৬:৫০ পূর্বাহ্ন

মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : এপ্রিল ১৯, ২০২২ ২:৫৩ অপরাহ্ন
আন্তঃফসল চাষ করে লাভবান জয়পুরহাটের কৃষকরা
কৃষি বিভাগ

জয়পুরহাট জেলার সীমান্ত অঞ্চলের জমির সর্বত্তোম ব্যবহার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে আন্তঃফসল চাষ করে লাভবান হচ্ছেন প্রত্যন্ত অঞ্চলের কৃষকরা।

জেলার সীমান্ত সংলগ্ন প্রত্যন্ত অঞ্চলের ধুলহার গ্রামের চাষিরা জানায়, বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ‘জাকস ফাউন্ডেশনের’ কারিগরি সহায়তায় সদর উপজেলার ধলাহার ইউনিয়নের ধলাহার গ্রামের আব্দুর রহমান এবার তরমুজের জমিতে আন্ত:ফসল হিসেবে লাল শাক ও জগন্নাথ শাক চাষ করেন। ২৫ শতাংশ জমিতে লালশাক ও জগন্নাথ শাকের বীজ বপন করেন মার্চ মাসে। তরমুজের জমিতে আন্তঃফসল চাষ করার জন্য জমির প্রস্তুতির কোন বাড়তি খরচ নেই।

আব্দুর রহমান আরও জানান, শুধুমাত্র বীজের জন্য সামান্য কিছু খরচ হয়েছে। এক মাসের মধ্যে বাজারে লালশাক ও জগন্নাথ শাক বিক্রি করেছেন ৫ হাজার টাকা। যা সংসারে বাড়তি আয় হয়েছে।

জাকস ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক মো: নূরুল আমিন জানান, পল্লীকর্ম সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ) কৃষি ইউনিটের সহযোগিতায় স্থানীয় বে-সরকারি উন্নয়ন সংস্থা “জাকস ফাউন্ডেশন” আন্ত :ফসল চাষে কৃষকদের কারিগরি সহায়তা প্রদান করা

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ পরিচালক কৃষিবিদ মো: শফিকুল ইসলাম জানান, জমির সর্বত্তোম ব্যবহার নিশ্চিত করার জন্য সরকারের নির্দেশনা রয়েছে। সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নে সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা হিসেবে জয়পুরহাটে ’জাকস ফাউন্ডেশন’ আন্ত:ফসল চাষে কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করছে। আন্ত:ফসল চাষ করে কৃষকরা বাড়তি আয় করতে পারে বলেও জানান তিনি।

 

 

সূত্রঃ বাসস

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ১৮, ২০২২ ৩:৫০ অপরাহ্ন
বরিশালে নিরাপদ মুগডাল উৎপাদন বিষয়ক মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত
কৃষি বিভাগ

নাহিদ বিন রফিক (বরিশাল): বরিশালে মুগ ফসলের পোকামাকড় সনাক্তকরণ ও সমন্বিত বালাই ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে নিরাপদ ফসল উৎপাদন প্রযুক্তি বিষয়ক কৃষক মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ রহমতপুরের আঞ্চলিক কৃষি গবেষণা কেন্দ্রে (আরএআরএস) এই মাঠ দিবসের আয়োজন করা হয়।

বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলে চাষকৃত গুরুপূর্ণ ফল, পান, সুপারি এবং ডাল ফসলের পোকামাকড় সনাক্তকরণ ও সমন্বিত বালাই ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে নিরাপদ ফসল উৎপাদন প্রযুক্তি উদ্ভাবন ও বিস্তার কর্মসূচির উদ্যোগে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন আরএআরএস’র মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. রফি উদ্দিন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আরএআরএস’র প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. গোলাম কিবরিয়া। বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. রফিকুল ইসলাম এবং কর্মসূচি পরিচালক ড. মো. মাহবুবুর রহমান।

বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. রাশেদুল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ঊধর্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. মোস্তাক আহমেদ, বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. মাহবুবুর রহমান, বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. রাজি উদ্দিন, কৃষি তথ্য সার্ভিসের কর্মকর্তা নাহিদ বিন রফিক, কৃষক রতন শরীফ প্রমুখ।

প্রধান অতিথি কৃষকদের উদ্দেশ্যে বলেন, মুগ খেতে যেমন সুস্বাদু। তেমনি পুষ্টিগুণেও ভরপুর। আমিষের পাশাপাশি মুগে আছে একাধিক গৌণ উপদান। তাই আমাদের চাহিদা পূরণে দরকার এর নিরাপদ উৎপাদন। আর তা বাস্তবায়ন হলে কৃষকরা লাভবান হবেন। সেই সাথে পরিবেশ থাকবে অনুকূলে।

কর্মসূচি পরিচালক ড. মো. মাহবুবুর রহমান বলেন, অন্যান্য ফসলের ন্যায় মুগের রোগপোকা দমনে কৃষকরা সাধারণত রাসায়নিক বালাইনাশক ব্যবহার করে থাকেন। এতে উৎপাদন ব্যয় বেড়ে যায়। তাছাড়া সময়মত সঠিক ব্যবস্থা না নেওয়ার কারণে তেমন কোনো কাজে আসে না। এজন্য নিরাপদ উপায়ে পোকা দমনে কৃষকদের উৎসাহিত করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে কর্মসূচির আওতাধীন বরিশালের ৬ জেলার বেশ কিছু সংখ্যক মুগডাল চাষিকে বিনামূল্যে আঠালো ফাঁদসহ বিভিন্ন জৈব বালাইনাশক বিতরণ করা হয়েছে।

মাঠ দিবসে উজিরপুর, বাকেরগঞ্জ ও বানারীপাড়ার ৮০ জন কৃষক অংশগ্রহণ করেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ১৭, ২০২২ ১:১৬ অপরাহ্ন
হাওরের ফসলের ঝুঁকি কমাতে ও টেকসই বাঁধ নির্মাণে সমন্বিত উদ্যোগ নেয়া হবে: কৃষিমন্ত্রী
কৃষি বিভাগ

হাওরে বোরো ধানের ঝুঁকি কমাতে স্বল্পজীবনকালীন আগামজাতের ধান চাষ, টেকসই বাঁধ নির্মাণ ও সময়মতো সংস্কারে আন্তঃমন্ত্রণালয় সমন্বয় বৃদ্ধি এবং ধান পাকার পর তা দ্রুত কাটার জন্য হাওরে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে পর্যাপ্ত ধান কাটার মেশিন কম্বাইন হারভেস্টার ও রিপার প্রদানে গুরুত্ব দিয়ে কাজ চলছে বলে জানিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক।

শনিবার সুনামগঞ্জ জেলার দিরাই উপজেলার চাপতির হাওরে ফসল রক্ষা বাঁধ ও বোরো ধানখেত পরিদর্শনকালে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, হাওরে ১২-১৪ লাখ টন ধান হয়, যা দেশের খাদ্য নিরাপত্তার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু এ ধান খুবই ঝুঁকিপূর্ণ, কোন কোন বছর আগাম বন্যার কারণে নষ্ট হয়ে যায়। এ ঝুঁকি কমাতে ১৫-২০ দিন আগে পাকে এমন জাতের ধানচাষে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। ইতোমধ্যে বিজ্ঞানীরা অনেকগুলো জাত উদ্ভাবন করেছে। এসব জাত চাষে কৃষকদের এগিয়ে আসতে হবে।

ব্লাস্ট রোগ হাওয়ায় ব্রি২৮ ও দেরিতে পাকার কারণে ব্রি২৯ ধান হাওরে চাষ না করার জন্য কৃষকদেরকে এসময় আহ্বান জানান মন্ত্রী। তিনি বলেন, হাওরের বিস্তীর্ণ জমিতে বছরে মাত্র একটি ফসল বোরো ধান হয়। এ ফসলের উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি করতে হবে, সেজন্য উচ্চফলনশীল জাতের ধান যেমন ব্রিধান ৮৯, ব্রিধান ৯২ এবং বিনাধান-১৭ চাষ করতে হবে। আমরা আপনাদেরকে এসব উন্নত জাতের ধানের বীজ দেব। আপনার এগুলো চাষে এগিয়ে আসবেন।

বাঁধ ভেঙে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের বিভিন্ন প্রণোদনা ও খাদ্য সহায়তা দেয়া হবে বলে জানান মন্ত্রী। তিনি বলেন, আগামী বোরোতে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের বিনামূল্যে বীজ, সার দেয়া হবে। এছাড়া, সারা বছর ধরে ভিজিএফসহ বিভিন্ন খাদ্য সহায়তা দেয়া হবে, যাতে খাদ্যের জন্য কেউ কষ্ট না করে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের পাশে আছেন।

ফসল রক্ষায় টেকসই বাঁধ নির্মাণ ও সময়মতো সংস্কারের জন্য কৃষি মন্ত্রণালয়, পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়, পানি উন্নয়ন বোর্ডসহ সকলে মিলে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে বলে জানান মন্ত্রী। তিনি বলেন, বাঁধগুলো অনেকক্ষেত্রে সময়মতো সংস্কার হয় না। এক্ষেত্রে বাঁধ সংস্কার ও রক্ষণাবেক্ষণে বিদ্যমান নীতিমালার প্রয়োজনে পুনমূল্যায়ন করা হবে। এছাড়া, পানির ধারণক্ষমতা বাড়ানোর জন্য নদী খননে উদ্যোগ নেয়া হবে।

শ্রমিক সংকটের কথা চিন্তা করে ও দ্রুততার সঙ্গে ধান কাটার জন্য হাওরে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কম্বাইন হারভেস্টার ও রিপার দেওয়া হচ্ছে জানিয়ে ড. রাজ্জাক বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বর্তমান কৃষকবান্ধব সরকার ৭০% ভর্তুকিতে ধান কাটার যন্ত্রকম্বাইন হারভেস্টার ও রিপার কৃষকদের দিচ্ছে।

ধান ঘরে তোলা নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করে মন্ত্রী আরও বলেন, কৃষিমন্ত্রী হিসেবে আগাম বন্যা বা আকস্মিক ঢলের কারণে হাওরে বোরো ধান ঘরে তোলা নিয়ে প্রতিবছরই আতঙ্কে থাকি। বৃষ্টি আর নাহলে এ বছরের অবশিষ্ট ধানগুলো কৃষকের ঘরে তোলার বিষয়ে আমরা আশাবাদী। পর্যাপ্ত ধান কাটার যন্ত্র হাওরে বরাদ্দ দেয়া হয়েছে, দেশের অন্য অঞ্চল থেকেও যন্ত্র আনা হচ্ছে। বাঁধ রক্ষায় স্থানীয় প্রশাসন, কৃষি বিভাগ ও রাজনীতিবিদরা কৃষকের পাশে রয়েছে।

পরিদর্শনকালে কৃষিসচিব মো. সায়েদুল ইসলাম, সংসদ সদস্য মুহিবুর রহমান মানিক, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বেনজীর আলম, ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক শাহজাহান কবীর, পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক মির্জা মোফাজ্জল ইসলাম, কৃষকলীগের সাধারণ সম্পাদক সংসদ সদস্য উম্মে কুলসুম স্মৃতি, সুনামগঞ্জের সংসদ সদস্য শামীমা আক্তার, জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, বিএমডিএর পরিচালনা বোর্ডের সদস্য সাখাওয়াত হোসেন সুইট প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

পরে কৃষিমন্ত্রী সদর উপজেলার জাওয়ার হাওরে স্বল্পজীবনকালীন আগামজাত বিনাধান-১৭ এবং উচ্চফলনশীল ব্রিধান ৮৯ কর্তন ও কৃষকদের সাথে মতবিনিময় অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন। এসময় তিনি ধান কাটার উদ্বোধন করেন ও ধান কাটার যন্ত্র ‘কম্বাইন্ড হারভেস্টার ও রিপার’ কৃষকের মাঝে বিতরণ করেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ১৬, ২০২২ ১১:১০ পূর্বাহ্ন
বরগুনার আমতলীতে বারি মুগ-৬’র উৎপাদন বিষয়ক মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত
কৃষি বিভাগ

নাহিদ বিন রফিক (বরিশাল): বরগুনার আমতলীতে ডাল ফসলের উন্নত জাত বারি মুগ-৬’র আধুনিক উৎপাদন কৌশল বিষয়ক কৃষক সমাবেশ ও মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (১৫ এপ্রিল) উপজেলার কেওড়াবুনিয়ায় বিএআরআই পটুয়াখালীর সরেজমিন গবেষণা বিভাগের উদ্যোগে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

এতে প্রধান অতিথি ছিলেন কৃষি সচিব মো. সায়েদুল ইসলাম। তিনি বলেন, দক্ষিণাঞ্চলে মুগ ডালের রয়েছে যথেষ্ট সম্ভাবনা। তাই এর আবাদ বাড়ানো দরকার। সেই সাথে চাই আধুনিক জাত ব্যবহার। তাহলেই উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে। কৃষকরা চাষে হবেন উৎসাহিত। তিনি আরো বলেন, কৃষকের ভাগ্যের ওপরই এদেশের ভাগ্যে নির্ভর করে। তাই কৃষিকে লাভজনক করতে হবে। এ জন্য বাণিজ্যিকীকরণ করা দরকার। তাহলে কৃষির মাধ্যমে দেশ হবে উন্নত।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বিএআরআই) মহাপরিচালক ড. দেবাশীষ সরকার। বিশেষ অতিথি ছিলেন ইউনিভার্সিটি অব ওয়েস্টার্ণ অস্ট্রেলিয়ার ডেপুটি প্রজেক্ট লীডার এম জি নিয়গী এবং কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের ভারপ্রাপ্ত অতিরিক্ত পরিচালক মো. হারুন-অর-রশীদ।

অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সরেজমিন গবেষণা বিভাগের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. শহিদুজ্জামান, বৃহত্তর বরিশাল ও ফরিদপুর অঞ্চলের ডাল উৎপাদন বৃদ্ধি প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক ড. মো. ছালেহ উদ্দিন, আয়োজক প্রতিষ্ঠানের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. সহিদুল ইসলাম খান, কৃষক মো. নাছির উদ্দিন, মাকসুদা আক্তার প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা এবং কৃষক মিলে দু’শতাধিক অংশগ্রহণকারী উপস্থিত ছিলেন। এর আগে প্রধান অতিথি পটুয়াখালী সদরের বদরপুরে স্থাপিত জিরো এনার্জি কুল চেম্বার প্রদর্শনী পরিদর্শন করেন। পরে তিনি পটুয়াখালীর দুমকিতে মুগ ডালের পোস্টহারভেস্ট প্রসেসিং ব্যবস্থাপনা ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী এবং কৃষি উদ্যোক্তাদের সাথে মতবিনিময় সভায় অংশগ্রহণ করেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ১৫, ২০২২ ৩:২৬ অপরাহ্ন
কুষ্টিয়ায় ধান চাষে লাগছেনা বাড়তি সেচ
কৃষি বিভাগ

সারাবছর ধানের জমিতে পানি সেচ পাওয়ায় কুষ্টিয়ার গঙ্গা-কপোতাক্ষ (জিকে) সেচ প্রকল্পের আওতাধীন কৃষকদের মুখে হাসি ফুটেছে। এমনকি বোরো মৌসুমেও দিতে হয়নি বাড়তি পানি সেচ। এর ফলে বেঁচে গেছে কৃষকদের সেচ খরচ।

শুষ্ক মৌসুমেও পর্যাপ্ত পানি সরবরাহ করেছে গঙ্গা-কপোতাক্ষ সেচ প্রকল্প। এদিকে তিন মৌসুমে পানি সেচ পাওয়ায় বেড়েছে ধানের আবাদ। আর আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এবার ধানের বাম্পার ফলনের আশা কৃষি অধিদপ্তরের। আর কম খরচে এবার বোরো ধান আবাদ করে খুশি কৃষকরা।

কয়েক বছর আগেও আউস ও আমন ধানের ক্ষেতে নাম মাত্র পানি পাওয়া যেত জিকে সেচ খাল থেকে। আর বোরো ধান হতো সম্পূর্ণ কৃষকদের সেচ পাম্প দিয়ে। এতে ধান উৎপাদনে বাড়তি খরচ হতো কৃষকদের। কিন্তু এ বছর তিন মৌসুমেই পানি ছিল জিকে সেচ খালে। ফলে বেড়েছে বোরো ধানচাষির সংখ্যাও।

জিকে সেচ প্রকল্প সূত্রে জানা যায়, কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা, মাগুরা ও ঝিনাইদহ জেলার ১৩ উপজেলার প্রথমে ৪ লাখ ৮৮ হাজার একর জমি সেচের আওতায় এনে ১৯৬৯ সালে শুরু হয় জিকে সেচ প্রকল্পের কাজ। পানির অভাবে প্রতিবছর কোটি-কোটি টাকা ব্যয়ে ইনটেক চ্যানেল ছাড়াও পদ্মার উজান মুখে ড্রেজিং করে সেচ প্রকল্পটি চালু রাখা হয়। এদিকে ২০০৫ সালে স্থাপিত গঙ্গা-কপোতাক্ষ সেচ প্রকল্পের তিন নম্বর পাম্পটি ২০১৭ সালের ১৯ এপ্রিল অকেজো হয়ে পড়ে। এরপর চার বছর দু’টি পাম্প দিয়েই চলে সেচ কাজ। যার ফলে কমতে থাকে এর আওতাধীন কৃষি জমি।
পরে ২০২১ সালের নভেম্বরে অকেজো পাম্পটি সচল হয়। যার ফলে বোরো মৌসুমেও পর্যাপ্ত পানি পান কৃষকরা।

গত দুই বছর আগেও জিকে সেচ প্রকল্পের খালে পানি না থাকায় শুকিয়ে যেত বোরো ধানের জমি। কৃষকরা বাড়তি সেচ দিতে গিয়ে হিমশিম খেতেন। উৎপাদন খরচ বাড়তো দ্বিগুণ। কিন্তু এ বছর পাল্টে গেছে কুষ্টিয়ার জিকে সেচের আওতাধীন বোরো চাষিদের অবস্থা। পুরো মৌসুম জুড়ে জমিতে বাড়তি সেচ দিতে হয়নি। পর্যাপ্ত পানি পাওয়ায় মাঠজুড়ে সবুজের সমারোহ। বোরো ধান দেখে খুশি কৃষকরা।

কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার আমলা ইউনিয়নের কচুবাড়ীয়া মাঠের ধান চাষি সাইদুল ইসলাম বলেন, ডিজেলের যে দাম, আর বোরো ধানে প্রায় প্রতিদিন পানি সেচ দিতে হতো। কিন্তু এবার সারা বছরই জিকে সেচের পানি পেয়েছি। এক লিটার তেলও কিনতে হয়নি। আর মাঠে ধানের চেহারা দেখলেই মন ভরে যাচ্ছে। এত সুন্দর ধান মাঠে হবে আশাই করতে পারিনি।

তিনি আরও বলেন, এখন জমিতে সার ও বীজ আর নিড়ানি খরচ। পানি সেচ দিতে হয়নি। যার কারণে অর্ধেক খরচে এবার ধান হচ্ছে।
ফারুক আলী নামে আরেক চাষি বলেন, আমরা ঠিকমতো পানি সেচ পেতাম না বলে অনেকেই বোরো আবাদ কমিয়ে দিয়েছিলাম। কিন্তু এবার সারাবছর জিকে ক্যানেলের পানি পেয়েছি। এতে আমরা খুবই কম খরচে আবাদ করছি। আগামীতে ধানের আবাদ আরও বাড়বে।

এদিকে কৃষি বিভাগ বলছে, এ বছর কুষ্টিয়ায় বেড়েছে বোরো ধানের আবাদ। যা আগের রেকর্ডকে ছাড়িয়ে গেছে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য মতে, কুষ্টিয়া জেলার ছয়টি উপজেলায় চলতি বোরো মৌসুমে ৩৫ হাজার ১১০ হেক্টর জমিতে ধানের আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল। সেখানে আবাদ হয়েছে ৩৫ হাজার ২১৫ হেক্টর জমিতে। এছাড়া উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ছিলে ১ লাখ ৫৪ হাজার ৪৭৮ টন। এ বছর ফলন বেশ ভালো হওয়ার আশা রয়েছে কৃষি বিভাগের। সেই সঙ্গে গত আউস ও আমন ধানেরও লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি আবাদ করেন কৃষকরা। আউসে ২৮ হাজার ১১০ হেক্টর জমিতে আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছিল কৃষি অফিস। সেখানে কৃষকরা চাষ করেন ২৮ হাজার ১২৫ হেক্টর জমিতে। আমনে লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৮৮ হাজার ৮৮৫ হেক্টর জমিতে। সেখানে আবাদ হয়েছে ৮৮ হাজার ৯০৫ হেক্টর জমিতে।

মিরপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রমেশ চন্দ্র ঘোষ জানান, বোরো ধানের জমিতে সেচ খরচ বেশি হওয়ার কারণে বোরো চাষে কৃষকদের আগ্রহ ছিল না। তবে এ বছর আবার কৃষকরা বোরো ধান চাষে ঝুঁকছেন। মিরপুর উপজেলার অধিকাংশ কৃষি জমি জিকে সেচ প্রকল্পের পানি সেচে ধানের আবাদ হয়। যার ফলে কম খরচে ধানের আবাদ করছেন কৃষকরা। এছাড়া উপজেলা কৃষি অফিস থেকে এ বছর বোরো মৌসুমে এক হাজার ৩০০ কৃষককে উচ্চ ফলনশীল (উফশী) এবং চার হাজার ৮৩০ জন কৃষকের মধ্যে হাইব্রিড জাতের ধানের বীজ প্রণোদনার মাধ্যমে বিনামূল্যে বিতরণ করা হয়েছে। তিনি আরও জানান, এ বছর আবহাওয়া ধান চাষের জন্য অনুকূলে ছিল। আর আউস ও আমন ধানের মতো বোরো মৌসুমেও বাম্পার ফলন হবে বলে আমরা আশা করি।

কুষ্টিয়া জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক সুশান্ত কুমার প্রামাণিক জানান, আমরা অল্প জমিতে প্রযুক্তির ব্যবহারের মাধ্যমে অধিক ফলনের জন্য কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করছি। বিগত কয়েক বছরের তুলনায় ধানের ফলন ও দাম ভালো হওয়ায় কৃষকরা ধান চাষে আগ্রহী হচ্ছেন। সেই সঙ্গে প্রণোদনা ও নানা কর্মসূচির মাধ্যমে ধান চাষ বৃদ্ধিতে আমরা কাজ করছি।

 

 

সূত্র: বাসস

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ১৪, ২০২২ ১:০১ অপরাহ্ন
হাইব্রিড করলা চাষে সফল মৌলভীবাজারের শফিক
কৃষি বিভাগ

নিরাপদ সবজির গ্রাম বনগাঁও। যে গ্রামের অধিকাংশ পরিবার কৃষির ওপর নির্ভরশীল। তাই সারা বছর এই গ্রামে উৎপাদিত হয় বিষমুক্ত নানা জাতের সবজি। এবার অধিক ফলনশীল ও আকর্ষণীয় হাইব্রিড করলা ‘টিয়া সুপার’ চাষে চমক সৃষ্টি করেছেন জেলার শ্রীমঙ্গল উপজেলার সিন্দুরখান ইউনিয়নের সবজির গ্রাম হিসাবে পরিচিত বনগাঁও গ্রামের কৃষক শফিক মিয়া।

তার সফলতা দেখে অন্য কৃষকরাও আগ্রহী হচ্ছেন, সুস্বাধু এই সবজি চাষে। তবে পানির অভাবে কাঙ্খিত ফলন হচ্ছে না বলে জানালেন কৃষকরা।

শফিক মিয়া জানালেন, আড়াই বিঘা জমিতে প্রথমে পরীক্ষামূলক ভাবে উচ্চফলনশীল জাতের ‘করলা টিয়া সুপার’ চাষ শুরু করেন। চারা লাগানোর ৪৫ দিনের মাথায় করলা সংগ্রহ শুরু করেন ওই কৃষক। ওজনে একেকটি করলা হয়ে থাকে ২৫০ থেকে ৩০০ গ্রাম।

কৃষক শফিক আরও জানান, আড়াই বিঘা জমিতে করলা চাষ করতে খরচ হয়েছে ৬০ হাজার টাকার মতো। মাঠ থেকেই প্রতি কেজি করলা বিক্রি করেছেন ৫০ থেকে ৬০ টাকা। একর প্রতি উৎপাদন হয়েছে ১২ থেকে ১৪ টন।

বাণিজ্যিকভাবে হাইব্রিড করলা টিয়া সুপার চাষ লাভজনক। এখনও আরো ১ লক্ষ টাকার উপরে করলা বিক্রি করতে পারবেন বলে আশা করছেন তিনি।

শফিকের সাফল্য দেখে এ জাতের করলা চাষ করছেন গ্রামের অন্য কৃষকরাও। তবে বর্তমানে করলার দাম কমে যাওয়ায় দুশ্চিন্তায় তারা।

সিন্ধুরখান ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইয়াছিন আরাফাত রবিন বলেন, পানির সংকটের কারণে অনেক কৃষি জমিতে ফসল চাষ করা যাচ্ছে না। তাই এখানে দ্রুত সেচের ব্যবস্থা করার জন্য সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

শ্রীমঙ্গল উপজেলা উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা শাহদত আহমেদ বাবুল জানান, টিয়া সুপার করলা খুব ভালো জাতের বীজ। ফলের ওজন ভালো। এই জাতের বীজ ব্যবহার করলে কৃষক লাভবান হবে বেশি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ১৩, ২০২২ ৩:৫৮ অপরাহ্ন
টানা বৃষ্টিতে জমিতে গম পঁচে চারাগাছ, বিপাকে কৃষক
কৃষি বিভাগ

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে টানা ২ সপ্তাহের বৃষ্টির কারনে জমিতেই গম পচে আবার সেই গম থেকে চারাগাছ বের হওয়ায় দিশেহারা হয়ে পড়েছে কৃষক। গম চাষে করে লাভতো দুরের কথা খরচের টাকা তুলতে না পারায় দুঃচিন্তায় পড়েছেন কৃষকেরা।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে উপজেলায় ১ হাজার ৮১৫ হেক্টর জমিতে গম চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল। তবে সেই লক্ষ্যমাত্রা থেকে ৯৫ হেক্টর বেশি জমিতে অর্থাৎ ১ হাজার ৯১০ হেক্টর জমিতে গম চাষ হয়েছে। গমের বাম্পার ফলনে কৃষকের মুখে ফুটে উঠেছিল স্বপ্ন পূরণের হাসি।

কিন্তু ২ সপ্তাহ ধরে লাগাতার বৃষ্টির কারনে কৃষকরা গম কাটতে নাপারায় ক্ষেতেই গম থেকে চারাগাছ উৎপন্ন হওয়ায় চাষিরা বিপুল পরিমাণ ক্ষতির সন্মুক্ষিন হয়েছেন।

উপজেলার চরভ‚রুঙ্গামারী ইউনিয়নের ইসলামপুর গ্রামের আব্দুল জলিল জানান, তিনি প্রায় সাড়ে ৮ বিঘা জমিতে গম চাষ করেছেন। এরমধ্যে ২বিঘা জমির গম কেটেছেন। ২ বিঘা জমিতে ফলন হয়েছে প্রায় ৩৬ মণ গম। লাগাতার বৃষ্টির কারণে অবশিষ্ট জমির গম কাটতে নাপারায় জমিতেই গমের চারা গজিয়েছে এবং যে সমস্ত গমের চারা গজায়নি সেগুলো পচে গেছে।

তিনি বলেন, সার, পানি ও বীজ বাকীতে নেয়া হয়েছে। গম বিক্রি করে বাকী পরিশোধ করার কথা থাকলেও এখন তিনি দেনা পরিশোধ নিয়ে দুঃচিন্তায় রয়েছেন। একই গ্রামের জাহেদুল আলম জানান, তিনি গম কেটে ক্ষেতে শুকানোর জন্য আটি বেধে রেখে ছিলেন। অতিবৃষ্টির কারনে গমের আটি থেকে চারাগাছ বের হওয়ায় তিনি বিপাকে পড়েছেন। ইসলামপুর গ্রামের মিজান শিকদার, বাবুল হোসেন, দক্ষিন তিলাই গ্রামের আব্দুর রহমান, আকবর আলী সহ অনেক কৃষকের একই অবস্থা। তারা জানান, এইউনিয়নে প্রায় শতাধিক কৃষকের জমির গম নষ্ট হওয়ায় কৃষকরা দুঃচিন্তায় পড়েছেন।

গমের পাইকারি ব্যবসায়ী আজম আলী ও আব্দুর রহমান জানান, প্রতিমণ গম ৮৫০ টাকা থেকে ৯০০ টাকা দরে প্রায় দেড় হাজার মণ কাচা গম কিনে গোডাউনে রাখা আছে। গত ২ সপ্তাহের লাগাতার বৃষ্টিতে গম গুলো রোদে শুকাতে না পারায় গম জমাট বেধে পোকা ধরেছে। কিছু গম পচে গেছে। এতে লাভ তো দ‚রের কথা আসল তুলতে পারবো কি না তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছি।

এব্যাপারে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আসাদুজ্জামান জানান, উপজেলার বেশিরভাগ গম কাটা হয়েছে। কিছু গম কাটতে বিলম্ব হওয়ায় বৃষ্টির কারণে সেগুলো ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে।

 

 

সূত্রঃ মানবকণ্ঠ

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ১৩, ২০২২ ১১:৪০ পূর্বাহ্ন
লাল ও মিষ্টি তরমুজ চেনার উপায়
কৃষি বিভাগ

মিষ্টি তরমুজ কিভাবে চিনব? এই প্রশ্ন এখন খুবই কমন কারণ বাজারে পাওয়া যাচ্ছে রসালো ফল তরমুজ। এই গরমে এক গ্লাস ঠান্ডা তরমুজের রস দূর করতে পারে ক্লান্তি। তরমুজ শরীরে পানির ঘাটতি পূরণ করে। শরীরে এনার্জি তৈরি করে দেয়। গরমে এই ফলটির চাহিদাও তেমনই থাকে। তরমুজে ২১ শতাংশ ভিটামিন সি, ১৮ শতাংশ ভিটামিন এ, ৫ শতাংশ পটাশিয়াম, ৪ শতাংশ ম্যাগনেশিয়াম এবং ৩ শতাংশ ভিটামিন বি১, বি৫ এবং বি৬ আছে। ত্বক ও চুল প্রাকৃতিভাবে সুন্দর রাখে তরমুজে থাকা ভিটামিন এ ও সি। এর অ্যা‌ন্টিঅ‌ক্সি‌ডেন্ট ক্যান্সার প্র‌তি‌রোধী ও  তারুণ্য ধ‌রে রাখ‌তে খুবই  কার্যকরী।

তবে তরমুজ কিনতে গিয়ে ঠকে যাবেন না আবার! অনেক সময় বাইরে থেকে দেখে ভালো মনে হলেও কাটার পর দেখা যায় তরমুজ ফ্যাকাশে, খেতেও পানসে।

জেনে নিন কীভাবে চিনবেন লাল এবং মিষ্টি তরমুজঃ

১: তরমুজের মাথার দিক খেয়াল করুন। যদি দেখেন হলুদ রঙ ধরেছে, তাহলে তাহলে বুঝবেন তরমুজ পাকা।

২: তরমুজ হাতে নিয়ে দেখুন। যদি ভিতরটা ফাঁপা মনে হয় তাহলে বুঝবেন তরমুজ এখনও কাঁচা রয়েছে। পাকা তরমুজে প্রচুর রস থাকে। ফলে তরমুজ ভারি হয়।

৩: তরমুজের গায়ে টোকা দিন। অতিরিক্ত ভারি আওয়াজ (ঠন ঠন অাওয়াজ) হলে বুঝবেন তরমুজ বেশি পেকে গেছে।

৪ঃ তরমুজের আকৃতি খেয়াল করুন। যদি তরমুজ পুরো সমান হয়, তাহলে বুঝবেন পাকা হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।

৫ঃবাইরের উজ্জ্বল রঙ দেখে বিভ্রান্ত হবেন না। পাকা তরমুজ সাধারণত গাঢ়, কালচে হয় দেখতে। চকচ‌কে উজ্জল রং হ‌লে সে‌টি কাঁচা তরমুজ।

৬ঃ খুব বড় বা খুব ছোট তরমুজ না কিনে মাঝারি আকারের তরমুজ কেনাই ভালো।

সতর্কতা: রাস্তার মোড়ে মোড়ে বা বাজারে খোলা অবস্থায় রাখা কাটা তরমুজ খাবেন না। তরমুজ কেটে ফ্রিজে ভরে রাখবেন না। এতে খাদ্য উপাদান কমে যায়। যেকোন ফল কেটে খোলা অবস্থায় রাখবেন না। এতে ভিটামিন সি নষ্ট হয়ে যায়। তরমুজে শাঁস অধিক লাল করার জন্য অসাধু ব্যবসায়ীরা কৃত্রিম রং ভিতরে প্রবেশ করিয়ে থাকে এমন তরমুজ কিনবেন না খাবেন না। তরমুজ কাটার পর শাঁস হাতে লাগলে কিছু রং হাতে লাগে এ তরমুজটি খাবেন না।

কতটুকু খাবেনঃ তরমুজের এত গুণ থাকা সত্ত্বেও একবারে খুব বেশি তরমুজ খাওয়া ঠিক নয়। গবেষক ও পুষ্টিবিদেরা বলেন, ১০০ গ্রাম তরমুজে ৩০ ক্যালরি থাকে। এ ছাড়া প্রতি ১০০ গ্রামে ৩.৩ গ্রাম চিনি থাকে। তরমুজে যেহেতু পানির পরিমাণ বেশি, তাই ৫০০ গ্রাম পর্যন্ত তরমুজ খাওয়া অনেকের কাছে সহজ মনে হতে পারে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ১২, ২০২২ ৮:৩৭ অপরাহ্ন
ভোলায় পেঁয়াজের খামারে কৃষিমন্ত্রীর পরিদর্শন
কৃষি বিভাগ

নাহিদ বিন রফিকঃ ভোলায় পেঁয়াজের খামার পরিদর্শন করেছেন কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক এম.পি.। আজ তিনি সদর উপজেলার চর মনশায় ১৪ একরের একটি পেঁয়াজের ক্ষেত পরিদর্শন করেন।

এ সময় কৃষকে উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, পেঁয়াজ গুরুত্বপূর্ণ মসলা ফসল। আমাদের দেশে বছরে এর চাহিদা ৩৩ লাখ টন। উৎপাদন ২২-২৩ টন। বাকিটা বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয়। এজন্য কোনো কোনো সময় এর দাম বেড়ে যায়। আমরা চাই বাংলাদেশকে পেঁয়াজে স্বয়ংসম্পূর্ণ করা।যেহেতু ভোলায়ও ভালো পেঁয়াজ হয়। তাই এখানে এর আবাদ বাড়ানো দরকার। সেই সাথে অন্যান্য ফসলও আবাদ করতে হবে। তাহলে ভোলায় কৃষিতে বিপ্লব হবে।

এসময় মন্ত্রীর সফরসঙ্গী হিসেবে অন্যান্যের মধ্যে ছিলেন কৃষি সচিব মো.সায়েদুল ইসলাম, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের (ডিএই) মহাপরিচালক মো. বেনজীর আলম, বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. মো. শাহজাহান কবীর, ডিএইর পরিচালক মো. তাওফিকুল আলম, বিএডিসির সদস্য পরিচালক মো. মোস্তাফিজুর রহমান, জেলা প্রশাসক তৌফিক ই-লাহি চৌধুরী, ডিএই ভোলোর উপপরিচালক মো. হাসান ওয়ারিসুল কবির প্রমুখ।

পরে মন্ত্রী জেলা পরিষদ সম্মেলনক্ষে কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ কর্মকর্তা ও কৃষকের মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে অংশগ্রহণ করেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ১২, ২০২২ ৬:০২ অপরাহ্ন
ভোলায় সূর্যমুখীর গ্রামপ্রদর্শনী পরিদর্শন করলেন কৃষিমন্ত্রী
কৃষি বিভাগ

নাহিদ বিন রফিক (বরিশাল): ভোলা সদরে সূর্যমুখীর গ্রামপ্রদর্শনী পরিদর্শন করলেন কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক এম.পি.। রবিবার (১০ এপ্রিল) সদর উপজেলার কন্দ্রকপুর গ্রামে উপজেলা কৃষি অফিস এবং তেলজাতীয় ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি প্রকল্পের যৌথ উদ্যোগে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

এ উপলক্ষ্যে এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি বলেন, পেঁয়াজ, সয়াবিন, সূর্যমুখীসহ অন্যান্য ফসল দেখলাম। খুবই ভালো লাগল। এখানকার কৃষিকে আরো উন্নত করতে চাই, যাতে মানুষের জীবনমানের উন্নয়ন হয়। আর তা বাস্তবায়ন হলে কৃষকের নেতৃত্বেই ভোলার চেহারা পরিবর্তন হয়ে যাবে।

কৃষকের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আগামী বছর আপনাদের জন্য সূর্যমুখীর মাড়াই যন্ত্রের ব্যবস্থা করা হবে। তখন সূর্যমুখী হতে তেল ভাঙ্গানোর আর কোনো অসুবিধা থাকবে না।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন কৃষি সচিব মো. সায়েদুল ইসলাম। সভাপতিত্ব করেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের (ডিএই) মহাপরিচালক মো. বেনজীর আলম।

অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ডিএইর পরিচালক (প্রশিক্ষণ উইং) মো. তাওফিকুল আলম, জেলা প্রশাসক তৌফিক-ই-লাহি চৌধুরী, আয়োজক প্রতিষ্ঠানের প্রকল্প পরিচালক মো. জসীম উদ্দিন, ডিএই ভোলার উপপরিচালক মো. হাসান ওয়ারিসুল কবির, প্রকল্পের সিনিয়র মনিটরিং অফিসার রথীন্দ্রনাথ বিশ্বাস, সদরের উপজেলা কৃষি অফিসার মুহাম্মদ রিয়াজ উদ্দিন, প্রদর্শনীচাষি ইস্কান্দার আলী মিজি প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে গণ্যমান্য ব্যাক্তিসহ শতাধিক কৃষক উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop