৪:৪২ পূর্বাহ্ন

মঙ্গলবার, ১০ মার্চ , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : মার্চ ৫, ২০২২ ১০:৩১ অপরাহ্ন
সিকৃবিতে ডিভিএম ২৩ তম ব্যাচের ইন্টার্নশিপ ওরিয়েন্টেশন
ক্যাম্পাস

সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (সিকৃবি) ভেটেরিনারি, এনিম্যাল ও বায়োমেডিক্যাল সায়েন্সেস অনুষদের ২৩ তম ব্যাচের ইন্টার্নশিপ ওরিয়েন্টেশন ২০২১-২২ সম্পন্ন হয়েছে। ৫ মার্চ , শনিবার সকাল ১১টায় সিকৃবির ভেটেরিনারি, এনিম্যাল ও বায়োমেডিক্যাল সায়েন্সেস অনুষদের সম্মেলন কক্ষে ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠিত হয়।

ভেটেরিনারি, এনিম্যাল ও বায়োমেডিক্যাল সায়েন্সেস অনুষদের  ডিন  অধ্যাপক ড. এম রাশেদ হাসনাত এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিকৃবি’র মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. মতিয়ার রহমান হাওলাদার। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মো : নুরুল ইসলাম, ভারপ্রাপ্ত পরিচালক, সিলেট বিভাগীয় প্রাণিসম্পদ দপ্তর, সিলেট।তাছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন ভেটেরিনারি অনুষদের বিভাগীয় চেয়ারম্যানগন ও শিক্ষকবৃন্দ, সিলেট জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা , ডিভিএম ২৩তম ব্যাচের শিক্ষার্থীবৃন্দ ও এসকেএফ ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড এর সদস্যবৃন্দ।

সার্জারি অ্যান্ড থেরিওজেনোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ও ইন্টার্নশিপ বাস্তবায়ন কমিটির সদস্য ড. অনিমেষ চন্দ্র রায়ের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন ইন্টার্নশিপ বাস্তবায়ন কমিটির কো-অর্ডিনেটর ও মেডিসিন বিভাগের অধ্যাপক ডা. মো : রফিকুল ইসলাম। অনুষ্ঠানের শুরুতে শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন দাবি-দাওয়া পেশ করেন ফাহমিদা জাকির ফাহিম ও সোহেল রানা।

প্রধান অতিথীর বক্তব্যে অধ্যাপক ড. মো. মতিয়ার রহমান হাওলাদার শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন,ভেটেরিনারি একটি বহুমুখী কর্মপরিধি বিশিষ্ট পেশা।ভেটেরিনারিয়ানদের চাহিদা দিন দিন বাড়ছে এবং কাজের সুযোগের পরিধিও বৃদ্ধি পাচ্ছে।ইন্টার্নশিপের সময় গুলো সঠিকভাবে কাজে লাগাতে হবে। দক্ষ ভেটেরিনারি গ্রাজুয়েট হতে হলে পড়াশোনার পাশাপাশি দক্ষতা অর্জন করতে হবে।যেহেতু হাতে কলমে শেখার সুযোগ রয়েছে, তাই সেটাকে কাজে লাগিয়ে একজন দক্ষ প্রাণিসম্পদ কর্মী হিসেবে নিজেদেরকে গড়ে তুলতে হবে।বর্তমান সময়ে ভেটেরিনারি সায়েন্স প্রাণি চিকিৎসার মধ্যে সীমাবদ্ধ না। সরকারি, বেসরকারি ও গবেষণা  সেক্টরে আমাদের ভেটেরিনারি গ্রাজুয়েটদের অবদান রয়েছে। প্রাণিরা সুস্থ থাকলে আমরা সুস্থ থাকবো।

অনুষ্ঠানের সমাপনী বক্তব্যে অধ্যাপক ড. এম রাশেদ হাসনাত বলেন, ডিভিএম ২৩ তম ব্যাচের একাডেমিক ক্ষতি কমানোর জন্য আমরা দ্রুত সময়ে ইন্টার্নশিপ শুরু করেছি।তোমরা আমার উপর আশ্বস্ত থাকো।

উল্লেখ্য, এ বছর ডিভিএম- ২৩ তম ব্যাচের  ৮৮ জন শিক্ষার্থী ৮ টি গ্রুপে দেশের বিভিন্ন জায়গায় ইন্টার্নশিপ করবে।পুরো প্রোগ্রামের স্পন্সর করেন এসকেএফ ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড ।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ফেব্রুয়ারী ২৭, ২০২২ ৯:২০ অপরাহ্ন
বহুল আকাঙ্ক্ষিত প্রাতিষ্ঠানিক ইমেইল পেতে যাচ্ছে সিকৃবি শিক্ষার্থীরা
ক্যাম্পাস

অর্ঘ্য চন্দ, সিকৃবি প্রতিনিধি: কোনো স্বীকৃত প্রতিষ্ঠান হতে ইস্যুকৃত সেই প্রতিষ্ঠানের পরিচিয়বহনকারী ইমেইলই হচ্ছে প্রাতিষ্ঠানিক ইমেইল। প্রাতিষ্ঠানিক ইমেইল ব্যবহারের মাধ্যমে একজন শিক্ষার্থী অর্থের বিনিময়ে পেতে হয় এমন বিভিন্ন ধরনের সেবা পেতে পারেন একদম সাশ্রয়ী মূল্যে কিংবা একদম বিনামূল্যে।

বাংলাদেশের অনেক বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া শিক্ষার্থীরা ইতোমধ্যে প্রাতিষ্ঠানিক মেইলের সুবিধা ভোগ করছে। আধুনিক বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের এগিয়ে নিতে ও বিভিন্ন সুবিধাসমূহ দেয়ার প্র‍য়াসে সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতকোত্তর ও পিএইচডি পর্যায়ে শিক্ষার্থদের প্রাথমিকভাবে প্রাতিষ্ঠানিক ইমেইল প্রদান করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

প্রাতিষ্ঠানিক ইমেইল প্রদান অনুষ্ঠানটি আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি রোজ সোমবার সকাল ১১ টায় ভেটেরিনারী, এ্যানিমেল ও বায়োমেডিকেল সায়েন্সেস অনুষদ ভবন-২ এর সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হবে । এদিন বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬ টি অনুষদের ৬ জন স্নাতকোত্তর শিক্ষার্থীকে প্রাতিষ্ঠানিক ইমেইল প্রদান করা হবে বলে জানানো হয়েছে।

সিকৃবি তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি সেল এর চেয়ারম্যান প্রণজিত কুমার দাস জানান, আধুনিক বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে শিক্ষার্থীদের নতুন প্রযুক্তির সাথে পরিচয় করিয়ে দিতে আগামি ২৮ ফেব্রুয়ারিতে স্নাতকোত্তর ও পিএইচডি পর্যায়ে প্রাতিষ্ঠানিক ইমেইল সুবিধা প্রদানের উদ্বোধন করা হবে। উদ্বোধনি অনুষ্ঠানের পর প্রাতিষ্ঠানিক ইমেইল প্রাপ্তির জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে নির্দিষ্ট ফরম পূরণ করার পর আবেদনকারীদের ইমেইল প্রদান করা হবে। উক্ত অনুষ্ঠানে সিকৃবির মাননীয় উপাচার্য বীর মুক্তিযোদ্ধা প্রফেসর ড. মো: মতিয়ার রহমান হাওলাদার মহোদয় উপস্থিত থেকে শুভ উদ্বোধন করার সম্মতি জ্ঞাপন করেছেন বলে জানান তিনি।

এছাড়াও আইসিটি সেলের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, প্রাতিষ্ঠানিক ইমেইল প্রদান অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন সম্মানিত রেজিস্ট্রার, ডিনবৃন্দ, বিভাগীয় চেয়ারম্যানবৃন্দ, ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের পরিচালক, প্রক্টর, অর্থ ও হিসাব শাখার পরিচালক, পরিকল্পনা, উন্নয়ন ও ওয়ার্কস এর পরিচালক সহ বিভিন্ন দপ্তরের পরিচালকবৃন্দ।

সিকৃবি সাংবাদিক সমিতির পক্ষ থেকে এর আগে গত ১৫ ফেব্রুয়ারিতে আইসিটি সেলের চেয়ারম্যান প্রণজিত কুমার দাশের সাথে প্রাতিষ্ঠানিক মেইলের ব্যাপারে যোগাযোগ করা হলে, তিনি দেড় মাসের মধ্যে শিক্ষার্থীদের প্রাতিষ্ঠানিক ইমেইল প্রদান করা হবে বলে আশ্বস্ত করেছিলেন। কিন্তু নির্দিষ্ট সময়ের অনেক আগেই দুই সপ্তাহের মধ্যেই তিনি শিক্ষার্থীদের প্রাতিষ্ঠানিক ইমেইল প্রদান অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিলেন।

প্রাতিষ্ঠানিক ইমেইল পাওয়ার বিষয়ে কীটতত্ত্ব বিভাগের স্নাতকোত্তর শিক্ষার্থী শরিফ মেহেরিয়া উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে বলেন, আমাদের বহুল আকাঙ্ক্ষিত স্বপ্নটি পূরণ হতে চলেছে। এমন একটি সংবাদ শুনার জন্য আমরা অনেকদিন যাবৎ অপেক্ষায় ছিলাম। এই খবরটি নিঃসন্দেহে সিকৃবি শিক্ষার্থীদের জন্য আনন্দের। আশা করছি খুব দ্রুত সময়ের মধ্যেই বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ স্নাতকোত্তর শিক্ষার্থীদের প্রাতিষ্ঠানিক ইমেইল প্রদানের কাজটি শেষ করবে।

সারাবিশ্বের সনামধন্য জার্নালগুলোতে গবেষণা প্রবন্ধ প্রকাশনা, গবেষকদের প্রকাশিত গবেষণা প্রবন্ধ পড়া, গবেষণা অনুদান প্রাপ্তি ও শিক্ষাবৃত্তির জন্য আবেদনসহ বিদেশে উচ্চশিক্ষা গ্রহণের সাথে সম্পর্কিত বিভিন্ন ধরনের কাজে প্রাতিষ্ঠানিক ই-মেইলের প্রয়োজন হয়। প্রাতিষ্ঠানিক ইমেইল ব্যবহারের মাধ্যমে এখন থেকে এসব কাজসমূহ অনেকটা সহজেই করতে পারবেন সিকৃবিতে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীরা।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ফেব্রুয়ারী ২৭, ২০২২ ৯:০৯ অপরাহ্ন
হবিগঞ্জ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অস্থায়ী ক্যাম্পাসের নামফলক স্থাপন
ক্যাম্পাস

অর্ঘ্য চন্দ: হবিগঞ্জ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অস্থায়ী ক্যাম্পাসের নামফলক স্থাপন করা হয়েছে। রবিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে হবিগঞ্জ শহরের অদূরে সদর উপজেলার ভাদৈ এলাকায় অস্থায়ী ক্যাম্পাসের নামফলক স্থাপন করা হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন হবিগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য এডভোকেট মো. আবু জাহির ও হবিগঞ্জ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আবদুল বাসেত।

সংসদ সদস্য এডভোকেট মো. আবু জাহির হবিগঞ্জে একটি কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

আরও উপস্থিত ছিলেন সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি অনুষদের প্লান্ট প্যাথলজি ও সিড সায়েন্স বিভাগের অধ্যাপক ড. মনিরুল ইসলাম সোহাগ, এগ্রিকালচার ক্যামিস্ট্রি বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. কামরুল হাসান, এগ্রিকালচারাল কন্সট্রাকশন ও এনভায়রনমেন্টাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. তরিকুল ইসলাম রানা।

নামফলক স্থাপনের পর মোনাজাতে অংশ নেন উপস্থিত অতিথিবৃন্দ। হবিগঞ্জ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আবদুল বাসেত জানান, ‘এই মুহূর্তে স্বল্প পরিসরে অনানুষ্ঠানিকভাবে নাম ফলক স্থাপন করা হয়েছে, পরবর্তিতে ব্যাপক পরিসরে সকলের উপস্থিতিতে শিক্ষা কার্যক্রম সহ বিশ্ববিদ্যালয়ের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হবে’। তিনি আরো জানান ২০২১-২০২২ শিক্ষাবর্ষ হতে তিনটি অনুষদের অধীনে (কৃষি, মাৎস্য, ভেটেরিনারি ও এনিম্যাল সাইন্স) শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে।

তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, শিক্ষা মন্ত্রী ডা. দীপু মনি এমপি ও শিক্ষা উপমন্ত্রী ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল এমপি সহ সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

উল্লেখ্য, গতবছরের ২২ মার্চ রাষ্ট্রপতি ও চ্যান্সেলর হবিগঞ্জ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় আইন ২০২০-এর ১০(১) ধারা অনুসারে মো. আবদুল বাসেতকে হবিগঞ্জ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে চার বছরের জন্য নিয়োগ প্রদান করেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ফেব্রুয়ারী ১৯, ২০২২ ৯:৪৪ অপরাহ্ন
খুবিতে পরিবেশ বিষয়ক প্রথম আন্তর্জাতিক সম্মেলনের উদ্বোধন
কৃষি গবেষনা

বর্তমান সরকার জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ইস্যুকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে : মন্ত্রী

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স ডিসিপ্লিনের উদ্যোগে পরিবেশ বিষয়ক দু’দিনব্যাপী প্রথম আন্তর্জাতিক সম্মেলন শুরু হয়েছে। সম্মেলনের প্রতিপাদ্য ‘ক্লাইমেট চেঞ্জ এন্ড ইকোসিস্টেম রেস্টোরেশন’। আজ ১৯ ফেব্রুয়ারি (শনিবার) সকাল ৯টায় আচার্য জগদীশচন্দ্র বসু একাডেমিক ভবনের সাংবাদিক লিয়াকত আলী মিলনায়তে সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত থেকে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মোঃ শাহাব উদ্দিন।

তিনি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বিশ্বের অনেক দেশের মতো বাংলাদেশও মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত। তবে বাংলাদেশ পরিবেশের ক্ষতি না করেও আজ প্রথম সারির ভুক্তভোগী দেশ। জলবায়ু পরিবর্তনে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থানে। এজন্য বর্তমান সরকার জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ইস্যুকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। এ বিষয়ে ন্যাশনাল এডাপটেশন প্লান তৈরি করা হচ্ছে। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় রিসার্চ এবং নলেজ ম্যানেজমেন্টকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী আজ জলবায়ু ইস্যুতে বিশ্বের সোচ্চার দেশ প্রধানদের মধ্যে অন্যতম। তিনি এক্ষেত্রে ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর প্রতিবাদী কণ্ঠস্বর হিসেবে কাজ করছেন। জাতিসংঘের স্বীকৃতিও পেয়েছেন। তিনি বলেন, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভৌগলিক অবস্থানজনিত কারণে এখানে গবেষণার ব্যাপক সুযোগ রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়টি এ ব্যাপারে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে সক্ষম হবে। এই সম্মেলন থেকে প্রাপ্ত সুপারিশমালা মন্ত্রণালয়ের কর্মপরিকল্পনা গ্রহণে গুরুত্ব দেওয়া হবে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী বেগম হাবিবুন নাহার বলেন, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় আয়োজিত এই আন্তর্জাতিক সম্মেলন খুবই গুরুত্বপূর্ণ। জলবায়ু পরিবর্তনে পরিবেশের যে ক্ষতি হয়েছে, তা নিয়ে বিশ্ব কতটা চিন্তিত সেটা বুঝতেই এই সম্মেলন।

তিনি বলেন, দেশ স্বাধীনের পর ১৯৭৩-১৯৭৪ সালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পরিবেশ বিষয়ে বিভিন্ন আইন করে গেছেন। তারই সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ আজ এগিয়ে যাচ্ছে। পরিবেশ বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের কারণে তিনি এ বিষয়ে জাতিসংঘের সর্বোচ্চ পুরস্কার পেয়েছেন। এ থেকেই আমরা বুঝতে পারি পরিবেশ নিয়ে ভাবনা এখন সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায়ের।

উপমন্ত্রী বলেন, বিশ্বের ১৯৭টি দেশ সবাই এখন বিশ্বাস করে আমাদের পরিবেশ ও প্রতিবেশ ঠিক রাখতে হবে। গত বছর অনুষ্ঠিত বিশ্ব জলবায়ু সম্মেলনেও পরিবেশের নানা দিক স্থান পেয়েছে। বাংলাদেশসহ বিশ্বের সকল দেশই চায় সুন্দর পরিবেশ ধরে রাখতে। তবে বিশ্বের শিল্পোন্নত দেশগুলো পরিবেশ বিপর্যয়ের জন্য দায়ী। তাদের বিষয়ে সবাইকে ভাবতে হবে।

তিনি বলেন, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যোগে পরিবেশ বিষয়ক প্রথম এই আন্তর্জাতিক সম্মেলন আয়োজন অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য বার্তা যে, আমাদের পরিবেশ নিয়ে ভাবার সময় এসেছে। সকলের গবেষণায় এই বিপর্যয় কাটিয়ে উঠতে হবে। তিনি আরও বলেন, বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে সুন্দরবন আমাদের রক্ষা করে আসছে। এসব দুর্যোগের কারণে সুন্দরবনের ক্ষতি হচ্ছে, আয়তন কমে আসছে। প্রতিবছর ২-৪টি দুর্যোগে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় সুন্দরবন উপকূলীয় দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল। সুন্দরবন না থাকলে এ উপকূলে মানব বসতি ও জীবনযাপন সম্ভব হবে না। এ বিষয়ে ভাবতে পরিবেশ বিজ্ঞানীদের এগিয়ে আসতে হবে। সকলের চিন্তা-ভাবনায় আমাদের দেশ বিশ্বে আরও ভাল অবস্থান তৈরি করবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

সভাপতির বক্তব্যে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর ও সম্মেলনের চিফ প্যাট্রন প্রফেসর ড. মাহমুদ হোসেন বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনজনিত যে বিরূপ প্রতিক্রিয়া শুরু হয়েছে তা ভবিষ্যতে মানবজাতি ও সভ্যতার জন্য হুমকী স্বরুপ। তিনি বলেন এই সম্মেলনটি দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সম্মেলনে শুধু দেশের জন্যই নয় আঞ্চলিক এবং বৈশ্বিক বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য-উপাত্ত নিয়েও আলোচনা হবে। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থান উপকূলীয় এলাকায় হওয়ায় পরিবেশ ও প্রতিবেশ নিয়ে শিক্ষা ও গবেষণা করা আমাদের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। সে দায়িত্ববোধ থেকেই এমন সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্লিনারি স্পিকার হিসেবে বক্তব্য রাখেন ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমেরিটাস প্রফেসর ড. আইনুন নিশাত। প্যাট্রন হিসেবে বক্তব্য রাখেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মোসাম্মাৎ হোসনে আরা এবং জীববিজ্ঞান স্কুলের ডিন প্রফেসর খান গোলাম কুদ্দুস। স্বাগত বক্তব্য রাখেন সম্মেলনের অরগানাইজিং সেক্রেটারি সংশ্লিষ্ট ডিসিপ্লিন প্রধান প্রফেসর ড. আব্দুল্লাহ হারুন চৌধুরী এবং ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন সম্মেলনের অরগানাইজিং কমিটির কনভেনর প্রফেসর ড. দিলীপ কুমার দত্ত। এর আগে জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে সম্মেলন শুরু হয়। এরপর অতিথিবৃন্দ এবং বিদেশি ডেলিগেটদের ফুল ও উত্তরীয় দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো হয়। উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে সম্মেলনের বিষয়ে বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি সংগঠনের অংশগ্রহণে প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন উপমন্ত্রী বেগম হাবিবুন নাহার। এসময় ভাইস-চ্যান্সেলর ও প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর উপস্থিত ছিলেন।

সম্মেলনে খ্যাতনামা পরিবেশবিদ প্রফেসর ড. আলী রেজা খান ছাড়াও ভারত, পাকিস্তান, নেপাল, সংযুক্ত আরব আমিরাত, সুইডেনসহ দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞ, বিজ্ঞানী সশরীরে এবং ভার্চুয়ালি এই সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেন। সম্মেলনে ৬টি কি-নোট পেপার এবং ১২৫টি গবেষণা নিবন্ধ উপস্থাপিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এ সম্মেলনে ৬০ জন তরুণ গবেষকের গবেষণা নিবন্ধও উপস্থাপিত হবে।

উৎসঃখুলনা বিশ্ববিদ্যালয় ফেসবুক পেজ

মোঃ আমিনুল খান

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ফেব্রুয়ারী ১৪, ২০২২ ১২:২২ অপরাহ্ন
সিলেটে বর্ণাঢ্য আয়োজনে কৃষিবিদ দিবস পালিত
ক্যাম্পাস

সিকৃবি প্রতিনিধি: সিলেটে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে কৃষিবিদ দিবস উদযাপন করা হয়েছে। রবিবার( ১৩ ফেব্রুয়ারী) সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে সকাল সাড়ে দশটায় কৃষিবিদ দিবস উপলক্ষে আনন্দ র‌্যালি অনুষ্ঠিত হয়।

“বঙ্গবন্ধুর মহান দান কৃষিবিদ ক্লাস ওয়ান” শ্লোগানকে সামনে রেখে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে থেকে শুরু করে র‌্যালিটি সমগ্র ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করে বঙ্গবন্ধু ম্যুরালের সামনে গিয়ে শেষ হয়। সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ মতিয়ার রহমান হাওলাদেরর নেতৃত্বে র‌্যালিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রী, শিক্ষক-কর্মকর্তা এবং সিলেট অঞ্চলে কর্মরত বিভিন্ন পর্যায়ের কৃষিবিদবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।

র‌্যালি শেষে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা জানানো হয়। সিকৃবির ভেটেরিনারি, এনিম্যাল ও বায়োমেডিক্যাল সায়েন্সেস অনুষদের সম্মেলন কক্ষে কৃষিবিদ দিবসের তাৎপর্য নিয়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

কেআইবি (কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ) সিলেট চ্যাপ্টারের সহ-সাধারণ সম্পাদক ড. সালাহ উদ্দীন আহমদের সঞ্চালনায় এবং কেআইবি সিলেট চ্যাপ্টারের সভাপতি কৃষিবিদ মোঃ সাজিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান পৃষ্ঠপোষক হিসেবে বক্তব্য রাখেন সিকৃবির ভাইস-চ্যান্সেলর কৃষিবিদ প্রফেসর ড. মোঃ মতিয়ার রহমান হাওলাদার। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিভাগীয় প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের পরিচালক কৃষিবিদ ড. অমলেন্দু ঘোষ, কেআইবি সিলেটের সাবেক সভাপতি কৃষিবিদ প্রফেসর ডাঃ মোঃ জামাল উদ্দিন ভূঞা, সিকৃবি রিসার্চ সিস্টেমের পরিচালক কৃষিবিদ প্রফেসর ড. সায়েম উদ্দিন আহম্মদ, কৃষি অর্থসংস্থান ও ব্যাংকিং বিভাগের কৃষিবিদ প্রফেসর ড. জীবন কৃষ্ণ সাহা, মাৎস্যবিজ্ঞান অনুষদের ডিন কৃষিবিদ প্রফেসর ড. মৃত্যুঞ্জয় কুন্ড, সিলেট জেলা প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা কৃষিবিদ ডাঃ মোঃ রুস্তম আলী, বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা কৃষিবিদ ড. মাহমুদুল ইসলাম নজরুল, বিএডিসির যুগ্ম পরিচালক সুপ্রিয় পাল, মাৎস্যবিজ্ঞান অনুষদের সাবেক ডিন কৃষিবিদ প্রফেসর ড. মোঃ শাহাব উদ্দিন, সাউরেসের অতিরিক্ত পরিচালক কৃষিবিদ দেবাশীষ সাহা প্রমুখ।

আলোচনায় বক্তারা বলেন, প্রান্তিক পর্যায়ের কৃষকদের উন্নয়নে এখুনি কাজ করতে হবে। গবেষণায় ও কৃষি প্রযুক্তি সম্প্রসারণের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়তে সমন্বিত, আন্তরিক এবং কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। এসময় কৃষির যান্ত্রীকরণের উপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়।

এবারের কৃষিবিদ দিবসে সিলেটের জ্যেষ্ঠ কৃষিবিদদের সম্মাননা প্রদান করা হয়। যারা সম্মাননা পেলেন তারা হলেন, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের অবসারপ্রাপ্ত পরিচালক কৃষিবিদ ডাঃ কাজী তওহীদ আলী, সিলেট বীজ প্রত্যয়ন এজেন্সির অবসরপ্রাপ্ত আঞ্চলিক বীজ প্রত্যয়ন অফিসার কৃষিবিদ মোহাম্মদ আবু নাসের, সিকৃবির মৃত্তিকা বিজ্ঞান বিভাগের কৃষিবিদ প্রফেসর ড. মোঃ আবুল কাশেম, সিলেট বিভাগীয় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অবসারপ্রাপ্ত উপ-পরিচালক কৃষিবিদ এস এম ইলিয়াস, বিএডিসির অবসরপ্রাপ্ত যুগ্ম পরিচালক কৃষিবিদ রবীন্দ্র কুমার সিংহ। উল্লেখ্য, ১৯৭৩ সালের এই দিনে মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীদের কৃষি শিক্ষায় আকৃষ্ট করে আধুনিক কৃষি ব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষে বঙ্গবন্ধু কৃষিবিদদের প্রথম শ্রেণির পদমর্যাদা প্রদান করেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ফেব্রুয়ারী ১২, ২০২২ ৪:৩২ অপরাহ্ন
শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে হকৃবি উপাচার্য ড. বাসেতের সৌজন্য সাক্ষাৎ
ক্যাম্পাস

অর্ঘ্য চন্দ : শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন হবিগঞ্জ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (হকৃবি) উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ আব্দুল বাসেত।

শুক্রবার (১১ ফেব্রুয়ারি) সিলেট সার্কিট হাউসে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি ও শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেলের সাথে এই সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন এবং ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

এতে আরো উপস্থিত ছিলেন সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. মতিয়ার রহমান হাওলাদার, ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. মোস্তফা সামছুজ্জামান, অতিরিক্ত পরিচালক সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. মাহফুজুর রব, প্রক্টর সহযোগী অধ্যাপক ড. তরিকুল ইসলাম, সহযোগী আধ্যাপক ড. অসিম শিকদার ওও সহকারী প্রক্টর মো. রাফাত আল ফয়সাল।

এ সময় উপাচার্য ড. বাসেত নব নির্মিত হবিগঞ্জ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমীক কার্যক্রম চালুকরণ ও বিশ্ববিদ্যালয় কে পূর্ণতাদানের নানা স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষিয়ে আলাপ করেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ফেব্রুয়ারী ৭, ২০২২ ৫:৩৩ অপরাহ্ন
খুবিতে ১৭ ব্যাচের বিদায়ী সংবর্ধনা অনুষ্ঠিতঃ
ক্যাম্পাস

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের এগ্রোটেকনোলজি ডিসিপ্লিনের উদ্যোগে ১৭ ব্যাচের বিদায়ী সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত আজ ০৭/০২/২০২২ তারিখে । বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য জগদীশ চন্দ্র বসু একাডেমিক ভবনের ২২০১ নাম্বার কক্ষে অনুষ্ঠিত । অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন প্রফেসর খান গোলাম কুদ্দুস ,রেজিস্টার(ভারপ্রাপ্ত)  ও ডীন ,লাইফ সায়েন্স স্কুল , বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন প্রফেসর ড. ইয়াসিন আলী , এগ্রোটেকনোলজি ডিসিপ্লিন, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়। অনুষ্ঠানে সভাপতি হিসেবে বক্তব্য রাখেন প্রফেসর ড. সরদার শফিকুল ইসলাম , প্রধান(ভারপ্রাপ্ত), এগ্রোটেকনোলজি ডিসিপ্লিন, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়,খুলনা । অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন এগ্রোটেকনোলজি ডিসিপ্লিনের ১৮ ব্যাচের শিক্ষার্থী সরফুদ্দিন আহমেদ রাফি ও ফাতেমা চৌধুরী চৈতি । অনুষ্ঠানে অনুভুতি তুলে ধরেন ২০ ব্যাচের শিক্ষার্থী আসাদুর রহমান আসাদ , ১৯ ব্যাচের শিক্ষার্থী দিশা মল্লিক, ১৮ ব্যাচের শিক্ষার্থী মোহাম্মাদ শরিফুল ইসলাম,১৭ ব্যাচের পক্ষ থেকে মোহাম্মাদ মেসবাউল ইসলাম ও সালেহা খাতুন রিপ্তা অনুভুতি তুলে ধরেন ও সবার জন্য দোয়া কামনা করেন । এসময় বক্তারা বিদায়ী ব্যাচের সকলের সাফল্য কামনা করেন। এসময় আর ও উপস্থিত ছিলেন এগ্রোটেকনোলজি ডিসিপ্লিনের শ্রদ্ধেয় শিক্ষক প্রফেসর ড. সারওয়ার জাহান , প্রফেসর ড. মনিরুল ইসলাম, প্রফেসর ড. মাহতালাত আহমেদ  প্রফেসর ড. এনামুল কবির ,প্রফেসর ড. ইয়ামিন কবি্র , সহযোগী অধ্যাপক ড. সাবিহা সুলতানা,সহযোগী অধ্যাপক ড. শিমুল দাস , সহযোগী অধ্যাপক ড. প্রশান্ত কুমার দাস ।এসময় উপস্থিত ছিলেন এগ্রোটেকনোলজি এলামনাই এসোসিয়েশনের সভাপতি ও শিক্ষক প্রফেসর ড. মতিউল ইসলাম। এসময় কার্যনির্বাহী সদস্য অানোয়ার হোসেন অানু উপস্থিত ছিলেন।

মোঃ আমিনুল খান

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জানুয়ারী ২৮, ২০২২ ৮:০৪ অপরাহ্ন
বাকৃবি’র গবেষণা অগ্রগতি শীর্ষক বার্ষিক কর্মশালা শুরু
ক্যাম্পাস

কৃষিবিদ দীন মোহাম্মদ দীনু, বাকৃবিঃ বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় রিসার্চ সিস্টেম (বাউরেস) আয়োজিত ৩দিনব্যাপী বাকৃবি’র গবেষণা অগ্রগতির বার্ষিক কর্মশালা ‘উন্নত ভবিষ্যতের পথে টেকসই ও অভিযোজিত কৃষি’ শুরূ হয়েছে আজ ২৮.০১.২০২২ শুক্রবার। কর্মশালাটি ভার্চুয়ালি উদ্বোধন করেন পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী প্রফেসর ড. শামছুল আলম। বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিলের নির্বাহী চেয়ারম্যান কৃষিবিদ ড. শেখ মোহাম্মদ বখতিয়ার এবং এসিআই এগ্রিবিজনেসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রতিষ্ঠাতা ড. এফ. এইচ. আনসারি। বাউরেসের পরিচালক প্রফেসর ড. মো. আবু হাদী নূর আলী খানের সভাপতিত্বে কর্মশালায় প্রধান পৃষ্ঠপোষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাকৃবি উপাচার্য প্রফেসর ড. লুৎফুল হাসান।
বাউরেস এর সিনিয়র বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. পরেশ কুমার শর্মার সঞ্চালনায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন বাউরেস এর সহযোগী পরিচালক প্রফেসর ড. এ,কে,এম, মমিনুল ইসলাম। গবেষণার এইচ-ইনডেক্সের ওপর ভিত্তি করে সর্বোচ্চ হাই ইনডেক্স স্কোরধারী ০৫ জনকে এবং অনুষদওয়ারী সিনিয়র ও জুনিয়র ক্যাটাগরিতে ১১ জনকে বাকৃবির মোট ১৬জন গবেষককে গ্লোবাল রিসার্চ ইমপ্যাক্ট রিকগনাইজেশন অ্যাওয়ার্ড-২০২২’ প্রদান করা হয়। এছাড়াও কৃষিতে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে কৃষি উৎপাদনে বিশেষ অবদান রাখার জন্য খামারি পর্যায়ের ৪ জন উদ্যোক্তাকে ‘প্রফেসর ড. আশরাফ আলী খান স্মৃতি কৃষি পুরস্কার-২০২২ প্রদান করা হয়। এছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থায়নে পরিচালিত গবেষণা প্রকল্প থেকে ইমপ্যাক্ট-ফ্যাক্টর জার্নালে আর্টিকেল প্রকাশ করায় প্রকাশনা খরচ বাবদ ১৫ জনকে ১০০ ডলার সমপরিমাণ টাকা প্রকাশনা ফি প্রদান করা হয়।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রফেসর ড. শামসুল আলম গবেষণায় আরো সাফল্যমন্ডিত হয়ে প্রয়োজনীয় জাত বিশেষ করে পেঁয়াজ, আদা, রসুন, বিভিন্ন মসলা জাতীয় পণ্যের জাত উদ্ভাবন করার দিকে নজর দেন যাতে বিদেশ থেকে যেন আমদানী করতে না হয়। তিনি উৎপাদন ব্যয় কম কিন্তু উৎপাদিকা বেশী এমন গবেষণা, কৃষিজাত পণ্যের মান উন্নয়ন, খাদ্য নিরাপত্তা, সুষম বাজার ব্যবস্থাপনা, পিএইচডি রিসার্স ও মাস্টার্স এর থিসিস এর মান বৃদ্ধি ইত্যাদি বিষয়ে বেশি গুরুত্বআরোপ করেন।
প্রফেসর ড. লুৎফুল হাসান বলেন, বঙ্গবন্ধুর লালিত স্বপ্ন পূরণ করতে হলে সকল গবেষণা প্রতিষ্ঠান ও দেশী-বিদেশী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কোলাবোরেশানের মাধ্যমে আরও সুচারু ভাবের কাজ করতে হবে। তিনি আন্ডারগ্রাজুয়েটদের বিশেষ করে ফাইনাল ইয়ারের শিক্ষার্থীদের গবেষণায় যুক্ত করার তাগীদ পোষণ করেন যাতে তাদের দ্রুত কর্ম কর্মদক্ষতা ও জ্ঞানের বিকাশ ঘটতে পারে। গবেষণালব্ধ ফলাফল এর প্রচার বৃদ্ধি করার প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে গুরুত্ব আরোপ করেন যাতে গ্রাম বাংলার কৃষকের দোরগোড়ায় উন্নত টেকনোলজি সহজেই পৌঁছে যায়। তিনি নবীন শিক্ষকদের গবেষণার কাজে এগিয়ে আসারও আহ্বান জানান। ভবিষ্যতে বাকৃবিকে সাউথ এশিয়ান হাব হিসেবে দেখার আশাবাদও ব্যক্ত করেন।

আজ কর্মশালা উদ্বোধনের দিন জানা যায় বাকৃবি বাউরেস এ যাবৎ ১৯৮৪ থেকে ২০২১ পর্যন্ত ৩৪৫৬ টি গবেষণা প্রকল্প সম্পন্ন করেছে। কর্মশালায় আগামী ২৯ ও ৩০ জানুয়ারি ২০২১ সালে সম্পন্ন হওয়া বাকৃবির বিভিন্ন অনুষদের সর্বমোট ৪৬৩টি গবেষণা প্রকল্পের ফলাফল উপস্থাপিত হবে। যে সব প্রকল্পে অর্থায়ন করেছে ২১ টি আন্তর্জাতিক এবং ২৫ টি দেশীও সংস্থা। এছাড়াও কর্মশালায় মোট ১৯ টি টেকনিক্যাল সেশন অনুষ্ঠিত হবে।
ভার্চয়ালি অনুষ্ঠিত এ কর্মশালায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের শিক্ষক-গবেষকগণ, বিভিন্ন উদ্যোক্তা কৃষক ও খামারি এবং আমন্ত্রিত অতিথিগণ অংশ নেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জানুয়ারী ২৮, ২০২২ ৪:৩০ অপরাহ্ন
The panel nominated by Pro-Awami League Teachers’ Organization wins SAUTA election unopposed
ক্যাম্পাস

The executive committee election of the Sylhet Agricultural University Teachers’ Association (SAUTA) – 2022 has been won by the panel nominated from the Democratic Teachers’ Council (GoSiP), a pro-Awami League Teachers’ Organization without contest.

Professor Dr. Syed Sayeem Uddin Ahmed (Department of Epidemiology and Public Health) was elected as President and Dr. M. M. Mahbub Alam (Associate Professor, Department of Fish Health Management) was elected as General Secretary.

Professor Dr. Mohammad Ashraful Islam (Department of Agricultural Extension Education) was elected as Vice-president, Dr. Mohammad Abu Jafor Bapary (Associate Professor, Department of Fisheries Technology and Quality Control) was elected as Treasurer and Mr. Md. Nazmul Alom Tipu (Assistant Professor, Department of Rural sociology and development) was elected as Joint Secretary. The elected six Members of Executive Committee were: Professor Dr. Md. Nazrul Islam (Department of Agronomy and Haor Agriculture), Professor Dr. Md. Altaf Hossain (Department of Agricultural Construction and Environmental Engineering), Dr. Animesh Chandra Roy (Associate Professor, Department of Surgery and Theriogenology), Dr. Rana Roy (Associate Professor, Department of Agroforestry and Environmental Science), Mr. Rahul Bhattacharya (Assistant Professor, Department of Basic Science and Language) and Mr. Dilruba Afrin (Assistant Professor, Department of Animal and Fish Biotechnology).

The newly elected SAU Teachers’ Association – 2022 executive committee laid a wreath at the Portrait of the Father of the Nation Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman with the Vice-chancellor of the university.

 

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জানুয়ারী ১৭, ২০২২ ১১:৩৫ পূর্বাহ্ন
শিক্ষা ও গবেষণার মাধ্যমে বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় এগিয়ে যেতে হবে: সিকৃবি ভিসি
ক্যাম্পাস

সিকৃবি প্রতিনিধি: সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ মতিয়ার রহমান হাওলাদার বলেছেন, বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে হলে শিক্ষা ও গবেষণার বিকল্প নেই। যে জাতি গবেষণায় যত বেশি মনযোগী হয়েছে সে জাতি ততবেশি অগ্রসর হয়েছে।

১৬ জানুয়ারি রবিবার, সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের মাৎস্যবিজ্ঞান অনুষদের সম্মেলন কক্ষে পিএইচডি ডিসার্টেশন প্রপোজাল সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।

মাৎস্যবিজ্ঞান অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মৃত্যুঞ্জয় কুন্ডুর সভাপতিত্বে ও সহকারী প্রফেসর পার্থ প্রতিম বর্মনের সঞ্চলনায় সেমিনারে বিশেষ অতিথি ছিলেন পোস্ট গ্রাজুয়েট স্টাডিজ অনুষদের ডিন প্রফেসর ড.স্নেহাংশু শেখর চন্দ।

সেমিনারে বক্তারা বলেন বাংলাদেশ এখন মৎস্য উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণ এবং জাতীয় অর্থনীতিতে মাৎস্যখাতের অবদান ৩.৫২ শতাংশ। দেশের শতকরা ১২ভাগ লোক মাৎস্যখাতে জীবিকা নির্বাহ করে বলেও সেমিনারে জানানো হয়।

এসময় গবেষণা বিষয়ক তথ্যাদি উপস্থাপন করেন পিএইচডি ফেলো মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান এবং কাজী রাবেয়া আক্তার। সেমিনারে অন্যান্যদের মধ্যে পিএইচডির দুই সুপারভাইজর, মাৎস্যবিজ্ঞান অনুষদের সাবেক ডিন প্রফেসর ড. মোঃ শাহাব উদ্দিন, ফিশ বায়োলজি ও জেনেটিক্স বিভাগের প্রফেসর ড. নির্মল চন্দ্র রায়, বায়োটেকনোলজি ও জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মোহাম্মদ মেহেদী হাসান খান, পরিচালক (ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা) প্রফেসর ড. মোস্তফা সামছুজ্জামান, বিভাগীয় চেয়ারম্যান এবং শিক্ষকবৃন্দ ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop