৯:১৪ পূর্বাহ্ন

বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : জুলাই ৯, ২০২১ ৬:০৩ অপরাহ্ন
বৃষ্টি ও বন্যায় কুড়িগ্রামের সবজি চাষীদের ক্ষতি!
কৃষি বিভাগ

গত কয়েকদিনের বৃষ্টি ও মাঝারি বন্যায় ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন কুড়িগ্রামের সবজি চাষীরা। প্রায় ৮০ভাগ ফসল কৃষকরা ঘরে তুললেও জুনের শেষে বৃষ্টিতে জমে থাকা পানিতে আটকে পড়ে সবজির গোড়া। ফলে বাড়তি লাভ করার স্বপ্ন তাদের ধুলিস্যাত হয়ে গেছে।

উত্তর নওয়াবশ, দক্ষিণ নওয়াবশ,কদমতলা ও ছড়ার পাড়ের কৃষকরা জানান, গত বছর জুনের প্রথম সপ্তাহে বন্যার পানি এসে সব খেতের ফসল নষ্ট করে দিয়েছে। এবার বন্যা না হলেও বৃষ্টির জলাবদ্ধতায় নীচু জমির খেতগুলো তলিয়ে গেছে। এতে শেষের দিকের ফসলগুলো প্রায় নষ্ট হওয়ার পথে। শুলকুর বাজারের কৃষক জব্বার আলী জানান, ৩০শতক জমির পটল খেত তলিয়ে গেছে। বেশ কিছু পটল আগে তুলে বিক্রি করে ভালো দাম পেয়েছি।

কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের উপপরিচালক মো. মঞ্জুরুল হক জানান, বন্যায় ক্ষতির কথা ভেবে জেলায় প্রায় ১শ হেক্টর পাট আগাম কাটা হয়েছে। সদর উপজেলার ধরলা নদী তীরবর্তী পৌরসভা, হালোখানা, ভোগডাঙ্গা ও পাঁছগাছী ইউনিয়নের বেশ কয়েকটি গ্রামে কৃষকরা পাট কাটেন।এসব এলাকার কৃষকদের পটল,ঝিঙে,চিচিঙা,করলা,শশা,কাকরোলসহ লাল শাক,ধনেপাতা,পুঁই শাক,মুলা শাক পানিতে আংশিক নিমজ্জিত হয়েছে।

এগ্রিভিউ/এসএমএ

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ৮, ২০২১ ১২:০৭ পূর্বাহ্ন
সার্জন পদ্ধতিতে সবজি চাষে আগ্রহ বাড়ছে ভোলার চাষিদের
কৃষি বিভাগ

পতিত জমি ব্যবহার করে ভোলা জেলায় সার্জর পদ্ধতিতে সবজি চাষ বৃদ্ধি পেয়েছে। চলতি বছরে ৭ হাজার হেক্টরের বেশি জমিতে এ পদ্ধতিতে সবজি ও মাছ চাষ হয়েছে। যা গত বছরের চেয়ে দুই হাজার ৭’শ ৪৩ হেক্টর জমি বেশি। ফলে সবজির পাশাপাশি মাছ চাষ করে জমির সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করছেন কৃষকরা।

জানা যায়, এ পদ্ধতিতে রাসয়নিক সারমুক্ত নিরাপদ প্রচুর সবজি উৎপাদন করা সম্ভব। এসব সবজির মধ্যে রয়েছে লাউ, শসা, বরবটি, করোল্লা, মিষ্টি কুমর রেখা, দুন্দল ইত্যাদি। এছাড়া মাছের মধ্যে স্বল্প সময়ে বড় হওয়া গ্লাস কার্প, রুই, মৃগেল, তেলাপিয়া, পাঙ্গাস, চাইনিজ পুটি, স্বরপুটি রয়েছে।

প্রতি খণ্ডকালীন ৩-৪ মাস পর পর এখানে সবজির মৌসুম হিসেবে চাষ হয়। একেকটি মৌসুমে প্রায় এক লাখ ৪৫ হাজার মেট্রিকটন সবজি উৎপাদন হয়। যার বাজার মূল্য প্রায় ৩ কোটি টাকা।

এছাড়া বেশ কিছু ফল বাগান সার্জন পদ্ধতির আওতায় আনা হয়েছে। এতে করে বর্ষার প্রায় ৬ মাস পতিত জমিতে মাছ চাষে করে কৃষকরা বাড়তি লাভবান হচ্ছে। তাই অনেকেই এ পদ্ধতির প্রতি আগ্রহ দেখাচ্ছে।

চরফ্যাসন উপজেলার হাজারিগঞ্জ ইউনিয়নের চর ফকিরা গ্রামে ৪০ জন কৃষকের সমন্বয়ে গঠিত একটি দল ৭০ একর জমিতে সম্মিলিতভাবে সার্জন পদ্ধতিতে সবজির চাষ করছেন। এ দলের কৃষক মো: সোলায়মান, মো: কামাল, আইয়ুব আলী, লোকমান, মফিজুল ইসলাম জানান, তারা ২০১৬ সালে মাত্র ৯ একর জমিতে সার্জন পদ্ধতিতে সবজি চাষ শুরু করেন। যা বর্তমানে ৭০ একর জমিতে পৌঁছেছে। তাদের একর প্রতি সবজি চাষে খরচ হয় ৮০ হাজার থেকে এক লাখ টাকা। আর লাভ হয় ২ লাখ ৩০ থেকে আড়াই লাখ টাকা। আর মাছ চাষে একর প্রতি আয় হয় ৩০ থেকে ৪০ হাজার টাকা।

এ দলের অপর কৃষক মো: জসিম উদ্দিন জানান, বর্ষাকালের এ ৬ মাসে ৫০ গ্রাম ওজনের গ্লাস কার্প মাছ ছাড়লে তা ২ কেজি পর্যন্ত ওজন হয়। রুই ও মৃগেল ৫০ গ্রাম ছাড়লে সাড়ে ৪’শ গ্রাম হয়। এছাড়া তেলাপিয়া ও পুটি মাছ বিক্রির উপযোগী হয় ৬ মাসে। এসব জলাশয়ে মাছের সাধারণত খাবার দিতে হয়না। বিশেষ সবজি বা ঘাসের পচা অংশ, শামুক, ছোট পোকা ইত্যাদি প্রাকৃতিক খাবারই এরা বেশি খায়। বৃষ্টির নতুন পানিও মাছকে বৃদ্ধি করতে সহায়তা করে।

কৃষি বিভাগ জানায়, জেলার ৭ উপজেলার মধ্যে সবচে বেশি সার্জন পদ্ধতি অনুসরণ হচ্ছে চরফ্যাসন উপজেলায়। এ উপজেলায় ৬ হাজার হেক্টর জমি এ পদ্ধতির আওতায় এসেছে। একইভাবে সদর উপজেলায় ১৪৩ হেক্টর, দৌলতখানে ১৫০, বোরহানউদ্দিনে ৩৫০, লালমোহনে ৫০০, তজুমদ্দিনে ৭৫ ও মনপুরায় ২৫ হেক্টর জমিতে চাষ হচ্ছে।

সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো: রিয়াজউদ্দিন জানান, ভোলায় সাধারণত জোয়ারে পানি উঠে এবং ভাটায় নেমে যায়। যাকে বলে জোয়ার ভাটার এলাকা। আর সবজি ফসল স্থায়ীভাবে পানি সহ্য করতে পারেনা। এজন্য সার্জনের মাধ্যমে সবজি লাগানোর স্থান উঁচু করে নেওয়া হয়। পানি বেশি বা বৃষ্টি হলেও গাছের গোড়ায় পানি জমেনা। সার্জনে ১২ মাস সবজি আবাদ করতে কোন সমস্যা হয়না। ধান বা অনান্য ফসলের চেয়ে সবজিতে লাভ বেশি। সদর উপজেলার মধ্যে শীবপুর ইউনিয়ন, রাজাপুর, চরসামাইয়া ও ভেলুমিয়া ইউনিয়নে এ পদ্ধতি বেশি হয় বলে জানান তিনি।

লালমোহন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা এফ এম শাহাবুদ্দিন জানান, তার উপজেলায় সার্জন পদ্ধতিতে সবজি চাষে কৃষকদের আগ্রহী করা হচ্ছে। চলতি বছর বেশ কিছু আম ও মাল্টা বাগান সার্জনের আওতায় আনা হয়েছে। ্এতে করে ফলের পাশাপাশি মাছ ও সবজি বিক্রি করে কৃষকরা লাভবান হচ্ছে।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ পরিচালক আবু মো: এনায়েতউল্লাহ জানান, সার্জন পদ্ধতি কৃষি জমির অসাধারণ ব্যবহার। বিশেষ করে শীতের সময় সবজির বেশি দাম না পাওয়া গেলেও বর্ষার সময়টাতে সবজির ভালো দাম পাওয়া যায়। সামনের কোরবানীর ঈদে প্রচুর শসার চাহিদা থাকবে। মাছকে তেমন খাবার দিতে হয়না, সবজিতেও রাসয়নিক সার দিতে হয়না। তাই খরচ কম হয়। প্রায় ১০ হাজার পরিবার সার্জনের সাথে জড়িত বলে তিনি জানান।

এগ্রিভিউ/এসএমএ

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ৭, ২০২১ ৯:১৭ অপরাহ্ন
আউশ আমনে ধান উৎপাদনসহ কৃষি কার্যক্রম তদারকির দায়িত্বে সাত কর্মকর্তা
কৃষি বিভাগ

করোনা পরিস্থিতিতে চলমান আউশ ও আসন্ন আমন মৌসুমে ধান উৎপাদন ও প্রণোদনা বিতরণসহ সার্বিক কৃষি কার্যক্রম মন্ত্রণালয়ের পক্ষে সমন্বয় ও তদারকির দায়িত্ব দেয়া হয়েছে মন্ত্রণালয়ের সাতজন অতিরিক্ত সচিবকে। এই ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দের প্রত্যেকে ২ টি করে সারা দেশের মোট ১৪টি কৃষি অঞ্চলের কার্যক্রম সমন্বয় ও তদারকি করবেন।
কৃষিমন্ত্রী ড. মো: আব্দুর রাজ্জাকের নির্দেশে কৃষি উৎপাদন আরও বেগবান করতে কর্মকর্তাদেরকে তদারকি ও সমন্বয়ের এই দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।
কৃষি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো: মেসবাহুল ইসলাম সকল অঞ্চলের সার্বিক কার্যক্রম তত্ত্বাবধান করবেন। সমন্বয়ের দায়িত্বে থাকবেন অতিরিক্ত সচিব (সম্প্রসারণ) মো. হাসানুজ্জামান কল্লোল।
করোনা পরিস্থিতিতে এ বছর বোরো ধান আবাদ ও উৎপাদনে যে রেকর্ড সাফল্য এসেছে, তেমনি চলমান আউশ ও আসন্ন আমন ধানের আবাদ ও উৎপাদন; এবং বীজ, সারসহ বিভিন্ন প্রণোদনা- ভর্তুকি বিতরণ,কৃষি যন্ত্রের যথাযথ ব্যবহার, পারিবারিক পুষ্টিবাগান স্থাপন, সমলয়ে চাষের অগ্রগতি প্রভৃতি বিষয়ে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ও মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদেরকে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাগণ প্রয়োজনীয় পরামর্শ প্রদান করবেন এবং এসব বিষয়ে সমন্বয় ও তদারকি করবেন।
এছাড়া, মাঠ পর্যায়ের কৃষি কর্মকর্তাদের সাথে নিয়মিতভাবে অনলাইন মিটিং ও সুবিধাজনক সময়ে সরেজমিন পরিদর্শনের মাধ্যমে মাঠের সকল কার্যক্রমের তদারকি করবেন।
শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ৪, ২০২১ ৮:৪৩ অপরাহ্ন
প্রতিবন্ধী হয়েও সবজি চাষে লাখপতি আলাউদ্দিন
কৃষি বিভাগ

যদি থাকেন মনোবল তবে, লাগেনা সব সময় দেহবল। তেমনি একজন সফল চাষি প্রতিবন্ধী আলাউদ্দিন। নিজেতো সফল বটেই তবে, আরও ১০জনের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থাও করেছেন এই প্রতিবন্ধী।

জানা যায়, বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার বাইশারী ইউনিয়নের পশ্চিম বাইশারী গ্রামে ভাড়া বাসায় থাকেন তিনি। জন্মস্থান ফেনীর ছাগলনাইয়ায় হলেও স্বপরিবারে থাকেন বাইশারীতে। অন্য অনেক প্রতিবন্ধীদের মতো কারো কাছে হাত পাতেন না তিনি। বাইশারী বাজারে রয়েছে তার বিশাল হোটেল। রান্না-বান্নাসহ বিভিন্ন আইটেমের নাস্তা তৈরিতে পারদর্শী আলাউদ্দিন। তারপরও বসে থাকেন না তিনি, চলতি বছর শুকনো মৌসুমে দুই একর জমিতে সবজি চাষ করে রেকর্ড সৃষ্টি করেছেন।

আলাউদ্দিন জানান, ‘দুই একর জমি বর্গা নিয়ে বিভিন্ন জাতের সবজি চাষ শুরু করেছি। মাত্র টমেটো বিক্রি করলাম। বলতে পারেন ভালোই লাভ করেছি।’

এখন পর্যন্ত আলাউদ্দিন তার খেতের টমেটো বিক্রি করেছেন ৯ হাজার কেজির মতো। আরও অনেক টমেটো খেতে মজুদ আছে। টমেটোর পাশাপাশি বর্তমানে তিনি চাষ করছেন মরিচ, করলা, বেগুন, ক্ষিরা, লালশাক, কচুসহ নানা জাতের সবজি। সরেজমিনে পরিদর্শন করে এসব তথ্যের সত্যতা পাওয়া যায়।

আলাউদ্দিন জানান, এসব নিজস্ব পদ্ধতিতে বিবেকবুদ্ধি খাটিয়ে, সময়মত কিটনাশক ছিটিয়ে, শ্রমিক দিয়ে করিয়েছেন তিনি। জন্ম থেকে একটি পা না থাকলেও তিনি কোনোদিন মনোবল হারাননি। সরকারিভাবে তদারকি ও পরামর্শ পেলে তিনি আরও লাভবান হতেন। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এ মৌসুমেই আরও লাখ টাকা আয় করা সম্ভব হবে বলে তিনি জানান।

উপ-সহকারী কৃষি অফিসার রফিকুল আলম জানান, প্রতিবন্ধী আলাউদ্দিন একজন সফল চাষি। অনেক সময় তাকে বিভিন্ন সবজি চাষের সফলতার জন্য পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। আগামীতে সরকারিভাবে সার, কিটনাশক ও প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হলে আরও লাভবান হবেন আলাউদ্দিন।

এগ্রিভিউ/এসএমএ

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ৪, ২০২১ ৩:০৩ অপরাহ্ন
বর্ষাকালীন সবজি চাষে ব্যস্ত ঝালকাঠির চাষিরা
কৃষি বিভাগ

কাঁকরোল, ঝিঙা, চিচিঙ্গা, তিতা করলা, শসা, বরবটি, ঢেঁড়শ, পুঁইশাক, ডাঁটাশাক, পাটশাক, শসা, কাঁচকলা, বেগুন, পেঁপে, পানিকচু, কচুশাক, কচুর লতি, পটল, চালকুমড়া ইত্যাদি চাষ করে অধিক ফলনের আশা নিয়ে দিন-রাত কাজ করে যাচ্ছেন ঝালকাঠি জেলার ৩৬ গ্রামের কৃষক-কৃষাণীরা। সবজি চাষিদের অনেকে এক ফসলী জমিতে তিন ফসল চাষ করে এলাকায় তোলপাড় সৃষ্টি করেছেন।

জানা যায়, অনেক চাষি সবজি চাষ করে সাংসারিক খরচ মিটিয়ে বাড়তি কিছু সঞ্চয়ও করছেন। উৎপাদন খরচ ও শ্রম কম হওয়ায় এ ধরনের সবজি চাষ চাষিদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া জাগিয়েছে। কয়েক বছর আগেও যাদের সংসার চলতো ধার-দেনা করে। আজ আগাম সবজি চাষ করে তারা নিজের পায়ে দাঁড়িয়েছেন।

দায়িত্বপ্রাপ্ত উপজেলার উপ-সহকারী কর্মকর্তার পরামর্শে এক ফসলি জমি বর্তমানে তিন ফসলি জমিতে রূপান্তরিত হয়েছে। যে জমিতে আগে মাত্র একবার ফসলের চাষ করা হত এখন সে জমিতে ১২ মাস রবি মৌসুমে (শীতকালীন), খরিপ-০১ (গ্রীষ্মকালীন) ও খরিপ-০২ (বর্ষাকালীন) উৎপাদিত হচ্ছে নানা জাতের শাক-সবজি।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ফজলুল হক জানান, ঝালকাঠির সবজি চাষে মডেল গ্রামগুলোয় প্রণোদনা ও পরামর্শ দেয়াসহ নানাভাবে কৃষি বিভাগ সহযোগিতা করে আসছে। নিরাপদ সবজি উৎপাদনে আমরা যতদূর সম্ভব মাঠে কাজ করে যাচ্ছি। যে সমস্ত সবজি চাষি ক্ষেতের রোগ বালাই এর ব্যাপারে আমাদের নিকট আসেন তাদেরকে সাধ্যমত পরামর্শ ও সহযোগিতা প্রদান করে থাকি। সবজি চাষিরা প্রতিবছরই ৩টি মৌসুমে ভালোমানের সবজি উৎপাদন করে থাকে বলে জানান তিনি।

এগ্রিভিউ/এসএমএ

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ৪, ২০২১ ২:৫১ অপরাহ্ন
ব্যাটারিচালিত ভ্যান উল্টে রাজধানীতে সবজি বিক্রেতার মৃত্যু
কৃষি বিভাগ

রাজধানীর কলাবাগানের কাঁঠালবাগান ঢালে ব্যাটারিচালিত ভ্যান উল্টে আব্দুল আজিজ (৩৫) নামের এক সবজি বিক্রেতার নিহত হয়েছেন।এসময় আহত হন অপর ব্যবসায়ী সাইফুল (৩০) ও ভ্যানচালক আলম (৩২)।

শনিবার (৩ জুলাই) দিনগত রাতে ঘটনাটি ঘটে।

তাদেরকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসারত অবস্থায় আব্দুল আজিজকে রাত পৌনে একটায় চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

ভ্যানচালক আলম জানিয়েছেন, শ্যামবাজারের দুই কাঁচামাল ব্যবসায়ীকে নিয়ে কাওরান বাজার যাচ্ছিলেন কাঁচামাল কিনতে। পথে কাঁঠাল বাগানের ঢাল পদ্মা ডায়াগনস্টিক সেন্টারের সামনের রাস্তায় দ্রুতগামী ভ্যানটির সামনে দিয়ে হঠাৎ একটি বিড়াল দৌড়ে যাওয়ার সময় ভ্যানটির চাকার নিচে পড়ে। এতে ভ্যানটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে যায়। ভ্যানে বসে থাকা দুজনই ছিটকে পড়ে যায়। পরে পথচারীদের সহযোগিতায় তাদের হাসপাতালে নিয়ে আসি।

বিষয়টি নিশ্চিত করে ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মো. আব্দুল খান।

এএসআই জানান, মৃতদেহটি হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে। আহত ব্যবসায়ী চিকিৎসাধীন রয়েছেন। সামান্য আহত চালককে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া পর তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে।

দুর্ঘটনায় মৃত আজিজ ঝিনাইদহ জেলার কালীগঞ্জ উপজেলার খোশালপুর গ্রামের মৃত মকু মিয়ার ছেলে। তিনি বর্তমানে শ্যামবাজারে সেলিম হাজির আড়তে থাকতেন। এক ছেলে ও এক মেয়ের বাবা তিনি। তার পরিবার গ্রামের বাড়িতে থাকেন বলে জানা যায়।

এগ্রিভিউ/এসএমএ

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ৩, ২০২১ ১২:৪৭ অপরাহ্ন
গোপালপুরে ৪৪০জন কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণ
কৃষি বিভাগ

এ কিউ রাসেল, গোপালপুর (টাঙ্গাইল) : টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলা কৃষি অফিসের আয়োজনে ২০২০-২১ অর্থ বছরের খরিপ মৌসুমে রোপা আমন ধান উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রণোদনা কর্মসূচীর আওতায় উপজেলার মোট ৪৪০জন ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে আজ ৩০ জুন বুধবার বিনামূল্যে উচ্চ ফলনশীল জাতের বীজ ও রাসায়নিরক সার বিতরণ করা হয়।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. পারভেজ মল্লিক প্রধান অতিথি হিসেবে কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।

এসময় উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মীর রেজাউল হক, উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ এ এম শহিদুল ইসলাম, কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার কৃষিবিদ মো. রাসেল পারভেজ তমাল, উপ-সহকারি উদ্ভিদ সংরক্ষণ অফিসার মুহাম্মদ আবদুল হালিম, উপ-সহকারি কৃষি অফিসার মো. নুরুল ইসলাম ও মো. আবু কায়সার রাসেল এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

কর্মসূচীর আওতায় একজন কৃষক বিঘা প্রতি রোপা আমন হাইব্রিড জাতের জন্য ১বিঘা জমির জন্য ২ কেজি বীজ ও ৩০ কেজি সার এবং উফশী রোপা আমনের জন্য ১বিঘা জমির জন্য ৫ কেজি বীজ ও ২০ কেজি রাসায়নিক সার সহায়তা প্রাপ্ত হবেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ৩, ২০২১ ১১:৪১ পূর্বাহ্ন
বঙ্গবন্ধু জাতীয় কৃষি পুরস্কার, ১৪২৪ প্রাপ্ত হলেন বিজ্ঞানী ড. কে, এম, খালেকুজ্জামান
কৃষি বিভাগ

কৃষি উন্নয়নে জনসচেতনতা বৃদ্ধি, উদ্বুদ্ধকরণ কৃষিবিষয়ক প্রকাশনা, ইলেক্ট্রনিক ও ‍প্রিন্ট মিডিয়াতে অনুষ্ঠান প্রচারের মাধ্যমে জনগনের মধ্যে কৃষিবিষয়ক তথ্য সরবরাহ ও প্রচারমূলক কাজে অবদানের জন্য স্বীকৃতিস্বরূপ বিজ্ঞানী ড. কে, এম, খালেকুজ্জামান, প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা, মসলা গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট মহোদয়কে “বঙ্গবন্ধু জাতীয় কৃষি পুরস্কার, ১৪২৪” প্রদান করা হয়।

বিজ্ঞানী ড. কে, এম, খালেকুজ্জামান সিরাজগঞ্জ জেলার উল্লাপাড়া উপজেলার সলঙ্গা ডাকঘরের অধীন চড়িয়া কালিবাড়ী গ্রামের মরহুম জোনাব আলী খান সাহেব-এর কনিষ্ঠ পুত্র। বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, ময়মনসিংহ হতে বি. এসসি. এজি. (অনার্স); এম. এসসি. (এজি.) প্লান্ট প্যাথলজি এবং পিএইচ. ডি. ইন প্লান্ট প্যাথলজি ডিগ্রী অর্জন করেন। তিনি হাবিপ্রবি, দিনাজপুর থেকে “পোস্ট গ্র্যাজুয়েট সার্টিফিকেট কোর্স্ অন সিড টেকনোলজি” সম্পন্ন করেন। সম্মানিত পাঠকদের জন্য তাঁর সংক্ষিপ্ত জীবন-বৃত্তান্ত তুলে ধরা হলো।

বিজ্ঞানী ড. খালেকুজ্জামান ১৯৯৫ খ্রি: থেকে বিভিন্ন ফসলের রোগ, রোগের সনাক্তকরণ ও রোগের দমন ব্যবস্থাপনার উপর কৃতিত্বের সহিত গবেষণা করে আসছেন। তিনি বিভিন্ন ফসলের রোগ, রোগের সনাক্তকরণ, রোগ দমন ব্যবস্থাপনা, রোগের স্কোরিং স্কেল, রোগের পূর্বাভাস, ক্রপ মডেলিং, বুনিয়াদী প্রশিক্ষণ (৪ মাস), ইনডাকশন ট্রেনিং, বীজ প্রযুক্তি, অফিস ব্যবস্থাপনা, প্রশাসন ও আর্থিক ব্যবস্থাপনা, প্রকল্প ব্যবস্থাপনা ও ক্রয় নীতিমালা, গবেষনা পদ্ধতি, উদ্ভিদ কৌলিসস্পদ ব্যবস্থাপনা, নার্সারী ব্যবস্থাপনা, বানিজ্যিকভাবে ফুল উৎপাদন, মসলা ফসলের বীজ উৎপাদন ও প্রযুক্তি হস্তান্তর, সায়েন্টিফিক রিপোর্ট রাইটিং, ইন্টারনেট, কম্পিউিটার, গ্রাফিক্স, ভিডিও এডিটিং, ডাটা প্রসেসিং, ডাটা এ্যানালাইসিস ইত্যাদি বিষয়ের উপর বিশেষভাবে প্রশিক্ষন প্রাপ্ত।

বিজ্ঞানী ড. খালেকুজ্জামান ২০১৫ সালে কৃষি বিয়য়ক লেখার উপর অবদান রাখার জন্য ”কৃষি সম্মাননা পদক ও ক্রেস্ট” প্রাপ্ত হয়েছিলেন। এ পর্যন্ত তাঁর মোট প্রকাশণার সংখ্যা ৪৬৭ টি। তার মধ্যে দেশী-বিদেশী ও আন্তর্জাতিক জার্নালে মোট ১৭৫ টি পূর্নাঙ্গ সায়েন্টিফিক পেপার, ২২ টি অ্যাবস্ট্রাক্ট ও ২ টি শর্ট কমিউনিকেশন প্রকাশিত হয়েছে। এছাড়াও কৃষিকথা, উর্বরা, কৃষি সওগাত, কৃষি বার্তা, কৃষি প্রযুক্তি, কৃষি বিপ্ল¬বসহ দেশের বিভিন্ন জাতীয়, স্থানীয় ও ইন্টারনেট পত্র-পত্রিকায় কৃষি বিয়য়ক তাঁর মোট ২৪৫ টি পপুলার আর্টিকেল প্রকাশিত হয়েছে। তাঁর ১১ টি বুকলেট ও ফোল্ডারও প্রকাশিত হয়েছে। বিজ্ঞানী ড. খালেকুজ্জামান-এর প্রকাশিত মোট বই-এর সংখ্যা ১২ টি, তার মধ্যে প্রধান লেখক হিসেবে ৪টি ও সহযোগী লেখক হিসেবে ৮টি। তাঁর বইসহ অন্যান্য লেখার কাজ বর্তমানেও অব্যাহত আছে।

বিজ্ঞানী ড. খালেকুজ্জামান-এর উদ্ভাবিত ও বাস্তবায়িত গবেষণা প্রোগ্রামের সংখ্যা ১৫৯ টি এবং গবেষণাকৃত কৃতিত্ব ও ফলাফল ৮৫ টি। তিনি মসলা জাতীয় ফসলের বিভিন্ন জাত উদ্ভাবনের সাথেও জড়িত আছেন এবং প্রস্তাবিত জাতসমূহ মূল্যায়ন করে থাকেন। তিনি বিভিন্ন জার্নালের সহযোগী সম্পাদক ও পেপার রিভিউয়ারের দায়িত্বে নিয়োজিত আছেন। তিনি কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন, উদ্ভিদ রোগতত্ত¡ সমিতি, উদ্যানতত্ত্ব সমিতি, বীজ বিজ্ঞান সমিতি, উদ্ভিদ প্রজনন ও কৌলিতত্ত্ব সমিতি, ফল বিজ্ঞান সমিতিসহ মোট ১৫ টি পেশাজীবি সমিতির আজীবন সদস্য। বিজ্ঞানী ড. খালেকুজ্জামান বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের এম. এস., এম. ফিল ও পি-এইচ. ডি. ছাত্র-ছাত্রীদের গবেষণা তত্ত্বাবধায়ক ও থিসিস পরীক্ষক। তিনি অনেক জাতীয় ও আন্ত:র্জাতিক সেমিনার/ওয়ার্কশপ-এ অংশগ্রহন করেছেন ও ১৫ টি সায়েন্টিফিক পেপার উপস্থাপন করেছেন। বিভিন্ন টেলিভিশন চ্যানেলে বিভিন্ন ফসলের রোগ দমন ব্যবস্থাপনা বিষয়ক প্রতিবেদন ও অন্যান্য বিষয় সংক্রান্ত তাঁর সাক্ষাৎকার প্রায়শই প্রচারিত হয়ে থাকে।

বিজ্ঞানী ড. কে, এম, খালেকুজ্জামান কর্তৃক লিখিত পুস্তক/প্রবন্ধ, টিভি প্রোগ্রাম, কৃষিবিষয়ক ইউটিউব চ্যানেল ইত্যাদির মাধ্যমে স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রী, শিক্ষকবৃন্দ, গবেষক, সস্প্রসারণকর্মী, এনজিও কর্মী, সরকারী-বেসরকারী প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ এবং কৃষকগন উপকৃত হচ্ছেন। তাছাড়া এসব প্রকাশনা উদ্যোক্তা সৃষ্টিতে সহায়তা করছে, যা কৃষির উৎপাদন বৃদ্ধি, বেকারত্ব দূরীকরণ এবং দারিদ্রতা হ্রাসে ভূমিকা রাখছে। ফসলের ফলন বৃদ্ধি, কৃষি উৎপাদনে খরচ কমানো, প্রাকৃতিক সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহার, বিষমুক্ত ফসল উৎপাদন, রোগবালাই নিয়ন্ত্রণ, জলবায়ু পরিবর্তনজনিত সমস্যা মোকাবিলা, অর্থনৈতিক উন্নয়ন ইত্যাদি ক্ষেত্রে তার প্রকাশনাগুলো সহায়ক ভূমিকা পালন করছে। তিনি সকলের দোয়া প্রার্থী।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ২৯, ২০২১ ৪:১২ অপরাহ্ন
বারিতে কৃষিতে উপকারী নভেল বেসিলাস ব্যাক্টেরিয়া বিষয়ক জাতীয় সেমিনার অনুষ্ঠিত
কৃষি বিভাগ

কৃষিবিদ দীন মোহাম্মদ দীনু: ব্যাক্টেরিয়ার নাম শুনলেই মানুষ আগে ভয় পেতো, এখন আর ভয় নয়, বন্ধু হিসেবে বেসিলাস ব্যাক্টেরিয়াকে গ্রহণ করা যাবে, আর মানুষের সাথে যার মিল সবচেয়ে বেশি। মিলের সাদৃশ্যকে বিবেচনায় এনে প্রকৃতি হতে শতকরা ৭৬ ভাগ উপকারি ব্যাক্টেরিয়া সংগ্রহ করা যাবে উদ্ভাবনীয় প্রযুক্তির মাধ্যমে। এ ব্যাক্টেরিয়ার ব্যাবহার বেগুনের ঢলে পড়া রোগ নিয়ন্ত্রনে ব্যাপক সাফল্য এসেছে।ব্যাক্টেরিয়ার ব্যবহার ও প্রয়োগোত্তর ফলাফল নিয়ে এক ব্যতিক্রম ধরনের জাতীয় সেমিনারে এমনটিই জানালেন প্রধান গবেষক ড. মুহাম্মদ তোফাজ্জল হোসেন।

কৃষিতে উপকারী নভেল বেসিলাস এর ব্যবহার প্রয়োগের ফলাফল নিয়ে ২৯ জুন ২০২১ মঙ্গলবার বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বারি) এ জাতীয় পর্যায়ের এ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
কৃষি গবেষণার মহাপরিচালক ড. মো. নাজিরুল ইসলামের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে জুম প্লাটফর্ম এ উপস্হিত ছিলেন জনাব ওয়াহিদা আক্তার, অতিরিক্ত সচিব কৃষি মন্ত্রণালয়। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের পর কারিগরি অধিবেশনে ড. মুহাম্মদ সামসুল আলম, পরিচালক (প্রশিক্ষণ ও যোগাযোগ), বাংলাদেশ কৃষি গবেষণার সঞ্চলনায় আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ড. মো. বাহাদুর মিয়া, ড. হুমায়রা সুলতানা যুগ্ম সচিব, কৃষি মন্ত্রণালয়, ড. কামরুল হাসান, পরিচালক, পরিকল্পনা ও মুল্যায়ন, ড. মতিয়ার রহমান, মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা, নাসিমা খানম, উপসচিব কৃষি মন্ত্রণালয় প্রমুখ। প্রধান গবেষক ও উর্ধবতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা এবং কর্মসুচি পরিচালক ড.মু. তোফাজ্জল হোসেন রনি মুল বিষয় বস্তু তুলে ধরেন।


সেমিনারের সেশন চেয়ারম্যান ড. সামসুল আলম বলেন, কৃষিতে উপকারী বেসিলাস এর ব্যবহার কৃষি বন্ধব যা একটি ভাল উদ্যোগ। উন্নত দেশের ন্যায় আমরা এখন তা শুরু করেছি। মুলত ব্যাক্টেরিয়াগুলো শক্তিশালি পেপ্টাইডোগ্লাইকোন এর মাধ্যমে প্রতিকুল অবস্থায় গাছকে খাদ্যরস গ্রহণে সহয়তা করে শক্তিশালি করে এবং এন্টাগনাস্টিক হিসেবে কাজ করে যার ফলে জীবাণুরা অবস্থান করতে পারেনা। ফলে,গাছ আর ঢলে পড়ে না।
মহাপরিচালক ড.মো.নাজিরুল ইসলাম বলেন, নভেল বেসিলাস এর প্রয়োগ একটি নতুন বিষয় যার উপর ইতোমধ্যেই কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট অনেকটা পথ এগিয়েছে। আরো জোড়ালো গবেষণার মাধ্যমে নয়া এই পরিবেশ বান্ধব উপকারী ব্যাক্টেরিয়ার উপর জোর দিতে হবে। সারা দেশ ব্যাপী এই প্রযুক্তি কৃষকের কাছে সহজ ভাবে পৌছে দিতে হবে। উপসচিব নাসিমা খনম গবেষণাটি খরা, বন্যা এলাকাতেও ছড়িয়ে দেবার আহবান জানান। প্রধান গবেষক ড. হোসেন বলেন, ব্যাক্টেরিয়ার সাথে প্রাণীকুলের মধ্যে মানুষের সাথে সবচেয়ে বেশি মিল যা শতকরা ৩৭ ভাগ যেখানে বানরের সাথে মাত্র ৬ ভাগ। সুতরাং বন্ধুপ্রিয় মিলের সাদৃশ্যকে কেন্দ্র করে অঞ্চল ভিত্তিক এই গবেষণার কার্যক্রম আরো বাড়াতে হবে। উপকারি ব্যাক্টেরিয়া ব্যাহার করে বেগুনের ঢ্লে পড়া রোগ দমন করা সম্ভব হয়েছে। তিনি আরো বলেন, দেশে বড় আকারে বায়ো-সেন্টার করে এ ধরনের কাজকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। এর ফলেই ব্যাক্টেরিয়ার উৎপাদন বাড়ানো সম্ভব হবে।
ব্যাক্টেরিয়ার জীবন ব্যবস্থাপনা, সংরক্ষণ, কালচার, নামকরণ এবং কৃষিতে উপকারী বেসিলাস এর ব্যবহার প্রয়োগ এবং ঢলে পড়া রোগ দমন ব্যবস্থাপনা নিয়ে সেমিনারে আলোচনা করা হয়।
পরে কারিগরি সেশন চেয়ারম্যান আগুন্তক গবেষক, কর্মকর্তাদের নিয়ে ব্যাক্টেরিয়াল বিভিন্ন পণ্য পর্যবেক্ষণ করেন।
উৎসবমুখর পরিবেশে কৌতুহলের সাথে বিজ্ঞানী ও আমন্ত্রিত অতিথিগণ সেমিনারটি উপভোগ করেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ২৮, ২০২১ ৯:১৪ অপরাহ্ন
বরিশালে ভাসমান কৃষির ওপর মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত
কৃষি বিভাগ

নাহিদ বিন রফিক (বরিশাল): ভাসমান কৃষির আধুনিক প্রযুক্তির ওপর কৃষক মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ বরিশালের আঞ্চলিক কৃষি গবেষণা কেন্দ্রে (আরএআরএস) এই প্রশিক্ষণটি অনুষ্ঠিত হয়।

ভাসমান বেডে সবজি ও মসলা চাষ গবেষণা, সম্প্রসারণ ও জনপ্রিয়করণ প্রকল্পের আয়োজনে এ উপলক্ষে এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন আরএআরএস’র মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. রফি উদ্দিন।

আয়োজক প্রতিষ্ঠানের প্রকল্প পরিচালক ড. মো. মোস্তাফিজুর রহমান তালুকদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. গোলাম কিবরিয়া এবং পিএসও ড. মো. আলিমুর রহমান।

বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. মাহবুবুর রহমানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন আরএআরএস’র ঊধর্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. রফিকুল ইসলাম, বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. রাশেদুল ইসলাম, এসও স্মৃতি হাসনা প্রমুখ।

প্রধান অতিথি বলেন, ভাসমান ধাপে উৎপাদিত ফসল হয় স্বাদে-পুষ্টিতে ভরপুর। নিরাপদেও অনন্য। সে কারণের এর বাজারমূল্য বেশি। তাই চাষিরা আর্থিকভাবে লাভবান হন।

মাঠ দিবসে বানারিপাড়া, নেছারাবাদ ও নাজিরপুর উপজেলার ৮০জন কিষাণ-কষিাণী অংশগ্রহণ করেন।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop