৮:১৫ পূর্বাহ্ন

রবিবার, ৩ মে , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : মে ১১, ২০২১ ৪:১৮ অপরাহ্ন
কৃষিতে খাদ্য নিরাপত্তা ও জলবায়ু পরিবর্তনে সিসিডিবি’র “কৃষি বন্ধু চুলা” বিতরণ
কৃষি বিভাগ

স্বাধীনতা অর্জনের পর থেকে আজ পর্যন্ত জনসংখ্যা দ্বিগুণেরও বেশি হয়েছে। জমি কমেছে অথচ খাদ্যশস্য উৎপাদন বেড়েছে প্রায় তিনগুণ। প্রতিবছর এক শতাংশ হারে ৫০ হাজার হেক্টর আবাদি জমি কমে যাচ্ছে। অপরদিকে জনসংখ্যা প্রতি বছর ১.৫৪% হারে বাড়ছে। ক্রমহ্রাসমান জমি থেকে ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার খাদ্য চাহিদা পূরণের জন্য একই জমিতে প্রতিনিয়ত চাষাবাদ এবং মাত্রাঅতিরিক্ত রাসায়নিক সার প্রয়োগের ফলে দিন দিন মাটি তার প্রান শক্তি কার্বন ও জৈব উপাদান হারাচ্ছে।

এভাবে ক্রমবর্ধমান হারে চলতে থাকলে মাটি অচিরেই কার্বন শূন্য হয়ে তার ফসল উৎপাদনের ক্ষমতা হারাবে। এ অবস্থা থেকে পরিত্রাণ পেতে জৈব প্রযুক্তিতে চাষাবাদ অতীব জরুরী।

আন্তর্জাতিক জৈব প্রযুক্তি সম্মেলনে কৃষি বিজ্ঞানীরা বলেছেন, ’শুধু জৈব প্রযুক্তি দিয়ে অতিরিক্ত ৩ কোটি মেট্টিক টন খাদ্য উৎপাদন সম্ভব’। বলা বহুল্ল যে এ সম্ভাবনা বাস্তবায়নের জন্য মাটিতে বায়োচার ও বায়োচার ইনরিচ অর্গানিক ফার্টিলাইজার ব্যবহার (কার্বন সমৃদ্ধ জৈব সার) হতে পারে একমাত্র হাতিয়ার।

বায়োচার এক ধরনের চার বা কয়লা যার মধ্যে ৩০-৫৫% কার্বন থাকে। এই কয়লা এক ধরণের চুলা (”কৃষি বন্ধু চুলা”) ৩০০-৬০০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় স্বল্প অক্সিজেনের উপস্থিতিতে এবং পাইরোলাইসিস পদ্ধতিতে বায়োমাস (কাঠ, খড়-কুটা এবং কৃষি বজ্য) পুড়িয়ে বায়োচার তৈরী করা হয়। বায়োচার মাটিতে ব্যবহার করলে মাটির কার্বন/ জৈব উৎপাদান বৃদ্ধি পায়, লবনাক্ততা হ্রাস করে, পানি ধারণ ক্ষমতা বাড়ে, রাসায়নিক সারের কার্যকারিতা বাড়িয়ে দেয়, পুষ্টি উৎপাদান ধরে রাখে, মাটির বিষাক্ত পদার্থ ফসলে আসতে দেয় না, মাটিতে অবস্থানকারী অনুজীবের সংখ্যা বৃদ্ধি করে। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রেক্ষাপট মোকাবেলায়- কৃষিতে বায়োচার একটি উত্তম অনুষঙ্গ।

বায়োচার তৈরীর নতুন প্রযুক্তি ”কৃষি বন্ধু চুলা”য় স্বাস্থ্যকর পরিবেশে পরিস্কার পরিচ্ছন্ন রান্না, জ্বালানী ও সময় স্বাশ্রয়, অগ্নি দূর্ঘটনা ও বায়ু দুষণরোধ, কার্বন নিঃস্বরণ কমানো এবং উৎপাদিত বায়োচার ব্যবহার করে জমির উর্বরা শক্তি বৃদ্ধিকে সময় উপযোগী সুকৌশল বলে মনে করেন কৃষি সংশ্লিষ্ট বিজ্ঞানি ও কর্মকর্তাগণ। অপরদিকে ”কৃষি বন্ধু চুলা” থেকে যে বায়োচার উৎপাদিত হবে তা বিক্রি করে ব্যবহারকরীর পরিবারের আর্থিক উন্নয়ন হবে এবং বায়োচার জমিতে ব্যবহারের ফলে মাটির উন্নয়নের পাশাপাশি ফলন বৃদ্ধি পাবে। সিসিডিবি বায়োচার প্রকল্প এলাকা শিবালয় ও মান্দা উপজেলায় বায়োচার ব্যবহার নিয়ে কৃষক-কৃষানীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক দাতাসংস্থা ICCO এবং Kerk in actie এর আর্থিক সহায়তা ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর এর সহযোগিতায় ”খ্রীস্টিয়ান কমিশন ফর ডেভেলপমেন্ট ইর বাংলাদেশ” (সিসিডিবি) মাঠ পর্যায়ে বায়োচর প্রযুক্তি বাস্তবায়ন করছে। বায়োচার প্রকল্পের শিবালয় কর্ম এলাকায় ১২০টি পরিবার ”কৃষি বন্ধু চুলা” ব্যবহার করছেন এবং চুলা থেকে উৎপাদিত বায়োচার বিক্রি করে আর্থিকবাবে লাভবান হওয়ার পাশাপাশি নিজের জমিতে বায়োচার ও কার্বন সমৃদ্ধ জৈব সার ব্যবহার করে অধিক ফসল ঘরে তুলছেন। সিসিডিবি বায়োচার প্রল্পের মাধ্যম চলতি মে’২০২১ মাসে অত্র শিবালয় কর্ম এলাকায় আরও ২৫০টি পরিবারে ”কৃষি বন্ধু চুলা” প্রশিক্ষনের মাধ্যমে স্থাপন করা হবে যা পর্যায়ক্রমে স্থাপনের কাজ চলমান রয়েছে।

বর্তমানে সিসিডিবি’র বায়োচার প্রকল্পের মাঠ পর্যায়ে বায়োচার ব্যবহারকারী কৃষকের জমিতে ডেমো স্থাপস, বায়োচারের কার্যকারীতা পরীক্ষণ ও বায়োচার ব্যবহার এবং গবেষণা কাজের সাথে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট, পাট গবেষনা ইনস্টিটিউট, হাজী দানেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, বঙ্গবন্ধু কৃষি বিশ^বিদ্যালয়, শেরে-ই-বাংলা কৃষি বিশ^বিদ্যালয় সম্পৃক্ত রয়েছেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মে ১১, ২০২১ ১:০২ অপরাহ্ন
মাগুরায় বাঙ্গির বাম্পার ফলন
কৃষি বিভাগ

ডেস্ক রিপোর্ট: চলতি মৌসুমে মাগুরা জেলার বিভিন্ন মাঠে বাঙ্গি চাষ করেছেন শতাধিক কৃষক। কম পুঁজিতে বেশি মুনাফা ও প্রচুর ফলন হওয়ার কারণে প্রতি বছর তারা বাঙ্গির চাষ করে আসছেন। তাছাড়া এলাকার কৃষি জমি বাঙ্গি চাষের জন্য খুবই উপযোগী।

জীবন-জীবিকার জন্য প্রধান ফসল হিসেবে এখানে দীর্ঘদিন ধরে বাঙ্গি চাষ করে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হয়েছেন অনেক কৃষক। অনেকে কাঁচা বাঙ্গি সবজি হিসেবে রান্না করে খেয়ে থাকেন। ফল পাকলে হলুদ রঙ ধারণ করে। বাঙ্গি মূলত পাকা ফলের সুমিষ্ট সৌরভের কারণে বিখ্যাত। একটু বেশি পেকে গেলে বাঙ্গি ফেটে যায়। তাই অধিকাংশ বাঙ্গি ফাটা দেখতে পাওয়া যায়।

ফলের ওজন এক থেকে চার কেজি পর্যন্ত হতে পারে। এটি চাষের খরচ তুলনামূলক কম, আয় বেশি। তাই চাষিরা বাঙ্গি চাষে বেশ আগ্রহী। বাঙ্গি চাষের জন্য শুষ্ক ও উষ্ণ জলবায়ু সবচেয়ে উপযোগী। উর্বর বেলে দো-আঁশ ও পলি মাটি বাঙ্গি চাষের জন্য বেশি ভালো।

বাঙ্গি চাষি দেলোয়ার বলেন, এবার দুই বিঘা জমিতে বাঙ্গির চাষ করেছি। সব মিলিয়ে প্রায় চল্লি­শ হাজার টাকার মতো খরচ হয়েছে। এখন পর্যন্ত এক লাখ বিশ হাজার টাকার বাঙ্গি বিক্রি করেছি। আরো প্রায় ৮থেকে ১০ হাজার টাকার বাঙ্গি মাঠে রয়েছে।

আরেক কৃষক শরিফ বলেন, আমাদের বাঙ্গি বীজ নিজেরাই সংগ্রহ করে রাখি পরবর্তী বছরের জন্য। গতবছর বৃষ্টি ও শিলা হওয়াতে বাঙ্গি চাষে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছিল। তবে চলতি বছরে বাঙ্গির উৎপাদন থেকে প্রচুর লাভ হয়েছে।

এ বিষয়ে মাগুরা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক সুশান্ত কুমার প্রামাণিক বলেন, চলতি মৌসুমে মাগুরায় বাঙ্গির চাষ তুলনামূলকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। এ চাষ সফল করার জন্য কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে কৃষকদের প্রয়োজনীয় সার বীজ বিতরণ করা হয়।

এছাড়া বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকসহ অন্যান্য বাণিজ্যিক ব্যাংক কৃষকদের স্বল্প সুদে কৃষি ঋণ বিতরণ করেছে বলেও জানান এ কর্মকর্তা।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মে ১১, ২০২১ ১২:১০ অপরাহ্ন
ব্রি হাইব্রিড ধান জাত ৩ ও ৫ চাষে লাভবান কৃষক
কৃষি বিভাগ

ব্রি হাইব্রিড-৩ ও ৫ জাতের ধান হেক্টর প্রতি ১০ থেকে ১০ দশমিক ৫ মেট্রিক টন উৎপাদন ফলাফল প্রদর্শনীর উপর মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার(১০ মে) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত অস-বাংলা এগ্রো কর্তৃক আয়োজিত ঈশ্বরদীর মুলাডুলি ইউনিয়নের পতিরাজপুর গ্রামে এই কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

মাঠ দিবসে অস-বাংলা এগ্রো-এর সিনিয়র ব্রিডার কৃষিবিদ মোশারফ হোসেন জানান, বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের অর্থায়নে অস-বাংলা এগ্রো ঈশ্বরদীর সহযোগিতায় গত তিন বছর থেকে ঈশ্বরদীর বিভিন্ন এলাকায় ৫০ হেক্টর জমিতে ৪০০ কৃষক ব্রি হাইব্রিড ধান-জাত ৩ ও ৫ আবাদ করে লাভবান হয়েছেন। সেই কারণে প্রত্যেক বছরের ন্যায় এবারও ঈশ্বরদীতে মাঠ দিবসের মাধ্যমে এই জাতের ধান চাষ করার জন্য অত্রাঞ্চলের কৃষকদের উব্ধুদ্ধ করা হচ্ছে।

অস-বাংলা এগ্রো-এর সিনিয়র ব্রিডার কৃষিবিদ মোশারফ হোসেনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ঈশ্বরদী উপজেলা প্রেস ক্লাবের সভাপতি তৌহিদ আক্তার পান্না। বিশেষ অতিথি হিসেবে অস-বাংলা এগ্রো প্রোডাক্টশন সুপার ভাইজার হাবিবুর রহমান ও বিশিষ্ট কৃষক কবীর আহমেদ বক্তব্য রাখেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মে ১১, ২০২১ ১০:২৪ পূর্বাহ্ন
জুড়ীতে নিম্নআয়ের লোকদের জন্য ‘ফ্রি সবজি বাজার’
কৃষি বিভাগ

করোনা সংক্রমণে নিম্নআয়ের মানুষের অর্থনিতক অবস্থা নাজেহাল। তাই পবিত্র রমজান ও ঈদ উল ফিতর উপলক্ষে সরকারের পাশাপাশি হতদরিদ্রদের সহায়তায় মৌলভীবাজার জেলার জুড়ী উপজেলায় বাজার বসিয়ে হতদরিদ্র মানুষের মাঝে বিনামূল্যে সবজি ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য বিতরণ করা হয়েছে।

সোমবার (১০ মে) উপজেলার পূর্বজুড়ী ইউনিয়নের নয়াবাজার আহমদিয়া ফাজিল মাদ্রাসা মাঠে ‘আল-ইখওয়ান সমাজ কল্যাণ সংস্থার সদস্য, প্রবাসী এবং এলাকাবাসীর অর্থায়নে সুবিধা বঞ্চিত মানুষের জন্য ‘ফ্রি সবজি বাজার’ আয়োজন করা হয়েছে।

পবিত্র রমজানের শেষ মুহূর্তে, ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে এ সংকটময় মুহূর্তে দুস্থ ও অসহায়রা এখান থেকে বিনামূল্যে সবজি ও নিত্যপণ্য পেয়ে আনন্দ প্রকাশ করেছেন। এ সংগঠনের ব্যতিক্রমধর্মী উদ্যোগ ফ্রি সবজি বাজারকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অনেকে অভিনন্দন জানিয়েছেন।

সবজি নিতে আসা হতদরিদ্র বড়ধামাই গ্রামের ইসলাম উদ্দিন (৪৫) জানান, ফ্রি সবজি বাজার থেকে সবজি, ডিম ও মুরগি পেয়ে আমরা খুবই খুশি। এই মুহূর্তে এসব খাবার ফ্রিতে দেওয়ায় আমাদের অনেক উপকার হয়েছে।

নয়াবাজার আল-ইখওয়ান সমাজ কল্যাণ সংস্থার সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসাইন জানান, আমরা হতদরিদ্রদের মধ্যে ডিম, টমেটো, আলু, ঢেঁঢ়স, কাচা মরিচ, বেগুন, কুমড়া ও মুরগি ইত্যাদি বিনামূল্যে দেওয়ার ব্যবস্থা করেছি। আগামীতেও আমাদের এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।লকডাউন চলাকালীন গত বছর এবং এবছর আমাদের সংগঠনের পক্ষ থেকে চাল, ডাল, তেল সহ অনেক নিত্যপণ্য বিতরণ করেছি। এখন ঈদকে সামনে রেখে শাক-সবজি ও নিত্যপণ্য দরিদ্রদের জন্য ফ্রিতে বিতরণ করার ব্যবস্থা করেছি বলে জানান তিনি।

সংগঠনের সভাপতি আশরাফুজ্জামান রিশাদ জানান, করোনা ভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে কর্মহীন মানুষেরা খাবার সংকটে পড়েছেন। এ কারণে ফ্রি সবজির বাজার থেকে প্রায় তিন শতাধিক দরিদ্র মানুষকে ইচ্ছামতো সবজি ও নিত্যপণ্য দেওয়া হয়েছে। এতে আমাদেরকে এলাকাবাসী সহ প্রবাসীরা সহযোগিতা করেছেন।

এছাড়া এসময় উপস্থিত ছিলেন, নয়াবাজার আহমদিয়া ফাজিল মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল ও অত্র সংগঠনের উপদেষ্টা মাওলানা লিয়াকত আলী খান, সংগঠনের সহকারী পরিচালক নাসির উদ্দিন, সংগঠনের সকল নেতৃবৃন্দ।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মে ১০, ২০২১ ৮:২০ অপরাহ্ন
যশোরে এক বোঁটায় ৭ লাউ!
কৃষি বিভাগ

এক বোঁটায় ৭টি লাউ! এই যেন চাঞ্চল্যকর খবর। তবে প্রকৃতির নিয়মেই এক বোঁটাই একটি করে লাউ ধরলেও মাঝে মাঝে প্রকৃতিতেও আসে পরিবর্তন। আর ঠিক তেমনটি হয়েছে যশোরের অভয়নগর উপজেলার কোটা গ্রামে স্থানীয় কামরুল হাসানের বাড়িতে। এতো লাউ ধরার চাঞ্চল্যকর খবর পেয়ে সেই গ্রামে প্রতিদিনই ভিড় বাড়ছে উৎসুক জনতার।

এ বিষয়ে কামরুল হাসান জানান, তার রোপিত এই লাউগাছে প্রথমে এক বোটায় ১১টি লাউয়ের জালি ধরেছিল। কিন্তু পরবর্তীতে সাতটি লাউ বড় হয়েছে। বাকি লাউগুলো নষ্ট হয়ে গেছে।

তিনি আরও বলেন, এই লাউ দেখতে এলাকার লোকজন আমাদের বাড়িতে ভিড় ।

অভয়নগর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা গোলাম ছামদানী বলেন, জানান, হাইব্রিডসহ প্রায় ১২ রকম জাতের লাউ এ অঞ্চলে আবাদ হয়ে থাকে। এ রকম ঘটনা সচরাচর তেমন একটা ঘটে না। তবে জেনেটিকের কারণে একটি বোটায় একাধিক লাউ ধরতে পারে বলে তিনি জানান।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মে ১০, ২০২১ ৭:৫১ অপরাহ্ন
হবিগঞ্জ কৃষিবিদ পরিষদের উদ্যোগে অসহায়দের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ
কৃষি বিভাগ

হবিগঞ্জ কৃষিবিদ পরিষদের উদ্যোগে গরিব, দুঃস্থ ও অসহায় মানুষের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।

সোমবার(১০ মে) সকাল ১১ টায় হবিগঞ্জ হাই স্কুল এন্ড কলেজ প্রাঙ্গনে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হবিগঞ্জ-শায়েস্তাগঞ্জ-লাখাই আসনের সংসদ সদস্য এডভোকেট মো. আবু জাহির।

হবিগঞ্জ কৃষিবিদ পরিষদকে ধন্যবাদ জানিয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এডভোকেট আবু জাহির বলেন, ‘হবিগঞ্জের কৃষিবিদদের উদ্যোগে দুঃস্থ অসহায় মানুষরা আজ সহযোগিতা পাচ্ছেন। বর্তমান সরকার সুবিধাবঞ্চিত মানুষদের উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে। হবিগঞ্জের কৃষিবিদরা ঢাকা, ময়মনসিংহ, সিলেট, চট্টগ্রামে পড়াশুনা করে কৃষিবিদ হয়েছেন। বর্তমানে হবিগঞ্জে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় হওয়ায় এ অঞ্চলের মানুষের সুযোগ বাড়বে ও কৃষিখাতের উন্নয়ন হবে।

অনুষ্ঠানে মোট ৮৫ জন দুঃস্থ অসহায়দের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়।

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন হবিগঞ্জ পৌরসভার মেয়র আতাউর রহমান সেলিম, হবিগঞ্জ কৃষিবিদ পরিষদের আহবায়ক মোঃ আলাউদ্দিন ও সদস্য সচিব শেখ সাজিদুর রহমান,উপদেষ্টা সালাহউদ্দিন আহমেদ,সুমিত সরকার, যুগ্ম আহবায়ক তারেক আহমেদ চৌধুরী, মোঃ নাদিরুজ্জামান, সুদীপ কুমার দেব, সদস্য সজল চন্দ্র শীল, উপমা দেবনাথ কেয়া, ইফতেখার আহমেদ ফাগুন সহ অন্যন্য নেতৃবৃন্দ।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মে ১০, ২০২১ ৫:১৯ অপরাহ্ন
বরিশালে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি জমিতে বোরোর আবাদ
কৃষি বিভাগ

চলতি মৌসুমে কয়েক বছরের রেকর্ড ভেঙ্গে বোরো ধানের বাম্পার ফলন হওয়ায় খুশি বরিশালের কৃষকরা। ধানের ন্যায্য দাম পাওয়ায় জেলার লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি জমিতে বোরো ধান আবাদ হয়েছে এবার। জেলার ১০ উপজেলায় ৫২ হাজার ৮’শ ৮২ হেক্টর জমিতে বোরো ধানের আবাদ হয়েছে। যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক বেশি।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, চলতি বোরো মৌসুমে বরিশালের ১০ উপজেলায় ৫২ হাজার ৮’শ ৮২ হেক্টর জমিতে বোরো ধানের আবাদ হয়েছে। এর মধ্যে ২৫ হাজার ১৪২ হেক্টর জমিতে হাইব্রিড, ২৫ হাজার ১০ হেক্টর জমিতে উফসি ও দুই হাজার ৩০ হেক্টর জমিতে স্থানীয় জাতের বোরো ধান উৎপাদিত হচ্ছে। যা চলতি বোরো মৌসুমে জেলার লক্ষ্য মাত্রার চেয়ে ১৩’শ ২৫ হেক্টর বেশি জমিতে আবাদ হয়েছে। বিনামূল্যে কৃষকদের সার-বীজ ও প্রণোদনা দেওয়ায় এ অর্জন বলে মনে করেন কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগ।

সংশ্লিষ্ট সূত্র আরো জানায়, এখানকার প্রতি হেক্টর জমিতে গড়ে ৪ দশমিক ৬৬ মেট্রিক টন ধান উৎপাদন হলেও মোট উৎপাদন হয়েছে ১ লাখ ৪৭ হাজার ৯’শ ৩৪ মেট্রিক টন ধান। জেলার মধ্যে সব থেকে বেশি ফল হয়েছে আগৈলঝাড়া, গৌরনদী ও উজিরপুর উপজেলায়।
প্রান্তিক কৃষক জলিল হাওলাদার জানান, ৪০ বছর বয়সেও বোরো ধানের এত বেশি ফলন দেখিনি। এবার ধান বিক্রি করেও লাভবান হওয়া যাবে। ফলন ভালো হওয়ায় অনেক খুশি হয়েছি।

কৃষক খলিল জমাদ্দার জানান, ধান-চালের ন্যায্য দাম পেলে আগামীতেও বোরো ধান চাষ করবো। আর এ বছর বৃষ্টি না হওয়ায় ভালো ভাবেই ধান কেটে শুকিয়ে মজুদ করতে পেরেছি।

এ প্রসঙ্গে জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ মো. তাওফিকুল আলম জানান, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে মাঠ পর্যায়ে কৃষকদের মাঝে সময় মতো সব ধরনের সহায়তা দেয়া হয়েছে। কৃষকরা গত বছর ধানের ন্যায্যমূল্য পেয়েছে। বিনামূল্যে কৃষকদের সার-বীজ ও প্রণোদনা দেওয়ায় কৃষকদের মাঝে বোরো ধান চাষে আগ্রহ বেড়েছে। এতে জেলায় বোরোর কাঙ্খিত লক্ষ্য মাত্রার চেয়েও বেশি জমিতে আবাদ হয়েছে। যা দেশের কৃষি জিডিভিতে প্রভাব ফেলবে বলেও জানান তিনি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মে ১০, ২০২১ ৪:০৪ অপরাহ্ন
চেরাগি পাহাড়ে নিম্নআয়ের লোকদের জন্য ফ্রি সবজি বাজার
কৃষি বিভাগ

চেরাগি পাহাড় মোড়ে নিম্নআয়ের শ্রমজীবী মানুষকে আলু, টমেটো, বেগুন, লাউ, শাক, ঢেঁড়সসহ রকমারি সবজি বিনামূল্যে বিতরণ করা হয়েছে।

রোববার (৯ মে) কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি নির্মল রঞ্জন গুহ ও সাধারণ সম্পাদক আফজালুর রহমানের নির্দেশে চট্টগ্রাম নগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট এএইচএম জিয়াউদ্দীন, যুগ্ম আহ্বায়ক কেবিএম শাহজাহান ও সালাউদ্দীন আহমেদের পরামর্শে এ সবজি বাজারের উদ্যোগ নেন নগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটি ২০২১ এর আপ্যায়ন উপ পরিষদের আহ্বায়ক মো. হেলাল উদ্দীন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন চসিক কাউন্সিলর শৈবাল দাশ সুমন, নগর স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা ওসমান গণি মানিক, হায়দার আলী, আব্দুল্লাহ আল মামুন, মো. মকসুদ আলী, আসিবুল আলম, সাইফুল ইসলাম মামুন, আরিফ মঈনুদ্দীন, মো. নাসির, সুজয়মান বড়ুয়া জিতু, নগর ছাত্রলীগের উপ ছাত্রবৃত্তি বিষয়ক সম্পাদক এসএম হুমায়ুন কবির আজাদ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা ইসমাইল হোসেন শুভ, মহিউদ্দীন রিসাত, মো. নাজিম, রাহুল দত্ত, নগর ছাত্রলীগ নেতা আব্দুল ওয়াজেদ, আব্দুল্লাহ আল মঈন, মুবিনুল হক, হাসান রেজা কায়েস, জয় মহাজন, আব্দুল ওয়াজেদ রিফাত, মনিরুল মোস্তফা, মোন্তাকিম রহমান চৌধুরী, জাহেদুল আলম শাকিল প্রমুখ।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মে ৯, ২০২১ ৭:২৫ অপরাহ্ন
পীরগঞ্জের ১৩ সহস্রাধিক কৃষক পেয়েছেন পুনর্বাসন ও প্রণোদনা
কৃষি বিভাগ

২০২০-২০২১ অর্থবছরে রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার ১৩ হাজার ৪শ’৩০জন কৃষক বিনামূল্যে সার ও বীজ পেয়ে উপকৃত হয়েছে। কৃষি সম্প্রাসারণ অধিদপ্তরের মাধ্যমে উপজেলা কৃষি অফিস থেকে পুনর্বাসন ও প্রণোদনা কার্যক্রমে ওই সংখ্যক কৃষককে সার ও বীজ দেয়া হয়।

পীরগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ সাদেকুজ্জামান সরকার জানান, কৃষি বান্ধব সরকারের প্রণোদনা ও পুনর্বাসন কার্যক্রমের বরাদ্দ বীজ ও সার উপজেলার ১৫টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভার ১৩ হাজার ৪শ’৩০জন কৃষকের মাঝে বিতরণ করা হয়। এর মধ্য প্রণোদনা কার্যক্রমে ৮ হাজার ১শ’১০জন কৃষককে বোরো হাইব্রিড ধান, চিনা বাদাম, পেঁয়াজ, সূর্যমূখী, ভুট্টা, আউশের বীজ ও চিনা বাদাম, পেঁয়াজ, ভুট্টা চাষিদের বীজের পাশাপাশি সার দেয়া হয়েছে।

এছাড়াও পুনর্বাসন কার্যক্রমে ৫হাজার ৩শ’৬০ জন কৃষককে গম, সরিষা, মসুর, টমেটো, মরিচ, খেসারি বীজ ও সরিষা, টমোটো, মরিচ চাষিদের বীজের পাশাপাশি সার দেয়া হয়েছে। বরাদ্দ অনুযায়ী প্রণোদনা কার্যক্রমে ৫ হাজার ৮শ’ কৃষককে বিঘা প্রতি ২কেজি করে হাইব্রিড ধান, ২০জন কৃষককে বিঘা প্রতি ৭কেজি করে চিনা বাদাম ও সার, ৬০ জন কৃষককে বিঘা প্রতি ২৫০ গ্রাম করে পেঁয়াজের বীজ ও সার, ১শ’৯০জন কৃষককে বিঘা প্রতি কেজি করে সুর্যমুখী, ৮শ’কৃষককে বিঘা প্রতি ২ কেজি করে ভুট্টার বীজ ও সার, ১ হাজার ২শ’কৃষককে কেজি করে আউশ ধানের বীজ ও সার দেয়া হয়েছে।

পুনর্বাসন কার্যক্রমে ১ হাজার ৩০জন কৃষককে বিঘা প্রতি ১৫ কেজি করে গম, ১ হাজার ৩০জন কৃষককে বিঘা প্রতি ১কেজি করে সরিষা বীজ ও সার, ৬শ’২০জন কৃষককে বিঘা প্রতি ৮কেজি মসুর ডাল, ১ হাজার ৩০জন কৃষককে বিঘা প্রতি ৫০গ্রাম করে টমেটো বীজ ও সার, ১ হাজার ৫০জন কৃষককে বিঘা প্রতি ৩০০ গ্রাম মরিচের বীজ ও সার, ৬শ’কৃষককে বিঘা প্রতি ৬কেজি করে খেসারি ডাল বীজ দেয়া হয়েছে।

বড়দরগাহ ইউনিয়নের জীবানন্দপুর ও হাজীপুর গ্রামের কৃষক নয়ন চন্দ্র বর্মন, মধু চন্দ্র বর্মন, আব্দুল কাফি মিয়া, জামাল উদ্দিন জানান, বিনামূল্যে বীজ ও সার পেয়ে আমরা উপকৃত। পাশাপাশি নিয়মিত কৃষি অফিসের মাঠ কর্মীরা ক্ষেত পরিদর্শন করেছেন।

পেঁয়াজ চাষি মিঠিপুর ইউনিয়নের একবারপুর পুর্বপাড়ার মুসা মিয়া ও মিঠিপুরের আব্দুর রউফ, রামনাথপুর ইউনিয়নের বড় করিমপুরের আব্দুস সালাম জানান, কৃষি অফিস থেকে বিনামূল্যে পেঁয়াজের বীজ পেয়ে লাভবান হয়েছি।

শানেরহাট ইউনিয়নের ধল্লাকান্দির আতিকুর রহমান, পালানুসাহাপুরের আলতাব, দামোদরপুরের রহিমা বেগম, রায়পুর ইউনিয়নের কাঞ্চনগাড়ী গ্রামের শফিকুল ইসলাম ও ফারুক মিয়া, মদনখালি ইউনিয়নের জাফরপাড়া গ্রামের রুহুল আমিন ও মন্টু মিয়া জানান, নিজেরা সর্বনিম্ন ২৫শতক থেকে সর্বোচ্চ ১ বিঘা জমিতে সূর্যমুখী ফসল চাষ করেছি। স্বল্প সময়ে এ ফসল গড়ে উঠেছে, মুনাফার সম্ভাবনা দেখছি আমরা।-বাসস

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মে ৯, ২০২১ ১২:১৭ অপরাহ্ন
দু‘হাজার হেক্টর জমিতে মেহেরপুরে কচু চাষ
কৃষি বিভাগ

অনুকূল আবহাওয়া এবং সঠিক যত্নের কারণে এবার মেহেরপুর জেলায় প্রায় দুই হাজার হেক্টর জমিতে চাষ হয়েছে কচু। মেহেরপুরের কচুর চাহিদা রয়েছে দেশের বিভিন্ন জেলায়। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগে মনে করেন এবার এই জেলার চাাষিরা কচু চাষে ভালো দাম পাবেন এবং এতে করে তারা লাভবানও হবেন। ধান চাষে কৃষকরা ক্ষতিগ্রস্ত হলেও ভালো ফলন ও দাম পাওয়ায় এবার মেহেরপুরের কচু চাষিরা খুশি।

অন্যান্য বছরের চেয়ে জেলায় এবার আউশ কচুর আবাদে লাভবান হচ্ছেন চাষিরা। বাজারমূল্যও ভালো। বিঘা প্রতি ১৪/১৫ হাজার টাকা খরচ করে ৪০/৪৫ হাজার টাকা ঘরে তুলেছেন চাষিরা। জেলার কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের হিসেবে এবার জেলায় আউশ কচুর আবাদ হয়েছে এক হাজার ৩৯৫ হেক্টর জমিতে।

সদর উপজেলার ঝাউবাড়িয়া গ্রামের কয়েকজন কচু চাষি জানান, এবছর সাত বিঘা জমিতে আউশ কচুর চাষ করেছি আমরা। ফলনও ভালো হয়েছে। বাজারে এর চাহিদা ও দাম দুটোই ভালো পাওয়া যাচ্ছে। এতে করে ধান চাষের ক্ষতি পুষিয়ে উঠতে পারবো।

জেলা সদরের কাঁচা বাজারের সবজি ব্যবসায়ী আবদুর রাজ্জাক জানান- মেহেরপুর জেলার কচু সুস্বাদু হওয়ায় চাহিদা বেশি। বিশেষ করে ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট ও খুলনার বাজারে এর চাহিদা যথেষ্ট। মেহেরপুরের কচু নামেই কচু বিক্রি হয়। ফলে ব্যবসায়ীরাও চাষিদের জমি থেকে কচু কিনে দেশের বিভিন্ন বাজারে বিক্রি করে লাভবান হচ্ছে।

মেহেরপুর জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক স্বপন কুমার খাঁ জানান- সবজি উদ্বৃত্ত জেলা মেহেরপুরে প্রতি বছরই চাষিরা আউশ জাতের কচুর চাষ করে থাকেন। কৃষকরা ধান চাষে কিছুটা ক্ষতিগ্রস্ত হলেও কচু চাষ করে লাভবান হচ্ছেন। চাষিদের ভালো বীজের চাষ ও সঠিকভাবে পরিচর্যা করার জন্য কৃষকদের উৎসাহিত করাসহ মাঠ পর্যায়ে চাষিদের বিভিন্ন পরামর্শও দেয়া হয় বলে জানান তিনি।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop