৩:২৪ পূর্বাহ্ন

বৃহস্পতিবার, ৪ জুন , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : ফেব্রুয়ারী ২০, ২০২৩ ২:৫২ অপরাহ্ন
বরিশালে খাদ্যে বিষ মিশিয়ে তিন গরু হত্যার অভিযোগ
প্রাণিসম্পদ

বরিশালের গৌরনদীতে খাদ্যে বিষ মিশিয়ে তিনটি গরু হত্যার অভিযোগ পাওয়া গেছে। শনিবার বেলা ১১টার দিকে নিজের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে বলে পশুগুলোর মালিক ও স্থানীয় ইউপি সদস্য রাজু খান জানান।

এ ঘটনায় গৌরনদী মডেল থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে। অভিযোগকারী রাজু খান উপজেলার শরিকল ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য ও উত্তর শরিকল গ্রামের নুরে আলম খানের ছেলে।

তিনি জানান, “শনিবার সকালে গরুগুলোকে গোয়াল ঘর থেকে বের করে পাশের খোলা জায়গায় চাড়ির (গরুকে খাবার দেওয়ার কনক্রিটের বড় পাত্র) সামনে বেঁধে খাবার দেওয়া হয়। চাড়িতে আগেই কিছু পানি ছিল। আমার বাবা সেই পানির সঙ্গে খৈল, ভূসি ও কুড়া মিশিয়ে গরুকে খেতে দেন।”

রাজু খান আরও বলেন, ওই খাবার খেয়ে বেলা ১১টার দিকে চারটি গরু অসুস্থ হয়ে পড়ে। প্রথমে একটি গর্ভবতী গাভি মারা গেলে প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তাকে খবর দেওয়া হয়। তিনি এসে চিকিৎসা দেওয়ার পরও একটি গর্ভবতী গাভি ও একটি বাছুর মারা যায়।

তার অভিযোগ, রাতের আঁধারে কে বা কারা শত্রুতা করে গরুর চাড়িতে বিষ ঢেলে রেখেছে। যা খেয়ে গরু তিনটি মারা গেছে। এতে তার প্রায় ৩ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।

গৌরনদী উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. মিজানুর রহমান জানান, তিনি ঘটনাস্থলে যাওয়ার আগেই একটি গাভি মারা যায়। পরে একটি বাছুর ও অপর গাভিটি মারা যায়।

একটি বাছুরকে চিকিৎসা দিয়ে সুস্থ করা হয়েছে দাবি করে তিনি বলেন, “খাদ্যে বিষক্রিয়ায় গরু তিনটি মারা গেছে। বিষের ধরন জানতে নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে; ঢাকায় পাঠানো হবে। প্রতিবেদন এলে বলতে পারবো।”

গৌরনদী মডেল থানার ওসি মো. আফজাল হোসেন জানান, “এ ঘটনায় ইউপি সদস্য রাজু খান থানায় জিডি করেছেন। জড়িতদের শনাক্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ফেব্রুয়ারী ১৮, ২০২৩ ৯:৪৩ অপরাহ্ন
রাজধানীতে বিএসএসএফ এর আর্ন্তজাতিক সায়েন্টিফিক কনফারেন্স অনুষ্ঠিত
প্রাণিসম্পদ

রাজধানীতে বাংলাদেশ সোসইটি ফর সেইফ ফুড (বিএসএসএফ) এর ৫ম আর্ন্তজাতিক সায়েন্টিফিক কনফারেন্স ২০২৩ অনুষ্ঠিত হয়েছে । শনিবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) নিরাপদ খাদ্য সম্পর্কিত জাতীয় সংগঠন বাংলাদেশ সোসইটি ফর সেইফ ফুড (বিএসএসএফ), এফএও বাংলাদেশ ও নিউট্রিশন ইউনিট, বিএআরসি’র সহযোগীতায় দিনব্যাপী এই সায়েন্টিফিক কনফারেন্সটি অনুষ্ঠিত হয় । বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল (বিএআরসি) এর মিলনায়তনে এই কনফেরেন্স এর আয়োজন করা হয় । কনফারেন্সের প্রতিপাদ্য ছিল “Safe and Nutritious Foods through One Health Approach” ।

উক্ত কনফারেন্সে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় খাদ্য মন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার এমপি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কৃষিবিদ বাদল চন্দ্র বিশ্বাস, মহাপরিচালক, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, এবং ডা. মো. এমদাদুল হক তালুকদার, মহাপরিচালক, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর। এছাড়াও অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব মশিউর রহমান, প্রেসিডেন্ট, বাংলাদেশ পোল্ট্রি ইন্ড্রাস্ট্রিস সেন্ট্রাল কাউন্সিল (বিপিআইসিসি)। কনফারেন্সে মুল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ড. এরিক ব্রাম, কান্ট্রি টিম লিডার, একটাড, এফএও বাংলাদেশ। উক্ত কনফারেন্সে সঞ্চালনায় ছিলেন ড. কেএইচএম নাজমুল হোসাইন নাজির, জেনারেল সেক্রেটারী এবং সভাপতিত্ব করেন ড. মো. রফিকুল ইসলাম, প্রেসিডেন্ট, বাংলাদেশ সোসাইটি ফর সেফ ফুড।


উক্ত কনফারেন্সে ভারত, চীন, ফিলিপাইনসহ দেশী বিদেশী গবেষকগন ৩টি প্লেনারি, ১৫ টি ওরাল ও ৩৬ টি পোস্টার উপস্থাপিত হয়। কনফারেন্সে দেশী-বিদেশী বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়, গবেষণা প্রতিষ্ঠান, এনজিও ও প্রাইভেট কোম্পানি হতে দুইশতাধিক গবেষক অংশগ্রহন করেন। গবেষকগন বাংলাদেশে নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন, সংরক্ষন, বিপনন, বাজারজাতকরণ ইত্যাদি সম্পর্কিত বিষয়াদি নিয়ে আলোচনা করেন। আয়োজকগন মনে করেন কনফারেন্সে উপস্থাপিত গবেষণালব্দ ফলাফল বাংলাদেশের জনগনের সুস্বাস্থ্য রক্ষায় যথেষ্ঠ ভূমিকা রাখবে। কনফারেন্সে শেষে দুই ক্যাটাগরিতে মোট ছয়জন গবেষককে পুরষ্কৃত করা হয়। সবশেষে সোসাইটির এজিএম অনুষ্ঠিত হয়।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ফেব্রুয়ারী ১৪, ২০২৩ ১০:২০ পূর্বাহ্ন
ছোট আকারের ছাগলের খামার থেকে লাভ করার উপায়
প্রাণিসম্পদ

ছোট আকারের ছাগলের খামার হওয়ার কারণে দিন দিন আমাদের দেশে ছাগল পালনকারীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। কেউ কেউ ছাগলের খামার গড়ে তুলছেন।

ছোট আকারের ছাগলের খামার থেকে লাভবান হওয়ার উপায়:
সঠিক পদ্ধতি জেনে ছাগল পালন করলে ছোট খামার থেকেও সহজেই লাভবান হওয়ার যায়। নিচে এ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হল-

ছাগলের খামার থেকে লাভবান হওয়ার জন্য প্রথমেই উচ্চমানের ও ভালো জাতের ছাগল নির্বাচন করতে হবে। এজন্য খামারের ছাগল কেনার সময় জাত সম্পর্কে ভালোভাবে জানতে হবে। ছোট খামারে ছাগল পালন করা হলে প্রত্যেকটি খরচের হিসাব রাখতে হবে। খেয়াল রাখতে হবে খামারে আয়ের তুলনায় যাতে ব্যয় বেশি না হয়। খামারে কোন কারণে ব্যয় বৃদ্ধি পেলে খরচ কমিয়ে আনতে হবে। খামারে ছাগল পালন করে লাভবান হওয়ার জন্য ভালো খাদ্য ব্যবস্থাপনার দিকে নজর দিতে হবে। ছাগলকে দৈনন্দিন সুষম ও পুষ্টিকর খাদ্য প্রদান করতে হবে। প্রয়োজনে খামারের আশপাশে পতিত জমিতে ঘাসের চাষ করতে হবে।

ছাগলের খামার ছোট হলেও নিয়মিত খামারকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। পালন করা ছাগলকে রোগমুক্ত রাখতে হবে প্রয়োজনে খামারে জীবাণুনাশক দিয়ে স্প্রে করে দিতে হবে। লাভবান হওয়ার জন্য ছাগলের বাজার দর সম্পর্কে খোঁজ-খবর নিতে। দাম কমার সময়ে ছাগল কিনতে হবে আর দাম বৃদ্ধি পেলে ছাগল বিক্রি করতে হবে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ফেব্রুয়ারী ১৪, ২০২৩ ১০:০১ পূর্বাহ্ন
ড্রীম স্কয়ার রিসোর্টে ফার্মা এন্ড ফার্ম এর “বাৎসরিক পিকনিক ২০২৩” অনুষ্ঠিত
প্রাণিসম্পদ

সিনিল গ্রুপের সহযোগী প্রতিষ্ঠান এবং দেশের ভেটেরিনারি মেডিসিন জগতের অন্যতম স্বনামধন্য ও শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান ফার্মা এন্ড ফার্ম কর্তৃক বাৎসরিক পিকনিক ২০২৩ অনুষ্ঠিত হয়েছে । সোমবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গাজিপুরের ড্রীম স্কয়ার রিসোর্টে এই পিকিনিকিটি অনুষ্ঠিত হয় । উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিনিল গ্রুপের চেয়ারম্যান নিহারুন নাহার বিলকিস। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফার্মা এণ্ড ফার্ম এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইমরান হাসান আনসারী। অন্যান্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠানটির চিফ অপারেটিং অফিসার ডাঃ খন্দকার হেলাল উদ্দীন, জেনারেল ম্যানেজার (সেলস এন্ড মার্কেটিং) ডাঃ তাপস কুমার ঘোষ, রুপালী ব্যাংকের জিএম ও প্রতিষ্ঠানটির বিভিন্ন ডিপার্টমেন্ট এর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে সিনিল গ্রুপের চেয়ারম্যান জনাব নিহারুন নাহার বিলকিস বলেন, দেশের প্রাণীসম্পদ সেক্টরের উত্তরোত্তর অগ্রগতিতে ফার্মা এণ্ড ফার্ম খামারিদের জন্য গুণগত মানসম্পন্ন পণ্য বাজারজাত করছে আর প্রতিষ্ঠানটির সুদক্ষ টেকনিক্যাল ও সেলস টিমের মাধ্যমে খামারীদের লাভবান করতে নিরলস প্রচেষ্টা চালাচ্ছে; সবাইকে নিয়ে আজকের এই পিকনিকটি বিগত দিনের সাফল্যের স্বীকৃতি এবং আমাদের আগামী দিনে কর্মস্পৃহা জোগাবে ।

ফার্মা এণ্ড ফার্ম এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইমরান হাসান আনসারী বলেন, প্রান্তিক খামারিদের কাছে আমাদের পণ্যের ব্যাপক জনপ্রিয়তা রয়েছে। সর্বোচ্চ গুনগতমান বজায় রেখে আগামী দিনেও খামারীদের সাফল্যে অংশীদার হতে পারবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

দিনব্যাপী এই আয়োজনে ভলিবল, দড়ি টানা, বেলুন ফাটানোসহ বিভিন্ন ইভেন্ট অনুষ্ঠিত হয় । মূল আকর্ষণ ছিল র‍্যাফেল ড্র ।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ফেব্রুয়ারী ১৪, ২০২৩ ৯:৪৬ পূর্বাহ্ন
কোয়েল পালনে আর্থিক স্বচ্ছলতা ফিরেছে লিটনের
পোলট্রি

দিনাজপুরে কোয়েল পাখির খামার করে আর্থিকভাব স্বচ্ছল হচ্ছেন অনেকেই। কম পরিশ্রম, স্বল্প জায়গায় ও কম খাদ্যেই এই পাখির খামার করা যায়। তাই দিন দিন কোয়েল পাখির খামারের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। এর ডিম ছাড়াও মাংসের জন্যও বিক্রি করে আয় করা যায়। এছাড়াও রোগ বালাই কম এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও অন্য পোল্ট্রির চেয়ে বেশি।

জানা যায়, গত ৪ মাস আগে প্রথম ৪০টি পাখি নিয়ে খামার গড়ে তোলেন দিনাজপুর সদরের উলিপুরের আসাদুজ্জামান লিটন। বর্তমানে তার খামারে ছোট-বড় নিয়ে ৩৬০টি কোয়েল রয়েছে। এখন প্রতিদিন ডিম পাওয়া যায় ১৬০-১৭০টি। ১ হাজার খামার গড়ে তোলার প্রস্তুতি নিচ্ছেন তিনি।

বাজারে পাখি বড়গুলো বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৪০০ টাকা এবং ডিম পাইকারী ২৫০ টাকা ‘শ’। আর খুচরা বিক্রি প্রতি হালি ১২ টাকা। একটি পাখি প্রকারভেদে ৩৫-৬০ টাকায় বিক্রি হয়। একটি পাখি ৫০-৫৫ দিনের মধ্যে ডিম পাড়ে।

খামারি আসাদুজ্জামান লিটন জানান, গত ৪ মাস আগে বাজার থেকে প্রথম ৪০টি পাখি কিনে আনি। বর্তমানে ছোট ১১০টি এবং বড় ২৫০টি পাখি রয়েছে। এখন বড় পাখিগুলো থেকে প্রতিদিন ১৬০ থেকে ১৭০টি ডিম পাওয়া যায়। প্রতি মাসে এসব কোয়েল পাখির খাবারে খরচ হয় সাড়ে ৬ হাজার টাকা। শুধুমাত্র ডিম বিক্রি থেকেই পাওয়া যায় ১২ হাজার টাকা।

তিনি বলেন, এই পাখির রোগ বালাই কম। যে কেউ একটু যত্ন নিলে কোয়েল পাখি বা তার ডিম বিক্রি করে অনায়াসে লাভ করা সম্ভব। তাছাড়া মুরগির তুলনায় কোয়েলের দেহের মাংসের ওজন আনুপাতিকহারে বেশি হয়। কোয়েলের বেঁচে থাকার হার মুরগির তুলনায় বেশি। তাই কোয়েল পালনে যে কেউ স্বাবলম্বী হতে পারবেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ফেব্রুয়ারী ৪, ২০২৩ ৮:২৪ অপরাহ্ন
বিএসএসএফ এর সম্মেলন ১৮ ফেব্রুয়ারি, রেজিস্ট্রেশন করবেন যেভাবে
পোলট্রি

আগামী ১৮ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে, বাংলাদেশ সোসাইটি ফর সেফ ফুড (বিএসএসএফ) আয়োজিত “খাদ্য নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্য সম্পর্কিত পঞ্চম আন্তর্জাতিক বৈজ্ঞানিক সম্মেলন (ISCFSH)”

সম্মেলনটি অনুষ্ঠিত হবে, বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিলের অডিটোরিয়ামে। উদ্বোধন করবেন মাননীয় খাদ্যমন্ত্রী জনাব সাধন চন্দ্র মজুমদার।

সম্মেলনে যোগ দিতে চলছে রেজিস্ট্রেশন। রেজিস্ট্রেশনের শেষ তারিখ ৮ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৩। দ্রুত রেজিস্ট্রেশন করে ফেলুন। আসন সংখ্যা সীমিত।

রেজিস্ট্রেশন করুন এখান থেকে : বিএসএসএফ এর সম্মেলন ১৮ ফেব্রুয়ারি,আসন সংখ্যা সীমিত

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ফেব্রুয়ারী ৩, ২০২৩ ৯:২০ পূর্বাহ্ন
AHCAB এর ১৫ সদস্য বিশিষ্ট নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি
প্রাণিসম্পদ

Animal Health Companies Association of Bangladesh (AHCAB) এর দুই বছর (২০২৩-২০২৫) মেয়াদি কার্যনির্বাহী কমিটি (১৫ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি) পদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২ ফেব্রুয়ারী) বিকেলে রাজধানীর ফার্মগেটে অবস্থিত আহকাব ফেব্রুয়ারী) এর বোর্ড রুমে এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় এবং ২০২৩-২০২৫ মেয়াদের জন্য কমিটির সদস্যদের নাম ঘোষনা করা হয়।  এতে সভাপতি পদে নির্বাচিত হন নোভিভো এনিমেল হেলথ লিমিটেড এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক সায়েম উল হক এবং মহাসচিব পদে পুন:নির্বাচিত হন ইমপেক্স মার্কেটিং লিমিটেড এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ আফতাব আলম।

আহকাব এর নির্বাচন বোর্ডের চেয়ারম্যান মো. হামিদুর রহমান (যুগ্ম সচিব – মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রনালয়) বিনা প্রতিদ্বন্দীতায় নির্বাচিত ১৫ জন সদস্যের নাম ঘোষণা করেন। নির্বাচনে মোট প্রার্থী ৩০ জন থেকে সমঝোতার ভিত্তিতে ১৫ জন প্রার্থিতা প্রত্যাহার করায় বাকি ১৫ জন জন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন।

নতুন কমিটিতে সহ সভাপতি হিসেবে এফটিডিসি ট্রেড অ্যান্ড কনসালটেশন এর ডা. আবদুস সবুর, যুগ্ম সচিব হিসেবে সেইফ বায়ো প্রোডাক্টস লি: এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. মোহাম্মদ সরোয়ার জাহান,  কোষাধ্যক্ষ হিসেবে আদিয়ান এগ্রোর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. জামিল হুসাইন, সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে ইসলাম এন্টারপ্রাইজ এর এ এম আমিরুল ইসলাম ভূঁইয়া নির্বাচিত হয়েছেন।

নির্বাচিত সদস্যদের পুরো লিস্টঃ

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ফেব্রুয়ারী ২, ২০২৩ ৬:৪৪ অপরাহ্ন
দেশে ছাগলের সংখ্যা দুই কোটি ৬৭ লাখ, গরু আড়াই কোটি
প্রাণিসম্পদ

দেশে দুই কোটি ৬৭ লাখ ৭৪ হাজার ছাগল রয়েছে বলে সংসদকে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণি সম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।

বুধবার সংসদের বৈঠকে প্রশ্নোত্তরে তিনি এতথ্য জানান। এর আগে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সংসদের বৈঠক শুরু হয়। প্রশ্নোত্তর টেবিলে উত্থাপিত হয়।

আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য শহীদুজ্জামান সরকারের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী আরো জানান, সর্বশেষ প্রকাশিত বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ও প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর, মৎস্য ও প্রাণি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের তথ্যানুযায়ী দেশে দুই কোটি ৪৭ লাখ গরু এবং ১৫ লাখ ৮ হাজার মহিষ আছে।

অপর এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, জনপ্রতি নূন্যতম ১২০ গ্রাম হিসাবে ২০২২-২৩ অর্থবছরে দেশে মাংসের চাহিদা ৭৬ লাখ ১০ হাজার মেট্রিক টন। তিনি বলেন, দেশি উৎস থেকে কোরবানির পশুর চাহিদা পূরণের তাগিদ, আধুনিক রুষ্টপুষ্টকরণ প্রযুক্তির প্রয়োগ ও ূষ্টপুষ্টকরণ খামারের বাণিজ্যিক সম্প্রসারণ ঘটায় আমদানি নির্ভর কোরবানির পশুর বাজার স্বনির্ভরতা অর্জন করেছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ফেব্রুয়ারী ১, ২০২৩ ৮:০৬ অপরাহ্ন
ব্লাক বেঙ্গল ছাগল পালনে স্বাবলম্বী নারী খামারি!
প্রাণিসম্পদ

শহর অঞ্চলে প্রচলিত না হলেও এখনো গ্রামগঞ্জে প্রতিনিয়ত বাড়ছে ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল পালন। ছাগল পালনকারীরা নিজেরা আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী হওয়ার পাশাপাশি অবদান রাখছেন দেশের অর্থনীতিতে। তারই ধারাবাহিকতায় ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল পালনে স্বাবলম্বী হয়েছেন পাবনার নারী খামারি ফরিদা খাতুন।

জানা যায়, নারী খামারি ফরিদা খাতুন পাবনা সদর গাছপাড়া এলাকার বাসিন্দা। সংসারের অভাব দূর করতে ছাগল পালন শুরু করেন। তিনি বিগত ২০ যাবত তিনি ছাগল পালন করে আসছেন। ছাগল পালন করেই তিনি সংসারের হাল ধরেছেন। ব্লাক বেঙ্গল ছাগলের খামার করে তিনি নিজের ভাগ্য পরিবর্তন করেছেন। তাকে অনুসরণ করে অনেকেই ছাগল পালনে উৎসাহি হয়েছেন।

নারী খামারি ফরিদা খাতুন জানান, আমার অভাবের সংসার ছিল। স্বামী একা সব কিছু সামলে উঠতে পারতো না। তাই আমি ছাগল পালন শুরু করি। আমি প্রায় ২০ বছর যাবত ছাগল পালন করছি। বর্তমানে আমার খামারে ৮-১০টি ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল রয়েছে। তিনি আরো বলেন, একটি ছাগল বছরে দুইবার বাচ্চা দেয়। ছাগলগুলো একাধিক বাচ্চা দিয়ে থাকে। বাচ্চা বড় করে এককেটি ১০-১৫ হাজার টাকায় বিক্রি করতে পারি। এতে বছরে প্রায় ৬০-৭০ হাজার টাকার ছাগল বিক্রি করতে পারি। আশা করছি আমার খামারটি আরো বড় আকারে গড়ে তুলতে পারবো।

পাবনা জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা: আল মামুন হোসেন মন্ডল জানান, ব্লাক বেঙ্গল জাতের ছাগল উন্নয়ন ও সম্প্রসারণ প্রকল্পের আওতায় প্রতি ইউনিয়নে দুইজন করে মোট ১৪৮ জন সুফলভোগীকে বিনামূলো ছাগলের প্লাস্টিকের আধুনিক মাঁচা ঘর নির্মাণ, বিনামূল্যে ভিটামিন, মিনারেল, ছাগলের বাচ্চার দুধ দেওয়া হয়েছে। ব্লাক বেঙ্গল ছাগল প্রতিবছর দুইবার বাচ্চা দেয় এবং প্রতিবার দুই থেকে তিনটি বাচ্চা দিয়ে থাকে। এর মাংস অনেক সুস্বাদু এবং এই ছাগলের রোগ বালাই অনেক কম হয়। ব্লাক বেঙ্গল ছাগল দারিদ্র বিমোচন, নারীর উন্নয়ন, বেকারত্ব দূরীকরণে অনেক বড় ভূমিকা পালন করে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জানুয়ারী ৩১, ২০২৩ ২:৫৪ অপরাহ্ন
গরু চুরির আতঙ্কে গাজীপুরের কৃষকরা
প্রাণিসম্পদ

গাজীপুরের শ্রীপুরে কৃষক শাজাহান সরকারের গোয়াল ঘর থেকে পাঁচটি গরু চুরি হয়েছে।

মঙ্গলবার ভোর ৪টার দিকে শ্রীপুর পৌরসভার (৬ নং ওয়ার্ড) উজিলাব (মধ্যপাড়া) এলাকার নিজ বাড়ি থেকে গরু চুরি হয়। খবর পেয়ে শ্রীপুর থানা পুলিশ বেলা ১১টায় ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।

চুরি হওয়া গরুর মধ্যে একটি লাল রঙের সিন্ধী গাভী, একটি লাল রঙের সিন্ধী বকনা বাছুর, একটি কালো রঙের দেশি ক্রস গাভী, একটি সাদা রঙের দেশি গর্ভবতী বকনা এবং একটি ন্যারা লাল রঙের ষাড় গরু। চুরি হওয়া গরুর মূল্য প্রায় ৪ লাখ টাকা বলে নিশ্চিত করেছেন কৃষক শাজাহান সরকার।

কৃষক শাজাহান সরকার জানান, রাত ১০টার দিকে গোয়াল ঘরে গরু দেখে ঘুমাতে যান। পরে রাত ২টার দিকে বোরো ক্ষেতে পানি দিতে মোটর ছাড়ার জন্য ঘুম থেকে ওঠেন। এসময় গোয়াল ঘরে উঁকি দিয়ে তিনি পাঁচটি গরু দেখেন। পানি ছেড়ে তিনি আবার ঘুমিয়ে পড়েন। সকাল পৌনে ৬টায় ঘুম থেকে উঠে গোয়াল ঘর থেকে গরু বের করতে গেলে দেখেন গরুগুলো নেই। তার চিৎকার শুনে আশেপাশের লোকজন এসে গরু চুরি হয়েছে দেখতে পান। তিনি বলেন, গরুগুলোই আমার শেষ সম্বল ছিল। পাঁচটি গরুর সবগুলো চুরি যাওয়ায় এখন আমি নি:স্ব হয়ে গেছি এবং আমার জীবীকার পথ বন্ধ হয়ে গেছে।

শ্রীপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) হামিদুল ইসলাম জানান, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। কৃষক গরু চুরির ঘটনায় অভিযোগ দিয়েছে। বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখা হচ্ছে এবং চুরি যাওয়া গরুগুলো উদ্ধারসহ চোরদের ধরার চেষ্টা চলছে। পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

 

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop