৮:৫৬ অপরাহ্ন

বৃহস্পতিবার, ৩ এপ্রিল , ২০২৫
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : ডিসেম্বর ২৩, ২০২২ ৯:০১ অপরাহ্ন
মৌমাছির কামড়ে কৃষকের মৃত্যু
কৃষি বিভাগ

মেহেরপুরে মৌমাছির কামড়ে হায়দার আলী (৫৩) নামের এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। এসময় আহত হয়েছেন আরও ৪ জন।

শুক্রবার (২৩ ডিসেম্বর) সকাল ৯ টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। নিহত হায়দার আলী গাংনী উপজেলার সাহারবাটি গ্রামের বাসিন্দা।

আহতরা হলেন, ফজলু (৪০), মাসুম(১৮), হায়াত আলী (৬০) ও মোহাম্মদ আলী (৫৫)। তাদের গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

স্থানীয় ইউপি সদস্য আব্বাস আলী জানান, সাহারবাটি মাঠের একটি গাছে মৌমাছি বাসা বেঁধেছিল। সেখানে একটি বাজপাখি বার বার হানা দিচ্ছিল। এসময় মৌমাছিরা মাঠে কাজ করা শ্রমিকদের ওপর ধেয়ে আসে। মৌমাছিরদল হায়দার আলীসহ অন্যান্যদের কামড় দেয়।পরে মৌমাছির কামড়ে আহত হয়ে হায়দার আলী ঘটনাস্থলেই মারা যান।

অন্যান্যদেরকে উদ্ধার করে গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হয়।

গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরী বিভাগে কর্তব্যরত চিকিৎসক আবীর হাসান জানান, মৌমাছির কামড়ে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক থাকায় তাকে মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়। অন্যান্যরা এখানেই চিকিৎসাধীন আছেন।

গাংনী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুর রাজ্জাক মৌমাছির কামড়ে কৃষকের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ২৩, ২০২২ ৯:১০ পূর্বাহ্ন
কুড়িগ্রামে ১৬ হাজার হেক্টর জমিতে সরিষা চাষ
কৃষি বিভাগ

কুড়িগ্রামে সরিষা চাষে বাম্পার ফলনের আশা করছেন চাষিরা। এ বছর জেলার ৯টি উপজেলার ৪৫০টি চরাঞ্চলে দেখা যাচ্ছে হলুদের সমারোহ।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জানায়, সরিষা চাষে কম সময়ে ফসল ঘরে তোলা যায়। এতে খরচ কম। অন্য শস্যের তুলনায় সার ও কীটনাশকের প্রয়োজন কম হওয়ায় কৃষকরা ঝুঁকছেন সরিষা চাষের দিকে।

পাঁচগাছি ইউনিয়নের উত্তর কদমতলা গ্রামের কৃষক মো. মোখলেছুর রহমান জানান, ‘আমি ৩ বিঘা জমিতে সর্ষের আবাদ করেছি। গত বছরের তুলনায় এ বছর আবাদ ভালো দেখা যাচ্ছে। সর্ষে ক্ষেতে কোনো প্রকার রোগবালাই না হলে লাভবান হবো।’

কুড়িগ্রাম কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের পরিচালক বিপ্লব কুমার মোহন্ত বলেন, ‘কুড়িগ্রামের ৯টি উপজেলায় গত বছর ১৩ হাজার হেক্টর জমিতে সরিষা আবাদ হয়েছিল। ফলন ও দাম ভালো হওয়ায় এ বছর ১৬ হাজার হেক্টর জমিতে চাষ হয়েছে। আগামী ৩ বছরের মধ্যে জেলায় ৪০ হাজার হেক্টর জমিতে চাষের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের জন্য কাজ করা হচ্ছে।’

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ২৩, ২০২২ ৯:০৩ পূর্বাহ্ন
রাজশাহীর তরুণরা স্বাবলম্বী হচ্ছেন মধু চাষে
কৃষি বিভাগ

রাজশাহী গোদাগাড়ী উপজেলার হাতনাবাদ গ্রামের যুবক সুমন আলী। একসময় ছিলেন কাঠমিস্ত্রী। এরপর ২০১৩ সাল থেকে সরিষা ক্ষেতে মধুচাষ করছেন। সরিষার মাঝে মৌমাছির সাহায্যে মধুচাষ করেই সুমন এখন সাবলম্বী। মধুচাষ করেই নিজের বাড়িটিও পাকা করেছেন। এবারও আশা করছেন আড়াই থেকে তিন লাখ টাকার মধু বিক্রির।

মধুচাষি সুমন জানান, রাজশাহীর বিসিক এলাকা থেকে মধু সংগ্রহরে বক্স তৈরি করে আনেন। এরপর মধু সংগ্রহের ট্রেনিং নিয়ে চাষ করা শুরু করেন। এবারও ৫০টির বেশি বক্স বসিয়েছেন। গড়ে প্রতি সপ্তাহে তিনি আড়াই মন মধু সংগ্রহ করছেন।

সুমন বলেন, আমাদের এখনকার উৎপাদিত মধুগুলো ২১ থেকে সাড়ে ২২ গ্রেডের হওয়ায় স্থানীয় ও মার্কেটে ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। আমাদের সব খরচ বাদ দিয়ে গড়ে প্রতি মৌসুমে আড়াই থেকে তিন লাখ টাকার মধু বিক্রি হয়।

রাজশাহীর চারঘাট উপজেলার ফকিরপাড়া গ্রামের উত্তরপাড়ায় মৌচাষ করছেন মোঃ মমিন, নারায়ণ মন্ডল, হৃদয় মন্ডল, রুবেল, আলিম। মৌচাষি মোঃ মমিন বলেন, নাটোর এলাকা থেকে রানি মৌমাছি সংগ্রহ করে এবার ২০টি বক্সে মধু চাষ করছি। প্রতিটি বক্সে ৫টি করে চাক আছে। এগুলো থেকেই গতবার ভালো আয় হয়েছে। এবারও ভালো লাভের আশা করছেন তারা।

মমিন বা সুমনই নয়, রাজশাহীতে এখন অন্তত ৫০জন তরুণ মধুচাষি মধু চাষ করছে। কম খরচে মধু উৎপাদন করে আয় করছেন লাখ লাখ টাকা। এতে করে ভাগ্য বদল ও সাবলম্বী হচ্ছেন বেকার তরুণরা। একদিকে বাণিজ্যিক এই মধু আহরণে মৌ চাষিরা যেমন লাভবান হচ্ছেন পাশাপাশি বাড়ছে সরিষা উৎপাদন।

রাজশাহী কৃষি বিভাগের তথ্যমতে, রাজশাহীতে এবার সরিষা চাষের লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে গেছে। যেখানে এবার সরিষা চাষের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৪০ হাজার ২৫০ হেক্টর। সেখানে রাজশাহী জেলাতে সরিষা চাষ হয়েছে ৪২ হাজার ৫৫০ হেক্টর জমিতে। এসব জমিতে ৬৭ হাজার ৫০০ মেট্রিটন সরিষা উৎপান হতে পারে বলে ধারণা করছে কৃষি বিভাগ। রাজশাহীতে এবার প্রথমিক পর্যায়ে ৩ হাজার ৪০২টি মধু চাষের বক্স স্থাপন করা হয়েছে। এসব বক্স থেকে ৪০ হাজার ৮০০ কেজি মধু উৎপাদন হতে পারে। এখন পর্যন্ত ১২ হাজার ২৩০ কেজি মধু সংগ্রহ করা হয়েছে। স্থানীয়দের পাশাপাশি বিভিন্ন জেলার মৌ চাষি এসে মধু সংগ্রহ করছেন। এদিকে মৌ চাষ শুরু হওয়ার পর সরিষার ফলন বিঘা প্রতি ৩ থেকে ৪ মণ বেড়েছে বলে জানিয়েছেন কৃষি বিভাগ।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ২১, ২০২২ ৭:৫৪ অপরাহ্ন
বরগুনায় ২৪ হাজার হেক্টর জমিতে সূর্যমুখী চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ
কৃষি বিভাগ

জেলায় ২৪ হাজার হেক্টর জমিতে সূর্যমুখী ফুলের চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। সূর্যমুখী ফুলের আবাদ ও উৎপাদনের দিক থেকে বরগুনা জেলা দেশে অন্যতম।

এছাড়াও জেলার ৩৯ হাজার ১০০ কৃষককে বিনামূল্যে বীজ ও সার দেয়া হচ্ছে প্রণোদনা হিসেবে।

বরগুনা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, জেলায় ২৪ হাজার হেক্টর জমিতে সূর্যমুখী চাষের লক্ষ্য নির্ধারিত হয়েছে। এ ছাড়া জেলার ছয় উপজেলায় চলতি মৌসুমে ডাল ও তেল জাতীয় ফসল উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে ৩৯ হাজার ১০০ কৃষককে বিনামূল্যে সার ও বীজ প্রণোদনা দেওয়া হচ্ছে। এসব ফসলের মধ্যে ভুট্টা, সরিষা, সূর্যমুখী, বোরো ধান, বোরো হাইব্রিড, মুগডাল ও খেসারি ডাল রয়েছে।

বরগুনা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আবু সৈয়দ মো. জোবায়দুল আলম জানান, এবার চাষিরা গত বছরের তুলনায় হঠাৎ করে সূর্যমুখীর চাষে ঝুঁকছেন। এ কারণে গত বছরের তুলনায় এবার সূর্যমুখী বীজের কিছুটা ঘাটতি রয়েছে। এবার কৃষি বিভাগ চাষিদের সূর্যমুখী বীজ প্রণোদনা দিয়েছে। এতে ঘাটতি পূরণ হয়ে যাবে। আর কৃষক পর্যায়েও কিছু বীজ মজুদ আছে।

তিনি আরও বলেন, দেশে প্রতি বছর ২৮ হাজার কোটি টাকার সয়াবিন তেল আমদানি হয়। তেলের আমদানি কমাতে সরকার এর চাষ বাড়ানোর পরিকল্পনা নিয়েছে। তাতে করে অনেক বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় হবে। সূর্যমুখীর গাছ জ্বালানির কাজেও ব্যবহার হয়। আগামীতে এর চাষ আরও কয়েকগুণ বৃদ্ধি পাবে।

কৃষিবিদ বদরুল আলম জানিয়েছেন, সূর্যমুখী তেলে আছে মানবদেহের জন্য উপকারী ওমেগা ৯ ও ওমেগা ৬ ও ফলিক অ্যাসিড। শতকরা ১০০ ভাগ উপকারী ফ্যাট, কার্বোহাইড্রেট প্রোটিন ও পানিসহ এ তেল ক্ষতিকারক কোলেস্টেরলমুক্ত। এ ছাড়া ভিটামিন-ই, ভিটামিন-কে, মিনারেলের মতো গুরুত্বপূর্ণ খাদ্য উপাদান যুক্ত এ তেল হৃদরোগ, ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, কিডনি রোগীদের জন্য উপকারী।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ২১, ২০২২ ৯:৪০ পূর্বাহ্ন
শীতকালীন সবজি চাষে লাভের মুখ দেখছেন টাঙ্গাইলের চাষিরা
কৃষি বিভাগ

টাঙ্গাইলে শীতকালীন সবজির ব্যাপক ফলন হয়েছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় সবজির কোনো ক্ষতি হয়নি। বাম্পার ফলনের পাশাপাশি বাজারদর ভালো থাকায় লাভবান কৃষক। আধুনিক পদ্ধতিতে একই জমিতে একাধিক ও বিভিন্ন প্রকার সবজি চাষ করে কৃষক অধিক লাভবান হচ্ছেন। আর উৎপাদিত সবজির বাজারদর ভালো পাওয়ায় দিন দিন বাড়ছে সবজি চাষ।

জানা যায়, টাঙ্গাইলের ঘাটাইলের লোকেরপাড়া ইউনিয়নের পাঁচটিকড়ি, বীরসিংহ, বকশিয়া, আতাইলশিমুলসহ প্রায় গ্রামেই চাষ হচ্ছে শীতকালীন সবজি। কৃষকরা একই জমিতে টমেটো, পাতা কপি, ধনিয়া পাতার পাশাপাশি চারা বিক্রি করেও লাভবান হচ্ছেন।

কৃষি অফিস সূত্র মতে, এবছর , টাঙ্গাইলে ১২ উপজেলায় ১০ হাজার ৫শ হেক্টর জমিতে সবজি চাষের লক্ষমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। আর ঘাটাইল উপজেলায় এ বছর ১৩ হাজার ৫০ হেক্টর জমিতে সবজি চাষ করা হয়েছে। গত বছরের তুলনায় এ বছর সবজির দাম বেশি। ভালো দাম পাওয়ায় সবজি চাষে আগ্রহ বেড়েছে কৃষকদের।

পাঁচটিকড়ি গ্রামের কৃষক মতিয়ার রহমান বলেন, এবছর আমি ২৮ শতাংশ জমিতে ফুলকপির পাশাপাশি মরিচ ও টমেটোর চারা রোপন করেছি। সবজির পাশাপাশি লাখ টাকার ফুলকপি ও টমেটো, মরিচ এবং ফুলকপির চারা বিক্রি করেছি।

তিনি আরো বলেন, এবছর জমিতে সবজির ব্যাপক ফলন হয়েছে। পাশাপাশি সবজির বাজারদরও ভালো। ইতোমধ্যে চারা ও সবজি বিক্রি করে লাখ টাকার মতো আয় হয়েছে। আগামীতে আরো বেশি জমিতে শীতকালীন সবজির আবাদ করবো।

ঘাটাইল উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা দিলশাদ জাহান বলেন, আমদের উপ-সহকারিরা মাঠ পর্যায়ে কৃষকদের পরামর্শ দেওয়ার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তারা কৃষকদের নিয়মিত পরামর্শ দিবেন।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের প্রশিক্ষণ অফিসার মোহাম্মদ দুলাল উদ্দিন জানান, শীতকালীন সবজির বাজার মূল্য ভালো। চাষিরা বিভিন্ন জাতের শীতকালীন সবজি চাষ করেছেন। ব্যাপক ফলনও পেয়েছে। উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার থেকে বেশি সবজি উৎপাদন হবে। বাজারদর ভালো থাকায় লাভবান হচ্ছেন কৃষক। ফলে দিন দিন শীতকালীন সবজি চাষে আগ্রহী হচ্ছেন এখানকার কৃষকরা।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ২১, ২০২২ ৯:২১ পূর্বাহ্ন
বোরো মৌসুমে বিনামূল্যের সার-বীজ পাবে ২৭ লাখ কৃষক
কৃষি বিভাগ

দেশে বোরো মৌসুমে ধানের আবাদ ও উৎপাদন বাড়াতে ১৭০ কোটি টাকার প্রণোদনা দিচ্ছে সরকার। এ প্রণোদনার আওতায় তিন ক্যাটাগরিতে ২৭ লাখ কৃষককে বিনামূল্যের সার-বীজ দেওয়ার কথা জানিয়েছে কৃষি মন্ত্রণালয়।

মঙ্গলবার এক বিজ্ঞপিতে মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, হাইব্রিড ধানের উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য প্রায় ৮২ কোটি টাকার প্রণোদনার আওতায় বিনামূল্যে ১৫ লাখ কৃষকের প্রত্যেককে ২ কেজি করে বীজধান দেওয়া হচ্ছে।

উচ্চফলনশীল জাতের উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য ১২ লাখ কৃষককে সার ও বীজ দেওয়া হচ্ছে, এতে ব্যয় হবে প্রায় ৭৩ কোটি টাকা। একজন কৃষক এক বিঘা জমিতে চাষের জন্য প্রয়োজনীয় ৫ কেজি বীজ, ১০ কেজি ডিএপি ও ১০ কেজি এমওপি সার বিনামূল্যে পাচ্ছেন।

এছাড়া ধান লাগানো ও কাটার জন্য ১৫ কোটি টাকার প্রণোদনা দেওয়া হচ্ছে। এজন্য ৬১টি জেলায় ১১০টি ব্লক বা প্রদর্শনী তৈরি করা হবে। প্রতিটি প্রদর্শনী হবে ৫০ একর জমিতে, খরচ হবে ১৩ লাখ ৭০ হাজার টাকা।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, কৃষি মন্ত্রণালয়ের নিয়মিত বাজেট কৃষি পুনর্বাসন সহায়তা খাত থেকে এ প্রণোদনা দেওয়া হচ্ছে। মাঠ পর্যায়ে ইতোমধ্যে এসব প্রণোদনার ৫০ শতাংশ বিতরণ করা হয়েছে। বাকি কাজগুলোও চলমান রয়েছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ২০, ২০২২ ৯:৪৩ পূর্বাহ্ন
চাপাইনবাবগঞ্জে ধনেপাতার বাম্পার ফলন, দামে হতাশ চাষিরা!
কৃষি বিভাগ

চলতি মৌসুমে ধনেপাতার আশানুরূপ দাম পাচ্ছেন চাষিরা। সারাদেশে চাঁপাইনবাবগঞ্জের ধনেপাতার সুনাম রয়েছে। এখানকার ধানেপাতা স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে দেশের বিভিন্ন জেলা উপজেলায় সরবরাহ করা হয়। তবে বর্তমানে ধনেপাতার ভালো বাজারদর না পেয়ে হতাশ চাষিরা।

জানা যায়, চলতি মৌসুমে জেলায় ৯৫ হেক্টর জমিতে ধানেপাতার চাষ হয়েছে। যা গত বছরের তুলনায় অনেক কম। কম চাষের পাশাপাশি ধনেপাতার দাম কমেছে বিঘায় ১০-১৫ হাজার টাকা। বাজারদর কম থাকায় চাষিদের লোকসান গুনতে হচ্ছে।

সদর উপজেলার দেবিনগরের ধনেপাতা চাষি মনিরুল ইসলাম জানান, আমি গত ১০ বছর যাবত ধনেপাতা চাষ করছি। গত বছর পাইকারদের কাছে ২৫-৩৫ হাজার টাকায় প্রতি বিঘা ধনেপাতা বিক্রি করলেও এবছর ২০-২৫ হাজার টাকায়ও বিক্রি করতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। গত বছরের তুলনায় এবছর সার, ডিজেল, বীজ সব কিছুর দাম বেশি। আমাদের লোকসান গুনতে হচ্ছে।

সদর উপজেলার ইসলামপুর এলাকার ধনেপাতা ব্যবসায়ী গোলাম মোস্তফা জানান, প্রায় ৪০ বছর যাবত ধনেপাতার ব্যবসা করছি। এবছরও কৃষকদের থেকে ১ বিঘা জমির ধনেপাতা কিনেছি। ধনেপাতার সরবরাহ শুরু করেছি। আশা করছি কয়েক লাখ টাকা আয় করতে পারবো।

চাঁপাইনবাবগঞ্জের কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ড. পলাশ সরকার জানান, গত বছরের তুলনায় এবছর ধনেপাতার আবাদ কম হয়েছে। এবছর চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায় ৯৫ হেক্টর জমিতে ধনেপাতার চাষ হয়েছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ২০, ২০২২ ৯:৩৩ পূর্বাহ্ন
পাহাড়ি অঞ্চলে গোলমরিচ চাষে লাভবান কৃষকরা
কৃষি বিভাগ

চট্টগ্রামের পাহাড়ি অঞ্চলে গোলমরিচ চাষে লাভবান হয়েছেন কৃষকরা। স্থানীয় কৃষকরা আমদানি নির্ভর গোলমরিচ চাষ করে ব্যাপক সফলতা পেয়েছেন। গোলমরিচ চাষ করে তারা একদিকে লাভবান হয়েছেন, অন্যদিকে বৈদেশিক মুদ্রাও সাশ্রয় হচ্ছে।

জানা যায়, বর্তমানে জেলার মীরসরাই ও ফটিকছড়ির অনাবাদী ৬০ একর পাহাড়ি জমিতে দু’শ চাষি বাণিজ্যিকভাবে গোলমরিচ চাষ করে ভালো ফলনও পেয়েছেন। ২০১৭ সালে চারা রোপণের তিন বছর পর ২০২০ সালের শেষের দিকে ফলন পেতে শুরু করেছে কৃষক।

চলতি বছর থেকে পার্বত্য চট্টগ্রামের বান্দরবান, রাঙ্গামাটি এবং খাগড়াছড়ি জেলায় গোলমরিচ চাষ শুরু করেছে চাষিরা। এর ফলে আমদানি নির্ভরতা কমিয়ে গোলমরিচ রপ্তানি করাও সম্ভব বলে মনে করছেন বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশনের কর্মকর্তারা।

চাষিরা বলেন, রোপণের তিন বছরের মধ্যে ফলন দেওয়া শুরু হয়। পঞ্চম বছর থেকে ফলন কাঙ্ক্ষিত মাত্রায় পৌঁছে। যা এক টানা ২৫ থেকে ৩০ বছর পর্যন্ত ফলন হয়। প্রতিটি খুঁটি থেকে বছরে কমপক্ষে চার কেজি কাঁচা গোলমরিচ পাওয়া যায়।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ১৯, ২০২২ ১:১৩ অপরাহ্ন
এসিআই ফ্লোরা ও সালফক্স লাকী কুপন ড্র অনুষ্ঠিত
কৃষি বিভাগ

এসিআই ফ্লোরা ও সালফক্স লাকী কুপন ড্র অনুষ্ঠিত হয়েছে। সম্প্রতি রাজধানী তেঁজগাঁও এর এসিআই সেন্টারে এ ড্র অনুষ্ঠিত হয়। এসিআই ফরমুলেশনস লিমিটেড-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক সুষ্মিতা আনিস উপস্থিত থেকে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার তুলে দেন। জানা গেছে, প্রতিটি আঞ্চলিক কেন্দ্র থেকে প্রতিনিধি হিসেবে ১২ জন পরিবেশক স্বশরীরে উপস্থিত ছিলেন, যারা ঐ অঞ্চলের ফ্লোরা এবং সালফক্স ব্যবসায়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। এছাড়া লাকী কুপন ড্র অনুষ্ঠানে জুম ভিডিও কল এবং ফেসবুক লাইভ এর মাধ্যমে প্রায় ৭০০ এর অধিক সম্মানীত ডিলার ও রিটেইলারদের সহ এসিআই ফর্মুলেশনস লিমিটেড-এর ফিল্ড পর্যায়ের সকল কর্মকর্তা কর্মচারীরা সংযুক্ত ছিলেন।

ফ্লোরা এবং সালফক্স লাকী কুপন ড্র সিজন-৪-এর ফ্লোরা-এর প্রথম পুরস্কার ইয়ামাহা ১২৫ সিসি মোটর সাইকেল জিতে নেন দিনাজপুর রিজিয়নের রাণীশংকৈল টেরিটরির পরিবেশক মেসার্স বিসমিল্লাহ ট্রেডার্স এবং সালফক্স এর প্রথম পুরস্কার ১২৫সিসি হিরো হুন্ডা জিতে নেন যশোর রিজিয়নের ফকিরহাট টেরিটোরির পরিবেশক মেসার্স ভাই ভাই কৃষি স্টোর। বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়ার সময় এসিআই ফরমুলেশনস লিমিটেড-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক সুষ্মিতা আনিস বলেন, দিন দিন আমাদের জনসংখ্যা বেড়েই চলেছে কিন্তু কমে যাচ্ছে আবাদি জমির পরিমাণ। খাদ্য নিরাপত্তা আমাদের দেশের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ। তাই অল্প আবাদি জমি দিয়ে এই বিশাল জনগোষ্ঠীর খাদ্য যোগান দেয়া সরকারের পাশাপাশি আমাদেরও একটি বড় দায়িত্ব। সে লক্ষ্যে সঠিক ভাবে ফ্লোরা ও সালফক্সকে কৃষক ভাইদের ব্যবহার করানোর মাধ্যমে দেশের খাদ্য উৎপাদনে বিশেষ ভূমিকা রাখতে হবে।

অনুষ্ঠানে চিফ অপারেটিং অফিসার ডা. মুক্তার আহমেদ সরকার পরিবেশকদের উদ্দেশ্যে বলেন, সর্ববৃহৎ কৃষি সমন্বয়কারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে এসিআই সব সময় আপনাদের মাধ্যমে কৃষকের হাতে আধুনিক টেকনোলোজি তুলে দিয়ে, কৃষি ও কৃষকের এবং সর্বোপরি দেশের খাদ্য নিরাপত্তায় ভূমিকা রেখে আসছে।

এসিআই ক্রপ কেয়ার-এর জেনারেল ম্যানেজার (মার্কেটিং) জনাব মোঃ আবদুর রহমান-এর পরিচালনায় অনুষ্ঠানে পরিবেশকদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য রাখেন এসিআই ক্রপ কেয়ার-এর জেনারেল ম্যানেজার, রিসার্চ এ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট মি: সুবির চৌধুরী, জেনারেল ম্যানেজার সেলস জনাব মোঃ হুমায়ুন কবির, ডেপুটি মাকেটিং ম্যানেজার জনাব মোশাররফ হোসেন ভূঁঞা, ডেপুটি ম্যানেজার-সেলস্ এন্ড ডিমান্ড জেনারেশন জনাব আবু বকর সিদ্দিক প্রমুখ।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ১৯, ২০২২ ৯:২৯ পূর্বাহ্ন
বছরে প্রায় ৭ লাখ টাকার সবজি বিক্রি করেন কৃষক রুবেল
এগ্রিবিজনেস

হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জে ফুলকপি চাষ করে সফল হয়েছেন তরুণ কৃষক রুবেল। ফুলকপি ছাড়াও শীতকালীন বিভিন্ন সবজিরও বাম্পার ফলন হয়েছে। তার সফলতা দেখে অনেকেই বিভিন্ন সবজি চাষে আগ্রহী হয়ে উঠেছেন। অনেক কৃষকই তার পরামর্শ নিয়ে ক্ষেতে-খামারে সবজির আবাদ করেছেন। রুবেল আহমেদ শায়েস্তাগঞ্জের বাগুনীপাড়া গ্রামের মৃত আব্দুল কাইয়ুমের ছেলে। তার বাবাও কৃষক ছিলেন। বাবার কাছ থেকেই কৃষি কাজে হাতেখড়ি রুবেলের। তিনি প্রতি বছর ৫-৭ লাখ টাকার বিভিন্ন সবজি বিক্রি করেন।

কৃষক রুবেল আহমেদ জানান, ৫০ শতাংশ জমিতে তিনি ৬ হাজার ফুলকপি চারা রোপণ করেন। আবহাওয়া ভালো হওয়ায় প্রতিটি গাছেই ভালো ফলন এসেছে। একেকটি ফুলকপি এক থেকে দেড় কেজি হয়ে থাকে। তিনি জানান, ফুলকপি চাষে তার খরচ হয়েছে ৪০ হাজার টাকা। এরইমধ্যে ৭০ হাজার টাকার ফুলকপি বিক্রি করেছেন। আশা করছেন, বাকি ফুলকপি বিক্রি করে আরও ১ লাখ টাকা পাবেন।

এ ছাড়াও তিনি প্রায় ৩ একর জমিতে টমেটো, বেগুন, শিমসহ বিভিন্ন শীতকালীন সবজি চাষ করেছেন। এসব ফসলের পরিচর্যায় নিয়মিত ৪-৫ জন শ্রমিক কাজ করছেন। এতে শ্রমিকদের কর্মসংস্থানের পাশাপাশি আর্থিকভাবেও লাভবান হচ্ছেন তিনি।

শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা সুকান্ত ধর জানান, ‘রুবেল আহমেদ এখন অনেকেরই অনুপ্রেরণা। তার সফলতা দেখে অনেকেই বিভিন্ন সবজি চাষে আগ্রহী হয়ে উঠেছেন। এ বছর রবি মৌসুমে উপজেলায় ৭৭৫ হেক্টর জমিতে শীতকালীন শাক-সবজি চাষ হয়েছে, যা গত বছরের চেয়ে প্রায় ১৫০ হেক্টর বেশি।’

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop