১১:১৩ পূর্বাহ্ন

রবিবার, ৩ মে , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : মে ৭, ২০২১ ১০:৫৯ পূর্বাহ্ন
রাজশাহীতে বাড়ছে মাছ চাষ, কমছে চাষের জমি!
কৃষি বিভাগ

রাজশাহীতে স্বল্প সময়ে অধিক মুনাফা লাভের আশায় এখন মাছ চাষের দিকে ঝুঁকছেন কৃষিজমির মালিকরা। রাজশাহীর পবা উপজেলার বালানগর। স্বল্প সময়ে তরতাজা মাছ চাষের লক্ষে বিলের আবাদি জমিতে খনন করা হচ্ছে পুকুর। এতে করে মাছ চাষ বাড়লেও সেখানে কমছে চাষের জমি। যার কারণে বিপাকে পড়ছে সেখানকার কৃষি শ্রমিকরা।

অর্থনীতি বিশ্লেষকদের মতে, অপরিকল্পিত পুকুর খননের এ ধারা থামাতে না পারলে দীর্ঘমেয়াদে ক্ষতিগ্রস্ত হবে কৃষি। জেলা প্রশাসন বলছে, এ ব্যাপারে সচেতন তারা।

জেলা মৎস্য অধিদপ্তর জানান, স্বল্প সময়ে অধিক মুনাফার আশায় পুকুর খননে আগ্রহী হচ্ছেন অনেকেই। ফলে জেলার ৯ উপজেলায় ৫১ হাজার পুকুর থেকে বাৎসরিক মাছের উৎপাদন হচ্ছে ৮০ হাজার মেট্রিক টন।

মাছ উৎপাদনের চিত্র যতোটা আশাব্যঞ্জক, এর উল্টো দিক ঠিক ততোটাই হতাশাজনক। শুধু গেল তিন বছরে পুকুর খনন করা হয়েছে ৩ হাজার ৯০০ হেক্টর জমিতে। এতে আবাদি জমি কমায় কাজ হারিয়ে বিপুলসংখ্যক শ্রমিক নগরমুখী।

এমন বাস্তবতায় কৃষিতে বিনিয়োগ বৃদ্ধি ও অনিয়ন্ত্রিত পুকুর খননের চলমান ধারা বন্ধের কথা বলছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক এ.এন.কে নোমান। আর যে কোনো জটিলতা এড়াতে এ বিষয়ে সচেষ্ট বলে দাবি অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ শরিফুল হক।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মে ৭, ২০২১ ১০:৩২ পূর্বাহ্ন
কুড়িগ্রামে ভুট্টা চাষে ভাগ্যবদল চাষিদের
কৃষি বিভাগ

আবহাওয়া ও জমি চাষের উপযোগী হওয়ায় কুড়িগ্রাম জেলার ফুলবাড়ী উপজেলার চরাঞ্চলসহ ৬টি ইউনিয়নের প্রান্তিক চাষিরা ভুট্টা চাষ করে এবার ব্যাপক সাফল্য পেয়েছেন। বাজারেx ভুট্টার দাম ভালো পেয়ে স্বাবলম্বী হয়েছেন অনেক কৃষক।

জানা যায়, চলতি বোরো মৌসুমে বৈরি আবহাওয়ার কারণে ৬টি ইউনিয়নে কৃষকের সাড়ে ৩ থেকে চার হেক্টর জমির ধান ব্লাস্ট রোগে আক্রান্ত হয়ে খেতেই পুড়ে গেলেও এবছর ভুট্টা খেতে নয়ন জুড়ানো দৃশ্য মেতে উঠেছে ফসলের মাঠে মাঠে। কোন জমি আর পতিত নেই বিস্তৃর্ণ কৃষকের মাঠে মাঠে দু-চোখ জুড়ানো সবুজের সমারোহ। এখন মাঠ জুড়ে সবুজ রঙে ভুট্টার মোছাঁ গুলো সাজিয়ে তুলিছে প্রকৃতির অপরুপ রুপ। ভুট্টা চাষ করে স্বালম্বী হয়েছেন চরাঞ্চলসহ বিভিন্ন ইউনিয়নের হাজারও কৃষক পরিবার।

কৃষক আমির হোসেন জানান, আবহাওয়া অনুকুলে থাকায় ভুট্টার ফলন ভাল হয়েছে। তবে আমাদের দুঃখ একটাই ১০ থেকে ১৫ বছর ধরে কৃষি অফিসের পরামর্শ ও সহযোগীতা ছাড়াই আমরা প্রতেকেই ৫ থেকে ৬ বিঘা জমিতে ভুট্টা চাষ করে আসছি। আশা করছি ১৫-২০ দিনের মধ্যেই ভুট্টা ঘরে তুলতে পারবো। কিন্তু কৃষি অফিস থেকে বীজ-সারসহ বিভিন্ন ধরণের সহযোগীতা পেলে ভুট্টা চাষ করতে আমাদের অনেক বেশি সুবিধা হতো।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মাহাবুবুর রশীদ জানান, চাষিদের ভুট্টা চাষে উদ্বুদ্ধ করে চরাঞ্চলসহ মোট ৬০০ জন ভুট্টাচাষিদের বীজ-সারসহ বিভিন্ন ধরণের সুযোগ-সুবিধা দেওয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে প্রান্তিক কৃষকদের বিভিন্ন ধরণের পরামর্শ দেওয়ার জন্য প্রতিটি ইউনিয়নে তিনটি ব্লকে তিনজন করে উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তারা দায়িত্ব পালন করছেন বলে জানান তিনি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মে ৬, ২০২১ ৭:২৫ অপরাহ্ন
৪% সুদে আম চাষিদের বিশেষ ঋণ ও বিনামূল্যে উন্নতজাতের চারা দেয়া হবে
এগ্রিবিজনেস

আমচাষি ও উদ্যোক্তারদেরকে মাত্র ৪% সুদে বিশেষ ঋণ ও আম বাগান স্থাপনের জন্য বিনামূল্যে উন্নতজাতের চারা প্রদানের উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী ড. মো: আব্দুর রাজ্জাক এমপি। তিনি বলেন, সরকার আমের উৎপাদন বাড়াতে নিরলস কাজ করছে। আমাদের বিজ্ঞানীরা অনেকগুলো উন্নতজাতের আম ও উৎপাদন প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেছে। ফলে আমের বাণিজ্যিক উৎপাদন দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছে। এখন সরকার আমের রপ্তানি বৃদ্ধির পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। এ লক্ষ্যে রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জসহ আম উৎপাদন এলাকায় ৪টি ভ্যাপার হিট ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে। এতে আমের সংরক্ষণকাল বৃদ্ধি পাবে, রপ্তানি সহজতর হবে এবং প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করা সম্ভব হবে
কৃষিমন্ত্রী আজ বৃহস্পতিবার চাঁপাইনবাবগঞ্জে কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বারি) আঞ্চলিক উদ্যানতত্ত্ব গবেষণা কেন্দ্রে ‘আম চাষি ও ব্যবসায়ীদের’ সাথে মতবিনিময় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ কথা বলেন।
সভায় আমচাষি ও উদ্যোক্তারা আম চাষ ও রপ্তানির বিভিন্ন সমস্যা তুলে ধরেন। আমের সংরক্ষণ সমস্যা সমাধান, ভাল ফুড ব্যাগ ও সহজ শর্তে বিশেষ কৃষি ঋণের ব্যবস্থার জন্য দাবি জানান।
মন্ত্রী আরও বলেন, যেসব বাগানে আমের ফলন কম, সেসব পুরাতন বাগান কেটে নতুন বাগান স্থাপন করতে চাইলে বিনামূল্যে উন্নতজাতের চারা দেয়া হবে।
পরে মন্ত্রী কৃষকের মাঝে উচ্চফলনশীল বারি আম-৪ ও বারি আম-১১ (বারোমাসি) জাতের আমের চারা বিতরণ করেন।
বারির মহাপরিচালক ড. মো: নাজিরুল ইসলামের সভাপতিত্বে স্থানীয় সংসদ সদস্য সামিল উদ্দিন আহমেদ শিমুল, সংসদ সদস্য ফেরদৌসী ইসলাম, কৃষি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব কমলারঞ্জন দাশ, বিএডিসির চেয়ারম্যান ড. অমিতাভ সরকার, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো: আসাদুল্লাহ, সাবেক ডিজি হামিদুর রহমান, ব্রির মহাপরিচালক ড. শাহজাহান কবীর, চাঁপাইনবাবগঞ্জের জেলা প্রশাসক মো: মঞ্জুরুল হাফিজ, পুলিশ সুপার এএইচএম আবদুর রকিব, কৃষিবিদ বদিউজ্জামান বাদশা, উদ্যানতত্ত্ব গবেষণা কেন্দ্রের পিএসও হরিদাস চন্ত্র মোহন্ত প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
শেয়ার করুন

প্রকাশ : মে ৬, ২০২১ ৩:৩৯ অপরাহ্ন
বরিশালে কৃষি কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত
কৃষি বিভাগ

নাহিদ বিন রফিক (বরিশাল): বরিশালের খামারবাড়িতে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের (ডিএই) আঞ্চলিক অফিস আয়োজিত দিনব্যাপী কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়।

আজ বৃহস্পতিবার(৬ মে) এ উপলক্ষে বরিশালের খামারবাড়িতে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন আয়োজক প্রতিষ্ঠানের অতিরিক্ত পরিচালক মো. আফতাব উদ্দিন।

তিনি বলেন, প্রতিটি কাজের রেকর্ড সংরক্ষণ করা জরুরি। অনেক কর্মকর্তা-কর্মচারী আছেন, যারা এ বিষয়ে উদাসীন। এ অবস্থার পরিবর্তন হওয়া চাই। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে দিয়েই আর্থিক ও প্রশাসনিক কাজ করানো উচিত। এর দুর্বলতায় অফিস ব্যবস্থাপনার কাজ সঠিকভাবে হবে না। আধুনিক অফিস ব্যবস্থাপনায় অনেক নতুনত্ব রয়েছে। এগুলো রপ্ত করার মাধ্যমে একজন কর্মকর্তা নিজেকে দক্ষ করে তুলতে পারেন। যেহেতু তাকে টেকনিক্যাল বিষয়ের পাশাপাশি আর্থিক ও প্রশাসনিক দিকও দেখতে হয়; তাই সকল বিষয়ে পারদর্শী হতে হবে।

ডিএই বরিশালের উপপরিচালক হৃদয়েশ্বর দত্তের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন ডিএই সদর দপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক (সরেজমিন উইং) মো. মিজানুর রহমান। অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন ডিএই বরিশালের অতিরিক্ত উপপরিচালক মোসাম্মৎ মরিয়ম। চলতি অর্থবছরে রাজস্ব খাতের অর্থায়নের আওতাধীন এ প্রশিক্ষণে বরিশাল অঞ্চলের বিভিন্ন উপজেলার ৩০ জন কৃষি কর্মকর্তা অংশগ্রহণ করেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মে ৬, ২০২১ ৩:৩৯ অপরাহ্ন
জনসংখ্যা বাড়লেও খাদ্য নিরাপত্তার চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করা সম্ভব হচ্ছে: কৃষিমন্ত্রী
কৃষি বিভাগ

কৃষিমন্ত্রী ড. মো: আব্দুর রাজ্জাক এমপি বলেছেন, দেশে খাদ্য নিরাপত্তায় অনেকগুলো চ্যালেঞ্জ রয়েছে। দেশে ১৭ কোটি মানুষ রয়েছে; আর প্রতি বছর বাড়ছে ২২-২৩ লাখ করে। অন্যদিকে নানা কারণে চাষযোগ্য জমির পরিমাণ কমছে। রয়েছে জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাবও। এ অবস্থায় দেশের মানুষকে খাওয়ানো, খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হওয়া কঠিন চ্যালেঞ্জ। এ চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় বিজ্ঞানীরা নিরলসভাবে কাজ করছে।

ইতোমধ্যে ফসলের অনেক নতুন জাত ও চাষাবাদের প্রযুক্তি উদ্ভাবিত হয়েছে। ফলে, ক্রমশ জনসংখ্যা বাড়লেও খাদ্য নিরাপত্তার চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করা সম্ভব হচ্ছে।
মন্ত্রী বলেন, ‘আজকে বরেন্দ্র অঞ্চলের রহনপুরের এই মাঠে ব্রি ৮১ জাতের ধান কাটা হচ্ছে। এর ফলন অনেক ভাল। বিঘা প্রতি ৩১ মণ, প্রতি শতকে প্রায় ১ মণ। এটি জনপ্রিয় ব্রি ২৮ ও ব্রি ২৯ জাতের মত। ব্রি ২৮ ও ২৯ দীর্ঘদিন ধরে চাষ হচ্ছে কিন্তু উৎপাদনশীলতা কমে যাচ্ছে। সেজন্য এই নতুন ব্রি ৮১ জাতটি কৃষক পর্যায়ে দ্রুত সম্প্রসারণের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। চাষিরাও এটি চাষে ব্যাপক আগ্রহ দেখাচ্ছেন। অচিরেই ব্রি ধান ৮১ জনপ্রিয়তায় ব্রি ধান ২৮ এর মতো হবে। এ উচ্চফলনশীল জাতটি চাষের মাধ্যমে ধান উৎপাদন উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বাড়বে এবং দেশের খাদ্য নিরাপত্তায় এটি আশানুরূপ ভূমিকা রাখবে।
কৃষিমন্ত্রী আজ বৃহস্পতিবার চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার গোমস্তাপুর উপজেলায় ‘ব্রি-৮১ জাতের ধান কর্তন ও কৃষক সমাবেশ’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ কথা বলেন। বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ব্রি) ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

চাঁপাইনবাবগঞ্জের জেলা প্রশাসক মো: মঞ্জুরুল হাফিজের সভাপতিত্বেঅনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালকড. শাহজাহান কবীর। অন্যান্যের মধ্যে স্থানীয় সংসদ সদস্য সামিল উদ্দিন আহমেদ শিমুল, কৃষি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব কমলারঞ্জন দাশ, বিএডিসির চেয়ারম্যান ড. অমিতাভ সরকার, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো: আসাদুল্লাহ, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সাবেক ডিজি হামিদুর রহমান, বিএআরসির নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. শেখ মো: বখতিয়ার,বারির মহাপরিচালক ড. নাজিরুল ইসলাম, পুলিশ সুপার এএইচএম আবদুর রকিব, কৃষিবিদ বদিউজ্জামান বাদশা, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর চাঁপাইনবাবগঞ্জের উপপরিচালক মো: নজরুল ইসলাম প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

ব্রির ডিজি ড. শাহজাহান কবীর জানান, ব্রি ধান৮১, ব্রি ধান২৮ জাতের পরিপূরক। কিন্তু এটি ব্রি ধান২৮ এর চেয়ে চিকন। ঝড়বৃষ্টিতে ব্রি ধান২৮ হেলে পড়লেও নতুন ব্রি ধান৮১ হেলে পড়ে না। এ জাতের ধানের বিশেষ বৈশিষ্ট্য হলো, ধান পাকার পরও পাতাগুলো সবুজ থাকে। মাঝারি উঁচু জমি থেকে উঁচু জমিতে খুব ভালো ফলন দেয়। নওগাঁ, রাজশাহী, নাটোর, সাতক্ষীরা, খুলনা, যশোর, চুয়াডাঙ্গা, ঝিনাইদহ অঞ্চলে এই ধানের ফলন অনেক ভালো পাওয়া যায়। প্রতি হেক্টরে গড় ফলন ৮ মেট্রিক টনের বেশি।

ড. শাহজাহান কবীর বলেন, রান্না করার পর এটি বাসমতীর মতো দেড় গুণ লম্বা হয়ে যায়। এই চালে অ্যামাইলোজ বেশি, যার পরিমাণ ২৫ শতাংশের ওপর। ভাত ঝরঝরে ও খেতে সুস্বাদু। ধান থেকে তৈরি আতপ চাল বিদেশে রপ্তানিযোগ্য। এতে প্রোটিন থাকে ১০ দশমিক ৩ শতাংশ, যা ব্রি ধান২৮ এ থাকে মাত্র ৮ শতাংশ।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মে ৬, ২০২১ ১২:৪২ অপরাহ্ন
বাংলাদেশ থেকে কৃষি শ্রমিক নিতে আগ্রহী গ্রিস
কৃষি বিভাগ

গ্রিস সরকার বাংলাদেশ থেকে অস্থায়ী ভিত্তিতে কৃষি শ্রমিক নিতে চায়। গ্রিসের অভিবাসনবিষয়ক মন্ত্রী নোটিস মিতারাকি এথেন্সে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত আসুদ আহেমদকে এ আগ্রহের কথা জানান। এ সময় গ্রিসের মন্ত্রী তাঁর দেশের বৈধ ও নিরাপদ অভিবাসনকে উত্সাহিতকরণে নীতিগত অবস্থান তুলে ধরেন।

বুধবার (৫ মে) গ্রিসের অভিবাসন বিষয়ক মন্ত্রী নোটিস মিতারাকি বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত আসুদ আহমেদ এর সাথে সাক্ষাতকালে এমন আগ্রহ প্রকাশ করেন।

গ্রিসে বাংলাদেশ দূতাবাস জানায়, রাষ্ট্রদূত আসুদ আহেমদ গতকাল এথেন্সে গ্রিসের অভিবাসনবিষয়ক মন্ত্রী নোটিস মিতারাকির সঙ্গে তাঁর দপ্তরে সাক্ষাত্ করেন। এ সময় তাঁরা অভিবাসন এবং গ্রিসে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের বিভিন্ন স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করেন।

এ সময় গ্রিসের কৃষিক্ষেত্রে কর্মরত বিপুলসংখ্যক বাংলাদেশি নাগরিকের নিয়মিতকরণের বিষয়টি বিবেচনা করার জন্য রাষ্ট্রদূত অভিবাসনবিষয়ক মন্ত্রীকে অনুরোধ জানান।

তিনি বাংলাদেশের কৃষি শ্রমিকদের ‘রেসিডেন্স পারমিট’ প্রদান করে অথবা কৃষি শ্রমিক হিসেবে নিবন্ধিত করার মাধ্যমে নিয়মিত করার প্রস্তাব দেন। এ সময় তিনি আরো বলেন, আইনগতভাবে নিয়মিত হলে এই বিপুলসংখ্যক বাংলাদেশি কৃষি শ্রমিক, যাঁরা তাঁদের কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে গ্রিসের অর্থনীতিতে ভূমিকা রাখছেন, তাঁরা স্বাস্থ্য, নিরাপত্তা, আবাসন ও আইনগত সুবিধাসহ বৈধ নাগরিকদের জন্য প্রযোজ্য সব সুযোগ-সুবিধা পাবেন।

অভিবাসনবিষয়ক মন্ত্রী জানান, এ বছর গ্রিস সরকার ১৫ হাজারের বেশি অনিয়মিতভাবে বসবাসকারী কৃষি শ্রমিককে ‘ওয়ার্ক পারমিট’ প্রদান করবে। তবে এ সময় তিনি অনিয়মিতভাবে আসা অভিবাসীদের সব আইনি প্রক্রিয়া শেষে নিজ নিজ দেশে সসম্মানে ফেরত পাঠানোর বিষয়ে গ্রিস সরকারের কঠোর অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেন।

এ সময় তিনি বিপদসংকুল পথে অনিয়মিত অভিবাসন ও মানবপাচারের মতো অপরাধ প্রতিহত করার লক্ষ্যেই গ্রিস সরকারের এই শক্ত অবস্থানের বিষয়টি তুলে ধরেন। রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে প্রবাসী বাংলাদেশিদের অবসরকালীন পেনশনের বিষয়টিও অগ্রাধিকার ভিত্তিতে নিষ্পন্ন করবেন বলেও জানান গ্রিসের মন্ত্রী।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মে ৬, ২০২১ ১১:১৯ পূর্বাহ্ন
সবজি বাগানের আড়ালে চলছে গাঁজা চাষ
কৃষি বিভাগ

নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে শাক-সবজির চাষের আড়ালে গাঁজা চাষ করছেন ওখানকার আলমগীর ও জাহাঙ্গীর নামে দুই ভাই। তারা এসও রোড এলাকার সুস্তিপুর মাঠে বিআইডব্লিউটিএ (বাংলাদেশ ইনল্যান্ড ওয়াটার ট্রান্সপোর্ট) এর জায়গায় শাক-সবজির আড়ালে গাঁজার চাষ করছেন বলে অভিযোগ এলাকাবাসীর। মাদকবিরোধী আইনে একাধিক মামলাও রয়েছে তাদের দু‘ভাইয়ের বিরুদ্ধে।

জানা যায়, বিশাল জায়গা জুড়ে আলাদা আলাদা সীমানায় অসংখ্য শাক-সবজির বাগান রয়েছে। সেখানে বিভিন্ন ধরনের শাক-সবজির চাষ হচ্ছে। পুরো বাগানটি সবুজে ছেয়ে গেছে। এরই মধ্যে জাহাঙ্গীর ও আলমগীর ছোট্ট একটি অংশে পাট শাক, পুঁই শাকসহ নানান ধরনের শাক ও সবজির চাষ করেছে। এর এক পাশে ছোট একটি বাঁশের খুঁটিকে ভর করে প্রায় ৩ ফুটের মত লম্বা বড় একটি গাঁজা গাছ বেড়ে উঠেছে। বাতাসে যেন গাঁজা গাছ হেলে না পড়ে সেজন্য দেওয়া হয়েছে বাঁশের খুঁটি। গাছ লম্বায় বড় হয়েছে প্রায় ৩ ফুট।

খবরটি এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে মুহূর্তেই নারী-পুরুষের ভিড় জমে সবজির বাগানটির পাশে।

স্থানীয় একজন বাসিন্দা জানান, অনেক আগ থেকেই আলমগীর ও জাহাঙ্গীর এখানে শাক-সবজির চাষ করে। আমরা এলাকাবাসী এমন কর্মকাণ্ডে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছি। বাংলাদেশ ট্যাংক-লরি শ্রমিক ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আশ্রাফ উদ্দিনের অফিসের পাশে গতকালও (৩ মে) সমপরিমাণের একটি গাঁজা গাছ পাওয়া গেছে। বিষয়টি থানায় জানানো হলে পুলিশ এসে গাছটি উঠিয়ে ধ্বংস করেছে।

এলাকাবাসী জানান, বাগানটি বিআইডব্লিউটিএ’র জায়গা। স্থানীয়রা নিজেদের মত করে জায়গা দখল করে বাগান করেছে। গাঁজা গাছ চাষের জমিটিতে আলমগীর ও জাহাঙ্গীর নামে দুজন বাগান করতো। তাদের বিরুদ্ধে থানায় একাধিক মাদক মামলা আছে।

এ বিষয়ে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মশিউর রহমান জানান, একই এলাকায় দুইদিনে গাঁজা গাছ পাওয়ার বিষয়টি জেনেছি আমরা। ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে বলে তিনি জানান।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মে ৫, ২০২১ ৩:৩১ অপরাহ্ন
বোরো ধান ঘরে তুলতে ব্যস্ত দক্ষিণাঞ্চলের কৃষকরা
কৃষি বিভাগ

দীর্ঘ কয়েক মাসের অপেক্ষার পর চলছে বোরো ধান ঘরে তোলার কার্যক্রম। চলছে ধান কাটা। দক্ষিণাঞ্চলের অনেকেই ঘরে তুলেছেন ধান আবার অনেকে এরই মধ্যে শুরু করেছেন ধান কাটার কাজ। কেউবা শুরু করলেন সনাতন পদ্ধতিতে আবার বেশির ভাগ কৃষক শুরু করছেন হারভেস্টারসহ বিভিন্ন মেশিন দিয়ে ধান মাড়াইয়ের কাজ।

কৃষকরা বলছেন, গত বছর ধানের ফলন ভালো হয়েছিলো, আর এবছরও ফলন ভালো হলেও বৃষ্টিপাত কম হওয়ার কারণে ধানে চিটা রয়েছে। আর বাগেরহাট, মাদারীপুর ও রাজবাড়ীসহ দূরবর্তী জেলা থেকে আসা ধান কাটা শ্রমিকরা বলছেন, দেশি প্রজাতির ধানের থেকে এবছর হাইব্রিড ধানের ফলন ভালো হয়েছে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, চলতি বোরো মৌসুমে বরিশাল জেলার মধ্যে আগৈলঝাড়া, গৌরনদী ও উজিরপুর উপজেলায় বেশি আবাদ হয়েছে। যেখানে ফলনও ভালো হয়েছে।

আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে বোরোর ভালো ফল পাওয়ার কথা উল্লেখ গৌরনদী উপজেলা কৃষি অফিসার মো. মামুনুর রহমান জানান, এবছর গৌরনদী উপজেলার ছয় হাজার ১৫০ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদ হয়েছে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর বরিশাল জেলার উপ-পরিচালক হৃদয়েশ্বর দত্ত জানান, গত বছর কৃষকরা ধানের ন্যায্যমূল্যে পাওয়ায় এবছর অনাবাদি বহু জমি বোরো চাষের আওতায় এসেছে। ফলে জেলায় বোরোর কাঙ্খিত লক্ষামাত্রা অর্জিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানাগেছে, চলতি বোরো মৌসুমে বরিশাল জেলায় ৫২ হাজার ৮শত ৮২ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদ হয়েছে। এরমধ্যে ২৫ হাজার ১৪২ হেক্টর জমিতে হাইব্রিড, ২৫ হাজার ১০ হেক্টর জমিতে উফসি ও দুই হাজার ৩০ হেক্টর জমিতে স্থানীয় জাতের বোরো আবাদ হয়েছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মে ৫, ২০২১ ৩:০৭ অপরাহ্ন
ধান-চাল ক্রয়ের জন্য অত্যন্ত যৌক্তিক দাম নির্ধারণ করা হয়েছে: কৃষিমন্ত্রী
কৃষি বিভাগ

কৃষিমন্ত্রী ড. মো: আব্দুর রাজ্জাক এমপি বলেছেন, সরকারিভাবে ধান-চাল সংগ্রহ কর্মসূচি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। গতবছর নানা কারণে লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী ধান-চাল সংগ্রহ করা সম্ভব হয় নি। তবে গত বছরের সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে এ বছর ধান-চালের অত্যন্ত যৌক্তিক দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। যা বাজারের সাথে খুবই সঙ্গতিপূর্ণ। ফলে, লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী এ বছর ধান-চাল সংগ্রহ করা সম্ভব হবে।
কৃষিমন্ত্রী আজ বুধবার সচিবালয়ের অফিস কক্ষ থেকে ভার্চুয়ালি খুলনা জেলায় ‘কৃষকের অ্যাপ’ এ সরাসরি কৃষকের নিকট থেকে লটারির মাধ্যমে ধান ক্রয় কার্যক্রমের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ কথা বলেন। খুলনা জেলা প্রশাসন এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
কৃষিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কৃষি ও কৃষকবান্ধব। কৃষকের মুখে হাসি ফোটানোই তাঁর লক্ষ্য। তাই তিনি কৃষিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কৃষির উন্নয়ন ও কৃষকের কল্যাণে নানামুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন। তাঁর নেতৃত্ব, দূরদর্শিতা ও প্রজ্ঞার ফলেই অতি অল্প সময়ে বাংলাদেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়েছে। খাদ্য উৎপাদন ও খাদ্য নিরাপত্তায় এই অভূতপূর্ব সাফল্য সারা পৃথিবীর কাছে আজ এক বিস্ময়ে পরিণত হয়েছে।
খুলনার কৃষিতে বিপ্লব আনা হবে উল্লেখ করে মন্ত্রী আরও বলেন, খুলনাসহ দক্ষিণাঞ্চলের লবণাক্ত জমিতে কৃষির আমূল পরিবর্তনে সরকার কাজ করছে। লবণাক্ত জমিতে চাষের উপযোগী ফসলের বিভিন্ন জাত ও প্রযুক্তি ইতোমধ্যে উদ্ভাবিত হয়েছে। এগুলো চাষের মাধ্যমে লবণাক্ত জমিতে অনেক সাফল্য এসেছে। আরও নতুন জাত ও প্রযুক্তি উদ্ভাবন অব্যাহত থাকবে যাতে করে দক্ষিণাঞ্চলের লবণাক্ত জমিতে কৃষি বিপ্লব ঘটানো যায়।
খুলনার জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হেলাল হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্থানীয় সংসদ সদস্য নারায়ন চন্দ্র চন্দ, খাদ্যসচিব ড. মোছাম্মৎ নাজমানারা খানুম, খুলনার বিভাগীয় কমিশনার মো: ইসমাইল হোসেন প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হেলাল হোসেন বলেন, গত বছর খুলনা জেলাতে ডিজিটালি লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী শতভাগ ধান-চাল সংগ্রহ করা সম্ভব হয়েছিল। চলতি বছরেও লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করা সম্ভব হবে। এসময় তিনি কৃষিমন্ত্রীর পক্ষে কৃষকের হাতে ধান ক্রয়ের প্রতিকী মূল্য তুলে দেন।
শেয়ার করুন

প্রকাশ : মে ৫, ২০২১ ১০:৩০ পূর্বাহ্ন
সানোড়ায় পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তিতে নিরাপদ সবজি চাষ
কৃষি বিভাগ

ধামরাইয়ের সানোড়া ইউনিয়নকে পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তির মাধ্যমে নিরাপদ ফসল উৎপাদন প্রকল্পের আওতায় আইপিএম মডেল ইউনিয়ন হিসেবে নির্বাচন করা হয়েছে। অত্র ইউনিয়নে ৫০০ কিষান-কিষানিকে তালিকাভুক্ত করে তাদের ২৫ সদস্যবিশিষ্ট ২০টি দলে ভাগ করা হয়েছে এই প্রকল্পের আওতায়।

জৈব সার, জৈব বালাইনাশক, রবি ও খরিপ-১ মৌসুমে বিভিন্ন ধরনের সবজি বীজ, জমি ও মাচা তৈরির উপকরণ, ফেরোমন ফাঁদ, হলুদ ও নীল আঠালো ফাঁদসহ নানা ধরনের উপকরণ দিয়ে তাদের সহায়তা করা হচ্ছে বলে জানান উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. আরিফুল হাসান। এ ছাড়াও প্রত্যেক দলকে দেওয়া হয়েছে একটি করে নেট হাউজ সহায়তা।

পরিবেশবান্ধব পদ্ধতিতে নিরাপদ সবজি উৎপাদনের জন্য চাষিদের পাঁচটি সেশনে আধুনিক প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে।

এছাড়া উৎপাদিত পণ্যসামগ্রী সহজ বাজারজাতকরণ ও ভোক্তাদের সহজ প্রাপ্তির জন্য উন্নত বাজার ব্যবস্থা হিসেবে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্যোগে স্থানীয় বাজার হিসেবে ডাউটিয়া চেয়ারম্যানের আড়তে নিরাপদ সবজি বিক্রয় কেন্দ্র, রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে কৃষকের বাজার এবং অনলাইন মার্কেটিংয়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

উৎপাদিত কৃষি পণ্যের সহজ পরিবহন, সময় ও পরিবহন ব্যয় বাঁচাতে প্রত্যেক দলকে একটি করে উন্নতমানের মোট ২০টি রিকশাভ্যান দেওয়া হয়েছে।

স্থানীয় চাষিরা সরকারি সহায়তা প্রাপ্তির কথা স্বীকার করলেও তারা জানান, তারা যে সহায়তা পেয়েছেন তা তাদের চাহিদার তুলনায় যথেষ্ট নয়। আরো সহায়তা বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন তারা।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop