১:১৭ অপরাহ্ন

বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : জুন ১২, ২০২১ ৯:১৬ অপরাহ্ন
ইটভাটার বিষাক্ত ধোঁয়ায় ঝলসে গেছে কৃষকের স্বপ্ন
কৃষি বিভাগ

মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলার চান্দহর ও জামির্ত্তা ইউনিয়নে তিন ফসলি জমিকে এক ফসলি দেখিয়ে দেয়া হয়েছে ইটভাটার অনুমোদন। আর এতে করে ইটভাটার বিষাক্ত ধোঁয়ায় ঝলসে গেছে শত শত একর সোনালী ধান।তিন ফসলি জমিতে স্থাপিত ইটভাটা বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন করে প্রতিবাদ সভাও করেছেন কৃষক। কিন্তু তাতে কোনে কাজ হয়নি। বন্ধ হয়নি ইটভাটা।

ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক যাচাইবাছাইয়ে অনেকের নাম বাদ দিয়ে তালিকা তৈরি, ক্ষতিপূরণ কম দেওয়া এবং তালিকায় নাম গেলেও টাকা পায়নি এমন অভিযোগও রয়েছে। কোনো নিয়মনীতিই মানছেন না ইটভাটার মালিকরা। এসব দেখারও যেনো কেউ নেই ।

চান্দহরের রিফাইতপুর, চালতাপাড়া চকের কৃষকরা জানান, ইটভাটার বিষাক্ত গ্যাসে প্রায় দেড় শ বিঘা জমির ফসল নষ্ট হয়ে গেছে। গত বছরও অনেক কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। এ ছাড়া এবারে যে পরিমাণে ক্ষতি হয়েছে তার বদলা পাননি তারা।

ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা তৈরি করে ভাটা মালিকের কাছ থেকে ৫ লাখ ৯০ হাজার ৫০০ টাকা আদায় করে সঠিকভাবে বিতরণ করা হয়েছে জানিয়ে ইউপি চেয়ারম্যান শওকত হোসেন বাদল বলেন, তার ইউনিয়নে তিন ফসলি জমিতে এসব ইটভাটার ট্রেড লাইসেন্স কিংবা ডিসির অনুমতি পত্রও নেই। অবৈধ ভাটার বিরুদ্ধে বর্তমান প্রশাসন কোনো ব্যবস্থা না নেওয়ায় এরা কোনো আইন মানছে না।

প্রকৃত কৃষক হয়েও সরকারি গুদামে ধান বিক্রির কার্ড দেওয়া হয় না তাদের জানিয়ে চাপরাইল চকের কৃষক আছাদ নুর, আবদুল করিম, আবু বকর, হাজি আবুল কালাম, আবদুল মালেক, আনোয়ার হোসেন, আশকার আলী, লোকমান, ফজল হক ও পান্নু মিয়া সহ অনেকেই জানান, ইটভাটার বিষাক্ত ধোঁয়া ও গ্যাসের কারণে কষ্টের ফসল সম্পূর্ণভাবে ঝলসে গেছে। বিঘাপ্রতি যেখানে ২৫ মণ ধান হওয়ার কথা, সেখানে হয়েছে মাত্র পাঁচ মণ। ১২০ বিঘা জমির ধান একেবারেই নষ্ট হয়ে গেছে। ফলে এবার অন্তত ৫ হাজার ৩৬১ মণ ধান কম হয়েছে। এতে ৫ কোটি ৩৬ লাখ ১ হাজার টাকার ক্ষতি হয়েছে।

মালিকদের কাছ থেকে সুবিধা নেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করে ইউপি চেয়ারম্যান আবদুল হালিম রাজু জানান, কোনো কৃষককেই ক্ষতিপূরণ থেকে বঞ্চিত করা হয়নি।

জমির্ত্তা হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক মাহফুজুর রহমান ও সিনিয়র শিক্ষক মিজানুর রহমান জানান, আগের স্কুল কমিটির সমঝোতায় স্কুলের জমি ইটভাটায় থাকলেও বর্তমানে ঐ জমির ফসল এবং ভাটা মালিকের কাছ থেকে কোনো টাকাও পাওয়া যাচ্ছে না।

পরিবেশ অধিফতরের জেলা উপপরিচালক নুর আলম জানান, ‘আইনে আছে এক ফসলি কিংবা পতিত জমি ছাড়া ইটভাটা করা যাবে না। এ ক্ষেত্রে পরিবেশ অধিদফতর থেকে কৃষি কর্মকর্তা বরাবর চিঠি ইস্যু করা হয়। কৃষি কর্মকর্তা এক ফসলির বিষয় অনুমোদন দিলেই কেবল পরিবেশ অধিদফতর থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়। এ ছাড়া অনুমোদন দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। কিন্তু আমরাও দেখি তিন ফসলি জমিতে ইটভাটা।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ১১, ২০২১ ৮:৫৪ পূর্বাহ্ন
ঠাকুরগাঁওয়ে শস্য বীমার ক্ষতিপূরণ পেলো চাষিরা
কৃষি বিভাগ

ঠাকুরগাঁও জেলায় প্রথমবারের মতো শস্য সুরক্ষা প্রকল্পের আওতায় ফসল উৎপাদন আবহাওয়াগত ঝুঁকির বীমার দাবি পরিশোধ করা হয়েছে। বীমার দাবি পরিশোধ করেছেন ‘সিনজেটা ফাউন্ডেশন।’

বুধবার দুপুরে সদর উপজেলার চিলারং ইউনিয়নর আখানগর বাজারে ক্ষতিগ্রস্ত চাষিদের এটি পরিশোধ করা হয়।

বীমার দাবি পরিশোধ অনুষ্ঠান উপস্থিত ছিলেন- ঠাকুরগাঁও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক আবু হাসান, সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষ্ণ রায়, দিনাজপুর আবহাওয়া অফিসের ইনর্চাজ তোফাজ্জাল হাসান।

এছাড়াও অনলাইনে যুক্ত ছিলেন- সুইস কট্যাক্টর টিম লিডার আরাফাত হাসান, এসএফএসএ প্রজেক্ট ম্যানেজার আমিনুল মুবিন, সিনজেটা বাংলাদশ লিমিটেড হেড অব সেলস হোদায়াত উল্লাহ্, গ্রিন ডেল্টা ইনসুরেন্সর এডিশনাল ম্যানেজিং ডিরেক্টর সৈয়দ মঈনউদ্দীন, সিনজেটা বাংলাদেশ লিমিটেডের চ্যানেল ডেভেলপেমেন্ট ম্যানেজার সৈয়দ নুরুজ্জামান প্রমুখ।

জানা যায়, শস্য সুরক্ষা প্রকল্প যা কৃষকের আবহাওয়াগত ঝুঁকি একটি প্রক্রিয়া যেখানে সিনজেটা বাংলাদেশ লিমিটেডের উত্তরবঙ্গর ঠাকুরগাঁও সদর ও আক্কলপুর উপজলায় কৃষিতে সিনজেটা রিটইলারের মাধ্যমে সর্বশেষ আলুর নাভি ধসা রোগের বীমা সুরক্ষায় প্রায় ১ হাজার ১৪৯ জন আলু চাষিকে বীমাভুক্ত করা হয়। পরবর্তীতে উচ্চ আর্দ্রতা এবং কম তাপমাত্রার কারণে ঠাকুরগাঁও সদরের বীমাকৃত ৫৭৮ চাষি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

যার ফলস্রুতিতে তারা বীমাদাবি হিসেবে ৫২ হাজার ২৬ টাকা পরিশাধ করা হয়। শস্য সুরক্ষা প্রকল্প নিয় সুইস এজেন্সি ফর ডেভেলপেমন্ট অ্যান্ড কো-অপারেশন (এসডিসি), সিনজেটা ফাউন্ডেশন ফর সাসটেইনবল এগ্রিকালচার বাংলাদেশ (এসএফএসএ বাংলাদশ), গ্রিন ডেল্টা ইনসুরেন্স কাম্পানী লিমিটেড বিভিন্ন এগ্রিগটরের সাথে ২০১৯ সালে কাজ শুরু করে।

এই বীমায় সর্বনিম্ন ২০ টাকা দিয়ে চাষিরা অন্তর্ভুক্ত হতে পারেন। বীমার মেয়াদ ফসলের শুরু থেকে শষ্যের সময়। এই সময় ফসল উৎপাদন বিভিন্ন পরামর্শ দেয় কৃষিতে সিনজেটা। এখন পর্যন্ত ৬৩ হাজার কৃষক ৮৩ হাজার ৫২২টি বিভিন ফসলের শস্য বীমা পলিসি ক্রয়ের মাধ্যমে ফসলকে সুরক্ষা করেছে বলেও জানায় কৃষি বিভাগ ও সংশ্লিষ্ট বীমা কর্তৃপক্ষ।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ১১, ২০২১ ৮:৪২ পূর্বাহ্ন
বরিশাল সদরের কৃষক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত
কৃষি বিভাগ

নাহিদ বিন রফিক (বরিশাল): বরিশাল সদরের উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে বসতবাড়িতে পারিবারিক মডেল পুষ্টি বাগান স্থাপন শীর্ষক দু’দিন কৃষক প্রশিক্ষণ ৯ জুন শেষ হয়েছে।

এ উপলক্ষ্যে এক সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন অধিদপ্তরের (ডিএই) সরেজমিন উইংয়ের পরিচালক এ কে এম মনিরুল আলম।

তিনি বলেন, পারিবারিক পুষ্টি বাগানের গুরুত্বপূর্ণ অপরিসীম। এর মাধ্যমে পরিবারের নিরাপদ খাবার সরবরাহ হয়। সে সাথে পূরণ হয় পুষ্টির চাহিদাও। তিনি আবাদের পাশাপাশি সবাইকে নিয়মিত ফল-সবজি খাওয়ার আহবান জানান।

উপজেলা কৃষি অফিস আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন ডিএই বরিশাল অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক মো. তাওফিকুল আলম এবং উপপরিচালক হৃদয়েশ্বর দত্ত।

উপজেলা কৃষি অফিসার মোসা. ফাহিমা হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার তানজিলা আহমেদ এবং মো. মাহফুজুর রহমান অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন।

অনুষ্ঠান শেষে প্রধান অতিথি চাষিদের মাঝে সার, বীজ এবং গাছের চারাসহ বিভিন্ন কৃষি উপকরণ বিতরণ করেন। অনাবাদি পতিত জমি ও বসত বাড়ির আংগিনায় পারিবারিক সবজি ও পুষ্টি বাগান স্থাপন প্রকল্পের আওতাধীন এ প্রশিক্ষণে ৩০ জন কিষাণ-কিষাণী অংশগ্রহণ করেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ১০, ২০২১ ৪:০৮ অপরাহ্ন
ঝিনাইদহে ফল ও সবজি চাষীদের মাঝে কৃষি উপকরণ বিতরণ
কৃষি বিভাগ

ঝিনাইদহে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের আয়োজনে নিরাপদ উদ্যানতাত্বিক ফসল উৎপাদন ও সংগ্রহোত্তর প্রযুক্তি সম্প্রসারণ প্রকল্পের আওতায় ফল ও সবজি চাষীদের মাঝে কৃষি উপকরণ বিতরণ করা হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার সকালে সদর উপজেলা পরিষদ চত্বরে  এ কৃষি উপকরণ বিতরণ করা হয়।

জানা যায়,সদর উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের ৬০ জন কৃষকের মাঝে ওজন মাপা যন্ত্র, প্লাস্টিকের ক্রেট, ত্রিপল, লোহার পাতের তৈরী সাইনবোর্ড বিতরণ করা হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক আজগর আলী, সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জাহিদুল করিম, কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা জুনায়েদ হাবীবসহ অন্যান্যরা।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ১০, ২০২১ ৮:১৬ পূর্বাহ্ন
বরিশালে তেল ফসলের কর্মশালা অনুষ্ঠিত
কৃষি বিভাগ

নাহিদ বিন রফিক (বরিশাল): বরিশালে তেলজাতীয় ফসলের ওপর দিনব্যাপী এক আঞ্চলিক কর্মশালা

বুধবার বরিশালের মৎস্য বীজ উৎপাদন খামারের হলরুমে অনুষ্ঠিত হয়।

তেলজাতীয় ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি প্রকল্প আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের (ডিএই) সরেজমিন উইংয়ের পরিচালক এ কে এম মনিরুল আলম।

তিনি বলেন, আমাদের দেশে তেলের উৎপাদন খুবই কম; সে কারণেই শতকরা ৯০ ভাগ তেল বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয়। পুষ্টি বিশেষজ্ঞদের মতে, সয়াবিন ও পামওয়েলের তুলনায় সরিষা, তিল, তিসি, সূর্যমুখী স্বাস্থ্যের জন্য হিতকর। তাই ভোজ্যতেলের ঘাটতি পূরণে চাই তেলফসলের আবাদ বৃদ্ধি। এতে বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় হবে। পাশাপাশি জমির উর্বরতাও বাড়বে।

ডিএই বরিশাল অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক মো. তাওফিকুল আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. রাফি উদ্দিন এবং বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. আলমগীর হোসেন। কিনোট উপস্থাপক হিসেবে ছিলেন প্রকল্প পরিচালক মো. জসিম উদ্দিন।

ডিএই ঝালকাঠির অতিরিক্ত উপপরিচালক মো. অলিউল আলমের সঞ্চালনায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউটের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. সাব্বির হোসেন। ডিএই পিরোজপুরের উপপরিচালক চিন্ময় রায়, বরিশালের উপপরিচালক হৃদয়েশ^র দত্ত, ঝালকাঠির উপপরিচালক মো. ফজলুল হক, পটুয়াখালীর উপপরিচালক এ কে এম মহিউদ্দিন, ভোলার উপপরিচালক আবু মো. এনায়েত উল্লাহ, বরগুনার উপপরিচালক আব্দুর রশিদ, বরিশাল জেলা বীজ প্রত্যয়ন অফিসার মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম সিকদার, প্রকল্পের মনিটরিং অফিসার রথীন্দ্র্রনাথ বিশ্বাস, আঞ্চলিক কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো.অলিমুর রহমান, পাথরঘাটা উপজেলা কৃষি অফিসার শিশির কুমার বড়াল বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. সোহেল রানা প্রমুখ। কর্মশালায় কৃষিসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ১৭৫ জন কর্মকর্তা অংশগ্রহণ করেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ৯, ২০২১ ৮:৫৩ পূর্বাহ্ন
৬ জেলায় ১ লাখ ৬৬ হাজার ৩৩৮ হেক্টর জমিতে পাটের আবাদ
কৃষি বিভাগ

দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে চলতি মৌসুমে ৬ জেলা যশোর, ঝিনাইদহ, মাগুরা, কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা ও মেহেরপুরে ১লাখ ৬৬হাজার ৩শ’৩৮ হেক্টর জমিতে পাটের আবাদ হয়েছে।আবাদকৃত জমিতে ২০লাখ ৮৫হাজার ৯১০ বেল পাট উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, গত বছর পাটের দাম ভালো পাওয়ায় এবছর বেশি জমিতে কৃষকরা পাটের আবাদ করেছেন।

কৃষক ও কৃষি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এ বছর পাটের বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে ।

যশোর আঞ্চলিক কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ৬ জেলায় মোট ১লাখ ৬৬হাজার ৩শ’৩৮ হেক্টর জমিতে পাটের আবাদ হয়েছে।এর মধ্যে যশোর জেলায় পাটের আবাদ হয়েছে ২৬হাজার ১শ’২৫হেক্টর জমিতে,ঝিনাইদহ জেলায় পাটের আবাদ হয়েছে ২২হাজার ৮শ’৬০ হেক্টর জমিতে, মাগুরা জেলায় পাটের আবাদ হয়েছে ৩৫হাজার ৮শ’২০ হেক্টর জমিতে, কুষ্টিয়া জেলায় পাটের আবাদ হয়েছে ৪০হাজার ৯শ’৬৬ হেক্টর জমিতে, চুয়াডাঙ্গা জেলায় পাটের আবাদ হয়েছে ২০হাজার ৫শ’২৭ হেক্টর জমিতে এবং মেহেরপুর জেলায় পাটের আবাদ হয়েছে ২০হাজার ৪০ হেক্টর জমিতে।

জানা গেছে,যশোর সদর উপজেলার, বাঘারপাড়া উপজেলার,ঝিকরগাছা উপজেলার,চৌগাছা উপজেলার এবং মাগুরা জেলার বিভিন্ন উপজেলার মাঠের পর মাঠ জুড়ে পাটের পরিচর্যার কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষাণ-কৃষাণীরা।

যশোর আঞ্চলিক কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক জাহিদুল আমিন জানান,কৃষি অফিসের পক্ষ থেকে পাট চাষেিদর উদ্বুদ্ধকরণ,পরামর্শ,উঠান বৈঠক,নতুন নতুন জাতের বীজ সরবরাহ ও প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে।

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকসহ অন্যান্য ব্যাংক পাট চাষে সহজশর্তে কৃষকদের লোন প্রদান করছে। গত কয়েক বছর যাবত পাটের দাম ভালো থাকায় এ অঞ্চলের জেলাগুলোতে পাটের আবাদ দিন দিন বাড়ছে বলে ।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ৮, ২০২১ ৭:০৫ অপরাহ্ন
বরিশালে বিনা উদ্ভাবিত আমন ধানের ওপর কৃষক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত
কৃষি বিভাগ

নাহিদ বিন রফিক (বরিশাল): বরিশালে বিনা উদ্ভাবিত ‘উচ্চ ফলনশীল আমন ধানের জাত পরিচিতি, ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি এবং বীজ সংরক্ষণ পদ্ধতি’ শীর্ষক দিনব্যাপী এক কৃৃষক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত।

আজ মঙ্গলবার(৮ জুন) বরিশালের রহমতপুরের বিনার ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত হয়।

বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইন্সটিটিউট (বিনা) আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালী উদ্বোধন করেন আয়োজক প্রতিষ্ঠানের মহাপরিচালক ড. মির্জা মোফাজ্জল ইসলাম।

তিনি বলেন, দক্ষিণাঞ্চলের শস্যনিবিড়তা বাড়ানো দরকার। যেহেতু বিনা উদ্ভাবিত আমন ধানের উচ্চ ফলনশীল জাত রয়েছে, যার জীবণকাল কম। তাই এসব জাত ব্যবহারের মাধ্যমে এ অঞ্চলে বছরে অন্তত তিনটি ফসল ফলানো সম্ভব।

বিনা উপকেন্দ্র ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. সোহেল রানার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বিনার মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা এবং কর্মসূচী পরিচালক ড. মো. সিদ্দিকুর রহমান, বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের (ব্রি) মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. আলমগীর হোসেন, আঞ্চলিক কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. রফি উদ্দিন এবং বিনার মৃত্তিকা বিজ্ঞান বিভাগের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. হাবিবুর রহমান। অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন বিনার বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা নাজমুন নাহার।

প্রশিক্ষণে বরিশাল সদর, বাবুগঞ্জ ও উজিরপুর উপজেলার ৭৫ জন কৃষক এবং সংশ্লিষ্ট ৫ জন উপসহকারি কৃষি কর্মকর্তা অংশগ্রহণ করেন। প্র্রশিক্ষণ শেষে কৃষকদের মাঝে বিনাধান-১১ ও বিনাধান-১৭ জাতের আমনের বীজ বিনামূল্যে বিতরণ করা হয়।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ৭, ২০২১ ৩:২৭ অপরাহ্ন
মাশরুমের চাষ সম্প্রসারণ করতে প্রকল্প গ্রহণের কাজ চলছে: কৃষিমন্ত্রী
কৃষি বিভাগ

মাশরুমের সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে ও সারা দেশে মাশরুমের চাষ সম্প্রসারণ করতে প্রকল্প গ্রহণের কাজ চলছে জানিয়ে কৃষিমন্ত্রী ড. মো: আব্দুর রাজ্জাক, এমপি বলেন, দেশে অর্থকরী ফসল মাশরুম চাষের সম্ভাবনা অনেক বেশি। এই সম্ভাবনাকে সর্বোচ্চ কাজে লাগাতে হবে। ইতোমধ্যে মাশরুমের উন্নত জাত ও চাষের প্রযুক্তি উদ্ভাবিত হয়েছে। এখন সারা দেশে দ্রুততার সাথে কৃষক ও উদ্যোক্তা পর্যায়ে সম্প্রসারণ ও জনপ্রিয় করা প্রয়োজন। সেজন্য, উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণের কাজ চলছে। পাশাপাশি অন্যান্য উদ্যোগও অব্যাহত আছে।কৃষিমন্ত্রী রবিবার সাভারে মাশরুম উন্নয়ন ইনস্টিটিউটে মাশরুম চাষি ও উদ্যোক্তাদের সাথে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ কথা বলেন।
কৃষিমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকারের কৃষিবান্ধব নীতি ও নানান প্রণোদনার ফলে বিগত ১২ বছরে কৃষিতে বিস্ময়কর সাফল্য অর্জিত হয়েছে। দেশ আজ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ। সরকারের এখন লক্ষ্য কৃষিকে বাণিজ্যিকীকরণ ও লাভজনক করা এবং সকলের জন্য পুষ্টিসম্মত খাদ্য নিশ্চিত করা। এক্ষেত্রে মাশরুমের সম্ভাবনা অনেক। এটির চাষ সম্প্রসারণ ও জনপ্রিয় করতে পারলে তা বাংলাদেশের অর্থনীতিতে বড় ভূমিকা রাখতে পারবে। দেশে লাখ লাখ শিক্ষিত বেকার যুবক রয়েছে যারা চাকরির জন্য চেষ্টা করছে। তাদেরকে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে উদ্যোক্তা করতে পারলে মাশরুমের স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক বাজার তৈরি হবে। অন্যদিকে, মাশরুম অত্যন্ত পুষ্টিগুণ সম্পন্ন হওয়ায় সহজেই মানুষের পুষ্টি চাহিদার অনেকটা পূরণ হবে।
মাশরুম উন্নয়ন ইনস্টিটিউটের তথ্যানুসারে, মাশরুম উৎপাদন দ্রুত বেড়ে যাচ্ছে। দেশে বর্তমানে প্রায় ৪০ হাজার মেট্রিক টন মাশরুম প্রতি বছর উৎপাদন হচ্ছে যার আর্থিক মূল্য প্রায় ৮০০ কোটি টাকা। প্রায় দেড় লক্ষ মানুষ মাশরুম ও মাশরুমজাত পণ্য উৎপাদন ও বিপণন সংশ্লিষ্ট কাজে যুক্ত হয়েছেন। অন্যদিকে, বিশ্বের অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধ প্রায় সব দেশেই মাশরুম আমদানি করে থাকে । বাংলাদেশ থেকে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে মাশরুম রপ্তানির অনেক সুযোগ রয়েছে।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো: আসাদুল্লাহ এর সভাপতিত্বে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. মো: এনামুর রহমান, কৃষি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্তি সচিব (সম্প্রসারণ) মো: হাসানুজ্জামান কল্লোল, সাভার উপজেলা চেয়ারম্যান মঞ্জরুল আলম রাজিব, পৌর মেয়র আব্দুল গণি প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। এছাড়া, মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, সারাদেশ থেকে মাশরুম চাষী ও উদ্যোক্তাদের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
‘বাংলাদেশে মাশরুম চাষের প্রয়োজনীয়তা, সুযোগ ও সম্ভাবনা’ শীর্ষক প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন মাশরুম উন্নয়ন ইনস্টিটিউটের উপ-পরিচালক ফেরদৌস আহমেদ। প্রবন্ধে বলা হয়, বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে মাশরুম একটি অত্যন্ত সম্ভাবনাময় ফসল। একদিকে, মাশরুম একটি পুষ্টিকর, সুস্বাদু ও ঔষধিগুণসম্পন্ন খাবার, অন্যদিকে তা চাষ করার জন্য কোন আবাদী জমির প্রয়োজন হয় না। ঘনবসতিপূর্ণ ও দ্রুত বর্ধনশীল জনসংখ্যার বাংলাদেশে খাবারের চাহিদা বাড়ছে অথচ খাবার যোগান দেয়ার জমি প্রতিবছর কমছে। এই অবস্থায়, অনুৎপাদনশীল ফেলনা জমির স্বল্প পরিমাণ ব্যবহার করেই বিপুল পরিমাণ মাশরুম উৎপাদন করা যায়। তাছাড়া, বাংলাদেশের আবহাওয়া সারাবছর মাশরুম চাষের জন্য উপযোগী। দেশে মাশরুম চাষের উৎপাদন মাধ্যমের (যেমন খড়) পর্যাপ্ততা রয়েছে। মাশরুম চাষ পরিবেশবান্ধব ও প্রাকৃতিক দুর্যোগসহনশীল।
মাশরুম উন্নয়ন ইনস্টিটিউট এ পর্যন্ত বিদেশ থেকে মাশরুমের ১৬২টি জাত দেশে এনেছে এবং সেগুলো দেশে চাষের উপযোগী প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেছে। দেশের পাহাড়ি ও বনাঞ্চল থেকেও ১৪০ টি জাত সংগ্রহ করেছে। এছাড়া, ইনস্টিটিউটে মাননিয়ন্ত্রণ ও মাননিশ্চিত করণে আধুনিক ল্যাব স্থাপন করা হয়েছে। ল্যাবে মাশরুমের পুষ্টি ও ঔষধিগুণসহ ভিটামিন, মিনারেল প্রভৃতি নির্ণয় করা হচ্ছে।
শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ৭, ২০২১ ৯:৪২ পূর্বাহ্ন
লকডাউনে লোকসানে সবজি চাষিরা!
কৃষি বিভাগ

করোনা সংক্রমণে বিপাকে পড়ছেন নরসিংদীর সবজি চাষিরা। এই সময়টাতে বাজাদের সবজির দাম কমে যাওয়ায় তাদের মাঝে বিরাজ করছে হতাশা।

জানা যায়, লকডাউনের কারণে এবং যানবাহন চলাচল সীমিত হওয়ায় নরসিংদী থেকে সবজি এখন বিভিন্ন জেলায় সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেছে। ফলে স্থানীয় বাজারে এর চাহিদা কমে যাওয়ায় এখন বেচা-কেনা হচ্ছে অনেক কম দামে। আর তাতে কৃষকরা তাদের চাহিদা মোতাবেক সবজি বিক্রি করতে না পেলে ক্ষতির সম্মুখিন হচ্ছেন।

একজন কৃষক জানান, আগে প্রতিদিন নরসিংদী জেলার বিভিন্ন হাটবাজার থেকে শত শত ট্রাকযোগে সবজি সরবরাহ হত। কিন্তু লকডাউনের কারণে এখন ক্রেতা সাধারণরা সবজি নিতে আসছে না। ফলে পাইকারি সবজি বাজার এখন ক্রেতাশূন্য হয়ে পড়েছে। বাধ্য হয়েই কৃষকরা কম দামে স্থানীয় বাজারে সবজি বিক্রি করছে।

কৃষকদের প্রনোদনা না দিলে আগামীতে কেউ সবজি চাষ করতে পারবে না। এ বছর যারা সবজি চাষ করেছে প্রত্যেক কৃষকই লোকসান করেছেন বলে জানান কৃষকরা।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ৬, ২০২১ ৩:৩৭ অপরাহ্ন
মনপুরায় দুই দিনব্যাপী কৃষক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত
কৃষি বিভাগ

মনপুরা জেলার মনপুরা উপজেলায় কৃষক-কৃষাণীদের দুই দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে।

শনিবার(৫ মে) সকাল ১০টায় উদ্বোধন করা হয়।

অনাবাদি পতিত জমি ও বসতবাড়ির আঙ্গীণায় পারিবারিক পুষ্টিবাগান স্থাপন প্রকল্পের আওতায় মনপুরা ডাক বাংলোর হলরুমে প্রধান অতিথি হিসেবে প্রশিক্ষণের উদ্বোধন করেন জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আবু মো: এনায়েতউল্লাহ। অনুষ্ঠানে উপজেলার ৩০ জন কৃষক-কৃষাণী অংশ্রহণ করেন।

এখানে প্রধান অতিথি বলেন, এ প্রকল্পের আওতায় উপজেলার ৪টি ইউনিয়নে ১০০ জন করে মোট ৪০০ কৃষককে পর্যায়ক্রমে প্রশিক্ষণের আওতায় আনা হবে। প্রত্যেক কৃষককে ৩ বছরের জন্য বাড়ির পাশের দেড় শতাংশ জমিতে সবজি বাগান প্রদর্শনীর জন্য বীজ, সারসহ সব ধরনের সহায়তা প্রদান করা হবে। মনপুরার মাটি অত্যন্ত উর্বর। তাই বাড়ির পাশের সকল অনাবাদি পতিত জমি কাজে লাগানোই তাদের মূূল উদ্দেশ্য বলে জানান তিনি।

উপজেলা কৃষি অফিসের আয়োজনে উপজেলা কৃষি অফিসার আকাশ বৈরাগীর সভাপতিত্বে আরো বক্তব্য রাখেন , উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার মো: আসাদুজ্জামান, জেলা কার্যালয়ের উপ-সহকারী উদ্বিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা মো: হুমায়ুন কবির, উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন প্রমূখ।

পরে উপজেলা কৃষি অফিসের হলরুমে বরিশাল, পটুয়াখালী, ভোলা, ঝালকাঠী, বরগুনা, মাদারীপুর ও শরিয়তপুর কৃষি উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় খরিপ-১, ২০২০-২১ ৩০ জন কৃষক-কৃষাণীর প্রশিক্ষণের উদ্বোধন করেন কৃষি বিভাগের উপ-পরিচালক আবু মো: এনায়েতউল্লাহ।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop