১১:৪৫ অপরাহ্ন

মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : অক্টোবর ৩, ২০২১ ৩:১৭ অপরাহ্ন
চলেই গেলেন ডাঃ মোঃ ছামিউল বাছির
প্রাণিসম্পদ

ক্যান্সারের সাথে দীর্ঘদিনের লড়াই শেষে মহান আল্লাহর ডাকে সাড়া দিয়ে দুনিয়ার মায়া ত্যাগ করে চলেন গেলেন জনপ্রিয় ভেটেরিনারিয়ান ডাঃ মোঃ ছামিউল বাছির। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

তাঁর এই অকাল মৃত্যুতে ভেটেরিনারিয়ান তথা কৃষিবিদদের মাঝে নেমে এসেছে শোক। ডাঃ ছামিউলের অসুস্থতার শুরু থেকেই ভেটেরিনারিয়ান গণ ব্যক্তিগতভাবে সাহায্য সহযোগিতা করে আসছিল, পরবর্তীতে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানও এগিয়ে এসেছিল ডাঃ ছামিউল কে বাঁচাতে। উন্নত চিকিৎসার জন্য ভারতেও নেওয়া হয়েছিল। ভারত থেকে এসে দেশেই চিকিৎসা চলছিল। আজ দুনিয়ার মায়া ত্যাগ করে তিনি পাড়ি জমান পরকালের উদ্দেশ্যে।

গত ২২ এপ্রিল, ডাঃ ছামিউল বাছিরের ফেসবুক স্ট্যাটাসটি তুলে ধরা হলোঃ
আসসালামু আলাইকুম
আশা করি সবাই ভাল আছেন। আপনাদের সবার দোয়ায় আল্লাহর রহমতে আমিও ভাল আছি। অপারেশন পরবর্তী ধকল জনিত কারনে কারো সাথে যোগাযোগ করতে পারিনি। অনেকেই ব্যক্তিগত ভাবে এসএমএস করেছেন, শারিরীক ভাবে এতই দুর্বল যে এসএমএস এর উত্তর দিতে পারিনি। এজন্য সকলের কাছে ক্ষমা প্রার্থী। সবাই আমার অপারেশনের ব্যাপারে জানতে চেয়েছেন, অত্যন্ত দুঃখের সহিত জানাতে হচ্ছে যে এইবারও আমার অপারেশন সফল হয় নাই৷ ক্যান্সারের মাত্রা আরও বেড়ে গেছে। পুরা পেটে অসংখ্য ছোট ছোট টিউমার হয়েছে৷ সেগুলো এতই ছোট যে সিটিস্ক্যান বা এমআরআই করার পরও ধরা পরে নাই। অপারেশন করতে গিয়ে ডাক্তার সেগুলো লক্ষ্য করেছেন, সেজন্য আবারো অপারেশন অসম্পন্ন রাখতে হয়েছে। আল্লাহ যা করেন ভালর জন্যই করেন, হয়ত এর মাঝে আমার কোনো কল্যাণ আছে। আপনারা সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন। আল্লাহ যেন আমাকে সুস্থ করে দেন, আর মৃত্যু ত চরম বাস্তবতা, আল্লাহ যদি আমাকে এই অসুস্থতার মাধ্যমে দুনিয়া থেকে নিতে চায় তাহলে যেন ঈমানের সহিত মৃত্যু দেয়। আপনাদের ছোট ভাই, বন্ধু, আত্নীয়, প্রতিবেশী হিসাবে এর চেয়ে বেশি আর কিছু চাওয়ার নাই। সেই সাথে আমার জানা বা আজানায় কারও সাথে কোন রকম বেয়াদবি হলে বা কারও মনে কষ্ট দিয়ে থাকলে ক্ষমা করবেন।

আল্লাহ ডাঃ ছামিউলকে বেহেশত নসীব করুন (আমীন)।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ৩, ২০২১ ১:৪৩ অপরাহ্ন
১৭টি দিয়ে শুরু করে ৬০টি ছাগলের মালিক পলাশবাড়ীর রতন
প্রাণিসম্পদ

গাইবান্ধার পলাশবাড়ী পলাশবাড়ী পৌরসভার হরিণমাড়ী গ্রামে গড়ে ওঠা সেভ গট ফার্মের মালিক রতন। বেকার যুবক রতন অনেকটা শখের বসে ১৭ টি ছাগল দিয়ে শুরু করেছিলেন খামার। এখন তার খামারে ছাগলের সংখ্যা ৬০ টি । যার বাজার মূল্য প্রায় ১৫ থেকে ২০ লাখ টাকা। তার খামারে রয়েছে বিদেশি প্রজাতির ছাগল। রতনের সফলতা দেখে অনেকেই ছাগলের খামার করতে তার কাছ থেকে পরামর্শ নিচ্ছেন।

জানা যায়, রতন তার বসত বাড়ির পাশেই গড়ে তুলেছেন ছাগলের বিশাল খামার। অল্প খরচে লাভ বেশি হওয়ায় শখের ছাগল পালন এখন তার পেশা। জানাযায়, ২০১৮ সালের মাঝামাঝি সময়ে শখের বসে ১৭ টি ছাগল কিনে লালন-পালন শুরু করেন । আড়াই বছরের মধ্যে ছাগল বৃদ্ধি হতে হতে এখন ছাগল দাড়িয়েছে ৬০ টি-তে। যমুনা পাড়ি, তোজাপাড়ি, হরিয়ান ও ব্লাক বেঙ্গল প্রজাতির ছাগল কিনে ম্যাচিং পদ্ধতিতে খামার গড়ে তোলেন তিনি । এখন খামারে ৫ থেকে ৬ প্রজাতির ৬০ টি ছাগল রয়েছে তার। খামারে গিয়ে দেখাযায়, রতন নিজেই ছাগলের খাওয়ানো পরিচর্যা থেকে শুরু করে ছাগলের সবকিছু দেখাশুনা করছেন । তবে এ কাজে তাকে সহযোগিতা করছেন তার স্ত্রী । এছাড়াও বাড়ির পাশের পতিত জমিতে আবাদ করেছেন বিদেশী ঘাস । যা ছাগলের জন্য উৎকৃষ্টমানের খাবার। ঘাস দিয়েই ছাগলের খাবারের বেশিরভাগ চাহিদা মেটাচ্ছেন।

রতন জানান, আমি অনেকটা শখের বসেই এই খামার গড়ে তুলি। আড়াই বছর আগে প্রথমে ১৭ টি ছাগল দিয়ে শুরু করি। এখন আমার খামারে ৬০ টি ছাগল রয়েছে। সামনে আরো পরিকল্পনা আছে খামার বৃদ্ধি করার। সহজ শর্তে ব‍্যাংক ঋণ ও সরকারি সাহায্যে সহযোগিতা পেলে আমি আরো বেশি সফলতা লাভ করতাম। উপজেলা পশু হাসপাতালের দুই চারটে ট‍্যাবলেট ছাড়া আমি কিছুই পাইনি। সরকারি প্রণোদনার টাকাও পাইনি। প্রশিক্ষণের জন‍্য কত ঘুরেছি, পাইনি।

রতন আরো জানান, এই একটি মাত্র প্রাণী যার বছরে দু’বার প্রজনন ক্ষমতা রয়েছে। প্রতিবার প্রজননে একাধিক বাচ্চা দেয়। রোগ-বালাইও কম হয়। বছরে একবার পিপিআর, গডপক্স ভ্যাকসিন দিলেই আর কোনও ওষুধ লাগে না। দুই চারটে বড়ি লাগলেও লাগতে পারে। অল্প খরচে বেশি আয় করা সম্ভব।

তিনি বলেন,যেখানে একটি বিদেশি গাভি পালন করলে প্রতিদিন ৩০০ টাকার খাবার খায়। আর সেখানে ৩০০ টাকা হলে প্রতিদিন ৩০টি ছাগলকে খাওয়ানো যায়। ছাগলের খাদ্য হিসেবে খাওয়ানো হয় গম, ভুট্টা ও ছোলা বুটের গুড়ো সেই সঙ্গে সয়াবিন ও খড়ের ছন। যা ছাগলের জন্য খুবই পুষ্টিকর। এছাড়াও দেশের বাজারে ছাগলের বেশ চাহিদার পাশাপাশি প্রতিবেশী দেশ ভারতেও এর ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। তাই ছাগল রফতানি করে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা উপার্জন করা সম্ভব।

পলাশবাড়ী উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. আলতাফ হোসেন জানান , ছাগল পালন করে মোটামুটিভাবে সফল হয়েছেন রতন । আমরা নিয়মিত তার ওই ছাগলের খামার পরিদর্শনের পাশাপাশি প্রয়োজনীয় ওষুধ ও সব ধরনের পরামর্শ দিচ্ছি। এখন অনেকেই ছাগলের খামার গড়ে তুলতে পরামর্শের জন্য আমাদের কাছে আসছেন। তাদেরকে সব ধরনের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ২, ২০২১ ১০:১৭ পূর্বাহ্ন
খামারে গরুকে সুস্থ রাখতে যা করবেন
প্রাণিসম্পদ

গরু পালন লাভজনক হওয়ায় অনেকেই এখন গরুর খামার গড়ে তুলছেন। বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলে ব্যাপকহারে গরু পালন করা হচ্ছে। তবে গরুর খামার করে অনেকেই লোকসানে পড়ছেন। এর প্রধান কারণ হল গরুর নানা জটিল রোগে আক্রান্ত হওয়া। খামারের গরুকে সুস্থ রাখতে যেসব কাজ করতে হবে সেগুলো খামারিদের অবশ্যই জেনে খামার পরিচালনা করতে হবে।

খামারের গরুকে সুস্থ রাখতে যেসব কাজ করতে হবে:
খামারের গরুগুলোকে প্রতিদিন নির্দিষ্ট হারে সুষম খাদ্য প্রদান করতে হবে। নিয়মিত গরুগুলোকে সুষম খাদ্য প্রদান করলে গরুগুলো দ্রুত বৃদ্ধি পাবে ও রোগের দ্বারা কম আক্রান্ত হবে। খামারের প্রত্যেকটি গরুর জন্য আলাদাভাবে খাদ্য প্রদানের ব্যবস্থা রাখতে হবে এবং একটি নির্দিষ্ট সময় পর পর খাদ্য প্রদান করতে হবে। খামারের গরুগুলোকে সুস্থ ও কর্মক্ষম রাখার জন্য খামারের চারপাশের খোলামেলা পরিবেশের ব্যবস্থা রাখতে হবে। বাইরের বাতাস ও আলো যাতে ভালোভাবে চলাচল করতে পারে সেদিকেও বিশেষ নজর দিতে হবে। আলো ও বাতাসের ব্যবস্থা রাখলে গরু সুস্থ থাকবে ও রোগের দ্বারা কম আক্রান্ত হবে।

গরুগুলোকে নিয়মিত স্বাস্থ্য পরিক্ষা করাতে হবে। কোন গরু অসুস্থ হয়ে গেলে রোগের ধরণ অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।পালন করা গরুগুলোকে একটি নির্দিষ্ট সময় পর পর কৃমিনাশক ওষুধ খাওয়াতে হবে। গরুকে নিয়মিত কৃমির ওষুধ খাওয়ালে গরুর শরীর সুস্থ থাকে ও গরু স্বাস্থ্যবান হয়।

খামারের গরুগুলোকে বাইরে বের করে খামার ভালোকরে ধুয়ে মুছে পরিষ্কার করতে হবে। প্রয়োজনে জীবাণুনাশক ছিটিয়ে দিয়ে জীবাণু ধ্বংস করতে হবে। তবে খেয়াল রাখতে হবে যাতে কোন ভাবেই খামার পরিষ্কার করার পানি যাতে জমে না থাকে।

খামারের গরুগুলোকে নিয়মিত গোসল করানোর ব্যবস্থা করতে হবে। নিয়মিত গরুগুলোকে গোসল করালে গরুর শরীর পরিষ্কার থাকে ও রোগ-জীবাণুর আক্রমণ কম হয়। এছাড়াও নিয়মিত গোসল করালে গরুর ত্বক মসৃণ ও চকচকে থাকে।খামারে কোনভাবেই যাতে বাইরের কোন ব্যক্তি না প্রাণী অবাধে প্রবেশ করতে না পারে সেদিকেও লক্ষ্য রাখতে হবে। যদি প্রবেশ করাতেই হয় তাহলে প্রবেশের আগে জীবাণুমুক্ত করাতে হবে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ১, ২০২১ ৭:৩৫ অপরাহ্ন
লালমনিরহাটে ৫৬ ভারতীয় গরু-মহিষ আটক
প্রাণিসম্পদ

লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার দহগ্রামের বিভিন্ন বাড়িতে অভিযান চালিয়ে ভারতীয় ৪৭টি মহিষ ও ৯টি গরু আটক করেছে উপজেলা প্রশাসন। রংপুর ৫১ বিজিবির দহগ্রাম ও আঙ্গরপোতা ক্যাম্প এবং দহগ্রাম পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ ও আনসারদের সমন্বয়ে গঠিত টাস্কফোর্স এ অভিযান পরিচালনা করে।

গত বৃহস্পতিবার সকাল থেকে রাত পর্যন্ত পাটগ্রাম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. সাইফুর রহমানের নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে এসব গরু-মহিষ আটক করা হয়।

এ সময় পাটগ্রাম উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আল ইমরান, রংপুর ৫১ বিজিবির পানবাড়ি কোম্পানি কমান্ডার সুবেদার জাহাবুল ইসলাম, দহগ্রাম পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ নির্মল চন্দ্র মহন্ত উপস্থিত ছিলেন।

জানা গেছে, সীমান্ত দিয়ে ভারতীয় বিভিন্ন প্রজাতির গরু-মহিষ দহগ্রামে আসছে এমন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলার দহগ্রাম ইউনিয়নে অভিযান পরিচালনা করে টাস্কফোর্স।

এ সময় মহিমপাড়া এলাকার আমিনুর রহমান ফতুর বাড়ির পেছন থেকে ছয়টি ভারতীয় মহিষ, মহিমপাড়া সংলগ্ন নদীর ঘাট থেকে ১৭টি মহিষ ও তিনটি ভারতীয় হরিয়ানা গরু আটক করা হয়। এদিকে দহগ্রাম ইউনিয়নে সকাল থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত রংপুর ৫১ বিজিবির পানবাড়ি কোম্পানি কমান্ডার সুবেদার জাহাবুল ইসলামের নেতৃত্বে দহগ্রাম ক্যাম্পের বিজিবি সদস্যরা মহিমপাড়া এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ১৬টি মহিষ ও চারটি গরু আটক করেন।

আঙ্গরপোতা ক্যাম্পের বিজিবি সদস্যরা আঙ্গরপোতা জিরোপয়েন্ট এলাকায় আটটি মহিষ ও দুটি গরু আটক করেন। আটক গরু ও মহিষগুলো দহগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কামাল হোসেন প্রধানের জিম্মায় দেয়া হয়েছে।

পাটগ্রাম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. সাইফুর রহমান বলেন, গরু-মহিষসহ অন্যান্য অবৈধ চোরাচালান প্রতিরোধ করতে টাস্কফোর্সের অভিযান অব্যাহত থাকবে। আটক গরু-মহিষগুলোর বিষয়ে বিজ্ঞ চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের নির্দেশনা দেবেন। সে অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ১, ২০২১ ৯:৩৭ পূর্বাহ্ন
বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের নতুন মহাপরিচালক ড. খলিলুর রহমান
প্রাণিসম্পদ

বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের নতুন মহাপরিচালক হয়েছেন ড. মো. খলিলুর রহমান।  বৃহস্পতিবার এ পদে যোগ দেন তিনি।এর আগে তিনি একই ইনস্টিটিউটের পরিচালক (গবেষণা ও পরিকল্পনা) ছিলেন।

ড. রহমান কর্মজীবনে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি ময়মনসিংহে স্বাদু পানি কেন্দ্রের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ও স্বাদু পানি উপকেন্দ্র যশোরের উপকেন্দ্র প্রধান ছিলেন। এ ছাড়া তিনি অ্যাকুয়া ড্রাগস ও হালদা নদী প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

ড. রহমান দেশে প্রথমবারের মতো পাঙ্গাস মাছের কৃত্রিম প্রজনন ও চাষাবাদ কৌশল উদ্ভাবনের ১৯৯৫ সালে রাষ্ট্রপতি পদক লাভ করেন। -সংবাদ বিজ্ঞপ্তি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২১ ১১:০৮ অপরাহ্ন
SQUARE introduces 3 Vaccines for PETS
এগ্রিবিজনেস

To prevent infectious diseases of Pets for ensuring healthy & happy life, SQUARE introduces 3 new vaccines namely – Rabisin, Recombitek® C4 and Purevax

Manufactured By: Boehringer ingelheim (Former NERIAL)

#I position in Global Set Animal Market. For More: https://www.boehringer-ingelheim.com

 

Composition:

  • Rabies virus glycoproteins- I IU
  • Thi0mersal, at most-0.1 mg
  • Aluminium (as hydroxide)-1.7 mg
  • Excipient, qs 1 dose of 1 ml

 

Indication:

Inactivated rabies vaccine for the immunisati0n of dogs, cats, horses, cattle, sheep and goats against rabies by subcutaneous or intramuscular injection.

 

DOSAGE AND DIRECTIONS FOR USE:

  • Use only as directed.
  • Consult a veterinarian on the best vaccination programme schedule for your circumstance.
  • Sterilise syringes, needles and equipment by boiling for at least 30 minutes.
  • Utilise a separate needle to withdraw the fluid from the vial and a separate needle for each animal to be immunised.
  • It is, however advisable to utilize an automatic syringe when vaccinating a large number of animals. e Shake well before use.
  • Injection to be carried out by the subcutaneous (except in horses) or intramuscular (in the neck) route according to the schedule below. e Dose is 1m! irrespective of species.
  • Unused and empty vaccine vials must be dipped in an approved disinfectant or burnt before discarded.

 

PROTECTION OF DOES AND CATS:

All d0gs and cats in the Republic shall be immunised with an efficient remedy by an Officer, veterinarian 0r auth0rised pers0n at the age 0f three months f0ffowed by a second vaccinafi00 Within 12 m0nths, at least 30 days after the first vaccinatl0n and thereafter every three years.

However, puppies may be vaccinated at any age after birth, but must thereafter be vaccinated at three months 0f age, f0ll0wed by a sec0nd vaccinati0n within 12 m0nths, at least 30 days after the first vaccinati0n and thereafter every three years. Alth0ugh it is required by legislation that d0gs and cats be vaccinated against rabies every 3 years in rabies contr0l areas, it is advisable t0 vaccinate annually.

 

PROTECTION OF CATTLE, HORSES, SHEEP AND GOATS:

Primary immunization can be carried out in young animals from the age of 4 months except when they are born to vaccinated mothers. In such a case, in is necessary to postpone primary immunization until 9 months of age (i.e. after elimination of maternal antibodies.)

A booster injection should be given 9 to 12 months after the primary vaccination and thereafter a single injection annually. If uncertainty exists regarding rabies or in the use of RABISIN”, consult your private and/or State Veterinarian or registration holder.

 

Storage: St0re in a refrigerat0r between +2º C and +8º C. D0 not freeze. Protect fr0m light.

Packing Presentation: 1 dose & 10 doses.

 

(2nd Part Coming…)

শেয়ার করুন

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২১ ১১:১৭ পূর্বাহ্ন
আবহাওয়া পরিবর্তনজনিত কারণে মুরগির রোগ প্রতিরোধে যা করবেন
পোলট্রি

আমাদের দেশের ডিম ও মাংসের চাহিদা পূরণ করার জন্য এখন বিপুল সংখ্যক পোলট্রি তথা মুরগির খামার গড়ে উঠেছে। আবহাওয়া বা ঋতু পরিবর্তনজনিত কারণে খামারে অনেক সময় প্রভাব পড়ে থাকে। আবহাওয়া পরিবর্তনজনিত কারণে মুরগির রোগ প্রতিরোধে করণীয় কি কি রয়েছে সেগুলো খামারিদের ভালোভাবে জেনে রাখা দরকার।

আবহাওয়া পরিবর্তনজনিত কারণে মুরগির রোগ প্রতিরোধে করণীয়:
আবহাওয়া পরিবর্তনের ফলে খামারে বাচ্চা আসার সময় বক্স মর্টালিটি হয়। আবহাওয়ার পরিবর্তনের ফলে ব্রুডিং অব্যবস্থাপনাজনিত কারণে মুরগির বাচ্চা মারা যায়।

লেয়ার মুরগির খামারের ক্ষেত্রে প্রোডাকশন কিছুটা কমে যায়। শীতকালের মত কম জায়গায় বেশি মুরগি পালনের ফলে মুরগির ওজন কম আসে।

খামারে পর্দা ব্যবস্থাপনার কারণে গ্যাস জমে এবং মুরগির চোখে এ্যামোনিয়া বার্ন হয়, এসসাইটিস দেখা দেয়। খামারে হঠাৎ মুরগির মড়ক দেখা দিতে পারে এবং খামারিদের লোকসান হয়ে থাকে।

আবহাওয়া পরিবর্তনজনিত সমস্যায় করণীয়:
আবহাওয়া পরিবর্তনজনিত সমস্যায় প্রথম এবং সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিতে হবে বায়োসিকিউরিটিতে।খামারের মুরগি অসুস্থ হলে সব ঔষধ বন্ধ করে পরিস্কার পানি দেয়া এবং দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হয়ে চিকিৎসা প্রদান করতে হবে।

সঠিক ভাবে এলাকা উপযোগী ভ্যাকসিনেশন শিডিউল মেনে চলা।ব্রুডিংয়ের সময় মুরগীর অবস্থা বুঝে তাপ দেয়া। যেমন বাচ্চা ব্রুডারের নিচে গাদাগাদি করলে তাপ বাড়িয়ে দেয়া।

হঠাৎ অনেক বেশী মড়ক দেখা দিলে অতিদ্রুত পার্শ্ববর্তী ল্যাবে পরীক্ষা করানো।মুরগির খামারে সবসময় জীবাণুমুক্ত পানি সরবরাহ করতে হবে। রাতের বেলা কোন মতেই যেন পানি গ্যাপ না পড়ে তার দিকে খেয়াল রাখা। যদি গ্যাপ পড়ে যায় এবং পাত্র খালি হয়ে যায় তা হলে পরের বার পানি দেয়ার ক্ষেত্রে অবশ্যই পানির পাত্র বাড়িয়ে দিতে হবে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২১ ৫:৩৪ অপরাহ্ন
মৃত্যুর পর বিশ্বের সবচেয়ে ছোট গরুর স্বীকৃতি পেল রানী
প্রাণিসম্পদ

মৃত্যুর পর গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের তালিকায় পৃথিবীর সবচেয়ে ছোট গরু হিসাবে নাম উঠলো সাভারের রানীর।রানীর উচ্চতা ছিল ৫০ দশমিক ৮ সেন্টিমিটার বা ২০ ইঞ্চি আর দৈর্ঘ্য ছিল ৬০ দশমিক ৫৮ সেন্টিমিটার বা ২৭ ইঞ্চি। ওজন হয়েছিল ২৬ কেজি

সাভারের শিকড় অ্যাগ্রো ইন্ড্রাস্ট্রিজকে সোমবার এই তালিকাভুক্তির তথ্য জানিয়েছে গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড কর্তৃপক্ষ।।

এই খামারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাজী মোঃ আবু সুফিয়ান জানান, ”খবরটি জানতে পেরে আমাদের খুব ভালো লাগছে। তবে রানী বেঁচে থাকলে আমাদের জন্য এটি আরও আনন্দের হতো।”পৃথিবীর সবচেয়ে ছোট গরু হিসাবে স্বীকৃতি পেতে গিনেস কর্তৃপক্ষের কাছে এই বছরের দোসরা জুলাই শিকড় অ্যাগ্রো কর্তৃপক্ষ আবেদন করে।

তবে গিনেস কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত হতে চাইছিল যে, গরুটি কি আসলেই ছোট গরু হিসাবে জন্ম নিয়েছে নাকি কোন প্রকার হরমোন প্রয়োগ করে সেটিকে এরকম আকৃতি দেয়া হয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী, আবেদন করার ৯০ দিনের মধ্যে সিদ্ধান্ত জানিয়ে থাকে গিনেস কর্তৃপক্ষ।

গত ১৯শে অগাস্ট দুই বছর বয়সে অসুস্থ হয়ে মারা যায় খর্বাকৃতির গরু রানী। তার মৃত্যুর পোস্টমর্টেম রিপোর্টও গিনেস কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছিল বলে জানিয়েছেন মি. সুফিয়ান।

এর আগে বিশ্বের সবচেয়ে ছোট গরু হিসাবে স্বীকৃতি ছিল ভারতের কেরালা রাজ্যে মানিকিয়াম নামের একটি গরুর। ২০১৪ সালে রেকর্ডে নাম ওঠা ওই গরুটির উচ্চতা ছিল ২৪ দশমিক ০৭ ইঞ্চি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২১ ৪:৪৬ অপরাহ্ন
জেলেদের জন্য ১১,১১৯ মেট্রিক টন ভিজিএফ চাল বরাদ্দ
প্রাণিসম্পদ

ইলিশ আহরণ নিষিদ্ধকালে জেলেদের জন্য ১১ হাজার ১১৮ দশমিক ৮৮ মেট্রিক টন ভালনারেবল গ্রুপ ফিডিং (ভিজিএফ) চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। ২০২১-২২ অর্থবছরে সরকারের মানবিক খাদ্য সহায়তা কর্মসূচির আওতায় ৩৭ জেলার ১৫১টি উপজেলায় মা ইলিশ আহরণে বিরত থাকা ৫ লাখ ৫৫ হাজার ৯৪৪টি জেলে পরিবারের জন্য এ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

গত বছরের চেয়ে বেশি ২৭ হাজার ৬০২টি জেলে পরিবারকে এবার এ বরাদ্দের আওতায় আনা হয়েছে। এর আওতায় প্রতিটি জেলে পরিবার ২০ কেজি করে চাল পাবে। ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা শুরুর পূর্বেই এ বছর ভিজিএফ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (২৭ সেপ্টেম্বর) সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসকদের অনুকূলে এ সংক্রান্ত মঞ্জুরি জ্ঞাপন করেছে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়। একই সঙ্গে ভিজিএফ চাল পরিবহন ব্যয়ও সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসকদের অনুকূলে মঞ্জুরি জ্ঞাপন করা

এ বছর ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুমে ৪ থেকে ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত ২২ দিন ইলিশ আহরণ বন্ধ থাকবে।
ভিজিএফ চাল ২৫ অক্টোবর ২০২১ তারিখের মধ্যে উত্তোলন ও সংশ্লিষ্টদের মাঝে বিতরণ সম্পন্ন করার জন্য জেলা প্রশাসকদের নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুমে মা ইলিশ আহরণে বিরত থাকা নিবন্ধিত ও প্রকৃত জেলেদের মধ্যে এ ভিজিএফ বিতরণ নিশ্চিত করার জন্য বরাদ্দপত্রে নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, ইলিশ সম্পদ সংরক্ষণে‘প্রটেকশন অ্যান্ড কনজারভেশন অব ফিশ অ্যাক্ট, ১৯৫০’ এর অধীন প্রণীত ‘প্রটেকশন অ্যান্ড কনজারভেশন অব ফিশ রুলস, ১৯৮৫ ‘অনুযায়ী এ বছর ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুমে ৪ থেকে ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত মোট ২২ দিন সারাদেশে ইলিশ মাছ আহরণ, পরিবহণ, মজুদ, বাজারজাতকরণ, ক্রয়-বিক্রয় ও বিনিময় নিষিদ্ধ করে গত ২৬ সেপ্টেম্বর প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২১ ৩:১৯ অপরাহ্ন
কাচামালের লাগামহীন মূল্য বৃদ্ধিতে বেড়েছে ডিম ও মাংসের দাম
পোলট্রি

সয়াবিনের ঘাটতি বাংলাদেশে লেগে আছে আগে থেকেই। তার উপরে প্রতিবেশি দেশের উদ্ভিজ্জ প্রোটিন সয়াবিনের ঘাটতি দেখা দেয়ার সে দেশের ব্যবসায়ীদের দাবি মেটাতে দেশের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সয়াবিন মিল রপ্তানির অনুমতি দিয়েছে।আর এই রপ্তানির কথা শোনার সঙ্গে সঙ্গে দেশীয় বাজারে সয়াবিনের দাম বেড়েছে কেজিতে ১০ টাকা। দেশের পোলট্রি ও গবাদি পশুর খাদ্য প্রস্তুতকারী কারখানাগুলো আজ থেকে তাদের তৈরি খাবারের দাম বাড়িয়ে দিচ্ছে। ক্রমাগত লোকসান শুরু হলে এই খাতের বিদেশি বহুজাতিক কোম্পানিগুলো টিকে যাবে। কারণ তাদের লোকসান সহ্য করে টিকে থাকার মতো আর্থিক সংগতি রয়েছে যা দেশি প্রতিষ্ঠানগুলোর নেই। ফলে দুই লাখ কোটি টাকার বাজার বিদেশি কোম্পানির হাতে চলে যাবে। দেশীয় অর্থনীতি বিপর্যস্ত হবে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন দেশীয় উদ্যোক্তারা।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ভারতে সয়াবিন রপ্তানির খবরে ইতো মধ্যে সয়াবিনের বাজারে যেন আগুন লেগে গেছে। রপ্তানির অনুমোদনের আগে দেশে প্রতি কেজি সয়াবিনের দাম ছিল ৪৩ টাকা। সেটি বেড়ে বর্তমানে ৫৩ টাকায় দাঁড়িয়েছে। এতে কেজিপ্রতি শুধু পোলট্রি মুরগির খাবারের দাম বেড়েছে আড়াই টাকার বেশি। গত রবিবার থেকে বাড়তি দামে মুরগি, গবাদি পশু ও মাছের খাবার কিনতে হচ্ছে। যার ফলাফল হিসেবে এই সপ্তাহেই মুরগি, মাছ, মাংস ও দুধের দাম আরও বাড়বে বলে অনুমান করা হচ্ছে।

ফিড ইন্ডাস্ট্রিজ অ্যাসোসিয়েশন বাংলাদেশ এবং বাংলাদেশ পোলট্রি ইন্ডাস্ট্রিজ সেন্ট্রাল কাউন্সিলসহ সংশ্লিষ্ট খাতের ব্যক্তিরা জানিয়েছেন, ভারতকে সুবিধা দিতে গিয়ে বিপাকে পড়েছে বাংলাদেশের মুরগি, গবাদি পশু ও মৎস্য চাষে যুক্ত উদ্যোক্তরা। বাংলাদেশ প্রয়োজনের ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ সয়াবিন উৎপাদন করে। বাকিটা ভারত, ব্রাজিল ও যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি করা হয়। চলতি বছর ভারতে উৎপাদন কম হওয়ায় দেশটিতে সয়াবিনের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। আগামী অক্টোবর মাসের আগে দেশটিতে সয়াবিন ক্ষেত থেকে উঠবে না। আর আমদানি করা হলেও সব মিলিয়ে ভারতে তা পৌঁছাতে সময় লাগবে কম করে হলেও ৬০ দিন। আর আমদানি করলেও সয়াবিনের কেজি পড়বে ৮৮ টাকা। সেখানে ৬০ টাকার নিচে বাংলাদেশ থেকে কিনতে পারবে ভারতের ব্যবসায়ীরা।

বাংলাদেশ সরকার মুরগি, মাছ ও পশু খাদ্যের জন্য বিদেশ থেকে আনা সয়াবিনের ওপর কোনো শুল্ক রাখেনি। বিনা শুল্কে বিদেশ থেকে সয়াবিন এনে তা ফের ভারতে বিক্রি করা হলে বড় আকারে শুল্কও ফাঁকি দেওয়া হবে বলেও জানান সংশ্লিষ্ট খাতের উদ্যোক্তারা।

বাংলাদেশ ডেইরি ফার্মারস অ্যাসোসিয়েশনের (বিডিএফএ) প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ ইমরান হোসেন গণমাধ্যমকে জানান, ‘সয়াবিনের খইল ভারতে রপ্তানি হবে এমন খবরেই কেজি প্রতি ১০ টাকা দাম বেড়ে গেছে। আর এখন রপ্তানি শুরু হওয়ায় দাম আরও বাড়বে। তাতে বাংলাদেশে ফিড উৎপাদনে খরচ বাড়বে। কেজি প্রতি ১৫ থেকে ২০ শতাংশ বাড়বে গরুর মাংসের দাম। মানুষকে বাড়তি দাম দিয়ে কিনতে হবে গরুর মাংস। সেইসঙ্গে বাড়বে পোলট্রি মুরগি, ডিম, দুধ ও মাছের দাম। আমিষের ঘাটতি মেটানো দরিদ্র ও মধ্যবিত্ত মানুষের জন্য চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবে।’

যে কারণে তৈরি খাদ্যের উৎপাদন খরচ বাড়বে
গত বছরের আগস্ট থেকে চলতি বছরের আগস্ট পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে কাঁচামালের দাম ৩৪ দশমিক ২২ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। ফিড বানাতে অন্তত ১৬টি কাঁচামালের দরকার পড়ে। এর মধ্যে প্রতি কেজি মাছের (রাবিশ) গুঁড়ার দাম ৩২ টাকা, খুদ চালে ১২.১১ টাকা, ভুট্টায় ১২ টাকা, সয়াবিনের খইলে ১৬.২৫ টাকা ও সয়াবিন তেলের দাম লিটারে বেড়েছে ৫৫.৯০ পয়সা। ভারতে রপ্তানির ঘোষণায় প্রতি কেজি সয়াবিনের দাম বেড়েছে ১০ টাকা। একটি ব্রয়লার মুরগি লালন-পালনের আয়ুষ্কাল হয় ৩৫ থেকে ৩৭ দিন। এ সময়কালে মুরগি প্রতি অন্তত ২.৫ – ৩ কেজি তৈরি খাবার দিতে হয়, সেখান থেকে পাওয়া যায় ১.৫ – ২ কেজি মাংস। এক কেজি খাবার বা ফিডে প্রায় ৩০ শতাংশ সয়াবিনের খইল বা সয়াবিন মিলের দরকার পড়ে। সেক্ষেত্রে প্রতি কেজি মাংস উৎপাদনে ৬.২৫ টাকা প্রকৃত উৎপাদন ব্যয় বাড়লে খুচরা পর্যায়ে তা আরও অনেক বেশি বাড়বে। এতে শুধু প্রান্তিক পর্যায়ের খামারিরাই ক্ষতিগ্রস্ত হবে তা নয়, অনেক ছোট ছোট ফিড মিল বন্ধ হয়ে যাবে।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, দেশের ফিড মিলগুলোতে ব্যবহৃত কাঁচামালের অধিকাংশই বিদেশ থেকে আমদানি করা হয়। দেশীয় সয়াবিন ছাড়াও ভারত, যুক্তরাষ্ট্র, ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা প্রভৃতি দেশ থেকে আমদানি করা হয়। দেশে ‘সয়াবিন খইলের’ চাহিদা বছরে প্রায় ২০ লাখ মেট্রিক টন। এর মধ্যে ৭৫-৮০ ভাগ দেশীয় সয়াবিন তেল উৎপাদকারী প্রতিষ্ঠান থেকে এবং বাকিটা আমদানি করা হয়। দেশে উৎপাদিত সয়াবিন খইলের একমাত্র ক্রেতা হচ্ছে পোলট্রি, মৎস ও গবাদি পশুর ফিড উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান এবং সাধারণ খামারিরা।

ফিড সংশ্লিষ্ট উদ্যোক্তরা বলছেন, ডিম, মাছ, মুরগি উৎপাদনে মোট খরচের প্রায় ৭০-৭৫ শতাংশ খরচই হয় ফিড কেনা বাবদ। ফিডের দাম বৃদ্ধি পেলে খামারিদের উৎপাদন খরচ বাড়ে। আবার খরচের বিপরীতে পণ্যের ন্যায্য দাম না পাওয়ায় বড় অংকের লোকসানের মুখে পড়তে হয় উদ্যেক্তাদের।

দেশের মানুষের পুষ্টি চাহিদা পূরণের কথা বিবেচনায় নিয়ে সাশ্রয়ীমূল্যে সয়াবিন তেল উৎপাদন এবং পোলট্রি, মৎস্য ও গরুর খাদ্যের প্রধান উপাদান সয়াবিন মিলের সরবরাহ নিশ্চিত করার জন্য সরকার শূণ্য শুল্কে বা করমুক্ত সুবিধায় ‘সয়াবিন সিড’ আমদানির অনুমতি দিয়েছে। ‘সয়াবিন সিড’ থেকে সয়াবিন তেল বের করার পর অবশিষ্ট খৈল থেকে তৈরি হয় ‘সয়াবিন মিল’। দেশের মানুষের স্বার্থে শূন্য শুল্ক সুবিধায় আনা সেই সয়াবিন সিড থেকে উৎপাদিত সয়াবিন মিলই এখন ৩-৪টি সয়াবিন তেল উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান মুনাফার স্বার্থে রপ্তানি করছে। অতীতে কখনো ভারতে সয়াবিন সিড কিংবা সয়াবিন মিল রপ্তানি হয়নি বরং ভারত থেকে বাংলাদেশে প্রায় প্রতি বছর উল্লেখযোগ্য পরিমাণ সয়াবিন খইল আমদানি করা হয়ে থাকে।

বিশ্ববাজারে ও ভারতে সয়াবিন মিলের দাম বেড়ে যাওয়ায় পোলট্রি, ডেইরি ও মৎসশিল্প রক্ষা করতে এবং স্বল্পতম সময়ে বাংলাদেশ থেকে সয়াবিন মিল আমদানির জন্য আগ্রহ বেড়েছে ভারত ও নেপালের মতো দেশগুলোর ফিড প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানগুলোর।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop