৪:৫৬ অপরাহ্ন

রবিবার, ২৬ এপ্রিল , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : নভেম্বর ১৯, ২০২২ ৮:৫১ পূর্বাহ্ন
লক্ষ্যমাত্রা ছাড়াবে আমন
কৃষি বিভাগ

বাংলাদেশে এ বছর দেশের দ্বিতীয় প্রধান ধানের জাত আমনের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা অতিক্রম করতে চলেছে উল্লেখ করে কর্মকর্তারা বলছেন যে দেশের প্রধান শস্যের ফলন প্রত্যাশার চেয়ে প্রায় ২০ শতাংশ বেশি হতে পারে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর (ডিএই)’র একজন মুখপাত্র গণমাধ্যমকে জানান, ‘আমরা আশা করছি এ বছর আমন উৎপাদন প্রাক্কলিত উৎপাদনের তুলনায় ১৫ থেকে ২০ শতাংশ বেশি হবে।’ ডিএই’র ফিল্ড সার্ভিস উইয়ের অতিরিক্ত পরিচালক মোহাম্মদ আবদুহু বলেন, আমনের প্রাক্কলিত ফলন ১৬৩ মিলিয়ন টনের বিপরীতে এখন ১৭০ মিলিয়ন টনের বেশি হতে পারে।

সারা দেশে ৫৯ লাখ হেক্টর জমিতে এই প্রধান ফসল কাটার কাজ চলছে এমন সময় তার এ মন্তব্য এসেছে। এদিকে কৃষকরা আগামী ৪৫ দিনের মধ্যে ফসল তোলার কাজ সম্পন্ন হবে বলে আশা করছেন।

ডিএই কর্মকর্তারা আভাস দেন যে এ পর্যন্ত ১৮ শতাংশ শস্য সংগ্রহ করা হয়েছে। আমন ফসল মোট ধান উৎপাদনের ৩৮ শতাংশ এবং এর অবস্থান বোরোর পরে, দ্বিতীয়।

আবদুহু এবং ডিএই-তে তার সহকর্মীদের মতে, ঘূর্ণিঝড় আমন উৎপাদনে প্রভাব ফেলতে পারে এমন আশঙ্কার বিপরীতে শরৎকালের শেষের দিকে যথেষ্ট বৃষ্টিপাত ফলন বৃদ্ধিতে ভূমিকা রেখেছে। তিনি বলেন, গত দুই বছরের তুলনায় হেক্টর প্রতি উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা বেশি ছিল। ‘কিন্তু শেষ পর্যন্ত উৎপাদন বর্ধিত লক্ষ্যমাত্রাকেও ছাড়িয়ে গেছে বলে মনে হচ্ছে।’

ডিএ’র সাবেক মহাপরিচালক আব্দুল মুয়ীদ বলেন, তারা গত মাসগুলোতে একটি খরার মতো পরিস্থিতির কারণে আমন উৎপাদন সম্পর্কে উদ্বিগ্ন ছিলেন, যা একটি ছত্রাক সংক্রমণের কারণ হতে পারে। তবে বৃষ্টি শেষ পর্যন্ত এ জাতীয় পরিস্থিতি রোধ করে। তিনি বলেন, ‘এটি (ঘূর্ণিঝড় সিত্রাং) বরং আশীর্বাদ হিসাবে উপস্থিত হয়েছে।’

সরকারী পরিসংখ্যানে দেখা যায়, এ বছর সামগ্রিক আমন এলাকার কভারেজ ছিল ৫৯.০৬ লাখ হেক্টরের বেশি, যেখানে গত দুই বছরে তা যথাক্রমে ৫৭.২০ লাখ এবং ৫৬.২৫ লাখ হেক্টরের বেশি ছিল না।

এফএও’র রিপোর্ট অনুযায়ী ২০২০ সালে ৩৭.৪ মিলিয়ন টন এবং ২০২১ সালে ৩৭.৮ মিলিয়ন টন ধান উৎপাদনের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে বাংলাদেশ তৃতীয় স্থানে ছিল।

 

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ১৮, ২০২২ ৯:১৬ পূর্বাহ্ন
কৃষি-প্রাণিসম্পদ খাতের জন্য ৫ হাজার কোটি টাকার পুনঃঅর্থায়ন স্কিম গঠন
কৃষি বিভাগ

দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতে কৃষি ও প্রাণিসম্পদ খাতের জন্য ৫ হাজার কোটি টাকার পুনঃঅর্থায়ন স্কিম গঠন করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। জামানতবিহীন সর্বোচ্চ ২ লাখ টাকা ঋণ ৪ শতাংশ সুদে দেয়া হবে। ব্যাংকগুলো ২০২৪ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত এ ঋণ বিতরণ করবে।

এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

এতে বলা হয়েছে, দেশের খাদ্য নিরপত্তা নিশ্চিতে কৃষি উৎপাদন বাড়ানোর জন্য কৃষি খাতে বাংলাদেশ ব্যাংক ৫ হাজার কোটি টাকার একটি পুনঃঅর্থায়ন স্কিম গঠন করেছে। এ স্কিমের আওতায় ধান চাষ, মৎস্য চাষ, কৃষি ও পল্লি ঋণ নীতিমালা ও কর্মসূচিতে শাক-সবজি, ফল ও ফুল চাষ, প্রাণিসম্পদ খাতের আওতায় পোল্ট্রি ও দুগ্ধ উৎপাতন খাতে কৃষক পর্যায়ে ৪ শতাংশ সুদহারে ঋণ বিতরণ করা হবে।

এছাড়া ব্যাংকগুলো শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ হার সুদে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে পুনঃঅর্থায়ন ঋণ পাবে। ব্যাংকগুলো নিজস্ব নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কৃষক বা গ্রাহক পর্যায়ে ঋণ বিতরণ করবে। ক্ষুদ্র, প্রান্তিক ও বর্গাচাষিদের অনুকূলে শস্য ও ফসল (ধান, শাক-সবজি, ফল ও ফুল) চাষের জন্য শুধুমাত্র দায়বন্ধনের বিপরীতে জামানতবিহীন সর্বোচ্চ ২ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ বিতরণ করা হবে।

স্কিমে অংশ নেয়া ব্যাংকগুলো ২০২৪ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত ঋণ বিতরণ করবে।

এ কর্মসূচির ফলে কৃষি ও প্রাণিসম্পদ খাতে উৎপাদন বাড়বে বলে মনে করছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ১৪, ২০২২ ১০:১২ পূর্বাহ্ন
আগাম জাতের সবজি চাষে মুখে হাসি জয়পুরহাটের কৃষকদের
কৃষি বিভাগ

আগাম জাতের সবজি চাষ অধিক লাভজনক হওয়ায় জেলায় বর্তমানে আগাম জাতের বিভিন্ন সবজি চাষে ঝুঁকে পড়েছেন কৃষকরা। ফলে আগাম জাতের সবজি চাষও দিন-দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্র জানায়, জেলায় চলতি ২০২২-২৩ রবি মৌসুমে আগাম জাতের বিভিন্ন সবজির চাষ হয়েছে ২ হাজার ১৪২ হেক্টর জমিতে। আগাম জাতের সবজি চাষ অধিক লাভজনক হওয়ার কারনে কৃষকরা এ সবজি চাষে দিন দিন আগ্রহী হয়ে উঠছেন বলে কৃষকদের কথা বলে জানা যায়।

জেলার পাঁচ উপজেলায় এবার আগাম জাতের সবজি চাষ করা উল্লেখযোগ্য সবজিগুলোর মধ্যে রয়েছে- বেগুন ৩২০ হেক্টর, মুলা ১০৫ হেক্টর, সিম ৩৬০ হেক্টর, ফুলকপি ৬৮ হেক্টর, বাধাকপি ৬৫ হেক্টর, টমেটো ৩২ হেক্টর, বরবটি ৪৬ হেক্টর, লাল শাক ১১৭ হেক্টর, পালং ৪৮ হেক্টর, পুঁইশাক ২৪ হেক্টর, করলা ১০৫ হেক্টর, শসা ১৬০ হেক্টর, লাউ ৯১ হেক্টর, মিষ্টি কুমড়া ১০৫ হেক্টর, পটল ২০০ হেক্টরসহ অন্যান্য সবজি রয়েছে। এ ছাড়া আগাম জাতের আলুও রয়েছে ৩০০ হেক্টর জমিতে।

কৃষকরা জানান, আগাম জাতের সবজি বাজারে আশার পরে প্রথম দিকে দাম একটু চড়া থাকলেও পরবর্তিতে বাজারে আমদানী বেশি হওয়ায় দাম কমতে থাকে। সদর উপজেলার ভানাই কুশলিয়া গ্রামের আজিজার রহমান ও মোসলেম উদ্দিন বলেন এবার ৩০ শতাংশ জমিতে আগাম জাতের বেগুন চাষ করে ৪০ হাজার টাকা লাভ হয়েছে। সে কারনে এবারও বেগুন চাষ করেছেন অধিক লাভের আশায়। একই এলাকার ছানোয়ার হোসেন এবার সাড়ে তিন বিঘা জমিতে আগাম জাতের আলু চাষ করেছেন বলে জানান। পারুলিয়া গ্রামের সবজি চাষি এরশাদ, ইউনুস আলী, এন্তাজুল জানান, গতবছর কপিতে অধিক লাভ হওয়ায় এবার সাড়ে তিন বিঘা জমিতে আগাম জাতের কপি চাষ করেছেন। বর্তমান জয়পুরহাটের হাট-বাজারগুলোতে আগাম জাতের বেগুন প্রকার ভেদে ৩৩ থেকে ৪০ টাকা কেজি, মূলা ৩০ থেকে ৩৫ টাকা, কপি ৫০ থেকে ৬০ টাকা, করলা ৪০ থেকে ৪৫ টাকা, পটল ৩০ থেকে ৪০ টাকা, সীম ৭০ থেকে ৮০ টাকা কেজি এবং বিভিন্ন ধরনের শাকসবজি ৪০ থেকে ৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ মো. শফিকুল ইসলাম জানান, আগাম জাতের সবজি চাষ করে কৃষকরা অধিকহারে লাভবান হওয়ায় জেলায় আগাম জাতের সবজি চাষ দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। দাম ভাল পাওয়ার জন্য বাজারে প্রথম পর্যায়ে সবজি নিয়ে আসার ক্ষেত্রে কৃষকদের মধ্যে প্রতিযোগিতা লক্ষ্য করা যায় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ১৪, ২০২২ ১০:০০ পূর্বাহ্ন
পাহাড়ে হানিকুইন আনারসের আগাম ফলনে কৃষকের ভাগ্য বদল
কৃষি বিভাগ

রাঙ্গামাটি জেলার নানিয়ারচরের বিভিন্ন পাহাড়ি এলাকায় হানিকুইন জাতের আনারসের আগাম ফলনে কৃষকের মুখে হাসি ফুটেছে। এবার হানিকুইন জাতের আনারসের ফলন ভালো হওয়াতে ও আগাম ফলনে অনেকটা লাভবান হবে বলে আশা এখানকার কৃষকদের।

জ্যৈষ্ঠ মাস আনারসের মাস হলেও বর্তমানে জেলার নানিয়ারচরে কৃষি বিভাগের পরামর্শমতে বিশেষ পদ্ধতিতে হরমোন ব্যবহারের মাধ্যমে প্রতি বছরই উৎপাদিত হচ্ছে উচ্চ ফলনশীল আগাম আনারস হানিকুইন। দেশের সব জায়গাতে এ হানিকুইন জাতের এ আনারসের ফলন পাওয়া যায় না।

রাঙ্গামাটি জেলার ১০টি উপজেলার মধ্যে আনারসের জন্য সবচেয়ে বিখ্যাত নানিয়ারচর উপজেলা। নানিয়ারচর উপজেলার মধ্যে বেশীরভাগ মানুষই তাদের পরিত্যক্ত বাগানগুলোতে আনারসের চাষ করে থাকেন। আনারসের চাষ করে এখানে স্বাবলম্বী হচ্ছেন নানিয়ারচর এলাকার মানুষ।

উপজেলার বুড়িঘাটের আনারস মো: আনোয়ার হোসেন ও ধনকুলো চাকমা জানান, আনারস চাষে অভিজ্ঞতা না থাকলে আনারস চাষ করা সম্ভব নয়।

আনারসের চারা তুলে তা প্রস্তুত রেখে প্রায় ১ মাসের চেয়ে বেশি সময় লেগে যায় জমি ঠিকঠাক করে আনারস চাষের উপযোগী করে তুলতে। তারপরে সারি সারি করে পাহাড়ের বুকে লাইন ধরে রোপণ করতে হয়। চারা রোপণের পর আনারস বাগানের সেবাযতœ,পরিচর্ষা ও আগাম ফলনের জন্য কৃষি বিভাগের সাথে পরামর্শ করে হরমোন ব্যবহার করতে হয়। তাতেই হানিকুইন জাতের আনারসের আগাম ভালো ফলন পাওয়া যায়। তবে স্বাভাবিকভাবে বাগানে আনারস আসতে আরেকটু সময় বেশী লাগে বলে জানান কৃষক। বর্তমানে পাহাড়ে উৎপাদিত হাইব্রিড আনারস বছরে ২ বার ফলন আসে তাতে শীত মৌসুমের আগেই আনারস বাজারে দেখা যায়।

বর্তমানে নানিয়ারচরের পরিত্যক্ত পাহাড়ে পাহাড়ে প্রচুর পরিমাণে আনারসের চাষ হচ্ছে। পাহাড়ের এসব সুস্বাদু আনারস স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে দেশের বিভিন্ন জেলাতেও নিয়ে যাচ্ছে পাইকার ব্যবসায়ীরা।

কৃষকরা জানিয়েছেন বর্তমানে এক-একটি আনারস উৎপাদনে তাদের প্রায় ৫-৭ টাকা খরচ হয় এবং প্রতিটি আনারস সাইজ অনুসারে ১০-১৫ টাকা শুরু করে বড় আনারস প্রতিটি ২০-২৫ টাকা দামেও বিক্রি হয়।

রাঙ্গামাটি জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক তপন কুমার পাল জানিয়েছেন, এবার নানিয়ারচর উপজেলায় ১২১০ হেক্টর জমিতে আগাম ফলনশীল আনারস হানিকুইনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। লক্ষ্যমাত্রার অধিক ফলন হবে বলে আশা কৃষি বিভাগের। উপজেলার ইসলামপুর, বুড়িঘাট, সাবেকক্ষন, ঘিলাছড়ির প্রায় জমিতে আনারসের আবাদ করা হয়েছে এবং উপজেলার বিভিন্ন পাহাড়ি এলাকায় হানিকুইন জাতের আনারসের আগাম ফলন ভালো হয়েছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ১৩, ২০২২ ৩:৫৯ অপরাহ্ন
বরিশালে কৃষি উদ্যোক্তা উন্নয়ন ও প্রক্রিয়াজাতকরণ বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত
কৃষি বিভাগ

নাহিদ বিন রফিক (বরিশাল): বরিশালে কৃষি উদ্যোক্তা উন্নয়ন ও প্রক্রিয়াজাতকরণ বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রবিবার(১৩ নভেম্বর) নগরীর কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের হলরুমে এই প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়।

এ উপলক্ষ্যে এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন বরিশালের কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের উপপরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) এস এম মাহবুব আলম।

বরিশালের সিনিয়র কৃষি বিপণন কর্মকর্তা মো. রাসেল খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন খুলনার কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের সহকারি পরিচালক মো. নুর হাসান এবং কৃষি তথ্য সার্ভিসের কর্মকর্তা নাহিদ বিন রফিক।

অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন কৃষি উদ্যোক্তা মো. আবদুল হামিদ, কৃষক মো. মেহেদী হাসান, কিষাণী মোসাম্মৎ শারমিন আরা প্রমুখ।

প্রশিক্ষণার্থীদের উদ্দেশ্যে প্রধান অতিথি বলেন, কৃষিউৎপাদন বৃদ্ধি এবং চাষাবাদকে আরো লাভজনক করতে কৃষকদের দক্ষতা বাড়ানো চাই। এছাড়াও পণ্যকে প্রক্রিয়াজাতকরণ করার জন্য তাদের উন্নত ধারণা থাকা দরকার। আর তা প্রয়োগের মাধ্যমেই পণ্যকে গুণগত করা যাবে। এতে ভোক্তাদের আগ্রহ বাড়বে। ফলে এর প্রভাব পড়বে হাট-বাজারে। সেই সাথে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে রাখবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা।

খুলনার কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের আঞ্চলিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র আয়োজিত এই প্রশিক্ষণে কৃষি উদ্যোক্তা, কৃষক ও ব্যবসায়ীসহ ৩০ জন অংশগ্রহণ করেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ১১, ২০২২ ৭:৫৮ অপরাহ্ন
সারে ভুগছেন আলু চাষিরা!
কৃষি বিভাগ

রাজশাহীতে অতিরিক্ত দাম দিয়ে পটাশ সার কিনতে হচ্ছে চাষিদের। ৭৫০ টাকা মূল্যের এক বস্তা পটাশ সার খুচরা ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে কিনতে হচ্ছে এক হাজার ১৫০ থেকে এক হাজার ২০০ টাকায়। তার পরেও চাহিদা মতো সার পাচ্ছেন না কৃষকরা।

ফলে এবার আলু চাষ ব্যাহত হওয়ার শঙ্কা দেখা দিয়েছে। আবার সার পেলেও অতিরিক্ত টাকা ব্যয় হওয়ায় আলু চাষ করে কৃষকরা কতটুকু লাভবান হবেন—তা নিয়েও তাঁদের কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে।

রাজশাহী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রমতে, এ বছর রাজশাহীতে আলু চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৩৭ হাজার ১৮০ হেক্টর জমিতে, যা গত বছর ছিল ৩৮ হাজার ৫৪৩ হেক্টর। ফলে গত বছরের তুলনায় এবার এক হাজার ৩৬৩ হেক্টর জমিতে আলু চাষ কম হবে বলে ধরে নেওয়া হচ্ছে। সপ্তাহখানেক আগ থেকে আলু চাষ শুরু হয়েছে। এরই মধ্যে রাজশাহীতে ১৮৫ হেক্টর জমিতে আলু চাষ হয়েছে। চলতি নভেম্বর মাসজুড়েই আলু চাষের তোড়জোড় চলবে।

সেই হিসেবে হাতে যে কয়েক দিন সময় আছে, তাতেই লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয়ে যাবে বলেও আশা করছেন কৃষি কর্মকর্তারা।

সারা দেশের মধ্যে আলু চাষে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে রাজশাহীর তানোর। এ উপজেলার আমশো গ্রামের কৃষক তুষার আহমেদ বলেন, ‘এ বছর আমি পাঁচ বিঘা জমিতে আলু চাষ করব। এরই মধ্যে জমি প্রায় ঠিকঠাক করেছি। কিন্তু পটাশ সার ঠিকমতো পাওয়া যাচ্ছে না।আলু চাষের জন্য পটাশই বেশি লাগে। সম্প্রতি এক হাজার ২০০ টাকা দরে পাঁচ বস্তা সার কিনেছি।’

তানোর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সাইফুল্লাহ আহমেদ বলেন, ‘সারের কিছুটা সংকট আছে।’

রাজশাহী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য কর্মকর্তা উম্মে সালমা জানান, ‘সারের কোনো সংকট নেই।’

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ১১, ২০২২ ৬:৩৬ অপরাহ্ন
যুবকদের গ্রামে গিয়ে অনাবাদী জমিতে চাষ করতে বললেন প্রধানমন্ত্রী
কৃষি বিভাগ

দেশের কোথাও যেন এক ইঞ্চি জমিও অনাবাদি না থাকে, সেজন্য নিজ গ্রামে গিয়ে যুবদের অনাবাদি জমি কাজে লাগানোর আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা।

তিনি বলেন, তরুণ্যের শক্তি বাংলাদেশের সমৃদ্ধি। আজকের যুবকদের দেশ গড়ার কাজে মনোযোগী হতে হবে। যেহেতু ইউক্রেন যুদ্ধ, স্যাংশন (নিষেধাজ্ঞা) পাল্টা স্যাংশন। আমাদের আমদানি কঠিন হয়ে পড়েছে। তাই আত্মনির্ভরশীল হতে হবে। যুবদের বলবো, এক ইঞ্চি জমিও যেন অনাবাদি না থাকে। নিজের গ্রামে গিয়ে প্রতিটি জমিকে কাজে লাগাতে হবে। চাষ করতে হবে, যেটাই হোক।

শুক্রবার (১১ নভেম্বর) যুবলীগের সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আয়োজিত যুব মহাসমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।

এসময় যুবলীগের নেতাকর্মীদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে কোনোদিন যাতে দুর্ভিক্ষ না হয়, সেজন্য সব জমিতে চাষ নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ ও দুর্নীতি থেকে বিরত থাকতে হবে। অন্যদেরও বিরত রাখতে কাজ করতে হবে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা কেউ দাবায়ে রাখতে পারবে না। আজকের যুব সমাজকে জাতির পিতার পদাঙ্ক অনুসরণ করে উন্নত-সমৃদ্ধ দেশ গড়ার কাজ করতে হবে।

আওয়ামী লীগ যুবদের কর্মসংস্থান দিয়েছে, বিএনপি হত্যা করেছে দাবি করে শেখ হাসিনা বলেন, অনেকে নাকি আমাদের উন্নয়ন চোখে দেখে না। চোখ থাকতে অন্ধ হলে দেখবে কি করে? আমরা কত যুবকের কর্মসংস্থান তৈরি করেছি। আর জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়া? সবই তো একই ইতিহাস। হাজার হাজার যুব নেতাদের হত্যা করেছেন।

তিনি বলেন, যুবলীগ আমাদের প্রতিটি আন্দোলন সংগ্রামে অবস্থান আছে (অংশ নিয়েছে)। যুবক থাকলে কাজ করার অনেক সুবিধা। উন্নত-সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনে যুবদের সম্পৃক্ত করতে যুবলীগ গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। তরুণরাই পারে দেশকে গড়ে তুলতে।

মহাসমাবেশে সভাপতিত্ব করেন যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ। এতে আরও বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, উপদষ্টা পরিষদের সদস্য আমির হোসেন আমু, প্রেসিডিয়াম সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম ও জাহাঙ্গীর কবির নানক। সঞ্চালনা করেন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ১১, ২০২২ ২:৪৩ অপরাহ্ন
অনাবৃষ্টিতে সাতক্ষীরার আমনে ধ্বস
কৃষি বিভাগ

সময় মতো বৃষ্টি না হওয়ায় শুকিয়ে গেছে সাতক্ষীরা সদরসহ বিভিন্ন উপজেলার আমন ধানের ক্ষেত। বেঁশো পোকা ও মাজরা পোকার আক্রমণে ব্যাহত হয়েছে ফলন।

সাতক্ষীরা খামারবাড়ি সূত্রে জানা গেছে, এবার জেলায় ৮৯ হাজার ৯১০ হেক্টর জমিতে আমন চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হলেও আবাদ হয়েছে ৮৮ হাজার ৫২৫ হেক্টর জমিতে। প্রতি হেক্টরে হাইব্রিড ধান তিন মেট্রিক টন, উফসি ২.৭০ মেট্রিক টন ও স্থানীয় এক দশমিক ৬৫ মেট্রিক টন উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

জানা যায়, সাতক্ষীরা সদরের কাশেমপুর, শিবপুর, জগন্নাথপুর, নেবাখালি, পায়রাডাঙা, যোগরাজপুর, দেবনগর, ছাতিয়ানতলা, মুকুন্দপুর, মাঠপাড়া, শাল্যে, মাছখোলাসহ বিভিন্ন অঞ্চলে ঘুরে দেখা গেছে বৈশাখ মাসের শেষের দিক থেকে বৃষ্টি না হওয়ায় কৃষকরা অধিকাংশ বিলে শ্যালো মেশিনের পানি দিয়ে আমন ধানের বীজতলা তৈরি করেছেন। পরবর্তীতে দেরিতে স্বল্প মাত্রার বৃষ্টি হলেও তা ধান চাষের জন্য উপযোগী ছিল না। ফলে অনেকেই শ্যালো মেশিনের পানি দিয়ে বেশি বয়সের ধানের চারা লাগিয়েছেন। বৃষ্টি না হওয়ায় বা কম বৃষ্টির কারণে ধান গাছ বাড়েনি। কোথাও কোথাও ধান গাছের উচ্চতা এক ফুটেরও কম। শীষে ধান নেই।

আবার যেসব ধান গাছ বড় হয়েছে সেসব ধানের শীষ চিটায় ভর্তি। আবার চিটাতে বা ধানে কালো রং এর মাজরা বা বেঁশো পোকার আক্রমণের দাগ। ধান না হওয়ায় ও গাছের বৃদ্ধি না হওয়ায় কাটা খরচ বাঁচাতে খেতে গরু ও ছাগল লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে। অনেকেই ধান গাছ কেটে বস্তায় ভরে বাড়িতে গরু ছাগলের খাওয়ানোর জন্য নিয়ে যাচ্ছেন। অনেকে ধান গাছ তড়িঘড়ি করে কেটে সরিষা চাষের জন্য জমি প্রস্তুত করছেন। গত বছর যে সব জায়গায় জলাবদ্ধতা ছিল না সেসব জায়গায় বিঘা প্রতি ১৪ থেকে ১৫ বস্তা ধান হয়েছে। এবার সেইসব জায়গায় ধান হবে দুই থেকে তিন বস্তা করে। শ্যালো মেশিনের পানির বিল, সার ও কীটনাশকের দোকানের বকেয়া পরিশোধ করতে পারবেন না কৃষকরা। এমনকি সরকারি প্রণোদনা না পেলে আগামী বছরে কৃষকরা আমন চাষে আগ্রহ হারিয়ে ফেলবেন।

একই এলাকার কৃষক মুনসুর আলী ও আজগার আলী জানান, বৃষ্টি না হওয়ায় তারা কৃষি বিভাগের শরনাপন্ন হয়েছেন। কোন সদুত্তর মেলেনি। বাধ্য হয়ে শ্যালো মেশিনের পানি দিয়ে চাষ করেছেন। বেশি টাকা দিয়ে সার ও কীটনাশক কিনতে হয়েছে। এরপরও তাদের ১৪ বিঘা জমির মধ্যে আট বিঘা জমিতে একেবারেই ধান নেই। প্রায় শুকনা ধান গাছ কেটে বস্তায় ভরে গরু ছাগলের জন্য বাড়িতে নিয়ে যাচ্ছেন। শ্যালো মেশিনের বকেয়া পানির বিল, সার ও কীটনাশকের বকেয়া বিল পরিশোধ করবেন কি করে তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন।

জানতে চাইলে শিবপুর ইউপি চেয়ারম্যান আবুল কালাম জানান, তার ইউনিয়নের প্রায় দুই হাজার একর আমন ধানের চাষ করা হয়েছে। বৃষ্টি না হওয়ায় ও লবণাক্ততার কারণে ৫ থেকে ৬’শ বিঘা জমিতে ধান হয়নি বললেই চলে। কৃষি বিভাগ চাষিদের পাশে না দাঁড়ালে আগামীবার তারা ধান চাষে বিরত থাকতে পারে।

সাতক্ষীরা খামারবাড়ির উপ-পরিচালক জামাল উদ্দিন জানান, আমন ধান পুরোপুরি বৃষ্টি নির্ভরশীল। পরিমাণের তুলনায় দেরিতে বৃষ্টি হলেও তা অপ্রতুল। সদর উপজেলার জগন্নাথপুর, শিবপুর, কাশেমপুর, নেবাখালিসহ কিছু স্থানে সামান্য কিছু জমিতে ধানের ফসল ভালো হয়নি। বৃষ্টি দেরিতে হওয়ায় ও লবণাক্ততা এর মূল কারণ। কৃষি বিভাগ সম্পূরক সেচের ব্যবস্থা করায় অনেককে ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করা গেছে। দ্রুত ধান কেটে আগাম সরিষার চাষের প্রণোদনার ব্যবস্থার কথা বলা হয়েছে কৃষকদের। তা ছাড়া ওইসব জমিতে ইরি ও সবজি চাষ করে ক্ষতি পুষিয়ে নেওয়া সম্ভব হবে। ঢাকা টাইমস

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ৯, ২০২২ ৫:৩৮ অপরাহ্ন
এক মাসেই ২০০ গরুর মৃত্যু
কৃষি বিভাগ

পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় গরুর লাম্পি স্কিন রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। উন্নত চিকিৎসা না পাওয়ায় প্রতিদিনই মারা যাচ্ছে গরু। এর মধ্যে উপজেলার তিরনইহাট ইউনিয়নেই মারা গেছে ২০০টিরও বেশি গরু। এতে দিশাহারা হয়ে পড়েছেন স্থানীয় খামারিরা।

জনপ্রতিনিধি ও স্থানীয়রা জানান, মাসখানেক আগে তিরনইহাট ইউনিয়নের কয়েকটি গ্রামে দেখা দেয় গরুর লাম্পি স্কিন রোগ। মুহূর্তেই তা পুরো ইউনিয়নে ছড়িয়ে পড়ে। এখন পর্যন্ত ২০০ গরু এই রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে। পাশের বাংলাবান্ধা ইউনিয়নেও ৬৫টি গরুর মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গেছে।

খামারিরা জানান, শুরুতে গরুর সারা শরীরে বসন্তের মতো গুটি গুটি ওঠে। তারপর হাঁটু, গোড়ালি ও গলা ফুলে যায়। জ্বর ও প্রচণ্ড ব্যথায় খাওয়াদাওয়া ছেড়ে দেয় আক্রান্ত গরুগুলো। পরে তাদের মৃত্যু হয়।

তিরনইহাট ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আলমগীর হোসাইন বলেন, ‘আমার ইউনিয়নে অন্তত ২০০ গরু লাম্পি স্কিন রোগে মারা গেছে।’

পঞ্চগড় সদর প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. শহিদুল ইসলাম জানান, ‘লাম্পি স্কিন রোগ হলে গ্রামের মানুষ প্রথমেই গ্রাম্য পশু চিকিৎসকদের কাছে যান। তাঁরা প্রথমেই অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার করেন। এতে গরুর অবস্থা আরো খারাপ হয়। আমাদের এখানে আনা হয় রোগের তৃতীয় পর্যায়ে। প্রশিক্ষণ নিয়ে যাঁদের খামার করার কথা ছিল—তাঁরাই এখন পশু চিকিৎসা করছেন। এটাই এখন বড় সমস্যা। তাঁদের কারণেই ক্ষতি হচ্ছে বেশি।’

তেঁতুলিয়া উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. রতন কুমার ঘোষ বলেন, ‘তেঁতুলিয়ায় লাম্পি স্কিন রোগ নিয়ন্ত্রণে এসেছে।’

পঞ্চগড় জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) আব্দুর রহিম বলেন, ‘ঢাকা থেকে মেডিক্যাল টিম এসে তেঁতুলিয়ায় কাজ করেছে।’

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ৮, ২০২২ ৪:৫২ অপরাহ্ন
গমের ফলন বাড়াতে যা করবেন
কৃষি বিভাগ

গম আমাদের দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ ফসল। এটি চাষে পানির দরকার হয় কম। হেক্টরপ্রতি পানি লাগে ১৫ একর ইঞ্চি।গমে রোগ-বালাই ও পোকামাকড়ের আক্রমণও কম। ফলে খুব বেশি কীটনাশকের প্রয়োজন হয় না। তবে গমের ফলন বাড়াতে কিছু করণীয় আছে।

১. উঁচু ও মাঝারি দো-আঁশ মাটিতে গম চাষ ভালো হয়।২. বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট উদ্ভাবিত উচ্চ ফলনশীল জাতের বীজ নির্বাচন করতে হবে। ৩. গম উচ্চ ফলনশীল জাতসমূহের বপনের উপযুক্ত সময় নভেম্বর মাসের ১৫-৩০ তারিখ পর্যন্ত।৪. বীজ গজানোর হার ৮০ ভাগ বা তার বেশি হলে প্রতি শতকে আধা কেজি বীজ বপন করতে হবে। ৫. গজানোর হার ৮০ ভাগের কম হলে প্রতি ১ ভাগ কম গজানোর জন্য বিঘাপ্রতি ১৩০ গ্রাম করে অতিরিক্ত বীজ বপন করতে হবে।৬. বপনের আগে প্রতি কেজি বীজের সঙ্গে ৩ গ্রাম হারে প্রোভেক্স-২০০ ডব্লিউ পি মিশিয়ে বীজ শোধন করতে হবে।৭. লাইনে বা ছিটিয়ে গম বীজ বপন করা যায়। ৮. লাইনে বপনের জন্য জমি তৈরির পর ছোট লাঙল দিয়ে ৮ ইঞ্চি দূরে দূরে সারি তৈরি করে ২ ইঞ্চি গভীরে বীজ বপন করতে হয়।৯. স্থানীয় কৃষি অফিস বা মাঠকর্মীর পরামর্শে সঠিক মাত্রায় সার ব্যবহার করতে হবে।১০. উত্তরাঞ্চলের মাটিতে মাঝে মাঝে গমে চিটা দেখা যায়। এর ফলে ফলন কমে যায়। ১১. অনুমোদিত মাত্রায় জৈব ও রাসায়নিক সার প্রয়োগ করে বিঘা প্রতি ৮০০ গ্রাম বরিক এসিড বা ১ কেজি ৩০০ গ্রাম বোরাক্স প্রয়োগ করে চিটা দূর করা যায়।

১২. বীজ বপনের পর ১০-১২ দিন পর্যন্ত পাখি তাড়ানোর ব্যবস্থা করতে হবে।১৩. নিয়মমাফিক সেচ ও আগাছা দমনের ব্যবস্থাপ করতে হবে। ১৪. গম ক্ষেতে ধানের মতো ঢালাওভাবে সেচ দেওয়া যাবে না। নালা বা ফিতা পাইপের মাধ্যমে পানি ছিটিয়ে দিতে হবে। ১৫. সঠিক সেচ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে ফলন ৫৮% পর্যন্ত বাড়ানো সম্ভব।

১৬. বপনের ২৫-৩০ দিনের মধ্যে প্রথম সেচের পর একটি নিড়ানি দিলে ফলন প্রায় ১০-১২ ভাগ বাড়ে।১৭. গম ক্ষেতে কখনোই কলা গাছ বা বরইয়ের কাঁটা টানা, মই দেওয়া যাবে না।১৮. গমের প্রধান দুটি রোগ হচ্ছে পাতার মরিচা রোগ ও পাতার দাগ রোগ। এ ছাড়া মাজরা পোকার আক্রমণ দেখা দিতে পারে। ১৯. সঠিক পরামর্শে সঠিক মাত্রায় কীটনাশক প্রয়োগ করলে রোগ-বালাই দূর করা সম্ভব।

২০. ক্ষেতে ইঁদুরের আক্রমণ হলে ফাঁদ পেতে, গর্তে পানি ঢেলে বা বিষটোপ দিয়ে ইঁদুর দমন করা যেতে পারে।২১. গম পেকে গেলে বা হলুদ হলে কাটতে হবে। রৌদ্রোজ্জ্বল দিনে সকালের দিকে কেটে দুপুরে মাড়াই করতে হবে।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop