৪:০৫ পূর্বাহ্ন

বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : এপ্রিল ১৬, ২০২১ ১০:২৪ পূর্বাহ্ন
পান চাষে আগ্রহ হারাচ্ছে চাষিরা
কৃষি গবেষনা

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নবীনগর উপজেলার পান চাষে ব্যাপক সম্ভাবনা থাকলেও পৃষ্ঠপোষকতার অভাবসহ নানা কারণে দিন দিন কমে যাচ্ছে পান চাষের পরিমাণ। ফলে এ অঞ্চলে পান চাষ প্রায় বিলুপ্তির পথে। কৃষকদের আগ্রহ দিন দিন কমে যাচ্ছে এই চাষের প্রতি।

পান চাষিদের অভিযোগ, সরকারি কোনো সাহায্য সহায়তা পাওয়া যাচ্ছে না পান চাষের জন্য। ঝড়-জলোচ্ছ্বাসে যেকোনো ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হলে সরকার তাদের সহায়তা করে কিন্তু পানের বরজ ক্ষতিগ্রস্ত হলে চাষিদের পাশে কেউ দাঁড়ায় না।

পান চাষিরা আরো জানায়, পানের বরজ তৈরি করে পানের লতা লাগিয়ে ভাল ফলন পেলেও সার কীটনাশক ব্যবহারে পানের রোগ ঠেকাতে পারছেন না তারা। তাই পানের বরজ বাদ দিয়ে অন্য ফসল ফলানোর দিকে ঝুঁকে পড়ছে পান চাষিরা।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জগলুল হায়দার জানান, পান চাষের উপর কৃষি বিভাগের কোনো কাযর্ক্রম নেই। তবে চাষীরা যদি সহযোগিতা চান তাহলে পরামর্শ দিয়ে সহায়তা করা হবে। আমরা পান চাষে কৃষকদের আগ্রহী করে তুলছি বলেও তিনি জানান।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ১৫, ২০২১ ৭:১৪ অপরাহ্ন
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতিশ্রুত প্রকল্পে লাখো কৃষকের মুখে সোনার হাসিঃ
কৃষি বিভাগ

আঠারো বাকি নদীর নাব্যতা ফিরিয়ে এনে কালিয়া , তেরখাদা,মোল্লাহাট ,রূপসা , দিঘলিয়া,লোহাগড়া উপজেলা গুলোর মানুষের জীবন জীবিকার দারুন প্রভাব রাখতে সক্ষম হয়েছে । আঠারো বাকি নদী ভৈরব ও মধুমতীর সংযোগ করেছে,কিন্তু পলি জমে দীর্ঘ ২০ বছরের ও বেশি সময় নদীটা বন্ধ হয়ে রয়েছে,যার ফলে প্রায় ২০০০০ হেক্টর কৃষি জমিতে বর্ষাকালে জলাবদ্ধতা ও গ্রীষ্মকালে তীব্র পানির সঙ্কট দেখা যায় । কিন্তু নদীটি খননের ফলে নাব্যতা ফিরে এসেছে । প্রায় ১০০০ কোটি টাকার প্রকল্পটি বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড ,সংশ্লিষ্ট বিভাগ ও মন্ত্রণালয় বাস্তবায়ন করেছে। প্রকল্পটির তত্ত্বাবধানে ছিল বাংলাদেশ সেনাবাহিনী । এখন প্রকল্পটির সুবিধা ভোগ করছে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে কয়েক লাখ মানুষ ।

এবং এই আঠারো বাকি নদী এলাকার মানুষের বিপুল পরিমাণ মাছ এর চাহিদা মেটাচ্ছে । যার ফলে মানুষদের পুষ্টির চাহিদা ও একইসাথে মেটানো সম্ভব হচ্ছে দেশীয় প্রজাতির মাছ দ্বারা ।

তবে নিয়মিত খনন কাজ ঠিক রাখলে এসব সুবিধা বহাল থাকবে , নয়তবা থাকবেনা । কৃষি এবং কৃষকের উন্নয়নে প্রকল্পটি দারুন আশা জাগানিয়া বলে বিবেচিত হচ্ছে, আগে যেসব জমিতে ফসল চাষ করতে জমির জলাবদ্ধতা দূর করে রোপণ করতে হতো, এখন সেখানে আর সেরকম কোন পরিস্থিতি নেই, তবে সরকারের কৃষি ভর্তুকিটা আবার চালু হলে কৃষকরা লাভবান হবে।

এর ই ধারাবাহিকতায় এবার ধান উৎপাদন দিগুণ হয়েছে,অন্যান্য ফসল যেমন পান,গম,সরিষা,কলাই,মসুরির এর উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়েছে।

তবে করোনা সঙ্কট মোকাবেলায় সরকারের ঘোষিত লকডাউনে কৃষকরা অনেক ক্ষেত্রে চরম ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে ,এ বিষয়ে যথাযথ দৃষ্টি দেওয়া প্রয়োজন যথেষ্ট আন্তরিকতার সাথে। এবং সরকারের মহামারী চলাকালীন সহায়তা মাঠ পর্যায়ে পৌছায় না। সেদিকে ও মনিটরিং জোরদার করতে হবে।

কিছু সুবিধা ভোগী মানুষের জন্য সরকারের এত সব সহযোগিতা যাতে বিফলে না যায় সেদিকে বিশেষ দৃষ্টি দিতে হবে।

মোঃ আমিনুল খান

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ১৫, ২০২১ ৬:৫২ অপরাহ্ন
৪৫৯টি ধান কাটার মেশিন পাচ্ছেন সিলেটের কৃষকরা
কৃষি বিভাগ

সিলেট অঞ্চলে বোরো ধান কাটার জন্য কৃষকদের ২৭১টি কম্বাইন্ড হারভেস্টার, ১৫০ রিপার ও ৩৮ টি রাইস ট্রানসপ্লান্টার মেশিন বরাদ্দ দিয়েছে সরকার। ধান কাটায় শ্রমিক সংকট সমাধানে ৫০ থেকে ৭০ শতাংশ ভর্তুকি দিয়ে এইসব যন্ত্র কৃষকদের প্রদান করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে সিলেট কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর।

ডিএই সিলেট অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক দিলীপ কুমার অধিকারী জানান, ভর্তুকির মাধ্যমে এসব কৃষিযন্ত্র এরই মধ্যে বিতরণ শুরু করার ফলে ধান কাটা অনেক সহজ হয়ে যাচ্ছে। শ্রমিক নির্ভর ধান কাটাও কমে যাচ্ছে।

সিলেট বিভাগে ইতোমধ্যে বোরো ধান কাটা শুরু হয়ে গেছে বলে জানান তিনি। ১৫ দিন আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে বন্যা ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় ধান কাটা শেষ হয়ে যাবেÑ এমনটা আশা এই কৃষি কর্মকর্তার।

তবে কৃষি বিভাগ আরও জানিয়েছে, এসব যন্ত্রের চাহিদা আরও বেশি। সিলেট বিভাগের ৪ জেলায় ৬০৬টি কম্বাইন্ড হারভেস্টার, ৬৯১টি রিপার ও ৩৮টি রাইস ট্রান্সপ্লান্টের চাহিদা ছিল। হাওর এলাকার কৃষকরা ৭০ শতাংশ ভর্তুকিতে এবং সমতল এলাকার কৃষকরা ৫০ শতাংশ ভর্তুকিতে এইসব মেশিন পাচ্ছেন।

কৃষি বিভাগ জানায়, সিলেট জেলায় সবমিলিয়ে ৭৬টি কম্বাইন্ড হারভেস্টার, ৪৭টি রিপার ও ১৮টি রাইস ট্রান্স প্লান্টার, মৌলভীবাজার জেলায় মোট ২১টি কম্বাইন্ড হারভেস্টার, ২৫টি রিপার ও একটি রাইস ট্রান্সপ্লান্টার, সুনামগঞ্জ জেলায় ১০৭টি কম্বাইন্ড হারভেস্টার, ৩৮টি রিপার ও আটটি রাইস ট্রান্সপ্লান্টার এবং হবিগঞ্জ জেলায় ৬৮টি কম্বাইন্ড হারভেস্টার, ৪০টি রিপার ও ১১টি রাইস ট্রান্সপ্লান্টার বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

কম্বাইন্ড হারভেস্টার বরাদ্দ পাওয়া কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার ইছাকলস ইউনিয়নের রজব আলী জানান, ভর্তুকিতে মেশিন বরাদ্দ পেয়ে তিনি খুশি। এরই মাধ্যমে নিজের জমির ধান কাটার পাশাপাশি অন্যের জমিরও ধান কাটতে পারবেন। এর ফলে তার বিকল্প আয়েরও একটি সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।

হবিগঞ্জ জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জানায়, হবিগঞ্জে ৯ উপজেলায় ধান কাটার যন্ত্রগুলো বিতরণ শুরু হয়েছে। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক তমিজ উদ্দিন খান জানান, কম্বাইন্ড হারভেস্টার দিয়ে ধান কাটা ও মাড়াই একসঙ্গে হয়। এতে কৃষকের অনেক সময় বেচে যাবে। ধান কাটায় শ্রমিক কম লাগবে, খরচও বাচবে।

প্রসঙ্গত, এই বছর বোরো মৌসুমে সিলেট অঞ্চলে আবাদ হয়েছে ৪ লাখ ৮৪ হাজার ৩২৮ হেক্টর জমি। এর মধ্যে হাওরে ২ লাখ ৭৪ হাজার ২৩৫ হেক্টর। মোট আবাদ লক্ষ্যমাত্রা ১৯ লাখ ৩৭ হাজার ৯৭৮ মেট্রিক টন।

কৃষি কর্মকর্তারা বলছেন, একটি কম্বাইন্ড হারভেস্টার মেশিন দিয়ে প্রতি ঘণ্টায় অনায়াসে এক একর জমির ধান কিংবা গম কাটা যাবে। একদিনে কাটা যাবে ৮ একর। এতে ৬১ শতাংশ খরচ কমবে, শ্রম বাঁচবে ৭০ শতাংশ। উন্নত এই কৃষি যন্ত্র ধান কাটা, একই সঙ্গে মাড়াই ও বস্তাবন্দির কাজও করবে।

গত কয়েক বছর ধরেই হাওরগুলোতে এই কম্বাইন্ড হারভেস্টার দেখা যায়। সরকারি উদ্যোগের ফলে এবার প্রায় সব হাওরেই এই কৃষি যন্ত্র ব্যবহার বেড়েছে।

কৃষি বিভাগ জানায়, একটি কম্বাইন্ড হারভেস্টারের দাম ৩২ থেকে ৩৫ লাখ টাকা। কৃষক ৩০ শতাংশ টাকা সংশ্লিষ্ট কোম্পানিকে ডাউন পেমেন্ট দিয়ে কিস্তিতে ক্রয় করতে পারছেন এ মেশিন। রিপার মেশিনের ক্ষেত্রেও একই নিয়ম। তবে এই মেশিনের দাম সর্বোচ্চ ২ লাখ ১০ হাজার থেকে আড়াই লাখ টাকা। এই মেশিন দিয়ে শুধু ধান কাটা যায়, অন্য কিছু করা যায় না।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সিলেটের অতিরিক্ত পরিচালক দিলীপ কুমার অধিকারী বলেন, সিলেটে এই বছর বোরো আবাদ হয়েছে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি। হারভেস্টার ও রিপার মেশিন বিতরণের পাশাপাশি কিভাবে সঠিক উপায়ে ধান কাটা ও মাড়াই করা যায় সেই কৌশলও শিখিয়ে দেওয়া হয়েছে কৃষকদের।-বাসস

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ১৫, ২০২১ ১২:০৫ অপরাহ্ন
বরিশাল সদরে কৃষকদের মাঝে আউশের বীজ ও সার বিতরণ
কৃষি বিভাগ

নাহিদ বিন রফিক (বরিশাল): বরিশাল সদরে কৃষকদের মাঝে করোনা মহামারীতে কৃষি উৎপাদনকে স্বাভাবিক রাখতে আউশের বীজ ও সার বিতরণ করা হয়েছে।

গত ১৩ এপ্রিল এ উপলক্ষে এক উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ মো. সাইদুর রহমান রিন্টু।

তিনি বলেন, বর্তমান সরকার সবসময় কৃষকের পাশেই আছে। করোনামহামারীর মধ্যে কৃষি উৎপাদনকে স্বাভাবিক রাখতে এ প্রণোদনার আয়োজন। আর তা বাস্তবায়নে অবশ্যই স্বাস্থ্যবিধি মেনে কাজ করতে হবে। এর মাধ্যমেই হবে খাদ্য নিশ্চিতকরণে সহায়ক।

উপজেলা কৃষি অফিস আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মুনিবুর রহমান। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা ভাইস-চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট মো. মাহবুবুর রহমান মধু এবং উপজেলা মহিলা ভাইস-চেয়ারম্যান রেহেনা বেগম।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন উপজেলা কৃষি অফিসার মোসা. ফাহিমা হক, কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার মো. মাহফুজুর রহমান, এইও তানজিলা আহমেদ প্রমুখ। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে চরবাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. মাহতাব হোসেন সুরুজ এবং শায়েস্তাবাদ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. আরিফুজ্জামান মুন্না অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ।

উল্লেখ্য, চলতি খরিফ-১ মৌসুমের প্রণোদনার অংশ হিসেবে উপজেলার ৮ শ’ ক্ষুদ্র-প্রান্তিক কৃষকের প্রত্যেককে ব্রি ধান৪৮’র ৫ কেজি বীজ, সে সাথে ২০ কেজি ডিএপি এবং ১০ কেজি এমওপি সার বিনামূল্যে দেওয়া হয়।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ১৫, ২০২১ ১১:৩৫ পূর্বাহ্ন
ঝালকাঠিতে বাঙ্গির বাম্পাল ফলন হলেও হতাশায় কৃষকরা
কৃষি বিভাগ

সবুজ-হলুদের মিলবন্ধনের সেজেছে ঝালকাঠিতে মৌসুমী ফল বাঙ্গি। জেলায় এ বছর বাঙ্গির চাষ করা হয়েছে ৫০ হেক্টর জমিতে। এরমধ্যে জেলার সদর উপজেলায় ১০ হেক্টর, নলছিটি উপজেলায় ১৫ হেক্টর, রাজাপুরে ২০ হেক্টর ও কাঁঠালিয়ার পাঁচ হেক্টর জমিতে।প্রায় সাড়ে তিন মাস নিবিড় পরিচর্যার পর মাঠে মাঠে এখন চলছে বাঙ্গি ফল তোলার উৎসব হলেও দুশ্চিন্তা যেন পিঁছু ছাড়ছেনা তাদের।

রাজাপুর উপজেলার শুক্তাগড় গ্রামের চাষিরা জানান, এ বছর কোনো প্রকার প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হওয়ায় এবং পোকার উপদ্রব কম থাকায় বাঙ্গির লাভজনক উৎপাদন হয়েছে। উৎপাদিত ফসল নিয়ে তারা আশায় বুক বাঁধলেও সুলভ মূল্যে বিক্রি নিয়ে চরম দুশ্চিন্তায় রয়েছেন। তারা ভেবেছিলেন এ বছর লাভের মুখ দেখবেন। এনজিও থেকে আনা চড়া সুদের ঋণের বোঝাও সহজেই মেটাতে পারবেন। কিন্তু বিপাকে পড়েছেন করোনা সংক্রমণ থেকে সুরক্ষায় সারাদেশের লকডাউনের কারণে।

এখন উৎপাদিত বাঙ্গির বাজার দর না পাওয়ায় কিছুটা শঙ্কিত তারা। চাষি হারুন সিকদার (৪৫) জানান, আড়াই বিঘা জমিতে বাঙ্গির চাষ করেছি। প্রতি বছরের তুলনায় এ বছর ফলনও অনেক ভালো হয়েছে। মৌসুমের শুরুতে স্থানীয় বাজারে বিক্রি করতে পারলেও দ্রুত রফতানি এবং পরিবহন ব্যয় বাড়ায় খরচ পুষিয়ে অন্যত্র বিক্রি করতে পারেননি।

ফলে অনেক ফসল খেতেই নষ্ট হওয়ার উপক্রম হয়েছে। স্থানীয় বাজারে মৌসুমের শুরুতে দাম ভালো পেলেও দু’সপ্তাহের মধ্যে সে দাম দ্রুত হ্রাস পেতে শুরু করে। কয়েকদিন পূর্বে স্থানীয় বাজারে বড় আকারের বাঙ্গির দাম ৮০-৯০ টাকা, মাঝারির দাম ৬৫ থেকে ৭০ টাকা এবং ছোটটির দাম ৫০-৫৫ টাকা দরে বিক্রি করা হয়েছে। কিন্তু সোমবার (৫এপ্রিল) থেকে সারাদেশে লক ডাউনের কারণে এখন স্থানীয় বাজারেও এ দাম পাওয়া যাচ্ছে।

উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. তরিকুল ইসলাম জানান, এ বছর বাঙ্গির বাম্পার ফলন হয়েছে। তাই কৃষকের মুখে হাসি ফুটেছিলো। পুরো চৈত্র ও বৈশাখ মাসজুড়ে কৃষদের ফসল তোলা আর বিক্রির মৌসুম। কিন্তু যাতায়াতের সুব্যবস্থা না থাকা ও মূল বিক্রির সময়টাতে লকডাউনে পতিত হওয়ায় এখন কিছুটা দুশ্চিন্তায় রয়েছে চাষিরা। জমি তৈরি, সার প্রয়োগ, বীজ বপন ও পরিচর্যার সব কিছুতেই কৃষি বিভাগ পাশে থেকে সবধরনের পরামর্শ ও সহযোগিতা দিচ্ছে বলেও জানান তিনি।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ ফজলুল হক জানান, ‘বাঙ্গির বাম্পার ফলন দেখে মন জুড়িয়ে যায়। যে কোনো সহযোগিতার জন্য আমরা প্রস্তুত। কৃষকরা একটু পরিশ্রমী হলে বহুমুখী ফসল উৎপাদন করে আরও বেশি সফল হতে পারে বলে তিনি আশা ব্যক্ত করেছেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ১৪, ২০২১ ৩:০৮ অপরাহ্ন
নড়াইলে ব্যস্ত সময় যাচ্ছে করলা চাষিদের
কৃষি বিভাগ

করলার চাহিদা ও দাম ভালো থাকায় খুশি নড়াইল জেলার লোহাগড়া উপজেলার নলদী ও নোয়াগ্রাম ইউনিয়নের ছয়টি গ্রামের দুই হাজারের বেশি কৃষক। এখন ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন সেখানকার করলা চাষিরা। সেখানকার করলা খুলনা বিভাগের বিভিন্ন জেলার পাশাপাশি রাজধানীতে সরবরাহ করা হয়।

জানাগেছে, প্রায় এক যুগ আগে লোহাগড়া উপজেলার নলদী ইউনিয়নে করলা চাষ শুরু হয়। লাভ বেশি হওয়ায় পরবর্তীতে নোয়াগ্রাম ইউপির ব্রাহ্মণডাঙ্গা ও বাড়ীভাঙ্গা গ্রামে চাষ ছড়িয়ে পড়ে। অন্যান্য ফসলের তুলনায় লাভ বেশি হওয়ায় এ এলাকার মানুষ করলা চাষে আগ্রহী হয়ে ওঠেন। আবহাওয়া ও মাটির গুনাগুণ উচ্ছে চাষের উপযোগী হওয়ায় ফলনও ভালো পাচ্ছেন চাষিরা। বিভিন্ন জাতের করলার চাষ হয়েছে এ এলাকায়।

কৃষি বিভাগ জানায়, জেলার লোহাগড়া উপজেলায় ১০৫ হেক্টর জমিতে করলা চাষ হয়েছে। যার অধিকাংশই নলদী ইউনিয়নের নওয়াপাড়া, বারইপাড়া, গাছবাড়িয়া ও জালালসী ও পার্শ্ববর্তী নোয়াগ্রাম ইউনিয়নের ব্রাহ্মণডাঙ্গা ও বাড়ীভাঙ্গা গ্রামের মাঠে চাষ হয়েছে।

চাষি আক্তার হোসেন খান জানান, করলা চাষের মধ্যদিয়ে এ এলাকার মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন ঘটেছে। এক যুগের অধিক সময়ে করলা চাষের মাধ্যমে পরিবারে আর্থিক স্বচ্ছলতা ফিরে এসেছে। বাড়িতে পাঁকাঘরের পাশাপাশি সন্তানদের পড়াশোনাসহ সাংসারিক সব খরচই চলে করলা চাষের টাকা দিয়ে।

নড়াইল কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর উপ-পরিচালক দীপক কুমার দে জানান, রবি মৌসূমে নড়াইল জেলায় ৩ হাজার ৫ হেক্টর জমিতে সবজির চাষ হয়েছে। এর মধ্যে লোহাগড়া উপজেলার দুটি ইউনিয়নেই ১০৫ হেক্টর জমিতে করলা চাষ হয়েছে। কৃষি বিভাগের মাঠ পর্যায়ে কর্মরত উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তারা বিষমুক্ত ও স্বাস্থ্য সম্মত উচ্ছে চাষাবাদে সার্বক্ষণিক চাষিদের পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছেন। আশা করি আগামীতে এ এলাকায় করলাসহ অন্যান্য সবজির চাষাবাদ আরও বৃদ্ধি পাবে বলে তিনি আশা করেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ১৪, ২০২১ ১১:১৩ পূর্বাহ্ন
মাগুরায় পেঁয়াজের লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়েছে চাষিরা
কৃষি বিভাগ

মাগুরায় চলতি মৌসুমে পেঁয়াজের বাম্পার ফলন হয়েছে। সেখানে এবার পেঁয়াজ চাষের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৯ হাজার ৪০০ হেক্টর জমিতে।চাষ হয়েছে ১০ হাজার ৫০০ হেক্টর জমিতে। যা লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় ১ হাজার ১০০ হেক্টর বেশি। আর এতে খুশ সেখান চাষিরা।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর সূত্রে জানা গেছে, এ বছর জেলায় লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি জমিতে পেঁয়াজ চাষ হয়েছে। চলতি মৌসুমে জেলায় পেঁয়াজ চাষের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৯ হাজার ৪০০ হেক্টর জমিতে। চাষ হয়েছে ১০ হাজার ৫০০ হেক্টর জমিতে। যা লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় ১ হাজার ১০০ হেক্টর বেশি। এর মধ্যে সদর উপজেলায় ১ হাজার ১৯০ হেক্টর, শ্রীপুরে ৬ হাজার ৩৫০ হেক্টর, শালিখায় ১ হাজার ১৪০ হেক্টর এবং মহম্মদপুরে ১ হাজার ৮২০ হেক্টর জমিতে পেঁয়াজ চাষ হয়েছে ।

কৃষি বিভাগ আশা করছেন এবার চাষকৃত জমি থেকে ১ লাখ ৪৭ হাজার মেট্রিক টন পেঁয়াজ উৎপাদন হবে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় জেলার পেঁয়াজের ফলন অনেক ভালো হয়েছে। ভালো দাম পাওয়ায় কৃষকরাও লাভবান হচ্ছেন।

এ ছাড়া জেলায় পেঁয়াজের আবাদ সফল করতে কৃষি বিভাগ মাঠ পর্যায়ে বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করায় পেঁয়াজের ফলন অনেক ভালো হয়েছে। ইতোমধ্যে জেলার কিছু এলাকায় কৃষকরা খেত থেকে পেঁয়াজ উঠিয়ে তার বাজারে বিক্রি করতে শুরু করেছেন।

এ মৌসুমে উচ্চ ফলনশীল জাতের লালতীর কিং, বারি পেঁয়াজ-১, বারি-৪ পেঁয়াজসহ দেশি জাতের পেঁয়াজ চাষ হয়েছে। এসব জাতের পেঁয়াজের সাদ গন্ধ হুবহু দেশি পেঁয়াজের মত। এ ছাড়া কৃষকরা এসব জাতের পেঁয়াজের বাজার মূল্য ভালো পায় এবং এটির সংরক্ষণ করতেও বেশ সুবিধা।

নতুন ওঠা এসব পেঁয়াজ পাইকারি বাজারে ২৮ থেকে ৩০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। চলতি মৌসুমে জেলার চার উপজেলার মধ্যে শ্রীপুর উপজেলায় সবচেয়ে বেশি জমিতে পেঁয়াজের চাষ হয়েছে।

কৃষক পরিমল বাছাড় জানান, তিনি এ বছর প্রায় সাড়ে ৩ বিঘা জমিতে লালতীর কিং জাতের পেঁয়াজ চাষ করেছেন। যা থেকে তিনি প্রায় ১৩৫ থেকে ১৫০ মণ পেঁয়াজ পাওয়ার পাশপাশি ভালো দামে বিক্রি করতে পারবেন বলে আশা করছেন।

এ বিষয়ে জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক সুশান্ত কুমার প্রামাণিক জানান, এবার আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় জেলায় পেঁয়াজের ফলন অনেক ভালো হয়েছে । পেঁয়াজ চাষ সফল করতে কৃষকদের বিভিন্নভাবে পরামর্শ ও সহযোগিতা করা হয়েছে। এ মৌসুমে প্রাকৃতিক দুর্যোগ না থাকার কারণে পেঁয়াজের কোন ক্ষতি হয়নি। ভালো দাম পাওয়ায় কৃষকরা লাভবান হচ্ছেন বলেও তিনি জানান।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ১৩, ২০২১ ৭:০৬ অপরাহ্ন
২৩ কোটি টাকার তরমুজ বিক্রি করবে ফেনীর চাষিরা
কৃষি বিভাগ

৩১৭ হেক্টর জমিতে এবার তরমুজ চাষ হয়েছে ফেনীর সোনাগাজী উপজেলায়। ফেনী থেকেই এসব তরমুজ চলে যাচ্ছে দেশের বিভিন্ন জায়গায়। তরমুজে বাম্পার ফলনের সাথে আকারেও বড় এবারের ফেনীর তরমুজ। চলতি মৌসুমে তরমুজ চাষে ৯ কোটি টাকা খরচ করে অন্তত ২৩ কোটি টাকার তরমুজ বিক্রির প্রত্যাশা করছেন এসব এলাকার প্রায় অর্ধহাজার তরমুজ চাষি।

জানা যায়, ২০১৭ সালে নোয়াখালী এলাকা থেকে আগত এক কৃষক পরীক্ষামূলকভাবে সোনাগাজীর চরদরবেশ ইউনিয়নে তরমুজ চাষ করেন। ওই বছরে তার সফলতা দেখে ২০১৯ সালে ৮ থেকে ১০ জন কৃষক তাদের জমিতে রবি মৌসুমে তরমুজ চাষ করে লাভবান হন। উৎপাদনে সম্ভাবনা ও ভালো দাম পেয়ে নোয়াখালীর সুবর্ণচর এলাকা থেকে কিছু কৃষক ২০২০ সালে সোনাগাজীর সমুদ্র উপকূলীয় এলাকায় এসে ১০৫ হেক্টর জমিতে বাণিজ্যিকভাবে তরমুজ চাষ শুরু করেন।

কম সময়ে বেশি লাভ পাওয়ায় এবার উপজেলার চরছান্দিয়া, চরদরবেশ ও আমিরাবাদ ইউনিয়নে ৩১৭ হেক্টর জমিতে তরমুজ চাষ হয়েছে। চলতি মৌসুমে সোনাগাজীতে ১৬০ হেক্টর জমিতে ভিক্টর সুগার জাত, ১২২ হেক্টর জমিতে ওশেন সুগার ব্ল্যাক বেরি, ৩৫ হেক্টর জমিতে অন্যান্য জাতের তরমুজ চাষ হয়েছে।

কৃষি বিভাগ জানায়, সমুদ্রের উপকূলে জেগে ওঠা সোনাগাজীর চরগুলো বছরের পর বছর অনাবাদী পড়ে থাকতো। বছরের কিছু সময় এসব অনাবাদী জমিকে মহিষের চারণ ভূমি হিসেবে ব্যবহার করা হলেও বেশিরভাগ সময়ই খালি থাকতো। এখন ওইসব অনাবাদি জমিতেই চলছে তরমুজ চাষ।

সোনাগাজীতে তরমুজ চাষিদের বেশিরভাগ কৃষক নোয়াখালীর সুবর্ণচর এলাকা থেকে এসেছেন। স্বল্প সময়ের জন্য চরাঞ্চলে আসা এ কৃষকরা খেতেই তাবু লাগিয়ে অস্থায়ী বসতি তৈরি করেছেন। খেত থেকে তরমুজ তোলা শেষ হলে তারা পুনরায় নিজ এলাকায় ফিরে যাবেন।

সোনাগাজী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. সাজ্জাদ হোসেন মজুমদার জানান, চলতি মৌসুমে সোনাগাজীতে তরমুজের বাম্পার ফলন হয়েছে। আকারে প্রতিটি তরমুজ ৬ থেকে ৭ কেজি হওয়ায় ও দাম ভালো পাওয়ায় চাষিরা ভালো লাভবান হবেন। এছাড়াও স্বাদ ভালো হওয়ায় পাইকার ও খুচরা বিক্রেতারাও সোনাগাজীর তরমুজ বিক্রি করতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন। আগামী ২ থেকে ৩ সপ্তাহের মধ্যেই তরমুজ তোলা শেষ হবে বলে জানান তিনি।

উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা প্রতাপ চন্দ্র নাথ জানান, চলতি মৌসুমে সোনাগাজীতে ৩১৭ হেক্টর জমিতে তরমুজের চাষ হয়েছে। এখন চাষিরা তরমুজ তোলা ও বিক্রিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন। স্বাদ ভালো হওয়ায় দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে পাইকাররা সোনাগাজী থেকে গাড়ি ভর্তি করে তরমুজ নিয়ে যাচ্ছেন বিভিন্ন জেলায়।

তিনি জানান, চলতি মৌসুমে সোনাগাজীতে প্রতি হেক্টরে গড়ে ৪৯ মেট্টিক টন তরমুজ চাষ হয়েছে। প্রতি বিঘায় প্রায় ৭ কেজি ওজনের ৯০০ থেকে ৯৫০ পিস তরমুজ উৎপাদন হয়েছে। এসব তরমুজ উৎপাদনে বিঘাপ্রতি বীজ, সার, পারিশ্রমিক ও জমি লিজ খরচসহ ৪০ থেকে ৪৫ হাজার টাকা চাষিদের খরচ হয়েছে। এখন প্রতিবিঘায় ১ লাখ থেকে ১ লাখ ২০ হাজার টাকার তরমুজ বিক্রি করছেন চাষিরা।

প্রতাপ চন্দ্র নাথ আরো জানান, প্রতি হেক্টরে প্রায় ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকার তরমুজ বিক্রি হচ্ছে। এ হিসেবে সোনাগাজীতে ৩১৭ হেক্টর জমিতে অন্তত ২৩ কোটি ৭৭ লাখ ৫০ হাজার টাকার তরমুজ উৎপাদন হয়েছে। এসব তরমুজ উৎপাদনে প্রতি হেক্টরে চাষিদের যাবতীয় খরচসহ ব্যয় হয়েছে মাত্র সাড়ে ৯ কোটি টাকা। বিক্রি শেষে তরমুজ চাষে সম্পৃক্ত ৪ শতাধিক কৃষকের অন্তত ১৪ কোটি ২৬ লাখ ৫০ হাজার টাকা লাভ হতে পারে বলে মনে করেন কৃষি বিভাগের এ কর্মকর্তা।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ১৩, ২০২১ ১২:২৫ অপরাহ্ন
বিষমুক্ত সবজি চাষে আগ্রহ বাড়ছে ঘিওরের কৃষকদের
কৃষি বিভাগ

রাসায়নিক সার ও কীটনাশক ছাড়াই বেগুন চাষে সাফল্য পেয়েছেন মানিকগঞ্জের চাষিরা। এছাড়া বিষমুক্ত চাষের দিকেই ‍আগ্রহ বাড়ছে তাদের। লাভজনক হওয়ায় অন্যান্য ফসলের চেয়ে সবজি চাষে বেশি আগ্রহী হয়ে উঠেছে ঘিওরের কৃষকরা।

সূত্র মতে জানা যায়, জৈবিক বালাই দমনে সেক্স ফেরোমন ফাঁদের সাহায্যে বেগুন চাষ করে অধিক লাভবান হয়েছেন ঘিওর উপজেলার বানিয়াজুরী ইউনিয়নের জাবরা এলাকার কৃষক আজিম, মাইলাঘী এলাকার মুন্নাফ মিয়াসহ আরো অনেক কৃষক। সেক্স ফেরোমন পদ্ধতিতে এক বিঘা জমিতে মুন্নাফ মিয়া বিটি-২ জাতের বেগুন চাষ করেছেন। কীটনাশক ও রাসায়নিক সার ছাড়াই উৎপাদিত এই বেগুনের চাহিদাও অনেক বেশি। তিনি জানান, এ পদ্ধতিতে বেগুন চাষ করায় তার ক্ষেতে পোকার আক্রমণ হয়নি। আলু, টমেটো, লালশাক, রসুন, পেঁয়াজসহ বিভিন্ন ধরনের সবজি চাষে ব্যবহৃত হচ্ছে কুইক কমপোস্ট সার।

বহুজা গ্রামের কৃষক বাবর আলীর এ পদ্ধতির সাফল্য দেখে এলাকার অনেক কৃষক এ পদ্ধতিতে বেগুনসহ অন্যান্য সবজি চাষে আগ্রহী হয়ে উঠেছেন। জমির মধ্যে মাটিতে ছোট ছোট দুটি বাঁশের খুঁটি দিয়ে তাতে প্লাস্টিকের বয়াম দু’পাশে বেঁধে ঝুলিয়ে রেখে তার মধ্যে দেয়া হয়েছে সাবান পানি। বয়ামের মাঝখানে একধরনের লেয়র ঝুলিয়ে দিতে হয়। যার ফলে পুরুষ পোকাগুলো গন্ধে আকৃষ্ট হয়ে বয়ামের ভেতরে ঢোকে। বয়ামের নিচের অংশে রাখা সাবান পানিতে পড়ে মারা যায়। ফলে ক্ষতিকর পোকার বংশ বৃদ্ধি রোধ হয়।
কৃষক বাবর আলী বলেন, সেক্স ফেরোমন ফাঁদ বসিয়ে বিষমুক্ত বেগুন চাষের সাফল্য কৃষি বিভাগের সহযোগিতা অব্যাহত থাকলে এ অঞ্চলে বিষমুক্ত সবজি চাষ করতে কৃষকরা আরো এগিয়ে আসবেন।

ঘিওর উপজেলা কৃষি অফিসার শেখ বিপুল হোসেন জানান, এক সময়ের অনাবাদি জমিতে বেগুন চাষ করে যেমন উপজেলায় সবজি উৎপাদন বাড়ছে। তেমনি উৎপাদিত হচ্ছে রাসায়নিক সার ও কীটনাশক ছাড়াই বিষমুক্ত সবজি। কম খরচে সবজি চাষ করে লাভবান হচ্ছে কৃষক। আর অপরদিকে বিষমুক্ত সবজিও পাচ্ছেন ক্রেতারা।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ১৩, ২০২১ ১০:২৫ পূর্বাহ্ন
নাটোরে কৃষকদের মাঝে কৃষি যন্ত্রপাতি বীজ ও সার বিতরণ
কৃষি বিভাগ

নাটোরে সদর উপজেলার ৫০০ ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকের মাঝে উফশী আউশ ধান উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে সার ও বীজ বিতরণ করা হয়েছে।

সোমবার(১২ এপ্রিল) বেলা ১২টায় উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আয়োজিত একই অনুষ্ঠানে উপজেলার তিনজন আদর্শ কৃষকের হাতে পঞ্চাশ ভাগ ভর্তুকি মূল্যে কম্বাইন্ড হার্ভেষ্টার মেশিনের চাবি তুলে দেওয়া হয়।

নাটোর-২ আসনের (নাটোর সদর ও নলডাঙ্গা) সংসদ সদস্য মোঃ শফিকুল ইসলাম শিমুল অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি প্রধান অতিথি হিসেবে সংযুক্ত হন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য শিমুল বলেন, কৃষি বান্ধব বর্তমান সরকার প্রণোদনা ও পুনর্বাসন কর্মসূচি নিয়ে সব সময় কৃষকদের পাশে থাকে। কৃষি ও কৃষকের কল্যাণে সরকারের গৃহীত অসংখ্য কার্যকর পরিকল্পনা বাস্তবায়নের কারণেই খাদ্য ঘাটতির দেশ থেকে বাংলাদেশ খাদ্য উদ্বৃত্ত দেশে পরিণত হয়েছে। জননেত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শী নেতৃত্বে কৃষিতে আমাদের অগ্রযাত্রা ভবিষ্যতে আরো বেগবান হবে বলে তিনি জানান।

নাটোর সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. জাহাঙ্গীর আলম সভা প্রধানের দায়িত্ব পালন করেন। অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি অধ্যাপক শামসুল ইসলাম ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ মোর্ত্তজা আলী বাবলু, নাটোর সদর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ-আল-সাকিব বাকি এবং উপজেলা কৃষি অফিসার মোঃ মেহেদুল ইসলাম। নাটোর সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ শরিফুল ইসলাম রমজান ভার্চুয়ালি বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন ।

নাটোর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় প্রত্যেক কৃষক নিজের একবিঘা জমিতে আউশ ধান চাষাবাদের জন্যে বিনামূল্যে প্রয়োজনীয় পাঁচ কেজি বীজ এবং সার সহায়তা বাবদ ২০ কেজি করে ডিএপি ও ১০ কেজি করে এমওপি সার পাচ্ছেন। করোনা সংক্রমণ পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বাস্থ্যবিধির সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে উপজেলা পরিষদ চত্বরে সদর উপজেলার দিঘাপতিয়া ইউনিয়নের মনোনীত ৮০ জন প্রান্তিক কৃষককে সার ও বীজ হস্তান্তর করা হয়। পর্যায়ক্রমে অন্যান্য ইউনিয়নের কৃষকবৃন্দকে সার ও বীজ প্রদান করা হবে।

আউশের আবাদ সম্প্রসারণের লক্ষ্যে সরকার প্রণোদনার মাধ্যমে কৃষক পর্যায়ে ব্রি ধান-৪৮, ব্রি ধান-৫৫, ব্রি ধান-৮২ এবং বিনা ধান-১৯ এর মত উন্নত আউশ ধানের বীজ সরবরাহ করছে। এসব উফশী জাতের ফলন অনেক বেশী এবং প্রায় বোরো ধানের কাছাকাছি। বাজারে ধানের দামও ভালো। কৃষকগণ সরকারের প্রণোদনা গ্রহণ করে পুনরায় আউশ আবাদে আগ্রহী হয়ে উঠবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তারা।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop