৮:২৭ পূর্বাহ্ন

বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : জুলাই ২৬, ২০২১ ৯:৪১ অপরাহ্ন
জাতিসংঘের ফুড সিস্টেম প্রিসামিটে কৃষিমন্ত্রী
কৃষি বিভাগ

কৃষিমন্ত্রী ড. মো: আব্দুর রাজ্জাক এমপি বলেছেন, জলবায়ু পরিবর্তনের সবচেয়ে বেশি বিরূপ প্রভাব পড়বে উন্নয়নশীল দেশের ফুড সিস্টেমে। এ চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় কৃষি ও খাদ্য খাতে আরও বেশি বিনিয়োগ, গবেষণা ও উদ্ভাবন করতে হবে। সেজন্য, আরও শক্তিশালী ও জলবায়ু পরিবর্তনসহনশীল ফুড সিস্টেম গড়তে সদস্য দেশসমূহের সম্মিলিত উদ্যোগ ও অংশীদারিত্ব প্রয়োজন।
মন্ত্রী সোমবার সন্ধ্যায় তাঁর সরকারি বাসভবন থেকে ভার্চুয়ালি ইটালির রোমে অনুষ্ঠিত ৩দিন ব্যাপী ‘জাতিসংঘের ফুড সিস্টেম প্রিসামিটের’ উদ্ভোধন অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন।
কৃষি ও ফুড সিস্টেম ট্রান্সফর্মেশনের মাধ্যমে ২০৩০ সালের মধ্যে টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট (এসডিজি) অর্জনে বাংলাদেশ কীভাবে কাজ করছে এবং এক্ষেত্রে আরও কী কী প্রয়োজন হবে- এ বিষয়ে কৃষিমন্ত্রী প্রিসামিটে বক্তৃতা প্রদান করেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশে খাদ্য নিরাপত্তায় অভূতপূর্ব সাফল্য অর্জিত হয়েছে। গত ৫০ বছরে চালের উৎপাদন ও উৎপাদনশীলতা দুটোই চার গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০৩০ সালের মধ্যে ক্ষুধামুক্তি/ জিরো হাঙ্গার অর্জনে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। তাসত্ত্বেও ২০৩০ সালের লক্ষ্যমাত্রা বাস্তবায়নে জলবায়ু পরিবর্তন, জনসংখ্যা বৃদ্ধি, কৃষি জমি হ্রাস, শ্রমিক সংকট, খাদ্য নষ্ট ও অপচয়সহ অনেক চ্যালেঞ্জ রয়েছে।
উদ্বোধন অনুষ্ঠানে জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস, ইটালির প্রধানমন্ত্রী মারিও দ্রাঘি, খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) মহাপরিচালক কিউ দোংয়ু, রুয়ান্ডার প্রেসিডেন্ট পল কাগামে, জাতিসংঘের ডেপুটি মহাসচিব আমিনা মোহাম্মদ প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
ড. রাজ্জাক আরও বলেন, ২০৩০ সালের মধ্যে টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট-এসডিজির লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী ক্ষুধামুক্তি/ জিরো হাঙ্গার অর্জনে বাংলাদেশ কাজ করছে। একই সাথে অপুষ্টি নিরসনেও কাজ করছে। যা সরাসরি কৃষি উৎপাদন ও উৎপাদনশীলতার সাথে জড়িত। এ লক্ষ্য অর্জনে উৎপাদনশীলতা দ্বিগুণ বৃদ্ধি, নিরাপদ খাদ্যের নিশ্চয়তা প্রদান ও টেকসই কৃষি ব্যবস্থার মাধ্যমে খাদ্য ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করত হবে।
আগামী সেপ্টেম্বরে অনুষ্ঠিতব্য জাতিসংঘের ‘ফুড সামিট ২০২১’ কে সামনে রেখে এ প্রাক-সম্মেলন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। ১৪৫ টির বেশি দেশ এতে অংশগ্রহণ করছে।
শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ২৬, ২০২১ ১০:২১ পূর্বাহ্ন
এক জমিতে ১০ প্রজাতির ফসল করে তাক লাগিয়েছেন তিনি
কৃষি বিভাগ

৫ শতাংশ জমিতে ১৯৯০ সালে সবজি চাষ শুরু করেন, সেই থেকে পথ চলা আমির হোসেনের। এক জমিতে এক সাথে ১০ প্রজাতির ফসল উৎপাদন করে জেলায় কৃষকদের কাছে আদর্শ হয়ে উঠেছেন কৃষক তিনি। মাল্টা চাষে ব্যাপক সাফল্য পেয়েছেন গাইবান্ধার সাঘাটার পুটিমারী গ্রামের এই বাসিন্দা।

জানা যায়, বর্তমানের আমির হোসেরন তার নিজের বসতবাড়ির চারপার্শ্বে বর্গাসহ মোট চার একর জমিতে বিভিন্ন ধরনের সবজি চাষ করেন। এসব জমিতে একই সাথে পেঁপে, আঁদা, মরিচ, মাল্টা, কমলাসহ বিভিন্ন ফসল চাষ করছেন এখন। প্রতি বছর তার আয় হয় ১২ থেকে ১৫ লক্ষ টাকা। একই সাথে একাধিক ফসল উৎপাদন করে সফলতা পাওয়ায় অন্যন্য কৃষকরাও এগিয়ে আসছেন এ পদ্ধিতে চাষাবাদ করতে।

কৃষি অফিস জানায়, তার এ উদ্যোগকে এগিয়ে নিতে সার্বিক সহযোগিতা করা হচ্ছে। একই জমিতে ১০টি ফসল চাষে সফলতা অর্জন করে জেলায় মডেল কৃষক হয়েছেন আমির হোসেন। স্বীকৃতি সরুপ ২০১৭ সালে বঙ্গবন্ধু জাতীয় কৃষি পদকসহ বিভিন্ন সময় পেয়েছেন পুরস্কার ও সম্মাননা।

উপজেলা কৃষি অফিসার সাদেকুজ্জামান জানান, আমাদের পক্ষ থেকে কৃষক আমির হোসেনকে নিয়মিত পরামর্শ প্রদান করা হচ্ছে। আরও যারা কৃষি কাজ করতে আগ্রহী আমরা তাদেরকেও সহযোগিতা করবে বলে জানান তিনি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ২৫, ২০২১ ৯:২০ পূর্বাহ্ন
জমি না থাকলেও সেচ প্রকল্পে নাম!
কৃষি বিভাগ

কুড়িগ্রামের সরকারি সেচ প্রকল্পে বিএডিসি (বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন) কর্মকর্তাদের অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। কৃষকরা জানান, নিয়ম অনুযায়ী কৃষকদের দলগঠন করে সেচ দেয়ার কথা, কিন্তু দেয়া হচ্ছে ব্যক্তিকে। যাদের জমিও নেই এমন লোকরা পাচ্ছেন সেচ নেয়ার অনুমতি।

সেখানকার উলিপুরের বাসিন্দারা আরো অভিযোগ করেন, নানা কারণে সেচ নেয়ার যোগ্যতা হারিয়েছেন, এমন কৃষকদেরও সেচ নেয়ার তালিকাভুক্ত করছে বিএডিসি।

২০১৮ সালে সেচ লাইসেন্স নেন কুড়িগ্রামের উলিপুরের কিশোরপুর গ্রামের কৃষক সাইফুল ইসলাম। আর ২০১৯ সালে লাইসেন্স নম্বর দিয়ে সেচ লাইসেন্স নেন আঠারো পাইকা গ্রামের সাব মিয়া, নিয়ম অনুযায়ী যা হওয়ার কথা নয়।

কৃষকদের অভিযোগ, সেচ নেয়ার তালিকায় এমন কৃষকও আছেন যার জমিই নেই। অনেকে আবেদন করেও সেচ নেয়ার অনুমতি পাচ্ছেন না।

আবার কেউ কেউ দুই গ্রুপের অনুমতি সংগ্রহ করেছেন। অভিযোগ উঠেছে, এসব অনিয়ম করে অবৈধভাবে সেচের অনুমতি দিয়ে বহু টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে বিএডিসির একটি চক্র। যারা অবৈধভাবে এই অনুমতি নেন তাদের অনেকেই এসব তথ্য স্বীকারও করেছেন। আর এনিয়ে ক্ষোভ জানিয়েছেন খোদ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান।

উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জানান, এই ধরনের অনিয়মের ফলে বহু কৃষক সরকারি সেচ সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। আর কৃষি কর্মকর্তারা বলছেন, অভিযোগগুলোর বিষয়ে তদন্ত চলছে।

বিএডিসির তথ্য অনুযায়ী, উপজেলায় চলতি বছর সেচ লাইসেন্সের জন্য আবেদন পড়েছে প্রায় তিনশ’র বেশি। এরমধ্যে ৭৬টিকে অবৈধ ঘোষণা করা হয়।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ১৭, ২০২১ ৬:৩৬ অপরাহ্ন
১ কোটির বেশি পরিবারকে খাদ্য সহায়তা দিচ্ছে প্রধানমন্ত্রী: কৃষিমন্ত্রী
কৃষি বিভাগ

দেশে খাদ্য নিয়ে কোন হাহাকার নেই বলে জানালেন কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক। এই ঈদুল আজহাতে ১ কোটির বেশি পরিবারকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা খাদ্য সহায়তা দিচ্ছেন বলেও জানান তিনি।

মন্ত্রী শনিবার তার সরকারি বাসভবন থেকে ভার্চুয়ালি টাঙ্গাইলের ধনবাড়ী উপজেলার যদুনাথপুর ইউনিয়নে ঈদুল আজহা উপলক্ষে ভিজিএফ কর্মসূচির আওতায় গরিব অসহায় ব্যক্তি, দু:স্থ পরিবার ও উপকারভোগীদের মধ্যে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, করোনাকালে অসহায়, গরীব-দু:স্থ, খেটে খাওয়া ও কর্মহীন মানুষকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যেভাবে খাদ্য ও নগদ অর্থসহ মানবিক সহায়তা দিয়ে যাচ্ছেন তা সারা বিশ্বে এক অনন্য নজির।

মন্ত্রী বলেন, ঈদ পরম আনন্দের ও খুশির দিন। প্রধানমন্ত্রী চান, এই দিনে কোনভাবেই যাতে দেশের একটি মানুষকেও না খেয়ে থাকতে না হয়। খাদ্যের অভাবে একটি মানুষেরও ঈদ আনন্দ যাতে ম্লান না হয়। তাই, প্রধানমন্ত্রী প্রতিবছরের মতো এবারও ঈদের আগে অসহায় ব্যক্তি ও দু:স্থ পরিবারকে খাদ্য সহায়তা দিচ্ছেন।

করোনাকালে অসহায়, গরিব-দু:স্থ, খেটে খাওয়া ও কর্মহীন মানুষকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যেভাবে খাদ্য ও নগদ অর্থসহ মানবিক সহায়তা দিয়ে যাচ্ছেন তা সারা বিশ্বে এক অনন্য নজির বলে মন্তব্য করেন মন্ত্রী।

মন্ত্রী বলেন, করোনার সংক্রমণরোধে আরোপিত লকডাউনে শ্রমজীবী ও স্বল্প আয়ের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর আয়ের পথ সংকুচিত হয়েছে। এছাড়া অনেক মানুষ কর্মহীন হয়ে পড়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা করোনার শুরু থেকেই খাদ্য ও আর্থিক সহায়তা নিয়ে অব্যাহতভাবে এসব মানুষের পাশে আছেন।

যদুনাথপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মীর ফিরোজ আহমেদের সভাপতিত্বে এ অনুষ্ঠানে ধনবাড়ী উপজেলা চেয়ারম্যান হারুন-অর রশিদ হীরা, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. সামিউল হক, উপজেলা পর্যায়ের কর্মকর্তা ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ১৭, ২০২১ ১০:০০ পূর্বাহ্ন
ব্ল্যাক রাইস চাষে তাক লাগিয়েছেন কুমিল্লার কৃষক মনজুর
কৃষি বিভাগ

কুমিল্লা জেলায় অভাবনীয় সাফল্য লাভ করেছে ব্ল্যাক রাইস (কালো রঙের চালের ধান) চাষে। মনজুর নামের এক কৃষক ২০১৮ সালে প্রথম বারের মত কুমিল্লায় মাত্র ৫ শতক জমিতে ব্ল্যাক রাইস চাষ করেন। এতে তিনি সাফল্য পান। পরের বছর ১০ শতক জমিতে ব্ল্যাক রাইস চাষ করে দ্বিগুণ সফলতা অর্জন দেখে এবার এগিয়ে এসেছেন আরো ১৫ জন কৃষক। এবার বেশী চাষ হয়েছে ১৪শ’ ৯৫ শতক জমি। অর্থাৎ গেলোবার যেখানে চাষ হয়েছে ১০ শতক এবার সেখানে হয়েছে ১৫শ’ শতক জমি।

বছর বছর এই চাষে সফলতা পাওয়ায় মনজুর ব্ল্যাক রাইস চাষ করে পেয়েছেন কৃষি পদকও। চলতি বছরের ২৭ জুন ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানের মাধ্যমে দেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মনজুরকে এই পদক দেন।

মনজুর জানান, প্রতি বছরের জুলাই মাস থেকে ব্ল্যাক রাইসের চারা রোপনের কাজ শুরু হয়। এখন জমি প্রস্তুতির কাজ চলছে। জুলাই ৩০ তারিখ থেকে জমিতে চারা রোপনের কাজ শুরু করে নভেম্বরে প্রথম সপ্তাহে ফসল গড়ে তোলা হবে। মনজুর চলতি মৌসুমে ৫০ শতক জমিতে এই ব্ল্যাক রাইস চাষ করবেন বলে জানিয়েছেন।

কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলার মনাগ্রাম মাঠে এই ধানের চাষ করা হচ্ছে। কৃষক মনজুর হোসেন জানান, কৃষি গবেষক ড. আখতার হামিদ খান ধান উৎপাদনে কুমিল্লার চেহারা পাল্টে দিয়েছেন। ড. খানের কাজ দেখে তিনি অনুপ্রাণিত হয়েছেন। কালো চাল ডায়াবেটিস, স্নায়ুরো ও বার্ধক্য প্রতিরোধক। এতে ভিটামিন, ফাইবার ও মিনারেল রয়েছে। তাই কালো চাল উৎপাদনে মনোযোগী হয়েছেন। অনেকে বিদেশ থেকে উচ্চ দামে চাল কিনে খায়। ঢাকায়ও বিদেশি কোম্পানিগুলো এই চাল হাজার টাকায় কেজি বিক্রি করলেও স্থানীয় কৃষকরা তা তিনশত টাকায় বিক্রি করতে পারবেন বলে জানান। এ চালের উৎপাদন সারাদেশে ছড়িয়ে দেওয়া গেলে তা দেশের কৃষি অর্থনীতিতে ইতিবাচক ভুমিকা রাখবে বলে তিনি মনে করছেন।

এ বিষয়ে হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ও কুমিল্লা ময়নামতি মেডিক্যাল কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ প্রফেসর ড. তৃপ্তিশ চন্দ্র ঘোষ জানান, কালো চালে অ্যাস্থসায়ানিন ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্টের পরিমাণ বেশি থাকে। হৃদযন্ত্রের সুস্থতা বজায় রাখা, মস্তিস্কের কার্যকারিতা বাড়ানো ও শারীরিক ব্যথা নিরাময়ে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট বিশেষ কার্যকর বলে জানান।

মনজুর বিভিন্ন দেশের সাত প্রকার কালো চালের ধান সংগ্রহ করে চাষ করছেন। কালো চাল উৎপাদন বাড়লে কৃষিতে নতুন গতি আসবে বলে তিনি মনে করেন। মাঠে ভারতের আসাম, ইন্দোনেশিয়া, চায়না, জাপান, ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়া ও থাইল্যান্ডের সাত প্রকার কালো চালের ধান লাগানো হবে। চাল কালো হলেও সব গুলো ধানের পাতার রঙ বেগুনি নয়। অনেক গুলো সবুজ রঙের। কৃষক মনজুর হোসেন জেলার আদর্শ সদর উপজেলার মনাগ্রাম এলাকার মৃত মোহাম্মদ আলীর ছেলে।

সরেজমিনে মনাগ্রামে গিয়ে দেখা যায়, কৃষক মনজুর তার বাড়িসংলগ্ন নিজের জমিতে এবার আমন মৌসুমে থাইল্যান্ড, ইন্দোনেশিয়া, ফিলিপাইন, ভারত, জাপান, চীন ও ভিয়েতনাম- এ সাতটি দেশ থেকে সংগ্রহ করা কালো চালের বেগুনী ও সবুজ পাতার ধানের চাষ করার জন্য জমি প্রস্তুত করছেন। চলতি মাসের ৩০ তারিখ থেকে চারা রেপন কাজ শুরু করবেন। কৃষক মনজুর বলেন, সাত জাতের ধান ছাড়াও লাল চালের (রেড রাইস) ধান, ভারতের বেগুনী স্বর্ণা ধান, ফিলিপাইনের ব্ল্যাক বাঁশমতি ধানসহ দুর্লভ নানা জাতের ধানের চাষ করেছেন।

কৃষি বিভাগের কর্মকর্তা ও গবেষকরা বলছেন, কালো চাল দেখতে যেমন কালো, এ চালের ভাতও কালো এবং পুষ্টিগুণসমৃদ্ধ। সুগন্ধিযুক্ত দামি ও স্বাস্থ্যকর এ কালো চাল সারা পৃথিবীতে খুবই সমাদৃত।

মনাগ্রমের কৃষক রফিক উল্লাহ ভূঁইয়া, গৌতম দাস, বিল্লাল হোসেন বাসসকে বলেন, কৃষির উন্নয়নে কৃষকদের পথ দেখাচ্ছেন কৃষক মনজুর। জমিতে চারা রোপণের পর থেকে সবসময় তারা কৃষক মনজুরের ব্ল্যাক রাইসের জমি দেখে আসছেন। তারা বলেন, বাজারে দেশিয় জাতের প্রতিমণ ধানের মূল্য সাড়ে ৬০০ থেকে ৭০০ টাকা। এক্ষেত্রে উৎপাদন খরচ বাদ দিয়ে মোটামোটি লাভ হয়। তাই আগামীতে আমরা কালো চালের ধানের চাষ করবেন বলে জানান।

স্থানীয় উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা (এসএএও) মো. ছালেকুর রহমান জানান, কৃষক মনজুর হোসেন সাতটি দেশে উৎপাদিত ব্ল্যাক রাইস-এর বীজ সংগ্রহ করে জমিতে চাষ করেছেন। এছাড়া বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ব্রি) থেকে সর্বশেষ অবমুক্ত করা নতুন জাতের ধানও তার জমিতে চাষ হয়েছে। প্রাথমিক পর্যায়ে আমন মৌসুমে স্বল্প পরিসরে পাঁচটি দেশের ব্ল্যাক রাইস চাষ করে ভালো ফলন পেয়েছেন।

বাংলাদেশ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের বছরব্যাপী ফল উৎপাদনের মাধ্যমে পুষ্টি উন্নয়ন প্রকল্পের পরিচালক ড. মো. মেহেদী মাসুদ জানান, কৃষক মনজুর যা করেছেন তা ব্যতিক্রম, তিনি বিজ্ঞানীদের কাজ করছেন। কালো চাল কম গ্লাইসেমিক ইনডেক্স (জিআই) সম্পন্ন, যা গম ও অন্যান্য ফলের জিআই হতে অনেক কম। ব্ল্যাক রাইসে অ্যান্থোসায়ানিন নামক একটি উপাদান আছে, এ কারণে এই ব্ল্যাক রাইস পুরোটাই কালো। আর অ্যান্থোসায়ানিন এমন একটি এন্টিঅক্সিডেন্ট যা ক্যান্সার প্রতিরোধ করে। আমরা প্রতিনিয়ত যে খাবার খাই তা থেকে রক্তের মধ্যে যে ধরনের ফ্রি রেডিকেল তৈরি হয় তা এই এন্টিঅক্সিডেন্ট ধ্বংস করে দেয়। পুষ্টিগুণসমৃদ্ধ কালো চালের উৎপাদন ভালো হলে এবং তা দেশব্যাপী কৃষকের মাঝে ছড়িয়ে দেওয়া গেলে মানুষের রোগ প্রতিরোধের পাশাপাশি তা দেশের কৃষি অর্থনীতিতেও ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ব্রি) আঞ্চলিক কার্যালয় কুমিল্লার প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. আব্দুল মোতালেব জানান, ব্ল্যাক রাইসের এ জাতগুলো ব্রি-গাজীপুরে প্রেরণ করার উদ্যোগ গ্রহণ করেছি। এ জাতগুলোর বিভিন্ন গুণাবলি ও রোগ-পোকার প্রতিক্রিয়া নির্ণয়ের পর কাঙ্খিত গুণাবলিসম্পন্ন প্রতীয়মান হলে অবমুক্তির প্রক্রিয়া শুরু করা যাবে এবং ব্ল্যাক রাইসের উচ্চ ফলনশীল জাত উদ্ভাবন করার সুযোগ সৃষ্টি হবে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর কুমিল্লার উপ-পরিচালক মিজানুর রহমান জানান, ব্ল্যাক রাইসের বীজ কুমিল্লাসহ সারাদেশে আমরা ছড়িয়ে দিতে চাই। এ বিষয়ে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর একই সাথে কাজ করে যাচ্ছে।
কৃষক মনজুর হোসেন আরও বলেন, ব্ল্যাক রাইস এর ধানের পাতার রঙ সবুজ, কোনটির বেগুনী।

জাপান ও অন্যান্য দেশ থেকে আমাদের দেশে আমদানি করা এক কেজি কালো চালের (ব্ল্যাক রাইস) মূল্য এক হাজার টাকা। তাই বিভিন্নভাবে মোট সাতটি দেশ থেকে ব্ল্যাক রাইসের বীজ সংগ্রহ করে কৃষি কর্মকর্তাদের পরামর্শ নিয়ে চারা উৎপাদন করা হয়েছে চলতি মাসের শেষের দিকে চারা রোপন কাজ শুরু হবে।

তিনি সকল জাতের ব্ল্যাক রাইসের ভালো ফলনের আশা প্রকাশ করে বাসসকে বলেন, পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ দুর্লভ ও দামী ব্ল্যাক রাইসের বীজ দেশের কৃষকদের মাঝে স্বল্প মূল্যে ছড়িয়ে দিতে চাই। উদ্ভাবনী এ কৃষক ব্যক্তিগত উদ্যোগে ধান, চাল, গমের বীজ এবং সরিষা ও পামওয়েলের গুণগতমান পরীক্ষার জন্য একটি গবেষণাগার (ল্যাব) স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছেন এবং এ ব্যাপারে সরকারের নিকট সহায়তা চেয়েছেন।

এবিষয়ে কৃষি মন্ত্রণালয়ের বছরব্যাপী ফল প্রকল্পের পরিচালক ও ধান গবেষণায় বিশেষজ্ঞ ড. মেহেদী মাসুদ জানান, কালো চালের ভাত সাধারণ ভাতের অর্ধেক খেলে পেট ভরে যাবে। ফাইবার বেশি থাকায় তা সময় নিয়ে হজম হবে। যা ডায়াবেটিস রোগীর জন্য উপকারী। এদিকে যাদের পেটে চর্বি রয়েছে তাদেরও উপকার হবে। কৃষক মনজুর হোসেনের কালো জাতের ধানের চাষ সারা দেশের মধ্যে ব্যতিক্রম। আমি ইন্দোনেশিয়া থেকে কালো ধান এনে তাকে ২৭টি দিয়েছিলাম। সে সেখান থেকে বীজ তৈরি করে ধানের পরিমাণ বাড়িয়েছে। কালো চালে গ্লাইসেমিক ইনডেক্স (জিআই) অনেক কম। জিআই যত কম হয় সেই খাবার শরীরে জন্য তত উপকারী। গ্লকোজের জিআই ১০০ ভাগ, চিনির ৮০ভাগ, সাদা চালের ভাতের ৭২ ভাগ, গমের আটার রুটিতে ৬৫ ভাগ আর কালো চালের জিআই মাত্র ৪২ ভাগ। কালো চালের বিষয়টি দেশে গবেষণার পর্যায়ে রয়েছে।

তিনি বলেন, কৃষিমন্ত্রী মহোদয়ও এই চাল উৎপাদনে তাগিদ দিয়েছেন। কালো চাল ভালো উৎপাদন হলে রোগ প্রতিরোধের সাথে তা কৃষি অর্থনীতিতেও ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে জানান। বাসস

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ১৪, ২০২১ ৮:২৭ অপরাহ্ন
করোনায় মারা গেলেন ডিপ্লোমা কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন, বাংলাদেশ এর সাংগঠনিক সম্পাদক
কৃষি বিভাগ

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের ফ্রন্ট লাইন যোদ্ধা ডিপ্লোমা কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ও সভাপতি রংপুর জেলা কমিটি এবং রংপুর সদরে কর্মরত উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা শেখ শহীদ মোঃ আব্বাস অদ্য বুধবার বিকাল ৩.৪৫ মিনিটে কোভিড-১৯ আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেন।  ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন। উনার মৃত্যুতে সংগঠনটি একটি দক্ষ সংগ্রামী নেতাকে হারালো।

ডিপ্লোমা কৃষিবিদ এই নেতার  মৃত্যুতে সংগঠনের সভাপতি স্বাক্ষরিত শোক বার্তা প্রকাশ করে এবং বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষে শোক ও সমবেদনা জানানো হয়।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ১৪, ২০২১ ৬:২৮ অপরাহ্ন
একসময়ের খাদ্য ঘাটতির দেশ আজ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ: কৃষিমন্ত্রী
কৃষি বিভাগ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বলিষ্ঠ নেতৃত্বে ও দূরদর্শিতায় সরকারের কৃষিবান্ধব নীতি গ্রহণ ও বাস্তবায়নের ফলে দেশে কৃষিখাতে অভূতপূর্ব সাফল্য অর্জিত হয়েছে। একসময়ের খাদ্য ঘাটতির দেশ আজ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ বলে মন্তব্য করেন কৃষিমন্ত্রী ড. মো: আব্দুর রাজ্জাক।

মন্ত্রী বুধবার বিকালে কৃষি মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষ থেকে ভার্চুয়ালি আন্তর্জাতিক ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ইরি) আয়োজিত ‘কোভিড পরিস্থিতিতে জলবায়ুসহনশীল কৃষি ও খাদ্য ব্যবস্থার রূপান্তর’ শীর্ষক আলোচনা সভায় এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, স্বাধীনতার পর থেকে গত ৫০ বছরে চালের উৎপাদন বেড়েছে চার গুণেরও বেশি। ১৯৭১-৭২ সালে যেখানে চাল উৎপাদন ছিল মাত্র ১ কোটি মেট্রিক টন, সেখানে ২০২০ সালে তা বেড়ে প্রায় ৪ কোটি মেট্রিক টনে উন্নীত হয়েছে।

‘শুধু চালের মোট উৎপাদন নয়, চালের উৎপাদনশীলতায়ও দেশ অনেক এগিয়ে গেছে’ উল্লেখ করেন মন্ত্রী বলেন, ১৯৯১ সালে হেক্টরপ্রতি চালের গড় উৎপাদন ছিল ১.৭১ টন। আর ২০২০ সালে হেক্টরপ্রতি চাল উৎপাদন হয়েছে গড়ে চার টনেরও বেশি। কৃষি গবেষণার মাধ্যমে ফসলের উন্নত জাত ও প্রযুক্তি উদ্ভাবন, কৃষি উপকরণে ভর্তুকি প্রদান ও সহজলভ্যকরণ, সারের সুষম ব্যবহার নিশ্চিতকরণ, সেচসুবিধা সম্প্রসারণ, বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনের সাথে খাপ খাওয়ানোর জন্য লাগসই কৃষি প্রযুক্তি উদ্ভাবনের ফলেই এ সাফল্য অর্জিত হয়েছে।

ড. রাজ্জাক আরও বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের সবচেয়ে বেশি বিরূপ প্রভাব পড়বে দক্ষিণ এশিয়ার কৃষিতে। এর ফলে দক্ষিণ এশিয়ার খাদ্য ব্যবস্থা দুর্বল হবে। এ চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সম্মিলিতভাবে জলবায়ুসহনশীল কৃষি প্রযুক্তি উদ্ভাবনে কাজ করতে হবে।

বাংলাদেশে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত মোকাবিলা, উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি এবং প্রতিকূলসহিষ্ণু উন্নতমানের জাত ও প্রযুক্তি উদ্ভাবন করে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির কার্যক্রম জোরালভাবে চলছে বলে আজকের সংলাপে জানান মন্ত্রী।

কৃষি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো: মেসবাহুল ইসলাম, অতিরিক্ত সচিব মো: রুহুল আমিন তালুকদার, ইরির দক্ষিণ এশিয়া আঞ্চলিক প্রতিনিধি ড. নাফিস মিয়া ও গবেষণা পরিচালক ড. অজয় কোলিসহ বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিবৃন্দ এ সংলাপে অংশগ্রহণ করেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ১৪, ২০২১ ৫:৩৮ অপরাহ্ন
আমন ধানের চারা রোপণে ব্যস্ত জয়পুরহাটের চাষিরা
কৃষি বিভাগ

খাদ্য উৎপাদনে উদ্বৃত্ত জেলা জয়পুরহাটে চলতি ২০২১-২০২২ মৌসুমে ৬৯ হাজার ৬৬০ হেক্টর জমিতে রোপা আমন চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। বোরো’র বাম্পার ফলনের পর এবার জেলার কৃষকরা মহা ধুমধামে আমন ধানের চারা রোপণ শুরু করেছে।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্র জানায়, জেলায় চলতি ২০২১-২২ মৌসুমে ৬৯ হাজার ৬৬০ হেক্টর জমিতে রোপা আমন চাষের লক্ষ্যমাত্রা ধার্য করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে উচ্চ ফলনশীল জাতের ৬৩ হাজার ৬০০ হেক্টর, হাইব্রিড জাতের ৫ হাজার ৩৬০ হেক্টর ও স্থানীয় জাতের রয়েছে এক হাজার ৭০০ হেক্টর। এতে চালের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ২ লাখ মেট্রিক টন চাল।

চলতি আষাঢ় মাসে বৃষ্টিপাত সন্তোষজনক পর্যায়ে রয়েছে ফলে রোপা আমন চাষে এবার কোন সমস্যা হবেনা। চলতি জুলাই মাসের প্রথম সপ্তাহ থেকে জেলার কৃষকরা আমনের চারা রোপণ কার্যক্রম শুরু করেছে এবং ইতোমধ্যে ৩৫০ হেক্টর জমিতে চারা রোপণ সম্পন্ন হয়েছে বলেও জানান, জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক স ম মেফতাহুল বারি।

কৃষি বিভাগ জানায়, জয়পুরহাটে চলতি ২০২১-২২ মৌসুমে রোপা আমন চাষ সফল করতে ৩ হাজার ৫০০ হেক্টর জমিতে বীজতলা তৈরি করা হয়েছে। চলতি মৌসুমে জেলায় বোরোর বাম্পার ফলন হয়েছে। কৃষি বিভাগের হিসাবে মতে জেলায় এবার বোরো চাল উৎপাদন হয়েছে সাড়ে ৩ লাখ মেট্রিক টন। বরো’র বাম্পার ফলনের পরে কৃষকরা বর্তমানে রোপা আমন ধানের চারা রোপণে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করছে বলে জানায় কৃষি বিভাগ।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ১১, ২০২১ ১২:৪৩ অপরাহ্ন
যুবলীগনেতার উদ্যোগে অসহায়দের সবজি বিতরণ
কৃষি বিভাগ

করোনা সংক্রমণে থমকে গেছে পুরো দেশ। এর সংক্রমণ ক্রমান্বয়ে বেড়ে যাওয়াতে চলছে কঠোর লকডাউন। আর এই লকডাউনে কর্মহীন অভাবগ্রস্থ মানুষের পাশে এসে দাড়িঁয়েছেন চট্টগ্রাম যুবলীগ নেতা দেবাশিষ পাল দেবু। নগরের ফিরেঙ্গী বাজার এলাকায় ৩০০ অসহায় মানুষের মধ্যে সবজি বিতরণ করেছেন তিনি।

শনিবার (১০ জুলাই) বিকেলে ফিরেঙ্গী বাজারের জাকির হোসেন হোমিওপ্যাথি কলেজ মাঠে নগরীর ৩০, ৩১, ৩৩, ৩৪ ওয়ার্ডের অসহায় দরিদ্র মানুষের মধ্যে এ মৌসুমী সবজি বিতরণ করা হয়।

এসময় দেবাশীষ পাল দেবু বলেন, প্রধানমন্ত্রীর আহ্বানে যুবলীগ চেয়ারম্যান ও সাধারণ সম্পাদকের নির্দেশনায় করোনায় কর্মহীন হয়ে পড়া মানুষের মধ্যে মৌসুমি সবজি বিতরণ করা হয়েছে। করোনা শুরু থেকে চট্টলার মানুষের পাশে আছি। যুবসমাজকে সঙ্গে নিয়ে এমন কার্যক্রমে সবসময় মানুষের পাশে থাকবো।

এসময় উপস্থিত ছিলেন বন্দর সিবিএর ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মো. নায়েবুল ইসলাম ফটিক, মহানগর যুবলীগ নেতা আনিফুর রহমান লিটু, সাজ্জাদ চৌধুরী পাবেল, রায়হান নেওয়াজ সজিব, মারুফ আহমেদ সিদ্দিকী, ইমতিয়াজ বাবলা, মো. ইকবাল হোসেন, মো. ইসমাইল, মো. আমিনুল ইসলাম, মিজানুর রহমান, আবু নাছের জুয়েল, মো. সোয়েব, বিভূ দেবনাথ, মো. রাসেল খান প্রমুখ।

এগ্রিভিউ/এসএমএ

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ১০, ২০২১ ৯:১২ অপরাহ্ন
কৃষিপণ্যের রপ্তানি বাধা দূর করতে কাজ করছে সরকার: কৃষিমন্ত্রী
কৃষি বিভাগ

কৃষিমন্ত্রী ড. মো: আব্দুর রাজ্জাক এমপি বলেছেন, ইউরোপসহ উন্নত দেশে ফলমূল ও শাকসবজি রপ্তানির ক্ষেত্রে বিদ্যমান বাধা দূর করতে অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে সরকার। শুধু মধ্যপ্রাচ্যে নয়, ইউরোপ,জাপানসহ উন্নতদেশ সমূহের মূল বাজারে আমরা কৃষিপণ্য রপ্তানি করতে চাই। সেজন্য, রপ্তানি বাধা দূর করতে ইতোমধ্যে দেশে উত্তম কৃষি চর্চা নীতিমালা (গ্যাপ) বাস্তবায়নের কাজ শুরু হয়েছে। দেশে আন্তর্জাতিক মানের অ্যাক্রিডিটেড ল্যাব ছিল না, আমরা সেটি স্থাপন করেছি। সেখান থেকে থেকে সনদ দেয়া শুরু হয়েছে। আম রপ্তানির জন্য ভ্যাকুয়াম হিট ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট স্থাপনের কাজ চলছে।
কৃষিমন্ত্রী শনিবার সকালে ঢাকায় শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে কৃষিপণ্যের রপ্তানি সহায়ক বিএডিসির হিমাগার পরিদর্শন শেষে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ কথা বলেন।
কৃষিমন্ত্রী বলেন, আমাদের রপ্তানি মূলত গার্মেন্টসনির্ভর। শুধু গার্মেন্টসনির্ভর থাকলে হবে না; বরং রপ্তানিকে বহুমুখী করতে হবে। সেটি করতে হলে কৃষিপণ্যের রপ্তানি বৃদ্ধি করতে হবে। কৃষিপণ্যের রপ্তানির সম্ভাবনা অনেক। এ সম্ভাবনাকে পুরোপুরি কাজে লাগাতে কৃষিপণ্য মাঠে উৎপাদন থেকে শুরু করে শিপমেন্ট পর্যন্ত নিরাপদ রাখতে কাজ চলছে। পাশাপাশি কৃষিপণ্য পরিবহন ও সংরক্ষণ সুবিধা বৃদ্ধিতেও গুরুত্ব সহকারে কাজ চলছে।
কৃষিপণ্যের রপ্তানির জন্য বিমানবন্দরে বিএডিসির হিমাগারের সক্ষমতা আরও বাড়ানো হবে বলে এসময় জানান মন্ত্রী।
উল্লেখ্য, ফলমূল ও শাকসবজি রপ্তানির সময় বিমান বন্দরে কার্গো হ্যান্ডেলিং, স্পেস ও কার্গো ভাড়া প্রভৃতি বিষয় নিয়ে ইতোমধ্যে কৃষি মন্ত্রণালয়, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় এবং ফলমূল ও শাকসবজি রপ্তানিকারক প্রতিনিধিদের মধ্যে আলোচনা হয়েছে। এ বিষয়গুলোকে কৃষিপণ্যের জন্য আরও রপ্তানিবান্ধব ও সহজতর করতে কাজ চলমান আছে।
আজকের সভায় বিএডিসির চেয়ারম্যান ড. অমিতাভ সরকারের সভাপতিত্বে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মো: মাহবুব আলী, কৃষি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো: মেসবাহুল ইসলাম, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ মোকাম্মেল হোসেন, বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মোঃ মফিদুর রহমান, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও ড. আবু সালেহ্‌ মোস্তফা কামাল, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো: আসাদুল্লাহ, কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মোহাম্মদ ইউসুফ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop