৭:৫৭ অপরাহ্ন

বৃহস্পতিবার, ৪ জুন , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ১, ২০২২ ১:৩০ অপরাহ্ন
পাঁচ মাসের গরুর দাম ৫ লক্ষ টাকা
প্রাণিসম্পদ

যশোর মণিরামপুরের খর্বাকৃতির গরু ‘ঝন্টু’। প্রায় ৫ মাস বয়সের এঁড়ে বাছুরের উচ্চতা ১৭ ইঞ্চি এবং দৈর্ঘ্যে ৩১ ইঞ্চি । তবে, ওজনে প্রায় ২০ কেজি হবে। মণিরামপুরের ৫ মাস বয়সী এই এঁড়ে বাছুরটি বিশ্বের সবচেয়ে খর্বাকৃতির গরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

২০১৫ সালে গিনেজ রেকর্ডে ভারতের কেরালার ‘মানিক্যান’ গরুর উচ্চতা ছিল ২৪ ইঞ্চি এবং ওজন ছিল ৪০ কেজি। পরে এদেশের আশুলিয়ার একটি ফার্মে ‘রানী’ নামের গরুটি গিনেজ রেকর্ডে স্থান পায়। এই গরুটির উচ্চতা ছিল ২০ ইঞ্চি এবং ওজন ছিল ২৬ কেজি। যে কারণে ঝন্টু নামের এই গরুটি গিনেজ রেকর্ডে স্থান পেতে পারে অনেকেই ধারণা করছেন।

গত রোজার ঈদের পরদিন মণিরামপুর উপজেলার খানপুর ইউনিয়নের খামারবাড়ি গ্রামের সরোয়ারের বাড়িতে পোষা গাভীটি এই এঁড়ে বাছুরটি জন্ম দেয়। জন্মের সময় বাছুরটি বর্তমানের তুলনায় আরো ছোট ছিল।

জন্মের পর থেকে বাছুরটি নিয়ে বাড়িতে আনন্দের শেষ নেই। দুর-দূরন্ত থেকে খর্বাকৃতির এড়ে বাছুরটি এক নজরে দেখতে বাড়িতে ভিড় জমাচ্ছে। বাড়ির ছোট বড় সবাই আদর করে নাম রেখেছে ঝন্টু। বাড়ির সকলের আদরের গরুটি স্বাভাবিক গরুর মতই খাওয়া দাওয়া করে। কিন্তু তারপরও উচ্চতা, দৈর্ঘ্যে এমনকি ওজনে বৃদ্ধি পায়নি। ইতোমধ্যে বাছুরটি কিনতে চাচ্ছেন অনেকেই। যার দাম হাঁকানো হয়েছে ৫ লাখ টাকা।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ৩১, ২০২২ ৪:১২ অপরাহ্ন
দেশকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র ঐক্যবদ্ধভাবে রুখে দিতে হবে: প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী
প্রাণিসম্পদ

দেশকে অস্থিতিশীল করার সব ধরনের ষড়যন্ত্র ঐক্যবদ্ধভাবে রুখে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।

আজ বুধবার (৩১ আগস্ট) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির নসরুল হামিদ মিলনায়তনে জাতীয় শোক দিবস ২০২২ উপলক্ষ্যে খুলনা জেলা সাংবাদিক ফোরাম, ঢাকা আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এ আহ্বান জানান।

এ বিষয়ে তিনি আরও বলেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বিপর্যস্ত-বিপন্ন বাংলাদেশ যখন উন্নয়নের রোল মডেল তখন আবার দেশকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে। আবার একটি দুর্নীতিবাজ, স্বাধীনতাবিরোধী ও সাম্প্রদায়িক রাষ্ট্র ব্যবস্থা কায়েমের চেষ্টা চলছে। একবার আল জাজিরা কাহিনী শুরু করা হয়েছিল। এখন আবার আয়না ঘর দিয়ে বাংলাদেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের প্রতীক হিসেবে যাদের গণ্য করা হয় সে সেনাবাহিনীকে বিতর্কিত করার চেষ্টা চালানো হচ্ছে। এ সময় ঐক্যবদ্ধভাবে শেখ হাসিনাকে সব ষড়যন্ত্র থেকে মুক্ত রাখতে হবে। কারণ শেখ হাসিনা না থাকলে সমৃদ্ধ, আধুনিক ও মুক্তিযুদ্ধের এ বাংলাদেশ থাকবে না।

বঙ্গবন্ধুর নির্মম হত্যাকাণ্ডের পর সাংগঠনিকভাবে যে ভূমিকা রাখার কথা ছিল সে ভূমিকা আমরা রাখতে পারিনি উল্লেখ করে তিনি বলেন, শেখ হাসিনা বেঁচে না থাকলে আওয়ামী লীগ আবার ঘুরে দাঁড়াতে পারত না, মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বাংলাদেশ পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হতো না, বঙ্গবন্ধুর খুনিদের দাম্ভিকতা চূর্ণ হতো না, যুদ্ধাপরাধীদের বিচারসহ বুদ্ধিজীবী হত্যাকান্ডের বিচার হতো না, লাল-সবুজের পতাকাকে শ্রদ্ধা জানানো হতো না, মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান ফিরিয়ে আনা হতো না। শেখ হাসিনা ফিরে না আসলে বাংলাদেশ নাম থাকলেও এ দেশ পূর্ব পাকিস্তানের চেয়ে কট্টর সাম্প্রদায়িক রাষ্ট্র হওয়ার শঙ্কা ছিল।

তিনি আরও বলেন, বঙ্গবন্ধু হত্যার ঘটনা হঠাৎ করে ঘটেনি। এটি ছিল পরিকল্পিত একটি হত্যাকান্ড। বঙ্গবন্ধু হত্যার ষড়যন্ত্রে জড়িতদের আমরা বিচারের মুখোমুখি করতে পারিনি। বঙ্গবন্ধু হত্যার ঘটনা জানার পর যারা প্রতিরোধের দায়িত্ব পালন করার কথা ছিল, আইন প্রয়োগকারী সংস্থা অথবা রাজনৈতিক নেতৃত্ব তারা দায়িত্ব পালন করতে পারেনি। বঙ্গবন্ধু হত্যার বেনিফিশিয়ারি যারা ছিল, হত্যার ষড়যন্ত্র, পরিকল্পনা ও ঘটনায় তারা যে যুক্ত ছিল, সেটা আমরা উদ্ধার করতে পারিনি। বঙ্গবন্ধু হত্যার যে খন্ডিত বিচার হয়েছে, এ খন্ডিত বিচার থেকে আত্মতুষ্টির কারণ নেই।

এ প্রসঙ্গে মন্ত্রী আরও বলেন, জিয়াউর রহমান ‘গো অ্যাহেড’ বলে বঙ্গবন্ধুর খুনিদের এগিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল। বঙ্গবন্ধু হত্যার মাত্র নয় দিনের মাথায় তিনি হয়ে সেনা প্রধান হয়েছিলেন। তিনি যে নাটের গুরু, তিনি যে মাস্টারমাইন্ড, তিনি যে ষড়যন্ত্রকারী সে সময় সেটা আস্তে আস্তে দৃশ্যমান হয়ে উঠেছিল। বঙ্গবন্ধু হত্যার তদন্তে গঠিত আন্তর্জাতিক কমিশনকে বাংলাদেশে আসতে দেয়নি জিয়া। বঙ্গবন্ধুর খুনিদের বিচার করা যাবে না এ আইন করেছে জিয়াউর রহমান। বাঙালি জাতির জনকের হত্যাকাণ্ডের ষড়যন্ত্রে, খুনিদের পৃষ্ঠপোষকতা, প্রতিষ্ঠা ও পুনর্বাসনে এবং মুক্তিযুদ্ধের বাংলাদেশ ধ্বংস করে দেওয়ায় সবচেয়ে বড় কাজ করেছে জিয়াউর রহমান। তাকে সহায়তা করেছিল দেশি-বিদেশি চক্র।

খুলনা জেলা সাংবাদিক ফোরাম, ঢাকা এর সাধারণ সম্পাদক সাজু রহমানের সঞ্চালনায় ও সভাপতি ফসিহ উদ্দীন মাহতাবের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বক্তব্য প্রদান করেন নিউজ টুয়েন্টিফোর টেলিভিশনের নির্বাহী সম্পাদক ও খুলনা বিভাগীয় সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি রাহুল রাহা, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম হাসিব, বৃহত্তর খুলনা সমিতির সাধারণ সম্পাদক রেজাউল হক, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ শুক্কুর আলী শুভ, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ জামাল, সাবেক সহসভাপতি আজমল হক হেলাল, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সাংগঠনিক সম্পাদক জিহাদুর রহমান জিহাদ প্রমুখ। খুলনা জেলা সাংবাদিক ফোরামের সদস্যবৃন্দ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ৩০, ২০২২ ১০:১৯ পূর্বাহ্ন
শ্রেষ্ঠ শুদ্ধাচার পুরস্কার পেলেন বদলগাছী উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা
প্রাণিসম্পদ

রাজশাহী বিভাগে শ্রেষ্ঠ শুদ্ধাচার পুরস্কার পেয়েছেন নওগাঁ জেলার বদলগাছী উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. নাজমুল হক। যোগদানের পর থেকেই অবকাঠামোগত উন্নয়ন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা, সেবা কার্যক্রম বাড়ানোসহ বিভিন্ন কার্যক্রম করে চলেছেন ডা. নাজমুল হক। এর জন্য শুদ্ধাচার পুরস্কার পেলেন তিনি।

শুক্রবার (২৬ আগস্ট) বগুড়া ক্যাসল রেস্টুরেন্টে অনুষ্ঠিত এক আলোচনা সভায় তার হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট ও সনদ তুলে দেন প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. মনজুর মোহাম্মদ শাহজাদা।

বদলগাছী উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. নাজমুল হক জানান, বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়ার প্রত্যয় নিয়ে আমরা আমাদের উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর ও ভেটেরিনারি হাসপাতালকে একটি মডেল হিসেবে গড়ে তোলার স্পৃহা নিয়ে কাজ শুরু করেছিলাম। দপ্তরের প্রত্যেকটি শাখার কাজগুলো বাৎসরিক কর্মসম্পাদন চুক্তি অনুযায়ী সুন্দরভাবে ডকুমেন্টেসভিত্তিক করে যাওয়ার চেষ্টা করছি।

সুশাসনমূলক কাজ, জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল লালন, প্রতিশ্রুতি নাগরিকসেবা, ই-গভ: ও ইনোভেটিভ উদ্যোগ নেওয়া, তথ্যবহুল উপজেলা ওয়েবসাইট, অভিযোগ প্রতিকারে গণশুনানি, নিজস্ব চ্যানেলে প্রচার ও প্রচারণা, উদ্যোক্তা সৃষ্টি নিয়ে কাজ করে যাচ্ছি বলে জানান তিনি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ৩০, ২০২২ ১০:১০ পূর্বাহ্ন
নাটোরে দেওয়াল ভেঙে দুই লাখ টাকার দুটি গরু চুরি
প্রাণিসম্পদ

নাটোরের বড়াইগ্রামে গোয়ালঘরের ইটের দেওয়াল ভেঙে প্রায় দুই লাখ টাকা মূল্যের দুটি গরু চুরি হয়েছে।

রোববার (২৮ আগস্ট) দিনগত রাত আনুমানিক ৩টার দিকে উপজেলার জোয়াড়ী ইউনিয়নের আটঘড়িয়া গ্রামের সাইফুল ইসলামের বাড়িতে এ চুরির ঘটনা ঘটে।

সাইফুল ইসলাম জানান, রাত ৩টার দিকে তার ঘুম ভেঙে যায়। পরে গোয়ালঘরে গরুগুলো কী অবস্থায় আছে তা দেখতে যান।

এ সময় দেখেন গোয়ালঘরে দুটি গরু নেই এবং পেছন দিকের দেওয়াল ভাঙা। এরপর অনেক খোঁজাখুঁজি করেও গরুগুলোর সন্ধান পাননি। চুরি যাওয়া গরু দুটির মূল্য প্রায় দুই লাখ টাকা বলে দাবি করেন গৃহকর্তা সাইফুল।

এ বিষয়ে বড়াইগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু সিদ্দিক জানান, গরু চুরির ঘটনায় মামলা করা হয়েছে। গরু উদ্ধার ও চোর শনাক্ত করতে চেষ্টা চলছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ২৯, ২০২২ ৬:৫৭ অপরাহ্ন
শেখ হাসিনার হাতেই বাংলাদেশে মানবাধিকারের সুরক্ষা: প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী
প্রাণিসম্পদ

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বলেছেন, বঙ্গবন্ধু পরবর্তী সরকারে মানবাধিকারের সুরক্ষা একমাত্র শেখ হাসিনাই করেছেন। সাংবিধানিকভাবে যার যে আইনের অধিকার সেটা তিনি নিশ্চিত করেছেন। অন্যরা মানবাধিকারের লঙ্ঘন যারা করেছে তার বিচার করা যাবে না এই আইন করেছে। বঙ্গবন্ধুর পরবর্তী বাংলাদেশে মানবাধিকারের সুরক্ষা একমাত্র শেখ হাসিনার সময়ে হয়েছে। শেখ হাসিনার হাতেই বাংলাদেশের মানবাধিকারের সুরক্ষা।

আজ সোমবার (২৯ আগস্ট) দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে বাংলাদেশ অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট ফোরাম আয়োজিত ‘রক্তাক্ত আগস্ট ও মায়ের কান্না’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

এ সময় মন্ত্রী আরও বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে কিছু মানবাধিকারের ফেরিওয়ালা মাঠে নেমেছেন। তারা বলেন মানবাধিকার সাংঘাতিকভাবে লঙ্ঘন হচ্ছে। বাংলাদেশে সবচেয়ে বড় মানবাধিকার লঙ্ঘন হয়েছিল ১৯৭১ সালে। ত্রিশ লক্ষ মানুষকে হত্যা করা, দুই লক্ষ মা-বোনের সম্ভ্রম নেয়া, জোর করে ধর্মান্তরিত করা, দেশ ত্যাগে বাধ্য করা সেখানে ছিল মানবাধিকারের সবচেয়ে বড় লঙ্ঘন। সেই লঙ্ঘনকারীদের বিচারের জন্য ১৯৭৩ সালে আন্তর্জাতিক অপরাধ আইন করেছেন বঙ্গবন্ধু। বঙ্গবন্ধুর সময়ে দালাল আইনে যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধের কিছু বিচার হয়েছিল। সে সময় কারও সাজা হয়েছিল, কারও বিচার চলছিল এবং কারও তদন্ত চলছিল। এরপর সবচেয়ে বড় মানবাধিকারের লঙ্ঘন হয়েছিল ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে নির্মমভাবে হত্যার মাধ্যমে।

বাংলাদেশে মানবাধিকার লঙ্ঘনের সবচেয়ে বড় বিচার শেখ হাসিনার হাতে হয়েছে উল্লেখ করে শ ম রেজাউল করিম আরও যোগ করেন, ১৯৭১ সালে যারা মানবাধিকার লঙ্ঘন করে জঘন্য অপরাধ করেছে তাদের বিচার শেখ হাসিনা করেছেন। দেশের রাষ্ট্রপতি, তার স্ত্রী, শিশু পুত্র ও অন্তঃসত্ত্বা নারীসহ অন্যান্যদের হত্যাকাণ্ডের মধ্য দিয়ে এদেশে দ্বিতীয়বার মানবাধিকার লঙ্ঘন হয়েছিল। সে সময় যে মৌলিক মানবাধিকার লঙ্ঘন হয়েছিল, সেটার বিচার শেখ হাসিনার হাতে হয়েছে। নারায়ণগঞ্জের সাত খুনের ঘটনার বিচার শেখ হাসিনার হাতে হয়েছে। বিডিআর হত্যাকাণ্ডের অপরাধীদের বিচার শেখ হাসিনার হাতে হয়েছে। দেশে যত বড় বড় রাজনৈতিক অপরাধের ঘটনা ঘটেছে, তার বিচার শেখ হাসিনার হতে হয়েছে। শেখ হাসিনা বিচার করেছেন, তাঁর বাবা আইন করে দিয়ে গেছেন। আর যারা অপারেশন ক্লিন হার্টের নামে ৫৮ জন মানুষকে হত্যা করেছিল, তাদের দায়মুক্তি দেয়ার জন্য আইন করেছিলেন বেগম খালেদা জিয়া। বঙ্গবন্ধুর খুনিদের বিচার করা যাবে না এ আইন করেছিল জিয়াউর রহমান, আর ৫৮ জন মানুষকে হত্যার দায়মুক্তি আইন করেছিল খালেদা জিয়া। এটা পাশাপাশি বিচার করতে হবে।

১৯৭৯ সালে যেদিন পার্লামেন্টে বঙ্গবন্ধুর খুনিদের বিচার করা যাবে না এই আইন পাস করা হয়েছিল সেদিন মানবাধিকারের ফেরিওয়ালাদের ভূমিকা কি ছিল? শেখ হাসিনাকে দেশে আসতে দেওয়া হবে না যেদিন এই সিদ্ধান্ত সরকার নিয়েছিল সেদিন এদেশে মানবাধিকারের কথিত ফেরিওয়ালাদের ভূমিকা কি ছিল? যখন এদেশে সংবিধান পরিপন্থী কাজ হয়েছিল তখন অনেকেই কেন অর্পিত দায়িত্ব পালন করেনি?- প্রশ্ন রাখেন মন্ত্রী।

তিনি আরও বলেন, বঙ্গবন্ধুর হত্যাকাণ্ডের সত্য উদঘাটনের ধারাবাহিক যোগসূত্রে দেখা যায় জিয়াউর রহমান পূর্বাপর সবকিছুর সাথে জড়িত। বঙ্গবন্ধু হত্যার বেনিফিশিয়ারিও তিনি। তিনি বঙ্গবন্ধুর খুনিদের দেশের বাইরে ১২টি হাইকমিশনে চাকরি দিয়েছেন। খুনিদের নিরাপত্তা দেওয়ার জন্য ইনডেমনেটি অধ্যাদেশকে আইনে পরিণত করেছেন। এভাবে বঙ্গবন্ধুর খুনিদের বিচারের পথ রুদ্ধ করার আইন করেছিলেন জিয়াউর রহমান।

মন্ত্রী আরও বলেন, ‘৭১ সালে যারা পরাজিত হয়েছিল, তারা প্রতিশোধ নিতে দেশে ও দেশের বাইরে একত্রিত হয়ে বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যা করেছে। এটা বিপদগামী কয়েকজন সেনা সদস্যের দ্বারা সৃষ্ট কোন ঘটনা নয়। এই ঘটনার কুশীলবদের সবার বিচার হয়নি। এই ঘটনার যারা বেনিফিশিয়ারি তাদের বিচার হয়নি। বঙ্গবন্ধুর নিরাপত্তার দায়িত্বে সেদিন যারা ছিল তাদের বিচার করা হয়নি। তাই বঙ্গবন্ধু হত্যাকান্ডের পূর্ণাঙ্গ বিচার হয়নি। ফৌজদারী কার্যবিধি অনুযায়ী এখনও চার্জশিট হতে পারে অথবা একটি উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন তদন্ত কমিশন করে তাদের স্বরূপ উন্মোচন করতে হবে।

বাংলাদেশ অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট ফোরামের সভাপতি কবীর চৌধুরী তন্ময়ের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আপীল বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি এ এইচ এম শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক, লেখক, গবেষক ও সাংবাদিক স্বদেশ রায়, লেখক ও গবেষক লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) কাজী সাজ্জাদ আলী জহির বীর প্রতীক, বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সাবেক সংসদ সদস্য মো. নবী নেওয়াজ, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের উপকমিটির সদস্য মনিরুজ্জামান মনির এবং লেখক ও গবেষক নিঝুম মজুমদার।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ২৮, ২০২২ ৪:৩৬ অপরাহ্ন
প্রাণিসম্পদ খাতকে ভালোভাবে তুলে ধরতে গণমাধ্যমের প্রতি আহ্বান প্রাণিসম্পদ মন্ত্রীর
প্রাণিসম্পদ

প্রাণিসম্পদ খাতকে গণমাধ্যমে ভালোভাবে তুলে ধরলে দেশ ও জাতি উপকৃত হবে বলে মন্তব্য করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।

আজ রোববার সকালে রাজধানীর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর-রুনি মিলনায়তনে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন প্রাণিসম্পদ ও ডেইরি উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় জার্নালিস্ট ফেলোশিপ প্রোগ্রামের দুইদিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এ মন্তব্য করেন।

এ সময় মন্ত্রী আরও বলেন, প্রাণিসম্পদ সেক্টর দেশের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি সেক্টর। এই সেক্টরকে ভালোভাবে তুলে ধরে, এই সেক্টরের ত্রুটি-বিচ্যুতি তুলে ধরে সংশোধন হওয়ার সুযোগ দেওয়ার ভেতর থেকে সাংবাদিকরা শুধু প্রাণিসম্পদ খাতেরই উপকার করছেন না, দেশের উপকার করছেন। এতে গোটা জাতি উপকৃত হবে।

শ ম রেজাউল করিম আরও বলেন, যদি মূল পেশার উৎকর্ষ সাধন করা যায়, মেধার পরিচর্যা করা যায়, আত্মশক্তিকে যদি জাগ্রত করা যায়, সুপ্ত জ্ঞানের যদি পরিপূর্ণভাবে বিকাশ করা যায়, তাহলে নিজের যোগ্যতা দৃশ্যমান হয়। সাংবাদিকদের ফেলোশিপ দিয়ে তাদের কর্মদক্ষতার মাধ্যমে দেশের প্রাণিসম্পদ খাতকে পারস্পরিকভাবে উন্নয়ন করা যায়। ফেলোশিপ প্রোগ্রামের মাধ্যমে প্রাণিসম্পদ খাত সমৃদ্ধ হতে পারে। আবার এ খাতে যে সাংবাদিকরা কাজ করবেন তাদেরও জ্ঞানের পরিসর বাড়তে পারে।

মন্ত্রী আরও বলেন, মেধার পরিচর্যা ও সৃজনশীলতা বাড়াতে যে পুষ্টি ও আমিষের চাহিদা রয়েছে, তার সাথে প্রাণিসম্পদ খাত জড়িত। এ খাতের বিকাশে আমরা সম্মিলিতভাবে চেষ্টা করতে চাই।

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. মনজুর মোহাম্মদ শাহজাদার সভাপতিত্বে ও পরিপ্রেক্ষিতের নির্বাহী পরিচালক সৈয়দ বোরহান কবীরের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. তৌফিকুল আরিফ। স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের প্রাণিসম্পদ ও ডেইরি উন্নয়ন প্রকল্পের পরিচালক মো. আব্দুর রহিম। বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি মনজুরুল আহসান বুলবুল, গ্লোবাল টেলিভিশনের সিইও সৈয়দ ইশতিয়াক রেজা, ডিবিসি নিউজের সম্পাদক প্রণব সাহা এবং প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ২৭, ২০২২ ৭:৫০ অপরাহ্ন
বঙ্গবন্ধু হত্যার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত হওয়া প্রয়োজন:  প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী
প্রাণিসম্পদ

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বলেছেন, বঙ্গবন্ধু হত্যার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত হওয়া প্রয়োজন। সেটা কমিশন আকারেই হোক অথবা ফৌজদারী কার্যবিধি অনুযায়ী হোক। বঙ্গবন্ধু হত্যায় জড়িত সবার স্বরূপ উন্মোচন করা না হলে নতুন প্রজন্মের কাছে ইতিহাসের কাঠগড়ায় অপরাধী হয়ে থাকতে হবে। ইতিহাসের এ অধ্যায় বিস্মৃত হয়ে জোড়াতালি দিয়ে চললে রাজনীতি অসম্পূর্ণ থেকে যাবে।

আজ শনিবার (২৭ আগস্ট) শনিবার সুপ্রিমকোর্ট আইনজীবী সমিতির শহীদ শফিউর রহমান মিলনায়তনে জাতীয় শোক দিবস ২০২২ উপলক্ষ্যে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও ১৫ আগস্টের সকল শহীদ স্মরণে পিরোজপুর জেলা সমিতি, ঢাকা আয়োজিত আলোচন সভা ও দোয়া মাহফিলে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

বঙ্গবন্ধু হত্যার খন্ডিত বিচার হয়েছে উল্লেখ করে শ ম রেজাউল করিম এ সময় আরও বলেন, বঙ্গবন্ধু হত্যার ষড়যন্ত্রে জড়িতদের নাম মামলার চার্জশিটে আসেনি। বঙ্গবন্ধুর নিরাপত্তার দায়িত্বে যারা ব্যর্থ ছিল তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। বঙ্গবন্ধু হত্যার সুবিধাভোগীদেরও বিচার করা হয়নি। ‘৭৫ এর ১৫ আগস্টের প্রেক্ষাপটে যারা সঠিক দায়িত্ব পালন করেনি তারা এখনও মুখোশ পরে বিচরণ করছে।

তিনি আরও বলেন, বঙ্গবন্ধুকে হত্যার লক্ষ্য ছিল মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বাংলাদেশ ধ্বংস করা। বঙ্গবন্ধুকে হত্যা পরিকল্পনার অন্যতম কারণ ছিল একাত্তর সালের পরাজয়ের প্রতিশোধ নেয়া। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার অন্যতম কারণ ছিল বাংলাদেশকে একটি বিপন্ন জনপদ হিসেবে রাখা যাতে বাংলাদেশ বিশ্বের বুকে মাথা তুলে দাঁড়াতে না পারে। যার চূড়ান্ত লক্ষ্য ছিল একাত্তরের পরাজিতদের ক্ষমতায় নিয়ে আসা।

বঙ্গবন্ধু হত্যার ধারাবাহিক ষড়যন্ত্র তুলে ধরে মন্ত্রী এ সময় জানান, জিয়াউর রহমান ‘গো অ্যাহেড’ বলে বঙ্গবন্ধুর খুনিদের এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ করে দিয়েছে। তিনি বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধের রাজনীতি ও মুক্তিযুদ্ধের মহানায়ককে হত্যার সব কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন। তার নেতৃত্বে বিদেশী মিশনে বঙ্গবন্ধুর খুনিদের চাকরি দেয়া হয়েছিল, খুনিদের সামাজিক ও রাজনৈতিকভাবে পুনর্বাসন করা হয়েছিল। পরবর্তীতে এরশাদ খুনিদের রাজনীতি করার সুযোগ করে দিয়েছে। খালেদা জিয়া তাদের সংসদে নিয়ে এসেছে। এভাবে জিয়াউর রহমান, এরশাদ ও খালেদা জিয়া বঙ্গবন্ধুর খুনিদের লালন করেছে।

এ সময় মন্ত্রী আরও বলেন, বঙ্গবন্ধু আমাদের জীবনের এক বিস্ময়কর অধ্যায়। ব্যক্তি বঙ্গবন্ধু পরিণত হয়েছিলেন একটি আদর্শে, একটি বিশ্বাসে, একটি দর্শনে। বাঙালি জাতিসহ বিশ্বের নির্যাতিত, নিষ্পেষিত ও নিপীড়িত মানুষের পথ চলার পাথেয় হিসেবে বঙ্গবন্ধু একটা প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছিলেন। সে কারণে বঙ্গবন্ধুর শারীরিক প্রস্থান মানে সবকিছু শেষ নয়। বঙ্গবন্ধুর রেখে যাওয়া ইতিহাস, ঐতিহ্য ও কর্মময় জীবন এখন আমাদের পথ চলার পথেয়।

তিনি বলেন, সাড়ে তিন বছরের সরকার আমলে সাড়ে তিনশোর ওপর আইন বঙ্গবন্ধু করে গিয়েছিলেন। এমন কোন জায়গা নেই যে জায়গায় বঙ্গবন্ধুকে খুঁজে পাওয়া যাবে না। সমুদ্র বিজয়ের ভিত্তিমূল সমুদ্রসীমা আইন বঙ্গবন্ধু তৈরি করে গিয়েছিলেন, যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের আইন বঙ্গবন্ধু করে গিয়েছিলেন। স্থলসীমার বিরোধ নিষ্পত্তির সূচনা বঙ্গবন্ধু করে গিয়েছিলেন। সেই সূচনার ধারাবাহিকতায় বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সেটা চমৎকারভাবে সম্পন্ন করেছেন। বঙ্গবন্ধুর অভীষ্ট ছিল সবুজ বিপ্লব-কৃষি বিপ্লব। সেই বিপ্লবের সার্থকতা ও পরিপূর্ণতা এসেছে তার কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে। বঙ্গবন্ধুকে বলা হত শোষিতের কণ্ঠস্বর আর শেখ হাসিনাকে আজ বলা হয় দুর্গতদের কণ্ঠস্বর।

শ ম রেজাউল করিম আরও বলেন, যারা বাংলাদেশের জন্ম হওয়া পছন্দ করেনি তাদের অনেকে শ্রীলংকার ঘটনা নিয়ে ব্যঙ্গ বিদ্রুপ করে এক সময় বলেছে বাংলাদেশ শ্রীলংকা হয়ে যাচ্ছে। এ জাতীয় কিছু জ্ঞানপাপী বুদ্ধিজীবী ও দুষ্কর্মের সাথে সম্পৃক্ত থাকা রাজনৈতিক ব্যক্তিরা দেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রা, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা এবং প্রতিষ্ঠিত অবস্থা ভালোভাবে নিতে পারে না। তারা একাত্তরের পাকিস্তানের পক্ষের চেতনা লালন করে। তারা চায় শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের যে অগ্রযাত্রা ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে সেটা যেন টিকে না থাকে।

পিরোজপুর জেলা সমিতির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা এম শামসুল হকের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য প্রদান করেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ও ১৪ দলের সমন্বয়ক ও মুখপাত্র আমির হোসেন আমু। আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন পিরোজপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী আনোয়ার হোসেন মঞ্জু এবং পিরোজপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য রুস্তম আলী ফরাজী।

পরে মন্ত্রী জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষ্যে পিরোজপুরের নাজিরপুর উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে ভার্চুয়ালি যোগদান করে প্রধান অতিথির বক্তব্য প্রদান করেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ২৬, ২০২২ ৯:৩২ পূর্বাহ্ন
পটিয়ায় খামার ভেঙে গরু লুট করার অভিযোগ
প্রাণিসম্পদ

চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার দক্ষিণ আশিয়া রশিদপুর গ্রামের একটি খামার ভেঙে গরু লুট করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় খামারির স্ত্রী বাদি হয়ে বৃহস্পতিবার (২৫ আগস্ট) সকালে পটিয়া সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন। শুনানি শেষে মামলাটি তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিল করার জন্য পটিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি)বিচারক বিশ্বশ্বর সিংহ নির্দেশ দেন।

এর আগে বিষয়টি নিয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ করার পরও পুলিশ কোনো ব্যবস্থা না নেওয়ায় নিরুপায় হয়ে খামারির স্ত্রী খদিজা বেগম বাদি হয়ে আদালতে এ মামলাটি করেন।

জানা গেছে, উপজেলার আশিয়া ইউনিয়নের রশিদপুর গ্রামে শেখ তাহেরের একটি গরুর খামার রয়েছে। ওই খামার নিয়ে একই এলাকার মো. এনামসহ কয়েকজনের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল। এই বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষরা প্রায় সময় রাতের আঁধারে গরুর খামার ও তাদের বাড়িতে ইট-পাটকেল মারতো।

গত ৮ আগস্ট রাত ৯টার দিকে লোহার রড ও লাঠিসোটা নিয়ে প্রতিপক্ষের লোকজন হামলা করে। এ সময় প্রতিবাদ করতে গেলে খদিজা বেগম ও তার মেয়ে মারজিনা তানজিম মীমকে শ্লীলতাহানির চেষ্টা চালায়। এক পর্যায়ে লোহার রড দিয়ে তাদের পেটানো হয়। ঘটনার পর সিসিটিভি ক্যামরা, বৈদ্যুতিক মিটার ও এলইডি টিভি ভাঙচুর করে খামার থেকে একটি গরু লুট করে নিয়ে যায়। এতে তাদের ১ লাখ ৮০ টাকা ক্ষতি হয়েছে বলে অভিযোগ করেন খদিজা বেগম।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ২৬, ২০২২ ৮:৫৪ পূর্বাহ্ন
ডোমারে এক রাতে কৃষকের পাঁচ গরু চুরি!
প্রাণিসম্পদ

নীলফামারীর ডোমারে রনজিৎ রায় নামে এক কৃষকের বাড়ী থেকে একই রাতে ৫টি অস্টেলিয়ান জাতের বিদেশী গরু চুরি হয়েছে। চুরি যাওয়া গরু গুলোর মধ্যে ৩টি বকনা বাছুর, একটি একমাস বয়সী বাছুর ও একটি দুধ দেওয়া গাভী ছিলো। রনজিৎ রায় উপজেলার মটুকপুর বাবুপাড়া এলাকার মৃত অমুল্য চন্দ্র রায়ের ছেলে।

বুধবার দিনগত রাতে উপজেলার মটুকপুর ইউনিয়নের বাবুপাড়া এলাকায় ঘটনাটি ঘটে। চোরেরা রনজিৎ রায়ের গোয়াল ঘরের দরজার তালা ভেঙ্গে গরুগুলো চুরি করে নিয়ে যায়।

রনজিৎ চন্দ্র রায় জানান, রাত আনুমানিক সাড়ে তিনটায় আমার প্রতিবেশী ও আত্মীয় যাদব রায় গাড়ীর শব্দ শুনতে পায়। গাড়ীর শব্দে তার ঘুম ভাঙ্গলে বিছানা থেকে উঠে ঘরের বাইরে বের হন এবং নিজ গোয়াল ঘরের দিকে লক্ষ্য দেয়। এতে তিনি দেখতে পায় আমার বাড়ীর মূল গেটটি খোলা ছিলো। তখন তিনি আমাদেরকে ডাকাডাকি করেন। আমি ঘুম থেকে উঠে দেখতে পাই আমার গোয়াল ঘরের দরজা খোলা ও গরুগুলো নেই। গোয়াল ঘরের দরজার তালাটাও চোরেরা নিয়ে গেছে।

তিনি আরো বলেন নিজেকে স্বাবলম্বী করার জন্যে বিদেশী জাতের গরুগুলো কিনেছিলাম। কিন্তু চোরেরা আমার সেই স্বপ্ন ভেঙ্গে চুরমার করে দিলো। বর্তমান গরুগুলোর বাজার মূল্যে ৫ লক্ষাধিক টাকার বেশি হবে বলে জানিয়ে বলেন গরুগুলো উদ্ধার না হলে পরিবার নিয়ে আমাকে পথে বসতে হবে। আমার যতটুকু সম্বল ছিল সেই অর্থ দিয়ে আমি গরুগুলো কিনেছি। ঘটনায় তিনি থানায় বিষয়টি জানিয়েছেন বলে জানান।

ডোমার থানা অফিসার ইনচার্জ মাহমুদ উন নবী জানান, গরু চুরির বিষয়টি সত্য, চুরি হওয়া গরুগুলো উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ২৫, ২০২২ ১০:১৫ পূর্বাহ্ন
শরণখোলায় হরিণের গোশত ও চিংড়িসহ নৌকা উদ্ধার
প্রাণ ও প্রকৃতি

পূর্ব সুন্দরবনের শরণখোলা রেঞ্জের বনরক্ষীরা অভিযান চালিয়ে ৭ কেজি হরিণের গোশত ও ২০ কেজি চিংড়িসহ একটি নৌকা উদ্ধার করেছে।

বুধবার শরণখোলা রেঞ্জের ভোলা টহল ফাঁড়ি সংলগ্ন সুন্দরবনের রায় বাঘীনি খাল এলাকা থেকে সেগুলো উদ্ধার করা হয়।

বনবিভাগ সূত্রে জানা যায়, পূর্ব সুন্দরবনের শরণখোলা রেঞ্জের ভোলা টহল ফাঁড়ির এলাকার রায়বাঘীনি খালে অবরোধ অমান্য করে জেলেরা মাছ ধরছে- এমন গোপন সংবাদে ভোলা টহল ফাঁড়ি ইনচার্জ সামানুল কাদিরের নেতৃত্বে বনরক্ষীদের একটি দল ওই এলাকায় অভিযান চালায় ও একটি নৌকা দেখে সিগনাল দিলে চোরা শিকারী ও জেলেরা নৌকাটি ফেলে বনের ভেতরে পালিয়ে যায়। পরে বনরক্ষীরা নৌকায় তল্লাশী চালিয়ে প্রায় ৭ কেজি হরিণের গোশত ও ২০ কেজি চিংড়ি মাছ জব্দ করে। পরে নৌকা, গোশত ও চিংড়ি মাছ শরণখোলা স্টেশনে নিয়ে আসে।

পূর্ব সুন্দরবনের শরণখোলা স্টেশন কর্মকর্তা মো: আছাদুজ্জাজামান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, অবরোধ চলাকালীন সময় নিয়মিত টহল চলছে। তার মধ্যেও চোরা শিকারী ও জেলেরা গোপনে সুন্দরবনে প্রবেশ করে এ অঘটন ঘটাচ্ছে। টহল আরো জোরদার করা হবে।

 

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop