৬:১৯ পূর্বাহ্ন

শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : মার্চ ১৩, ২০২১ ১০:১৫ পূর্বাহ্ন
থানার অনাবাদী জমিতে পুলিশের বিষমুক্ত শাক-সবজি চাষ
কৃষি বিভাগ

ঠাকুরগাঁওয়ের রুহিয়া থানা চত্বরের ভিতরে যেন এখন গড়ে উঠেছে সবুজের সমারোহ। থানার ভিতরের অনবাদী জমিতে পুলিশ সদস্যদের উদ্যোগে ভরে উঠেছে শাকসবজি। এছাড়া সেখানে আরো আছে বিভিন্ন ধরণের ফুল। আগাছা আর লতাপাতাযুক্ত স্থানে এখন ফুল আর শাকসবজির সমারোহ দেখে চোখ জুড়ানোর মত অবস্থা। আর ফুলের ঘ্রাণে দর্শনার্থীদেরও ভিড় লক্ষ্য করা যায় সেখানে।

জানা যায়, থানার পরিত্যক্ত জমি পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন করে এখানে রসুন, পেঁয়াজ, মরিচ, ফুলকপি, বাধাকপি, স্কোয়াশ, গাজর,মুলা, লাউ, বেগুন, মিষ্টি কুমড়া, পালংশাক, লালশাক ও ধনেপাতার চাষ করা হয়েছে। সেই সাথে লক্ষ করা যায় বিভিন্ন প্রজাতির ফল ও ফুলের বাগান।

জানা যায়, পেশাগত দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি অবসর সময়ে থানার অফিসার ইনচার্জ চিত্ত রঞ্জন রায় তার পুলিশ সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে গড়ে তুলেছেন বিশাল এই সবজি, বিভিন্ন ধরনের ফুলের বাগান এবং ফলের মধ্যে বিভিন্ন প্রজাতির আম গাছ, কাঠাল, লিচু, পেয়ারা, নাড়িকেল, কামরাঙা, জলপাই, লেবু,চালতাসহ বিভিন্ন ফলের বাগান।

উপ-পরিদর্শক(এস আই) আবু বকর সিদ্দিক জানান, আমরা অফিসার ইনচার্জের নেতৃত্বে থানার সকল পুলিশ সদস্যরা অবসর সময়ে ফুল বাগান ও সবজি ক্ষেত পরিচর্যা করি। কীটনাশক মুক্ত সতেজ এসব শাক-সবজি দিয়ে থানার পুলিশ সদস্যরা চাহিদা মেটাচ্ছেন।

রুহিয়ার জুয়েল রানা,আরফান আলী ও রাসেল ইসলাম বলেন, রুহিয়া থানা পুলিশের এই উদ্যোগ আমাদের যুব সমাজকে অনুপ্রেরণা জাগিয়েছে। তাই আমরাও বাসার আসেপাশে বিভিন্ন সবজি চাষের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছি।এ ব্যাপারে রুহিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) চিত্ত রঞ্জন রায় বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী করোনাকালীন সময়ে নির্দেশনা দিয়েছেন, দেশের কোনো জায়গা পরিত্যক্ত থাকতে পারবে না।

তিনি আরো জানান, যেহেতু রুহিয়া থানায় মোট এক একর সম্পত্তির মধ্যে প্রায় ৩৫ শতক অনাবাদি পরিত্যক্ত। তাই এই পরিত্যক্ত জমিতে পুলিশ সদস্যগণ কঠোর শ্রম দিয়ে জৈব সার ব্যবহার করে আবাদি করে তুলে। অবসর সময়ে সকল পুলিশ সদস্যদের ঐক্য প্রচেষ্টায় বিভিন্ন ধরনের শাক-সবজি চাষাবাদ সহ প্রায় ১৫(পনের) প্রজাতির ফুলের গাছ দিয়ে বাগান তৈরি করা হয়েছে। তবে আমাদের এ চাষাবাদ অব্যাহত থাকবে বলে তিনি জানান।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ১৩, ২০২১ ৯:৩৪ পূর্বাহ্ন
পেঁয়াজ চাষে কৃষকের মুখে হাসি
কৃষি বিভাগ

ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার পাইকপাড় গ্রামের কৃষকরা বিক্রির আশায় স্তুপ করে রেখেছে  পেঁয়াজ। সংরক্ষণের অভাব থাকায় প্রত্যাশিত দামের বাইরে গিয়ে অল্পতেই ফসল বিক্রি করে দিচ্ছে উপজেলার কৃষকরা।

পাইকপাড়া গ্রামের কৃষক রবিউল ইসলামের বাড়িতে দেখা যায়, বাড়ির বাইরে মেয়েরা গাছ থেকে পেঁয়াজ কেটে আলাদা করছেন। বাড়ির মধ্যে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে পেঁয়াজ।

তিনি জানান, এবছর আট বিঘা জমিতে পেঁয়াজের চাষ করেছেন তিনি। এসব জমিতে চাষ করেছেন হাইব্রীড লাল তীরকিং জাত। যার মধ্যে অর্ধেক জমির পেঁয়াজ বাড়িতে নিয়ে এসেছেন। এখনও মাঠে পেঁয়াজ রয়েছে। প্রতি বিঘায় সব মিলিয়ে ৩৫ থেকে ৪৫ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। একবিঘায় (৪০ শতাংশ) একশো ২০ মণ পেঁয়াজ পাচ্ছেন। যা ১৪ শত টাকা প্রতি মণ দরে বিক্রি করে এক লক্ষ ৬৮ হাজার টাকা ঘরে আসবে।

চর সোন্দহ গ্রামের কৃষক আমিরুল ইসলাম জানান, তিনিও তার  জমিতে এ পেঁয়াজ চাষ করেছেন। ক্ষেত থেকে ছয়শো মণ পেঁয়াজ পাবেন বলে তিনি আশা করছেন। তবে সরকারিভাবে এ উপজেলায় পেঁয়াজ সংরক্ষণের কোন ব্যবস্থা না থাকার কারণে কৃষকরা পেঁয়াজ সংরক্ষণ করতে পারেন না। তাই অনেক সময় সঠিক মূল্য থেকে বঞ্চিত হন।

শৈলকুপার পেঁয়াজ ব্যাবসায়ী রেজাউল বিশ্বাস জানান, শৈলকুপা বাজার থেকে ঢাকার কারওয়ান বাজার, ভৈরব, সিলেট, চট্রগাম, খুলনা, বরিশাল সহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পেঁয়াজ যায়। দেশের চাহিদার বড় একটি অংশের যোগান শৈলকুপা থেকে হয়ে থাকে।

কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, শৈলকুপা উপজেলায় চাষযোগ্য জমি আছে ২৮ হাজার পাঁচশো হেক্টর। তারমধ্যে এ বছর পেঁয়াজের চাষ হয়েছে সাত হাজার আটশো ৯০ হেক্টর জমিতে। এরমধ্যে শুধু পাইকপাড়া গ্রামে চাষ হয়েছে ৩৫০ হেক্টর জমিতে। বারি-১, লাল তীর, লাল তীর কিংসহ বেশ কয়েকটি জাতের পেঁয়াজ বেশি চাষ হচ্ছে। এবছর অনেক কৃষক সুখসাগর জাতও চাষ করেছেন।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আক্রাম হোসেন জানান, এ উপজেলায় পেঁয়াজের চাষ বাড়ছে। গত ১০ বছরে এ চাষ বেড়েছে। এবার উপজেলায় পেঁয়াজের ফলন ভালো হয়েছে। তবে পেঁয়াজের দাম কিছুটা কম। এখানে একটি কোল্ড স্টোর জরুরি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ১২, ২০২১ ১০:২৭ পূর্বাহ্ন
ডিমলায় বিনামূল্যে কৃষকদের মাঝে কৃষি যন্ত্রপাতি বিতরণ
কৃষি বিভাগ

ডিমলায় বিনামূল্যে রংপুর বিভাগ কৃষি ও গ্রামীণ প্রকল্পের গঠিত কৃষক গ্রুপের ৬৪ জন কৃষকের মাঝে কৃষি যন্ত্রপাতি বিতরণ করা হয়েছে।

গতকাল বৃহস্পতিবার (১১মার্চ) সকালে উপজেলা কৃষি স¤প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে উপজেলা পরিষদ চত্তরে কৃষি যন্ত্রপাতি বিতরণ করা হয়।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোঃ সেকেন্দার আলী সঞ্চালনায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জয়শ্রী রানী রায়ের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি উপস্থিত ছিলেন নীলফামারী-১ (ডোমার-ডিমলা) সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব আফতাব উদ্দিন সরকার।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা তবিবুল ইসলাম, ভাইস চেয়ারম্যান বাবু নীরেন্দ্র নাথ রায়, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মোছাঃ আয়শা সিদ্দীকা, অতিরিক্ত উপ-পরিচালক খামার বাড়ি কৃষিবিদ মাজেদুল ইসলাম,উপজেলা প্রানিসম্পদ অফিসার ডাঃ মোঃ রেজাউল হাসান উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আনোয়ারুল হক সরকার মিন্টু।

অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, সদর ইউপি চেয়ারম্যান আবুল কাশেম সরকার, বালাপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান জহুরুল ইসলাম ভূঁইয়া, খগাখড়িবাড়ী ইউপি চেয়ারম্যান রবিউল ইসলাম খালিশা চাপানী ইউপি চেয়ারম্যান আতাউর রহমানসহ আরো অনেকে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ১২, ২০২১ ১২:২৮ পূর্বাহ্ন
পেয়ারা চাষে লাভবান মাগুরার কৃষক সুশান্ত
কৃষি বিভাগ

মাগুরা শ্রীপুর উপজেলার বড়ালিদহ গ্রামের কৃষক সুশান্ত কুমার বিশ্বাস বাণিজ্যিকভাবে পেয়ারা চাষ করে লাভবান হয়েছেন। চার একর জমিতে ৩ বছর আগে লাগানো বাগান থেকে এ পর্যন্ত প্রায় ৪০ লাখ টাকার পেয়ারা বিক্রি করেছেন তিনি। রাসায়নিক সারের পরিবর্তে শুধুমাত্র জৈব সার ব্যাবহার করে গাছ পরিচর্যা করেছেন। এ কারণে আরো ৫ বছর এ বাগান থেকে ভালো ফলনের পাশাপাশি আর্থিকভাবে আরো বেশি লাভবান হবেন বলেও তিনি দাবি করেন ।

সুশান্ত কুমার বিশ্বাস জানান, শ্রীপুর উপজেলা প্রাণি সম্পদ অফিসে ভেটেনারি চিকিৎসক হিসেবে কর্মরত ছিলেন তিনি। চার বছর আগে চাকুরী থেকে অবসর নেন। এরপর কৃষি কাজ শুরু করেন তিনি। দুবাই প্রবাসী ভাতিজা শিশির বিশ্বাসের পরামর্শে বাড়ির পাশের চার একর জমিতে পেয়ারা বাগান শুরু করেন। চুয়াডাঙ্গা থেকে গোল্ডেন এইড নামের উচ্চফলনশীল জাতের পেয়ারার চারা সংগ্রহ করেন। মাগুরায় চাষ হওয়া পেয়ারার নতুন এ জাতটি মূলত ভারতীয়।

এ জাতটিতে সারা বছর ফল পাওয়া যায়। চারা রোপণের এক বছর পর থেকেই গাছে ফল আসতে শুরু করে। বাগান করতে তার মোট খরচ হয়েছে ১৫ লাখ টাকা। গত ৩ বছরে বিক্রি করেছেন প্রায় ৪০ লাখ টাকার পেয়ারা ।

কথা প্রসঙ্গে তিনি আরো জানান, পেয়ারা বাগানে সম্পূর্ণভাবে জৈব সার ব্যবহার করেছি। নিম পাতার রস, কালকছুন্দি পাতার রস, গরুর চুনা, মাছের আশ ও গোবর মিশিয়ে জৈব সার তৈরি করা হয়েছে। এছাড়া গাছের গোড়ায় খৈলের গুড়া ব্যবহার করা হয়। এর পাশাপাশি প্ঁোকামাকড় দমনে কীটনাশকের পরিবর্তে ফেরোমন ট্রাপ পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়েছে। এর ফলে সম্পূর্ণ অর্গানিকভাবে তার বাগানের পেয়ারার ফলন ভালো হচ্ছে।

কৃষি বিভাগ থেকে পেয়ারা চাষে তাকে প্রশিক্ষণ ও বিভিন্ন পরামর্শ দিয়ে সহায়তা করছে। তার এ কাজে সহযোগিতা করছে মোজাম্মেলন হোসেন ও শিপন বিশ্বাস নামে স্থানীয় দুই যুবক। তারা ক্ষেত পরিচর্যার পাশাপাশি ঢাকা, গাজীপুরসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় পেয়ারা বিক্রিতে সহযোগিতা করছে। এর ফলে তাদের কর্মসংস্থানের পাশাপাশি আর্থিক সহযোগিতায় পাওয়ায় সংসারের ব্যয় নির্বাহ করতে পারছেন তারা।

মাগুরা জেলা কষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক সুশান্ত কুমার প্রামানিক জানান, মাগুরা শ্রীপুর উপজেলার বড়ালিদহ গ্রামের কৃষক সুশান্ত কুমার বিশ্বাস নতুন জাতের এ পেয়রা চাষে ভালো ফলন পেয়েছেন। আমরা তার ক্ষেতটি পরিদর্শন করেছি। এ পেয়ারা বাগানটিতে জৈব সার ব্যবহার করা হচ্ছে। ফলন ভালো হয়েছে। কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে আমরা তাকে সার্বিক সহযোগিতা করছি।-বাসস।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ১২, ২০২১ ১২:০৪ পূর্বাহ্ন
ফরিদপুরে বারি ছোলা-১০’র ওপর মাঠদিবস অনুষ্ঠিত
কৃষি বিভাগ

নাহিদ বিন রফিক (বরিশাল): ফরিদপুরে বারি ছোলা-১০’র ওপর কৃষক মাঠদিবস অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার ফরিদপুরের কানাইপুরে অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয়।

মাদারীপুরের আঞ্চলিক ডাল গবেষণা কেন্দ্রের আয়োজনে এ উপলক্ষে এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন ডাল গবেষণা কেন্দ্রের পরিচালক ড. দেবাশীষ সরকার।

তিনি বলেন, বারি ছোলা-১০ চাষাবাদের মাধ্যমে এ অঞ্চলের হারিয়ে যাওয়া ছোলার আবাদ ফিরিয়ে আসবে। পাশাপাশি পুষ্টির চাহিদা মেটবে। এর উৎপাদন বেশি। তাই চাষিরাও লাভবান হবেন ।

আয়োজক প্রতিষ্ঠানের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. ছালেহ উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের (ডিএই) অতিরিক্ত পরিচালক মনোজিৎ কুমার মল্লিক। বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা নন্দ দুলাল কুন্ডুর সঞ্চালনায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বিএআরআই ফরিদপুরের সরেজমিন গবেষণা বিভাগের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. সেলিম আহম্মেদ, পাবনার ডাল গবেষণা কেন্দ্রের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. আলতাফ হোসেন, বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশনের (বিএডিসি) যুগ্ম পরিচালক মো. কামাল উদ্দিন প্রমুখ।

মাঠদিবসে বাংলাদেশের তৈলবীজ ও ডালফসলের গবেষণা ও উন্নয়ন প্রকল্পের আওতাধীন ৬০ জন ডালচাষি অংশগ্রহণ করেন।

উল্লেখ্য, বারি ছোলা-১০ রোগপোকাসহনশীল। এর উৎপাদন খরচ কম। জমির উর্বরশক্তিও বাড়ে।

 

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ১১, ২০২১ ৯:০০ অপরাহ্ন
চতুর্থ শিল্পবিপ্লবে সামিল হতে গবেষণা ও উদ্ভাবন আরও বৃদ্ধি করতে হবে : কৃষিমন্ত্রী
এগ্রিবিজনেস

কৃষিমন্ত্রী ড. মো: আব্দুর রাজ্জাক এমপি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অত্যন্ত দূরদর্শী ও বলিষ্ঠ নেতৃত্বের মাধ্যমে ইতোমধ্যে বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হয়েছে। ২০৩০ সালের মধ্যে উচ্চ মধ্যম আয়ের দেশ এবং ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত সমৃদ্ধ দেশে উন্নীত হতে হলে আমাদেরকে চতুর্থ শিল্পবিপ্লবে সামিল হতে হবে। সেজন্য, কৃষি, শিল্প, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিসহ সকল ক্ষেত্রে গবেষণা ও উদ্ভাবন বৃদ্ধি করতে হবে। চতুর্থ শিল্পবিপ্লবে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিসম্পর্কিত বিষয় যেমন: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, রোবোটিকস, ড্রোন, স্প্রেস টেকনোলজিসহ অত্যাধুনিক প্রযুক্তিতে আমাদের সক্ষমতা বাড়াতে হবে। একই সাথে, শিল্পক্ষেত্রে বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় গবেষক ও বিজ্ঞানীদেরকে আরও মনোযোগী হতে হবে।
কৃষিমন্ত্রী বৃহস্পতিবার ঢাকায় বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদ (বিসিএসআইআর) চত্বরে ‘বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক আন্তর্জাতিক সম্মেলনের’ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ কথা বলেন। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষ্যে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়াধীন বিসিএসআইআর এ সম্মেলনের আয়োজন করে।
গবেষক-বিজ্ঞানীদেরকে গবেষণাকর্মে আরও এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে কৃষিমন্ত্রী বলেন, গবেষণায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অত্যন্ত উদারভাবে পর্যাপ্ত অর্থ বরাদ্দ দিচ্ছেন। ফলে গবেষণায় এখন অর্থ নিয়ে কোন সমস্যা নেই।
কৃত্রিম ফুলের ব্যবহার বন্ধের আহ্বান জানিয়ে কৃষিমন্ত্রী ড. রাজ্জাক আরও বলেন, সরকারি, বেসরকারি, সামাজিক ও ব্যক্তিগত পর্যায়ে কৃত্রিম ফুলের ব্যবহার বন্ধ করতে হবে। আমাদের দেশে বর্তমানে বিভিন্ন রকমের বিচিত্র রঙের দেশি বিদেশি প্রচুর ফুল চাষ ও উৎপাদিত হচ্ছে। কৃত্রিম ফুলের ব্যবহার বন্ধ হলে ফুলের চাষ আরও বাড়বে; ফুল চাষিরা অনেক লাভবান হবে। পাশাপাশি কৃত্রিম ফুলের ব্যবহারের কারণে পরিবেশের যে ক্ষতি হয়- তা থেকেও রক্ষা পাওয়া যাবে।
সম্মেলনে প্রধান পৃষ্ঠপোষকের বক্তব্যে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী স্থপতি ইয়াফেস ওসমান বলেন ‘চলমান কোভিড পরিস্থিতিসহ যে কোন পরিস্থিতিতে জাতির ভাগ্য উন্নয়নে সময়োপযোগী সিদ্ধান্তগ্রহণ এবং বলিষ্ঠ নেতৃত্বের মাধ্যমে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আমরা যারা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করছি তাদেরকেও নতুন নতুন গবেষণা ও উদ্ভাবন নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে’।
অনুষ্ঠানে প্রধান পৃষ্ঠপোষক হিসাবে উপস্থিত ছিলেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী স্থপতি ইয়াফেস ওসমান। গেস্ট অব অনার হিসাবে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস, বিশেষ অতিথি হিসাবে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ডা. আফম রুহুল হক এবং পৃষ্ঠপোষক হিসাবে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো: আনোয়ার হোসেন উপস্থিত ছিলেন। সভাপতিত্ব করেন আয়োজক কমিটির সভাপতি ও বিসিএসআইআর’র চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো: আফতাব আলী শেখ ।
উল্লেখ্য, তিন দিনব্যাপী এ আন্তর্জাতিক সম্মেলনে বাংলাদেশ, আমেরিকা, কানাডা, জার্মানি, চীন ও ভারতসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সাতশ’র বেশি বিজ্ঞানী, গবেষক ও প্রকৌশলীবৃন্দ সশরীরে ও ভার্চুয়ালি অংশগ্রহণ করছেন। ‘ভবিষ্যতের প্রযুক্তি’ প্রতিপাদ্যে সম্মেলনে একইসাথে ১২টি ভেন্যুতে ১ হাজারের বেশি গবেষণাকর্ম উপস্থাপিত হবে।
শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ১১, ২০২১ ৮:৫৭ অপরাহ্ন
খুলনায় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতের উন্নয়নে সাধ্যমত ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস
কৃষি বিভাগ

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বলেছেন, “শেখ হাসিনা বিস্ময়কর রাষ্ট্রনায়কের ভূমিকায় অবতীর্ণ হওয়ায় আমরা ভালো অবস্থায় আছি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রতিদিন জাতিকে জাগ্রত করে রাখেন। বাংলাদেশের বৈপ্লবিক পরিবর্তন এখন বিশ্বের বিস্ময়। তলাবিহীন ঝুড়ির তকমা লাগা বাংলাদেশ, দুর্নীতিতে তিনবার ধারাবাহিক চ্যাম্পিয়ন হওয়া বাংলাদেশ, প্রাকৃতিক দুর্যোগের দেশ নামে বহির্বিশ্বে পরিচিত বাংলাদেশ এখন উন্নয়নশীল বিশ্বে পদার্পন করেছে।”

বৃহস্পতিবার (১১ মার্চ) খুলনা প্রেসক্লাবের হুমায়ূন কবীর বালু মিলনায়তনে স্থানীয় সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

খুলনা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক হাসান আহম্মেদ মোল্লার সঞ্চালনায় মতবিনিময় সভায় শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন খুলনা প্রেসক্লাবের সভাপতি এস এম জাহিদ হোসেন। এছাড়া খুলনা প্রেসক্লাবের বর্তমান ও প্রাক্তন নেতৃবৃন্দ সভায় বক্তব্য প্রদান করেন।

দেশের উন্নয়ন চিত্র তুলে ধরে এসময় মন্ত্রী বলেন, “দেশে আজ অন্নের অভাবে লঙ্গরখানা খুলতে হয় না। কাউকে বস্ত্রের অভাবে থাকতে হয় না। সরকার নয় লক্ষ গৃহহীন কে বাসস্থান দেয়ার পরিকল্পনা করেছে যার মধ্যে ৭০ হাজারকে বাসস্থান দেয়া হয়েছে। পৃথিবীর আর কোন দেশ গৃহহীনদের জন্য সরকারিভাবে বিনা পয়সায় শতভাগ গৃহ দেয়ার পরিকল্পনা করতে পারেনি। সেটা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকার করছে। শিক্ষা ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের বই প্রদানের পাশাপাশি উপবৃত্তি দেয়া হচ্ছে। পৃথিবীর প্রায় ১৩০টি দেশে কোভিড-১৯ এর ভ্যাকসিন পৌঁছেনি। অথচ বাংলাদেশের গ্রামেও ভ্যাকসিন পৌঁছে গেছে। আমাদের মাতৃমৃত্যু, শিশুমৃত্যুর হার কমেছে, মাথাপিছু আয় বেড়েছে এবং গড় আয়ু বেড়েছে। এভাবে আমাদের দেশটা অনেক এগিয়ে যাচ্ছে। সংবিধানে উল্লিখিত নাগরিকদের প্রতিটি মৌলিক অধিকার এখন নিশ্চিত হচ্ছে।”

বিচারহীনতার সংস্কৃতির প্রাসঙ্গিকতায় মন্ত্রী এ সময় বলেন, “১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির পিতাকে নির্মমভাবে হত্যার পর একই বছরের ৩১ ডিসেম্বর জেলখানার গেট খুলে দিয়ে প্রায় ৩৭ হাজার যুদ্ধাপরাধীদের ছেড়ে দেয়া হয়েছিল। এদের কারো জেল হয়েছিল, কারো বিচার চলছিল। পরবর্তীতে এদেশে যুদ্ধাপরাধীদের রাজনীতিতে প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। জিয়াউর রহমান সংবিধানের ৩৮ অনুচ্ছেদ পরিবর্তন করে ধর্মভিত্তিক রাজনীতির সুযোগ করে দিয়েছিলেন। আর এভাবেই সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠী বাংলাদেশে মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছিল। ১৯৭৯ সালের ৯ এপ্রিল ইনডেমনিটি অর্ডিন্যান্সকে আইনে পরিণত করে বঙ্গবন্ধুর খুনিদের বিচার করা যাবে না এমন নিকৃষ্টতম আইন বাংলাদেশে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান করে গিয়েছিলেন। বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা রাষ্ট্র ক্ষমতায় এসে দৃঢ়চেতা মানসিকতা নিয়ে বঙ্গবন্ধুর খুনিদের, জেল হত্যার, যুদ্ধাপরাধীদের, নারায়ণগঞ্জের সাত খুনের বিচারসহ বড় বড় হত্যাকাণ্ডের বিচার করেছেন। এমনকি ক্ষমতাসীন দলের নেতাকর্মীদের দুর্নীতির দায়ে কারাদণ্ড হয়েছে। শেখ হাসিনা বিশ্বাস করেন যিনি দুর্নীতি করবেন তার কোনো দলীয় পরিচয় নেই। দুর্নীতি করলে কেউ ছাড় পাবে না।”

দেশকে স্থিতিশীল রাখতে ও উন্নয়নের অগ্রযাত্রাকে অব্যাহত রাখতে সাংবাদিকদের ভূমিকা স্মরণ করিয়ে দিয়ে মন্ত্রী বলেন, “আপনারা উন্নয়নের কথা বলুন, মুক্তিযুদ্ধের চেতনার কথা বলুন। স্বাধীনতাবিরোধীদের সম্পর্কে জাতিকে জাগ্রত করে তুলুন। আর যারা যেনোতেনো উপায়ে দেশের স্থিতিশীলতা নষ্ট করতে দেশে-বিদেশে ষড়যন্ত্র করে তাদের বিষয়ে মানুষকে সজাগ করে তুলুন। আমাদের মধ্যে কেউ দুর্নীতি করলেও সামনে নিয়ে আসুন।”

গণমাধ্যমকে রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ বলা হয় উল্লেখ করে মন্ত্রী আরো বলেন, “গণমাধ্যম এখন অনেক সজাগ ও সক্রিয়। যদিও গণমাধ্যমকর্মীদের অনেক ক্ষেত্রে জীবনের ঝুঁকি আছে। বিশেষ করে মফস্বল সাংবাদিকদের অনেক বেদনার অধ্যায় আছে। তারা সবসময় যেমন জীবনের নিরাপত্তা পান না তেমনি অনেক সময় আর্থিক সুবিধাও পান না। তবে অনেক ক্ষেত্রেই ভুঁইফোড় সাংবাদিকদের কারণে প্রকৃত সাংবাদিকদের বদনামের শিকার হন। এ বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে।”

এসময় খুলনা প্রেসক্লাবের উন্নয়নে ভূমিকা রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন মন্ত্রী। এ সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে খুলনায় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতের উন্নয়নে সাধ্যমত সকল ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাসও দেন তিনি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ১১, ২০২১ ৭:২০ অপরাহ্ন
নদী ভাঙনে বিলীন হচ্ছে কোটি টাকার সয়াবিন
কৃষি বিভাগ

মেঘনার ভাঙন অব্যাহত রয়েছে। কিছুতেই থামছে না এ ভাঙন। প্রতিনিয়ত নদীর গর্ভে যাচ্ছে বসতি ঘরবাড়ি।চলতি মৌসুমের সয়বিনসহ নানা প্রজাতের উঠতি ফসল ও বসত বাড়ি বিলিন হচ্ছে নদীগর্ভে। টানা ভাঙনে দিশেহারা হয়ে পড়েছে চরাঞ্চলের পরিবারগুলো।

লক্ষ্মীপুর জেলাকে সয়াল্যান্ড নামে ব্র্যান্ডিং করা হয়েছে। জেলার কমলনগর ও রামগতির বেশ কয়েকটি গ্রামের কোটি টাকার সয়াবিন নদীর গর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। ফসলি মাঠ ভেঙে যাওয়ায় দিশেহারা এ অঞ্চলের কৃষকরা।

সরোজমিনে দেখা যায়, লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলার চর কালকিনি, সাহেবেরহাট, চর ফলকন, চর লরেন্স ও পাটারিরহাট ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকার ফসলি জমি ভাঙছে । এদিকে রামগতি উপজেলার রামদয়াল, বালুরচর, বাংলাবাজার, চরগাজী, চর আলগী, সেবাগ্রাম, বড়খেরী, চর রমিজ ও চর আবদুল্লার কোটি টাকার সয়াবিন নদীর গর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে।

এসব এলাকায় বাঁধ নির্মানের মাধ্যমে কৃষকের ফসল ও স্থানীয় বসতি ঘরবাড়ি রক্ষার দাবি তাদের।জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য মতে, গত ১০ বছরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী বাংলাদেশে উৎপাদিত সয়াবিনের মধ্যে লক্ষ্মীপুর জেলায় উৎপাদন হচ্ছে প্রায় ৭০ ভাগ সয়াবিন। গত বছর ৪৮ হাজার ৫৪৫ হেক্টর জমিতে সয়াবিন আবাদ হয়েছে, উৎপাদন হয়েছে ৮৬ হাজার ৪১০ মেট্রিক টন। যার বাজার মূল্য প্রায় সোয়া ৩০০ কোটি টাকা।

চলতি মৌসুমে সয়াবিন আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৫৩ হাজার ২৩৭ হেক্টর জমিতে। কিন্তু আবাদ হয়েছে ৪০ হাজার ৯১০ হেক্টর জমিতে। উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ১ লাখ ৯১৭ মেট্রিক টন। কিন্তু আবাদকৃত জমি অনুযায়ী সম্ভাব্য উৎপাদন ৭৭ হাজার ৭৩০ মেট্রিক টন।

এর আগে ২০১৭ সালে ১০৫ কোটি টাকা ব্যয়ে মেঘনা নদীতে সাড়ে তিন কিলোমিটার দীর্ঘ ওই বাঁধটি নির্মাণ করা হয়। সেনাবাহিনীর ১৯ ইঞ্জিনিয়ার কনসক্ট্রাকশন ব্যাটালিয়নের সদস্যরা কাজটি সম্পন্ন করেছেন। নির্মাণের পর এক বছর পর্যন্ত সেনাবাহিনী বাঁধটি রক্ষণাবেক্ষণ করেছে। ওই তিন কিলোমিটার এলাকা এখন আর ভাঙছে না।

 

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ১০, ২০২১ ৬:৪৭ অপরাহ্ন
পোল্ট্রির ডিম, মুরগি ও বাচ্চার (১০ মার্চ) সর্বশেষ পাইকারি দাম
কৃষি বিভাগ

পোল্ট্রি পণ্য (ডিম ও মুরগীর) আজকের পাইকারী মূল্য(টাকা) নিন্মরুপ:-
তারিখ:১০/০৩/২০২১ ইং
★এখানে বর্ণিত পোল্ট্রি পণ্যের মূল্য মূলত : পোল্ট্রি খামারিদের প্রাপ্ত মূল্য।
ইউনাইটেড এগ(সেল পয়েন্ট)
লাল ডিম=৬.৮০
সাদা ডিম=৬.২০
ডাম্পিং মার্কেট=
লাল(বাদামী) ডিম=৬.০৫
সাদা ডিম=৫.৪০
গাজীপুর:-
লাল(বাদামী)ডিম=৬.০০
সাদা ডিম=৫.৪৫
ব্রয়লার মুরগী=১২৫/কেজি
কালবার্ড লাল=১৬৫/কেজি
কালবার্ড সাদা=১৩০/কেজি
সোনালী মুরগী=৩০০/কেজি
প্যারেন্টস=/কেজি
বাচ্চার দর:-
লেয়ার লাল =৩৫-৩৬
লেয়ার সাদা=৪৫-৫০
ব্রয়লার=৫৫-৫৬
চট্টগ্রাম:-
লাল(বাদামী) ডিম=৬.০০
ব্রয়লার মুরগী=১৪০/কেজি
কালবার্ড লাল=১৭০/কেজি
সোনালী মুরগী=২৭০/কেজি
বাচ্চার দর:-
লেয়ার লাল =৩৫-৩৮
লেয়ার সাদা=৪০
ব্রয়লার=৫৫-৫৬
রাজশাহী:-
লাল(বাদামী) ডিম=৫.৮০
সাদা ডিম=৪.৯০
ব্রয়লার মুরগী =/কেজি
সোনালী =/কেজি
খুলনা:-
লাল(বাদামী) ডিম=৬.৩০
সাদা ডিম=৬.১০
বরিশাল:-
লাল(বাদামী) ডিম=৫.৮০
ব্রয়লার মুরগী=১২০/কেজি
কালবার্ড লাল=১৭৫/কেজি
সোনালী মুরগী=/কেজি
বাচ্চার দর:-
লেয়ার লাল =৩৫
লেয়ার সাদা =
ব্রয়লার=৫৩-৫৫
ময়মনসিংহ:-
লাল(বাদামী) ডিম=৫.৯০
ব্রয়লার মুরগী=১২২/১২৫কেজি
সোনালী মুরগী=২৯০/কেজি
সিলেট=
লাল(বাদামী) ডিম=৬.৪০
ব্রয়লার মুরগী=১৩২/কেজি
কাজী(সিলেট) :-
লাল(বাদামী) ডিম=৬.৬১
রংপুর:-
লাল(বাদামী) ডিম=৫.৯০
কাজী(রংপুর) :-
লাল(বাদামী) ডিম=৬.০৫
বাচ্চার দর:-
লেয়ার লাল =৩৮
ব্রয়লার =৫৫
সোনালী হাইব্রিড =৩৫
সোনালী রেগুলার =৩০
বগুড়া :
লাল(বাদামী)ডিম=৬.২০
ব্রয়লার মুরগী=১২৫/কেজি
সোনালী মুরগী =২৮৫/কেজি
টাংগাইল :-
লাল(বাদামী) ডিম=৫.৯৫
ব্রয়লার মুরগী=১২০/১২২কেজি
সোনালী মুরগী =২৯০/৩০০কেজি
কিশোরগঞ্জ:-
লাল(বাদামী) ডিম=৫.৯০
ব্রয়লার মুরগী=/কেজি
নরসিংদী :-
লাল(বাদামী) ডিম=৫.৯০
সিরাজগঞ্জ :-
লাল(বাদামী) ডিম=৬.০০
ব্রয়লার মুরগী=১২৫/কেজি
কালবার্ড লাল=১৮০/কেজি
সোনালী মুরগী=/কেজি
ফরিদপুর :-
লাল(বাদামী) ডিম=৬.২০
কাজী(ফরিদপুর) :-
লাল(বাদামী) ডিম=৬.৪২
ব্রয়লার মুরগী=১২০/কেজি
লেয়ার মুরগী=১৭৫/কেজি
সোনালী মুরগী=২৬৫/কেজি
পাবনা :-
লাল(বাদামী)ডিম=৫.৮০
সাদা ডিম=৫.৬০
নোয়াখালী:-
লাল(বাদামী)ডিম=৬.০০
ব্রয়লার মুরগী=১৪০/কেজি
কালবার্ড লাল=১৮০/কেজি
সোনালী মুরগী=২৮৫/কেজি
বাচ্চার দর:-
লেয়ার লাল =৪৫
লেয়ার সাদা =
ব্রয়লার=৫৬
পিরোজপুর (স্বরুপকাঠী:-
লাল(বাদামী) ডিম=৫.৮০
সাদা ডিম=৫.৬০
ব্রয়লার মুরগী =/কেজি
যশোর :-
লাল(বাদামী) ডিম=৬.৫০
ব্রয়লার মুরগী=/কেজি
সোনালী মুরগী =/কেজি
কুমিল্লা:-
লাল (বাদামী) ডিম=৬.০০
ব্রয়লার মুরগী=১৩৫/ কেজি
কালবার্ড লাল=১৭০/কেজি
সোনালী মুরগী =২৯০/কেজি
কক্সবাজার :-
লাল (বাদামী) ডিম=৫.৭০
সাদা ডিম=৫.৫০
একটি যৌথ উদ্যোগ: বাংলাদেশ পোল্ট্রি খামার রক্ষা জাতীয় পরিষদ (বি.পি.কে.আর.জে.পি) এবং পোল্ট্রি প্রফেশনাল’স বাংলাদেশ(পিপিবি)।
ধন্যবাদান্তে
মো:শিমুল হক রানা
যোগাযোগ:০১৮৫৫৯৪৪২৭০
শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ১০, ২০২১ ৩:৪১ অপরাহ্ন
ভুট্টাক্ষেতে পানি দিতে গিয়ে প্রাণ গেল কৃষকের
কৃষি বিভাগ

নীলফামারীর জলঢাকায় ভুট্টাক্ষেতে পানি দিতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মশিউর রহমান নামে এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। সোমবার দুপুরে উপজেলার উত্তর দেশিবাই এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। মৃত কৃষক মশিউর রহমান ওই এলাকার ছমে উল্লাহর ছেলে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, মশিউর রহমান ভুট্টাক্ষেতে পানি দেয়া শেষে মোটরের লাইন বন্ধ করতে যান। এ সময় তারের সঙ্গে জড়িয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হলে ঘটনাস্থলেই মারা যান তিনি। জলঢাকা থানার ওসি মোস্তাফিজুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop