৩:২৫ অপরাহ্ন

মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : ডিসেম্বর ২২, ২০২১ ৫:০০ অপরাহ্ন
চাটমোহরে বাণিজ্যিক ভাবে কফি চাষ শুরু
কৃষি বিভাগ

জনপ্রিয় পানীয় কফির আবাদ হচ্ছে পাবনার চাটমোহরের সমতল ভূমিতে। এক সময় দেশের পার্বত্য তিনটি জেলায় কফির আবাদ হলেও এখন পাবনাসহ উত্তরাঞ্চলের নীলফামারী ও রংপুর এবং টাঙ্গাইলে কফির চাষ শুরু হয়েছে।

বিভিন্ন সরকারী বেসরকারি প্রতিষ্ঠান কর্তৃক আয়োজিত প্রশিক্ষণ সেমিনার কনফারেন্স চলাকালে স্বল্প সময়ের বিরতির সময় পানীয় হিসেবে কফি পরিবেশন করা হয়। অনেকে বাড়ি বা দোকানে গিয়ে কফি পান করেন। ব্যাপক চাহিদা থাকা সত্ত্বেও কফি চাষে আমরা পিছিয়ে থাকায় দেশে সরকারী ও বেসরকারী পর্যায়ে কিছু মানুষ কফি চাষ শুরু করেছেন। সরকার কফি চাষ সম্প্রসারণে কৃষি মন্ত্রনালয়ের মাধ্যমে কাজুবাদাম ও কফি গবেষণা উন্নয়ন ও সম্প্রসারণ প্রকল্প হাতে নিয়েছে। এ প্রকল্পের অধীনে চাটমোহরের হরিপুর ইউনিয়নের বরুরিয়া গ্রামে ও মুলগ্রাম ইউনিয়নে দুটি প্রদর্শনী স্থাপিত হয়েছে। উপজেলা কৃষি অফিস চাটমোহর পাবনা প্রকল্প দুটি বাস্তবায়ন করছে। এ ছাড়া বেসরকারি পর্যায়ে ও চাটমোহরে কফি চাষ শুরু হয়েছে।

চাটমোহরের গুনাইগাছা ইউনিয়নের রামচন্দ্রপুর গ্রামের ঠিকাদার শুকুর আলী নিজ উদ্যোগে তার বাড়িতে কফি চাষ শুরু করেছেন। শুকুর আলী জানান, বেশ কিছু বছর পূর্বে সৈয়দপুরের খ্রিষ্টন মিশনারীতে গীর্জা নির্মাণের কাজ করছিলাম। সেখানকার ইটালিয়ান মাদার ইটালী থেকে দুইটি কফির চারা এনে আমাকে দেন। আমি সেটি আমার বাড়িতে রোপণ করি। তিন বছর পর থেকে আমি ফল পেতে শুরু করি। কফির দানা থেকে এবং গাছের ডালে কলম দিয়ে চারা তৈরী করছি। ২০১৮ সালে ২০ টি, ২০১৯ সালে ৬০ টি এবং ২০২০ সালে ১৫০ টি চারা উৎপাদন করতে পেরেছি। লাগানোর তিন বছর পর থেকেই কফি গাছ থেকে ফল সংগ্রহ করা যায়। কিছু চারা ঢাকায় নিয়ে প্রতিটি এক হাজার টাকা করে বিক্রি করেছি। এলাকায় প্রতিটি চারা পাঁচশ টাকায় বিক্রি করছি। ইতিমধ্যে এলাকার প্রায় বিশ জন আমার নিকট থেকে কফির চারা কিনে রোপণ করেছেন এবং কফি চাষে এলাকার কৃষকদের আগ্রহ দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে।

প্রকল্পের অধীনে কফি চাষ শুরু করেছেন চাটমোহরের বরুরিয়া গ্রামের কৃষক আবুল হোসেন। তিনি জানান, এই প্রথম কফি চাষ করছি। উপজেলা কৃষি অফিস থেকে চারা ও সার সরবরাহ করেছে। হলুদের জমির মধ্যে জায়গা ফাঁকা করে আপাতত চারা লাগিয়েছি। কেমন হবে, কিভাবে কফি সংগ্রহ করতে হয় এসব বিষয়ে খুব বেশি জানি না আমি। পরীক্ষা মূলক ভাবে কফির চাষ করেছি।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের হর্টিকালচার উইং সূত্রে জানা গেছে, দেশে ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে প্রায় ১১৮.৩ হেক্টর জমিতে প্রায় ৫৫.৭৫ টন কফি উৎপাদন হয়। কৃষকেরা সনাতন পদ্ধতিতে কফি চাষ করায় ফলন ও লাভ কম পায়। ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে ৩২.৫১৭ টন গ্রীন কফি আমদানী করা হয়। অর্থকরী ফসল কফির আমদানী নির্ভরতা কমাতে সরকার কফি চাষ সম্প্রসারণের চেষ্টা করে যাচ্ছে।

চাটমোহর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা এ.এ মাসুম বিল্লাহ জানান, বাংলাদেশের মাটি কফি চাষের উপযোগী। ঝুরঝুরে, জৈব পদার্থ সমৃদ্ধ হালকা অম্লমাটিতে কফি ভাল জন্মে। এটি উঁচু মাটিতে ভাল হয়। কফির সাথে আন্তফসল হিসেবে পেঁপে, আনারস, গোলমরিচ চাষ করা যায়। হালকা ছায়াযুক্ত স্থানে কফি ভালো হয়। খুব বেশি পরিচর্যার দরকার হয় না। রৌদ্রময় স্থানে চাষ করলে সার ও সেঁচের দরকার হয়। কফির ফল সংগ্রহ থেকে পান করা পর্যন্ত অনেকগুলো ধাপ পেরুতে হয়। এখন পরীক্ষা মূলক ভাবে কফি চাষ হচ্ছে। ভাল ফলাফল পেলে অধিক সংখ্যক কৃষককে কফি চাষে উদ্বুদ্ধ করা হবে।

 

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ২২, ২০২১ ৩:৫২ অপরাহ্ন
পদ্মার চরে পেঁয়াজ চাষে সাফল্য
কৃষি বিভাগ

রাজশাহীর বাঘা উপজেলায় পদ্মার চরে পেঁয়াজ চাষ করে সফলতা পেয়েছেন চাষিরা। বুধবার পদ্মার কালীদাসখালী চরে চাষিদের পেঁয়াজ জমি পরিচর্যা করতে দেখা গেছে।

সকালে বাঘা উপজেলার দুর্গম পদ্মার চরে কালীদাসখালী এলাকার কৃষক আবদুস সালাম লেবার দিয়ে কুয়াশার মধ্যে পেঁয়াজের জমি পরিচর্যা করছিলেন।

তিনি জানান, গত বন্যায় পদ্মার পানি নামতে দেরি হওয়ায় দেরিতে পেঁয়াজ রোপণ করতে হয়। কিন্তু চলতি মৌসুমে বন্যার পানি আগে নেমে যাওয়ায় পেঁয়াজ আগাম রোপণ করা হয়েছে। চলতি মৌসুমে পেঁয়াজের বাজারমূল্য ভালো পাবেন বলে আশা করছেন তিনি।

উপজেলা কৃষি অফিসসূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে উপজেলায় পেঁয়াজ চাষের লক্ষ্যমাত্রা ছিল প্রায় তিন হাজার হেক্টর। চাষ হয়েছে সাড়ে তিন হাজার হেক্টর। এর মধ্যে অর্ধেকের বেশি লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে উপজেলার দুর্গম পদ্মার চরাঞ্চলে। আগাম পেঁয়াজচাষিরা ভালো ফলন ও বেশি দাম পাবেন বলে জানান।

চরাঞ্চলের পেঁয়াজের গুণগতমান ভালো হওয়ায় বিভিন্ন এলাকা থেকে বাস ও ট্রাকে করে পেঁয়াজ কিনতে আসেন ব্যবসায়ীরা।

পদ্মার মধ্যে চকরাজাপুর চরের পেঁয়াজচাষি বাবলু দেওয়ান ও আকছেদ আলী শিকদার জানান, এবার পদ্মার পানি আগে নেমে যাওয়ার কারণে চলতি মৌসুমে আগাম পেঁয়াজ চাষ করা হয়েছে। আশা করছি ফলন ভালো হবে।

চকরাজাপুর চরের পেঁয়াজচাষি গোলাম মোস্তফা জানান, গত বছর তিন বিঘা জমিতে পেঁয়াজ চাষ করে বাজারমূল্য পেয়েছিলেন কেজিপ্রতি ৩৫-৪০ টাকা। এবারও আশা করছেন ওই দামই পাবেন। বর্তমান বাজারে নতুন পেঁয়াজ পাইকারি হিসেবে ৩০-৩৫ টাকা প্রতি কেজি হিসেবে ক্রয়-বিক্রয় হচ্ছে।

উপজেলা কৃষি অফিসার শফিউল্লাহ সুলতান জানান, এ বছর উপজেলায় সর্বত্রই কমবেশি পেঁয়াজের চাষ হয়েছে। উপজেলার সমতল এলাকার বেশি পরিমাণ পেঁয়াজ উৎপন্ন হয় পদ্মার চরে। তবে পেঁয়াজচাষিদের সবসময় পরামর্শ দেওয়া হয়।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ২১, ২০২১ ১:৫৫ অপরাহ্ন
মানিকগঞ্জে বেগুন চাষে লাভবান হচ্ছে কৃষক
কৃষি বিভাগ

মানিকগঞ্জ সকল ধরনের সবজির জন্য বিখ্যাত। মানিকগঞ্জের শীতকালীন সবজির মধ্যে ফুলকপি ও বেগুন অন্যতম। জেলায় এবার ৭ হাজার ২১২ হেক্টর জমিতে কৃষি আবাদ হয়েছে। তারমধ্যে সদরে কৃষি আবাদ হয়েছে ২ হাজার ৩২০ হেক্টর। এবার অসময়ে বৃষ্টি ও বৈরী আবহাওয়ার কারণে ফুলকপির ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। ফুল কফির ক্ষতিতে দিশেহারা হয়ে পরে কৃষকরা। কিন্তু অল্প দিনের মধ্যে বেগুনের ফলন আসায় এবং ভাল দাম পাওয়ায় ঘুরে দাঁড়িয়েছেন তারা। বাজারে প্রচুর বেগুনের চাহিতা রয়েছে। এখানকার বেগুন জেলার চাহিদা মিটিয়ে দেশের বিভিন্ন জেলায় সরবরাহ হয়ে থাকে।

মানিকগঞ্জ সদরের ঢাকুলি এলাকার কৃষক আব্দুস সালাম বলেন, গত বছর ফুলকপিতে তেমন লাভ হয়নি বাজার দর কম ছিল তাই এবার বেশি করে বেগুন চাষ করেছি। বেগুনের ফলন খুব ভাল হয়েছে এবং বাজার দর খুব ভাল যাচ্ছে। এবার বৃষ্টির কারণে ফুলকপিতে যে লোকশান হয়েছে তা বেগুনে পুশিয়ে যাবে।

তিনি আরো জানান, এক বিঘা বেগুন চাষে খরছ হয় ২০ থেকে ২৫ হাজার টাকা। বাজার ঠিক থাকলে ৬০ থেকে ৮০ হাজার টাকা পর্যন্ত বিক্রী হয়ে থাকে।

কৃষক মোঃ তৌফিকুর রহমান সরফ বলেন, ফুলকপিতে লাভ হয়নি। নিচু জমিতে যারা ফুলকপি চাষ করেছিল তাদের অনেকর লোকশান হয়েছে। আমারও ফুল কপিতে ক্ষতি হয়েছে। অন্যান্য জমিতে বেগুন চাষ করে অনেক লাভবান হচ্ছি। সাধারণ বৃষ্টি বাদলে বেগুনের তেমন ক্ষতি হয় না। তাই আগামীতে আরোও জমিতে বেগুন চাষ করবো।

মানিকগঞ্জ জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর এর উপ-পরিচালক আবু মো. এনায়েতউল্লাহ বলেন, ভাল দাম পাওয়ায় এবার কৃষকরা লাভবান হচ্ছেন। অসময়ে বৃষ্টি হওয়ায় সরিষার ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। তবে সবজির তেমন ক্ষতি হয়নি। যেটুকু ক্ষতি হয়েছে ভাল দাম পাওয়ায় তা পুরন হয়ে যাচ্ছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ২১, ২০২১ ১১:৫০ পূর্বাহ্ন
সরিষায় পোকার আক্রমণে দিশেহারা চাষীরা
কৃষি বিভাগ

টাঙ্গাইলে পোকার আক্রমণে সরিষার ফলন বিপর্যয়ের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, পোকা শেকড় কেটে ফেলায় গাছ মরে যাচ্ছে। কীটনাশক প্রয়োগ করেও কোন সুফল মিলছে না। 

টাঙ্গাইলের বিভিন্ন উপজেলায় এবছর সরিষার আবাদ হয়েছে ৪৭ হাজার ১২০ হেক্টর জমিতে। শুরুতে ভাল ফলনের আশা করলেও ক্ষেতে এক ধরণের পোকার আক্রমণে দিশেহারা হয়ে পড়েছে কৃষক। পোকায় শেকড় কেটে ফেলায় মরে যাচ্ছে গাছ।

বাসাইল উপজেলার রাসড়া, কাঞ্চনপুর, যৌতুকী, জিগাতলীসহ বিভিন্ন গ্রামে মরে গেছে  ক্ষেতের সরিষা গাছ। একাধিকবার চাষ করেও সুফল না পাওয়ার কথা জানিয়েছেন কৃষক।

স্থানীয় কৃষি বিভাগ জানিয়েছে, সরিষা ক্ষেতের পোকা নিরাময়ে চাষীদের পরামর্শ দেয়া হচ্ছে। ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে সরকারের সহযোগিতা চেয়েছে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ২০, ২০২১ ৫:০২ অপরাহ্ন
চালের বস্তায় লিখতে হবে ধানের নাম
কৃষি বিভাগ

চালের ব্র্যান্ড নাম যাই হোক, বস্তায় ধানের জাতের নাম লেখার বাধ্যবাধকতা রেখে একটি নীতিমালা তৈরি করতে যাচ্ছে খাদ্য মন্ত্রণালয়।

সচিবালয়ে সোমবার (২০ ডিসেম্বর) এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান খাদ্যসচিব মোছাম্মৎ নাজমানার খানম।

তিনি বলেন, ‘আমরা একটি গবেষণা করেছি, সেখানে আমরা পেয়েছি ধান কেটে যে চালই উৎপাদন করা হচ্ছে, তার নাম দেয়া হচ্ছে মিনিকেট। এ কারণে আমরা একটি ছাঁটাই নীতিমালা করছি।’

খাদ্যসচিব  আরও বলেন ‘সাধারণভাবে ধানের সর্বোচ্চ ৮ শতাংশ ছাঁটাই করা যায়, কিন্তু দেখা যাচ্ছে ৩০ ভাগ পর্যন্ত ছাঁটাই করে মিনিকেট নাম দিয়ে চাল বাজারে ছাড়া হচ্ছে। এতে স্বাস্থ্যঝুঁকি না থাকলেও পুষ্টিঝুঁকি আছে। এ কারণে আমরা চেষ্টা করছি চালের ব্র্যান্ড নাম যা-ই হোক, বস্তার গায়ে অবশ্যই ধানের নাম লিখতে হবে।’

এর আগে গত ২১ নভেম্বর পুষ্টিগুণ নষ্ট করে বিভিন্ন অটোরাইস মিলে চাল কেটে বাজারজাত এবং বিক্রি বন্ধ কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন হাইকোর্ট।

সেই সঙ্গে চাল কেটে বা ছেঁটে পুষ্টিগুণ নষ্ট করে বাজারজাত বা বিক্রি করা বন্ধে গাইডলাইন তৈরির কেন নির্দেশ দেয়া হবে না তাও জানতে চান আদালত।

জনস্বার্থে করা মানবাধিকার ও পরিবেশবাদী সংগঠন হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের এক রিটের শুনানি নিয়ে এসব আদেশ দেয় বিচারক মো. আশফাকুল ইসলাম ও বিচারক মো. ইকবাল কবিরের বেঞ্চ।

রিটে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্যসচিব, স্বরাষ্ট্রসচিব, স্বাস্থ্যসচিব, খাদ্যসচিব, কৃষি এবং বাণিজ্যসচিব, পরিবেশ অধিদফতরের মহাপরিচালক, র‌্যাবের প্রধান, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণের পরিচালক, বিএসটিআই, রাইস রিসার্চ ইনস্টিটিউট, কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট, ৭ জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার এবং অটোরাইস মিলস মালিক সমিতির সভাপতি বা সেক্রেটারিকে বিবাদী করা হয়।

এ নিয়ে এর আগে গণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশ হয়েছে। ওই প্রতিবেদন যুক্ত করে রিট করা হয়।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ২০, ২০২১ ৪:০৮ অপরাহ্ন
নওগাঁয় রবি মৌসুমে ২২ হাজার ৭১০ হেক্টর জমিতে গম চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ
কৃষি বিভাগ

নওগাঁ জেলায় ২২ হাজার ৭১০ হেক্টর জমিতে গম চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে কৃষিবিভাগ। জেলায় ৮ হাজার প্রান্তিক গমচাষীকে সরকারি প্রণোদনা হিসেবে বিনামুল্যে বীজ-সার বিতরণের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে।

কৃষি সম্পসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ মো. শামসুল ওয়াদুদ জানিয়েছেন- জেলায় সবচেয়ে বেশী চাষ হয়ে থাকে বারী-৩০ জাতের গম। এ ছাড়াও বারী-৩২, বারী-৩৩ এবং বারী-২৮ জাতের গম চাষ করছেন কৃষকরা। গম চাষের ক্ষেত্রে পানির প্রয়োজন কম হওয়ায় জেলায় ক্রমাগত গম চাষের ক্ষেত্রে আগ্রহী হয়ে উঠছেন কৃষকরা।

কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে- জেলায় উপজেলা ভিত্তিক গম চাষের জমির পরিমাণ হচ্ছে নওগাঁ সদর উপজেলায় ৮৫৫ হেক্টর, রানীনগর উপজেলায় ৬৫০ হেক্টর, আত্রাই উপজেলায় ৩৬৫ হেক্টর, বদলগাছি উপজেলায় ৮৬৫ হেক্টর, মহাদেবপুর উপজেলায় ৫৬৫ হেক্টর,পত্নীতলা উপজেলায় ১ হাজার ৮১০ হেক্টর, ধামইরহাট উপজেলায় ১ হাজার ৬১০ হেক্টর, সাপাহার উপজেলায় ৫ হাজার হেক্টর, পোরশা উপজেলায় ৪ হাজার ৫৯০ হেক্টর, মান্দা উপজেলায় ২ হাজার ১৪০ হেক্টর এবং নিয়ামতপুর উপজেলায় ৪ হাজার ২৬০ হেক্টর।

উল্লেখিত পরিমাণ জমি থেকে হেক্টর প্রতি ৩ দশমিক ৫২ টন হিসেবে জেলায় চলতি রবি-২০২১-২০২২ মওসুমে ৭৯ হাজার ৯৩৯ টন গম উৎপাদিত হবে বলে কৃষি বিভাগের প্রত্যাশা।

এদিকে গম চাষে উৎসাহিত করার লক্ষ্যে জেলার ৮ হাজার প্রান্তিক গম চাষীকে ১ বিঘা জমির বিপরীতে ২০ কেজি করে বীজ, ১০ কেজি করে ডিএপি এবং ১০ কেজি করে এমওপি সার বিনামুল্যে প্রদান করার জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ২০, ২০২১ ৩:২২ অপরাহ্ন
হাওরাঞ্চলে বোরোর সবুজ মাঠে কৃষকের হাসি
কৃষি বিভাগ

আবহাওয়া ভালো থাকায় সুনামগঞ্জ জেলার শাল্লা উপজেলা সহ হাওর বেষ্টিত ভাটির জনপদে বোরো ধানের চারা এবার ভালো হয়েছে। গত ৫/৭ দিন যাবত শাল্লায় পুরোদমে বোরো চারা রোপণের কাজ শুরু হয়েছে। কৃষকরা এবার কৃষিবিদ, হীরা, নাফকো, জনক রাজ, বিআর-২৮ বিআর-২৯, রূপালী, জাতের ধানের আবাদ করেছেন বেশি। কোন কোন কৃষক নিজের পরিবারের খাবার ও আত্মীয় স্বজনকে খাওয়ানোর সুস্বাদু চাল পেতে পুরোনো দিনের ধান গোবি সাইল, টুপা, লালডিঙ্গি, রাতা ধানের চাষও সামান্য পরিমাণে করছেন।

শাল্লার রামপুর গ্রামের কৃষক কৃপেশ দাস বললেন, হালিচারার বীজতলায় গেলে মন জুড়িয়ে যায়, এবার সুন্দর চারা হয়েছে, অন্যান্য বছর চারা লম্বা কম হতো, সার দেওয়া লাগতো, পোকায় ধরতো; এবার এই ধরণের যন্ত্রণা নাই, সময়মত বৃষ্টি হওয়ায় সেচের সংকট হয় নি, অগ্রহায়ণের প্রথম দিকে বীজতলায় বীজ বপণ করা হয়েছিল। এখন চারা রোপণের উপযোগী হওয়ায় দুইদিন হয় রোপণ শুরু করেছি । তিনি জানালেন, বৃষ্টি হওয়ায় মাটি নরম রয়েছে, এজন্য চারা ওঠাতে কিছু সমস্যা হচ্ছে তার পর ও আমরা খুশি।

মামুদনগর গ্রামের বড় কৃষক হাবিবুর রহমান হবিব বললেন, গত ৬ দিন ধরে চারা ওঠানো শুরু করেছি। এবার বেশি ফলনের ধানের সঙ্গে তিন কেয়ার (এক একর) পূর্বের রাতা ধানও করছি। এই ধান একরে ৩০-৩২ মণের বেশি হয় না।তবে এ ধানের চালের ভাত খুবই স্বাদ হয়।

বাড়িতে অতিথি আসলে বা আচার অনুষ্ঠান হলে এই চাল রান্না করা হয়। তিনি জানান, পৌষ মাস ভরা ধান রোপণের কাজ চলবে।

গ্রাম শাল্লার কৃষক সেলিম মিয়া বললেন, সময়মতো বীজ পাওয়ায় এবং আবহাওয়া ভালো থাকায় এবার ধানের চারা ভালো হয়েছে। চারা রোপণ শুরু হয়েছে, চলবে মাঘ মাস পর্যন্ত। প্রকৃতি সহায় হলে এবার খুব ভাল ফলন হবে বলে তিনি জানান।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের উপ-পরিচালক ফরিদুল হাসান বললেন, গেল বছরের চাইতে এবার ধানের চারা ভালো হয়েছে। রোপণের কাজও আগে ভাগে শুরু হয়েছে। এবার জেলায় দুই লাখ ২২ হাজার ৬৯৫ হাজার হেক্টর জমিতে বোরো’র চাষাবাদ হবে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ২০, ২০২১ ২:৫৮ অপরাহ্ন
কৃষক থেকে শিক্ষক সবাই ব্যস্ত ধান কাটা-মাড়াইয়ের কাজে
কৃষি বিভাগ

আমন ধান কাটার সময় হলেই পাহাড়ের ঘরে ঘরে শুরু হয় আনন্দের জোয়ার। প্রতিটি পাড়ায় পাড়ায় শুরু হয় উৎসবের আমেজ। বিশেষ করে পাহাড়ী পল্লীগুলোর সকল পরিবারের সদস্যরা এগিয়ে আসে একে অপরের সহযোগিতায়।

পানছড়ি উপজেলার চৌধুরী পাড়া এলাকার ধানের মাঠে গিয়ে দেখা যায়, কেউ ছাত্র, কেউ শিক্ষক, কেউ বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া, কেউ চাকুরিজীবি, কেউ ফুটবলার আবার কেউবা ফুটবল কোচ। ধানের মাঠে তারা সবাই কৃষক। ধান কাটা, কাঁধে ভারে করে ধান টানা, ধান মাড়াই, শুকানো, বাতাসের মাধ্যমে ধানের চিটা আলাদা করার পর ধান গোলায় ভরাসহ সকল কাজে একে অপরকে সাহায্য করে।

তাদের দাবি এখানে ধনী-গরীব বলে কোন ভেদাভেদ নেই। সবাই হাসি ঠাট্টার মাধ্যমেই কাজগুলো সম্পন্ন করে দিচ্ছে। গোলায় ধান ওঠার দিন সকলে মিলে রান্না করে একসাথে খাবে আর আনন্দ করবে এতেই সকলের তৃপ্তি। পানছড়ির কৃতি ফুটবলার ও বাফুফের সি লাইসেন্সধারী কোচ ক্যপ্রুচাই মারমা জানায়, ‘এটা আমাদের ঐতিহ্য তাই ফুটবলের মাঠ ছেড়ে কয়েকটা দিন সবার সাথে ধানের মাঠে সহযোগিতার মাধ্যমে আনন্দ উপভোগ করছি।’

পানছড়ি উপজেলার সহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা অরুণাংকর চাকমা বলেন, নবান্নে ভেদাভেদ ভুলে একে অপরের সহযোগিতায় এগিয়ে আসা দীর্ঘ দিনের প্রথা। তবে এর আমেজ আগের চেয়ে কিছুটা কমলেও নবান্নে আমন, বিন্নি ও বিভিন্ন জাতের সুগন্ধি চাউলের গন্ধে কৃষক পরিবার থাকে মুখরিত। এসময় বাড়িতে বাড়িতে জমে ওঠে পিঠা উৎসব। পিঠা বানিয়ে প্রতিবেশীদের নিমন্ত্রন ও একে অপরের বাড়িতে বিতরণের করে সবাই মিলে নবান্ন উৎসব পালন করে থাকে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ১৯, ২০২১ ৪:৫৭ অপরাহ্ন
মজুদ পর্যাপ্ত, তবুও সারের বাড়তি দাম
কৃষি বিভাগ

বিভিন্ন জেলার কৃষক সরকার নির্ধারণ দামের চেয়ে বেশি দামে সার কিনতে বাধ্য হচ্ছেন। যদিও কর্তৃপক্ষ দাবি করছে দেশে সারের সংকট নেই।সরকারের নির্ধারিত হার অনুযায়ী, ট্রিপল সুপার ফসফেট (টিএসপি), ডাইঅ্যামোনিয়াম ফসফেট (ডিএপি) ও মিউরেট অব পটাশের (এমওপি) ৫০ কেজি ওজনের বস্তার দাম যথাক্রমে ১ হাজার ১০০, ৮০০ ও ৭৫০ টাকা।

তবে বাজারে টিএসপি ১ হাজার ৪০০ থেকে ১ হাজার ৭০০ টাকা, ডিএপি ৯৫০ টাকা থেকে ১ হাজার ৫০ টাকা এবং এমওপি ৯৫০ থেকে ১ হাজার টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, পর্যাপ্ত মজুত থাকার পরেও সারের দাম বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। তারা জানান, এক শ্রেণীর অসাধু পাইকার ও খুচরা বিক্রেতা আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বেড়ে যাওয়ার অজুহাত দেখিয়ে সবজি চাষের জমি প্রস্তুত করার কাজে ব্যবহৃত এই সারগুলোর দাম বাড়িয়েছেন।

কৃষি কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, টিএসপির ১ লাখ ১৪ হাজার টন চাহিদার বিপরীতে মজুত রয়েছে ১ লাখ ৯২ হাজার টন। ডিএপি ও এমওপির চাহিদা যথাক্রমে ২ লাখ ৮৮ টন ও ১ লাখ ২৯ হাজার টন। আর মজুত যথাক্রমে ৫ লাখ ৯৬ হাজার টন ও ৩ লাখ ১২ হাজার টন।

কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক গত ৩০ নভেম্বর মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন সারের দামের দিকে নজর রাখতে, যাতে কেউ সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে সার বিক্রি করতে না পারেন। তারপরেও উচ্চ মূল্যে সার বিক্রি হচ্ছে।

তিনি জানান, দেশে প্রয়োজন অনুযায়ী সারের মজুত রয়েছে এবং আন্তর্জাতিক বাজারে সারের দাম ৩ গুণেরও বেশি বাড়লেও সরকার দাম বাড়াবে না।

কৃষকের কাছে যথেষ্ট পরিমাণ সারের সরবরাহ অব্যাহত রাখার বিষয়টি নিশ্চিত করতে কর্মকর্তাদেরকে নিরীক্ষণ প্রক্রিয়া আরও শক্তিশালী করারও নির্দেশ দেন মন্ত্রী।

কিন্তু এসব উদ্যোগ কাজে আসেনি।

সম্প্রতি ডিজেলের দাম বেড়ে যাওয়ায় কৃষকরা ইতোমধ্যে দুর্দশার মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন। এর সঙ্গে যোগ হয়েছে সারের বর্ধিত মূল্যের বোঝা।

সিরাজগঞ্জের বেলকুচি উপজেলার কৃষক আমিনুর রশিদ বলেন, ‘পাইকারি ও খুচরা বিক্রেতারা পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে দাম বাড়িয়ে দিয়েছেন।’

চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার কৃষক মোহাম্মদ নাজিম জানান, ভুট্টা, কলা, তুলা ও চালের আবাদ করার জন্য এক মৌসুমে তার কমপক্ষে ৪০ বস্তা নন-ইউরিয়া সার প্রয়োজন হয়।

সম্প্রতি তিনি এক পাইকারি বিক্রেতার কাছ থেকে ১০ বস্তা টিএসপি সার কিনেছেন। সরকার নির্ধারিত ১ হাজার ১০০ টাকার পরিবর্তে বস্তা প্রতি ১ হাজার ৭০০ টাকা দিতে হয়েছে তাকে।

তিনি বলেন, ‘আমি পাইকারি বিক্রেতাকে দাম বৃদ্ধির বিষয়ে প্রশ্ন করলে তিনি উত্তর দেন, সরবরাহ সংকট আছে।’

দিনাজপুর সদরের গোপালগঞ্জ হাট এলাকার কৃষক আজিজুর রহমান জানান, তিনি ২ সপ্তাহ আগে এমওপি কেনার জন্য বাজারে গিয়ে সার পাননি।

জেলার এক পাইকারি বিক্রেতা জানান, সরকারি বরাদ্দ স্থানীয় চাহিদা মেটানোর জন্য যথেষ্ট নয়। এ জন্য তাদেরকে বাইরের উৎস থেকে বাড়তি দামে সার সংগ্রহ করতে হয়।

নাম না প্রকাশ করার শর্তে অপর এক পাইকারি বিক্রেতা জানান, তারা সরবরাহ সংকটে রয়েছেন এবং এ কারণেই দাম বেড়েছে। তারা আমদানিকারকদের কাছ থেকে উচ্চ মূল্যে সার কিনেছেন। এ কারণে তারা সরকারের নির্ধারিত মূল্য ঠিক রাখতে পারছেন না।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. আসাদুল্লাহ বলেন, দেশে এ মুহূর্তে কোনো ধরণের সারের সংকট নেই।

তিনি বলেন, ‘যেহেতু আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বাড়ছে, কিছু পাইকারি ও খুচরা বিক্রেতা কারসাজি করতে পারে। তবে আমরা এ ধরণের অবৈধ কাজ বন্ধ করার জন্য ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে অভিযান চালাচ্ছি। যদি কোনো পাইকারি বিক্রেতার বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পাওয়া যায়, তবে তার ডিলারশিপ বাতিল করে দেব।’

দেশে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয় ইউরিয়া সার। এটিই এখন একমাত্র সার যা সরকার নির্ধারিত ৮০০ টাকা দামে (৫০ কেজি ওজনের বস্তা প্রতি) বিক্রি হচ্ছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ১৯, ২০২১ ৩:৩০ অপরাহ্ন
জয়পুরহাটে ৪০ হাজার ৩৫০ হেক্টর জমিতে আলু চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ
কৃষি বিভাগ

আলু উৎপাদনে দেশের বৃহত্তম জেলা হিসেবে পরিচিত জয়পুরহাটে চলতি মৌসুমে ৪০ হাজার ৩৫০ হেক্টর জমিতে আলু চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। আলু চাষ সফল করতে ব্যাপক কর্মসূচি হাতে নিয়েছে স্থানীয় কৃষি বিভাগ।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্র জানায়, চলতি ২০২১-২০২২ মৌসুমে জেলায় ৪০ হাজার ৩৫০ হেক্টর জমিতে আলু লাগানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। ইতো মধ্যে ৯৮ ভাগ জমিতে আলু লাগানো সম্পন্ন হয়েছে বলে জানায় কৃষি বিভাগ। উপজেলা ভিত্তিক আলু লাগানোর লক্ষ্যমাত্রার মধ্যে রয়েছে- জয়পুরহাট সদর উপজেলায় ৭ হাজার ১০০ হেক্টর, পাঁচবিবি উপজেলায় ৭ হাজার হেক্টর, ক্ষেতলাল উপজেলায় ৯ হাজার হেক্টর, কালাই উপজেলায় ১১ হাজার ১০০ হেক্টর ও আক্কেলপুর উপজেলায় ৬ হাজার ১৫০ হেক্টর জমি। এতে আলু উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৭ লাখ ৭৫ হাজার ৯৩১ টন। যা জেলার চাহিদা মিটিয়ে দেশের অন্যান্য জেলায় পাঠানো সম্ভব হয়ে থাকে।

কৃষি বিভাগ জানায়, আলু চাষ সফল করতে জেলায় সারের মজুদ পর্যাপ্ত রয়েছে। নভেম্বর মাসের মজুদ সারের পরিমান ছিল ইঊরিয়া ২ হাজার ১৬০ টন, টিএসপি ১ হাজার ৯১ টন, এমওপি ১ হাজার ৫৯৩ টন ও ডিএপি ৩ হাজার ১১৯ টন।

সরকারের বিভিন্ন ধরনের আগাম প্রস্তুতি গ্রহনের ফলে রাসায়নিক সারের কোন প্রকার সংকট সৃষ্টি হয়নি এবং বাজারে পর্যাপ্ত বিএডিসি আলুবীজ সরবরাহ কোন সমস্যা হয়নি। ভালো মানের কারণে বিএডিসির আলুবীজের চাহিদা কিছুটা বেশি থাকে।

জেলায় আলু চাষ সফল করতে কৃষক পর্যায়ে প্রশিক্ষন সহ উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তারা সার্বক্ষনিক মনিটরিং ও কৃষকদের পরামর্শ প্রদান করছেন বলে জানান, জেলা কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ মো: শফিকুল ইসলাম।

জয়পুরহাটের আলু উন্নত মানের হওয়ায় গতবছর দেশের গন্ডি পেরিয়ে ৯ টি দেশে রপ্তানী করা সম্ভব হয়। দেশ গুলো হচ্ছে মালেশিয়া, সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড, জাপান, ইন্দোনেশিয়া, সৌদি আরব, কুয়েত, নেপাল ও রাশিয়া। প্রাচীন বরেন্দ্র অঞ্চল হিসেবে পরিচিত জয়পুরহাট জেলায় লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অধিক পরিমাণ জমিতে আলুর চাষ হয়ে থাকে। গত বছর ৩৮ হাজার ৫শ ৩০ হেক্টর জমিতে আলু চাষ হয়েছিল। এতে আলু উৎপাদন হয় ৮ লাখ ১৫ হাজার টন। ফলন ভাল হওয়ায় জেলায় গ্যানোলা, মিউজিকা, ডায়মন্ড, এস্টোরিকস, কার্ডিনাল, ও রোজেটা জাতের আলু বেশি চাষ করে থাকেন কৃষকরা। জেলার ১৫ টি কোল্ড ষ্টোরেজে প্রায় দেড় লাখ টন আলু সংরক্ষণ করা সম্ভব হয় বলে জানায়, কৃষি বিভাগ।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop