১:৩৫ অপরাহ্ন

সোমবার, ৩ অগাস্ট , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : অক্টোবর ২৭, ২০২২ ১২:০৭ অপরাহ্ন
ধলাই নদীতে বিষ ঢেলে চলে নিয়মিত মাছ শিকার!
মৎস্য

ধলাই নদীতে বিষ ঢেলে মাছ শিকার নিয়মিত ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। গত রবিবার এই নদীতে আবারও বিষ ঢেলে মাছ শিকার করা হয়। এভাবে মাছ শিকারের ফলে সব ধরনের জলজ প্রাণী মারা যাচ্ছে।

শুষ্ক মৌসুমে নদীতে বিষ ঢেলে কিংবা পাম্প দিয়ে পানি শুকিয়ে মাছ ধরা হয়। বর্ষা মৌসুমে নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল, বাঁশের খাটি (আড়াআড়ি বেড়া) ও কুচা দিয়ে মাছসহ জলজ প্রাণীর বংশ বিনাশ করা হচ্ছে।

জানা যায়, মাছ শিকারের জন্য রবিবার ধলাই নদীর উজানে দুষ্কৃতকারীরা বিষ ঢেলে দেয়। বিষ গড়িয়ে যেতে যেতে নদীতে ছোটবড় নানা প্রজাতির মাছ মরে ভেসে উঠতে থাকে। উপজেলার উত্তর আলেপুর, কুমড়াকাপন গ্রাম এলাকায় শিশু-কিশোর ও স্থানীয়রা মাছ ধরতে নদীতে ঝাঁপিয়ে পড়ে। মৃগেল, পোটা মাছসহ ছোটবড় নানা প্রজাতির মাছ ভেসে ওঠে। ইতিপূর্বে ধলাই ও লাঘাটা নদীতে কয়েক দফা বিষ ঢেলে মাছ শিকার করা হয়েছে বলে স্থানীয়দের অভিযোগ রয়েছে।

কমলগঞ্জের হাওর ও নদীরক্ষা আঞ্চলিক কমিটির সদস্য সচিব ও পতনউষার ইউপি সদস্য তোয়াবুর রহমান তবারক, প্রাক্তন ইউপি সদস্য আব্দুল করিম, কৃষক মানিক মিয়া, শিক্ষক ফেরদৌস খান, শমশেরনগরের কৃষক মোবাশ্বির আলীসহ স্থানীয় সচেতন মহল জানান, ধলাই, লাঘাটা নদী ও পলক নদে ঘনঘন বিষ ঢেলে মাছ শিকার করা হচ্ছে।

মাছ শিকারের জন্য বাঁশের বেড়া (খাটি),  কারেন্ট জাল ও নানা অপরিকল্পিত কার্যক্রমে ধ্বংসপ্রাপ্ত হচ্ছে মাছ, ব্যাং, সাপ, কুচিয়াসহ জলজ প্রাণী। এতে জলজ জীববৈচিত্র্যসহ পরিবেশেরও মারাত্মক ক্ষতি বয়ে আনছে। এসব বিষয়ে প্রশাসনের যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ প্রয়োজন বলে তারা মনে করেন।

জানা যায়, উজানের পাহাড়ি এলাকা থেকে আসা পলক নদ, দেওছড়া, সুনছড়া, জপলাছড়া, লাউয়াছড়া, ডালুয়াছড়াসহ অসংখ্য ছড়া ও খাল রয়েছে। কেওলার হাওর, ছাইয়াখালী হাওর, মকাবিলসহ বেশ কয়েকটি বিল, জলাশয় থাকলেও সময়ের পরিক্রমায় এবং বৃষ্টিপাতের ফলে উজানের পাহাড়ি ঢল নেমে পলিবালি জমে নদী, খাল, ছড়া, বিল ও হাওরের তলদেশ ভরাট হয়ে পড়ছে। হ্রাস পাচ্ছে নদী ও খালের প্রশস্ততাও। অসাধু মাছ শিকারিদের কারণে এসব নদী, খাল ও জলাশয়ে দেশীয় মাছের প্রজনন বিনষ্ট হচ্ছে এবং মাছের আকাল দেখা দিচ্ছে।

পতনউষার ইউপি চেয়ারম্যান অলি আহমদ খান জানান, লাঘাটা নদী, পলক নদ, খিন্নিছড়াসহ একাধিক নদীখাল, ছড়ায় একটি মহল মাছ শিকারের জন্য বাঁশের খাটি (বেড়া), বাঁধ দিয়ে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করছে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা না গেলে নদী ও জলাশয় থেকে মাছের অস্তিত্ব বিনষ্ট হয়ে পড়বে। কমলগঞ্জ উপজেলা মত্স্য কর্মকর্তা মো. শহিদুর রহমান বলেন, ধলাই নদীতে কে বা কারা বিষ ঢেলে মাছ শিকার করছে। সেখানে আমাদের একার পক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করা সম্ভব নয়। তাছাড়া নদী, খাল, বিলে বিষ প্রয়োগ, বাঁশের খাটি ও কারেন্ট জালের বিষয়ে অভিযান চালাতে ভ্রাম্যমাণ আদালত ছাড়া কোনো শাস্তি দেওয়া সম্ভব হয় না। কাজের ঝামেলায় সব সময় ভ্রাম্যমাণ আদালত নিয়ে যাওয়াও সম্ভব হয় না। তবে এসব বিষয়ে সবাইকে সচেতন হয়ে কাজ করতে হবে। এ ব্যাপারে কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সিফাত উদ্দীন বলেন, এসব অপরাধের সঙ্গে কারা সম্পৃক্ত তার সন্ধান বের করতে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। যদি কোনোভাবে কেউ তথ্য জানাতে পারেন তাহলে গোপনীয়তা বজায় রেখে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ২৫, ২০২২ ১০:৪০ পূর্বাহ্ন
কমলগঞ্জে পুকুরে বিষ ঢেলে ২ লক্ষাধিক টাকার মাছ নিধন
মৎস্য

্কমলগঞ্জ উপজেলার পতনউষার ইউনিয়নের গোপীনগর গ্রামের প্রাক্তন ইউপি সদস্য আব্দুল হান্নানের পুকুরে দুষ্কৃতকারীরা বিষ ঢেলে বিভিন্ন প্রজাতির প্রায় দু’লক্ষাধিক টাকার মাছ নিধন করেছে।

পুকুরে মাছ মরে ভেসে উঠায় ক্ষতিগ্রস্ত খামারি হতাশ হয়ে পড়ছেন। ২২ অক্টোবর শনিবার ভোরে বিষ ঢেলে মাছ নিধন করার অভিযোগ উঠেছে।

জানা যায়, গোপীনগর গ্রামের আব্দুল হান্নানের একটি মাঝারি পুকুরে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন প্রজাতির মাছ চাষাবাদ করে আসছেন।

শনিবার ভোর রাতে দুষ্কৃতকারীরা পুকুরে বিষ ঢেলে রুই, কাতলা, মৃগেল, ঘাসকার্প, কার্পসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছ নিধন করে।

খামারির মালিক আব্দুল হান্নান জানান, আমি গত বছর ৪০ হাজার টাকার মাছের পোনা পুকুরে ছেড়ে নিয়মিত খাবার দিয়ে আসছি। এক একটি মাছ দেড় কেজি, দুই কেজি হয়েছে। আরো কিছুটা বড় হওয়ার পর মাছ বিক্রি করার কথা। এরই মধ্যে আমার পুকুরে বিষ ঢেলে দুই লক্ষাধিক টাকার মাছ নিধন করা হয়েছে। তবে পাশের বাড়ির সাথে পূর্ব বিরোধের জেরে এই ক্ষতি করেছে বলে তিনি দাবি করেন।

এব্যাপারে কমলগঞ্জ থানায় তিনি লিখিত অভিযোগ দাখিল করবেন বলে জানান।

এ ব্যাপারে শমশেরনগর পুলিশ ফাঁড়ির এস আই আব্দুর রহমান গাজী জানান, আব্দুল হান্নানের মৌখিক অভিযোগ পেয়ে সরেজমিনে দেখে আসছি। বিষ ঢেলে প্রায় দু’লক্ষাধিক টাকার মাছ নিধন হয়েছে। থানায় লিখিত অভিযোগ দেয়ার পর যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ২৩, ২০২২ ৯:০০ পূর্বাহ্ন
নিষিদ্ধ জালে মাছ শিকার!
মৎস্য

দিন-দুপুরে নিষিদ্ধ জালে মাছ শিকার করলেও দেখার কেউ নেই, অভিযোগ স্থানীয়দের

উপকূলীয় জনপদ বরগুনার বেতাগী উপজেলার বিভিন্ন খাল-বিলে অবাধে নিষিদ্ধ জালে মাছ শিকার হচ্ছে। এতে মারা পড়ছে দেশের বিভিন্ন প্রজাতির মাছ ও পোনা। স্থানীয়দের অভিযোগ, মৎস্য কর্মকর্তা এ বিষয়ে এখনো কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেননি।

শুক্রবার (২১ অক্টোবর) সরেজমিনে দেখা গেছে, উপজেলার বিবিচিনি, বেতাগী সদর ও হোসনাবাদ ইউনিয়নের কয়েকটি খালে নিষিদ্ধ বেহুন্দি আর ভাসা জালসহ ছোট ছোট নৌকা নিয়ে নির্ভয়ে মাছ শিকারিরা বসে আছেন। দিন-দুপুরে নিষিদ্ধ জাল পেতে মাছ শিকার করলেও দেখার কেউ নেই, এমন অভিযোগ করেছেন ওই এলাকার একাধিক ব্যক্তি।

উপজেলা মৎস্য অফিস থেকে জানা গেছে, পৌরসভাসহ সাতটি ইউনিয়ন ও দেড় লক্ষাধিক জনসংখ্যা অধ্যুষিত এ উপজেলায় ছোট-বড় ৪০টি খাল, সাতটি বিল, ১৪টি প্লাবনভূমি, ১১ হাজার ৬২৩টি পুকুর ও একটি নদী রয়েছে। এ থেকে বছরে ৩৩৬৫ মেট্রিক টন মাছ উৎপাদিত হয়। দৈনিক জনপ্রতি মাছের চাহিদা ৬৫ গ্রাম। সে হিসেবে উপজেলায় মোট জনসংখ্যার বাৎসরিক মাছের চাহিদা ২৮০০ মেট্রিক টন। চাহিদা মিটিয়ে বছরে উদ্বৃত্ত থাকে ৫৬৫ মেট্রিক টন। বিবিচিনি ইউনিয়নের কারিকরপাড়া খাল, গড়িয়াবুনিয়া, নাপিতখালী, সিদ্ধান্ত, সদর ইউনিয়নের কবিরাজের খাল, বাসন্ডা, বেড়েরধন, লক্ষ্মীপুরা, হোসনাবাদের উত্তর কাটাখালী, ধনমানিক চত্রা, জলিসা খালসহ উপজেলাজুড়ে বিভিন্ন খাল ও বিলে তিন শতাধিক নিষিদ্ধ জাল ব্যবহারে অবাধে স্থানীয় জেলেরা মাছ শিকার করেন। শিকারিদের জালে আটকা পড়ে বিলুপ্তপ্রায় চিংড়ি, কালিবাউশ, বাইলা, গুইল্লা, পুঁটি গুইল্লা, ইছা, বোয়াল, পাবদা, পুঁটি, শোল ও টাকি মাছ। এছাড়া এসব খালের বিভিন্ন স্থানে অবৈধভাবে বাঁধ দিয়ে পানিপ্রবাহের গতিরোধ করা হচ্ছে। এতে মৎস্য উৎপাদন যেমন ব্যাহত হচ্ছে, তেমনি ফসল উৎপাদনও বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

বেহুন্দি জাল দিয়ে মাছ ধরছিলেন স্থানীয় এক যুবক। তিনি বলেন, সবাই ধরে, কেউ কিছু বলে না। তাই আমিও ধরি। এই এলাকার বেশিরভাগ জেলে ভাসা জাল, কারেন্ট জাল, বেহুন্দি জাল দিয়ে মাছ ধরেন। এসব জালে প্রায় সব ধরনের মাছ আটকা পড়ে।

স্থানীয়রা বলেন, একসময় এসব খালে বড় বড় বোয়াল, শোল, টাকি, চিংড়ি, বাইন মাছ থেকে শুরু করে বিভিন্ন দেশি মাছ ধরা পড়ত। এখন বাজারে খাঁচা ভরে ছোট ছোট দেশি মাছ বিক্রি হয়। দু’বছর আগেও মাঝে মাঝে প্রশাসনের লোকজন এসে খাল-বিল থেকে অবৈধ জাল তুলে নিয়ে পুড়িয়ে ফেলতেন। কিন্তু এখন আর কেউ অবৈধ জাল ব্যবহারে নিষেধও করছেন না।

জানা গেছে, স্থানীয় বাজারেই নিষিদ্ধ জাল বিক্রি হচ্ছে। পৌর শহরের বাসিন্দা কামাল হোসেন বলেন, নিষিদ্ধ জাল পাতা বন্ধ করতে হলে দোকানগুলোতে নিয়মিত অভিযান চালাতে হবে। পাশাপাশি স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সমন্বয়ে জেলেরা যাতে অবৈধভাবে দেশি মাছ না ধরেন সে বিষয়ে তদারকি জোরদার করতে হবে।

বিবিচিনি ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের বুলু সিকদার বলেন, নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল দিয়ে দেশি প্রজাতির মাছ ধরার ব্যাপারে মৎস্য কর্মকর্তার ভূমিকা রহস্যজনক।

সংশ্লিষ্ট এলাকার একাধিক ব্যক্তির অভিযোগ, বেহুন্দি জাল দিয়ে স্থানীয় জেলেরা যে মাছ ধরছেন, তার লভ্যাংশের একাংশ মৎস্য কর্মকর্তার পকেটে যাচ্ছে। এজন্য কর্মকর্তা কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছেন না।

উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ আব্দুল গাফফর ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সুহৃদ সালেহীন জানান, খাল, বিল ও মুক্ত জলাশয়ে কারেন্ট জাল, বেহুন্দি, ভাসা, ডুব জাল, টানা জাল, চর জাল, পেকুয়া জাল সবই নিষিদ্ধ। কেউ এর ব্যত্যয় ঘটালে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বেশ কিছু স্থান চিহ্নিত করা হয়েছে। দ্রুত সেসব স্থানে অভিযান পরিচালনা করে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

কালের কণ্ঠ

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ২২, ২০২২ ১০:৫২ অপরাহ্ন
একটি মাছ ধরে ৮ লাখ টাকার পুরস্কার জিতল চট্টগ্রামের যুবক
মৎস্য

চট্টগ্রামের পাহাড়তলীতে ১২ কেজির একটি কাতাল মাছ শিকার করে ৮ লাখ টাকা পুরস্কার জিতলেন আশরাফ নামে এক যুবক। তিনি লোহাগাড়া উপজেলার বাসিন্দা।

শনিবার (২২ অক্টোবর) পাহাড়তলীর ভেলুয়ার দীঘিতে ‘সৌখিন মাছ শিকারি’ নামে আয়োজন করা এই প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অর্জন করেন তিনি।

৮ লাখ টাকা পুরস্কার পাওয়া আশরাফ উল্লাহ বলেন, মাছ শিকার করা আমার শখ। তবে সেই সখের বিষয়টি যে এভাবে প্রাপ্তি এনে দিবে ভাবিনি। আমি এবং আমার পরিবারের সবাই এতে খুব খুশি।

ভেলুয়ার দীঘির ইজারাদার আব্দুল মান্নান খোকনের আয়োজনে ১১২ সিটে চলছে এই মাছ ধরার প্রতিযোগিতা। পূর্বকোণকে তিনি বলেন, প্রতিযোগিতায় চট্টগ্রাম ছাড়াও দেশের বিভিন্নস্থান লোকজন এখানে অংশ নিচ্ছে। আগামী ডিসেম্বর পর্যন্ত চলবে এই প্রতিযোগিতা। প্রতি শুক্রবার হবে এই আয়োজন।

তিনি আরও বলেন, মৎস্য চাষ ও মৎস্য শিকারের জন্য ২০২১ সালে দরপত্রের মাধ্যমে বাংলাদেশ রেলওয়ে থেকে এই দীঘি ইজারা নিয়েছে।

মাছ শিকার করতে আসা ইমতিয়াজ বলেন, হাটহাজারী থেকে মাছ শিকার করতে এখানে এসেছি। প্রতি বছরই আমি এখানে আসি।

রহিম উদ্দিন নামে একব্যক্তি বলেন, বিকেল সময়টা আমার খুবই বেকার অবস্থায় কাটে। তাই এই সময়ে এখানে আসলে ভালো লাগে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ২২, ২০২২ ৪:৩৯ অপরাহ্ন
পুকুরে বিষ দিয়ে ৬ লাখ টাকার মাছ নিধন
মৎস্য

জয়পুরহাটের কালাইয়ে শত্রুতার জেরে এক মৎসচাষীর লীজ নেওয়া পুকুরে বিষ প্রয়োগ করে প্রায় ৬ লাখ টাকার মাছ মেরে ফেলেছে দুর্বৃত্তরা। শুক্রবার রাতের কোনো এক সময়ে দুর্বৃত্তরা বিষ প্রয়োগ করলে শনিবার সকালে ওই পুকুরে মাছগুলো ভেসে ওঠে।

উপজেলার মাত্রাই ইউনিয়নের পার্বতীপুর গ্রামের লিজানি পুকুরে এই ঘটনা ঘটেছে। এ ব্যাপারে মৎসচাষী সাজেদুল ইসলাম শহিদুল কালাই থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার মাত্রাই ইউনিয়নের বিয়ালা গ্রামের মৎসচাষী সাজেদুল ইসলাম শহিদুল এক বছর আগে পার্বতীপুর গ্রামের আশরাফুল ইসলামের কাছ থেকে প্রায় ৬ বিঘা জলকর পুকুরটি তিন বছরের জন্য লিজ নেন। সেই পুকুরে তিনি বিভিন্ন জাতের মাছ চাষ করে আসছেন। ইতোমধ্যে মাছগুলো দেড় কেজি থেকে দুই কেজি ওজনের হয়েছে। এরই মধ্যে শুক্রবার রাতের কোনো এক সময়ে কে বা কারা ওই পুকুরে বিষ প্রয়োগ করে। ফলে পুকুরের মাছগুলো মরে গিয়ে শনিবার সকালে ভেসে ওঠে।

মৎস চাষী সাজেদুল ইসলাম শহিদুল জানান, সকালে পুকুরে এসে দেখি স্থানীয়রা ভেসে ওঠা মরা মাছগুলো পাড়ে তুলছেন। মরা মাছগুলো ওজন করে দেখি প্রায় ১০০ মন হয়েছে। মাছগুলো আগামী সপ্তাহে বিক্রি করতাম। তা আর হলো না। এখন কি করবো তা ভেবে পাচ্ছিনা।

একই গ্রামের বাসিন্দা অনিল চন্দ্র জানান, বর্তমান পাইকারি বাজার দর অনুযায়ী প্রতি কেজি মাছ দেড়’শ থেকে ২০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। সে হিসাবে প্রায় ১০০ মন মাছের মূল্য আনুমানিক প্রায় ৬ লাখ টাকা হবে।

স্থানীয় ইউপি সদস্য নূরনবী মন্ডল বলেন, মানুষের সাথে মানুষর শত্রুতা থাকতেই পারে। তাই বলে কি পুকুরে বিষ দিয়ে মাছ নিধন করে এক অসহায় মৎসচাষীকে বিপদে ফেলতে হবে ? আমরা এর বিচারসহ দোষীদের খুঁজে বের করে তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি। পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত মৎসচাষীর উপযুক্ত ক্ষতিপূরণের দাবি জানাচ্ছি।

কালাই থানার ওসি এসএম মঈনুদ্দীন বলেন, অভিযোগ পেয়েছি, তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ২২, ২০২২ ৮:৩৪ পূর্বাহ্ন
মাছ ধরা বন্ধ,ভালো নেই জেলেরা!
মৎস্য

ইলিশের প্রজনন মৌসুমে মেঘনা নদীতে সকল প্রকার মাছ ধরা নিষিদ্ধ করেছে সরকার। নিষেধাজ্ঞার কারণে জেলেরা জাল, নৌকা ঘাটে রেখে অলস সময় কাটাচ্ছে।

উপজেলা মৎস্যবিভাগের তথ্যমতে, গত ৭ অক্টোবর থেকে ২৭ অক্টোবর পর্যন্ত ২২ দিন মাছ ধরা, বিক্রি, মজুদ ও পরিবহন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। নিষিদ্ধ সময়ে আইন অমান্য করলে জেল-জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে। নিষেধাজ্ঞার সময় সরকারিভাবে জেলেদের খাদ্য সহায়তা দেয়া হয়।

জেলেরা জানান, সরকার যে পরিমান চাল বরাদ্দ দিয়েছে তা ঠিকমতো তাদের কাছে পৌঁছায় না। তাই অতি কষ্টে খেয়ে না খেয়ে দিন কাটাচ্ছেন জেলেরা। কেউ কেউ জীবিকার তাগিদে অন্য পেশায় ঝুঁকছেন। মেঘনা নদীর তীর ঘেঁষা ভবানীপর ও সৈয়দপুর ইউনিয়ন। এই দু’টি ইউনিয়নের কয়েক হাজার জেলে মেঘনায় মাছ শিকার করে জীবিকা নির্বাহ করেন। ভবানীপুর ইউনিয়নের বেড়িবাঁধসহ বিভিন্ন ওয়ার্ডে বসবাস করছেন কয়েকশ’ জেলে পরিবার। ঝুপড়ি ঘরে তাদের বসবাস। নদীতে মাছ ধরে চলে তাদের জীবন। মাছ ধরতে না পারলে সংসার চলে না।

জেলেপাড়ার সুমন মাঝি জানান, নদীতে অভিযান চলছে। এখন কাজকর্ম নেই। অন্য কাজও জানি না। তাই অনেক কষ্টে আছি।

সৈয়দপুর ইউনিয়নের ৭ ওয়ার্ডের জেলে মো. হোসেন। বয়স ২৭। তার ওপর বাবা-মা, ভাইবোনের ভরণ-পোষণের দায়িত্ব। একদিন আয় করতে না পারলে উপোষ থাকতে হয় পরিবারের সবাইকে। নিষেধাজ্ঞার কারণে তার নৌকা ঘাটে বাঁধা। এখন অটোরিকশা চালাচ্ছেন। হোসেন বলেন, ২২ দিন নদীতে মা ইলিশের অভিযান। মাছ না ধরলে একদিনও সংসার চলেনা। সরকার চাল দেয়, তাও ঠিক মতো পাই না। কি করবো? রিকশা চালিয়ে যা পাই, চাল-ডাল কিনে কোনোমতে চলি। চরখলিফা ৭নং ওর্য়াডের জেলে বাবুল বলেন, আমাগো চাল বেকে (সবাই) খায়। সরকার সাগরে অভিযান দিছে। এহন ট্রলারের জাল বুনি। মালিক অল্প কিছু টিয়া দেয়। কোনো মতে দিন চলে।

উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মাহফুজুল হাসনাইন ইনকিলাবকে বলেন, দৌলতখান উপজেলায় ২২ হাজার নিবন্ধিত জেলে রয়েছেন। ইলিশের প্রজনন মৌসুমে ২০ হাজার জেলেকে ২৫ কেজি করে চাল বরাদ্দ দিয়েছে সরকার। ইলিশের অবাধ প্রজনের লক্ষে ব্যাপক প্রচারণা ও সচেতনতা সভা করা হয়েছে। প্রজনন নির্বিঘ্ন করতে মৎস্যবিভাগের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ২১, ২০২২ ১:২৮ অপরাহ্ন
পুকুরে বিষ প্রয়োগ,মারা গেল ১৫ লাখ টাকার মাছ!
মৎস্য

পাবনার সুজানগর উপজেলার সাতবাড়িয়ায় ইউনিয়নের একটি পুকুরে বিষ ও গ্যাস ট্যাবলেট প্রয়োগ করে প্রায় ১৫ লাখ টাকার মাছ নিধনের অভিযোগ উঠেছে।

গত বুধবার ভোরে ইউনিয়নের মোমরাজপুর এলাকার দিপংকর হালদারের পুকুরে এ ঘটনা ঘটে। বৃহস্পতিবার (২০ অক্টোবর) এ ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, প্রতিবেশী রঘুনাথ হালদারের সঙ্গে দিপংকরের বাবা দিলিপ হালদারের জমি ও পুকুরে মাছ চাষসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিরোধ ছিল। এরই জেরে বুধবার ভোরে দিপংকরের বাড়ি সংলগ্ন পুকুরে বিষ ও গ্যাস ট্যাবলেট ঢেলে দেওয়া হয়। এতে পুকুরের মাছগুলো মরে ভেসে উঠে। পুকুরে পাঙ্গাশ, রুই, কাতল, তেলাপিয়া, বাটাসহ বিভিন্ন জাতের ২০০ মণ মাছ ছিল। সব মাছ মারা গেছে।

দিলিপ হালদার অভিযোগ করে বলেন, ‘রঘুনাথ হালদার ওই পুকুর আগে মাছ চাষ করতো। কয়েক বছর ধরে আমরা চাষ করছি। এই নিয়ে বিরোধ ছিল। ওই পুকুরের একাংশ জমি আমরা কিনে নিয়েছি, আরেক অংশ ইজারা নিয়েছি। ওই পুকুরের জমি কেনা নিয়ে রঘুনাথের সঙ্গে আমাদের ঝামেলা হয়। কয়েকদিন আগে রঘুনাথ আমাদের হুমকি দিয়ে বলেন, ‘ওই পুকুরে কি করে আমরা মাছ চাষ করি’। এই কথা বলার দুই দিন পরেই এ ঘটনা ঘটল।’

দিপংকর হালদার বলেন, ‘আমি চারটা পুকুরে মাছ চাষ করি। বন্যার সময় হওয়ায় নদী সংলগ্ন তিনটি পুকুর থেকে মাছ তুলে বাড়ির কাছে এই পুকুরে রেখেছিলাম। আশা করেছিলাম, মাছগুলো বিক্রি করে ঋণ শোধ করবো। আমার প্রায় ১০ লাখ টাকা ঋণ আছে। এখন আমি পথে বসে গেলাম। কোনো বিবেকবান মানুষ এই ধরনের কাজ করতে পারে না।’

তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন রঘুনাথ হালদার। তিনি বলেন, ‘ওরা কি অভিযোগ করেছে আমি জানি না। কিন্তু আমার কথা, অন্যায় যে করেছে সে সাজা পাবে, আইন তার বিচার করবে। আমি এসব করি নাই।’

সুজানগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল হান্নান বলেন, ‘অভিযোগ পেয়েছি। আমরা বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করছি। তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের বিরুদ্ধে সকল আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ১৯, ২০২২ ৩:৪৩ অপরাহ্ন
তাজা মাছ চিনবেন যেভাবে
মৎস্য

মাছের কানকো দেখাটা তাজা মাছ চেনার একটা ভালো উপায়। যদিও মাছের কানকোতে এখন রং মিশিয়ে রাখেন অসাধু ব্যবসায়ীরা। তাই শুধু কানকো দেখে মাছ কিনবেন না। তাজা মাছের কানকো হবে তাজা রক্তের রঙের ও পিচ্ছিল।

তাজা মাছ না চেনার কারণে আমরা অনেকেই মাছ কিনতে গিয়ে ঠকে যাই। বাড়িতে নিয়ে আসি পচা মাছ।

মাছের বেশ কিছু লক্ষণ আছে, যা দেখলে বোঝা যায় সেটি তাজা, না পচা। লক্ষণগুলো মাথায় রাখলে আপনি আর পচা মাছ কিনবেন না। চলুন সেগুলো জেনে নেই।

শক্ত না নরম

তাজা মাছ কখনো শক্ত হবে না, আবার নরমও হবে না, একটা তুলতুলে ভাব থাকবে। আঙুল দিয়ে চাপ দিলে যে মাছ একদম শক্ত, বুঝবেন যে সেটা ফ্রিজে রাখা ছিল। যদি আঙুল দিলেই ভেতরে দেবে যায়, বুঝতে হবে মাছে পচন শুরু হয়েছে। তাজা মাছে আঙুল দিয়ে চাপ দিলে দেবে যাবে, কিন্তু আঙুল সরিয়ে নিলেই জায়গাটা ঠিক হয়ে যাবে।

মাছের চোখ দেখুন

তাজা মাছের চোখ সব সময় স্বচ্ছ হবে। একদম ঝকঝকে চোখ হবে, দেখলে মনে হবে মাছটি জীবন্ত। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এই চোখ ঘোলাটে হয়ে আসে।

যত সময় যায়, চোখ তত ঘোলাটে হয়। ফরমালিনে মাছের শরীর পচে না ঠিকই, কিন্তু চোখের জীবন্ত ভাব নষ্ট হওয়া ঠেকানো যায় না। তাই চোখ দেখলেই চিনতে পারবেন তাজা মাছ।

কানকোতে উঁকি দিন

মাছের কানকো দেখাটা তাজা মাছ চেনার একটা ভালো উপায়। যদিও মাছের কানকোতে এখন রং মিশিয়ে রাখেন অসাধু ব্যবসায়ীরা। তাই শুধু কানকো দেখে মাছ কিনবেন না। তাজা মাছের কানকো হবে তাজা রক্তের রঙের ও পিচ্ছিল।

মাছের শরীর

পচতে থাকা মাছের শরীরে হালকা হলুদাভ চলে আসবে। তাজা মাছ চকচক করবে। সময় যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে চকচকে ভাব ম্লান হয়ে যাবে। মাছে দেয়া ফরমালিন মাছের শরীর পচতে দিবে না ঠিকই, কিন্তু সে এই চকচকে ভাবও ধরে রাখতে পারবে না।

ঘ্রাণ নিন

একেক ধরনের মাছের গন্ধ একেক রকম। তবে পচতে থাকা মাছ থেকে দুর্গন্ধ আসবে। দুর্গন্ধ এলেই বুঝতে পারবেন, মাছটি তাজা না পচা।

চিংড়ি মাছ

তাজা চিংড়ি মাছ চেনার পদ্ধতিটা একটু অন্যরকম। যেসব চিংড়ি মাছ সাদা জাতের সেগুলো লাল হয়ে গেলে বুঝতে হবে, মাছ পচে গেছে।

চিংড়ি মাছ পচে যাওয়ার আরেকটি লক্ষণ হলো মাছের ওপর কালো কালো দাগ পড়া। এ ছাড়া পচা চিংড়ির মাথা ঝুলে যাবে– মনে হবে একটু টান দিলে খসে পড়বে মাথা। অন্যদিকে যদি চিংড়ি মাছের খোসা শক্ত আর মচমচে থাকে, তাহলে মাছ তাজা। তাছাড়া তাজা চিংড়ি মাছ ধরলে পিচ্ছিল ও দেখতে চকচকে মনে হবে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ১৯, ২০২২ ৩:৩৬ অপরাহ্ন
মাছ চুরি প্রতিরোধে সম্মিলভাবে কাজ করার আহ্বান
মৎস্য

রাতের আঁধারে বিষ প্রয়োগ করে ঘেরের মাছ চুরি প্রতিরোধে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, ঘের মালিক-শ্রমিক সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার নির্দেশ দিয়েছেন শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মন্নুজান সুফিয়ান।

মঙ্গলবার (১৮ অক্টোবর) রাতে খুলনা সার্কিট হাউজের সভাকক্ষে সিটি করপোরেশন এলাকার ঘের মালিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ নির্দেশ দেন।

শ্রম প্রতিমন্ত্রী বলেন, বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী অন্যতম খাত চিংড়িকে বিষ প্রয়োগ করে চুরি ও জেলি পুশসহ সব অপকর্ম রোধ করে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করতে হবে।

খুলনা মহানগর পুলিশের কমিশনার মাসুদুর রহমান ভূঞা বলেন, যেকোনো প্রকারেই ঘেরে বিষ প্রয়োগ, চুরি বন্ধ করা হবে।

সংশ্লিষ্ট এলাকার পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের তৎপরতা-মনিটরিং বাড়ানো ও প্রতি সপ্তাহে অগ্রগতি রিপোর্ট দেওয়ার নির্দেশ দেন তিনি। আগামী ২৩, ২৫ ও ২৭ অক্টোবর এলাকাভিত্তিক এ বিষয়ে সমাবেশ করা হবে।

সভায় অর্ধশতাধিক ঘের মালিক তাদের ঘেরের মাছ চুরিসহ নানা সমস্যার কথা তুলে ধরেন।

সভায় শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব মো. মনোয়ার হোসেন, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট পুলক কুমার মণ্ডল, দৌলতপুর আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ সৈয়দ আলী, খুলনা বিভাগীয় শ্রম দপ্তরের পরিচালক মো. মিজানুর রহমান, মহানগরীর পাঁচ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও ঘের মালিকরা অংশগ্রহণ করেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ১৭, ২০২২ ১:৫৩ অপরাহ্ন
মাথাভাঙ্গা নদীতে চলে অসাধু উপায়ে মাছ শিকার
মৎস্য

চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলায় মাথাভাঙ্গা নদীতে অসাধু ব্যক্তিরা আবারও শুরু করেছে বাঁধ নির্মাণ। নদীতে আড়াআড়ি বাঁধ নির্মাণ করে বাধাঁগ্রস্ত করা হচ্ছে নদীর শ্রোত। ফলে একদিকে যেমন নদী হারাচ্ছে তার চিরচেনা রূপ, অপরদিকে সুতি জালের ফাঁদ পেতে ধরে নেয়া হচ্ছে ছোটবড় সব ধরনের প্রাকৃতিক মাছ।

দামুড়হুদা উপজেলার মাথাভাঙ্গা নদীর বেশ কয়েকটি স্থানে নির্মাণ করা হয়েছে অবৈধ বাঁধ। নতুন বাস্তুপুর বাশ বাগানের নীচে মাথাভাঙ্গা নদীর বুকে নির্মাণ করা হয়েছে একটি বাঁধ। নতুন বাস্তুপুরের মতিয়ারের ছেলে ছানোয়ার বাঁধটি নির্মাণ করেছেন বলে এলাকা সূত্রে জানা গেছে। এছাড়া সুবলপুর থেকে আমডাঙ্গা মোড় পর্যন্ত নির্মাণ করা হয়েছে আরো ৩টি বাঁধ।

দামুড়হুদা উপজেলা সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা হামিদুর রহমান জানান, প্রতি বছর অবৈধভাবে বাঁধ নির্মাণকারীদের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করা হয়। অপসারণ করা হয় অবৈধভাবে দেয়া বাঁধগুলো। কিছুদিন পর কিছু অসাধু ব্যক্তি আবারও একই কাজ করে থাকে।

তিনি আরও জানান, আমরা আগে কারেন্ট জালের কথা শুনতাম। বর্তমানে ম্যাজিক জালের পাশাপাশি ইলেকট্রিক মেশিন দিয়ে মাছ মারা হচ্ছে। এভাবেই খাল, বিল, নদী প্রাকৃতিক মাছ শূন্য হয়ে যাচ্ছে। অবৈধভাবে বাঁধ নির্মাণকারীদের বিরুদ্ধে আইনী ব্যবস্থা গ্রহণে অচিরেই সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করা হবে বলেও জানান তিনি।

ইলেকট্রিক মেশিন দিয়ে মাছ মারার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ইলেকট্রিক মেশিনটি পানিতে ধরে সুইচ দেয়ার সাথে সাথে বিদ্যুতায়িত হয়ে মাছ মারা যাচ্ছে। দামুড়হুদার কার্পাসডাঙ্গা ভূমিহীনপাড়ার এক অসাধু ব্যক্তি ওই ইলেকট্রিক মেশিন কিনেছে বলে আমি শুনেছি, তবে এখনও পর্যন্ত চোখে দেখিনি।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop