৪:৫৩ পূর্বাহ্ন

বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : অগাস্ট ৩০, ২০২১ ৩:৪৩ অপরাহ্ন
গড়ে উঠছে ৯ সহস্রাধিক পারিবারিক পুষ্টি বাগান
কৃষি বিভাগ

যশোর জেলায় সবজি-মশলার চাষাবাদে গড়ে উঠছে ৯ হাজার ৩শ’টি পারিবারিক পুষ্টি বাগান। বসতবাড়ির আঙিনার পাশাপাশি অনাবাদি ও পতিত জমিতেও এই বাগান গড়ে তোলা হচ্ছে বলে কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে।

যশোর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, পারিবারিক পুষ্টি বাগান স্থাপনের উদ্দেশ্য হচ্ছে অনাবাদি, পতিত ও বসতবাড়ির অব্যবহৃত জমি ব্যবহারের মাধ্যমে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি করা। এতে একদিকে পারিবারিক পুুষ্টির চাহিদা পূরণ হবে,অন্যদিকে মশলা জাতীয় ফসলেরও উৎপাদন হবে। পারিবারিক পুষ্টি বাগানের যাবতীয় ব্যয় সরকারের তরফ থেকে বহন করা হচ্ছে বলে সূত্রে জানা গেছে।

কৃষি বিভাগ সূত্রে আরো জানা গেছে,জেলায় ইতোমধ্যে ১৩৬টি পুষ্টি বাগানের প্রদর্শনী স্থাপন করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে জেলার প্রতিটি ইউনিয়নে পুষ্টি বাগানসহ কচু ও মশলা জাতীয় ফসলের এই প্রদর্শনী স্থাপন করা হবে। কমিউনিটি বেজ এই প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য পুষ্টি বাগান স্থাপন সংশ্লিষ্ট কৃষকদের এবং জেলার ৮ উপজেলায় কর্মরত উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের প্রথম ব্যাচের প্রশিক্ষণ সমাপ্ত হয়েছে।আগামিতে প্রকল্প সংশ্লিষ্ট আরো কৃষক ও উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ দেয়া হবে। ২০২৫ সাল নাগাদ জেলার ৯৩টি ইউনিয়নে ১০০টি করে পারিবারিক পুষ্টিবাগানের প্রদর্শনী স্থাপন করা হবে। মুজিববর্ষে যেসব গৃহহীন বসতবাড়ি পেয়েছেন সেসব বাড়িতে প্রদর্শনীর ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার দেয়া হবে। ইতোমধ্যে জেলার কেশবপুর উপজেলার দুটি আশ্রয়ণ প্রকল্পে পুষ্টি বাগান স্থাপনের কাজ শুরু করা হয়েছে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর যশোরের উপ-পরিচালক বাদল চন্দ্র বিশ্বাস জানান, ‘অনাবাদি পতিত জমি ও বসতবাড়ির আঙিনায় পারিবারিক পুষ্টি বাগান স্থাপন’ শীর্ষক প্রকল্পের মাধ্যমে এই কর্মকান্ড পরিচালিত হচ্ছে। পারিবারিক পুষ্টির চাহিদা মিটানোর জন্য কৃষক পরিবারগুলোতে সবজি ও মশলার চাষাবাদ হবে। গড়ে উঠবে পুষ্টি বাগান, কচু ও আদাসহ মশলা জাতীয় ফসলের প্রদর্শনী। পাশাপাশি এই প্রকল্প বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে জমিতে ভার্মি কম্পোস্ট ও জৈব সারের ব্যবহার বাড়বে। ফলে মাটিতে প্রচুর জৈব পদার্থ যুক্ত হবে। মাটির ক্ষয় কম হবে। মাটির স্বাস্থ্য ভাল থাকবে ও সংরক্ষণ হবে পরিবেশ। এছাড়া ফসল চাষের আধুনিক কলাকৌশল বিষয়ে প্রশিক্ষণ পাবেন প্রকল্প অঞ্চলের জনগোষ্ঠী। ফলে উৎপাদনের লাগসই ও যুগোপযোগী প্রযুক্তি প্রয়োগের মাধ্যমে তারা শস্যের উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধিতেও ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবেন। এমনকি প্রকল্পভুক্ত ফসলের উৎপাদন, সংগ্রহ, গ্রেডিং, প্যাকিংসহ বিভিন্ন কাজে সম্পৃক্ত হয়ে নারীদের কর্মসংস্থান হবে। ফলে পারিবারিক আয় বৃদ্ধির পাশাপাশি পুষ্টিরও উন্নয়ন ঘটবে।

প্রকল্পটির আওতায় গ্রামীণ জনপদের বসতবাড়ির আঙিনা, পুকুর ও খালের পাড়, বাড়ির আশপাশ, স্যাঁতস্যাঁতে ছায়াযুক্ত স্থানে সবজি-মশলা চাষ হবে। পারিবারিক পুষ্টির চাহিদা মিটানোর জন্য কৃষক পরিবারগুলোতে সবজি ও মশলার চাষাবাদ হবে। এতে প্রতি ইঞ্চি অব্যবহৃত ও অনাবাদি জমির ব্যবহার নিশ্চিত হবে। এ প্রকল্প বাস্তবায়নের মধ্যদিয়ে মানুষের পুষ্টিহীনতা দূর হওয়ার পাশাপাশি খাদ্যনিরাপত্তাও নিশ্চিত হবে। এছাড়া দেশের বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের পাশাপাশি পুষ্টি চাহিদাও পূরণ হবে বলে তিনি জানান। বাসস

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ৩০, ২০২১ ৯:৫৩ পূর্বাহ্ন
গলাচিপায় পানের বাম্পার ফলন হলেও হতাশায় চাষিরা!
কৃষি বিভাগ

দক্ষিণ অঞ্চলের পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ‘পান’ চাষের বাম্পার ফলন হলেও প্রকৃত দাম পাচ্ছেনা পান চাষিরা।

জানা যায়, চিকনিকান্দী, ডাকুয়া, বকুলবাড়িয়া ও গলাচিপা সদর ইউনিয়নে বছরের বর্ষা মৌসুমে ‘পান’ চাষে যেমন নানা ভোগান্তি শেষ নেই। ‘পানের’ বরে অতি বৃষ্টি আর বৈরী আবহাওয়া ‘পান’ চাষের বরের ভেতরে জলবদ্ধতার সৃষ্টি হলে পানি সেচ ব্যবস্থার মাধ্যমে ‘পানের লতা পচনধরা থেকে রক্ষা করতে হয়।

এতে ‘পান’ চাষের মাটির উর্বরতা বৃদ্ধির জন্য সার কীটনাশক ব্যবহার করলেও তা পানিতে নষ্ট হওয়ায় ‘পান’ চাষিদের লক্ষ লক্ষ টাকা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে উপজেলার কয়েক শত ‘পান’ চাষি।

গলাচিপা উপজেলার ‘ পান’ চাষি মালিক সমিতির সভাপতি ও সফল ‘পান’ চাষি আবদুল লতিফ তালুকদার জানান, দীর্ঘ ৪৬ বছর ধরে ‘পান’ চাষ করে আসছি, বিগত বছরে আমাদের দেশের দক্ষিণ অঞ্চলের ‘পান’ দেশ বিদেশেও রপ্তানি হয়েছে, ‘পান’ চাষিরাও পেয়েছে সঠিক দাম। বর্তমানে লক্ষ লক্ষ অর্থ ব্যায় করে অনেক উন্নত মানের ‘পান’ বাম্পার চাষ হলেও, বাজারে তেমন দাম না পাওয়ায় হতাশায় আর দুঃশ্চিতায় দিন কাটাতে হচ্ছে। তাছাড়া ‘পান’ চাষিদের জন্য সরকার সঠিকভাবে কোন পদক্ষেপ না নেওয়ায় ‘পান’ চাষ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পথে বসে যাচ্ছে প্রান্তিক ‘পান’ চাষিরা।

গলাচিপা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আরজু আক্তার জানান, ‘পান’ অত্যান্ত একটি লাভজনক ফলন, এটি কিছুদিন বিশ্বের মাহামারী ভাইরাস এর কারনে ‘পান’ রপ্তানি বন্ধ হলেও, সরকার পুনোরায় ইউরোপ এবং সার্ক ভূক্ত এশিয়া দেশ গুলোতেও ‘ পান’ রপ্তানি শুরু করছে। তবে হ্যা এটা সঠিক যে বর্তমানে প্রচুর পরিমানে ‘পান’ চাষ হওয়ায় ‘পানের’ দাম পূর্বের চেয়ে একটু কমের দিকে। তবে ‘পান’ চাষিরা শীঘ্রই এ সমস্যা থেকে উঠে দারাবেন আশা করি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ৩০, ২০২১ ৯:৪১ পূর্বাহ্ন
রাজশাহীতে পাট চাষ বেড়েছে ৩ হাজার হেক্টর জমিতে
কৃষি বিভাগ

কয়েক বছরের তুলনায় রাজশাহীতে এ বছর পাট চাষ বেড়েছে ৩ হাজার হেক্টর জমিতে। সব মিলিয়ে রাজশাহীতে এ বছর ১৮ হাজার ৩৯ হেক্টর জমিতে পাট চাষ হয়েছে বলে জানিয়েছে রাজশাহী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর।

রাজশাহী কৃষি সম্প্রসারণ সূত্র জানিয়েছে, মূলত রবি মৌসুমের শুরুতেই পাট চাষ শুরু হয়। পাট চাষে ইউরিয়া সার প্রয়োগ করা হয়। পাট চাষে আগাছামুক্ত রাখতে হয়, তাই নিড়ানির প্রয়োজন পড়ে। এছাড়া পাটের জন্য প্রয়োজন পর্যাপ্ত পানি। এবার আষাঢ়ের শুরু থেকেই তা ছিল পর্যাপ্ত। তাই পাট চাষে প্রয়োজনীয় পানির জোগান মিলেছে প্রকৃতি থেকেই।

অতিরিক্ত খরচ গুনতে হয়নি পানি সেচের জন্য। খালে বিলে পর্যাপ্ত পানির প্রাপ্যতা মেলায় তা পরবর্তীতে ‘পাট জাগ’ দেয়ায় সুবিধে হয়েছে। এছাড়াও পাটের ভালো দাম পাওয়ায় গত পাঁচ বছরে ধরে ধীরে ধীরে বাড়ছে পাট চাষ।

রাজশাহী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের ২০২১-২২ মৌসুমে বিভিন্ন ফসল আবাদের অগ্রগতির প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, চলতি বছরে রাজশাহীতে মোট ১৮ হাজার ৩৯ হেক্টর জমিতে পাটের আবাদ হয়েছে। এর মধ্যে ১৫ হাজার ৩৭৮ হেক্টর জমির পাট কাটা হয়েছে যা শতকরা হিসেবে ৮৫ দশমিক ২৫ শতাংশ। মোট উৎপাদন হয়েছে ৪৪ হাজার ৬৪৬ মেট্রিক টন। এ বছর হেক্টর প্রতি ফলন বেশি হয়েছে ২ দশমিক ৯০ শতাংশ। গত বছরের তুলনায় এ বছর ২ দশমিক ৭২ শতাংশ বেশি উৎপাদন হয়েছে।

রাজশাহী রফতানি উন্নয়ন ব্যুরোর সহকারী পরিচালক কাজী সাইদুর রহমান জানান, এক সময় বাংলাদেশকে বলা হতো সোনালি আঁশের দেশ। যদিও সেই ধারাবাহিকতা থেকে কিছু বিচ্যুতি ঘটেছে। তবে বছর পাঁচেক থেকে প্রতিবছরই পাট রফতানি বেড়েছে। এ কারণে পাটের দামও বেড়েছে। ২০১৭-১৮ অর্থবছরে এক কোটি ৮৮ লাখ ১৫ হাজার ৫৮৫.৭৪ ডলার, ২০১৮-১৯ অর্থবছরে এক কোটি ৯৯ লাখ ৯০ হাজার ৮৭৯. ৫৫ ডলার ও ২০১৯-২০ অর্থবছরে দুই কোটি ৩৪ লাখ ৭ হাজার ৫২৮.১৫ ডলারের পাট রফতানি হয়েছে রাজশাহী থেকে। আন্তর্জাতিক বাজারে পাটের চাহিদা থাকায় এবারও পাট রফতানি ভালো হবে বলে মনে করছেন এই কর্মকর্তা।

রাজশাহী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের অতিরিক্ত উপ-পরিচালক তৌফিকুর রহমান জানান, ‘২০১৯ সালে ১৩ হাজার ৮৪৬ হেক্টর জমিতে পাটের চাষাবাদ হয়েছিলো। গত বছর অর্থাৎ, ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারির দিকে ১৪ হাজার ৯০০ হেক্টর জমিতে পাট চাষ হয়েছিলো। ওই বছর পাটের চাষও বেশি হয়, ফলন ও দাম দুটোই বেশি পেয়েছিলো কৃষক। চলতি বছরে পাটের আবাদ আরও বেড়ে দাঁড়ায় ১৮ হাজার ৩৯ হেক্টর।’

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ২৯, ২০২১ ৭:৩৮ অপরাহ্ন
বীজহীন লেবু চাষে লাখোপতি শহিদুল
কৃষি বিভাগ

বীজহীন (সিডলেস) লেবু চাষ করে স্বাবলম্বী হয়েছেন ফরিদপুরের বোয়ালমারীর শহিদুল ইসলাম। উপজেলার ময়না ইউনিয়নের বর্নিচর গ্রামের শহিদুল ইসলামের বীজহীন লেবুর বাগান দেখতে বিভিন্ন স্থান থেকে ছুটে আসছেন মানুষ। অনেকেই আগ্রহী হয়ে উঠছেন। প্রস্তুতি নিচ্ছেন বীজহীন লেবুর চাষ করতে।

বেশি ফলন, রস বেশি আর চাহিদার কারণে বীজহীন লেবুতে লাভ বেশি হওয়ায় অনেকেই অন্য ফসলের আবাদ ছেড়ে এ লেবু চাষের দিকে ঝুঁকছেন। বীজহীন লেবু চাষ করে মাত্র ৩ বছরেই লাখপতি হয়েছেন বোয়ালমারীর শহিদুল ইসলাম।

সফল লেবু চাষি শহিদুল ইসলাম জাগো নিউজকে বলেন, ২০১৯ সালে দেড় একর জমি নিয়ে ওই জমিতে ৮০০টি বীজহীন লেবুর কলমকৃত চারা রোপণ করি। চারা কেনা, চারা রোপণ, জমি প্রস্তুত, জমি তৈরি, সেচ ও সারসহ বিবিধ খরচ মিলিয়ে প্রথম বছর তার প্রায় ২ লাখ ৩০ হাজার থেকে আড়াই লাখ টাকা ব্যয় হয়।

পরের বছরেই ওইসব লেবু গাছে লেবুর ফলন শুরু হয়। এরপরের বছর বেশ চাহিদা ও দাম পাওয়ায় প্রায় এক লাখ টাকার লেবু বিক্রি করি। ২০২১ সালে প্রায় আড়াই লাখ টাকার লেবু বিক্রি করেছি।

শহিদুল ইসলাম আরও বলেন, এবছর লেবুর দাম কম থাকায় মাত্র আড়াই লাখ টাকার লেবু বিক্রি হয়েছে, দাম বেশি পেলে ৩ লাখ টাকা থেকে ৪ লাখ টাকার লেবু বিক্রি করতে পারতেন। তিনি সপ্তাহে প্রায় ৭ থেকে ৮ হাজার টাকার লেবু বিক্রি করেন।

ফলে তার মাসিক আয় প্রায় ৩০ হাজার থেকে ৩৫ হাজার টাকা। এ হিসাবমতে তার ১৫০ শতাংশ জমি থেকে বছরে আয় হয় ৩ লাখ ৬০ হাজার থেকে ৫ লাখ ৪৫ হাজার টাকা। যা অন্য কোনো কৃষি আবাদে সহজলভ্য নয়।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বেকার যুবক শহিদুলের লেবু চাষে সাফল্য দেখতে, পরামর্শ নিতে প্রতিদিন উপজেলার বিভিন্ন স্থান থেকে মানুষ আসছেন। অনেকেই এ বীজহীন লেবুর বাগান করার কথা চিন্তা-ভাবনাও করছেন। অনেকেই ছোট পরিসরে শুরু করেছেন এর চাষ।

রোপণের বছর বাদে প্রতি বছর একবার ডালপালা ছাঁটা, মাটি কোপানো, প্রতি ৩ মাসে একবার নিড়ানি ও ২-৩ মাস অন্তর সেচ ও সামান্য জৈব সার দিতে হয়।

ফলে একর প্রতি বার্ষিক খরচ হয় মাত্র ৫০ হাজার থেকে ৬০ হাজার টাকা। আর এক একর জমির লেবুতে আয় হয় কমপক্ষে ৩ লাখ থেকে ৪ লাখ টাকা। তাছাড়া নিজের উৎপাদিত কলম চারা দিয়ে ফিরতি বছর নতুন বাগান তৈরি করা ছাড়াও প্রতিটি কলম করা চারা ১০০ থেকে ১৫০ টাকা করে বিক্রি করা সম্ভব।

স্থানীয় ময়না ইউনিয়নের বাসিন্দা, স্কুল শিক্ষক মুকুল কুমার বোস জানান, এটি অল্প পুঁজিতে ভালো একটি চাষাবাদ ও লাভজনক। শহিদুলের এ লেবু চাষের সফলতা দেখে অনেকেই লেবু চাষে আগ্রহ হয়ে উঠেছেন।

বোয়ালমারী উপজেলার শিল্পকলা একাডেমির সদস্য, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব খান মোস্তাফিজুর রহমান সুমন জানান, এ লেবু চাষে শহিদুলের সফলতা শুনে বাগান দেখে এসেছি। নিজেও স্বল্প পরিসরে এর আবাদ শুরুর চিন্তা করছি।

এ বিষয়ে বোয়ালমারী উপজেলা উপ-সহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা মৃণাল বিশ্বাস জাগো নিউজকে বলেন, বীজহীন লেবু সারা বছর ফলন দেয়। এ লেবু অধিক ভিটামিন-সি সমৃদ্ধ প্রচুর রস ও সুঘ্রাণ যুক্ত।

বর্তমানে মানুষের কাছে হাইব্রিড জাতের এ বীজহীন লেবুর ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। আরেক সুবিধা হচ্ছে একবার এ লেবুর চারা রোপণ করলে একাধারে ১২ থেকে ২০ বছর পর্যন্ত এ জাতের লেবু গাছে ফলন দেয়। তিনি আরও জানান, এ লেবু চাষে যদি কেউ এগিয়ে আসতে চায় তাহলে উপজেলা কৃষি অফিস থেকে সব ধরনের সহযোগিতা করা হবে। সূত্র: জাগো নিউজ

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ২৯, ২০২১ ৪:৫৭ অপরাহ্ন
এডিপি বাস্তবায়নের সাফল্য ধরে রাখতে হবে: কৃষিমন্ত্রী
কৃষি বিভাগ

কৃষিমন্ত্রী ড. মো: আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, গত অর্থবছরে কৃষি মন্ত্রণালয়ের এডিপি বাস্তবায়ন হয়েছে শতকরা ৯৯ ভাগ। যা জাতীয় গড় অগ্রগতির চেয়ে অনেক বেশি। আগামীতে এ সাফল্যের ধারা অব্যাহত রাখতে সবাইকে আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার সাথে কাজ করতে হবে। চলতি অর্থবছরে যে প্রকল্পগুলো নেয়া হয়েছে তার শতভাগ বাস্তবায়নে কাজ করতে হবে।

আজ রোববার (২৯ আগস্ট) দুপুরে সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) বাস্তবায়ন অগ্রগতি পর্যালোচনা সভায় মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

প্রকল্প পরিচালক, কর্মকর্তা-কর্মচারি, সংস্থাপ্রধানসহ প্রকল্প বাস্তবায়নে জড়িতদের উদ্দেশে মন্ত্রী আরো বলেন, অত্যন্ত স্বচ্ছতা ও মানসম্পন্নভাবে প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে হবে। প্রকল্প পরিচালকেরা কেনাকাটায় অস্বচ্ছতা, অযৌক্তিক দাম নির্ধারণ বা কোনরকম দুর্নীতিতে জড়িত হলে-তাদেরকে কঠোর শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে।

সভায় জানানো হয়, চলমান ২০২১-২২ অর্থবছরে কৃষি মন্ত্রণালয়ের বাস্তবায়নাধীন প্রকল্পের সংখ্যা ৭০টি। মোট বরাদ্দ ২ হাজার ৯৫৮ কোটি টাকা। সবচেয়ে বেশি বরাদ্দ রাখা হয়েছে কৃষি যান্ত্রিকীকরণ প্রকল্পে, ৬৮০ কোটি টাকা। এছাড়া, স্মলহোল্ডার এগ্রিকালচার কম্পিটিটিভনেস প্রকল্পে ১৬০ কোটি টাকা, এনটিপি-২ প্রকল্পে ১৫৭ কোটি টাকা এবং মানসম্পন্ন আলু বীজ উৎপাদন ও বিতরণ প্রকল্পে ১০০ কোটি টাকা উল্লেখযোগ্য।

উল্লেখ্য, সদ্য সমাপ্ত ২০২০-২১ অর্থবছর কৃষি মন্ত্রণালয়ের এডিপি বাস্তবায়ন হয়েছে প্রায় ৯৯%। মোট প্রকল্প ছিল ৮৫টি, এর মধ্যে ১৫টি প্রকল্প সমাপ্ত হয়েছে। প্রকল্পের অনুকূলে মোট বরাদ্দ ছিল ২ হাজার ৩১২ কোটি টাকা। যার মধ্যে ২ হাজার ২৫৫ কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে, যা বরাদ্দের প্রায় ৯৯%। এ অগ্রগতি জাতীয় গড় অগ্রগতির চেয়ে ১৭% বেশি। জাতীয় গড় অগ্রগতি হয়েছে ৮২%।

এছাড়া, গেল অর্থবছরে ১৬টি নতুন প্রকল্প অনুমোদিত হয়েছে। এর মধ্যে ৩ হাজার ২০ কোটি টাকার ‘কৃষি যান্ত্রিকীকরণ প্রকল্প’, ২১১ কোটি টাকার ‘কাজুবাদাম, কফি গবেষণা, উন্নয়ন ও সম্প্রসারণ প্রকল্প’, ৪৩৮ কোটি টাকার ‘পতিত জমি ও বাড়ির আঙিনায় পারিবারিক পুষ্টিবাগান প্রকল্প উল্লেখযোগ্য।

সভাটি সঞ্চালনা করেন কৃষি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো: মেসবাহুল ইসলাম। এসময় মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও সংস্থাপ্রধানসহ প্রকল্প পরিচালকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

আফগানিস্তানে তালিবানদের ক্ষমতায় আসার প্রসঙ্গ তুলে ধরে মন্ত্রী আরো বলেন, আফগানিস্তানে তালিবানরা ক্ষমতায় এসেছে, তা দেখে দেশে একটি গোষ্ঠী রাজনৈতিক অস্থিরতা তৈরির অপচেষ্ঠা চালাচ্ছে। আফগানিস্তানে যা ঘটছে তা সে দেশের অভ্যন্তরীণ ব্যাপার। তারপরও আমাদেরকে সাবধান ও সতর্ক থাকতে হবে যাতে করে দেশে কেউ অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করতে না পারে। কারণ, দেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা প্রয়োজন।

৯৯ শতাংশ এডিপি হার ধরে রাখতে চায় কৃষি মন্ত্রণালয় সংবাদের তথ্য এগ্রিকেয়ার২৪.কমকে নিশ্চিত করেছেন কৃষি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য অফিসার মো: কামরুল ইসলাম ভূইয়া।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ২৮, ২০২১ ৫:০৯ অপরাহ্ন
সিরাজগঞ্জ সদর কৃষি অফিসের উদ্যোগে চারা বিতরণ
কৃষি বিভাগ

সিরাজগঞ্জ সদর কৃষি অফিসের উদ্যোগে ফলজ,সবজি ও ছাদের উৎপাদিত চারা বিতরণ করা হয়েছে।

শনিবার(২৮আগস্ট) সকাল ১১টায় সিরাজগঞ্জের ছাদ বাগানে উৎসাহিত করতে সিরাজগঞ্জ সদর কৃষি অফিসের ছাদে উৎপাদিত বীজ,চারা কাটিং এবং অপ্রচলিত ফলের চারা ও সবজির বীজসহ ৭৫ জন বাগানীর মাঝে ৭০ জাতের চারা বিতরণ করেন সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলা কৃষি অফিসার জনাব মোঃ রোস্তম আলী।

যেসব চারা,কাটিং ও বীজ বিতরণ করা হয়ক্রিসমাস ক্যালাঞ্চু,রুহেলিয়া,জেব্রিনা,ইঞ্চি প্লান্ট,চায়না বট,পেন্সিল,ক্যাকটাস,ড্রাগন, ক্যালাঞ্চু,কাটামুকুট, বেবি টিয়ার্স, স্টেভিয়া,লেমন গ্রাস,র্বাডস অব প্যারাডাইস, অনন্ত লতা,গ্রিন লিফ, সাকুলেন্ট, কৈলাস, লজ্জাবতী, নাইট কুইন,মানি প্লান্ট,ক্যাকটাস,আইরিশ লিলি,বিলাতী ধনিয়া, জ্রেব্রা প্লান্ট, জবা, ফিশবোন, মেহেদী, অগ্নীশ্বর, এরোহেড, বেবিটিয়ার্স, অর্কিড, স্নেকপ্লান্ট, এলোভেরা, পুর্তলিকা, গাইনুরা, বাসক, গ্রিন ক্রিপার,ক্যাথেলিয়া, এ্যামিরাস লিলি, সূর্যমুখী, দুপুরচন্ডি, অপরাজিতা,তুলশী,রেইন লিলি,হাড় জোড়, রিওপ্লান্ট, এলাচ,পুদিনা,ওলকপি,গাজর,লটকন, পেয়ারা, আমলকি, কদবেল, জাম,লালশাক ,পুইশাক,কলমীশাক,সবুজ শাক,পালংশাক,লাউ,সীম,করলা, টমেটো, বেগুন, বরবটি, শশা, ঢেঁড়শ।

উপজেলা কৃষি অফিসার জানান প্রায় প্রতিদিন বিভিন্ন দপ্তরের অফিসারগণ, কৃষক-কৃষাণী ও সাধারণ জনগন সানন্দে ছাদ বাগান দেখতে ভীড়জমান। উপজেলা কৃষি অফিসার বলেন, প্রতিনিয়ত কৃষি জমি কমে যাচ্ছে, বিষমুক্ত ও ভেজাল মুক্ত এবং শতভাগ নিরাপদ অরগানিক খাবারের যোগান নিশ্চিত করতে, পুষ্টি চাহিদা পূরণে এবং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় ছাদ কৃষি অগ্রণী ভূমিকা রাখতে পারে। তাছাড়া ছাদ কৃষি করতে আগ্রহী ব্যক্তিগণকে সরেজমিন প্রশিক্ষণ কলাকৌশল শিখানো সম্ভব হচ্ছে এবং ছাদ কৃষি করতে আগ্রহী হচ্ছে। তিনি নিজস্ব অর্থায়নে ছাদ বাগানটি করেছেন যাতে সিরাজগঞ্জ শহরবাসী ছাদ বাগান করতে উৎসাহিত হয়।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ২৭, ২০২১ ১:০১ অপরাহ্ন
৮ হাজার হেক্টর জমির ধান ডুবে গেছে বন্যায়
কৃষি বিভাগ

চলনবিলের আট উপজেলার রোপা আমন ধান বৃষ্টি আর উজান থেকে নেমে আসা পানিতে তলিয়ে গেছে। আমনের ভরা মৌসুমে যখন ক্ষেতজুড়ে ফসলের সমারোহ, ঠিক তখনই অসময়ের বন্যায় তলিয়ে গেল আট হাজার হেক্টর জমির ধান। এ অবস্থায় আমনের ফলন বিপর্যয়ের আশঙ্কা কৃষকের।

সিরাজগঞ্জের তাড়াশ, রায়গঞ্জ ও উল্লাপাড়া; পাবনার চাটমোহর, ভাঙ্গুড়া; নাটোরের গুরুদাসপুর, সিংড়া ও নওগাঁ জেলার আত্রাই উপজেলার প্রায় ৮০ হাজার হেক্টর জমিতে রোপা আমন ধানের আবাদ করা হয়েছে। কিন্তু চলনবিলের বিভিন্ন উপজেলার কৃষি অধিদপ্তর সূত্রমতে, অসময়ের বন্যায় চলনবিলের প্রায় আট হাজার হেক্টর জমির রোপা আমন ধান এরই মধ্যে পানিতে তলিয়ে গেছে।

তাড়াশ উপজেলা কৃষি অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, কয়েক দিনের বর্ষণ ও বন্যার পানি বৃদ্ধির ফলে শুধু তাড়াশ উপজেলায় ৫০০ হেক্টর জমির সদ্য রোপণ করা রোপা আমন ধান ডুবে গেছে।

উপজেলার মালশিন গ্রামের কৃষক আনোয়ার হোসেন জানান, ভাদ্র মাসের শুরুতে তাড়াশে ১২-১৪ হাজার হেক্টর জমিতে রোপা আমন ধান লাগানো হয়েছিল। কিন্তু বন্যার পানি বৃদ্ধি, ভারি বর্ষণ ও বিভিন্ন গ্রামের ফসলি মাঠের জলাবদ্ধতার কারণে কৃষকের স্বপ্ন সবুজ ধান ডুবে গেছে। পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় ডুবে যাওয়া জমির পরিমাণ প্রতিদিনই বাড়ছে। বিশেষ করে গত কয়েক দিনে চলনবিলের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত নদনদীর পানি বৃদ্ধি ও স্থানীয়ভাবে জলাবদ্ধতার কারণে প্রায় আট হাজার হেক্টর জমির সদ্য লাগানো রোপা আমন ধান তলিয়ে গেছে।

চলনবিলের তজির হোসেন, মনোয়ার হোসেন, দুদু মণ্ডলসহ একাধিক কৃষক জানান, পানি বৃদ্ধির কারণে চলনবিলের কৃষকের বেশিরভাগ বীজতলা নষ্ট হয়েছে। এ অবস্থায় বন্যার পানি নেমে গেলেও আবারও রোপা আমন ধান লাগাতে কৃষকরা চারা বীজের সংকটে পড়বেন।

তাড়াশ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা লুৎফুন্নাহার লুনা জানান, চলনবিল একটি বৃহৎ এলাকা। এ এলাকার অধিকাংশ ফসলি জমি নিচু। তাই অল্প পানিতেই ফসল তলিয়ে যায়। তিনি বলেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগের ওপর কারও হাত নেই। তবে বন্যার পানি নেমে গেলে ডুবে যাওয়া রোপা আমন ধান ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা পাবে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ২৬, ২০২১ ৫:০০ অপরাহ্ন
নাচোলে ঘাস চাষে সফল উদ্যোক্তা ফারুক
কৃষি বিভাগ

চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার নাচোল উপজেলার নেজামপুর ইউনিয়নের লক্ষীপুরে তরুন উদ্যোক্তা ফারুক(৩৭) সফল উদ্যোক্তা হবার স্বপ্ন দেখছে তরুন ফারুক। তিনি গরুর খাবারে জন্য ২০ বিঘা জমিতে ঘাস চাষ করেছে।নিজের ক্রয়করা প্রায় ৩বিঘা জমিতে গড়ে তুলেছেন গবাদীপশুর খামার। খামারে শাহীওয়াল ও জার্সি জাতের ৪৫টি গাভী, ৪২টি ষাঁড় গরু, ২৫টি বাছুর, ১১টি ভেড়া ও ১হাজার ক্যাম্বেল জাতের হাঁস পালন করছেন। লক্ষীপুর গ্রামের আব্দুস সাত্তারের ছেলে স্নাতক পাস তরুন ফারুকের চোখে সফল উদ্যোক্তা হবার স্বপ্ন।

জানা যায়, উপজেলা প্রাণীসম্পদ কর্মকর্তা, বিভিন্ন সরকারী বেসরকারী ব্যাংকের কর্মকর্তাগনের সাথে পরামর্শ করে সার্বক্ষনিক দেখাশুনা করছেন তার যতে লালিত পালিত গাভী, ষাড় গরু, বাছুর ও হাঁসগুলি। প্রাণী সম্পদ অফিসের পরামর্শে সুসম খাবার দিচ্ছেন ও যত্ন নিচ্ছে ৭জন কর্মচারী। তার ফার্মে চাকুরী দিয়ে নাচোল উপজেলার বেকারত্ব দুর করতে চান। সরকারী-বেসরকারী ব্যংক ও সরকারের পৃষ্ঠপোষকতা পেলে সে নাচোলে আদর্শ ও তরুন উদ্যোক্তা হতে পারবেন।

মংলা সমুদ্র বন্দরে সিএনএফ এজেন্ট হিসেবে অনেক দিন যাবত ব্যবসা করছেন। বিভিন্ন প্রচার মাধ্যমে প্রাণী সম্পদের ফার্ম গড়ে তুলে অনেকেই সফল হয়েছেন, এমন প্রচারনা দেখে তিনি অনুপানিত হয়ে বরেন্দ্র অঞ্চলের নাচোল উপজেলার লক্ষীপুরে নিজের কেনা ২বিঘা জমিতে গড়ে তুলেছেন গবাদীপশুর মেসার্স ফাহমিদা এগ্রো এন্ড ডেইরী ফার্ম। বাড়ির পাশের খামারে ১ হাজার ক্যাম্বেল হাঁস পালন করছেন।

স্বপ্নচারী ফারুক আশা করছেন সরকারি উৎসাহ ও অনুপ্রেরনা পেলে তার মত অনেকেই প্রাণী সম্পদের ফার্ম গড়ে তুলে দেশের অর্থনীতিতে অবদান রাখতে পারবে।

এব্যাপারে উপজেলা সহকারী প্রাণীসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ সারমিন সুলতানা জানান, ফারুকের মত তরুন উদ্যোক্তাকে সরকারী-বেসরকারী সহায়তা প্রদান করলে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্নের ভিশন-২০৪১ সফল হবে বলে তিনি আশা করেন তিনি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ২৬, ২০২১ ১:৫০ অপরাহ্ন
টাঙ্গাইলে লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়েছে আউশের আবাদ
কৃষি বিভাগ

টাঙ্গাইল জেলায় এবার লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ২৫৬ ভাগ বেশি জমিতে হয়েছে আউশের আবাদ। এই ধানের হারানো দিন ফিরিয়ে আনতে কাজ করছে জেলার কৃষি বিভাগ। বন্যা না থাকায় এবং আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় ধানের ফলনও ভালো হয়েছে বলে দাবি করছেন কৃষকরা।

কৃষি মন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাকের নির্দেশনায় ও টাঙ্গাইল কৃষি বিভাগের উদ্যোগে আবারো আউশ চাষে কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করতে নানা কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়। আউশ ধান আবাদের জন্য কৃষকদের বিনামূল্যে বীজ ও সার দেওয়া হয়েছে। সেই হারানো আউশ ধানের সুদিন আবার ফিরে আসছে টাঙ্গাইলে।

স্থানীয় কৃষি কর্মকর্তাদের সহায়তায় আধুনিক কলাকৌশল ব্যবহার করে সঠিক নিয়মে জমির পরিচর্যা করে আর বন্যা না থাকায় ও আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় ধানের ফলনও ভালো হয়েছে। আউশ ধান নতুন করে আবাদ করে বাড়তি লাভবান হওয়ার আশায় খুশি কৃষকরা।

জেলা কৃষি অফিস সূত্র জানায়, চলতি মৌসুমে জেলায় আউশ ধানের আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৯৫২ হেক্টর জমিতে। এর বিপরীতে আবাদ হয়েছে ২ হাজার ৪৫২ হেক্টর জমিতে। যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে শতকরা ২৫৬ ভাগ বেশি। এ মৌসুমে জেলায় প্রায় ৭ হাজার কৃষকের মধ্যে আউশ ধানের বীজ ও সার বিনামূল্যে বিতরণ করা হয়েছে।

টাঙ্গাইল সদর উপজেলার চারাবাড়ী এলাকার কৃষক আব্দুল করিম জানান, আমরা কয়েকজন মিলে এখানে ৪০০-৫০০ শতাংশ জমিতে আউশ ধান আবাদ করেছি। ধান খুব ভালো হয়েছে। পোকা মাকড় খুব কম আক্রমণ করছে। জমি পতিত না রেখে আউশ আবাদে যদি বিঘায় ১০-১৫ মণ ধান পাওয়া যায়, তবে তো সোনায় সোহাগা। এ কারণেই সামনের বছর আউশ আবাদ বেশি করে করবো।

টাঙ্গাইল কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপ-পরিচালক (শস্য) আরিফুর রহমান জানান, এবছর আমাদের জেলায় আউশ ধানের আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৯৫২ হেক্টর। তবে আবাদ হয়েছে ২ হাজার ৪৫২ হেক্টর জমিতে। এপর্যন্ত প্রায় ৩৫ ভাগ জমির ধান কাটা হয়েছে। ৩ দশমিক ৮৭ মেট্রিক টন ধান প্রতি হেক্টর জমিতে উৎপাদন হয়েছে। চালের হিসাবে প্রতি হেক্টরে ২ দশমিক ৫৮ মেট্রিক টন। ফলন খুব ভালো হয়েছে বলে মনে করি আমি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ২৫, ২০২১ ১১:০৩ পূর্বাহ্ন
আমন ধানের চারা রোপণে ব্যস্ত কৃষক
কৃষি বিভাগ

লক্ষ্মীপুরের রামগতির কৃষকেরা ব্যস্ত সময় পার করছেন সোনালি ফসল আমনে চারা রোপণে। এবার আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় বীজতলার কোন ক্ষতি হয়নি বলে জানান কৃষক। চলতি মওসুমের বৃষ্টির পানিকে কাজে লাগিয়ে চারা রোপণের কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন এ অঞ্চলের কৃষকরা। ফলে জমিতে সেচ দেওয়ার প্রয়োজন হচ্ছে না।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, একটি পৌরসভা ও ৮টি ইউনিয়নে মোট ২৫টি বøকে আমন ধানের চাষ হবে। এ বছর প্রায় ২৩ হাজার ৭০০ হেক্টর জমিতে আমন চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। ১ হাজার ৪৬২ হেক্টর জমিতে বিজতলা করা হয়েছে। ধান উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ১ লাখ ১৬ হাজার ৮৮২ মেট্রিক টন।

চরলক্ষ্মী গ্রামের জসিম উদ্দিন জানান, পর্যাপ্ত বৃষ্টির পানি ও শ্রমিকের সংকট না থাকায় এবার চারা রোপণ করতে কোন অসুবিধা হচ্ছে না। অল্প কিছু দিনের মধ্যেই চারা রোপণের কাজ শেষ হয়ে যাবে। বিগত বছরের তুলনায় এবার চাষাবাদ ভালো হয়েছে, ফলে ধানের ফলন অনেক ভালো হবে বলে আশা করছি।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সঞ্জয় কুমার সরকার জানান, কৃষি নির্ভর জীবিকায়নের এ এলাকায় মেঘনা নদীর ভাঙ্গন কৃষি ও কৃষকের বিশেষ ক্ষতির কারণ। এখানে নদী ভাঙ্গনের ফলে ছিন্নমূল ভূমিহীনের সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। তাই আমরা সব সময়ই কৃষকের পাশে আছি। চলতি অর্থ বছরে সরকারের প্রণোদনা হিসেবে বিনামূল্যে বীজ ও সার উপজেলার ৭০০ জন কৃষক-কৃষাণীর মধ্যে বিতরণ করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop