৯:০৫ অপরাহ্ন

মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : অক্টোবর ১৫, ২০২১ ৫:১৪ অপরাহ্ন
করোনাকালেও সকল ফসলের উৎপাদন বেড়েছে: কৃষিমন্ত্রী
প্রাণিসম্পদ

কৃষিমন্ত্রী ড. মো: আব্দুর রাজ্জাক এমপি বলেছেন, করোনাকালে খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনা অনুযায়ী কৃষি মন্ত্রণালয় সময়োপযোগী পদক্ষেপ গ্রহণ ও তা বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে। ফলে করোনাকালেও দেশে খাদ্য উৎপাদনের ধারা অব্যাহত রয়েছে ও তা আরো বৃদ্ধি পেয়েছে।

২০২০-২১ অর্থবছরে রেকর্ড বোরো উৎপাদন হয়েছে ২ কোটি টনেরও বেশি, যা দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। গত বছরের তুলনায় এ বছর সকল ফসলের উৎপাদনই বেড়েছে। মোট চালের উৎপাদন হয়েছে ৩ কোটি ৮৬ লাখ টন, গম ১২ লাখ টন, ভুট্টা প্রায় ৫৭ লাখ টন, আলু ১ কোটি ৬ লাখ টন, শাকসবজি ১ কোটি ৯৭ লাখ টন, তেল ফসল ১২ লাখ টন ও ডাল ফসল ৯ লাখ টন।.

বিশ্ব খাদ্য দিবস ২০২১ উদযাপন উপলক্ষ্যে ঢাকার ফার্মগেটে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিলের (বিএআরসি) মিলনায়তনে প্রেস ব্রিফিংয়ে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

কৃষি মন্ত্রণালয় এবং জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও) আয়োজিত এ প্রেস ব্রিফিংয়ে সভাপতিত্ব করেন কৃষি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো: মেসবাহুল ইসলাম ও গেস্ট অব অনার হিসেবে বক্তব্য রাখেন এফএওর বাংলাদেশ প্রতিনিধি রবার্ট ডি. সিম্পসন। এসময় কৃষি মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ ও সংস্থাপ্রধানগণ উপস্থিত ছিলেন।.

মন্ত্রী বলেন, পেঁয়াজে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনে একবছরেই কৃষি মন্ত্রণালয় ৭ লাখ টন উৎপাদন বৃদ্ধি করতে সক্ষম হয়েছে। এবছর ৩৩ লাখ টন পেঁয়াজ উৎপাদন হয়েছে।.

ড. রাজ্জাক আরও বলেন, বিশ্বের অনেক দেশ খাদ্য সংকটে পড়লেও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনায় ও আমাদের সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সব দুর্যোগ মোকাবিলা করে দেশের খাদ্য উৎপাদনের চলমান ধারা অব্যাহত রাখতে পেরেছি। ভবিষ্যতেও রাখতে পারব- এ আশা করি।.

আগামীকাল ১৬ অক্টোবর শনিবার কৃষি মন্ত্রণালয় ও জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও) এর যৌথ উদ্যোগে বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও পালিত হবে ‘বিশ্ব খাদ্য দিবস-২০২১। এবারের প্রতিপাদ্য হলো ‘আমাদের কর্মই আমাদের ভবিষ্যৎ- ভালো উৎপাদনে ভালো পুষ্টি, আর ভালো পরিবেশেই উন্নত জীবন’ (Our actions are our future- Better Production, better nutrition, a better environment and a better life).

ব্রিফিংয়ে জানান হয়, দিবসটির গুরুত্ব তুলে ধরতে কৃষি মন্ত্রণালয় বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। কাল শনিবার দিবসের প্রথমভাগে সকালে ঢাকার হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে প্রতিপাদ্যের উপর একটি আন্তর্জাতিক সেমিনারের আয়োজন করা হয়েছে। এ সেমিনারে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন।.

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবর্ষ স্মরণীয় করে রাখার জন্য কৃষি মন্ত্রণালয় বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম গ্রহণ করেছে। তার অংশ হিসেবে এ সেমিনারে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল (বিএআরসি) প্রকাশিত ‘100 Years of Agricultural Development in Bangladesh’ বইয়ের মোড়ক উন্মোচন এবং বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ব্রি) উদ্ভাবিত ‘বঙ্গবন্ধু ধান ১০০ অবমুক্ত করবেন। এছাড়া, প্রধানমন্ত্রী ‘বঙ্গবন্ধু ধান ১০০ দিয়ে নির্মিত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতি উন্মোচন করবেন।.

বাংলাদেশে ১০০ বৎসরের কৃষি উন্নয়ন বইটিতে ১৯২১ সাল থেকে আজকের বাংলাদেশ পর্যন্ত ধারাবাহিক কৃষি বিষয়ক উন্নয়নে গবেষণা, সম্প্রসারণ, শিক্ষা ইত্যাদির প্রচেষ্টা ও ফল বর্ণনা করা হয়েছে এবং এই ধরনের বই বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথম। বঙ্গবন্ধু ধান ১০০ বোরো মৌসুমের উচ্চ জিংকসমৃদ্ধ ধানের জাত। এতে জিংকের পরিমাণ ২৫.৭ মিলিগ্রাম/কেজি যা জিংকের অভাব পূরণে ব্যাপক ভূমিকা রাখবে।.

অন্যান্য কর্মসূচির মধ্যে আন্তর্জাতিক সেমিনারের পর বিকালে খাদ্য নিরাপত্তার চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় করণীয় নিয়ে একটি কারিগরি সেশন অনুষ্ঠিত হবে। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে কৃষিমন্ত্রী উপস্থিত থাকবেন। সেখানে দেশে বিদেশের কৃষি ও খাদ্য বিষয়ে প্রথিতযশা বিশেষজ্ঞগণ অংশগ্রহণ করবেন। এছাড়া, জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।.

মন্ত্রী আরও বলেন, বর্তমান সরকার সকলের জন্য নিরাপদ ও পুষ্টিকর খাদ্যের নিশ্চিত করতে সচেষ্ট রয়েছে। সেজন্য, একটি টেকসই খাদ্য ব্যবস্থা উন্নয়নে ‘জাতীয় কৃষি নীতি ২০১৮’, জাতীয় কৃষি সম্প্রসারণ নীতি ২০২০’ ‘জাতীয় কৃষি যান্ত্রিকীকরণ নীতি ২০২০’ ‘বাংলাদেশ উত্তম কৃষি চর্চা নীতিমালা ২০২০’ এবং‘ জাতীয় খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা নীতি ২০২০’ প্রণয়ন করা হয়েছে। এ সকল নীতির লক্ষ্য হলো খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিতের মাধ্যমে টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট অর্জন। .

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ১৪, ২০২১ ৫:০১ অপরাহ্ন
৭টি গরু চুরি, অসহায় হয়ে কাঁদছেন কৃষক!
প্রাণিসম্পদ

সারাবছর পালন করে ১-২ টা করে বিক্রির মাধ্যমে সংসার চালান কৃষক গঞ্জের আলী -সিনু দম্পতি। মাঠে কোন চাষযোগ্য জমি নেই। কিন্ত মঙ্গলবার দিবাগত গভীর রাতে গোয়ালের ৯ টি গরুর মধ্যে ৭ টি গরু চুরি হয়ে গেছে তাদের। আর দুটি ছোট বাছুর রেখে গেছে।এতে প্রায় ৬ লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি হয়েছে। ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ পৌর এলাকার ফয়লা গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। এ ব্যাপারে ক্ষতিগ্রস্থের স্ত্রী সিনু বেগম বাদি হয়ে কালীগঞ্জ থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন।

ক্ষতিগ্রস্ত গঞ্জের আলী জানান, প্রতিদিনের ন্যায় রাতে গরুগুলোকে খেতে দিয়ে নিজেরা ঘরে ঘুমিয়ে পড়েন। এরপর ভোর ৪ টার দিকে বাইরে বের হয়ে দেখেন গরু নেই। শুন্য গোয়াল পড়ে আছে। এরপর তাকিয়ে দেখেন বাড়ির মূলফটকের হুক কাটা দরজা আলগা করা। তখন বুঝতে পারেন গরুগুলো চুরি হয়ে গেছে। এরপর প্রতিবেশিদের ডাক দেন।

তিনি আরও বলেন, সড়কের পাশে বাড়ি হওয়ায় স্বশস্ত্র অবস্থায় চোরেরা পিকআপে তুলে নিয়ে গেছে গরুগুলো। যা গাড়ির চাকার দাগ দেগে বোঝা যাচ্ছে। তিনি আরও জানান, ভোরের দিকে এক রিকসাওয়ালা রিকসা নিয়ে পাশের নরেন্দ্রপুর গ্রামে যাচ্ছিল। এ সময় চোরেরা তাকে ধরে গাছের সাথে রশি দিয়ে বেধে রাখে। সে যেন হৈ চৈ করতে না পারে সে জন্য তার মুখ কাপড় দিয়ে বেধে ফেলে। সকালে রিকসাচালক যে, ভাষ্য দিয়েছেন তা অনেক ভয়ঙ্কর। কেননা চোরেরা নিজেরা মুখোশ পরিধান করে বড় বড় ধারালো দা ও দেশি অস্ত্রপাতি নিয়ে পিকআপে তুলে গরুগুলো নিয়ে যায়।

প্রতিবেশি জিল্লুর রহমান জানান, চোরেরা প্রাচীর ডিঙিয়ে বাড়ির ভিতরে প্রবেশ করেছে। এরপর বাড়ির গেটের হুক কেটেছে। কোন শব্দ হওয়ার ভয়ে বাড়ির বাইরে থাকা কাপড় দিয়ে গরুগুলোর মুখ বেধেছে তাও ফেলে যাওয়া কাপড় দেখে বোঝা যাচ্ছে। আবার রিকসাচালকের চোখ মুখ বাধলেও সে যেটা দেখে এখন বলছে গরুগুলো পিকআপে তুলে নিয়ে গেছে। যা হোক গঞ্জের আলী অত্যন্ত গরীব কৃষক। এখন তার সবকিছু শেষ হয়ে গেছে।

কালীগঞ্জ থানার ওসি তদন্ত মোতালেব হোসেন জানান, গরুচুরির ঘটনাটি সত্য। ভুক্তভোগী পরিবারের সিনু খাতুন বাদি হয়ে কালীগঞ্জ থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন। বিষয়টি দুঃখজনক। পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করছে বলে জানান তিনি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ১৪, ২০২১ ১২:৪৩ অপরাহ্ন
২ মাথা, ৩ চোখ নিয়ে বাছুরের জন্ম
প্রাণিসম্পদ

দু’টি মাথা, তিনটি চোখ নিয়ে এক বাছুর জন্ম নিল ভারতের উড়িষ্যায়। এমন অদ্ভুতদর্শন এক শাবকের জন্ম ঘিরে হুলস্থুল রাজ্যের নবরংপুরে। বাছুরটিকে মা দুর্গার অবতার হিসেবে পূজা করতে শুরু করে দিয়েছে এলাকার বাসিন্দারা।

স্থানীয় সংবাদ মাধ্যম জানায়, বিজাপুর গ্রামের ধনীরামের বাড়ি এখন এক দ্রষ্টব্য স্থান। গোটা গ্রাম তো বটেই, আশপাশ থেকেও মানুষ ছুটে আসছেন এখানে। এই বাড়িতেই যে জন্ম নিয়েছে বাছুরটি। গোটা ঘটনায় বিস্ময়ের ঘোর কাটছে খোদ ধনীরামেরও।

বছর দুয়েক আগে গরুটি তিনি কিনেছিলেন। সম্প্রতি সেটি গর্ভবতী হয়। কিন্তু প্রসবের সময় সমস্যা দেখা যায়। তখনই ধরা পড়ে আসল সমস্যা। দেখা যায় বাছুরটির দু’টি মাথা। স্বাভাবিক ভাবেই জন্মের পর থেকে স্তন্যপান করতে অসুবিধা হচ্ছে তার।

ধনীরামের কথায়, ‘বাছুরটি মায়ের দুধ খেতে পারছে না। তাই বাইরে থেকে দুধ কিনে এনে খাওয়াতে হচ্ছে ওকে।’

বাছুরটির জন্মের খবর ছড়িয়ে পড়তেই শোরগোল পড়ে যায়। স্থানীয়রা দাবি করতে থাকে, যেহেতু নবরাত্রিতে এমন অদ্ভুতদর্শন বাছুরের জন্ম হয়েছে, নিশ্চিত ভাবেই এটি মা দুর্গার অবতার। এরপরই শুরু হয়ে যায় বাছুরটিকে পূজা করা। দক্ষিণের দিকে বাছুরটির মুখ ফিরিয়ে রেখে পূজা করা হচ্ছে।

তবে এই ধরনের বাছুর বা অন্য পশুর শাবক জন্মানোর ঘটনা খুব বিরল নয়। জিনগত ত্রুটির কারণেই এই ধরনের অসঙ্গতিপূর্ণ, অস্বাভাবিক শাবকের জন্ম হয়। অনেক সময়ই তারা দীর্ঘায়ু হয় না।

কিন্তু এই ধরনের শাবকের জন্মের ক্ষেত্রে অনেক সময়ই উৎসুক জনতার ভিড় লক্ষ করা যায়। তেমন ভাবেই উড়িষ্যায় এই বাছুরটিকে ঘিরেও বাড়ছে স্থানীয় বাসিন্দাদের কৌতূহল।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ১৪, ২০২১ ১১:৪০ পূর্বাহ্ন
ব্রয়লার মুরগিকে টিকা দেওয়ার আগে সতর্কতা
পোলট্রি

আমাদের দেশে বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলে বর্তমানে অনেকেই মুরগি পালন করে স্বাবলম্বী হচ্ছেন। এসব খামারিদের মধ্যে অনেকেই ব্রয়লার মুরগি পালন করছেন। তবে, খামারে ব্রয়লার মুরগি পালনে টিকা দেওয়ার আগের সতর্কতাগুলো খামারিদের সঠিকভাবে জেনে রাখতে হবে।

ব্রয়লার মুরগি পালনে টিকা দেওয়ার আগের সতর্কতা:
ব্রয়লার মুরগিকে টিকা দেওয়ার ক্ষেত্রে কোন অসুস্থ মুরগিকে টিকা প্রদান করা যাবে না। এতে টিকার কার্যকারিতা নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি নানা জটিলতা দেখা দিতে পারে। এমনকি মুরগি আরও বেশি অসুস্থ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। টিকা দেওয়ার জন্য আবহাওয়া যখন ঠান্ডা সেই সময়ে টিকা দিতে হবে। এতে করে টিকা কার্যকর হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে ও মুরগির রোগের আশঙ্কাও অনেকাংশেই কমে যায়।

টিকা দেওয়ার জন্য ব্যবহৃত উপকরণসমূহ ফুটন্ত পানিতে সিদ্ধ করে নিতে হবে। এতে টিকার মাধ্যমে ব্রয়লার মুরগির শরীরে কোন জীবাণু প্রবেশ করতে পারবে না। ব্রয়লার মুরগিকে টিকা দেওয়ার সময় যত্ন সহকারে ধরতে হবে। খেয়াল রাখতে হবে যাতে কোনভাবেই মুরগি আঘাত না পায়। এতেও টিকার কার্যকারিতা নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

ব্রয়লার মুরগিকে টিকা দেওয়ার আগেই খেয়াল করতে হবে কোন ধকল আছে কিনা। ব্রয়লার মুরগিকে যে কোন ধরনের ধকলমুক্ত অবস্থায় টিকা প্রয়োগ করতে হবে। তা না হলে টিকার কার্যকারিতা নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা থাকবে।টিকা জীবাণুমুক্তকরণের জন্য রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহার করা যাবে না। এতে প্রদান করা টিকার কার্যকারিতা নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ১৩, ২০২১ ৫:৫৬ অপরাহ্ন
সয়াবিন মিল রপ্তানি বন্ধের সিদ্ধান্তে পোল্ট্রি ও ডেইরী খামারিদের মাঝে স্বস্তি
পোলট্রি

পোল্ট্রি, মৎস্য ও ডেইরি ফিড তৈরির অত্যাবশ্যকীয় উপকরণ সয়াবিন মিলের রপ্তানি ১৪ অক্টোবর থেকে বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। এ সিদ্ধান্তে খামারি, উদ্যোক্তা ও ফিড প্রস্তুতকারকদের মাঝে স্বস্তি নেমে এসেছে।

রপ্তানি বন্ধের সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রসঙ্গে গত ১২ অক্টোবর বাণিজ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক জারিকৃত এক প্রজ্ঞাপনে- মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় এবং প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের দু’টি পত্রের উল্লেখ করে বলা হয়েছে – “সয়াবিন মিল রপ্তানি অব্যাহত থাকলে, এর প্রভাবে ডেইরী ও পোল্ট্রি খাদ্য উৎপাদন মারাত্মকভাবে বাধাগ্রস্ত হতে পারে যার ফলশ্রæতিতে ডেইরী ও পোল্ট্রি খাদ্যের মূল্য বৃদ্ধি পাবে। এতে দেশের প্রাণিসম্পদ সেক্টরে বিরূপ প্রভাব পড়বে।” মূলত: সে কারনেই ডেইরী ও পোল্ট্রি সেক্টরের স্বার্থ রক্ষার্থে ১৪ অক্টোবর ২০২১ থেকে সয়াবিন মিল রপ্তানি বন্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হয়। তবে, ১৩ অক্টোবর ২০২১ তারিখ পর্যন্ত যেসব এলসি/টিটি সম্পন্ন হবে উক্ত পণ্যসমূহ ২০ অক্টোবর ২০২১ তারিখের মধ্যে রপ্তানি করা যাবে বলেও প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়।

রপ্তানি বন্ধের সিদ্ধান্তে স্বস্তি প্রকাশ করে ফিড ইন্ডাষ্ট্রিজ অ্যাসোসিয়েশন বাংলাদেশ (এফআইএবি) এর সভাপতি এহতেশাম বি. শাহজাহান বলেন, বাণিজ্য মন্ত্রণালয় কে আমরা ধন্যবাদ জানাই, দেরিতে হলেও এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করার জন্য।

এফআইএবি সাধারণ সম্পাদক মোঃ আহসানুজ্জামান বলেন, সয়াবিন মিল রপ্তানির সিদ্ধান্তে দেশীয় পোল্ট্রি, মৎস্য ও ডেইরী খাতের অভাবনীয় ক্ষতি হয়েছে। তিনি বলেন, রপ্তানি বন্ধ হওয়া ও ভারতে সয়াবিন মিলের সংকট কমে যাওয়ায় সয়াবিন মিলের স্থানীয় মূল্য অবশ্যই কমবে বলে আমি আশা করি।

সয়াবিন মিল রপ্তানি বন্ধে আপাত এক ধরনের স্বস্তি নেমে এলেও পোল্ট্রি ও ডেইরী খামারিরা অবশ্য বলছেন, রপ্তানি বন্ধের সিদ্ধান্তই যথেষ্ঠ নয় বরং সয়াবিন মিলের দাম পূর্বের অবস্থায় আনাও অত্যন্ত জরুরি। তা না হলে ফিডের দাম কমবে না; ফলে ডিম ও মুরগির উৎপাদন খরচও নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হবেনা। তাই সয়াবিন মিলের মূল্য মূল্য কমানোর জন্য তৈল উৎপাদনকারি প্রতিষ্ঠানসমূহের উপর চাপ প্রয়োগের আবেদন জানিয়েছেন পোল্ট্রি, মৎস্য ও ডেইরী খামারিরা।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ১২, ২০২১ ৬:৩৭ অপরাহ্ন
৪ ভিক্ষুকের মাঝে নগদ টাকাসহ গরু বিতরণ
প্রাণিসম্পদ

নোয়াখালীর সেনবাগের ভিক্ষুক পুর্নবাসন প্রকল্পের আওতায় ৪ ভিক্ষুকের মাঝে গরু বিতরণ করেছে সেনবাগ উপজেলা প্রশাসন। একটি দুগ্ধজাত গাভী ও গাভীর বাছুর এবং একটি ষাড় গরু সহ তিনটি গরু, সাথে এক মাসের জন্য দুই বস্তা গরুর খাবার ও রক্ষণা-বেক্ষণের জন্য নগদ টাকা তুলে দেওয়া হয় ভিক্ষুকের হাতে।

মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলা পরিষদের সামনে উপকার ভোগী ৪ ভিক্ষুকের হাতে এসব তুলে দেয়া হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন সেনবাগ উপজেলার নির্বাহী অফিসার মো. সাইফুল ইসলাম মজুমদার, সহকারী কমিশনার (ভূমি) ক্ষেমালিকা চাকমা, সেনবাগ থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি আবদুল বাতেন মৃধা, উপজেলা প্রকল্প বাস্তাবায়ন কর্মকর্তা অখিল শিকারী, মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার নাজিম উদ্দিন, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা নাছলুল্লাহ আল মাহমুদ, প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. ফজলুর রহমান, অজুনতলা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবদুল ওহাব বিএসসি, কাদরা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান পলাশ, সেনবাগ পৌরসভার প্যানেল মেয়র-২ সাখাওয়াত হোসেন সেলিম, প্যানেল মেয়র -২ খোরশেদ আলম প্রমুখ।

নির্বাহী অফিসার মো. সাইফুল ইসলাম মজুমদার জানান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অঙ্গীকার করেছেন দেশকে ভিক্ষুক মুক্ত করা হবে। এরই ধারাবাহিকতায় সেনবাগে ১৯ জন ভিক্ষুককে পুর্নবাসনের আওতায় আনা হয়েছে।

এরমধ্যে ১৫ জন ভিক্ষুককে দেওয়া হচ্ছে দুগ্ধজাত গরু ও গরুর বাছুর ও একটি ষাড় গরু। এছাড়াও ৪ জন ভিক্ষুককে দেওয়া হচ্ছে ব্যবসার করার পুঁজি দোকান। আজ গরু বিতরণের মধ্যদিয়ে পুর্নবাসন কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে। প্রতিজন উপকার ভোগীর বরাদ্দ করা হয়েছে একলক্ষ টাকা।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ১২, ২০২১ ৬:০০ অপরাহ্ন
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিভিত্তিক প্রায়োগিক শিক্ষায় গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী
প্রাণিসম্পদ

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিভিত্তিক প্রায়োগিক শিক্ষায় সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম এমপি।

মঙ্গলবার (১২ অক্টোবর) পিরোজপুর সদর উপজেলা পরিষদের সভা কক্ষে বিশ্ব শিক্ষক দিবস ২০২১ উপলক্ষ্যে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এ কথা জানান।

পিরোজপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. বশির আহমেদ, পিরোজপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার খায়রুল হাসান, পিরোজপুর জেলা মুক্তিযুদ্ধ সংসদের সাবেক কমান্ডার গৌতম নারায়ণ রায় চৌধুরীসহ স্থানীয় বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকবৃন্দ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

এ সময় মন্ত্রী আরো বলেন, “বর্তমান সরকার কারিগরী শিক্ষাকে প্রাধান্য দিচ্ছে। দক্ষ জনশক্তি তৈরির শিক্ষাকে প্রাধান্য দিচ্ছে। যাতে শিক্ষার্থীরা প্রশিক্ষণ নিয়ে দেশে ও দেশের বাইরে দক্ষ জনশক্তি হিসেবে নিজের মেধাকে কাজে লাগাতে পারে। বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করতে পারে। অতীতে গবেষণার সীমিত সুযোগ ছিল। শেখ হাসিনা সরকার প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণার জন্য আলাদা অর্থ বরাদ্দ দিচ্ছে। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে গবেষণাগার তৈরি করে দিচ্ছে, বিষয়ভিত্তিক বিশেষজ্ঞদের নিয়োগ দিচ্ছে। গতানুগতিক শিক্ষার বাইরে যে আধুনিক শিক্ষাকে কাজে লাগানো যায় সে শিক্ষার প্রসার করাই বর্তমান সরকারের লক্ষ্য। কারণ সার্টিফিকেটভিত্তিক শিক্ষা কোন কাজে আসে না”।

বাংলাদেশের ৫০ বছরের ইতিহাসে শেখ হাসিনার মতো শিক্ষাবান্ধব প্রধানমন্ত্রী আর আসে নি উল্লেখ করে এ সময় মন্ত্রী আরো যোগ করেন, “প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সময়ে শিক্ষা খাতে বাজেট অনেক বৃদ্ধি করা হয়েছে। তবে এ বাজেট আরো বাড়ানো দরকার। শিক্ষকদের আবাসন ব্যবস্থা দরকার, বেসরকারি শিক্ষকদের চাকরি শেষে জীবনযাপনের একটা নিশ্চয়তা থাকা দরকার। পাশাপাশি শিক্ষকদের মর্যাদার ধাপ আরো উপরে নেওয়া দরকার”।

পরে জাতীয় মহিলা সংস্থা, পিরোজপুর জেলা শাখা আয়োজিত কৃতি ছাত্রীদের সনদপত্র বিতরণ ও সুধি সমাবেশে যোগ দেন মন্ত্রী।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ১২, ২০২১ ১০:৩০ পূর্বাহ্ন
মুরগির খামারে খাদ্য অপচয়ে খামারী যা করবে
পোলট্রি

পোল্ট্রি খামারের দিকে বর্তমানে অধিক লাভ আর মাংসের চাহিদা পূরণে অনেকেই ঝুঁকছেন। তবে এই খাতে যদি খাবারসহ আরো নানাবিধ অপচয় কমানো যায় তাহলে এই খাতে আরো লাভবান হওয়া সম্ভব। সুতরাং প্রত্যেক খামারিদের খামারে খাদ্য অপচয় রোধ সম্পর্কে জানা একান্ত দরকার।

খামারে খাদ্যের অপচয় রোধে করণীয়:
পোলট্রি খামারে প্রয়োজনের তুলনায় কম সংখ্যক খাবার ও পানির পাত্র দিলে মুরগি অনেক সময় খাদ্য নষ্ট করে ফেলে। তাই খামারে মুরগির সংখ্যা অনুযায়ী খাদ্য ও পানির পাত্র দিতে হবে। পোলট্রি খামারে জায়গার তুলনায় বেশী পরিমাণ খাদ্য প্রদান করা হলে মুরগি খাদ্য নষ্ট করতে পারে। এজন্য খামারে জায়গা অনুপাতে খাদ্য প্রদান করতে হবে।

খাদ্যের পাত্র পূর্ন করে খাবার দিলে খাবার নষ্ট করে ফেলতে পারে। সেজন্য খাদ্যের পাত্র কিছুটা খালি রেখে খাদ্য প্রদান করতে হবে। খাবারের পাত্র সঠিক উচ্চতায় স্থাপন না করলে মুরগি খাবার নষ্ট করে ফেলতে পারে। খাদ্যের পাত্র খুব বেশি উচ্চতায় রাখা যাবে না।

পোলট্রি খামারে কৃমির সংক্রমণ বিশেষ করে সোনালী বা কক মুরগীতে গোলকৃমির কারণে খাবার নষ্ট করতে পারে। এজন্য সময়মতো কৃমিনাশক ওষুধ দিতে হবে।মুরগির খাদ্য হঠাৎ পরিবর্তন করলে মুরগি খাদ্য নষ্ট করতে পারে। সেজন্য খাদ্য পরিবর্তন করলে অল্প অল্প করে খাদ্য পরিবর্তন করতে হবে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ১২, ২০২১ ৮:৫৬ পূর্বাহ্ন
হাঁস-মুরগি পালনে পরামর্শ পেলেন কুমিল্লার শতাধিক নারী
প্রাণিসম্পদ

হাঁস-মুরগি ও পশু পালনে পরামর্শ পেয়েছেন কুমিল্লা কোটবাড়ির শতাধিক নারী। এতে স্থানীয় সালমানপুর, গন্ধমতি, রামপুরসহ বিভিন্ন গ্রামের নারীরা অংশ নেন।

সোমবার কুমিল্লা নগরীর কোটবাড়িতে এই প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়। উন্নয়ন সংস্থা উদ্দীপন এই প্রশিক্ষণের আয়োজন করে।

প্রশিক্ষক ছিলেন বার্ড কুমিল্লার উপ-পরিচালক ডা.বিমল চন্দ্র কর্মকার। সভাপতিত্ব করেন সংস্থার কুমিল্লা অঞ্চলের ব্যবস্থাপক মো. আবুল কালাম। অতিথি ছিলেন উদ্যোক্তা উন্নয়ন সুপার ভাইজার এমদাদুল হক, কোটবাড়ি শাখার ব্যবস্থাপক জোনাকী রানী সরকার। এছাড়া নারীদের স্বাস্থ্য সেবা প্রদান করেন ডা. শান্তা ইসলাম।

সালমানপুর গ্রামের জামিলা খাতুন বলেন,আমরা পারিবারিকভাবে শত বছর ধরে হাঁস-মুরগি ও পশু পালন করি। সেগুলো রোগাক্রান্ত হলে বেকায়দায় পড়ি। এখানে এসে প্রশ্ন করে বিভিন্ন বিষয় জেনে উপকৃত হয়েছি। আশা করি আগামীতে কোন সমস্যায় পড়বো না।

কুমিল্লা অঞ্চলের ব্যবস্থাপক মো. আবুল কালাম জানান, গ্রামীণ নারীদের আমরা পারিবারিকভাবে আয় বাড়াতে এই প্রশিক্ষণের আয়োজন করি। কোথায় গেলে সেবা পাওয়া যাবে তার ধারণাও দেয়া হয়। আশা করছি এতে তারা উপকৃত হবেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ১১, ২০২১ ৫:০৪ অপরাহ্ন
আদর্শ শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে তরুণদের স্বনির্ভর হতে হবে :মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী
প্রাণিসম্পদ

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম এমপি বলেছেন, “আদর্শ শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে তরুণদের স্বনির্ভর হতে হবে। মেধায়, চিন্তা-চেতনায়, সততা ও নৈতিকতায় কর্মক্ষম মানুষ হতে হবে। শুধু ভালো জিপিএ দিয়ে আদর্শ মানুষ হওয়া যায় না। নিজের প্রতিভা ও যোগ্যতার বিকাশ ঘটাতে হবে। তাদের যেন চাকরির নেশায় পেয়ে না বসে। ঐকান্তিক ইচ্ছা, নিরলস প্রচেষ্টা, গভীর অধ্যাবসায় এবং সততা ধারণ করতে পারলে তরুণরা কখনো ব্যর্থ হবে না। তরুণদের স্বাবলম্বী করার জন্য সরকার সকল সহেযোগিতা করবে”।

সোমবার (১১ অক্টোবর) পিরোজপুর সদর উপজেলা পরিষদের শহিদ ওমর ফারুক মিলনায়তনে উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত ‘মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত বাংলাদেশ: তারুণ্যের ভাবনায় মিট দ্যা মিনিস্টার’ শীর্ষক সংলাপে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

পিরোজপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. বশির অহমেদের সঞ্চলনায় এ আয়োজনে প্যানেল আলোচক ছিলেন পিরোজপুরের জেলা প্রশাসক আবু আলী মোঃ সাজ্জাদ হোসেন, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সাঈদুর রহমান, পিরোজপুর জেলা মুক্তিযুদ্ধ সংসদের সাবেক কমান্ডার গৌতম নারায়ণ রায় চৌধুরী ও দৈনিক ইত্তেফাকের পিরোজপুর প্রতিনিধি মুনিরুজ্জামান নাসিম আলী।

তিনি আরো বলেন, “তরুণ প্রজন্মের আগ্রই হচ্ছে বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা। তাদের মধ্যে আকাঙ্খা জাগ্রত করতে না পারলে মাতৃভূমি বাংলাদেশ সম্পর্কে তাদের ধারণা অস্পষ্ট থেকে যাবে। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ছিল-আমরা সবাই ভালো মানুষ হবো। আমাদের মধ্যে কোন বিরোধ থাকবে না, কোনভাবে সাম্প্রদায়িকতায় জড়িত হবো না। হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান সবাই মিলে-মিশে থাকবো। দেশে দুর্নীতি থাকবে না, ধনী-দরিদ্রের বৈষম্য থাকবে না। গ্রামের একজন মানুষ না খেয়ে মারা যাবে, আরেকজন শত কোটি টাকার মালিক হবে, সেটা হবে না। এ দেশটা আমাদের সকলের। প্রত্যেকটি মানুষের নাগরিক ও সাংবিধানিক অধিকার সমান”।

সুশাসন সম্পর্কিত তরুণদের এক প্রশ্নের উত্তরে মন্ত্রী এ সময় বলেন, “সবার জন্য একই ধরনের শাসনই হলো সুশাসন। সরকারি কর্মকর্তাদের অর্পিত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন, কেউ দুর্নীতি করলে, অন্যায় করলে ছাড় না পাওয়া-সেটাই সুশাসন। সমাজের জন্য, রাষ্ট্রের জন্য যেটা ন্যায্য, যেটা ভালো সেটা প্রশাসনিকভাবে সবার জায়গা থেকে করাই হচ্ছে সুশাসন”।

তরুণদের অপর এক প্রশ্নের উত্তরে মন্ত্রী জানান, “আইন অনুযায়ী নিম্ন আদালত পরিপূর্ণভাবে স্বাধীন। আদালতের অনিয়ম দূর করার জন্য সরকার সচেষ্ট রয়েছে। অদূর ভবিষ্যতে বিচারের জন্য মানুষের হাহাকার থাকবে না”।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কোভিড ব্যবস্থাপনা সম্পর্কিত এক প্রশ্নের উত্তরে শ ম রেজাউল করিম বলেন, “কোভিড ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশ যা করতে পেরেছে তা পৃথিবীর অনেক দেশ পারে নি। এটা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পররাষ্ট্র নীতির অভাবনীয় সাফল্য। আমাদের প্রধানমন্ত্রী যেভাবে দূরদৃষ্টির পরিচয় দিয়েছেন, এটা সারা বিশ্বের প্রশংসা কুড়িয়েছে। পররাষ্ট্র নীতিতে ও ভ্যাকসিন ব্যবস্থাপনায় অনন্য নজির দেখিয়েছেন শেখ হাসিনা”।

এর আগে মন্ত্রী পিরোজপুর সদর উপজেলা পরিষদের পুকুরে মাছের পোনা অবমুক্ত করেন, ঘূর্ণিঝড় ও অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত স্থানীয় ব্যক্তিদের মাঝে ঢেউটিন ও আর্থিক অনুদানের চেক বিতরণ করেন এবং প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের প্রাণিসম্পদ ও ডেইরি উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় সুফলভোগীদের মাঝে মিল্ক ক্রিম সেপারেট মেশিন বিতরণ করেন। পরে পিরোজপুর জেলা ব্যান্ড বুকের মোড়ক উন্মোচন করেন তিনি। একইদিন বিকেলে শারদীয় দুর্গা পূজা উপলক্ষ্যে পিরোজপুর সদর উপজেলার বিভিন্ন দুর্গা মন্দিরে প্রধানমন্ত্রীর অনুদান, ব্যক্তিগত অনুদান এবং জেলা পরিষদের অনুদান প্রদান অনুষ্ঠানে যোগ দেন মন্ত্রী।

মিল্ক ক্রিম সেপারেট মেশিন বিতরণ অনুষ্ঠানে মন্ত্রী বরেন, “দেশের যেসব অঞ্চলে অধিক দুধ উৎপাদিত হয় সেসব অঞ্চলে উৎপাদনকারীরা যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হয় এবং দুধ বাজারে বিক্রির সময় প্রতিকূল অবস্থায় পড়লে বিকল্প ব্যবস্থাপনার জন্য সরকার মিল্ক ক্রিম সেপারেটর মেশিন দিচ্ছে। পোল্ট্রি, ডেইরি বা মৎস্য খাতের মাথে সম্পৃক্তদের প্রণোদনা প্রদানের এ ধারাকে অব্যাহত রাখা হবে। প্রান্তিক পর্যায়ে মাছ, মাংস, দুধ, ডিম উৎপাদনকারীদের শেখ হাসিনা সরকার স্বাবলম্বী করতে চায়। শেখ হাসিনা সরকার সব সময় মানুষের পাশে আছে, পাশে থাকবে”।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop