৪:৪৩ পূর্বাহ্ন

রবিবার, ৩ মে , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : এপ্রিল ১২, ২০২১ ৩:০০ অপরাহ্ন
এন্টিবায়োটিক মুক্ত মুরগি উৎপাদনে উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত আব্দুর রাজ্জাক সাইফ
পোলট্রি

দেশের অধিকাংশ পোল্ট্রি খামারি মনে করে এন্টিবায়োটিক ছাড়া খামার করা সম্ভব নয়। খামারিগণ নিজেদের অজ্ঞতা কিংবা অন্ধ অনুসরণে বিনা প্রয়োজনে এন্টিবায়োটিক ব্যবহার করে থাকেন । অধিকাংশ খামারি রুটিন অনুসরণ করে এন্টিবায়োটিক প্রয়োগ করে থাকেন । অহেতুক এন্টিবায়োটিক জাতীয় ওষুধ ব্যবহার করে অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।

গতানুগতিক এই ধারার বাহিরে গিয়ে এন্টিবায়োটিক মুক্ত মুরগী পালনে সফলতা দেখিয়েছেন ঢাকার ডেমরার পোল্ট্রি খামারি আব্দুর রাজ্জাক সাইফ । গত ৯ বছর ধরে এন্টিবায়োটিক মুক্ত ব মুরগি পালন করে অনেক খামারির কাছেই অনুকরণীয় হয়ে উঠেছেন । এগ্রিভিউ২৪.কম এর সাথে একান্ত সাক্ষাৎকারে এন্টিবায়োটিক মুক্ত মুরগি উৎপাদন সম্পর্কে আব্দুর রাজ্জাক সাইফের সফলতার কথাগুলি পাঠকদের মাঝে তুলে ধরা হলো-

এগ্রিভিউ২৪: কেন পোল্ট্রি ব্যবসায় আসলেন?

আব্দুর রাজ্জাক সাইফ : ছোটবেলা থেকে ইচ্ছে ছিলো নিজে কিছু করার। সবাই তো চাকরির পিছনে ছুটে, তাই আমি ভিন্ন কিছু একটা করতে চেয়েছিলাম।আশে পাশের অনেকের সফলতায় অনুপ্রানিত হয়ে এই সেক্টরে আসলাম ।

এগ্রিভিউ২৪: কবে থেকে এন্টিবায়োটিক মুক্ত মুরগি পালন শুরু করলেন ও কেন ?

আব্দুর রাজ্জাক সাইফ: ১১ বছর আগে যখন খামার শুরু করি তখন না জেনে রুটিন মাফিক এন্টিবায়োটিক ব্যবহার করতাম। খামার শুরুর প্রথম দিকেই এন্টিবায়োটিক ব্যবহার করে একদিকে অর্থ অন্য দিকে খামাররের মুরগী দুই দিকেই ক্ষতিগ্রস্থ হতে হয়েছে। প্রথম ২ বছর খামারে ভালো করতে পারি নি। একদিন এক বন্ধুর মাধ্যমে জানতে পারলাম এন্টিবায়োটিক ছাড়া মুরগি পালন করা সম্ভব। পরে ইন্টারনেট ঘাটাঘাটি করে জানতে পারলাম ইউরোপে এন্টিবায়োটিক ছাড়া মুরগি পালন করে ভালো ফল পাচ্ছে।তারপর উপজেলা প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তার সহায়তায় এন্টিবায়োটিক মুক্ত খামার শুরু করি।

এগ্রিভিউ২৪: এন্টিবায়োটিক মুক্ত মুরগি পালনে কি কি সুবিধা পেয়েছেন?

আব্দুর রাজ্জাক সাইফ : এন্টিবায়োটিক ব্যবহার না করায় মুরগির গ্রোথ ও মাংস উৎপাদন আগে থেকে ভালো পেয়েছি । ৩০ দিনে গড়ে ১.৭ – ২.০ কেজি পর্যন্ত ওজন পাচ্ছি নিয়োমিত। অহেতুক এন্টিবায়োটিক জাতীয় ওষুধ ব্যবহার না করায় এখন প্রতি হাজার মুরগিতে ৫ হাজার টাকার ওষুধ খরচ বেচে যাচ্ছে । প্রতি মাসে ৭০০০ মুরগির জন্য অনেক টাকার ওষুধ কিনতে হচ্ছে না , যার ফলে আমার উৎপাদন খরচ কমে এসেছে।আমাদের লাভ হচ্ছে, খরচও কমেছে, স্বাস্থ্যসম্মত নিরাপদ মাংস ও উৎপাদন করতে পারছি ।

এগ্রিভিউ২৪ : আপনার খামারে মুরগির মর্টালিটি কেমন?

আব্দুর রাজ্জাক সাইফঃ অন্যান্য খামারের তুলনায় আমার এখানে মুরগির মৃত্যুরহার কম। হাজারে সর্বোচ্চ ৩০ টি মুরগি মারা যায় ।

এগ্রিভিউ২৪ : পোল্ট্রি খামার শুরু করার আগে আপনি কি কোন প্রশিক্ষণ নিয়েছেন?

আব্দুর রাজ্জাক সাইফ: আমি সরকারি ও বেসরকারি ভাবে ৫/৬ টার মত কোর্স করেছি । যা আমাকে মুরগি পালনে সহায়তা করেছে। তাছাড়া সরকারি যুব উন্নয়ন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র থেকে স্বল্পমেয়াদী ও দীর্ঘ মেয়াদী অনেক কোর্স করেছি। এগ্রিভিউ২৪: এন্টিবায়োটিক পরিবর্তে আপনি খামারে কি ব্যবহার করেন? আব্দুর রাজ্জাক সাইফ: আমি বিভিন্ন ধরনের ভিটামিন, প্রিবায়োটিক ও প্রোবায়োটিক ব্যবহার করে আসছি খামারে।

এগ্রিভিউ২৪ : আপনার খামারের বায়োসিকিউরিটি সম্পর্কে যদি বলতেন।

আব্দুর রাজ্জাক সাইফ: আমার খামার লোকালয় থেকে অনেক দূরে । খামারে ডাক্তার ব্যতীত বাহিরের কোন মানুষ প্রবেশ করতে দেই না । মুরগি কেনাবেচা বা বাজারজাতের জন্য নিজস্ব গাড়ি রয়েছে । তাছাড়া খামার নিয়মিত পরিষ্কার রাখার চেষ্টা করি। সব সময় উপজেলা প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তার পরামর্শ নিতাম।

এগ্রিভিউ২৪ : মুরগির খাদ্য সম্পর্কে যদি বলতেন।

আব্দুর রাজ্জাক সাইফ: আমার খামারের ৫০ ভাগ খাদ্য নিজে তৈরি করি আর বাকি ৫০ ভাগ খাদ্য বাজার থেকে কিনি।সব সময় উৎপাদন খরচ কমিয়ে আনার চেষ্টা করতাম। প্রতিনিয়ত খাদ্যের দাম বৃদ্ধিতে মাঝেমাঝে সমস্যায় পড়তে হত ।তাই নিজে খাদ্য তৈরি করার চেষ্টা করতাম ।

এগ্রিভিউ২৪: নতুন খামারিদের জন্য আপনার পরামর্শ কি?

আব্দুর রাজ্জাক সাইফ: বেশিরভাগ খামারি বিশ্বাস করতে চায় না, এন্টিবায়োটিক ছাড়া খামার করা সম্ভব। আমি ভালো ফল পেয়েছি আশা করি আপনিও পাবেন। খামারের বায়োসিকিউরিটি ঠিক রাখলে ইনশাল্লাহ ভালো ফল পাবেন

এগ্রিভিউ২৪: আপনাকে ধন্যবাদ।

আব্দুর রাজ্জাক সাইফ: আপনাকেও ধন্যবাদ।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ১২, ২০২১ ৯:৪৩ পূর্বাহ্ন
অজ্ঞাত রোগে মারা যাচ্ছে মুরগি, বিপাকে খামারিরা
প্রাণিসম্পদ

আটঘরিয়া উপজেলায় মুরগির খামারে দেখা দেয়া অজ্ঞাত রোগে আক্রান্ত হয়ে অর্ধশতাধিক খামারে কয়েক হাজার মুরগি মারা গিয়েছে। এতে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন খামারিরা।

খামারিদের অভিযোগ, প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তারা কোনো খামারেই খোঁজখবর নেন না। খামারিরা কোম্পানির যে চিকিৎসকরা থাকেন, তারা যে ব্যবস্থাপত্র দেন, সে ওষুধের কোনো কার্যকারিতা নেই।

জানা গেছে, বেকারত্ব ঘোচাতে আয়ের মাধ্যম হিসেবে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে মুরগির খামার। অল্প খরচ আর কম সময়ে বেশি লাভ হওয়ায় অনেকেই ঝুঁকছেন এই ব্যবসায়। দেশের অন্যান্য জেলার মতো পাবনার আটঘরিয়াতেও গড়ে উঠেছে অসংখ্য মুরগির খামার। কিন্তু হঠাৎই আটঘরিয়া পৌর এলাকাসহ উপজেলার দেবোত্তর, চাঁদভা ও মাজপাড়া ইউনিয়নের খামারগুলোতে দেখা দিয়েছে অজ্ঞাত রোগ। এই উপজেলায় এরই মধ্যে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে অর্ধশতাধিক খামারে কয়েক হাজার মুরগি। প্রথমে ঝিমুনি এরপর খাওয়া বন্ধ করে দেওয়ার দুই-তিন দিনের মধ্যে মারা যাচ্ছে আক্রান্ত মুরগি।

আটঘরিয়া পৌর এলাকার কিরানীর ঢালু মহল্লার মো. গোলজার হোসেনে জানান, তিনি চারটি সেটে মুরগির খামার গড়েছিলেন। কিন্তু হঠাৎ অজ্ঞাত রোগে তিনটি সেটের প্রায় ৪ হাজার মুরগি মারা গেছে।

দেবোত্তর ইউনিয়নের শ্রীকান্তপুর গ্রামের ফয়সাল হোসেন জানান, আমার খামারে ৪২০ মুরগি ছিল। অজ্ঞাত রোগে ইতোমধ্যে প্রায় ৩০০ মুরগি মারা গেছে। কোনো উপায় না পেয়ে ডিম দেওয়া মুরগি বিক্রি করে দিতে বাধ্য হয়েছি।

আটঘরিয়া উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. আনিছুর রহমান জানান, এতে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। আবহাওয়া পরিবর্তনের কারণেই দেখা দিয়েছে এই রোগ।

তিনি আরও জানান, মারা যাচ্ছে সাধারণত কিছু ভাইরাসজনিত রোগে। যেমন—রাণীক্ষেত রোগ, গামবোরো এই রোগগুলো সারা বছরই হয়। ঋতু পরিবর্তনের সময় কক্সিডিওসিস বেশি হয়। এই রোগগুলোতেই বেশি মারা যাচ্ছে। খামারিদের উচিত আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা ও পরামর্শ গ্রহণ করা। তারা যদি আমাদের অফিসে যোগাযোগ করে তাহলে ময়নাতদন্ত করে বা ল্যাবরেটরিতে নমুনা পাঠিয়ে রোগ নির্ণয় করে আমরা ব্যবস্থা নিবেন বলেও তিনি জানান।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ১১, ২০২১ ৯:০৯ অপরাহ্ন
নবাবগঞ্জে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর ১২৭পরিবারের মাঝে গরু বিতরণ
প্রাণিসম্পদ

আর্থ-সামাজিক ও জীবনমান উন্নয়নের সমন্বিত প্রাণীসম্পদ উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় দিনাজপুরের নবাবগঞ্জে সমতল ভূমিতে অনগ্রসর ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর ১২৭টি পরিবারের মাঝে সরকারি বরাদ্দের গরু, খাদ্য ও ঘর নির্মাণের সরঞ্জামাদি বিতরণ করা হয়েছে।

রোববার উপজেলা প্রাণীসম্পদ কার্যালয়ের আয়োজনে দাউদপুর ডিগ্রি কলেজ মাঠে এটি বিতরণ করা হয়।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন দিনাজপুর-৬ আসনের সংসদ সদস্য শিবলী সাদিক।

গরু ও বিভিন্ন উপকরণ বিতরণ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো: আতাউর রহমান। অতিথিরা সুফলভোগীদের হাতে গরু ও খাদ্য সামগ্রীসহ গররাখার ঘর স্থাপনের জন্য সরঞ্জামাদি তুলে দেন।

জানা গেছে, গরুর যথাযথভাবে লালন পালনের জন্য প্রত্যেক পরিবারকে ১২৫ কেজি দানাদার গো-খাদ্য, গরুর আবাস নির্মাণে চারটি টিন, চারটি সিমেন্টের পিলার ও ১৯০টি ইট দেয়া হয়।

এ সময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোছা: নাজমুন নাহার, উপজেলা প্রাণীসম্পদ কর্মকর্তা মো: আসাদুজ্জামান, ভেটেনারি সার্জন মো: শফিউল ইসলাম, ইউপি চেয়ারম্যান মো: সায়েম সবুজ, উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো: জিয়াউর রহমান মানিক, সাংগঠনিক সম্পাদক মো: শাহ আলমগীর প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ১১, ২০২১ ৪:৩৫ অপরাহ্ন
ভালুকায় ক্ষেতের ধান নষ্ট করায় গরুকে কুড়াল দিয়ে কুপাল কৃষক!
প্রাণিসম্পদ

ভালুকায় কৃষকের ক্ষেতের ধান নষ্ট করায় এক কৃষক কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে মারাত্মকভাবে দু‘টি গরুকে জখম করার অভিযোগ উঠেছে।

শনিবার সকালে উপজেলার হবিারবাড়ি ইউনিয়নের জামিরদিয়া গ্রামে ঘটনাটি ঘটেছে ।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার জামিরদিয়া গ্রামের ওয়াইজ উদ্দিনের ছেলে কৃষক নবী হোসেন তার ৮ কাঠা জমিতে বোরো ধানের চাষ করেন। শনিবার সকালে প্রতিবেশি মৃত সোহরাব হোসেনের বিধবা স্ত্রী রোকেয়া খাতুনের গরু নবী হোসেনের ক্ষেতের ধান খেয়ে ফেলে। ঘটনাটি টের পেয়ে জমির মালিক নবী হোসেন কুড়াল দিয়ে দুটি গরুকে কুপিয়ে জখম করে। পরে স্থানীয় লোকজন টের পেয়ে একটি গরু জবাই করে। ঘটনাটি থানায় জানানোর পর পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

গরুর মালিক রোকেয়া খাতুন জানান, ‘তিনি এক আত্মীয়ের বাড়ি বেড়াতে গিয়েছিলেন। সকালে বাড়ি এসে জানতে পারেন নবী হোসেন কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে তার দু’টি গরু মারাত্মকভাবে আহত করেন। গরু দু’টির দাম দেড় লাখ টাকা হতে পারে বলে তিনি জানান।’
অভিযুক্ত নবী হোসেন গরুকে কুপানোর কথা অস্বীকার করে বলেন, ‘আমার ৮ কাঠা জমিতে বোরো ধান রোপন করি। ওই গরু দুটি আমার সবটুকু ক্ষেতের ধানই নষ্ট করে ফেলেছে। কষ্টের ফসল নষ্ট করে ফেলেছে দেখে মাথা ঠিক ছিলো না।’

‘ঘটনাটি অমানবিক, খবর পাওয়ার পর ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। অভিযোগ পেলে দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী তদন্ত মাফিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান ভালুকা মডেল থানার ওসি মাহমুদুল ইসলাম।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ১১, ২০২১ ৯:২৫ পূর্বাহ্ন
ঘোড়াঘাটে ৯৭টি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর মাঝে গবাদি পশু বিতরণ
প্রাণিসম্পদ

আর্থ- সামাজিক ও জীবন মানোন্নয়নের লক্ষ্যে সমন্বিত প্রানি সম্পদ উন্নয়ন প্রকল্প”এর আওতায় দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলা প্রানি সম্পদ দপ্তর ও ভেটেরিনারি হাসপাতাল এর আয়োজনে “সমতল ভূমিতে বসবাসরত অনগ্রসর ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর ৯৭টি পরিবারের মাঝে উন্নত জাতের ক্রসব্রিট বকনা,দানাদার খাদ্য ও গৃহ নির্মাণ বিতরণ করা হয়েছে।

শনিবার (১০ এপ্রিল) সকালে ঘোড়াঘাট সরকারি কলেজ মাঠে প্রধান অতিথি দিনাজপুর -৬ আসনের সংসদ সদস্য শিবলী সাদিক এগুলো বিতরণ করেন।

তিনি বলেন, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর জীবন মানোন্নয়নে সরকার নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন। বর্তমান সরকার ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর কথা চিন্তা করে, যাতে তারা সু-শিক্ষায় শিক্ষিত হতে পারে। কোভিড-১৯ করোনা ভাইরাস মহামারীতে সকলকে স্বাস্থ্যবিধি ও সামাজিক দুরত্ব বজায় রাখার আহ্বান জানান তিনি।

ঘোড়াঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রাফিউল আলমের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, ঘোড়াঘাট উপজেলা চেয়ারম্যান আবদুর রাফে খন্দকার সাহানশা, দিনাজপুর জেলা প্রানি সম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ শাহিনুর আলম, থানা অফিসার ইনচার্জ আজিম উদ্দিন। ঘোড়াঘাট সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ এস এম মনিরুল ইসলামের সঞ্চায়লনে স্বাগতম বক্তব্য রাখেন ঘোড়াঘাট উপজেলা প্রানি সম্পদ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ডাঃ রুমানা আকতার রোমি ।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মাহফুজার রহমান, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান রুশিনা সরেন, উপজেলা প্রানি সম্পদ সম্প্রসারণ কর্মকর্তা ডাঃ রাকিবা খাতুন, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা আবদুল আউয়াল, উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার ধ্বীরাজ সরকার, উপ-সহকারী কর্মকর্তা আবদুল মতিন মিয়া, উপজেলা প্রানি সম্পদ দপ্তরের কর্মকর্তা -কর্মচারীসহ ঘোড়াঘাট উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ১০, ২০২১ ৭:২৩ অপরাহ্ন
গোপালগঞ্জে ভ্রাম্যমাণ দুধ, ডিম এবং মাংস বিক্রয় কেন্দ্রের উদ্বোধন
প্রাণিসম্পদ

বিদ্যমান কোভিড-১৯ পরিস্থিতিতে জনসাধারণের প্রাণিজ পুষ্টির চাহিদা নিশ্চিতকরণে এবং খামারিদের উৎপাদিত পণ্য ন্যায্যমূল্যে বিপণনের জন্য গোপালগঞ্জ ভ্রাম্যমাণ দুধ, ডিম এবং মাংস বিক্রয় কেন্দ্রের শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে।

আজ শনিবার(১০ এপ্রিল) প্রাণিসম্পদ দপ্তর, গোপালগঞ্জ জেলার সম্মানিত জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডক্টর আজিজ আল মামুন এটি উদ্বোধন করেন।

এ সময় সার্বিক সহযোগিতা করেন সম্মানিত উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা, গোপালগঞ্জ সদর, ডক্টর গোবিন্দ চন্দ্র সরদার।

এছাড়াও এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রাণিসম্পদ এবং ডেইরি উন্নয়ন প্রকল্পের লাইভস্টক এক্সটেনশন অফিসার এবং natp-2 এর লাইভস্টক এক্সটেনশন অফিসারসহ অত্র দপ্তরের অন্যান্য কর্মকর্তা কর্মচারীবৃন্দ।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ১০, ২০২১ ৭:১০ অপরাহ্ন
জয়পুরহাটে ভ্রাম্যমাণ দুধ, ডিম ও মাংস বিক্রয় কেন্দ্রের উদ্বোধন
প্রাণিসম্পদ

প্রাণিসম্পদ বিভাগ, জয়পুরহাট এর ব্যবস্থাপনায় ও এলডিডিপি প্রকল্পের সহায়তায় কোভিড-১৯ পরিস্থিতিতে ও আসন্ন পবিত্র রমজান উপলক্ষে জনসাধারণের প্রানিজ পুষ্টি নিশ্চিতকরণে প্রান্তিক খামারিদের উৎপাদিত পণ্য সরাসরি ভোক্তা পর্যায়ে পৌঁছে দিতে ভ্রাম্যমাণ দুধ, ডিম ও মাংস বিক্রয় কেন্দ্রের শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে।

শনিবার (১০ এপ্রিল) এটি উদ্বোধন করেন জয়পুরহাটের ডিসি।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন সম্মানিত পুলিশ সুপার, জয়পুরহাট মহোদয়, সা. সম্পাদক জয়পুরহাট জেলা আওয়ামী লীগ, ডিএলও, জয়পুরহাট মহোদয়, উপজেলা চেয়ারম্যান, সদর, জয়পুরহাট, উপজেলা নির্বাহি অফিসার, সদর, মেয়র, জয়পুরহাট পৌরসভা, ইউএলও, সদর, ভিএস, জয়পুরহাট সদর, ডেইরি ফার্মাস এসোসিয়েশন ও পোল্ট্রি ফার্মাস এসোসিয়েশন এর নেতৃবৃন্দ, সাংবাদিক বৃন্দ, আহজ এর সদস্যবৃন্দ, খামারিবৃন্দ এবং প্রাণিসম্পদ অফিসের সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারিবৃন্দ।

ভ্রাম্যমাণ বিক্রয় কেন্দ্রের মাধ্যমে প্রতিদিন সকাল ৯ টা হতে বিকেল ৫টা পর্যন্ত শহরের পাচুরমোড়, বাজলা স্কুলের সামনে, নতুন হাট, বাসস্ট্যান্ডে, খঞ্জনপুরমোড় এ নায্যমূল্যে ডিম, দুধ ও মাংস পাওয়া যাবে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ১০, ২০২১ ৬:৪১ অপরাহ্ন
মৌলভীবাজারে ভ্রাম্যমাণ গাড়িতে মিলছে দুধ-ডিম ও মাংস
প্রাণিসম্পদ

মৌলভীবাজার জেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগের উদ্যোগে খামারিদের কাছ দুধ-ডিম ও মাংস কিনে নিয়ে ভ্রাম্যমাণ গাড়িতে করে বিক্রি শুরু হয়েছে।

শনিবার (১০ এপ্রিল) মৌলভীবাজার জেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগের আয়োজনে শাহ মোস্তফা রোডস্থ বেরিরপাড় এলাকায় ট্রাকযোগে এ ভ্রাম্যমাণ পণ্য বিক্রি কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক মীর নাহিদ আহসান।

জেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগ জানিয়েছে, করোনাকালীন জেলার খামারিরা পণ্য উৎপাদন করে যাতে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে উৎপাদন বিমুখ না হয়। এর জন্যই প্রাণিসম্পদ বিভাগ সরাসরি খামারিদের কাছ থেকে দুধ ডিম ও মাংস কিনে নিচ্ছে। একই সাথে তা ন্যায্য দামে বাজারজাত করা হচ্ছে।

প্রতিটি পণ্য বাজার দামের চেয়ে অনেক কম। এতে ক্রেতা সাধারণ এসব পণ্য কিনে খুশি। সেই সাথে এ করোনাকালীন জেলার খামারিরাও বেশ লাভবান হবেন।

প্রাণিসম্পদ বিভাগ জানিয়েছে, এটি ৪৫ দিনের একটি প্রোগ্রাম। তবে অবস্থা বুঝে তা বর্ধিত করার চিন্তা রয়েছে তাদের।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ১০, ২০২১ ২:১৮ অপরাহ্ন
রাজবাড়িতে করোনায় “ভ্রাম্যমাণ মাছ বিক্রয় কেন্দ্রের” উদ্বোধন
প্রাণিসম্পদ

করোনাকালিন জনসাধারণের প্রাণিজ প্রোটিনের চাহিদা নিশ্চিতকরনে রাজবাড়ী জেলার গোয়ালন্দ উপজেলায় কাজী শামস আফরোজ,মহাপরিচালক, মৎস্য অধিদপ্তর, ঢাকা স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে “ভ্রাম্যমাণ মাছ বিক্রয় কেন্দ্রের” শুভ উদ্বোধন করেন।

শনিবার(১০ এপ্রিল) উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা মৎস্য বিভাগ, গোয়ালন্দ, রাজবাড়ির উদ্যোগে এই ভ্রাম্যমাণ মাছ বিক্রয় কেন্দ্রের উদ্বোধন করা হয়।

উদ্বোধন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন,সৈয়দ মোঃ আলমগীর,উপপরিচালক,মৎস্য অধিদপ্তর,ঢাকা বিভাগ, জয়দেব পাল,জেলা মৎ্স্য অফিসার,রাজবাড়ী।মোঃ জাহাঙ্গীর আলম,সিনিয়র সহকারী পরিচালক,মৎস্য অধিদপ্তর,ঢাকা। মোঃ রফিকুল ইসলাম,সহকারী কমিশনার (ভূমি),গোয়ালন্দ,রাজবাড়ী।মোঃ মাগফুর রহমান, সহকারী পরিচালক,মৎস্য অধিদপ্তর,ঢাকা।মোঃ রেজাউল শরীফ,সিনিয়র উপজেলা মৎস্য অফিসার (অঃদাঃ),গোয়ালন্দ,রাজবাড়ী।

করোনাকালিন মৎস্য ও মৎস্য পণ্য বিপণন, পরিবহন,উৎপাদন প্রক্রিয়া সচল রাখার জন্য ভ্রাম্যমাণ মাছ বাজার চালু করা হয়েছে। উদ্বোধনী পর্বে জনপ্রতিনিধি,সাংবাদিকবৃন্দ, আড়ৎদার সমিতি,জেলে প্রতিনিধি ও জনসাধারণ উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ১০, ২০২১ ২:০৬ অপরাহ্ন
গাজীপুরে দুধ, ডিম ও মাংস বিক্রয়ের ভ্রাম্যমাণ কার্যক্রম উদ্বোধন
প্রাণিসম্পদ

জনসাধারণের প্রাণিজ পুষ্টি নিশ্চিতকরণে প্রাণিসম্পদ ও ডেইরী উন্নয়ন প্রকল্প (এল ডি ডি পি), প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় দেশব্যাপী করোনা (কোভিড-১৯) পরিস্থিতিতে গাজীপুর জেলায় ভ্রাম্যমাণ দুধ, ডিম ও মাংস বিক্রয় কেন্দ্র উদ্বোধন করা হলো।

শনিবার(১০ এপ্রিল)গাজীপুর জেলা প্রশাসন ও জেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগের উদ্যোগে ব্যবস্হাপনা এবং গাজীপুর জেলা ডেইরী ফার্মারস এসোসিয়েশন এবং গাজীপুর জেলা পোল্ট্রি ফার্মারস এসোসিয়েশন বাস্তবায়নে এই ভ্রাম্যমাণ বিক্রয়কেন্দ্র উদ্বোধন করা হয়।

জানা যায়, গাজীপুর জেলার সকল উপজেলা মিলিয়ে সর্বোমোট ১০ টি ভ্রাম্যমাণ গাড়ী দিয়ে বিভিন্ন জায়গায় নিরাপদ দুধ, ডিম ও মাংস বিক্রয় করা হবে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ডাঃ এস.এম. উকিল উদ্দিন -জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা,গাজীপুর ; অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক), গাজীপুর ; উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা,গাজীপুর সদর; ভেটেরিনারি সার্জন, গাজীপুর সদর;ভেটেরিনারি সার্জন (জেলা প্রাণি হাসপাতাল); প্রাণিসম্পদ সম্প্রসারণ কর্মকর্তা, গাজীপুর সদর; গাজীপুর জেলা ও উপজেলা ডেইরী ও পোল্ট্রি এসোসিয়েশন এর নেতৃবৃন্দ; জেলা ও উপজেলা অফিসের অন্যান্য কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্ধ।

এখন থেকে প্রতিদিন সকাল ৯ টা থেকে বিকাল ৫ টা পর্যন্ত ন্যায্য মূল্যে ডিম, দুধ এবং মাংস বিক্রি করা হবে। গাজীপুরের সকল জনগন এই সু্যোগ গ্রহণ করার জন্য অনুরোধ করা হইল।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop