৯:২৬ অপরাহ্ন

সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : অক্টোবর ২৫, ২০২১ ১:৪৫ অপরাহ্ন
এক মাছের দাম ৩৬ লাখ!
মৎস্য

সুন্দরবনের কপূরা নদীতে মাছ ধরতে গিয়েছিলেন ভারতীয় জেলেরা। তাদের জালেই ধরা পড়ে বিশাল আকারের তেলেভোলা মাছ। যার ওজন ৭৮ কেজি ২০০ গ্রাম।গত শুক্রবার জেলেরা নদীতে মাছ ধরতে গেলে তাদের জালে মাছটি ধরা পড়ে। সেই মাছ ঘাড়ে করে মাছ বাজারের আড়তে নিয়ে আসে তারা।

শনিবার রাতে মাছটির দাম ওঠে কেজি প্রতি ৪৯ হাজার ৩০০ রুপি। শেষ পর্যন্ত মাছটি বিক্রি হয় ৩৬ লাখ ৪৮ হাজার ২০০ রুপিতে। মাছটি কিনেছে কলকাতার কেএমপি নামের একটি প্রতিষ্ঠান। মাছটির পেটে মূল্যবান কিছু সম্পদ রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

মৎস্যজীবী বিকাশ বর্মন দীর্ঘদিন ধরে সুন্দরবনের নদীতে মাছ ধরেন। বৃহস্পতিবার সকালেও গোসাবা ব্লকের দুলকির সোনাগাঁও গ্রাম থেকে বিকাশ বর্মন, রাহুল বর্মন, সৈকত বর্মন, কমলেশ বর্মন ও কালিপদ বর নামে পাঁচজন মৎস্যজীবী সুন্দরবনে মাছ ধরার উদ্দেশে রওনা দেন। মাছ ধরতে ধরতে শুক্রবার সন্ধ্যায় তাদের জালে ধরা পড়ে প্রায় সাত ফুট লম্বা এ তেলেভোলা মাছ।

জানা গেছে, এ মাছের পেটে রয়েছে মহামূল্যবান কিছু সম্পদ, যার কারণে এ মাছটির দাম উঠেছিল অনেক। তবে এ মূল্যবান সম্পদ কোনো টাকা পয়সা কিংবা সোনা গহনা নয়, তা হলো এ মাছের পেটে থাকা পটকা। যা দিয়ে তৈরি করা হবে বিভিন্ন ধরনের ওষুধ, জিনিসপত্র। আর সেগুলো ব্যবহৃত হবে অস্ত্রোপচারের পর সেলাইয়ের কাজে। সেই কারণেই এ মাছের এত দাম হয়েছে।

মৎস্যজীবী বিকাশ বর্মন জানান, বহুদিন ধরেই মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করছেন তিনি। তবে প্রতি বছর ভোলা মাছ ধরতে গেলেও এবারই তার জালে এত বড় মাছ ধরা পড়ল বলে জানান তিনি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ২৫, ২০২১ ৯:৪৬ পূর্বাহ্ন
মধ্যরাত থেকে ইলিশ ধরা শুরু
মৎস্য

ইলিশ ধরায় ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা শেষ হবে আজ সোমবার (২৫ অক্টোবর) মধ্যরাতে। রাত ১২টা ১ মিনিট থেকে পুনরায় ইলিশ ধরা শুরু করবেন জেলেরা।

ইলিশ সম্পদ সংরক্ষণে ‘প্রটেকশন অ্যান্ড কনজারভেশন অব ফিশ অ্যাক্ট, ১৯৫০’ এর অধীন প্রণীত ‘প্রটেকশন অ্যান্ড কনজারভেশন অব ফিশ রুলস, ১৯৮৫’ অনুযায়ী চলতি বছর ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুমে ৪ থেকে ২৫ অক্টোবর মধ্যরাত পর্যন্ত মোট ২২ দিন সারাদেশে ইলিশ মাছ আহরণ, পরিবহন, মজুত, বাজারজাতকরণ, ক্রয়-বিক্রয় ও বিনিময় নিষিদ্ধ করে গত ২৬ সেপ্টেম্বর প্রজ্ঞাপন জারি করে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. ইফতেখার হোসেন জানান, ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুমে গত ৪ অক্টোবর থেকে ২৫ অক্টোবর মধ্যরাত পর্যন্ত সারাদেশে ইলিশ মাছ আহরণ, পরিবহন, মজুত, বাজারজাতকরণ, ক্রয়-বিক্রয় ও বিনিময় নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। আজ মধ্যরাতে সেই নিষেধাজ্ঞা শেষ হচ্ছে। এরপর ইলিশ ধরায় কোনো বাধা থাকবে না।

চলতি বছর ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুমে ইলিশ আহরণ নিষিদ্ধকালে জেলেদের জন্য ১১ হাজার ১১৮ দশমিক ৮৮ মেট্রিক টন ভিজিএফ চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়।

২০২১-২২ অর্থবছরে সরকারের মানবিক খাদ্য সহায়তা কর্মসূচির আওতায় ৩৭ জেলার ১৫১টি উপজেলায় মা ইলিশ আহরণে বিরত থাকা ৫ লাখ ৫৫ হাজার ৯৪৪টি জেলে পরিবারের জন্য এ বরাদ্দ দেওয়া হয়। গত বছরের চেয়ে বেশি ২৭ হাজার ৬০২টি জেলে পরিবারকে এবার বরাদ্দের আওতায় আনা হয়েছে। এর আওতায় প্রতিটি জেলে পরিবার ২০ কেজি করে চাল দেওয়া হয়েছে। ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা শুরুর আগেই এ বছর ভিজিএফের চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ২৪, ২০২১ ১:৫৮ অপরাহ্ন
পুকুরে বিষ দিয়ে মাছ নিধন, লাখ টাকার ক্ষতি
মৎস্য

পটুয়াখালীর দশমিনায় এক মাছ ব্যবসায়ীর পুকুরে বিষ দিয়ে বিভিন্ন প্রজাতের মাছ নিধন করে প্রায় লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি করেছে বলে মো: ফারুক মৃধা ও মামুন মৃধার বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে।

উপজেলার বহরমপুর ইউনিয়নের বগুড়া গ্রামে শুক্রবার বিকেলে এ ঘটনা ঘটে। বিষ প্রয়োগের ফলে পুকুরের প্রায় ১ লাখ টাকার মাছ মরে ভেসে উঠতে থাকে শনিবার পর্যন্ত।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার বহরমপুর ইউনিয়নের বগুড়া গ্রামের মো: এছাহাক মৃধার নিজ পুকুরে বিষ প্রয়োগের ফলে মাছ মরে ভেসে উঠতে শুরু করে। দিন দুপুরে পুকুরের বিষ দিয়ে এ মাছ মারছে দুর্বৃত্তরা। মাছ নিধন করেছে এমন চিৎকার শুনে পুকুর পাড়ে গিয়ে দেখতে পাই প্রায় ৯০ হাজার টাকার দেশী প্রজাতের মাছ মরে ভেসে আছে।

ভুক্তভোগী মো: এছাহাক মৃধার স্ত্রী পারভিন বেগম বলেন, ‘আমার নিজের চোখে দেখেছি শুক্রবার দুপুরে মো: ফারুক মৃধা ও মামুন মৃধা পুকুর পাড়ে বিষের বোতল নিয়ে হাঁটে আর আমারে দেখে পুকুরের মধ্যে ম্যালা মারে। তার কিছুক্ষণ পর থেকে পুকুরের মাছ মরে ভাইসা উঠতে থাকে। আমরা এখন কি খাবো, কি করবো আর কই যাবো। আমাগো না খাইয়া মরতে হবে।’

ভুক্তভোগী মো: এছাহাক মৃধা বলেন, পারিবারিক বিরোধের কারণে প্রকাশ্য দিবালোকে মো: ফারুক মৃধা ও মামুন মৃধারা আমার চাষের পুকুরে বিষ দিয়ে বিভিন্ন প্রজাতের প্রায় ১ লাখ টাকার মাছ মারছে। এমন কি তারা এর আগেও দুইবার আমার চাষের অন্য পুকুরে বিষ দিয়ে প্রায় সাড়ে তিন থেকে চার লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি করেছে। আমাকে ও আমার পরিবারের সদস্যদের বিভিন্নভাবে তারা এলাকা ছাড়তে হুমকিও দিয়ে আসছে। আমি দীর্ঘ দিন ধরে দেশী প্রজাতীর মাছের রেনু পোনার ব্যবসা করে আসছি। আমার ইউনিয়ন পরিষদেও ট্রেডলাইন্সে রয়েছে। আমি বাংলাদেশ সরকারের কাছে বিচারের দাবি জানাই।’

ফারুক মৃধা জানান, আমাদের সাথে তাদের দীর্ঘ দিন থেকে বিরোধ চলে আসছে। আমাদের ফাঁসাতে মাছ মারার অভিযোগ করেছে।

দশমিনা থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মেহেদী হাসান বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তবে ভুক্তভোগী পরিবার সঠিকভাবে কে বা কারা পুকুরে বিষ দিয়েছে তা বলতে পারেনি। তবে তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের চিহ্নিত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ২৩, ২০২১ ৮:৫৮ পূর্বাহ্ন
হালদার ডলফিন ও কার্প জাতীয় মাছের উন্মোচন হচ্ছে জীবনরহস্য
বিজ্ঞান ও গবেষণা

ইন্টারন্যাশনাল ইউনিয়ন ফর কনজারভেশন অব নেচারের (আইইউসিএন) বিপন্ন তালিকায় থাকা ডলফিনকে বাঁচাতে উদ্ঘাটন করা হচ্ছে তার জীবনরহস্য। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের হালদা রিসার্চ ইনস্টিটিউট ও ভেটেরিনারি বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষক দু’বছর ধরে কাজ করছে ডলফিন নিয়ে। একই সঙ্গে জীবনরহস্য উন্মোচন করছেন তারা হালদার কার্প জাতীয় চার মাছ- রুই, কাতলা, মৃগেল ও কালবাউশের।

হালদায় কার্প জাতীয় মাছ ও বিলুপ্ত প্রজাতির ডলফিনের জীবন সংরক্ষণ, উৎপাদন, প্রজনন এবং বংশবিস্তারের ক্ষেত্রে কোন কোন জিন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে তা বিস্তারিত জানা যাবে জীবনরহস্য উন্মোচনের মাধ্যমে। এরই মধ্যে জিন শনাক্ত করে যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল সেন্টার ফর বায়োটেকনোলজি ইনফরমেশন-এনসিবিআইর ডাটা ব্যাংকে জমা দিয়েছেন গবেষকরা। সেখান থেকে মিলেছে অনুমোদন। আর এর মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে বাংলাদেশের অধিকারও। আগামী মাসে গবেষণার ফলাফল আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করবেন গবেষকরা। উল্লেখ্য, হালদার ডলফিন ও কার্প জাতীয় চার মাছের জীবনরহস্য উন্মোচনে বাংলাদেশের এ প্রচেষ্টা বিশ্বে প্রথম।

চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি অ্যান্ড অ্যানিম্যাল সায়েন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এএমএএম জোনায়েদ সিদ্দিকী বলেন, পৃথিবীতে আমরাই প্রথম বিপন্ন প্রজাতির ডলফিনের জীবনরহস্য উদ্ঘাটনের চেষ্টা করছি। এরই মধ্যে ডলফিনের জিন যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ফর বায়োটেকনোলজি ইনফরমেশন-এনসিবিআইর ডাটা ব্যাংকে জমা দেওয়ার পর অনুমোদন পাওয়া গেছে। আমরা এখন এ জিনগুলো গ্রুপ করছি।

জিনগুলো ডলফিন ও কার্প জাতীয় চার মাছের জীবনে কোন পর্যায়ে কী ভূমিকা পালন করে তা জানানোর চেষ্টা করছি আমরা। গবেষণার কাজ শেষ পর্যায়ে রয়েছে। শিগগির এটি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করব আমরা। তিনি জানান, জীবনরহস্য উন্মোচনের মাধ্যমে হালদার বিলুপ্ত প্রজাতির ডলফিন এবং কার্প জাতীয় মাছের মালিকানা এখন বাংলাদেশের বলে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

গবেষণা দলে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের হয়ে নেতৃত্ব দিচ্ছেন হালদা রিসার্চ ল্যাবরেটরির সমন্বয়কারী ও প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ড. মঞ্জুরুল কিবরীয়া। আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি আদায়ের প্রক্রিয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, নমুনাগুলো পরীক্ষার জন্য আমরা চীনে পাঠিয়েছি। সেখান থেকে টোটাল ডিএনএ আসে।

এরপর সেগুলো আমরা এনসিবিআইতে জমা দেই। তারা এটা যাছাই-বাছাই করে প্রকাশ করেছেন। এর মাধ্যমে বাংলাদেশের ওনারশিপ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। তিনি জানান, গবেষক দলে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঁচজন শিক্ষার্থী রয়েছেন। এ ছাড়া ভেটেরিনারি ও প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঁচজন শিক্ষার্থী রয়েছেন।

জীবনরহস্য উন্মোচিত হলে জানা যাবে কেন হালদার মাছ অন্যস্থানের চেয়ে আলাদা। এ নদীর ডলফিন ও মাছের মধ্যে স্বতন্ত্র কী কী বৈশিষ্ট্য রয়েছে। এদের বংশবিস্তারে কোন জিন কীভাবে ভূমিকা রাখে জানা যাবে সেটিও। সংগৃহীত এসব তথ্য পরে আরও ব্যাপক আকারে আন্তর্জাতিকভাবে প্রকাশ করা হবে।

গবেষণার জন্য যে ডলফিন ও মাছ সংগ্রহ করা হয়েছে তা বিভিন্ন সময় হালদা নদী থেকে মৃত অবস্থায় পাওয়া গেছে। ২০১৮ সালে মৃত অবস্থায় পাওয়া ৭০-৮০ কেজি ওজনের ডলফিন থেকে নমুনা নিয়েছেন গবেষকরা। আর নমুনা নেওয়া রুই, কাতলা, মৃগেল ও কালবাউশ মাছের ওজন ১৬ থেকে ১৭ কেজি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ২৩, ২০২১ ৮:৪৯ পূর্বাহ্ন
মাছের সঙ্গে শত্রুতা!
মৎস্য

কুমিল্লার মুরাদনগরে পূর্ব শত্রুতার জেরে পুকুরে বিষ প্রয়োগ করে মাছ নিধনের অভিযোগ উঠেছে।

বৃহস্পতিবার উপজেলার সুরানন্দি গ্রামের আলী আহম্মদের পুকুরে এ ঘটনা ঘটে।

পুকুরের মালিক ভুক্তভূগী আলী আহাম্মদ বলেন, প্রতিদিনের মতো ফজর নামাজ পড়তে মসজিদে যাওয়ার সময় দেখি পুকুরে কয়েকটি কাতলা মাছ মরে ভেসে আছে। পরে সকাল হলে দেখি বিভিন্ন প্রজাতির অসংখ্য মাছ মরে ভেসে উঠেছে।

তিনি বলেন, এলাকায় কারও সঙ্গে আমার তেমন বিভেদ নেই। তবে আমার প্রতিবেশীদের সঙ্গে বসতবাড়ির জায়গা নিয়ে দীর্ঘদিন বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে আদালতে মামলা চলছে। তারা আমাদেরকে বিভিন্ন সময় ক্ষতি করবে বলে হুমকিও দিয়েছেন। ধারণা করছি- তারাই আমার পুকুরে বিষ দিয়েছে। এতে আমার প্রায় ৪০ হাজার টাকার মাছ মারা গেছে।

মুরাদনগর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সাদেকুর রহমান বলেন, এ বিষয়ে কেউ থানায় অভিযোগ করেনি। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ২১, ২০২১ ২:৫৩ অপরাহ্ন
নদী ও জলাশয় ঘেড়া দিয়ে চলছে মা ও পোনা মাছ নিধন
মৎস্য

সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে অবৈধভাবে নিষিদ্ধ নেটজাল ও বেড় জাল দিয়ে বিভিন্ন নদী,বিল ও জলাশয়ে স্থায়ী ভাবে ঘেড়াও করে মা মাছ, পোনা মাছ সহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছ অবাধে নিধন চলছে।প্রথমে ডালপালা, কলমী ও কচুরি দিয়ে অভয়ারণ্য তৈরি করে পরে এভাবেই ঘেড়াও করে মাছ ধরার ফলে দেশীয় প্রজাতির মাছ গুলো বিলুপ্তির পথে।

জানা যায়, মৎস্য সম্পদ রক্ষা আইনে সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ রয়েছে যে, ৪.৫ সে.মি. এর কম ফাঁস জাতীয় যে কোন প্রকার জাল দিয়ে চাষ করা ব্যাতীত মাছ ধরার উদ্দেশ্যে ব্যবহার বা ঘেড়া দেওয়া নিষিদ্ধ এবং এই পরিস্থিতিতে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার বিধান রয়েছে। তবে একশ্রেণীর অসাধু ব্যক্তি নিয়মনীতি ও আইনের তোয়াক্কা না করে ক্ষমতার দাপটে বিস্তির্ণ জলাশয়, নদী ও বিলে প্রায় ১ সে.মি. কমের ফাঁস জাতীয় এসকল নেট জাল বা বেড়জাল ব্যবহার করে মৎস্য সম্পদ ধ্বংসের মতো কাজে লিপ্ত রয়েছে।

শাহজাদপুর পৌর শহরের বিসিক বাসস্ট্যান্ডে ও জে জে কল্যাণ ট্রাস্টের পশ্চিমের বিল ও উপজেলার পোতাজিয়া ইউনিয়নের রাউতরা,চড়া-চিথুলিয়া, পোতাজিয়া গ্রামের গিয়ে দেখা এই দৃশ্য দেখা যায়।একেকটি স্থানে প্রায় ১ কিলোমিটার অনেক স্থানে আধা কিলোমিটার নদী, বিল ও জলাশয়ের অংশ ঘেড়াও করে মাছ শিকার চলছে।

স্থানীয় জেলেরা জানায়, এভাবে ঘেড়া দেওয়ার কারণে আমাদের মতো সাধারণ জেলেদের মাছ ধরার জায়গা সংকুচিত হয়ে পড়েছে। প্রায়ই এসকল ঘেড়াকারীর সাথে আমাদের মাছ ধরা নিয়ে বিরোধ তৈরি হচ্ছে এবং আমাদের হুমকি ও ধমক দেওয়া হচ্ছে।যদিও ঘেড়া দেওয়া অবৈধ তারপরও স্থানী মৎস্য অফিসের কর্মকর্তারা এই বিষয়ে কোন ব্যবস্থাই নেয় না।

শাহজাদপুর উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সাথী রানী নিয়োগী বলেন, ৪.৫ সেন্টিমিটারের কম ফাঁসের জাল বা নেট দিয়ে যদি কেউ মাছের বিচরণ বাধাগ্রস্থ্য করে বা ঘেড়াও দেয় তাহলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ১৯, ২০২১ ৯:০৯ পূর্বাহ্ন
মিশ্র খামার করে যেভাবে সফল আলাউদ্দিন
মৎস্য

মো. আলাউদ্দীন ২০১৬ সালে বাড়ির আঙিনায় দুই হাজার মুরগি দিয়ে গড়ে তোলেন একটি খামার। নিজের ৬০ শতক এবং লিজ নেওয়া ২০ শতক জমিতে পাঁচ হাজার বর্গফুটের চারটি ঘর তৈরি করেন। ২০১৯ সালে গড়ে তোলেন বিভিন্ন দেশি-বিদেশি উন্নত জাতের গরুর খামার।

২০২০ সালে শুরু করেন মাছ চাষ। এরপর আর পেছন ফিরে তাকাতে হয়নি আলাউদ্দীনকে। মিশ্র খামার তৈরি করে নিজের সফলতার পাশাপাশি অন্যেরও কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করেছেন এ যুবক।

মহম্মদপুর উপজেলা বালিদিয়া ইউনিয়নের মৌশা গ্রামের কুটি মিয়া ফকিরের বড় ছেলে আলাউদ্দীন। ২০১০ সালে এসএসসি পাস করে উপজেলা সদরের আমিনুর রহমান কলেজে ভর্তি হন। লেখাপড়া শিখে চাকরি করার ইচ্ছা তাঁর কখনোই ছিল না। আলাউদ্দীনের স্বপ্ন ছিল নিজে কিছু করার।

লেখাপড়ার পাশাপাশি ২০১২ সালে মা বস্ত্রালয় নামে গার্মেন্টসের ব্যবসা শুরু করেন। ব্যবসা বাড়াতে মা মোবাইল শোরুমের দোকান দেন। এরপর ধীরে ধীরে মুরগি, গরু ও উন্নত জাতের মাছের খামারসহ তৈরি করেন খামারবাড়ি। এই খামারবাড়ি থেকে অর্থনৈতিকভাবে নিজের সফলতা অর্জনের পাশাপাশি এলাকার পাঁচজন বেকার যুবককে কর্মসংস্থানের সুযোগ করে দিয়েছেন।

জানা গেছে, আলাউদ্দীনের খামারে রঙিন মাছের মধ্যে রয়েছে গোল্ডফিশ, কমেন্ট, কৈ, কার্প, মলি, সলটেল, গাপ্পি, ফাইটার, এঞ্জেল, জেব্রা ও গডামিসহ বিভিন্ন রং বেরঙের মাছ। আলাউদ্দীনের এই ফার্মের সফলতার পেছনে ছোট দুই ভাই সোহাগ ও সালাহউদ্দীন এবং তাঁর স্ত্রী মুক্তা খাতুন সহযোগিতা করেন। আলাউদ্দীনের এই খামার বাড়ির সাফল্য দেখে এলাকার বেকার যুবকদের অনেকেই খামার তৈরিতে ঝুঁকেছেন।

এ বিষয়ে আলাউদ্দীন বলেন, ‘আমার স্বপ্ন ছিল প্রাইভেট ফার্ম গড়ে তোলার। প্রাইভেট ফার্ম তৈরি করে নিজের কর্মসংস্থানের পাশাপাশি অন্যেরও কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করব। এ ভাবনা থেকে আমার এই উদ্যোগ। তবে এই কাজে অনেক টাকার প্রয়োজন, যা আমার পক্ষে ব্যয় করা সম্ভব হচ্ছে না। সরকারি কোনো সহযোগিতা পেলে এলাকার বেকার যুবকদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে পারব।’

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ১৮, ২০২১ ৩:৩৮ অপরাহ্ন
ঝড়ে পদ্মায় নৌকাডুবি, জেলে নিখোঁজ
মৎস্য

রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার পদ্মা নদীতে ঝড়ের কবলে পড়ে নৌকাডুবির ঘটনায় নিখোঁজ রয়েছেন এক জেলে।

রোববার দিনগত রাতে উপজেলার চর বয়ারমারী এলাকার পদ্মা নদীতে এ ঘটনা ঘটে।নিখোঁজ জেলের নাম কামাল হোসেন (২২)। তিনি চর আষাড়িয়াদহ ইউনিয়নের দিয়াড় মানিকচক গ্রামের আব্দুর রশিদের ছেলে।

চরআষাড়িয়াদহ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোহা. সানাউল্লাহ জানান, রোববার দিনগত রাতে কামাল হোসেনসহ তিন জেলে মাছ ধরতে পদ্মায় নৌকা ভাসায়। কিন্তু প্রবল ঝড়ের কবলে পড়ে নৌকাখানী ডুবে যায়। এ সময় দুই জেলে সাঁতরে কূলে উঠতে পারলেও কামালের খোঁজ মেলেনি।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রোববার সন্ধ্যায় জেলে কামাল হোসেনসহ আরও দুজন পদ্মা নদীতে মাছ ধরার উদ্দেশ্যে বের হয়। রাত পৌনে ৮টার দিকে হঠাৎ ঝড়ো হাওয়া শুরু হলে চরবয়ালমারী এলাকায় মাছধরা নৌকাসহ তিনজন ডুবে যায়। এতে দুজন সাঁতরে ঘাটে উঠলেও কামাল নিখোঁজ হন।

স্থানীয়দের ধারণা, কামাল নদীতে ডুবে গেছে। তার খোঁজ চলছে।

গোদাগাড়ীর ওসি কামরুল ইসলাম বলেন, কামাল হোসেন নামে এক জেলে নিখোঁজের খবর পেয়েছি। স্থানীয়রা নদীতে কামাল হোসেনের খোঁজ করছেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ১৮, ২০২১ ৮:৫৮ পূর্বাহ্ন
বগাজান বিল ও বামনখালী খালে অভিযান, জাল জব্দ
মৎস্য

নেত্রকোনা জেলার কেন্দুয়া উপজেলার বগাজান বিল, বামনখালী খাল ও সূতি সাইডুলি নদীতে রোববার দিনব্যাপী এক অভিযান পরিচালনা করে ২ লক্ষাধিক টাকা মূল্যের বিভিন্ন প্রকারের প্রায় ৮ হাজার মিটার অবৈধ জাল জব্দ করেছেন ভ্রাম্যমান আদালত।

রোববার (১৭ অক্টোবর) সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত কেন্দুয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো.রাজীব হোসেনের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

এ অভিযানে কেন্দুয়া থানার পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) আনিছুর রহমানসহ একদল পুলিশ ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) অফিসের সাঁটমুদ্রাক্ষ‌রিক কাম ক‌ম্পিউটার অপা‌রেটর (সিও) রাজন চন্দ্র ভ্রাম্যমান আদালতকে সহযোগিতা করেন।

এ বিষয়ে ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. রাজীব হোসেন বলেন, উপজেলার নওপাড়া ইউনিয়নের জুড়াইল গ্রামের বগাজান বিল, বামনখালী খাল ও উপজেলার সূতি সাইডুলি নদীর বলাইশিমুল ইউনিয়নের বেজগাঁও থেকে নওপাড়া বাজার পর্যন্ত উন্মুক্ত জলাশয়ে অভিযান পরিচালনা করে প্রায় ২ লক্ষাধিক টাকা মুল্যের প্রায় ৮ হাজার মিটার অবৈধ জাল জব্দসহ অবৈধ বাঁধ উচ্ছেদ করা হয়েছে।

কেন্দুয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মইনউদ্দিন খন্দকার জানান, এর আগেও দুই দিন উপজেলার নওপাড়া ইউনিয়নের জুড়াইল গ্রামের বামনখালী খাল এবং উপজেলার সূতি সাইডুলি নদীর এক অংশে অভিযান পরিচালনা করে কয়েক লক্ষাধিক টাকা মুল্যের ১৬ হাজার মিটার অবৈধ জাল জব্দসহ কয়েকটি অবৈধ বাঁধ অপসারণ করা হয়েছি। পরবর্তীতে আমরা উপজেলার নওপাড়া বাজার থেকে গোগ বাজার পর্যন্ত অভিযান পরিচালনা করা হবে বলে জানান তিনি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ১৭, ২০২১ ৩:০১ অপরাহ্ন
জেলের জালে ধরা পড়ল ২৫ কেজির বাগাড়
মৎস্য

টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর উপজেলার যমুনায় জেলের জালে ধরা পড়ল ২৫ কেজি ওজনের একটি বাগাড়। মাছটি এক হাজার টাকা কেজিতে ২৫ হাজার টাকায় বিক্রি করা হয়েছে।

শনিবার রাতে উপজেলার গাবসারার কালীপুরের মেঘনায় ইব্রাহীম মিয়ার জালে ওই মাছটি ধরা পড়ে।

রোববার সকালে গোবিন্দাসী মাছ বাজারের আড়তদার ইসমাইল হোসেন বাগাড়টি ২৩ হাজার টাকা দরে ক্রয় করেন। পরে গোবিন্দাসী উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আব্দুল লতিফ তালুকদারের নেতৃত্বে কয়েকজন মিলে মাছটি আড়তদারের কাছ থেকে ২৫ হাজার টাকা দিয়ে ক্রয় করে বণ্টন করে নেন।

আব্দুল লতিফ তালুকদার জানান, অনেক দিন পর যমুনায় এত বড় বাগাড় মাছ ধরা পড়েছে। তাই লোভ সামলাতে না পেরে কিনে সবাই ভাগ করে নিলাম।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop