১০:২৯ পূর্বাহ্ন

রবিবার, ৩ মে , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : জুলাই ১৫, ২০২১ ১:৪৮ অপরাহ্ন
৫ বছরে খাদ্যের বস্তার দাম বেড়েছে প্রায় ৫০০ টাকা, ব্রয়লারের দাম বেড়েছে কত ?
পোলট্রি

সালাম সাহেব, উত্তরার বিজিব মার্কেট থেকে নিয়মিত বাজার করে থাকেন । বাজারের লিস্টে আর কিছু থাকুক আর না থাকুক ব্রয়লার মুরগি থাকা চাই কেননা তার ২ বাচ্চার প্রিয় খাবার হচ্ছে ব্রয়লার মুরগি । প্রায় ৪ বছর ধরে এখানেই বাজার করেন, রমজানের ঈদ ছাড়া প্রায় সবসময়ই ব্রয়লারের দাম স্থিতিশীল তার কাছে । দামটা কেজি প্রতি ১১০ থেকে ১৫০ এর মাঝেই থাকে সবসময়, অর্থাৎ দাম বাড়েনি খুব একটা। ব্রয়লার মাংস কম বেশি সবারই খাওয়া হয়, শুধু নিন্মবিত্ত, মধ্যবিত্ত কিংবা উচ্চবিত্ত ভেদে রেসিপি ভিন্ন হয় ।

ঠিক বিপরীত চিত্র খামারিদের মাঝে । ব্রয়লারের খাবারের দাম অস্থিতিশীল যা গত কয়েক মাসে চরম রূপ ধারন করেছে । সাধারনত এদেশের খামারীগন ব্রয়লার পালনের ক্ষেত্রে রেডি ফিড খাওয়ান এবং দেশে অসংখ্য ফিড কোম্পানি রয়েছে । বিগত বছরের ইতিহাস ঘাটলে দেখা যায় যে, ২০১৬ সালে প্রতি ৫০ কেজি ফিডের বস্তার দাম ছিল কোম্পানিভেদে ২০৫০-২১০০ টাকা । সময়ের সাথে সাথে ফিডের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে কিন্তু চরম রূপ ধারন করেছে মূলত ২০১৯ এর আগস্ট থেকে । এই সময়ে ফিডের দাম বস্তাপ্রতি কোম্পানিভেদে ২২৫০ থেকে২৩০০ টাকা ছিল, ২০২০ এর প্রায় পুরোটা সময় এই দাম ২৪০০ থেকে ২৪৫০- টাকার মাঝে ছিল আর সেটা বৃদ্ধি পেতে পেতে বর্তমানে প্রায় ২৫০০-২৫৫০ টাকা । অর্থাৎ ৫ বছরে ফিডের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে বস্তাপ্রতি ৫০০ টাকা, কেজিতে প্রায় ১০ টাকা । অথচ ব্রয়লার মাংসের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে কত টাকা ?

আরেকটু গভীরে যেতে চাই । ১ টি পূর্ণ ব্রয়লার উৎপাদনে কতটুকু খাবার দিতে হয় সে সম্পর্কে একটু ধারনা দেওয়া যাক । ১ দিন বয়সের একটি বাচ্চা প্রায় ৩০-৩৫ দিন লালন পালন করা হয় । এই সময়ে ২.৫ কেজি ফিড খাওয়ানো হলে একটি মুরগির ওজন আসে (খাবার ভেদে) প্রায় ১.৬ কেজি থেকে ১.৮ কেজি ।  অর্থাৎ ১২৫-১৩০ টাকার খাবার খাওয়ালে আপনি ১.৬ কেজি থেকে ১.৮ কেজি ওজন পাবেন, ১.৬ কেজি-১.৮ কেজি মাংসের দাম ১৯০ থেকে ২০৫ টাকা  (১২০ টাকা কেজি ধরে) । আরেকটি তথ্য না দিলেই নয়, ভোক্তা কি দামে মাংস কিনেন সেটা আপাতত ভুলে যান কারণ একজন খামারি মুরগি বিক্রির সময় বাজার মূল্যের চেয়ে কেজি প্রতি প্রায় ১০-১৫ টাকা কমে বিক্রি করেন, মাঝের যোগ বিয়োগ গুন ভাগ মধ্যস্বত্বভোগীদের । এই সব হিসেবের সাথে যোগ করুন ১ দিন বয়সী বাচ্চার দাম যা সারা বছরের গড় হিসেব ধরলেও প্রায় ৩৫-৪০ টাকা । আরোও যোগ করুন মুরগি পালনের সময় ভ্যাক্সিন, অন্যান্য ঔষুধ, মুরগি মারা যাওয়া বাবদ লস, বিদ্যুৎ ও পানির বিল এবং অন্যান্য ।  উৎপাদন খরচের যোগ বিয়োগ আপনারা করে নিন । তারপরও একজন খামারি ১০০০ মুরগিতে যদি ৫,০০০ থেকে ৭,০০০ টাকা লাভ করে তাহলেও সে বেজায় খুশি অথচ এটা কিন্তু তার লাভ না । বেশিরভাগ খামারই স্বামী -স্ত্রী দ্বারা পরিচালিত হয়, এই ২ জনের পারিশ্রমিক কখনই হিসেব করা হয় না, আসলে এই যে ৫-৭ হাজার টাকা আসছে এটা লাভ নয় বরং পারিশ্রমিক; অনেকের ভাগ্যে তাও জুটে না । তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে এই পারিশ্রমিকের টাকাও বেশিরভাগ খামারি পাচ্ছেন না কারণ খাবারের দাম বৃদ্ধি, মুরগি মারা যাওয়া এবং অন্যান্য ।

 

খাদ্যের মূল্য বৃদ্ধির কারণ সম্পর্কে জানান এনাম ট্রেডিং এর এজিএম মোঃ সাইফুল আলম।  তিনি বলেন, মূলত খাদ্যের কাঁচামালের কারণেই আজকের এই অবস্থা, ভুট্টার জন্য আমরা ব্রাজিলের উপর নির্ভরশীল, আমাদের দেশে যে ভুট্টা হয় তা দিয়ে চাহিদার ২০-২৫% পূরণ হয়, বাকিটা আমদানি করতে হয় । করোনার কারনে ব্রাজিলের ভুট্টা কম আসছে, গত বছর যেখানে ভুট্টার কেজি ছিল ১৬-১৭ টাকা বর্তমানে তা ২৭-২৮ টাকা । ১ বছরের ব্যবধানে সয়াবিনের মূল্য ৩৭-৩৮ টাকা থেকে বেড়ে হয়েছে ৪৮-৫০ টাকা । প্রায় সকল উপাদান বাইরে থেকে আনতে হয়, করোনার কারণে সবকিছুর দাম যেমন বেড়েছে তেমনি জাহাজের ভাড়াও বেড়েছে অনেক । এখন এমন একটা অবস্থানে এসে পৌঁছেছে যে ফিড কোম্পানিগুলোর ফিড বিক্রি করলেই বরং লস হচ্ছে, ফিড বিক্রি কমে গেলেই বরং তারা খুশি হবে ।

এ প্রসঙ্গে বিটিসি লিমিটেড (ফিড ইনগ্রেডিয়েন্টস অ্যান্ড এডিটিভস সাপ্লাই ডিভিশন)  এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক আলতাফ বিশ্বাস বলেন, চীনের বেশি পরিমানে পণ্য ক্রয় করে রাখা, পণ্য পরিবহণ ভাড়া বৃদ্ধি (প্রায় দ্বিগুন), কনটেইনারের স্বল্পতা, বৈশ্বিক মহামারির ফলে শ্রমিক সংকট, চট্টগ্রাম বন্দরের অত্যধিক ভীড়ের ফলে শিপিং কোম্পানিগুলোর কনটেইনার পাঠানোর অনীহা- এসব কারণগুলোও বর্তমান অবস্থার জন্য দায়ী ।

প্রভিটা গ্রুপের জিএম (সেলস এন্ড মার্কেটিং) মোঃ ফজলুর রহমান মজুমদার বলেন, আমাদের দেশের খামারিদের অবস্থা এমন যে, তিনি কষ্ট করে পণ্য উৎপাদন করেন কিন্তু তিনি তার উৎপাদিত পণ্যের দাম নির্ধারন করতে পারেননা। তার জন্য নির্ভর করতে হয় অন্যজনের উপর। এই নিয়মের বিকল্প কিছু করা জরুরী বলে আমি মনে করি। পাশাপাশি ব্রয়লার মুরগির চাহিদা অনুযায়ী বাচ্চা উৎপাদন ও বিতরণ ব্যবস্থা জোরদার করাও জরুরি বলে মনে করি।

 

খামারীদের অবস্থা দিনকে দিন এতটাই শোচনীয় হচ্ছে যে ইতোমধ্যে অনেক খামারি ঋনের বোঝা মাথায় নিয়ে তাদের খামার বন্ধ করে দিতে বাধ্য হয়েছে আর যারা টিকে আছে তারা বিশ্বাস করে যে, একমাত্র সরকারী হস্তক্ষেপই পারে খামারীদের নতুন দিনের আলো দেখাতে…

 

 

ডা. খালিদ হোসাইন

সম্পাদক

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ১৫, ২০২১ ১১:০২ পূর্বাহ্ন
মহামারী থেকে মুরগির খামার রক্ষায় করণীয়
পোলট্রি

আমাদের দেশের অনেকেই এখন অধিক লাভের আশায় মুরগির খামারের দিকে আগ্রহী হয়ে উঠছেন। তবে মহামারীর কারণে অনেকেই খামারে লোকসান করে থাকেন। মহামারী থেকে মুরগির খামারকে রক্ষা করতে করণীয়গুলো জানা থাকলে আর এই লসের কাতারে পড়তে হবে না খামারীদের।

মহামারী থেকে মুরগির খামার রক্ষায় করণীয়:

মুরগির খামারের জন্য ভাল মানের বাচ্চা ও খাদ্য নির্ভরযোগ্য উৎস্য থেকে সংগ্রহ করতে হবে। প্রয়োজনে রুটিন অনুযায়ী খাদ্য পরিক্ষা করতে হবে। খামারে বহিরাগতদের প্রবেশ ১০০% নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করুন। খামারের ভিতরে ব্যবহারের জন্য আলাদা পোষাক রাখুন। বহিরাগতদের জন্য আলাদা পোষাক রাখুন।

মুরগির খামারটি অবশ্যই লোকালয় এর বাহিরে গড়ে তুলুন। লোকালয় এর ভিতরে বা বাহিরে হলেও চারিদিকে অবশ্যই বেস্টনি দেন। মুরগির খামারে প্রবেশের জন্য অবশ্যই আলাদা সেন্ডল ব্যবহার করুন। আলাদা আলাদা সেডে অবশ্যই আলাদা সেন্ডেল রাখুন। মনে রাখবেন রোগজীবাণুর ৭০% সেন্ডেলের মাধ্যমে প্রবেশ করে। অতএব বিষয়টি খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

মরা মুরগি গর্ত করে ২ মিটার মাটির নিচে পুতে রাখুন। কোন অবস্থায় বাহিরে ফেলবেন না। একটা এলাকায় কোনো রোগের মহামারী আকার ধারণ করার এটাই সবচেয়ে বড় কারণ। মার্কেট থেকে আগত ডিমের ট্রে সেডে প্রবেশ করানো ১০০% নিষেধ। খামারে স্টোর রুমে প্রবেশ করানো যাবে তবে অবশ্যই জীবানুনাশক ও সাবান দিয়ে ধুয়ার পর।

খামারে ব্যবহার্য জিনিসপত্র ডিমের ট্রে,খাদ্যের পাত্র, পানির পাত্র, ইত্যাদি জীবানুনাশক দিয়ে ধুয়ে খামারে প্রবেশ করান। খামারের প্রবেশপথে অবশ্যই জীবাণুনাশক স্প্রে ব্যবহার করতে হবে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ১৪, ২০২১ ৯:৫৩ অপরাহ্ন
পোল্ট্রির ডিম, মুরগি ও বাচ্চার বুধবার (১৪ জুলাই) সর্বশেষ পাইকারি দাম
পোলট্রি

পোল্ট্রি পণ্য (ডিম ও মুরগীর) আজকের পাইকারী মূল্য(টাকা) নিন্মরুপ:-
তারিখ:১৪/০৭/২০২১ ইং

★এখানে বর্ণিত পোল্ট্রি পণ্যের মূল্য মূলত : পোল্ট্রি খামারিদের প্রাপ্ত মূল্য।

ইউনাইটেড এগ(সেল পয়েন্ট)
লাল ডিম=৮.০০
সাদা ডিম=৭.০০
ডাম্পিং মার্কেট=
লাল(বাদামী) ডিম=৭.০৫
সাদা ডিম=৬.১৫

গাজীপুর:-
লাল(বাদামী)ডিম=৭.০০
সাদা ডিম=৬.১০
ব্রয়লার মুরগী=১০০/কেজি
কালবার্ড লাল=১৯০/কেজি
কালবার্ড সাদা=/কেজি
সোনালী মুরগী=১৫৫/কেজি
বাচ্চার দর:-
লেয়ার লাল=২৭-২৮
লেয়ার সাদা=
ব্রয়লার=২০-২৩

ডায়মন্ডঃ-
লাল(বাদামী) বড় ডিম=
লাল(বাদামী) মাঝারি ডিম=

চট্টগ্রাম:-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.৪০
সাদা ডিম=৭.০০
ব্রয়লার মুরগী=১০২/কেজি
কালবার্ড লাল=২১৫/কেজি
সোনালী মুরগী=১৭০/কেজি
বাচ্চার দর:-
লেয়ার লাল=২৭
লেয়ার সাদা=১২
ব্রয়লার=২৩-২৪

রাজশাহী:-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.০০
সাদা ডিম=৫.৪০
ব্রয়লার মুরগী =/কেজি
সোনালী =/কেজি

খুলনা:-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.৬০
সাদা ডিম=

বরিশাল:-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.৩০
ব্রয়লার মুরগী=১০৫/কেজি
কালবার্ড লাল=২০৫/কেজি
সোনালী মুরগী=১৫০/কেজি বাচ্চার দর:-
লেয়ার লাল =২৫
লেয়ার সাদা =
ব্রয়লার=২২

ময়মনসিংহ:-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.০০
ব্রয়লার মুরগী=১০০/কেজি
সোনালী মুরগী=১৬০/কেজি

সিলেট=
লাল(বাদামী) ডিম=৭.২৫
ব্রয়লার মুরগী=/কেজি
কাজী(সিলেট) :-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.৪৫

[ খাদ্যের দাম কমানোর দাবি করছি]

রংপুর:-
লাল(বাদামী) ডিম=৬.৯০
কাজী(রংপুর) :-
লাল(বাদামী) ডিম=৬.৯৫
বাচ্চার দর:-
লেয়ার লাল=২৪
ব্রয়লার=১৫
সোনালী হাইব্রিড=১৬
সোনালী রেগুলার=০৯

বগুড়া :
লাল(বাদামী)ডিম=৭.৩০
ব্রয়লার মুরগী=১১০/কেজি
সোনালী মুরগী =১৬০/কেজি

টাংগাইল :-
লাল(বাদামী) ডিম=৬.৯৫
সাদা ডিম=
ব্রয়লার মুরগী=৯৫/৯৭কেজি
সোনালী মুরগী=১৬০/কেজি

কিশোরগঞ্জ:-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.০০
ব্রয়লার মুরগী=/কেজি

নরসিংদী :-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.০০

সিরাজগঞ্জ :-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.১০
ব্রয়লার মুরগী=১০০/কেজি
কালবার্ড লাল=২১০/কেজি
সোনালী মুরগী=১৫৫/কেজি

ফরিদপুর :-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.৬০
কাজী(ফরিদপুর) :-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.৮০
ব্রয়লার মুরগী=৯৫/কেজি
লেয়ার মুরগী=১৯০/কেজি
সোনালী মুরগী=১৪৫/কেজি

পাবনা :-
লাল(বাদামী)ডিম=৭.০০
সাদা ডিম=৬.৭০

নোয়াখালী:-
লাল(বাদামী)ডিম=৭.৩০
ব্রয়লার মুরগী=১১০/কেজি
কালবার্ড লাল=২১৫/কেজি
সোনালী মুরগী=১৫৫/কেজি
বাচ্চার দর:-
লেয়ার লাল =২৬
লেয়ার সাদা =
ব্রয়লার =২২

পিরোজপুর (স্বরুপকাঠী:-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.৩০
সাদা ডিম=৬.৩০
ব্রয়লার মুরগী =/কেজি

যশোর :-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.৮০

কুমিল্লা:-
লাল (বাদামী) ডিম=৭.২০
ব্রয়লার মুরগী=১০৫/ কেজি
কালবার্ড লাল=২০৫/কেজি
সোনালী মুরগী=১৫৫/কেজি

কক্সবাজার :-
লাল (বাদামী) ডিম=৭.১০
সাদা ডিম=৬.৭০

একটি যৌথ উদ্যোগ: বাংলাদেশ পোল্ট্রি খামার রক্ষা জাতীয় পরিষদ (বি.পি.কে.আর.জে.পি) এবং পোল্ট্রি প্রফেশনাল’স বাংলাদেশ(পিপিবি)।

ধন্যবাদান্তে
মো:শিমুল হক রানা
যোগাযোগ:০১৮৫৫৯৪৪২৭০

গতকালকের বাজার দর জানতে ক্লিক করুন এখানে

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ১৪, ২০২১ ১০:২১ পূর্বাহ্ন
ভালো মানের লেয়ার মুরগি চেনার উপায়
পোলট্রি

ডিম উৎপাদনের জন্য আমাদের দেশের অনেকেই লেয়ার মুরগি পালন করে থাকেন। তবে ভালো মানের লেয়ার মুরগি নির্ণয় করতে না পারাতে লাভের অংকটা খুব বেশি হচ্ছে না। এই জন্য দরকার ভালো মানের লেয়ার মুরগি নির্ণয় করা। যা একজন খামারিকে আরো লাভবান হতে সহায়তা করবে।

ভালো মানের লেয়ার মুরগি চেনার উপায়:
উন্নত মানের মুরগির বেশি ডিম দেয়। মুরগির মাথা হবে ছোট, হালকা এবং মাংসল অংশ থাকবে কম।
ভাল মানের মুরগির চোখ সবসময় সতর্ক থাকবে। নাক ও মুখ থাকবে শ্লেষ্মাহীন পরিষ্কার। নাক দিয়ে সর্দিঝরা কিংবা গলার ভেতর ঘড়ঘড় শব্দ হবে না।

ভাল মানের মুরগির মাথার ঝুটি ও গলার ফুল হবে উজ্জ্বল লাল রঙ কিংবা গোলাপি বর্ণের। ভাল মানের মুরগির চোখের বর্ণ উজ্জ্বল হয়ে থাকে।

পেটে ডিম অনুভব হলে অবশ্যই ওজনে ভারি হবে। এ ধরনের মুরগির পিঠ হয় লম্বা ও প্রশস্ত।
মুরগির দেহ সুগঠিত হবে। পরিমাণমতো খাদ্য ও পানি পান করবে, সে কারণে খাদ্যথলিতে খাবারে ভর্তি থাকবে।
ভাল মানের মুরগির শরীরের কোনো অংশে খুঁত, অপূর্ণতা অথবা বিকলাঙ্গ হবে না। সুস্থ অবস্থায় মুরগির পালক উজ্জ্বল ও সুবিন্যস্ত থাকে।

লেয়ারের ভাল জাত: বোভানস্ ব্রাউন ,হাই লাইন ব্রাউন ,ইসা ব্রাউন

যা জানা দরকার:
উৎপাদনশীল মুরগির দু’হাড়ের মধ্যবর্তী দূরত্ব হবে দু’ইঞ্চি। মুরগির তলপেটে হাত দিয়ে বুঝা যাবে এর ডিম ধারণের ক্ষমতা। ডিম দেয়া অবস্থায় তলপেট প্রশস্ত ও নরম থাকে।

ডিম পাড়া মুরগির মলদ্বার হবে প্রশস্ত ও ডিম্বাকৃতি। পরীক্ষা করলে সেখানে আর্দ্র ও রক্তাভ দেখাবে। মলদ্বারের উভয় পাশে হাত দিলে পাছার হাড় অনুভব করা যায়। মুরগীর বয়স বেশি হলে বয়স্ক মুরগি খাবারের জন্য বিক্রি করে খামারের নতুন মুরগি তোলা উচিত। সুস্থ মুরগি সবসময় চঞ্চল থাকে এবং খাবার খুঁজতে ব্যস্ত থাকতে দেখা যায়।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ১৩, ২০২১ ৬:১৭ অপরাহ্ন
পোল্ট্রির ডিম, মুরগি ও বাচ্চার মঙ্গলবার (১৩ জুলাই) সর্বশেষ পাইকারি দাম
পোলট্রি

পোল্ট্রি পণ্য (ডিম ও মুরগীর) আজকের পাইকারী মূল্য(টাকা) নিন্মরুপ:-
তারিখ:১৩/০৭/২০২১ ইং

★এখানে বর্ণিত পোল্ট্রি পণ্যের মূল্য মূলত : পোল্ট্রি খামারিদের প্রাপ্ত মূল্য।

ইউনাইটেড এগ(সেল পয়েন্ট)
লাল ডিম=৮.২০
সাদা ডিম=৭.৩০
ডাম্পিং মার্কেট=
লাল(বাদামী) ডিম=৭.২৫
সাদা ডিম=৬.৪৫

গাজীপুর:-
লাল(বাদামী)ডিম=৭.২০
সাদা ডিম=৬.৪০
ব্রয়লার মুরগী=৯৫/কেজি
কালবার্ড লাল=১৯০/কেজি
কালবার্ড সাদা=/কেজি
সোনালী মুরগী=১৫০/কেজি
বাচ্চার দর:-
লেয়ার লাল=২৫-২৭
লেয়ার সাদা=১০-১২
ব্রয়লার=১৮

ডায়মন্ডঃ-
লাল(বাদামী) বড় ডিম=
লাল(বাদামী) মাঝারি ডিম=

চট্টগ্রাম:-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.৫০
সাদা ডিম=৭.১০
ব্রয়লার মুরগী=১০০/কেজি
কালবার্ড লাল=২১০/কেজি
সোনালী মুরগী=১৫০/কেজি
বাচ্চার দর:-
লেয়ার লাল=২৬
লেয়ার সাদা=১২
ব্রয়লার=২১-২২

রাজশাহী:-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.১০
সাদা ডিম=৫.৬০
ব্রয়লার মুরগী =/কেজি
সোনালী =/কেজি

খুলনা:-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.৬০
সাদা ডিম=

বরিশাল:-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.৩০
ব্রয়লার মুরগী=১০৫/কেজি
কালবার্ড লাল=২০৫/কেজি
সোনালী মুরগী=১৫০/কেজি বাচ্চার দর:-
লেয়ার লাল =২৫
লেয়ার সাদা =
ব্রয়লার=২২

ময়মনসিংহ:-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.২০
ব্রয়লার মুরগী=৯৫/কেজি
সোনালী মুরগী=১৬০/কেজি

সিলেট=
লাল(বাদামী) ডিম=৭.৪৫
ব্রয়লার মুরগী=৯৩/কেজি
কাজী(সিলেট) :-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.৬৫

[ খাদ্যের দাম কমানোর দাবি করছি]

রংপুর:-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.১০
কাজী(রংপুর) :-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.১৫
বাচ্চার দর:-
লেয়ার লাল=২২
ব্রয়লার=১৫
সোনালী হাইব্রিড=১৬
সোনালী রেগুলার=০৯

বগুড়া :
লাল(বাদামী)ডিম=৭.৩০
ব্রয়লার মুরগী=১০৫/কেজি
সোনালী মুরগী =১৬০/কেজি

টাংগাইল :-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.১৫
সাদা ডিম=৬.৩৫
ব্রয়লার মুরগী=৯২/৯৪কেজি
সোনালী মুরগী=১৫০/কেজি

কিশোরগঞ্জ:-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.১৫
ব্রয়লার মুরগী=/কেজি

নরসিংদী :-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.১০

সিরাজগঞ্জ :-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.৩০
ব্রয়লার মুরগী=১০৫/কেজি
কালবার্ড লাল=২১০/কেজি
সোনালী মুরগী=১৬০/কেজি

ফরিদপুর :-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.৫০
কাজী(ফরিদপুর) :-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.৭০
ব্রয়লার মুরগী=৯৫/কেজি
লেয়ার মুরগী=১৯০/কেজি
সোনালী মুরগী=১৪৫/কেজি

পাবনা :-
লাল(বাদামী)ডিম=৭.০৫
সাদা ডিম=৬.৭৫

নোয়াখালী:-
লাল(বাদামী)ডিম=৭.৪০
ব্রয়লার মুরগী=১০৩/কেজি
কালবার্ড লাল=২১৫/কেজি
সোনালী মুরগী=১৫৫/কেজি
বাচ্চার দর:-
লেয়ার লাল =
লেয়ার সাদা =
ব্রয়লার =

পিরোজপুর (স্বরুপকাঠী:-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.৩০
সাদা ডিম=৬.৩০
ব্রয়লার মুরগী =/কেজি

যশোর :-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.৮০

কুমিল্লা:-
লাল (বাদামী) ডিম=৭.২০
ব্রয়লার মুরগী=১০০/ কেজি
কালবার্ড লাল=২০৫/কেজি
সোনালী মুরগী=১৫৫/কেজি

কক্সবাজার :-
লাল (বাদামী) ডিম=৭.১০
সাদা ডিম=৬.৭০

একটি যৌথ উদ্যোগ: বাংলাদেশ পোল্ট্রি খামার রক্ষা জাতীয় পরিষদ (বি.পি.কে.আর.জে.পি) এবং পোল্ট্রি প্রফেশনাল’স বাংলাদেশ(পিপিবি)।

ধন্যবাদান্তে
মো:শিমুল হক রানা
যোগাযোগ:০১৮৫৫৯৪৪২৭০

গতকালকের বাজার দর জানতে ক্লিক করুন এখানে

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ১৩, ২০২১ ১২:০৮ অপরাহ্ন
এন্টিবায়োটিকমুক্ত খামারের দিকে আগ্রহ বাড়ছে খামারিদের
পোলট্রি

যত্রতত্র এন্টিবায়োটিকের ব্যবহারকে বিশেষজ্ঞ ডাক্তারগণ পোল্ট্রির জন্য অপ্রয়োজনীয় মনে করেন। তথাপি আমাদের খামারির কিছু অংশ এখনও সেকালের মত এন্টিবায়োটিক নির্ভর খামার গড়ে তোলার দিকেই ঝুঁকছেন। তারা মনে করছেন এন্টিবায়োটিক মানেই হলো খামার আর খামার মানেই হলো এন্টিবায়োটিক।

অথচ এই এন্টিবায়োটিক কেবল মুরগির জন্য ক্ষতিকর না। এটি মানুষের জন্যও মারাত্মক ক্ষতি বয়ে আনে। মানুষ শরীরের আমিষের চাহিদা পূরণ করতে গিয়ে স্বাস্থ্য ঝুঁকির দিকে ধাবিত হচ্ছেন এই এন্টিবায়োটিক ব্যবহার করার মাধ্যমে। এছাড়া খামারীরা অহেতুক এন্টিবায়োটিক ওষুধ ব্যবহার করে ক্ষতিগ্রস্তও হচ্ছে অর্থনৈতিকভাবে।

এতকিছুর পরও আমাদের খামারিরা মনে করছেন এন্টিবায়োটিকহীন খামার করতে বলা মানেই হলো তাদেরকে লসের দিলে ঠেলে দেয়া। অথচ এন্টিবায়োটিক ব্যবহার করে খামার করাতেই যেন ক্ষতি আর লসের অংকটা খুব বেশি এটা মানতে নারাজ তারা।

তবে সুসংবাদ হলো ইতোমধ্যে বর্তমানের অনেক শিক্ষিত এবং দক্ষ আর যোগ্য খামারীরা এখন এন্টিবায়োটিকমুক্ত খামার করার দিকে ঝুঁকছেন। আর তারা আশে-পাশে অন্য আট-দশজনের তুলনায় লাভও করছেন বেশ।

এগ্রিভিউ২৪.কম এর একান্ত সাক্ষাৎকারে এন্টিবায়োটিকমুক্ত খামার করে সফল হওয়া কুমিল্লা জেলার ব্রাহ্মণপাড়া থানার মো. মাসুদ জানান, তিনি ২০১৮-১৯ সাল পর্যন্ত খামার করেছেন এন্টিবায়োটিক দিয়ে। আর ২০২০ সালে এসে তিনি এন্টিবায়োটিক মুক্ত খামার করার সাহসি কাজে হাত দেন। আর তাতে তিনি সফলও হয়েছেন। আগে মুরগির খাবারও লাগতো বেশি এবং ওজনও হতো কম। আর মারাও যেতো বেশি। আর এন্টিবায়োটিকমুক্ত খামার করার পর থেকে তার সম্পূর্ণ বিপরীত অবস্থান শুরু হয়। তার খামারে এখন মুরগির মৃত্যুহার একেবারেই কম। হাজারে বিশটার মত মারা যায় সর্বোচ্চ। আর খাদ্যও লাগে কম। আবার ওজনও হয় বেশি। গড়ে ২কেজি করে মাসে ওজন হয় বলে তিনি জানিয়েছেন।

ঢাকার ডেমরা এলাকার পোল্ট্রি খামারি আব্দুর রাজ্জাক সাইফ একজন পোল্ট্রি খামারী। এগ্রিভিউ২৪.কম‘কে জানিয়েছেন তার এন্টিবায়োটিকমুক্ত খামার করে সফলতার কথা। তিনি টানা ৯ বছর ধরে এন্টিবায়োটিকমুক্ত খামার করছেন। তিনি খামার শুরুর প্রথম দু‘বছর নিয়ম করে এন্টিবায়োটিক দিয়েই খামার পরিচর্চা করতে থাকেন। আর তাতে তিনি দু‘দিকেই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন। একদিকে অর্থ অন্যদিকে খামাররের মুরগীর মৃত্যু বৃদ্ধি। পরে বন্ধুর মাধ্যমে এন্টিবায়োটিকমুক্ত খামার করা যায় শুনে ইন্টারন্টে ঘেঁটে জানতে পারেন ইউরোপের দেশগুলো এন্টিবায়োটিকমুক্ত খামার করে লাভবান হচ্ছে। তারপর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার সহায়তায় এন্টিবায়োটিক মুক্ত খামার শুরু করেন তিনি।

আব্দুর রাজ্জাক জানান, তিনি এন্টিবায়োটিক ব্যবহার না করার পর থেকে মুরগির গ্রোথ ও মাংস উৎপাদন আগের থেকে অনেক ভালো পেয়েছেন। ৩০ দিনে গড়ে ১.৭ – ২.০ কেজি পর্যন্ত ওজন পাচ্ছেন এখন নিয়মিত। তাছাড়া অহেতুক এন্টিবায়োটিক জাতীয় ওষুধ ব্যবহার না করায় এখন প্রতি হাজার মুরগিতে ৫ হাজার টাকার ওষুধ খরচ বেঁচে যাচ্ছে তার।

আরো পড়ুন: নানাকে দেখে খামার শুরু, এন্টিবায়োটিক মুক্ত ব্রয়লার উৎপাদন করছে দশম শ্রেণির ছাত্র

তিনি আরো জানান, প্রতি মাসে ৭০০০ মুরগির জন্য অনেক টাকার ওষুধ কিনতে হচ্ছে না , যার ফলে আমার উৎপাদন খরচ কমে এসেছে।আমাদের লাভ হচ্ছে, খরচও কমেছে, স্বাস্থ্যসম্মত নিরাপদ মাংস ও উৎপাদন করতে পারছি।

জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা, বরিশাল, ডা. মো. নূরুল আলম বলেন, এন্টিবায়োটিক ছাড়া ব্রয়লার উৎপাদন করা যাবে না এটা ভুল ধারণা। এন্টিবোয়োটিক শুধু সুনির্দিষ্ট কিছু রোগের জন্য ব্যবহার করা হয়। ব্রয়লারের শরীরে কোন রোগ না থাকলে এর অযাচিত ব্যবহার ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। যেমন মাইকোপ্লাজমা রোগ, করাইজা এবং ই কেলাই রোগের সংক্রমণ।

তিনি বলেন, এন্টিবায়োটিক ব্যবহারের পূর্বে অবশ্যই একজন রেজিস্টার্ড ভেটেরিনারি চিকিৎসক কর্তৃক রোগটি নির্ণয় হওয়া উচিৎ। আমাদের দেশে পোল্ট্রি ফিড বিক্রেতারা খামারীদের একদিনের বাচ্চা বিক্রির সময় অকারণে এক গাদা এন্টিবায়োটিক দিয়ে থাকেন শুধু ব্যবসার জন্য।এন্টিবায়োটিক অপ্রয়োজন এবং অতিমাত্রায় ব্যবহার করলে ব্রয়লার কিংবা লেয়ারের শরীরের উপকারী ব্যাকটেরিয়া মারা যায়। যার ফলে উৎপাদন ব্যহত হওয়ার পাশাপাশি ব্রয়লারের ওজন বৃদ্ধি কমে যায়।

আরো পড়ুন: এন্টিবায়োটিক মুক্ত মুরগি উৎপাদনে উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত আব্দুর রাজ্জাক সাইফ

তিনি আরো বলেন, এন্টিবায়োটিক ব্যবহারে মানুষের ক্ষতি হয়ে থাকে। কারণ এই এন্টিবায়োটিক অনেক সময় মুরগির বিষ্টার সাথে পানিতে আর মাটিতে গেলে সেখান থেকে মানুষের দেহেও প্রবেশ করে। তাই এন্টিবায়োটিক ব্যবহার করা মুরগির ক্ষেত্রে অনুৎসাহিত।

আমাদের দেশের খামারিরা খামার শুরুতে এক গাদা এন্টিবায়োটিক নিয়ে তারপর খামার শুরু করে। যা তার খামার এবং মানুষের পুষ্টির জন্য বড়ই ক্ষতিকর। এই জন্য দরকার অভিজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শে খামার পরিচালন করা। যাতে করে লাভবান হয় খামারিরা এবং সুস্থ থাকে মানবজাতি।

আরো জানতে  ক্লিক করুন এখানে(ভিডিও)- ব্রয়লার মুরগি খেলে কি হয়

এগ্রিভিউ/এসএমএ

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ১২, ২০২১ ৬:৩৯ অপরাহ্ন
পোল্ট্রির ডিম, মুরগি ও বাচ্চার সোমবার (১২ জুলাই) সর্বশেষ পাইকারি দাম
পোলট্রি

পোল্ট্রি পণ্য (ডিম ও মুরগীর) আজকের পাইকারী মূল্য(টাকা) নিন্মরুপ:-
তারিখ:১১/০৭/২০২১ ইং

ইউনাইটেড এগ(সেল পয়েন্ট): লাল ডিম=৮.২০, সাদা ডিম=৭.৩০ টাকা। ডাম্পিং মার্কেট= লাল(বাদামী) ডিম=৭.৩৫, সাদা ডিম=৬.৪৫ টাকা।

গাজীপুর:-লাল(বাদামী)ডিম=৭.৩০, সাদা ডিম=৬.৪০, ব্রয়লার মুরগী=৯৫/কেজি, কালবার্ড লাল=১৯০/কেজি, কালবার্ড সাদা=/কেজি, সোনালী মুরগী=১৫০/কেজি টাকা।

বাচ্চার দর:-লেয়ার লাল=২৫-২৭, লেয়ার সাদা=১০-১২ ব্রয়লার=১৮ টাকা।

ডায়মন্ডঃ- লাল(বাদামী) বড় ডিম= লাল(বাদামী) মাঝারি ডিম= টাকা।

চট্টগ্রাম:- লাল(বাদামী) ডিম=৭.৫০, সাদা ডিম=৭.১০, ব্রয়লার মুরগী=১০২/কেজি, কালবার্ড লাল=২১৫/কেজি, সোনালী মুরগী=১৬০/কেজি টাকা।

বাচ্চার দর:- লেয়ার লাল=২৭, লেয়ার সাদা=১৭ ব্রয়লার=২১-২৩ টাকা।

রাজশাহী:- লাল(বাদামী) ডিম=৭.১০, সাদা ডিম=৫.৬০, ব্রয়লার মুরগী =/কেজি, সোনালী =/কেজি টাকা।

খুলনা:- লাল(বাদামী) ডিম=৭.৬০, সাদা ডিম= টাকা।

বরিশাল:- লাল(বাদামী) ডিম=৭.১০, ব্রয়লার মুরগী=১০৫/কেজি, কালবার্ড লাল=২০৫/কেজি, সোনালী মুরগী=১৬০/কেজি টাকা।

বাচ্চার দর:- লেয়ার লাল =২৫, লেয়ার সাদা =, ব্রয়লার=২২ টাকা।

ময়মনসিংহ:- লাল(বাদামী) ডিম=৭.৩০, ব্রয়লার মুরগী=৯৫/কেজি, সোনালী মুরগী=১৫৫/কেজি টাকা।

সিলেট:- লাল(বাদামী) ডিম=৭.৬০, ব্রয়লার মুরগী=১০০/কেজি, কাজী(সিলেট) :- লাল(বাদামী) ডিম= টাকা।

রংপুর:- লাল(বাদামী) ডিম=৭.২০, কাজী(রংপুর) :- লাল(বাদামী) ডিম= টাকা।

বাচ্চার দর:- লেয়ার লাল=২৭, ব্রয়লার=১৫, সোনালী হাইব্রিড=১৬, সোনালী রেগুলার=১০ টাকা।

বগুড়া : লাল(বাদামী)ডিম=৭.৭০, ব্রয়লার মুরগী=১০৫/কেজি, সোনালী মুরগী =১৬০/কেজি টাকা।

টাংগাইল :– লাল(বাদামী) ডিম=৭.২৫, সাদা ডিম=৬.৩৫, ব্রয়লার মুরগী=৯২/৯৪ কেজি, সোনালী মুরগী=১৫০/কেজি টাকা।

কিশোরগঞ্জ:- লাল(বাদামী) ডিম=৭.২০, ব্রয়লার মুরগী=/কেজি টাকা।

নরসিংদী :- লাল(বাদামী) ডিম=৭.৩০ টাকা।

সিরাজগঞ্জ :- লাল(বাদামী) ডিম=৭.৪০, ব্রয়লার মুরগী=১১০/কেজি, কালবার্ড লাল=২১০/কেজি, সোনালী মুরগী=১৫০/কেজি টাকা।

ফরিদপুর :- লাল(বাদামী) ডিম=৭.৫০, কাজী(ফরিদপুর) :- লাল(বাদামী) ডিম=৭.৭০, ব্রয়লার মুরগী=৯৫/কেজি, লেয়ার মুরগী=১৯২/কেজি, সোনালী মুরগী=১৪৫/কেজি টাকা।

পাবনা :- লাল(বাদামী)ডিম=৭.২৫, সাদা ডিম=৬.৯৫ টাকা।

নোয়াখালী:- লাল(বাদামী)ডিম=৭.৩০, ব্রয়লার মুরগী=১০৫/কেজি, কালবার্ড লাল=২১৫/কেজি, সোনালী মুরগী=১৫৫/কেজি টাকা।

বাচ্চার দর:- লেয়ার লাল =, লেয়ার সাদা =, ব্রয়লার = টাকা।

পিরোজপুর (স্বরুপকাঠী:- লাল(বাদামী) ডিম=৭.১০, সাদা ডিম=, ব্রয়লার মুরগী =/কেজি টাকা।

যশোর :- লাল(বাদামী) ডিম=৭.৮০ টাকা।

কুমিল্লা:- লাল (বাদামী) ডিম=৭.৩০, ব্রয়লার মুরগী=১০০/ কেজি, কালবার্ড লাল=২১০/কেজি, সোনালী মুরগী=১৫৫/কেজি টাকা।

কক্সবাজার :- লাল (বাদামী) ডিম=৭.১০, সাদা ডিম=৬.৭০ টাকা।

একটি যৌথ উদ্যোগ: বাংলাদেশ পোল্ট্রি খামার রক্ষা জাতীয় পরিষদ (বি.পি.কে.আর.জে.পি) এবং পোল্ট্রি প্রফেশনাল’স বাংলাদেশ(পিপিবি)।

ধন্যবাদান্তে
মো:শিমুল হক রানা
যোগাযোগ:০১৮৫৫৯৪৪২৭০

গতকালকের বাজার দর জানতে ক্লিক করুন এখানে

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ১২, ২০২১ ৪:০০ অপরাহ্ন
ব্রয়লারের বাচ্চা পরিবহণে খামারিদের সতর্কতা
পোলট্রি

ব্রয়লার খামার করে লাভবান হয়েছেন যেমন অনেক খামারী তেমনি মাংসের চাহিদাও পূরণ হয়েছে সবার। তবে এতে লাভ পেতে হলে শুরু থেকেই করতে হবে যত্ন। আর এই যত্নে শুরুটা হতে হবে ব্রয়লার খামার বাচ্চা পরিবহণ থেকে। কারণ ব্রয়লারের বাচ্চা পরিবহণের সময় কোন সমস্যা হলে মুরগির জটিলতার সৃষ্টি হতে পারে।

ব্রয়লার খামারে বাচ্চা পরিবহণ করার সময় সতর্কতা:
ব্রয়লারের বাচ্চা পরিবহণ করার সময় এমনভাবে বাচ্চাগুলো পরিবহণ করতে হবে যাতে সূর্যের আলো সরাসরি বাচ্চার শরীরে এসে না পড়ে। এছাড়াও বৃষ্টির পানিতে বাচ্চাগুলো যাতে না ভিজে যায় সেদিকেও লক্ষ্য রাখতে হবে। গরমকালে ব্রয়লার মুরগির বাচ্চা পরিবহণ করতে হলে সকালের দিকে বাচ্চা পরিবহণ করতে হবে। এ সময় কোনভাবেই দুপুর কিংবা প্রচন্ড রোদে বাচ্চা পরিবহণ করা যাবে না। এতে বাচ্চা ক্ষতি হতে পারে। আর শীতের দিনে বাচ্চা দুপুর বা রোদের সময় পরিবহণ করা ভালো।

ব্রয়লার খামারের জন্য বাচ্চা পরিবহণ করার সময় লক্ষ্য করতে হবে পরিবহণ বাক্স জীবাণুমুক্ত আছে কিনা। যদি না থাকে তাহলে বাক্সগুলো ভালোভাবে জীবাণুমুক্ত করে তার পর বাচ্চা পরিবহণ করতে হবে। সম্ভব হলে বাচ্চা পরিবহণের যানবাহন জীবাণুনাশক নিয়ে স্প্রে করে দিতে হবে। বাচ্চা পরিবহণের সময় যদি বেশি তাপ কিংবা বেশি ঠাণ্ডা থাকে তাহলে তাপ ও ঠাণ্ডা থেকে বাচ্চাগুলোকে রক্ষা করেই তারপর বাচ্চাগুলো পরিবহণ করতে হবে।

ব্রয়লারের বাচ্চা পরিবহণ করার সময় সকল প্রকার ধকল থেকে বাচ্চাগুলোকে রক্ষা করার জন্য প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

এগ্রিভিউ/এসএমএ

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ১১, ২০২১ ৬:০৩ অপরাহ্ন
পোল্ট্রির ডিম, মুরগি ও বাচ্চার রবিবার (১১ জুলাই) সর্বশেষ পাইকারি দাম
পোলট্রি

পোল্ট্রি পণ্য (ডিম ও মুরগীর) আজকের পাইকারী মূল্য(টাকা) নিন্মরুপ:-
তারিখ:১১/০৭/২০২১ ইং

★এখানে বর্ণিত পোল্ট্রি পণ্যের মূল্য মূলত : পোল্ট্রি খামারিদের প্রাপ্ত মূল্য।

ইউনাইটেড এগ(সেল পয়েন্ট)
লাল ডিম=৮.২০
সাদা ডিম=৭.৩০
ডাম্পিং মার্কেট=
লাল(বাদামী) ডিম=৭.৩৫
সাদা ডিম=৬.৪৫
গাজীপুর:-
লাল(বাদামী)ডিম=৭.৩০
সাদা ডিম=৬.৪০
ব্রয়লার মুরগী=৯৫/কেজি
কালবার্ড লাল=১৯৫/কেজি
কালবার্ড সাদা=/কেজি
সোনালী মুরগী=১৫৫/কেজি
বাচ্চার দর:-
লেয়ার লাল=২৫-২৭
লেয়ার সাদা=১০-১২
ব্রয়লার=১৮
ডায়মন্ডঃ-
লাল(বাদামী) বড় ডিম=৭.৬০
লাল(বাদামী) মাঝারি ডিম=৭.৩৫
চট্টগ্রাম:-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.৫০
সাদা ডিম=৭.১০
ব্রয়লার মুরগী=১০২/কেজি
কালবার্ড লাল=২১৫/কেজি
সোনালী মুরগী=১৬০/কেজি
বাচ্চার দর:-
লেয়ার লাল=২৫
লেয়ার সাদা=১৫
ব্রয়লার=১৯-২০
রাজশাহী:-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.১০
সাদা ডিম=৫.৬০
ব্রয়লার মুরগী =/কেজি
সোনালী =/কেজি
খুলনা:-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.৬০
সাদা ডিম=
বরিশাল:-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.১০
ব্রয়লার মুরগী=১০৫/কেজি
কালবার্ড লাল=২০৫/কেজি
সোনালী মুরগী=১৬০/কেজি
বাচ্চার দর:-
লেয়ার লাল =২৫
লেয়ার সাদা =
ব্রয়লার=২২
ময়মনসিংহ:-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.৩০
ব্রয়লার মুরগী=৯৫/কেজি
সোনালী মুরগী=১৬০/কেজি
সিলেট=
লাল(বাদামী) ডিম=৭.৬৫
ব্রয়লার মুরগী=১০০/কেজি
কাজী(সিলেট) :-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.৮৬

রংপুর:-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.২০
কাজী(রংপুর) :-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.৪৫
বাচ্চার দর:-
লেয়ার লাল=২২
ব্রয়লার=১৫
সোনালী হাইব্রিড=১৬
সোনালী রেগুলার=১০
বগুড়া :
লাল(বাদামী)ডিম=৭.৭০
ব্রয়লার মুরগী=১০৫/কেজি
সোনালী মুরগী =১৭০/কেজি
টাংগাইল :-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.২৫
সাদা ডিম=৬.৩৫
ব্রয়লার মুরগী=৯০/৯২কেজি
সোনালী মুরগী=১৫৫/কেজি
কিশোরগঞ্জ:-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.২৫
ব্রয়লার মুরগী=/কেজি
নরসিংদী :-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.৩০
সিরাজগঞ্জ :-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.৪০
ব্রয়লার মুরগী=১০৫/কেজি
কালবার্ড লাল=২১০/কেজি
সোনালী মুরগী=১৬০/কেজি
ফরিদপুর :-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.৫৫
কাজী(ফরিদপুর) :-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.৭৫
ব্রয়লার মুরগী=৯৫/কেজি
লেয়ার মুরগী=১৯২/কেজি
সোনালী মুরগী=১৪৫/কেজি
পাবনা :-
লাল(বাদামী)ডিম=৭.৪০
সাদা ডিম=৭.১০
নোয়াখালী:-
লাল(বাদামী)ডিম=৭.৩০
ব্রয়লার মুরগী=১০৫/কেজি
কালবার্ড লাল=২১৫/কেজি
সোনালী মুরগী=১৫৫/কেজি
বাচ্চার দর:-
লেয়ার লাল =২৬
লেয়ার সাদা =
ব্রয়লার =১৭
পিরোজপুর (স্বরুপকাঠী:-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.১০
সাদা ডিম=
ব্রয়লার মুরগী =/কেজি
যশোর :-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.৮০
কুমিল্লা:-
লাল (বাদামী) ডিম=৭.৪০
ব্রয়লার মুরগী=১০০/ কেজি
কালবার্ড লাল=২১০/কেজি
সোনালী মুরগী=১৫৫/কেজি
কক্সবাজার :-
লাল (বাদামী) ডিম=৭.১০
সাদা ডিম=৬.৭০

একটি যৌথ উদ্যোগ: বাংলাদেশ পোল্ট্রি খামার রক্ষা জাতীয় পরিষদ (বি.পি.কে.আর.জে.পি) এবং পোল্ট্রি প্রফেশনাল’স বাংলাদেশ(পিপিবি)।

ধন্যবাদান্তে
মো:শিমুল হক রানা
যোগাযোগ:০১৮৫৫৯৪৪২৭০

গতকালকের বাজার দর জানতে ক্লিক করুন এখানে

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ১১, ২০২১ ১১:৩৬ পূর্বাহ্ন
মুরগির খামারে খাদ্য অপচয় কমাতে যা করবেন
পোলট্রি

আমাদের দেশে এখন বেশির ভাগ খামারিরা মুরগির খামারের সাথে জড়িত। আর এই খামার করতে গিয়ে অনেক সমস্যায় পড়েন খামারিরা। এরমধ্যে বেশির ভাগ খামারিরা পড়েন খাদ্য সমস্যায়। নানা কারণে তাদের খামারের খাদ্য অপচয় হচ্ছে। খাদ্য অপচয় রোধ করতে পারলে খামারিরা হবে আরো লাভবান। এই জন্য জানতে হবে খামারের খাদ্য অপচয় কমানোর উপায়।

মুরগির খামারে খাদ্য অপচয় কমিয়ে আনার উপায়:
খামারে মুরগিতে কৃমির সংক্রমন বিশেষ করে সোনালি বা কক মুরগির গোলকৃমির কারণে খাবার নষ্ট করতে পারে। এজন্য সময়মতো কৃমিনাশক ওষুধ প্রদান করতে হবে।খামারে খাবারের পাত্র পূর্ণ করে খাবার দিলে খাবার নষ্ট করে ফেলতে পারে। সেজন্য খাদ্যের পাত্র কিছুটা খালি রেখে খাদ্য প্রদান করতে হবে।

মুরগির খামারে প্রয়োজনের তুলনায় কম সংখ্যক খাবার ও পানির পাত্র দিলে মুরগি অনেক সময় খাদ্য নষ্ট করে ফেলে। তাই খামারে মুরগির সংখ্যা অনুযায়ী খাদ্য ও পানির পাত্র দিতে হবে। খামারে মুরগির খাদ্য হঠাৎ পরিবর্তন করলে মুরগি খাদ্য নষ্ট করতে পারে। সেজন্য খাদ্য পরিবর্তন করলে অল্প অল্প করে খাদ্য পরিবর্তন করতে হবে।

মুরগির খামারে জায়গার তুলনায় বেশী পরিমাণ খাদ্য প্রদান করা হলে মুরগি খাদ্য নষ্ট করে থাকে। এজন্য খামারে জায়গা অনুপাতে খাদ্য প্রদান করতে হবে। মুরগির খামারে খাবারের পাত্র সঠিক উচ্চতায় স্থাপন না করলে মুরগি খাবার নষ্ট করে ফেলতে পারে। খাদ্যের পাত্র খুব বেশি উচ্চতায় রাখা যাবে না।

এগ্রিভিউ/এসএমএ

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop