১২:০৪ পূর্বাহ্ন

বুধবার, ১৮ মার্চ , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : এপ্রিল ১১, ২০২১ ৯:২৫ পূর্বাহ্ন
ঘোড়াঘাটে ৯৭টি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর মাঝে গবাদি পশু বিতরণ
প্রাণিসম্পদ

আর্থ- সামাজিক ও জীবন মানোন্নয়নের লক্ষ্যে সমন্বিত প্রানি সম্পদ উন্নয়ন প্রকল্প”এর আওতায় দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলা প্রানি সম্পদ দপ্তর ও ভেটেরিনারি হাসপাতাল এর আয়োজনে “সমতল ভূমিতে বসবাসরত অনগ্রসর ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর ৯৭টি পরিবারের মাঝে উন্নত জাতের ক্রসব্রিট বকনা,দানাদার খাদ্য ও গৃহ নির্মাণ বিতরণ করা হয়েছে।

শনিবার (১০ এপ্রিল) সকালে ঘোড়াঘাট সরকারি কলেজ মাঠে প্রধান অতিথি দিনাজপুর -৬ আসনের সংসদ সদস্য শিবলী সাদিক এগুলো বিতরণ করেন।

তিনি বলেন, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর জীবন মানোন্নয়নে সরকার নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন। বর্তমান সরকার ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর কথা চিন্তা করে, যাতে তারা সু-শিক্ষায় শিক্ষিত হতে পারে। কোভিড-১৯ করোনা ভাইরাস মহামারীতে সকলকে স্বাস্থ্যবিধি ও সামাজিক দুরত্ব বজায় রাখার আহ্বান জানান তিনি।

ঘোড়াঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রাফিউল আলমের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, ঘোড়াঘাট উপজেলা চেয়ারম্যান আবদুর রাফে খন্দকার সাহানশা, দিনাজপুর জেলা প্রানি সম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ শাহিনুর আলম, থানা অফিসার ইনচার্জ আজিম উদ্দিন। ঘোড়াঘাট সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ এস এম মনিরুল ইসলামের সঞ্চায়লনে স্বাগতম বক্তব্য রাখেন ঘোড়াঘাট উপজেলা প্রানি সম্পদ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ডাঃ রুমানা আকতার রোমি ।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মাহফুজার রহমান, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান রুশিনা সরেন, উপজেলা প্রানি সম্পদ সম্প্রসারণ কর্মকর্তা ডাঃ রাকিবা খাতুন, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা আবদুল আউয়াল, উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার ধ্বীরাজ সরকার, উপ-সহকারী কর্মকর্তা আবদুল মতিন মিয়া, উপজেলা প্রানি সম্পদ দপ্তরের কর্মকর্তা -কর্মচারীসহ ঘোড়াঘাট উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ১০, ২০২১ ৭:২৩ অপরাহ্ন
গোপালগঞ্জে ভ্রাম্যমাণ দুধ, ডিম এবং মাংস বিক্রয় কেন্দ্রের উদ্বোধন
প্রাণিসম্পদ

বিদ্যমান কোভিড-১৯ পরিস্থিতিতে জনসাধারণের প্রাণিজ পুষ্টির চাহিদা নিশ্চিতকরণে এবং খামারিদের উৎপাদিত পণ্য ন্যায্যমূল্যে বিপণনের জন্য গোপালগঞ্জ ভ্রাম্যমাণ দুধ, ডিম এবং মাংস বিক্রয় কেন্দ্রের শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে।

আজ শনিবার(১০ এপ্রিল) প্রাণিসম্পদ দপ্তর, গোপালগঞ্জ জেলার সম্মানিত জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডক্টর আজিজ আল মামুন এটি উদ্বোধন করেন।

এ সময় সার্বিক সহযোগিতা করেন সম্মানিত উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা, গোপালগঞ্জ সদর, ডক্টর গোবিন্দ চন্দ্র সরদার।

এছাড়াও এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রাণিসম্পদ এবং ডেইরি উন্নয়ন প্রকল্পের লাইভস্টক এক্সটেনশন অফিসার এবং natp-2 এর লাইভস্টক এক্সটেনশন অফিসারসহ অত্র দপ্তরের অন্যান্য কর্মকর্তা কর্মচারীবৃন্দ।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ১০, ২০২১ ৭:১০ অপরাহ্ন
জয়পুরহাটে ভ্রাম্যমাণ দুধ, ডিম ও মাংস বিক্রয় কেন্দ্রের উদ্বোধন
প্রাণিসম্পদ

প্রাণিসম্পদ বিভাগ, জয়পুরহাট এর ব্যবস্থাপনায় ও এলডিডিপি প্রকল্পের সহায়তায় কোভিড-১৯ পরিস্থিতিতে ও আসন্ন পবিত্র রমজান উপলক্ষে জনসাধারণের প্রানিজ পুষ্টি নিশ্চিতকরণে প্রান্তিক খামারিদের উৎপাদিত পণ্য সরাসরি ভোক্তা পর্যায়ে পৌঁছে দিতে ভ্রাম্যমাণ দুধ, ডিম ও মাংস বিক্রয় কেন্দ্রের শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে।

শনিবার (১০ এপ্রিল) এটি উদ্বোধন করেন জয়পুরহাটের ডিসি।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন সম্মানিত পুলিশ সুপার, জয়পুরহাট মহোদয়, সা. সম্পাদক জয়পুরহাট জেলা আওয়ামী লীগ, ডিএলও, জয়পুরহাট মহোদয়, উপজেলা চেয়ারম্যান, সদর, জয়পুরহাট, উপজেলা নির্বাহি অফিসার, সদর, মেয়র, জয়পুরহাট পৌরসভা, ইউএলও, সদর, ভিএস, জয়পুরহাট সদর, ডেইরি ফার্মাস এসোসিয়েশন ও পোল্ট্রি ফার্মাস এসোসিয়েশন এর নেতৃবৃন্দ, সাংবাদিক বৃন্দ, আহজ এর সদস্যবৃন্দ, খামারিবৃন্দ এবং প্রাণিসম্পদ অফিসের সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারিবৃন্দ।

ভ্রাম্যমাণ বিক্রয় কেন্দ্রের মাধ্যমে প্রতিদিন সকাল ৯ টা হতে বিকেল ৫টা পর্যন্ত শহরের পাচুরমোড়, বাজলা স্কুলের সামনে, নতুন হাট, বাসস্ট্যান্ডে, খঞ্জনপুরমোড় এ নায্যমূল্যে ডিম, দুধ ও মাংস পাওয়া যাবে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ১০, ২০২১ ৬:৪১ অপরাহ্ন
মৌলভীবাজারে ভ্রাম্যমাণ গাড়িতে মিলছে দুধ-ডিম ও মাংস
প্রাণিসম্পদ

মৌলভীবাজার জেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগের উদ্যোগে খামারিদের কাছ দুধ-ডিম ও মাংস কিনে নিয়ে ভ্রাম্যমাণ গাড়িতে করে বিক্রি শুরু হয়েছে।

শনিবার (১০ এপ্রিল) মৌলভীবাজার জেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগের আয়োজনে শাহ মোস্তফা রোডস্থ বেরিরপাড় এলাকায় ট্রাকযোগে এ ভ্রাম্যমাণ পণ্য বিক্রি কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক মীর নাহিদ আহসান।

জেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগ জানিয়েছে, করোনাকালীন জেলার খামারিরা পণ্য উৎপাদন করে যাতে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে উৎপাদন বিমুখ না হয়। এর জন্যই প্রাণিসম্পদ বিভাগ সরাসরি খামারিদের কাছ থেকে দুধ ডিম ও মাংস কিনে নিচ্ছে। একই সাথে তা ন্যায্য দামে বাজারজাত করা হচ্ছে।

প্রতিটি পণ্য বাজার দামের চেয়ে অনেক কম। এতে ক্রেতা সাধারণ এসব পণ্য কিনে খুশি। সেই সাথে এ করোনাকালীন জেলার খামারিরাও বেশ লাভবান হবেন।

প্রাণিসম্পদ বিভাগ জানিয়েছে, এটি ৪৫ দিনের একটি প্রোগ্রাম। তবে অবস্থা বুঝে তা বর্ধিত করার চিন্তা রয়েছে তাদের।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ১০, ২০২১ ২:১৮ অপরাহ্ন
রাজবাড়িতে করোনায় “ভ্রাম্যমাণ মাছ বিক্রয় কেন্দ্রের” উদ্বোধন
প্রাণিসম্পদ

করোনাকালিন জনসাধারণের প্রাণিজ প্রোটিনের চাহিদা নিশ্চিতকরনে রাজবাড়ী জেলার গোয়ালন্দ উপজেলায় কাজী শামস আফরোজ,মহাপরিচালক, মৎস্য অধিদপ্তর, ঢাকা স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে “ভ্রাম্যমাণ মাছ বিক্রয় কেন্দ্রের” শুভ উদ্বোধন করেন।

শনিবার(১০ এপ্রিল) উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা মৎস্য বিভাগ, গোয়ালন্দ, রাজবাড়ির উদ্যোগে এই ভ্রাম্যমাণ মাছ বিক্রয় কেন্দ্রের উদ্বোধন করা হয়।

উদ্বোধন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন,সৈয়দ মোঃ আলমগীর,উপপরিচালক,মৎস্য অধিদপ্তর,ঢাকা বিভাগ, জয়দেব পাল,জেলা মৎ্স্য অফিসার,রাজবাড়ী।মোঃ জাহাঙ্গীর আলম,সিনিয়র সহকারী পরিচালক,মৎস্য অধিদপ্তর,ঢাকা। মোঃ রফিকুল ইসলাম,সহকারী কমিশনার (ভূমি),গোয়ালন্দ,রাজবাড়ী।মোঃ মাগফুর রহমান, সহকারী পরিচালক,মৎস্য অধিদপ্তর,ঢাকা।মোঃ রেজাউল শরীফ,সিনিয়র উপজেলা মৎস্য অফিসার (অঃদাঃ),গোয়ালন্দ,রাজবাড়ী।

করোনাকালিন মৎস্য ও মৎস্য পণ্য বিপণন, পরিবহন,উৎপাদন প্রক্রিয়া সচল রাখার জন্য ভ্রাম্যমাণ মাছ বাজার চালু করা হয়েছে। উদ্বোধনী পর্বে জনপ্রতিনিধি,সাংবাদিকবৃন্দ, আড়ৎদার সমিতি,জেলে প্রতিনিধি ও জনসাধারণ উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ১০, ২০২১ ২:০৬ অপরাহ্ন
গাজীপুরে দুধ, ডিম ও মাংস বিক্রয়ের ভ্রাম্যমাণ কার্যক্রম উদ্বোধন
প্রাণিসম্পদ

জনসাধারণের প্রাণিজ পুষ্টি নিশ্চিতকরণে প্রাণিসম্পদ ও ডেইরী উন্নয়ন প্রকল্প (এল ডি ডি পি), প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় দেশব্যাপী করোনা (কোভিড-১৯) পরিস্থিতিতে গাজীপুর জেলায় ভ্রাম্যমাণ দুধ, ডিম ও মাংস বিক্রয় কেন্দ্র উদ্বোধন করা হলো।

শনিবার(১০ এপ্রিল)গাজীপুর জেলা প্রশাসন ও জেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগের উদ্যোগে ব্যবস্হাপনা এবং গাজীপুর জেলা ডেইরী ফার্মারস এসোসিয়েশন এবং গাজীপুর জেলা পোল্ট্রি ফার্মারস এসোসিয়েশন বাস্তবায়নে এই ভ্রাম্যমাণ বিক্রয়কেন্দ্র উদ্বোধন করা হয়।

জানা যায়, গাজীপুর জেলার সকল উপজেলা মিলিয়ে সর্বোমোট ১০ টি ভ্রাম্যমাণ গাড়ী দিয়ে বিভিন্ন জায়গায় নিরাপদ দুধ, ডিম ও মাংস বিক্রয় করা হবে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ডাঃ এস.এম. উকিল উদ্দিন -জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা,গাজীপুর ; অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক), গাজীপুর ; উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা,গাজীপুর সদর; ভেটেরিনারি সার্জন, গাজীপুর সদর;ভেটেরিনারি সার্জন (জেলা প্রাণি হাসপাতাল); প্রাণিসম্পদ সম্প্রসারণ কর্মকর্তা, গাজীপুর সদর; গাজীপুর জেলা ও উপজেলা ডেইরী ও পোল্ট্রি এসোসিয়েশন এর নেতৃবৃন্দ; জেলা ও উপজেলা অফিসের অন্যান্য কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্ধ।

এখন থেকে প্রতিদিন সকাল ৯ টা থেকে বিকাল ৫ টা পর্যন্ত ন্যায্য মূল্যে ডিম, দুধ এবং মাংস বিক্রি করা হবে। গাজীপুরের সকল জনগন এই সু্যোগ গ্রহণ করার জন্য অনুরোধ করা হইল।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ১০, ২০২১ ১০:১৭ পূর্বাহ্ন
মৌলভীবাজারে অগ্নিকাণ্ডে গরু-ছাগল পুড়ে ছাই!
প্রাণিসম্পদ

মৌলভীবাজারের রাজনগর উপজেলায় অগ্নিকাণ্ডে বাছুরসহ ৪টি গরু, ২টি ছাগলসহ আসবাবপত্র এবং নগদ ১ লাখ টাকা পুড়ে ছাই হয়েছে। সব মিলিয়ে ১০ লক্ষাধিক টাকার মত ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

শুক্রবার (৯ এপ্রিল) রাতে উপজেলার সদর ইউনিয়নের পাঠানটুলা গ্রামের মোস্তফা বক্সের বাড়িতে এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও ফায়ার সার্ভিস জানায়, রাতে গরুর ঘরে আগুন লাগে। এসময় গরুঘর থেকে বসতঘরেও আগুন ছড়িয়ে পরে। এতে বসতঘরে আগুন জ্বলতে দেখে বাড়ির বাসিন্দারা ফায়ার সার্ভিসে খবর দেন। ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা এসে এক ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

এই অগ্নিকাণ্ডে নগদ ১ লাখ টাকা, আসবাবপত্র, ৪টি গরু ও ২টি ছাগল পুড়ে গেছে।

রাজনগর ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. ফখরুল ইসলাম বলেন, অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়েই আমরা ঘটনাস্থলে যাই। এতে প্রায় ১০ লক্ষ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। গোয়াল ঘরের কয়েলের আগুন থেকে অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়েছে বলে ধারণা করেছেন ফায়ার সার্ভিস।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ১০, ২০২১ ৯:৫৮ পূর্বাহ্ন
কলমাকান্দায় দুধ, ডিম ও মাংসের ভ্রাম্যমাণ বিক্রয় কার্যক্রম শুরু
প্রাণিসম্পদ

“মুজিববর্ষের অঙ্গীকার নিরাপদ প্রাণিজ পুষ্টি হবে সবার” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে দেশব্যাপী করোনা (কোভিড-১৯) পরিস্থিতিতে জনসাধারণের প্রাণিজ পুষ্টি নিশ্চিতকরণের অংশ হিসেবে নেত্রকোণা জেলার কলমাকান্দা উপজেলায় ভ্রাম্যমাণ পদ্ধতিতে দুধ, ডিম ও মাংস বিক্রয়ের কার্যক্রম পরিচালনা শুরু হয়।

গতকাল শুক্রবার(৯ এপ্রিল) এ কার্যক্রম উদ্বোধন করেন সম্মানিত উপজেলা চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা জনাব আব্দুল খালেক।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার জনাব মোঃ সোহেল রানা।

উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথি মহোদয় সরকারের এ কার্যক্রমের ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং উপজেলা নির্বাহী অফিসার মহোদয় বলেন, এর দ্বারা এ এলাকার জনসাধারণ বিশেষভাবে উপকৃত হবে।

এলডিডিপির সহযোগিতায় এ কার্যক্রমটি সুষ্ঠুভাবে শুরু ও চলমান রাখার বিষয়ে নির্দেশনা প্রদান ও তত্ত্বাবধানের জন্য সম্মানিত পরিচালক, ময়মননসিংহ জনাব সুখেন্দু শেখর গায়েন স্যার এবং ডিএলও, নেত্রকোণা জনাব ডা. মনোরঞ্জন ধর স্যারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন সংশ্লিষ্টরা।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ৯, ২০২১ ৬:১৬ অপরাহ্ন
সিরাজগঞ্জে দুধ-ডিম-মাংসের ভ্রাম্যমাণ বিক্রয় কেন্দ্রের উদ্বোধন
পাঁচমিশালি

সিরাজগঞ্জে ‘মুজিববর্ষের অঙ্গীকার, নিরাপদ প্রাণিজ পুষ্টি হবে সবার’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে জনসাধারণের প্রাণিজ পুষ্টি নিশ্চিতকল্পে ​করোনা পরিস্থিতিতে ন্যায্যমূল্যে ভ্রাম্যমাণ দুধ, ডিম ও সোনালী মুরগীর মাংস বিক্রয় কেন্দ্রের উদ্বোধন করা হয়েছে।

আজ শুক্রবার (৯ এপ্রিল) বেলা ১১টায় সিরাজগঞ্জ শহরের বাজার স্টেশন এলাকার স্বাধীনতা স্কয়ারে এই বিক্রয় কেন্দ্রের উদ্বোধন করেন প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের মহাপরিচালক ডা. শেখ মো. আজিজুর রহমান।

সিরাজগঞ্জ জেলা প্রশাসন ও জেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগের আয়োজনে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন পরিচালক (বাজেট) ডা. মোহাম্মাদ আলী, জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. আক্তারুজ্জামান ভুইঁয়া, সদর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. হারুন অর রশিদ, প্রাণি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা ডা. মৌসুমী খাতুন, তাড়াশ উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. সোহেল আহমেদ, কামারখন্দ উপজেলার প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. আবু সাঈদ প্রমুখ।

উদ্বোধনের আগে মহাপরিচালককে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান জেলা প্রাণি সেবা কল্যাণ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মাহমুদুল হাসান মুন্না ও সাধারণ সম্পাদক মো. ইউসুফ আলী।

বাংলাদেশ ডেইরি ফার্মারস অ্যাসোসিয়েশন (বিডিএফএ) ও বাংলাদেশ পোল্ট্রি ফার্মারস অ্যাসোসিয়েশনের (বিপিএফএ) বাস্তবায়নে এবং প্রাণিসম্পদ ও ডেইরি উন্নয়ন প্রকল্প (এলডিডিপি), প্রাণিসম্পদ অধিদফতর, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় সারাদেশের ন্যায় সিরাজগঞ্জ জেলা ও উপজেলা সদরগুলোতে ১০ দিনব্যাপী মোট ৪৪টি ন্যায্যমূল্যের ভ্রাম্যমাণ বিক্রয় কেন্দ্র চালু করা হয়েছে।

এ কেন্দ্রগুলোতে ফার্মের মুরগির ডিম ২৬ টাকা হালি, ফার্মের গরুর দুধ ৫০ টাকা প্রতি কেজি ও সোনালী মুরগির মাংস প্রতি কেজি ২৫০ টাকা মূল্যে বিক্রি করবে বলে ‍জানা যায়।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ৯, ২০২১ ৫:৩০ অপরাহ্ন
নতুন খামারী হয়েও কোন লসের মুখ দেখেননি হৃদয়
পোলট্রি

মো. হৃদয় একজন নতুন সফল খামারী। তিনি কুষ্টিয়া জেলার খোকশা উপজেলার রাধানগরের মো.ইউনুছ আলী প্রামানিকের ছেলে। চাকরী না করে অন্যকে চাকরী দেয়ার মানসিকতা থেকেই খামারের দিকে ঝুঁকেছিলেন তিনি। ফরিদপুর পলিটেকনিক্যালে ইঞ্জিয়ার ৪র্থ সেমিস্টারে পড়া অবস্থায় তিনি গড়ে তুলেন খামার। আর এই খামার করতে গিয়ে এখনও কোন লসের মুখ দেখেননি এই নতুন খামারী মো. হৃদয়। এগ্রিভিউ২৪.কম এর একান্ত সাক্ষাৎকারে উঠে আসে তার সফলতার গল্প।

হৃদয় জানান, তিনি ২০২০ সাল থেকেই পাশের গ্রামের বন্ধুর দেখাতে শুরু করেন খামার। প্রথমে মাত্র ৩০০০ টাকায় ২০০ সোনালি মুরগির বাচ্চা দিয়ে শুরু করেন খামার। আর তাতে মোট খরচ হয়েছে প্রায় ২২ হাজার টাকার মত। তিনি সেই প্রথম সেডে লাভ করেন প্রায় চার হাজার টাকার মত। যা ছিলো তাঁর অনুপ্রেরণার প্রথম মাধ্যম।

২য় সেড তিনি শুরু করেন ৭ হাজার টাকার ৬০০ বাচ্চা দিয়ে। যাতে মোট খরচ হয় প্রায় ৭২ হাজার টাকার মত। আর তিনি তাতে লাভ করেন ২৫ হাজার টাকার মত। তারপরে খামার বিভিন্ন কারণে বন্ধ রাখেন কয়েক মাস। কয়েক মাস বন্ধ রেখে আবার ২০২১ সালে জানুয়ারি মাসে তিনি শুরু করেন ব্রয়লার দিয়ে খামার। আর তাতেও লাভের মুখই দেখেন এই নতুন খামারী হৃদয়।

এগ্রিভিউ২৪.কম‘কে হৃদয় জানান, ২০২১ সালের জানুয়ারিতে এসে তিনি ২৮০টি বাচ্চা দিয়ে শুরু করেন। আর তাতে তথা ২০২১ সালের প্রথম সেডে তিনি লাভ করেন প্রায় ১৩ হাজার টাকার মত। আর বর্তমানে তার খামারে ৫০০ বাচ্চা আছে যার বয়স মাত্র ২২ দিন। ইনশাআল্লাহ সব ঠিক থাকলে এবারও তিনি লাভের আশা করছেন বলে জানান এগ্রিভিউ২৪‘কে।

যদিও সফলতার গল্প শুনিয়েছেন তিনি। তবে অভিযোগও তার কম না। বাজারে বাচ্চার মূল্য দিন দিন বৃদ্ধি পাওয়ায় হতাশার কথাও তিনি শুনিয়েছেন। তিনি বলেছেন, এভাবে বাচ্চার দাম বৃদ্ধি পেতে থাকলে আমরা যারা উদ্যোক্তা হওয়ার চিন্তা করেছি আমাদের পথে এটা বাধা হয়ে দাঁড়াবে। তাছাড়া খাবারের দামও অধিক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। আগে ২২‘শ টাকার খাবারের বস্তা এখন প্রায় ২-৩‘শ টাকা বেশি দিয়ে কিনতে হয়। যার কারণে নতুন খামারিরা সামনে এগোতে ভয় পাচ্ছে। একদিকে বাড়ছে মুরগির বাচ্চার দাম আর অন্যদিকে খাবারের দাম। এই দুটোতে সামঞ্জস্য আনার জন্য তিনি অনুরোধ জানান।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop