৫:২৩ পূর্বাহ্ন

রবিবার, ৩ মে , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : মে ৩০, ২০২১ ৫:৫০ অপরাহ্ন
হতাশায় ভুগছেন বীরগঞ্জের সবজি চাষিরা
কৃষি বিভাগ

করোনা সংকট ও বৃষ্টির কারণে পণ্যের ক্রেতার চাহিদা না থাকায় এবং বিভিন্ন জাতের সবজিতে পোকার আক্রমণের পাশাপাশি পচন রোগে আক্রান্ত হওয়ায় পরিবহণ সংকট এবং দুই দিনের বৃষ্টির ফলে ক্ষতির মুখে পড়েছে দিনাজপুরের বীরগঞ্জ উপজেলার সবজি চাষিরা।

কৃষকরা জানিয়েছেন, দুই দিনের বৃষ্টিতে বর্ষাকালীন খরিপ-০১ ত্রিপল-০১ জাতের ফুলকপি-বাঁধাকপিতে পচন ধরেছে।

সবজি চাষি উপজেলার সাতোর ইউনিয়নের দক্ষিণ প্রাণনগর গ্রামের ইব্রাহিম জানান, এ বছর ২০ শতক জমিতে ফুলকপি আবাদ করেছি। যেহেতু এটি শীতকালীন সবজি। বৃষ্টি সহ্য করতে পারে না। তাই দুই দিনের বৃষ্টিপাতে ফলনে পচন ধরেছে।

একই কথা জানিয়ে সবজি চাষি আহম্মদ আলী জুয়েল জানান, করোনার কারণে পরিবহণ সংকট এবং দুই দিনের বৃষ্টিতে সবজি নিয়ে কৃষকের মাথায় হাত পড়েছে। বিশেষ করে উৎপাদিত পণ্য সরাসরি ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে পাঠাতে না পেরে মধ্যস্বত্ব ভোগীদের দৌরাত্ম্যে ন্যায্য মূল্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছি।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আবুরেজা মো. আসাদুজ্জামান জানান, সবজি দ্রুত পচন একটি পণ্য। তারপর বৈশ্বিক মহামারি এবং আবহাওয়ার বৈরিতা লেগে আাছে। এরপরও কৃষি দপ্তরের সার্বিক সহযোগিতায় সবজি চাষ এখন লাভজনক হয়েছে বলে জানান তিন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মে ৩০, ২০২১ ৪:২১ অপরাহ্ন
নওগাঁয় ৬ হাজার ৮৫০ হেক্টর জমিতে পাট আবাদ
কৃষি বিভাগ

চলতি মৌসুমে মোট ৬ হাজার ৮শ ৫০ হেক্টর জমিতে পাটের আবাদ হয়েছে নওগাঁ জেলায়।দেশী জাতের ৫শ’ হেক্টর, তোষা জাতের ৫ হাজার ৯শ ৫০ হেক্টর এবং মেস্তা জাতের ৪শ হেক্টর জমিতে পাট চাষ হয়েছে। আবাদকৃত জমি থেকে সর্বমোট ৭৭ হাজার ৩শ ৬৫ বেল পাট উৎপাদিত হবে বলে কৃষি বিভাগ প্রত্যাশা করছে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ শামসুল ওয়াদুদ জানিয়েছেন, জেলায় এ বছর দেশী, তোষা এবং মেস্তা জাতের পাট চাষ করেছেন কৃষকরা

জানা যায়, উপজেলা ভিত্তিক বিভিন্ন জাতের পাট চাষের পরিমাণ হচ্ছে সদর উপজেলায় দেশী ৬০ হেক্টর, তোষা ৭৪০ হেক্টর ও মেস্তা জাতের ১১০ হেক্টরসহ মোট ৯১০ হেক্টর। রানীনগর উপজেলায় দেশী জাতের ৫ হেক্টর, তোষা জাতের ২০ হেক্টর ও মেস্তা জাতের ১০ হেক্টরসহ মোট ৩৫ হেক্টর। আত্রাই উপজেলায় দেশী ১০ হেক্টর, তোষা ২০৫ হেক্টর ও মেস্তা জাতের ২০ হেক্টরসহ মোট ২৩৫ হেক্টর। বদলগাছি উপজেলায় দেশী ৩০ হেক্টর, তোষা জাতের ১ হাজার ৭শ ৮৫ হেক্টরসহ মোট ১ হাজার ৮শ ১৫ হেক্টর। মহাদেবপুর উপজেলায় দেশী ৪০ হেক্টর, তোষা জাতের ৭০ হেক্টর ও মেস্তা জাতের ৫ হেক্টরসহ মোট ১১৫ হেক্টর।

পত্নীতলা উপজেলায় দেশী ১০ হেক্টর, তোষা জাতের ১৬৫ হেক্টর ও মেস্তা জাতের ৫৫ হেক্টরসহ মোট ২৩ হেক্টর। ধামইরহাট উপজেলায় দেশী ৩০০ হেক্টর, তোষা জাতের ১ হাজার ২শ ২০ হেক্টরসহ মোট ১ হাজার ৫শ ২০ হেক্টর। মান্দা ্উপজেলায় দেশী ৪৫ হেক্টর। তোষা জাতের ১ হাজার ৭শ ৪৫ হেক্টর ও মেস্তা জাতের ২০০ হেক্টরসহ মোট ১ হাজার ৯শ ৯০ হেক্টর। জেলার ১১টি উপজেলার মধ্যে সাপাহার, পোরশা ও নিয়ামতপুর উপজেলায় কোন পাট চাষ হয়নি। এখন পর্যন্ত জেলায় পাটের ভালো আবাদ হয়েছে। উৎপাদনও ভালো হবে বলে তাদের প্রত্যাশা কৃষি বিভাগের।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মে ৩০, ২০২১ ১২:৫০ অপরাহ্ন
মরুর বুকে বাংলাদেশি কৃষকদের দারুণ চমক!
কৃষি বিভাগ

বিদেশেও মাটিতেও বাংলাদেশের কৃষকদের আছে ছোঁয়া। বিভিন্ন দেশে কৃষি কাজে দারুণ চমক দিয়ে যাচ্ছেন বাংলাদেশের কৃষকরা। এরইমধ্যে মরুভূমির দেশ সৌদিতেও কৃষি খামার গড়ে তুলেছেন বাংলাদেশের কৃষক উদ্যোক্তা প্রবাসীরা। যার প্রভাবে সেখানে গড়ে উঠেছে যেন একটি মিনি সবুজ বাংলাদেশ। খামারগুলোতে চাষ হচ্ছে করলা, ঝিঙে, চিচিঙ্গা, লাউ, চাল কুমড়া, মিষ্টিকুমড়া, শিমসহ নানা দেশি সবজি।

জানা যায়, সৌদি আরবের বন্দরনগরী জেদ্দা থেকে প্রায় ৮০০ কিলোমিটার দক্ষিণে আবহা অঞ্চলের বিরান মরুভূমির মাঝে একটি কৃষিখামার, আরবি ভাষায় বলা হয় মাজরা। চারদিকে ধু-ধু মরুভূমির মধ্যে এই খামারে পানি সেচ করা হয় গভীর নলকূপ থেকে জেনারেটরের সাহায্যে।

উদ্যোক্তারা জানান, এসব কৃষি খামারে কাজ করছেন বহু প্রবাসী বাংলাদেশি। কৃষি খামারে উৎপাদিত শাকসবজি স্থানীয় শহরে নিয়ে পাইকারি বিক্রি করা হয়। এ সব পাইকারি ব্যবসায়ীদের মধ্যেও আবার অনেকে রয়েছেন বাংলাদেশি। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, নতুন কৃষি খামারে বিনিয়োগের মাধ্যমে আরো অধিক পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন সম্ভব।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মে ২৯, ২০২১ ৫:৪০ অপরাহ্ন
পতিত জমিতে মাল্টা চাষে আলিম ও আলেয়ার দৃষ্টান্ত স্থাপন
কৃষি বিভাগ

জয়পুরহাট জেলার পাঁচবিবি উপজেলার সীমান্ত সংলগ্ন চেঁচড়া গ্রামে পতিত জমিতে মাল্টা চাষ করে অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে ভাই-বোন আব্দুল আলিম ও আলেয়া বেগম। তারা ওই এলাকার ময়েন উদ্দিনের সন্তান।

জানা যায়, সীমান্ত এলাকায় বসবাস করলেও একটু লেখাপড়া জানার কারণে দুই ভাই-বোন মিলে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে মাল্টা চাষের। সেই লক্ষ্য নিয়ে স্থানীয় মসজিদের নামে থাকা আড়াই বিঘা পতিত জমি লিজ নিয়ে দিনাজপুর থেকে উন্নত জাতের বারি-১ জাতের ২৩০টি চারা সংগ্রহ করে মাল্টা চাষ শুরু করেন। যেখানে তেমন কোন ফসল হয়না আবার বেশির ভাগ অংশ জুড়ে রয়েছে ঝোঁপঝাড়।

মসজিদ কমিটির নিকট থেকে দুই লক্ষ টাকা দিয়ে ১০ বছরের জন্য লিজ নিয়ে শুরু করে মাল্টা চাষ। জমি লিজ নেওয়া, বাগান তৈরি, সার কীটনাশক, লেবারসহ এ পর্যন্ত খরচ হয়েছে প্রায় ৭ লাখ টাকা বলে জানান আব্দুল আলিম।

তিনি জানান, ইউটিউব থেকে মাল্টা চাষের বিষয় দেখে আগ্রহ সৃষ্টি হলেও স্থানীয় কৃষি বিভাগ মাল্টা চাষে উদ্বুদ্ধ করা থেকে শুরু করে সব রকম পরামর্শ প্রদান করেছে।

স্থানীয় কৃষি বিভাগ জানায়, মসজিদের নামে থাকা আড়াই বিঘা পতিত জমি যেখানে তেমন কোন ফসল হতো না, সেখানে ভাই-বোন মিলে মাল্টা করে এলাকায় তাক লাগিয়ে দেওয়ার পাশাপাশি অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। বর্তমানে বাগানের মাল্টার গাছ গুলোতে থোকায় থোকায় ঝুলে আছে মাল্টা, দেখে যেন মন শান্তি। তাই ভালো লাভের স্বপ্ন দেখছেন মাল্টা চাষি আব্দুল আলিম ও আলেয়া বেগম। আগামী সেপ্টেম্বর ও অক্টোবর মাসে মাল্টা তোলা সম্ভব হবে।

মাল্টা বাগানের পরিচর্যায় ব্যস্ত আলেয়া বেগমরে দুই ছেলে আলফাজ ও আলী রাজ জানান, গত বছর প্রথম মৌসুমে ৮০ হাজার টাকার মতো মাল্টা বিক্রি করলেও এবার ফলন ভালো হওয়ায় ২/৩ লাখ টাকার মাল্টা বিক্রি হবে এমন আশা প্রকাশ করেন তারা। বর্তমানে জমিতে থাকা মাল্টার বাগান দেখে মাল্টা ব্যবসায়ীরা দেড় লাখ টাকা দাম করছেন বলেও জানান, আলফাজ ও আলী রাজ।

মাল্টা চাষে সফলতা দেখে এলাকার অনেকেই মাল্টার বাগান করার আগ্রহ প্রকাশ করছেন বলে জানান, প্রতিবেশী রুস্তম আলী। পাঁচবিবি উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ লুৎফর রহমান বলেন, এখানকার মাটি লাল এটেলযুক্ত হওয়ায় মাল্টা চাষের উপযোগী। সে কারণে পড়ে থাকা অর্থাৎ পতিত জমিতে বিশেষ করে যে জমি গুলোতে তেমন ফসল হয়না এ সব জমিতে মাল্টা চাষের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। কৃষকদের মধ্যে আগ্রহ দেখে পাঁচবিবি উপজেলায় চলতি মৌসুমে ছোট বড় মিলে ১০০ টি মাল্টার বাগান করা সম্ভব হয়েছে বলে জানান তিনি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মে ২৯, ২০২১ ৯:৩৭ পূর্বাহ্ন
সবজি বাজার তালিকায় পছন্দের শীর্ষে ‘পালবাজার’
কৃষি বিভাগ

চাঁদপুর জেলার মধ্যে পালবাজারই রয়েছে সবজির জন্য ক্রেতা-বিক্রেতা উভয়ের কাছে পছন্দের শীর্ষে। মৌসুমী শাকসবজির বিপুল সমারোহ হচ্ছে এই পালবাজারে।মৌসুমের এই সময় নানা জাতের সবজি মিলছে চাঁদপুরের পালবাজারে।

বর্তমানে লকডাউনসহ নানা কারণে ক্রেতা সঙ্কটে পড়েছেন পাইকারি ব্যবসায়ীরা।দেশের বিভিন্নস্থান থেকে নিয়ে আসা টাটকা সবজির পসরা সাজিয়ে বসলেও তুলনামূলক কম ক্রেতা আসছে বলে জানান ব্যবসায়ীরা।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, এত বড় পাইকারি বাজারেও ক্রেতার অভাব রয়েছে। কিক্রি খুবই কম। কিন্তু বাজারে প্রচুর সবজি আমদানি হচ্ছে। হঠাৎ করে দাম একটু বেড়ে গেছে। এজন্য কাস্টমার কম পাওয়া যাচ্ছে।

ক্রেতা কম থাকার প্রভাব পড়েছে পুরো বাজারে। সরবরাহ বেড়ে যাওয়ার বিপরীতে বিক্রি কমে যাওয়ায় দাম কমাতে বাধ্য হচ্ছেন ব্যবসায়ীরা। এতে ন্যায্যমূল্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন সরবরাহকারীরা।

তারা বলছেন, কারওয়ান বাজার থেকে ব্যবসায়ীরা এসে দাম নির্ধারণ করে। ঢাকায় দাম বেশি, এখানে কম। চর থেকে প্রচুর পরিমাণে সবজি আমদানি হয়। কিন্তু কিন্তু কাস্টমার মোটামুটি কম। আমরা প্রয়োজনের তুলনায় কাস্টমার কম পাচ্ছি।

৬ দশকের পুরনো বাজারে ছোটবড় ব্যবসায়ী আছেন ৫ শতাধিক। আর বাজার মন্দা হওয়ায় প্রতিদিন সবজি কেনাবেচায় লেনদেন হয় ৫০ লাখ টাকা, অন্য সময়ের তুলনায় তা বেশ কম বলে দাবি বাজার সেখানকার ব্যবসায়ীদের।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মে ২৭, ২০২১ ৪:২৮ অপরাহ্ন
বরিশালে আঞ্চলিক কৃষি প্রযুক্তি সম্প্রসারণ কমিটির সভা অনুষ্ঠিত
কৃষি বিভাগ

নাহিদ বিন রফিক (বরিশাল): কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের (ডিএই) আয়োজেন বরিশালে আঞ্চলিক কৃষি প্রযুক্তি সম্প্রসারণ কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়

আজ বৃহস্পতিবার(২৭ মে) বরিশালের খামারবাড়িতে আঞ্চলিক কৃষি প্রযুক্তি সম্প্রসারণ কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়।

ডিএই বরিশাল অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক মো. তাওফিকুল আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন আঞ্চলিক কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. রফি উদ্দিন, বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. আলমগীর হোসেন, মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউটের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. ছাব্বির হোসেন, ডিএই ঝালকাঠির উপপরিচালক মো.ফজলুল হক, ডিএই পিরোজপুরের উপপরিচালক চিন্ময় রায়, ডিএই ভোলার উপপরিচালক আবু মো. এনায়েত উল্লাহ্, বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশনের যুগ্ম পরিচালক ড. একেএম মিজানুর রহমান, বরিশালের জেলা বীজ প্রত্যয়ন অফিসার ড. মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম শিকদার , আঞ্চলিক কৃষি তথ্য অফিসার মো. শাহাদাত হোসেন প্রমুখ।

সভায় গত রবি মৌসুমে ফসলের ফলন আশানুরূপ হওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করা হয়। পাশাপাশি আসন্ন খরিফ-২ মৌসুমের পরিকল্পনা এবং সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করা হয়। এতে কৃষি সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ২৫ জন কর্মকর্তা অংশগ্রহণ করেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মে ২৭, ২০২১ ৪:১৭ অপরাহ্ন
কৃষিযন্ত্র কিনতে কৃষককে সহজ শর্তে ঋণ দেয়ার উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে: কৃষিমন্ত্রী
কৃষি বিভাগ

বিভিন্ন ব্যাংক থেকে যাতে কৃষকেরা কৃষিযন্ত্র কেনায় সহজ শর্তে ঋণ পেতে পারে, সে বিষয়ে উদ্যোগ গ্রহণ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক। এ বিষয়ে কৃষিযন্ত্র প্রস্তুতকারী, নির্মাতা ও আমদানিকারকদের এগিয়ে আসার আহ্বানও জানান মন্ত্রী।

বৃহস্পতিবার মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষ থেকে অনলাইনে ‘কৃষি যান্ত্রিকীকরণ’ ত্বরান্বিত করতে সংশ্লিষ্ট স্টেকহোল্ডারদের সাথে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ কথা বলেন, কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক।

তিনি জানান, অঞ্চলভেদে ৫০-৭০ শতাংশ ভর্তুকি দিয়ে কম্বাইন হারভেস্টার, রিপারসহ বিভিন্ন কৃষি যন্ত্রপাতি কৃষকদেরকে দেয়া হচ্ছে। কিন্তু ভর্তুকি দেয়ার পরও একটি কম্বাইন হারভেস্টার কিনতে ১০-১৫ লাখ টাকা কৃষককে দিতে হয়। অনেক ক্ষেত্রেই এই পরিমাণ অর্থ দিয়ে কৃষক যন্ত্র কিনতে পারে না। অন্যান্য কৃষিযন্ত্রের বেলায়ও একই ঘটনা।

মন্ত্রী বলেন, আমাদের উদ্দেশ্য হলো পর্যায়ক্রমে স্থানীয়ভাবে কৃষিযন্ত্র তৈরি করা। বর্তমানে বেশির ভাগ যন্ত্রপাতি বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয়। তা আমরা কমিয়ে আনতে চাই। এছাড়া, স্থানীয়ভাবে খুচরা যন্ত্রাংশ তৈরি ও মেরামত কারখানা তৈরিতে গুরুত্ব দিচ্ছি যাতে করে স্থানীয় পর্যায়ে কর্মসংস্থান বৃদ্ধি পায়।

সভায় কৃষিযন্ত্র প্রস্তুতকারী ও আমদানিকারকরা কৃষি যান্ত্রিকীকরণ ত্বরান্বিত করতে তাদের জন্য ব্যাংক ঋণ, কৃষকের জন্য ঋণ ও গ্রামের ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদেরকে কৃষিযন্ত্র বিতরণের আওতায় আনার দাবি জানান।

কৃষিমন্ত্রী আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বর্তমান সরকার কৃষি যান্ত্রিকীকরণের মাধ্যমে কৃষিকে আধুনিকায়ন ও লাভজনক করতে সরকার নানা উদ্যোগ গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করেছে। ৩ হাজার ২০ কোটি টাকার কৃষি যান্ত্রিকীকরণ প্রকল্প হলো তার অনন্য উদাহরণ। এটি সারা বিশ্বে একটি বিরল ঘটনা। এ প্রকল্পের মাধ্যমে কৃষিতে নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। দেশে কৃষিতে নতুন বিপ্লব ঘটবে। কৃষি লাভজনক হবে ও গ্রামীণ মানুষের জীবনমানের উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে বলে জানান মন্ত্রী।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মে ২৬, ২০২১ ৭:৪৩ অপরাহ্ন
ইউরোপে পুনরায় পান রপ্তানি শুরু
কৃষি বিভাগ

নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে সাড়ে ছয় বছর পর ইউরোপে পুনরায় পান রপ্তানি শুরু হয়েছে। আজ বুধবার সকালে কৃষিমন্ত্রী ড. মো: আব্দুর রাজ্জাক এমপি ঢাকার শ্যামপুরে কেন্দ্রীয় প্যাকিং হাউজে ‘ইউরোপে নিরাপদ ও মানসম্পন্ন পান রপ্তানি’ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন। প্রথম চালানে আজ রপ্তানি হচ্ছে এক মেট্রিক টন পান।

এ উপলক্ষ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় মন্ত্রী বলেন, আমাদের নিরলস উদ্যোগের ফলে ইউরোপে পান রপ্তানি আবার শুরু হয়েছে। এটি খুবই আশার কথা। ভবিষ্যতে পান রপ্তানি যাতে বাধাগ্রস্ত না হয় সে ব্যাপারে কৃষি মন্ত্রণালয় উদ্যোগ অব্যাহত রাখবে।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, বাংলাদেশ ফ্রুটস ভেজিটেবলস অ্যান্ড এলাইড প্রোডাক্টস এক্সপোর্টার্স এসোসিয়েশন (বিএফভিএপিইএ) ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের বিজনেস প্রমোশন কাউন্সিল এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

কৃষিমন্ত্রী ড. রাজ্জাক আরও বলেন, কৃষিপণ্যের রপ্তানির সম্ভাবনা অনেক। সে সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে ইউরোপসহ উন্নত দেশে অন্যান্য কৃষিপণ্যের রপ্তানি বৃদ্ধিতে উদ্যোগ অব্যাহত আছে। ইতোমধ্যে দেশে উত্তম কৃষি চর্চা নীতিমালা (গ্যাপ) বাস্তবায়নের কাজ শুরু হয়েছে। সারাদেশে সমন্বিত বালাইব্যবস্থাপনার মাধ্যমে বিষমুক্ত শাকসবজি উৎপাদন হচ্ছে। অ্যাক্রিডিটেড ল্যাব থেকে সনদ দেয়া শুরু হয়েছে। এছাড়া, ভ্যাকুয়াম হিট ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট স্থাপনের কাজ চলছে। ফলে, আমরা আশা করছি, দেশের রপ্তানি বৃদ্ধিতে কৃষিপণ্য বিরাট ভূমিকা রাখবে ও প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করা সম্ভব হবে। এছাড়া, কৃষকও লাভবান হবে।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশের পানে ক্ষতিকর সালমোনেলা ব্যাকটেরিয়ার উপস্থিতির কারণে ২০১৪ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে বাংলাদেশ থেকে সাময়িকভাবে পান রপ্তানির উপর ইইউ নিষেধাজ্ঞা জারি করে। যা ধাপে ধাপে ২০২০ পর্যন্ত বর্ধিত করে। এবং ইইউ পান রপ্তানিতে কতিপয় শর্ত আরোপ করে। পান সালমোনেলা ব্যাকটেরিয়া মুক্ত হতে হবে, উৎপাদন হতে শিপমেন্ট পর্যন্ত উত্তম কৃষি চর্চা (গ্যাপ), গুড হাইজিন প্র্যাকটিসেস (জিএইপপি), গুড ম্যানুফ্যাকচারিং প্র্যাকটিসেস (জিএমপি) অনুসরণ করত হবে, আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন অ্যাক্রিডিটেড ল্যাব হতে সালমোন্যালা ব্যাকটেরিয়া মুক্ত সার্টিফিকেট প্রভৃতি প্রদান করতে হবে।

ইইউ আরোপিত শর্তপূরণে বাংলাদেশ অনেকগুলো ব্যবস্থা গ্রহণ করে। এর মধ্যে রয়েছে পান আবাদের এলাকা নির্বাচন, কন্ট্রাক্ট ফার্মিং, উত্তম কৃষি চর্চার আলোকে কর্মসূচি গ্রহণ ও বাস্তবায়ন, মনিটরিং, ট্রেসিবিলিটি বা শনাক্তকরণ, পানের স্যাম্পল টেস্ট, কৃষক নির্বাচন ও প্রশিক্ষণ, রপ্তানিকারকদের প্রতিনিধিদের প্রশিক্ষণ, নিয়মিতভাবে পানের জমির মাটি ও পানি পরীক্ষা, রপ্তানি বাজারের জন্য নিরাপদ ও বালাইমুক্ত পান উৎপাদন নির্দেশিকা প্রভৃতি।

এসব উদ্যোগের মাধ্যমে ইইউ’র আরোপিত শর্ত পূরণ করতে পারায় গত ১৫ এপ্রিল ২০২১ সালে পান রপ্তানির উপর নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়। যার ফলে আজকে পান রপ্তানি আবার শুরু হলো।

নিষেধাজ্ঞা আরোপের আগে ২০১২-১৩ সালে ১৮ হাজার ৭৮০ টন ও ২০১৩-১৪ সালে ১৩ হাজার ২৫০ টন পান রপ্তানি হয়। যার মূল্য যথাক্রমে ৩৮ মিলিয়ন ও ৩০ মিলিয়ন ইউএস ডলার।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে স্থানীয় সংসদ সদস্য সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা, কৃষি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো: মেসবাহুল ইসলাম, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ড. মো: জাফর উদ্দীন ও বাংলাদেশ ফ্রুটস ভেজিটেবলস অ্যান্ড এলাইড প্রোডাক্টস এক্সপোর্টার্স এসোসিয়েশনের (বিএফভিএপিইএ) সভাপতি এসএম জাহাঙ্গীর হোসেন উপস্থিত ছিলেন। সভাপতিত্ব করেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো: আসাদুল্লাহ। নিরাপদ ও মানসম্পন্ন পান উৎপাদন ও রপ্তানির প্রেক্ষাপট তুলে ধরেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্ভিদ সংগনিরোধ উইংয়ের অতিরিক্ত পরিচালক সামছুল আলম ও বিএফভিএপিইএ’র এডভাইজার মনজুরুল ইসলাম।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মে ২৬, ২০২১ ৪:৫৩ অপরাহ্ন
সবজি বীজ আবাদের দিকে ঝুঁকছেন কৃষকরা
কৃষি বিভাগ

অধিক লাভের আশায় রংপু্রের পীরগাছা উপজেলার কৃষকরা এখন প্রতিবছর অন্য ফসল আবাদ ছেড়ে বীজ আবাদের দিকে ঝুঁকছেন। এই বীজ আবাদের সেখানকার প্রায় পাঁচ শতাধিক কৃষকের বদলেছে ভাগ্যও।

জানা যায় সেখানকার কৃষকরা মাঠে বাঁশের মাচা করে করলা, ঝিংগা, চিচিঙ্গা, লাউ, বরবটি আর মিষ্টি কুমড়ারসহ আরও কয়েক প্রকার সবজি চাষ করছেন। আর এই ভরা মৌসুমে প্রচণ্ড রোদেও ব্যস্ত সময় পার করছেন সেখানকার কৃষকরা।

সেখানে চৈত্র মাসে ক্ষেত থেকে আলু তোলার পরপরই জমি প্রস্তুত করে সারিবদ্ধভাবে রোপণ করা হয় এসব ফসল ও সবজির বীজ। এরপর শুরু হয় দুই থেকে আড়াই ফুট উঁচু মাচা করার কাজ। কৃষি বিভাগ ও বিএডিসির পরিমর্শ এবং কৃষকের নিবিড় পরিচর্যায় সবজিগুলো থেকে বীজ বের করে নেন কৃষক। কেউবা আরও অধিক লাভের আশায় কঠিন পরিশ্রমে এসব ফসলের হাইব্রিড জাতের বীজ উৎপাদনে কাজ করে যাচ্ছেন রোদ-বৃষ্টিকে উপেক্ষা করে।

বীজ উৎপাদনকারি একজন চাষি জানান, গত ১৩ বছর ধরে বীজ উৎপাদন করে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হয়েছেন। এবারও তিনি এক একর হাইব্রিড মিষ্টি কুমড়া, তিন একর লাউ আর দেড় একর করলার বীজ উৎপাদন করেছেন। মিষ্টি কুমড়া একরে ৫০-৫৫ কেজি উৎপাদনের সম্ভাবনার কথা জানান তিনি, যার ক্রয় মূল্য প্রতি কেজি ৮-১০ হাজার টাকা দরে প্রায় পাঁচ লাখেরও বেশি টাকা। এছাড়াও করলা আর লাউয়ে একর প্রতি দেড় লাখ টাকা করে লাভের স্বপ্নও দেখছেন কৃষক জিল্লাল।

কৃষক সূত্রে জানা যায়, এসব চাষিকে বিএডিসির পাশাপাশি লালতীর, সুপ্রিম সিড, মেটাল, এসিআই, ম্যাকডোনাল্টসহ বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান ভিত্তি বীজ দিয়ে তাদের ফিল্ড সুপারভাইজার ভাইজার দ্বারা কৃষকদের পরামর্শ দিয়ে থাকেন। পরবর্তী সময়ে উৎপাদিত বীজগুলোর গুণগত মান নির্ণয় করে কোম্পানি ক্রয় করে নেন। কেনা বীজের মূল্য শর্তসাপেক্ষে জমাদানের ছয় মাসের মধ্যে কৃষককে পরিশোধ করে কোম্পানি বা ওই প্রতিষ্ঠান।

পীরগাছা উপজেলার উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. সামসুজ্জামান জানান, ‘উপজেলার পারুল ইউনিয়নের নাগদাহ, শরিফ সুন্দর, কিং সেচাকান্দি এলাকাসহ উপজেলায় প্রায় পাঁচ শতাধিক কৃষক এই বীজ উৎপাদনের সঙ্গে জড়িত। এবছর উপজেলায় প্রায় ৫০ হেক্টর জমিতে বিভিন্ন জাতের সবজি বীজ চাষ করা হয়েছে। বীজ উৎপাদনে অধিক লাভ হওয়ায় প্রতিবছর বীজ চাষে কৃষকের সংখ্যা বাড়ছে বলে জানান তিনি।

বিএডিসির কৃষক সমন্বয়ক কৃষিবিদ মোছা. নুপুর আক্তার জানান, ‘হাইব্রিডসহ উন্নত জাতের সবজি বীজ উৎপাদনের জন্য কৃষকদের সার্বক্ষণিক পরামর্শ ও প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। এছাড়াও মাঠ পর্যায়ে গিয়ে আমাদের ফিল্ড অফিসাররা দেখাশোনা করছেন। অধিক ফলন ও লাভ বেশি হওয়ায় কৃষকরা বীজ উৎপাদনে অনেক উৎসাহী হচ্ছে। ’

রংপুর জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপ-পরিচালক কৃষিবিদ শামীমুর রহমান বলেন, ‘উচ্চ ফলনশীল জাতের সবজি বীজ উৎপাদন ভবিষ্যতে ভালো ফলনের সহায়ক। কৃষকরা এই বীজ উৎপাদন করে একদিকে লাভবান হচ্ছেন যেমন, অন্যদিকে বাজার বা দেশে ভালো মানের বীজেরও নিশ্চয়তা বাড়ছে।’

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মে ২৬, ২০২১ ১১:৩৮ পূর্বাহ্ন
বিদেশের মাটিতে রফতানি হচ্ছে কুমিল্লার কচুর লতি
এগ্রিবিজনেস

দেশের গণ্ডি পেরিয়ে কুমিল্লার কচুর লতি এখন রফতানি হচ্ছে ইউরোপ, আমেরিকা ও মধ্যপ্রাচ্যসহ ২৫টি দেশে।সারা বছর কচুর লতির ফলন হলেও মূলত এটি গ্রীষ্মকালীন ফসল। বছরের মার্চ থেকে জুন-জুলাই পর্যন্ত ফসল বেশি হয়। এ সময় কৃষকদের ব্যস্ততা বেশি। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, এ বছর কুমিল্লা জেলায় ৩৮২ হেক্টর জমিতে কচুর লতি চাষ করা হয়েছে।

সবচেয়ে বেশি চাষ হয়েছে বরুড়া উপজেলায়। সেখানকার কৃষকরা জানান, কচুগাছ একবার রোপণ করলে বছরজুড়ে তার ফলন হয়। বরুড়া উপজেলার মাটি ও আবহাওয়া কচু চাষের উপযোগী বলে বহু বছর ধরে বরুড়ায় কচুর লতির চাষ হয়ে আসছে।

বরুড়ার কৃষক আনোয়ার হোসেন জানান, ৩০ শতক জমিতে তিনি কচু চাষ করেছেন। বিনিয়োগ করেছেন ২০ হাজার টাকা। এখন পর্যন্ত ৫৭ হাজার টাকার কচুর লতি বিক্রি করেছেন। এখনও আরও অন্তত ছ’মাস কচুর লতি বিক্রি করতে পারবেন। লতি বিক্রি শেষ হলে কচু বিক্রি করবেন।

জানা যায়, কুমিল্লা থেকে ২০২০ সালে দেড় লাখ চারা দেশের বিভিন্ন জেলায় বিক্রি করা হয়েছে। ২০২১ সালে এক লাখ চারা বিক্রি করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। লতি রাজের চারা ৩ টাকা ও পানি কচুর চারা ৪টাকায় বিক্রি হয়।

চারা রোপণের পর ভাদ্র মাসে গাছের মূল থেকে নতুন চারা গজায়। সে চারা বিক্রি হয়; আবার একই চারা দিয়ে বরুড়ার কৃষকরা নতুন নতুন জমি আবাদ করেন। বরুড়ার আগানগরের কৃষক সেলিম মিয়া ৫০বছর ধরে কচু চাষ করেন।

এবার ১৭ শতক জমিতে কচু রাজ লাগিয়েছেন তিনি। খরচ হয়েছে ১০হাজার টাকা। তিনি জানান, এ জমি থেকে ৩০ হাজার টাকার লতি বিক্রি করবো। কচু চাষে লোকসান হয় না বললেই চলে, ফলনও হয় লম্বা সময় ধরে- তাই কচু চাষ করছি।’

বরুড়া উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা মো. নজরুল ইসলাম জানান, ‘কৃষকরা চাইলে তাদের জন্য সহজ ঋণের ব্যবস্থা করবো। উপজেলার নারী-পুরুষ সবাই এ পেশার সঙ্গে সম্পৃক্ত হচ্ছে-এটা বেশ আনন্দদায়ক।’

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, বাংলাদেশ সরকারের কন্দাল (মাটির নিচে যেসব উদ্ভিদের ফলন হয়) প্রকল্পের অধীনে বরুড়ার কচু চাষিদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছে। প্রথমে কমসংখ্যক চাষিকে প্রশিক্ষণের আওতায় আনা হয়েছে। ধীরে ধীরে অন্যান্য চাষিদের প্রশিক্ষণের আওতায় নিয়ে আসা হবে।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop