১১:৪৯ পূর্বাহ্ন

মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : মার্চ ২৭, ২০২২ ৩:১৬ অপরাহ্ন
লিচু ফেটে যাওয়ার কারণ ও তার প্রতিকার
কৃষি বিভাগ

বর্তমানে বিভিন্ন প্রকার ফল উৎপাদনের ক্ষেত্রে ফলের ফেটে যাওয়া একটি বড় সমস্যা। সাধারণত: ফল বড় হওয়ার পর অর্থাৎ ফল পুষ্ট হওয়ার পূর্ব মুহূর্তে ফাটা শুরু করে। ফল বড় হওয়ার পর কোন কারণে নষ্ট হলে কৃষকের জন্য ক্ষতিকর হয়ে পড়ে। প্রায় সব ফলকেই ফাটতে দেখা যায়। তবে আমাদের দেশের ফল গুলোর মধ্যে লিচু ও ডালিম বেশী ফাটে। অন্যান্য ফলের মধ্যে কলা, আম, পেয়ারা, কাঁঠাল ইত্যাদি ফেটে যেতে পারে। ফল ফেটে যাওয়ার প্রক্রিয়াটি খুব দ্রুত সম্পন্ন হয় এবং উক্ত ফাটা জায়গায় রোগ জীবানুর আক্রমণ ঘটতে পারে। ফলে গোটা ফল নষ্ট হওয়ার সম্ভবনা দেখা দেয়। ফল ফেটে গেলে তার বাজার মূল্য কমে যায়। তাছাড়া কোন কোন সময় তা খাওয়ার অনুপযুক্ত হয়ে যায় ফলে কৃষক আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়ে পড়ে।

ক্ষতির ধরণ বা প্রকৃতি:
লিচুর ফল ফাটা বিভিন্ন রকম হতে পারে। সামান্য ফাটা, কেবলমাত্র খোসা ফাটা, লম্বালিম্বভাবে গোটা ফল ফাটা ইত্যাদি। ফল ফেটে গেলে তার অপক্ক শাঁস অনাবৃত হয়ে পড়ে এবং সরাসরি বাতাসের সংস্পর্শে আসে ফলে শাঁস দ্রুত শুকায়ে যায়। পরবর্তীতে তা রোগ ও পোকার আক্রমণের জন্য উন্মুক্ত হয়ে যায়। লিচুর ফাটা লম্বালম্বি বা আড়াআড়ি দু রকমই হতে পারে।

ফল ফাটার পদ্ধতিঃ
খরা বা অনাবৃষ্টির সময় ফলের জাইলেম ও ফ্লোয়েম কোষে অনাকাংখিত আবহাওয়া থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য কিছু শক্তিশালী কোষের উৎপন্ন হয় যা বিভক্ত হওয়ার বা বৃদ্ধি পাওয়ার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলে। যদি শুস্ক আবহাওয়ার পর পানি/সেচ সরবরাহ বৃদ্ধি করা হয় তখন বর্ধনশীল কোষ (Merstematic tissuc) খুব দ্রুত বাড়া শুরু করে । কিন্তু , জাইলেম ও ফ্লোয়েমের শক্ত কোষগুলো সমভাবে বাড়তে পারে না। এমতাবস্থায়, কোষ বৃদ্ধির এই তারতম্যের কারণে ফলের আবরণের শক্তকোষগুলো ফেটে যায়।

ভারতের কানোয়ার ও তার সহযোগী বিজ্ঞানীবৃন্দ ব্যাখ্যা করেছেন যে, লিচুর ফল বৃদ্ধি দুটি পর্যায়ে ঘটে থাকে। প্রথম পর্যায়ে, ফল তার সম্ভাব্য দের্ঘ্য পর্যন্ত দ্রুত বাড়ে। বিশেষতঃ ফলের বীজ দ্রুত বাড়ার কারণে দ্বিতীয় পর্যায়ে ফলের শাঁস দ্রুত বাড়া শুরু করে যে সময় (মে মাসে) সর্বোচ্চ তাপমাত্রা এবং আপেক্ষিক আদ্রতা কম থাকে। এ সময় ফলের যে অংশে সরাসরি রোদ্র পায় সে দিকে ফলের খোসায় হালকা বাদামী দাগ পড়ে। দাগযুক্ত খোসার রং গাঢ় হয় এবং জায়গাটা শুকিয়ে যায়। একই সময় দ্রুত বর্ধনশীল শাঁসের চাপে দাগযুক্ত আক্রান্ত খোসার জায়গাটি ফেটে যায়। শাঁস বৃদ্ধির হার বেশী হলে ফাটল দ্রুত সম্পন্ন হয় এবং ফাটল সুস্পস্ট হয়ে উঠে।

ফল ফাটার কারণঃ
ফল ফাটার বিভিন্ন কারন রয়েছে। তবে, লিচু ফল ফেটে যাওয়ার নিম্নের এক বা একাধিক কারণ থাকতে পারে।

(ক) আবহাওয়া জনিতঃ আবহাওয়ার মুল উপাদান তাপমাত্রা, আপেক্ষিক আদ্রতা এবং বৃষ্টিপাত। লিচুর ফল ফাটার সঙ্গে আবহাওয়ার নিবিড় সম্পর্ক রয়েছে বলে প্রমাণ পাওয়া গোছ। কানোয়ার, সিংহ প্রভৃতি বিজ্ঞানীদের মতে গরম বাতাস/ আবহাওয়া লিচুর ফল ফাটার প্রধান কারণ। তারা বলেন ফল পাকার আগে গরম আবহাওয়া তৎসহ গরম বাতাস ফল ফাটাতে সহায়তা করে। ফলের শাঁস দ্রুত বৃদ্ধির সময় তাপমাত্রা ৩৮০ সে. বা অধিক এবং আপেক্ষিক আর্দ্রতা ৬০ % বা কম হলে ফল ফাটা তরান্বিত হয়। দিন ও রাতের তাপমাত্রার ব্যাপক তারতম্য, তৎসহ গরম আবহাওয়ার পর হঠাৎ পর্যাপ্ত সেচ প্রদান বা বৃষ্টিপাত ফল ফাটতে সহায়তা করে। ফল পাকার পূর্ব মুহূর্তে উচ্চ তাপমাত্রা, নিম্নমাত্রার আপেক্ষিক আর্দ্রতা তৎসহ দীর্ঘ বৃষ্টিপাত ফল ফাটার অন্যতম কারণ বলে বিজ্ঞানী মিশ্র মনে করেন।

(খ) হরমোনজনিতঃ সুস্থ্য ও ফাটা লিচুর রাসায়নিক বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, সুস্থ্য লিচুর তুলনায় ফাটা লিচুর খোসা ও বীজে কম মাত্রায় এবং শাঁসে বেশী মাত্রায় অঙিন বিদ্যমান থাকে। জিবারেলিন এর মাত্রা খোসা, বীজ ও শাঁসে স্বাভাবিক ফলের তুলনায় বেশী থাকে। এছাড়া সাইটো কাইনিন ও এবসিসিক এসিড ফাটা ফলে বেশী লক্ষ্য করা গেছে।

(গ) জাতের বৈশিষ্ট্য জনিতঃ লিচুর সব জাতে একইরকম ফাটল দেখা যায় না। কোন কোন জাত বেশী সংবেদনশীল আবার কোন কোনটি ফাটা প্রতিরোধক। ভারতে বেশ কিছু জাতের উপর পরিচালিত গবেষণায় দেখা গেছে, জাতভেদে ফল ফাটার পরিমাণ ০.৩-৩৬.২% । এর মধ্যে সর্বোচ্চ ফাটল দেরাদুন জাতে এবং সর্বনিম্ন ফাটল সীডলেস নং-২ জাতে লক্ষ্য করা গেছে। বাংলাদেশের দিনাজপুর ও ঈশ্বরদী এলাকায় আবাদকৃত জাতগুলোর মধ্যে বোম্বাই ও স্থানীয জাতের ফল ফাটার পরিমান বেশী হয়ে থাকে। চায়না -৩ ও বেদানা জাতে ফল ফাটার পরিমাণ বেশ কম, নাই বললেই চলে। গবেষণায় দেখা গেছে, আগাম পাকে এমন জাতের ফল ফাটার পরিমাণ নাবী জাতের তুলনায় বেশী। ভারতেও একই রকম ফলাফল লক্ষ্য করা গেছে।

(ঘ) পুষ্টির অভাব জনিতঃ কিছু কিছু পুষ্টি উপাদান যেমন পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম, দস্তা, বোরণ, তামা, মালিবডেনাম ও ম্যাঙ্গানিজ ফল বৃদ্ধির সময় শারীরতাত্বিক পদ্ধতির সাথে সম্পর্কিত হওয়ায় এদের অভাবে ফল ফাটা ত্বরান্বিত হয়। পরীক্ষায় দেখা গেছে ফাটা লিচুতে স্বাভাবিক লিচুর তুলনায় বেশী পরিমাণে নাইট্রোজেন, ফসফরাস ও পটাশিয়াম থাকে। অপরদিকে ক্যালসিয়াম ও দস্তা কম পরিমাণে বিদ্যমান থাকে। স্বাভাবিক ও ফাটা ফলের অম্লতা (পিএইচ) এবং মিষ্টতার (টিএসএস) কোন তারতম্য ঘটে না । তবে, ফাটা ফলে পানির পরিমাণ বেশী থাকতে দেখা গেছে।

(ঙ) মাটির আর্দ্রতাজনিতঃ ত্রুটিপূর্ণ সেচ ব্যবস্থাপনার কারণে ফল ফাটা বেড়ে যেতে পারে। ফলের শাঁস বৃদ্ধির সময়ে মাটির আর্দ্রতা কমে যাওয়া এবং পরিমিত মাত্রায় সেচ প্রদান না করার কারণে মাটিতে রসের ঘাটতি দেখা দেওয়ায় লিচুর ফল ফেটে যেতে পারে।

(চ) রোগ পোকার আক্রমণ ও আঘাত জনিতঃ কোন কোন সময় রোগ ও পোকার আক্রমণ বা শারীরিকভাবে ফল ফল আঘাত প্রাপ্ত হলে তা ফেটে যায় এবং পচনকারী জীবানুর আক্রমণ দেখা দিতে পারে । তবে, এসব কারণে ব্যাপক আকারে ফাটল দেখা যায় না।

প্রতিকার
১। যে সব জাত ফাটল প্রতিরোধক/ সংবেদনশীল সে গুলোর চাষাবাদ করতে হবে।
২। বিভিন্ন প্রকার হরমোন সেপ্র করে ফলের পরিপক্কতা দীর্ঘায়িত করা এবং খোসার সমপ্রসারণ ক্ষমতা বৃদ্ধির মাধ্যমে

ফলের ফাটা দমনের ক্ষেত্রে ভাল ফলাফল পাওয়া গেছে। ন্যাপথালিন এসিটিক এসিড ((NAA) ২৫ পিপিএম হারে এর সাথে জিবারেলিক এসিড ৫০ পিপিএম হারে ১০ দিন পর পর সেপ্র করে ফাটল রোধ করা সম্ভব।

৩। ফল বৃদ্ধির সময় জিংক সালফেট ( প্রতি লিটারে ৫ গ্রাম), রোবাঙ/ বরিক এসিড ( প্রতি লিটারে ৫ গ্রাম) একত্রে বা আলাদা আলাদা ভাবে সেপ্র করলে ফল ঝরে পড়া ও ফাটা উভয় সমস্যা উল্লেখযোগ্য হারে কমে যায়।
৪। ফল বৃদ্ধির সময় গাছে নিয়মিত ও পরিমিত পরিমাণ সেচ প্রদান করলে মাটির আর্দ্রতা / রস বৃদ্ধি এবং বাতাসের তাপমাত্রা কমে যাবে। ফলে লিচুর ফাটল কমে যাবে।
৫। মাটিতে পর্যাপ্ত পরিমাণে জৈব সার প্রয়োগ করতে হবে। জৈব সার প্রয়োগে মাটির পানি ধারণ ক্ষমতা বেড়ে যাবে। ফলে বিরুপ আবহায়ায় মাটির রস দ্রুত হ্রাস বৃদ্ধির হার কমে যাবে। উপরন্ত, জৈব সারে সব ধরনের পুষ্টি উপাদান থাকায় মাটির অপুষ্টি জনিত সমস্যাও দুর হবে।

অনেক সময় চাষীরা ফল ফাটার প্রকৃত কারন নির্ণয় করতে পারেনা । সে জন্য একক ভাবে কোন চেষ্টার উপর নির্ভর না করে উপরের আলোচিত প্রতিকারগুলোর সমন্বিত ব্যবস্থা নিলে কার্যকর ভাবে লিচুর ফাটল রোধ করা সম্ভব হবে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ২৬, ২০২২ ২:০৫ অপরাহ্ন
বেগুন চাষ করবেন যেভাবে
কৃষি বিভাগ

আমাদের দেশের প্রায় সব জেলাতেই কমবেশি বেগুনের চাষ করা হয়ে থাকে। আমাদের অনেকেরই বেগুন চাষ পদ্ধতি অজানা। সারা বছরই বেগুন চাষ করা হয়। বেগুনের গাছ প্রায় ৪০ থেকে ১৫০ সেমি লম্বা হয়। আমরা বেগুন সবজি হিসাবে খেয়ে থাকি, বেগুন পুষ্টিকর ও সুস্বাদু সবজি। সঠিক নিয়মে চাষ না করার কারণে অনেক চাষীগণ লোকসান করে থাকেন।

আমাদের দেশে সারা বছর বেগুন চাষ করা হলেও সব জাতগুলো সব সময় চাষ করা যায় না। ভাল ফলন পেতে হলে উপযুক্ত জাত নির্বাচন করা একান্ত প্রয়োজন। বাংলাদেশে বেগুনের বহু জাত রয়েছে। এক জাত থেকে অন্যজাতে গাছের প্রকৃতি, ফলের রং, আকার, আকৃতি প্রভৃতি বিষয়ে বেশ পার্থক্য পরিলক্ষিত হয়। বাংলাদেশে প্রধানতঃ লম্বা ফল, গোলাকর ফল ও গোলাকার এই তিন ধরণের বেগুনের চাষ বেশী হয়ে থাকে। সব জাতকে মৌসুম ভিত্তিক দুই ভাবে ভাগ করা যেতে পারে, যেমন-শীতকালীন বেগুন ও বারমাসী বেগুন। শীতকালীন জাতের বেগুন রবি মৌসুমে চাষ করা হয় কারণ, এই জাতের বেগুন কেবলমাত্র রবি মৌসুমেই ফল দিতে পারে। আর বারমাসী বেগুন বছরের যে কোন সময় চাষ করা যেতে পারে।

উন্নত জাতঃ বারি বেগুন-১, বারি বেগুন-২, বারি বেগুন-৪, বারি বেগুন-৫, বারি বেগুন-৬, বারি বেগুন-৭ , বারি বেগুন-৮, বারি বেগুন-৯, বারি বেগুন-১০, বারি হাইব্রিড বেগুন-৩, বারি হাইব্রিড বেগুন-৪, বারি বিটি বেগুন-১, বারি বিটি বেগুন-২, বারি বিটি বেগুন-৩ , বারি বিটি বেগুন-৪। তাছাড়া কিছু স্থানীয় জাত যেমন ইসলামপুরি, খটখটিয়া, নয়ন কাজল, ডিম বেগুন, শিংনাথ  ইত্যাদি।

পুষ্টিগুনঃ প্রতি ১০০ গ্রাম বেগুনে চর্বি ২.৯ গ্রাম, খনিজ পদার্থ ০.৮ গ্রাম, আঁশ ১৩ গ্রাম খাদ্যশক্তি ৪২ কিলোক্যালরি, আমিষ ১.৮ গ্রাম, ক্যালসিয়াম ২৮ মিলিগ্রাম, আয়রন ০.৯ মিলিগ্রাম, ক্যারোটিন ৮৫০মাইক্রোগ্রাম, ভিটামিন বি-১ ০.১২ মিলিগ্রাম, ভিটামিন বি-২ ০.০৮মিলিগ্রাম ও শর্করা ২২ গ্রাম ইত্যাদি।

বপনের সময়ঃ শীতকালীন- আগস্টের শেষ থেকে মধ্য অক্টোবর পর্যন্ত (মধ্য শ্রাবন থেকে আশ্বিন মাস) বর্ষাকালীন -জানুয়ারীর প্রথম থেকে মধ্য এপ্রিল পর্যন্ত (মধ্য পৌষ)।

চাষপদ্ধতি: মাটির প্রকার ভেদে ৪-৬ টি চাষ ও মই দিতে হবে। মই দিয়ে মাটি ঝুরঝুরে করে নিতে হবে। সার শেষ চাষের সময় প্রয়োগ করতে হবে। মাটির ধরন অনুযায়ী ১ মিটার চওরা ও ৮ ইঞ্চি উঁচু বেড তৈরি করতে হবে ।

বীজের পরিমানঃ প্রতি শতকে ০.৫ গ্রাম এর মত বীজ প্রয়োজন হয়।

সার ্যবস্থাপনাঃ

সারের নাম শতক প্রতি সার
গোবর ৪০ কেজি
ইউরিয়া ১ কেজি
টিএসপি ৭০০ গ্রাম
এম ও পি ৭০০গ্রাম
জিপসাম ৪০০গ্রাম
বোরন ৫০গ্রাম
 দস্তা ৪০ গ্রাম

সমুদয় গোবর, টিএসপি, জিপসাম, দস্তা, বোরণ এবং ২১০ গ্রাম পটাশ শেষ চাষের সময় মাটিতে প্রয়োগ করতে হবে। চারা রোপণের পর ১০-১৫ দিন প্রথমবার, ফল ধরা শুরু হলে দ্বিতীয় বার এবং ফল আহরণের মাঝামাঝি সময়ে তৃতীয় বার ৪০০ গ্রাম করে ইউরিয়া এবং ২০০ গ্রাম করে পটাশ প্রয়োগ করতে হবে।

সেচঃ চারা রোপণের ৩-৪ দিন পর পর্যন্ত হালকা সেচ এবং পরবর্তীতে প্রতি কিস্তি সার দেয়ার পর সেচ দিতে হয়। বেডের দু’পাশে নালা দিয়ে জমিতে সেচ দেয়া সুবিধাজনক। নালায় সেচের পানি বেশিক্ষণ ধরে রাখা যাবে না, গাছের গোড়া পর্যন্ত মাটি ভিজে গেলে নালার পানি ছেড়ে দিতে হবে। প্রতি সেচের পর মাটির উপরিভাগের চটা ভেঙ্গে দিতে হবে যাতে বাতাস চলাচলের সুবিধা হয় ।

আগাছাঃ আগাছা দমনের জন্য জমি চাষ ও মই দিয়ে ভালোভাবে আগাছা পরিষ্কার, বিশুদ্ধ বীজ ব্যবহার এবং পরিষ্কার কৃষি যন্ত্রপাতি ব্যবহার। ফসল বোনার ২৫-৩০ দিনের মধ্যে আগাছা বাছাই করতে হবে।সেচ দেয়ার আগে আগাছা বাছাই করতে হবে।

আবহাওয়া ও দুর্যোগঃ অতিবৃষ্টির কারনে জমিতে পানি বেশি জমে গেলে নালা তৈরি করে তাড়াতাড়ি পানি সরানোর ব্যবস্থা নিতে হবে। পানি যাতে জমি থেকে সরে যায় তার ব্যবস্থা করুন। জো  বুঝে গাছের গোড়ার মাটি আলগা করে দিন। গাছ হেলে পড়ে গেলে সোজা করে দিন।

পোকামাকড়ঃ

1.ফলছিদ্রকারী পোকা দমনে থায়ামিথক্সাম+ক্লোরানিলিপ্রল জাতীয় কীটনাশক (যেমন ভলিউম ফ্লেক্সি ৫ মিলিলিটার  অথবা ১মুখ) অথবা সাইপারমেথ্রিন জাতীয় কীটনাশক (যেমন ওস্তাদ ২০ মিলিলিটার  অথবা ম্যাজিক অথবা কট ১০ মিলিলিটার) প্রতি ১০লিটার পানিতে মিশিয়ে প্রতি ৫ শতকে স্প্রে করতে হবে ১০-১২ দিন পরপর ২/৩ বার।

2.জাব পোকা দমনে  ইমিডাক্লোরোপ্রিড জাতীয় কীটনাশক (যেমন এডমায়ার অথবা টিডো ৭-১০ মিলিলিটার / ২মুখ) ১০ লিটার পানিতে মিশিয়ে প্রতি ৫ শতকে স্প্রে করতে হবে ১০ দিন পরপর ২/৩ বার। ঔষধ স্প্রে করায় সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।

3.ক্ষুদে মাকড়ের  আক্রমণ সালফার গ্রুপের (কুমুলাস ডিএফ বা রনোভিট ৮০ ডব্লিউজি বা থিওভিট ৮০ ডব্লিউজি বা সালফোলাক ৮০ ডব্লিউজি, ম্যাকসালফার ৮০ ডব্লিউজি বা সালফেটক্স ৮০ ডব্লিউজি) প্রতি ১০ লিটার পানিতে ২৫০ গ্রাম মিশিয়ে স্প্রে করতে হবে।

4.সাদা মাছি দমনে ইমিডাক্লোরোপ্রিড জাতীয় কীটনাশক (যেমন এডমায়ার অথবা টিডো ৭-১০ মিলিলিটার / ২মুখ) ১০ লিটার পানিতে মিশিয়ে প্রতি ৫ শতকে স্প্রে করতে হবে ১০ দিন পরপর ২/৩ বার।

রোগবালাইঃ

1.কান্ড ও ফল পচা রোগ রোগ দমনে কার্বেন্ডাজিম জাতীয় ছত্রাকনাশক (যেমন- নোইন অথবা এইমকোজিম ২০ গ্রাম) প্রতি ১০ লিটার পানিতে মিশিয়ে প্রতি ৫ শতকে ১২-১৫ দিন পর পর ২-৩ বার ভালভাবে স্প্রে করতে হবে। গোঁড়া পচা রোগের ক্ষেত্রে মাটি ভিজিয়ে ভালোভাবে স্প্রে করতে হবে।

2.গুচ্ছ পাতা/ খুদে পাতা / ছোট পাতা রোগ দমনের জন্য জাব পোকা ও জ্যাসিড দমন করতে হবে । বাহক পোকা দমনে ইমিডাক্লোরোপ্রিড জাতীয় কীটনাশক (যেমন এডমায়ার অথবা টিডো ১০ মিলিলিটার / ২মুখ) ১০ লিটার পানিতে মিশিয়ে প্রতি ৫ শতকে স্প্রে করতে হবে ১০ দিন পরপর ২/৩ বার।

3.পাতায় হলদে মোজাইক রোগের বাহক পোকা (জাবপোকা) দমনে ইমিডাক্লোরোপ্রিড জাতীয় কীটনাশক (যেমন এডমায়ার অথবা টিডো ৭-১০ মিলিলিটার / ২মুখ) ১০ লিটার পানিতে মিশিয়ে প্রতি ৫ শতকে স্প্রে করতে হবে ১০ দিন পরপর ২/৩ বার।

সতর্কতাঃ  বালাইনাশক/কীটনাশক ব্যবহারের আগে বোতল বা প্যাকেটের গায়ের লেবেল ভালো করে পড়ুন এবং নির্দেশাবলি মেনে চলুন। ব্যবহারের সময় নিরাপত্তা পোষাক পরিধান করুন।ব্যবহারের সময় ধূমপান এবং পানাহার করা যাবে না। বালাইনাশক ছিটানো জমির পানি যাতে মুক্ত জলাশয়ে না মেশে তা লক্ষ্য রাখুন। বালাইনাশক প্রয়োগ করা জমির ফসল কমপক্ষে সাত থেকে ১৫ দিন পর বাজারজাত করুন।

ফলনঃ  জাত ভেদে শতক প্রতি ফলন ২০০-২৫০ কেজি।

সংরক্ষনঃ বেশি তাপ/ রোদ না লাগে এবং বায়ু চলাচল করে এমন  স্থানে বা কনটেইনারে ফসল সংরক্ষণ করুন। মাঝে মাঝে চটের বস্তার উপরে হালকা পানি স্প্রে করুন। কয়েক দিনের জন্য সংরক্ষণ করলে হিমাগারে রাখা

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ২৬, ২০২২ ১:০২ অপরাহ্ন
ঠাকুরগাঁওয়ে গমের ফলন ভালো হওয়ায় খুশি কৃষকরা
কৃষি বিভাগ

গম উৎপাদনে দেশে শীর্ষ স্থানে রয়েছে ঠাকুরগাঁও জেলা। সারাদেশে উৎপাদিত গমের একটি বড় অংশ আসে এই জেলা থেকে। ঠাকুরগাঁওয়ে চলতি মৌসুমে বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে গমের আবাদ করা হয়েছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় জেলায় গমের ফলন বৃদ্ধি পেয়েছে।

গত মৌসুমী ফলন ভালো হওয়ায় ও ভালো দাম পাওয়ায় এবারও কৃষকরা গম চাষ করেছেন। এবছর ফলন ভালো হওয়ায় ও বাজার দর বেশি থাকায় কৃষকরা গম বিক্রি করে লাভবান হতে পারবেন বলে আশা করছেন।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর সূত্রে জানা গেছে, গত বছর জেলায় ৪৭ হাজার হেক্টর জমিতে গম আবাদ হয়েছিলো। চলতি মৌসুমে ৪৫ হাজার হেক্টর জমিতে আবাদ করলেও ফলন ভালো হওয়ায় এবারো উৎপাদনে এ জেলা এগিয়ে থাকবে।

কৃষকরা জানান, আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এবারেও গমের বাম্পার ফলন হয়েছে। বর্তমান বাজারে প্রতি মণ গম ১৪০০ থেকে ১৪৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। খুচরা বাজারে প্রতিমণ গম ১৫০০ থেকে ১৫৫০ টাকা দরে বিক্রি করা হচ্ছে। ফলে এবার গমে বিক্রি করে একটু বেশি লাভ হবে বলে আশা করছেন তারা।

ঠাকুরগাঁও জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আবু হোসেন জানান, এবছর গমের বাম্পার ফলন হয়েছে। বাজারমূল্য ঠিক থাকলে কৃষকরা লাভবান হবে বলে তিনি আশা করেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ২৫, ২০২২ ৪:৩৭ অপরাহ্ন
ভোলা সদরে বারি উদ্ভাবিত চিনাবাদাম ও সয়াবিনের উৎপাদন বিষয়ক মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত
কৃষি বিভাগ

নাহিদ বিন রফিক (বরিশাল): ভোলা সদরে বারি উদ্ভাবিত চিনাবাদাম ও সয়াবিনের উৎপাদনশীলতা এবং উৎপাদন প্রযুক্তি বিষয়ক মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (২৫ মার্চ) উপজেলার চর কুমারীয়ায় বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের সরেজমিন গবেষণা বিভাগের উদ্যোগে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

এতে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বিএআরআই) মহাপরিচালক ড. দেবাশিষ সরকার।

বিশেষ অতিথি ছিলেন তেল বীজ গবেষণা কেন্দ্রের পরিচালক ড. আব্দুল লতিফ আকন্দ। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আঞ্চলিক কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের (আরএআরএস) মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. রফি উদ্দিন।

আয়োজক প্রতিষ্ঠানের ঊধর্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা গাজী নাজমুল হাসানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বৃহত্তর বরিশাল ও ফরিদপুর অঞ্চলের ডাল উৎপাদন বৃদ্ধি প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক ড. মো. ছালেহ উদ্দিন, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের (ডিএই) উপপরিচালক মো. হাসান ওয়ারিসুল কবীর, ভাসমান কৃষি প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক ড. মো. মোস্তাফিজুর রহমান তালুকদার, বিএআরআই’র সরেজমিন গবেষণা বিভাগের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. সহিদুল ইসলাম খান, ডিএই’র অতিরিক্ত উপপরিচালক এস. এম. মিজান মাহমুদ, কৃষক মো. সুলায়মান, মো. আলাউদ্দিন প্রমুখ।

প্রধান অতিথি বলেন, ভোলার মাটিতে অন্যান্য তেল ফসলের পাশাপাশি চীনাবাদাম ও সয়াবিন চাষের জন্য বেশ উপযোগী। তাই দেশের ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার ভোজ্যতেলের চাহিদা মেটাতে এই জেলার কৃষকরা নিতে পারেন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা। এর অংশ হিসেবে এখানকার বিভিন্ন চরে বারি উদ্ভাবিত তেল ফসল আবাদের মাধ্যমে ফসলের উৎপাদনশীলতা বাড়ানো সম্ভব। এতে কৃষকরা লাভবান হবেন। সেই সাথে তাদের জীবনমানেরও উন্নয়ন হবে। মাঠ দিবসে দেড় শতাধিক কৃষক উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে প্রধান অতিথি বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলে চাষকৃত গুরুত্বপূর্ণ ফল, পান, সুপারি ও ডাল ফসলের পোকামাকড় সনাক্তকরণ ও সমন্বিত বালাই ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে নিরাপদ ফসল উৎপাদন প্রযুক্তি উদ্ভাবন ও বিস্তার কর্মসূচির আওতাধীন মুগ ও পানচাষিদের মাঝে বিনামূল্যে বিভিন্ন জৈব বালাইনাশক এবং আঠালো ফাঁদ বিতরণ করেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ২৫, ২০২২ ২:৪৬ অপরাহ্ন
কুমিল্লায় আলুর বাম্পার ফলনে খুশি চাষিরা
কৃষি বিভাগ

কুমিল্লা জেলায় এবার চলতি মৌসুমে আলুর বাম্পার ফলন হওয়ায় খুশি চাষিরা। জানা গেছে, চলতি মৌসুমে প্রায় ১৭ হাজার হেক্টর জমিতে ১২ জাতের আলুর আবাদ করেছে চাষীরা। উন্নত জাতের আলু চাষ করে বিঘা প্রতি ২০ থেকে ২৫ মণ আলুর বেশি ফলন পেয়েছেন কৃষকেরা। এবার লক্ষ্যমাত্রার থেকেও ২৭ হাজার মেট্রিক টন বেশি আলু উৎপাদন হয়েছে কুমিল্লা জেলার ১৭ টি উপজেলায়।এতে খুশিতে আত্মহারা আলু চাষীরা।

কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, ক্ষেত থেকে আলু তোলা শুরু হলেও এখনো মাটি থেকে লাখ লাখ টন আলু তোলা বাকি। ইতোমধ্যে প্রায় আড়াই হাজার মেট্রিকটন আলু তোলা হয়েছে। কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই কুমিল্লা জেলার ১৭টি উপজেলায় একযোগে আলু তোলার উৎসব শুরু হবে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় লক্ষ্যমাত্রার থেকেও বেশি  আলুর ফলন হয়েছে। জেলায় আলু আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ১৫ হাজার ৯৩৪ হেক্টর জমিতে নির্ধারণ করা হলেও আলুর আবাদ হয়েছে  ১৭ হাজার হেক্টর জমিতে। যা লক্ষ্যমাত্রা থেকেও ১০৬৬ হেক্টর বেশি। হেক্টরপ্রতি গড় উৎপাদন ২৫ টনের বেশি হওয়ায়, সেই হিসেবে ৪ লক্ষ টন আলু উৎপাদন হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।

কুমিল্লা জেলার দাউদকান্দি, চান্দিনা, বুড়িচং, মুরাদনগর, আদর্শ সদর ও দেবিদ্বারের উপজেলার কয়েকটি গ্রাম ঘুরে আলু চাষিদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, এবারের আলু মৌসুমে চাষিরা ১২ প্রজাতির আলু চাষ করেছেন। ডায়মন্ড, কার্ডিনাল, গ্র্যানোলা, মালটা, হীরা, অরিগো, কোস্টারিকা, পেট্রোনিজ, বেলেনী, এস্টারিক্স, সাগিতা ও রোজগোল্ড জাতের আলুর আবাদ করেছে। তবে হোয়াইট ডায়মন্ড ও কার্ডিনাল জাতের আলুর ব্যাপক ফলন হয়েছে। এছাড়াও অনেকে অন্যান্য জাতের আলুও আবাদ করেছে।

আলু চাষিরা জানান, অনুকূল আবহাওয়া ও কৃষি উপকরণ সুলভমূল্যের কারণে এবার ফলন ভালো হয়েছে এবং ন্যায্যমূল্য পেলে ভালো লাভ করা যাবে।

কুমিল্লা জেলা কৃষি সম্প্রারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মিজানুর রহমান বলেন, কুমিল্লার সবক’টি উপজেলার মাটি আলু চাষের জন্য খুবই উপযোগী। এবারে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক বেশি আলু আবাদ হয়েছে। ক্ষেতে আলু ভাল রাখতে প্রতিষেধক হিসেবে ছত্রাকনাশক প্রয়োগ করে সুফল পেয়েছেন আলু চাষিরা। আমাদের কর্মকর্তাসহ মাঠকর্মীরা সার, কীটনাশক প্রয়োগের ব্যাপারে কৃষকদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিয়েছেন। যার ফলে এবার বাম্পার ফলন হয়েছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ২৫, ২০২২ ১২:৫১ অপরাহ্ন
বরিশালে নিরাপদ পান ফসল বিষয়ক মাঠদিবস অনুষ্ঠিত
কৃষি বিভাগ

নাহিদ বিন রফিক (বরিশাল): বরিশালের রহমতপুরে পান ফসলের পোকামাকড় সনাক্তকরণ ও সমন্বিত বালাই ব্যবস্থপনার মাধ্যমে নিরাপদ ফসল উৎপাদন প্রযুক্তি বিষয়ক মাঠদিবস অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ আঞ্চলিক কৃষি গবেষণা কেন্দ্রে বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলে চাষকৃত গুরুত্বপূর্ণ ফল, পান, সুপারি ও ডাল ফসলের পোকামাকড় সনাক্তকরণ ও সমন্বিত বালাই ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে নিরাপদ ফসল উৎপাদন প্রযুক্তি উদ্ভাবন ও বিস্তার কর্মসূচির উদ্যোগে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

এতে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বিএআরআই) মহাপরিচালক ড. দেবাশিষ সরকার। বিশেষ অতিথি ছিলেন তেল বীজ গবেষণা কেন্দ্রের পরিচালক ড. আব্দুল লতিফ আকন্দ। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আঞ্চলিক কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের (আরএআরএস) মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. রফি উদ্দিন।

কর্মসূচি পরিচালক ড. মো. মাহবুবুর রহমানের সঞ্চালনায় মাঠ দিবসে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ভাসমান কৃষি প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক ড. মো. মোস্তাফিজুর রহমান তালুকদার, সরেজমিন গবেষণা বিভাগের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. সহিদুল ইসলাম খান, প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. গোলাম কিবরিয়া, প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. আলিমুর রহমান, বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের ঊধর্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. ছয়েমা খাতুন, আরএআরএস’র বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. রাশেদুল ইসলাম, কৃষি তথ্য সার্ভিসের কর্মকর্তা নাহিদ বিন রফিক, কৃষক ঝন্টু দাস প্রমুখ।

প্রধান অতিথি বলেন, পান ফসলের পোকা দমনে রাসায়নিক কীটনাশক প্রয়োগ করা অনুচিত। এর পরিবর্তে চাই জৈব বালাইনাশক ব্যবহার। এতে পোকা দমন হবে। পাশাপাশি পরিবেশ অনুকূলে থাকবে। পানও থাকবে নিরাপদ। ফলে বাজারমূল্য ভালো পাওয়া যাবে। অনুষ্ঠানের আগে প্রধান অতিথি পানচাষিদের মাঝে বিনামূল্যে বিভিন্ন জৈব বালাইনাশক বিতরণ করেন। মাঠ দিবসে অর্ধশতাধিক কৃষক উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ২৪, ২০২২ ৩:৩৮ অপরাহ্ন
খুলনায় বোরো ধানে ‘ব্লাস্ট রোগ’ বিপাকে কৃষক
কৃষি বিভাগ

খুলনার চলতি বোরো মৌসুমে ধানে ছত্রাকজনিত রোগ ব্লাস্টের সংক্রমণ দেখা দিয়েছে। ফলে, এবার আশানুরূপ ফলন পাওয়া নিয়ে শঙ্কায় কৃষকরা।

কৃষিবিভাগ জানিয়েছে, বোরো ধানের ক্ষেতে ব্লাস্ট রোগের সংক্রমণ খুব একটা ক্ষতি করতে পারবে না। তারা কৃষকদের রোগ দমনে ছত্রাক নাশক প্রয়োগ করলে এই রোগ ঠেকানো সম্ভব বলে জানিয়েছেন। একইসঙ্গে বিভিন্ন ধরনের কীটনাশক ছিটাতে পরামর্শ দিচ্ছেন।

কৃষকেরা জানালেন, কীটনাশক প্রয়োগে করেও সুফল মিলছে না বলে জানালেন কৃষকরা। তারা বলছেন, পরিস্থিতি সামাল দেয়া না গেলে এবার ফলন আশানুরূপ হবে না।

কৃষিবিভাগ সূত্রে জানা গেছে, জেলায় এবার ৬০ হাজার ১৫০ হেক্টর জমিতে বোরো ধান চাষের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হলেও আবাদ হয়েছে ৬২ হাজার ৭৩০ হেক্টর জমিতে।

খুলনায় গত বছর বোরো ধানের দাম ভাল পাওয়ায় এবার আরও বেশি জমিতে আবাদ করেছেন চাষীরা। কিন্তু বোরো ধানের ক্ষেতে ছড়িয়ে পড়েছে ব্লাস্ট রোগ। আবহাওয়াও প্রতিকূল। আক্রান্ত ধান কচি অবস্থাতেই হলুদ হয়ে শুকিয়ে যাচ্ছে। চিন্তার ভাঁজ পড়েছে কৃষকদের কপালে।

খুলনা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক হাফিজুর রহমান বলেন, খুলনা জেলার কিছু কিছু জায়গায় ২৮ ধানের আবহাওয়াজনিত কারনে বৃষ্টির প্রভাব ইতিমধ্যে দেখা দিয়েছে,যার জন্য ব্লাস্ট’র কিছু আক্রমণ দেখা গেছে। কৃষি বিভাগ বিভিন্ন ধরনের পরামর্শ দিয়ে এবং ছত্রাকনাশক ছিটিয়ে এই রোগকে দমন করে আসছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ২৪, ২০২২ ২:২২ অপরাহ্ন
বীজ থেকে সুদান ঘাসের চাষ পদ্ধতি
কৃষি বিভাগ

আমাদের দেশে গবাদিপশুর পালন অনেক বেড়েছে কিন্তু সেই তুলনায় গো-খাদ্য অনেক চ্যালেঞ্জের মুখে। বর্ষা মৌসুমে বাড়ির পাশের জমিতে ধান উৎপাদন করা সম্ভব হয় না। অতিরিক্ত বৃষ্টির কারণে পতিত জমিতে পানি ও আগাছা বেশি হয়ে থাকে। ফসল উৎপাদন ব্যাহত হয়। তাই এরকম লাখ লাখ একর পতিত জমি সারা বছরই খালি পড়ে থাকে। একটু সচেতন হলেই আমরা এ জমিগুলো কাজে লাগিয়ে বিপুল অর্থ উপার্জন করতে পারি । বর্ষা মৌসুমসহ সারা বছরই এ জমিগুলোতে ঘাস চাষ করে গো-সম্পদের প্রসার ঘটানো যায় । সুদান ঘাস উচ্চ ফলনশীল ফসল। এটা গোরুর মোটাতাজাকরণ জন্য ব্যবহৃত হয়।

সুদান ঘাসের উপযোগী মাটি ও জলবায়ু:

তুলনামূলকভাবে- যে সকল জমিতে পানি জমে থাকে না সেই সকল জমিতেই সুদান ঘাস চাষ করা উত্তম। এ ঘাস সব ধরনের মাটিতেই জন্মে। তবে বেলে দো-আশ মাটিতে এর ফলন সবচেয়ে বেশি। এ ঘাসের জন্য উঁচু জমি ভালো। বন্যা প্রস্তাবিত জমি এ ঘাস চাষের জন্য অনুপযুক্ত।

জমি নির্বাচন:

পানি নিষ্কাশনের জন্য ভাল ব্যবস্থা আছে অর্থাৎ যেখানে বৃষ্টি বা বর্ষার পানি জমে থাকে না এরূপ জমি নেপিয়ার চাষের জন্য উত্তম। প্রায় সব ধরনের মাটিতেই এ ঘাস রোপন করা যায়, তবে বেলে-দোআঁশ মাটি সবচেয়ে বেশি উপযোগী।

চাষের সময়:

সুদান ঘাসের বীজ সারা বৎসরই রোপন করা যায়। প্রচন্ড শীত এবং বর্ষার পানির সময় বাদে সব সময় বীজ বপন করা যায়।

চাষ পদ্ধতি:

এ ঘাস চাষের জন্য জমিতে তিনটি থেকে চারটি চাষ দিয়ে এবং মই দিয়ে আগাছামুক্ত করার পর রোপণ করতে পারলে উত্তম।

জমি প্রস্তুতের সময়:

১.৫০ থেকে ২.০০ টন জৈবসার- প্রতি একরে মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দিতে হবে। এছাড়া রাসায়নিক সারের মধ্যে ইউরিয়া, টিএসপি ও পটাশ ইত্যাদি সার ব্যবহার করতে পারেন।

বীজ বপন:

প্রথমে বীজ ১-২ ঘন্টা মিষ্টি রোদে শুঁকিয়ে তারপরে নরমাল করে ২৪-৪৮ ঘন্টা পানিতে ভিজিয়ে রাখুন তারপরে জমিতে ছিটিয়ে দিন। পরবর্তী ২৪-৪৮ ঘন্টার মধ্যে বীজ জার্মিনেশন হয়ে যায়। চারা ৩-৪ ইঞ্চি হবার পরে একটি সেচ দিতে পারলে ভালো।

সার প্রয়োগ ও পানি সেচ:

ভালো ফলন ও গাছের বৃদ্ধির জন্য সার এবং পানির প্রয়োজন। বর্ষা মৌসুমে পানি সেচের প্রয়োজন হয় না। কিন্তু অন্য সময়ে সাধারণত পানি সেচের প্রয়োজন হয় এবং ইউরিয়া ১৫০ কেজি, টিএসপি ৮০ কেজি, ও এমওপি ৭০ কেজি সার প্রয়োগ করতে হবে।

ঘাস কাটার পদ্ধতি:

বীজ থেকে চারা হবার পর থেকে ৩৫-৪০ দিন পর প্রথমবার ঘাস সংগ্রহ করা যায়, মাটির ৫-৬ ইঞ্চি উপর থেকে ঘাস কাটতে হয়।তিন সপ্তাহ পরপর পুনরায় ঘাস কাটা যায়। প্রথম কাটিং-এ ফলন একটু কম হলেও দ্বিতীয় কাটিং থেকে পরবর্তী ২/৩ বছর পর্যন্ত ফলন বাড়তে থাকে। এরপর আস্তে আস্তে কমতে থাকে। পরে পুনরায় বীজ অথবা কাটিং বা মোথা লাগাতে হবে। প্রত্যেকবার ঘাস কাঁটার পর একর প্রতি ৬০-৭০ কেজি ইউরিয়া, ৪০-৫০ কেজি টিএসপি, ৪০-৫০ কেজি এমওপি এবং ২-৩ টন গোবর/ কম্পোস্ট সার মাটিতে মিশিয়ে দিতে হবে।

পশুকে খাওয়ানোর নিয়ম:

জমি থেকে ঘাস কাটার পর ঘাস যাতে শুকিয়ে না যায় সেদিকে বিশেষ লক্ষ্য রাখতে হবে। আস্ত ঘাস গবাদিকে খেতে দিলে অপচয় বেশি হয়। তাই মেশিন, দা অথবা কাঁচি দ্বারা ২-৩ ইঞ্চি লম্বা করে কেটে খাওয়ানো ভাল। এই কাটা ঘাস খড়ের সাথে মিশিয়ে খাওয়ানো যেতে পারে। এ ছাড়া দুই থেকে তিন ইঞ্চি করে কেটে খড়ের সঙ্গে মিশিয়েও খাওয়ানো যায়। নেপিয়ার ঘাসে শতকরা ৭-১২ ভাগ প্রোটিন আছে।সুদান ঘাস শুকিয়ে সংরক্ষণ করা সুবিধাজনক নয়। তবে কাঁচা ঘাস সাইলেজ করে শুষ্ক মৌসুমে সংরক্ষণ করা যায়।

সুদান ঘাস উচ্চ ফলনশীল ঘাস। এই ঘাস চাষের মাধ্যেমে গবাদিপশুর কাঁচা ঘাসের চাহিদা মিটানো সম্ভবপর। কাঁচা ঘাস/সাইলেজের ব্যবহার যথাযথভাবে করতে পারলে দুধ উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে যা দ্বারা ক্রমান্বয়ে দেশের দুধের চাহিদা মিটানো সম্ভব। সম্প্রতি আমাদের দেশে দুধের দাম যেভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে তাতে করে দুধ উৎপাদন বাড়লে কৃষকের যেমন আর্থিক স্বচ্ছলতা বৃদ্ধি পাবে তেমনি দেশের আর্থিক অবস্থারও উন্নতি ঘটবে।

 

লেখকঃ কৃষিবিদ সালাউদ্দিন কাজী

 

এগ্রোবাংলা ডটকম

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ২৪, ২০২২ ১:৩৩ অপরাহ্ন
স্ট্রবেরি চাষে সাফল্য পাচ্ছেন জয়পুরহাটের চাষীরা
কৃষি বিভাগ

জয়পুরহাটে বাণিজ্যিকভাবে বিদেশী ফল স্ট্রবেরি চাষ করে অনেকেই সফলতা পেয়েছেন। বানিজ্যিকভাবে এ ফল চাষ লাভজনক হওয়ায় প্রতিবছরই বাড়ছে এর আবাদ। কম খরচে অধিক লাভ হওয়ায় দিন দিন এ এলাকায় স্ট্রবেরি চাষে ঝুঁকে পড়ছেন চাষীরা।কৃষি বিভাগও স্ট্রবেরি চাষে সহযোগিতা করছে।

স্ট্রবেরি শীত প্রধান অঞ্চলের ফল হলেও গত কয়েক বছর ধরে দেশের বিভিন্ন এলাকায় এর চাষ হচ্ছে। আর তাতে সফলতাও মিলছে। জয়পুরহাটেও বাণিজ্যিকভাবে স্ট্রবেরি চাষ শুরু হয়েছে। এ বছর জেলায় ১২ হেক্টর জমিতে স্ট্রবেরি চাষ হয়েছে। উৎপাদন হবে কমপক্ষে ১ শ ২০ মেট্রিকটন স্ট্রবেরি।

সম্প্রতি কৃষি অর্থনীতি বিভাগ ও বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের এক গবেষণায় দেখা গেছে, স্ট্রবেরির প্রতিটি গাছে ৪০টি ফল ধরে। প্রতি বিঘা জমিতে প্রায় ২ হাজার ৭৭৮ কেজি ফলন হয়। প্রতি কেজি স্ট্রবেরির উৎপাদন খরচ প্রায় ৪২ টাকা। আর সেটা বিক্রি করা যায় পাওয়া যায় একশ টাকা। সেই হিসাবে এক বিঘা জমিতে এক লাখ টাকা খরচ করে স্ট্রবেরি চাষ করে অন্তত ৩ লাখ টাকা লাভ হতে পারে। এসব বিবেচনায়, স্ট্রবেরি চাষ খুবই লাভজনক বলে দাবি বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের।

কৃষকরা জানান, প্রতি বিঘা স্ট্রবেরি ফল বিক্রি করে ২ লাখ থেকে ৩ লাখ টাকা লাভ হতে পারে বলে জানান তারা। এ কারনে অনেকেই স্ট্রবেরি চাষে আগ্রহী হয়ে উঠছে।

স্ট্রবেরি  রসালো ও পুষ্টিকর ফল। রঙ, গন্ধ ও স্বাদে অতুলনীয় হওয়ায় এটি সারাবিশ্বে সমাদৃত। ফলটি রবি মৌসুমে চাষের উপযোগী। দেশের আবহাওয়ায় আশ্বিন মাসই (মধ্য সেপ্টেম্বর থেকে মধ্য অক্টোবর) স্ট্রবেরির রোপণের উপযুক্ত সময়। তবে নভেম্বর-ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত চারা রোপণ করা যায়। ডিসেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে গাছে ফুল আসতে শুরু করে এবং ডিসেম্বরের শেষ ভাগ থেকে পর্যন্ত ফল আহরণ করা যায়।

জয়পুরহাট জেলা কৃষি বিভাগের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ শফিকুর ইসলাম বলেন, কৃষি বিভাগ থেকে সার্বিক সহযোগিতা করা হয়। অন্যবারের চেয়ে এবার স্ট্রবেরি বেশি চাষ হচ্ছে। এটি একটি সম্ভাবনাময় ফসল, খরচের তুলনায় লাভ বেশি।

জয়পুরহাটে উৎপাদিত স্ট্রবেরি রাজধানী সহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্রি হয়। আবাদ আরও বাড়লে বিদেশে রপ্তানি সম্ভব বলেও মনে করছে কৃষি বিভাগ।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ২৩, ২০২২ ১০:১০ অপরাহ্ন
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় বারি সূর্যমুখী-২’র ওপর মাঠদিবস অনুষ্ঠিত
কৃষি বিভাগ

নাহিদ বিন রফিক (বরিশাল): পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় বারি সূর্যমুখী-২’র ওপর মাঠদিবস অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ উপজেলার পাখিমারায় বিএআরআই’র সরেজমিন গবেষণা বিভাগের উদ্যোগে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

এতে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বিএআরআই) মহাপরিচালক ড. দেবাশিষ সরকার। বিশেষ অতিথি ছিলেন তেল বীজ গবেষণা কেন্দ্রের পরিচালক ড. আব্দুল লতিফ আকন্দ এবং কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের (ডিএই) অতিরিক্ত পরিচালক মো. তাওফিকুল আলম।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বরিশালের আঞ্চলিক কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. রফি উদ্দিন। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বৃহত্তর বরিশাল ও ফরিদপুর অঞ্চলের ডাল উৎপাদন বৃদ্ধি প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক ড. মো. ছালেহ উদ্দিন, ডিএই’র উপপরিচালক একেএম মহিউদ্দিন, বিএআরআই’র প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. সহিদুল ইসলাম খান, ভাসমান কৃষি প্রকল্পের ড. মো. মোস্তাফিজুর রহমান তালুকদার, বিএআরআই’র প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. আলিমুর রহমান, কলাপাড়ার উপজেলা কৃষি অফিসার এ.আর.এম. সাইফুল্লাহ, বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. মাহবুবুর রহমান, বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. মাইনুল ইসলাম, বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. নজরুল ইসলাম, কৃষি তথ্য সার্ভিসের কর্মকর্তা নাহিদ বিন রফিক, কৃষক সুলতান গাজী, জুলেখা বেগম প্রমুখ।

প্রধান অতিথি বলেন, সূর্যমুখীর তেল স্বাস্থ্যের জন্য হিতকর। যেহেতু দক্ষিণাঞ্চলে রয়েছে এর যথেষ্ট সম্ভাবনা। তাই অন্যান্য তেলফসলের পাশাপাশি সূর্যমুখীর আবাদ বাড়ানো দরকার। এর আগে তিনি বরগুনার আমতলীতে ৫০ বিঘা মুগের প্রদর্শনীপ্লট পরিদর্শন করেন। অনুষ্ঠানে তেলজাতীয় ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি প্রকল্পের (বারি অংগ) আওতাধীন দেড়শতাধিক কৃষক উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop