৮:০৩ পূর্বাহ্ন

শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : মার্চ ১, ২০২১ ৭:৪৮ অপরাহ্ন
চা উৎপাদনে চট্টগ্রামকে ছাড়িয়ে গেছে পঞ্চগড়
এগ্রিবিজনেস

পঞ্চগড়ের সমতলের চা শিল্প চা উৎপাদনে বৃহত্তর চট্টগ্রামকে ছাড়িয়ে গেছে। এরইমধ্যে জেলায় সমতলে নতুন মৌসুমের চা তোলা শুরু হয়েছে। সোমবার সকাল থেকে চা তোলার পাশাপাশি চালু হয়েছে চা প্রক্রিয়াজাতকরণ কারখানাগুলোও।

জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি এ দুই মাস চা বাগান প্রুনিংয়ের জন্য চা উৎপাদন বন্ধ রাখা হয়েছিল। এবার চা উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে এক কোটি কেজি (তৈরি চা)। এরই মধ্যে পঞ্চগড়ের সমতলের চা শিল্প চা উৎপাদনে বৃহত্তর চট্টগ্রামকে ছাড়িয়ে গেছে।

গত বছর পঞ্চগড়ের সমতলে তৈরি চা উৎপাদন হয়েছে ১ কোটি ৩ লাখ কেজি। পঞ্চগড়ে ২০০০ সাল থেকে বাণিজ্যিকভাবে চা চাষ শুরু হয়। জেলায় বর্তমানে ৯টি নিবন্ধিত চা বাগান (টি এস্টেট), ১৬ টি অনিবন্ধিত চা বাগান, ৯৯৮টি নিবন্ধিত ক্ষুদ্রায়তন চা বাগান এবং ৫ হাজার ৫০০ অনিবন্ধিত ক্ষুদ্রায়তন চা বাগান রয়েছে। লাভজনক হওয়ায় দিন দিন এর পরিধি আরো বাড়ছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ১, ২০২১ ১১:৩৯ পূর্বাহ্ন
চাষাবাদে বদলে যাচ্ছে তিস্তা পাড়ের জীবনযাত্রা
কৃষি বিভাগ

লালমনিরহাটে তিস্তার বুকে জেগে ওঠা চরে সবজি চাষ করে লাভবান হচ্ছেন লাখো কৃষক। আর এতে করে নতুন রুপ ধারণ করেছে তিস্তার পাড়ও। চরের পতিত জমিতে কীটনাশক ছাড়াই বিভিন্ন ধরনের সবজি উৎপাদন করে অভাব দূর করছেন তারা।

চাষিরা জানান, চরের জমিতে সবজি চাষ করা কষ্টের কাজ। তবে পুঁজি কম হওয়ায় অনেক লাভ। চর এলাকায় ফসলও ভালো হয়।

চর গোকুন্ডার কৃষক ফয়জার আলী বলেন, আমার যেটুকু জমি ছিল তা তিস্তার পেটে চলে গেছে। এ কারণে প্রতি বছর এই সময় তিস্তা নদীর বুকে জেগে ওঠা চরে জৈব সার ব্যবহার করে আলু, শিম, করলা, লাউ, মিষ্টি কুমড়া, বাদাম চাষ করি। ফলন ভালো হওয়ায় আমরা পরিবার নিয়ে ভালোভাবে দিন কাটাতে পারি।

তিস্তার চরের চাষাবাদ নিয়ে আশাবাদী লালমনিরহাট কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপপরিচালক শামীম আশরাফ।

তিনি বলেন, চরের জমিতে পানির যে লেভেল আছে, তাতে সেচ দেয়ার সময় কিছুটা সমস্যা হয়। চরাঞ্চলের এ জমিকে কাজে লাগাতে আমরা চাষিদের নিয়মিত পরামর্শ দিয়ে আসছি। আশা করছি, তিস্তার চরে উৎপাদিত সবজি কিছুটা হলেও চাহিদা পূরণে সহায়তা করবে।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর জানায়, এ বছর চরাঞ্চলে ১০ হাজার ৮০০ হেক্টর জমিতে সবজির চাষ হয়েছে। কম খরচে লাভবান হওয়ায় গত বছরের তুলনায় এবার তিস্তার বুকে জেগে ওঠা চরে সবজির আবাদ হয়েছে অনেক বেশি। রাসায়নিক সার ও কীটনাশকের পরিবর্তে চাষিরা জৈব সার ব্যবহার করায় আলু, শিম, করলা, লাউ, মিষ্টি কুমড়া, বাদামসহ বিভিন্ন সবজির বাম্পার ফলন হয়েছে।

তিস্তা নদীর তীরবর্তী চর বালাপাড়া, কুটিরপাড় বাঁধসহ লালমনিরহাটের পাঁচটি উপজেলার অন্তত শতাধিক গ্রামে মিষ্টি কুমড়া, লাল শাক, কলমি শাকসহ বিভিন্ন ধরনের সবজির ব্যাপক আবাদ হয়েছে। চরে সেচ পাম্প বসিয়ে তা দিয়ে পানির ব্যবস্থা করে এসব ফসল চাষাবাদ করেছেন কৃষকরা।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ফেব্রুয়ারী ২৮, ২০২১ ১০:১৫ অপরাহ্ন
রংপুরে কৃষি যান্ত্রিকীকরণ প্রকল্পের আঞ্চলিক কর্মশালা অনুষ্ঠিত
কৃষি বিভাগ

দেশের কৃষিখাতকে উন্নত ও বেগবান করার লক্ষ্যে কৃষি যান্ত্রিকীকরণের নিরন্তর প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে সরকার। ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে খামার যান্ত্রিকীকরণের তিন হাজার ২০ কোটি টাকার প্রকল্প।

এরই অংশ হিসেবে শনিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) রংপুর জেলা পরিষদ মিলনায়তনে প্রকল্পের কর্মসূচি অবহিত করণের জন্য এক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।

প্রদর্শিত যন্ত্রগুলোর মধ্যে ছিল ধান ও গম কাঁটা, মাড়াই, ঝাড়াই ও বস্তাবন্দী করার অত্যাধুনিক মেশিন জাপানের ইয়ানমার কম্বাইন হারভেস্টার ও চারা লাগানোর মেশিন রাইস ট্রান্সপ্লান্টার। এ সময় বিক্রয়োত্তর সেবাকে আরও আধুনিক করার জন্য প্রদর্শিত হয় ইয়ানমার সার্ভিস এক্সপ্রেস ভ্যান, যা দ্বারা হাওর ও অন্যান্য এলাকায় অন দ্যা স্পট সার্ভিস প্রদান করা সম্ভব হবে।

বাংলাদেশে কৃষি যান্ত্রিকীকরণ লক্ষ্যে এসিআই মোটরস প্রায় এক যুগ ধরে কাজ করে আসছে। আধুনিক ও উন্নতমানের সব কৃষি যন্ত্রপাতি সাধারণ মানুষের মাঝে ছড়িয়ে দিতে নতুন নতুন আইডিয়া নিয়ে কাজ করছে তারা। ২০২০ সালের বোরো মৌসুমে করোনার কঠিন বিপর্যয়ের সময়ও ৭৫০টিরও বেশি ইয়ানমার কম্বাইন হারভেস্টার সরবরাহ করে বাংলাদেশের কৃষি ক্ষেত্রে এক বিপ্লব সৃষ্টি করেছে এসিআই মোটরস্। শুধু তাই নয়, দেশব্যাপী দক্ষ নেটওয়ার্ক ও লোকবলের মাধ্যমে বিক্রয়োত্তর সেবাও নিশ্চিত করছে প্রতিষ্ঠানটি।

কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কৃষি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. মেসবাহুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. আসাদুল্লাহ।

আরও উপস্থিত ছিলেন কৃষি যান্ত্রিকীকরণ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক মো বেনজীর আলমসহ কৃষি অধিদপ্তরের আঞ্চলিক কর্মকর্তারা। কর্মশালায় দেশের প্রধান কৃষি যন্ত্র সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান এসিআই মোটরস্ জাপানী ইয়ানমার সহ অন্যান্য আধুনিক কৃষি যন্ত্রপাতি প্রদর্শন করে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ফেব্রুয়ারী ২৮, ২০২১ ৮:৩৮ অপরাহ্ন
পঙ্গপাল বিক্রি করে স্বাবলম্বী কৃষকরা
কৃষি বিভাগ

জলবায়ু পরিবর্তনের সঙ্গে সমুদ্রের পানি ক্রমশ উষ্ণ হচ্ছে এবং তাতে বাড়ছে সাইক্লোন বা অতিবৃষ্টির মতো দুর্যোগ। অসময়ের অতিবৃষ্টি পঙ্গপালের বংশবৃদ্ধি আচমকাই বাড়িয়ে দিচ্ছে। যা ছারখার করছে আশপাশের ক্ষেতের ফসল।

কেনিয়ার রুমুরুতি শহর এখন রাক্ষুসে পঙ্গপালের দখলে। খাবারের খোঁজে এরা দলবেঁধে বিস্তীর্ণ মাঠে ছড়িয়ে পড়েছে। নিমিষেই সাবাড় করছে সবুজ পাতা আর ক্ষেতের ফসল। যে অঞ্চলে পঙ্গপালের ঝাঁক আসছে, সেখানকার কৃষকরা ফসলের আশা ছেড়ে ঘরেই বসে থাকছেন।

যদিও কৃষকদের এই দুর্দিনে পাশে দাঁড়িয়েছে স্টার্ট আপ কোম্পানি ‘দ্য বাগ পিকচার’। বিজ্ঞানীদের সহায়তায় কৃষকদের পাশে দাঁড়াতে অভিনব উপায় বের করেছে তারা। ফলে কৃষকদের মলিন মুখেও দেখা মিলছে মৃদু হাসি।

অতি কষ্টের ফসল পঙ্গপালের পেটে যেতে দেখে শুধু শুধু হায় হায় না করে কৃষকরা পঙ্গপাল বিক্রি করে আয় করছেন। দ্য বাগ পিকচার এ সুযোগ করেছে। ক্ষেত থেকে পঙ্গপাল ধরে তা বিক্রি করে আনন্দের সঙ্গে অর্থও পাচ্ছেন তারা।

পঙ্গপাল ধরে বস্তায় ভরে কৃষকরা বাগ পিকচারের কর্মীদের কাছে পৌঁছে দিচ্ছেন। কেজি প্রতি ৫০ কেনিয় শিলিং (০.৪৫৬ ডলার) পাচ্ছেন তারা। কৃষকদের কাছ থেকে কেনা পঙ্গপাল বস্তায় ভরে ট্রাকে করে নিয়ে যাচ্ছে বাগ পিকচারের কর্মীরা।

বাগ পিকচারের কর্মীরা জানিয়েছেন, বস্তায় ভরে আনা রাক্ষুসে পঙ্গপাল প্রথমে ভালো করে শুকানো হচ্ছে। এরপর তা গুঁড়ো করা হচ্ছে। পরে পরীক্ষাগারে নেওয়া হচ্ছে সেই গুঁড়ো।

তারা আরও বলছেন, প্রোটিনের মাত্রা পরীক্ষা করে দেখার পর তা মানসম্মত হলে গুঁড়ো পশুখাদ্য হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। এটি ফসলের ক্ষেতে জৈবসার হিসেবেও দারুণ কার্যকর।

বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, পঙ্গপালের গুঁড়োয় প্রোটিনের মাত্রা যথেষ্ট। এই গুঁড়ো খাদ্য হিসেবে পশুকে খাওয়ালে যথেষ্ট প্রোটিনের চাহিদা পূরণ করা সম্ভব। গরু-ছাগল, হাঁস-মুরগিকে খাওয়ানো যাবে।

জৈবসার হিসেবে ফসলের ক্ষেতেও পঙ্গপালের গুঁড়ো ব্যবহার করা যাবে। ফসলের ক্ষেতে পঙ্গপালের গুঁড়ো ফলন বৃদ্ধিতে সহায়তা করছে বলেও জানিয়েছেন গবেষকরা। -ডয়েচে ভেলে

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ফেব্রুয়ারী ২৮, ২০২১ ৮:০৯ অপরাহ্ন
অনাবাদি জমি চাষের আওতায় আনতে টিম গঠনের নির্দেশ
কৃষি বিভাগ

উপকূলীয় ও সিলেট এলাকার অনাবাদি জমি চাষের আওতায় আনতে দ্রুত ‘টিম গঠন’ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে কৃষি বিভাগের কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক।

রোববার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষ থেকে অনলাইনে বার্ষিকউন্নয়ন প্রকল্পের (এডিপি) বাস্তবায়ন অগ্রগতি পর্যালোচনা সভায় যুক্ত হয়ে একথা বলেন কৃষিমন্ত্রী। সভা সঞ্চালনা করেন কৃষি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. মেসবাহুল ইসলাম।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, সিলেট ও উপকূলীয় এলাকায় এখনো অনেক অনাবাদি পতিত জমি আছে। বিশেষ করে সিলেট অঞ্চলে কত জমি অনাবাদি আছে, তার কতটুকু চাষের আওতায় আনা যায়, তা স্টাডি করে দেখতে হবে। সেখানে সেচের পানির অভাব রয়েছে। তবে ভূ-উপরিস্থ পানির জন্য কয়েকটা নদী রয়েছে। পাম্প ব্যবহার করে নদীর পানি কীভাবে সেচের জন্য কাজে লাগানো যায় তা স্টাডি করে বের করতে হবে।

আব্দুর রাজ্জাক বলেন, শাকসবজি, আলু, ভুট্টা, গমসহ ফলমূলের উৎপাদন অনেক বেড়েছে। কিন্তু মানুষ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা বলতে চালকেই বুঝে। সেজন্য, চালের উৎপাদন বৃদ্ধিতেই বেশি গুরুত্ব দিতে হবে।

কর্মকর্তাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, শুধু মন্ত্রণালয়ে বসে রুটিন কাজকর্ম করলে চলবে না। মাঠ পর্যায়ের কাজে সম্পৃক্ততা বাড়াতে হবে। সবসময় সতর্ক অবস্থায় থাকতে হবে। মাঠের অবস্থা, উৎপাদনের পাশাপাশি বাজারের দিকেও খেয়াল রাখতে হবে। উৎপাদন বাজারে কী প্রভাব ফেলতে পারে সে ব্যাপারে সজাগ থাকতে হবে।

প্রকল্প পরিচালকদের উদ্দেশে মন্ত্রী বলেন, স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের প্রকল্পের কার্যক্রম সম্পর্কে জানাতে হবে। প্রকল্পের কাজে তাদের সম্পৃক্ত করতে হবে।

মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. মেসবাহুল ইসলাম এ সময় বলেন, চালের বাজার স্থিতিশীলের ক্ষেত্রে শুধু উৎপাদনের পরিসংখ্যান দেখলে হবে না। এর সঙ্গে দেশে চালের চাহিদার দিকটিও বিবেচনায় নিতে হবে। দেশে ১০ লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থী রয়েছে, করোনাকালে অনেক প্রবাসী ফিরে এসেছেন; তাছাড়া চাল প্রাণিখাদ্যেও ব্যবহৃত হচ্ছে। এসব বিষয় বিবেচনায় নিতে হবে।

সভায় জানানো হয়, চলমান ২০২০-২১ অর্থবছরের এডিপিতে কৃষি মন্ত্রণালয়ের আওতায় ৬৮টি প্রকল্পের অনুকূলে মোট ২ হাজার ৪০০ কোটি টাকা বরাদ্দ আছে। জানুয়ারি ২০২১ পর্যন্ত বাস্তবায়ন অগ্রগতি হয়েছে ৩৬ শতাংশ। যেখানে জাতীয় গড় অগ্রগতি ২৮ দশমিজক ৪৫ শতাংশ।
এ সময় মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও সংস্থার প্রধানসহ প্রকল্প পরিচালকরা উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ফেব্রুয়ারী ২৮, ২০২১ ১১:৪৪ পূর্বাহ্ন
মাচা পদ্ধতিতে সবজি চাষে লাভবান চাটমোহরের কৃষকরা
কৃষি বিভাগ

পাবনার চাটমোহরের কৃষকেরা মাচা পদ্ধতিতে বিভিন্ন ধরণের সবজি চাষ করে হচ্ছেন লাভবান। এতে সবজি নষ্ট না হওয়ায় বাড়ছে উৎপাদনও। পটল, টমেটো, লাউ, সিম, মিষ্টি কুমড়া, করলা, ধুন্দল, চালকুমড়া, ঝিঙ্গা, চিচিঙ্গা, শসা, বরবটিসহ লতা জাতীয় অন্যান্য সবজি মাচায় চাষ করে চাটমোহরের কৃষকেরা পূর্বের চেয়ে এখন বেশি লাভবান হচ্ছেন। ফলে বাড়ছে মাচা পদ্ধতিতে সবজি চাষ।

উপজেলার মথুরাপুর গ্রামের আবুল হোসেনের ছেলে জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, তারা তিন বন্ধু মিলে ছয় বিঘা জমিতে সবজির খামার করেছেন। এ খামারে তারা মাচায় পটল, টমেটো, লাউ, করলা, ধুন্দল চাষ করছেন। বাঁশের খুটি পুতে জিআই তার টানিয়ে তার উপর পাটকাঠি, নাইলন সুতা, পাতলা জিআই তার বিছিয়ে মাচা তৈরী করেছেন তারা। সোয়া দুই বিঘা জমিতে মাচায় টমেটো চাষে ইতোমধ্যে তাদের প্রায় এক লাখ টাকা খরচ হয়েছে। বিজলী-১১ জাতের টমেটো চাষ করেছেন তারা। ইতিমধ্যে টমেটো পাকতে শুরু করেছে। টমেটোর বাজার দাম ভাল থাকলে তারা যথেষ্ট লাভ করতে পারবেন বলে আশা প্রকাশ করেন। মাচায় চাষ করলে পচনের হাত থেকে সবজি রক্ষা পায়। ফলে ফলন প্রায় দ্বিগুন হয়। পোকা মাকরের হাত থেকে সবজি রক্ষা পায়। সেচ ও কিটনাশক প্রয়োগেও সুবিধা হয় বলে জানান তিনি।

চাটমোহর উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে চাটমোহরে ১ হাজার ৮শ ৪৫ হেক্টর জমিতে সবজি চাষ হয়েছে। এর মধ্যে ২শ হেক্টর জমিতে শিম, ২শ ৫০ হেক্টর জমিতে বেগুন, ১শ ৯৫ হেক্টর জমিতে মূলা, ১শ ৬০ হেক্টর জমিতে ফুল কপি, ১শ ৪৫ হেক্টর জমিতে লাউ, ১শ ১৫ হেক্টর জমিতে পালং শাক, ৯০ হেক্টর জমিতে বাধাকপিসহ অন্যান্য সবজি আবাদ হয়েছে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা এ.এ মাসুম বিল্লাহ জানান, কৃষকেরা এখন সচেতন হয়েছেন। অনেক কৃষক টমেটোসহ লতানো সবজি মাচায় চাষ করতে শুরু করেছেন। মাচায় সবজি চাষে প্রারম্ভিক খরচ বেশি হলেও এটি লাভজনক। পটল, টমেটো, লাউ, সিম, মিষ্টি কুমড়া, করলা, ধুন্দলসহ লাতানো জাতীয় সবজি মাচায় চাষ করা যায়। এর জন্য উঁচু জমি বেছে নেওয়া ভাল। উঁচু করে মাচা তৈরী করলে মচার সবজি মাটির সংস্পর্শে আসে না। পোকা মাকড়, ছত্রাকের আক্রমণ কম হয়। টমেটো, মিষ্টি কুমড়া জাতীয় ফসল মাটির সংস্পর্শে থাকলে একদিকে যেমন পঁচনের ভয় থাকে তেমনি অন্য দিকে মাটির পাশটায় ঠিকমত পাকে না।

মাচায় সবজি চাষের অন্য সুবিধা গুলো হলো সবজিতে ভিটামিন বা সীমিত আকারে কীটনাশক প্রয়োগের সময় তা নষ্ট হয় না। গাছের গোড়ার আগাছা পরিষ্কার করা সহজ হয়। যে স্তরে পোকা মাকড় বেশি চলাচল করে সে স্তরে সেক্সফেরামন বা হলুদ স্টিকি ট্র্যাপ ব্যবহার করা যায়। পরিবেশ বান্ধব হওয়ায় এ পদ্ধতিতে নিরাপদ সবজি পাওয়া যায়।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ফেব্রুয়ারী ২৮, ২০২১ ১১:১০ পূর্বাহ্ন
কৃষির আধুনিকায়নে ২১১ কোটি টাকার প্রকল্প
এগ্রিবিজনেস

কৃষিকে আধুনিকীকরণ ও বহুমাত্রিক করতে ২১১ কোটি টাকার প্রকল্প নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক।

গত শুক্রবার (২৬ ফেব্রুয়ারী) চট্টগ্রামে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের প্রশিক্ষণ হলে আয়োজিত চট্টগ্রাম, রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান জেলার কৃষি মন্ত্রণালয়াধীন বিভিন্ন দফতরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময়কালে তিনি এ তথ্য জানান।

মতবিনিময় সভায় অন্যান্যের মধ্যে কৃষি সম্প্রসারণ উইং-এর সরেজমিন পরিচালক একেএম মনিরুল আলম, হর্টিকালচার উইং-এর পরিচালক মো. ওয়াহিদুজ্জামান, অতিরিক্ত পরিচালক মো. মঞ্জুরুল হুদা, রাঙ্গামাটি অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক পবন কুমার চাকমা বক্তৃতা করেন।

এ সময় প্রকল্পের ব্যাপারে মন্ত্রী বলেন, কৃষিকে আধুনিকীকরণ ও বহুমাত্রিক করতে ২১১ কোটি টাকার প্রকল্প নেয়া হয়েছে। এসব প্রকল্পের সুফল প্রান্তিক পর্যায়ের কৃষকের কাছে পৌঁছাতে হবে। প্রকল্পের সঙ্গে কৃষকের যোগাযোগ বাড়াতে হবে।

তিনি বলেন, ‘দেশের সকল মানুষের জন্য নিরাপদ খাদ্য এবং পুষ্টির যোগান দিতে সমন্বিত চাষ বাড়াতে আরো আন্তরিক হওয়ার পাশাপাশি কর্মকর্তাদের কৃষকদের কাছে যেতে হবে। তাদের কথা শুনতে হবে।’

ড. রাজ্জাক বলেন, চট্টগ্রাম অঞ্চলে কৃষি-উৎপাদন আরো বৃদ্ধি করতে ৭২৫ কিলোমিটার খাল খনন কর্মসূচি হাতে নেয়া হয়েছে। এছাড়া কৃষিকে আধুনিকীকরণ ও বহুমাত্রিক করতে ২১১ কোটি টাকার প্রকল্প নেয়া হয়েছে। এসব প্রকল্পের সুফল প্রান্তিক কৃষকের নিকট পৌঁছাতে হবে। প্রকল্পের সাথে কৃষকের যোগাযোগ বাড়াতে হবে। কৃষি শুধু মানুষের খাদ্যের যোগান দেয় না, শিল্পের কাঁচামালেরও অন্যতম উৎস কৃষি। তাই কৃষিকে বেশি গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে।

সভায় জেলাসমূহের আঞ্চলিক কর্মকর্তাগণ নিজ-নিজ জেলার কৃষির বর্তমান অবস্থা, সমস্যা, সম্ভাবনা ও করণীয় তুলে ধরেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ফেব্রুয়ারী ২৭, ২০২১ ৫:৫৫ অপরাহ্ন
ধরলায় নেই পানি, চলছে চাষাবাদ!
কৃষি বিভাগ

১৬টি নদ-নদী রয়েছে উত্তরের সীমান্তবর্তী এলাকা কুড়িগ্রাম জেলায়।তার মধ্যে ধরলা নদী অন্যতম। বছরের এই সময়টাতে ধরলাতে কোন পানি না থাকার কারনে জাগে ছোট-বড় অনেক চর। ইরি-বোরো বীজ লাগানো হয়েছে ধরলার অনেক স্থানে। কালের সাক্ষী এখন শুধু ধরলা। তবে ধরলা নদীতে তেমন কোন পানি না থাকায় ইরি-বোরো চাষাবাদ নিয়ে বিপাকে পড়েছেন কৃষক। ফলে অনেকেই তীরবর্তী স্থানে সেচ পাম্প বসিয়ে লাগানো ক্ষেতে পানির ব্যবস্থা নিয়েছেন।

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক ও রিভারাইন পিপল’র পরিচালক ড. তুহিন ওয়াদুদ জানান, মাত্র ৫৫ কিলোমিটার দৈর্ঘ্য ধরলা নদীটি লালমনিহাট জেলার মোগলহাটের কর্ণপুর দিয়ে প্রবেশ করেছে। ক্রমান্বয় ফুলবাড়ী উপজেলা নাওডাঙ্গা ইউনিয়নের গোরুকমন্ড দিয়ে প্রবেশ করেছে। মিলিত হয়েছে কুড়িগ্রাম সদরের মোগলবাসা এলাকায় ব্রহ্মপুত্রের সঙ্গে। এ দীর্ঘতম ধরলার দুই ধারে জেগে উঠেছে অসংখ্য ছোট বড় দ্বীপচর। তার মধ্যে রয়েছে ফুলবাড়ী উপজেলার চর শিমুলবাড়ী. মেকলি চর, চর ধনিরাম, মরানদী, বাঘ খাওয়ার চর, চরবড়ভিটা, চর যতিন্দ্র নারায়ণ, জোৎকৃষ্টহরি, চর পেচাই, চর-বড়লই, কুলাঘাট, পেচাই, খোচাবাড়ী, রাঙ্গামাটি, গুয়াবাড়ীর ঘাট, চরগোরক মন্ডপ, চরখারুয়া, বোয়ালমারি ও বিলুপ্ত ছিটমহল বাঁশপেচাই, কুড়িগ্রাম সদরের জগমহনের চর, মাধবরাম, চরগ্রাম, সিতাইঝাড়, চরকৃষ্ণ পুর।

তিনি আরো জানান, চর্তুদিকে ধরলা বেষ্টিত এ দ্বীপ চর গুলোতে প্রায় ৩০ হাজার লোকের বসবাস রয়েছে। নদীতে নাব্যতা না থাকায় ইঞ্জিন চালিত নৌকা বা ডিঙ্গি নৌকা চলাচল সম্ভব হচ্ছে না। এ সুযোগ কাজে লাগিয়ে কোমড় বেঁধে ধরলার দুই ধারে ইরি ক্ষেত লাগাচ্ছে কৃষক। প্রথমে ধরলার পানি দিয়ে ক্ষেত লাগানো হলেও পানি নিচে পড়ায় এখন মাঝে মধ্যে সেচ পাম্প বসানো হচ্ছে। অনেকেই আবার ধরলার মূল স্রোতে যে পানি রয়েছে সেখানেও ক্ষেত লাগার প্রস্তুতি নিচ্ছে।

অথচ ১০৯ কোটি টাকা ব্যয়ে শেখ হাসিনা কুলাঘাট ধরলা সেতু নির্মাণ করা হয়েছে। তখন গভীর ছিল ৬০-৭০ ফুট। এখন সেখানে তার নিচেও ক্ষেত লাগাচ্ছেন কৃষক। তবে আগাম বর্ষা দেখা দিলে ক্ষেতের ধান উঠানো অসম্ভব হয়ে পড়ে। এতে অনেকেই ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে যায়। তার পড়েও মনের আনন্দে ইরি-বোরো ক্ষেত লাগাচ্ছে কৃষকরা। ধরলায় বোরো চাষাবাদকারী সোনাইকাজী গ্রামের আ. হামিদ ও শাহালম মিয়া জানান, আগে ধরলার বুকে কোন ফসল উৎপাদন করা যায়নি। এখন কষ্ট করে ক্ষেত লাগানো হয়েছে। আবহাওয়া ভাল হলে এ ক্ষেত গুলো হতে অতিরিক্তি ফসল পাওয়া যাবে।

ফুলবাড়ী জেলে রমনি কান্ত, হরিস চন্দ্র ,লেংগা চন্দ্র বলেন শুকনো মৌসুম হওয়ায় এ সময় ধরলা নদীতে পানি থাকে না। পানি না থাকায় ছোট-বড় অনেক গুলো চর। তাই এখন নৌকাও নামানো যায় না, মাছও ধরা যাচ্ছে না। এতে করে কোন দিন মাছ পাই, আবার কোন দিন মাছ পাই না। মাছ পেলেও তা অতি সামান্য। যা বিক্রি করে ১৫০-২০০ টাকা আয় হয়। এ সামান্য আয় দিয়ে সংসাররে ব্যয় মেটানো ও ছেলে-মেয়েদের লেখাপড়ার খরচ বহন করা অসম্ভব হয়ে পড়ছে।

ফুলবাড়ী উপজেলা কৃষি অফিসার মাহবুবুর রশিদ জানান, ধরলার তীরবর্তী এলাকা গুলোতে চলতি বোরো মৌসুমে ১৮০ হেক্টর জমিতে বিভিন্ন জাতের ধান লাগিয়েছেন কৃষক। আবহাওয়া ভাল হলে এ সব জমিতে অতিরিক্ত ৫শ মে. টন ধান উৎপাদনের সম্ভাবনা রয়েছে। আগে এ সব জমি অপরিত্যক্ত থাকতো। এখন অতিরিক্ত শ্রম দিয়ে কৃষকরা ক্ষেত লাগিয়েছেন।

দর্শনার্থী স্বপন সরকার ও শিক্ষার্থী ঐশি খাতুন জানান, আমরা সময়-সুযোগ পেলেই ধরলা নদীর অববাহিকায় নদী রক্ষা বাঁধে বেড়াতে আসি। ধরলায় পানি থাকলে এখানকার প্রকৃতি অনেক সুন্দর দেখায়। নদীতে পানি থাকলে আমরা নৌকায় চড়ে ঘুরতে পারি। এখন নদীতে পানি নেই, তাই ঘুরতে ভাল লাগছে না। হেঁটে পারাপার হওয়া যায়।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ফেব্রুয়ারী ২৭, ২০২১ ১২:১৮ অপরাহ্ন
পানির দামেও বিক্রি হচ্ছে না সবজি, বিপাকে কৃষকরা
কৃষি বিভাগ

শীতরে শুরুর দিকে সুনামগঞ্জের সবজি বাজারে সবজরি দাম চড়া থাকলেও এখন এসব উৎপাদিত সবজি পানির ধরে বিক্রি করতে পারছেন না কৃষকরা।

সবজি বাজারে দেখা যায়, বিভিন্ন ধরনের নৌকা বোঝাই করে টমেটো, ফুলকপি, বাধাকপি, লাউ, উড়ি, ডেংগা শাক, কুমড়াসহ বিভিন্ন ধরনের সবজি নিয়ে বসে আছেন কৃষকরা। কিন্তু বাজারে সবজির দাম কম হওয়ায় বড় বড় আরৎদারি ব্যবসায়ীরা লোকশানের ভয়ে সবজি কিনছেন না।

আড়ৎদারি ব্যবসায়ীরা জানান, সবজি কিনে কোনো লাভ নাই, বাজারে সবজির কোনো দাম নাই, কৃষকদের কাছ থেকে সবজি কম টাকায় কিনলেও শ্রমিক খরচসহ আমাদের কেজি প্রতি সবজিতে টাকা বাড়িয়ে বিক্রি করতে হয়।

কিন্তু ক্রেতারা ভোর সকালে বাজারে এসে কম দামে বস্তা বড়ে সবজি কিনে নিয়ে যান। ফলে আমাদের বড় অংকের টাকা লোকশান গুণতে হয় তাই আমরা তেমন একটা সবজি এখন কৃষকদের কাছ থেকে কিনতে চাচ্ছি না।

সবজি বাজার ঘুরে দেখা যায়, ফুলকপি ৫ থেকে ৭ টাকা (পিছ), বাঁধাকপি ৪ থেকে ৫ টাকা (পিছ), লাউ ৫টাকা (পিছ) গাজর ১০ টাকা (কেজি), শিম ১০ টাকা (কেজি), টমেটো ২-৩ (কেজি), মুলা ৪ টাকা হালি, চিচিঙ্গা ১০ টাকা (কেজি), বেগুন ১৫ টাকা (কেজি) বিক্রি করা হচ্ছে।

সবজি বাজারের সভাপতি মো.নুরুল মিয়া জানান, সবজি নিয়ে কৃষকরা খুব বিপাকে আছে। সবজি খেত করতে তাদের যে টাকা খরচ হয়েছে তারা সেই টাকাও যেন পর্যন্ত তুলতে পারছে না। শুধু কৃষক নয় আমরা যারা আরৎদার ব্যবসায়ীরাও বিপাকে আছি আমাদেরকেও প্রতিদিন বড় অংকের টাকা লোকশান গুণতে হচ্ছে। এত সস্তা সবজি বাজার আগে কখনো বিক্রি হয়নি।

সবজি বিক্রেতা হামিদ মিয়া জানান, এই বছর সবজির দাম যে সস্তা আর কোনো বছর এই রকম সস্তা হয়নি। আমরা নৌকা বোঝাই করে যে সবজি নিয়ে বাজারে আসি সেই সবজি আমাদের পানি ধরে বিক্রি করতে হচ্ছে শুধু। তাই সবজি করতে আমাদের যে টাকা খরচ হয়েছে সেই টাকাও এখন পর্যন্ত তুলতে পারিনি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ফেব্রুয়ারী ২৬, ২০২১ ১১:০১ অপরাহ্ন
লাল তীর আলু উৎপাদনে রেকর্ড পাকুন্দিয়ায়
কৃষি বিভাগ

লাল তীরের উচ্চ ফলনশীল ডায়মন্ড জাতের আলু উৎপাদনে নতুন রেকর্ড গড়েছে কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ার কৃষকরা। প্রতি একরে এ জাতের আলু ১৫ মে.টন ফলেছে।

শুক্রবার বিকেলে উপজেলার চরফরাদী গ্রামে নতুন বাজার সংলগ্ন এলাকায় অনুষ্ঠিত কৃষক মাঠ দিবসে বক্তারা এ তথ্য জানান।

‘লাল তীর-এর বীজ আলু চাষ, শান্তি-সুখে বারোমাস’ এ স্লোগানকে সামনে নিয়ে লাল তীর সিড লিমিটেড ভৈরব আঞ্চলিক কার্যালয় এ মাঠ দিবসের আয়োজন করে।

চরফরাদী গ্রামের কৃষক জিল্লুর রহমান বলেন, এ বছর আমি লাল তীরের ডায়মন্ড জাতের আলু চাষ করেছি। প্রচলিত আলু বীজের তুলনায় এ আলু বীজ রেকর্ড পরিমাণ ফলন দিয়েছে। বাজারে এ আলুর দাম ভালো পাওয়া যায়। এতে আমাদের অনেক লাভ হবে।

একই গ্রামের কৃষক আবু বক্কুর তরুণ বলেন, প্রচলিত আলু চাষে কোনো লাভ নেই। এ জাতের আলুতে রোগ বালাইয়ের আক্রমণ কম। ফলনও বেশি।

লাল তীর সিড লিমিটেড শ্রীমঙ্গল বিভাগীয় ব্যবস্থাপক তাপস চক্রবর্তী বলেন, লাল তীর বীজ আলু উচ্চ ফলনশীল। প্রচলিত জাতের আলুর তুলনায় এ আলুর ফলন চারগুণ বেশি। প্রতিটি আলুর চোঁখ বেশি। তাই বীজের পরিমাণও পাওয়া যায় বেশি। এ আলুবীজ অধিক ফলনশীল এবং নাবী ধ্বসা ও ভাইরাস সহনশীল।

পাকুন্দিয়া সদর বাজারের লাল তীরের ডিলার মো. এরফান উদ্দিন মাস্টারের সভাপতিত্বে এতে বক্তব্য দেন লাল তীর সিড লিমিটেড শ্রীমঙ্গল বিভাগীয় ব্যবস্থাপক তাপস চক্রবর্তী। একই বিভাগীয় পিডিএস কর্মকর্তা জাহিদ হাসানের সঞ্চালনায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন ভৈরবের আঞ্চলিক ব্যবস্থাপক কৃষিবিদ জহুরুল ইসলাম, চরকাওনা কলেজের সাবেক প্রভাষক মো. ওমর ফারুক, স্থানীয় উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. মিনহাজুল ইসলাম, লাল তীর সিড লিমিটেডের কিশোরগঞ্জ জেলার টেরিটরি ম্যানেজার মতিউর রহমান, সেলস এসিস্ট্যান্ট ফাহাদ আল মামুন, চরফরাদী ইউনিয়নের খাদ্য-পুষ্টি ও কৃষক সমিতির সভাপতি মো. আবু বক্কর তরুন প্রমুখ।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop