১০:০১ পূর্বাহ্ন

শুক্রবার, ১৩ মার্চ , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : এপ্রিল ২, ২০২২ ১:৩১ অপরাহ্ন
দিনাজপুরের লিচু বাগানে দেড় হাজার মেট্রিক টন মধু সংগ্রহের সম্ভাবনা
কৃষি বিভাগ

দিনাজপুরে লিচুগাছগুলো এবার মুকুলে ভরে গেছে। তাই,মুকুলের সমারোহে লিচু বাগানগুলোতে অন্যবারের চেয়ে বেড়ে গেছে মৌমাছিদের আনাগোনা লিচু বাগানগুলোতে। এ বছর লিচু বাগানগুলোতে বসানো হয়েছে সারি সারি মৌ বাক্স। স্থানীয় উদ্যোক্তা সহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে মৌ খামারিরা ভিড় জমিয়েছেন এখানে। এক হাজার পাঁচশত মেট্রিক টন মধু আহরণের পাশাপাশি ৩০ ভাগ বেশি উৎপাদনের কথা বলছেন খামারিরা।

কৃষি বিভাগ বলছে, এ বছর জেলায় সাড়ে ৫হাজার বাগানের ৭ হাজার ৫’শ ৫২ হেক্টর জমিতে লিচু চাষ হচ্ছে। এবার লিচুর ফলনের লক্ষ্য ধরা হয়েছে ৪০ হাজার ৭’শ ১২ মেট্রিক টন। মাদ্রাজি, বেদেনা-বোম্বাই-চায়না থ্রি, কাঠালিসহ বিভিন্ন জাতের লিচু উৎপাদন হয় এ জেলায়।

দেশের সর্ববৃহৎ লিচু উৎপাদন এলাকা বিরল উপজেলাতে মধু আহরণ করছেন শতাধিক মৌ খামারি। সিরাজগঞ্জ থেকে দিনাজপুরের লিচু বাগানে মৌ বাক্স বসিয়েছেন মৌখামারি চাঁন মিয়া ও তার দুই ছেলে আরমান সরকার এবং ইমাম সরকারসহ তাদের দল। দেশের সবচেয়ে বড় মৌখামারি চাঁন মিয়া জানালেন, তারা এবার ৪টি স্থানে ৮ শতাধিক মৌবাক্স বসিয়েছেন, মধু সংগ্রহের জন্যে। ইতিমধ্যে একশত পঞ্চাশ মেট্রিক টন মধু সংগ্রহ করেছেন। আরো আড়াই থেকে তিনশত মেট্রিক টন মধু আহরণের সম্ভাবনা রয়েছে তাদের। জেলার ১৩টি উপজেলার লিচু বাগানগুলোতে এবার প্রায় ৭ শতাধিক মৌখামারি মধু আহরণে কাজ করছেন। মাদ্রাজি, বেদানা, বোম্বাই, চায়না-৩, কাঁঠালিসহ বিভিন্ন জাতের লিচুর বাগান রয়েছে এ অঞ্চলে

পুষ্টি নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক সমৃদ্ধিও জন্য মধু এবং মৌচাষে অভিঞ্জতা অর্জনে দিনাজপুরের লিচু বাগানগুলোতে লিচুবাগান গুলোতে বাংলাদেশ সুগারক্রপ গবেষণা ইনস্টিটিউটের নতুন উদ্যোক্তারাও কাজ করছেন।

দিনাজপুরের বিরল উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোস্তফা হাসান ইমাম জানান, বাগানে মধু আহরণে মৌমাছির পরাগায়নের ফলে লিচুর উৎপাদন ৩০ শতাংশ পর্যন্ত ফলের উৎপাদন বৃদ্ধি পাচ্ছে। লিচু বাগানে মধু উৎপাদনে মৌখামারি ও লিচু বাগান মালিকদের নিয়মিত পরামর্শ ও সহায়তা করা হচ্ছে।

এবার জেলায় প্রায় ৩০ কোটি টাকা মূল্যের দেড় হাজার মেট্রিক টন মধু উৎপাদনের আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ১, ২০২২ ২:৪২ অপরাহ্ন
লাউ চাষ করবেন যেভাবে
কৃষি বিভাগ

লাউয়ের ইংরেজী নাম gourd। শীতকালীন সবজিগুলোর মধ্যে লাউ অন্যতম। এর পাতা সরল ও একান্তর, বোঁটা লম্বা এবং ভেতরে ফাঁপা থাকে। আমাদের দেশে অনেক ধরনের লাউ চোখে পড়ে। ফলের আকার-আকৃতি ও বর্ণের কারণে বিভিন্ন জাত নির্ণয় করা যায়। বর্তমানে সারাবছরই এ সবজিটি পাওয়া যায়। এর ব্যবহার হয় অনেক ধরনের খাবারে। তাই আগাম ফসল পেতে হলে এখনই লাউ চাষ করা দরকার।

জলবায়ু : আমাদের দেশে শীতকালে এ সবজিটি ভালো হয়। পরিবেশের দিক থেকে এটিই হচ্ছে উপযুক্ত সময়। তবে একটি বিষয় লক্ষণীয়, আলো-বাতাস এবং তাপমাত্রা ভালো ফল উৎপাদনে ভূমিকা রাখে।

মাটি : সব ধরনের মাটিতেই লাউ হয়। দো-আঁশ মাটিতে ফলন সবচেয়ে ভালো হয়। বেলে মাটিতে লাউয়ের ফলন পেতে হলে প্রচুর পরিমাণ জৈবসার আর পানির প্রয়োজন হবে। বর্তমানে বেলে মাটিতে লাউয়ের ভালো ফলন হচ্ছে, তা চরাঞ্চলের দিকে খেয়াল করলে বোঝা যায়।

জাত : বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট বারি লাউ-১ নামে উচ্চফলনশীল একটি জাত উদ্ভাবন করেছে। এ ছাড়া বাংলাদেশে লাউয়ের কোনো অনুমোদিত জাত নেই। এ জাতটি সারা বছরই চাষ করা যায়। বর্তমানে ইস্টওয়েস্ট সিড কোম্পানির হাইব্রিড লাউ মার্টিনা ও জুপিটার ব্যাপক আবাদ হচ্ছে।

মাদা তৈরি-বীজ বপন : ভালো মাদা তৈরি করতে দরকার হয় উঁচু জমি। মাদায় প্রয়োজনীয় সার দেয়ার ৭ থেকে ১০ দিন পর প্রতি মাদায় ৩-৪টি করে বীজ বপন করতে হয়। জমিতে আইল তৈরি করে লাউয়ের চারা রোপণ করা যায়। এক্ষেত্রে আইলের প্রতি মাদায় একটি করে চারা রোপণ করতে হবে।

বীজ বপন ও চারা উৎপাদন : লাউ চাষের জন্য দুইভাবে বীজ বপন করা যায়। সরাসরি ক্ষেতে তৈরী মাদায় বীজ বপন করে অথবা পলিথিনের ব্যাগে চারা তৈরি করে। ৫০ ভাগ পচা গোবর অথবা জৈবসার সমপরিমাণ বেলে মাটির সাথে ভালো করে মিশিয়ে পলিথিন ব্যাগের জন্য মাটি তৈরি করে নিতে হবে। পলিথিন ব্যাগের ব্যাস ৭.৫ সেন্টিমিটার ও উচ্চতা ১২-১৫ সেন্টিমিটার হবে। পানি বের হওয়ার জন্য ব্যাগের তলায় দুই-তিনটি ছিদ্র করে দিতে হবে। অপর দিকে সরাসরি মাদায় বীজ বপন করতে হলে প্রথমে ৩০×৩০×৩০ সেন্টিমিটার পরিমাপের মাদা তৈরি করে সার প্রয়োগ করার পর প্রতি মাদায় চার-পাঁচটি বীজ বপন করতে হবে। বীজ বপনের ১০-১৫ দিন পর প্রতি মাদায় দু’টি করে সুস্থ ও সবল চারা রেখে বাকিগুলো তুলে ফেলতে হবে।

বীজ বপনের গভীরতা : ২.০-২.৫ সেন্টিমিটার। ৪-৫ দিনের মধ্যেই চারার অঙ্কুরোদ্গমন হবে।

বীজ বপনের সময় : শীতকালীন লাউ চাষের জন্য সেপ্টেম্বর থেকে অক্টোবর মাসে বীজ বপন করতে হয়। তবে আগাম শীতকালীন ফসলের জন্য আগস্টের মাঝামাঝি সময়েও বীজ বপন করা যায়।

চারা রোপণ : লাউ চাষের জন্য ২ী২ মিটার দূরত্বে প্রতি মাদায় দু’টি সুস্থ ও সবল চারা রোপণ করতে হয়। মাদার ওপরে মাচা দেয়ার ব্যবস্থা করতে হয়। রবি মওসুমে লাউ মাচাবিহীন অবস্থায়ও চাষ করা যায়।

মাচা : বীজ বপনের পর মাচা তৈরি করা হলে সহজে বীজের অঙ্কুরোদ্গমন হবে।

স্থান পূরণ : কোনো স্থানে চারা না গজালে বা চারা মরে গেলে সে স্থান পূরণ করতে নতুন করে বীজ বা চারা রোপণ করতে হয়।

গাছ পাতলাকরণ : চারা গজানোর পর প্রতি মাদায় একটি করে সুস্থ-সবল চারা রেখে বাকিগুলো তুলে ফেলতে হবে।

সারের উপরি প্রয়োগ : সময়মতো সারের উপরি প্রয়োগ করতে হবে।

মাটি আলগাকরণ : জমির আগাছা পরিষ্কার করার সময় নিড়ানি দিয়ে মাটি আলগা করে দিতে হয়। তার ফলে গাছের গোড়ার মাটি নরম এবং ঝুরঝুরে থাকে। এতে গাছের গোড়ায় আলো-বাতাস সহজে প্রবেশ করে।

বাউনি বা মাচা দেয়া : গাছ যখন ১৫ থেকে ২০ সেন্টিমিটার বড় হবে তখন গাছের গাড়ার পাশে মাচা বা বাউনি হিসেবে বাঁশের ডগা কুঞ্চি পুঁতে দিতে হবে।

পরাগায়ন : সকাল বা বিকালে স্ত্রী ফুলের গর্ভকেশরের মাথায় পুরুষ ফুলের পরাগরেণু খুব আস্তে আস্তে ২-৩ বার ছুঁয়ে দিলে সহজে পরাগায়ন হয়। একটি পুরুষ ফুল দিয়ে ৫-৬টি স্ত্রী ফুলের পরাগায়ন করা সম্ভব।

পরিচর্যা : পানি সেচ আর বাউনি দেয়া লাউয়ের প্রধান পরিচর্যা। লাউ ফসলে প্রচুর পানির প্রয়োজন হয়।
আগাম ফসলের জন্য শুষ্ক মৌসুমে জমি অনুযায়ী সেচ দিতে হবে। এর জন্য প্লাবন সেচ প্রয়োজন হয় বেশি। বাউনি বা মাচায় লাউ গাছ বাধাহীনভাবে যাতে বাইতে পারে সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে।
পোকা ও রোগ দমন

অন্তর্বর্তীকালীন পরিচর্যা : লাউগাছ প্রচুর পরিমাণে পানি শোষণ করে। তাই নিয়মিত গাছের গোড়ায় সেচ দেয়া, মাটির চটা ভেঙে দেয়া, বাউনি দেয়া ও গাছের গোড়ার শাখাগুলোও ভেঙে দেয়া বাঞ্ছনীয়। বারি লাউ-১-এর জন্য মাচা দেয়া ভালো।

মাছি ও জাবপোকা : এ পোকা গাছের কচি ডগা বা পাতার রস শুষে খেয়ে গাছকে দুর্বল করে দেয়। ফলে গাছের বৃদ্ধি কমে যায়। মাছি পোকা লাউয়ের ওপর খোসার নিচে দিকে ডিম পারে। ডিম পাড়ার কয়েকদিনের মধ্যেই কীড়া রেব হয়ে আসে এবং লাউয়ের কচি অংশ খেয়ে ফেলে।

পাউডারি বা ডাউনি মিলউড : এ রোগে আক্রমণ করলে গাছের পাতায় পাউডারের মতো আবরণ দেখতে পাওয়া যায়। মাটিতে রস থাকলে এ রোগ হয়। ডাউনি মিলউড রোগে গাছের পাতা বাদামি রঙ ধারণ করে। ছত্রাক আক্রমণে পাতা কুঁচকে যায়।

প্রতিকার : এ রোগের প্রতিকারের জন্য আপনার কাছের কৃষি অফিসে যোগাযোগ করে পরামর্শ নিন।

ফলের মাছিপোকা : পূর্ণবয়স্ক মাছিপোকা বাদামি বর্ণের গাঢ় হলুদ দাগযুক্ত হয়ে থাকে। স্ত্রী মাছি কচি ফলের গায়ে ডিম পাড়ে। ডিম ফুটে পোকার কিড়া আক্রান্ত ফলের ভেতর ঢুকে পড়ে এবং লাউয়ের কচি অংশ খেয়ে নষ্ট করে। ফলে আক্রান্ত লাউ পচে যায় এবং অকালে ঝরে যায়। বিষটোপ তৈরি করে এর আক্রমণ রোধ করা যায়।

কীটনাশক ব্যবহার করে এ পোকা দমন করতে হলে গাছে কচি ফল দেখা দেয়ার সাথে সাথে প্রতি লিটার পানিতে ডিপটেরক্স-৮০ এসপি ১.০ গ্রাম অথবা ডিপটেরক্স-৫০ ইসি ১.৫ মিলিলিটার মিশিয়ে ১৫ দিন অন্তর গাছে স্প্রে করতে হবে।

সূত্রঃএগ্রোবাংলা

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ৩১, ২০২২ ৪:৫৮ অপরাহ্ন
বিনা উদ্ভাবিত আউশ ধান এবং মুগের জাত পরিচিতি বিষয়ক কৃষক প্রশিক্ষণ-কর্মশালা অনুষ্ঠিত
কৃষি বিভাগ

নাহিদ বিন রফিক (বরিশাল): বিনা উদ্ভাবিত উচ্চফলনশীল আউশ ধান এবং মুগের জাত পরিচিতি বিষয়ক কৃষক প্রশিক্ষণ-কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ জেলার বাবুগঞ্জ উপজেলার বিনার হলরুমে এই প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়।

এ উপলক্ষ্যে উদ্বোধনী (ভার্চুয়ালী) অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গকেষণা ইনস্টিটিউটের (বিনা) মহাপরিচালক ড. মির্জা মোফাজ্জল ইসলাম।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বিনার পরিচালক (গবেষণা) ড. মো. আব্দুল মালেক, বিনার মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা (গবেষণা সমন্বয়ক) ড. মো. মুনজুরুল ইসলাম এবং ভাসমান কৃষি প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক ড. মো. মোস্তাফিজুর রহমান তালুকদার। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিনা উপকেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ড. ছয়েমা খাতুন।

বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা নাজমুন নাহার পপির সঞ্চালনায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. সোহেল রানা, কৃষি তথ্য সার্ভিসের কর্মকর্তা নাহিদ বিন রফিক, বরিশাল সদরের উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তা মো. মনিরুজ্জামান, বাবুগঞ্জের উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তা মো. খোরশেদ আলম, কৃষক মো. মজিবর রহমান, মো. গিয়াস উদ্দিন প্রমুখ।

প্রধান অতিথি বলেন, বরিশাল অঞ্চলে রবি মৌসুমে কিছু জমি পতিত থাকে। সেগুলোও চাষের আওতায় আনা সম্ভব। এ জন্য আউশ পরবর্তী আগাম আমন ধানের আবাদ সম্প্রসারণ করা দরকার। এর পরে সরিষার চাষ। অথবা আমন আবাদ শেষে সরিষা, এর পর মুগ। এভাবে পরিকল্পনা করলে এ অঞ্চলের শস্যনিবিড়তা বাড়বে। কৃষকের জীবনমানেরও হবে উন্নয়ন। অনুষ্ঠানে বরিশাল সদর ও বাবুগঞ্জের ৪ জন উপসহকারি কৃষি কর্মকর্তা এবং ৬৫ জন কৃষক অংশগ্রহণ করেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ৩১, ২০২২ ২:৫৯ অপরাহ্ন
অ্যাপের মাধ্যমে ধান সংগ্রহে ১৩ নির্দেশনা
কৃষি বিভাগ

আসন্ন বোরো মৌসুমে “কৃষক অ্যাপের” মাধ্যমে দেশব্যাপী ২৫৬ টি নির্বাচিত উপজেলায় থেকে কৃষকের কাছ থেকে ধান কিনবে সরকার। এজন্য ঢাকা, খুলনা, রংপুর, চট্টগ্রাম, সিলেট, বরিশাল, রাজশাহী, ময়মনসিংহের আঞ্চলিক খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কাছে ১৩ টি নির্দেশনা দিয়ে চিঠি পাঠিয়েছে খাদ্য অধিদপ্তর। ২৭ মার্চ থেকে কৃষক অ্যাপের মাধ্যমে কৃষক নিবন্ধন ও ধান বিক্রয়ের আবেদন শুরু হয়েছে।

‘কৃষকের অ্যাপ’-এর মাধ্যমে কৃষক নিবন্ধন ও ধান বিক্রির আবেদন ও নিবন্ধনের সময়সীমা সম্পর্কে কৃষকদের অবহিত করার জন্য স্থানীয়পর্যায়ে বহুল প্রচারণা চালানো প্রয়োজন। এজন্য মাঠপর্যায়ে বাস্তবায়নের জন্য ১৩টি নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

নির্দেশনাগুলো হলো—

১. নির্বাচিত উপজেলায় ‘কৃষকের অ্যাপ’-এর মাধ্যমে ধান ক্রয় কার্যক্রম সম্পাদন করতে হবে।

২. প্রশিক্ষণ সিডিউল অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট সব ইউএনও/উপজেলা কৃষি কর্মকর্তাসহ খাদ্য অধিদপ্তরের মাঠপর্যায়ের সংশ্লিষ্ট মনোনীত কর্মকর্তা/কর্মচারীদেরকে জুমের মাধ্যমে ভার্চুয়াল কর্মশালায় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে।

৩. খাদ্য অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে নিচের অংশে সংযোজিত ‘ফটো এবং ভিডিও বক্স’ থেকে ‘গাইড লাইন-কৃষকের অ্যাপ’ থেকে ভিডিও টিউটোরিয়াল ডাউনলোড করে অ্যাপ ব্যবহার সম্পর্কে ইউএনও/উপজেলা কৃষি কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে অবহিত করতে হবে।

৪. ওয়েবসাইটের উল্লিখিত বক্স থেকে কৃষকের অ্যাপের মাধ্যমে ধান সংগ্রহ কার্যক্রমের জন্য প্রস্তুতকৃত লিফলেট ও তৈরিকৃত অডিও ডাউনলোড করে মাইকিংয়ের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট উপজেলার সব ইউনিয়নে প্রচার করতে হবে।

৫. ওয়েবসাইটের উল্লিখিত বক্স থেকে প্রস্তুত করা পোস্টার (লিফলেট) উপজেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সংযোগ স্থান, বাজার, মসজিদের প্রধান ফটকের বিপরীতে এবং দৃষ্টিগোচর হয় এমন স্থানে সেঁটে দিতে হবে।

৬. প্রস্তুতকৃত লিফলেট জনসমাগমস্থলে যেমন- মসজিদ, স্থানীয় বাজারে হাটের দিন চায়ের দোকানে বিতরণ করতে হবে।

৭. প্রস্তুতকৃত লিফলেট ইউনিয়ন চেয়ারম্যান, মেম্বার ও স্থানীয় গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের কাছে পৌঁছে দিতে হবে।

৮. উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তার উঠান বৈঠকে উপস্থিত হয়ে প্রস্তুতকৃত লিফলেট বিতরণ করতে হবে।

৯. কৃষকের অ্যাপের মাধ্যমে ধান সংগ্রহ কার্যক্রমের জন্য তৈরিকৃত অডিও মাইকিংয়ের মাধ্যমে জনসমাগম স্থানে প্রচার করা করতে হবে।

১০. প্রস্তুতকৃত লিফলেট জেলা/উপজেলার ওয়েবপোর্টালে প্রকাশ করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

১১. সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্টার/লিফলেট প্রকাশ করে প্রচার করতে হবে।

১২. স্থানীয় প্রশাসনের মাধ্যমে সভা করে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন চেয়ারম্যান, মেম্বার, মহিলা মেম্বার, ইউডিসি উদ্যোক্তাদের অবহিত করতে হবে।

১৩. ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার উদ্যোক্তার মাধ্যমে কৃষক নিবন্ধন উৎসাহিত করতে হবে।

উল্লেখ্য, গত ২৪ ফেব্রুয়ারি খাদ্য পরিকল্পনা ও পরিধারণ কমিটির সভায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, আসন্ন বোরো মৌসুমে অভ্যন্তরীণ বাজার থেকে ১৮ লাখ টন ধান ও চাল কিনবে সরকার। এরমধ্যে ছয় লাখ ৫০ হাজার টন ধান, ১১ লাখ টন সিদ্ধ চাল, ৫০ হাজার টন আতপ চাল।

প্রতি কেজি বোরো ধানের সংগ্রহ মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ২৭ টাকা, সিদ্ধ চাল ৪০ টাকা এবং আতপ চাল ৩৯ টাকা। ধান কেনা হবে সরাসরি কৃষকের কাছ থেকে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ৩১, ২০২২ ১২:৩১ অপরাহ্ন
রোজায় নিত্যপণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে কঠোর মনিটরিং করা হবে: কৃষিমন্ত্রী
কৃষি বিভাগ

পবিত্র রমজান মাসে নিত্যপণ্যের দাম সহনীয় পর্যায়ে রাখতে কঠোরভাবে বাজার মনিটরিং করা হবে বলে জানিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ড. মো: আব্দুর রাজ্জাক এমপি।

তিনি বলেন, সরকারের সময়োপযোগী ও ত্বরিত পদক্ষেপের ফলে ইতোমধ্যে তেল, পেঁয়াজসহ নিত্যপণ্যের দাম কমতে শুরু করেছে। এদিকে কয়েকদিন পরেই রোজা শুরু হচ্ছে। রোজার মাসে নিত্যপণ্যের দাম সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে রাখতে কঠোরভাবে বাজার মনিটরিং করা হবে। দ্রব্যমূল্যের দাম নিয়ে কাউকে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করতে দেয়া হবে না। বরং যারা দ্রব্যমূল্যের দাম নিয়ে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি ও ফায়দা লুটার কথা ভাবছে ও অপচেষ্টা করছে, তারা চরম হতাশ হবে।

বুধবার বিকালে কেরানীগঞ্জের ইকুরিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে কৃষিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

ড. আব্দুর রাজ্জাক বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় আসলেই দেশে খাদ্য ঘাটতি দেখা দেয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ১৯৯৬ সালে আওয়ামীলীগ ক্ষমতায় আসার আগে দেশে ৪০ লাখ টন খাদ্য ঘাটতি ছিল। আওয়ামীলীগ পাঁচ বছর ক্ষমতায় থেকে দেশকে প্রথম খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ করেছিল ও ২৬ লাখ টন খাদ্য উদ্বৃত্ত ছিল। কিন্তু বিএনপি ২০০১ সালে ক্ষমতায় আসার এক বছরের মধ্যে ২০০২ সালে দেশে ০৬ লাখ টন খাদ্য ঘাটতি দেখা দেয়।

জনগণের সমর্থন নিয়ে বিএনপি আর কোনদিন ক্ষমতায় আসতে পারবে না মন্তব্য করে কৃষিমন্ত্রী আরও বলেন, বাংলাদেশের মানুষকে বিএনপি বিশ্বাস করে না।  যাকে দিয়েই নির্বাচন কমিশন গঠন করা হোক, তারা তা মানবে না ও নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে না। নির্বাচনে জিতবে – এ নিশ্চয়তা দিলেই বিএনপি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে।

সম্মেলনে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ এমপি, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম এমপি, ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বেনজির আহমদ এমপি, সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। সভাপতিত্ব করেন দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ  থানা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক শাহীন আহমেদ ও সঞ্চালনা করেন যুগ্ম আহ্বায়ক মই মামুন ।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ৩০, ২০২২ ১০:১১ অপরাহ্ন
বরিশালে ডিএই কর্মকর্তাদের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত
কৃষি বিভাগ

নাহিদ বিন রফিক (বরিশাল): বরিশালে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের (ডিএই) কর্মকর্তাদের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ নগরীর খামারবাড়ির কৃষি তথ্য সার্ভিসের সম্মেলনকক্ষে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

ডিএই বরিশালের উপপরিচালক মো. হারুন-অর-রশিদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সরেজমিন উইংয়ের অতিরিক্ত পরিচালক ( মনিটরিং ও বাস্তবায়ন) বাদল চন্দ্র বিশ্বাস।

প্রধান অতিথি বলেন, জনসংখ্যার আধিক্য, কৃষি জমি কমে যাওয়া এবং জলবায়ু পরিবর্তনজনিত কারণে এখনকার কৃষি আগের তুলানায় অনেক চ্যালেঞ্জিং। এর মধ্য দিয়ে ২০৩০ সালে এসডিজি অর্জন আর ২০৪১ সালে উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত করার জন্য আমাদের সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। আর তা বাস্তবায়ন হলেই দেশের খাদ্য ও পুষ্টির নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে। তিনি আরো বলেন, প্রকল্পের উন্নয়নমূলক কাজের গুণগতমান বজায়ের পাশাপাশি সংখ্যাগত বিষয়ের ওপরও গুরুত্ব দিতে হবে। তবেই আমরা সফলকাম হব।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন ভাসমান বেডে সবজি ও মসলা চাষ, গবেষণা, সম্প্রসারণ ও জনপ্রিয়করণ প্রকল্পের (ডিএই অংগ) উপ-প্রকল্প পরিচালক ড. বিজয় কৃষ্ণ বিশ্বাস।

পটুয়াখালী সদরের উপজেলা কৃষি অফিসার মার্জিন আরা মুক্তার সঞ্চালনায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন পটুয়াখালীর উপ-পরিচালক একেএম মহিউদ্দিন, বরগুনার উপ-পরিচালক আবু সৈয়দ মো. জোবায়দুল আলম, পিরোজপুরের উপ-পরিচালক ড. মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম শিকদার, ঝালকাঠির উপ-পরিচালক মো. মনিরুল ইসলাম, ভোলার উপ-পরিচালক মো. হাসান ওয়ারীসুল কবীর, পটুয়াখালীর জেলা প্রশিক্ষণ অফিসার মো. খায়রুল ইসলাম মল্লিক, অতিরিক্ত উপ-পরিচালক মো. জাকির হোসেন তালুকদার, উজিরপুরের উপজেলা কৃষি অফিসার মো. তৌহিদ প্রমুখ। মতবিনিময় সভায় ৭০ জন কর্মকর্তাবৃন্দ  অংশগ্রহণ করেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ৩০, ২০২২ ৩:২৮ অপরাহ্ন
আপাতত পেঁয়াজ আমদানি বন্ধের পরিকল্পনা নেই: কৃষিসচিব
কৃষি বিভাগ

আপাতত পেঁয়াজ আমদানি বন্ধের পরিকল্পনা নেই বলে জানিয়েছেন কৃষিসচিব মোঃ সায়েদুল ইসলাম। মঙ্গলবার সচিবালয়ে কৃষি মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) বাস্তবায়ন অগ্রগতি আলোচনা পর্যালোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।

কৃষিসচিব বলেন, পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি দেয়ার ক্ষেত্রে আমরা কৃষক ও ভোক্তা উভয়ের স্বার্থ রক্ষার বিষয়টি বিবেচনা করে থাকি। এখন পর্যন্ত কৃষক পেঁয়াজের ভাল দাম পাচ্ছে।

অন্যদিকে, সামনে পবিত্র রমজান মাস শুরু হচ্ছে। এই সময়ে পেঁয়াজের দাম যাতে না বাড়ে, সেটিও আমাদের বিবেচনায় রয়েছে। তাই, আপাতত পেঁয়াজ আমদানি বন্ধের পরিকল্পনা কৃষি মন্ত্রণালয়ের নেই। তবে আমরা নিবিড়ভাবে বাজার মনিটর করছি, কৃষক ও ভোক্তা উভয়ের স্বার্থ রক্ষায় উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।

সভায় জানানো হয়, চলমান ২০২১-২২ অর্থবছরে কৃষি মন্ত্রণালয়ের বাস্তবায়নাধীন প্রকল্পের সংখ্যা ৭৭টি। মোট বরাদ্দ ৩ হাজার ১২৪ কোটি টাকা। ফেব্রুয়ারি ২০২২ পর্যন্ত বাস্তবায়ন অগ্রগতি হয়েছে ৪০%, যা জাতীয় গড় অগ্রগতিরে চেয়ে ৫% বেশি। এ সময়ে জাতীয় গড় অগ্রগতি হয়েছে ৩৫%।

সভায় মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, সংস্থাপ্রধান ও  প্রকল্প পরিচালকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ২৯, ২০২২ ৪:৫৪ অপরাহ্ন
বরিশালের কৃষি গবেষণা কেন্দ্রে ভাসমান বেডচাষিদের উদ্বুদ্ধকরণ ভ্রমণ
কৃষি বিভাগ

নাহিদ বিন রফিক (বরিশাল): বরিশালের কৃষি গবেষণা কেন্দ্রে ভাসমান বেডচাষিরা উদ্বুদ্ধকরণ ভ্রমণ করেছেন। আজ ভাসমান বেডে সবজি ও মসলা চাষ, গবেষণা, সম্প্রসারণ ও জনপ্রিয়করণ প্রকল্পের (ডিএই অংগ) উদ্যোগে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

এ উপলক্ষ্যে এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন প্রকল্প পরিচালক (বারি অংগ) ড. মো. মোস্তাফিজুর রহমান তালুকদার। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আয়োজক প্রতিষ্ঠানের উপ-প্রকল্প পরিচালক ড. বিজয় কৃষ্ণ বিশ্বাস।

প্রকল্পের মনিটরিং অ্যান্ড ইভালুয়েশন অফিসার বিবেকানন্দ হীরার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন নলছিটির উপজেলা কৃষি অফিসার ইসরাত জাহান মিলি, মুকসুদপুরের উপজেলা কৃষি অফিসার মুহাম্মদ মনিরুজ্জামান, নেছারাবাদের উপজেলা কৃষি অফিসার চপল কৃষ্ণ নাথ, নলছিটির কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার আলী আহমেদ, মুকসুদপুরের কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার চৈতন্য পাল, কৃষি তথ্য সার্ভিসের কর্মকর্তা নাহিদ বিন রফিক, নলছিটির কৃষক মুহাম্মদ রাব্বি প্রমুখ।

কৃষকদের উদ্দেশ্যে প্রধান অতিথি বলেন, দেশের নিরাপদ খাদ্য ও পুষ্টি নিশ্চিতকরণে ভাসমান কৃষির রয়েছে বিরাট ভূমিকা। তবে এর বাস্তবায়ন আপনাদের মাধ্যমেই সম্ভব। তাই গবেষণাপ্রতিষ্ঠানে এসে যেসব আধুনিক প্রযুক্তিগুলো দেখলেন, তা মাঠে প্রয়োগ করলে ভাসমান কৃষি অনেক এগিয়ে যাবে। পাশাপাশি আপনারাও হবেন লাভবান।

উদ্বুদ্ধকরণ সফরে আগত চাষিরা আঞ্চলিক কৃষি গবেষণা কেন্দ্রে স্থাপিত ভাসমান কৃষির বিভিন্ন প্রযুক্তি ঘুরে দেখেন। এতে বরিশালের নলছিটি, পিরোজপুরের নেছারাবাদ এবং গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার ৯০ জন কৃষক অংশগ্রহণ করেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ২৯, ২০২২ ৪:৩৫ অপরাহ্ন
বিষপানে কৃষক আত্মহত্যার ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন- কৃষিসচিব
কৃষি বিভাগ

রাজশাহীতে সেচের পানি না পেয়ে কৃষকের আত্মহত্যা ঘটনায় কারো গাফিলতি পেলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন কৃষিসচিব মোঃ সায়েদুল ইসলাম।

আজ মঙ্গলবার (২৯ মার্চ) সচিবালয়ে কৃষি মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) বাস্তবায়ন অগ্রগতি পর্যালোচনা সভায় এ কথা বলেন তিনি।

রাজশাহীতে সেচের পানির না পেয়ে কৃষকের আত্মহত্যার বিষয়ে সরেজমিনে তদন্ত করার জন্য রবিবার (২৭ মার্চ) যুগ্ম সচিব (সার ব্যবস্থাপনা ও মনিটরিং) আবু জুবাইর হোসেন বাবুলকে আহ্বায়ক করে ৪ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন, রাজশাহী জেলা প্রশাসক, বিএডিসি’র (নাটোর) নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন ও বিএমডিএর (নওঁগা) নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ শমসের আলী। সাত কর্মদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে তদন্ত কমিটিকে। চার সদস্যের কমিটি বর্তমানে রাজশাহীতে ঘটনাস্থলে তদন্ত কাজ শুরু করেছে।

কৃষিসচিব বলেন, খবরটি জানার সঙ্গে সঙ্গে খোঁজখবর নিয়েছি।বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিএমডিএ),জেলা প্রশাসক, উপজেলা নির্বাহি অফিসার সহ সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলেছি। সেচের পানি সময়মতো না পাওয়ার কারণ ও কৃষকের বিষপানের বিষয়ে প্রকৃত ঘটনা ও দোষীদের চিহ্নিত করতে দ্রুত সময়ের মধ্যে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্তে কারো গাফিলতি প্রমাণিত হলে তার বিরুদ্ধে কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এছাড়া পুলিশও বিষয়টি নিয়ে তদন্ত করছে,তারা ফৌজদারি ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

উল্লেখ্য, গত ২৩ মার্চ রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে সেচের পানি না পেয়ে কীটনাশকপানে আত্মহত্যা করেন রবি মার্ডি ও অভিনাথ মার্ডি নামে ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠীর দুই কৃষক। সম্পর্কে তারা চাচাতো ভাই ছিলেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ২৯, ২০২২ ১:১১ অপরাহ্ন
বান্দরবানে আমের মুকুলে ছেয়ে গেছে সবুজ পাহাড়
কৃষি বিভাগ

পাহাড়ের আমগাছগুলো মুকুলে ছেয়ে গেছে। পাহাড় জুড়ে শোভা পাচ্ছে চোখ জুড়ানো আম চাষ। গাছে ডাল মুকুলে টুইটুম্বর। পার্বত্য জেলা বান্দরবানের সবুজ পাহাড় জুড়ে শুধু আমের সোনালী মুকুল। আম্রপালী, রাংগোয়াই সহ বিভিন্ন প্রজাতির আমের চাষ হয় এই জেলায়। বিভিন্ন জাতের দেশি বিদেশি আম চাষ হয় পাহাড়ি জেলা বান্দরবানে। তবে পাহাড়ের মাটি ও আবহাওয়া উপযোগী হওয়ায় সবচেয়ে বেশি আম্রপালি’ আমের চাষ হয়।

কৃষকেরা জানালেন, মিষ্টি ও আকারে বড় হওয়ায় এখানকার আমের চাহিদা রয়েছে দেশজুড়ে। উৎপাদন খরচ কম হওয়ায় বিগত বছরে আম বিক্রি করে লাভবান হয়েছেন তারা। এবারও আমের ফলন ভাল হবে বলে আশা করছেন কৃষকেরা।

বান্দরবান সদর উপজেলা উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তা দীপঙ্কর দাস জানান, কৃষকরা ঠিকমতো আম গাছের পরিচর্যা করছে কিনা, সে বিষয়ে তারা নজর রাখছেন। এছাড়া আম চাষের জন্য সব ধরনের সহযোগিতা করা হচ্ছে।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক রফিকুল ইসলাম বলেন, পাহাড়ি মাটিতে উৎপাদিত আম্রপালি আম খেতে বেশ সুস্বাদু পুষ্টিগুণসম্পন্ন তাই রপ্তানি করে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করা সম্ভব।

তিনি আরও বলেন, আম চাষীরা প্রাথমিক বিপর্যয় কাটিয়ে উঠতে পেরেছেন। আমের ফুল ঝরে পড়েনি তাই আশা করছি এ বছরও আমের বাম্পার ফলন হবে।

চলতি বছর বান্দরবান জেলায় ৭ হাজার হেক্টর জায়গায় আমের চাষ হয়েছে। তার মধ্যে শুধু আম্রপালী চাষ হয়েছে ১ হাজার ৬৬৯ হেক্টর জমিতে।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop