১০:৫২ অপরাহ্ন

রবিবার, ২৫ অক্টোবর , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : অগাস্ট ১৮, ২০২২ ১১:২২ পূর্বাহ্ন
নওগাঁয় কৃষকদের মাঝে প্রণোদনার বীজ-সার বিতরণ
কৃষি বিভাগ

জেলায় চলতি মৌসুমের আমন এবং আউশ চাষে মোট ২৩ হাজার ৫শ কৃষকের মধ্যে ১ কোটি ১৯ লাখ ৮৫ হাজার টাকা মূল্যের কৃষি প্রণোদনা হিসেবে বীজ ও সার বিতরণ  করা হয়েছে। এর মধ্যে চলতি রোপা আমন মৌসুমে ৭ হাজার জন কৃষকের মধ্যে ৭ হাজার বিঘা জমির বিপরীতে মোট ৩৫ লক্ষ ৭০ হাজার টাকা এবং ১৬ হাজার ৫শ জন কৃষকের মধ্যে ১৬ হাজার ৫শ বিঘা জমির বিপরীতে মোট ৮৪ লক্ষ ১৫ হাজার টাকা মূল্যের প্রণোদনা বিতরণ করা হয়েছে।

কৃষি সম্পসারণ অধিদপ্তর নওগাঁ’র উপ-পরিচালক কৃষিবিদ আবু হোসেন জানিয়েছেন, প্রণোদনা হিসেবে প্রত্যেক কৃষককে তাঁদের এক বিঘা জমির বিপরীতে ৫ কেজি করে বীজ, ১০ কেজি করে ডিএপি এবং ১০ কেজি করে এমওপি দেয়া হয়েছে। প্রতি কেজি বীজ ৪০ টাকা টাকা হিসেবে ২০০ টাকা, প্রতি কেজি ডিএপি ১৬ টাকা হিসেবে ১৬০ টাকা এবং প্রতি কেজি এমওপি ১৫ টাকা হিসেবে ১৫০ টাকা হারে প্রত্যেক কৃষক পেয়েছেন ৫১০ টাকার সামগ্রী। সেই হিসেবে ৭ হাজার আমন চাষের কৃষকের মধ্যে প্রণোদনা দেয়া হয়েছে ৩৫ লক্ষ ৭০ হাজার টাকার সামগ্রী।

উপজেলা ভিত্তিক আমন মৌসুমে প্রণোদনা প্রাপ্ত কৃষকের সংখ্যা হচ্ছে নওগাঁ সদর সদর উপজেলায় ৪৫০ জন কৃষক, রানীনগর উপজেলায় ৬৩৫ জন কৃষক, আত্রাই উপজেলায় ২৯০ জন কৃষক, বদলগাছি উপজেলায় ৫৩০ জন কৃষক, মহাদেবপুর উপজেলায় ৮৫০ জন কৃষক, পত্নীতলা উপজেলায় ৯০০ জন কৃষক, ধামইরহাট উপজেলায় ৭১০ জন কৃষক, সাপাহার উপজেলায় ৪৫০ জন কৃষক, পোরশা উপজেলায় ৬০০ জন কৃষক, মান্দা উপজেলায় ৬৩৫জন কৃষক এবং নিয়ামতপুর উপজেলায় ৯৫০ জন কৃষক।

অপরদিকে এ বছর আউশ চাষে কৃষকদের আগ্রহী করে তুলতে জেলায় ১৬ হাজার ৫শ জন কৃষককে একই পরিমাণ প্রণোদনা দেয়া হয়েছে। উপজেলাভিত্তিক আউশ চাষে প্রণোদন্প্রাাপ্ত কৃষকের সংখ্যা হচ্ছে সদর উপজেলায় ১ হাজার ৯শ জন। রানীনগর উপজেলায় ১ হাজার ২শ জন, আত্রাই উপজেলায় ৯০০ জন, বদলগাছি উপজেলায় ১ হাজার ২শ জন, মহাদেবপুর উপজেলায় ২ হাজার ১শ জন, পত্নীতলা উপজেলায় ১ হাজার ৫শ জন, ধামইরহাট উপজেলায় ১ হাজার ৩শ জন, সাপাহার উপজেলায় ১ হাজার ১শ জন, পোরশা উপজেলায় ১ হাজার ১শ জন, মান্দা উপজেলায় ২ হাজার ২শ জন এবং নিয়ামতপুর উপজেলায় ২ হাজার জন। উল্লেখিত সংখ্যক কৃষকদের মধ্যে অনুরুপ জনপ্রতি ৫১০ টাকা করে বীজ ও সার বিতরণের জন্য ব্যয় হয়েছে ৮৪ লক্ষ ১৫ হাজার টাকা।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ১৮, ২০২২ ৮:১২ পূর্বাহ্ন
সেপ্টেম্বরে কৃষি গুচ্ছ পরীক্ষা,আসন প্রতি লড়বেন ২৩ শিক্ষার্থী
কৃষি বিভাগ

কৃষিবিজ্ঞান বিষয়ে ডিগ্রি প্রদানকারী ৮টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষা হবে আগামী ১০ সেপ্টেম্বর।

ইতোমধ্যেই আবেদন প্রক্রিয়া শেষ করেছে গুচ্ছ কৃষি ভর্তি কমিটি। মোট আসন সংখ্যা ৩৫৩৯ টির বিপরীতে মোট আবেদন করেছে ৭৯ হাজার একশত ৪৭ জন শিক্ষার্থী। সে হিসাবে কৃষি গুচ্ছের ১টি আসনের জন্যে লড়বেন প্রায় ২৩ জন পরিক্ষার্থী। 

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কৃষি গুচ্ছ ভর্তি কমিটির দায়িত্বে থাকা শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. শহীদুর রশীদ ভূঁইয়া।

আবেদনের ক্ষেত্রে বিগত বছরগুলোতে আসন সংখ্যার ১০ গুণ ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থী পরীক্ষায় বসার সুযোগ পেতেন। তবে এবার এ সিলেকশন পদ্ধতি বাতিল করেছে কর্তৃপক্ষ।

এবছর আবেদনের যোগ্যতা সর্বমোট ন্যূনতম ৮.৫ করা হয়েছিল। এ যোগ্যতার মধ্যে প্রত্যেক ভর্তিচ্ছুক পরীক্ষার জন্য আবেদন করতে পেরেছে।

এবছর ভর্তি পরীক্ষায় আসন সংখ্যা আগের মতোই রয়েছে। তবে এ গুচ্ছের সঙ্গে নতুন ‍যুক্ত হওয়া হবিগঞ্জ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ৯০টি আসন যোগ হয়েছে।

এ ছাড়াও বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ১ হাজার ১১৬টি, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৩৩০টি, শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৭০৪টি, সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৪৩১টি, পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৪৪৩টি, চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও এনিম্যাল সাইন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়ে ২৪৫টি, খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৫০টি আসন রয়েছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ১৭, ২০২২ ৮:২২ অপরাহ্ন
স্বাধীনতাবিরোধী শক্তি কখনোই ক্ষমতায় আসতে পারবে না: কৃষিমন্ত্রী
কৃষি বিভাগ

কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, সংবিধান অনুযায়ী আগামী জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। স্বাধীনতাবিরোধী শক্তি কখনোই বাংলাদেশে ক্ষমতায় আসতে পারবে না। যারা ষড়যন্ত্র করছে তাদের পায়ের নিচে মাটি নেই।

বুধবার (১৭ আগস্ট) সকালে রাজধানীর ফার্মগেটে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিলে জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে দোয়া ও আলোচনা সভায় এ সব কথা বলেন তিনি।

মন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতাবিরোধীরা এখনো ষড়যন্ত্র করছে, বঙ্গবন্ধুর হত্যাকাণ্ড ইতিহাসের কলঙ্কজনক অধ্যায় ছিল। বঙ্গবন্ধু সবসময় দুঃখী মানুষের কষ্টের কথা ভাবতেন। দেশের মানুষের অর্থনৈতিক মুক্তির কথা ভাবতেন। ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখতেন তিনি।

শেখ মুজিব ছাড়া বাংলাদেশের অস্তিত্ব চিন্তা করা যায় না। বাংলাদেশে এখন ক্ষুধার হাহাকার নেই বলেও জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন, সরকার আপ্রাণ চেষ্টা করছে সংকট নিরসনে। সবার কষ্ট হচ্ছে। বাংলাদেশ কখনো শ্রীলঙ্কা হবে না।

প্রসঙ্গত ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট কালরাতে ধানমন্ডির ৩২ নম্বরের বাসভবনে বঙ্গবন্ধু ছাড়াও তার সহধর্মিণী বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিব, তিন ছেলে শেখ কামাল, শেখ জামাল ও শিশুপুত্র শেখ রাসেল, পুত্রবধূ সুলতানা কামাল ও রোজী জামাল, বঙ্গবন্ধুর একমাত্র ভাই শেখ আবু নাসেরসহ আরো অনেককে হত্যা করা হয়। বঙ্গবন্ধুর দুই কন্যা শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা সে সময় বিদেশে অবস্থান করায় এ হত্যাকাণ্ড থেকে প্রাণে বেঁচে যান।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ১৬, ২০২২ ২:৩৩ অপরাহ্ন
প্রায় দুই যুগ ধরে কৃষকের আস্থা অর্জনকারী ব্রি ধান ২৮
কৃষি বিভাগ

প্রায় দুই যুগ ধরে কৃষকের আস্থা অর্জনকারী ব্রি ধান ২৮ এর জায়গা দখল করেছে ব্রি ধান ৫৮। মেহেরপুর জেলায় চলতি বছরে বোরো ধান মৌসুমে ব্রি ধান ২৮ এ ব্যাপকভাবে ব্লাস্ট রোগে আক্রমণ করে। বিপরীতে অনেকটাই ব্লাস্ট রোগ প্রতিরোধী ও উচ্চ ফলনশীল জাত ব্রি ধান ৫৮।

ফলে কৃষকের মাঝে আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ব্রি) উদ্ভাবিত লেটেস্ট এই ভ্যারাইটি।

মেহেরপুর জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, সদ্য শেষ হওয়া বেরো মৌসুমে জেলায় ২৩ হাজার ২৫০ হেক্টর জমিতে বোরো ধান আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল। সেখানে অর্জিত হয়েছে প্রায় ২৫ হাজার হেক্টর। ধান উৎপাদন হয়েছে প্রায় এক লাখ মে. টন। ব্লাস্ট সংক্রমিত জমি থেকে ধানের ফলন কম হলেও উচ্চ ফলনশীল ব্রি ধান ৫৮, ব্রি ধান ২৯ এবং ব্রি ধান ৬৩ তে অধিক ফলনের কারণে উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছেছে।

গাংনী উপজেলার সাহারবাটি গ্রামের কৃষক তহসিন আলী জানান, তিনি এবারের বোরো মৌসুমে এক একর জমিতে ব্রি ধান ৫৮ আবাদ করেছিলেন। একই মাঠে অনেক কৃষকের ক্ষেতে ব্রি ধান ২৮ ব্লাস্ট নামক ছত্রাকে নষ্ট হলেও তার ক্ষেত ভালো ছিল। তাই ফলন ভালো হয়েছে। এছাড়াও ধান গাছ খাড়া থাকায় বিচুলি করতে পেরে গো খাদ্যের সংকট মিটেছে।

ভাটপাড়া গ্রামের কৃষক সোহেল রানা জানান, কৃষি অফিসের প্রদর্শনীর আওতায় তিনি দেড় বিঘা জমিতে ব্রি ধান ৫৮ আবাদ করেছিলেন। বিঘায় (৩৩ শতক) ফলন হয়েছে ৩০ মণের উপরে। তার পাশের ক্ষেতের কৃষকদের ব্রি ধান ২৮ এর ফলন হয়েছে ২০-২২ মণ। ব্রি ধান ৫৮ দেখতে অনেকটাই ২৮ এর মতো হওয়ায় ভালো দামে বিক্রি হয়েছে। আগামী মৌসুমে এ অঞ্চলের মানুষ ব্রি ধান ৫৮ চাষের উপর জোর দেবেন বলেও জানান তিনি।

রাইপুর গ্রামের কৃষক হাফিজুর রহমান মোকলেছ বলেন, ‘আমি এবার ২০ বিঘা জমিতে ব্রি ধান ৬৩ আবাদ করে ব্যাপক ফলন পেয়েছি। যা বিঘায় ২৫-৩০ মণ। ধান লম্বা ও সরু যা মিনিকেট সাদৃশ্য। ফলে অন্যান্য ধানের চেয়ে প্রতি মণে ১০০-২০০ টাকা বেশি দরে বিক্রি করতে পেরেছি। এর ভাত সু-স্বাদু ও ঝরঝরে হওয়ায় সহজেই মানুষ আকৃষ্ট হচ্ছেন।’

মেহেরপুর জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ পরিচালক ডক্টর আখতারুজ্জামান জানান, ‘আমাদের ব্রি’র বিজ্ঞানিরা নিরলসভাবে চেষ্টা করে সময় উপযোগী বিভিন্ন প্রকার ভ্যারইটি উদ্ভাবন করছেন। বোরো ধানের উচ্চ ফলনশীল জাত ব্রি ধান ৫৮ এবং ব্রি ধান ৬৩ সত্যিই কৃষকদের জন্য উপকারী। এর আবাদ সম্প্রসারণের জন্য আমরা চেষ্টা করছি। ব্রি ধান ২৮ দীর্ঘ দুই যুগ ধরে আবাদ করা হচ্ছে। ফলে এতে অনেক রোগ বালাই ঢুকে গেছে। নির্বিঘ্নে ধান আবাদের জন্য ব্রি উদ্ভাবিত নতুন নতুন জাতের ধান আবাদে কৃষকদের প্রতি পরামর্শ দিচ্ছি।’

জানা গেছে, ব্রি ধান ২৮ চাষাবাদের জন্য ১৯৯৪ সালে জাতীয় বীজ বোর্ড থেকে অনুমোদিত হয়। এর পরে আরও অনেক জাত উদ্ভাবন করা হয়েছে। এর মধ্যে অন্যতম জাত হচ্ছে ব্রি ধান ২৯, ৫৮ ও ৬৩। এদের মধ্যে ব্রি ধান ২৯ এর জীবনকাল একটু বেশি। দেশের যে অঞ্চলগুলোতে ব্রি ধান ২৮ ও ২৯ চাষাবাদ হয় সেই অঞ্চলগুলোতে চাষাবাদ এবং ফলন পরীক্ষার পর ২০১২ সালে ব্রি ধান ৫৮ চাষাবাদের জন্য অনুমোদন দেয় জাতীয় বীজ বোর্ড। ঝড় বৃষ্টিতে ধান গাছ হেলে পড়ে না তাই ফলন বিপর্যয় হওয়ার আশঙ্কা কম।

অন্যদিকে ব্রি ধান ২৮ সহজেই হেলে পড়ে। ৫৮ ও ৬৩ জাতের অন্যতম বৈশিষ্ট হল শীষ থেকে ধান ঝরে পড়ে না। ব্রি ধান ২৮ এর প্রায় সমান জীবন কাল হওয়ায় একই সময়ে কাটা মাড়াই করা যায়। প্রতি হেক্টরে ব্রি ধান ২৮ এর ফলন ৫.৫ থেকে ৬ মেট্রিক টন, ব্রি ধান ২৯ এর ফলন ৭.৫ মেট্রিক টন, ব্রি ধান ৫৮ এর ফলন ৭ থেকে ৭.৫ মেট্রিক টন, ব্রি ধান ৬৩ এর ফলন ৬.৫ থেকে ৭ মেট্রিক টন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ১৬, ২০২২ ৯:১৬ পূর্বাহ্ন
পিরোজপুরে আমড়ার ফলন ভালো ,তবে দামে হতাশ চাষিরা!
কৃষি বিভাগ

পিরোজপুর কাউখালীতে এ বছর আমড়ার বাম্পার ফলন হয়েছে। দেশে আমড়ার চাহিদা দিন দিন বাড়ছে। আমড়ার মৌসুমে বাজার ছাড়াও পথে পথে প্রচুর বিক্রি হয়। আমড়ার পুষ্টিগুন দিয়ে অর্থকরী ফল হিসেবেও নিজের জায়গা করে নিয়েছে। ফলন ও বাজার দর ভালো থাকার ফলে আমড়া চাষে আগ্রহী হচ্ছেন চাষিরা।

গত চার বছরের তুলনায় এই উপজেলায় চলতি মৌসুমে আমড়ার ভালো ফলন হয়েছে। কিন্তু আমড়ার আমড়ার বাজার দর কম হওয়ায় চাষিদের মুখে হাসি নেই। বরিশাল বিভাগের বিভিন্ন উপজেলায় আমড়ার ফলন বেশি হয় বলেই ‘বরিশালের আমড়া’ নামে এই ফলের পরিচিতি বেশি।

পিরোজপুর জেলার কাউখালী উপজেলা ছাড়াও স্বরূপকাঠী ও নাজিরপুরে আমড়ার আবাদ হয় বেশি। এসব এলাকায় প্রত্যেকটি বাড়িতে আমড়া গাছ রয়েছে। এমন কোনো বাড়ি নেই যে বাড়িতে আমড়া গাছ নেই। অনেকে পতিত জমির আইলে এবং কেউ কেউ ফসলি জমিতে আমড়ার বাগান করেছেন। কোনো কোনো চাষির বাগান থেকে বছরে লাখ লাখ টাকা আয় হয়। শ্রাবণ ভাদ্র মাসে আমড়া পরিপক্ব হলে বেপারীরা ফাল্গুন চৈত্র মাসে কুড়ি দেখেই আগাম টাকা দিয়ে বাগান কিনে রাখেন। আবার অনেক চাষি নিজেরাই বাজারে আমড়া বিক্রি করেন।

উপজেলার প্রধান বন্দর লঞ্চঘাট, দণি বাজার, পাঙ্গাশিয়াসহ বিভিন্ন বড় বাজারে রয়েছে আমড়ার আড়ত। ওই সব আড়ত থেকে আমড়া চলে যায় ঢাকা, চাঁদপুর, মুন্সীগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ, মেঘনাঘাটসহ দেশের বিভিন্ন জেলায়।

উপজেলার চিরাপাড়া গ্রামের আমড়া চাষি মিরাজ হাওলাদার বলেন, আমড়া বিক্রির মধ্যস্থদের অধিক মুনাফার কারণে আমড়া উৎপাদনকারী গৃহস্থরা ন্যায্যমূল্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। সে কারণেই আমড়া চাষিরা বাম্পার ফলনে খুশি হলেও দামে খুশি নন।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আলী আজিম শরীফ বলেন, গত ২ বছরের চেয়ে এ বছর আমড়ার ফলন বৃদ্ধিতে দাম কমে গেছে বলে জানান তিনি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ১৫, ২০২২ ১১:০৭ পূর্বাহ্ন
চাঁদপুরের ‘গেন্ডারি’র সুনাম দেশজুড়ে
কৃষি বিভাগ

দেশজুড়ে বাড়ছে চাঁদপুরের ‘গেন্ডারি’ জাতের আখের সুনাম। তবে বর্তমানে ‘চাঁদপুর গেন্ডারি’র পাশাপাশি রং বিলাস আখের আবাদও বেড়েছে। একই জমিতে মিশ্র আখের আবাদ করেছেন অনেক চাষিরা। ফলন ভালো হলেও অনেক জমিতে ছত্রাক জাতীয় রোগে আক্রান্ত হয়েছে আখ। চাঁদপুর জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, এ বছর জেলায় আখ আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৬২০ হেক্টর, আবাদ হয়েছে ৬৪০ হেক্টর। এর মধ্যে বেশি আবাদ হয়েছে ফরিদগঞ্জ উপজেলায়।

আখচাষি শিপন মিয়া জানান, চলতি মৌসুমে ২২ শতাংশ জমিতে ‘চাঁদপুর গেন্ডারি’র পাশাপাশি রং বিলাস আবাদ করেছি। উভয় জাতের আখই ভালো ফলন হয়েছে। রং বিলাস আখ সাইজে অনেক লম্বা হয়। তবে চিবিয়ে খাওয়ার জন্য ‘চাঁদপুর গেন্ডারি’ স্থানীয় লোকজনের কাছে জনপ্রিয়।

ফরিদগঞ্জ উপজেলার আখচাষি কলন্দর খান জানান, রং বিলাস জাতের আখ আবাদ করেছি। মিশ্রসহ আখের আবাদের পরিমান ১শ’ ২০ শতাংশ। রং বিলাস খুবই মিষ্টি ও রসালো। ফলনও খুব ভালো হয়েছে। আশা করছি বাজারে ভালো দাম পাবো।

চাঁদপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. জালাল উদ্দিন জানানর, এ বছর চাঁদপুর জেলায় চিবিয়ে খাওয়া আখের আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৬২০ হেক্টর, আবাদ হয়েছে ৬৪০ হেক্টর। জলাবদ্ধতার কারণে কৃষকদের কিছুটা ক্ষতি হয়েছে। জলবাদ্ধতা ও ছত্রাক জাতীয় রোগ থেকে রক্ষায় কৃষকদের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ১৫, ২০২২ ১০:৩৬ পূর্বাহ্ন
মিরসরাইয়ের কচু যাচ্ছে দেশের বিভিন্ন জায়গায়
কৃষি বিভাগ

মিরসরাইয়ের কৃষকরা দিন দিন কচু চাষের দিকে ঝুঁকছেন। কচু চাষে পরিশ্রম বেশি হলেও লাভ বেশি বলে চাষের হার বাড়ছে। স্থানীয় বাজারসহ সারাদেশে কচুর চাহিদা থাকায় কচু চাষে প্রতিনিয়ত নতুন নতুন চাষি যুক্ত হচ্ছেন। মিরসরাইয়ের কচু যাচ্ছে দেশের বিভিন্ন জায়গায়।

মিরসরাই উপজেলার ১১ নং মঘাদিয়া ইউনিয়নের কচুয়া এলাকার কৃষক নুর হোসেন ও নওশা মিয়া বলেন, তারা এবছর ৬০ শতক জমিতে কচু চাষ করে ইতোমধ্যে ১ লাখ ৩২ হাজার টাকার কচু বিক্রিও করেছেন। জমিতে যা কচু আছে তা আরও ১৫ দিন বিক্রি করতে পারবেন বলে জানান তারা। বলেন, কচু চাষে কষ্ট বেশি হলেও লাভও বেশি হয়। কচুর পাশাপাশি কচুর ফুল ও লতি বিক্রি করা যায়। এখানকার কচু স্থানীয় বাজারসহ বিভিন্ন জেলায় সরবরাহ করা হয়।

মিরসরাই উপজেলা উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা কাজী নুরুল আলম বলেন, উপজেলায় এবার ১৫০ একর জমিতে কচু চাষ করা হয়েছে। উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের চাষ হলেও সর্বোচ্চ চাষ হয় মিরসরাই পৌরসভা ও মঘাদিয়া ইউনিয়নে। এসব এলাকার কৃষকরা কচু চাষে ভালো করেছেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ১৪, ২০২২ ৬:৪৪ অপরাহ্ন
সোনাগাজীতে উচ্চ ফলনশীল পাঁচ জাতের ধানের চমক
কৃষি গবেষনা

বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট ফেনীর সোনাগাজী আঞ্চলিক কার্যালয়ের কৃষি বিজ্ঞানীদের উদ্ভাবিত পাঁচটি উচ্চ ফলনশীল জাতের ধানের ভালো ফলন হয়েছে।

২০২২ সালে আউশ মৌসুমের জন্য ব্রি৪৮, ব্রি৮২, ব্রি৮৩, ব্রি৮৫, ও ব্রি৯৮ সহ পাঁচ জাতের উচ্চ ফলনশীল জাতের ধান উদ্ভাবন করেন বিজ্ঞানীরা।

এসব জাতের ধান কম খরচে উপজেলার দুটি ইউনিয়নের প্রায় ৪০ হেক্টর জমিতে পরীক্ষামূলক চাষ করে সফলতা পাওয়া গেছে।

এসব ধান কাটার উদ্দেশ্যে শনিবার (১৩ আগস্ট) সকালে সোনাগাজী সদর ইউনিয়নের চরশাহাপুরে শস্য কর্তন ও মাঠ দিবসের আয়োজন করে ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট।

ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট সোনাগাজী আঞ্চলিক কার্যালয়ের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. বিশ্বজিৎ কর্মকারের সভাপতিত্বে ও জ্যৈষ্ঠ বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা নাঈম আহমদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. মো. শাহজাহান কবীর।

আরও উপস্থিত ছিলেন- জ্যৈষ্ঠ বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. আদিল, বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা আসিব বিশ্বাস, আরিফুল ইসলাম খলিদ, কৃষি উপসহকারী কর্মকর্তা মাহমুদ আলম, স্থানীয় কৃষক মো. কামাল উদ্দিন ও শেখ বাহার প্রমুখ।

ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. মো. শাহজাহান কবীর বলেন, টেকসই ধান প্রযুক্তি উদ্ভাবনে বিজ্ঞানীরা নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। বাংলাদেশে তথা সোনাগাজীতে উদ্ভাবিত উচ্চ ফলনশীল জাতের ধান চাষে তৃণমূল কৃষকদের আগ্রহ থাকতে হবে। এরই মধ্যে আউশ মৌসুমে যেসব ধান উদ্ভাবিত হয়েছে সেসব ধান স্বল্প সময়ে স্বল্প খরচে কৃষকরা ঘরে তুলতে পারবেন। মাত্র ১১০দিনে এ ধানগুলো কৃষকরা ঘরে তুলতে পারবেন। ধানগুলো অধিক পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ ও পরিবেশ বান্ধব। তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পন্ন দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে হলে এসব জাতের ধান চাষের বিকল্প নাই। নতুন উদ্ভাবিত ধানগুলোতে সারও কম লাগে পোকা মাকড়ও কম ধরে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ১৪, ২০২২ ১১:১৯ পূর্বাহ্ন
বিষমুক্ত সবজি চাষে সাড়া জাগিয়েছেন জিহাদ
কৃষি বিভাগ

কোন প্রকার রাসায়নিক ব্যবহার ছাড়া বাগেরহাটে বিষমুক্ত নিরাপদ সবজি চাষ করে সাড়া জাগিয়েছেন শেখ জিহাদ হোসেন (৫০) নামের এক কৃষক।

কৃষক শেখ জিহাদ হোসেন বলেন, দীর্ঘদিন ধরে আমি সবজি চাষ করি। সবজি চাষ করতে আমাদের প্রচুর পরিমাণ রাসায়নিক সার ও কীটনাশক ব্যবহার করতে হতো। সব সময় একটি বিষয় চিন্তা করতাম কিভাবে রাসায়নিক সার ও কীটনাশক ছাড়া সবজি চাষ করা যায়। ভাবতে ভাবতে কৃষি বিভাগের কর্মকর্তাসহ কৃষি বিষয়ে অভিজ্ঞ লোকজনদের সঙ্গে কথা বলে জানলাম সমন্বিত বালাই ব্যবস্থাপনা পদ্বতিতে নিরাপদ সবজি চাষ করা যায়।

বিষয়টি নিয়ে অনেক চিন্তাভাবনা ও জেনে শুনে গেল বছর কোন রাসায়নিক সার ও কীটনাশক ব্যবহার ছাড়াই সবজি চাষের পরিকল্পনা করি। দেড় বিঘা (৭৮ শতক) জমিতে সমন্বিত বালাই ব্যবস্থাপনা পদ্বতিতে হাইব্রিড সুপার সুমি জাতের ঢেঁড়স চাষ করি। এবার ফলনও ভাল হয়েছে। দেড় বিঘা জমিতে ১৫ মেট্রিকটন ঢেঁড়স উৎপাদনের আশা তার। প্রতিদিন ১২০ থেকে ১৩০ কেজি ঢেঁড়স বিক্রি করছেন তিনি। ৫৫ হাজার টাকা ব্যয়ের এই জমি থেকে দুই লাখ টাকার ঢেড়স বিক্রির আশা করছেন তিনি।

এর বাইরে গতানুগতিক পদ্ধতিতে কিছু জমিতে বেগুন, কাকরোল, ডাটাশাক, লালশাকসহ নানা সবজি উৎপাদন করেছি। আশা করি আগামী বছর সব জমিতে সমন্বিত বালাই ব্যবস্থাপনা পদ্বতিতে নিরাপদ সবজি চাষ করতে পারব। সমন্বিত বালাই ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি সম্পর্কে জিহাদ বলেন, এই পদ্ধতিতে পোকা-মাকড় তাড়ানোর জন্য কোন বিষ ব্যবহার করা হয় না। এর জন্য আলোর ফাঁদ, ডালপোতা ফাঁদ, হলুদ পেপার, সাদা পেপার ফাঁদ পাতা হয় সবজি ক্ষেতে। এছাড়া নিমপাতা, বেলপাতা ও মেগনির নির্জাস দিয়ে সবজি খেতকে পোকামাকড় মুক্ত করা হয়।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর, বাগেরহাটের প্রশিক্ষণ কর্মকর্তা মোতাহার হোসেন বলেন, আমরা বিভিন্ন সময় বিষমুক্ত সবজি চাষে কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করি। জিহাদ বিষমুক্ত ঢেঁড়স চাষের আগ্রহ পোষণ করলে, আমরা তাকে সার্বিক সহযোগিতা করেছি। তার বিষমুক্ত ঢেঁড়স সরাসরি ভোক্তা পর্যায়ে পৌঁছে দেওয়ার জন্যও আমরা উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের নির্দেশনা নিয়েছি। অন্যান্য এলাকার কৃষকরাও যাতে বিষমুক্ত সবজি চাষে উদ্বুদ্ধ হন এজন্য আমরা কাজ করছি।

২০০৬ সালে পোশাক কারখানা থেকে চাকরি ছেড়ে বাড়ির পাশে অন্যের জমি লিজ নিয়ে সবজি ও ফল চাষ শুরু করেন শেখ জিহাদ হোসেন। সফলতাও পেয়েছেন তিনি। ২০০৮ সালে শেখ জিহাদ হোসেন সবজি চাষে অবদান রাখায় সফল চাষী হিসেবে জেলা প্রশাসন থেকে পুরস্কার পান তিনি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ১৩, ২০২২ ৯:৩৫ পূর্বাহ্ন
মেহেরপুরে গ্রাফটিং পদ্ধতিতে টমেটো চাষের দিকে ঝুঁকছেন চাষিরা
কৃষি গবেষনা

বেগুনগাছে গ্রাফটিং পদ্ধতিতে গ্রীষ্মকালীন টমেটো চাষ করে সফল হয়েছেন, জেলা সদর উপজেলার হিজুলী গ্রামের কৃষক ফারুক হোসেন। কৃষি বিভাগের সার্বিক সহায়তায় পরীক্ষামলূক ভাবে গ্রাফটিং পদ্ধতিতে টমেটো চাষে অভাবনীয় সফলতা পেয়েছেন এ কৃষক। এতে করে গ্রাফটিং পদ্ধতিতে টমেটো চাষে আশার আলো দেখছেন এ জেলার কৃষকরা।

কৃষি বিভাগ সূত্র জানায়- সদর উপজেলার আমঝুপি ইউনিয়নের হিজুলী গ্রামের ফারুক হোসেন ৫ কাঠা জমিতে বারি হাইব্রিড ৮ জাতের টমেটো চাষ করেছেন গ্রাফটিং পদ্ধতিতে। এখন কাঁচা-পাকা টমেটোয় ভরে গেছে গাছ। ইতোমধ্যে প্রায় ৩০ হাজার টাকার টমেটো বিক্রিও করেছেন তিনি। আরও ৪০ হাজার টাকার বিক্রির আশা করছেন।

মেহেরপুর সদর উপজেলার গ্রাফটিং পদ্ধতিতে টমেটো চাষ করা ফারুক হোসেন বলেন- উপজেলা কৃষি বিভাগের সহযোগিতায় প্রথমে পরীক্ষামূলক ভাবে ৫ কাঠা জমিতে গ্রাফটিং করেছি। ফলন ও পর্যাপ্ত দাম পাচ্ছি। আগামীতে আরও ১ বিঘা লাগানোর পরিকল্পনা করছি।

সদর উপজেলা কৃষি বিভাগের উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তা আশরাফুল ইসলাম বলেন- বেগুন চারার গোড়ার দিকের অংশের সঙ্গে টমেটোর চারার ওপরের দিকের অংশ জোড়া দিয়ে করা হয় গ্রাফটিং। এভাবে লাগানো টমেটোর চারা বড় হয়ে ঢলে পড়ে না, রোগ বালাইও তেমন হয় না। উপরন্ত ফলন মেলে প্রচুর। সাধারণ একটি গাছে ৫ থেকে ১০ কেজি টমেটো পাওয়া যায়। কিন্তু গ্রাফটিং পদ্ধতিতে চাষ করা প্রতিটি গাছে মেলে ১৫ থেকে ২০ কেজি টমেটো। গ্রাফটিং করা টমেটো গাছ পানি সহনীয়। ফলে ভারি বৃষ্টিতেও এই টমেটো গাছ নষ্ট হয় না।

গ্রাফটিং পদ্ধতিতে টমেটো চাষ দেখতে আসছেন স্থানীয় কৃষকরা। অসময়ে টমেটো। বাজারে চাহিদাও বেশ। অনেক কৃষক ইতোমধ্যে গ্রাফটিং পদ্ধতিতে টমেটো চাষ করতে আগ্রহী হয়েছেন। স্থানীয় কৃষক রবিউল ইসলাম দেখতে এসেছিলেন টমেটোর গ্রাফটিং। তিনি বলেন- গ্রাফটিং পদ্ধতিতে এতো বেশি ফলন দেয় আমার জানা ছিল না। সেই সঙ্গে একই গাছে বেগুনও ধরেছে। আমি নিজেও এই পদ্ধতিতে চাষ করবো বলে প্রস্তুতি নিচ্ছি।

সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নাসরিন পারভীন বলেন- আমাদের পক্ষ থেকে কৃষকদের সার্বিক পরামর্শ ও প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়। কৃষি বিভাগের পরামর্শ গ্রহণ করে গ্রাফটিং পদ্ধতিতে টমেটো জাত বারি-৮ চাষ করে সফলতার মুখ দেখেছেন কয়েকজন কৃষক। সদর উপজেলায় ১৫ কাঠা জমিতে ৩ জন চাষি গ্রাফটিং পদ্ধতিতে টমেটোর চাষ করছেন। কৃষকরা লাভবান হচ্ছেন। মেহেরপুরে এ জাতের টমেটোর চাষ ছিল না। বর্তমানে কৃষকরা গ্রাফটিং পদ্ধতিতে টমেটো চাষে উৎসাহিত হচ্ছেন।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop