৫:২৬ পূর্বাহ্ন

বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : জুন ১৬, ২০২১ ৫:৪৭ অপরাহ্ন
চিলমারী‌তে ২০৪ সু‌বিধা‌ভো‌গীর মা‌ঝে আর‌ডিএ প্রক‌ল্পের গরু বিতরণ
প্রাণিসম্পদ

কুড়িগ্রাম ও জামালপুর জেলার হতদরিদ্রদের মাঝে ‘প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর দারিদ্র্য হ্রাসকরণ’ প্রকল্পের মাধ্যমে প্রত্যেক উপকারভোগীর মাধ্যে প্রায় ৪০ হাজার টাকা মূল্যের এক‌টি ক‌রে বিতরণ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার বিকালে কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলার জোড়গাছ বাজারে রা‌ণিগঞ্জ ইউনিয়‌নের ২০৪ সু‌বিধা‌ভো‌গীর মা‌ঝে এসব গরু বিতরণ করা হয়। এসময় সু‌বিধা‌ভো‌গীরা প্রধানমন্ত্রী শেখ হা‌সিনার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ ক‌রেন।

বিতরণকা‌লে উপ‌স্থিত ছি‌লেন- উপ‌জেলা প‌রিষদ চেয়ারমম্যান শওকত আলী সরকার (বীর‌বিক্রম), প্রকল্প প‌রিচালক (উপস‌চিব) জা‌হেদুল হক চৌধুরী, প্রক‌ল্পের ভারপ্রাপ্ত প‌রিচালক (গবেষণা) ড. শেখ মে‌হেদী মোহাম্মদ, উপ‌জেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহাবুবুর রহমান, উপ‌জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা রা‌শিদুল হক প্রমুখ।

এ প্রকল্পের আওতায় থাকবে জেলার উলিপুর, নাগেশ্বরী, রাজারহাট ও চিলমারী উপজেলা। এতে প্রায় ১২ হাজার ৪১০ জন সুবিধাভোগী গরু পাবেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ১৬, ২০২১ ১১:০৪ পূর্বাহ্ন
ব্যবস্থাপত্র ছাড়া গরু মোটাতাজাকরণ ওষুধ বিক্রি করায় জরিমানা
প্রাণিসম্পদ

গাজীপুরের কাপাসিয়ায় প্রেসক্রিপশন (ব্যবস্থাপত্র) ছাড়া গবাদিপশুর ওষুধ বিক্রির অভিযোগে মো. জাহিদুল ইসলাম নামে এক দোকানিকে জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

কাপাসিয়া উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোসা. ইসমত আরা এ ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। জাহিদুল সাফাই শ্রী এলাকার ঔষধ বিক্রেতা।

ইউএনও মোসা. ইসমত আরা জানান, বিধি মোতাবেক রেজিস্ট্রার চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র ছাড়া গবাদিপশুর ওষুধ বিক্রি না করার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। তা উপেক্ষা করে সোমবার সাইশ্রী এলাকার দোকানি মো. জাহিদুল ইসলাম তার ওষুধের দোকানে ব্যবস্থাপত্র ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক ও গরু মোটাতাজাকরণের জন্য ব্যবহৃত স্টেরয়েড বিক্রি করেছেন। তার প্রমাণও পাওয়া গেছে।

তিনি আরও জানান, তাৎক্ষণিকভাবে সেখানে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে ওষুধ আইন ১৯৪০ এর ১৮ ধারা লঙ্ঘন করায় তাকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এছাড়া প্রত্যেক খামারি ও ফার্মেসিকে ভেটেরিনারি চিকিৎসকের অনুমোদন ছাড়া ওষুধ বিক্রি না করার জন্য পত্র দেয়া হয়েছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ১৫, ২০২১ ১০:৫১ অপরাহ্ন
মুরগির খোপ থেকে ৬কেজি ওজনের অজগর উদ্ধার!
প্রাণিসম্পদ

বাগেরহাটের মোংলায় সুন্দরবন সংলগ্ন লোকালয় থেকে একটি অজগর উদ্ধার করেছে বনরক্ষী ও ওয়াইল্ডটিমের সদস্যরা।

মঙ্গলবার (১৪ জুন) সকালে মোংলা উপজেলার সুন্দরবন ইউনিয়নের বিধান হালদারের বাড়ির খোপ থেকে অজগরটি উদ্ধার করেন।

বিধান হাওলাদার জানান, অজগরটি খাবারের সন্ধানে লোকালয়ে এসেছিল। হয়তো রাতের কোনো এক সময় অজগরটি আমাদের হাঁস-মুরগির খোপে ঢুকেছিল।

তিনি জানান, সকালে মুরগি ছাড়তে গিয়ে দেখা যায় খোপের মধ্যে একটি বড় সাপ। তখন আমরা কাটাখালী টহল ফাঁড়ির ও ওয়াইল্ডটিম ও ভিটিআরটিকে খবর দিলে তারা এসে অজগরটিকে উদ্ধার করে। এতক্ষণে সাপটি আমাদের খোপের অন্তত ৫টি হাঁস মেরে ফেলেছে।

সুন্দরবন পূর্ব বনবিভাগের কাটাখালী ফাঁড়ির ওসি মেগনাথ জানান, ওয়াইল্ডটিমের সহযোগিতায় আমরা সাপটি উদ্ধার করেছি। পরবর্তীতে আমরা সাপটিকে বনে অবমুক্ত করেছি। উদ্ধার হওয়া সাপটির ওজন ৬ কেজি এবং লম্বায় প্রায় ৮ ফুট।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ১৫, ২০২১ ৬:৪২ অপরাহ্ন
শেখ হাসিনা সবচেয়ে বেশি গণমাধ্যমবান্ধব সরকার প্রধান: প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী
প্রাণিসম্পদ

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বলেছেন, “প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সবচেয়ে বেশি গণমাধ্যমবান্ধব সরকার প্রধান। তিনি যতটা গণমাধ্যমবান্ধব ততটা আর কেউ নন।

মঙ্গলবার (১৫ জুন) দুপুরে রাজধানীর পল্টনে নোয়াখালী জেলা সমিতি মিলনায়তনে দৈনিক নোয়াখালী প্রতিদিন পত্রিকার নবম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, তাঁর সময়ে দেশের ইতিহাসে সর্বপ্রথম বেসরকারি খাতে টেলিভিশনের যাত্রা শুরু হয়। তাঁর সময়ে সবচেয়ে বেশি বেসরকারি টেলিভিশন এবং সবচেয়ে বেশি সংবাদপত্র ও অনলাইন পোর্টাল অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। তাঁর সময়ে তথ্য অধিকার আইন হয়েছে। এ আইন করে তিনি জনগণের ক্ষমতা জনগণের কাছে দিয়েছেন। শেখ হাসিনা তথ্য অধিকার আইন করে দিয়ে প্রমাণ করেছেন, কোনো তথ্য নাগরিক চাইলে তাকে দিতে হবে। তার অধিকার আছে, তিনি এ দেশের মালিক। এভাবে শেখ হাসিনা তথ্যের অবাধ প্রবাহ নিশ্চিত করেছেন। অতীতে কেউ ‍বিপর্যস্ত সাংবাদিকদের কল্যাণে এভাবে এগিয়ে আসেন নি, যেভাবে ‍তিনি করোনাকালে অর্থ সহায়তা দিয়েছেন।

সম্প্রতি তিনি সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টে দশ কোটি টাকা অনুদান দিয়েছেন। কোনো সাংবাদিকের বিদেশে চিকিৎসার প্রয়োজন হলে তিনি পাশে দাঁড়ান। কোনো সাংবাদিকের পরিবার অসহায় অবস্থায় পড়লে তিনি পাশে দাঁড়ান।”

এ বিষয়ে তিনি আরো বলেন, “গণমাধ্যমকে বিকশিত হতে হবে সমাজ, রাষ্ট্র, দেশ ও মানুষের কল্যাণে। বর্তমান সরকার গণমাধ্যমের বিকাশের পক্ষে। যত বেশি মত, তত বেশি পথ হবে। গণমাধ্যম যত মুক্তিচিন্তার বহিঃপ্রকাশ ঘটাবে তত বেশি আমাদের চিন্তার জগৎ উন্মোচিত হবে।”

শ ম রেজাউল করিম আরো যোগ করেন, “রাষ্ট্রের জন্য গণমাধ্যমের প্রয়োজনীয়তা অপরিহার্য। কারণ গণমাধ্যম ত্রুটি-বিচ্যুতি ধরিয়ে দেয়। ফলে আমরা যারা সরকারের থাকি, রাষ্ট্রের দায়িত্বে থাকি তারা সঠিক কাজটি করার সুযোগ পাই। গণমাধ্যমে সমালোচনা যেমন থাকবে, পাশাপাাশি সরকারের উন্নয়ন ও অগ্রগতির চিত্র সামনে নিয়ে আসতে হবে। তাহলে মানুষ বুঝবে কিছু ভুল থাকলেও সরকার মূলত ভালো কাজ করে।”

সাংবাদিকদের উদ্দেশে মন্ত্রী বলেন, “সংবাদমাধ্যমে সম্পৃক্ত হওয়া মানে কঠিনকে ভালোবাসা। সাংবাদিকদের জন্য একটা কথা প্রযোজ্য সেটা হলো, ‘কঠিনেরে ভালোবাসিলাম’।

দৈনিক নোয়াখালী প্রতিদিনের সম্পাদক ও প্রকাশক মোঃ রফিকুল আনোয়ারের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের সহসভাপতি আতাউর রহমান ভূঁইয়া মানিক, দৈনিক নোয়াখালী প্রতিদিনের সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি নাসির উদ্দিন, বাংলাদেশ প্রবাসী কল্যাণ সংস্থার চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ওমর ফারুক, নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ফিরোজ আলম রিগান, ফেনী রিপোর্টার্স ইউনিটির সাবেক সভাপতি জাফর সেলিম প্রমুখ বক্তব্য প্রদান করেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ১৫, ২০২১ ১:৫৪ অপরাহ্ন
গরুর ডায়রিয়া হয় যে কারণে
প্রাণিসম্পদ

আমাদের দেশের গ্রামাঞ্চলের বেশির ভাগ লোকই গরু পালন করেন। গরু পালন করেই সেখানকার অনেক কৃষকরা এখন স্বাবলম্বী। তবে এই এগরু পালনে এখন অন্যতম সমস্যা হলো গরুর ডায়রিয়া হওয়া। যা গরুর জন্য খুবই জটিল একটি রোগ। সুতরাং প্রত্যেক কৃষক কিংবা গরুর খামারিদের কি কারণে গরুর ডায়রিয়া হয় তা জানা দরকার।

যেসব কারণে গরুর ডায়রিয়া হয়ে থাকে:
গরুরু খাদ্যের তালিকায় অতিরিক্ত মিনারেল এবং ভিটামিন সাপ্লিমেন্টারী থাকলে গরুর ডায়রিয়া হওয়ার সম্ভাবনা খুব বেশি।অতিরিক্ত কার্বোহাইড্রেটের কারণে এসিডিটি তৈরি হলেও গরুর ডায়রিয়া হয়ে থাকে।

এছাড়া গরুর খাদ্যে প্রয়োজনীয় কার্যকর আঁশ না থাকলে এবং পালন করা গরু কৃমির দ্বারা আক্রান্ত হয়ে থাকলেও অনেক সময় ডায়রিয়া রোগ হয়।

গরু পানি বাহিত ব্যকটেরিয়া দ্বারা আক্রান্ত হলে এবং রেশনে অতিরিক্ত রুমেন ডিগ্রেডেড প্রোটিন থাকলেও গরুর ডায়রিয়া হয়ে থাকে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ১৫, ২০২১ ১১:৫৯ পূর্বাহ্ন
গরু নিয়ে বাড়ি ফেরার পথে বজ্রপাতে মৃত্যু
প্রাণিসম্পদ

ময়মনসিংহের নান্দাইলে সারাদিন কাজ শেষে সন্ধ্যায় গরু নিয়ে বাড়ি ফেরার পথে বজ্রপাতে আবদুল্লাহ (২৩) নামের এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে।

সোমবার (১৪ জুন) সন্ধ্যায় উপজেলার রাজগাতী ইউনিয়নের খলাপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। তিনি গ্রামের আব্দুল মোতালেবের ছেলে।

রাজগাতী ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান রুকন উদ্দিন বলেন, সারাদিন কাজ শেষে সন্ধ্যার দিকে মাঠ থেকে গরু নিয়ে বাড়ি ফেরার পথে বজ্রপাতে আবদুল্লাহ ঘটনাস্থলেই মারা যান। পরে স্থানীয়রা টের পেয়ে মরদেহ বাড়িতে নিয়ে আসেন।

নান্দাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান আকন্দ বজ্রপাতে যুবকের মৃত্যুর সত্যতা নিশ্চিত করেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ১৪, ২০২১ ৭:৩৫ অপরাহ্ন
গবাদি পশুর খামার যেভাবে মাছিমুক্ত রাখবেন
প্রাণিসম্পদ

মাছির যন্ত্রণায় কেবল মানুষ বিরক্ত এমনটি নয়। বরং মাছির যন্ত্রণায় সবচেয়ে বেশি বিরক্ত এবং রোগাক্রান্ত হচ্ছে গবাদিপশু। কারণ এই মাছির মাধ্যমে খামারে বিভিন্ন রোগ জীবাণু ছড়িয়ে পড়ে। যা গবাদিপশুর অত্যন্ত ক্ষতিকর। এই জন্য প্রতিটা গবাদিপশু খামারিকে খামার থেকে মাছি দূর করার উপায় সম্পর্কে জানা খুবই দরকার। কারণ মাছি তাড়াতে না পারলে আপনার স্বপ্নের খামার থেকে প্রত্যাশিত আয় করতে পারবেন না।

খামার থেকে মাছি দূর করার উপায়:
মাছি তাড়ানোর সবচেয়ে ভালো কৌশল হলো খামারের আশে-পাশে গাছ লাগানো। বাতাসে গাছের নড়া-ছড়াতে খামারে মাছি আসবে কম। এছাড়া খামারে আশে-পাশে কিছু সবুজ বৃক্ষাদি থাকলে পরিবেশের জন্যও ভালো।

গবাদিপশুর মল-মূত্র নিয়মতি ও দ্রুত সেসব পরিষ্কার করতে হবে। কারণ এগুলো জমা হলেই মাছি এসে জমাট বাঁধে। আর এটাই হলো মাছিদের ডিম পাড়ার উপযুক্ত জায়গা। একবারে ৭৫–১৫০টি ডিম পাড়ে এরা। ডিম ফুটে বাচ্চা বেরোতে সময় লাগে মাত্র ২৪ ঘণ্টা।

লেবু টুকরো টুকরো করে ভেতরের অংশে অনেকগুলো লবঙ্গ গেঁথে দিন। লেবুর মধ্যে লবঙ্গের পুরোটা ঢুকাবেন শুধুমাত্র লবঙ্গের মাথার দিকের অংশ বাইরে থাকবে। এরপর লেবুর টুকরাগুলো একটি প্লেটে করে খামারের কোণায় রেখে দিন। এই পদ্ধতিতে মশা-মাছি, পোকামাকড় একেবারেই দূর হয়ে যাবে।

ব্যবহৃত চা-পাতা ফেলে না দিয়ে ভালো করে রোদে শুকিয়ে নিন। এইভাবে ওই চা পাতা ধুনোর বদলে ব্যবহার করুন। শুকনো চা পাতা পোড়ানো ধোঁয়ায় সমস্ত মশা, মাছি পালিয়ে যাবে।

রসুন বেটে পানিতে মিশিয়ে তরল করে পুরো খামারে স্প্রে করতে পারেন। এটা মশা তাড়াতে খুবই কার্যকরী প্রাকৃতিক উপায়। খামারের মাছি তাড়াতে এর যেকোনো একটি উপায় প্রয়োগ করুন।

গরুর গায়ে স্প্রে করার জন্য ২ মিলি তারপিন তেল (অয়েল তারপিন, স্পিরিট তারপিন বা থিনার না), ২ গ্রাম কর্পুর (ন্যাপথালিন গুঁড়াও অনেকে দেন) এ দুইটা জিনিস ১ লিটার পানিতে মিশিয়ে গরুর গায়ে স্প্রে করলে মাছি বসবে না।

মশা-মাছি কর্পুরের গন্ধ একেবারেই সহ্য করতে পারে না। একটি ৫০ গ্রামের কর্পুরের ট্যাবলেট একটি ছোট বাটিতে রেখে বাটিটি পানি দিয়ে পূর্ণ করুন। এরপর এটি খামারের কোনায় রেখে দিন।

তাৎক্ষণিকভাবেই মশা- মাছি গায়েব হয়ে যাবে। দুই দিন পর পানি পরিবর্তন করে নিন। আগের পানিটুকু ফেলে না দিয়ে ফার্মে ছিটিয়ে দিলে পোকামাকড় ও পিঁপড়ের যন্ত্রণা থেকেও মুক্তি পাবেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ১৪, ২০২১ ৬:১০ অপরাহ্ন
প্রাণিখাদ্যের লবণেও আয়োডিন থাকতে সংসদে বিল পাস
প্রাণিসম্পদ

প্রাণীর খাদ্য প্রস্তুতে ব্যবহার করা লবণেও আয়োডিন যুক্ত করার বাধ্যবাধকতা রেখে নতুন একটি আইনের খসড়া সংসদে পাস হয়েছে।

সোমবার(১৪ জুন) শিল্পমন্ত্রী নুরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন সংসদে ‘আয়োডিনযুক্ত লবণ বিল-২০২১’ সংসদে পাসের জন্য উত্থাপন করলে সেটি কণ্ঠভোটে পাস হয়। এর আগে বিলের ওপর দেওয়া জনমত, যাচাই, বাছাই কমিটিতে পাঠানো এবং সংশোধনী প্রস্তাবগুলোর নিষ্পত্তি করেন স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী।

১৯৮৯ সালের ‘আয়োডিন অভাবজনিত রোগ প্রতিরোধ আইন’ রহিত করে নতুন আইন করতে বিলটি আনা হয়েছে। বিলে মানুষের জন্য ভোজ্য লবণ এবং প্রাণীর খাদ্য প্রস্তুতে ব্যবহৃত লবণে আয়োডিন না থাকলে সর্বোচ্চ তিন বছরের জেল এবং ১৫ লাখ টাকা জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে। তবে খুচরা লবণ বিক্রেতা এই অপরাধে দণ্ডিত হবেন না।

বিলে বলা হয়েছে, লবণ আমদানি, উৎপাদন, গুদামজাত, ভোক্তা পর্যায়ে পাইকারী সরবরাহ, প্রক্রিয়াজাতকরণ পরিশোধন করতে চাইলে এই আইনের অধীন নিবন্ধন করতে হবে। নিবন্ধন না করলে দুই বছরের জেল এবং ১০ লাখ টাকা জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে। প্যাকেট বা লেবেলবিহীন ভোজ্য বা অভোজ্য লবণ বিক্রি করলে দুই বছরের কারাদণ্ড এবং ১০ লাখ টাকা জরিমানার প্রস্তাব রাখা হয়েছে।

বিলে বলা হয়েছে, একটি জাতীয় লবণ কমিটি থাকবে। এই কমিটি লবণের উৎপাদন, প্রক্রিয়াজাতকরণ, পরিশোধন, আয়োডিনযুক্তকরণ, মজুদ, বিক্রয়, পরিবহন, বাজারজাতকরণ, লবণ কারখানার জন্য আয়োডিন সরবরাহ, আমদানি নিয়ন্ত্রণ এবং ব্যবস্থাপনা নীতির বিষয়ে সুপারিশ প্রণয়ন করবে।

আরো বলা হয়েছে, জাতীয় মানমাত্রা নির্ধারিত না হওয়া পর্যন্ত আয়োডিনযুক্ত লবণ উৎপাদনে সর্বোচ্চ পর্যায়ে ৩০ থেকে ৫০ পিপিএম এবং খুচরা পর্যায়ে ২০ থেকে ৫০ পিপিএম মাত্রার আয়োডিন থাকতে হবে।

পাস হওয়া বিলে বলা হয়েছে, সরকার জাতীয় লবণ কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী লবণ পরিশোধানাগার আয়োডিনযুক্তকারী কারখানার জন্য আয়োডিনের সরবরাহ নিশ্চিত করবে। বিসিক লবণের উৎপাদন বৃদ্ধি এবং উৎপাদনে বিজ্ঞাপন ভিত্তিক কৌশল প্রয়োগ নিরাপদ উৎপাদন পরিশোধন ও অন্যান্য বিষয়ে লবণ উৎপাদনকারী ও পরিশোধনকারীদের প্রয়োজনীয় দক্ষতা উন্নয়নের ব্যবস্থা করবে।
সরকার প্রয়োজনে লবণ গবেষণা ইন্সটিটিউট করতে পারবে। লবণ প্রক্রিয়াজাতকরণে শিল্পাঞ্চল প্রতিষ্ঠার ব্যবস্থা করা হবে বলে বিলে বলা হয়েছে।

বিলের উদ্দেশ্য ও কারণ সম্পর্কে শিল্পমন্ত্রী বলেন, “ভোজ্য লবণে আয়োডিনযুক্তকরণ এবং মানুষ ও অন্যান্য প্রাণির খাদ্য তৈরিতে আয়োডিনযুক্ত লবণ ব্যবহার নিশ্চিতকরণের মাধ্যমে দেশের আয়োডিনযুক্ত লবণ খাতের সার্বিক ব্যবস্থাপনার লক্ষ্যে বিদ্যমান আয়োডিন অভাবজনিত রোগ প্রতিরোধ আইন-১৯৮৯ রহিতক্রমে প্রয়োজনীয় সংশোধনপূর্বক যুগোপযোগী করে লবণ বিল-২০২১ বিলটি সংসদে উত্থাপন করা হলো।”

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ১৪, ২০২১ ১০:৪৩ পূর্বাহ্ন
গরুর খামার করে দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন ইউপি চেয়ারম্যান
প্রাণিসম্পদ

কিশোরগঞ্জের সদর উপজেলার মাইজখাপন ইউপি চেয়ারম্যান রোকন উদ্দিন ভূঞা নিজ শ্রমে গরুর খামার ও ফিসারি ব্যবসায় দৃষ্টান্ত স্থাপন করে হয়েছেন সফল খামারি। বিগত কয়েক বছর ধরে নিজ খামারে পালন করা গরু বিক্রি করে এখন সফল ব্যবসায়ীদের একজন তিনি।

জানা যায়, চলমান উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় অংশীদারিত্বের লক্ষ্যে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় নিয়ে বিগত ২০১৯ সালের প্রথম দিকে ‘রেজিয়া ডেইরি ফার্ম’ গড়ে তোলে চারটি গরু পালন শুরু করেন তিনি। পাশাপাশি নিজ গ্রাম পাঁচধায় ১৪০ কাটা নিজস্ব জমিতে ফিসারি ব্যবসা পরিচালনা করে থাকেন। বর্তমানে তার খামারে ১২টি ষাড় ও দুইটি গাভী রয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, চেয়ারম্যান রোকন উদ্দিন গরুর খামারে গরু মোটাতাজা করে উজ্জল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। একজন জনপ্রতিনিধি হয়েও নিজের খামারে শ্রম দিয়ে যাচ্ছেন, ফিসারি ব্যবসা পরিচালনা করছেন। তার এ সফলতা দেখে এলাকার অনেকেই গরু পালন করে ও ফিসারী ব্যবসায় নিজেদের সাবলম্বী করার চেষ্টা করছেন বলে জানান স্থানীয়রা।

রোকন উদ্দিন ভূঞা জানান, ইউপি চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি নিজস্ব অর্থায়নে নিজ বাড়ির পাশে আধা পাকা টিনসেট ঘরের খামারে গরু পালন শুরু করেন তিনি। প্রতিদিন তার খামারে কাঁচাঘাস ও খরকুটো ছাড়াও গরুর খাদ্য বাবদ আরো ২/৩ হাজার টাকা খরচ হয়। খামার পরিচালনায় নিজ শ্রমের পাশাপাশি একজন মাসিক বেতনে অন্যজন তার ভাতিজা এ খামারে শ্রম দিয়েছেন।

তিনি আরও বলেন, ‘কয়েক বছর আগে কোরবানীর জন্য গরু কিনে জবাই করতে গিয়ে দেখা গেল পানিতে ভরপুর। তাই নিজেই উদ্যোগী হই খামার প্রতিষ্ঠায়। একদিকে আমার কোরবানীর গরু কিনতে হচ্ছে না। অন্যদিকে নিজের তদারকিতে গরু লালন পালন করার তৃপ্তিই অন্যরকম। সরকারিভাবে পৃষ্ঠপোষকতা পেলে দীর্ঘ প্রজেক্ট নিয়ে আরো ব্যাপক আকারে খামার গড়ে তুলে সফলভাবে ব্যবসা করতে পারব বলে জানান তিনি।

খামারে কর্মরত শ্রমিক জানান, ‘আমাদের খামারের গরুর খাবারের জন্য দেশীয় কাঁচাঘাস ও খরকুটো ছাড়াও অন্যান্য সব খাবার ভেজালমুক্ত অবস্থায় নিজ হাতে তৈরি করি। এলাকাতে আমাদের খামারের গরুর আলাদা কদর রয়েছে। প্রতি বছরের ন্যায় এবছরও সম্পূর্ণ ভেজালমুক্ত খাবার খাইয়ে গরু মোটাতাজা করেছি।

তারা বলেন, আসছে ঈদুল আযহায় কোরবানীর জন্য স্থানীয় এলাকার গরু ক্রেতারা প্রতিদিনই আসতেছে আমাদের খামারে গরু দেখার জন্য। ১৪টি গরু নয় লাখ টাকা দিয়ে ক্রয় করেছিলাম। আশা করা যায়, লাভবান হব। ইতোমধ্যে চারটি ষাড়ের দাম দুই লাখ টাকা করে দাম হাঁকা হচ্ছে।’

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ১৩, ২০২১ ৮:০৬ অপরাহ্ন
দুটি গরু দিয়ে খামার শুরু করে এখন কোটিপতি ​শাহ নেওয়াজ!
প্রাণিসম্পদ

দিনাজপুরের শাহ নেওয়াজ মাত্র দুটি বিদেশি গরু কিনে শুরু করলেন খামার। আর তা দিয়েই গড়ে তুলেছেন বিশাল এক দুগ্ধ খামার। এখন তিনটি পৃথক শেডে গরু রয়েছে ৭০টি। এসব গরুর লালন পালন এবং যত্নে কাজ করছেন ১০ জন শ্রমিক। খামারের প্রথম শেডে রয়েছে ১৬টি বাছুর। দ্বিতীয় শেডে রাখা হয়েছে বাচ্চা প্রসবের জন্য অপেক্ষমান গাভি।

শাহ নেওয়াজ দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলার বড়গলি (মেলার বাগান) গ্রামের সফল উদ্যোক্তা। তিনি ২০১৩ সালে দুই লাখ টাকা পুঁজিতে বাজার থেকে কিনেছিলেন বিদেশি জাতের দুটি গরু। সেই দুটি গরু থেকে ৮ বছরের মাথায় তার নিজস্ব বাড়িতে গড়ে উঠেছে ‘নেচার ফ্রেশ ডেইরি ফার্ম’।

জানা যায়, তিনটি শেডেই বর্তমানে রয়েছে ৩টি গাভি। আগামী দুয়েক মাসের মধ্যেই বাচ্চা প্রসব করবে এই তিনটি গাভী। তৃতীয় এবং বৃহত্তম শেডে রাখা হয়েছে শুধুমাত্র এমন গাভি, যেগুলো এখন দুধ দেয়। এসব গাভি মিলে প্রতিদিন প্রায় ২শ লিটার করে দুধ দেয়।

গরু পালনে ব্যবহার করা হচ্ছে আধুনিক প্রযুক্তি। গরু থেকে দুধ সংগ্রহ করতে তুরস্ক থেকে আনা হয়েছে আধুনিক ‘মিলকিং’ যন্ত্র। ফলে গাভি থেকে দুধ সংগ্রহ করতে বাড়তি কোনো ঝামেলায় পড়তে হচ্ছে না তাদেরকে। এছাড়াও গোখাদ্য হিসেবে নিজস্ব ৯ বিঘা জমিতে চাষ করা হয়েছে নেপিয়ার এবং সুইট লেমন জাতের ঘাস।

প্রতিদিন শ্রমিকরা জমি থেকে এসব ঘাস কেটে নিয়ে আসেন। এরপর আধুনিক যন্ত্রের মাধ্যমে নির্দিষ্ট সাইজে এসব ঘাস কেটে গরুগুলোকে খাওয়ানো হয়।

‘নেচার ফ্রেশ ডেইরি ফার্ম’ -এর মালিক শাহ নেওয়াজের ভাই সাজ্জাদ আহম্মেদ জানান, আশপাশের বিভিন্ন জেলা এবং উপজেলা থেকে প্রতিদিন প্রায় ১০ থেকে ১৫ জন ব্যক্তি এই গরুর খামার দেখতে আসেন। এছাড়াও ফার্মের নামে খোলা ফেসবুক পেজে প্রতিদিন প্রায় ১০০-১৫০ জন ব্যক্তি এসব গরু লালন পালনের বিভিন্ন পদ্ধতি জানতে চেয়ে ম্যাসেজ করেন। মাত্র ২ লাখ টাকা দিয়ে শুরু করেছিলাম। বর্তমানে আমার খামারে প্রায় ২ কোটি টাকার গরু আছে। আমার পুরো প্রকল্পটি প্রায় ৩ কোটি টাকার।

তিনি আরো জানান, শুরু থেকেই আমার ইচ্ছা ছিল যেন আমার খামারে একশ গরু থাকে। তবে খুব অল্প দিনেই আমি সফল হয়েছি। গরু লালন পালনে শুরু থেকেই উপজেলা এবং জেলা প্রাণী সম্পদ কার্যালয় আমাকে সার্বিক সহযোগিতা এবং পরামর্শ প্রদান করে আসছে।

তবে তিনি অভিযোগ করেন, আমাদের উপজেলায় গরুর দুধ সংগ্রহের জন্য চিলিং সেন্টার (দুধ সংগ্রহ কেন্দ্র) নেই। ফলে আমিসহ উপজেলার ১১৪টি খামারের মালিককে গরুর দুধ বাজারজাত করতে ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে।

ঘোড়াঘাট উপজেলা প্রাণী সম্পদ সম্প্রসারণ কর্মকর্তা (এলডিডিপি) ডা. রাকিবা খাতুন বলেন, ঘোড়াঘাটে চিলিং সেন্টার না থাকায় দুধ বিপণনে খামারীরা কিছুটা সমস্যায় ভুগছেন। চিলিং সেন্টার নির্মাণে আমরা উদ্যোগ গ্রহণ করেছি।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop