৭:১৬ অপরাহ্ন

বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : মে ৬, ২০২১ ১১:১৯ পূর্বাহ্ন
সবজি বাগানের আড়ালে চলছে গাঁজা চাষ
কৃষি বিভাগ

নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে শাক-সবজির চাষের আড়ালে গাঁজা চাষ করছেন ওখানকার আলমগীর ও জাহাঙ্গীর নামে দুই ভাই। তারা এসও রোড এলাকার সুস্তিপুর মাঠে বিআইডব্লিউটিএ (বাংলাদেশ ইনল্যান্ড ওয়াটার ট্রান্সপোর্ট) এর জায়গায় শাক-সবজির আড়ালে গাঁজার চাষ করছেন বলে অভিযোগ এলাকাবাসীর। মাদকবিরোধী আইনে একাধিক মামলাও রয়েছে তাদের দু‘ভাইয়ের বিরুদ্ধে।

জানা যায়, বিশাল জায়গা জুড়ে আলাদা আলাদা সীমানায় অসংখ্য শাক-সবজির বাগান রয়েছে। সেখানে বিভিন্ন ধরনের শাক-সবজির চাষ হচ্ছে। পুরো বাগানটি সবুজে ছেয়ে গেছে। এরই মধ্যে জাহাঙ্গীর ও আলমগীর ছোট্ট একটি অংশে পাট শাক, পুঁই শাকসহ নানান ধরনের শাক ও সবজির চাষ করেছে। এর এক পাশে ছোট একটি বাঁশের খুঁটিকে ভর করে প্রায় ৩ ফুটের মত লম্বা বড় একটি গাঁজা গাছ বেড়ে উঠেছে। বাতাসে যেন গাঁজা গাছ হেলে না পড়ে সেজন্য দেওয়া হয়েছে বাঁশের খুঁটি। গাছ লম্বায় বড় হয়েছে প্রায় ৩ ফুট।

খবরটি এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে মুহূর্তেই নারী-পুরুষের ভিড় জমে সবজির বাগানটির পাশে।

স্থানীয় একজন বাসিন্দা জানান, অনেক আগ থেকেই আলমগীর ও জাহাঙ্গীর এখানে শাক-সবজির চাষ করে। আমরা এলাকাবাসী এমন কর্মকাণ্ডে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছি। বাংলাদেশ ট্যাংক-লরি শ্রমিক ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আশ্রাফ উদ্দিনের অফিসের পাশে গতকালও (৩ মে) সমপরিমাণের একটি গাঁজা গাছ পাওয়া গেছে। বিষয়টি থানায় জানানো হলে পুলিশ এসে গাছটি উঠিয়ে ধ্বংস করেছে।

এলাকাবাসী জানান, বাগানটি বিআইডব্লিউটিএ’র জায়গা। স্থানীয়রা নিজেদের মত করে জায়গা দখল করে বাগান করেছে। গাঁজা গাছ চাষের জমিটিতে আলমগীর ও জাহাঙ্গীর নামে দুজন বাগান করতো। তাদের বিরুদ্ধে থানায় একাধিক মাদক মামলা আছে।

এ বিষয়ে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মশিউর রহমান জানান, একই এলাকায় দুইদিনে গাঁজা গাছ পাওয়ার বিষয়টি জেনেছি আমরা। ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে বলে তিনি জানান।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মে ৫, ২০২১ ৩:৩১ অপরাহ্ন
বোরো ধান ঘরে তুলতে ব্যস্ত দক্ষিণাঞ্চলের কৃষকরা
কৃষি বিভাগ

দীর্ঘ কয়েক মাসের অপেক্ষার পর চলছে বোরো ধান ঘরে তোলার কার্যক্রম। চলছে ধান কাটা। দক্ষিণাঞ্চলের অনেকেই ঘরে তুলেছেন ধান আবার অনেকে এরই মধ্যে শুরু করেছেন ধান কাটার কাজ। কেউবা শুরু করলেন সনাতন পদ্ধতিতে আবার বেশির ভাগ কৃষক শুরু করছেন হারভেস্টারসহ বিভিন্ন মেশিন দিয়ে ধান মাড়াইয়ের কাজ।

কৃষকরা বলছেন, গত বছর ধানের ফলন ভালো হয়েছিলো, আর এবছরও ফলন ভালো হলেও বৃষ্টিপাত কম হওয়ার কারণে ধানে চিটা রয়েছে। আর বাগেরহাট, মাদারীপুর ও রাজবাড়ীসহ দূরবর্তী জেলা থেকে আসা ধান কাটা শ্রমিকরা বলছেন, দেশি প্রজাতির ধানের থেকে এবছর হাইব্রিড ধানের ফলন ভালো হয়েছে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, চলতি বোরো মৌসুমে বরিশাল জেলার মধ্যে আগৈলঝাড়া, গৌরনদী ও উজিরপুর উপজেলায় বেশি আবাদ হয়েছে। যেখানে ফলনও ভালো হয়েছে।

আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে বোরোর ভালো ফল পাওয়ার কথা উল্লেখ গৌরনদী উপজেলা কৃষি অফিসার মো. মামুনুর রহমান জানান, এবছর গৌরনদী উপজেলার ছয় হাজার ১৫০ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদ হয়েছে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর বরিশাল জেলার উপ-পরিচালক হৃদয়েশ্বর দত্ত জানান, গত বছর কৃষকরা ধানের ন্যায্যমূল্যে পাওয়ায় এবছর অনাবাদি বহু জমি বোরো চাষের আওতায় এসেছে। ফলে জেলায় বোরোর কাঙ্খিত লক্ষামাত্রা অর্জিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানাগেছে, চলতি বোরো মৌসুমে বরিশাল জেলায় ৫২ হাজার ৮শত ৮২ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদ হয়েছে। এরমধ্যে ২৫ হাজার ১৪২ হেক্টর জমিতে হাইব্রিড, ২৫ হাজার ১০ হেক্টর জমিতে উফসি ও দুই হাজার ৩০ হেক্টর জমিতে স্থানীয় জাতের বোরো আবাদ হয়েছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মে ৫, ২০২১ ৩:০৭ অপরাহ্ন
ধান-চাল ক্রয়ের জন্য অত্যন্ত যৌক্তিক দাম নির্ধারণ করা হয়েছে: কৃষিমন্ত্রী
কৃষি বিভাগ

কৃষিমন্ত্রী ড. মো: আব্দুর রাজ্জাক এমপি বলেছেন, সরকারিভাবে ধান-চাল সংগ্রহ কর্মসূচি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। গতবছর নানা কারণে লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী ধান-চাল সংগ্রহ করা সম্ভব হয় নি। তবে গত বছরের সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে এ বছর ধান-চালের অত্যন্ত যৌক্তিক দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। যা বাজারের সাথে খুবই সঙ্গতিপূর্ণ। ফলে, লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী এ বছর ধান-চাল সংগ্রহ করা সম্ভব হবে।
কৃষিমন্ত্রী আজ বুধবার সচিবালয়ের অফিস কক্ষ থেকে ভার্চুয়ালি খুলনা জেলায় ‘কৃষকের অ্যাপ’ এ সরাসরি কৃষকের নিকট থেকে লটারির মাধ্যমে ধান ক্রয় কার্যক্রমের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ কথা বলেন। খুলনা জেলা প্রশাসন এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
কৃষিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কৃষি ও কৃষকবান্ধব। কৃষকের মুখে হাসি ফোটানোই তাঁর লক্ষ্য। তাই তিনি কৃষিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কৃষির উন্নয়ন ও কৃষকের কল্যাণে নানামুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন। তাঁর নেতৃত্ব, দূরদর্শিতা ও প্রজ্ঞার ফলেই অতি অল্প সময়ে বাংলাদেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়েছে। খাদ্য উৎপাদন ও খাদ্য নিরাপত্তায় এই অভূতপূর্ব সাফল্য সারা পৃথিবীর কাছে আজ এক বিস্ময়ে পরিণত হয়েছে।
খুলনার কৃষিতে বিপ্লব আনা হবে উল্লেখ করে মন্ত্রী আরও বলেন, খুলনাসহ দক্ষিণাঞ্চলের লবণাক্ত জমিতে কৃষির আমূল পরিবর্তনে সরকার কাজ করছে। লবণাক্ত জমিতে চাষের উপযোগী ফসলের বিভিন্ন জাত ও প্রযুক্তি ইতোমধ্যে উদ্ভাবিত হয়েছে। এগুলো চাষের মাধ্যমে লবণাক্ত জমিতে অনেক সাফল্য এসেছে। আরও নতুন জাত ও প্রযুক্তি উদ্ভাবন অব্যাহত থাকবে যাতে করে দক্ষিণাঞ্চলের লবণাক্ত জমিতে কৃষি বিপ্লব ঘটানো যায়।
খুলনার জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হেলাল হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্থানীয় সংসদ সদস্য নারায়ন চন্দ্র চন্দ, খাদ্যসচিব ড. মোছাম্মৎ নাজমানারা খানুম, খুলনার বিভাগীয় কমিশনার মো: ইসমাইল হোসেন প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হেলাল হোসেন বলেন, গত বছর খুলনা জেলাতে ডিজিটালি লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী শতভাগ ধান-চাল সংগ্রহ করা সম্ভব হয়েছিল। চলতি বছরেও লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করা সম্ভব হবে। এসময় তিনি কৃষিমন্ত্রীর পক্ষে কৃষকের হাতে ধান ক্রয়ের প্রতিকী মূল্য তুলে দেন।
শেয়ার করুন

প্রকাশ : মে ৫, ২০২১ ১০:৩০ পূর্বাহ্ন
সানোড়ায় পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তিতে নিরাপদ সবজি চাষ
কৃষি বিভাগ

ধামরাইয়ের সানোড়া ইউনিয়নকে পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তির মাধ্যমে নিরাপদ ফসল উৎপাদন প্রকল্পের আওতায় আইপিএম মডেল ইউনিয়ন হিসেবে নির্বাচন করা হয়েছে। অত্র ইউনিয়নে ৫০০ কিষান-কিষানিকে তালিকাভুক্ত করে তাদের ২৫ সদস্যবিশিষ্ট ২০টি দলে ভাগ করা হয়েছে এই প্রকল্পের আওতায়।

জৈব সার, জৈব বালাইনাশক, রবি ও খরিপ-১ মৌসুমে বিভিন্ন ধরনের সবজি বীজ, জমি ও মাচা তৈরির উপকরণ, ফেরোমন ফাঁদ, হলুদ ও নীল আঠালো ফাঁদসহ নানা ধরনের উপকরণ দিয়ে তাদের সহায়তা করা হচ্ছে বলে জানান উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. আরিফুল হাসান। এ ছাড়াও প্রত্যেক দলকে দেওয়া হয়েছে একটি করে নেট হাউজ সহায়তা।

পরিবেশবান্ধব পদ্ধতিতে নিরাপদ সবজি উৎপাদনের জন্য চাষিদের পাঁচটি সেশনে আধুনিক প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে।

এছাড়া উৎপাদিত পণ্যসামগ্রী সহজ বাজারজাতকরণ ও ভোক্তাদের সহজ প্রাপ্তির জন্য উন্নত বাজার ব্যবস্থা হিসেবে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্যোগে স্থানীয় বাজার হিসেবে ডাউটিয়া চেয়ারম্যানের আড়তে নিরাপদ সবজি বিক্রয় কেন্দ্র, রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে কৃষকের বাজার এবং অনলাইন মার্কেটিংয়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

উৎপাদিত কৃষি পণ্যের সহজ পরিবহন, সময় ও পরিবহন ব্যয় বাঁচাতে প্রত্যেক দলকে একটি করে উন্নতমানের মোট ২০টি রিকশাভ্যান দেওয়া হয়েছে।

স্থানীয় চাষিরা সরকারি সহায়তা প্রাপ্তির কথা স্বীকার করলেও তারা জানান, তারা যে সহায়তা পেয়েছেন তা তাদের চাহিদার তুলনায় যথেষ্ট নয়। আরো সহায়তা বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন তারা।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মে ৫, ২০২১ ৯:৩৯ পূর্বাহ্ন
আরবের সাম্মাম চাষে লাভবান হওয়ার স্বপ্ন দেখছেন আজিজ
কৃষি বিভাগ

মরু অঞ্চলের ফসল হিসেবে পরিচিত সাম্মাম চাষ করে লাভবান হওয়ার স্বপ্ন দেখছেন সদর উপজেলার ভাদসা ইউনিয়নের গোপালপুর গ্রামের কৃষক আব্দুল আজিজ।

সরেজমিন সাম্মামের ক্ষেত ঘুরে দেখা যায়, অধিক পুষ্টি গুণাগুন সমৃদ্ধ মরু অঞ্চলের ফসল সাম্মামের জমিতে শেষ সময়ের পরিচর্যা চলছে। আগামী ১৫/২০ দিনের মধ্যে ওই ফসল বিক্রি করার উপযুক্ত হবে বলে জানান, কৃষক আব্দুল আজিজ।

বাণিজ্যিকভাবে ব্যাপক সম্ভাবনা থাকলেও স্থানীয়ভাবে এ ফসলের সঙ্গে কেউ পরিচিত নন। তাই ঢাকা থেকে আসা এক পার্টির নিকট এগুলো বিক্রি করা হবে।

স্থানীয় বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ’ জাকস ফউন্ডেশনের’ কারিগরি সহায়তায় ৩৩ শতাংশ জমিতে এ প্রথম সাম্মাম চাষ করেছেন কৃষক আব্দুল আজিজ। ইংরেজিতে ’রক মেলন’ বলা হলেও একেক দেশে একেক নামে পরিচিত। বিশেষ করে মরু অঞ্চলের দেশগুলোতে এটি বেশি চাষ হয়ে থাকে।

রক মেলন, সুইট মেলন, মাস্ক মেলন, হানিভিউ মেলন, গালিয়া মেলন ও পার্সিয়ান মেলন নামে পরিচিত। সৌদি আরবে একে আরবীতে বলা হয় ’সাম্মাম’। দেখতে অনেকটা বেবী তরমুজের মতো তবে রং সাদাটে । খেতে তরমুজের মতো সুস্বাদু। ভেতরে অনেকটা দেশীয় বাঙ্গির মতো। বীজ রোপণ থেকে শুরু করে ৭০ থেকে ৭৫ দিনের মধ্যে ফসল তোলা যায়। ৩৩ শতাংশ জমিতে ১২‘শ বীজ রোপণ করা হয়েছে। প্রতিটি গাছে ২ টি সাম্মাম ধরলে ২৪‘শ পিস সাম্মাম পাওয়া যাবে এমন প্রত্যাশার কথা জানান, কৃষক আব্দুল আজিজ।

চাষ পদ্ধতিও তরমুজের মতো। মালচিং, মাচা তৈরি, সার- বীজ, সেচ ,লেবার খরচ সহ ৩৫ হাজার টাকা খরচ হলেও প্রায় এক লাখ টাকার সাম্মাম বিক্রি হবে বলে আশা করেন চাষি আব্দুল আজিজ।

রক মেলন বা সাম্মামে রয়েছে প্রচুর পরিমানে ক্যালসিয়াম, লৌহ ও ভিটামিন। সাম্মামে শতকরা ৯৫ ভাগ জলীয় অংশ থাকায় মানবদেহে পুষ্টির চাহিদা পূরণসহ শরীরকে শীতল রাখতে সহায়তা করে বলে জানান, জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ পরিচালক কৃষিবিদ স ম মেফতাহুল বারি। জেলার ভাদসার গোপালপুর ও আক্কেলপুরের ভুতগাড়ি এলাকায় প্রায় ২ হেক্টর জমিতে এবার রক মেলন বা সাম্মাম চাষ হয়েছে বলেও জানান তিনি। জয়পুরহাটের মাটির গুণাগুণ অনুযায়ী এখানে বাণিজ্যিক ভাবে সাম্মাম চাষের সম্ভাবনা রয়েছে বলেও জানান, স ম মেফতাহুল বারি।-বাসস।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মে ৪, ২০২১ ১১:৫৮ অপরাহ্ন
অল্প পুঁজিতে অধিক লাভে নালিম চাষে ঝুঁকছেন চাষিরা
কৃষি বিভাগ

মাগুরায় নালিম চাষে আগ্রহ বাড়ছে চাষিদের। অল্প পুঁজি বিনিয়োগ করে অধিক মুনাফা পাওয়ায় মাগুরা চাষিরা এখন নালিম চাষের দিকে ঝুঁকছেন। কৃষি অফিসের তথ্যমতে মাত্র ৩০ দিনে একটি নালিম গাছ থেকে আয় হচ্ছে প্রায় এক হাজার টাকা। এতে কৃষকরাও খুব খুশি।

জেলা কৃষি বিভাগের সূত্রমতে, চলতি মৌসুমে মাগুরা সদরের ইছাখাদা, মুছাপুর, সত্যপুর, হাজরাপুর, হাজিপুর, নালিয়ালডাঙ্গি, শিবরামপুর ও নড়িহাটি গ্রামসহ মোট ১৬০ হেক্টর জমিতে নালিম চাষ হয়েছে। প্রতিটি ফল ৩ থেকে সাড়ে ৪ কেজি পর্যন্ত হয়ে থাকে। প্রায় ৩ মাসের জীবনকাল থাকায় খুব অল্প সময়ে কৃষকরা এটি বিক্রির মাধ্যমে নগদ অর্থ ঘরে তুলতে পারে। বর্তমানে বাজারে প্রতি পিস নালিম ১৫-২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে বলেও কৃষি বিভাগ জানিয়েছন।

মাগুরা সদরের ইছাখাদা গ্রামের রজব আলী মোল্যা জানান, রমজানে নালিমের বেশ চাহিদা রয়েছে। প্রতি ট্রাক নালিম ৬০ হাজার থেকে ৮০ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যেখানে গত বছর এক লাখ টাকার ওপরে বিক্রি করেছি। এ বছ্র ফলন ভালো না হলেও ভালই লাভ থাকবে বলে তিনি জানান।

মুছাপুর এলাকার একজন কৃষক, এ বছর ঘেরের আইলে এবং বসতবাড়ির আঙিনায় প্রায় ৫০টি বীজ বুনি। এবারে খরায় প্রত্যাশামতো ফলন হয়নি। এরই মধ্যে ৫০টির বেশি ফল বিক্রি করেছি। নালিম চাষাবাদে পরিচর্যা তেমন লাগে না। আমি নালিমের মাদায় জৈব সার ব্যবহার করেছি ।

কৃষি বিভাগ বলছে, নালিম একটি উচ্চমূল্যের ফসল। মাগুরার আবহাওয়া নালিম চাষের জন্য অনুকুল। ঘেরের আইলে সবজির পাশাপাশি এটা চাষ করলে কৃষক অত্যন্ত লাভবান হবেন। এটি সম্প্রসারণে আমরা কাজ করবো এবং আগামীতে এর আবাদ এলাকা আরও বৃদ্ধি পাবে বলেও জানাচ্ছেন কৃষি বিভাগ।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মে ৪, ২০২১ ৭:৪৭ অপরাহ্ন
সরাইলে বাদীপক্ষের ফসল কেটে নিলো আসামিরা
কৃষি বিভাগ

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সরাইলে জেল থেকে এসে রাতের আঁধারে বাদীপক্ষের জমির আধাকাঁচা ধান কেটে নিয়েছে হত্যা মামলার আসামিরা। এতে উভয়পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে।

উপজেলার কাটানিসার গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে।

জানা যায়, গত শনিবার দুপুরে গ্রামে অভিযান চালিয়ে পুলিশ আলী রহমান ও মজিবুর রহমান নামে দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছেন। আধিপত্য বিস্তার, পূর্ব শত্রুতা, নির্বাচন ও জায়গা জমিকে কেন্দ্র করে কাটানিসার গ্রামের বর্তমান ইউপি সদস্য মিজান মিয়ার সঙ্গে অলি মিয়ার বিরোধ দীর্ঘদিনের। উভয়পক্ষ প্রায়ই সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। তাদের মধ্যে বাড়িঘর ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনাও ঘটেছে। সংঘর্ষে আহত হয়ে নিহত হয়েছেন আনোয়ারা বেগম নামে এক নারী।

বকুল মিয়াকে প্রধান আসামি করে ৯০ জনের বিরুদ্ধে আদালতে হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। মামলার আসামী গ্রেপ্তারকৃত বকুল মিয়া ও মুজিবুর রহমান জামিনে বের হয়ে এসেই বেপরোয়া হয়ে উঠেছেন। তাদের নেতৃত্বে আসামিরা নিহত আনোয়ারো বেগমের দেবর বজলুর রহমানের ৫ কানি জমির আধাকাঁচা ইরি ধান গভীর রাতে কেটে নিয়ে গেছে।

ইউপি চেয়ারম্যান কাজল চৌধুরী জানান, তাদের সংঘাত সংঘর্ষের কারণে গত বছর গ্রামের লোকজন দুটি ঈদই করতে পারেনি। পরিবারের মহিলা ও শিশুরা অবর্ণনীয় কষ্ট ভোগ করেছে বলে তিনি জানান।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মে ৪, ২০২১ ১০:৪৪ পূর্বাহ্ন
বোরোর আবাদে লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়েছে নীলফামারীর চাষিরা
কৃষি বিভাগ

আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এবার নীলফামারী জেলায় লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি জমিতে বোরো আবাদ হয়েছে। সঠিক সময়ে মধ্যে বীজ, সার এবং সেচের ঘাটতি না হওয়ায় ফলনও হয়েছে ভালো। এতে কৃষকদের মুখে যেন ফুটে আছে আনন্দের হাসি।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ দপ্তর জানায়, চলতি বছরে ৮১ হাজার হেক্টর জমিতে বোরো আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। সেখানে আবাদ হয়েছে ৮১ হাজার ৫৩৫ হেক্টর জমিতে। গড় ফলন ধরা হয়েছে ৩ লাখ ৬৪ হাজার মেট্রিক টন চাল। আবহাওয়া অনুক’লে থাকায় সঠিক সময়ে চারা রোপণ, সেচ ও সার প্রয়োগের ফলে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অধিক উৎপাদন হবে।

জেলায় অর্জিত ৮১ হাজার ৫৩৫ হেক্টরের মধ্যে জেলা সদরে ২৩ হাজার ৬৯০ হেক্টর, সৈয়দপুরে ৭ হাজার ৭০৫ হেক্টর, ডোমারে ১৩ হাজার ১৮৫ হেক্টর, ডিমলায় ১১ হাজার ১৬৫ হেক্টর, জলঢাকায় ১৪ হাজার ৬৬০ হেক্টর ও কিশোরগঞ্জ উপজেলায় ১১ হাজার ১৩০ হেক্টর রয়েছে।

জেলা সদরের পঞ্চপুকুর ইউনিয়নের দিঘলটারী গ্রামের কৃষক আবুল কালাম বলেন, ‘এবার ৫ বিঘা জমিতে বোরো আবাদ করেছি। আবহাওয়া অনুক’লে থাকায় এবং সার, সেচের ঘাটতি না হওয়ায় প্রতি বিঘায় ২৫ থেকে ৩০ মণ ধানের আশা করছি। মাঠে ধান পেকেছে, এখন কাটার প্রস্তুতি নিচ্ছি।’

সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কামরুল হাসান জানান, ‘চলতি বোরো মৌসুমের শুরু থেকে কৃষি ভিাগের কর্মকর্তারা মাঠপর্যায়ে থেকে কৃষকদের পরামর্শ প্রদান করেছেন। এতে সময়ে চারা রোপণ, সার, সেচ প্রদান করতে পারায় ফল ভালো হয়েছে। আবহাওয় অনুক’লে থাকায় রোগবালাই কম হয়েছে বলে তিনি জানান।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মে ৩, ২০২১ ৫:৫৭ অপরাহ্ন
বরিশালে ভাসমান কৃষির ওপর কৃষক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত
কৃষি বিভাগ

নাহিদ বিন রফিক (বরিশাল): বরিশালে ভাসমান বেডে সবজি ও মসলা চাষ গবেষণা, সম্প্রসারণ ও জনপ্রিয়করণ প্রকল্পের আয়োজনে ভাসমান কৃষির আধুনিক প্রযুক্তির ওপর কৃষক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়।

আজ সোমবার(৩ মে) বরিশালের আঞ্চলিক কৃষি গবেষণা কেন্দ্রে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এ উপলক্ষে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন বরিশালের আঞ্চলিক কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের (আরএআরএস) মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. রফি উদ্দিন।

তিনি বলেন, ভাসমান কৃষিতে কোনো কীটনাশকের প্রয়োজন হয় না। পোকা দমনের জন্য জৈবিক পদ্ধতি ব্যবহার করলেই চলে। তাই ফসল থাকে নিরাপদ। আর এসব ফসল স্বাদে-গুণে অনন্য। তাই বাজারমূল্যও ভালো।

আয়োজক প্রতিষ্ঠানের প্রকল্প পরিচালক ড. মো. মোস্তাফিজুর রহমান তালুকদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন আরএআরএস’র প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. আলিমুর রহমান।

বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. মাহবুবুর রহমানের সঞ্চলনায় অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. রফিকুল ইসলাম, এসএসও ড. আনওয়ারুল মোনিম, বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. রাজি উদ্দিন, এসও মো. মাহবুবুর রহমান, এসও স্মৃতি হাসনা, কৃষি তথ্য সার্ভিসের কর্মকর্তা নাহিদ বিন রফিক প্রমুখ।

প্রশিক্ষণে বরিশালের বাবুগঞ্জ, উজিরপুর এবং আগৈলঝাড়ার ৩০ জন কৃষাণ-কৃষাণী অংশগ্রহণ করেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মে ২, ২০২১ ৭:৫৭ অপরাহ্ন
লকডাউনেও কৃষি মন্ত্রণালয় ও মাঠ পর্যায়ের অফিস খোলা রয়েছে
কৃষি বিভাগ

চলমান লকডাউনেও খোলা রয়েছে জরুরি পরিষেবার সাথে সংশ্লিষ্ট কৃষি মন্ত্রণালয় ও এর অধীন দপ্তর/সংস্থাসমূহের অফিস। কৃষি মন্ত্রণালয় সীমিত পরিসরে ও মাঠ পর্যায়ের বিশেষ করে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মাঠ পর্যায়ের অফিসগুলো স্বাস্থ্যবিধি মেনে খোলা রয়েছে।
লকডাউনের শুরু থেকেই বোরো ধান কর্তনের জন্য কম্বাইন হারভেস্টার, রিপারসহ কৃষিযন্ত্র বিতরণ ও আন্ত:জেলা শ্রমিক পরিবহণে সহযোগিতা দেয়াসহ বিভিন্ন জরুরি কাজের জন্য খোলা রয়েছে অফিসগুলো। তাছাড়া, আউশের প্রণোদনা; সার,বীজ,কীটনাশক প্রভৃতি উপকরণ বিতরণের কাজও সুষ্ঠুভাবে চলমান আছে।
মন্ত্রণালয়ে স্বাস্থ্যবিধি মেনে সীমিত আকারে অফিস খোলা রেখে জরুরি কার্যক্রম চলমান আছে। মন্ত্রণালয়ের অধীন বিভিন্ন দপ্তর/সংস্থাসমূহের মাঠ পর্যায়ের অফিসের সাথে প্রণোদনা, কৃষি উপকরণ ও ধান কাটাসহ প্রয়োজনীয় বিষয়ে সমন্বয়ের জন্য অতিরিক্ত সচিববৃন্দের নেতৃত্বে প্রতিদিন একটি করে টিম সচিবালয়ে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে। অতিরিক্ত সচিব (সম্প্রসারণ) মো: হাসানুজ্জামান কল্লোল সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করছেন।
পাশাপাশি, রোস্টারভিত্তিতে উপসচিবদের নেতৃত্বে একটি ‘মনিটরিং সেল’ সচিবালয়ে কাজ করে যাচ্ছে। এছাড়া, কৃষিমন্ত্রী এবং সিনিয়র সচিব নিয়মিতভাবে সংস্থাপ্রধানসহ মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সাথে ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্মে জরুরি সভা করছেন ও প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করে যাচ্ছেন। অগ্রাধিকারভুক্ত প্রকল্পসমূহ বাস্তবায়নের কাজ ও ই-নথির মাধ্যমে সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়াও চলমান আছে। দপ্তরগুলোর মধ্যে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ও এর মাঠ পর্যায়ের জেলা-উপজেলা অফিসগুলো খোলা রয়েছে। অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো: আসাদুল্লাহ নিয়মিতভাবে অফিস করন। তিনি ও অধিদপ্তরের অন্যানা ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ মাঠ পর্যায়ে প্রয়োজনীয় পরিদর্শন অব্যাহত রেখেছেন।
কৃষিমন্ত্রী ড. মো: আব্দুর রাজ্জাক এমপি ও সিনিয়র সচিব মো: মেসবাহুল ইসলাম মন্ত্রণালয়ে জরুরি প্রয়োজনে অফিস করার পাশাপাশি সরেজমিনে মাঠের কার্যক্রম পরিদর্শন অব্যাহত রেখেছেন। করোনার ঝুঁকির মধ্যেও হাওরে বোরো ধানের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ, ধান কাটার যন্ত্র কম্বাইন হারভেস্টার, রিপার বিতরণ ও ধান কাটায় উৎসাহ দিতে ইতোমধ্যে তাঁরা হবিগঞ্জের বানিয়াচং ও কিশোরগঞ্জের মিঠামইনের হাওরে ছুটে গিয়েছেন। এছাড়া, গাজীপুরে ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট পরিদর্শন করে দ্রুত ‘উচ্চ তাপমাত্রা সহনশীল’ ধানের জাত উদ্ভাবনের নির্দেশনা দিয়েছেন।
লকডাউনে এসব উদ্যোগের ফলে মাঠ পর্যায়ে ধান কাটার যন্ত্র কম্বাইন হারভেস্টার ও রিপারের সর্বোচ্চ ব্যবহার, কৃষি উপকরণের সরবরাহ, হাওরে বোরো ধান কর্তন ও শ্রমিকের নির্বিঘ্ন যাতায়াত সচল রাখা সম্ভব হয়েছে।
শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop