২:৩৪ অপরাহ্ন

বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : জুন ৪, ২০২১ ৯:৪৬ অপরাহ্ন
হাটহাজারীতে কৃষিতে উপকারী নভেল বেসিলাসের উপর জাতীয় সেমিনার অনুষ্ঠিত
কৃষি গবেষনা

কৃষিবিদ দীন মোহাম্মদ দীনু।। ব্যাক্টেরিয়ার নাম শুনলেই মানুষ আগে ভয় পেতো, এখন আর ভয় নয়, বন্ধু হিসেবে বেসিলাস ব্যাক্টেরিয়াকে গ্রহণ করা যাবে, আর মানুষের সাথে যার মিল সবচেয়ে বেশি। মিলের সাদৃশ্যকে বিবেচনায় এনে প্রকৃতি হতে শতকরা ৭৬ ভাগ উপকারি ব্যাক্টেরিয়া সংগ্রহ করা যাবে উদ্ভাবনীয় প্রযুক্তির মাধ্যমে।

কৃষিতে উপকারী নভেল বেসিলাস ব্যাক্টেরিয়ার ব্যবহার ও প্রয়োগোত্তর ফলাফল নিয়ে শুক্রবার (৪ জুন)চট্রগ্রামের হাটহাজারিতে এক ব্যতিক্রম ধরণের জাতীয় সেমিনারে এমনটিই জানালেন প্রধান গবেষক ড. মুহাম্মদ তোফাজ্জল হোসেন।

বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট এর মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা, ড. খলিলুর রহমান ভূইয়া, এর সভাপতিত্বে সেমিনারের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট এর পরিচালক (প্রশশিক্ষণ ও যোগাযোগ) ড. মুহাম্মদ সামসুল আলম।

পরে মেমিনারের কারিগরি সেশনে প্রধান আলোচক হিসাবে র্ভাচুয়ালী যোগ দেন দিয়ে গুরুত্বর্পূন বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট এর মহাপরিচালক ড. মো. নাজিরুল ইসলাম।

মহাপরিচালক ড.মো.নাজিরুল ইসলাম বলেন, নভেল বেসিলাস এর প্রয়োগ একটি নতুন বিষয় যার উপর ইতোমধ্যেই কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট অনেকটা পথ এগিয়েছে।

আরো জোড়ালো গবেষণার মাধ্যমে নয়া এই পরিবেশ বান্ধব উপকারী ব্যাক্টেরিয়ার উপর জোর দিতে হবে। সারা দেশ ব্যাপী এই প্রযুক্তি কৃষকের কাছে সহজ ভাবে পৌছে দিতে হবে। উপসচিব নাসিমা খনম গবেষণাটি খরা, বন্যা এলাকাতেও ছড়িয়ে দেবার আহবান জানান।

আরও আলোচনা করেন কৃষি সম্প্রসারণের চট্টগ্রামের অতিরিক্ত পরিচালক মো. মঞ্জরুল হুদা, মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা, ড. খলিলুর রহমান ভূইয়া, ড. মো. আবু হেনা ছরোয়ার জাহান ,প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. ইকবাল ফারুক, উপসচিব নাসিমা খানম প্রমুখ।

প্রকল্পের প্রধান গবেষক ও উর্ধবতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা এবং কর্মসুচি পরিচালক ড.মু. তোফাজ্জল হোসেন রনি মুল বিষয়বস্তু তুলে ধরেন। সেমিনারের সেশন চেয়ারম্যান ড. সামসুল আলম বলেন, কৃষিতে উপকারী বেসিলাস এর ব্যবহার কৃষি বন্ধব যা একটি ভাল উদ্যোগ। উন্নত দেশের ন্যায় আমরা এখন তা শুরু করেছি। মুলত ব্যাক্টেরিয়াগুলো শক্তিশালি পেপ্টাইডোগ্লাইকোন এর মাধ্যমে প্রতিকুল অবস্থায় গাছকে খাদ্যরস গ্রহণে সহয়তা করে শক্তিশালি করে এবং এন্টাগনাস্টিক হিসেবে কাজ করে যার ফলে জীবাণুরা অবস্থান করতে পারেনা।

ফলে,গাছ আর ঢলে পড়ে না। প্রধান গবেষক ড. হোসেন বলেন, ব্যাক্টেরিয়ার সাথে প্রাণীকুলের মধ্যে মানুষের সাথে সবচেয়ে বেশি মিল যা শতকরা ৩৭ ভাগ যেখানে বানরের সাথে মাত্র ৬ ভাগ। সুতরাং বন্ধুপ্রিয় মিলের সাদৃশ্যকে কেন্দ্র করে অঞ্চল ভিত্তিক এই গবেষণার কার্যক্রম আরো বাড়াতে হবে। উপকারি ব্যাক্টেরিয়া ব্যাহার করে বেগুনের ঢ্লে পড়া রোগ দমন করা সম্ভব হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, দেশে বড় আকারে বায়ো-সেন্টার করে এ ধরনের কাজকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। এর ফলেই ব্যাক্টেরিয়ার উৎপাদন বাড়ানো সম্ভব হবে। ব্যাক্টেরিয়ার জীবন ব্যবস্থাপনা, সংরক্ষণ, কালচার, নামকরণ এবং কৃষিতে উপকারী বেসিলাস এর ব্যবহার প্রয়োগ এবং ঢলে পড়া রোগ দমন ব্যবস্থাপনা নিয়ে সেমিনারে আলোচনা করা হয়।

পরে কারিগরি সেশন চেয়ারম্যান আগুন্তক গবেষক, সসম্প্রসারণ কর্মকর্তাদের মাঝে ব্যাক্টেরিয়াল পণ্য হস্তান্তর করেন। সেমিনারে বিজ্ঞানী,কৃষক,সরকারি-বেসরকারী প্রতিনিধি,গণমাধ্যম কর্মি ও আমন্ত্রিত অতিথিগণ অংশ নেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ২, ২০২১ ৮:৪৬ অপরাহ্ন
বরিশাল অঞ্চলে কৃষিকথার সর্বোচ্চ গ্রাহক করায় কৃষি কর্মকর্তাদের ধন্যবাদপত্র প্রদান
কৃষি বিভাগ

নাহিদ বিন রফিক (বরিশাল): মাসিক কৃষিকথা পত্রিকার সর্বোচ্চ গ্রাহক দেওয়ার জন্য বরিশাল অঞ্চলের ৪ জন উপজেলা কৃষি অফিসারকে ধন্যবাদপত্র প্রদান করা হয়।

ধন্যবাদ পাওয়া অফিসাররা হলেন, ঝালকাঠি সদরের মো. রিফাত সিকদার, নলছিটির ইসরাত জাহান মিলি, ভোলা সদরের মুহাম্মদ রিয়াজ উদ্দিন এবং লালমোহনের এ এফ এম শাহাবুদ্দিন।

কৃষি তথ্য সার্ভিসের উদ্যোগে ৩১ মে বরিশালের খামারবাড়িতে এ উপলক্ষে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

এতে অন্যান্যের মধ্যে উপস্তিত ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের (ডিএই) অতিরিক্ত পরিচালক মো. তাওফিকুল আলম, বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের মুখ্য বৈজ্ঞানিক ড. মো. আলমগীর হোসেন, বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. রফি উদ্দিন, ডিএই পিরোজপুরের উপপরিচালক চিন্ময় রায়, বরিশালের উপপরিচালক হৃদয়েশ^র দত্ত, ঝালকাঠির উপপরিচালক মো. ফজলুল হক, বরগুনার উপপরিচালক আব্দুর রশিদ, বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশনের যুগ্ম পরিচালক ড. একেএম মিজানুর রহমান, ঝালকাঠির জেলা প্রশিক্ষণ অফিসার মো. মনিরুল ইসলাম, পটুয়াখালীর জেলা প্রশিক্ষণ অফিসার মো. খায়রুল ইসলাম মল্লিক, ভোলার জেলা প্রশিক্ষণ অফিসার মো. রাশেদ হাসনাত, আঞ্চলিক কৃষি তথ্য অফিসার মো. শাহাদাত হোসেন প্রমুখ।

উল্লেখ্য, কৃষিকথা কৃষি বিষয়ক মাসিক পত্রিকা। ৮০ বছর ধরে নিয়মিত প্রকাশিত হচ্ছে। দেশের সেরা কৃষিবিদদের লেখা এ পত্রিকায় স্থান পায়। বর্তমানে গ্রাহক সংখ্যা প্রায় ৭০ হাজার। যেহেতু সরকারি পত্রিকা, তাই ভর্তূকি দিয়ে কৃষকদের সরবরাহ করা হয়। ডাকমাশুলসহ বছরে খরচ ৫০ টাকা। এজেন্ট হলে আরো কম। মাত্র ৪২ টাকা। ২০টি পত্রিকা হলেই এজেন্ট হওয়া যায়।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ২, ২০২১ ১২:৫০ পূর্বাহ্ন
ফুলবাড়ীতে পাটের বাম্পার ফলনে কৃষকের মুখে হাসি
কৃষি বিভাগ

চলতি মৌসুমে কুড়িগ্রাম জেলার ফুলবাড়ীতে পাটের বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা দেখা দেওয়ায় পাট চাষিদের মূখে ফুটেছে আনন্দের হাসি।

জানা যায়, পাটের বাজার মূল্য ভাল পাওয়ায় কৃষকরা ব্যাপক হারে এ বছর পাট চাষ করেছেন। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় গত বছরের চেয়ে পাটের বাম্পার ফলনের আশা করছেন এবং এবারও ভালো দামের স্বপ্ন দেখছেন প্রান্তিক চাষিরা।

বিলুপ্ত ছিটমহল দাসিয়ারছড়ার পাট চাষি মিজানুর রহমান জানান, ‘এবছর প্রায় ৬ বিঘা জমিতে পাট চাষ করেছি। আবহাওয়া অনুকূল থাকায় এ বছর পাটের বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে। আশা করছি এবছরও পাটের ভালো দাম পাবো।’

নাওডাঙ্গা ইউনিয়নের কৃষক মন্ডল মিয়া জানান, উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সহযোগিতায় এবছর আড়াই বিঘা জমিতে পাট চাষ করেছেন। পাট চাষে খরচ একটু বেশি হলেও সে তুলনায় লাভ অনেক বেশি।এবার পাটের ফলন ভালই দেখা যাচ্ছে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মাহবুবুর রশিদ জানান, এ বছর উপজেলা কৃষি বিভাগ ৭৪৫ হেক্টর জমিতে পাট চাষের লক্ষ্য মাত্রা নির্ধারণ করা হলেও মাঠ পর্যায়ে দেখা গেছে এ বছর উপজেলার ৬ টি ইউনিয়নে প্রায় ১ হাজার ২৫০ হেক্টর জমিতে পাট চাষ করেছেন প্রান্তিক চাষিরা।

পরিবেশবান্ধব পাটের মোড়কসহ বিভিন্ন কাছে ব্যবহার বেড়ে যাওয়া ও বাজার মূল্য ভালো পাওয়ায় পাট চাষের ঝুঁকছেন কৃষক। আবহাওয়া অনুক’ল থাকায় এবছরও পাটের বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। আশা করি কৃষকরা তাদের উৎপাদিত স্বপ্নের সোনালী ফসল ঘরে তুলতে পারবে বলেও জানান তিনি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ১, ২০২১ ১১:২২ পূর্বাহ্ন
জৈব বালাই নাশক ব্যবহারে অধিক পান উৎপাদন করছেন চাষিরা
কৃষি বিভাগ

কুষ্টিয়ার পান চাষিরা জৈব বালাই নাশক ব্যবহার করে ব্যাপক সাফল্য লাভ করছেন। আর এই পদ্ধতিতে পান চাষ করে অধিক পান উৎপাদন করাও সম্ভব। আর এতে করে দেশের চাহিদা পূরণ করে বিদেশেও রপ্তানি করা যাচ্ছে এই পান।

জানা যায়, কুষ্টিয়া জেলা বরাবরই পান চাষের জন্য প্রসিদ্ধ। বিশেষ করে জেলার সদর, দৌলতপুর ও ভেড়ামারা উপজেলায় ব্যাপক জমিতে এ অর্থকরী ফসলের আবাদ হয় বহু বছর ধরে। এ ফসলের রোগ বালাইও কম নয়। এতদিন চাষিরা প্রচলিত কীটনাশক ব্যবহার করে বালাই দমন করে আসছিল। এ পান অনেক সময় মানবদেহের জন্য ক্ষতির কারণ হযে দাঁড়াত। এর থেকে উত্তরণের লক্ষ্যে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইন্সটিটিউট (বারি) কুষ্টিয়া অফিস সরেজমিন গবেষণা বিভাগ জৈব বালাইনাশক পদ্ধতি উদ্ভাবন করে। এ পদ্ধতি ব্যবহার করে ভালো ফলন পাচ্ছেন পান চাষিরা। দেশের বাজারের পাশাপাশি বিদেশেও বিষমুক্ত এ পানের চাহিদা বেড়েছে।

বারি কুষ্টিয়া অফিসের সরেজমিন গবেষণা বিভাগের ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. জাহান আল মাহমুদ জানান, পান বৃহত্তর কুষ্টিয়া তথা মেহেরপুর, চুয়াডাঙ্গা ও কুষ্টিয়া জেলার অন্যতম একটি অর্থকারি ফসল। পান চাষের প্রধান সমস্যা কয়েকটি রোগ যেমন, কান্ড পচা, পাতায় কালো দাগ, লিফ ব্লাইট ইত্যাদি।

এছাড়া কিছু পোকা মাকড়েরও আক্রমণ হয়ে থাকে। কৃষক এসব দমনের জন্য বিভিন্ন ধরনের কীটনাশক ও ছত্রাকনাশক ব্যাবহার করে থাকে। পান যেহেতু মানুষ সরাসরি খায় সেহেতু এ অবস্থায় খাওয়া শরীরের জন্য মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ। তারা ৩ বছর আগে নিরাপদ উপায়ে পান চাষের উপর গবেষণা কার্যক্রম হাতে নেন বলে জানান তিনি।

প্রকল্প পরিচালক ড. দেবাশীষ সরকার জানান, দেশের চাহিদা মিটিয়ে এ অঞ্চলের পান দেশের বাইরেও যায়। তবে বালাই দমনে কীটনাশক ব্যবহারের কারণে অনেক সময় বিদেশিরা এখানকার পান নিতে অনীহা দেখাত। তবে বর্তমানে কীটনাশকের পরিবর্তে জৈব বালাই নাশক ব্যবহারের ফলে সেই জটিলতা কেটে গেছে। এখন বিদেশে এখানকার পানের চাহিদা বেড়েছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মে ৩১, ২০২১ ১০:৩৫ অপরাহ্ন
বরিশালে ফসল উৎপাদনে টেকসই কৃষি তথ্যের ভূমিকা শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত
কৃষি বিভাগ

নাহিদ বিন রফিক (বরিশাল): বরিশালে কৃষি তথ্য সার্ভিস আয়োজিত ফসল উৎপাদনে টেকসই কৃষি তথ্যের ভূমিকা শীর্ষক দিনব্যাপী এক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।

সোমবার(৩০ মে) বরিশালের খামারবাড়িতে অনুষ্ঠিত হওয়া অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক মো. তাওফিকুল আলম।

অনুষ্ঠানে গেস্ট অব অনার ছিলেন বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের মুখ্য বৈজ্ঞানিক ড. মো. আলমগীর হোসেন এবং বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. রফি উদ্দিন। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপনা করেন পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি সম্প্রসারণ ও গ্রামীণ উন্নয়ন বিভাগের প্রফেসর ড. মো. মামুন-উর-রশিদ।

কৃষি তথ্য সার্ভিসের কর্মকর্তা নাহিদ বিন রফিকের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর পিরোজপুরের উপপরিচালক চিন্ময় রায়, বরিশালের উপপরিচালক হৃদয়েশ্বর দত্ত, ঝালকাঠির উপপরিচালক মো. ফজলুল হক, বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশনের যুগ্ম পরিচালক ড. একেএম মিজানুর রহমান, ঝালকাঠির জেলা প্রশিক্ষণ অফিসার মো. মনিরুল ইসলাম, পটুয়াখালীর জেলা প্রশিক্ষণ অফিসার মো. খায়রুল ইসলাম মল্লিক, ভোলার জেলা প্রশিক্ষণ অফিসার মো. রাশেদ হাসনাত, আঞ্চলিক কৃষি তথ্য অফিসার মো. শাহাদাত হোসেন বরগুনার অতিরিক্ত উপপরিচালক এস এম বদরুল আলম, বরিশালের অতিরিক্ত উপপরিচালক সাবিনা ইয়াসমিন, ভোলা সদরের উপজেলা কৃষি অফিসার মুহাম্মদ রিয়াজ উদ্দিন, লালমোহনের উপজেলা কৃষি অফিসার এএফএম শাহাবুদ্দিন প্রমুখ।

সভাপতি বলেন, মাঠের প্রত্যেকটি ফসলের জাত সম্পর্কে তথ্য থাকা চাই। কৃষকের কাছ থেকে সঠিক সমস্যা চিহ্নিত করে তা সমাধান করতে হবে। জলবায়ু পরিবর্তনের সাথে খাপখাইয়ে ফসলের উন্নত জাত উদ্ভাবন করা দরকার। আর তা চাষিদের দোরগোড়ায় পৌঁছানো জরুরি। এসবের মাধ্যমে ফসল উৎপাদন টেকসই হবে। অনুষ্ঠানে কৃষি সংশ্লিষ্ট সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ৪৫ জন কর্মকর্তা অংশগ্রহণ করেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মে ৩০, ২০২১ ৫:৫০ অপরাহ্ন
হতাশায় ভুগছেন বীরগঞ্জের সবজি চাষিরা
কৃষি বিভাগ

করোনা সংকট ও বৃষ্টির কারণে পণ্যের ক্রেতার চাহিদা না থাকায় এবং বিভিন্ন জাতের সবজিতে পোকার আক্রমণের পাশাপাশি পচন রোগে আক্রান্ত হওয়ায় পরিবহণ সংকট এবং দুই দিনের বৃষ্টির ফলে ক্ষতির মুখে পড়েছে দিনাজপুরের বীরগঞ্জ উপজেলার সবজি চাষিরা।

কৃষকরা জানিয়েছেন, দুই দিনের বৃষ্টিতে বর্ষাকালীন খরিপ-০১ ত্রিপল-০১ জাতের ফুলকপি-বাঁধাকপিতে পচন ধরেছে।

সবজি চাষি উপজেলার সাতোর ইউনিয়নের দক্ষিণ প্রাণনগর গ্রামের ইব্রাহিম জানান, এ বছর ২০ শতক জমিতে ফুলকপি আবাদ করেছি। যেহেতু এটি শীতকালীন সবজি। বৃষ্টি সহ্য করতে পারে না। তাই দুই দিনের বৃষ্টিপাতে ফলনে পচন ধরেছে।

একই কথা জানিয়ে সবজি চাষি আহম্মদ আলী জুয়েল জানান, করোনার কারণে পরিবহণ সংকট এবং দুই দিনের বৃষ্টিতে সবজি নিয়ে কৃষকের মাথায় হাত পড়েছে। বিশেষ করে উৎপাদিত পণ্য সরাসরি ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে পাঠাতে না পেরে মধ্যস্বত্ব ভোগীদের দৌরাত্ম্যে ন্যায্য মূল্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছি।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আবুরেজা মো. আসাদুজ্জামান জানান, সবজি দ্রুত পচন একটি পণ্য। তারপর বৈশ্বিক মহামারি এবং আবহাওয়ার বৈরিতা লেগে আাছে। এরপরও কৃষি দপ্তরের সার্বিক সহযোগিতায় সবজি চাষ এখন লাভজনক হয়েছে বলে জানান তিন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মে ৩০, ২০২১ ৪:২১ অপরাহ্ন
নওগাঁয় ৬ হাজার ৮৫০ হেক্টর জমিতে পাট আবাদ
কৃষি বিভাগ

চলতি মৌসুমে মোট ৬ হাজার ৮শ ৫০ হেক্টর জমিতে পাটের আবাদ হয়েছে নওগাঁ জেলায়।দেশী জাতের ৫শ’ হেক্টর, তোষা জাতের ৫ হাজার ৯শ ৫০ হেক্টর এবং মেস্তা জাতের ৪শ হেক্টর জমিতে পাট চাষ হয়েছে। আবাদকৃত জমি থেকে সর্বমোট ৭৭ হাজার ৩শ ৬৫ বেল পাট উৎপাদিত হবে বলে কৃষি বিভাগ প্রত্যাশা করছে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ শামসুল ওয়াদুদ জানিয়েছেন, জেলায় এ বছর দেশী, তোষা এবং মেস্তা জাতের পাট চাষ করেছেন কৃষকরা

জানা যায়, উপজেলা ভিত্তিক বিভিন্ন জাতের পাট চাষের পরিমাণ হচ্ছে সদর উপজেলায় দেশী ৬০ হেক্টর, তোষা ৭৪০ হেক্টর ও মেস্তা জাতের ১১০ হেক্টরসহ মোট ৯১০ হেক্টর। রানীনগর উপজেলায় দেশী জাতের ৫ হেক্টর, তোষা জাতের ২০ হেক্টর ও মেস্তা জাতের ১০ হেক্টরসহ মোট ৩৫ হেক্টর। আত্রাই উপজেলায় দেশী ১০ হেক্টর, তোষা ২০৫ হেক্টর ও মেস্তা জাতের ২০ হেক্টরসহ মোট ২৩৫ হেক্টর। বদলগাছি উপজেলায় দেশী ৩০ হেক্টর, তোষা জাতের ১ হাজার ৭শ ৮৫ হেক্টরসহ মোট ১ হাজার ৮শ ১৫ হেক্টর। মহাদেবপুর উপজেলায় দেশী ৪০ হেক্টর, তোষা জাতের ৭০ হেক্টর ও মেস্তা জাতের ৫ হেক্টরসহ মোট ১১৫ হেক্টর।

পত্নীতলা উপজেলায় দেশী ১০ হেক্টর, তোষা জাতের ১৬৫ হেক্টর ও মেস্তা জাতের ৫৫ হেক্টরসহ মোট ২৩ হেক্টর। ধামইরহাট উপজেলায় দেশী ৩০০ হেক্টর, তোষা জাতের ১ হাজার ২শ ২০ হেক্টরসহ মোট ১ হাজার ৫শ ২০ হেক্টর। মান্দা ্উপজেলায় দেশী ৪৫ হেক্টর। তোষা জাতের ১ হাজার ৭শ ৪৫ হেক্টর ও মেস্তা জাতের ২০০ হেক্টরসহ মোট ১ হাজার ৯শ ৯০ হেক্টর। জেলার ১১টি উপজেলার মধ্যে সাপাহার, পোরশা ও নিয়ামতপুর উপজেলায় কোন পাট চাষ হয়নি। এখন পর্যন্ত জেলায় পাটের ভালো আবাদ হয়েছে। উৎপাদনও ভালো হবে বলে তাদের প্রত্যাশা কৃষি বিভাগের।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মে ৩০, ২০২১ ১২:৫০ অপরাহ্ন
মরুর বুকে বাংলাদেশি কৃষকদের দারুণ চমক!
কৃষি বিভাগ

বিদেশেও মাটিতেও বাংলাদেশের কৃষকদের আছে ছোঁয়া। বিভিন্ন দেশে কৃষি কাজে দারুণ চমক দিয়ে যাচ্ছেন বাংলাদেশের কৃষকরা। এরইমধ্যে মরুভূমির দেশ সৌদিতেও কৃষি খামার গড়ে তুলেছেন বাংলাদেশের কৃষক উদ্যোক্তা প্রবাসীরা। যার প্রভাবে সেখানে গড়ে উঠেছে যেন একটি মিনি সবুজ বাংলাদেশ। খামারগুলোতে চাষ হচ্ছে করলা, ঝিঙে, চিচিঙ্গা, লাউ, চাল কুমড়া, মিষ্টিকুমড়া, শিমসহ নানা দেশি সবজি।

জানা যায়, সৌদি আরবের বন্দরনগরী জেদ্দা থেকে প্রায় ৮০০ কিলোমিটার দক্ষিণে আবহা অঞ্চলের বিরান মরুভূমির মাঝে একটি কৃষিখামার, আরবি ভাষায় বলা হয় মাজরা। চারদিকে ধু-ধু মরুভূমির মধ্যে এই খামারে পানি সেচ করা হয় গভীর নলকূপ থেকে জেনারেটরের সাহায্যে।

উদ্যোক্তারা জানান, এসব কৃষি খামারে কাজ করছেন বহু প্রবাসী বাংলাদেশি। কৃষি খামারে উৎপাদিত শাকসবজি স্থানীয় শহরে নিয়ে পাইকারি বিক্রি করা হয়। এ সব পাইকারি ব্যবসায়ীদের মধ্যেও আবার অনেকে রয়েছেন বাংলাদেশি। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, নতুন কৃষি খামারে বিনিয়োগের মাধ্যমে আরো অধিক পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন সম্ভব।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মে ২৯, ২০২১ ৫:৪০ অপরাহ্ন
পতিত জমিতে মাল্টা চাষে আলিম ও আলেয়ার দৃষ্টান্ত স্থাপন
কৃষি বিভাগ

জয়পুরহাট জেলার পাঁচবিবি উপজেলার সীমান্ত সংলগ্ন চেঁচড়া গ্রামে পতিত জমিতে মাল্টা চাষ করে অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে ভাই-বোন আব্দুল আলিম ও আলেয়া বেগম। তারা ওই এলাকার ময়েন উদ্দিনের সন্তান।

জানা যায়, সীমান্ত এলাকায় বসবাস করলেও একটু লেখাপড়া জানার কারণে দুই ভাই-বোন মিলে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে মাল্টা চাষের। সেই লক্ষ্য নিয়ে স্থানীয় মসজিদের নামে থাকা আড়াই বিঘা পতিত জমি লিজ নিয়ে দিনাজপুর থেকে উন্নত জাতের বারি-১ জাতের ২৩০টি চারা সংগ্রহ করে মাল্টা চাষ শুরু করেন। যেখানে তেমন কোন ফসল হয়না আবার বেশির ভাগ অংশ জুড়ে রয়েছে ঝোঁপঝাড়।

মসজিদ কমিটির নিকট থেকে দুই লক্ষ টাকা দিয়ে ১০ বছরের জন্য লিজ নিয়ে শুরু করে মাল্টা চাষ। জমি লিজ নেওয়া, বাগান তৈরি, সার কীটনাশক, লেবারসহ এ পর্যন্ত খরচ হয়েছে প্রায় ৭ লাখ টাকা বলে জানান আব্দুল আলিম।

তিনি জানান, ইউটিউব থেকে মাল্টা চাষের বিষয় দেখে আগ্রহ সৃষ্টি হলেও স্থানীয় কৃষি বিভাগ মাল্টা চাষে উদ্বুদ্ধ করা থেকে শুরু করে সব রকম পরামর্শ প্রদান করেছে।

স্থানীয় কৃষি বিভাগ জানায়, মসজিদের নামে থাকা আড়াই বিঘা পতিত জমি যেখানে তেমন কোন ফসল হতো না, সেখানে ভাই-বোন মিলে মাল্টা করে এলাকায় তাক লাগিয়ে দেওয়ার পাশাপাশি অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। বর্তমানে বাগানের মাল্টার গাছ গুলোতে থোকায় থোকায় ঝুলে আছে মাল্টা, দেখে যেন মন শান্তি। তাই ভালো লাভের স্বপ্ন দেখছেন মাল্টা চাষি আব্দুল আলিম ও আলেয়া বেগম। আগামী সেপ্টেম্বর ও অক্টোবর মাসে মাল্টা তোলা সম্ভব হবে।

মাল্টা বাগানের পরিচর্যায় ব্যস্ত আলেয়া বেগমরে দুই ছেলে আলফাজ ও আলী রাজ জানান, গত বছর প্রথম মৌসুমে ৮০ হাজার টাকার মতো মাল্টা বিক্রি করলেও এবার ফলন ভালো হওয়ায় ২/৩ লাখ টাকার মাল্টা বিক্রি হবে এমন আশা প্রকাশ করেন তারা। বর্তমানে জমিতে থাকা মাল্টার বাগান দেখে মাল্টা ব্যবসায়ীরা দেড় লাখ টাকা দাম করছেন বলেও জানান, আলফাজ ও আলী রাজ।

মাল্টা চাষে সফলতা দেখে এলাকার অনেকেই মাল্টার বাগান করার আগ্রহ প্রকাশ করছেন বলে জানান, প্রতিবেশী রুস্তম আলী। পাঁচবিবি উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ লুৎফর রহমান বলেন, এখানকার মাটি লাল এটেলযুক্ত হওয়ায় মাল্টা চাষের উপযোগী। সে কারণে পড়ে থাকা অর্থাৎ পতিত জমিতে বিশেষ করে যে জমি গুলোতে তেমন ফসল হয়না এ সব জমিতে মাল্টা চাষের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। কৃষকদের মধ্যে আগ্রহ দেখে পাঁচবিবি উপজেলায় চলতি মৌসুমে ছোট বড় মিলে ১০০ টি মাল্টার বাগান করা সম্ভব হয়েছে বলে জানান তিনি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মে ২৯, ২০২১ ৯:৩৭ পূর্বাহ্ন
সবজি বাজার তালিকায় পছন্দের শীর্ষে ‘পালবাজার’
কৃষি বিভাগ

চাঁদপুর জেলার মধ্যে পালবাজারই রয়েছে সবজির জন্য ক্রেতা-বিক্রেতা উভয়ের কাছে পছন্দের শীর্ষে। মৌসুমী শাকসবজির বিপুল সমারোহ হচ্ছে এই পালবাজারে।মৌসুমের এই সময় নানা জাতের সবজি মিলছে চাঁদপুরের পালবাজারে।

বর্তমানে লকডাউনসহ নানা কারণে ক্রেতা সঙ্কটে পড়েছেন পাইকারি ব্যবসায়ীরা।দেশের বিভিন্নস্থান থেকে নিয়ে আসা টাটকা সবজির পসরা সাজিয়ে বসলেও তুলনামূলক কম ক্রেতা আসছে বলে জানান ব্যবসায়ীরা।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, এত বড় পাইকারি বাজারেও ক্রেতার অভাব রয়েছে। কিক্রি খুবই কম। কিন্তু বাজারে প্রচুর সবজি আমদানি হচ্ছে। হঠাৎ করে দাম একটু বেড়ে গেছে। এজন্য কাস্টমার কম পাওয়া যাচ্ছে।

ক্রেতা কম থাকার প্রভাব পড়েছে পুরো বাজারে। সরবরাহ বেড়ে যাওয়ার বিপরীতে বিক্রি কমে যাওয়ায় দাম কমাতে বাধ্য হচ্ছেন ব্যবসায়ীরা। এতে ন্যায্যমূল্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন সরবরাহকারীরা।

তারা বলছেন, কারওয়ান বাজার থেকে ব্যবসায়ীরা এসে দাম নির্ধারণ করে। ঢাকায় দাম বেশি, এখানে কম। চর থেকে প্রচুর পরিমাণে সবজি আমদানি হয়। কিন্তু কিন্তু কাস্টমার মোটামুটি কম। আমরা প্রয়োজনের তুলনায় কাস্টমার কম পাচ্ছি।

৬ দশকের পুরনো বাজারে ছোটবড় ব্যবসায়ী আছেন ৫ শতাধিক। আর বাজার মন্দা হওয়ায় প্রতিদিন সবজি কেনাবেচায় লেনদেন হয় ৫০ লাখ টাকা, অন্য সময়ের তুলনায় তা বেশ কম বলে দাবি বাজার সেখানকার ব্যবসায়ীদের।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop