১:৫৮ পূর্বাহ্ন

বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : জুন ৩০, ২০২১ ২:১৪ অপরাহ্ন
দুধ বিক্রি বন্ধ হওয়ায় বিপাকে মাগুরার ৪৯৯ খামারি
প্রাণিসম্পদ

করোনা সংক্রমণ রোধে সারাদেশে চলছে লকডাউন। আর এই লকডাউনে বিক্রি নিয়ে বিপাকে পড়ছেন মাগুরা জেলার ৪৯৯ খামারি। বিক্রি করতে না পেরে অনেক খামারিই দুধ ফেলে দিতে বাধ্য হচ্ছেন। এদিকে খামারিদের উৎপাদিত দুধ বহনকারী কোনো যানবাহন শহরে ঢুকতে না পারায় মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা হয়েছে। এতে আর্থিক সংকটের কারণে অনেক খামার বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছে। অনেকে খামারের শ্রমিকদের পাওনা বেতন ও ঋণের টাকা পরিশোধ করতে গরু পর্যন্ত বিক্রি করছেন খামার মালিকরা।

জানা যায়, মাত্র ৩ বছর আগে ৪টি ফ্রিজিয়ান গরু নিয়ে সদরের বেলনগর গ্রামে নিজের বাড়িতে খামার গড়েছিলেন শামীমা সুলতানা। শুরুতে নিজে ও পরিবারের সদস্যদের পরিশ্রমে খামারটির গরুগুলো লালিত পালিত হতো। বর্তমানে নিজের পরিশ্রম ও সার্বিক চেষ্টায় খামারটির আয়তন বাড়ছে। এখন তার খামারে গরুর বাছুরসহ মোট ২০টি গরু হয়েছে। তার মধ্যে ১১টি গরু দুধ দেয়।

প্রতিদিন খামারটিতে ১৩০ কেজি দুধ পায় শামীমা। যা শহরের বিভিন্ন হোটেল ও আইসক্রিম ফ্যাক্টরি সংশ্লিষ্টরা সংগ্রহ করতো। খামারি শামীমা সুলতানা জানান, প্রতিদিন আমার ১১টি গরুর দুধ বিক্রি করে প্রায় ৬ হাজার টাকা পেতাম। যা দিয়ে শ্রমিক ও খামারের বিভিন্ন খরচ মেটানো হতো। বর্তমানে চলমান লকডাউনে খামারের উৎপাদিত দুধ বিক্রি করতে না পেরে ফেলে দিতে হচ্ছে। দুধ পরিবহন গাড়ি শহরে প্রবেশ করতে পারছে না। হোটেল ও আইসক্রিম ফ্যাক্টরিগুলো বন্ধ থাকায় তারাও আর যোগাযোগ করছে না। আমার উৎপাদন খরচ না উঠায় প্রতি মাসে ভর্তুকি নিয়ে চালাতে হচ্ছে। এভাবে চলতে থাকলে খামার বন্ধ হয়ে যাবে।

একই গ্রামের অপর খামারি হাজেরা খাতুন জানান, লকডাউনে খামার বন্ধ হয়ে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে। তার খামারে ৮টি গরু রয়েছে। প্রতিদিন খরচ বাদে ৩/৪ হাজার টাকার দুধ বিক্রি হতো। লকডাউনে দুধ বিক্রি না হওয়ায় বিপাকে পড়েছেন তিনি। এদিকে দুধ বাছুরগুলোকে খাওয়ালে তারাও অসুস্থ হয়ে যাচ্ছে বলেও জানান তিনি। তাই বাধ্য হয়ে দুধ ফেলে দিতে হচ্ছে।

জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. হাদিউজ্জামান জানান, বর্তমানে আমরা একটি কঠিন সময় পার করছি। লকডাউনের এ সময়ে ক্ষতিগ্রস্ত খামারিদের সরকারি প্রণোদনা দেয়ার জন্য সরকার কাজ করছে। পাশাপাশি জেলার খামারিদের ঐক্যবদ্ধ করে ভ্রাম্যমাণ পরিবহনের মাধ্যমে দুধ বিক্রি করার ব্যবস্থার জন্য কাজ করছি বলেও জানান তিনি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ২৯, ২০২১ ১০:৪৬ অপরাহ্ন
তৃতীয় লিঙ্গের খামারী খুকুমনির ভাগ্যবদল
প্রাণিসম্পদ

তৃতীয় লিঙ্গের জনগোষ্ঠির এক সদস্যের নাম খুকুমনি। শেরপুর সদর উপজেলার পাকুড়িয়া ইউনিয়নের বাদাতেগরিয়া গ্রামের খুকুমনি কিছুদিন আগেও ছিলেন অসহায় ও ভবঘুরে। আজ সে স্বাবলম্বী। দাঁড়িয়েছেন নিজের পায়ে। অন্যের দ্বারে-দ্বারে ঘুরে এখন নিজের বাড়িতেই গড়ে তুলেছেন বড় একটি হাঁসের খামার। বর্তমানে তার খামারে হাঁস রয়েছে ১ হাজারেরও অধিক। হাঁসগুলোর সঙ্গে খুকুমনির দারুণ বন্ধুত্ব।

খুকুমণি বলেন, “বাজার থেকে প্রতিটি হাঁসের বাচ্চা কেনা পড়েছে ২৫ টাকা ধরে। মোট বাচ্চা কিনেছি ১ হাজার ২০০ এর মতো। এখন সব মিলিয়ে ১ হাজারের মতো বড় হাঁস রয়েছে আমার খামারে”।

তিনি আরও বলেন, “এর আগেও হাঁস পালন করে ৪০ হাজার টাকা লাভ করেছি। ওই লাভের টাকা দিয়েই ধীরে-ধীরে খামার বড় করছি। এখন যে হাঁসগুলো রয়েছে, প্রতিটির বর্তমান বাজারদর ১৬০ থেকে ১৮০ টাকা করে হবে। আড়াই মাস পর সব খরচ বাদ দিয়ে ৫০ থেকে ৬০ হাজার টাকা লাভ হবে বলে ধারণা করছি। তৃতীয় লিঙ্গের একজন হলেও মানুষের কাছে আমি হাত পাততে চাই না। আমি কর্ম করে বাঁচতে চাই। সরকার আমাকে একটি ঘর আর জমি দিয়েছে। আমি এখানেই হাঁস-মুরগি পালন করে বেঁচে থাকতে চাই। আমার দাবি, অন্যদের মতো যেন আমাকেও সরকার সুদমুক্ত ঋণের ব্যবস্থাটা করে দেয়”।

জানা যায়, তৃতীয় লিঙ্গের মানুষ হওয়ায় যেখানে-সেখানে তাচ্ছিল্যের শিকার হতে হতো খুকুমণিকে। তাই বেঁচে থাকার জন্য একসময় হাত পাতা আর চাঁদা তোলা শুরু করেন তিনি। এত করে তাকে অপমান-বঞ্চনা সইতে হতো। একদিন তিনি সিদ্ধান্ত নেন আর ওইসব কাজ করবেন না। এরপর প্রশিক্ষণ নেন যুব উন্নয়ন কেন্দ্রে। সেখান থেকে অভিজ্ঞতা গ্রহণ করে হাঁসের খামার গড়ে তুলেন। দিনে দিনে বড় হতে থাকে ওই খামার। অল্পদিনেই আসে সফলতা। খুকুমনি আজ স্বাবলম্বী।

এদিকে, প্রশাসনের হিসাব অনুযায়ী, জেলায় বসবাসকারী তৃতীয় লিঙ্গের সদস্যসংখ্যা ৫২। প্রশিক্ষণ পেয়ে তাদের সবাই এখন স্বাবলম্বী হওয়ার স্বপ্ন দেখছেন।

স্থানীয় অধিবাসী জুবাইদুল ইসলাম বলেন, খুকুমণি ছোট থেকেই বুদ্ধিমতী। কারণ, বড় হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সে নিজে কিছু করার চেষ্টা করতো। সে সমাজের অন্যদের মতো চাঁদাবাজি, বাজারে বাজারে টাকা তোলা, জোর করে নেওয়া, এগুলো করতে পারতেন। কিন্তু তিনি নিজে উদ্যোগী হয়ে প্রশিক্ষণ নিয়ে খামার গড়েছেন। অল্প কিছু হাঁস পালন করে আজ তার খামারে ১ হাজারেরও বেশি হাঁস রয়েছে। খুকুমণির জন্য আমরা এলাকাবাসী গর্বিত।

এ ব্যাপারে শেরপুর জেলা হিজড়া কল্যাণ সমিতির সভাপতি নিশি সরকার জানান, আমরাও সমাজের অন্যদের মতোই মানুষ। আমাদেরও পরিবার ছিল। মা, বাবা, ভাই-বোন ছিল। শারীরিক পরিবর্তনের কারণে আমরা পরিবার ও সমাজ থেকে বিচ্ছিন্ন। আমরাও যে নিজের পায়ে দাঁড়াতে পারি। কিছু একটা করে স্বাবলম্বী হতে পারি, তার জ্বলন্ত উদাহরণ খুকুমণি।

তিনি বলেন, শুধু তা-ই নয়, শেরপুরের অনেক হিজড়া আছে, যারা মাস্টার্স শেষ করেছে। কেউ আবার শেরপুর সরকারি কলেজে ইন্টারমিডিয়েট বা অনার্স পরছে। অনেকেই সেলাই, বুটিক, কম্পিউটার, গবাদিপশু পালনসহ নানা বিষয়ে প্রশিক্ষণ নিচ্ছে।

শেরপুরের তৃতীয় লিঙ্গের সদস্যদের সমাজের মূল ধারায় ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নিয়েছে স্থানীয় নাগরিক সংগঠন জন উদ্যোগ। সংগঠনটির শেরপুর জেলার আহ্বায়ক শিক্ষক আবুল কালাম আজাদ বলেন, “একসময় ট্রান্সজেন্ডারদের (তৃতীয় লিঙ্গের সদস্য) কেউ ঘর ভাড়াও দিতে চাইত না। সময়ের পরিবর্তনে আমরা সব দাবি আদায় করেছি। শেরপুর সদরের কামারিয়া ইউনিয়নে ২ একর জায়গায় ৬৯ লাখ ৪ হাজার টাকা ব্যয়ে নির্মিত হয়েছে ট্রান্সজেন্ডারদের জন্য বাসস্থান ‘স্বপ্নের ঠিাকানা’ আবাসন প্রকল্প। ইতোমধ্যে তৃতীয় লিঙ্গের ৪০ সদস্যের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে নতুন ঘরের চাবি”।

শেরপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকতা (ইউএনও) ফিরোজ আল মামুন জানান, আমরা তৃতীয় লিঙ্গের সদস্যদের জমি ও ঘরের ব্যবস্থা করেছি। প্রশিক্ষণ প্রদান করছি। বর্তমানে ঋণ প্রদানও শুরু করেছি। খুকুমণির বিষয়টি আমাদের ধারণায় রয়েছে। তার মতো অন্যরাও যেন স্বাবলম্বী হতে পারে, সেই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ২৯, ২০২১ ১২:১৮ অপরাহ্ন
একদিনেই মরল দেড় হাজার মুরগি,আড়াই লাখ টাকার ক্ষতি!
পোলট্রি

নাটোরের বড়াইগ্রামে রাণীক্ষেত রোগে এক খামারির এক দিনে দেড় হাজার মুরগি মারা গেছে।রোববার রাত ও সোমবারের মধ্যে উপজেলার জোয়াড়ি গ্রামে এসব মুরগি মারা যায় বলে জানান উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা উজ্জ্বল কুমার কুন্ডু।

মুরগি খামারি আবু সাঈদ জানান, সম্প্রতি সরকারের কাছ থেকে পাওয়া দুই কক্ষের ঘরে তিনি মুরগির খামার করেন। ঋণ করে দেড় হাজার মুরগির বাচ্চা কিনে এনে পালন শুরু করেন। মুরগিগুলোর বয়স হয়েছিল ৪৫ দিন। প্রতিটির ওজন হয় ৭০০ থেকে ৮০০ গ্রাম। আর কিছুদিন বাদেই মুরগি বিক্রি করা যেত।

“হঠাৎ রোববার থেকে এক এক করে খামারের মুরগি অসুস্থ হতে থাকে। সোমবার দুপুরের মধ্যে সব মুরগি মারা যায়। এতে প্রায় আড়াই লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।”

প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা উজ্জ্বল কুমার কুন্ডু আরও জানান, মারা যাওয়া মুরগির ময়নাতদন্তে নিশ্চিত হওয়া গেছে যে রাণীক্ষেত রোগে মুরগিগুলোর মৃত্যু হয়েছে। মুরগিকে রাণীক্ষেত রোগের প্রথম টিকা দিলেও দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া হয়নি; তাই বাঁচানো যায়নি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ২৯, ২০২১ ১০:৫৫ পূর্বাহ্ন
গাছের সঙ্গে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে গরু হত্যা!
প্রাণিসম্পদ

ভোলার বোরহানউদ্দিনে ভাইদের উপর আক্রোশের জেরে গরুকে গাছের সঙ্গে ফাঁস লাগিয়ে নির্মমভাবে হত্যা করার অভিযোগ উঠেছে হারুনুর রশিদ হারুনের বিরুদ্ধে। এ ব্যাপারে বোরহানউদ্দিন থানায় লিখিত অভিযোগ করেন কৃষক আব্দুল মন্নান।

সোমবার ভোর রাতে হাসেম নগর ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ডের মির্জাকালু এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

এসআই মুহাইমিন জানান, ঘটনাটি নির্মম। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন ও তদন্ত করে দুর্বৃত্তদের খুঁজে ব্যবস্থা নিচ্ছে। ওই এলাকায় দুই দফা অভিযান চালানো হয়েছে।

কৃষক আব্দুল মন্নানের স্ত্রী সাজেদা বেগম সাজু জানান, রোববার বিকালে হারুনের স্ত্রী সীমা বেগমের সঙ্গে ঝগড়া হয়। ওই সময় সীমা বেগম তাদের দেখিয়ে নেওয়ার হুমকি দেয়। রাত ১টা পর্যন্ত ৪টি গরু গোয়ালে ছিল। এরপর তারা ঘুমিয়ে পড়েন। দুটি বাছুর , একটি গাভীন গরু ছিল। সকালে ঘুম থেকে ওঠে দেখেন গাভীন ( গর্ভধারণ ) গরুটি নেই। সেটি বাগানের পাশে গলায় ফাঁস লাগানো (পায়ুপথে লাঠি ঢোকানো ) অবস্থায় গরুটিকে মারা হয়।

সাজু বেগম জানান, তারা ফারুক বিল্লাহ ও মোতাছিন বিল্লার জমিতে থাকেন। একই সঙ্গে তাদের জমি ও সুপারি বাগান দেখা দেখাশোনা করেন। এই কারণে মোতাছিন বিল্লার ভাই হারুন মিয়া সহ্য করতে পারেন না। নানা সময় কৃষক আব্দুল মান্নান ও তার পরিবারকে ওই বাড়ি ছেড়ে যাওয়ার জন্য হুমকি দিয়ে আসছিলেন। গরুটি এভাবে মারার জন্য সাজু বেগম হারুনকেই দায়ী করেন।

অপরদিকে হারুন মিয়া জানান, তারা ৬ ভাই। তিন ভাই বাড়ি থাকেন না। বড় ভাই মারা যাওয়ার পর তার ছেলে আরিফ বাড়িতে এসে তার সঙ্গে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে হাঙ্গামা করে।

অপরদিকে লালমোহনে থাকেন মোতাছিন গগণ । তার সুপারি বাগান দেখার জন্য দায়িত্বে নিয়ে আব্দুল মান্নান অপকর্ম করে বেড়ায়। তাকে ফাঁসাতে গরুটি এভাবে মারা হয়েছে বলে মনে করেন হারুন অর রশিদ হারুন। সূত্র:যুগান্তর

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ২৮, ২০২১ ১১:২৯ অপরাহ্ন
দ্বিতীয় ধাপে প্রণোদনা পেলেন ১৭৯২১ ক্ষতিগ্রস্ত খামারি 
পোলট্রি

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত আরও ১ লাখ ৭৯ হাজার ২১ জন খামারিকে দ্বিতীয় ধাপে ২১৬ কোটি ৮৬ লাখ ৩০ হাজার টাকা নগদ প্রণোদনা দিয়েছে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়।

রোববার (২৭ জুন) রাজধানীর ফার্মগেটে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের সম্মেলনকক্ষে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এ প্রণোদনা দেওয়ার কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।

অনুষ্ঠানে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী বলেন, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতের খামারিদের অতীতে কখনোই আমরা প্রণোদনা দিতে পারিনি। এর একটা শুভসূচনা এ বছর আমরা করলাম, যার পুরো কৃতিত্ব প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার। তিনি নির্দেশনা দিয়েছেন, আমাদের অনুপ্রাণিত করেছেন। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতকে টিকিয়ে রাখার জন্য সরকার বিভিন্ন রকম উদ্যোগ নিয়েছে। এ দু’টি খাতকে কীভাবে সম্প্রসারিত করা যায়, সেজন্য সরকার ব্যবস্থা নিয়েছে।

আরও বলেন, করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত খামারিরা যাতে ঘুরে দাঁড়াতে পারে সেজন্য আমরা প্রণোদনা কার্যক্রম হাতে নিয়েছি। ৬ লাখ ৯৮ হাজার ৭৪ জন খামারিকে ৮৪৬ কোটি টাকা প্রণোদনার সংস্থান রাখা হয়েছে। এর মধ্যে প্রথম ধাপে ৪ লাখ ৭৬ হাজার ৮১ জন খামারিকে ৫৫৭ কোটি ৩৮ লাখ ২০ হাজার ৭৪ টাকা নগদ প্রণোদনা দেওয়া হয়েছে। দ্বিতীয় ধাপে ১ লাখ ৭৯ হাজার ২১ জন খামারিকে ২১৬ কোটি ৮৬ লাখ ৩০ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছে। এরপরও যাচাই-বাছাই করে করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত অবশিষ্ট খামারিদের প্রণোদনা দেওয়া হবে। লক্ষ্য একটাই মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাত যাতে কোনোভাবেই হয়ে না যায়। ভেঙে না পড়ে। আশা করি, এ প্রণোদনা দিয়ে খামারিরা ঘুরে দাঁড়াতে পারবে। শেখ হাসিনা সরকার খামারিদের পাশে আছে।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ সচিব রওনক মাহমুদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. শেখ আজিজুর রহমান। ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কাজী শামস্ আফরোজ। মন্ত্রণালয় এবং মৎস্য অধিদপ্তর ও প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ও মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতের বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধিরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ২৮, ২০২১ ১১:০৩ অপরাহ্ন
ভারতীয় গরুর প্রবেশ নিয়ে শঙ্কায় খামারিরা!
প্রাণিসম্পদ

আসন্ন কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে খামারিদের মাঝে চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি। সারাদেশে খামারিরা তাদের গরু-ছাগল কোরবানির জন্য প্রস্তুতে এখন ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন। তেমনি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ১২ হাজার খামারি প্রায় সাড়ে প্রায় সোয়া লাখ গবাদিপশু প্রস্তুত করেছে আসন্ন কোরবানির জন্য।

এত কষ্ট করে কোরবানির পশু প্রস্তুত করা ব্রাহ্মণবাড়িয়ার খামারিদের অনেকে জানায়, সীমান্তবর্তী এই জেলায় ভারতীয় গরুর আধিক্য ঠেকানো না গেলে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবেন তারা। এছাড়া ভারতীয় গরু এবং সঙ্গে আসা লোকদের মাধ্যমে ছড়াবে করোনা। ত

জানা যায়, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ত্রিপুরা সীমান্তবর্তী কসবা উপজেলার বায়েক ইউনিয়নের নয়নপুর গরু বাজারে আসা প্রায় শতভাগ গরু ভারতীয়। এসব গরু সীমান্তের বিভিন্ন পকেট দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। গরুর সঙ্গে বিভিন্ন সময়ে ভারতীয় নাগরিকেরাও এ দেশে গরু নিয়ে প্রবেশ করছেন। ফলে করোনার ভারতীয় ধরন আরও বড় আকারে ছড়ানোর ঝুঁকি রয়েছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অন্যতম বড় খামার নিউ প্রিন্স ডেইরি ফার্মের স্বত্বাধিকারী মো. নাসির উদ্দিন জানান, বাজারে স্বাস্থ্যসম্মত মোটাতাজা গরু সরবরাহের লক্ষ্য নিয়ে তিনি কাজ করছেন। তার খামারে বিভিন্ন জাতের গরু রয়েছে। এর মধ্যে শাহিওয়াল, ফাইটার, নেপালী ঘির, রাজস্থানি, ওয়েস্টার্ন ফ্রিজিয়ান, উরবারী ষাঁড়, গইয়াল এবং মহিষ রয়েছে। সবমিলিয়ে অন্তত আড়াই শতাধিক গবাদি পশু রয়েছে। এর মধ্যে তিনি এ বছর ১২৮টি গরু-মহিষ বাজারজাতের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তার খামারে দেড় লাখ থেকে সাড়ে সাত লাখ টাকা দামের গরু রয়েছে।

তার প্রত্যাশা বাজারে ভারতীয় গরুর আধিক্য না থাকলে ১২৮টি গরু অন্তত চার কোটি টাকা বিক্রি করতে পারবেন। সরকারের কাছে অনুরোধ জানিয়ে তিনি বলেন, বাজারে যেন ভারতীয় গরু প্রবেশ বন্ধ রাখা হয়। অন্যথায় গত দুই বছর ধরে খামারিরা লোকসান দিয়ে আসছেন। এ বছরও যদি লোকসান হয় তাহলে খামারিরা আর ঘুরে দাঁড়াতে পারবে না।

আরেকজন খামারি জানান, আমরা খামারিরা গরুর যত্ন নিয়ে বাজারজাতের প্রস্তুতি নিচ্ছি। আশা করছি, এবার কোরবানির ঈদে গরুর ভালো দাম পাবো। ভারত থেকে যদি গরু আসে, তাহলে আমরা ন্যায্য মূল্য পাবো না। আমাদের লোকসানের পাল্লা ভারী হয়ে যাবে। আর ঘুরে দাঁড়ানোর ক্ষমতা থাকবে না।

জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. এবিএম সাইফুজ্জামান জানান, ইতোপূর্বে প্রতি উপজেলা থেকে ২০ জন করে মোট ১৮০ জন খামারিদেরকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। তারা বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে খামার গড়ে তুলেছেন। সীমান্ত অঞ্চলে ভারতীয় গরুর প্রবেশ ঠেকাতে স্থানীয় প্রশাসন ও বিজিবিকে এ বিষয়ে বলা হয়েছে। কারণ ভারতীয় গরু আনা নেওয়ার সময় লোকজন আসা যাওয়া করবে। এতে করে করোনা ঝুঁকি বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। চলতি বছর ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় এক লাখ সাত হাজার গরু কোরবানির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর বিপরীতে এক লাখ ২৪ হাজার ৭২৭টি গরু প্রস্তুত রাখা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ২৮, ২০২১ ৯:৫২ অপরাহ্ন
নরসিংদী ভেটেরিনারি স্টুডেন্টস এসোসিয়েশনের কমিটি ঘোষণা; এনভিএসএ সভাপতি খালেদ, সম্পাদক তুহিন
প্রাণিসম্পদ

নরসিংদী ভেটেরিনারি স্টুডেন্টস এসোসিয়েশনের কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে।বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী খালেদ হাসান শান্তকে সভাপতি এবং সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী তোফাজ্জল হোসেন তুহিনকে সাধারণ সম্পাদক করে নরসিংদী ভেটেরিনারি স্টুডেন্টস এসোসিয়েশন (এনভিএসএ) ২০২১-২২ বর্ষের প্রতিষ্ঠা কালিন কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে।

বাংলাদেশ কৃষক লীগের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক এবং বাংলাদেশ ভেটেরিনারি এসোসিয়েশন এর মহাসচিব ভেটরত্ন ডাঃ মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান মোল্লা ভাইয়ের দিক নির্দেশনায়, বাংলাদেশ ভেটেরিনারি স্টুডেন্ট ফেডারেশন এর সভাপতি ইমতিয়াজ আবির এবং সাধারণ সম্পাদক রতন রহমানের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ২৭ জুন (রবিবার) ৮৫ সদস্যবিশিষ্ট (N.V.S.A.) এর প্রতিষ্ঠা কালিন কমিটির অনুমোদন দেয়া হয়।

সংগঠনের সভাপতি খালেদ হাসান শান্ত বলেন, “ভেটেরিনারি শিক্ষার্থীদের একত্রীকরণ এবং সাধারণ মানুষের মাঝে ভেটেরিনারি পেশা সম্পর্কে সচেতনতা এবং ভেটেরিনারি পেশার গুরুত্ব বৃদ্ধি করাই নরসিংদী ভেটেরিনারি স্টুডেন্টস’ এসোসিয়েশনের মূল উদ্দেশ্য। এই সংগঠনের মাধ্যমে ভেটেরিনারি পেশার উন্নতির জন্য যে কোনো ধরনের কার্যক্রমে আমরা তৎপর থাকব। আমরা সকল ভেটেরিনারিয়ানদের সহযোগিতায় ভেটেরিনারি পেশাকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যাবো এবং প্রাণী স্বাস্থ্য সুরক্ষায় সর্বদা কাজ করে যাবো ইনশাআল্লাহ।

সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক তোফাজ্জল হোসেন তুহিন বলেন, নরসিংদী ভেটেরিনারি সেক্টরের উর্বর ভূমি।এনভিএসএ সাংগঠনিকভাবে বৃহৎ পরিসরে পেশার স্বার্থে কাজ করে যাবে সবসময়। প্রাণিস্বাস্থ্য সেবাকে কে আমরা মানুষের দোরগোড়ায় পৌছে দিতে চাই। ভেটেরিনারি পেশার সমস্যা ও সমাধানকল্পে সবসময় আমাদের সংগঠন কাজ করে যাবে।আশা রাখি সকলের সহযোগিতায় সংগঠনকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারবো এবং পদপ্রাপ্ত সকল সদস্যকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। শীঘ্রই কয়েকটি কার্যক্রম পরিচালনার আশ্বাস দিয়েছেন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

 

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ২৮, ২০২১ ৯:৩৮ অপরাহ্ন
সরকারি চাকরিজীবীদের সেবক হিসেবে দায়িত্ব পালনের আহ্বান প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী‘র
প্রাণিসম্পদ

গতানুগতিক চাকরির ধারা থেকে বের হয়ে সরকারি চাকরিজীবীদের প্রজাতন্ত্রের সেবক হিসেবে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।

সোমবার (২৮ জুন) বিকেলে রাজধানীর সচিবালয়ে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে মন্ত্রণালয়ের ২০২০-২১ অর্থবছরের জাতীয় শুদ্ধাচার পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এ আহ্বান জানান।

শুদ্ধাচার পুরস্কার কর্মস্থলে দায়িত্বশীল আচরণের স্বীকৃতি উল্লেখ করে এসময় কর্মকর্তাদের উদ্দেশে মন্ত্রী বলেন, “দেশের প্রতি দায়িত্ববোধ সবসময় জাগ্রত রাখতে হবে। দেশপ্রেম, কর্তব্যনিষ্ঠা, সততা, ঐকান্তিক ইচ্ছা ও নিরলস প্রচেষ্টা নিজের মধ্যে কঠোরভাবে ধারণ করতে হবে। কীর্তির মধ্য দিয়ে নিজেদের স্মরণীয় করে রাখতে হবে।”

কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে মন্ত্রী আরো বলেন, “আপনাদের কাজের প্রতি আন্তরিকতা, একাগ্রতা ও আত্মনিবেদন যেন অন্যদের উৎসাহিত করে, উদ্বুদ্ধ করে। দায়িত্বনিষ্ঠ না হলে সেটা সততা নয়। কাজে সৃজনশীলতা না থাকলে সেটা নৈতিকতা পরিপন্থী। কোন অজুহাতে কাজ আটকে রাখা পুরোমাত্রায় অনৈতিকতা। দাপ্তরিক কর্মসম্পাদনে এ বিষয়টি সব সময় পরিহার করতে হবে।”

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ সচিব রওনক মাহমুদের সভাপতিত্বে মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব শাহ্ মোঃ ইমদাদুল হক, শ্যামল চন্দ্র কর্মকার, সুবোল বোস মনি ও মোঃ তৌফিকুল আরিফসহ মন্ত্রণালয়ের সকল পর্যায়ের কর্মকর্তাগণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

২০২০-২১ অর্থবছরে তিনটি ভিন্ন শ্রেণিতে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের জাতীয় শুদ্ধাচার পুরস্কার অর্জন করেন মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. ইয়াহিয়া মাহমুদ, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপসচিব ড. অমিতাভ চক্রবর্তী এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অফিস সহায়ক রুহুল আমিন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ২৭, ২০২১ ১১:০১ পূর্বাহ্ন
নাফনদী সাঁতরে টেকনাফে দুই বুনো হাতি!
প্রাণিসম্পদ

মিয়ানমার থেকে নাফনদী সাঁতরে দুটি বুনো মা হাতি কক্সবাজারের টেকনাফে প্রবেশ করেছে।

শনিবার (২৬ জুন) হাতি দুটি উদ্ধার করে বনাঞ্চলে ছেড়ে দেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন বনবিভাগের টেকনাফ রেঞ্জ কর্মকর্তা সৈয়দ আশিক আহমেদ।

সৈয়দ আশিক আহমেদ জানান, নাফনদী সাঁতরে কক্সবাজারের টেকনাফ পৌরসভার জালিয়াপাড়া সংলগ্ন এলাকা দিয়ে বনাঞ্চলে প্রবেশের চেষ্টা করছিল হাতি দুটি। প্রায় পাঁচ ঘণ্টা চেষ্টার পর হাতি দুটি পাহাড়ের দিকে ঢুকিয়ে দেয়া সম্ভব হয়। হাতি দুটি ঠিক মিয়ানমার থেকে আসছিল কিনা বলা যাচ্ছে না। তবে গত বছরের আগস্ট মাসে মিয়ানমার থেকে সাঁতরে আরও একটি হাতি এসেছিল।

টেকনাফ সদর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্য মোহাম্মদ এনাম জানান, হাতি দুটি নাফনদী পেরিয়ে জালিয়া পাড়া ঢুকে পড়ে। পরে সেটি উদ্ধার করে গভীর জঙ্গলে ছেড়ে দেয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ২৬, ২০২১ ৯:০৫ অপরাহ্ন
দুধের লিটার ২০ টাকা! মাটিতে ঢেলে প্রতিবাদ
প্রাণিসম্পদ

নাটোরের সিংড়ায় লকডাউনের কারণে বাইরে থেকে দুধ ব্যাবসায়ী না আসায় এবং দুধের ন্যায্য দাম না পাওয়াতে দুধ মাটিতে ঢেলে প্রতিবাদ করেছে দুগ্ধ খামারিরা। আজ শনিবার সকালে উপজেলার কলম ইউনিয়নের বাহাদুরপুর বটতলা এলাকায় প্রায় ৩০ জন দুগ্ধ খামারি মাটিতে দুধ ঢেলে এই প্রতিবাদ জানান।

খামারিরা জানায়, দুধের দাম ৫০ থেকে ৬০ টাকা লিটার হলেও চলমান লকডাউনের কারণে এখন তাদের ১৫ থেকে ২০ টাকা দরে বিক্রয় করতে হয় দুধ। এতে প্রতিদিন লোকসান গুনতে হচ্ছে এই এলাকার খামারিদের। গরু লালনের খরচও না ওঠায় আগ্রহ হারিয়ে ফেলছে অনেক খামারি।

উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসার ডা. খুরশীদ আলম বলেন, উপজেলার ১২টি ইউনিয়নে প্রায় ৬০০টি দুগ্ধ খামার আছে। আমরা কলম, চামারী, হাতিয়ান্দহ, ইটালী ও ডাহিয়া ইউনিয়নসহ দুগ্ধ খামার এলাকার  সরকারি ব্যবস্থাপনায় দুধ শীতলীকরণ কেন্দ্র গড়ে তোলার জন্য সুপারিশ পাঠিয়েছি। আশা করছি, আগামীতে এই এলাকায় দুধ শীতলীকরন কেন্দ্রে গড়ে উঠলে খামারিরা সরকারি ব্যবস্থাপনায় দুধের ন্যায্য মূল্য পাবে।

-কালের কণ্ঠে

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop