতের ধান এনেছেন, তা দেখে আমার ভালো লাগছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২১ ১০:৪২ অপরাহ্ন
বরিশালে ভাসমান কৃষি বিষয়ক মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত
কৃষি বিভাগ

নাহিদ বিন রফিক (বরিশাল): ভাসমান কৃষির আধুনিক প্রযুক্তির ওপর এক কৃষক মাঠ দিবস আজ বরিশালের আঞ্চলিক কৃষি গবেষণা কেন্দ্রে (আরএআরএস) অনুষ্ঠিত হয়। ভাসমান বেডে সবজি ও মসলা চাষ, গবেষণা, সম্প্রসারণ ও জনপ্রিয়করণ প্রকল্প আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক মো. তাওফিকুল আলম।

আরএআরএস’র মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. রফি উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে গেস্ট অব অনার হিসেবে ছিলেন প্রকল্প পরিচালক ড. মো. মোস্তাফিজুর রহমান তালুকদার। বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. গোলাম কিবরিয়া।

বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. মাহবুবুর রহমানের সঞ্চালনায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. রাশেদুল ইসলাম, এসও মো. মাহবুবুর রহমান, কৃষি তথ্য সার্ভিসের কর্মকর্তা নাহিদ বিন রফিক প্রমুখ।

প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি বলেন, আগে ভাসমান বেডে শুধু সবজির চারা উৎপাদন হত। এখন শাকসবজিসহ বিভিন্ন ফসল চাষ হচ্ছে। প্রযুক্তি উদ্ভাবনের মাধ্যমে তা সম্ভব হয়েছে। এখন দরকার ভাসমান কৃষিকে জনপ্রিয়করণ করা। অনুষ্ঠানে বাবুগঞ্জ এবং উজিরপুর ও আলৈঝাড়ার ১০০ জন কৃষক অংশগ্রহণ করেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২১ ৩:৪৮ অপরাহ্ন
নরসিংদীতে বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদন হচ্ছে সবজির চারা
কৃষি বিভাগ

নরসিংদীতে বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদন হচ্ছে সবজির চারা। এ জেলার সবজির খ্যাতি দেশজুড়ে। সবচেয়ে বেশি সবজি হয় শিবপুর উপজেলায়। তবে ভালো ফলন চাইলে প্রথমে প্রয়োজন ভালো বীজতলা। ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের পাশে উপজেলার বাঘাব ইউনিয়নের ৫/৬টি গ্রামে গড়ে উঠেছে সবজি চারা উৎপাদনের নার্সারি। সর্বমহলের কাছে বিশেষ পরিচিত হয়ে উঠেছে এখানকার চারা।

সব রকমের মৌসুমি ও আগাম সবজির চারার উৎপাদন করা হয় এখানে। উৎপাদনে নিয়োজিত রয়েছেন এই এলাকার প্রায় দুই থেকে তিন শতাধিক কৃষক। এসব চারার গুণগত মান ভালো হওয়ায় দেশের বিভিন্ন জেলার কৃষকদের মাঝেও রয়েছে ব্যাপক চাহিদা। লাভজনক হওয়ায় দিন দিন বাড়ছে উৎপাদনকারী কৃষকের সংখ্যাও।

কৃষকরা জানান, শিবপুর তথা নরসিংদীর স্থানীয় কৃষকরা একসময় মুন্সিগঞ্জ থেকে সবজির চারা কিনে চাষ করতেন। কিন্তু নিজেদের প্রয়োজনীয় চাহিদার কথা ভেবে আজ থেকে দীর্ঘ দুই যুগ আগে এ চারা উৎপাদন শুরু করেন এখানকার কৃষকরা। এরপর থেকে ধীরে ধীরে এলাকাটি চারা উৎপাদনের জন্য জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। এখন প্রায় ৪০ বিঘার বেশি জমিতে এ চারা উৎপাদন করা হয়। বাজার মূল্যে প্রায় ১ কোটি ৫০ লাখ টাকার উপরে। এই চারা বিক্রি করে স্বাবলম্বী হয়েছেন শুধু বাঘাব ইউনিয়নেরই দুই শতাধিকেরও বেশি কৃষক।

স্থানীয় কৃষকরা জানান, ভালো ফলন পেতে হলে ভালো জাতের চারা হওয়া চাই। আর ভালো ফলনের চারা মানেই শিবপুর উপজেলার বাঘাব ইউনিয়নের চারা। এই ইউনিয়নের কুন্দারপাড়া, গাংপাড়া, খড়কমারা, ব্রাহ্মন্দী, লামপুর, নাওহালা ও বংপুর এলাকার উৎপাদিত সবজির চারার রয়েছে সুনাম। এখানকার কৃষকরা বেগুন, ফুলকপি, বাঁধাকপি, মরিচ, লাউ, শসা, টমেটো, পেঁপে, মিষ্টিকুমড়া, চালকুমড়া, শালগম, করলাসহ বাণিজ্যিক ভিত্তিতে বিভিন্ন ধরনের উচ্চ ফলনশীল সবজির চারা উৎপাদন করে থাকেন।

চলতি মৌসুমের আগস্ট থেকে ডিসেম্বরে প্রতিবছর এই সময় বদলে যায় এ এলাকার চিত্র। ভোরের আলো উঠার সঙ্গে সঙ্গেই মাঠে পরিচর্যায় ব্যস্ত হয়ে পড়েন কৃষকরা। আগস্ট মাসের মাঝামাঝি থেকে ডিসেম্বর মাসজুড়ে চারা উৎপাদন ও বিক্রি চলে। পলিথিনে মোড়ানো শেড করে ৪ থেকে ৫ বার পর্যন্ত বীজ অঙ্কুরোদগমের মাধ্যমে চারা উৎপাদন করে বিক্রি করতে পারেন তারা।

বাঘাব ইউনিয়নের কৃষি উপসহকারী কর্মকর্তা জোসনা বেগম জানান, সবজির চারা উৎপাদন করা নার্সারি একটি লাভজনক ব্যবসা। তাই এ বাঘাবা ইউনিয়নেই ৫/৬টি গ্রামের প্রায় দুই-তিন শত কৃষক এ সবজির চারা উৎপাদন করেন। আমরা কৃষি অফিসের পক্ষ থেকে তাদের বিভিন্ন প্রযুক্তি সম্পর্কে পরামর্শ দিয়ে থাকি।

শিবপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোহাম্মদ বিন সাদেক জানান, এ উপজেলায় বাণিজ্যিকভাবে প্রায় ৬ হেক্টর জমিতে সবজির চারা উৎপাদন করা হয়। চারা উৎপাদন করে নিজেদের জমিতে রোপণের চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি অন্যত্র বিক্রি করে লাভবান হচ্ছে এখানকার কৃষকরা। তাই আমাদের কৃষি অফিস তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে সবজির চারা উৎপাদন বাড়াতে প্রতি বছরই কৃষকদের দক্ষতা অর্জনে প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও প্রশিক্ষণ দিয়ে থাকে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২১ ১০:০১ পূর্বাহ্ন
ধানের জমিতে শসা চাষ
কৃষি বিভাগ

কুমিল্লা জেলার নাঙ্গলকোট উপজেলায় ধানের জমিতে শসার আবাদ হয়েছে। অনুকূল আবহাওয়ায় ভালো ফলন হওয়ায় হাসিও ফুটেছে কৃষকের মুখে। শসার উৎপাদন সাধারণত গরমের সময় বেশি হয়ে থাকে। বেশ কয়েক জাতের শসা রয়েছে। বীজ রোপণের ৩০ থেকে ৩৫ দিনের মধ্যে গাছে ফল ধরা শুরু হয়। বিঘা প্রতি খরচ হয় ১০ হাজার আর বিক্রি হয় ২০ হাজার টাকায়। লাভ বেশি হওয়ায় শসার চাষে আগ্রহী হচ্ছেন অনেকেই।

গোমকোট গ্রামের শসা চাষি কামরুল ইসলাম জানান, এ মৌসুমে ৩০ শতক জমিতে শসার আবাদ করেছেন। যা খরচ হয়েছে ৭০ হাজার টাকা। এতে বিক্রি উঠবে হবে ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা। এবার আবহাওয়া ভালো রয়েছে। বাজারে শসার ভালো দাম পাওয়া যাচ্ছে।

গোমকোট গ্রামের মোতালেব ও আলমগীর যৌথভাবে প্রায় দুই একর জমিতে শসার আবাদ করেন তারা। এতে প্রায় ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা খরচ হয়। প্রথম দিকে বৃষ্টি কম হওয়া বীজ বপন করলে চারা কম উঠে। আবার কিছু কিছু চারা গাছও মারা যায়। পরে আবার গাছ লাগাই। এখন একটু ভালো অবস্থায় রয়েছে। গত ১৫ দিন ধরে শসা বিক্রি শুরু করি। এভাবে আরো ৭-৮ বার শসা কাটলে ১ লাখ ৫০ টাকার মতো বিক্রি হবে।

শসা চাষি মনির হোসেন বলেন, ৬০ শতক জায়গা শসা চাষ করেছেন তিনি। ফলনও অনেক ভালো হয়েছে। যা খরচ হয়েছে তা উঠে এখন লাভে আছি। কৃষি অফিসার তদারকিতে ভালো ফলন পেয়েছি।

পৌর সদর ব্লক উপ-সহকারী কৃষি অফিসার জুনায়েদ হোসেন জানান, পৌর সদরের বাতুপাড়া গ্রামটি শসা চাষের বিচরণ ভূমি। আমরা কৃষকদের উদ্ভূত করি ভালো জাতের বীজ ব্যবহার করে সঠিক সময়ে শসা ফলানোর জন্য। সব সময় শসার জমিনগুলো পরিদর্শন করি। কখন কি ওষুধ ব্যবহার করবে তার জন্য পর্রামশ প্রদান করি।

এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি অফিসার জাহিদুল ইসলাম জানান, এ মৌসুমে পুরো উপজেলায় ৪৫ হেক্টর জমিতে শসার আবাদ করা হয়। আবহাওয়া ভালো থাকায় বাজারে শসার ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। ভালো দামও পাচ্ছেন তারা। আর কৃষি অফিস থেকে নিয়মিত তদারকি করা হচ্ছে। যাতে আরো অধিক লাভবান হতে পারে শসা চাষিরা।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২১ ৯:৫৩ পূর্বাহ্ন
বরিশালে নারিকেলের পোকা দমন ব্যবস্থাপনার ওপর মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত
কৃষি বিভাগ

নাহিদ বিন রফিক (বরিশাল): নারিকেলের ক্ষকিকর পোকামাকড়ের সমন্বিত দমন ব্যবস্থাপনার ওপর এক কৃষক মাঠ দিবস ২৯ সেপ্টেম্বর বরিশালের আঞ্চলিক কৃষি গবেষণা কেন্দ্রে (আরএআরএস ) অনুষ্ঠিত হয়।

বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বিএআরআই) কীটতত্ত¡ বিভাগ এবং আরএআরএস’র যৌথ আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বিএআরআই’র পরিচালক (প্রশিক্ষণ ও যোগাযোগ উইং) ড. মুহাম্মদ সামসুল আলম।

তিনি বলেন, দক্ষিণাঞ্চলে নারিকেল গাছ নেই, এমন বাড়ি খুঁজে পাওয়া যাবে না। এর কোনো অংশই ফেলনার নয়। বাজারমূল্যও ভালো। তাই এ ফল আবাদে আমাদের যত্নশীল হতে হবে। রোগপোকা দমনে নিতে হবে সঠিক ব্যবস্থা। তবেই এর উৎপাদন বাড়বে কাঙ্ক্ষিত পর্যায়।

আরএআরএস’র মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. রফি উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বিএআরআই’র কীট তত্ত্ব বিভাগের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. নির্মল কুমার দত্ত এবং ভাসমান প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক ড. মো. মোস্তাফিজুর রহমান তালুকদার।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন আঞ্চলিক কৃষি তথ্য অফিসার মো. শাহাদাত হোসেন, আরএআরএস’র বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. মাহবুবুর রহমান, এসও মো. রাশেদুল ইসলাম প্রমুখ। অনুষ্ঠানে বাবুগঞ্জ এবং উজিরপুরের ৫০ জন কৃষক অংশগ্রহণ করেন।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop