১০:৩২ পূর্বাহ্ন

সোমবার, ২৭ এপ্রিল , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : অগাস্ট ১০, ২০২২ ৬:১০ অপরাহ্ন
কালিন্দিতে নৌকাসহ ৬ ভারতীয় গরু আটক
কৃষি বিভাগ

সাতক্ষীরার শ্যামনগরের কালিন্দি নদীর চর থেকে ছয়টি ভারতীয় গরুসহ একটি নৌকা আটক করা হয়েছে। তবে, এসময় কোনো চোরাকারকারীরা আটক করতে পারেনি নৌ পুলিশ।

মঙ্গলবার (৯ আগস্ট) দিবাগত মধ্যরাতে সুন্দরবনের ভেতর দিয়ে ভারত থেকে অবৈধভাবে আনার সময় এসব গরু আটক করা হয়।

শ্যামনগরের রমজাননগর ইউনিয়নের রায়নগর নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ তারক বিশ্বাস জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নৌকাসহ ভারতীয় গরুগুলো আটক করা হয়। পরে আটক গরুগুলো কালিগঞ্জের বসন্তপুর কাস্টমস অফিসে হস্তান্তর করা হয়েছে। আর নৌকাটি নৌ-পুলিশের অফিস সংলগ্ন নদীতে ডুবিয়ে রাখা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, আটক গরুগুলোর আনুমানিক মূল্য ৫ লাখ ৪০ হাজার টাকা।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ১০, ২০২২ ৯:৫৪ পূর্বাহ্ন
জয়পুরহাটে হলুদ তরমুজের বাম্পার ফলন,দামেও খুশি চাষিরা
কৃষি বিভাগ

জয়পুরহাটের কালাই উপজেলায় নতুন করে দিন দিন জনপ্রিয় হয়ে উঠছে অসময়ের তরমুজ চাষ। কম খরচে বেশি লাভ হওয়ায় অন্য ফসল বাদ দিয়ে অসময়ের তরমুজ চাষে ঝুঁকছেন এলাকার কৃষকেরা।

বর্তমানে এ তরমুজ উপজেলার চাহিদা মিটিয়ে সরবরাহ হচ্ছে রাজধানরীসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে।

জানা যায়, বীজ বপনের ৩০ দিনের মধ্যে গাছের লতা-পাতাগুলো মাচায় উঠেছে। ৪০ দিনের মধ্যে গাছে গাছে হলুদ রঙের ফুল ফুটেছে এবং অনেক গাছে কুড়িও এসেছে।

প্রজাপতিরা এক ফুল থেকে অন্য ফুলে আপন মনে উড়ে গিয়ে বসছে আর মাচার ওপরে গাছের সবুজ পাতার নিচে ছোট বড় অনেক পরিপক্ক তরমুজ ঝুলছে। এ তরমুজ দেখতে হলুদ রঙের, ভেতরে কিন্তু লাল টুকটুকে ও রসেভরা। খেতে অনেক সুস্বাদু এবং মিষ্টি।

উপজেলার হাজীপাড়ার সফল তরমুজ চাষি মো. সাগর হোসেন বলেন, আমার ৭০ শতাংশ জমিতে বেড করে মাটির সঠিক আর্দ্রতা ধরে রাখতে মালচিং পেপার পদ্ধতিতে জুন মাসে ২০ ইঞ্চি পর পর চায়না ও থাইল্যান্ড দেশের মধুমালা আর তৃপ্তি জাতের তরমুজের বীজ রোপণ করি। ৩০ দিনের মধ্যে গাছ মাচায় উঠে যায়। রোপণের ৪০ দিনের মধ্যে গাছে প্রচুর ফুল ও কুড়ি আসে।

তিনি আরও বলেন, ফল ৩৫ দিনে পরিপক্ক হয়ে ডোগায় ডোগায় ঝুলে আছে। আড়াই থেকে ৩ কেজি ওজনের তরমুজ। প্রতিটি তরমুজ গড়ে ২৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এই পর্যন্ত খরচ হয়েছে প্রায় ১৮ হাজার টাকা। এতে সব খরচ বাদ দিয়ে আমার আয় হবে প্রায় ২ লাখ টাকা।

স্থানীয় তরমুজ ব্যবসায়ী জাহিদুল ইসলাম বলেন, কালাই উপজেলার উৎপাদিত তরমুজগুলোর গুণগত মান অনেক ভালো। এই এলাকার তরমুজ বিষ ও ফরমালিন মুক্ত এবং খেতে খুব সুস্বাদ, দেখতেও অনেক আকর্ষণীয়। তা-ছাড়া এখানকার তরমুজ ক্রেতাদের চাহিদায় প্রথমে রয়েছে। তারা ক্ষেত থেকে প্রতি মণ তরমুজ ১ হাজার ৮০০ টাকা দরে পাইকারি কিনছেন।

কালাই উপজেলার কৃষি অফিসার নীলিমা জাহান জানান, উপজেলায় ১০ হেক্টর জামিতে মধুমালা ও তৃপ্তি জাতের তরমুজ চাষ হয়েছে। এলাকায় তরমুজ চাষের জন্য কৃষকদের উন্নত জাতের বীজ সংগ্রহের পরামর্শ এবং বালাইনাশক ব্যবহারে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ৯, ২০২২ ১১:২৮ পূর্বাহ্ন
মাশরুম চাষে চমক দেখাচ্ছেন কাপ্তাইয়ের অনিল মারমা
কৃষি বিভাগ

মাশরুম চাষ করে সফল হয়েছেন এল এল বি পাস করা বেকার যুবক কাপ্তাই উপজেলার বড়ইছড়ি এলাকার অনিল মারমা।
লেখাপড়ার পাশাপাশি আত্মকর্মসংস্থানের লক্ষ্যে অনেকটা নিজের শখের বসে গড়ে তোলা মাশরুম চাষ করে সফলতা পেয়েছেন অনিল।

তিনি জানান, করোনাকালীন সময়ে যখন বেকার সময় অতিবাহিত করছিলাম, তখন অনেকটা শখের বসে ব্যক্তিগত ও পারিবারিক চাহিদা মিটাতে মাশরুষ চাষ করার পরিকল্পনা করি। মাশরুম চাষের পরিকল্পনা সফল করতে আমি বড়ইছড়িতে একটি মাশরুশ চাষের ঘর তৈরি করে সেখানে পরীক্ষামুলকভাবে মাশরুম চাষ শুরু করি।

অনিল জানান, এ ১টি মাশরুম চাষঘরে কমপক্ষে ১ হাজার মাশরুম চাষের খড়ের সিলিন্ডার ধারণক্ষমতা সম্পন্ন রয়েছে। মাশরুম চাষে সফলতা দেখায় অনিল মাশরুষ চাষ করার পাশাপাশি সম্প্রতি মাগুরা জেলার ড্রীম মাশরুম সেন্টার থেকে মাশরুষ চাষ নিয়ে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেছে বলে জানান।

বর্তমানে তিনি মাশরুম চাষের পরিধি আরো বাড়িয়েছে উল্লেখ করে জানান,গত চার মাসে ৪ শত খড়ের সিলিন্ডার হতে তার মাশরুম উৎপাদন হয়েছে প্রায় ৩ শত কেজি। তার উৎপাদিত এ মাশরুম স্থানীয়ভাবে বিক্রির পাশাপাশি রাঙ্গামাটি জেলাসহ বিভিন্ন এলাকায় পাইকারীভাবে বিক্রি হচ্ছে।

জানান, মাশরুম চাষের মাধ্যমে তিনি নিজের সব চাহিদা পূরণ করে পারিবারিক চাহিদা মিটাতে সহযোগিতা করতে পারছেন। অনিল বলেন, সারা বছর ১ হাজার খড়ের সিলিন্ডার তৈরি করে মাশরুম উৎপাদন করা গেলে বছরে কমপক্ষে ৪ থেকে ৬ লক্ষ টাকা আয় করা সম্ভব।

মাশরুশ চাষের পাশাপাশি তিনি ৩য় প্রজন্মের ধানের মাদার উৎপাদন করার কাজ করছে, যা এলাকার চাষিদের বীজ সরবরাহের অন্যতম উৎস হয়ে উঠতে পারে। বর্তমানে তার কারখানায় ৮-১০ জন বেকার যুব মহিলা কাজ করছে। ভবিষ্যতে মাশরুম চাষের পরিসর বৃদ্ধি করে এলাকার বেকার যুবক-যুবতীদের কর্মসংস্থান তৈরি করার স্বপ্ন দেখছেন বলে জানান অনিল মারমা।

কাপ্তাই উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মধুসূদন দে জানান, কাপ্তাইয়ে অনিল মারমার মাশরুম চাষের সফলতার খবর শুনে সরেজমিনে তাঁর মাশরুম খামার দেখেছি। মাশরুম চাষে অনিলের সফলতা এ এলাকার বেকার যুবক-যুবতীদের জন্য একটি উৎকৃষ্ট উদাহারণ উল্লেখ করে তিনি বলেন, অনিলের মাশরুম প্রজেক্টকে আরো বড় পরিসরে এগিয়ে নিতে কৃষি বিভাগের সাথে আলোচনা করে সহায়তা করা হবে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ৮, ২০২২ ১০:০২ পূর্বাহ্ন
বিশ্ববাজারে কমল খাদ্যপণ্য ও ভোজ্যতেলের দাম
কৃষি বিভাগ

রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধ ও করোনার প্রভাবে বিশ্বজুড়ে যখন খাদ্য নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা বাড়ছে, তখনই স্বস্তির খবর দিল জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও)। সংস্থাটি বলছে, ১০ মাসের মধ্যে সর্বনিম্নে নেমেছে ভোজ্যতেলের দাম। আর টানা চতুর্থ মাসের মতো কমেছে খাদ্যপণ্যের দামও।

শুক্রবার (৫ আগস্ট) এফএওর দেয়া তথ্যের বরাতে চীনা বার্তা সংস্থা সিনহুয়া জানায়, গেল জুনের তুলনায় জুলাইয়ে খাদ্যপণ্যের দাম গড়ে কমেছে ৮ দশমিক ৬ শতাংশ। অন্যদিকে গেল এক মাসে বিশ্ববাজারে ভোজ্যতেলের মূল্য কমেছে ২০ শতাংশের কাছাকাছি, যা গত ১০ মাসের মধ্যে সর্বনিম্নে।

একক পণ্য হিসেবে বিশ্বব্যাপী গত মাসে গমের দাম কমেছে সাড়ে ১৪ শতাংশ। ভুট্টার দামও কমেছে প্রায় ১১ শতাংশ। সব মিলিয়ে জুলাইয়ে খাদ্যশস্যের দাম কমেছে সাড়ে ১১ শতাংশ। যদিও এখনও তা এক বছর আগের তুলনায় ১৬ দশমিক ৬ শতাংশ বেশি।

এছাড়া চিনির দাম কমেছে ৩ দশমিক ৮ শতাংশ। এনিয়ে টানা তৃতীয় মাসের মতো কমল পণ্যটির দাম। সম্প্রতি রাশিয়া-ইউক্রনের মধ্যে পণ্য পরিবহন সংক্রান্ত চুক্তির ইতিবাচক প্রভাব দ্রুত বিশ্ববাজারে পড়েছে বলে জানিয়েছে এফএও।

জাতিসংঘের এ সংস্থাটি ভোজ্যতেল ও খাদ্যপণ্যের দাম কমার হিসাব দিলেও এর তেমন কোনো প্রভাব পড়ছে না দেশের বাজারে। বিক্রেতারা বলছেন, কমানোর বদলে বরং আটা, ময়দা, ভোজ্যতেল, ডাল, চিনিসহ আমদানিনির্ভর পণ্যের দাম বাড়ার ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে।

তবে আন্তর্জাতিক বাজারে দাম কমার প্রভাব যেন দ্রুত দেশের বাজারে পড়ে তা নিশ্চিত করার তাগিদ অর্থনীতিবিদদের।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ৮, ২০২২ ৯:৪৩ পূর্বাহ্ন
আমন আবাদে ব্যস্ত কৃষক,ভালো ফলনে প্রত্যাশা তাদের
কৃষি বিভাগ

পানির অপেক্ষা ফুরাল বগুড়ার কৃষকদের। শ্রাবণে বৃষ্টি দেখা পেয়ে মাঠে নেমে পড়েছেন তারা। দারুণ ব্যস্ত সময় পার করছেন আমন আবাদে। কৃষি কর্মকর্তারা বলছেন, বগুড়ায় এবার রেকর্ড পরিমাণ জমিতে আমন চাষ হবে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে ভালো ফলন পাওয়া যাবে।

জানা যায়, আমন চাষে খরচ কিছুটা কম হওয়ায় প্রতি বছরই লাভের মুখ দেখছেন কৃষক। এবারও ভালো ফলন ও ভালো দামের প্রত্যাশা রয়েছে তাদের। চলতি মৌসুমে প্রখর রোদের কারণে জমিতে পানি না থাকায় কিছুটা দেরি করে জেলায় আমন আবাদ শুরু হয়েছে। অনেক এলাকায় শ্যালো মেশিন অথবা গভীর নলকূপের সেচ দিয়ে জমি প্রস্তুত করে আগাম চাষাবাদ শুরু করেছিলেন কেউ কেউ। সম্প্রতি টানা বৃষ্টিতে কৃষকের মুখে হাসি ফুটেছে।

বগুড়া সদর ও গাবতলী উপজেলার বিভিন্ন এলাকার চাষিরা জানান, ইরি ধানের চেয়ে খরচ কিছুটা কম হওয়ায় প্রতিবারই তারা আমন চাষ করেন। বৃষ্টি হওয়ায় এখন সবাই চাষাবাদে ব্যস্ত। সেচ খরচ নেই বললেই চলে। তবে সার ও কীটনাশক ব্যবহার করতে হয় আমন চাষে। জেলার শেরপুর, শিবগঞ্জ, নন্দীগ্রামসহ সব উপজেলায়ই আমন আবাদ হয়ে থাকে।

সোনাতলা উপজেলার হুয়াকুয়া গ্রামের মুসা মন্ডল জানান, বৃষ্টির পর জমি তৈরি করে চারা লাগানো হয়েছে। উপজেলায় মাঠে মাঠে চাষিরা আমন চাষে ব্যস্ত সময় পার করছে। শেরপুর উপজেলার নাহিদ হাসান জানান, বেশকিছু জমিতে আমন চারা রোপণ শেষ হয়েছে। আরও জমি আছে যেগুলোতে চাষ শেষ করে বীজ লাগানোর কাজ চলছে। নিচু এলাকায় বৃষ্টির পানি দিয়ে জমি তৈরি করা গেলেও উঁচু জমিতে সেচ দিতে হচ্ছে।

জানা যায়, ১০-১২ হাজার টাকা খরচে বিঘাপ্রতি ১৫-২০ মণ ধান পাওয়া যায়। জুলাই থেকে আগস্ট মাস পর্যন্ত আমন আবাদ করেন চাষিরা। আগাম জাতের ধান অক্টোবরের মাঝামাঝি কাটা শুরু হলেও নভেম্বর থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত কৃষকের ঘরে ওঠে সোনালি ফসল। জেলায় চলতি মৌসুমে ১ লাখ ৮২ হাজার ৯৫০ হেক্টর জমিতে আমন চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর। চাল উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৫ লাখ ৫২ হাজার মেট্রিক টন।

এখন পর্যন্ত বগুড়ায় ৪০ শতাংশ জমিতে আমন রোপণ করা হয়েছে। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের অতিরিক্ত উপ-পরিচালক এনামুল হক জানান, সব ঠিক থাকলে এবার আমনের বাম্পার ফলন হবে। উচ্চ ফলশীল জাতের ব্রি-৮৭, ব্রি-৭৫, বিনা-১৭ সহ অনেক জাতের ধান রোপণ করা হচ্ছে। এ জাতের ধান আগাম চাষ হয়ে থাকে। বগুড়া কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক দুলাল হোসেন বলেন, গত বছরের চেয়ে এবার আমন চাষের জমি বেড়েছে। যে কারণে ফলনো বেশি হবে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ৮, ২০২২ ৯:৩০ পূর্বাহ্ন
ঝালকাঠিতে ব্রি ৪৮ জাতের ধান প্রদর্শনীর মাঠ দিবস পালন
কৃষি গবেষনা

ঝালকাঠি জেলার অধিকাংশ জমিতে আমন জাতের ধানের চাষ হত। বাকি সময় চাষযোগ্য জমি পতিত থাকত। চলতি বছর বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট এর সেচ ও পানি ব্যবস্থাপনার উদ্যোগে ‘উপকূলীয় বরিশাল ও খুলনা অঞ্চলে পানি সম্পদ মাটির লবণাক্ততা ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে ফসলের নিবিড়তা বৃদ্ধিকরণ’ কর্মসূচির আওতায় ঝালকাঠি সদর উপজেলার যোগেশ্বর গ্রামে কৃষক দুলাল হাওলাদার এর ৩০ বিঘা জমিতে স্থাপন করা একটি ব্লক পরিদর্শন করা হয়।

রবিবার সেখানে দুপুরে ফসল কর্তন ও মাঠ দিবস পালন করা হয়।

সেচ ও ধান গবেষণা বিভাগের সিনিয়র সাইন্টিফিক অফিসার মো. মনিরুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন কৃষি সম্প্রসার অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ মো. মনিরুল ইসলাম। উপস্থিত ছিলেন উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ সুলতানা আফরোজ, ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট এর সেচ ও পানি ব্যবস্থাপনা বিভাগের কর্মসূচি পরিচালক ও সিনিয়র সাইন্টিফিক অফিসার ড. প্রিয় লাল চন্দ্র পাল, উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা আমিনুল ইসলামসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও ১২০ জন কৃষক-কৃষাণী। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ঐশিক দেবনাথ।

কৃষকরা জানান ব্রি ৪৮ ধান চাষ করে এ বছর লাভবান হবেন। ইতোমধ্যেই মাত্র ১০৫ দিন সময়ের মধ্যে এই জাতের ফলন ৩৩ শতাংশ জমিতে ২১ মন ধান পাওয়া গেছে। আগামীতে এই জাতের ধান চাষ করে অল্প জমিতে কম সময়ে অধিক ফলন পাওয়া যাবে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ৭, ২০২২ ৪:৪০ অপরাহ্ন
জ্বালানির দাম বৃদ্ধিতে দিশেহারা উত্তরের কৃষকরা
কৃষি বিভাগ

জ্বালানির দাম বাড়ায় দিশেহারা হয়ে পড়েছেন উত্তরের জেলা কুড়িগ্রামের কৃষকরা। মাঝরাতের ডিজেলের দাম বৃদ্ধি পাল্টে দিয়েছে সবার পরিস্থিতি।

কৃষকরা জানান, এবার বৃষ্টি কম হওয়ায় সেচের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে আমন চাষ। এর মাঝে বেড়েছে সারের দাম। এবার অকল্পনীয় দাম বাড়ল ডিজেলের। এক বিঘা জমি চাষে যেখানে খরচ হতো ৯০০ থেকে হাজার টাকা। ডিজেলের দাম বাড়ায় একই জমি চাষে খরচ হচ্ছে ১৫০০ থেকে ১৭০০ টাকা।

এছাড়াও পুরো মৌসুমে সেচতো আছে। সব মিলিয়ে আবাদ নিয়ে দিশেহারা কুড়িগ্রামের কৃষকরা।

শুক্রবার (৫ আগস্ট) বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপপ্রধান তথ্য অফিসার মীর মোহাম্মদ আসলাম উদ্দিন স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে দেশে সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, শুক্রবার (৫ আগস্ট) দিবাগত রাত ১২টার পর থেকে ডিপোর ৪০ কিলোমিটারের মধ্যে ভোক্তা পর্যায়ে খুচরা মূল্য ডিজেল প্রতি লিটার ১১৪ টাকা, কেরোসিন প্রতি লিটার ১১৪  টাকা, অকটেন প্রতি লিটার ১৩৫ টাকা ও পেট্রল প্রতি লিটার ১৩০ টাকা লিটার হবে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ৭, ২০২২ ৩:০০ অপরাহ্ন
অর্থনীতিকে সহনশীল রাখতেই তেলের দাম বাড়াতে বাধ্য হয়েছে সরকার: কৃষিমন্ত্রী
কৃষি বিভাগ

বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক অস্থিরতার মধ্যে দেশের অর্থনীতিকে সহনশীল ও স্বস্তির মধ্যে রাখতেই তেলের দাম বাড়াতে সরকার বাধ্য হয়েছে বলে উল্লেখ করেছেন কৃষিমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ড. মো: আব্দুর রাজ্জাক। একইসাথে, আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম আরও কমলে দেশেও তেলের দাম কমানো হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

রবিবার(৭ আগস্ট) সকালে কুমিল্লা শহরের শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে সিলেট, কুমিল্লাসহ পাহাড়ি অঞ্চলে তেল ফসল ও ধানের উৎপাদন বৃদ্ধি শীর্ষক কর্মশালা শুরুর আগে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ব্রি) ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর (ডিএই) এ কর্মশালার আয়োজন করে।

মন্ত্রী বলেন, দেশে তেলের দাম কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছে। এর জন্য রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধসহ আন্তর্জাতিক সংকট দায়ী। এই সংকটের কারণে সারা পৃথিবীতেই অর্থনীতি অস্থিরতার মধ্যে রয়েছে। দেশে এ অস্থিরতা মোকাবেলা করার জন্য সরকার তেলের দাম বাড়াতে বাধ্য হয়েছে। তেলে এতো ভর্তুকি দিলে আমাদের ফরেন রিজার্ভ অনেক কমে যাবে, তখন সারা জাতি হুমকির মধ্যে পড়বে। তারচেয়ে বর্তমানে সাবধান হওয়া ভাল, সাশ্রয়ী ও কৃচ্ছ্রসাধন করা ভাল। বর্তমানে একটু কষ্ট সাময়িকভাবে মেনে নিয়ে যাতে আমরা সাবধান হই। দেশটাকে তো আমরা ঝুঁকির মধ্যে ফেলতে পারি না। সেজন্য, সরকার তেলের দাম বাড়াতে বাধ্য হয়েছে যাতে তেলের ব্যবহার কিছুটা হলেও কমে এবং আমরা যাতে শ্রীলঙ্কার মতো বিপর্যয়ে না পড়ে সহনশীল অবস্থায় ও টিকে থাকতে পারি।

তেলের দাম বৃদ্ধির ফলে কৃষিতে প্রভাব পড়বে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, বিদ্যুতের দাম বাড়ে নি, ফলে বিদ্যুৎচালিত সেচযন্ত্রে কোন সমস্যা হবে না। তবে সার্বিকভাবে কৃষিতে কিছুটা প্রভাব পড়বে। কৃষি উৎপাদন কমবে না, তবে কৃষকের লাভ কমে আসবে। বিশ্বপরিস্থিতির কারণে একটু কষ্ট হলেও, আমাদর সবাইকে সম্মিলিতভাবে তা মোকাবেলা করতে হবে।

পরে কর্মশালায় প্রদত্ত বক্তব্যে মন্ত্রী বলেন, সিলেট ও পাহাড়ি অঞ্চলে অনেক জমি পতিত থাকে। দেশে খাদ্যের ক্রমবর্ধমান চাহিদা মেটাতে কোনক্রমেই এসব জমি পতিত রাখা যাবে না। পাশাপাশি ধানের উৎপাদন না কমিয়ে বিদ্যমান শস্যবিন্যাসে তেল ফসলকে অন্তর্ভুক্ত করার সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে হবে। সেজন্য, কৃষি কর্মকর্তাদের আন্তরিকতার সাথে কাজ করতে হবে।

কৃষিসচিব মো: সায়েদুল ইসলামের সভাপতিত্বে কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আরফানুল হক রিফাত, ব্রির মহাপরিচালক শাহজাহান কবীর, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বেনজীর আলম,  বিএডিসির চেয়ারম্যান এএফএম হায়াতুল্লাহ, বারির মহাপরিচালক দেবাশীষ সরকার, কুমিল্লার জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ৭, ২০২২ ৯:২০ পূর্বাহ্ন
নতুন জাতের ধান ব্রি-৯৩, বীজ বিক্রি করে লাখপতি তিনি!
কৃষি বিভাগ

ঠাকুরগাঁওয়ের কৃষক খলিলুর রহমান, পাঁচ একর জমিতে নতুন জাতের ধান আবাদ করে ৫ লাখ টাকার সেই ধানের বীজ বিক্রি করে, এলাকায় আলোড়ন সৃষ্টি করেন। সেই ধানের বীজ থেকে উৎপাদিত ধানের চারা দেখতে রাণীশংকৈলের রাতোর ইউনিয়নে ছুটছে বিভিন্ন এলাকার কৃষক।

খলিলুর রহমান জানান, আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে কৃষক পর্যায়ে উন্নতমানের ধান,গম ও পাট বীজ উৎপাদন,সংরক্ষণ এবং বিতরণ প্রকল্পের আওতায় উপজেলা কৃষি অফিস থেকে ব্রি-৯৩ জাতের ধানের বীজ সগ্রহ করি। কৃষি অধিদপ্তরের সহযোগিতা এবং পরামর্শ নিয়ে আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে গত ২১-২২ অর্থবছরে আমন মৌসুমে ৫ একর জমিতে এ ধানের বীজ রোপণ করে তা থেকে ১৫ টনের অধিক ধান উৎপাদন করি। এ ধানের বীজ স্থানীয় কৃষকদের কাছে ৪০ টাকা কেজি দরে ৫ লক্ষ টাকার বীজ বিক্রি করি। বাকি ২-৩ টন ধান খাদ্য হিসেবে সংগ্রহ করেন বলে জানান তিনি।

রাতোর ইউনিয়নের কৃষক শামসুল আলম জানান, আমি এ জাতের ধানের বীজ রোপণ করি এবং ধানের চেহারাও অনেক ভাল। ধান লাগানোর সময় যে খরচ অন্যান্য ধানের চেয়ে এর খরচ কম। আশা করছি আমিও খলিলের মতো বীজ উৎপাদন করব ইনশাল্লাহ, জানান শামসুল আলম।

রাণীশংকৈল উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ সঞ্জয় দেবনাথ জানান, রাতোর ইউনিয়নের কৃষক খলিলুর রহমান কৃষি অফিস থেকে বিনামূল্যে ৫০ কেজি ব্রি-৯৩ জাতের বীজ নিয়ে ৫ একর জমিতে চাষ করে ১৫ টন ধান উৎপাদন করে সরক্ষণ করেন। এই ধানের বীজ ১২টন বিক্রি করেন। যা ৫ লক্ষ টাকায় বিক্রি করে এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ৭, ২০২২ ৯:০৯ পূর্বাহ্ন
কুমিল্লায় পানের বাম্পার ফলনে কৃষকের মুখে হাসি
কৃষি বিভাগ

কুমিল্লা জেলার চান্দিনায় এবার পানের বাম্পার ফলন হয়েছে। তাতে কৃষকের মুখে দেখা দিয়েছে হাসি। ধীরে ধীরে পান চাষে আগ্রহী হয়ে উঠছে এ অঞ্চলের কৃষক। জেলার চান্দিনা উপজেলার, মহিচাইল, কাদুটি, বরকড়ই এইসব এলাকায় দেখা যায় পানের বরজের নজরকাড়া দৃশ্য। পান চাষ একটি দীর্ঘমেয়াদী লাভজনক ফসল।

একবার পানের বরজে কাজ করলে ১০ থেকে ১২ বছর পর্যন্ত বরজে কাজ করতে হয় না। তুলনামূলকভাবে অন্যান্য ফসলের চেয়ে রাসায়নিক সারের ব্যবহারও অনেকটাই কম। দেশীয় পদ্ধতিতে পান চাষে প্রথমে ডাল সংগ্রহ করে জমিতে রোপণ করতে হয়। এর তিন থেকে চার মাস পর ডাল থেকে সবুজ লতা বের হয়ে ছেয়ে যায় পান পাতার লতা। তারপর শুরু হয় চাষিদের পান সংগ্রহ। এক বিঘা জমিতে পান চাষ করে প্রতি বছর দুই লাখ টাকা পর্যন্ত আয় করা সম্ভব বলে জানান পান চাষিরা।

কাদুটি গ্রামের পান চাষি জুয়েল চৌধুরী জানান, এবার পানের ভালো ফলন হয়েছে। বাজার দামও বেশ ভালো। আগের চেয়ে পান চাষ বেশি হচ্ছে, আবার পদ্ধতির অনেক পরিবর্তন হয়েছে। তার সাফল্যের অনুভূতি ব্যক্ত করতে গিয়ে বলেন, প্রথমে আমি ২৫ শতাংশ জমিতে পানের চাষ শুরু করি। এখন তিন বিঘা জমিতে পানের চাষ হচ্ছে আমার। কৃষি অফিস থেকে অফিসার এসে আমাদের পান চাষের বিভিন্ন পরামর্শ প্রদান করেন।

কুমিল্লা কৃষি সম্প্রসারণের উপ-পরিচালক মিজানুর রহমান জানান, চান্দিনা উপজেলায় এবার ৭০ হেক্টর জমিতে পানের চাষ হয়েছে। প্রতি বছর এ এলাকায় পানের চাষ বাড়ছে। পান চাষে সরকারি কোনও বরাদ্দ না থাকায় তাদের বীজ, সার, প্রশিক্ষণ দেওয়া সম্ভব হয় না। তবে পান চাষিদের পানে পচন, নষ্ট হওয়ার হাত থেকে রক্ষা পেতে বিভিন্ন ধরনের পরামর্শের কথা জানান তিনি।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop